যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ১৭ Jul, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 01:39pm

|   লন্ডন - 08:39am

|   নিউইয়র্ক - 03:39am

  সর্বশেষ :

  পুলিশবাহী মাইক্রো বাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ৩   মানবতাবিরোধী অপরাধ : মৌলভীবাজারের ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড   প্রাইজমানির ৫ লক্ষ ডলার প্রতিবন্ধী শিশুদের দিয়ে দিচ্ছেন এমবাপে   বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রাখা সোনা হয়ে গেল মিশ্র ধাতু!   লং বিচ কাইট ফেস্টিভ্যাল-এর ৫ম আসর ১২ আগস্ট   ওসমানী মেডিকেলে রোগীর নাতনিকে ধর্ষণ, ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক   ছাত্রলীগকে ‘আবার মানুষ হওয়ার’ পরামর্শ ঢাবি শিক্ষকের   ফিনল্যান্ডে ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক   শিরোপা উদযাপন করতে গিয়ে প্যারিসে সহিংসতা, নিহত ২   ঘিঞ্জি মহল্লা থেকে বিশ্বমঞ্চে কিলিয়ান এমবাপ্পে   ভারতে মোদির জনসভায় শামিয়ানা ভেঙে আহত ৬৭   লিবিয়ায় কনটেইনার লরি থেকে বাংলাদেশিসহ ৯০ অভিবাসী উদ্ধার   কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পূর্ণ সমর্থন দিলো বিএনপি   যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে ইরানের মামলা   কোটার রায় কি বৈধ ছিল?

>>  বিনোদন এর সকল সংবাদ

শাশুড়িদের কাছে মিথিলার চিঠি

দেশের একজন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত মডেল ও অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। বিভিন্ন রকম সমাজ সেবা ও সমাজ সচেতনতামূলক কাজেও তিনি জড়িত। কাজ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে নারী অধিকার ও নারী-পুরুষের সমমযার্দা নিয়ে।

মিথিলা বিশ্বাস করেন, নারী-পুরুষের সমমযার্দার অনেকখানি নিশ্চিত করতে পারে শুধু নারীরাই। সেই বিশ্বাসেই তিনি শাশুড়িদের প্রতি একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। সম্প্রতি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন সেই চিঠি। এটি বেশ আলোচিত হয়েছে। প্রচুর শেয়ার হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে।

চিঠিতে শ্বশুরবাড়িতে একটি মেয়ের নববধূ হিসেবে আগমনের পর তার

বিস্তারিত খবর

‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার- ২০১৬’ প্রদান

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-০৮ ১৪:৩৫:৫৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন। চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য এফডিসি প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছেন। এখন চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য যা যা করা দরকার, আমি সব করে দেব।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রোববার সন্ধ্যায় ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার- ২০১৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন। চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য এফডিসি প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছিলেন। আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি। সেই বিজয়ী জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে চলতে চাই। আমরা আর কোনও ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকতে চাই না। কাজেই শিল্পের দিক থেকেও বিশেষ করে চলচ্চিত্র শিল্পের দিক থেকেও আমরা যেন বিশ্ব মানের চলচ্চিত্র তৈরি করে এগিয়ে যাই। তার জন্য যা করা দরকার আমি করবো। আমি জানি আমার বাবার হাতে তৈরি করা এই এফডিসি। তাই এই শিল্পের জন্য যা যা করা দরকার আমি আমার পক্ষ থেকে করে দেব।’

বক্তৃতার শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহিদ, ইজ্জত হারানো ২ লাখ মা বোনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

চলচ্চিত্রের গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, চলচ্চিত্রে অনেক কথা বলা যায়। সমাজ সংস্কারে ভূমিকা রাখা যায়। একটা সময় মানুষ একটা কারণে এই চলচ্চিত্র দেখা বন্ধ করে দিয়েছিল। এখন কিন্তু আবার চলচ্চিত্রের জগতটা ফিরে আসছে। আমি আশা করি আমাদের চলচ্চিত্র আধুনিক হবে। চলচ্চিত্রশিল্পীরা আরও আধুনিক হবেন। কারণ, বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল। আমরা মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি। সুতরাং আমি আশা করি চলচ্চিত্র উন্নত হোক, গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে যাক। আমি দেখেছি দেশে অনেক ভালো চলচ্চিত্র হয়। সব সময় তো সিনেমা দেখার সুযোগ হয় না। যখন বিমানে করে যাই তখন অবশ্যই সিনেমা দেখি। এই একটাই সুযোগ। নিরিবিলি সুযোগ। তাছাড়া তো সারাদিন ফাইল আর মিটিং নিয়েই ব্যস্ত থাকি।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও আমাদের যে সংগ্রাম তা তুলে ধরা প্রয়োজন। এসময় তিনি চলচ্চিত্র শিল্পীদের কাছে যেতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং যারা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন এবং ভবিষ্যতে যারা পাবেন তাদের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

এময় আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি রহমত উল্লাহসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষেরা। তথ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা (বিএফডিসি) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য সরকার এ বছর ২৬ বিভাগে ২৯ জন শিল্পী ও কলাকুশলীকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

এক নজরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার- ২০১৬

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র : অজ্ঞাতনামা

শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র : ঘ্রাণ

শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র : জন্মসাথী

শ্রেষ্ঠ পরিচালক : অমিতাভ রেজা চৌধুরী (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা (প্রধান চরিত্র) : চঞ্চল চৌধুরী (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (প্রধান চরিত্র) : যৌথভাবে আফরোজা ইমরোজ তিশা (অস্তিত্ব) ও কুসুম শিকদার (শঙ্খচিল)

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা (পার্শ্ব চরিত্র) : যৌথভাবে আলীরাজ (পুড়ে যায় মন) ও ফজলুর রহমান বাবু (মেয়েটি এখন কোথায় যাবে)

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (পার্শ্ব চরিত্র) : তানিয়া আহমেদ (কৃষ্ণপক্ষ)

শ্রেষ্ঠ খল-অভিনেতা : শহীদুজ্জামান সেলিম (অজ্ঞাতনামা)

শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী : আনুম রহমান খান সাঁঝবাতি (শঙ্খচিল)

শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক : ইমন সাহা (মেয়েটি এখন কোথায় যাবে)

শ্রেষ্ঠ গায়ক : ওয়াকিল আহমেদ (দর্পণ বিসর্জন, গান: অমৃত মেঘের বাড়ি…)

শ্রেষ্ঠ গায়িকা: মেহের আফরোজ শাওন (কৃষ্ণপক্ষ, গান: যদি মন কাঁদে…)

শ্রেষ্ঠ গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার (মেয়েটি এখন কোথায় যাবে, গান: বিধিরে ও বিধি বিধি..)

শ্রেষ্ঠ সুরকার : ইমন সাহা (মেয়েটি এখন কোথায় যাবে, গান- বিধিরে ও বিধি বিধি..)

শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার : তৌকীর আহমেদ (অজ্ঞাতনামা)

শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার : অনম বিশ্বাস ও গাউসুল আলম (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা : সৈয়দা রুবাইয়াত হোসেন (আন্ডার কনস্ট্রাকশন)

শ্রেষ্ঠ সম্পাদক : ইকবাল আহসানুল কবির (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ শিল্পনির্দেশক : উত্তম গুহ (শঙ্খচিল)

শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক : রাশেদ জামান (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক : রিপন নাথ (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা : যৌথভাবে সাত্তার (নিয়তি) ও ফারজানা সান (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ মেকাপম্যান : মানিক (আন্ডার কনস্ট্রাকশন)


এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

নিউ ইয়র্কে কনস্যুলেট জেনারেলের উদ্যোগে কিশোর চলচ্চিত্র ‘আঁখি ও তার বন্ধুরা’র প্রদর্শনী

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-২৭ ১২:৪৭:২৫

নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল এর উদ্যোগে গত ২২শে জুন ২০১৮, শুক্রবার, সন্ধ্যা ৭:৩০-টায় Museum of the Moving Image [36-01 35 Avenue (at 37 Street), Astoria, NY 11106]-- এ “আঁখি ও তার বন্ধুরা” শীর্ষক চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী হয়েছে। উল্লেখ্য, Museum of the Moving Image নিউইয়র্কস্থ একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র বিষয়ক প্রতিষ্ঠান।

প্রদর্শনীর পূর্বে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত  মাসুদ বিন মোমেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে জাতিংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কনুস্যলেট জেনারেল এর নবনিযুক্ত কনসাল জেনারেল মিজ্ সাদিয়া ফয়জুননেসা। তিনি তাঁর বক্তব্যে বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিরা, প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে, কিভাবে সমাজে ও জীবনের সর্বক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে এ বিষয়টি তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি এবং কনসাল জেনারেল তাদের বক্তব্যে বলেন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের পক্ষে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। 

এ সময় ছবিটির পরিচালক ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা মোর্শেদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। কনসাল জেনারেলের পরিচালনায় প্রশ্নোত্তর পর্বে পরিচালক ছবিটির পটভূমি তুলে ধরেন।

নিউইয়র্কস্থ প্রবাসী বাংলাদেশী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিদেশী ছবিটি উপভোগ করেন। ছবিটি উপস্থিত বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের মুগ্ধ করে। প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত ছিলেন। 

সবশেষে কনসাল জেনারেল আগত দর্শনার্থীদের ছবিটি দেখার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে এরূপ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী আয়োজনের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন। 


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

শাহানা কাজীর নতুন মিউজিক ভিডিও

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-২০ ১৩:৫৭:৪৭

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান কণ্ঠশিল্পী শাহানা কাজী। প্রবাসে থাকলেও দেশীয় গান দিয়ে সেখানে সুনাম কুড়িয়েছেন এই শিল্পী। এবার যুগের সাথে তাল মিলিয়ে মিউজিক ভিডিও নিয়ে দর্শকদের জন্য নতুন চমকে হাজির হলেন শাহানা কাজী।

সম্প্রতি শাহানা কাজী তার ইউটিউব চ্যানেলে ‘আমি সেই দিন’ শীর্ষক গানটির মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করেছেন। ভিডিওটি চিত্রায়িত হয়েছে কানাডার টরন্টোতে এবং প্রকাশ হয়েছে কানাডার ব্লসম মিউজিক এর ব্যানারে। সেখানে মডেল হয়েছেন তিনি নিজেই। গানটির ভিডিও গত বছর প্রকাশ করার কথা ছিল কিন্তু বিশেষ কিছু কারণে গত বছর সেটা সম্ভব হয়নি। গানের কথা লিখেছেন কবির বকুল।

শাহানা কাজী বলেন, ‘একটা সময় শ্রোতারা শুধু গান শুনতেন। এখন প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষের চাহিদার পরিবর্তন হয়েছে। তারা গান শোনার পাশাপাশি এর দৃষ্টিনন্দন ভিডিও দেখতে চান। এই কারণেই ভিডিওটি করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘শ্রোতারা ফেসবুকসহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে জানিয়েছেন, তারা আমার গানের মডেল হিসেবে আমাকেই মিউজিক ভিডিওতে দেখতে চান। দর্শক-শ্রোতাদের এই আগ্রহের কারণেই আমি নতুনরূপে মিউজিক ভিডিওতে হাজির হয়েছি। আশা করি, দর্শক-শ্রোতারা গানটি পছন্দ করবেন।’

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুপরিচিত কণ্ঠশিল্পী শাহানা কাজী ইতিমধ্যে বলিউডের অনেক প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পীদের সাথে এক মঞ্চে গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। আতিফ আসলামের সাথে তিনি তিনটি কনসার্ট করেছেন। এছাড়াও শাহানা কাজী সুনিধি চৌহান, সোনু নিগম, কুমার শানু, অলকা ইয়াগনিক ও আয়ুষ্মান খোরানার সঙ্গে বেশ অনেকগুলো কনসার্টে একই মঞ্চে লাইভ পারফর্ম করে শ্রোতা দর্শকদের মাতিয়েছেন।

বলিউড কনসার্টের পাশাপাশি গত বছর টরন্টোতে অনুষ্ঠিত কানাডার বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল-এ বাংলা সঙ্গীতের জীবন্ত কিংবদন্তি সাবিনা ইয়াসমীন এবং ঢাকাই চলচ্চিত্রের স্বর্ণালী যুগের প্লেব্যাক সম্রাট সৈয়দ আব্দুল হাদীর সঙ্গেও এক মঞ্চে গান করে শ্রোতা দর্শকদের মাতিয়েছেন তিনি।

শাহানা কাজী টরন্টোর ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। ২০১৫ সালে কানাডা থেকে প্রকাশিত হয় শাহানা কাজীর ‘ভালোবাসার কথা’ শীর্ষক একক গানের এ্যালবাম। আর এই অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সঙ্গীতাঙ্গনে সুরের মায়াজালে অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন শাহানা কাজী। বর্তমানে তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ-এ ফলোয়ারের সংখ্যা ২২ লাখ ছাড়িয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

কারামুক্ত হলেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-১১ ১৫:৪১:৩৭

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে দায়ের করা মামলায় আদালত জামিন দেয়ার পর কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার বিকেল ৪ টায় কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কেশব রায় চৌধুরী তিন যুক্তিতে আসিফকে জামিন দেন। এর পরে তাঁর জামিননামা (বেইলবন্ড) আদালতে দাখিল করা হলে বিচারক আসিফকে কারাগার থেকে মুক্তি দিতে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কতৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

গত ৪ জুন সন্ধ্যায় দায়ের করা এ মামলার এজাহারে শফিক তুহিন অভিযোগ করেন, ১ জুন রাত ৯টার দিকে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সার্চলাইট নামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসিফ আকবর অনুমতি ছাড়াই তাঁর সংগীতকর্মসহ অন্যান্য গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীর ৬১৭টি গান সবার অজান্তে বিক্রি করেন।

এরপর গত ৫ জুন দিবাগত রাত দেড়টার দিকে শিল্পী ও সুরকার শফিক তুহিনের দায়ের করা মামলায় আসিফ আকবরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাঁর বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় আসিফ আকবর ছাড়া আরো চার-পাঁচজন অজ্ঞাত আসামি রয়েছে।

৬ জুন আসিফ আকবরকে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কেশব রায় চৌধুরীর আদালতে হাজির করা হয়। তখন পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে। অন্যদিকে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন আসিফের আইনজীবী। শুনানি শেষে আদালত আসিফ আকবরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড নেওয়ার আবেদন নামঞ্জুর করে দেন। পরে জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠান আদালত।


এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

ক্ষমা চাইলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-১০ ১৬:১৯:১৩

ক্ষমা চেয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। যুক্তরাষ্ট্রের একটি টিভি সিরিজ ‘কুয়ানটিকো’তে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। স্পাই থ্রিলার ওই টিভি সিরিজে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রিয়াঙ্কা। তাতে দেখানো হয়েছে কাশ্মীর সম্মেলনকে সামনে রেখে হিন্দুদের একটি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছেন তিনি। তার এ ভূমিকায় ভারতীয় অনেক ভক্ত আহত হয়েছেন। তারা প্রিয়াঙ্কাকে আক্রমণ করে অনলাইনে অনেক বাঁকা উক্তি করছেন।
এরই প্রেক্ষিতে প্রিয়াঙ্কা টুইট করেছেন। তাতে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। বলেছেন, তিনি নিজেকে একজন গর্বিত ভারতীয় বলে মনে করেন। ওই টিভি শো’র মাধ্যমে তিনি কাউকে কোনোভাবে আহত করে থাকলে তার জন্য ভীষণ দুঃখ প্রকাশ করেছেন। রোববার তিনি যে টুইট করেছেন তা এরকম- কুয়ানটিকোর সাম্প্রতিক একটি পর্বের জন্য অনেকের অনুভূতিতে আঘাত লাগায় আমি ভীষণভাবে দুঃখিত। আসলে এভাবে আঘাত দেয়া আমার কোনো ইচ্ছে ছিল না এবং কখনো থাকবে না। আমি আন্তরিকভাবে এ জন্য ক্ষমা চাইছি। আমি গর্বিত একজন ভারতীয়। আমার এ অবস্থানের কখনো পরিবর্তন হবে না।

বিস্তারিত খবর

শিল্পী আসিফ কারাগারে

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-০৬ ০৬:১১:১১

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে দায়ের করা মামলায় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

বুধবার সিআইডির বাংলাদেশ সাইবার পুলিশ ব্যুরোর উপ পুলিশ পরিদর্শক প্রলয় রায় আদালতে আসিফের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কেশব রায় চৌধুরীর আদালত এ রায় দেন। এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আসিফ আকবরকে আদালতে আনা হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে গীতিকার, সুরকার ও গায়ক শফিক তুহিনের করা মামলায় গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরকে মগবাজারে তার অফিস থেকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার সন্ধ্যায় শফিক তুহিন মামলাটি করেন। মামলায় আসিফ ছাড়া আরো চার-পাঁচজন অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছেন।

শফিক তুহিন মামলায় অভিযোগ করেন, গত ১ জুন রাত ৯টার দিকে একটি চ্যানেলের ‘সার্চ লাইট’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসিফ অনুমতি ছাড়াই তার সংগীতকর্মসহ অন্য গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীদের ৬১৭টি গান সবার অজান্তে বিক্রি করেছেন।

পরে তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, আসিফ তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গানগুলো ডিজিটাল রূপান্তর করে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছেন।

শফিক তুহিন  অভিযোগে উল্লেখ করেন, ‘ঘটনা জানার পর তিনি ২ জুন রাতে অনুমোদন ছাড়া গান বিক্রির বিষয়টি উল্লেখ করে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট দেন। তার সেই পোস্টের নিচে আসিফ অশালীন মন্তব্য ও হুমকি দেন।’

‘পরের দিন রাত ১০টার দিকে আসিফ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে আসেন। লাইভে শফিক তুহিনের বিরুদ্ধে অবমাননাকর, অশালীন ও মিথ্যা বক্তব্য দেন। আসিফ লাইভে শফিক তুহিনকে শায়েস্তা করবেন বলেও হুমকি দেন। পাশাপাশি ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলেন, শফিক তুহিনকে যেখানেই পাবেন, সেখানেই প্রতিহত করবেন।’

‘আসিফের এই বক্তব্যের পর তার ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শফিক তুহিনকে হত্যার হুমকি দেন। আসিফের লাইভ লাখ লাখ মানুষ দেখেছে। তিনি উসকানি দিয়েছেন। এতে শফিক তুহিনের মানহানি হয়েছে।’


এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

সিডনীতে ‘কঞ্জুস’-এর সফল মঞ্চায়ন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-১৪ ১৩:৫৫:৪১

‘বাঙলা নাটকের শাশ্বত সুর ছড়িয়ে দাও বহুদূর’- এই শ্লোগানে গত শনিবার  সিডনীতে মঞ্চায়ন করা হয়কঞ্জুস”। শনিবার সন্ধ্যায় ব্যাঙ্কস টাউনের ব্রায়ান ব্রাউন থিয়েটার ও ফাংশন সেন্টারে এ নাটক মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে ‘সখের থিয়েটার’ তাদের যাত্রা শুরু করলো। ফরাসী নাট্যকার মলিয়্যরের স্যাটায়ারধর্মী হাসির নাটক ‘দ্য মাইজার’ অবলম্বনে কঞ্জুস নাটকটি বাংলা অনুবাদ করেছেন তারিক আনাম খান।
এক সময়কার ঢাকা থিয়েটার কর্মী ও নাটকটির নির্দেশক শাহীন শাহনেওয়াজের নির্দেশনায় নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন মাসহুদা জামান ছবি, অরিজিত বড়ুয়া শাওন, মোহাম্মদ খান তুষার, ওয়াসিফ আহমেদ শুভ, শাহীন শাহনেওয়াজ, আফসানা রুচি, রনি জুবায়ের, তানিম মান্নান, শাহীন আক্তার স্বর্ণা, মেহবুব রানা হিলোল, শিরিন আক্তার ও সাদিয়া শাখাওয়াত।

কাহিনী সংক্ষেপপুরানো ঢাকার ষাট বছরের এক হাড়কিপ্টে বুড়োর গল্প নিয়ে গড়ে উঠেছে এই নাটকের কাহিনী। এই কৃপন লোকটার নাম হায়দার আলী। তার পুএের নাম কাযিম আর কন্যার লাইলী। লাইলী ভালবাসে তাদের খাঁস নোকর বদি মিয়াকে যার সাথে পরিচয় হয়েছিল এক সমুদ্রতীরে। শুধু প্রেমের কারনেই নিজের পরিচয় গোপন করে বদি মিয়া লাইলীদের বাড়ীতে চাকরের কাজ নেয়। অন্যদিকে পুএ কাযিম প্রেমে পড়ে যায় পাশের মহল্লার মর্জিনার সঙ্গে। কিন্তু সমস্যা বাধেঁ তখন যখন কঞ্জুস হায়দারআলী পুএের প্রেমিকাকে বিয়ে করার জন্য ঘটকালির দায়িত্ব দেয় গোলাপজানকে।
অপরদিকে নিজের পুএের বিয়ে ঠিক করে এক বিধবার সঙ্গে এবং যৌতুকের টাকা বাঁচানোর জন্য কন্যা লাইলীর জন্য পাএ ঠিক করে তারই বন্ধু পঞ্চাশ বছর বয়সী আসলাম বেগের সঙ্গে । ঘটনা তুঙ্গে উঠে তখন,যখন কঞ্জুস হায়দার আলীর মাটির নীচে লুকিয়ে রাখা বিশ হাজার টাকা চাকর লাল মিয়া চুরি করে তারই পুএ কাযিমের হাতে তুলে দেয়। আরেক চাকর কালা মিয়া চুরির অপরাধে ফাঁসিয়ে দিতে চায় খাঁস নোকর বদি মিয়াকে। হায়দার আলী টাকার শোকে পাগল হয়ে পুলিশের কাছে নালিশ জানায়। ঘটনাস্থলে উপস্হিত হয় আসলাম বেগ। পরিশেষে জানা য়ায় লাইলীর প্রেমিক বদি ও কাযিমের প্রেমিকা মর্জিনা প্রকৃতপক্ষে আসলাম বেগেরই সন্তান। একসময় কাযিম জানায় যে সে চুরি যাওয়া টাকার হদিস জানে। যদি হায়দার আলী মর্জিনার সাথে তার বিয়েতে রাজি হয় তাহলে সে সমস্ত টাকা ফিরিয়ে দেবে। হায়দার আলী সন্তানদের বিয়েতে কোন টাকা খরচ করতে পারবে না বলে জানিয়ে দেয়, অবশেষে আসলাম বেগ বিয়েতে খরচের জন্য সমস্ত টাকাপয়সা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে বদি- লাইলী এবং কাযিম–মর্জিনার বিয়ের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নাটকটির আনন্দময় পরিসমাপ্তি ঘটে।
উল্লেখ্য, প্রর্দশনী শেষে সিডনীর নাট্যপ্রেমীরা মনে করেন,প্রবাসী জীবনের শত প্রতিকূলতা অতিক্রম করে নাটকটির সফল মঞ্চায়ন একটি মাইলফলক। তারা ভবিষ্যতে সখের থিয়েটারের কাছে আরও নতুন নতুন প্রযোজনা দেখতে আশাবাদী।

বিস্তারিত খবর

কান চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের ছবি

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-১৪ ১৩:১৭:১১

রোববার ঝুম বৃষ্টির ঘণ্টাখানেক পর কানের আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল। আর সোমবার সকাল ১০টা থেকেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ঝরছে, অনেকটা আষাঢ়ের বাদলার মতো। এতে অবশ্য চলচ্চিত্র উৎসবের সূচীর কোনো পরিবর্তন হয়নি। উৎসবের প্রাণকেন্দ্র পালে দো ফেস্টিভ্যাল ভবনে সব কিছুই চলছে নিয়ম মেনে, শুধু প্রেস রুমের ভিড়টা অন্যদিনের চেয়ে বেশি। বিশ্ব চলচ্চিত্রাঙ্গনের বাঘা-বাঘা তারকাদের উপস্থিতে চলচ্চিত্র প্রদর্শন, সংবাদ সম্মেলন, রেড কার্পেটে হাঁটাসহ সবই আগের দিনের মতো। তবে আসরের সপ্তম দিনটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ। কারণ এই দিন থেকেই শুরু হয়েছে শর্ট ফিল্ম বিভাগে ছবি প্রদর্শনী। যেখানে বাংলাদেশের ৪টি ছবি দেখানো হবে।

যেহেতু কানে পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলাদেশি ছবির অফিশিয়াল সিলেকশন এখনো সম্ভব হয়নি তাই স্বল্পদৈর্ঘ্য বিভাগের ছবি গুলোই বাংলাদেশকে চেনাবার একমাত্র উপায়। বাংলাদেশ থেকে এবার এ উৎসবের শর্টফিল্ম কর্নারে প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয়েছে চারটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ছবিগুলো হলো— জসিম আহমেদ নির্মিত ‘এ পেয়ার অব স্যান্ডাল’, নোমান রবিন নির্মিত ‘এ কোয়ার্টার মাইল কাউন্ট্রি’, ইকবাল হোসাইন চৌধুরীর ‘রোয়াই’ ও মঞ্জুরুল আলমের ‘মেঘে ঢাকা’ (লাইফ উইদাউট সান)।

এ বিভাগে সারা বিশ্ব থেকে মোট ১ হাজার ৬৭২টি ছবি প্রদর্শিত হবে। উল্লেখ করতে হয়, কানের শর্টফিল্ম কর্নারে গতবার প্রথমবারের মতো দুটি ছবি নিয়ে হাজির হয়েছিল বাংলাদেশ। ছবি দুটো ছিল ইকবাল হোসাইন চৌধুরীর নিরীক্ষামূলক থ্রিলার ঘরানার ছবি ‘ঢাকা ২.০০’ ও জসিম আহমেদের ‘দাগ’।

কোয়ার্টার মাই কান্ট্রি
‘অ্যা কোয়ার্টার মাইল কান্ট্রি’ ছবির দৈর্ঘ্য ৩৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের এ তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছেন নোমান রবিন। ছবিটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া ও তানভীর সেজান ফিল্মস। উখিয়ার থ্যাংখালী, বালুখালীতে অবস্থিত রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মিত ক্যাম্পে, ক্যাম্প থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একজন প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে এবং কক্সবাজারের হিমছড়ির পুলিশ ফাঁড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় এ তথ্যচিত্রটির দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। তবে এই দৃশ্য ধারণ খুব সহজ ছিল না। এর জন্য অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে পুরো ‘অ্যা কোয়ার্টার মাইল কান্ট্রি’ টিমকে। রিফিউজি ক্যাম্পজুড়ে ছিল শুধু মানুষ আর মানুষ। প্রত্যেকের উৎসাহী ও কৌতূহলী দৃষ্টি ভেদ করে চিত্র ধারণ সহজ হলেও, ফিকশন নির্মাণ করা ছিল অকল্পনীয়। এ কঠিন কাজটিই করে দেখিয়েছেন রবিন এবং তার পুরো টিম।

১১ মিনিটের ‘মেঘে ঢাকা’
নির্মাতা মনজুরুল আলম নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মেঘে ঢাকা’ (LIFE WITHOUT SUN) অংশ নিচ্ছে ৭১তম কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের শর্ট ফিল্ম কর্নারে। এ ছবির মূল চরিত্রটির নাম সুবিধাবঞ্চিত শিশু হাবু। সে গ্রামের তাঁতশ্রমিক। পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবাকে নিয়েই তার পৃথিবী। হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে তাঁতশিল্প এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। গ্রামে বেঁচে থাকার অবলম্বন না দেখে বাবাকে নিয়ে হাবু কাজের সন্ধানে ঢাকায় আসে। সেখানেও বাবাকে নিয়ে এক নতুন ঝড়ের মুখে পড়ে সে।
ছবিটি নিয়ে নির্মাতা বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ওপর যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে, একে একটি মানবিক গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরতে চেয়েছি।’

ছবিটির শুটিং হয়েছে পাবনার আটঘরিয়া, রাজধানীর হাতিরঝিল, তেজগাঁও রেলস্টেশন, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন স্থানে।

মুঠোফোনে নির্মিত ‘আ পেয়ার অব স্যান্ডাল’
ছবিটির দৈর্ঘ্য মাত্র চার মিনিট। রোহিঙ্গা শিশুকে নিয়ে এগিয়েছে এ ছবির গল্প। তবে সেই ছবির মূল বিষয়বস্তু একজোড়া স্যান্ডেল। টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে নিজের আইফোনে তোলা এই একটি শট পরিচালক জসীম আহমেদকে আলোড়িত করেছিল। সেই দৃশ্যটিই হয়ে গেল পুরো চলচ্চিত্রের মূল বিষয়বস্তু।

জসীম আহমেদ বলেন, ‘আ পেয়ার অব স্যান্ডাল’ ছবিটি পুরোটাই ধারণ করা হয়েছে আইফোনে, এমনকি এর এডিটিং পর্যন্ত করা হয়েছে আইফোনের আই-মুভিস অ্যাপ দিয়ে। পুরো ছবিতে কেবল শরণার্থীদের ঢল, তাদের দুর্ভোগের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। কোনো সংলাপ নেই। ইংরেজি সাবটাইটেলে বর্ণনা করা হয়েছে রোহিঙ্গাদের কাহিনি। ছবিটি কান উৎসবের শর্ট ফিল্ম কর্নারে জায়গা করে নিয়েছে এ বছর।

ব্রেক্সিট নিয়ে ছবি ‘রোয়াই’
ব্রেক্সিট-পরবর্তী লন্ডন। সেখানে ঘটনাচক্রে আটকে পড়েছেন এক রোহিঙ্গা। কী লেখা আছে তাঁর ভাগ্যে? এ রকম গল্প নিয়ে ইকবাল হোসাইন চৌধুরীর লেখা ও পরিচালিত ১৪ মিনিট ব্যাপ্তির স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি রোয়াই। ছবিটি এবার প্রদর্শিত হবে কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের শর্ট ফিল্ম কর্নারে। ইকবাল হোসাইন চৌধুরী বলেছেন, ‘অভিবাসন সংকট সারা পৃথিবীতেই সব সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। রোয়াই আসলে অভিবাসী মানুষের দ্বন্দ্ব ও সংকটের গল্প।’ কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রাণকেন্দ্র পালে দো ফাস্তিভালে ১৬ মে সন্ধ্যায় প্রদর্শনী হবে বলে জানিয়েছেন এর পরিচালক। ছবিতে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশ, স্পেন, রোমানিয়াসহ নানা দেশের কলাকুশলীরা।ছবির সাউন্ড ডিজাইন করেছেন ইংল্যান্ডের মাইকেল বটরাইট। চিত্রগ্রহণ ও সম্পাদনায় ছিলেন নিশান পাশা।

এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

১২ মে সিডনীতে মঞ্চায়িত হচ্ছে ‘কঞ্জুস’

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-০৮ ১১:৩৬:৫২

ফরাসি নাট্যকার মলিয়েরের কৌতুকপ্রদ ‘দ্য মাইজার’-অবলম্বনে কঞ্জুস নাটকটি অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে মঞ্চায়িত হতে যাচ্ছে। আগামী ১২ মে শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় সিডনির ব্যাংকসটাউনের ব্রায়ান ব্রাউন থিয়েটারেনাটকটি মঞ্চায়িত হবে। নাটকটি রূপান্তর করেছেন তারিক আনাম খান আর সিডনীতে নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন সিডনিপ্রবাসী নাট্যজন শাহীন শাহনেওয়াজ। প্রযোজনা করেছে সিডনির শখের থিয়েটার’ নামে সংগঠনের একঝাঁক নাট্যপ্রেমী।
উল্লেখ্য, গত ৩০ বছর ধরে বাংলাদেশে নিয়মিত মঞ্চায়িত হয়ে আসছে নাটকটি। গত বছরের শেষ নাগাদ ৭০০তম প্রদর্শনীর মাইলফলক অতিক্রম করেছে এ মঞ্চনাটকটি।   এবার তা সিডনিতে মঞ্চায়িত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মঞ্চ নাটকের ইতিহাসে কঞ্জুস নাটকটি একটি মাইলফলক। মলিয়্যর এর হাসির নাটকের ধারা অনুযায়ী অভিনেতা–অভিনেত্রীদের ব্যাঙ্গবিদ্রুপের হাসির সংলাপ, অভিব্যক্তি এবং ঢাকার আঞ্চলিক ভাষার কৌতুকপ্রদ ব্যবহারে নাটকটিকে দর্শকদের কাছে উপভোগ্য করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে সাধ্যানুযায়ী।সিডনীর মঞ্চে আবার নতুনভাবে‘কঞ্জুস’ নাটকটি উপস্থাপন করতে পেরে ‘সখের থিয়েটার‘ এর সবাই আনন্দিত ও আশাবাদী। সংগঠনের সবাই অদূর ভবিষ্যতে নাটকটির আরও মঞ্চায়নের প্রত্যাশী।‘কঞ্জুস’নাটকটি উপভোগ করতে প্রবেশ মূল্য রাখা হয়েছে ২০ অস্ট্রেলীয় ডলার।


এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

বিজুফুল নামকরণের গুরুত্ব ও সার্থকতার বিশ্লেষণ

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-০৭ ১৩:৩৯:০১

পৃথিবীতে অনেক কিছুর মধ্যে সৌন্দর্য্যের অন্যতম হচ্ছে সুন্দর ফুল। ফুলের মধ্যে রয়েছে পাপড়ির বিন্যাস, রঙের বৈচিত্র্য এবং গন্ধের মাধুর্য যা মানুষের মনকে ভরে তোলে স্বর্গীয় আনন্দে। ফুলকে ভালোবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। প্রকৃতি প্রেমী মানুষরাই যুগে পর যুগ ধরে ফুলকে বিভিন্ন ভাবে ভালোবেসে আসছে। ফুল সৌন্দর্যের প্রতীক, ভালোবাসার প্রতীক, পবিত্রতার প্রতীক কিংবা নিষ্পাপতার প্রতীক। শিশুদের ভালো মানুষ নিষ্পাপ-নিষ্কলঙ্ক হতেই অনেকেই উদ্বুদ্ধ করে, ‘ফুলের মতো পবিত্র হও'। শিশুরা নিষ্পাপ ও পবিত্র বলে ফুলের সঙ্গেই তুলনা করেন কালজয়ী মানুষ। আবার সেই মানুষরা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও বলে থাকেন ‘'ফুলের মতো পবিত্র'' নেতা চাই। আসলেই চাওয়া পাওয়ার মাঝেই বলা যায় "ফুল" শ্রেষ্ঠ। তাই মানুষের প্রতি মানুষের যুগ যুগ ধরেই তো সৌন্দর্য ও প্রেম সহজাত। সহজাত সৌন্দর্য কিংবা প্রেম থেকেই বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান অথবা উৎসবে ব্যবহার হয়ে আসছে ফুল।

হিন্দু সনাতন ধর্মে ফুুল ছাড়া পূজার্চনার কথা তাঁরা ভাবতেই পারে না। আবার আল্লাহ্ তা আলার পবিত্র কোরআনেরও বিভিন্ন স্থানেই এ ফুলের কথা উল্লেখ করেছেন। ফুল নিয়ে কবিতা লিখেননি বা ফুল দিয়ে উপমা দেননি এমনটাই বিরল। পৃথিবীর ইতিহাসে এ পর্যন্ত ফুল নিয়ে কবিরা শত-সহস্র কবিতা লিখেছেন তা প্রকাশ করা দুরূহ। কবিতার পাশা পাশি অনেক গানেও ফুলের ব্যবহার অধিক। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ, কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানেও বহুত ফুলের ব্যবহার লক্ষণীয়। এমন কি যে সব ফুলের প্রতি গণ মানুষের কোনো রূপ আগ্রহ নেই বা কখনোই ছিল না, কবি নজরুল সেসব নিয়েও যেন অনবদ্য সঙ্গীত রচনায় মত্ত ছিলেন। লিখবেনই না কেন? অনেকেই তো ফুলকে পুজোনীয় ভাবে দেখেন। কেউ কেউ হয় তো বা তৃপ্তি ভরে কোনও প্রিয় বস্তু বা পুস্তকে অথবা ম্যাগাজিনের মলাটেও ফুলকে ব্যবহার করে। বহুত আগ্রহের সঙ্গেই বলতে হয়, ১৮৪০ সালে ইংল্যান্ডের রানী ভিক্টোরিয়া তাঁর বিয়ের সময়েই প্রিয় মানুষকে ফুল দেয়ার রীতিতেই প্রথম চালু হয়েছিল ভালবাসা নামক ফুল দেওয়া নেওয়ার ব্যবহার। এ ফুল চর্চার বয়স কিংবা ইতিহাস বলা যায় পৌনে ২০০ বছরের। আসলেই বলতে হয় মানব-সংস্কৃতির পরতে পরতেই ছড়িয়ে রয়েছে হরেক রকমের ফুল। তাই বাঙালির জীবনাচার কিংবা ভালোবাসার অর্ঘ্যতে ফুল শুধুই সৌন্দর্য এবং সুবাস ছড়ানোতে যেন সীমাবদ্ধ নয়। ফুলের মাঝেই তো রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ। কিছু ফুল খাওয়াও স্বাস্থ্যের জন্যে অবশ্যই খুব ভালো। সুতরাং ফুল নিয়ে এতো আলোচনার উদ্দেশ্য হলো ধর্মাবলম্বীরাও ফুল ব্যবহার থাকে প্রতিটি কাজে বা স্ব ধর্মের বিধান মতে। তাই এমন 'বিজুফুল' পুস্তকের সম্পাদক সম্পাদনায় সার্থক। এর অঙ্গসজ্জাকে খুব শৈল্পিক ও রুচিশীল করে উপস্থাপনের জন্য। নির্মল বড়ুয়া মিলন বাবুর সম্পাদকীয় লেখাটিকে অবশ্যই মূল্যায়ন করে সত্যিই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন প্রয়োজন।
এই 'বিজুফুল' পুস্তক কিংবা ম্যাগাজিনের নামকরণ অনেক সার্থক একটি নাম। দুষ্প্রাপ্য এমন বিজুফুল পাহাড়ীয়া জঙ্গলেই জন্ম নেয়। চৈত্রের শেষেই নাকি একবারই তা প্রস্ফুটিত হয়। বইয়ের এই মলাটটিকে নান্দনিকতার রূপ দিতেই জুঁই চাকমার তোলা গহীন বনের দুষ্প্রাপ্য এই বিজুফুলের ছবিটি অনেকাংশেই পাঠকে আকর্ষণ করেছে। বিজু ফুলকে নিয়ে আরও বিস্তারিত পর্যালোচনায় জানা যায় যে, বিজুফুলেরই সম্পাদক দুর্দান্ত চিন্তার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। কারণ হলো, বিজু চাকমা আদিবাসী সম্প্রদায়দের অন্যতম প্রধান দিক, তাঁরা আনন্দ-উৎসব করে এই বিজুফুল নিয়ে। বাংলা বছরের শেষের দুই দিন সহ নববর্ষের দিন বিজুফুল দিয়ে উৎসব পালন করে। ফুল নিয়েই কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বলেছেন, জোটে যদি মোটে একটি পয়সা খাদ্য কিনিয়ো ক্ষুধার লাগি । দুটি যদি জোটে অর্ধেকে তার ফুল কিনে নিয়ো, হে অনুরাগী! এমন ফুলই শুধু মিটায় দেহের ক্ষুধা, হৃদয়-প্রাণের ক্ষুধা। সুচতুর অনুমানে প্রচলিত এই ধরনের অনেক ফুলের প্রতি গভীর ভালোবাসা নিয়েই হয়তো নির্মল বড়ুয়া মিলন বইটির নামকরণের সার্থকতা খোঁজে পেয়েছেন। সত্যিই বিজুফুল খুব সার্থক একটি নাম।

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার প্রধাণ ৩ টি আদিবাসী সমাজের বর্ষ বরণ উৎসব। এটি তাদের প্রধাণ সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোর একটি। উৎসবটি ত্রিপুরাদের কাছে বৈসুক, বৈসু বা বাইসু , মারমাদের কাছে সাংগ্রাই ও চাকমা কিংবা তঞ্চঙ্গ্যাদের কাছেই বিজু নামে পরিচিত। বসন্তে যেন হলুদ-সবুজ প্রকৃতি এবং পাহাড় জুড়েই তরু পল্লবে সবুজের আচ্ছাদন। তাই তো বইয়ের প্রচ্ছদে সুদক্ষ সম্পাদক এমন এই রংয়ের চমকপ্রদ সমন্বয় ঘটিয়েছেন। তাঁর এই কর্ম দক্ষতায় এমন উদ্যোগ সত্যিই সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। ঐতিহ্যবাহী বিজুফুলের উৎসব, বন্ধনের এক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও জাতীয় ঐক্যেরই সুদৃঢ় কারণ। তাই বাঙলা নববর্ষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দকে সামনে এনেই সিএইচটি মিডিয়া টুয়েন্টিফোর ডটকম “বিজু ফুল” ম্যাগাজিন বা পুস্তক প্রকাশ করেছে। বিজুফুল এর ব্যবস্থাপনায় সকল কলাকুশলীদের কৃতজ্ঞতার সহিত জানানো যায় যে, এটি অবশ্যই গুনী জনদের চমৎকার লেখনীর প্লাটফর্ম হিসেবেই দাঁড় হয়েছে।পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকেই প্রকাশিত এই প্রথম জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল হিসেবেই একটি পুস্তক।
২৮ শে চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১১ এপ্রিল ২০১৮ সালে এই বই আনুষ্ঠানিক ভাবে জেলা প্রশাসকের অফিস কক্ষে সকাল ০৯ টা ৩০ মিনিটে সকল অনলাইনের কর্মকর্তা এবং কর্মচারী সহ উল্লসিত ভাবেই মোড়ক উন্মোচন করেন। রাঙামাটি পার্বত্য জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ ছিলেন এই অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান অতিথি।

জানা দরকার, এই বিজুফুল নামকরণের সার্থকতা। উৎসবের দিনে সবাই সবাইকে স্বাগত জানায়, ধূপ, চন্দন ও প্রদীপ জ্বেলে, পূজাও দেয়, উপাসনা করে। সবাই গ্রামেগ্রামে ঘুরে বেড়ায়। বাড়ি গিয়ে তাঁরা যেন পাচন, সেমাই, মিষ্টি খায়। তাছাড়া কলাপিঠা, চুয়ান পিঠা, জাল পিঠা, উন পিঠা এবং মায়ুং পিঠা খায়। তাঁরা নিরামিষ ভোজনও করে তাঁরা জানে যে, ভাল কিছুর উদ্যোগে এমন আচরণে কোনও প্রাণি কিংবা ব্যক্তি তাঁদের বধ করতে পারে না। তাঁদের অনুষ্ঠানে সকলকেই ফুল দেওয়া হয় এবং উপাসনা করা হয়। তাঁরা বয়োজ্যেষ্ঠদের গোসল করিয়ে পায়ের কাছেই পূজার নৈবেদ্য হিসেবে ফুল রাখে এবং প্রণাম করে। কেউ কিছু না খেয়ে ফিরে না যায় সেজন্য সারা দিন ঘরের দরজা খোলা রাখে। এতে করে নাকি গৃহস্থের কল্যাণ হয়। তাই তো এতো কিছু চিন্তা মাথায় নিয়ে পুস্তকে নামকরণের সার্থকতা খুঁজতে চাইছে সুদক্ষ সম্পাদক।

"বাবু নির্মল বড়ুয়া মিলন" তাঁর সম্পাদকীয় পাতায় প্রিয় পাঠকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, এমন প্রকাশনা যদি কোনও পাঠক হৃদয়ে বিন্দু পরিমাণ স্থান করে নেয় তাহলেই তাঁর প্রচেষ্টা সার্থক। অবশ্যই তাঁর এই উক্তি বাস্তবে অবশ্যই শতভাগ অগ্রগতি পাবে বলেই মনে করি। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ও চেষ্টায় এমন এই সিএইচটি মিডিয়া টুয়েন্টিফোর ডটকমের বিজুফুল বই সুুনাম অর্জনের দ্বারপ্রান্তে। হাটিহাটি পা পা করে গুহাবাসী মানব আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করছে। পরাধীন জাতি থেকে বহু সংগ্রাম ও ত্যাগ স্বীকারেই আজ স্বাধীনতা অর্জন, সার্বভৌমত্বে রাষ্ট্র গঠনে আজ এ বাংলাদেশ। তাই এমন দেশেরই পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর হাজারো সংগ্রামের ফসলই আজ 'বিজু' শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা। আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার জন্যই এমন বিজু ফুল পুস্তক অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করি। বাংলার তেরো পার্বনের মধ্যে সারাবছরে অনেকগুলো উৎসব হয়। তেমনি এই বিজু উৎসবও ১৩ পার্বনের অনুরূপেই অনেক আদিবাসী জুম্মদের একটি ঐতিহ্যবাহী সামাজিক চাহিদা এবং জাতীয় উৎসব হিসেবেই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু কাগজে কলমে লিখিত ইতিহাস অনেকাংশেই বলা যায় সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের বহু আদবাসীদের পূর্ব পুরুষদের জীবন যাত্রা, সাহিত্য সংস্কৃতি ও ইতিহাসের প্রতিফলন বিজুফুলে ঘটবে।

'বিজুফুল' বই বা ম্যাগাজিনের পাতায় পাতায় যাঁরা
সাফল্য কামনায় শুভেচ্ছা বাণী দিয়েছেন সকলেই স্ব স্ব স্থানের নিজ পদবী দিয়ে এর মান আরও বৃদ্ধি করেছে। তাঁরা এ পুস্তকের শুরুর পথেরই নিত্যসঙ্গী বলে ধারণা করি। এমন গুনীজন যেমন, রাঙামাটি বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা, জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ, রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষ ডা. টিপু সুলতান, উপ-বন সংরক্ষক বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা নেতা এবং চেয়ারম্যান অরুন কান্তি চাকমা, রাঙামাটির শিক্ষার ক্ষেত্রে বহু অবদানেই ভূষিত তিনি সরকারী কলেজ অধ্যক্ষ জাফর আহমদ সহ মোট ১১ জন পদস্থ ব্যক্তি। আরও ভিতর পাতায় ১লা বৈশাখের ঐতিহ্য, অগ্রযাত্রা ও প্রকৃতি নির্ভর জীবন যাপনের বিনোদন তুলে ধরেছে নজরুল ইসলাম তোফা এবং লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল।যুগোপযোগী আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর বিজ্ঞান চেতনার পুরুষ, সুশিক্ষা এবং সংস্কৃতির সুচিন্তিত অভিমতের একজন আলোকিত গুনী শিক্ষাবিদ, তিনি সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর লেখক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল বিজুফুল পুস্তকে লিখেই পাঠকদের পড়ার আগ্রহ জাগ্রত করেছে। তিনি শিক্ষকের মান অপমান নিয়ে লেখা দিয়ে "বিজু ফুল" পুস্তকের মান বৃদ্ধি করেছে। সি এইচ টি মিডিয়া টুয়েন্টিফোর ডট কমে বিজুফুলে সংবিধান প্রণেতা, রাজনীতিবিদ ও আইনজীবি- ড. কামাল হোসেন, সাইফুল হক সহ সুদক্ষ লেখক সোমনাথ সেন গুপ্তের লেখা প্রকাশিত হয়েছে। যা বিজুুুফুল পুস্তকের নান্দনিকতা ও রুচির মান বৃদ্ধিতে অধিকাংশে ঊর্ধ্বে নিয়ে গেছে। আরও যাঁরা এ 'বিজুফুল' পুস্তকে লিখে পাঠকের পাঠযোগ্য করে তুলতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে তাঁরাও খুব যুক্তিযুক্ত লেখক হিসেবেই বিবেচ্য।

পুস্তকের শেষাংশের মলাটে পার্বত্যাঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ছবিই যে থাকবে তা কিন্তু নয়। এ বিজু ফুল পুস্তক সার্বজনীনভাবে সমগ্র বাংলাদেশের পাঠকের বই হওয়া উচিত। তাই চাকমা জাতির জীবন বৃত্তান্ত সহকারে বৈশাখী আয়োজনে এমন এ 'বিজুফুল' বই প্রকাশ হয়েছে, সেই জন্যই অনেকাংশেই যুক্তি যুক্ত হয়েছে। তাঁর সঙ্গেই কম্পিউটার গ্রাফিক্সের সমন্বয়ে ছোঁয়া অনেক দৃষ্টি নন্দন হয়েছে। সব কিছু মিলিয়ে পুস্তকটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এমন বইটিতে বিভিন্ন দিকের গ্রহণ যোগ্য আলোচনা উঠে এসেছে। সুতরাং বাঙলা ১৪২৫ বঙ্গাব্দের শুভ নববর্ষ সামনে রেখেই ফুলের প্রতি গভীর ভালোবাসায় সি এইচ টি মিডিয়া টুয়েন্টিফোর ডটকমের উদ্যোগ "বিজুফুল"। প্রকাশনার কর্ণধারদের জন্যেই "বাবু নির্মল বড়ুয়া মিলন" সাহসিকতা পরিচয় দিয়েছেন। অনলাইনের সকল সহকর্মীদেরকে, অসংখ্য লেখক, ভালবাসার পাঠকদের পাশে থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন সম্পাদক। প্রয়োজনীয় তথ্য সমৃদ্ধির 'বিজুফুল' বই গণমানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে বলে মনে করি।

বিস্তারিত খবর

এক মঞ্চে গাইলেন শাহানা কাজী, নেহা কাক্কার ও আতিফ আসলাম

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-০৫ ১৪:০৩:৩৪

কণ্ঠশিল্পী শাহানা কাজী আবারও বলিউডের প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পীদের সঙ্গে টরন্টো মাতালেন। সম্প্রতি টরন্টোর হারশী সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় ‘আতিফ ও নেহা লাইভ ইন কনসার্ট’ শীর্ষক একটি মেগা কনসার্ট। সেখানে বলিউডের প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী নেহা কাক্কার ও আতিফ আসলামের সাথে এক মঞ্চে গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান কণ্ঠশিল্পী শাহানা কাজী।

বাঙালি কন্যা ‘শাহানা কাজী’ তেজাব’ ছবির ‘এক দো তিন’ গানটি দিয়ে কনসার্টটির সূচনা করেন এবং বলিউডের আরো বেশ কিছু জনপ্রিয় হিন্দি গান পরিবেশন করেন। সাত হাজার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন কনসার্ট ভেন্যুটি ছিল পুরাপুরি শ্রোতা-দর্শকে ভর্তি।  এবার কনসার্টে  শাহানা কাজী ও আতিফ আসলামের পোশাক  ছিল পুরাপুরি ম্যাচ করা। দুজনই কালো, সাদা এবং রূপালী থিমে সজ্জিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুপরিচিত কণ্ঠশিল্পী শাহানা কাজী এর আগেও বলিউডের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী সুনিধি চৌহান, সোনু নিগম, কুমার শানু, অলকা ইয়াগনিক, আতিফ আসলাম ও আয়ুষ্মান খোরানার সঙ্গে বেশ অনেকগুলো কনসার্টে একই মঞ্চে লাইভ পারফর্ম করে শ্রোতা দর্শকদের মাতিয়েছেন। আতিফ আসলামের সাথে এটি ছিল তার তৃতীয় কনসার্ট। শাহানা কাজী এর আগে হারশী সেন্টারে আরো তিনবার লাইভ পারফর্ম করেছেন।

তিনিই প্রথম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত গায়িকা যিনি টরন্টোর প্রায় বিশ হাজার শ্রোতা-দর্শক ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন কনসার্ট ভেন্যু এয়ার কানাডা সেন্টারেও লাইভ পারফর্ম করেন যেখানে শুধুমাত্র বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় তারকারা পারফর্ম করে থাকেন।

বলিউড কনসার্টের পাশাপাশি গত বছর টরন্টোতে অনুষ্ঠিত কানাডার বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল-এ বাংলা সঙ্গীতের জীবন্ত কিংবদন্তি সাবিনা ইয়াসমীন এবং ঢাকাই চলচ্চিত্রের স্বর্ণালী যুগের প্লেব্যাক সম্রাট সৈয়দ আব্দুল হাদীর সঙ্গেও এক মঞ্চে গান করে শ্রোতা দর্শকদের মাতিয়েছেন তিনি।

শাহানা কাজী টরন্টোর ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। ২০১৫ সালে কানাডা থেকে প্রকাশিত হয় শাহানা কাজীর ‘ভালোবাসার কথা’ শীর্ষক একক গানের এ্যালবাম। আর এই অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সঙ্গীতাঙ্গনে সুরের মায়াজালে অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন শাহানা কাজী। লাইভ কনসার্টের এত ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি শ্রোতাদের জন্য বেশ কিছু নতুন বাংলা গান প্রস্তুত করছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয় শাহানা কাজী। বর্তমানে তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ-এ ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় ২২ লাখ।

এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

আজ মান্না দে’র জন্মদিন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-০১ ১৪:৩১:১২

উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী মান্না দে’র জন্মদিন (১ মে) মঙ্গলবার।

মান্না দে বাংলা, হিন্দি, মারাঠি, গুজরাটি, পাঞ্জাবি, অসমিয়াসহ বিভিন্ন ভাষায় অজস্র গান গেয়ে বিশ্বসঙ্গীত জগতে বিখ্যাত হয়েছেন। বৈচিত্র্যের বিচারে তাকেই হিন্দি গানের ভুবনে সর্বকালের সেরা গায়ক হিসেবে অনেকেই গণ্য করেন।

১৯৪৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তামান্না’ চলচ্চিত্রে গায়ক হিসেবে তার অভিষেক ঘটে। রবীন্দ্রসঙ্গীতসহ প্রায় সাড়ে তিন হাজার গান গেয়েছেন এই কিংবদন্তি। মান্না দে’র অসংখ্য জনপ্রিয় বাংলা গানের মধ্যে রয়েছে- কফি হাউজের সেই আড্ডা, সবাই তো সুখি হতে চায়, যদি কাগজে লিখ নাম, পৌষের কাছাকাছি রোদ মাখা সেইদিন, কতদিন দেখিনি তোমায়, এই কূলে আমি, কথা দাও, খুব জানতে ইচ্ছে করে, আমি সারারাত, এ নদী এমন নদী, মাঝরাতে ঘুম, এই আছি বেশ, এইরাত যদি, কি এমন কথা, ক’ফোঁটা চোখের জল, সে আমার ছোটবোন, দীপ ছিল শিখা ছিল, যদি হিমালয়, শাওন রাতে, আমার ভালোবাসার রাজপ্রাসাদে, স্বপ্নে বাজেগো বাঁশি, তীর ভাঙা ঢেউ, না না যেও না, তুমি আর ডেকো না, সুন্দরী গো দোহাই দোহাই।

জনপ্রিয় হিন্দি গানের মধ্যে রয়েছে- ইয়ারি হে ইমান মেরা ইয়ার মেরি জিন্দেগি, না মাক্স সোনা চান্দি, জিন্দেগি ক্যয়সি হে পাহেলি হায়, পেয়ার হুয়া ইকরার হুয়া, লাগা চুনরি মে দাগ, এ মেরি জোহরা জাবিন, চুনরি সামহাল গোরি, এক চতুর নার কারকে সিঙ্গার, ইয়ে দোস্তি হাম নেহি তোরেঙ্গে, মুড় মুড় কে না দেখ।

৬০ বছরের সঙ্গীত জীবনে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ভারতের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’, ‘পদ্মবিভূষণ’ এবং ‘দাদা সাহেব ফালকে’ খেতাবসহ অসংখ্য খেতাব অর্জন করেন তিনি। ২০০৪ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও ২০০৮ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ডি-লিট সম্মাননা লাভ করেন।

২০০৫ সালে বাংলা ভাষায় তার আত্মজীবনী ‘জীবনের জলসাঘরে’ আনন্দ প্রকাশনী থেকে প্রকাশ হয়। পরে এটি ইংরেজিতে ‘মেমরিজ কাম এলাইভ’, হিন্দিতে ‘ইয়াদেন জি ওথি’ও মারাঠী ভাষায় ‘জীবনের জলসাঘরে’ নামে ভাষান্তর হয়। মান্না দে’র জীবনী নিয়ে ‘জীবনের জলসাঘরে’ নামে ২০০৮ সালে একটি তথ্যচিত্রও মুক্তি পায়।

এই শিল্পী ১৯১৯ সালের ১ মে কলকাতার একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর দক্ষিণাঞ্চলের কেরালার মেয়ে সুলোচনা কুমারনকে বিয়ে করেন মান্না দে। তাদের সংসারে শুরোমা (১৯৫৬) ও সুমিতা (১৯৫৮) নামে দুই কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৯৪ বছর।

এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

শুটিংয়ে প্রতারণা, বুঝতে পেরে চলে গেলেন মাহি

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-২৮ ১২:২৯:৩০

বলা হয়েছিল চলচ্চিত্র কিন্তু নায়িকা শুটিং স্পটে দিনের অর্ধেক কাজ করার পর বুঝতে পারলেন এটা হচ্ছে মিউজিক ভিডিও।  তারপর যা হওয়ার তাই হলো।  আর এই পুরো ঘটনাটা ঘটেছে মাহিয়া মাহির সাথে।  বলা হয়েছিল, এটা অনন্য মামুনের ‘তুই শুধু আমার’ ছবির কাজও । এ ছবিতে তার বিপরীতে রয়েছেন ওপার বাংলার সোহম ও ওম।

ছবির কথা বলেই  মাহির শিডিউল নেন পরিচালক।  সেই অনুযায়ী  শনিবার (২৮ এপ্রিল) এফডিসির ৭ নং ফ্লোরে শুটিং শুরু হয় এবং মাহিও অংশ নেন।

কিন্তু মাহিয়া মাহি পরিচালকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেন এবং শুটিং শেষ না করেই চলে যান। জানা গেছে, এই সিনেমার গানের শুটিংয়ের কথা বলে মাহির সিডিউল নেন পরিচালক।  কিন্তু পরে দেখা যায় সিনেমার গানের কথা বলে মাহিকে দিয়ে মিউজিক ভিডিওর কাজ করানো শুরু করেছিলেন পরিচালক।  বিষয়টি যখন মাহি বুঝতে পারেন তখনই সঙ্গে সঙ্গে শুটিংস্থল ত্যাগ করেন। পরে মাহি আর কাজটি করেননি।

এ প্রসঙ্গে মাহি বলেন, ‘আমাকে সিনেমার গানের শুটিংয়ের কথা বললে আমি সিডিউল দেই। প্রায় গানের অর্ধেক কাজ শেষ হওয়ার পর আমি জানতে পারি এটা সিনেমার গান নয়। আমাকে দিয়ে মিউজিক ভিডিও বানানো হচ্ছে। এরপর আর কাজটি করিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিচালকের এমন মিথ্যাচার আমার খারাপ লেগেছে। তিনি অন্যায় করেছেন।’

পরিচালক অনন্য মামুন এ বিষয়ে বলেন, ‘পুরো ব্যাপারটাই ভুল বোঝাবুঝি। মাহির সঙ্গে আমি কথা বলব এই নিয়ে। সবকিছু মিটে যাবে শিগগিরই।’

তবে গানটির প্রযোজক ইয়াসির আরাফাত বলেন, ‘অনন্য মামুনের সঙ্গে গানের মিউজিক ভিডিওর কথা হয়। সে আমাকে বলে এটা মাহিকে দিয়ে শুট করাবে। এরকম ঝামেলা হবে আশা করিনি। নাহলে আমি নিজেই মাহির সঙ্গে কথা বলতাম।’

এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

২৯ এপ্রিল রোমে মিস বাংলাদেশ ইতালী ২০১৮ এর গ্রান্ড ফাইনাল

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-২৬ ১৪:৪১:৩২

ইতালীর ৫টি শহর মিলান, পালেরমো, ভেনিস, বলোনিয়া এবং রোমে সিলেকশন রাউন্ডে ইয়েস কার্ড পাওয়া ২৫ জন প্রতিযোগীকে নিয়ে ইতালীর রাজধানী রোমে ২৯ এপ্রিল রবিবার বিকেল ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতিক্ষীত গ্রান্ড ফাইনাল। অনুষ্ঠানটি রোমের জনপ্রিয় থিয়েটার সান লিয়নে (ভিয়া প্রেনেসটিনা ১০৪) এ অনুষ্ঠিত হবে । প্রায় ৫০০জনের ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন এই হলের অনুষ্ঠানে দর্শকদের জন্য থাকবে প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে সেরা ১০ জন বাছাইয়ে সরাসরি ভোটের সুযোগ। এছাড়াও ভোদাফোন ইতালীর পক্ষ থেকে সবার জন্যই থাকছে বিশেষ গিফট প্যাক।
রোমের বিভিন্ন শহর থেকে ইতিমধ্যে প্রতিযোগীরা রোমে আগমন শুরু করেছেন। অধিকাংশ প্রতিযোগী অফিসিয়াল পার্টনার জিও থ্রিষ্টার হোটেল এ সপরিবারে অবস্থান করবেন।
ইতালীর জনপ্রিয় মডেল, অভিনয় এবং নৃত্যশিল্পী ভ্যালেন্টিনা আয়োজনের অফিসিয়াল কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করছেন।
প্রথমবারের মতো জনপ্রিয় শিল্পী প্রিতম আহমেদ এর ইন্টারন্যাশনাল ব্যান্ড প্রিতম এ্যান্ড কোং আয়োজনে লাইভ পাারফরমেন্স করবে। তার পাশাপাশি রোমের ২য় প্রজন্মের ব্যান্ড অকুষ্টিক ফ্রেম বাংলা গান পরিবেশন করবেন।
গ্রান্ড ফাইনালে বিচারকদের নাম অনুষ্ঠানের দিনেই ঘোষনা দেয়া হবে। প্রতিযোগীদের জন্য থাকছে বাংলাদেশের জামদানী শাড়ী নিয়ে বিশেষ ক্যাটওয়াক।
মূলত সৌন্দর্য এবং ট্যালেন্টের সম্বনয়ে বাছাই করা হবে সেরা বিজয়ীকে। ইতিমধ্যে মিস বাংলাদেশ ইতালী অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সেরা ২৫ জন তাদের নিজেদের তৈরী সেলফী ভিডিওতে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে প্রবাসে তুলে ধরার আশা ব্যক্ত করেছেন যা ইতিমধ্যে সকল মহলে ব্যাপকভাবে প্রশংশিত হয়েছে।
মিস বাংলাদেশ ইতালী অনুষ্ঠানের সাফল্য কামনা করেছেন ইতালীতে নিযূক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবাহান। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
অনুষ্ঠানের আয়োজক ইমন রহমান- সিলেকশন রাউন্ডে সহযোগিতার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি গ্রান্ড ফাইনাল প্রোগ্রামে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
মিস বাংলাদেশ ইতালী মূলত বাংলাদেশকে তুলে ধরার একটি সুস্থ ধারার প্রতিযোগীতা হিসেবে প্রবাসীরা মতামত দিয়েছেন। গ্রান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠানটি বিনোদনে নতুন মাত্রা বয়ে আনবে বলেই সবাই আশা প্রকাশ করছেন।

বিস্তারিত খবর

"আত্মরক্ষা'' একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-২২ ১৩:১৯:১৩

'আত্নরক্ষা' নামকে সামনে নিয়েই চমৎকার গল্পের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের শুটিং সম্প্রতিই শেষ হল। 'আত্নরক্ষা' ফিল্মের তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা ইমদাদুল হক মিজান। এই ফিল্মের এ্যাকশন দৃশ্য পরিচালনায় চলচ্চিত্র এ্যাকশন নিয়ে যার তিনি হলেন পরিচালক কামাল মাহমুদI আর এ ফিল্মে অভিনয়ে আছেন, কারাতে ব্ল্যাকবেল্ট প্রাপ্ত জামাল দেওয়ান, বিপ্লব দেওয়ান, আর নবাগত খল অভিনেতা তাওলাদ শিকদার, শিশু শিল্পী তানজিনা সহ আরো অনেকে। তাছাড়া একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন চলচ্চিত্রের এ্যাকশন পরিচালক কামাল মাহমুদ নিজেই। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি প্রযোজনাও করেছেন। এ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের গল্প সম্পর্কে জানতে চাইলে সুুুুক্ষদ নির্মাতা ইমদাদুল হক মিজান বলেছেন- এ কাজের গল্পটি কুংফূ -কারাতে-মার্শাল আর্ট নিয়েই দাঁড় করাতে আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়েছে। গল্প সম্পুর্ণ এ্যাকশনধর্মীই বলা যেতে পারে তবে গল্পে কিছুটা রোমান্সও রয়েছে। তিনি তার গল্প নিয়ে কিছু কথা একটু সংক্ষেপে জানালেন, তাহলো কোন ভাই যদি তার বোনকে রাস্তা ঘাটে ইভটিজিং থেকে বাঁচানোর জন্য কুংফূ এবং কারাতের কৌশল শিখিয়ে দেয়, সে ব্যাপারটি কেমন হতে পারে?

এটি তারুণ্যে সংঘটিত একধরনের অপরাধ চক্রের কাহিনী। এটি এক ধরনের যৌন আগ্রাসন যার মধ্যে রয়েছে যৌন ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য, প্রকাশ্যেই অযাচিত নানান ধরনের স্পর্শ, শিস দেওয়া কিংবা শরীরের সংবেদনশীল অংশেই হস্তক্ষেপ। এমন এ ফিল্মটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়ে কখনো কখনো একে নিছক রসিকতা গণ্য করা হয় যা অপরাধীকে দায় এড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই অনেক নারীবাদী সংগঠন আরো উপযুক্ত শব্দ দিয়েই ইভটিজিংটিকে প্রতিস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন 'আত্নরক্ষা' ফিল্মে।এই ফিল্মে উত্ত্যক্ত হওয়া দোষ, শুধুই নারীর উপর বর্তায় আর পুরুষের আচরণ আগ্রাসনের পরিবর্তেই স্বাভাবিক হিসেবে ছাড় পায়। বুঝেই নিন 'আত্নরক্ষা' ফিল্মটি কেমন হবে। তিনি আপাতত এর চেয়ে বেশী কিছুই বলতে চাননা। সর্বশেষে পরিচালক ইমদাদুল হক মিজান, নজরুল ইসলাম তোফাকে জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই এ আত্নরক্ষা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ইউটিউব চ্যানেলে মূক্তি পাবে।

এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

সিরিয়ালগুলো এখন সামাজিক অবক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে : মমতা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-২১ ১৩:১৭:২০

 পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি স্থানীয় টিভি চ্যানেলের সিরিয়াল ও অনুষ্ঠানগুলো নিয়মিত দেখে থাকেন। বাংলা সিরিয়ালের একঘেয়েমি তাকে ক্ষুব্ধ করেছে৷ সম্প্রতি কেবল অপারেটরদের সম্মেলনে তার বক্তৃতায় জানা গেল বিষয়টি।

নিউজ এইটিন জানায়, টিভি অনুষ্ঠান সম্পর্কে মমতা বলেন, ‘এখন তো বাংলা টিভি সিরিয়াল মানেই হয় তিনটে বউ আর নয়তো কেউ বাবার পরিচয় জানে না৷ প্রতি সিরিয়ালেই হয় কেউ কারোর কান ভাঙাচ্ছে, কেউ কাউকে বিষ খাওয়াচ্ছে৷ এসব অবাস্তব জিনিস প্রভাব ফেলছে মানুষের মনে৷ সিরিয়াল এখন সামাজিক অবক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ ’

টিভিতে দেখানো অনুষ্ঠানগুলোর ক্রিয়েটিভ টিমের কাছে বিষয়বস্তু বদলানোর পরামর্শ দিয়েছেন মমতা৷ শুধু টিভির বিষয়বস্তু নয়, ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ভিডিওগুলোরও সমালোচনা করেন৷

বিস্তারিত খবর

'রাজকাহিনী' নিয়ে অভিনেতা শিমুল সরকার

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-০৮ ১২:১৯:২৮

এই রাজা, রাজ সিংহাসন কল্পনার নিপুণ বুননে, স্বহস্তেই একটি ঐতিহাসিক রাজ মহলের আদলকেই দাঁড়া করিয়েছেন,তাঁরই নিজস্ব মেধায় অসংখ্য প্রহরীর মগজ প্রদানেই তিনি ক্ষান্ত নন। টেলিভিশনের সৌজন্যেই অভিনয় জগৎ তাঁর শুরুই বলা চলে। টেলিভিশনে প্রথম অভিনেতা হলেও মঞ্চ সম্রাট হয়ে ছিলেন জীবনের শুরুতেই। সুতরাং কখনোই পরাজিত হওয়ার পুরুষ নন তিনি, আজ তিনি সত্যিই এক রাজাধিরাজ। ঠিক তাই তো, বেছে নিয়েছেন রাজমহলের এক চমৎকার কাহিনী, এমন এ রাজকাহিনীটি শুভ নববর্ষের শুরুতেই শুভ মুক্তি। রাজকাহিনীটি চরম বিনোদন পূর্ণ ক্রিয়েটিভ ধারার একটি টেলিফিল্ম হবে আশা করা যায়। তাই রাজকাহিনী টেলিফিল্মের মূখ্য চরিত্রাভিনেতা যিনি, তিনিই হলেন সুদক্ষ নাট্যকার, পরিচালক এবং লাভ টিভির প্রতিষ্ঠাতা শ্রদ্ধেয় শিমুল সরকার।

পরিচালক শিমুল সরকার জানান, মঞ্চে একাধারে ২২ বছর দাপটের সঙ্গে কাটিয়েছেন। ভেবেছিলেন টেলিভিশন নাটক বা চলচ্চিত্রে ক্যামেরার সামনে আর কখনোই আসবেন না। নির্মাণেই তিনি শতভাগ মনোযোগ দিবেন। কিন্তু এই দেশে আসলে বলতেই হয় নির্মাতার দেশ নয়। সু নির্মাতারা এখানে অর্থাৎ এই দেশে নাটক বানিয়ে টিভি চ্যানেল, এজেন্সী আর প্রযোজকদের দ্বারা অনেকাংশে নির্যাতিত হয়ে থাকেন। বছরের পর বছর চ্যানেল আর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পিছনে তিনি আর ঘুরবেন না পাওনা টাকার চাওয়া জন্য, এমন জঘন্য এ দেশের মিডিয়া জগৎ যে ভাষায় প্রকাশ করা দুরূহ। তাই তো কঠিন বাস্তবতায় এখানে একমাত্র অভিনয়টাই পেইন মুক্ত পেশা। এই পরীক্ষায় নামলেন পূূর্ণ অভিজ্ঞা নিয়েই। মিডিয়া জগতে তাঁর অভিনয় কতটুকুই খাপ খাবে সেটি এখন দর্শকদের চাহিদার উপর নির্ভর করবে।নজরুল ইসলাম তোফাকে নাট্যকার ও পরিচালক শিমল সরকার জানান, এটিই তাঁর পরীক্ষা মুলক অভিনয়।

বিস্তারিত খবর

জামিন পেলেন সালমান খান

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-০৭ ১৩:২২:৩৫

পঞ্চাশ হাজার রুপির ব্যক্তিগত বন্ডে সালমান খানের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছেন ভারতের যোধপুর সেশন কোর্টের বিচারক রবীন্দ্র কুমার যোশি। আদালতের নির্দেশসংক্রান্ত কাগজ কারাগারে পৌঁছার পর শনিবার সন্ধ্যায় ছাড়া পান সালমান খান। আর শিগগিরই এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন সালমান খানের আইনজীবীরা। গত বৃহস্পতিবার আদালত থেকে তাঁর পাঁচ বছরের সাজা ঘোষণার পর এরই মধ্যে ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে। সেদিন আদালত থেকে তাঁকে সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় যোধপুর সেন্ট্রাল জেলে।

আজ মধ্যাহ্নভোজের পর এজলাসে এসে যখন বিচারক রবীন্দ্র কুমার যোশি বসেন, তখন ঘড়িতে বেলা দুইটা। আবার শুরু হয় সালমান খান আর বিষ্ণোই সমাজের আইনজীবীদের উত্তপ্ত শুনানি। আজ স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টা থেকেই চলছে এ অবস্থা। মাঝে ছিল বিরতি। একপর্যায়ে সালমান খানের আইনজীবীরা এই বলিউড তারকাকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কাকুতিমিনতি করেন। তাঁদের ধারণা, বিচারকের বদলি হওয়ায় জামিন মঞ্জুর বিলম্বিত হতে পারে। অপেক্ষা করতে হবে অন্তত আরও দুই দিন। আর এই সময়টা কারাগারে থাকতে হবে সালমান খানকে।

শুরুতে রবীন্দ্র কুমার যোশি জানান, মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর তিনি বেলা দুইটায় সিদ্ধান্ত জানাবেন। কিন্তু শুনানি শেষ না হওয়ায় সিদ্ধান্ত জানানো থেকে বিরত থাকেন। শুনানি শেষে তিনি জানান, বেলা তিনটার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন।

এদিকে আদালতে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় সালমান খানের জামিন আবেদনের শুনানি শুরু হয়। কিন্তু গতকাল শুক্রবার এই মামলার সংশ্লিষ্ট বিচারক রবীন্দ্র কুমার যোশি হঠাৎ বদলি হওয়ায় অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। তখন জানা যায়, পরবর্তী বিচারকের দায়িত্ব বুঝে না নেওয়া পর্যন্ত সালমান খানের জামিন আবেদনের কোনো সুরাহা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু আগের দিনের ঘোষণা অনুযায়ী সকালে এজলাসে বসেন বিচারক রবীন্দ্র কুমার যোশি। তাঁকে ৫১ পাতার জামিন আবেদনের নথি পড়ে শোনানো হয়। এরপর শুনানিতে অংশ নেন দুই পক্ষের আইনজীবীরা। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন সালমান খানের দুই বোন আলভিরা ও অর্পিতা আর দেহরক্ষী শেরা। গতকাল যোধপুর সেশন কোর্টে সালমান খানের জামিনের আবেদন করা হয়।

এদিকে সালমান খানের মুক্তির জন্য মন্দিরে পূজা দিয়েছেন তাঁর ধাঁই মা রুক্মাণী বাই। তাঁর হাতেই ইন্দোর নার্সিং হোমে ১৯৬৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর জন্ম হয়েছিল সালমান খানের।

এরই মধ্যে যোধপুর সেন্ট্রাল জেলে পরপর দুই রাত থেকেছেন সালমান খান। সেখানে কুলার খাটিয়া ও চারটি কম্বল দেওয়া হয় তাঁকে। সালমান খান উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগছেন। গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁর রক্তচাপ বেড়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পর রক্তচাপ কমানোর জন্য আদালতে সালমানকে ওষুধ খেতে দেখা যায়। কারাগারে ঢোকার পর থেকেই তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করে। রাতে রুটি, ছোলার ডাল কিংবা বাঁধাকপির তরকারি দেওয়া হলেও কিছুই খাননি সালমান। গতকাল সকালেও চা, ডালিয়া কিংবা খিচুড়ি খাননি। আজ সকাল সাড়ে ছয়টায় শুধু চা আর গ্লুকোজ বিস্কুট খান তিনি। এরপর দুধের জন্য আবেদন করেন।

আগেই জানানো হয়েছে, সালমান খানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভারতের রাজস্থান রাজ্যের যোধপুরের একটি আদালত। পাশাপাশি তাঁকে ১০ হাজার রুপি জরিমানা করা হয়েছে। তাঁকে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের ৫১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ২০ বছর আগের কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার রায় হয় গত বৃহস্পতিবার সকালে। এই মামলায় অন্য তিন অভিযুক্ত সাইফ আলী খান, টাবু ও সোনালী বেন্দ্রেকে আদালত বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

বলিউডে সালমান খানকে বলা হয় ‘হিট মেশিন’। বৃহস্পতিবার সকালে রাজস্থানের যোধপুর আদালতে সেই সালমান খানকে দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ড দেওয়ায় থমকে যায় বলিউড। অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন অনেক চিত্র প্রযোজক। কারণ, এরই মধ্যে এক হাজার কোটি রুপির বেশি লগ্নি করা হয়েছে এই নায়ককে ঘিরে।

এদিকে রায় হওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে সালমান খানের আইনজীবী এইচ এম সারস্বত দাবি করেন, সরকারি কৌঁসুলি অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারেননি। মামলা সাজাতে ভুয়া সাক্ষী দাঁড় করিয়েছেন। এমনকি বন্দুকের গুলিতেই যে কৃষ্ণসার দুটির মৃত্যু হয়েছিল, তা-ও সরকারি কৌঁসুলি প্রমাণ করতে পারেননি। গত ২৮ মার্চ নিম্ন আদালতে কৃষ্ণসার মামলার চূড়ান্ত পর্যায়ের শুনানি শেষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের দাবি, ১৯৯৮ সালের ১ ও ২ অক্টোবর যোধপুরে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ের মাঝে আলাদা আলাদা জায়গায় দুটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা করেন সালমান খান। ওই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাইফ আলী খান, নীলম, টাবু ও সোনালী বেন্দ্রে।

রাজস্থানের যোধপুরের কঙ্কানি এলাকায় গ্রামের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বিষ্ণোইর অধিবাসীদের অভিযোগ, গুলির শব্দ শুনে তাঁরা সালমানের জিপসি গাড়িটি ধাওয়া করেন। কিন্তু তাঁদের ধরা যায়নি। ওই সময় চালকের আসনে ছিলেন সালমান খান। গ্রামবাসীর দাবি, প্রবল গতিতে গাড়ি ছুটিয়ে সালমান খান আর তাঁর সঙ্গীরা পালিয়ে যান।

বেআইনিভাবে জঙ্গলে ঢোকার অভিযোগে সালমান খান আর অন্য তিন তারকার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৯ নম্বর ধারায় মামলা এখনো চলছে।

এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

কারাগারে সালমান খান

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-০৬ ১৪:১৩:৫৪

কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে সালমান খানকে। যোধপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে কেটেছে তার প্রথম রাত। কারাগারে তাকে ১০৬ নম্বর কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

যোধপুর ডিআইজি (জেল) বিক্রম সিংয়ের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সালমানের জন্য একাধিক স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং তাকে আলাদা ব্যারাকে রাখা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিক্রম সিং সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘সালমান খানকে কয়েদি নম্বর ১০৬ এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড দেয়া হয়েছে। তার মেডিক্যাল টেস্ট করানো হয়েছে। তার কোনো সমস্যা নেই। তার ওয়ার্ডের জন্য একাধিক নিরাপত্তা স্তর রাখা হয়েছে।’

এ মামলায় সালমানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১০ হাজার রুপি জরিমানা করা হয়েছে। অভিযুক্ত সাইফ আলী খান, সোনালী বেন্দ্রে, টাবু ও নীলম এ মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার যোধপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেব সিং খাতরি এ রায় প্রদান করেন।

তবে যোধপুর সেশন কোর্টে জামিন আবেদন করেছেন সালমানের আইনজীবী। আজ জামিনের ব্যাপারে শুনানি হবে। জামিন না পাওয়া পর্যন্ত কারাগারেই থাকবেন সালমান।

১৯৯৮ সালে হিন্দি সিনেমা হাম সাথ সাথ হ্যায়’র  শুটিং চলাকালীন যোধপুরের কাছে কঙ্কনী গ্রামে বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে সালমানের বিরুদ্ধে। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে মামলাও দায়ের হয়। সিনেমাটিতে সালমান খানের সহশিল্পী সাইফ আলী খান, সোনালী বেন্দ্রে, টাবু ও নীলমকেও এ মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।

বিস্তারিত খবর

সৌদিতে ১৮ এপ্রিল থেকে সিনেমা প্রদর্শন শুরু

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-০৫ ১২:০০:০২

৩৫ বছরের বেশি সময় পরে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদসহ বিভিন্ন শহরের সিনেমা হলগুলিতে ১৮ এপ্রিল প্রদর্শিত হবে প্রথম চলচ্চিত্র। বিশ্বের সর্ববৃহৎ সিনেমা চেইন এএমসি এন্টারটেইনমেন্টকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ৪০টি সিনেমা হলে ছায়াছবি প্রদর্শনের জন্য লাইসেন্স দেওয়ার পর বুধববার দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

রক্ষণশীল সৌদি আরবে ১৯৭০ সালের দিকে কয়েকটি সিনেমা ছিল। তবে দেশটির ক্ষমতাধর ধর্মীয় নেতাদের প্রচেষ্টায় এই সিনেমা হলগুলো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

গত বছর সৌদি সরকার তাদের নতুন অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ঘোষণা করে। তেলের ওপর থেকে নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনৈতিক খাত বিস্তারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে ওই সময় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সিনেমা হলগুলোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন।

সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সিনেমা হলে নারী-পুরুষ একসঙ্গে বসা বা প্রবেশের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। অর্থাৎ নারী-পুরুষ একসঙ্গে বসেই সিনেমা দেখতে পারবেন।

বুধবার এক বিবৃতিতে সৌদি সংস্কৃতি ও তথ্যমন্ত্রী আওয়াদ আলাওয়াদ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘সিনেমা হলগুলো পুনরায় চালুর মাধ্যমে বিনোদন খরচের কারণে গৃহস্থালি ব্যয় বাড়বে, চাকরির বাজার সৃষ্টিতে সহায়তা করবে, যার ফলে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।’

বিস্তারিত খবর

রণাঙ্গনে মাহি-পরীমনি

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-০৩ ১৪:১৪:২৭

‘স্বপ্নজাল’ নিয়ে অনেক আগে থেকেই স্বপ্নের জাল বুনে রেখেছিলেন অভিনেত্রী ও প্রযোজক পরীমনি। অন্য কোনো তারকার ছবি মুক্তি পাচ্ছে না দেখে আগামী ৬ এপ্রিল তার ‘স্বপ্নজাল’ মুক্তির দিন ঠিক করে রেখেছিলেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ওইদিন মুক্তিও পাবে ছবিটি। বলতে গেলে, ফাঁকা মাঠে গোল দেয়ার একটা ছক কষে রেখেছিলেন হালের জনপ্রিয় এই নায়িকা।

কিন্তু তার সেই পরিকল্পনায় হঠাৎই বাধা হয়ে দাঁড়ালেন হালের আরেক জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি। পরীমনির ‘স্বপ্নজাল’ মুক্তির মাত্র চার দিন আগেই ঘোষণা করলেন, ৬ এপ্রিল, শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে তার ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’ ছবিটিও। একই সঙ্গে দুই সুপারহিট নায়িকার ছবি মুক্তি। বড় পর্দায় একটা জমজমাট লড়াইয়েরই গন্ধ পাচ্ছেন দেশের সিনে বিশেষজ্ঞরা।

তবে একই দিনে পরীমনির ‘স্বপ্নজাল’ মুক্তি পাওয়ায় কোনো সমস্যা দেখছেন না ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’-এর পরিচালক শাহনেওয়াজ শানু। তার মতে, ‘ছবি যদি ভালো হয়, দুটোই চলবে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। এটা ঠিক আমাদের প্রস্তুতি একেবারেই কম। তবে তাতে কোনো সময়ও নেই।’

২ এপ্রিল সোমবার ছাড়পত্র পেয়েছে ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’। তার দুদিন পরেই উঠছে রূপালী পর্দায়! এ কম সময়ের মধ্যে ছবি মুক্তি প্রসঙ্গে নির্মাতা শাহনেওয়াজ বলছেন, ‘পরপর বেশকিছু মুক্তির ভালো তারিখ অন্য ছবির দখলে। তাছাড়া ঈদেও আমরা ছবি মুক্তি দিতে চাচ্ছি না। তাই এই তারিখটিই আমাদের কাছে যথাযথ মনে হয়েছে। আশা করছি, ৭০-৮০টি প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি দিতে পারব।’

‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’ ছবিতে মাহির বিপরীতে নায়ক রয়েছেন বাপ্পী চৌধুরী। মাহি-বাপ্পী ছাড়াও ছবির বিভিন্ন চরিত্রে আরো রয়েছেন মিশা সওদাগর, আহমেদ শরীফ, সাদেক বাচ্চু, শিবা শানু ও জারা প্রমুখ। ছবিতে বন্যা নামের একজন সুপার মডেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাহি। তার জীবনের নানা উত্থান-পতনের গল্প দিয়েই চিত্রনাট্য সাজানো।

অন্যদিকে, গিয়াস উদ্দিন সেলিমের পরিচালনায় ‘স্বপ্নজাল’ ছবিতে পরীমনির বিপরীতে অভিনয় করেছেন কলকাতার নবাগত নায়ক ইয়াশ রোহান। ছবিটি পরীমনির ক্যারিয়ারের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে ধরা হচ্ছে। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে চাঁদপুরের ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ‘স্বপ্নজাল’-এর শুটিং শুরু হয়েছিল। শুটিং হয়েছে বাংলাদেশ ও কলকাতায়।

পরীমনি ও রোহান ছাড়াও ছবিটির বিভিন্ন চরিত্রে আরও দেখা যাবে মিশা সওদাগর, ফজলুর রহমান বাবু, শাহানা সুমী, শহিদুল আলম সাচ্চু, শিল্পী সরকার অপু, ইরফান সেলিম, ফারহানা মিঠু, ইরেশ যাকের, মুনিয়া, শাহেদ আলী ও আহসানুল হক মিনুকে। ফলে দেশের শীর্ষ দুই তারকার জমজামট লড়াইয়ের বার্তা নিয়েই ধেঁয়ে আসছে ৬ এপ্রিল। আপাতত সেদিকে তাকিয়েই দর্শক।

বিস্তারিত খবর

অনলাইনে দেখা যাবে জাজের সিনেমা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-০১ ১৩:০১:৫৩

বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া। প্রযোজনা-পরিবেশনার পাশাপাশি প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা প্রদর্শনেও সাহায্য করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটির ব্যানারে নির্মিত অনেক হিট সিনেমা থাকলেও প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের পর দর্শকের দেখার সুযোগ ছিল না এতদিন। এবার সেই সুযোগ আসছে।

কয়েকদিন আগে ‘শাকিব খান অফিসিয়াল’ নামের ইউটিউব চ্যানেল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়েছে বঙ্গবিডি। এবার একই প্রতিষ্ঠান যুক্ত হলো জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে।

সম্প্রতি বঙ্গবিডি ও জাজের মধ্যে এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ওই সময় জানানো হয়, এ উদ্যোগের ফলে বঙ্গ’র মাধ্যমে সারাবিশ্বের দর্শকরা জাজের ছবিগুলো অনলাইনে দেখার সুযোগ পাবেন।

এ বিষয়ে বঙ্গবিডির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহাদ মোহাম্মদ বলেন, ‘এখন অনেক খারাপ সময় যাচ্ছে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে। ধন্যবাদ জাজ মাল্টিমিডিয়াকে ফিল্ম মিডিয়াকে টিকিয়ে রাখার জন্য তারা অনেক কিছুই করছে। অর্ধেক বঙ্গবিডি আর অর্ধেক জাজ মিলে একটি ডিজিটাল প্লাটফর্মে দাঁড়াবে আগামীতে, যা বাংলা ছবির জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে।’

অন্যদিকে জাজের কর্ণধার আবদুল আজিজ বলেন, ‘দেশ-বিদেশের অনেক দর্শকই জাজের পুরোনো ছবিগুলো অনলাইনে দেখতে চান। কিন্তু না পেয়ে তারা মন খারাপ করে আমাদের বকেন। আশা করছি এবার সেই বকাবকি থামবে। খুব শিগগিরই আমাদের সবগুলো ছবি এক এক করে বঙ্গ প্লাটফর্ম থেকে বায়োস্কোপ, রবিটেলসহ সব ডিজিটাল মাধ্যমে দেখতে পাবেন।’

এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশ ও ভারত নাট্যকারদের নির্দেশনায় ১৩টি নাটকের উৎসব

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৩-৩১ ১৩:৫৮:১৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে নাট্যোৎসব এবং আর তা শেষ হবে ৭ এপ্রিলে। 'মিলি মৈত্রী বন্ধনে গড়ি সংস্কৃতির সেতু’ স্লোগানকে সামনে রেখেই এপ্রিলের ১ তারিখে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব সপ্তাহ ২০১৮। তাই উৎসবের প্রথম দিন সন্ধ্যা ৭ টায় বিশ্ববিদ্যালয় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে শ্রদ্ধেয় নাট্যকার শ্রুতি বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশিত ‘জয় জয় ভানু জয়দেব’ নাটক প্রদর্শনের মাধ্যমে উৎসবের পর্দা উঠবে। ভারত, বাংলাদেশের নাট্যকারদের নির্দেশনায় জনপ্রিয় সর্বমোট ১৩ টি নাটক প্রদর্শিত হবে এই নাট্যোৎসবে।’

প্রথম দিন ব্যতিত প্রতিদিন দুইটি নাটক মঞ্চায়িত হবে। প্রতিদিন বিকেল ৪ টায় টিএসসিসিতে এবং ৬.৪৫ মিনিটে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে নাটকের মঞ্চায়ন শুরু হবে । ২য় দিন ২রা এপ্রিল -শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নাট্যকার সামিনা লুৎফা নিত্রার নাটকও মোহাম্মদ আলী হায়দারের নির্দেশনায় ‘খনা’ এবং কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে সৈয়দ শামসুল হকের নাটক ও মীর মেহবুব আলমের নির্দেশনায় ‘গণনায়ক’। ৩ এপ্রিল ড. রশীদ হারুনের নাটক ও নির্দেশনায় ‘পুতুলনাট্য’, আমিনুর রহমান মুকুলের নাটক নিয়ে মোসলেম উদ্দিন শিকদার তা নির্দেশনা দিবেন। নাটকটি ‘সাম্পাননাইয়া’।

৪ঠা এপ্রিল নাট্যকার শাকুর মজিদের ‘মহাজনের নাও’ নাটকে সুদ্বীপ চক্রবর্তী নির্দেশনা দিবেন, গুনী নাট্যজন মলয় ভৌমিকের নির্দেশনায় অনুশীলন নাট্যদলের ‘ম্যাওসংকেত্তন’ প্রদর্শিত হবে। ৫ এপ্রিল শ্রী স্বপন কুমারের নাটক এবং অভি চক্রবর্তীর নির্দেশনায় ‘রাতবিরেতের রক্তপিচাশ’, সাইমন জাকারিয়ার নাটকে নাসিরউদ্দিন ইউসুফ নির্দেশিত ‘বিনোদিনী’ প্রদর্শিত হবে। ৬ এপ্রিল তারিক আনাম খানের রুপান্তরিত এবং লিয়াকত আলী লাকীর নির্দেশনায় ‘কঞ্জুস’ আর আবুল কালাম আজানের নাটক ও নির্দেশনায় ‘সার্কাস সার্কাস’ প্রদর্শিত হবে।

সর্বশেষ দিন অর্থাৎ ৭ এপ্রিলে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক ও শুভাশিস সিনহার নির্দেশনায় ‘কহে বীরঙ্গনা’ এবং ফাল্গুনী চট্যোপাধ্যায়ের নির্দেশনায় নাটক ‘মিসফিট' প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে। সুুতরাং এমন এই নাট্যোৎসব দেখার জন্য সকল শ্রেণীর শ্রোতা ও দর্শকদের নাট্যকলা বিভাগ আমন্ত্রণ জানান।


এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি  

বিস্তারিত খবর

১৫ মিনিটের জন্য ৫ কোটি চাইলেন রণবীর!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৩-২৬ ২৩:২০:৩৫

‘পদ্মাবত’-এ পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন আট কোটি টাকা। সে ছবিতে তার অভিনয়েরও প্রশংসা করেছেন গুণীজন। তিনি রণবীর সিং। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করেছে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা।

‘পদ্মাবত’-এর পর এক লাফে ছবি পিছু পারিশ্রমিক বাড়িয়ে ১৩ কোটি টাকা করেছিলেন রণবীর। তবে এবার তার পারিশ্রমিকের পরিমাণ ছাপিয়ে গেল বহু রেকর্ড।

শোনা যাচ্ছে, ১৫ মিনিটের জন্য পাঁচ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেবেন রণবীর। কিন্তু, কী কাজের জন্য এই টাকা ধার্য করেছেন অভিনেতা?

আসন্ন আইপিএলে ১৫ মিনিট পারফর্মেন্সের জন্য পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছেন রণবীর! হিন্দুস্তান টাইমসের খবর অনুযায়ী, আইপিএল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, রণবীর মাত্র ১৫ মিনিট পা নাচাতে রাজি হয়েছেন। আয়োজকরা যেহেতু প্রথম থেকেই যে কোনও মূল্যে তাকে দিয়ে পারফর্ম করাতে চাইছিলেন, তাই এই পরিমাণ পারিশ্রমিক দাবি করেছেন রণবীর।

পারফর্মার হিসেবে রণবীরের সুনাম রয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে। তার হাতে রয়েছে ‘সিম্বা’, ‘গুল্লি বয়’-এর মতো একাধিক ছবি। কিন্তু তা বলে ১৫ মিনিটে পাঁচ কোটি টাকা পারিশ্রমিক! স্বভাবতই গুঞ্জন শুরু হয়েছে বলিউডে।

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত