যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 06:22pm

|   লন্ডন - 12:22pm

|   নিউইয়র্ক - 07:22am

  সর্বশেষ :

  জামায়াত বিলুপ্তির প্রস্তাব, যা বললেন ওবায়দুল কাদের   আইএসে যোগ দেওয়া ব্রিটিশ-বাংলাদেশিকে ফিরতে দেওয়া হবে না   পানি চুরি!   কাশ্মিরে যে কোনও পদক্ষেপ নিতে সেনাবাহিনীকে মোদির অনুমতি   আখেরি মোনাজাতে শেষ হল ইজতেমার প্রথম পর্ব   যুক্তরাষ্ট্রে শিকাগোর শিল্পাঞ্চলে বন্দুক হামলায় নিহত ৫   নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের গুলিতে ৬৬ জন নিহত   সোনালী কাবিন’র কবি আল মাহমুদ আর নেই, বাদ জোহর জানাযা   ভাইরাল হতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার   আর প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না: ডয়েচে ভেলেকে শেখ হাসিনা   কাশ্মিরে পুলিশ বাসে হামলায় নিহত ৪২   সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড   তিনদিনের সফরে জার্মানিতে প্রধানমন্ত্রী   নির্বাচন চ্যালেঞ্জ করে ঐক্যফ্রন্টের ৭৪ প্রার্থীর মামলা   বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট আসছে জুনে

>>  বিনোদন এর সকল সংবাদ

অভিনয়ে বিরতির কারণ জানালেন বিপাশা

বলিউড অভিনেত্রী বিপাশা বসু। অভিনয় ক্যারিয়ারে বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তবে গত চার বছর ধরে সিনেমা থেকে দূরে তিনি। আদাত সিনেমার মধ্য দিয়ে আবারো পর্দায় ফিরছেন বিপাশা।

২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যালোন সিনেমায় সর্বশেষ অভিনয় করেছেন এ অভিনেত্রী। সিনেমা থেকে দীর্ঘ বিরতি প্রসঙ্গে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিপাশা বলেন, ‘স্কুল জীবন শেষ করেই ১৫ বছর বয়স থেকে আমি কাজ করছি, প্রথম তিন বছর মডেলিং করেছি। ১৯ বছর বয়স থেকে শুরু করে এখনো সিনেমা করছি। আমি অনেকদিন ধরে অভিনয় করছি। আমি পরিবারের সঙ্গে কাটানোর জন্য খুব কম সময়ই পেয়েছি।

বিস্তারিত খবর

একুশে পদকের পর এমপি হবার সুখবর পেলেন সুবর্ণা মুস্তাফা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-০৯ ১২:০২:৪২

কয়েকদিন আগে তার নাম এসেছে চলতি বছরের একুশে পদকপ্রাপ্ত গুণীদের তালিকায়। এবার তিনি মনোনীত হয়েছেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে। একই বছরে দুটি সুখবর পেলেন অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা।

গেল ৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় একুশে পদকপ্রাপ্তদের নামের তালিকা ঘোষণা করেন। তালিকায় দেখা যায় শিল্পকলা-অভিনয়ের ক্ষেত্রে সুবর্ণা মুস্তাফা একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। অভিনয় ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় এবারের একুশে পদকে ভূষিত হচ্ছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

এছাড়া শুক্রবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনীত ৪১ নামের তালিকা ঘোষণা করেন। এই তালিকায় নাম রয়েছে অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তফার নাম। তিনি ঢাকা থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের এমপি হবেন।

সুবর্ণা মুস্তাফা মূলত অভিনেত্রী ও প্রযোজক হিসেবে পরিচিত। তিনি প্রখ্যাত অভিনেতা ও আবৃত্তিকার গোলাম মুস্তাফার মেয়ে। সুবর্ণা মুস্তাফা ১৯৫৯ সালের ২রা ডিসেম্বর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে তিনি ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৭০-এর দশক থেকে সুবর্ণা থিয়েটারে অভিনয় শুরু করেন। ১৯৮০ সালে সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী পরিচালিত ঘুড্ডি ছবির মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র জগতে আসেন। ১৯৮৩ সালে নতুন বউ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে আছে ঘুড্ডি, নয়নের আলো, পালাবি কোথায় ও গহীন বালুচর।

এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

অবশেষে সাত পাকে সালমান-ক্যাটরিনা!

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-০৫ ১১:৪১:৩০

সালমান-ক্যাটরিনার প্রেমের কথা আবার তাদের ব্রেকআপের কথা অনেকেরই জানা। তবে সাম্প্রতিককালে ক্যাটরিনা যে ফের সালমানের কাছাকাছি এসেছেন, তা-ও কারোর জানতে বাকি নেই। আর তাই এই সামনের ঈদেই নাকি তারা সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, শুনতে অবাক লাগলেও খবরটা কিন্তু সত্যি। তবে বিয়েটা হচ্ছে রিয়েল লাইফে নয়, সিনেমায়। রিয়েল লাইফে হয়তো এ জীবনে আর বিয়ে করা হলো না সালমানের। তিনি চির ব্যাচেলরই থেকে গেলেন। তবে আগামী ঈদে মুক্তি পাচ্ছে সালমান-ক্যাটরিনার ছবি ‘ভারত’। সেই ছবিতেই নাকি সালমান-ক্যাটরিনাকে সাত পাকে বাঁধা পড়তে দেখা যাবে। আর সম্প্রতি নাকি তারা দুজনে সেই বিয়ে সিকোয়েন্সের শুটিং করছেন।

‘এক থা টাইগার’ ও ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ ছবিতে সালমান-ক্যাটরিনার রসায়ন দর্শকদের মন কেড়েছিল। অনেকেই মনে করছেন সালমান-ক্যাটরিনার রসায়ন এই ছবিতে আরও একবার মুগ্ধ করবে দর্শকদের। ভারত ছবিতে সালমান ক্যাটরিনার দুটো গানের সিকোয়েন্সও রয়েছে। শোনা যাচ্ছে, আজকাল অনেকেই নাকি সল্লু-ক্যাটের অনস্ক্রিন বিয়ের কথা শুনে বাস্তবে ক্যাটকে ক্যাটরিনা ভাবি বলে ডাকতে শুরু করেছেন।

সালমানের পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি জানিয়েছেন, আমরা অনেকেই ক্যাটরিনাকে ভাবি বলেই ডাকতাম। ১০ বছর আগেই হয়তো ভাই (সম্পর্কে সালমান খান ওই ব্যক্তির ভাই) ওকে (ক্যাটরিনা) বিয়ে করে ফেলতো। কিন্তু যেকোনো কারণে হোক না কেন ও (ক্যাট) এটা চাইনি। হয়তো বা ওর (ক্যাটরিনা) ক্যারিয়ারের জন্যই। ভাই (সালমান) ছাড়া রণবীরের সঙ্গে ও সিরিয়াসভাবে সম্পর্ক জড়ায়, সে সম্পর্ক ভাঙতেই ও আবার সেই ভাইয়ের (সালমান) কাছেই ফিরে আসে।

রণবীরের সঙ্গে সম্পর্কের সময়ও ক্যাট সালমানের পরামর্শ নিয়েছেন বলে জানান ওই ব্যক্তি। তিনি বলেন, তবে এখন আমার মনে হয় ও আর ভাই (ক্যাটরিনা-সালমান) আগের থেকেও বেশি কাছাকাছি এসেছে। সালমানের মা ও বোনেরাও ক্যাটকে পছন্দ করে। সালমানের মা চান ক্যাটরিনাকে সালমান বিয়ে করে নিন।

সালমানের মায়ের ইচ্ছা পূরণ করতে বাস্তবে সালমান ক্যাটরিনাকে বিয়ে করেন কিনা এখন সেটাই দেখার বিষয়।

এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে ফকির আলমগীরের একক সঙ্গীত সন্ধ্যা ১৭ ফেব্রুয়ারি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-০৫ ০০:৫৬:২০

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত গণ সঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীরের একক সঙ্গীত সন্ধ্যা আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারী, রোববার। সঙ্গীত জগতে শিল্পীর ৫০ বছর উপলক্ষ্যে ফুলকলি ফাউন্ডেশন ইউএসএ এই সংবর্ধনা ও একক সঙ্গীত সন্ধ্যার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের জুইস সেন্টারে ঐদিন সন্ধ্যা ৭টায় আয়োজিত ফকির আলমগীরের সংবর্ধনা ও একক সঙ্গীত সন্ধ্যা সফল করতে ফুলকলি ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ও সাংবাদিক বেলাল আহমেদ সকল প্রবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা এবং প্রবাসীদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘একুশে পদক’ ছাড়াও ‘ভাসানী পদক’ সহ একাধিক পদক পাওয়া ও বহু সম্মানে ভূষিত সঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীর বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। ‘ও সখিনা গেসস কিনা ভূইলা আমারে’, ‘সান্তাহার’, ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’, ‘নাম তার ছিলো জন হেনরী’, ‘বাংলার কমরেড বন্ধু’, ‘মায়ের এক ধার’, ‘দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা’ প্রভৃতি বিপুল সংখ্যক জনপ্রিয় গানের শিল্পী ফকির আলগীরের জন্ম ১৯৫০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী। তার একাধিক গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে।


এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

যে কারণে ফেসবুককে বিদায় বললেন ন্যান্সি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২৮ ১৪:১৯:১৭

অন্য শিল্পী বা তারকারা যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদেরকে আরো বেশি সম্পৃক্ত করতে চাইছেন তখন সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতি এই সংগীতশিল্পীর বরাবরই একটা অনীহা ছিল। ভক্ত ও পরিচিতজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে ন্যান্সির। সেখানে তার কাজের হালনাগাদ তথ্যও তুলে ধরতেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুক তার কাছে বিরক্তির বলে মনে হয়েছে।

আর তাই গত বৃহস্পতিবার থেকে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ প্রসঙ্গে বলেন, ফেসবুকে সময় অপচয় হয়। প্রাইভেসিও থাকে না। তাই বিদায় নিলাম।’

দুই মেয়ে ও স্বামীকে নিয়ে ন্যান্সি স্থায়ীভাবে ময়মনসিংহ থাকেন। এর আগে তার স্বামীর সাথে আলাদা থাকছেন বলে গণমাধ্যমে খবর বেড়িয়েছিল। তবে এখন স্বামীর সাথেই থাকছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন এই শিল্পী।

২০১১ সালের মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ‘প্রজাপতি’ চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।


এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিতর্কের জবাব দিলেন ক্যাটরিনা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২৫ ১৩:২৫:৫৪

পরিচালক রেমো ডি সুজার ‘এবিসিডি থ্রি’ সিনেমা থেকে হঠাৎ বেরিয়ে যাওয়ায় বিতর্কে পড়েছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ। সেসময় মুখ খোলেননি তিনি। এজন্য বলিউড পাড়ার ছড়িয়েছিল নেতিবাচক অনেক গুঞ্জন। তবে ‘ভারত’-এর ট্রেলার মুক্তি পাওয়ার পর ভারতীয় গণমাধ্যমকে ‘এবিসিডি থ্রি’ সিনেমা থেকে সরে আসার কারণ জানালেন ক্যাটরিনা।

তিনি জানান, ‘ভারত’-এর শুটিংয়ের সময়ের সঙ্গে পরিচালক রেমো ডি সুজার সিনেমার সময় মিলে যাচ্ছিল, ফলে কোনও শুটিংই মন দিয়ে করতে পারতেন না। এছাড়া ‘ভারত’ ও ‘এবিসিডি থ্রি’ সিনেমার মুক্তির সময় কাছাকাছি হবার কথা ছিল, এজন্যও তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয় বলে জানান ক্যাটরিনা।

গেল বছরে ক্যাটরিনার ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’ এবং ‘জিরো’ ব্যবসা সফলের তালিকায় উঠতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি এবার ভেবেচিন্তে কর্মজগতে পা বাড়াচ্ছেন। তাই রেমো ডি সুজার সিনেমার ব্যবসা নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় পা টেনে নিয়েছেন।

এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

একই মঞ্চে তিন পুরস্কার

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২৫ ১৩:২৫:০২

গত মঙ্গলবার রাত নয়টায় রাজধানীর গুলশান ক্লাবে কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীরের হাতে শ্রেষ্ঠ সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে ‘জিনিয়াস অ্যাওয়ার্ড ২০১৮’ তুলে দেয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি সংগঠন শিল্পীকে তার বিরল প্রতিভার জন্য এই অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করে। আঁখি আলমগীর বলেন, ‘একজন সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে সবসময়ই পুরস্কার প্রাপ্তি আমাকে ভীষণ অনুপ্রেরণা দেয়।’ একইমঞ্চে সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে পুরস্কৃত হন শ্রোতাপ্রিয় আরেক কণ্ঠশিল্পী স্বপ্নীল সজীব।

এর পাশাপাশি বাংলাদেশকে বহির্বিশ্বে আরো সম্মানিত করার জন্য বিশেষ সম্মাননা পান ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮’ জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। তিনি বলেন, ‘জিনিয়াস অ্যাওয়ার্ডই আমার জীবনের প্রথম সম্মাননা বা পুরস্কার। তাই এ পুরস্কার আমার অনুভূতিতে, ভালোলাগায় সারাজীবন মিশে থাকবে। আমি দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কিছু করে আমার জন্মকে স্বার্থক করে তুলতে চাই। সবাই দোয়া করবেন।’ সেই ধারাবাহিকতায় জিনিয়াস অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি ব্যতিক্রম নয়। আমি অনেক আনন্দিত, অনুপ্রাণিত। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আল্লাহ আমাকে সুস্থ রাখেন, ভালো রাখেন। আর সঙ্গীতপ্রেমী শ্রোতা-দর্শকের জন্য যেন ভালো ভালো গান করে যেতে পারি।’
গত বছর ধ্রুব মিউজিক স্টেশন থেকে তার প্রথম মৌলিক গান ‘খয়েরি বিকেল’ প্রকাশিত হয়। তার সহশিল্পী ছিলেন ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী ইমন চক্রবর্তী।গানটি লিখেছেন গালিব সরদার এবং সুর করেছেন এহসান রাহি, সঙ্গীতায়োজন করেছেন আমজাদ। এ গানের জন্যই ‘জিনিয়াস অ্যাওয়ার্ড’-এ ভূষিত হন স্বপ্নীল।তিনি বলেন, ‘খয়েরি বিকেল আমার প্রথম মৌলিক গান। আমি মনে করি, প্রত্যেক শিল্পীরই নিজের কিছু গান থাকা উচিত। সেই ভাবনা থেকেই আমি এখন রবীন্দ্রসঙ্গীতের পাশাপাশি নিজে কিছু মৌলিক গান করছি।’ প্রথম মৌলিক গানের জন্য অনুপ্রেরণামূলক জিনিয়াস অ্যাওয়ার্ড আমার সঙ্গীত জীবনে চলার পথকে আরো অনুপ্রাণিত করেছে।’


এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিশ্বখ্যাত মিউজিক প্রডিউসার ডাস কাপিটাল রিমিক্স করলেন আরজীনের গান

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২৫ ১১:৪৩:২৭

“প্রেম দে”  হলো আরজীনের  লেখা ও সুর করা বাংলা পপ সঙ্গীত। লস এঞ্জেলেস শহরের রেকর্ড লেবেল "পিঙ্ক টারবান" থেকেই  তার গান  "প্রেম দে" মুক্তি পাচ্ছে আজ।  "পিঙ্ক টারবান"  একটি রেকর্ড লেবেল হলেও একই সাথে বিভিন্ন শিল্পীদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি প্লাটফর্ম যেখানে তারা দলগত ভাবে সঙ্গীত পরিবেশন করে। গত বছর বাংলাদেশের  স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে লস এঞ্জেলেস বাংলাদেশি প্রবাসীদের প্রধান সংগঠন বাফলা (বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অফ লস এঞ্জেলেস) এর  ১২তম "বাংলাদেশ ডে প্যারেড ২০১৮"  তে আরজীন  ও পিঙ্ক টারবান ক্রু  সর্ব প্রথম “প্রেম দে”  গানটি  পরিবেশন করেন।  

প্রেম দে গানটির একটি রিমিক্স ভার্সনও রয়েছে যা সাউথ আফ্রিকার প্রখ্যাত ডিজে এবং মিউজিক প্রডেউসার দাস কাপিতাল করেছেন। মূলত ক্লাব মিউজিক পছন্দ করেন এমন  শ্রোতাদের  রিমিক্স টি ভএল লাগবে। হেভি বিট এর সাথে আরজীন এর শ্রুতিমধুর বাংলা গান নিঃসন্দেহে বিশ্বের ক্লাব সঙ্গীতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। ইতোমধ্যে প্রেম দে রিমিক্স টি গানটি BBC Radio তে প্রিমিয়ার হয়েছে। জনপ্রিয় dance মিউজিক ব্লগ MUSIC is 4Lovers  গানটি সম্বন্ধে লিখেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের  লস এঞ্জেলেস  এ  বসবাসকারী একজন বাঙ্গালি সঙ্গীত শিল্পী। বাঙ্গালি কমিউনিটির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গাইবার কারণে সেখানকার   প্রবাসী বাঙ্গালিদের কাছে আরজীন প্রিয়  নাম।  যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অবাঙ্গালি শ্রোতাদের সামনেও আরজীন  নিয়মিত তার লেখা ও  সুর করা  গান  এবং বাংলা ফোক পরিবেশন করে থাকেন। গত বছর লস এঞ্জেলেস এর  Department of  Cultural Affairs ও Promise Zone  LA  এর আমন্ত্রণে   বাংলা ফোক গানের পরিবেশনা  ছিল তার জন্য একটি স্মরণীয় ঘটনা। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর The Skirball Cultural Center থেকে ডাক আসে,  যেখানে ৪৫ মিনিট  করে পর পর  দুটি বাংলা গানের শো করেন।   লস এঞ্জেলেস ছাড়াও আরজীন আমেরিকার বিভিন্ন বিখ্যাত শহর লাস ভেগাস, নিউ ইয়র্ক, সান ডিয়েগো, সানটা বারবারা তে আরজীন নিয়মিত বাংলা গান পরিবেশন করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। 

আরজীন ২০১১ সালে ফুলব্রাইট স্কলার হিসেবে ইউএসএতে আসেন এবং ভিসুয়াল ও মেডিক্যাল anthropology   নিয়ে স্নাতকোত্তর শেষ করেন  করে নরদাণ অ্যারিজোনা ইউনিভার্সিটি থেকে। সে সময় আরজীন কে সহ ওই শহরে  মোট চার জন বাংলাদেশি ছিলেন। বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট দের অনুষ্ঠানে গান করা শুরু  করেন । তবে ক্লাসের এক বন্ধুর  উৎসাহে শহরের অন্যান্য  জায়গায় হারমোনিয়াম নিয়ে বাংলা ফোক গান করা শুরু  করেন। আরজীন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কেই তার গান লেখা ও সুর করার আতুর ঘর মনে করেন। সেখানে পড়াশোনা করবার সুবাদে সেখানকার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে  জড়িত ছিলেন। দেশে থাকা কালীন আরজীন BTV ও  NTV তে তার নিজের লেখা গান করেছেন। এছাড়া বৈশাখী  এবং ATN Bangla তে তার গান প্রচারিত হয়েছে। শিল্পী তিনটি বাংলা সিনেমা মুসাফির,  অস্তিত্ব এবং অপারেশন অগ্নিপথ এর জন্য  গান  লিখেছেন যেখানে তাহসান, পড়শি, তাহসিন এবং নন্দিতার মত শিল্পীরা কণ্ঠ দিয়েছেন।  আরজীন এর বর্তমান ভাবনা শুধু বাংলা গান নিয়ে। তিনি তার নিজের লেখা সুরে করা গান এবং বাংলা ফোক গানকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছড়িয়ে দিতে চান। 

বাংলাদেশে বেড়ে ওঠা আরজীন এর সঙ্গীতের হাতেখড়ি মূলত পরিবার থেকে। পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদ সঙ্গীত বিদ্যানিকেতন এবং বুলবুল ললিতকলা একাডেমী থেকে নজরুল সঙ্গীতের উপর তালিম নেন। বর্তমানে তিনি লস এঙ্গেলেসে পণ্ডিত গিরীশ চট্টোপাধ্যায়ের নিকট হিন্দুস্তানি ক্লাসিক্যাল সঙ্গীতের ওপর  তালিম নিচ্ছেন।


এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সালমান খানকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২২ ১৪:৫৯:০৮

২০০৭ সালে একটি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বলিউডের ভাইজান সালমান খান তাকে বলিউডে আসার কথা বলেন। সালমানের হাত ধরেই ২০১৩ সালে তার বলিউডে প্রবেশের কথা ছিল। তবে তিনি সালমানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। বাবা চাননি সালমানের হাত ধরে মেয়ে বলিউডে প্রবেশ করুক। আর বাবার মতামতের উপর আস্থা রেখে সালমানকে না করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি ভারতের এক ইংরেজি দৈনিককে সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন টিনা আহুজা।

তিনি বলিউড তারকা গোবিন্দর মেয়ে। তার পুরো নাম নর্মদা আহুজা। ২০১৫ সালে ‘সেকেন্ড হ্যান্ড হাজব্যান্ড’ সিনেমার অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেছেন তিনি। যদিও এই সিনেমাটি দর্শক মনে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি।

বাবার পরামর্শ মতো কাজ করেন মেয়ে টিনা। বাবার মতই নাচতে ভালোবাসেন। অনেক বেশি সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পান তিনি, তবে বাছাই করে সই করার কথা ভাবেন। বাবার পরামর্শ ছাড়া কোনও চিত্রনাট্য পড়েও দেখেন না। শোনা যায়, সোনাক্ষী সিনহার আগে টিনা আহুজারই ‘দাবাং’ গার্ল হওয়ার কথা ছিল।

গুঞ্জন উঠেছে, ২০১৯ সালের শেষের দিকে বলিউডেরই কোনও বড় বাজেটের সিনেমায় তাকে দেখা যাবে।

এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

কংগ্রেসের প্রার্থী হচ্ছেন কারিনা কাপুর?

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২১ ১৩:১৫:১৮

এবার রাজনীতিতে আসছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান। এরই মধ্যে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পরাজিত করে মধ্যপ্রদেশের দখল নিয়েছে কংগ্রেস।

আসছে লোকসভা নির্বাচনে নিজেদের খুঁটি শক্ত করতে প্রস্তুত দলটি। তারা এমন কাউকে প্রার্থী হিসেবে রাখতে চান যার উপস্থিতি দলকে অক্সিজেন দেবে। সেই তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন কারিনা। কংগ্রেসের চাওয়া ভোপাল থেকে কারিনাই নির্বাচনে দাঁড়ান।

কারিনাকে টিকিট দেয়ার ব্যাপারে কংগ্রেসের দুই নেতার ভাষ্য, কারিনার একটা বিরাট ভক্ত শ্রেণি রয়েছে। ভোটের ময়দানে নামলে নতুন প্রজন্ম তাকেই জেতাবে। এছাড়া মনসুর আলী খান পতৌদির পুত্রবধূ হওয়ায় কিছুটা এগিয়ে থাকবেন তিনিই। এই কিংবদন্তি ক্রিকেটারের জন্ম হয়েছিল ভোপালেই। পতৌদির পিতামহই ভোপালের শেষ নবাব হিসেবে রাজত্ব করেছিলেন।

সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, পতৌদি পরিবারের সঙ্গে ভোপালের সম্পর্ক এখনও বেশ নিবিড়। সাইফ-কারিনা, শর্মিলা ঠাকুর, সোহা আলী খানদের ভোপালে আসতে দেখা যায়। যদি কারিনা ভোটে দাঁড়ান তাহলে তিনি ভোপালবাসীর ভালোবাসাই পাবেন।

কিন্তু ১৯৯১ সালে ভোপাল থেকে লোকসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন মনসুর আলী খান পতৌদি। তবে সেবার বিজেপির সুশীলচন্দ্র বর্মার কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হন তিনি। তবে কারিনার জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী কংগ্রেস।

বিস্তারিত খবর

আলিয়ার ‘কলঙ্ক’ ফাঁস

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৯ ১১:৫২:২০

নামি পরিচালক ও প্রযোজক মহেশ ভাট কন্যা আলিয়া ভাট। নিজ যোগ্যতায় তিনি বলিউডে জায়গা করে নিয়েছেন। বর্তমানে এই নায়িকার সঙ্গে রণবীর কাপুরের প্রেম নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। চলতি বছরেই তাদের বাগদান হবে বলে শোনা যাচ্ছে।

এদিকে বর্তমানে খ্যাতিমান পরিচালক করণ জোহর প্রযোজিত ছবিতে কাজ করছেন আলিয়া। নাম ‘কলঙ্ক’। এই ছবির আলিয়ার লুক ফাঁস হয়েছে।

ফাঁস হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি নাচের দৃশ্যের জন্য তৈরি হচ্ছেন আলিয়া। তার পরনে ঘাগরা-চোলি। ক্যামেরা অন হওয়ার আগে সেরে নিচ্ছেন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সে সময়ই গোপনে ভিডিওটি করা হয়।

আলিয়া ছাড়া মাধুরী দীক্ষিত, বরুণ ধাওয়ান, সোনাক্ষী সিং, আদিত্য রায় কাপুরসহ অনেকে রয়েছেন ছবিতে।

এক সাক্ষাৎকারে করণ জোহর জানান, ‘আলিয়া এই ছবিতে কী করেছে এখনই সেটা বলব না। কিন্তু আলাদা কিছু করেছে, এটা বলব। আলিয়াকে দেখে মনে হচ্ছিল আমার মেয়ে পারফর্ম করছে। ওকে আমি মেয়ের মতোই দেখি। ইমোশনাল হয়ে একটা সময় কেঁদেও ফেলেছিলাম।’

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, অভিষেক বর্মন পরিচালিত একটি পিরিয়ড ড্রামা এটি। চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল ছবিটি মুক্তি পাবে।

পরিচালক অয়ন মুখার্জির ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির শুটিংয়ে পরিচয় রণবীর-আলিয়ার। ডিসেম্বর নাগাদ মুক্তি পাবে ছবিটি।

বিস্তারিত খবর

সিডনিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে 'গানে গানে জোছনা'

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৯ ১১:৪৫:২৯

'কী বা আছে বলো দেবার মত
সংকোচে তাই আমি অবনত।
আছে শুধু মোর ভালবাসা
তাই দিয়ে যেতে চাই উজার করে'—এ আমার কথা নয়। বিখ্যাত হারজিৎ সিনেমার জনপ্রিয় এক গান। গানে গানে ভালোবাসার জোছনায় ভরিয়ে দিতে 'বাংলাদেশ আইডল' নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজন করেছিলো এক মনোমুগ্ধকর সঙ্গীত আসর 'গানে গানে জোছনা'। গত ১২ জানুয়ারী ২০১৯ সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ব্রায়ান ব্রাউন থিয়েটার, ব্যাংকস টাউনে এই সঙ্গীত সন্ধ্যা আয়োজন করেন 'বাংলাদেশী আইডল' এর স্বত্বাধিকারী শিল্পী জুটি আতিক হেলাল এবং মিতা আতিক। পুরো অনুষ্ঠান আয়োজনে ছিলো ভিন্নতা—যা দর্শক শ্রোতাদের মন কাড়ে !
প্রথমেই আলো-আঁধারি আলোকসজ্জায়  বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে শিল্পীরা ফিউশন মিউজিকের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। শ্রোতাদের মগ্ন চৈতন্যে আঁচড় কাটলো উপস্থাপিকা আবিদা আসোয়াদের আগমন । মুহুর্মুহু করতালিতে উচ্ছ্বসিত শ্রোতাদের হর্ষধ্বনি উৎসবের আমেজ বাড়িয়ে দিল বহুগুণ।

এরপর শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান I সঙ্গীত পরিবেশন করেন আয়োজক এবং সুপরিচিত তারকা সঙ্গীতশিল্পী  আতিক হেলাল ও মিতা আতিক। এই জুটি সুরের বাঁধনেই কেবল কন্ঠ'ই বাঁধেননি, বেঁধেছেন মনোহৃদ ! তাঁদের দাম্পত্য জীবন জুড়েও যেন সুর-তাল-লয়ের সাধনা I প্রবাসের নানান প্রতিবন্ধকতা ছাপিয়ে কাজ করছেন সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশে। তবে, আয়োজক এবং শিল্পীজুটির মূল উদ্দেশ্য ছিলো স্থানীয় শিল্পীদের বিশেষ করে বাদ্যযন্ত্র শিল্পীদের ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করা। উল্ল্যেখ্য, বাংলাদেশ থেকে কিবোর্ড বাজাতে এসেছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম কিবোর্ডিস্ট রাজীব আহমেদ। আয়োজকদের মতে, একজন শিল্পীর কন্ঠ যতই মধুর হোক বা একজন গীতিকার যতই ছন্দময় লিখুক না কেন, যন্ত্রে সুরের মায়া না থাকলে সৃষ্টি স্বার্থক হয় না। সকল সম্মানিত শিল্পী এবং দর্শক শ্রোতাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু হয় গানে গানে জোছনা। অনুষ্ঠান শুরু হয় হেলাল ও মিতা আতিকের দ্বৈত কন্ঠে 'ও আমার দেশের মাটি' গানটির মাধ্যমে। এরপর একে একে সুর জাগে 'আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন', 'সুরের ভুবনে আমি আজও পথচারী', 'দেখেছি ও চোখে', 'তারে এক জনমে ভালোবেসে ভরবে না', 'আমি অবুঝের মত একি করেছি', 'আমরা অমর সঙ্গী', 'আমি কি তেমনি আছি নাকি বদলে গেছি', 'আমার এ দুটি চোখ পাথর তো নয়', 'আমি তোমার মনের ভিতর একবার ঘুরে আসতে চাই', 'এনে দে রেশমী চুড়ি', 'এই রুপালী চাঁদ', 'চলে গেলে সবই ভুলে যে', 'আসি আসি বলে তুমি', 'তুমকো দেখা হ্যায়া জিন্দেগী', 'লাগজা গালে'সহ অনেক গানে। আতিক হেলাল ও মিতা আতিক দ্বৈত ছাড়াও এককভাবে পরিবেশন করেন জনপ্রিয় অনেক গান। তাঁদের মনমাতানো সঙ্গীত দর্শক-শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। 'এনে দে রেশমী চুড়ি, নইলে যাবো বাপের বাড়ি'—গানটি গাওয়ার সময় কন্ঠশিল্পী মিতা আনন্দঘন আবেশে নিজেকে হারিয়ে ফেলেন কোন এক মুহূর্তে। এসময় আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেন শ্রোতা দর্শক । করতালি ও শিষ বাজিয়ে শ্রোতাদের কেউ কেউ উস্কে দিচ্ছিলেন জীবনকে গভীরভাবে স্পর্শ করার উপলব্ধিকে । দেশাত্মবোধক, আধুনিক, ফোক, গজল ও হিন্দীসহ প্রায় ত্রিশটির ও বেশী গান পরিবেশন করে দর্শক-শ্রোতাদের মন জয় করেন তাঁরা । শুধু তাই নয়, শিল্পী জুটি তাদের মৌলিক গানও পরিবেশন করেন, যার সুরকার বাংলাদেশের বরেণ্য সঙ্গীত পরিচালক প্রয়াত আলী আকবর রুপু। এছাড়াও, আতিক হেলাল স্থানীয় গীতিকারদের লেখা এবং নিজের কম্পোজিশনে দুটি মৌলিক গান পরিবেশন করেন। বাদ্যযন্ত্রে সহশিল্পী ছিলেন অক্টোপ্যাড ও তবলায় জিয়াউল ইসলাম তমাল, গিটারে সোহেল খাঁন, বেজ গিটারে ইমন, কি-বোর্ডে রাজিব, ড্রামে অনি এবং বেজ গিটারে সাদাত শাখাওয়াত দিপ্র । উল্লেখ্য, এই প্রজন্মের ক্ষুদে বেজ গিটারিস্ট দিপ্র বাংলাদেশে আশির দশকে আতিক হেলালের ব্যান্ড 'উইন্ডস' এর একটি জনপ্রিয় গান 'চলে গেলে' ও আজম খানের গাওয়া 'আসি আসি বলে' এর সাথে বেজ গিটার বাজিয়ে শ্রোতাদের তাক লাগিয়ে দেয়।

প্রসঙ্গত, বাংলা সঙ্গীতাঙ্গনে আশি-নব্বই দশককে বলা হয় স্বর্নালি যুগ । সেই সময়ে অর্থাৎ ১৯৮৪ সালে উইন্ডস্ এর জন্ম হয়েছিল । বেশ ক'টি মৌলিক গানের এ্যালবাম, কনসার্ট ও রেডিও-টিভি'তে শো এর মাধ্যমে উইন্ডস্ এর সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে । যা তাদেরকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যায় । উইন্ডস্ এর ব্যান্ড লাইনে ছিলেন আতিক হেলাল  (ভোকাল), প্রয়াত আলী আকবর রুপু (কী বোর্ড), রিচার্ড কিশোর (বেজ গিটার), মাকসুমুল হুদা বাড্ডু (গিটার), ফারুক ইকবাল নীরো (ড্রাম)। উইন্ডস্ এর উল্লেখযোগ্য কাজ - সারগাম থেকে প্রকাশিত হয় তিনটি ক‍্যাসেট ভলিউম—"ও মনা”, “চলে গেলে”, "দূরে কোথাও”। সেসময় 'সাওতালী মেঠো পথে'সহ বেশ কিছু গান শ্রোতা নন্দিত হয়।। ১৯৯৩ সালে আতিক হেলাল অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী হবার পর থেমে যায় উইন্ডস্ এর পথ চলা। কিন্তু আতিক হেলাল থেমে থাকেন নি। প্রবাসের হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। একজন সফল গীতিকার এবং সুরকার হিসেবে শুধু তিনি নিজেই প্রতিষ্ঠিত হননি বরং, তাঁর সহযোগিতায় সিডনির বেশ কয়েকজন শিল্পীর গানের সিডি প্রকাশিত হয়।
শৈশবেই মিতা আতিকের সঙ্গীতে হাতেখড়ি হয়েছিল নিলীমা দাস, সুধীন দাস ,মাহমুদুন্নবী এবং খালিদ হোসেনের কাছে। গজল শিল্পী পরিমল বিশ্বাস এবং আমানুল্লাহ হারুনের কাছে গজল তালিম নিয়েছিলেন। পার্থ বড়ুয়া এবং বাপ্পা মজুমদারের আয়োজনে “নিয়তি” এবং “দুঃখ নামের নদী” নামে বাংলাদেশে মিতার দুটি গানের সিডি প্রকাশিত হয় । ২০১৬ তে “মন দরজা” নামে দশটি গানের আর একটি সিডি প্রকাশিত হয় বিডি রেকর্ড থেকে।

মিতার বাবা জাতীয় পুরুষ্কারপ্রাপ্ত স্বনামধন্য গীতিকার মোহাম্মদ আলী তারিক, যিনি একাধারে ছিলেন একজন সফল রাজনীতিবিদ, এডভোকেট, সাংবাদিক, গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার । মা ছিলেন আকাশচুম্বী জনপ্রিয় টিভি নাটক 'সংশপ্তক' এর "রানু" চরিত্রাভিনেত্রী, যার প্রকৃত নাম রেহেনা। তিনি এক সময় "ঢাকা আরণ্যক নাট্যদল" এর অন্যতম সদস্য হয়ে মঞ্চাভিনয় করতেন । বাংলা চলচ্চিত্র 'হারজিৎ' এর কাহিনী ও সংলাপ লিখেছেন মিতার বাবা মোহাম্মদ আলী তারিক । তিনি এই সিনেমার সবগুলো গান লিখেছেন। এর অন্যতম একটি গান হচ্ছে 'যদি আমাকে জানতে সাধ হয় বাংলার মুখ তুমি দেখে নিও', গানটি গেয়েছেন আরেক কিংবদন্তী শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। তাঁর লেখা অন্যতম আরেকটি গান হচ্ছে "সুরের ভুবনে আমি আজো পথচারী" সুরকার সত্য সাহা ও কন্ঠশিল্পী ছিলেন মাহমুদুন্নবী।

অষ্ট্রেলিয়ার পার্থ, ডারউইন, ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, ক‍্যানবেরায় দর্শক হৃদয় জয় করেন অনবদ্য সঙ্গীত পরিবেশনার মাধ্যমে এই শিল্পী দম্পতি। 'বাংলাদেশী আইডল' এর আয়োজনে ইতোমধ্যে সিডনিতে অসংখ্য সফল অনুষ্ঠান দেখতে পেয়েছে স্থানীয় বাংলাদেশী কমিউনিটি । বাংলাদেশের প্রথিতযশা শিল্পীরা এই সংগঠনের ডাকে সিডনিতে অনুষ্ঠান করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন। আতিক হেলাল তাঁর অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, "বাংলাদেশী আইডলের আয়োজনে স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে মনোমুগ্ধকর সুন্দর এই অনুষ্ঠান উপহার দিতে পেরে তৃপ্তি অনুভব করছি । আগামীদিনেও যদি সকলের সহযোগিতা পাই এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চেষ্টা করব"।

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

গতবছরের ৩১ ডিসেম্বর বিয়ে করেছি : সালমা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৭ ১৩:১৮:১৬

সংগীতশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা আবারও বিয়ে করেছেন। গত ৩১ ডিসেম্বর লোকগানের জনপ্রিয় এই শিল্পী পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন ময়মনসিংহ হালুয়াঘাটের ছেলে সানাউল্লাহ নূরে সাগরকে। যিনি ঢাকা জজ কোর্টের এডভোকেট। বর্তমানে লন্ডনে ‘বার অ্যাট ল’ করছেন।

আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় ঘনিষ্ঠ সংবাদকর্মীদের ডেকে সালমা তার দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানান। তিনি বলেন, প্রেম নয়, দুই পরিবারের দেখাদেখির ভিত্তিতে বিয়ে হয়েছে।

৩১ ডিসেম্বর সালমার বাসায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তার স্বামী সানাউল্লাহ নূরে সাগর আবার ফিরে গেছেন লন্ডনে। সালমা জানান, চারমাস পর তার স্বামী ‘বার অ্যাট ল’ শেষ করে দেশে ফিরবেন।

লালনকন্যা খ্যাত এই কণ্ঠশিল্পী বলেন, আমার স্বামী দেশে ফিরলে বিয়ের সংবর্ধনার আয়োজন করবো, তখন সবার দোয়া নেব।

সালমা বলেন, বিয়ের আগে আমি স্বামীর সাথে কথা বলেছি। শুনেছি, আমার গান পছন্দ করে কিনা! এতে তার কোনো আপত্তি নেই। তার পরিবারের সাথেও আলাপ করেছি। তাদের মধ্যেও আমার গান নিয়ে আগ্রহ দেখেছি। সে নিজেও আবার বাবার সাথে কথা বলেছে।

সালমা মনে করেন, পরষ্পর একসাথে থাকতে হলে দুজনের মধ্যে বিশ্বাস, ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ থাকা দরকার। এই সবকিছুর সমন্বয় হলে দাম্পত্য জীবন সুখের হয়। এসবগুলো সালমা তার স্বামী সাগরের মধ্যে দেখেছেন।

কুষ্টিয়ার মেয়ে মৌসুমি আক্তার সালমা সংগীত রিয়্যালিটি শো ‘ক্লোজআপ– তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’-এর দ্বিতীয় সিরিজের বিজয়ী ছিলেন। এরপর কয়েকটি লোকগীতি দিয়ে সালমা সারাদেশে ব্যাপক পরিচিতি পান। ২০১১ সালে পারিবারিকভাবে শিবলী সাদিককে বিয়ে করেন সালমা।

শিবলী সংগীত পরিবারের ছেলে হলেও পিতার উত্তরসূরি হিসেবে রাজনীতিতে যুক্ত হন। ২০১২ সালে ১ জানুয়ারি তাদের সংসারে কন্যা সন্তান স্নেহার জন্ম। সাংসারিক দ্বন্দ্বের কারণে ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বরে তাদের বিচ্ছেদ হয়। সালমার মেয়ে স্নেহা তার বাবা শিবলীর কাছে থাকে বলে জানা যায়।

এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

১১০০ ছবিতে অভিনয় করে গিনেস বুকে কোটিপতি ব্রহ্মানন্দম

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৭ ০৯:৫২:২৩

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের সত্যেনাপল্লীতে জন্ম ব্রহ্মানন্দমের। পুরো নাম কান্নেগান্তি ব্রহ্মানন্দম। ১৯৮৫ সালে ‘আহা না পেলান্ত্রা’ ছবিটি দিয়ে অভিনয় জগতে হাতেখড়ি হয় তার।

অভিনয় জগতে পা রাখার আগে একটি বেসরকারি কলেজের অধ্যাপক ছিলেন ব্রহ্মানন্দম। বিখ্যাত তেলেগু পরিচালক জান্ধল্য সুব্রহ্মন্যম শাস্ত্রীর নজরে আসেন তিনি। তারপর থেকে অভিনয় শুরু।
তার কমিক টাইমিংয়ে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা চিরঞ্জীবী। তিনিই বহু ছবিতে কমেডিয়ানের চরিত্রের জন্য ব্রহ্মানন্দমের নাম সুপারিশ করতেন। ইন্ডাস্ট্রিতে ব্রাহ্মি নামেই অধিক খ্যাত এই অভিনেতা।

ইন্ডাস্ট্রিতে ৩০টা বছর পার করে ফেলেছেন। আজও তাকে নায়কের বন্ধুর ভূমিকায় দেখা যায়। ২০০৯ সালে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন ব্রহ্মানন্দম।

১১০০ বেশি ছবিতে অভিনয় করে ফেলেছিলেন ২০১৫ সালের মধ্যেই। তার পরই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুকে নাম উঠে অভিনেতার। এই মুহূর্তে অভিনেতার ঝুলিতে রয়েছে ১১০০টি সিনেমার রেকর্ড।

পারিশ্রমিকের অঙ্কে বিশ্বের বড় বড় সব কমেডিয়ানদের পিছনে ফেলে দিয়েছেন ব্রক্ষ্মানন্দম। অভিনেতার এক দিনের পারিশ্রমিক ৫ লাখ টাকা। আর একটা ফিচার ফিল্মের জন্য এক কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেন ব্রহ্মানন্দ।

এই মুহূর্তে প্রায় ৩৬০ কোটি টাকার মালিক ব্রহ্মানন্দম। নামীদামী প্রায় সবরকমের গাড়িই রয়েছে অভিনেতার গ্যারেজে। হায়দ্রাবাদের জুবিলি হিলসে বিরাট বাংলো রয়েছে ব্রহ্মানন্দমেরর। পরিবারে আছেন স্ত্রী এবং দুই পুত্র। দুই ছেলের নাম রাজা গৌতম এবং সিদ্ধার্থ।

তিনি বহু বার বিতর্কে নাম জড়িয়েছেন। অভিনেত্রী অনুশকা শেট্টি সম্পর্কে এক বার মন্তব্য করেন, ‘হট জালেবি যা সকলেই খেতে চায়।’ অনুশকা তো বটেই, প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিলেন অনেকেই।

দিন কয়েক আগে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তেলেগু ইন্ডাস্ট্রির এই ‘কমেডি কিং’। খ্যাতনামা কৌতুক অভিনেতার দ্রুত আরোগ্য কামনায় শুরু হয়ে যায় দেশজুড়ে প্রার্থনা। হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিনেতা এখন অনেকটাই সুস্থ।

অভিনেতার অসুস্থতার খবর শুনেই দেশজুড়ে নানান বয়সের মানুষ টুইট করতে থাকেন। অভিনেতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় যেন ঝড় উঠে যায় এক নিমেষে।

বিস্তারিত খবর

আবারও বিয়ে করছেন সালমা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৬ ১০:১০:০০

দিনাজপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের সঙ্গে সালমার ডিভোর্স হয়ে যায় ২০১৬ সালে ২০ নভেম্বর। এরপর থেকে সালমা ছিলেন সিঙ্গেল। ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত দিয়ে উঠে আসা এই কণ্ঠশিল্পীর জন্মদিন ছিল গতকাল। এদিনে তিনি জানিয়েছেন, আবারও বিয়ে করতে যাচ্ছেন। সালমা জানান, চলতি বছর তিনি বিয়ে করবেন। তার পরিবার থেকে পাত্র খুঁজছে।

লালন কন্যা হিসেবে পরিচিত এই শিল্পী বলেন, শিবলীর সঙ্গে আমার ডিভোর্স হয়েছে প্রায় তিন বছর হলো। পুরো সময়টা একাই চলেছি। তবে আমার পরিবার চায়, আমি বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করি। এতদিন তাদের বুঝিয়ে শুনিয়ে রেখেছি। কিন্তু এখন তারা আমার বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে। মাঝেমধ্যে নিজেও একাকীত্ব ফিল করি। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিয়ে করবো। আবার সবকিছু নতুন করে শুরু করবো।

সালমা এখন গানের পাশাপাশি আইন বিষয়ে লেখাপড়া করছেন। তিনি ব্যারিস্টার হতে চান। সেজন্য এ বছরেই লন্ডনে উচ্চশিক্ষা নিতে যাবেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘পড়াশোনা করতে চলতি বছর দেশের বাইরে যাব। এর আগেই, বিয়ের কাজটা সেরে ফেলতে চাই। বাসার লোকজনও সে অনুযায়ী আগাচ্ছে। খুব শিগগিরই বিয়ের খবর জানানো হবে।

কুষ্টিয়ার মেয়ে মৌসুমি আক্তার সালমা সংগীত রিয়্যালিটি শো ‘ক্লোজআপ – তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’-এর দ্বিতীয় সিরিজের বিজয়ী ছিলেন। এরপর কয়েকটি লোকগীতি দিয়ে সালমা সারাদেশে ব্যাপক পরিচিতি পান। ২০১১ সালে পারিবারিকভাবে শিবলী সাদিককে বিয়ে করেন সালমা।

শিবলী সংগীত পরিবারের ছেলে হলেও পিতার উত্তরসূরি হিসেবে রাজনীতিতে যুক্ত হন। ২০১২ সালে ১ জানুয়ারি তাদের সংসারে কন্যা সন্তান স্নেহার জন্ম। সাংসারিক দ্বন্দ্বের কারণে ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বরে তাদের বিচ্ছেদ হয়। সালমার মেয়ে স্নেহা তার বাবা শিবলীর কাছে থাকে বলে জানা যায়।

বিস্তারিত খবর

শ্রীদেবীর মৃত্যু নিয়ে নতুন বিতর্ক উস্কে দিলেন প্রিয়া!

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৬ ০২:০৪:৫৪

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীদেবীর মৃত্যু পরিবারের তরফে স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হলেও পর্দায় সেই মৃত্যুরহস্য ফের উস্কে দেওয়ায় তৈরি হল বিতর্ক।

ভারতের দক্ষীণি পরিচালক প্রশান্ত মামবুল্লি তৈরি করেছেন একটি ছবি ‘শ্রীদেবী বাংলো।’ সদ্য সেই ছবির ট্রেলারও মুক্তি পেয়েছে। নাম ভূমিকায় রয়েছেন প্রিয়া প্রকাশ ভ্যারিয়ার। কিছুদিন আগেই একটি ছবিতে তাঁর চোখ মারার দৃশ্য ভাইরাল হয়।

এখানে দেখা যাচ্ছে প্রিয়ার চরিত্রের নাম শ্রীদেবী। তিনিও পেশায় অভিনেত্রী। ট্রেলারের শেষে দেখা যাচ্ছে বাথটাবে ডুবে মারা যাচ্ছেন তিনি। এতগুলি বিষয় মিলে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে ছবির গল্প নিয়ে। ইতিমধ্যেই ওই পরিচালককে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন শ্রীদেবীর স্বামী তথা প্রযোজক বনি কাপুর।

যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন পরিচালক। তার যুক্তি শ্রীদেবী যে কোনও নারীরই নাম হতে পারে। কিন্তু পরিণতিটাও একই কীভাবে হয়, উঠছে সেই প্রশ্ন।

এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

রুনা-সাবিনা-জেমস সহ ১৮টি শো নিয়ে আসছেন শো-টাইম মিউজিক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৫ ১৩:২৯:০০

বছরের শুরুতে তিনটি উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন শো টাইম মিউজিক। এবার আরও দুইটি মেগা কন্সার্ট টুর এর ঘোষণা দিলেন শোটাইম মিউজিকের নির্বাহী প্রধান এবং উত্তর আমেরিকার জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আলমগীর খান আলম,বাংলাদেশের জীবন্ত দুই কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পী রুনা লায়লা এবং সাবিনা ইয়াসমিনকে আবারো দেখতে পাবেন দর্শকরা।

অত্যন্ত আনন্দের সাথে এই প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে আলমগীর খান জানান এই দুই শিল্পীকে নিয়ে অনুষ্ঠান করা সত্যিই গর্বের ব্যাপার ,এর আগেও আমি দুইবার করেছিলাম ,এবং দর্শকদের অফুরন্ত ভালোবাসা পেয়েছিলাম ,এবার আমেরিকার মোট ছয়টি শহরে এই কন্সাট গুলি অনুষ্ঠিত হবে আগামী জুলাই এবং আগস্ট মাসে ,একই সময়ে নগর বাউল জেমস এর কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে ,গত ডিসেম্বরে অত্যন্ত সাফল্যের সাথে জেমসের কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং আমেরিকার বিভিন্ন শহর থেকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে আমরা তাদের শহরে অনুষ্ঠান করি ।তারই ধারাবাহিকতায় আমরা কাজ শুরু করেছি ,আমি সবাইকে অনুরোধ করবো আপনারা অতিসত্বর আমাদের সাথে যোগাযোগ করে দিন কনফার্ম করেন .এছাড়াও আগামী এপ্রিলে ঢালিউড পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর রমজানের বিরতির পর জুনে অনুষ্ঠিত হবে তিন দিনব্যাপী হুমায়ুন কনভেনশন এবং রিভার ক্রুজ কন্সাট ,তারপর সাকিব আল হাসানের ইউ এস টুর.  জুলাইতে অনুষ্ঠিত হবে প্রথম ইন্দো-বাংলা এ্যায়ডস  শো, তপন চৌধুরী -মিতালী মুখার্জী– শাকিলা জাফর লাইভ ইন ইউ এস  এ ,শো টাইম মিউজিকের ব্যানারে প্রথম চলচ্চিত্র নির্মান ,আগস্টে ১১ তম এনআরবি এ্যায়ডস এবং কুমার শানু অল্কা ইয়াগ্নিক লাইভ ইন নিউইযর্ক কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে।

এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মঞ্চে জীবন নাটক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-০৯ ১২:৪৪:৩৩

প্রায় এক দশক আগে এমনই কোন এক গ্রীষ্মকালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে সপরিবারে প্রথম এসেছিলাম । গন্তব্য শহর থেকে গ্রামে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে, এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বে ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত এ মহাদেশটি এতটাই উন্নত যে - এখানে চিরচেনা 'গ্রাম' এর দেখা মেলা ভার ! অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধার সর্বোচচ ব্যবহার করে প্রতিটি শহরতলী থেকে শহর গড়ে তোলা হয়েছে। গ্রাম বা শহুরে জীবনযাপনে আহমরি তফাৎ চোখে পড়ে না এদেশে । আগুন্তুক হিসেবে আমি যা দেখতাম, তাতেই মুগ্ধ হতাম ! তবুও দিন শেষে কোথায় যেন অতৃপ্তি ! ছোট্ট যে শহরে আমি ছিলাম, আশেপাশে কোন বাঙালি ছিলো না। মাইল খানেক দূরত্বে কয়েকটি বাংলাদেশী পরিবার বাস করতো । মাঝেমধ্যে দেখা হতো। একেবারেই ছোট পরিসরে আয়োজন হতো দেশীয় উৎসব-পার্বনের।

ওখান থেকে বানিজ্যিক নগরী সিডনির দূরত্ব পাঁচশত মাইল। অস্ট্রেলিয়ায় সর্বাধিক বাংলাদেশীদের বসবাস সিডনিতে । বৃহৎ পরিসরে বিস্তৃত বাঙালি কমিউনিটি । কমিউনিটি প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদপত্র ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি বাংলাদেশীদের উদ্যোগ এবং অংশগ্রহণে নানান সাংস্কৃতিক-সামাজিক কর্মকাণ্ডের কথা। সেসব আমাকে আপ্লুত করতো তখন! গভীরভাবে উপলদ্ধি করতাম—একটি জাতির আত্মপরিচয়ের বহিঃপ্রকাশের প্রধান মাধ্যম তার মাতৃভাষায়। প্রবাসে আমাদের সন্তানেরা আধো বাংলা-ইংরেজী মিশ্রনে কথা বলে।  তা শুনতে কতটা শ্রুতিমধুর সে হিসাবে  বড়ই গড়মিল ! শংকিত হই এই ভেবে যে—তৃতীয়-চতুর্থ বা পরের প্রজন্ম গল্পের ছলে না বলে বেড়ায়, ‘আমাদের পূর্বপুরুষদের ভাষা ছিল বাংলা  এবং একদা আমরা বাঙালি ছিলাম' !

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের কন্ঠে একটি গান খুব শোনা হতো তখন, "মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে, স্মৃতি যেন আমার এ হৃদয়ে বেদনার রঙ্গে রঙ্গে ছবি আঁকে"। পরবর্তীতে সিডনিতে স্থায়ী বসবাস শুরু । সিডনি বাঙালি কমিউনিটি'তে নিজেকে সম্পৃক্ত করা । এরইমধ্যে কমিউনিটির বিভিন্ন কাজে যথাসাধ্য সহযোগিতা করে যাচ্ছি এবং যাবো। গত এক দশকে একজন প্রবাসী হিসেবে আমি দেখছি, বাংলাদেশীরা পৃথিবীর যে প্রান্তেই বসবাস করছেন, অবধারিতভাবেই সেখানে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন সংগঠন-প্রতিষ্ঠান ।
বলাবাহুল্য, প্রায় পঞ্চাশ/ষাট দশকের সিডনি বাঙালি কমিউনিটি এখন অনেক বেশী বিস্তৃত ! সাংস্কৃতিক বিস্তৃতি হয়েছে সব'চে বেশী । সম্প্রতি সংযোজন হয়েছে মঞ্চ নাটক । মঞ্চ নাটক এর আগেও প্রদর্শিত হয়েছে সিডনির
মঞ্চে । তবে, গত কয়েক মাসে পরপর প্রদর্শিত হয়েছে ভিন্ন সংগঠন আয়োজিত মঞ্চ নাটক—দর্শক চাহিদার কারনে কোনটি দ্বিতীয়, তৃতীয়বারও মঞ্চস্থ হয়েছে । প্রতিটি প্রদর্শণীই ছিলো দর্শক মুখর এবং অবশ্যই তা পকেটের টাকায় টিকেট ক্রয় করে। ভাবতেই ভালো লাগে, ঢাকার নাটক পাড়া বেইলি রোড হতে যাচ্ছে সিডনিতে । সর্বশেষ আমি সপরিবারে দেখতে গিয়েছিলাম 'রিফিউজি বিভ্রাট' । অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে মঞ্চায়িত এ নাটকটির পটভূমি রচিত হয়েছে, সমুদ্রপথে দেশটিতে আসা শরণার্থীদের নিয়ে—শরণার্থী বা রিফিউজিদের হাসি-কান্না, ফেলে আসা স্মৃতি, স্বপ্ন-স্বপ্নভঙ্গের কাহিনী নিয়েই গড়ে উঠেছে নাটকটি ।

নাটকটি লিখেছেন অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশী নাট্যকার বেলাল হোসেন ঢালী। রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি । গত ২৩ ডিসেম্বর' ২০১৮ সিডনির ব্যাংকস টাউনের ব্রায়ান ব্রাউন থিয়েটারে নাটকটি মঞ্চায়িত হয়।

ইন্দোনেশিয়া থেকে সমুদ্রপথে ট্রলারে করে অস্ট্রেলিয়ায় আসা একদল শরণার্থীর কর্মকান্ড ফুটিয়ে তুলেছেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসবাসরত স্থানীয় বাংলাদেশী শিল্পীবৃন্দ । সমুদ্র যাত্রা ও বেআইনিভাবে অস্ট্রেলিয়া প্রবেশের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে নাটকটি। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন, মো. আবদুল কাউয়ুম, ফজলুল হক শফিক, রহমত উল্লাহ, নুরে আলম লিটন, হাবিবুর রহমান হাবিব, কামরুল ইসলাম, আমেনা আক্তার সাগর, মেরিনা জাহান, মো. মাসুদুর রহমান প্রমুখ। প্রসঙ্গত, এর আগে সিডনিতে বেলাল হোসেন ঢালীর রচনায় ও নির্দেশনায় সিটিজেন, আদমখানা ও বিদ্রোহী নাটক মঞ্চায়নের পর দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বেলাল ঢালী'কে ধন্যবাদ সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত জীবন যুদ্ধের গল্প তুলে ধরার জন্য। ঘটনা প্রবাহে হাস্যরসাত্মক সংলাপগুলো কঠিন জীবন সংগ্রাম সহজ করে তুলেছে । দর্শকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে । মঞ্চসজ্জায় ছিলেন পরিচিত মুখ লরেন্স ব্যারেল । সব কিছু মিলিয়েই পরিচ্ছন্ন ছিলো নাটকটি ।

বিনোদনের মাধ্যমে কমিউনিটি-সমাজে যদি কোন ম্যাসেজ দেয়া যায়, সেটা গুরুত্ব বহন করে । এ নাটকটির মাধ্যমে অভিবাসন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা পাবে শরণার্থীরা । এছাড়াও আমার ব্যক্তিগত অভিমত, সংগঠন-আয়োজক-উদ্যোক্তা সকলের সহযোগিতায় অন্যান্য শাখায় ও সংযোজন হোক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের, সেই সাথে চর্চা হোক দেশীয় ভাষার। বাঙালি কমিউনিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখুক মাল্টিকালচারাল এ মহাদেশটিতে ।

শুভকামনা নাটকটির পরিচালক, কলাকুশলী ও সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য । বিভ্রাটের কবল থেকে মুক্ত হোক রিফিউজিরা।

এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ক্যালিফোর্নিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেতা মিলন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-০৩ ০৩:৪৯:৪৬

যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন বাংলাদেশের টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলন।

গত ৩০ ডিসেম্বর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের বাকেরসফিল্ড ক্যালিফোর্নিয়া থেকে লাস ভেগাস শহরে যাওয়ার পথে ফ্রি ওয়েতে আরেকটি গাড়ি মিলনের গাড়িটিকে পেছন দিক থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে এ ঘটনা ঘটার কিছুক্ষণ পরেই দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া তাদের গাড়িটির কয়েকটি ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন এই অভিনেতা। যার সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন একটি ক্যাপশন।

সেখানে লিখেছেন, ‘বছরের শেষ অভিজ্ঞতা, একটা বড় অ্যাক্সিডেন্ট। কিন্তু আল্লাহ আমাদের ভালো রেখেছেন। আমরা সুস্থ আছি, সামনের বছরটা কেমন যাবে, সেটা বোঝা যাচ্ছে না। আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন।’

এরপর ১ জানুয়ারি রাতে এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হয় অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলনের সঙ্গে। তিনি বলেন,‘আমরা প্রায় লাস ভেগাস পৌঁছে গিয়েছিলাম। সে সময় সামনের একটা গাড়ি হঠাৎ ব্রেক করে। আমার স্ত্রী (পলি রহমান) গাড়ি ড্রাইভ করছিল। হঠাৎ করেই পেছন থেকে আমাদের গাড়িটাকে ধাক্কা দেয় আরেকটা গাড়ি।’

‘ও সঙ্গে সঙ্গে হার্ড ব্রেক করে। আমরা অল্পের জন্য বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছি। আমাদের সিট বেল্ট বাঁধা ছিল। আমাদের গাড়ির টায়ার নষ্ট হয়ে যায় এবং পুলিশ আমাদের গাড়ি আটকে রাখে। বাধ্য হয়ে আমরা প্রায় ২ মাইল হেঁটে একটি ট্যাক্সি পাই।’

এই অভিনেতা জানান, থার্টিফার্স্টের কিছু সময় আগে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটা এতোটাই তাদের জন্য পীড়াদায়ক ছিল যে, তাদের নতুন বছরের আনন্দটাই পুরো মাটি করে দিয়েছে।

আনিসুর রহমান মিলনের স্ত্রী পলি রহমান ও ছেলে মিহিরাব রহমান স্থায়ীভাবে আমেরিকাতে বসবাস করেন। তাদের সঙ্গেই সময় কাটানোর জন্যই তিনি সম্প্রতি সেখানে গিয়েছেন।

মিলন অভিনীত ‘স্বপ্নের ঘর’ ছবিটি গত ২১ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে। দর্শক প্রতিক্রিয়াও ভালোই পাচ্ছেন। ভৌতিক ঘরানার ছবিটি পরিচালনা করেছেন তানিম রহমান অংশু। এতে তার বিপরীতে আছেন জাকিয়া বারী মম।

এদিকে মিলন অভিনীত ‘রাত্রির যাত্রী’ ছবিটি গত ১৪ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটি পিছিয়ে গেছে। ছবিটি নির্মাণ করেছেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব। আসছে ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ছবিটির।

এ ছাড়া সম্প্রতি আনিসুর রহমান মিলন ‘ইন্দুবালা’ ও ‘ডনগিরি’ ছবির কাজ শেষ করেছেন। আর ‘লীলাবতী’ নামে আরেকটি ছবির শুটিং চলছে।

বিস্তারিত খবর

লোকজ বাদ্যযন্ত্রকে উপজীব্য করে গ্রামীণ মানুষের নিবিড় সম্পর্কের ইতিহাস

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-০১ ১৩:৩৮:২৮

সুজল-সুফলা শস্য শ্যামলা আবহমান গ্রাম বাংলার মাটি ও মানুষের 'প্রিয় কবি' বা পল্লী কবি জসীম উদ্দীন এবং জীবনানন্দ দাশের অনেক কবিতায় গ্রামের জনজীবনের শাশ্বত রঙিন রূপের অবয়বকেই যুক্ত করে সুগভীর নান্দনিকতায় সমসাময়িক জীবন চিত্রের বিভিন্ন রূপরেখা সময়ের নাগর দোলায় দুুুুলিয়ে যেন মানবআত্মায় বাদ্যযন্ত্রের ঝংকারে এক স্পন্দনের আবহ ফুটিয়েছিল। গ্রামীণ বৈচিত্র্যের এমন অনিন্দ্য স্পন্দন সমসাময়িক এবং অতীতের সুরেলা বাদ্যযন্ত্র গুলোকে নিয়ে বৃত্তাকারে ঘুরে ফিরে- সামাজিক জীবন, অর্থনৈতিক জীবন ও প্রাকৃতিক জীবনকে অনেকাংশেই সচল রেখেছে। তাই তো- বাঙালির আচার আচরণে, ঘরে ও বাইরে, গ্রামে ও গঞ্জে, মেলা-খেলায়, হাটে ও ঘাটে দৈনন্দিন জীবনচক্রে গ্রামাঞ্চলের জনপ্রিয় লোকজ সংস্কৃতির অনেকগুলো বাদ্য যন্ত্রের চর্চা অক্ষুন্ন রেখেছে এবং তার বৈচিত্রময় আবহ আর শব্দের মুর্ছনাকে গ্রামীণ জনপদের মানুষেরা খুবই সমাদৃত করে রেখেছে।
মানব সভ্যতার ধারাবাহিকতায় ঐতিহ্য পূর্ণ ভাবেই লোকজ ধারার বাদ্য যন্ত্রের ইতিহাস প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে নব্য যুগের মধ্য দিয়ে যেন আরও সময়ের ধারাবাহিকতায় নানা রূপান্তর চক্রের পরে এ সময়ে এসে গ্রামাঞ্চলের মানুষের হাতে হাতেই বহু লোকজ বাদ্যযন্ত্র শোভা বর্ধন হয়েছে। তাই সংস্কৃতির প্রত্যেক অঙ্গনে লোকজ পুংখানুপুংখ ব্যবহার করেই গ্রামীণ অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করছে।
আদিম মানব জাতি লজ্জা নিরারণের জন্যে গাছের ছাল-বাকল, লতা-পাতা পরেই "ঢাক-ঢোল" বাজিয়ে উৎসব মুখর ভাবে নানা ঢঙ্গেই সেই সময়ে বিনোদন করেছিল। তার পর আস্তে আস্তেই যেন, সংযোজন-বিয়োজনের একপর্যায়ে এসে বিভিন্ন লোকজ বাদ্য-যন্ত্র গ্রামীণ মানুষের দোরড়গোড়ায় পৌঁছেছে। তাই, এমন মানুষের জীবনাচরণে অনেক পরিবর্তন এনে আজকের জনপ্রিয় লোকজ সংস্কৃতির বাদ্যযন্ত্র খুব শ্রুতি মধুর হয়ে উঠেছে এবং তাকে নিয়ে আজ যেন গ্রামীণ জনপদের হতদরিদ্র মানুষরা বিভিন্ন প্রকার গানের সহিত বাজিয়ে পুলকিত হচ্ছে। মদ্দা কথা তা হলো, শিকড় এবং গোড়ার আদলেই সৃষ্টি আজকের গ্রামীণ জমতার মিউজিক কিংবা বাদ্যযন্ত্র সবগুলো লোকজ বাদ্যযন্ত্র।
এমন এই বাদ্যযন্ত্রের সমাহারে গ্রামাঞ্চলের মানুষরা লাঠি খেলায়, কিচ্ছা কাহিনীতে, যাত্রা ও জারিগানে, বিয়ের অনুষ্ঠান, নৌকাবাইচ, পুতুলনাচ ও সার্কাসের রঙ্গমঞ্চ, বাউল গান সহ বনভোজনের আয়োজনেও বিনোদন পূর্ণ ভাবে লোকজ বাদ্যযন্ত্রের 'ঢং বা ধারা' অব্যাহত রয়েছে। শীতকাল এলেই যেন তাদের নানা ধরনের কর্ম বা আচার আচরণের আনুষঙ্গিতায়, বর কনের গায়ে হলুদে গীত গাওয়া, আবার বিয়ের পরে দিরা গমন, একেক অঞ্চলের বিয়েতেই একেক রীতি অবলম্বনেই বাদ্যকররা বিভিন্ন- 'লোকজ' বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার করে। কনে প্রথমেই শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার সময় নানি দাদি কিংবা প্রবীণ কারও সঙ্গে যাওয়ার বিভিন্ন রেওয়াজেও 'বাদ্যযন্ত্র' বাজিয়েই পরিবেশকে অনেকাংশে উৎসবমূখর করে তোলে। সুতরাং শীত আমেজেই গ্রামাঞ্চলের সহজ সরল হতদরিদ্র মানুষ বিনোদন করে থাকে।
লোকজ বাদ্যযন্ত্রের বিশাল আয়োজনকে যদি তুলে ধরতে চাই, প্রথমেই আসে আবহমান বাংলার "শুভ নববর্ষ"। নববর্ষ, ২৬ মার্চ বা ১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষেই সাধারণত শীত মৌসুমেই গ্রামীণ জনতার সম্প্রীতির বন্ধনে যেন অনেক মেলা-খেলার উৎসব হয়ে থাকে, সেখানেও হরেক রকম 'বাদ্যযন্ত্র' বাজিয়ে জীবনকে উপভোগ করে। এই দেশের প্রতিটি অঞ্চল বা শহরে সকল ধর্ম বর্ণের মানুষ মিলিত হয়েই এমন লোকজ সংস্কৃতিকে উপভোগ করে।
গ্রামাঞ্চলের পথঘাটে ও বটতলায় করুন বাঁশির সুর, ঢাকের হৃদয় স্পর্শী বাদ্য, কবি গান, পালা গান এবং গীতের সঙ্গে হেলে দুলে নাচ ভারি চমৎকার। আরও ব্যাপকতা পেয়েছে রাষ্ট্রিয় ভাবে। সরকারি কর্মচারী এবং কর্ম কর্তাদের বৈশাখীভাতা প্রদান করেও যেন শিকড়ের এমন লোকজ বাদ্যযন্ত্র কিংবা সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে। তাই তো, আজ জ্ঞানী গুনিরা গ্রাম গ্রামান্তরের লোকজ সংস্কৃতির নানা প্রকার বাদ্যযন্ত্র নিয়েই শহরমুখী হচ্ছে। সুতরাং গ্রামাঞ্চলের মানুষরা লোকজ আদলের 'ঢাকঢোল' ও 'একতারা' বাজিয়ে গান করেই তারা অবহেলিত অধ্যায় থেকে আধুনিক অঙ্গনে উঠা বসার সুযোগ পাচ্ছে।
আরও জানার প্রয়োজন- তা হলো, গ্রামাঞ্চলে গৃহস্থ বা কৃষানিরা তাদের বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার করেই মাটি ও পানির এক প্রকার মিশ্রণে কাপড়ের টুকরো অথবা কিছু খড় দিয়ে লেপে দিয়ে সেখানেই ঢুলিরা ঢোলের বাদ্যে গাঁয়ের বধূরা নানান গীত গেয়ে নেচে-নেচে মজা করে। আর গ্রামীণ পুরুষরা নৌকায় মাঝ নদীতে গিয়ে চাঁদের আলোয় এই লোকজ সংস্কৃতির বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উৎসবে মেতে ওঠে। তাছাড়াও গাঁ- গেরামের মানুষেরা "অগ্রহায়ণে ধান" কাটাকেই যেন উপজীব্য করে "ফসলের মাঠে" সারা রাত্রি সারিবদ্ধ হয়ে বসে নানাধরনের বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গেই যেন অঞ্চল ভেদে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির সুরেলা গান করে। এ সুর এবং বাদ্যযন্ত্রের ইতিহাস, ঐতিহ্য আসলেই যেন লোকজ সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ।
এমন এই সংস্কৃতির ধারায় যেন শীতের কুয়াশা ভরা চাঁদের আলোয় মৃদু মৃদু বাতাসেই বাড়ির আঙ্গিনাতে বাউলের গান ও বাদ্যযন্ত্রের সুরসহ একতার টানে ও ঢোলির ঢোলের তালের সঙ্গেই বাজে আরও অনেক বাদ্যযন্ত্র। উদাহর ণস্বরূপ- তাহলো যেমন, ডুগ ডুগি, ডুগীতবলা, ঝনঝনি, ড্রাম, সাইট ড্রাম, ফুলট, কর্নাট, কংগো এবং আধুনিক যুগের যন্ত্র ক্যাসিও। এইসবই আজকের লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গেই অঙ্গাঅঙ্গিভাবে এক সুতায় গাঁথা। তাছাড়াও জারি, সারি, ভাটিয়ালি, ভাবগান, নৌকা বাইচের গান, মুর্শিদীগান, আলকাপ গানেও এমন লোকজ সংস্কৃতির বাদ্য যন্ত্রের সমন্বয় ঘটিয়ে গ্রামের মানুষেরাই উৎসবে বাজিয়ে গর্ব বোধ করে। আবার এমন লোকজ সংস্কৃতির "বাদ্য" থেকে আলকাপ গানে তারা নিয়ে যায়,- আঞ্চলিক গম্ভীরা গানে, তাছাড়াও তারা যোগীগান, মনসারগান, লীলা, রামায়নী, পালা গান ও পট গানে আদিমতম বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে নাচ এবং সঙ্গীতকে শৈল্পিক বলয় তৈরি করে। বিভিন্ন বর্ণ কিংবা ধর্মাবলম্বীদের জীবন বৃত্তে কোন না কোন ভাবেই লোকজ সংস্কৃতির এমন বাদ্যযন্ত্রের শাখা প্রশাখা খোঁজে পাওয়া যায়। তাই,- এই লোকজ শিল্পের শিকড়ের গভীরতা মানব সৃৃৃষ্টির সূচনা থেকেই বলা চলে।
গ্রামের কিষান-কিষানিরা জীবনোপায়কেই "বাদ্যের সুরে সুরে" জীবনাচারের অনেক ভালবাসাকে তুলে ধরে সারারাত্রি। কলা গাছের তোরণকেই লক্ষ্য করে খরার সময় ''বৃষ্টি'' যেন হয়, এই আশায় তারা বৃষ্টিতে ব্যাঙের বিয়ে দিতে পারবে এ ভাবনায় চরম আনন্দে বাদ্যযন্ত্র নিয়ে উৎসব করে। হিন্দু- ধর্মাবলম্বীরা যেন পুরনো বট পাকুড় গাছের বিয়ে দেওয়াকে কেন্দ্রবৃন্দ করে বহু বস্তুনিষ্ঠ ধর্মের পরিপূর্ণতায় লোকজ ধারার বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে তারা খুব আনন্দ উল্লাসে মত্ত হয়।বাঙালীর হাজার বছরের এশিল্পধারায় তৈরি হয়েছে লোকজের নিজস্ব কাব্য কিংবা নিজস্ব সাহিত্য। যে সাহিত্যতে রস সুধাতেই গ্রামাঞ্চলের মানুষেরা আজ মহিমান্বিত এবং সমাদৃত। সুতরাং গ্রামীণ জনপদের মানুষের মাঝে খোঁজে পাওয়া যায়:- লোকজ ধারার নানা গল্প-কাহিনী, গীতিকাব্য, আঞ্চলিক গীত, লোক সঙ্গীত, গীতিনাট্য, লোকনাট্য, নৃত্যনাট্যের মতো যেন হাজারও লোকজ সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতিতে লোকজ বাদ্য না হলে যেন চলেই না। আসলেই বলা দরকার, শঙ্খধ্বনিও নাকি 'লোকজ' সংস্কৃতির একটি সূচনা বাদ্যযন্ত্র।
এই প্রাচীন 'লোকজ' বাদ্যে শঙ্খধ্বনির অলঙ্কার যুগ যুগ ধরে লোকজ সংস্কৃতিতে এদেশে ও ভারতবর্ষের গ্রামাঞ্চলের অনেক অঞ্চলে বিরাজমান। যার প্রমাণ প্রাচীন 'গ্রন্থ', 'শিল্প', 'সাহিত্য', "ভাস্কর্য' ঔ 'চিত্রশিল্পীর শৈল্পীক চিত্রে'ই উঠে এসেছে। ঝিনুকের তৈরীকৃত এ শঙ্খের ছিদ্র পথে মুখ দিয়ে ফুঁ দিলে মিষ্টি মধুর শব্দ বাহির হয়। আবার গ্রামাঞ্চলের শঙ্খের সঙ্গে নিবিড় সক্ষতার সঙ্গেও ঢাকঢোলের চর্মাচ্ছাদিত বাদ্যযন্ত্রেই যেন আনদ্ধ হয়ে থাকে। টাকডুম টাকডুম আওয়াজ শুনলে তো বুঝাই যায়, এ লোকজ সংস্কৃতির আবহ ছড়িয়ে পড়ছে সমগ্র গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে।
'বাংলা ঢোল' নামে আরেক বাদ্যযন্ত্র আছে যার শব্দ সাধারণ ঢোলের চেয়েও যেন গম্ভীর। তাছাড়াও যেন ঢোলের চেয়ে ছোট আরেকটি বাদ্যযন্ত্র রয়েছে, যার নাম ঢোলক। এমন ঢোলক বেশির ভাগ ব্যবহৃত হয় 'নাটক', 'যাত্রায়', 'গজল' ও 'কাওয়ালী' গানে ঢোলক অনেক অপরিহার্য বাদ্যযন্ত্র। আবার- "ঢোল" একটি প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র। মধ্য যুগের মঙ্গল কাব্যেও ঢোলের উল্লেখ পাওয়া যায়। 'ঢোল' বাদ্যে লাঠি খেলা, হোলি খেলা, নৌকা বাইচ, কুস্তি, কবি গানের আসর, জারি ও 'সারি' গান, 'টপ্পা' গান, 'বাউল' গান, 'আলকাপ' ও 'গম্ভীরা' গান, 'যাত্রা' গান, 'গাজনের' গান, মহররমের 'শোভা যাত্রা', 'ছোকরা' নাচ এবং বিয়ের বরযাত্রাতে বাজিয়ে গ্রামীণ মানুষের 'লোকজ' সংস্কৃতির চর্চাকে পরিপক্ব করে তোলে।
হিন্দুদের বিভিন্ন পূ্জাতে "ঢোল" না হলে যেন চলেই না। ''হিন্দু'', ''মুসলমান'', এবং ''আদিবাসী'' নির্বিশেষে সকল শ্রেণী পেশাদের মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের জন্যেই যেন ঢোল ব্যবহার হয়। যানা যায় যে বেশকিছু বছর আগে সরকারি কোনও আদেশ কিংবা পরোয়ানাতে গ্রামাঞ্চলের হাটেবাজাবে ঢোল কিংবা ঢেড়া পিটিয়ে বিভিন্ন নির্দেশ মুলক কথা ঘোষণা দিয়েছে। সুতরাং, এখন আর এমন ভাবে লোক সংস্কৃতির ব্যবহার হয় না। বাঙপালির বিয়ের অনুষ্ঠানের কথায় যদি আসি তাহলে বলা যায় যে, শানাই ছাড়া বিয়ের কথা ভাবা যায় না। তাই গ্রামীণ লোকজ বাদ্যযন্ত্রের আলোচনা আসলেই স্বল্প পরিসরে শেষ হবার নয়, তবুও গ্রাম্য জনজীবনের একাকিত্ব কিংবা অবসন্ন মনের অলস দুপুরে এক বাঁশিওয়ালার বাঁশিতে ফুঁ দেওয়ার মধ্যে খোঁজে পাওয়া যায়, "লোকজ বাদ্যের সুর":- 'পূবাল হাওয়া যায়রে বইয়া ঝিরি ঝিরি ঝির....
উড়াল দিছে সল্লী পংখী ধরলা নদীর তীর।
প্রাণ মোর উড়য়্যা যায়রে...
ঝাউ নাচে, কাউন নাচে, আর নাচে বন
তারে সাথে নাচিয়া ফেরে উদাস করা মন।
প্রাণ মোর উড়য়্যা যায়রে'....
লেখক : টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।

বিস্তারিত খবর

একক সঙ্গীত সন্ধ্যায় শীতের নিউইয়র্ক গরম করলেন নগর বাউল জেমস

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-২৭ ১৩:৫৫:২৪

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড সঙ্গীত তারকা ‘নগর বাউল’ খ্যাত জেমস তার কথা রাখলেন। নিউইয়র্কে তার এক সঙ্গীত সন্ধ্যায় শীতের ঠান্ডায় কাবু নিউইয়র্ক-কে গরম করে তুললেন একে একে নিজের ১০টি গান গেয়ে। মন ভড়িয়ে দিলেন প্রবাসী বাংলাদেশী আর নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশী-আমেরিকানদের। নিউইয়র্কে একক সঙ্গীতানুষ্ঠান উপলক্ষে ইতিপূর্বে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে জেমস বলেছিলেন- এবার গান গেয়ে শীতের নিউইয়র্ক-কে গরম করতে চাই। যেমন কথা তেমন কাজ।

শো টাইম মিউজিক এন্ড প্লে (এসএমপি) গত ২৩ ডিসেম্বর নিউইয়র্কের এস্টোরিয়ার মেলরোজ বলরুমে আয়োজন করে জেমস’র একক সঙ্গীতানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্থানীয় শিল্পীরা নৃত্য ও ফ্যাশন শো পরিবেশন  করেন। এরপর একে একে ১০টি সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী জেমস। মাঝের বিরতীতে এসএমপি’র কর্ণধার আলমগীর খান আলম অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকদের মঞ্চে আহ্বান করে পরিচয় করিয়ে দেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন উৎসব ডট কম-এর প্রেসিডেন্ট রায়হান জামান, এনওয়াই ইন্স্যুরেন্স ইনক’র প্রেসিডেন্ট শাহ নেওয়াজ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জন ফাহিম, রাহাত মুক্তাদির, মাকসুদ চৌধুরী, রোকন হাকিম, সঙ্গীত শিল্পী ফুহাদ আল মুক্তাদির, ইফতেখার ইভান প্রমুখ। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন শায়লা ইভফতেখার।

নগর বাউল জেমস ‘কবিতা তুমি স্বপ্নচারিণী’ গানটি দিয়ে তার গানের আসর শুরু করেন এবং হিন্দী গান দিয়ে শেষ করেন। তার উল্লেখযোগ্য গানগুলোর মধ্যে ছিলো ‘দু:খিনী দু:খ করো না’, ‘লেইস ফিতা লেইস’, ‘মা’, ‘মীরা বাঈ’, ‘গুরু ঘর বানাইলা কী দিয়া’, ‘পাগলা হাওয়া’, ‘দুষ্ট ছেলের দল’ প্রভৃতি। তার সাথে গিটারে ছিলেন রানা ও সাব্বির ও রানা, কিবোর্ডে ছিলেন তমাল, ড্রাম-এ ছিলেন ফান্টি। আর সাউন্ড সিস্টেমে ছিলেন বিডি সাউন্ড-এর নিবির খান।

বিপুল সংখ্যক দর্শক-শ্রোতা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। মেলরোজ বলরুমে ছিলো উপচে পড়া ভীড়। অনেকের অভিমত অতীতের মতো আবারো জেমস মাতিয়ে গেলেন নিউইয়র্ক। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের জেমস ভক্তরা জেমস-এর সাথে নেচে-গেয়ে, হৈ-চৈ করে আনন্দ উপভোগ করেন পুরো অনুষ্ঠান। যেনো শেষ হয়েও শেষ হলো তার গান একক সঙ্গীত সন্ধ্যা।

বিস্তারিত খবর

নগর বাউল জেমসকে ঘিরে মাতোয়ারা নিউইয়র্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-২২ ১৪:০০:২০

তীব্র শীতে যখন নিউইয়র্ক কাপছে, ঠিক তখনই প্রবাসী বাংলাদেশিরা মেতে উঠেছেন নগর বাউল জেমসকে নিয়ে। কারণ শীতকে ছাপিয়ে সবখানে এখন উঞ্চতা ছড়াচ্ছেন নগর বাউল জেমস। নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অধ্যুষিত চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সুপার মার্কেট পর্যন্ত সবখানে আলোচনা- আড্ডায় স্থান পাচ্ছে রোববার অনুষ্ঠিতব্য জেমসের লাইভ কনসার্ট। প্রবাসী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে কনসার্টকে ঘিরে ব্যাপক সাড়া পরিলক্ষিত হচ্ছে। ব্যান্ড সংগীতপ্রিয় প্রবাসীরা আগামী রোববার ছুটির দিনকে বরাদ্দ করে রেখেছেন জেমসের জন্য। অনেকেই কাজ থেকে আগাম ছুটিও নিয়ে রেখেছেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে কনসার্ট দেখার পরিকল্পনা করতেও ভুলছেন না প্রবাসীরা। তাদের মুখে একটাই কথা, নগর বাউল জেমস মানে গুরুর ব্যান্ড, প্রাণের ব্যান্ড। প্রবাসীদের ব্যাপক আগ্রহ দেখে রীতিমতো অভিভূত কনসার্টের আয়োজক শো-টাইম মিউজিকের কর্ণধার আলমগীর খান আলম। তিনি বলেন, ২৩  ডিসেম্বর রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত নগর বাউল জেমস এর লাইভ কনসার্ট। এটি অনুষ্ঠিত হবে এস্টোরিয়ার প্রাণকেন্দ্র মেলরোজ বলরুমে। কনসার্ট শুরু হবে সন্ধ্যা ৭ টায়। দর্শকদের জন্য কনসার্ট ভেন্যুর দরজা খুলে দেয়া হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায়। কনসার্টে টিকিটের মূল্য ধরা হয়েছে ৩০ ডলার, ৫০ ডলার, ভিআইপি ১০০ ডলার। এছাড়া রয়েছে সিআইপি টিকিট। ২১ বছরের উর্ধ্বের প্রবাসীরাই শুধু এ কনসার্ট দেখার সুযোগ পাবেন।
আলমগীর খান আলম আরো জানান, ইতোমধ্যে সিআইপি এবং ৩০ ডলারের টিকিট শেষ হয়ে গেছে। ভিআইপি টিকিট বিক্রি শেষ পর্যায়ে এবং ৫০ ডলারের টিকিট বিক্রি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। তবে দর্শকদেরদের প্রচুর চাহিদার কারণে বলরুমের টিকেটের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান আলমগীর খান আলম।
তিনি বলেন, আধুনিক সাউন্ড, লাইট ও এলইডি স্ক্রিনসহ একটি জমজমাট কনসার্ট নতুন বছরের আগমণ এবং বছরের শেষে দশর্কদের উপহার দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে আমরা কাজ করছি। কনসার্টের যৌথভাবে স্পন্সর করেছে উৎসব গ্রুপ এবং ক্যাসেল হিল মেডিকেল। পাউওয়ার্ড বাই এনওআই ইন্স্যুরেন্স, শিফট ভিশন, জন ফাহিম, এইচএবি ব্যাংক, বিসমিল্লাহ পল্ট্রি ও নুরুল আজিম , অথেন্টিক অটো , লংজিভিটি হেলথ কেয়ার , সারা কেয়ার usa , ট্রু কেয়ার , মার্ক কেয়ার , মইনুল ইসলাম, ডাবল হৌর্স , বাংলা সিডপাপ , ইমিগ্র্যান্ট এল্ডার কেয়ার , ফাস্ট ট্র্যাক , সিলেট অটো, বোম্বে ভিডিও এন্ড ট্রাভেল , ষ্টার কাবাব জ্যামাইকা , Dr বর্ণালী হাসান , NY medical , ম কবির , well care , etc|

এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

স্বপ্নের সিনেমায় বাংলাদেশকে দেখবে

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-১৫ ০৪:০০:০৭

ইতালীতে বাংলাদেশী তরুন চিত্র নির্মাতা ফরহাদ শাহী। যিনি  স্বপ্ন দেখেছেন, তার স্বপ্নের সিনেমার মধ্য দিয়েই বিশ্ব দেখবে বাংলাদেশকে। ইউরোপে পড়তে আসা এই তরুন নির্মাতার দেশে-প্রবাসে সবটুকু অভিজ্ঞতাকে পুঁিজ করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।

মেধা, প্রতিভা আর কর্মদক্ষতায় বাস্তবে রূপ নেয়া, একজন তরুন নির্মাতার যে স্বপ্ন; তা আজ ক্রমশই এগিয়ে চলছে গন্তব্যকে ছোয়ে দেখছে। বলছি প্রবাস তরুন নির্মাতা ফরহাদ শাহীর কথা। যিনি ইতালীর রাজধানী রোমে অথচ মুক্ত আকাশের মত সব জায়গায়ই বাংলাকে নিয়ে বসবাস।
চিন্তা-আবেগ প্রকাশের ধরণ বদলিয়ে দেয়ার সন্ধিক্ষণে যে তরুণ হাঁটছে, সে কতটা পেরে উঠেছে? তার কর্ম শৈল্পিকতায় ?

শুরুটা বেশ সুন্দর। এক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্মাণ করেন  ট্রাভেল ফিল্ম ‘Experiencing Rome’ যা অনলাইনে বেশ জনপ্রিয়তা পায় । এরপর আর থেমে থাকতে হয়নি এই নির্মাতাকে, একের পর এক নির্মাণ করেন অনলাইন কমার্শিয়াল, ট্রাভেল ফিল্ম, প্রামাণ্য চিত্র ।

ফরহাদ শাহী, বন্ধু দ্রুব রহমানের হাত ধরে প্রতিষ্ঠা করেন Production House  ‘Cinema Hub Entertainment’ . যার মুল কার্যক্রম পরিচালিত হয় রোম থেকে  ।

ইতালিয়ান শিক্ষাবিদ  অহঃড়হরড় জধমঁংধ কে নিয়ে নির্মাণ করেন প্রামাণ্য চিত্র  যা  মুক্তি পাবে  এই বছরের শেষ দিকে।  ফরহাদ শাহীর সাথে ইতিমধ্যে কাজ করেছেন  ইউরোপর অনেক নামি দামি তারকা,  যা তার নির্মাণে যোগ করেছে এক ভিন্ন মাত্রা।

এখন কাজ করছেন সিনেমা নিয়ে, আগামী বছরের  মাঝামাঝি তে মুক্তি পাবে সিনেমা  ‘7 beautiful days’ তিনি জানান, যা দেখা যাবে আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসব গুলোতে । প্রবাসে বসে বাংলাদেশকে উপস্থাপনই নয় তিনি চান তার অভিজ্ঞাকে বাংলাদেশে কাজে লাগাতে

এমন তরুণ নির্মাতাদের হাত ধরে এগিয়ে যাবে আমাদের সিনেমা। এগিয়ে যাবে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। স্বপ্ন দেখেছে একদিন স্বপ্নের সিনেমার মধ্য দিয়েই বিশ্ব দেখবে বাংলাদেশকে।

এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সিডনীতে মঞ্চ নাটক ‘রিফিউজি বিভ্রাট’

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-০৭ ১১:৫০:০১

আসছে ২৩ ডিসেম্বর সিডনির ব্যাংকসটাউনস্থ ব্রায়ান ব্রাউন থিয়েটারে প্রবাসী নাট্যকার বেলাল হোসেন ঢালীর রচনা ও নির্দেশনায় নাটক “রিফিউজি বিভ্রাট” মঞ্চস্থ হবে।এই উপলক্ষ্যে সম্প্রতি বেলম্যূর ইয়ুথ ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। নাট্যকার বেলাল ঢালী জানান, “রিফিউজি বিভ্রাট” মুলত ইন্দোনেশিয়া থেকে ট্রলারে করে অস্ট্রেলিয়ায় আসা প্রবাসীদের সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত জীবন যুদ্ধের গল্প।

নাটকটিতে সিডনীপ্রবাসী স্থানীয় কলাকুশলীরা অভিনয় করবেন। এছাড়া বাংলাদেশের মুলধারার অভিনয় শিল্পীদের উপস্থিতি ও রয়েছে। নাট্যপ্রেমী সুধীজনরাআশা করছেন,  মঞ্চ নাটকটি সিডনিতে রিফিউজি হয়ে আসা মানুষদের প্রতি মানবতাবোধ জাগাতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। 


এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ফের শুরু হচ্ছে ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’-এর শুটিং

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-২৫ ১২:৪৪:৪৮

সময় ২০১৬ সাল। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী লেখক জসিম উদ্দিনের লেখা ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’ উপন্যাস থেকে নির্মাণ শুরু হয় চলচ্চিত্র ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’। তখন লেখক জসিম উদ্দিনের নিজের পরিচালনায় চলচ্চিত্রটির ৩০ শতাংশ শুটিংও সম্পন্ন হয় কয়েকদিনে। এমন অবস্থায় হটাৎ চলচ্চিত্রটি শুটিং বন্ধ হয়ে যায়। নির্মাতার অসুস্থতা ও আইনি কিছু জটিলতার কারণে এখনো বন্ধ ছিলো চলচ্চিত্রটির কাজ। নিয়ম অনুযায়ী কোনো নির্মাতা চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে গেলে তাকে আগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সদস্য হতে হয় । এরপরই তিনি পরিচালক হিসেবে কাজ করতে পারেন। তবে এই নির্মাতা সদস্যপদ না নিয়েই ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’-এর শুটিং শুরু করেন। যে কারণে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নিয়ম অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়তে হয় ‘দ্য আমিরেকান ড্রীম’-কে। রীতিমতো বন্ধ হয়ে যায় চলচ্চিত্রটির কাজ। এমন অবস্থায় নির্মাতা ফিরে যান যুক্তরাষ্ট্রে। কারণ তিনি বেশ অসুস্থও ছিলেন তখন। চিকিৎসার কারণে এসব ঝামেলা শেষ না করেই জসিম উদ্দিনকে পাড়ি জমাতে হয় ট্রাম্পের দেশে। তবে নির্মাতার ভাবনায় ছিলো একটু সুস্থ হলেই আবারো ফিরবেন ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’-এর কাজে। তবে এবার নিয়ম মেনেই চলচ্চিত্রটির কাজ সম্পন্ন করতে চান এই লেখক ও পরিচালক। তাইতো দেশে ফিরে প্রথমেই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সদস্য পদ গ্রহণ করেছেন। এখন ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’-এর কাজে কোনো বাঁধা নেই। এমনটাই জানালেন এই নির্মাতা।
জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমার নিজের লেখা উপন্যাস থেকে ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’ নির্মাণ করছি। শুটিং শুরুর পরে হটাৎ আমি বেশ অসুস্ত হয়ে যায়। আমার পায়ের লিগামেন্ট ছিড়ে যায়। আমি যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তাই আমাকে চিকিৎসার জন্য ফিরতে হয় যুক্তরাষ্ট্রে। যে কারণে এতো দিন বন্ধ ছিলো এর কাজ। এছাড়াও আরো একটি কারণও ছিলো যেটা আপনারা ইতোমধ্যেই জানেন। বাংলাদেশ পরিচালক সমিতির সদস্য পদ ছিলো না আমার। এখন আমি বেশ সুস্থ। দেশে ফিরেছি। দেশে ফিরেই প্রথমে পরিচালক সমিতির সদস্য পদ গ্রহণ করেছি। এখন চলচ্চিত্রটি নির্মাণে আর কোনো বাঁধা নিষেধ নেই আমার। বলতে পারেন খুব শীঘ্রই এগিয়ে যাবে ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’।’
বাংলাদেশ ও আমেরিকার যৌথ প্রযোজনায় নির্মাণ হচ্ছে ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’। বাংলাদেশ থেকে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করছেন সীনসীনারী প্রডাকশন ও আমেরিকা থেকে প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে বেল প্রডাকশন। ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় শুটিং করা হচ্ছে চলচ্চিত্রটির। এতে অভিনয় করছেন সাইমন সাদিক ও আইরিন। এছাড়া আরো অভিনয় করছেন চিত্রনায়িকা সানজিদা তন্ময়, সূচনা আজাদসহ অনেকে।
উল্লেখ্য, ‘দ্য আমেরিকান ড্রীম’ উপন্যাসটির ইংরেজি র্ভাসন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত অনলাইন কোম্পানি আমাজন-এ বিক্রি হয়েছে।


এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত