যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২১ Jul, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 11:59am

|   লন্ডন - 06:59am

|   নিউইয়র্ক - 01:59am

  সর্বশেষ :

  বিশ্ব সিলেট সম্মেলন ২০১৮-এর পূর্ণাঙ্গ কার্যকরী পরিষদ ঘোষণা   মিতালী মুখার্জী গাইবেন সিডনীতে   বরিশাল বিভাগ সমিতির আয়োজনে বনভোজন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   বিশ্বের ৪ কোটি মানুষ ‘আধুনিক দাসত্বে’র কবলে, যুক্তরাষ্ট্রে ৪ লক্ষাধিক   গাড়িতে চড়েন গৃহকর্মী, পরেন ২৫ লাখের গয়না!   দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের সাজা বেড়ে ৩২ বছর   এইচএসসিতে ফেল করায় ৩ ছাত্রীর আত্মহত্যা   বিএনপির বিশাল সমাবেশ : নির্বাচনে যেতে তিন শর্ত   ‘সরকার বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করছে’   সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত   ‘সালাম’ ভালোবাসার নির্মল সেতুবন্ধন   ‘ইহুদি জাতীয় রাষ্ট্র’ বিল পাস করেছে ইসরাইলি পার্লামেন্ট   সাইপ্রাসে নৌকাডুবিতে ১৯ অভিবাসীর মৃত্যু   কক্সবাজারে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ২ জন নিহত   দুই বছর জারি থাকা জরুরি অবস্থা তুলে নিল তুরস্ক

>>  ইউরোপের খবর এর সকল সংবাদ

ভয়াবহভাবে ‘ভেঙে পড়েছে’ অ্যাসাঞ্জের স্বাস্থ্য, জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা

ভয়াবহভাবে ‘ভেঙে পড়েছে’ বিকল্পধারার সংবাদমাধ্যম উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের স্বাস্থ্য। ২০১২ সালের জুন থেকে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসের আশ্রয়ে আছেন মার্কিন গোপন নজরদারীর তথ্য ফাঁসকারী অ্যাসাঞ্জ। তিনি জানিয়েছেন, দূতাবাসে দীর্ঘদিন ধরে আশ্রিত অবস্থায় থাকার ফলে তার শারীরিক অবস্থার ওপর ‘ভয়াবহ প্রভাব’ পড়ছে। ফলে তিনি বিষয়টিতে হস্তক্ষেপের জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

অ্যাসাঞ্জের একজন আইনজীবী জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন যুক্তরাজ্যের ইকুয়েডর দূতাবাসে গিয়ে দেখে যান গত ছয় বছরে দূতাবাসের অভ্যন্তরে থাকতে গিয়ে

বিস্তারিত খবর

আগের রঙে ফিরছে ব্রিটিশ পাসপোর্ট

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৩ ১১:০৯:৪৩

২০১৯ সালের ২৯ মার্চ রাত ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করবে যুক্তরাজ্য। এরপর ধারাবাহিকভাবে নানা বিষয়ে ইউরোপের প্রভাব বলয় থেকে বেরিয়ে আসবে দেশটি। ফিরে আসবে আগের নীল ও সোনালী রঙয়ের মিশেলে ডিজাইন করা পাসপোর্টে। যুক্তরাজ্যের অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী ব্র্যান্ডন লুইস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে স্কাই নিউজ।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের পর যুক্তরাজ্য তার পাসপোর্ট পরিবর্তন করেছিল। কিন্তু এখন দেশটি আঞ্চলিক ওই সংস্থা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর তাদের পাসপোর্টে আর ইউরোপীয় স্ট্যান্ডার্ডের কার্যকারিতা থাকছে না। ফলে তখন নিজেদের মতো করে পাসপোর্টের রং বা ডিজাইন বাছাইয়ের ক্ষমতা থাকবে দেশটির। ফলে নতুন পাসপোর্টে প্রতীকীভাবে যুক্তরাজ্যের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার দিকে নজর দেওয়া হবে।

যুক্তরাজ্যের প্রথম পাসপোর্টটি ছিল আকাশী রঙয়ের। ব্রেক্সিট কার্যকরের পর নতুন পাসপোর্টেও এর ছাপ থাকবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন ব্রিটিশ পাসপোর্টগুলো হবে খুবই উন্নত মানের। এতে জালিয়াতি এড়ানোর মতো ফিচার যুক্ত করা হবে।

যুক্তরাজ্যের অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী ব্র্যান্ডন লুইস বলেছেন, আমাদের জাতীয় স্বাতন্ত্র্য তুলে ধরার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসা একটি সুবর্ণ সুযোগ। এটি বিশ্বে আমাদের একটি নতুন পরিচিতি দেবে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের গণভোটে ২৮ জাতির ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার পক্ষে রায় দেন ব্রিটিশ নাগরিকরা। এক্ষেত্রে অভিবাসন ইস্যুকে প্রচারণার বড় হাতিয়ার করে ব্রেক্সিটপন্থীরা।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ব্রেক্সিট নিয়ে আলোচনায় ব্রাসেলসে থেরেসা মে

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০৪ ১১:২৮:০৮

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়া (ব্রেক্সিট) নিয়ে শেষ মুহূর্তের দর কষাকষি করতে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে গেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে।  ব্রেক্সিট নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অধিকাংশ শর্তই সোমবারের বৈঠকে থেরেসা মে মেনে নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইইউ থেকে বিচ্ছেদের জন্য ইতিমধ্যে জরিমানা হিসেবে ৫০ বিলিয়ন ইউরো দিতে রাজী হয়েছে লন্ডন। তবে নির্বাসিত নাগরিকদের অধিকার এবং আয়ারল্যান্ডের দ্বীপের ওপর যুক্তরাজ্য-ইইউ সীমান্ত নিয়ে এখনো মতানৈক্য হয়নি।

ব্রাসেলসের কর্মকর্তা ও কূটনীতিকরা গোটা সপ্তাহই আশার বাণী শুনিয়েছেন। তবে তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সোমবার মধ্যাহ্ন ভোজনের পর থেরেসা মে’র আলোচনার ওপরই অনেক কিছু নির্ভর করছে।
ইইউ’র এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আমার বেশ ভালো অনুভূতি হচ্ছে। কিন্তু ফলে নিয়ে আমি ভবিষ্যদ্বানী করছি না।’

আশা করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী্য থেরেসা মে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট জিন ক্লড জাংকার ও ব্রেক্সিট নিয়ে আলোচনাকারী মাইকেল বারনিয়ারের সঙ্গে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে বৈঠকে বসবেন। আগামী সপ্তাহে ভবিষ্যৎ বাণিজ্য বিষয়ক আলোচনা শুরুর আগে ব্রেক্সিট নিয়ে এই আলোচনা শেষ হবে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জলবায়ু পরিবর্তন : ইউরোপে বছরে মরবে দেড় লাখ মানুষ!

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৮-০৬ ০১:৩১:২৭

বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, যদি জলবায়ু পরিবর্তন রোধে কিছুই করা না হয়, তাহলে ২১০০ সাল নাগাদ চরম আবহাওয়ার কবলে পড়ে প্রতিবছর ইউরোপের ১ লাখ ৫২ হাজার মানুষ মারা যাবে।

দি ল্যানসেট প্লানেটারি হেল্থ জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এখন যেসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, ২১০০ সাল নাগাদ তা হবে ৫০ গুণ বেশি। আরো বলা হয়েছে, জলবায়ুসংক্রান্ত মৃত্যুর ৯৯ শতাংশই হবে তীব্র দাবদাহের কারণে। দক্ষিণাঞ্চলীয় ইউরোপ সবচেয়ে ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, গবেষণার ফলাফল অবশ্যই উদ্বেগজনক কিন্তু হিসাবের দিক থেকে অতিরঞ্জিত।

যদি কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং চরম আবহাওয়ার হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতে উন্নত নীতি গ্রহণ করা না হয়, তখন কী কী হবে, তা নিয়ে ইউরোপীয় কমিশনের যৌথ গবেষণা কেন্দ্রের  এই সমীক্ষায় বলা হয়েছে-

১৯৮১-২০১০ সাল পর্যন্ত চরম আবহাওয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে বছরে ৩ হাজার ছিল, ২০৭১-২১০০ সাল পর্যন্ত তা বেড়ে হবে বছরে ১ লাখ ৫২ হাজার
চলতি শতকের শুরু থেকে যেখানে দুর্যোগকবলিত মানুষের সংখ্যা ছিল প্রতি ২০ জনে ১ জন, সেখানে ২১০০ সালে গিয়ে দাঁড়াবে প্রতি তিন জনে দুজন
উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যায় মৃত্যুর সংখ্যা ভয়াবহভাবে বেড়ে যাবে। চলতি শতাব্দীর শুরুর দিকে বছরে ছয় জন মারা গেলেও ২১০০ সাল নাগাদ এ সংখ্যা গিয়ে ঠেকবে ২৩৩ জনে

এই সমীক্ষায় আবহাওয়াসম্পর্কিত সাতটি উপাদানের প্রভাব নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে। এগুলো হলো- দাবদাহ, শৈত্যপ্রবাহ, দাবানল, খরা, নদী ও উপকূলীয় বন্যা এবং ঝড়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮ দেশে এমন কি সুইজারল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও নরওয়েতেও এসব বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

গ্রিসহাউস গ্যাস ও কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে না পারলে বিশ্বের তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। যদি তাই হয়, তাহলে এসব বিপর্যয় দেখা দেবে। কিন্তু যদি বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা যায়, তাহলে বিশ্বটা মানুষের বসবাসের উপযোগী থাকবে। এই লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ২০০টিরও বেশি দেশ। এই চুক্তি বাস্তবায়নে এখন বড় বাধা যুক্তরাষ্ট্র। তারা চুক্তি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। ফলে ধরিত্রী বাঁচানোর বৈশ্বিক উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হবে- এটিই বিবেচ্য।

এলএবাংলাটাইমস/ইউ/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ব্রিটেনে নির্বাচনের শেষদিনের প্রচারণা চলছে

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-০৭ ০৮:৫৭:০৮

ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনের আর মাত্র একদিন বাকি। ফলে চলছে শেষদিনের নির্বাচনী প্রচারণা। লন্ডন ও ম্যানচেস্টারে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে কড়া নিরাপত্তার মাঝে দলগুলো শেষবেলার প্রস্তুতি সারছে। নির্বাচিত হলে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের মোকাবেলায় মানবাধিকার আইন পরিবর্তন করবেন বলে মন্তব্য করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও কনজারভেটিভ পার্টির নেত্রী তেরেসা মে।
মঙ্গলবার নিজের একটি চূড়ান্ত নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে তিনি বলেন, সন্দেহজনক বিদেশী সন্ত্রাসীদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ এবং বর্তমান হুমকি হিসেবে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের স্বাধীনতা ও চলাফেরায় নিয়ন্ত্রণ আনবেন তিনি। লন্ডনে শনিবারের সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে তার এই নতুন প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবেলার ক্ষেত্রে পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাজকে বাধাগ্রস্ত করে মানবাধিকার বিষয়ক এমন যেকোনো ধরনের আইনের পরিবর্তন আনতে প্রস্তুত তার সরকার।
তিনি আরো বলেন, ‘যখন আমরা হুমকির মুখে তখন যেকোনো পরিবর্তনই জটিল হয়ে দাড়ায়। আমরা নিশ্চিত করতে চাই আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী এবং গোয়েন্দাদের হাতে যেন যথেষ্ট ক্ষমতা থাকে।’ লন্ডনে সর্বশেষ হামলার পর মে বলেছিলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবর্তন জরুরি। যদিও সুনির্দিষ্টভাবে নতুন কোনো নীতি-প্রস্তাব তুলে ধরেননি তিনি। অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী লিবারেল ডেমোক্রেট দল বলছে, এর ফলে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস নয় বরং মানুষের স্বাধীনতাই হ্রাস করতে চাইছেন। সূত্র: বিবিসি    

বিস্তারিত খবর

চিলিতে ১০৬ সাবেক গোয়েন্দাকে কারাদণ্ডের সাজা

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-০৪ ০৫:৫৮:৩৪

চিলিতে ১৯৭৪-৭৫ সালে ১৬ জন বামপন্থী নেতাকে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে দেশটির ১০৬জন সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। শনিবার দেশটির এক বিচারক এ রায় দেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।বিচারক হারনান ক্রিস্টোসো জানান, ১৬ বাম নেতাকে গ্রেফতারের পর সান্তিয়াগোতে নির্যাতন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের কেউ জীবিত দেখেননি।
রায়ে বিচারপতি ৫৪১ দিন থেকে শুরু ২০ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে সাবেক এসব গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের শাস্তি দিয়েছেন।সাজা পাওয়া গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক দুই জেনারেল সিজার মানরিকুয়েজ ব্রাভো ও রাউল ইতুরিয়াগা নিউমান এবং দেশটির ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টোরেট-এর বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা। সাজা পাওয়া অনেকেই বিভিন্ন মামলায় কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
রায় ঘোষণার সময় বিচারক জানান, পিনোশে সরকার এসব গুমকে ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করেছিল। সরকার দাবি করেছিল নির্যাতিতরা হয় দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন অথবা প্রতিদ্বন্দ্বী বাম সংগঠনের হাতে খুন হয়েছেন।
চিলিতে জেনারেল পিনোশে’র শাসনামল ১৯৭৩ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষকে হত্যা বা গুম করা হয়েছে। কয়েক হাজার মানুষকে নির্যাতনের শিকার হতে হয় অথবা পালিয়ে যেতে হয় দেশ ছেড়ে।

বিস্তারিত খবর

ট্রাম্পের গলফ ক্লাবকে ৬০ লাখ ডলার জরিমানা করে ফ্লোরিডার আদালত

 প্রকাশিত: ২০১৭-০২-০২ ০৮:১১:১১


বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন একটি গলফ ক্লাবকে প্রায় ৬০ লাখ ডলার জরিমানা করেছেন ফ্লোরিডার ফেডারেল আদালত। 
ওয়েস্ট পাম বিচের মার্কিন জেলা জজ কেনেথ মারা ওই গলফ ক্লাবকে ৫৭ লাখ ২৫ হাজার ডলার জরিমানা করেন। ক্লাবের সদস্যদের অর্থ ফেরত দিতে ৪৮ লাখ এবং সুদ হিসেবে আরও ৯ লাখ ২৫ হাজার ডলার জরিমানা দেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
বাসসে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, ট্রাম্প ২০১২ সালে রিৎজ কার্লটনের কাছ থেকে ক্লাবটি কেনেন। ক্লাবটির সাবেক সদস্যদের পাওনা পরিশোধে এ জরিমানা করা হয়। ট্রাম্প ন্যাশনাল জুপিটার গলফ ক্লাবের সাবেক ৬৫ জন সদস্য জানান, তারা ওই ক্লাব থেকে বেরিয়ে যেতে চান। 
আইন অনুযায়ী নতুন সদস্য না পাওয়া পর্যন্ত তারা স্বাভাবিকভাবেই সেখানে খেলার সুযোগ পাবেন। তাদেরকে বছরে ১৮০০ ডলার করে দিতে হচ্ছে।
ট্রাম্পের গলফ ক্লাবের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিষদ আগের আইন পাল্টিয়ে চলে যেতে আগ্রহী সদস্যদের জমাকৃত অর্থ ফেরত দিতে অস্বীকার এবং তাদেরকে ক্লাব থেকে বাদ দেওয়া শুরু করে।

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাজ্যে শিশু শরণার্থী বেড়েছে ৬২ শতাংশ

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৯-০৭ ১১:১৫:১৫

যুক্তরাজ্যে শিশু শরণার্থী আবেদনকারীর সংখ্যা ৬২ শতাংশ বেড়েছে। এদের বেশিরভাগের বয়স ১৬ বা ১৭। এরা মূলত আফগানিস্তান ও ইরিত্রিয়া থেকে এসেছে। এর বাইরেও আরো কয়েকটি দেশ থেকে শিশুরা আসছে। খবর বিবিসির।

শরণার্থী শিশুরা ইংলিশ কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। শরণার্থী বিষয়ক একটি দাতব্য সংস্থা বলছে, এই শিশুরা তাদের মামলাগুলোর দ্রুত সমাধানের জন্য দরকারি সব আইনি পরামর্শ পাচ্ছে না।

তবে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র দপ্তর বলছে, এই শিশুদের যত্ন আর অন্যান্য সহায়তার জন্য তারা তহবিল আরো বাড়িয়েছেন।

বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, ব্রিটেনের ১০৪টি কাউন্সিলে থাকা এসব শিশুর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেড়েছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলো থেকে বিভিন্নভাবে এই শিশুরা ব্রিটেন এসে শরণার্থী হিসাবে আবেদন করে।

এ বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত অভিভাবকহীন ৪ হাজার ১৫৬ শিশু শরণার্থী আবেদন করেছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল মাত্র ২ হাজার ৫৬৯টি।

যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশগুলো থেকে পালিয়ে আসা এসব শিশুদের কল্যাণে আরো পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।

বিস্তারিত খবর

ক্যামেরন সরকারি বাড়ি ছাড়লেও থাকছে তার বিড়াল!

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৭-১৩ ১৫:২৬:১৭

ছয় বছর বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার পর ডেভিড ক্যামেরন পদত্যাগ করে ক্ষমতা তুলে দিচ্ছেন তার মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে থাকা টেরেসা মে-র হাতে।

বাকিংহাম প্রাসাদে গিয়ে ব্রিটেনের রানির হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দেবার মাধ্যমে তার প্রধানমন্ত্রীত্বের অবসান যেমন ঘটছে তেমনি এই সঙ্গে সরকারি বাসভবন ডাউনিং স্ট্রিট থেকে সপরিবারে বিদায় নিচ্ছেন ডেভিড ক্যামেরন।

ছয় বছর ৬২ দিন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে কাটানোর পর সেই বাড়ি থেকে তার বিদায়ের মূহুর্ত নিয়ে ব্রিটেনের পত্রপত্রিকায় গত কয়েকদিন ধরে হালকা মেজাজের নানা খবর ছাপা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার ডেভিড ক্যামেরনের বাসভবনের বাইরে পৌঁছে গেছে তার ঘরকন্নার জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য নীল রঙের ভ্যান।

বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখা হয়েছে তার ও তার পরিবারের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিতে ওই ভ্যানে করে এসেছে ৩৩০টি কার্ডবোর্ডের প্যাকিং বাক্স।

ডেভিড ক্যামেরন এই ছয় বছরের ওপর বাস করছিলেন ১১ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে। স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে ডেভিড ক্যামেরন এখন কোন্‌ বাসায় থাকবেন তা নিয়েও চলছে নানা জল্পনা। কারণ লন্ডনে তাঁর নিজের বাসভবন তিনি দীর্ঘ মেয়াদে ভাড়া দিয়ে দিয়েছিলেন।

তার পদত্যাগের ঘটনা যেহেতু ঘটল অপ্রত্যাশিতভাবে তাই তার লন্ডনের বাসভবনে তিনি এখনই গিয়ে উঠতে পারছেন না। আর নিয়ম অনুযায়ী ক্যামেরনকে তার সরকারি বাসভবন খালি করে দিতে হবে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে।

প্রসঙ্গত আমেরিকায় নতুন প্রেসিডেন্টের জন্য সরকারি বাসভবন খালি করে দেবার জন্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট সময় পান দু মাসের বেশি।

শহরতলীতে ক্যামেরনের দ্বিতীয় যে বাসভবন আছে সেটি লন্ডন থেকে প্রায় ৭০ মাইল বাইরেহওয়ায় ছেলেমেয়েদের সেখান থেকে স্কুলে যাতায়াতের অসুবিধার কথা শোনা যাচ্ছে। তাই তার সম্ভাব্য নতুন বাসস্থান নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।

তবে সবেচেয়ে বেশি করে আলোচনায় এসেছে ডাউনিং স্ট্রিটে পোষা বিড়াল ল্যারির কথা।

২০১১ সালে ডাউনিং স্ট্রিটে ইঁদুরের উৎপাত বন্ধ করার জন্য ল্যারিকে নিয়ে আসা হয়েছিল পোষা জন্তুদের দেখাশোনার একটি আশ্রয়ভবন থেকে।

ক্যামেরন তার ব্যক্তিগত বিষয় আশয় সব নিয়ে গেলেও রেখে যাচ্ছেন প্রায় ৫ বছরের পোষা বিড়াল ল্যারিকে। ল্যারি পাচ্ছে নতুন মনিব - নতুন প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে-কে।

ব্রিটেনের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ল্যারির গল্প এতটা ফলাও করে ছাপানোর একটা কারণ ব্রিটিশদের কুকুর ও বিড়াল প্রীতি সুবিদিত।

অনেক কাগজেই তাই প্রশ্ন উঠেছে ডেভিড ক্যামেরন তার বিড়াল ল্যারিকে কী আপন করে নিতে পেরেছিলেন এই পাঁচ বছরে? নিলে তাকে ফেলে যাচ্ছেন কীভাবে?

তবে ক্যাবিনেট অফিসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ল্যারি বিড়াল হলে কী হবে - সে তো সরকারি কর্মী? সে ডাউনিং স্ট্রিটে তার কাজেই বহাল থাকবে- কাজ করবে অন্য প্রভুর অধীনে।


এলএবাংলাটাইমস/ইউ/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ইউরোপীয় পরিচয়ে বিতৃষ্ণা, কট্টর হচ্ছে জাতীয়তাবোধ

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৬-২৯ ১৬:১২:৫৩

২৪ জুন শুক্রবার ভোরে যখন পরিষ্কার হলো বৃটেনে এক গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার পক্ষে অধিকাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে, প্রথম অভিনন্দন বার্তা আসে ফরাসী কট্টর দক্ষিণ-পন্থি রাজনীতিক ন্যাশনাল ফ্রন্টের নেত্রী মারিন লো পেনের কাছ থেকে।

পরপরই টুইটারে ব্রিটিশ জনগণকে অভিনন্দন জানান নেদারল্যান্ডসের মুসলিম বিদ্বেষী রাজনীতিক গির্ট উইল্ডারস।

এক দশক আগেও এদের মত কট্টর জাতীয়তাবাদী, অভিবাসন বিরোধী রাজনীতিকদের কথা কেউ পাত্তাই দিতনা। মনে করা হতো এরা মূলধারার বাইরে বসে বকবক করেন। কিন্তু এখন তারা ক্ষমতার দরজায় ধাক্কা দিচ্ছেন।

ফ্রান্সের ২০১৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হবেন মারিন ল পেন। এটা নিয়ে বিচলিত এবং আতঙ্কিত দেশের প্রধান দুই দল।

২০১৭ সালের মার্চে নেদারল্যান্ডসেও সাধারণ নির্বাচন। বলছে গির্ট উইল্ডারসের ফ্রিডম পার্টি জনমত জরিপে এগিয়ে। মে মাসে অস্ট্রিয়ার কট্টর দক্ষিণ-পন্থি রাজনীতিক নরবার্ট হোফার খুব অল্পের জন্য প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কট্টর বিরোধী এই রাজনীতিকদের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।

ব্রেক্সিটের ফলাফলের দিনই মারিন ল পেন ভিয়েনাতে গিয়ে বলেন, “ইংরেজদের চাইতে ফরাসিদের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার এক হাজার বেশি কারণ রয়েছে...চোরাচালানি, সন্ত্রাসী এবং অর্থনৈতিক অভিবাসীদের ঠেকাতে ইইউ ব্যর্থ।”

ব্রেক্সিটের পক্ষে প্রচারণায় বৃটেনে যেসব স্লোগান ব্যবহার করা হয়েছে, এক বিবৃতিতে নেদারল্যান্ডসের গির্ট উইল্ডারসও একই ধরণের শব্দ ব্যবহার করেছেন: “আমরা আমাদের দেশের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নিতে চাই। আমাদের সীমান্ত, অর্থ-সম্পদ এবং অভিবাসনের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে চাই।”

অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলছেন বৃটেনের পরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ নিয়ে অন্য কোনো দেশে যদি গণভোট হয়, তা হবে নেদারল্যান্ডসে। জাতীয়তাবাদী দলগুলোর জনপ্রিয়তা হুহু করে বাড়ছে সুইডেন, ডেনমার্ক, জার্মানিতেও।

ইটালির শীর্ষ দৈনিক লা রিপাবলিকা এক সম্পাদকীয়তে লিখেছে – ব্রেক্সিটের পর সস্তা জনপ্রিয়তার ওপর ভর করা রাজনীতিকরা আরো শক্তি পাবেন, তারা মানুষজনকে জোর গলায় এখন বলবেন ‘আমরাও পারি।’

এই সম্পাদকীয় ছাপার পরপরই ইটালির কট্টর ডানপন্থী নর্দার্ন লীগের নেতা মাতিও সালভিনি টুইট করেন—“অভিনন্দন ইউকে, এখন আমাদের পালা।”

বিবিসির ইউরোপ বিষয়ক সম্পাদক কাটিয়া আডলার বলছেন, ৭০ বছর ধরে গড়ে তোলা ইউরোপীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইইউ নেতৃত্বের মধ্যে ভয় ঢুকেছে। “ইউরোপ নিয়ে মানুষের মধ্যে যে তিক্ততা আমি এখন দেখছি, আগে কখনো তা দেখিনি।”

মিস আডলার বলছেন, বৃটেনের গণভোটের ফলাফলে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় কমিশনের সদর দফতরে পরিবেশ অত্যন্ত গুমোট। “সবাই যেন বিপদের ঘন্টা শুনতে পাচ্ছেন।”

কেন ইউরোপের দেশে দেশে ইউরোপীয় পরিচয়, ইউরোপীয় ঐক্য আবেদন হারাচ্ছে?

স্পেনের দৈনিক এল পাইস এক বিশ্লেষণে লিখছে -- মুক্ত অর্থনীতির খামখেয়ালীতে ইউরোপে কোটি কোটি মানুষ যে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় পড়েছে, তার জন্য এক শ্রেণীর রাজনীতিক ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দায়ী করছেন। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে, অভিবাসন, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সাম্প্রতিক সময়ে লাখ লাখ রাজনৈতিক শরনার্থীর স্রোত।

অনেক বিশ্লেষক বলছেন, বেকারত্ব এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার চেয়ে অভিবাসন ইউরোপের মানুষকে বেশি আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮টি দেশে বসবাসকারী সাড়ে তিন কোটি মানুষের জন্ম ইউরোপের বাইরে। জার্মানি, ফ্রান্স, বৃটেন, সুইডেন বেশ কয়েকটি দেশে অভিবাসী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা এমনকী সাত-আট-নয় শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।

লন্ডনে গবেষণা সংস্থা চ্যাটাম হাউজের সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে- মানুষ অভিবাসীদের নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে তার কারণ শুধু অর্থনৈতিক নয়, বরঞ্চ তারা মনে করছে অভিবাসন তাদের জাতীয় সাংস্কৃতিকে হুমকিতে ফেলছে। ইউরোপের অনেক চরমপন্থি রাজনীতিক মানুষের এই শঙ্কা এবং উদ্বেগকে কাজে লাগাচ্ছেন, এবং সামনের দিনগুলোতে তাদের কথা শোনার মানুষের সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।

জার্মানির ডের স্পিগেল পত্রিকার এক বিশ্লেষণে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে – “সস্তা জনপ্রিয় রাজনীতিকরা শুধু ব্রিটেনে নয়, সর্বত্র সক্রিয় হচ্ছেন এবং পুরো পশ্চিম ইউরোপকে পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।”

চ্যাটাম হাউজের গবেষক ম্যাথিউস গডউইন বলছেন, কট্টর ধারার রাজনীতির উত্থান মোকাবেলা সহজ হবেনা। “মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোকে তৃণমূলের মানুষের সাথে সক্রিয় হতে হবে, তাদের উদ্বেগের কথা শুনতে হবে এবং তাদের সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।”


এলএবাংলাটাইমস/ইউ/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ব্রেক্সিটে ভিটো দিতে পারে স্কটল্যান্ড: নিকোলা স্টার্জন

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৬-২৬ ২১:৫৮:০৮

স্কটল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নিকোলা স্টার্জন বলছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার প্রশ্নে স্কটিশ সংসদ ভিটো দিতে পারে।বিবিসির সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ব্রিটেনকে ই ইউ ত্যাগ করতে হলে স্কটল্যান্ডের সংসদীয় অনুমোদন লাগবে এবং তিনি স্কটিশ সংসদ সদস্যদের অনুরোধ করবেন, সেই অনুরোধ নাকচ করতে।গণভোটে ৫২ শতাংশ ভোট ব্রিটেনের ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ত্যাগের পক্ষে এবং ৪৮ শতাংশ থাকার পক্ষের পড়েছে।কিন্তু স্কটল্যান্ডের চিত্র ছিল ভিন্ন।সেখানে ৬২ শতাংশ ছিলেন ই ইউতে থাকার পক্ষে।এখন স্কটল্যান্ডে ক্ষমতাসীন দল এসএনপি নেতা নিকোলা স্টার্জন বলছেন, তিনি স্কটিশ পার্লামেন্টের সদস্যদের বলতে পারেন যে তারা যেন ব্রেক্সিটের পক্ষে তাদের আইনি সমর্থন না দেন।তার কথা হলো স্কটল্যান্ডকে সেক্ষেত্রে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ই ইউ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে।তিনি আরো বলেছেন, তিনি ও তার সহযোগীরা ব্রাসেলসের সাথেও কথা বলবেন যে কি করে স্কটল্যান্ড ই ইউতে থাকতে পারে।১২৯ সদস্যের স্কটিশ পার্লামেন্টে এসএনপির সদস্য সংখ্যা হচ্ছে ৬৩।কিন্তু প্রশ্ন হলো এভাবে কি ভেটো দিয়ে গণভোটের সিদ্ধান্ত আসলেই আটকানো সম্ভব?স্কটিশ বিষয়ক মন্ত্রী ডেভিড মানডেল বলছেন, তিনি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করেন যে স্কটল্যান্ডের পক্ষে ব্রেক্সিট ঠেকানো সম্ভব নয়।

বিস্তারিত খবর

ব্রিটেনে আবার একটি গণভোটের জন্যে পিটিশন

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৬-২৫ ২১:০৪:০৩

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে ব্রিটেনের সদস্যপদ নিয়ে দ্বিতীয় একটি গণভোটের জন্যে এক আবেদনে ১০ লাখেরও বেশি স্বাক্ষর জমা পড়েছে।
বৃহস্পতিবারের গণভোটে বেশিরভাগ মানুষ ইইউ ছেড়ে যাওয়ার পক্ষে রায় দেওয়ার পর লোকজন এই পিটিশনে সই করছেন।
এই আবেদনটি বিবেচনা করে দেখবে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কারণ এতে এক লাখেরও বেশি সই জমা পড়েছে।
সাধারণত কোনো পিটিশনে এক লাখের বেশি স্বাক্ষর থাকলে পার্লামেন্টে সেবিষয়ে আলোচনা হয়।
গণভোটে ৫২% মানুষ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ছেড়ে যাওয়ার পক্ষে ভোট দেয় আর ৪৮% ভোট পড়ে ইইউতে থাকার পক্ষে।
তবে লন্ডন, স্কটল্যান্ড এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেশিরভাগ ভোটার রায় দেয় ইইউতে থাকার পক্ষে।
ভোটের পর প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ঘোষণা করেছেন যে আগামী অক্টোবর মাসে তিনি তার পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন।
এই পিটিশনটির উদ্যোগ নিয়েছেন উইলিয়াম অলিভার হিলে। তিনি বলছেন, “আমরা যারা এখানে সই করেছি তারা সরকারের কাছে আবেদন করছি এমন একটি আইন করতে যে কোনো পক্ষে যদি ৬০ শতাংশের বেশি ভোট না পড়ে এবং মোট ভোট গ্রহণের হার যদি ৭৫ শতাংশের বেশি না হয় তাহলে আরেকটি গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।”
কিন্তু বৃহস্পতিবারের গণভোটে মোট ভোট পড়েছে ৭২.২ শতাংশ, যা গতবারের সাধারণ নির্বাচনে পড়া ভোটর চেয়েও বেশি।
তবে এটা মি. হিলে যে ৭৫ শতাংশ ভোটের কথা বলছেন তারচেয়ে কম।
স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার প্রশ্নে ২০১৪ সালে যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিলো তাতে ভোট পড়েছিলো ৮৪.৬ শতাংশ।
তবে ১৯৯২ সালের পর থেকে কোনো সাধারণ নির্বাচনেই ৭৫ শতাংশের বেশি ভোপ পড়েনি।
হাউজ অফ কমন্সের একজন মুখপাত্র বলেছেন, পিটিশনে সই করার ব্যাপারে বহু মানুষের আগ্রহের কারণে সরকারি এই সাইটটি আপাতত ভেঙে পড়েছে।

বিস্তারিত খবর

লুঙ্গি পরে ব্রিটেনের রাজপ্রাসাদে বাংলাদেশি তরুণ!

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৬-২৫ ১৩:১৩:৫৩

চিরায়ত বাঙালি পোশাক লুঙ্গি-পাঞ্জাবি, গলায় গামছা ও পায়ে স্যান্ডেল পরে ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছ থেকে পুরস্কার নিলেন বাংলাদেশি তরুণ ওসামা বিন নূর। পুরস্কারের নাম ‘কুইন্স ইয়াং লিডারস অ্যাওয়ার্ডস’।

গত বৃহস্পতিবার লন্ডনের বাকিংহাম প্রাসাদে এক জমকালো অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথভুক্ত ৪৫টি দেশ থেকে আসা উদীয়মান ৬০ তারুণ নেতৃত্বের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন রানি।

ওসামা একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে রানির ৯০তম জন্মদিন উপলক্ষে দেয়া এই অ্যাওয়ার্ড জেতেন। বাংলাদেশের তরুণদের আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বৃত্তি, প্রশিক্ষণ, পুরস্কারসহ নানা সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে জানাতে ‘ইয়াং অপরচুনিটিজ’ নামে একটি পোর্টাল খুলেছেন ওসামা। তিনি এটির সহপ্রতিষ্ঠাতা। এ ছাড়া ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশের সম্পদ সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করা ওসামা রেডিওতে তরুণদের জন্য তিন টেক্কা নামের একটি অনুষ্ঠানও সঞ্চালনা করেন।

ওসামা বিন নূর ব্রিটিশ রানির দেয়া অ্যাওয়ার্ড জিতে নেয়া ওসামার বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরার আদিয়াবাদ ইউনিয়নের সিরাজনগর নয়াচর গ্রামে। নূরুল ইসলাম ও আঁখি নূর বেগমের চার সন্তনের মধ্যে ওসামা দ্বিতীয়। এই তরুণ ঢাকার আপডেট ডেন্টাল কলেজের দন্তচিকিৎসা বিষয়ের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

ওসামা বলেন, ‘বাংলাদেশে অনেক অফিস, মার্কেট কিংবা রেস্তোরাঁয় মানুষকে লুঙ্গি পরে প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। এমনকি ঢাকার একটি এলাকায় লুঙ্গি নিষিদ্ধ করার চেষ্টা হয়েছে। এক কথায় লুঙ্গি পরা ব্যক্তিকে তাচ্ছিল্যের চোখে দেখা হয়। অথচ লুঙ্গি পরেননি এমন পুরুষ বাংলাদেশে পাওয়া যাবে না।’

বাঙালি পরিচয়ের ধারক ঐতিহ্যবাহী এই পোশাকের প্রতি তাচ্ছিল্যপূর্ণ মনোভাব পরিবর্তন করার লক্ষ্যে ওসামা রানির অনুষ্ঠানে লুঙ্গি পরার সিদ্ধান্ত নেন। ওসামা বলেন, অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করতে গিয়ে দুবার রানির সঙ্গে হাত মেলানোর সুযোগ হয়েছে তাঁর। তিনি শুরুতে রানিকে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। জবাবে রানি জানতে চান, ওসামা কী করেন। নিজের কাজের বিবরণ দিলে রানি বলেন, ‘ভালো কাজগুলো চালিয়ে যাও। তোমাদেরকেই আগামী বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে হবে। শুভকামনা।’ অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ শেষে আবার রানির সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিদায় নেন ওসামা।

বাকিংহাম প্যালেসে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ ছাড়াও অ্যাওয়ার্ডস বিজয়ীরা লন্ডনে টুইটারের প্রধান কার্যালয়, বিবিসি একাডেমি, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, কমনওয়েলথ কার্যালয়, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মশালায় অংশ নেন। গতকাল ২৪ জুন শুক্রবার বারবিকিউ পার্টির মাধ্যমে এই তরুণ দলকে বিদায় জানানো হয়।


এলএবাংলাটাইমস/ইউ/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জার্মানিতে আয়লানের গ্রাফিটি নষ্ট করল বর্ণবাদীরা

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৬-২৪ ২১:০৯:১৯

ছোট্ট আয়লানের কথা মনে আছে? তুরস্কের উপকূলে যার মরদেহের ছবি পুরো বিশ্বকে কাঁদিয়েছিল? সেই আয়লানের বিশাল একটি গ্রাফিটি আঁকা হয়েছিল জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে, মাইন নদীর ধারে৷ সেই গ্রাফিটি নষ্ট করে দিয়েছে কট্টরপন্থিরা৷শরণার্থী ইস্যুতে সচেতনতা তৈরি করতেই এই গ্রাফিটি তৈরি করা হয়েছিল৷ ধারণা করা হচ্ছে ডানপন্থিরা এটি নষ্ট করেছে৷গত বছর পরিবারের সঙ্গে সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের সময় নৌকা ডুবে মারা যায় আয়লান৷ সাগর পাড়ে নিথর পড়ে থাকা ছোট্ট এক শিশুর মরদেহের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সারা বিশ্বে নিন্দার ঝড় উঠেছিল, শরনার্থী ইস্যুতে ইউরোপের দৃষ্টভঙ্গির সমালোচনা হয়েছিল ব্যাপক৷মাইন নদীর ধারে একটি দেয়ালে আয়লানের ছবি আঁকাএ বছরের মার্চ মাসে জার্মান শিল্পী ওগুস শেন এবং ইয়ুসটুস বেকার সিদ্ধান্ত নেন ফ্রাঙ্কফুর্টে আয়লানের একটি ম্যুরাল বানাবেন৷ ডয়চে ভেলেকে তারা জানান, ‘‘আমরা সাধারণত রাজনৈতিক ছবি এঁকে থাকি৷ তাই সিদ্ধান্ত নিলাম মানুষের স্মৃতিতে আয়লান যাতে অম্লান থাকে সে জন্য আয়লানের ছবিই আঁকব৷'' অনেক আলোচনার পর মাইন নদীর ধারে একটি দেয়ালে আয়লানের ছবি আঁকার অনুমতি পান তারা৷ তারপরই দুই শিল্পীর পয়াসে ধীরে ধীরে দেয়ালে ফুটে ওঠে ২০ মিটার দীর্ঘ এবং ৬ মিটার প্রশস্থ গ্রাফিটি৷কিন্তু দুঃখের কথা হলো, ছবিটা চরমপন্থিরা এটা নষ্ট করে দিয়েছে৷ প্রথমে পুরোম্যুরালটি স্প্রে দিয়ে নষ্ট করার চেষ্টা চালায় তারা৷ কিন্তু ম্যুরালটি এতই বড় যে এতে কোনো কাজ হয়নি৷ কিন্তু কট্টরপন্থিরা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কাজটি করেছে এই সপ্তাহে৷ গ্রাফিটির উপর স্প্রে দিয়ে বড় বড় করে লিখেছে, ‘‘সীমান্ত প্রাণ রক্ষা করে৷'' এর পেছনে জড়িতদের খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু করেছে ফ্রাঙ্কফুর্ট পুলিশ৷এদিকে এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্য লিখছেন অনেকেই৷ রবার্ট ফিৎসকে টুইটারে লিখেছেন, ‘‘বর্ণবাদীরা একজন মৃত মানুষকেও ছাড় দেয় না৷ এটা ভীষণ লজ্জার৷''তবে এমন মানুষেরও অভাব নেই, যারা লিখেছে, ‘‘অবশেষে কেউ একজন এই প্রচারে বাধা দিল৷''তবে আয়লানের ম্যুরাল সৃষ্টিকারী শিল্পীরা হতাশ হলেও তারা আবার অর্থ যোগাড়ে নেমে পড়েছেন, যাতে নতুন করে এই শিল্পকর্মটি তৈরি করতে পারেন৷ নতুন করে এটি তৈরিতে ৫০০ ইউরো প্রয়োজন৷ আয়লানের স্মৃতি ধরে রাখতে এই সামান্য অর্থ কি যোগাড় হবে না!

বিস্তারিত খবর

ঐতিহাসিক গণভোটে রায় : ইইউ ছাড়ছে ব্রিটেন

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৬-২৪ ০৮:০৬:০৬

বেশিরভাগ ব্রিটিশ জনগণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এর ফলে ইওরোপীয় ইউনিয়নের সাথে ব্রিটেনের ৪৩ বছরের বন্ধন ছিন্ন হচ্ছে।

ইইউ ত্যাগের পক্ষে ভোট পড়েছে ৫১.৯ শতাংশ আর ইইউতে থাকার পক্ষে ৪৮.১ ভাগ।

ইইউ ত্যাগের পক্ষে ১ কোটি ৭৪ লাখ ১০ হাজার ৭৪২ ভোট পড়েছে। অন্যদিকে বিপক্ষে পড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪১ হাজার ২৪১ ভোট।

বৃহস্পতিবারের ওই গণভোটে ভোট পড়েছে ৭২.২ শতাংশ।

লন্ডন ও স্কটল্যান্ড ইইউতে থাকার পক্ষে জোরালো মত দিয়েছে। তবে উত্তর ইংল্যান্ডে খুবই খারাপ করেছে ইউতে থাকার পক্ষ।

ওয়েলস ও ইংলিশ শায়ার ইইউ ত্যাগের পক্ষে বিপুল সংখ্যায় ভোট দিয়েছে।

ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, লিভ ক্যাম্প জনমত জরিপের পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে গেছে।

ফলাফলের আভাস আসতেই ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম ৩০ বছরের নীচে নেমে গেছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা) গণভোট শুরু হয়ে শেষ হয় রাত ১০টায়। এটি যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে তৃতীয় গণভোট। এই গণভোটটিকে ব্রিটেনের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল এক সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

রেকর্ডসংখ্যক ৪ কোটি ৬৫ লাখ ভোটার এই গণভোটে অংশ নেন।

এই গণভোটে ইতিমধ্যে গোটা যুক্তরাজ্যকে দুই ভাগে ভাগ করে দিয়েছে।



ইইউতে থাকার পক্ষে ভোট দিতে প্রচারণায় নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন ও লেবার পার্টির নেতা জেরেমি কার্বন। তাদের যুক্তি, এতে করে দেশটি হবে আরো সমৃদ্ধ এবং থাকবে আরো নিরাপদ।

অন্যদিকে, ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে ভোট দিতে প্রচারণায় নেতৃত্ব দেন সাবেক লন্ডন মেয়র ও বর্তমান সাংসদ বরিস জনসন।

ইইউ-বিরোধীদের মত, দেশের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে ফিরিয়ে আনার এটাই মোক্ষম সময়।

শুধু ব্রিটেন নয়, এই গণভোট ঘিরে স্নায়ু টানটান গোটা বিশ্বের। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেন বেরিয়ে এলে ইউরোর দাম অনেকটাই পড়বে। বাড়বে ডলারের দাম। ব্রিটেনের নিজস্ব মুদ্রা পাউন্ডের উপরেও এর প্রভাব পড়বে। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের হিসাব-নিকাশ অনেকটাই বদলে যাবে। ব্রিটেনের স্টক মার্কেট সকাল থেকেই টালমাটাল হয়ে রয়েছে। প্রভাব পড়েছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের স্টক মার্কেট-সহ বিশ্ব বাজারেও।

গণভোটের ফল ব্রিটেনের বহির্গমনের পক্ষে আসায় বিশ্ব বাজার টালমাটাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন।


এলএবাংলাটাইমস/ই/এলআরটি


বিস্তারিত খবর

ব্রেক্সিট, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, বৃটেনের ভবিষ্যৎ কি?

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৬-২১ ২২:০২:১০

আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বৃটেনের থাকা বা না থাকা নিয়ে গণভোট। কেবল বৃটেনের জন্যই নয়, গোটা ইউরোপের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে এ গণভোট। বৃটেন, তথা গোটা যুক্তরাজ্যের নিজস্ব অর্থনীতি, রাজনীতি, রাষ্ট্রব্যবস্থাতেও নতুন মোড় নিয়ে আসতে পারে এ গণভোটের কোনো সিদ্ধান্ত। ব্রেক্সিট ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোই তুলে ধরা হলো এ লেখায়।ব্রেক্সিট কী?ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে আসা বা না আসার প্রসঙ্গেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামীকালের গণভোট। বৃটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসা বা ‘এক্সিট’- এ শব্দ দুইটি নিয়েই তৈরি করা হয়েছে ‘ব্রেক্সিট’ শব্দটি। সহজ কথায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বৃটেনের এক্সিটকেই সংক্ষেপে বলা হচ্ছে ব্রেক্সিট। এর অন্যতম মূল লক্ষ্য হলো যুক্তরাজ্যের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর ব্রাসেলসের কর্তৃত্বের অবসান ঘটিয়ে বৃটেনের নিজস্বতা বা স্বাতন্ত্র্যকে ধরে রাখা।ইউরোপীয় ইউনিয়ন কী?দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে ইউরোপের ছয়টি দেশ ১৯৫৭ সালে গঠন করে ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি। এই দেশগুলো হলো- বেলজিয়াম, ফ্রান্স, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস ও তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি। পরবর্তী সময়ে এ জোটের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯৯৩ সালে ২৮ সদস্য নিয়ে এই জোটই রূপান্তরিত হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ)। আয়ারল্যান্ড থেকে শুরু করে এজিয়ান সাগরের মধ্যবর্তী ২৮টি দেশের ৫০ কোটিরও বেশি মানুষের সম্মিলিত এ ব্লকের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর অর্থনীতি, সমাজনীতি ও আইনে বড় ধরনের প্রভাব রেখে থাকে। এর নিজস্ব সংসদ রয়েছে, রয়েছে পৃথক কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ইইউয়ের ১৯টি সদস্য দেশ ব্যবহার করে থাকে সাধারণ মুদ্রা ইউরো।ইইউ ছাড়তে চাওয়ার কারণ কী?ইউরোপীয় ইউনিয়নের জোটে বৃটেন যোগ দেয় ১৯৭৩ সালে। একসময় বিশ্ব শাসন করা এ দেশটির সঙ্গে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কও অত্যন্ত ভালো ছিল। বৃটেনের অনেক অধিবাসীই মনে করেন, তারা ইউরোপের অন্য দেশগুলোর চেয়ে আলাদা। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর ব্রাসেলস থেকে নেয়া সিদ্ধান্ত তাদের মানতে হবে- তাতে আপত্তি অনেকেরই। এ জন্যই তারা ইইউ থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের মতো করেই থাকতে চায়।ইইউতে থাকতে চাওয়ার কারণ কী?বৃটিশদের একাংশ আবার মনে করেন, তাদের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির পেছনে ইইউয়ের ভূমিকা রয়েছে। তাদের যুক্তি, ইইউয়ের আইন-কানুনের কারণেই বৃটেনের ছোট-বড় কোম্পানিগুলো সহজে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করে থাকে। ইইউয়ের সদস্য দেশগুলোতে কাজের সুবিধার কারণেও তারা ইইউয়ে থাকতে চান।ইইউ নিয়ে গণভোট কবে, কখন?আগামীকাল ২৩শে জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইইউয়ে বৃটেনের থাকা বা না থাকার প্রশ্ন নিয়ে গণভোট। সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ। গত ফেব্রুয়ারি মাসে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।গণভোটে ভোট দেবেন কারা?বৃটিশ, আইরিশ ও কমনওয়েলথভুক্ত নাগরিকদের যারা যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন তারা সবাই ভোট দিতে পারবেন আগামীকালের গণভোটে। এছাড়া যেসব বৃটিশ ১৫ বছরের কম সময় ধরে প্রবাসী তারাও ভোট দিতে পারবেন। আর বৃটেনের অন্য নির্বাচনের মতো ভোট দিতে পারবেন ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীরা। আবার হাউজ অব লর্ডস ও জিব্রালটারের কমনওয়েলথ নাগরিকরাও এতে ভোট দিতে পারবেন।ব্রেক্সিটের অর্থনৈতিক প্রভাব কী?ইইউ থেকে বৃটেনের বেরিয়ে আসা বা ইইউয়ে বৃটেনের থাকা- দুই ধরনের মতের পেছনেই অর্থনৈতিক প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতির কারণে এ জোটভুক্ত সব দেশের সঙ্গেই বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে যুক্তরাজ্যের। কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে গেলে যুক্তরাজ্যকে প্রতিটি দেশের সঙ্গে পৃথকভাবে বাণিজ্য চুক্তিতে উপনীত হতে হবে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এতে করে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের বর্তমান যে বাজার রয়েছে তা কমে যেতে পারে। ফলে যেসব কোম্পানি এখন যুক্তরাজ্য থেকে পরিচালিত হচ্ছে, তারা সেখান থেকে সদর দপ্তর সরিয়ে নিয়ে যেতে পারেন বলেও আশঙ্কা রয়েছে। অনেকেই আবার এমন আশঙ্কায় ভীত হতে রাজি নন। তাদের মত, যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি এখন যে গতিতে চলছে ভবিষ্যতেও তা একই গতিতেই চলবে। তারা মনে করেন, ইইউ ত্যাগ করাই যুক্তরাজ্যের জন্য ভালো হবে। ইইউ থেকে বেরিয়ে এলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাৎসরিক বাজেটে প্রতি বছর যুক্তরাজ্যকে শত শত কোটি পাউন্ড দিতে হবে না। ইইউ ত্যাগ করলে বৃটিশ পাউন্ড দুর্বল হওয়ার মাধ্যমে তা জীবনযাত্রার খরচ বাড়িয়ে দেবে- এমন আশঙ্কা রয়েছে। ইইউ ছাড়ার পক্ষের ব্যক্তিরা অবশ্য এমন দাবিকে পাত্তা দিচ্ছেন না। ইইউ ছাড়ার পক্ষের মানুষরা মনে করেন, এটা বৃটেনের জন্য একটি ঐতিহাসিক সুযোগ নিজেদের স্বাধীনতা ও স্বাতন্ত্র্য ফিরে পাওয়ার। এর মাধ্যমে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে শরণার্থী সমস্যাও বৃটেন কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে পারবে বলেই মনে করেন তারা।কী রায় আসবে গণভোটে?ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করা বা এর সঙ্গে থেকে যাওয়া প্রসঙ্গে গণভোটের ফলাফল নিয়ে আগাম কিছুই মন্তব্য করা যাচ্ছে না। বিভিন্ন জনমত জরিপে উঠে আসছে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র। কোনো কোনো জনমত জরিপে ইইউ ছাড়ার পক্ষে অবস্থান পাওয়া যাচ্ছে বেশি মানুষের, কোনো কোনোটিতে থাকার পক্ষে। ফলে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করার আগে এর ফলাফল অনুমান করা সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিস্তারিত খবর

রমজানে ব্রিটেনের বাসে ইসলাম প্রচার

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৫-০৯ ১৩:২৮:৩৯

রমজান মাসে ব্রিটেনের বাসগুলিতে আল্লাহ্‌'র প্রশংসা লেখা বিজ্ঞাপন প্রচারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ব্রিটেনে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দাতব্য প্রতিষ্ঠান এই বিজ্ঞাপন বের করছে বলে খবর দিয়েছে ইভনিং স্ট্যান্ডার্ড সংবাদপত্র।

লক্ষ্য হচ্ছে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের শিকারদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা।

মুসলিম রিলিফ নামে এই প্রতিষ্ঠানটি বলছে, সুবহান আল্লাহ্‌ লেখা এসব পোস্টার ব্রিটেনে ইসলাম এবং ত্রাণ সহায়তার বিষয় সম্পর্কে মানুষের মনে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করবে।

লন্ডন, বার্মিংহ্যাম, ম্যানচেস্টার, লেস্টার এবং ব্র্যাডফোর্ডের বাসগুলিতে চলতি মাসের শেষের দিকে এসব বিজ্ঞাপনের প্রচার শুরু হবে।

জুন মাসের ছয় তারিখ থেকে ব্রিটেনে রোজা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

বিস্তারিত খবর

প্রথম মুসলিম হিসেবে লন্ডনের মেয়র নির্বাচিত হলেন সাদিক খান

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৫-০৬ ১৫:১১:১৯

ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনের মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাদিক খান। পরিবেশবিদ ও রক্ষণশীল দলের জ্যাক গোল্ডস্মিথকে হারিয়ে প্রথম কোনো মুসলিম হিসেবে মেয়র নির্বাচিত হলেন লেবার পার্টির মনোনীত এ প্রার্থী।

শুধু লন্ডন নয়, ইউরোপের কোন দেশের রাজধানী শহরের তিনিই প্রথম নির্বাচিত কোন মুসলিম মেয়র।

সাদিক খানের বাবা ছিলেন একজন বাস ড্রাইভার। তিনি পাকিস্তান থেকে ব্রিটেনে আসেন অভিবাসী হয়ে।

লেবার পার্টির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার আগে তিনি একজন মানবাধিকার আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন।

বিস্তারিত খবর

আন্তর্জাতিক নিরাপদ ও সাস্হ্যসম্মত কর্মক্ষেত্র দিবস উপলক্ষে আকবেট-এর কর্মশালা

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৪-৩০ ০২:২৮:৫১

২৮ এপ্রিল,২০১৬ “আন্তর্জাতিক নিরাপদ ও সাস্হ্যসম্মত কর্মক্ষেত্র দিবস” উপলক্ষে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সংস্থা ইউ কে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাস্ট (আকবেট) শ্রমজীবি শিশুদের শিক্ষা ও জীবন-মানের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বঙ্গবীর রোড এলাকার ফ্যাক্টরী, ওয়ার্কশপে কাজে নিরাপত্তা ও সাস্থ সম্মত পরিবেশ  নিশ্চিত করার লক্ষে  এক কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মাশালায় কাজে যে কোন দূর্ঘটনা ঘটলে তার প্রাথমিক চিকিতসার  উপর প্রশিক্ষন প্রদান করেন পার্ক ভিঊ হাস্পাতালের চিকিতসক ডাঃ আনোয়ার সাদাত। কর্মশালা শেষে ৫০ জন ওয়ার্কশপ মালিকদের  ফার্স্ট এইড বক্স প্রদান করা  হয়।

উল্লেখ্য, আকবেট ঝুকিপূর্ণ কাজ এ নিয়োজিত শ্রমজীবি শিশুদের কাজে ঝুকি কমানো, শিক্ষা,সাস্হ্য ও পূনর্নবাসনের লক্ষে নগরীর উপশহর পয়েন্ট,মেহেন্দীবাগ,চালীবন্দর,নয়াগাও,বঙ্গবীর, কদমতলি এলাকায় প্রায় তিন শতাধিক শ্রমজীবি শিশু নিয়ে প্রজেক্ট চালিয়ে আসছে ।

কর্মশালায় উপস্থিত থাকেন  আকবেট এর নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান সায়েম, বঙ্গবীর রোড ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি জনাব আলকাছ মিয়া,সহসভাপতি জনাব শাহাবউদ্দিন,সাধারণ সম্পাদক জনাব জামাল উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনাব আনোয়ার হোসেন,এমরান হোসেন ,মোঃ আব্দুল করিম, সালেক আহমদ,তাজুল হোসেন, কালাম আহমদ কালা,মোঃ মূসা মিয়া সহ প্রায় শতাধিক   ব্যাবসায়ীবৃন্দ এবং আকবেটের প্রগ্রাম সাপোর্ট মেনেজার ফাহমিদা তানিয়া,আকবেটের শিক্ষক ও ফিল্ড অরগানাইযার আবুল কালাম আজাদ, আব্দুস সালাম, মার্কিনী লানং, ফিন্যান্স ও এডমিন অফিসার ফজলে রাব্বি

বিস্তারিত খবর

সহস্র আলোক প্রজ্জ্বলনে পালিত হবে ব্রিটিশ রানির ৯০তম জন্মদিন

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৪-২০ ১৫:২৯:৩১

ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের ৯০তম জন্মদিন ২১ এপ্রিল। ৪৮ ঘণ্টাব্যাপী জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হবে রানির জন্মদিন। রানির বর্ণিল জীবন ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে ১ হাজার আলোক প্রজ্জ্বলনে আলোকিত হবে যুক্তরাজ্য। জয়তু রানি। শুভ জন্মদিন।

লন্ডনের মেফেয়ারে ১৭ ব্রুটন স্ট্রিটে ১৯২৬ সালের ২১ এপ্রিল জন্ম গ্রহণ করেন দ্বিতীয় এলিজাবেথ। শৈশবে তার নাম ছিল এলিজাবেথ আকেজান্দ্রা মেরি। বাবা রাজা ষষ্ঠ জর্জ ও মা ছিলেন রানি এলিজাবেথ। তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন বড়।

১৯৫২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রানি হিসেবে সিংহাসনে বসেন দ্বিতীয় এলিজাবেথ। অভিষেক অনুষ্ঠান হয় ২ জুন, ১৯৫৩ সাল। ১৯৫২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ সা¤্রাজ্যের শিরোমণি তিনি। ৬০ বছরের শাসনামলে অনেক চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়েছে তাকে। তবে কখনো ক্লান্ত হননি। ৯০ বছরে পা রাখার দিনেও অনেক ব্যস্ততায় সময় কাটাবেন রানি।

১৯৫২ সালে গ্রেট ব্রিটেনের পাশাপাশি কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ডের রানি হন দ্বিতীয় এলিজাবেথ। ব্রিটিশ রাজা বা রানি কমনওয়েলথের প্রধান হন। সে হিসেবে রানিও কমনওয়েলথের প্রধান।

নিজের আমলে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীন হওয়া ১২টি দেশের রানি হিসেবে স্বীকৃত দ্বিতীয় এলিজাবেথ। দেশগুলো হলো : জ্যামাইকা, বারবাডোস, বাহামা দ্বীপপুঞ্জ, গ্রানাডা, পাপুয়া নিউ গিনি, ট্যুভালু, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড গ্রানাডাইনস, বেলিস, অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারমুডা এবং সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস। এসব দেশে রানির জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান হবে।

এ ছাড়া বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিন ধরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৯০তম জন্মদিন উদযাপন করবেন রানি। এ উপলক্ষে রাজপরিবারে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

বিস্তারিত খবর

কন্যা সন্তানের মা হলেন টিউলিপ সিদ্দিক

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৪-০৯ ১৫:৩৬:৩১

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের লেবার পার্টির সংসদ সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি রিজওয়ানা সিদ্দিক টিউলিপ কন্যা সন্তানের মা হয়েছেন। তার কন্যার নাম রাখা হয়েছে আজেলিয়া জয় পার্সি।

শনিবার এক টুইট বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টিউলিপ নিজেই।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের লেবার পার্টির এই সংসদ সদস্য প্রথম সন্তানের মা হওয়ায় খুশির বন্যা বইছে বঙ্গবন্ধু পরিবারে।

২০১৫ সালের সাধারণ নির্বাচনে টিউলিপ লেবার দল থেকে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়। পরে ছায়া মন্ত্রিসভার পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি হিসেবেও মনোনীত হয়েছেন তিনি।

২০১৩ সালে টিউলিপ সিদ্দিক সেন্ট জনস পার্সির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। সে সময় টিউলিপ রিজেন্ট পার্কের কাউন্সিলর ছিলেন।

বিস্তারিত খবর

লন্ডনে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় তারেক রহমান

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৩-২৯ ১৫:২২:৪৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ লুটের ঘটনা ধামাচাপা দিতে সরকার রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও তনু হত্যাকাণ্ড নিয়ে পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ২৮ মার্চ লন্ডনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।

 এম এ মালিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান জামান বক্তৃতা করেন। সভা পরিচালনা করেন কয়সর এম আহমেদ। 

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি মুয়াজ্জিন খুন

 প্রকাশিত: ২০১৬-০২-১৯ ১৪:০৪:৫৪

রচডেলে এক বাঙালি ব্যাক্তি খুন হয়েছেন। মৃত ব্যক্তির নাম ক্বারী হাফীজ জালাল উদ্দিন।১৮ ফেব্রয়ারী রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে রচডেল সাউথ স্ট্রিট পার্কের অদূরে তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় স্থানীয়রা দেখতে পান। সাথে সাথে পুলিশকে খবর দিলে তাত্ক্ষণিক পুলিশ এবং এম্বুলেন্স ঘঠনাস্থলে পৌছে তাকে মৃত উদ্বার করে। এখন পর্যন্ত হত্যার কারণ জানা যায় নি, তবে ধারণা করা হছে এটি একটি বর্ণবাদী হত্যাকান্ড হতে পারে। পুলিশের বিশেষ দল এর কারণ উদ্বার করার জন্য তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

ক্বারী জালাল উদ্দিন দীর্ঘদিন রচডেল জালালিয়া মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। সদা হাসি খুশি এবং অমায়িক ব্যবহারের জন্য তিনি সবার কাছে অত্যান্ত প্রিয় ছিলেন। তার দেশের বাড়ি বিশ্বনাথ উপজেলার সতপুর গ্রামে। তিনি দীর্ঘ দিন ব্রিটেনে বসবাস করে আসছেন।

উনার এই অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

বিস্তারিত খবর

৫০ হাজার ‘অবৈধ’ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাতে ব্রিটেনের চাপ

 প্রকাশিত: ২০১৬-০২-১৭ ১৫:০৭:০০

ব্রিটেনজুড়ে থাকা প্রায় ৫০ হাজার ‘অবৈধ’ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরাতে চাপ বাড়ছে। একই রকম চাপ আসছে ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে। দৈনিক মানবজমিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এতদিন বিষয়টি নিয়ে কর্মকর্তা পর্যায়ে আলোচনা হলেও সামপ্রতিক সময়ে এটি নীতিনির্ধারণী ফোরামে আলোচিত হচ্ছে।
শরণার্থীদের জন্য ব্রিটেনসহ ইউরোপের দরজা বন্ধ করে দেয়ার জন্য ইউরোপের রক্ষণশীলদের ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যেই এ খবর এলো।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্রিটিশ হোম অফিসের অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী জেমস ব্রোকেনশায়ারের সদ্য সমাপ্ত ঢাকা সফর এ আলোচনায়  নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ব্রিটিশ মন্ত্রী অন্য বিষয়ের সঙ্গে অবৈধভাবে ব্রিটেনে যাওয়া কিংবা দেশটিতে বৈধভাবে প্রবেশের পর ‘অবৈধ’ হয়ে পড়া বাংলাদেশিদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ফেরানোর তাগিদ দিয়ে গেছেন।

ঢাকা সফরকালে পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার বৈঠক হয়েছে। একাধিক বৈঠকে ব্রিটিশ মন্ত্রী উদ্বেগের সঙ্গে বিষয়টি তুলেছেন জানিয়ে বৈঠক সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, সফরকালে মন্ত্রীকে বলা হয়েছে, কেবল ব্রিটেন নয়, বিশ্বের যে কোনো অঞ্চলে অবৈধভাবে বসবাসকারী নাগরিকদের দেশে ফেরানোর নীতি রয়েছে বাংলাদেশের। যদি তারা প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশি হন অবশ্যই তাদের সরকারি উদ্যোগে দেশে ফেরত আনা হবে।

তাদের ‘নাগরিকত্ব’ নিশ্চিত হওয়ার একটি প্রক্রিয়া রয়েছে জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, ব্রিটেনের তরফে যাদেরকে ‘বাংলাদেশি’ বলা হচ্ছে তাদের নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাইয়ের কাজটি আগে করতে চায় ঢাকা। এজন্য দেশটির হোম অফিসের ধারাবাহিক সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর এমনকি মিয়ানমার থেকেও সামপ্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অবৈধ বাংলাদেশিকে সরকারি খরচে দেশে ফেরানো হয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র দপ্তরের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা গতকাল বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী ছাড়াও মিয়ানমারের কয়েক লাখ নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে রয়েছে। বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে মিয়ানমারের অনেক নাগরিক মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জামিয়েছে।

লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের অভিবাসন নীতিসহ পুরো পরিস্থিতি ব্রিটিশ সরকারের বিবেচনায় তুলে ধরা হয়েছে। তারাও বাংলাদেশ সরকারের সদিচ্ছার বিষয়টি অনুধাবন করেন জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ব্রিটেনে ক্ষমতাসীন বর্তমান নেতৃত্বের একটি নির্র্বাচনী অঙ্গীকার রয়েছে। এ নিয়ে বহুবার বাংলাদেশসহ নন  ইউরোপিয়ান দেশগুলোকে তাগিদ দেয়া হয়েছে। অনেক এলাকায় ধরপাকড়ও হয়েছে। কিন্তু তারপরও এটি না কমায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর রাজনৈতিক বা নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে ব্রিটেন।

ওই কর্মকর্তার সরবরাহ করা তথ্য মতে, ২০১১ সালে ব্রিটেনে সর্বশেষ শুমারি হয়। সেখানে বৈধ-অবৈধ মিলে প্রায় ৫ লাখ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রয়েছেন বলে জানিয়েছিল দেশটি। সেই সময়ে প্রায় ৫ ভাগের কম অর্থাৎ ২০-২২ হাজার অবৈধ বাংলাদেশি ছিলেন। ২০১১ সালে পর গত ৫ বছরে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি অবৈধদের সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই সংখ্যা এখন ৫০ হাজারের বেশি হবে।

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাজ্য লিভারপুল বাংলাপ্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা

 প্রকাশিত: ২০১৬-০২-০৯ ১১:২৩:৪৯

যুক্তরাজ্যস্থ লিভারপুল বাংলা প্রেসক্লাবের সাথে মত বিনিময় করেছেন  সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি  সফিকুর রহমান চৌধুরী সহ যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দরা।

সাগর-রুনী হত্যাকান্ড সহ বাংলাদেশের সকল সাংবাদিক হত্যার বিচার হবে তবে সময়ের প্রয়োজন। বাংলাদেশে সংবাদপত্র ও তার স্বাধীনতার উপর আলোচনা করে নেতৃবন্দরা বলেন বিগত সরকার বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেল অনুমোদন দিয়েছে। অনলাইন সহ বিভিন্ন পত্রিকার মাধ্যমে বাংলাদেশে রয়েছে পুরোপুরি স্বাধীনতা। ব্রিটেনের সাংবাদিকদের সকল বিষয় খেয়াল রাখার অনুরোধ জানিয়ে নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন এ প্রজ¤েœর শিশু কিশোররা যে কোন অবস্থায় যেন  আই এস কিংবা জঙ্গী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত না হতে পারে।

রবিবার (৭ ফ্রেবুয়ারী) লিভারপুল বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ ছুরত মিয়া আছাব এর  সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক  ফখরুল আলম ও যুগ্ন সম্পাদক আবু সাঈদ চৌধুরী সাদির সঞ্চালনায়  মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য  আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরিফ। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-  যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের  সহ- সভাপতি শাহ আজিজুর রহমান, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ দপ্তর সম্পাদক  কবি  শাহ শামিম আহমেদ, জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক রবিন পাল, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক  শারব আলী, কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ব শেখ দুদু মিয়া, উইরাল আওয়ামীলীগের সভাপতি আমিরুল ইসলাম মধু, সাধারণ সম্পাদক মহি চৌধুরী, সহ সভাপতি প্রভাষক জুয়েল চৌধুরী, প্রেসক্লাবের সাংগনিক সম্পাদক  ম. আজাদ,  জি.এস.সি চেষ্টার এন্ড নর্থ ওয়েলস রিজনের সহ সাধারণ সম্পাদক এটিএম লোকমান, আব্দুল জলিল ফাহিম প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দরা প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি সহ সাংবাদিকদের দায়িত্বের উপর গুরুত্ব আরোপ করে আরো বলেন। সাংবাদিকরাই দেশের ভাবমুর্তি উজ্জলের জন্য ইতিবাচক সংবাদ গুরুত্বের সাথে প্রচার করে দেশ প্রেমে উদ্ধদ্দ হয়ে দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে পারে।

মত বিনিময় সভায় যুক্তরাজ্যর বিভিন্ন শহরের বিভিন্ন কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত