যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 03:14pm

|   লন্ডন - 10:14am

|   নিউইয়র্ক - 05:14am

  সর্বশেষ :

  ১১ সপ্তাহ লকডাউনের পর উন্মুক্ত উহান   যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১৯৭০ জনের প্রাণহানি   ‘ওয়াইএমসিএ’র ছাঁটাইকৃত কর্মীদের চাকরির ঘোষণা দিলেন লস এঞ্জেলেস মেয়র   করোনা ঠেকাতে বাধ্যতামূলক মাস্ক পড়ার নিয়ম করল সান বার্নার্ডিনো কাউন্টি   করোনায় কমেছে লস এঞ্জেলেসের সকল প্রকার অপরাধঃ এলএ পুলিশ চীফ   কভিড-১৯; লস এঞ্জেলেসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৯; আক্রান্ত ৬ হাজার ৯১০   গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা লকডাউন   বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি   পুলিশের মহাপরিদর্শক হচ্ছেন বেনজীর, র‌্যাব মহাপরিচালক মামুন   করোনাভাইরাস: বিশ্বব্যাপী সুস্থ হয়ে উঠেছে ৩ লাখ মানুষ   ফ্রান্সে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো   নিউইয়র্কে মর্গে জায়গা নেই, ফ্রিজে লাশ রাখার সিদ্ধান্ত   সিঙ্গাপুরে একদিনে ৪৭ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত   বিশ্বনবীর মিম্বর থেকে করোনা নিয়ে যা বললেন শাইখ সুদাইস   এখন থেকে লস এঞ্জেলেসের যে কোন বাসিন্দা করোনা টেস্ট করাতে পারবে

>>  আইটি এর সকল সংবাদ

করোনা রোগী শনাক্ত করবে চবি শিক্ষার্থীদের ‘করোনা ইনফো’ অ্যাপ

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস ইতিমধ্যে বাংলাদেশেও আঘাত হেনেছে। কিন্তু এই দুর্যোগে দেশের স্বাস্থ্যখাত ঠিক কতটা মোকাবেলা করতে পারবে সে প্রশ্ন থেকেই যায়। এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনা সন্দেহভাজনদের পরীক্ষাও সহজলভ্য হয়নি। তাই অনেকেই সর্দি-কাশি হলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। বুঝতে পারছেন না করোনা আক্রান্ত কিনা।

সম্প্রতি এই সংকট কাটিয়ে উঠতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) একদল শিক্ষার্থী তৈরি করেছেন ‘করোনা ইনফো’ নামে একটি অ্যাপ। এই টিমে কাজ করেছেন মমশাদ দিনুরী, আব্দুল্লাহ জুনায়েদ খান ও মাহবুবুর রহমান। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের

বিস্তারিত খবর

করোনায় সেবা দিতে বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের রোবট

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৩ ০৭:৪৯:৫৬

বিশ্বজুড়ে এখন করোনা আতঙ্ক। প্রাণঘাতী কভিড-১৯ খুবই ছোঁয়াচে। তাই রোগীর সংস্পর্শে যাওয়া বিপজ্জনক। রোগীকে সেবা দেওয়া চিকিৎসকরাও আছেন ঝুঁকিতে। এ পরিস্থিতিতে রোগী থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে নির্বিঘ্ন চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার হতে পারে চমৎকার কৌশল। এ নিয়ে বাংলাদেশের তরুণ প্রকৌশলীরা আশার সংবাদ শুনিয়েছেন। গত মঙ্গলবার তারা দাবি করেছেন, স্বল্প ব্যয়ে তৈরি করা 'সেবক' নামের রোবট কভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের সহযোগিতা করতে সক্ষম। গবেষক দলের নেতৃত্বে থাকা বেসরকারি সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষক মেহেদী হাসান বলেন, 'আমাদের তৈরি করা রোবট চিকিৎসক এবং অন্যদের দূরে রেখেই কভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় ছয়টি জরুরি সেবা দিতে সক্ষম।'
তিনি জানান, কভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় চীনাদের মডেল অনুসরণ করে এ রোবট তৈরি করা হয়েছে। তাদের তৈরি করা ভিডিওতে দেখা গেছে, সংশ্নিষ্ট সবাইকে নিরাপদ দূরত্বে রেখে রোবটটি সেবা দিচ্ছে।
বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রভাষক মেহেদী হাসান তার অনুষদের একজন সহকর্মী ও দুই শিক্ষার্থীকে নিয়ে রোবট তৈরি করেছেন। এ রোবটের দাম ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, একজন চিকিৎসক একটি কন্ট্রোল স্টেশনে থেকেই এ রোবটের সাহায্যে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার এবং হাসপাতালে থাকা বেশ কয়েকজন রোগীকে সেবা দিতে পারবেন।
তাদের এ দলটির নাম 'টিম সেভিয়ার বিডি'। তাদের তৈরি রোবটটির কাজ দেখানোর জন্য তারা একটি ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে প্রকাশ করেছেন।

বিস্তারিত খবর

কর্মহীনদের আহার জোগাতে অনলাইন উদ্যোগ

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০১ ০৭:১১:০৭

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরবর্তী পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমজীবী মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করতে অনলাইনে সামাজিক উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশি কনটেন্ট প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান জাস্ট স্টোরিজ।

বুধবার (০১ এপ্রিল) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

‘আহার-এ জীবন’ শীর্ষক কার্যক্রমে যারা অংশ নেবেন তাদের কাছে থেকে শুকনো খাবার সংগ্রহ করে সুবিধাবঞ্চিতদের কাছে পৌঁছে দেবে একদল তরুণ স্বেচ্ছাসেবক। এতে নগদ অর্থও দেওয়া যাবে।

কার্যক্রম নিয়ে জাস্ট স্টোরিজ দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, করোনা ভাইরাসের কারণে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত আর খেটে খাওয়া মানুষগুলো সব থেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছে। থমকে গেছে তাদের উপার্জনের পথগুলো। সমাজের সেই মানুষগুলোকে সাহায্য করার জন্য স্বাবলম্বী মানুষদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

সামাজিক উদ্যোগটির কর্মীরা বলেন, অনেকেই চাইছেন সাহায্য করতে, কিন্তু পারছেন না। তাদের জন্য আমাদের ‘আহার-এ-জীবন’ এর ভলান্টিয়ার বাহিনী কাজ করছে।  শুকনো খাবার যেমন চাল, ডাল, তেল, ডিম, পেয়াজ, আলু এরকম শুকনো খাবার স্বেচ্ছাসেবকরা নিবন্ধিত ঠিকানায় গিয়ে নিয়ে আসবে।

প্রতি সপ্তাহের সোম আর মঙ্গলবার, যথাযথ নিরাপত্তার সঙ্গে  শুকনো খাবার সংগ্রহ করা হবে।  এই সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া যাবে ইন্টারনেটের এই ঠিকানায়- aharejibon.juststorys.com।

এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

বিস্তারিত খবর

করোনাভাইরাস: বিশ্বনেতাদের পোস্ট ডিলিট করছে ফেসবুক-টুইটার

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-৩১ ১৩:৫১:৩১

ফেসবুক এবং টুইটার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কয়েকজন রাষ্ট্র-নেতার পোস্ট ডিলিট করেছে যেগুলোতে করোনাভাইরাস সম্পর্কে মিথ্যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছিল। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেয়ার বোলসোনারোর এরকম একটি ভিডিও ফেসবুক ডিলিট করা হয়েছে। এটিতে দাবি করা হয়েছিল 'হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন' করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় খুবই কার্যকরী।

প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো বার বার করোনাভাইরাসের বিপদকে খাটো করে দেখাতে চেয়েছেন। এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা যেসব পরামর্শ দিচ্ছিলেন, বিশেষ করে লোকজনকে পরস্পরের কাছ থেকে দূরে থাকার যে পরামর্শ, সেগুলো তিনি উপেক্ষা করতে ব্রাজিলের মানুষকে উৎসাহিত করছিলেন।

টুইটার ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর একটি টুইট ডিলিট করেছে একই রকম কারণে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধের একটি ঘরোয়া টোটকা চিকিৎসা টুইট করেছিলেন প্রেসিডেন্ট মাদুরো। বড় বড় রাষ্ট্র-নেতাদের পোস্ট ফেসবুক বা টুইটার ডিলিট করছে এমন ঘটনা বিরল। অতীতে কোন কোন ক্ষেত্রে রাষ্ট্র-নেতারা ভুয়া বিষয় প্রচার করছেন এমন প্রমাণিত হওয়ার পরও সেসব পোস্ট ডিলিট করা হয়নি।

যেমন টুইটার এর আগে একবার বলেছিল, বিশ্বনেতারা নিয়ম ভাঙলেও তারা এসব পোস্ট ডিলিট করবে না, কারণ সাধারণ মানুষের এগুলো নিয়ে বিপুল আগ্রহ আছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের বেলায় যেরকম গুজব আর মিথ্যে তথ্য ছড়াচ্ছে তা ঠেকাতে বিরাট চাপের মুখে পড়েছে ফেসবুক আর টুইটারের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো। টুইটার চিকিৎসা নিয়ে অপপ্রচার মোকাবেলা সংক্রান্ত গাইডলাইন সম্প্রতি আপডেট করেছে। আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য নির্দেশনার বিপক্ষে যায় এমন যে কোন বিষয়কে তারা এখন অপপ্রচার বলে গণ্য করবে।

অন্যদিকে ফেসবুক অঙ্গীকার করেছে, শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে এমন তথ্য তারা তাদের সাইট থেকে অপসারণ করবে। প্রেসিডেন্ট বোলসোনারোর একটি পোস্টে দেখা যাচ্ছিল তিনি টাগুয়াটিংগার একটি রাস্তায় দাঁড়িয়ে লোকজনের সঙ্গে কথা বলছেন।

ফেসবুক জানিয়েছে- তারা প্রেসিডেন্ট বোলসোনারোর এই ভিডিওটি ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম- দু জায়গা থেকেই অপসারণ করেছে। কারণ এই পোস্ট তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘন করছিল। পরবর্তীকালে ফেসবুক দুটি নিউজ-সাইট 'বাজফীড‌' এবং 'দ্য ভার্জ'কে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট বোলসোনারোর এই ভিডিওটিতে 'হাইড্রাক্সিক্লোরোকুইন' সম্পর্কে কিছু দাবি করা হয়েছিল। সে কারণেই ভিডিওটি অপসারণ করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, করোনাভাইরাসের এখনো পর্যন্ত কোন প্রমাণিত চিকিৎসা নেই, যদিও কিছু কিছু ঔষধের মিশ্রণ ব্যবহার করে হয়তো কিছুটা উপশম পাওয়া যাচ্ছে। হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন এবং এটির একটি উপাদান ক্লোরোকুইন করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় কার্যকর এমন প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। কিন্তু এই দুটি ঔষধ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

তবে কোন ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের 'ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন‌' (এফডিএ) এই দুটি ঔষধ কোভিড-নাইনটিন রোগীদের জরুরী চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে বলে অনুমোদন দিয়েছে। এতদিন এই দুটি ঔষধ মূলত ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হতো।

এফডিএ বলেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই দুটি ঔষধ যে ফল দিতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে, তার তুলনায় এটি ব্যবহারের ঝুঁকি সেরকম বেশি নয় বলেই মনে করে তারা।


এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আইসিটি

বিস্তারিত খবর

অ্যান্ড্রয়েড ১১ সংস্করণে ওয়ান-টাইম লোকেশন অ্যাকসেস

 প্রকাশিত: ২০২০-০২-২৩ ০৫:১৮:১১

সার্চ ইঞ্জিন গুগল এবার লোকেশন ট্র্যাকিং অনুমতির বিষয়টি একবারই অ্যাপের ক্ষেত্রে নেবে। আগে বিষয়টি প্রতিটি অ্যাপে আলাদাভাবে প্রতিবার নেওয়া হতো। অ্যান্ড্রয়েড ১১ সংস্করণ থেকে এটি একবারই নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
গত বছর আইওএস ১৩ সংস্করণ থেকে লোকেশন ট্র্যাকিং অনুমতি একবারই নেওয়ার অপশন চালু করে অ্যাপল। একই পদ্ধতিতে এবার গুগল কাজটি করলো। ইতোমধ্যে অ্যান্ড্রয়েড ১১ সংস্করণের ডেভেলপার সংস্করণে বিষয়টি সক্রিয় করা হয়েছে।
সাধারণত কোনও অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে লোকেশন ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হয়। আগে এটি প্রতিটি অ্যাপে প্রতিবার ব্যবহারের ক্ষেত্রেই চাওয়া হতো। এবার সেটি অ্যাপ ব্যবহারের শুরুতে একবারই চাওয়া হবে। অ্যাপের পাশাপাশি মাইক্রোফোন ও ক্যামেরা অ্যাকসেসের ক্ষেত্রেও একবারই অনুমতি চাওয়া হবে।
এ সুবিধা চালুর পাশাপাশি গুগল ইতোমধ্যে ‘অ্যালাও অল দ্য টাইম’ নামের অপশনটি মুছে ফেলছে। এর ফলে কোনও অ্যাপ ব্যবহার শুরুর সময় লোকেশন ট্র্যাকিং অনুমতি চাওয়া হবে না। এক্ষেত্রে যেসব অ্যাপ ডেভেলপারদের অ্যাপে লোকেশন অ্যাকসেস প্রয়োজন তাদের সেটিংস থেকে লোকেশন অ্যাকসেস সক্রিয় করার জন্য ব্যবহারকারীদের আলাদা নোটিফিকেশন দিতে হবে।
বিষয়টি নতুনভাবে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য চালু হলেও আগে থেকেই আইওএস ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন। তবে অ্যান্ড্রয়েডের তুলনায় যেহেতু আইওএস অপারেটিং সিস্টেম বেশি দ্রুত কাজ করে তাই স্মার্টফোন ভেদে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা কিছুটা সমস্যায় পড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এ নিয়ে মুখ খোলেনি গুগল কর্তৃপক্ষ। যেহেতু বিষয়টি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে তাই চালুর পর ব্যবহারকারীদের ওপর নির্ভর করবে নতুন এই সুবিধা চালুর করার ভালো-মন্দ দিক।

বিস্তারিত খবর

ফেসবুক তৈরি ছিল ভয়ঙ্কর ভুল: জাকারবার্গ

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-১২ ১২:১৫:৫৩


ফেসবুক নিয়ে আলোচনা সমালোচনা কম হয়নি। এবার মুখ খোললেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। নিজেই নিজের তৈরি এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ‌্যমের সমালোচনা করেছেন।

জাকারবার্গ জানান, ফেসবুক সমাজকে বিপুল ক্ষতির মুখোমুখি করছে। বুধবার জাকারবার্গ এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, বিগত এক বছরে তার পরিষেবা থেকে সৃষ্ট একাধিক সংকটের জন্য তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন।

জাকারবার্গ বলেছেন, আমি মনে করি জীবনে ভুল থেকে শিখতে হবে। এগিয়ে যাওয়ার জন্য আপনার কী করা উচিত তা নির্ধারণ করতে হবে। আপনি যখন ফেসবুকের মতো এমন কিছু তৈরি করছেন যা পৃথিবীতে নজিরবিহীন, তখন এমন কিছু জিনিস হয়ে উঠবে যেগুলি আপনাকে বিভ্রান্ত করে।

ফেসবুকের ভাইস প্রেসিডেন্ট চামাথ পালিপিতিয়া জানান, ফেসবুক হলো ভয়ঙ্কর ভুল। তিনি তার সন্তানকে ব্যবহার করতে দেন না ফেসবুক।

তিনি জানান, ফেসবুক তৈরি করা হয়েছিল সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে। সামাজিক কাজকর্ম করার জন্য ফেসবুক অনেক রকম টুলস এনেছে।

চামাথ পালিপিতিয়া জানান, কীভাবে মানুষের মন ঘোরানো যায় সেটা নিয়েও তারা ভাবছেন। কিন্তু তার সঙ্গে সঙ্গে তিনি বলেন, শিশুদের মাথায় কখন কী চলছে, সেটা শুধু ওপরওয়ালা জানেন।

বিস্তারিত খবর

মহাকাশ থেকে ক্বাবা ঘরের ছবি তুললেন নভোচারী, মুহূর্তেই ভাইরাল

 প্রকাশিত: ২০১৯-১১-১৭ ০০:১৮:০৫

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম নভোচারী হিসেবে গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে অবস্থান করছেন হাজজা আল মানসুরী। আর সেখান থেকেই তিনি ইসলামের পবিত্রতম স্থান মসজিদ আল হারামের (ক্বাবা) একটি ছবি শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়া ইনস্টাগ্রামে। এর আগে হাজজা আল মানসুরি তার এ মহাকাশ যাত্রায় সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন পবিত্র গ্রন্থ কুরআনের একটি কপি।

ভূ-পৃষ্ট হতে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থান করে মহাকাশ স্টেশন হতে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তোলা মক্কার মসজিদ আল হারামের এ ছবি মুহূর্তেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
 
পবিত্র নগরী মক্কা ও কাবার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে হাজজা এই ছবিটির ক্যাপশনে লিখেছেন ‘এটি এমন একটি জায়গা যা সারা বিশ্বের প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ে বাস করে এবং তারা এটির দিকে মুখ করেই করেই সালাত আদায় করে।’

উল্লেখ্য যে, আমিরাতের প্রথম সব মিলিয়ে ২৪০তম দর্শনার্থী নভোচারী হিসেবে হাজজা আল মানসুরি মহাকাশে গেছেন। আর মহাকাশে নভোচারী পাঠানোর তালিকায় ১৯তম দেশ হিসেবে নাম লিখিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, আরব দেশগুলোর মধ্যে যা প্রথম।

বিস্তারিত খবর

কোরআন সঙ্গে নিয়ে মহাকাশে যাচ্ছেন নভোচারী

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৮-৩০ ১৪:১৩:৪৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দা হাজা আল মানসুরি। প্রথম অ্যারাবিয়ান হয়ে মহাকাশ ভ্রমণে যাচ্ছেন তিনি। দেশটির জাতীয় পতাকার সঙ্গে মহাকাশে পবিত্র কোরআন মাজিদের একখণ্ড পাণ্ডুলিপি নিয়ে যাচ্ছেন এই নভোচারী।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, মহাকাশ সফরে ১০ কেজি পণ্য বহন করতে পারবেন হাজা আল মানসুরি। সে হিসাবে কোরআনের একখণ্ড পাণ্ডুলিপি, পারিবারিক ছবি, খাঁটি সিল্কে বোনা আরব আমিরাতের পতাকা, ‘কিসাতি’ (আমার গল্প) নামক একটি গ্রন্থ, শায়খ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহইয়ানের ছবি এবং ‘আল গাফ’ গাছের ৩০টি বীজ মহাকাশে নিয়ে যাচ্ছেন এই আরবীয় নভোচারী।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘মোহাম্মদ বিন রশিদ স্পেস সেন্টারের’ সহকারী মহাপরিচালক সালেম আল মেরি বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম মহাকাশ নভোচারী হলেন হাজা আল মানসুরি। এটিই প্রথম আমাদের মহাকাশ কর্মসূচি। আমরা সফল হলে মহাকাশ ভ্রমণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯তম দেশ হবে।

মার্কিন মহাকাশ সংস্থার (নাসা) ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর মহাকাশযান ‘সয়ুজ এমএস ১৫’-এর মাধ্যমে মহাকাশ ভ্রমণে যাচ্ছেন আল মানসুরি। তাঁর সঙ্গে জেসিকা মেয়ার ও ওলেগ স্ক্রিপোচকার নামে আরো দুই নভোচারীও যাচ্ছেন।

বিস্তারিত খবর

মানুষ কি সত্যিই চাঁদে গিয়েছিল?

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৭-৩১ ০৬:৩৫:০৯

চাঁদের মাটিতে সত্যিই মানুষের পা পড়েছে কিনা, তা নিয়ে রয়েছে অনেক জল্পনা-কল্পনা। অর্ধশতাব্দী পার হয়ে গেলেও এখনও এই বিতর্ক থেকে বের হতে পারেনি নাসা। এ নিয়ে একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। সাংবাদিক রিচার্ড গডউইনের সেই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কীভাবে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই অভিযান বিতর্কিত হয়ে উঠলো। বাংলা ট্রিবিউনের পাঠকের জন্য ওই প্রতিবেদনের ভাষান্তর করেছেন গ্লোরিয়া অমৃতা। 

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৬৯ সালে নিল আর্মস্ট্রং এবং বাজ আলড্রিন-এর চাঁদে অবতরণ সফল করার পেছনে ৪ লাখ নাসা কর্মী এবং কন্ট্রাক্টর তাদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং শক্তি বিনিয়োগ করেছিলেন। তবে মাত্র একজন ব্যক্তির ছড়ানো ধারণা এই সম্পূর্ণ ঘটনাটিকে ধাপ্পাবাজি হিসেবে ব্যাখ্যা দিয়ে অনেকের মনে সন্দেহের  সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়। ওই ব্যক্তির নাম বিল কেসিং। কেসিং মার্কিন মহাকাশ প্রকল্পে দক্ষতার সঙ্গে অবদান রেখেছিলেন এবং ১৯৫৬ এবং ১৯৬৩ সালের মধ্যে তিনি রকেট ডাইন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মী হিসেবে কাজ করেছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানটি স্যাটার্ন ভি নামের রকেট ইঞ্জিন তৈরির কাজে সাহায্য করে।

পুরো বিষয়টি একটি দৃঢ় বিশ্বাসে রূপান্তরিত হওয়ার আগেই এর শুরুটা হয়েছিল একটি পূর্বাভাস ও একটি অনুমান ধারণার মধ্য দিয়ে। ধারণা ছিল, চাঁদে অবতরণের জন্য কিংবা আপাতদৃষ্টিতে চাঁদে গিয়ে আবার ফিরে আসার জন্য যে প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রয়োজন, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটতি ছিল। ১৯৭৬ সালে কেসিং ‘আমরা কখনও চাঁদে অবতরণ করিনি: আমেরিকার ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রতারণা’ নামের একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেন। যেখানে তিনি তার দৃঢ় বিশ্বাস প্রমাণের জন্য গ্রেইনি ফটোকপি এবং হাস্যকর কিছু তথ্য দিয়েছিলেন। তিনি তার অনুসন্ধানের মাধ্যমে কিছু চিরজীবী ও গ্রহণযোগ্য তত্ত্ব প্রণয়নে সমর্থ হয়েছিলেন, যেগুলো এখনও কিছু হলিউড সিনেমা, ফক্স নিউজ ডকুমেন্টারি, রেডিড ফোরাম এবং ইউটিউব চ্যানেলে জায়গা করে নিয়েছে।

চাঁদে যাওয়া নিয়ে যদিও বেশকিছু অসাধারণ প্রমাণ রয়েছে, যেমন ৩৮২ কেজি চাঁদের পাথর, যা প্রায় ছয়টা মিশন থেকে সংগৃহীত। রাশিয়া, জাপান এবং চীনও একে সমর্থন দিয়েছিল। এছাড়া নাসার চন্দ্রপরিদর্শনকারী অরবিটের মাধ্যমে পাঠানো ছবি যেখানে চাঁদের পিঠে অবতরণকারীদের পায়ের ছাপ দেখাচ্ছে। তারপরও ১৯৬৯ সালের দিকে চাঁদে যাওয়ার ঘটনা ধাপ্পাবাজি হিসেবে প্রমাণ করার ষড়যন্ত্র অনেক বেশিই বিকশিত হওয়া শুরু করে। ‘৯/১১ হামলায় নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসী, সংশয়বাদী, টিকাদানের বিরোধী, যারা বিশ্বাস করেন উড়োজাহাজ রাসায়নিক পদার্থ স্প্রে করে, যারা বিশ্বাস করেন পৃথিবী সমতল, যারা হলোকাস্ট অস্বীকার করেন, চাঁদে অবতরণও তেমনি অনেকের কাছে একটি ধাপ্পাবাজি’র ঘটনা। আর এটা কেবলমাত্র ক্ষোভ উদ্‌গিরণের উৎস নয় বরং একটি তত্ত্ব হিসেবে হাজির আছে।

তেমনই বিভিন্ন সংশয়বাদীর মধ্যে একজনের নাম কিংপিং জো রিগ্যান। ইউটিউবের শেন ডাওসানও তাদেরই একজন। এমনকি গত বছর নিউজার্সিতে একজন সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপকও তার ছাত্রদের কাছে চাঁদে যাওয়ার ঘটনাটি মিথ্যা আকারে হাজির করেন। যেখানে খোদ কেসিং বিশ্বকে সচেতন করার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত বইয়ের ফটোকপির ওপর নির্ভর করেছিলেন, সেখানে এখনকার সংশয়বাদীরা নিজেদের ব্যক্তিগত উৎসাহ থেকে বিভিন্ন নথি তৈরি করছেন। যেমন নাসা কতো অলস ছিল যে, তারা অ্যাপোলো ১৫, ১৬ আর ১৭’র জন্য একটিমাত্র চন্দ্রযান ব্যবহার করেছিল। অথবা নাসা কীভাবে এতোগুলো বছর ধরে বোকা বানিয়ে রেখেছে। অথবা তারা ‘একটি জিনিস এখনও আমার মাথায় ঢুকছে না’ নাম দিয়ে বিভিন্ন নথি সামনে হাজির করার চেষ্টা করছে।

এ ব্যাপারে দীর্ঘশ্বাস ফেলে নাসার সাবেক শীর্ষস্থানীয় ইতিহাসবিদ রজার লওনিয়াস বলেন, সত্য কথা বলতে হলে ইন্টারনেট মানুষকে যা খুশি ইচ্ছামতোন বলার ও করার সুযোগ দিয়েছে এবং তা আরও বেশিসংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। আর এটা সত্যি, মার্কিনিরা এসব ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব শুনতেও বেশ আগ্রহী। সবসময়ই কেউ না কেউ ব্যক্তি-বিপরীত ব্যাখ্যা তৈরি করে নেওয়ার জন্য তৈরি থাকে। এমনকি চাঁদে যাওয়ার ব্যাপারে ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব ব্রিটিশদের কাছে আকর্ষণীয় তত্ত্ব হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। গত বছর ‘দিজ মর্নিং’ নামের সম্প্রচারিত একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে একজন অতিথিকে স্বাগত জানানো হয়, যার ধারণা ছিল কেউ কখনও চাঁদে পৌঁছাতে পারবে না। কারণ চাঁদ সম্পূর্ণ আলো দিয়ে তৈরি। মার্টিন কেরি নামের একজন ব্যক্তির দাবি, অতীতে চাঁদে অবতরণের যে দৃশ্য দেখানো হয়েছিল, সেটার সত্যতা প্রমাণের সুযোগ নেই। তবে বর্তমানে এই আধুনিক প্রযুক্তির যুগে তরুণেরা এ ব্যাপারে নিজস্ব অনুসন্ধান জারি রেখেছে।

সাম্প্রতিক এক জরিপে (ইউগভ) দেখা গেছে,  প্রতি ছয়জন ব্রিটিশ নাগরিকের মধ্যে অন্তত একজন বিশ্বাস করে, চাঁদে অবতরণও যে একটি সাজানো ঘটনা ছিল। চার শতাংশ ব্রিটিশ বিশ্বাস করে, এটি স্রেফ ধাপ্পাবাজি। ১২ শতাংশের বিশ্বাস, ঘটনাটি সত্য হলেও হতে পারে, আর বাকি ৯ শতাংশের অভিমত,  তারা এ ব্যাপারে জানেন না। চাঁদে যাওয়ার ব্যাপারে এই ভ্রান্তি সবথেকে বেশি ছিল তরুণদের মধ্যে। ৫৫ বছরের বেশি বয়সের মানুষদের ১৩ শতাংশ চাঁদে যাওয়ার বিষয়টি সাজানো মনে করে। আর ২৪ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের মধ্যে এই হার ২১ শতাংশ।

কেসিংয়ের মূল অনুসন্ধান এই বিষয়ে আরও মদত জোগাচ্ছে। ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি হলো সেই ছবিগুলোর মধ্যে একটি তারাও দৃশ্যমান। আরেকটা হলো ল্যান্ডিং মডিউলের নিচের অংশ: পর্যাপ্ত আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত না হওয়া। তৃতীয়ত: অবতরণকারীদের ছায়ার অবস্থান। যারা জানত, যে ব্যাপারগুলো নিয়ে এসব ষড়যন্ত্রকারী কথা বলছে, তা শুধুমাত্র এসব বিশৃঙ্খলাকে ব্যাখ্যা করার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপচয় করছে, তারা তাদের নিজেদের পেশায় সম্মানিত (ক্যামেরা এক্সপোজের সময় যেভাবে ভ্যাকিউমের ভেতর তৃষ্ণা কাজ করে এবং তাদের ধুলার প্রতিফলিত ধর্ম কাজ করে)। তথাপি ২০০৫ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কেসিং স্বীকার করেন, এ সবকিছু্ই ছিল একটি মিথ্যাচার যা কিনা একটি টিভি স্টুডিওতে ধারণ করা হয়েছিল। ১৯৯৪ সালে উইয়ার্ডকে তিনি বলেন, এটি খুবই তথ্যসমৃদ্ধ কাজ ছিল যে নাসা প্রায়শই এটিকে খারাপভাবে পরিচালনা করতো এবং তাদের নিয়ন্ত্রণের গুণগত মানও খারাপ ছিল। কিন্তু ১৯৬৯ সালে আমরা কীভাবে হঠাৎ করেই একটি বলিষ্ঠ কাজে অংশগ্রহণ করতে সমর্থ হলাম? তাও পরিপূর্ণ সফলতার সঙ্গে? এটা অবশ্যই সমস্ত পরিসংখ্যানে অস্বাভাবিকতার বিপরীত।

অবশ্য তিনি এই একটা ব্যাপারে যথাযথ ছিলেন, যখন সোভিয়েতরা ১ অক্টোবরে তাদের স্পুটনিক মহাকাশ উন্মোচন করলো (একমাস পর এটি স্পুটনিক ২-কে অনুসরণ করে, যা লাইকা নামের কুকুরটিকে বহন করেছিল), তখন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ ব্যবস্থার অস্তিত্বই ছিল না। নাসার জন্ম ১৯৫৮ সালে এবং তা অ্যালান শেফার্ডকে মহাশূন্যে নিতে সক্ষম হয় ১৯৬১ সালের মে মাসে। কিন্তু যখন জন এফ কেনেডি ঘোষণা করলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই এ দশক শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই আপাতত একটি মানুষকে চাঁদে পাঠানো এবং সুস্থভাবে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সক্ষম হতে হবে। তখন এ ঘোষণাটি অনেক বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী মনে হলো।

ষাটের দশকের মাঝামাঝি মার্কিন রাষ্ট্রীয় বাজেটের ৪ শতাংশের বেশি বরাদ্দ ভোগ করছে নাসা। তবে তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন সবকিছু প্রথমেই অর্জন করে ফেলছিলো। যেমন মহাশূন্যে প্রথম নারী ভ্রমণ (১৯৬৩), প্রথম অতিরিক্ত যানবাহন সম্পর্কিত কার্যক্রম, যেমন স্পেস ওয়াক (১৯৬৫)। তখন মার্কিনিরা তাদের লাঞ্চপ্যাডে অগ্নিকাণ্ড অ্যাপোলো-১ এর তিনজন নভোচারীর মৃত্যুর হয়। ফলে রাশিয়ার উন্নতিতে নিজেদের অবনতি অনেক ভালোভাবে উপলব্ধি করছিল যুক্তরাষ্ট্র।

গডউইন বলেন, আপনি যদি কখনও লন্ডনের বিখ্যাত জাদুঘরে যান, জানতে পারবেন লুনার মডিউল বিশেষত তৈরি করা হয়েছিল টিন ফয়েল দিয়ে। অ্যাপোলো-৮ চাঁদের কক্ষপথে পরিভ্রমণ করেছে ১৯৬৮ সালে। কিন্তু আর্মস্ট্রংয়ের ভাষ্যমতে সঠিক কোর্স নির্ধারণ করা এবং চাঁদে অবতরণ করা ছিল এই অভিযানের সবচেয়ে কষ্টকর অংশ। তিনি আরও বলেন, চন্দ্রপৃষ্ঠে হাঁটা ছিল আরও ১০টি কষ্টকর কাজের মধ্যে একটি (যদিও তার পায়ে যেই টিভি ক্যাবল জড়ানো ছিল, সেটা নিয়ে হাঁটাটা একটু কঠিন), কিন্তু আমি মনে করি চাঁদে অবতরণ করা সমস্যার সংখ্যার দিক থেকে ১৩তম।

অর্ধশতাব্দী ধরে ‘মিথ্যাচারের’ ব্যাপারে নাসায় কর্মকরত একজন কর্মীর মুখ থেকেও একটি ‘সত্য’ বের করতে সক্ষম হওয়া যায়নি। একটি মিথ্যাকে পুরো দুনিয়ার কাছে টিকিয়ে রাখা নাসার পক্ষে তাই অনেক কঠিন। ফলে চন্দ্রাভিযানের ধাপ্পাবাজির ধারণাটি শেষ পর্যন্ত ধোপে টেকেনি। আপনাকে এটাও ভাবতে হবে, ১৯৬৯ সালে নাসাতে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল, সেখানে ২০১৯ সালের স্পেশাল ইফেক্ট সমৃদ্ধ প্রযুক্তি মানুষের আওতাধীন ছিল এবং প্রায় ৬০ কোটি টিভি দর্শকদের মধ্যে কেউ এ ব্যাপারে কোনও খটকা অনুভব করেননি। স্ট্যানলি কুবরিক্স-এর ‘২০০১ অ্যা স্পেস অডিসি (১৯৬৪)’ সিনেমাটি একটি উৎকৃষ্ট প্রমাণ যে তখন হলিউড স্পেশাল ইফেক্টের গুণগত মান কেমন ছিল। সেই সময়ের সিনেমার প্রযুক্তি বিবেচনা করলে চাঁদের অভিযানের সম্প্রচার চূড়ান্তভাবে অনির্ভরযোগ্য ছিল। প্রকৃতপক্ষে এটি সঠিক একটি লোকেশনেও সিনেমা করার জন্য অদক্ষ ছিল।

১৯৮৮ সালে রবিবারে খেলার পত্রিকার প্রথম পাতায় ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার দুজন বোমারুকে চাঁদে পাওয়া গিয়েছে’ এই শিরোনামে ছাপানো ঘটনাকে পাশ কাটিয়ে গেলেও ২০০১ সালে চাঁদ নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব আবার জনমনে উৎসাহ তৈরি করে। সে বছর ফক্স নিউজ ‘আমরা কি সত্যিই চাঁদে অবতরণ করেছিলাম’ নামক একটি ডকুমেন্ট প্রচার করে, যার পরিচালক ছিলেন ‘দ্য এক্স ফাইলস’-এর অভিনেতা মিচ পিলেগ্গি।  অনুষ্ঠানটিতে কেসিংয়ের দেওয়া তথ্যগুলোকে নতুন দর্শকদের কাছে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়। সে সময় নাসায় কাজ করা লওনিয়াস জানান, তিনি সবার সান্ত্বনার পরিবর্তে তাদের প্রতি শুধু বিদ্রূপটাই বেশি স্মরণ করতে পারে। তিনি বলেন, অনেক বছর পর্যন্ত তারা এসব বিষয়ের প্রতি কোনও সাড়া দেওয়া থেকে নিজেদের বিরত রেখেছেন। তারা এর প্রত্যুত্তর দেওয়ার তেমন কোনও প্রয়োজন মনে করেননি। কিন্তু যখন ফক্স নিউজ সেই তথাকথিত প্রামাণ্যচিত্রটি সম্প্রচার করলো, বিষয়টি সত্যিই তার সীমানা অতিক্রম করে। তখন তারা বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন-উত্তরের সম্মুখীন হতে শুরু করে।

লওনিয়াস বলেন, সে সময় বেশিরভাগ ফোন সন্দেহকারীর কাছে থেকে নয় বরং পিতামাতা ও শিক্ষকদের কাছ থেকে আসতে থাকে। সবাই বলাবলি করতে লাগলো ‘আমার বাচ্চা এটা দেখেছে, আমি তাকে কীভাবে উত্তর দেবো।’ পরিস্থিতি সামাল দিতে নাসা একটি ওয়েবপেজ তৈরি করে কিছু কিছু বিষয় সম্পর্কে জানিয়ে শিক্ষকদের তথ্য পাঠানো শুরু করলো।

ফক্স নিউজের ওই প্রামাণ্যচিত্রের সবচেয়ে মারাত্মক বিষয় ছিল একটি পরিসংখ্যান। সেখানে দাবি করা হয়, মার্কিনিদের মধ্যে ২০ শতাংশ বিশ্বাস করে, চাঁদে যাওয়ার ব্যাপারটি একটি ধাপ্পাবজি ছিল। লওনিয়াস বলেন, প্রকৃতপক্ষে এই ভোটের ফলাফল ৪-৫ শতাংশের ভেতর হওয়া উচিত ছিল।  কিন্তু ভোটের প্রশ্নগুলোকে অতিরঞ্জিত করার মাধ্যমে মানুষের চোখকে ফাঁকি দিয়ে আকর্ষণীয় ফল অর্জন করা অনেকটাই সহজ ব্যাপার। প্রতিটা সময় যখন এ ব্যাপারে কোনও আলোচনা, এমনকি সিনেমার সাধারণ একটা সংলাপও বিষয়টাকে ইন্ধন জোগায়। তিনি এই ব্যাপারে নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলানের ‘ইন্টারস্টেলার’ নামক একটি চলচ্চিত্রের এক দৃশ্যের বর্ণনা করেন। যেখানে একজন স্কুলশিক্ষক ম্যাথিউ এক চরিত্রকে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধে জেতার জন্য জানান, চাঁদে অবতরণ করা একটি মিথ্যা। এটা শুধুমাত্র সিনেমার প্রয়োজনে তৈরি করা একটি দৃশ্য ছিল। কিন্তু এই ছোট ব্যাপারটি পুরো বিষয়টাকে নিয়ে বড় ধরনের সাড়া ফেলে দেয়।

‘দ্য মুন- অ্যা হিস্ট্রি ফর দ্য ফিউচার’ বইয়ের লেখক অলিভার মর্টন বিশ্বাস করেন, চাঁদে যাওয়া নিয়ে ষড়যন্ত্র করার ব্যাপারে অধ্যবসায় মোটেও অবাক করার কিছু নয়। যেখানে অনেক ধরনের প্রমাণ রয়েছে (যেমন অ্যাপোলো-১১), সেখানে অসম্ভব নামক ঘটনার ব্যাখ্যা এবং যে ঘটনার শূন্য প্রমাণ আছে, সেখানে বিশ্বাসযোগ্য ঘটনার বর্ণনা করে কিছু মানুষ জবাব চাইবেই। অ্যাপোলোর উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে দেখানো যে বিভিন্ন বড় কাজ করার ক্ষেত্রে মার্কিন সরকার কতটা ক্ষমতাধর। আর চাঁদ নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে বোঝানো যে যুক্তরাষ্ট্র সরকার মানুষকে বোকা বানিয়ে রেখে যা সত্য না তা বিশ্বাস করানোর ক্ষেত্রে ততটুকু ক্ষমতাসম্পন্ন। তবে ধাপ্পাবাজির গল্প তখনই সত্য হতো, যদি অ্যাপোলেকে কখনোই কোথাও না পাঠানো হতো। ১৯৭২ সালের পরও তার আর কোনও অভিযান ছিল না। তিনি আরও বলেন,  যখন মার্কিনিদের মন আবার ১৯৭০-এর ‘মস্তিষ্ক বিকৃতি’তে রূপান্তরিত হয়, তবেই এই বিষয়ে বিশ্বাস করা বেশি আনন্দদায়ক হবে।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই দোষের একটু ভাগ জেমস বন্ডকেও দিতে হবে। ‘ডায়মন্ড আর ফরেভার (১৯৭১)’ সিনেমাতে সিনকানারি ল্যাস ভেগাস ক্যাসিনোর পথে যাওয়ার সময় নাসার একটি ভবনে ঢুকে পড়ে। সেখানে পুরো সিনেমায় চাঁদের মধ্যে পৃথিবী অভিমুখী নভোচারীদের ছোটাছুটি দেখানো হয়েছে। কিন্তু এখানে এটা শুধু দৃশ্যত রসিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং নেভাদা মরুভূমির চারপাশে চাঁদের পোকার মতো ঘোরাঘুরির ঘটনাটি সত্যতা প্রদানের একটি পথ তৈরি করে। পরে ১৯৭৮ সালে পিটার হাইমে’র কেসিংয়ীয় ষড়যন্ত্র নিয়ে থ্রিলার ক্যাপ্রিকর্ন ওয়ান (১৯৭৮) সিনেমা নির্মাণ করেন। এর  মূল প্রতিপাদ্য ছিল, সরকার সবাইকে বোকা বানাচ্ছে। তখনই বিষয়টি আর হাসি তামাশার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। সিনেমার থিম ছিল মঙ্গলে অভিযান নিয়ে যে মিশনটা সাফল্য লাভ করে। বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য এবং সত্য গোপন রাখার জন্য কর্তৃপক্ষ সেই মিশনের নভোচারীদের হত্যা করা শুরু করে। যার মধ্যে একটি চরিত্রে অভিনয় করেন ও জে সিম্পসন।  সেই ‘পোস্ট ওয়াটারগেট স্ক্যান্ডাল’ যুগে সরকার এমন বড় মাপের একটি মিথ্যাচার করতে পারে এই ধারণা একটি বিশ্বাসযোগ্য বিষয়ে পরিণত হয়।

গডউইন বলেন, অ্যাপোলো ষাটের দশকে আশাবাদ এবং সত্তরের দশকে হতাশাবাদের ক্ষেত্রে একটি চূড়ান্ত ভূমিকা রেখেছিল। তখন আমরা একটি মানুষকে চাঁদে রেখে আসতে পারি। তো এখনও আমরা কেনও অলৌকিক কিছু করতে পারি না। এই প্রবাদটি একটি সাধারণ প্রশ্ন হয়ে ওঠে। মর্টনের ভাষ্যমতে, অবশ্যই সরকার অনেক অসাধারণ কিছু লক্ষ্য স্থির করতে পারে এবং সেটা পূরণ করার জন্য যা কিছু করার প্রয়োজন, করতে পারে। কিন্তু তার মানে এই নয়, তারা ভিয়েতনামের সঙ্গে যুদ্ধ জয়, অভ্যন্তরীণ শহরকে পরিচ্ছন্ন করা, ক্যানসারের প্রতিকার কিংবা এসব কিছুই যা মার্কিনিরা আসলেই সবচেয়ে বেশি চেয়েছিল তা পূরণ করতে পারবে। সরকার আসলে যেরকম ক্ষমতাধর হিসেবে নিজেকে দেখাতে চায়, আসলে তারা এতটা ক্ষমতাবান নয়। এই ধারণাটি তখন সবকিছুতে চরমভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা চলছিল। যেটা চন্দ্র ষড়যন্ত্রের বিষয়টিকে একটু মনোযোগ দিয়ে পর্যালোচনা করলে বোঝা যায়।

চন্দ্র ষড়যন্ত্র মূলত কোন কোন বিষয় নিয়ে করা হয়েছে তা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করার চেয়ে বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করা হয়েছে কোন কোন বিষয় তখন করা হয়নি তার ওপর। অ্যাপেলো, মার্স, জেমিনি এবং অ্যাটলাস মিশনের সবই কি মিথ্যা ছিল, নাকি লাইকা অথবা ইউরি গ্যাগারিন আসলেই কখনো মহাশূন্যে ভ্রমণ করেছিল। এবং কুবকিক কী ভূমিকা পালন করেছে, এ মতবাদগুলো নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে বিভেদ রয়েছে। কিন্তু যখন চন্দ্রষড়যন্ত্রকারীদের প্রথম প্রজন্ম রাগের মাধ্যমে আবেগতাড়িত ছিল, তখনকার সময় বিষয়টি একঘেয়েমি লাগার চেয়ে আরও কিছু বিষয় ছিল। তখন ষড়যন্ত্র এবং বিনোদনের মধ্যকার তফাৎ অনেক বেশি ঝাপসা ছিল।

তারপরও চন্দ্র ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার মানুষদের যন্ত্রণায় বিরক্ত হয়ে বাজ অলড্রিন ২০০২ সালে বার্ট সিব্রল নামক এক ষড়যন্ত্রকারীকে ঘুষি মারেন। যদিও একদিক থেকে বিবেচনা করলে এই ষড়যন্ত্রটা গণহত্যা ও ভ্যাকসিন ভয়াবহ তথ্যের তুলনায় নিরীহ। মর্টন নোট করেন, এটি অনেক অল্প ষড়যন্ত্রের মধ্যে একটা, যা ইহুদিবিদ্বেষ দ্বারা সংক্রমিত না। এমনকি এটি ডেনাল্ড ট্রাম্প যিনি কি না সংবাদমাধ্যমে বিনোদনের বিরাট এক উৎস, তার সঙ্গেও জড়িত নয়। এ বিষয়ে আধুনিক ইন্টারনেটের প্রগতিশীলতাও স্পষ্টত কোনও সাহায্য করতে পারেনি। খেয়াল করলেই দেখা যাবে, ইউটিউবে অ্যাপোলোর ভিডিওগুলো এবং বড় বড় চন্দ্র ষড়যন্ত্রের আগের ভিডিওগুলো অটোপ্লের সারিতে একসঙ্গে দেখা যাবে। কিন্তু এখানে ছোট একটি প্রমাণ আছে, রুশ এজেন্টরা চাঁদ ষড়যন্ত্র এই ভুল তথ্য সরিয়ে দিয়েছে। যেমনটি তারা আগেও করেছিল। উদাহরণস্বরূপ টিকাদানবিরোধী প্রচারণা। আপনি যদি এ ব্যাপারে একটু গভীরভাবে চিন্তা করেন, আপনি এসব করার পেছনে তাদের যুক্তিযুক্ত অনেক কারণ পাবেন। তথ্য নিয়ে যুদ্ধ এবং নীরব যুদ্ধের মধ্যে তাদের সম্মান আবার পুনরুদ্ধার করার একটি পরিষ্কার পদ্ধতি।

আবার সেই সেময় সোভিয়েত ইউনিয়নও আমেরিকানদের কিছু উন্মোচন করার জন্য সুযোগ খুঁজছিল। রুশ মহাকাশচারী অ্যালেক্সিও লিওনোভ সম্প্রতি স্মরণ করেন, ‘আমরা তখন সোভিয়েত সামরিক ঘাঁটি-৩২১০৩ ছিলাম।’ তিনি আরও জানান, আমি ঈশ্বরের দিব্যি খেয়ে বলছি, আমরা তখন খুবই উদ্বেগের সঙ্গে ওই মুহূর্তের অপেক্ষা করছিলাম। আমরা আশাবাদী ছিলাম, তারা আমাদের স্বপ্ন সত্য করতে পারবে। আমরাও চাচ্ছিলাম এটা হোক। সে সময় বোর্ডে যে মানুষগুলো ছিলেন, আমরা তাদের চিনতাম এবং তারাও আমাদের চিনতো।

লওনিয়াস আক্ষেপ করে বলেন, ষড়যন্ত্র তত্ত্বের পেছনে বর্তমান শক্তি হলো, জিনিসগুলো সময়ের সঙ্গে দূরে সরে যায় এবং সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যায়। এই জিনিসগুলো আমরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং গণহত্যার সময় অনুভব করেছি। এই ঘটনায় অনেক প্রত্যক্ষদর্শী থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু মানুষ এসব ঘটনাকে সহজেই অস্বীকার করে। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে রূপকথা জন্ম, নেয় এবং এককালে তা প্রভাবশালী তত্ত্ব হিসেবে স্থান নেয়।

সম্ভবত বিশ্বাস করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কষ্টকর হলো, মানুষ এমন কিছু একটা অতিক্রম করেছে, এমন কিছু একটা অর্জন করেছে, যা নিক্সনের মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট কিছু বের করে আনতে পেরেছিল। কারণ তিনি অলড্রিন ও আর্মস্ট্রংয়ের সঙ্গে এক ফোনালাপে তাদের বলছিলেন, ‘আপনারা যা কিছু করেছেন, তার মাধ্যমে পুরো পৃথিবী এক হয়ে গেছে। আপনারা চাঁদের মধ্যকার প্রশান্তির সমুদ্র থেকে আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন, এটা আমাদের এই পৃথিবীর মধ্যে প্রশান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের উৎসাহ দ্বিগুণ করেছে।

আমাদের প্রতি আমাদের নিজেদের বিশ্বাসই এখন কমতে শুরু করেছে। বেশিরভাগ ষড়যন্ত্রকারীই সম্পূর্ণ বিষয়টিকে এখন একটি পরিহাসের বিষয়ে পরিণত করেছেন। সম্ভবত যদি নাসা আবার ২০২৪-এর দিকে ট্রাম্পের খেয়ালমতে চাঁদে আবার ফেরত যায়, এটা তখন মঙ্গলের ষড়যন্ত্রের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে যাবে।

তথাপি আপনার এই ষড়যন্ত্রকারীদের অধ্যবসায় ও মতামতগুলোকে অ্যাপোলো বিজ্ঞানীদের মতামত হিসেবে খুঁজে পেতে পারেন। মর্টনের ভাষ্যমতে, একদিক থেকে চাঁদ নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা অন্যান্য মানুষের তুলনায় অ্যাপোলো মিশন নিয়ে অনেক বেশি গুরুত্বসহকারে আলোচনা করেন। সত্যি বলতে চাঁদে অবতরণ আসলে পৃথিবীর মানুষের জীবনযাত্রায় কোনও পরিবর্তন আনেনি। অন্তত এখন পর্যন্ত নয়।

এই প্রবন্ধটি ১০ এবং ১১ জুলাই ২০১৯-এ সংশোধন করা হয়েছে। এর প্রথম সংস্করণে বলা হয়েছিল, নাসার অ্যালান শেফার্ডকে ১৯৬১ সালের মে মাসে উন্মুক্ত করেছিল। যাই হোক, অভিযানটি আংশিক কক্ষপথের। উপরন্তু নাসা ১৯৬৩ সালে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেটের ৪ শতাংশেরও বেশি ভোগ করেছিল, পুরো দেশের জিডিপির ৪ শতাংশের বেশি নয়। যেমনটি আগের লেখাতে বলা হয়েছিল। এই তথ্যগুলো সংশোধিত হয়।

বিস্তারিত খবর

টিকটকের নেপথ্যের ঘটনা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৭-১৬ ১৪:৪৭:৪৫

বর্তমান সময়ে তরুণদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপগুলোর মধ্যে একটি হলো, ছোট আকারের ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ‘টিকটক’। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্ল্যাটফর্মে একশ কোটি বার ডাউনলোডের মাইলফলক পেরিয়েছে টিকটক এবং এর জনপ্রিয়তা ও প্রভাব বেড়েই চলেছে। অ্যাপটি মাত্র কয়েকবছর আগে এসেছে জনপ্রিয় এই অ্যাপটির নেপথ্যের ঘটনা এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো।

চীনের খ্যাতনামা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন অ্যাপ টিকটক। ২০১২ সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন বর্তমানে ৩৫ বছর বয়সি ঝাং ইমি। বাইটড্যান্স প্রতিষ্ঠার আগে তিনি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। ঝাং তার কোম্পানি শুরু করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির একটি নিউজ এগ্রিগেটর অ্যাপ নির্মাণের মাধ্যমে, যা চীনের সার্চ ইঞ্জিন বাইদু থেকে ভিন্নতর।

২০১২ সালে নিউজ অ্যাপের পাশাপাশি চীনের আরো বেশ কিছু জনপ্রিয় অ্যাপের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাতি পায় বাইটড্যান্স। ওই বছরই প্রতিষ্ঠানটি উইচ্যাটের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বাজারে নিয়ে আসে ‘ফ্লিপচ্যাট’ অ্যাপ এবং ‘ডুওসান’ নামে একটি ভিডিও মেসেজিং অ্যাপ। বাইটড্যান্স বর্তমানে ৭৫ বিলিয়ন ডলারের মালিক। এই সম্পদ প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে।

২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে বাইটড্যান্স চীনে চালু করে শর্ট-ভিডিও অ্যাপ ‘ডুয়িন’। ছোট আকারের ভিডিও তৈরির অ্যাপ চীনের বাজারে নতুন কিছু নয়। কিন্তু আকর্ষণীয় ফিচারের কারণে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায় ডুয়িন। মাত্র এক বছরের মধ্যে অ্যাপটি দশ কোটি ব্যবহারকারী এবং প্রতিদিন একশ কোটি ভিডিও ভিউয়ের মাইলফলক অর্জন করে।

এক বছর পরে, ডুয়িন অ্যাপটি চীনের বাইরে নির্দিষ্ট কিছু আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন নাম ‘টিকটক’ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এবং এই ভিডিও প্ল্যাটফর্মটি থাইল্যান্ড, জাপান এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোয় শীর্ষ জনপ্রিয় অ্যাপের তালিকায় খুব দ্রুত চলে আসে। কিন্তু টিকটক যখন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে শুরু করে, সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি অ্যাপ ‘মিউজিক্যাল ডট লি’ ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। মিউজিক্যাল ডট লি (‘মিউজিক্যালি’ নামেও পরিচিত) অ্যাপে ঠোঁট মিলিয়ে ১৫ সেকেন্ডের মজার মিউজিক ভিডিও তৈরি করা যায়।

মিউজিক্যালি অ্যাপটি ২০১৪ সালে তৈরি করেন অ্যালেক্স ঝু এবং লুইস ইয়াং। এটি মূলত ছোট আকারের শিক্ষামূলক ভিডিও তৈরির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ঝু বলেন, ‘এই ভিডিওটি প্ল্যাটফর্মের প্রকৃত ধারণা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।’ এটি মজার ভিডিও তৈরির প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠে। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপ স্টোরে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোডের অ্যাপ হিসেবে ১ নম্বর অবস্থানে জায়গা করে নেয় মিউজিক্যালি এবং এই শীর্ষ তালিকা থেকে অ্যাপটিকে আর টলানো যায়নি। জ্যাকব সার্টোরিয়াসের মতো নতুন প্রজন্মের অনেক সংগীত তারকার সৃষ্টি হয় মিউজিক্যালি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। 

২০১৬ সালের অক্টোবরে ছোট আকারের ভিডিও তৈরির জনপ্রিয় একটি অ্যাপ ‘ভাইন’ বন্ধ হয়ে যায়। ভাইন এর মাধ্যমে খ্যাতি পাওয়া সোশ্যাল মিডিয়ার অনেক তরুণ তারকা তাদের মিউজিক প্রতিভা চালিয়ে নেয়ার জন্য চলে আসেন মিউজিক্যালি অ্যাপে।

২০১৭ সালের নভেম্বরে প্রতিদ্বন্দ্বী মিউজিক্যালি অ্যাপটিকে ১০০ কোটি ডলারের বিনিময়ে কিনে নেয় বাইটড্যান্স। চীনের এই কোম্পানিটি তাদের ছোট আকারের ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ‘মিউজিক্যালি’ এবং ‘টিকটক’- দুটি আলাদা আলাদা অ্যাপ হিসেবে পরিচালনা করতে থাকে।  তবে, এক বছরের কম সময়ের মধ্যে ২০১৮ সালের আগস্টে বাইটড্যান্স এক ঘোষণায় জানায়, মিউজিক্যালি অ্যাপটি বন্ধ করে দেয়া হবে। এরপর অ্যাপটির কার্যক্রম টিকটকের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। মিউজিক্যালি অ্যাপের সকল ব্যবহারকারীদের প্রোফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে যায় টিকটক। মিউজিক্যালি এবং টিকটক অ্যাপ একত্রিত হয়ে ‘টিকটক’ নামে যাত্রা শুরু করে।

টিকটকের জনপ্রিয়তার কারণে বেশ কয়েকজন ব্যবহারকারীর বর্তমানে আন্তর্জাতিক তারকাদের সমতুল্য খ্যাতি রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ লিন নাস এক্সের কথা বলা যেতে পারে। তার ‘ওল্ড টাউন রোড’ গানটি টিকটকের কারণে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়, অগণিত ভিডিও এবং ‘মেমে’তে এটি ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে টিকটকের সবচেয়ে জনপ্রিয় তারকা হচ্ছেন ১৭ বছর বয়সি লরেন গ্রে। প্রথমে তিনি মিউজিক্যালিতে অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। বর্তমানে টিকটকে লরেন গ্রের ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি।

টিকটক যেমন জনপ্রিয় তেমনি বিতর্কিত। অ্যাপটির মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি ও অপসংস্কৃতি ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে।

 

বিস্তারিত খবর

লাইভ নিয়ন্ত্রণ করতে যাচ্ছে ফেসবুক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৪-১৬ ১৫:৪৭:৩৮

কোনো সরকার পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ফেসবুক নিজেই লাইভ স্ট্রিমিং বা সরাসরি ভিডিও প্রচারের ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে যাচ্ছে।

সিডনি মর্নিং হেরাল্ড এর প্রতিবেদন মতে, গত মাসে নিউজিল্যান্ডের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষিতে ফেসবুক কিছু পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে এর নীতিমালায়। যেসব ফেসবুক ইউজার ঘৃণা প্রচারের ক্ষেত্রে ফেসবুকের নিয়ম ভঙ্গ করেছে তাদেরকে চিরদিনের জন্য লাইভ ভিডিও প্রচারের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ করা হবে। ফলে যারা ফেসবুককে ব্যবহার করে চরমপন্থী সহিংসতা উস্কে দিতে চায় তারা আর ফেসবুক লাইভে আসতে পারবে না।

সরাসরি খুনের ঘটনার ভিডিও প্রচার বন্ধে ফেসবুকের সঙ্গে চলতি মাসের শেষের দিকে আলোচনায় বসার কথা রয়েছে সরকারের। তার আগেই ফেসবুক এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে।

অস্ট্রেলিয়া সরকার এই বিষয়ে সামাজিক গণমাধ্যমগুলোকে জরিমানার বিধান রেখে একটি আইন করেছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার গুগল এবং টুইটারের সঙ্গেও এ বিষয়ে কাজ করার পরিকল্পনা করছে। চরমপন্থা উস্কে দিতে পারে এমন কোনো কন্টেন্ট ভাইরাল হওয়ার আগেই সেগুলো আটকে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ওদিকে, নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে সোমবার দেশটির আদালতে ৬ জনকে বিচারের কাটগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে।

এই অপরাধে আদালত তাদেরকে সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারে।

বিস্তারিত খবর

দুই ঘণ্টা বিভ্রাটের পর চালু ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৪-১৪ ১৪:১২:৩৭

বিশ্বজুড়ে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ দুই ঘণ্টা বিভ্রাটের পর আবার চালু হয়েছে। রোববার বিকেল ৫টা থেকে এই সমস্যা শুরু হয়। সমস্যাটি জানানোর জন্য অনেকেই টুইটারের আশ্রয় নিয়েছেন। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এই সমস্যা চলে। সোয়া ৭টার দিকে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশ করতে সক্ষম হন গ্রাহকরা।

এর আগে প্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ভার্জ জানায়, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে কোনোভাবেই প্রবেশ করা যাচ্ছে না। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপও ঠিকভাবে কাজ করছে না।

গত মাসেও এমন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিল ফেসবুক। তখনকার ওই বিভ্রাট ছিল ফেসবুক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিভ্রাট। কারিগরি ত্রুটির কারণে ওই সময় বেশ কয়েক ঘণ্টা ফেসবুক বন্ধ ছিল।

এবার কেন বিভ্রাট দেখা দিয়েছে তার সঠিক কারণ জানা যায়নি। ফেসবুক কর্তৃপক্ষও এখন পর্যন্ত কিছু জানায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আগের মতো কারিগরি ত্রুটির কারণেই এমনটি হতে পারে।

এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জাকারবার্গের বেতন ১ ডলার, নিরাপত্তা খরচ ২২.৬ মিলিয়ন ডলার

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৪-১৩ ১৫:১৯:২৭

ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের নিরাপত্তায় ব্যয়কৃত অর্থের পরিমাণ গত বছর দ্বিগুণ করা হয় বলে জানা গেছে একটি নথি থেকে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ২০১৮ সালে তার নিরাপত্তার জন্য ব্যয় করা হয় ২২.৬ মিলিয়ন ডলার বা ১৯১ কোটি টাকা।

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গের মূল বেতন গত তিন বছর ধরে এক ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় কমবেশি ৮০ টাকা। কিন্তু তাকে আনুষঙ্গিক সুবিধাদি প্রদান করা হয় ২২.৬ মিলিয়ন ডলারের। এর বেশিরভাগই খরচ হয় তার নিরাপত্তার জন্য।

২০১৭ সালে জাকারবার্গ ও তার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য ব্যয় করা হয়েছিল নয় মিলিয়ন ডলার (৭৬ কোটি টাকা)। গত বছর এই খরচ দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে দেয়া হয়। ২.৬ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে তাকে নতুন একটি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজও দেয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই উড়োজাহাজটি জাকারবার্গকে দেয়া হয়েছে তার সামগ্রিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে।

২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপে বিতর্কিত ভূমিকা পালন করায় গত কয়েক বছর ধরে তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হচ্ছে ফেসবুক। এছাড়াও কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা ফেসবুকের কাছ থেকে কোটি কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে একথা ফাঁস হওয়ায় ব্যাপক সমালোচিত হয় সামাজিক মাধ্যমটি।

গত বছর ফেসবুকের চিফ অপারেটিং অফিসার শেরিল স্যান্ডবার্গ ঘরে নিয়ে গেছেন ২৩.৭ মিলিয়ন ডলার বা ২০০ কোটি টাকা।

ফেসবুকের পরিচালনার দায়িত্বে থাকা পরিষদে কয়েকটি রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় রয়টার্স।

গত শুক্রবার দিন শেষে ফেসবুক শেয়ারের দাম ছিল ১৭৯.০৭ ডলার।

এলএবাংলাটাইমস/আইটি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাজারে এলো ফাইভ-জি ফোন, দুশ্চিন্তায় যুক্তরাষ্ট্র

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৪-০৫ ১২:৩৫:২৮

প্রথমবারের মতো বাজারে এতো ফাইভ-জি ফোন। দক্ষিণ কোরিয়ার ইলেকট্রনিকস সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং  বিশ্বের প্রথম ফাইভ–জি প্রযুক্তি সমর্থিত মোবাইল উন্মোচন করেছে শুক্রবার । এই ফোনের নাম হলো—গ্যালাক্সি এস১০ ৫জি। এটিই বিশ্বের প্রথম মোবাইল, যাতে বিল্ট ইন ফাইভ–জি প্রযুক্তি রয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, গত বুধবার বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে ফাইভ–জি প্রযুক্তি সেবা সরবরাহ শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটিতে তিনটি কোম্পানি ব্যবহারকারীদের এত দ্রুতগতির ইন্টারনেট–সেবা দিচ্ছে যে পুরো একটি সিনেমা ডাউনলোড করতে এক সেকেন্ডেরও কম সময় লাগছে!

অবশ্য দক্ষিণ কোরিয়ায় চালুর কয়েক ঘণ্টা পরই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় টেলিকম প্রতিষ্ঠান ভেরাইজন শিকাগোসহ দুটি শহরে বাণিজ্যিকভাবে ফাইভ–জি সেবা দেওয়া শুরু করে। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে ১২টি শহরে বাছাইকৃত কিছু ব্যবহারকারীদের জন্য ফাইভ–জি সেবা উন্মুক্ত করেছিল ভেরাইজনের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি এটিঅ্যান্ডটি।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, আজ শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার তিনটি মোবাইল কোম্পানি এসকে টেলিকম, কেটি ও এলজি ইউপ্লাস পুরো সিউলজুড়ে নতুন ফাইভ–জি ফোন গ্যালাক্সি এস১০ ৫জি-এর প্রচারণা চালায়।

ফাইভ–জি প্রযুক্তি সমর্থন করা এই ফোনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি (কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে দেখা, শোনা, ছোঁয়া ও ঘ্রাণ নেওয়ার মতো সংবেদনশীল অভিজ্ঞতা) ডিসপ্লে ও ইন্টারনেটের দ্রুতগতি। বিশেষ করে সরাসরি সম্প্রচারিত খেলা দেখা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন এই ফোনের কার্যকারিতা নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ব্যবহারকারীরা।

৩৮ বছর বয়সী একজন ক্রেতা শিম জি-হাই বলেছেন, ‘আমি প্রায়ই মোবাইলে ভিডিও, সিনেমা ও লেকচার শুনে থাকি। আশা করছি দ্রুতগতির এই নেটওয়ার্ক আমার সময় বাঁচাতে সাহায্য করবে।’ আরেক ব্যবহারকারী বলছেন, তিনি এই ফোনটির ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) কনটেন্ট নিয়েই বেশি রোমাঞ্চিত।

ফাইভ–জি প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু নিয়ে গবেষক লি সাং-ইউন এএফপিকে বলেছেন, ‘ফাইভ–জি আসায় এখন ভিআর কনটেন্ট আরও বাস্তবভাবে, দ্রুত সময়ে ও ভালো রেজল্যুশনে উপভোগ করা যাবে।’

স্যামসাংয়ের আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী এলজি এ মাসেই তাদের ফাইভ–জি প্রযুক্তিসম্পন্ন ফোন ‘ভি৫০ থিংকিউ’ বাজারে আনতে চলেছে। লন্ডনভিত্তিক সংস্থা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস বলছে, ফাইভ–জি আসায় ২০৩৪ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতির লাভের খাতায় যুক্ত হতে পারে প্রায় ৫৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় ফাইভ–জি আসার পর কিছুটা দুশ্চিন্তায় পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। চীননিয়ন্ত্রিত টেলিকম কোম্পানি হুয়াওয়ের ফাইভ–জি সলিউশনকে বর্জন করার জন্য বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করছে দেশটি। অবশ্য দক্ষিণ কোরিয়ায় যে তিনটি কোম্পানি ফাইভ–জি সেবা দেওয়া শুরু করেছে, তাদের মধ্যে দুটি কোম্পানি তাদের ফাইভ–জি নেটওয়ার্কে হুয়াওয়ের প্রযুক্তি ব্যবহার করে না। কিন্তু এলজি ইউপ্লাস কোম্পানিটি তাদের ফাইভ–জি নেটওয়ার্কে হুয়াওয়ের প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে।


এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিশ্বের প্রথম ফাইভ-জি চালু হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায়

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৪-০৩ ১৫:৩১:৫৫

বিশ্বে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম ফাইভ-জি চালু করছে দক্ষিণ কোরিয়া। যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, চীনসহ অন্য দেশগুলোকে পেছনে ফেলে চলতি সপ্তাহেই এই সেবা চালু করতে যাচ্ছে দেশটি।

প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম টেক রাডার জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার এসকে টেলিকম শুক্রবার প্রথমবারের মতো এই প্রযুক্তিটি চালু করবে। এক্ষেত্রে ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করা হবে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস-টেন। বলা হচ্ছে, এতে সর্বোচ্চ গতি পাওয়া যাবে এবং এটি হবে সবচেয়ে সুরক্ষিত ফাইভ-জি প্রযুক্তি।

দক্ষিণ কোরিয়ার এই এসকে টেলিকম দেশটির অন্যতম বড় একটি প্রতিষ্ঠান। এর ফাইভ-জি সমর্থিত ৩৪ হাজার বেজ স্টেশন রয়েছে যেগুলোর সাহায্যে সহজেই ৮৫টি শহরে সেবা দিতে পারবে।

এছাড়া শপিং মল, বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন জায়গায় ফাইভ-জি সেবা দেয়া যায় এমনভাবে সবকিছু তৈরি করা হচ্ছে। এতে অন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ছাপিয়ে ফাইভ-জি প্রযুক্তিতে অনেকটাই এগিয়ে যাবে এসকে।

চালু হতে যাওয়া এই প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চালানো যাবে এবং প্রতিটি শহর হয়ে উঠবে স্মার্ট-সিটি। এসময় ফোর-জি এবং ফাইভ-জি এর সমন্বয়ে ইন্টারনেটের গতি হবে প্রতি সেকেন্ডে ২ দশমিক ৭ গিগাবাইট।

এলএবাংলাটাইমস/আইটি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মেসেঞ্জারে মেসেজ পাঠানোর পরও ডিলিট করবেন যেভাবে

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-০৬ ১৩:৫৪:৪৪

কয়েক মাস পরীক্ষা চালানোর পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে আনসেন্ড বা রিকল ফিচার চালু করেছে ফেসবুক। এখন থেকে মেসেঞ্জারে এই সুবিধাটি উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। ফেসবুকের মালিকানাধীন আরেক প্রতিষ্ঠান হোয়াটসঅ্যাপে এই ফিচার চালু হয় গত বছর।

ধরুন, ভুল করে কাউকে কোনও মেসেজ পাঠিয়েছেন বা না পাঠাতে চাইলেও চাপ লেগে চলে গেছে যা আপনার জন্য বিব্রতকর হতে পারে। এমনকি কোনও কোনও সময় ক্ষতির কারণও হয়ে উঠতে পারে এটি। তবে এখন আর ভয় নেই। কারণ, আনসেন্ড ফিচারের মাধ্যমে আপনি পাঠানোর পরও মেসেজ ডিলিট করতে পারবেন।

ভারতীয় প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম গেজেটস নাউ জানিয়েছে, পাঠানোর পরও মেসেজ ডিলিট করতে হলে আপনাকে সেটা ১০ মিনিটের মধ্যে করতে হবে। তা নাহলে আপনি আর ডিলিট করার সুযোগ পাবেন না।

পাঠানোর পরও যেভাবে মেসেজ ডিলিট করবেন-
০ যে মেসেজটি ডিলিট করতে চান সেটি চাপ দিয়ে ধরে রাখুন
০ সিলেক্ট হওয়ার পর দুটি অপশন আসবে
০ প্রথমটি ‘রিমুভ ফর এভরিওয়ান’
০ দ্বিতীয়টি ‘রিমুভ ফর ইউ’
০ এখানে ‘রিমুভ ফর এভরিওয়ান’ অপশন চাপলেই মেসেজ ডিলিট হয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত, আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড উভয় অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরাই সুবিধাটি উপভোগ করতে পারবেন। এজন্য মেসেঞ্জারের সর্বশেষ ভার্সনটি ব্যবহার করতে হবে।

এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

হোয়াটসঅ্যাপ-ইনস্টাগ্রাম-ম্যাজেঞ্জারকে একীভূত করছে ফেসবুক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২৬ ১১:৪০:৫১

প্রযুক্তি জায়ান্ট ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও ম্যাজেঞ্জার নিয়ে একক ম্যাসেজিং সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছে। আগামী বছরের শুরুর দিকে এই সিস্টেম চালু করার কথা ভাবছে ফেসবুক।

এর ফলে বিশ্বব্যাপী যে কোটি কোটি ইউজার ফেসবুকের অ্যাপসগুলো ব্যবহার করছেন তারা আরো উন্নতমানের ম্যাসেজিং সেবা পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন গণমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে।

তবে উল্লিখিত অ্যাপসগুলো আলাদাভাবে আগের মতোই কার্যকর থাকবে। শুধু ম্যাজেসিং সিস্টেমটা সমন্বিত হবে। বিষয়টি সম্পর্কে যারা অবহিত তারা এমনটাই জানিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফেসবুকের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই একীভূতকরণের ফলে ইউজাররা একটি দ্রুত, সহজ, নির্ভরযোগ্য ও ব্যক্তিগত ম্যাসেজিং সিস্টেম পাবেন। যার ফলে ইউজারদের তথ্যের নিরাপত্তা আগের চেয়ে বাড়বে।

তবে তথ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর ফলে মানুষের গোপনীয়তার ওপর প্রভাব পড়বে।

তিনি বলেন, ‘সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রেখে আমরা আমাদের মেসেজিং সিস্টেমকে পুরো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত বন্ধু ও ফ্যামেলির কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছি।’

যদিও এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবে আগামী বছরের শুরুর দিকে এই একীভূতকরণ হতে পারে।

তবে ম্যাসেজিং অ্যাপসগুলোর এই একীভূতকরণ ফেসবুক সিইও মার্ক জাকারবার্গের বক্তব্যের বিপরীত। কারণ তিনি বলেছিলেন, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ সামাজিক মাধ্যমে আলাদা আলদাভাবে পরিচালিত হবে।

এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

চুরি বা হারানো মোবাইল ফোন আর কেউ ব্যবহার করতে পারবে না

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২১ ১৩:১০:৩৮

আপনার মোবাইল ফোন কি চুরি হয়ে গেছে? বা হারিয়ে গেছে? এই ফোনকে কি আপনি ব্যবহারের অনুপযোগী করতে চান?

তাহলে আগামী কয়েকমাসের মধ্যে এমন সুখবর পেতে যাচ্ছেন আপনি।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সূত্র বলছে, এবার থেকে চুরি হয়ে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনকে আপনি লক করে ফেলতে পারবেন।

আগামীকাল (২২ জানুয়ারি) থেকে ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপম্যান্ট আইডেন্টি (আইএমইআই) নম্বর ডাটাবেস সেবা চালু হতে যাচ্ছে।

আইএমইআই ডাটাবেসের মধ্যে ব্যবহারকারীর মোবাইল ফোনের নম্বর, সিম কার্ডের নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যাদি সংরক্ষণ করে রাখা হবে।

ফলে, কোনো মোবাইল ফোন চুরি হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তায় ওই ফোনটিকে লক করে দেয়া যাবে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার হার কমে আসবে।

আপনার মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বরটি লিখে ১৬০০২ নম্বরে মেসেজ পাঠানোর মাধ্যমে জেনে নিতে পারেন, সেটি ডাটাবেসে সংরক্ষিত হয়েছে কিনা।


বিস্তারিত খবর

আকবেট ও এফআইভিডিবির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-০১ ১৩:৪২:৪৬

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সেচ্ছাসেবী সংস্থা আকবেট (ইউ কে বাংলাদেশ এডুকেশন ট্রাষ্ট) ও FIVDB একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি গত সোমবার, ৩১ শে ডিসেম্বর তারিখে খাদিমনগরস্থ FIVDB-এর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশ ফরেন স্কুল সোসাইটি (BFSS) এর সহযোগিতায় গৃহস্থালি কাজে নিয়োজিত শিশুদের শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।

এই প্রকল্পে ঋওঠউই আকবেটকে শিক্ষা উপকরন, কারিকুলাম প্রনয়ন ও মূল্যায়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে। উলে¬খ্য আকবেট ১৯৯৩ সাল হতে বাংলাদেশে শিক্ষক প্রশিক্ষণ , ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুদের শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নসহ শিক্ষা বিষয়ক আরও বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা করে আসছে। প্রাথমিক অবস্থায় প্রকল্পটি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৮ টি ওয়ার্ডে পরিচালিত হবে এবং ধাপে ধাপে অন্যান্য স্থানে সম্প্রসারিত করা হবে।

সমঝোতা স্মারকটি  স্বাক্ষর করেন, জনাব আসাদুজ্জামান সায়েম নির্বাহী পরিচালক, আকবেট ও জনাব বজলে রাজী, নির্বাহী পরিচালক, এফআইভিডিবি। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জনাব ডঃ নুরুল ইসলাম, , ট্রাস্টি, আকবেট ইউকে, জনাবা শিরিন আক্তার, ডিরেক্টর,প্রাইমারী এডুকেশন, ফাহমিদা সুলতানা তানিয়া, ডেপুটি ম্যানেজার প্রোগ্রাম সাপোর্ট, আকবেট,  এ.এইচ.এম ফজলে রাব্বি চৌধুরী, চাইল্ড ওয়েলফেয়ার এন্ড ফিনান্সিয়াল অপারেশন এডমিন, আকবেট।

বিস্তারিত খবর

নাসার অ্যাপস প্রতিযোগিতায় শীর্ষ চারে বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-১৩ ০০:০২:১১

প্রথমবারের মতো বিশ্বের ৭৯টি দেশের প্রায় ২ হজার ৭২৯টি দলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের’ ২টি ক্যাটাগরির শীর্ষ চারে উঠে এসেছে বাংলাদেশ থেকে অংশ নেয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ‘টিম অলিক’।

গত শনিবার ছয়টি ক্যাটাগরিতে শীর্ষ ২৫টি দলের নাম ঘোষণা করেছে নাসা। এর মধ্যে দুটি ক্যাটাগরির সেরা চারে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ।

এছাড়া বেস্ট ইউজ অব ডেটা ক্যাটাগরিতে ক্যালিফোর্নিয়া, কুয়ালালামপুর আর জাপানের সঙ্গে শীর্ষে উঠে এসেছে সিলেট থেকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ‘টিম অলিক’।

টিম অলিকের “লুনার ভি আর প্রজেক্ট” টি মূলত একটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অ্যাপ্লিকেশন। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী চাঁদে ভ্রমণের একটি অভিজ্ঞতা পাবেন। টিম অলিক নাসা প্রদত্ত বিভিন্ন রিসোর্স থেকে থ্রিডি মডেল ও তথ্য সংগ্রহ করে, নাসা অ্যাপোলো ১১ মিশন এর ল্যান্ডিং এরিয়া ভ্রমণ, চাঁদ থেকে সূর্যগ্রহণ দেখা এবং চাঁদকে একটি স্যাটেলাইট এর মাধ্যমে আবর্তন করা- এই তিনটি ভিন্ন পরিবেশকে ভার্চুয়ালভাবে তৈরি করেছে। দলের সদস্যরা হলেন- আবু সাবিক মাহদী, কাজী মঈনুল ইসলাম, এসএম রাফি আদনান এবং সাব্বির হাসান। তারা চারজনেরর তিনজনই শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের এবং একজন পদার্থবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী।

উল্লেখ্য, এর আগে পিপলস চয়েস অ্যাওয়ার্ডে শীর্ষ দশে জায়গা করে নিলেও এবারই প্রথম মূল ক্যাটাগরির শীর্ষ চারে উঠল বাংলাদেশ।

শাবির এই দল ছাড়াও এবছর বেস্ট ইউজ অব হার্ডওয়্যার ক্যাটাগরিতে আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া আর তাইপের সঙ্গে শীর্ষ চারে উঠে এসেছে ঢাকা থেকে রানার্স-আপ হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া টিম ‘প্ল্যানেট কিট’। ‘প্ল্যানেট কিট’ যে ডিভাইসটি তৈরি করেছে সেটি মঙ্গল গ্রহে বেঁচে থাকার জন্য সহায়তা করবে। "প্ল্যানেট কিট" পরিবেশ এর ডেটা প্রদান, প্রাথমিক স্তরের রাসায়নিক পরীক্ষা, জরুরি সতর্কতা এবং বিপত্তি থেকে সহায়তা, মাটির গঠন মূল্যায়ন, পানীয়যোগ্য পানি সংগ্রহ, পথ পরিকল্পনা, থ্রিডি ভার্চুয়ালাইজেশন ইত্যাদি কাজে সাহায্য করবে।

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিটি ক্যাটাগরির চ্যাম্পিয়নের নাম ঘোষণা করা হবে। ছয়টি ক্যাটাগরির ছয়টি চ্যাম্পিয়ন দল নাসায় যাওয়ার এবং শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবে।

বিস্তারিত খবর

নাটোরে বিনামূল্যে আইটি প্রশিক্ষণ দেবে পিপলএনটেক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৮ ১৪:৫২:০৩

হাইটেক পার্কের সহযোগিতায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নাটোরে আইটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিবে পিপলএনটেক। এর ফলে, নাটোরের ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজস্ব জেলায় ঢাকার মত করেই প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে।এই প্রজেক্টের আওতায় পিপলএনটেক মূলত দুটি বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ দিবে। ১. গ্রাফিক্স ডিজাইন ২. ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট। পিপলএনটেকে এর ডিরেক্টর লায়ন মোঃ ইউসুফ খান জানিয়েছেন, "শুধুমাত্র প্রশিক্ষণ নয়, প্রশিক্ষণ শেষে ভাল ছাত্রছাত্রীদের চাকরীর ব্যাবস্থা করে দেওয়া হবে'

পিপলএনটেক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি প্রযুক্তি প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট, যারা নিউইয়র্ক, ভার্জিনিয়া আর কানাডার টরেন্টো সহ ৭ টি ক্যাম্পাসের মাধ্যমে প্রায় দেড় দশক ধরে প্রযুক্তি প্রশিক্ষন ও জর প্লেসমেন্ট (চাকুরীর নিশ্চয়তা) নিয়ে কাজ করছে। বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম ছড়িয়ে দেয়ার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে এই হাইটেক আইটি পার্কে প্রশিক্ষন শুরু করছে।

বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির ডিরেক্টর,  লায়ন মোঃ ইউসুফ খান জানিয়েছেন, "আমরা ধারাবাহিকভাবে এই প্রশিক্ষন দিয়ে থাকি। বর্তমান প্রজন্মকে আইটি ও ডিজিটাল ধারনার বিষয়গুলোকে আরো সহজলভ্য ও সুবিধাজনক করতে আমাদের এই প্রচেষ্টা। প্রশিক্ষনের মাধ্যমে যারা ভালো ফলাফল করে থাকে তাদের ভবিষ্যতে আরো ভালো অবস্থানে নেওয়ার জন্য পিপলএনটেক কাজ করে যাচ্ছে।"

নাটোরের এই হাইটেক পার্কে আইটি কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে, জনার্কীর্ন জমায়েতে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মীর তোফাজ্জেল হোসেন বলেন,  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পিপলএনটেক এর এই কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। এই প্রশিক্ষনের মাধ্যমে যারা ভালো করবে তাদের ভালো  চাকরির নিশ্চয়তা গড়ে উঠবে। বর্তমানে বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ও শেখ হানিসার পরিচালনাতে এগিয়ে নিতে তথ্য-প্রযুক্তির কোন বিকল্প নেই।"

পিপলএনটেক এর ব্যাবস্থাপক আবদুল হামিদ বলেন, পিপলএনটেক নাটোরে প্রশিক্ষনের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে তথ্য-প্রযুক্তির বিষয়কে আরো সহজ করে তুলে ধরবে। এছাড়া ঢাকাতে প্রশিক্ষনের জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয় তার সবগুলো সুযোগ সুবিধা নাটোরে দেওয়া হবে। 

তিনি জানান,  পিপলএনটেক আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান, যা গত চৌদ্দ বছর ধরে আমেরিকাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে ৫০০০ এর অধিক শিক্ষার্থীদের চাকরি নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে পিপলএনটেক আমেরিকা, কানাডা, ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকুরীর ব্যবস্থা করে চলছে পিপলএনটেক।

শেখ কামালের আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের প্রজেক্টের আওতায় এই স্বনামধন্য প্রতিষ্টানটি প্রশিক্ষণ দিবে নাটোরর শেখ কামাল, আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টারে।গত ১৩সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে,তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি এই শেখ কামাল আইটি  ট্রেনিং এবং ইনকিউবেশন সেন্টার উদ্বোধন করেন।

আগ্রহী প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের জন্য ক্লিক করতে হবেঃ https://goo.gl/JnpnC1

নিয়মাবলী ও শর্তাবলীঃ

-      এই লিংকের মাধ্যমে আবেদন করতে হবেঃ https://goo.gl/JnpnC1

-      আগ্রহী প্রার্থীদের অবশ্যই এস.এস.সিতে পাশ করতে হবে

-      একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ একটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন

-      একজন প্রশিক্ষণার্থীর লিখিত এবং ভাইভাতে অংশগ্রহণ করতে হবে। ভাইভার পর একজন প্রশিক্ষণার্থী বাচাই করা হবে

-      প্রশিক্ষণার্থীর নির্বাচনের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সিদ্বান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে

আরো বিস্তারিত জানতেঃ +88018859811259

অথবা ভিজিট করুনঃ www.piit.us, www.peoplentech.com

এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি



বিস্তারিত খবর

যে পাঁচ উপায়ে ঠিকঠাক রাখবেন নিজের কম্পিউটার

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৬ ১৩:৩৬:২২

অনেক সময় দেখা যায় কম্পিউটার কেনার দুই-এক বছরের মধ্যেই সেটি আর সাচ্ছন্দে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। অথবা নতুন কেনা ল্যাপটপ চালু হতেই অনেক্ষণ সময় লাগে। প্রতিনিয়ত ব্যবহারের সময় কম্পিউটারের এসব সমস্যা আপনি নিজেই খুব সহজে মিটিয়ে ফেলতে পারেন।

তাপমাত্রা

কম্পিউটারের ভেতরে কী চলছে তা সাধারণত আমরা খেয়াল করি না। কম্পিউটার যখন এক-দুই বছরের পুরনো হতে থাকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই সিপিইউ-এর ওপরের কুলারটিতে ধুলো জমে যায়। এতে কম্পিউটার ঠাণ্ডা করার কাজে ব্যাঘাত ঘটে। এ ছাড়াও ওই ফ্যানের নিচে আর সিপিইউ-এর মাঝে একটা পাতলা থার্মাল পেস্টের লেয়ার থাকে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটাও কিছুটা শুকিয়ে আসে। ফলে সিপিইউ থেকে তাপ কুলার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে না।

এখন থেকে কম্পিউটার চালিয়ে এইচডব্লিউ-মনিটর (HWMonitor) নামের সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। এটি বিনামূল্যেই পাবেন। কম্পিউটার যখন চালু করছেন, আর যখন একসাথে অনেক প্রোগ্রাম চালাচ্ছেন, তখন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কত মাঝে মাঝে খেয়াল করে দেখুন। যদি দেখেন তাপমাত্রা সাধারণভাবে ৩৫-৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ৭৫ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে, খুব একটা চিন্তার কারণ নেই। তাপমাত্রা যদি তার থেকে বেড়ে যায়, তাহলে ভাল করে ভেতরের ধুলা পরিষ্কার করুন। অনেক ক্ষেত্রে এতেই কাজ হয়ে যায়। কিন্তু তাতেও না হলে থার্মাল পেস্ট পাল্টাতে হতে পারে। নিজে না পারলে অভিজ্ঞ কারও সাহায্য নিন।

হার্ড ডিস্ক স্লো
কম্পিউটার চালু হতে বা সামান্য একটা ফাইল খুলতেই অনেক সময় লেগে গেলে খেয়াল করে দেখুন, আপনার ল্যাপটপের হার্ড ডিস্কের স্পিড কত আরপিএম। যদি সেটা ৫,৪০০ রোটেশন প্রতি মিনিট হয়, তবে তা সাধারণ ৭,২০০ আরপিএম হার্ড ডিস্কের থেকে স্লো হবেই, কিছু করার নেই। এটা কেনার আগেই খেয়াল করবেন।

কিন্তু আপনার সাধারণ ৭,২০০ আরপিএম-এর হার্ড ডিস্ক যদি আগের থেকে স্লো হয়ে যায়, সেটাকে ডিফ্র্যাগ করুন। এর ফলে যত তথ্য রয়েছে হার্ড ডিস্কে, সব একটা নির্দিষ্ট অংশে থাকবে, হার্ড ডিস্ক জুড়ে ছড়িয়ে থাকবে না, ফলে আপনি যখন কোনও ফাইল খুঁজবেন, অনেক তাড়াতাড়ি সেটা খুঁজে পাবেন, খুলে ব্যবহার করতে পারবেন। যদি নতুন কম্পিউটার হয়ে থাকে, তাহলে শুরুতেই বায়োস সেটিংস (BIOS Settings) ব্যবহার করে ফাস্ট বুট চালু করে দিন, উইনডোজ চালু হবে আরও তাড়াতাড়ি।

র‍্যামের যথাযথ ব্যবহার
অনেক সময় ৮ জিবি র‍্যাম থাকা সত্ত্বেও সামান্য কিছু ট্যাব খুলতেই প্রায় অর্ধেক র‍্যাম ভরে যায়, তার পর ছবি বা ভিডিও এডিটের মতো কাজ করার প্রায় কোনও উপায়ই থাকে না। এ ক্ষেত্রে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে কম্পিউটারে শুরু হতেই পেছনে কী কী সফটওয়্যার চালু হয়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে একাধিক এমন সফটওয়্যারও চালু হয়ে যায়, যা আপনি হয়তো কোনও দিন ব্যবহারও করেননি বা খুব অল্প ব্যবহার করেছেন। টাস্ক ম্যানেজার থেকে দেখুন স্টার্টআপে কী কী সফটওয়্যার চালু হচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় সবকটি সফটওয়্যার বন্ধ করুন। দেখুন অটো আপডেটে কী কী সফটওয়্যার রয়েছে, যার জন্য আপনার কম্পিউটার এবং নেট স্লো হয়ে যেতে পারে, সব বন্ধ করুন। ম্যানুয়ালি আপডেট করুন নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী। খেয়াল রাখুন ক্যাশে মেমরি এবং টেম্প ফাইল, জাঙ্ক ফাইল নিয়মিত ক্লিয়ার করার কথা। শুধু র‍্যাম নয়, গোটা কম্পিউটারই আরও ফাস্ট হবে। সি-ক্লিনার (C Cleaner) এ রকমই একটা সফটওয়্যার, ফ্রি-তে পাবেন, আপনার জন্য এ রকম সব কাজ একটা ক্লিকে করে দেবে।

প্রয়োজনীয় আপডেট
সাধারণত কোনও আপডেট দেখলেই সেটা ‘রিমাইন্ড মি লেটার’ করে রাখি আমরা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এটা শুধু দরকারি তাই নয়, আপনার কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখার জন্যেও এটা ভাল। ওয়ানাক্রাই (Wanna Cry) বেশি দিন আগের কথা নয়। এই ভাইরাস আপনার কম্পিউটারকে হ্যাক করে এমন অবস্থায় রেখে দেবে যে, দাবি অনুযায়ী টাকা না দেওয়া অবধি আপনি কিছু করতে পারবেন না ওই কম্পিউটারে। কিন্তু এই ভাইরাস আসার আগে আগেই উইনডোজ আপডেট দিয়েছিল সমস্ত ব্যবহারকারীর জন্য। যারা আপডেট করে নিয়েছিলেন, তাদের কিন্তু কিচ্ছু হয়নি। আপডেটগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কোনও নতুন ফিচার বা পুরনো সমস্যা মেটানোর জন্যই, তাই আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলি আপডেট করে রাখুন।

ক্লিন ফরম্যাট
ডেস্কটপ ভর্তি আইকন, ফাইল, হার্ড ডিস্ক প্রায় ভর্তি, এ রকম অবস্থায় কম্পিউটার আগের থেকে স্লো চলবে, সেটাই স্বাভাবিক। সব থেকে ভাল, সমস্ত ফাইলের ব্যাকআপ নিন একটা হার্ড ডিস্কে, নিয়ে ক্লিন ফরম্যাট করুন। এটা ঠিক, তার পর সমস্ত সফটওয়্যার ইনস্টল করা, বুকমার্ক তৈরি করা, সব মেইল আইডি ধরে লগ ইন করা, হাজার ঝক্কি। কিন্তু যদি মনে করেন, আগের থেকে একটু ভালভাবে কম্পিউটারটা চলুক, তাহলে হয় আপনার অগোছালো অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে অথবা ক্লিন ফরম্যাট।

এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আগামী ৪৮ ঘণ্টা বিশ্বজুড়ে বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট পরিষেবা!

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-১২ ১৩:৫৫:৪৫

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বিপর্যস্ত হবে। কি ডোমেন সার্ভারের রুটিন মেরামতের কারণে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে বলে বলা হচ্ছে। রুশ গণমাধ্যম রাশিয়া টুডের খবরে এ কথা বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর ফলে ওই সময়ের মধ্যে ওয়েব পেজ খোলায় সমস্যা হবে, ব্যাহত হতে পারে ইন্টারনেটের সঙ্গে জড়িত সমস্ত রকম লেনদেনও। এমনকি ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধও হয়ে যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

রাশিয়া টুডের বরাত দিয়ে কলকাতাভিত্তিক আনন্দবাজার বলছে, দ্য ইন্টারনেট কর্পোরেশন অব অ্যাসাইনড নেমস অ্যান্ড নাম্বারস (আইসিএএনএন) এই মেরামতির কাজ করবে। ইন্টারনেটের অ্যাড্রেস বুক বা ডোমেন নেম সিস্টেম (ডিএনএস)-কে সুরক্ষিত রাখার জন্য যে ‘ক্রিপটোগ্রাফিক কি’ রয়েছে তা বদলানোর কাজ চলবে এই সময়ে।

আইসিএএনএন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে যেভাবে সাইবার হানা বাড়ছে, হ্যাকরদের কবল থেকে ইন্টারনেটকে সুরক্ষিত রাখতেই এই ‘ক্রিপটোগ্রাফিক কি’ বদলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কমিউনিকেশনস রেগুলেটরি অথরিটি (সিআরএ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ডিএনএস-কে আরও সুরক্ষিত করতে এই সময়ের জন্য বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া জরুরি।

সিআরএ আরও জানিয়েছে, নেটওয়ার্ক অপারেটরস বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডাররা (আইএসপি) যদি এই অবস্থার জন্য প্রস্তুতি না নেয় তা হলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সমস্যার মুখে পড়তে পারেন। তবে সিস্টেম সিকিউরিটি এক্সটেনশনকে যদি যথাযথভাবে সক্রিয় রাখা যায়, তা হলে কিছুটা হলেও এর প্রভাব আটকানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে সিআরএ।

এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মেসেঞ্জারে আসছে ভয়েস কমান্ড সুবিধা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০৭ ১৪:৫২:১৫

মেসেঞ্জারে জরুরি ভিত্তিতে কাউকে কিছু জানানো প্রয়োজন। কিন্তু এমন অবস্থায় আছেন যে, টেক্সট লেখার সুযোগ পাচ্ছেন না। এ ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতেই মেসেঞ্জারে এবার ভয়েস কমান্ড চালুর পরিকল্পনা করছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

এই ফিচার চালু হলে মেসেঞ্জারের সাহায্যে যোগাযোগ আরও সহজ হবে। ব্যবহারকারীদের কথা লেখা আকারে উঠবে মেসেঞ্জারে। তারপর সেটা নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাঠিয়ে দেওয়া যাবে।

প্রযুক্তিভিত্তিক সাইট টেক ক্রাঞ্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুতই ভয়েস কমান্ড ফিচার চালু করতে পারে মেসেঞ্জার। এজন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কাজও শুরু করে দিয়েছে। বলা হচ্ছে, ইতোমধ্যে নিজস্ব পরিসরে পরীক্ষামূলকভাবে ভয়েস কমান্ড ফিচার চালু করেছে ফেসবুক। সেখানে সফলতা পাওয়া গেলে সবার জন্য এটা উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

টেক ক্রাঞ্চ বলছে, মেসেঞ্জারে ভয়েস কমান্ড চালু হলে গ্রাহকদের অনেক সময় বাঁচবে। এছাড়া অন্য যেকোনও কাজের পাশাপাশি কথোপকথন চালিয়ে যাওয়া যাবে এই প্লাটফর্মে। গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে ভয়েস কমান্ড সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে ধারণা করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সবসময়ই গ্রাহকদের জন্য নতুন সব ফিচার আনার চেষ্টা করে ফেসবুক মেসেঞ্জার। তারই ধারাবাহিকতায় ভয়েস কমান্ড চালুর পদক্ষেপ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ইন্টারনেটের বিকল্প নিয়ে আসছেন ইন্টারনেটের উদ্ভাবক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০১ ১১:২১:৫৭

ড. ফ্রাঙ্কেন্সটাইন যেমন তার তৈরি করা দানবের কাজে আতঙ্কিত ছিলেন, তেমনই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের অর্থাৎ ইন্টারনেটের উদ্ভাবক টিম বার্নারস-লিও তার উদ্ভাবনের কুফলে বিরক্ত।

ইন্টারনেট ‘অসাম্য ও বিভাজনের উৎপাদনের যন্ত্র’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

কিন্তু বার্নার্স-লি বিশ্বাস করেন তিনি এখন ইন্টারনেটের বিকল্প একটি ওয়েব উদ্ভাবন করেছেন যেখানে ইউজাররা ফেসবুক, অ্যামাজন ও গুগলের মতো ইন্টারনেট জায়ান্টকে এড়িয়ে চলতে পারবে।

সবার জন্য উন্মুক্ত এই প্রকল্পের নাম ‘সলিড’। এখানে ইউজাররা তাদের তথ্য কোথায় রাখবেন এবং কাদের সঙ্গে শেয়ার করবেন বা কারা এগুলো দেখতে পারবে সেটা তারা নিজেরাই ঠিক করতে পারবেন। বিপুল পরিমাণ তথ্য গুটিকয় বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের হাতে কুক্ষিগত হয়ে না থাকার ফলে ওয়েবের ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ঘটবে।

একটি ব্লগ পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এখন ইউজাররা জরুরী মনে করায় তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ডিজিটাল জায়ান্টগুলোকে দিয়ে থাকেন। কিন্তু সলিড এই ব্যবস্থা বদলে দিবে। আমরা সবাই দেখেছি প্রচলিত পদ্ধতি আমাদের জন্য বিশেষ উপকারী নয়।’

‘কার্যত সলিড প্রত্যেক ইউজারকে তাদের নিজস্ব ইন্টারনেট দিয়ে থাকে’, মার্কিন মাগাজিন ফাস্ট কোম্পানিকে জানান বার্নার্স-লি।

বিদেশি হ্যাকারদের দ্বারা ফেসবুকের তথ্য বেহাত হয়ে যাওয়ার প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা আমাদেরকে এখনই করতে হবে, কারণ এটা একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’

এছাড়াও, ‘আমরা এখন সলিডের জমানায় উপস্থিত’ হয়েছি, যোগ করেন তিনি।

অক্সফোর্ডে শিক্ষিত ৬৩ বছর বয়সী বার্নার্স-লি বেশ কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজিতে (এমআইটি) সলিড প্রকল্পে কাজ করছেন। অক্সফোর্ডের সঙ্গে সঙ্গে তিনি এমআইটিতেও অধ্যাপনা করেন।

বার্নার্স-লি ইনরাপ্ট নামের একটি ব্যবসার উদ্যোগ শুরু করেছেন, যা সপ্তাহে উদ্বোধন করা হবে। এটির মাধ্যমে ইউজাররা সলিডে তাদের নিজস্ব বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করতে পারবেন।

সলিডের ইন্টারনেটের প্রযুক্তির মতোই কাজ করবে কিন্তু, বিভিন্ন অ্যাপ ও সাইটের সঙ্গে ডেভেলপারদের সলিডকে সংযুক্ত করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রথম পর্যায়ের অ্যাপগুলোর বাজারে আনার কাজ চলছে, ইনরাপ্টের বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানায় এনগ্যাজেট সাইট।

এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত