যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 03:06am

|   লন্ডন - 10:06pm

|   নিউইয়র্ক - 05:06pm

  সর্বশেষ :

  নিয়ন্ত্রণে আসছে ক্যালিফোর্নিয়ার দাবানল 'ববক্যাট ফায়ার'   ক্যালিফোর্নিয়ার ডিজনিল্যান্ড পার্ক খুলতে কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল   যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দুই লাখ ছাড়ালো   নির্বাচনের আগেই বিচারপতি নিয়োগের ভোট হবে সিনেটে: মিচ ম্যাককনেল   করোনার জন্য জাতিসংঘে চীনকে দায়ী করলেন ট্রাম্প   দেশে করোনায় মৃত্যু ৫ হাজার ছাড়ালো   ভিপি নূরের মামলাকে মিথ্যা বললেন ড. কামাল, দেবেন আইনি সহায়তা   বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে গণস্বাস্থ্যের কিটের অনুমতি দেয়নি সরকার: ডা. জাফরউল্লাহ   একের পর এক দুর্যোগে নাজেহাল ক্যালিফোর্নিয়া   ভূরাজনৈতিক বিরোধ জাতিসংঘকে যেন দুর্বল না করে: প্রধানমন্ত্রী   নূরের বিরুদ্ধে অপহরণ-ধর্ষণ ও ডিজিটাল আইনে আরেক মামলা   চীন-রাশিয়া থেকে অস্ত্র কিনবে ইরান   ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রথমবারের মতো সংক্রমণ ৩ শতাংশেরও নিচে   ডেঙ্গু আক্রান্তরা হতে পারেন করোনা প্রতিরোধে সক্ষম: গবেষণা   আসছে শীতে যুক্তরাষ্ট্রে 'টুইনডেমিক' আতঙ্ক

>>  আইটি এর সকল সংবাদ

টিকটক নিষিদ্ধের ঘোষণা স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ স্টোরগুলোতে টিকটক নিষিদ্ধের ঘোষণা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকল ও টিকটকের মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের মধ্যকার চুক্তিকে অনুমোদন দেয়ায় এই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা হয়। 

এর আগে রবিবার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ স্টোরে টিকটক নিষিদ্ধের ঘোষণা দেয় হোয়াইট হাউস। তবে এখন ট্রাম্প প্রশাসন ওরাকল-টিকটক চুক্তির অনুমোদন দেওয়ায় পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। শনিবার সন্ধ্যায় মার্কিন বাণিজ্য দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, টিকটকের ওপর নিষেধাজ্ঞা এক সপ্তাহ পেছানো

বিস্তারিত খবর

ফেসবুকে বাংলাভাষী কর্মকর্তা নিয়োগ

 প্রকাশিত: ২০২০-০৯-০৭ ১২:৫৫:৩৪

কনটেন্ট বিষয়ে বিদ্যমান যে কোনো সমস্যা সমাধানে একজন বাংলাভাষীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকের আঞ্চলিক সদর দপ্তর সিঙ্গাপুরে এক ডিজিটাল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ফেসবুককে বাংলাদেশের আইন ও বিধি বিধান মেনে চলার আহ্বান জানালে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের অংশ দেখাশোনার জন্য একজন বাংলাভাষীকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।  

বৈঠকে মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সকল প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান মেনে চলা ফেসবুকের দায়িত্ব। এছাড়া দেশ ও দেশের বাইরে থেকে রাষ্ট্রীয়, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও সম্মান বিঘ্নিত করা, মিথ্যা ও গুজব বা অপপ্রচারমূলক উপাত্ত প্রচার ছাড়াও সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, রাষ্ট্রদ্রোহিতা, পর্নগ্রাফি ও বাংলাদেশের সামাজিক- সাংস্কৃতিক মূল্যবোধবিরোধী উপাত্ত প্রচার না করতেও ফেসবুককে আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নাগরিকদের ফেসবুকের নিরাপদ ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে।’ মন্ত্রী বাংলাদেশের আইন, আবহমান বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতি, মূল্যবোধ এবং নিয়মনীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশে আইন আছে, সেই আইন মোতাবেক ফেসবুককে কনটেন্ট এবং অন্যান্য বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।’

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখার বিষয়ে মন্ত্রীকে আশ্বাস প্রদান করেন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮, কর ও ভ্যাট বিষয়ক আইন মেনে চলার আশ্বাস দেন।

প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে নানা বিষয়ে আলোচনার মধ্যে নাগরিক সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় প্রত্যয়ের বিষয়টি প্রধান্য পায়। কনটেন্ট বিষয়ে সমস্যাগুলো যাতে দ্রুত সমাধান করা যায় এ জন্য একজন বাংলাদেশি বাংলাভাষীকে নিয়োগের বিষয়ে জানালে মন্ত্রী এই পদক্ষেপকে একটি ফলপ্রসূ উদ্যোগ বলে ফেসবুককে ধন্যবাদ জানান।

বৈঠকে জানানো হয়, ফেসবুক বিটিআরসি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রতি মাসে অন্তত একটি বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে তাদের স্বচ্ছ কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করবে।

বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফা কামাল, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (ট্যাক্স পলিসি) আলমগীর হোসেন, ফার্স্ট সেক্রেটারি কাজী ফরিদ উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধিগণ ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে এবং সরকারি রাজস্ব আদায় বিষয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। ফেসবুকের নবনিযুক্ত বাংলাদেশ বিষয়ক কর্মকর্তা সাবনাজ রশিদ দিয়া আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।


এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আইসিটি

বিস্তারিত খবর

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রচার হবে না ফেসবুকে

 প্রকাশিত: ২০২০-০৯-০৪ ২১:০৯:৩৬

ফেসবুকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সাতদিন আগে থেকে নতুন কোনো রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ। 


আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। নতুন রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকে ফেসবুক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান জাকারবার্গ। তবে ফেসবুকে চলমান বিজ্ঞাপনগুলো প্রচার করা ও বিভিন্ন ধরনের মানুষকে লক্ষ্য করে দেখানোর সুযোগ চালু রাখার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ফেসবুকে দেয়া পোস্টে জাকারবার্গ বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট গণনার আগে কোনো প্রার্থী বিজয়ী ঘোষণার চেষ্টা করলে তাদের পোস্টে লেবেল দেয়া হবে।

জাকারবার্গ আরও বলেন, “এবারের নির্বাচন চিরাচরিত নির্বাচনের মতো হতে যাচ্ছে না। আমাদের দেশে বিভাজন তৈরি হয়েছে এবং নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল পেতে কয়েকদিন এমনকি কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। দেশজুড়ে নাগরিক অস্থিরতা বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে।“

২০১৬ সালের নির্বাচনে ফেসবুকের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ট্রাম্পকে নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটারদের তথ্য ব্যবহার করে তাদেরকে বিজ্ঞাপনে প্রভাবিত করতে ফেসবুকের ভূমিকা ছিল এমন অভিযোগ এসেছিল প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। 

নতুন এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতে যেকোনো দেশের নির্বাচনের ক্ষেত্রে নজির হিসেবে কাজ করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন।






এলএ বাংলা টাইমস/এমকে

বিস্তারিত খবর

বিশ্বে প্রথম কর্মক্ষম 'ব্রেইন ইমপ্ল্যান্ট' স্থাপন করলেন ইলন মাস্ক

 প্রকাশিত: ২০২০-০৮-২৯ ১২:০৯:৩৮

শূকরের মাথায় কর্মক্ষম ব্রেইন ইমপ্ল্যান্ট চিপ স্থাপন করে নতুন প্রযুক্তির উন্মোচন করলেন ইলন মাস্ক। তিনি দাবী করেন, মানুষের উপরও এই ব্রেইন ইমপ্ল্যান্ট চিপ কার্যকরী হবে। 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এক লাইভস্ট্রিমের মাধ্যমে নতুন এই প্রযুক্তির ব্যাপারটি প্রথম প্রকাশ করেন তিনি। প্রায় এক বছর আগে এই ধরণের প্রযুক্তির ব্যাপারে সর্বপ্রথম ধারণা দেন তিনি।  গত জুলাইয়ে এক আঁকা সংস্করণে মাস্ক দেখান, একটি কম্পিউটার চিপে খুব সরু কিছু ইলেকট্রোড রয়েছে যা মানুষের মস্তিষ্কে সার্জিক্যাল রোবটের মাধ্যমে সংযুক্ত করা যাবে। ইমপ্ল্যান্টটি কানের পেছনে থাকা তারবিহীন রিসিভারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে, যা কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে।

এবার এই ধরণের প্রযুক্তি শুকরের উপর পরীক্ষা করে সফলতা দাবি করেন মাস্ক। প্রায় দুইমাস আগে শুকরের মাথায় এই চিপটি বসানোর পর এটি সফলভাবে কর্মক্ষম রয়েছে বলে তিনি জানান। 

তিনি বলেন, 'দুইমাস ধরে যেভাবে শুকরের মাথায় চিপটি যেভাবে কর্মক্ষম রয়েছে ও সফলভাবে চলছে, এতে ধারণা করা যায়, মানুষের উপরও এই প্রযুক্তি ভালোভাবে কাজ করবে'। 

এর স্বপক্ষে যুক্তি হিসেবে ইলন মাস্ক বলেন, শুকরের সাথে মানুষের মিল রয়েছে। মানুষের কোনো কিছুর উত্তর পেতে হলে শুকরের উপর পরীক্ষা ভালো পছন্দ'। 

এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ নিউরোলজিকাল কন্ডিশনের সাহায্যে মোবাইল ও কম্পিউটার নিয়ন্ত্রন করতে পারবে বলে জানান তিনি। তাছাড়া ডেমেনটিয়া, পার্কিনসনস ডিজিজ ও স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি সারাতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে বলে জানান তিনি। 



এলএবাংলাটাইমস/ওএম 














বিস্তারিত খবর

পদত্যাগ করলেন টিকটকের সিইও

 প্রকাশিত: ২০২০-০৮-২৭ ১৫:৪৪:৪০

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটকের ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার কয়েক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কেভিন মায়ার।


কর্মীদের উদ্দেশে একটি চিঠিতে মায়ার জানান, তার চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্তটি ‘রাজনৈতিক পরিস্থিতির তীব্র পরিবর্তনের পরে’ এসেছে। 

সিইও হিসেবে দ্বায়িত্ব গ্রহণের দুই মাসের মধ্যেই বৃহস্পতিবার পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন মায়ার। 

চিঠিতে মায়ার বলেন, “গত কয়েক সপ্তাহে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তুমুল পরিবর্তন আসার পরিপ্রেক্ষিতে আমি কর্পোরেট কাঠামোগত পরিবর্তনগুলোর জন্য কী প্রয়োজন এবং আমি যে বৈশ্বিক ভূমিকা পালনের জন্য দায়িত্ব নিয়েছিলাম, তার ওপর সেসব পরিবর্তনের ভূমিকা কতটা, সে বিষয়ে এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিফলন দেখিয়েছি।“

“আমরা খুব শিগগিরই একটি সমাধানে পৌঁছানোর প্রত্যাশা করছি। আমি ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আপনাদের সবাইকে জানাতে চাই যে আমি এই সংস্থা ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি,” বলেন মায়ার।

মায়ার গত মে মাসে টিকটকে যোগদানের আগে ওয়াল্ট ডিজনির শীর্ষস্থানীয় স্ট্রিমিং এক্সিকিউটিভ ছিলেন।

মায়ারের পদত্যাগের পরিপ্রেক্ষিতে এক বিবৃতিতে টিকটক জানায়, “কেভিনের দায়িত্ব পালনের জায়গাটি যেভাবে সামনে এগিয়ে যেত, গত কয়েক মাসের রাজনৈতিক চিত্র তাতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে। আমরা বিষয়টির প্রশংসা করি এবং কেভিনের সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সম্মান জানাই। টিকটককে তার সময় দেওয়ার জন্য আমরা কেভিনকে ধন্যবাদ ও শুভ কামনা জানাই।”

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে মামলা করেছে টিকটক। টিকটকের অভিযোগ, ‘জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা’ ব্যবহার করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করায় যথাযথ প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছে টিকটক।

ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার বলেছেন, টিকটকের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি’ তৈরি হচ্ছে। মার্কিন আইন প্রণেতারাও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন, টিকটকের চীনা মালিক বাইটড্যান্সের কাছে মার্কিন ব্যবহারকারীদের তথ্য চাইতে পারে চীন সরকার। কিন্তু, এ ব্যাপারে  এখনো যথাযথ কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি কেউই। পুরো ব্যাপারটিকেই ‘নিরাপত্তা শঙ্কা’ হিসেবে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।








এলএ বাংলা টাইমস/এমকে

বিস্তারিত খবর

এখন হোয়াটসঅ্যাপেও করা যাবে কল রেকর্ডিং

 প্রকাশিত: ২০২০-০৮-২৬ ০৮:০৩:০৪

ফেসবুক মালিকানাধীন জনপ্রিয় ম্যাসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে অনেকেই ফোনে কথা বলেন। ব্যক্তিগত কিংবা পেশাগত কাজে অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপে কল রেকর্ডের প্রয়োজন পড়ে কিন্তু প্রচলিত অ্যাপগুলো দিয়ে ইন্টারনেটের কল রেকর্ড করা যায় না!

অ্যান্ড্রয়েড চালিত স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপের কল কীভাবে রেকর্ড করা যায় তার বিস্তারিত থাকছে ইত্তেফাক পাঠকদের জন্য।

কাজটি করতে প্রথমে https://bit.ly/3ldZm0D থেকে কিউব কল রেকর্ডার অ্যাপটি ইন্সটল করে নিতে হবে।

যেভাবে রেকর্ড করবেন

কিউব রেকর্ডার অ্যাপটি চালু করে হোয়াটসঅ্যাপ অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে, তাহলে হোয়াটসঅ্যাপ চালু হবে।

এরপর প্রচলিত নিয়মে হোয়াটসঅ্যাপ কল করতে হবে। কিউব কল রেকর্ডারের পপ আপ উইন্ডো বা উইজেট মোবাইলের স্ক্রিনে দেখা গেলে কলটি সফলভাবে রেকর্ড হবে।

এই পদ্ধতিতে রেকর্ড না হলে কিউব কল রেকর্ডার অ্যাপের সেটিংস থেকে ‘Force VoIP call as voice call’ অপশনটি চালু করে আবার চেষ্টা করতে হবে।

রেকর্ডিং অ্যাপটি সব স্মার্টফোনে কাজ করবে না। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কোন মডেলগুলোতে অ্যাপটি ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ কল রেকর্ড করা যাবে তার তালিকা পাওয়া যাবে ।

এই অ্যাপ ব্যবহার করে একই পদ্ধতিতে ফেসবুক কিংবা স্কাইপের কলও রেকর্ড করা যাবে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আইসিটি

বিস্তারিত খবর

ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবে টিকটক

 প্রকাশিত: ২০২০-০৮-২৩ ১৭:২৩:১০

যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের ওপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে চীনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি।  


ট্রাম্পের এক বিষেশ আদেশে সেপ্টেম্বর থেকে টিকটিকের মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের লেনদেন যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে।

টিকটক তাদের মার্কিন ব্যবহারকারীদের তথ্য চীন সরকারের কাছে পাচার করছে এমন শঙ্কার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয় ট্রাম্প প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের ৮০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী রয়েছে। 

টিকটকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ মনোভাব তৈরিতে তারা এক বছরেরও বেশি সময় চেষ্টা করেছে কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে তারা কোনো সহযোগিতা পায়নি।

“আমাদের কোম্পানি ও ব্যবহারকারীদের প্রতি সঠিক আচরণ এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে জুডিশিয়াল প্রক্রিয়ার দ্বারা এই বিশেষ আদেশকে চ্যালেঞ্জ করা ছাড়া আমাদের আর উপায় নেই,” বলেন টিকটকের মুখপাত্র। 

টিকটক আশা করছে আগামী সপ্তাহেই তারা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করবে। 





এলএ বাংলা টাইমস/এমকে

বিস্তারিত খবর

ট্রাম্পের ভিসা নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ফেসবুক, মাইক্রোসফট, আমাজন

 প্রকাশিত: ২০২০-০৮-১১ ১৬:১৪:৪৯

ট্রাম্পের এইচ ওয়ান বি ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা দায়ের করেছে মাইক্রোসফট, ফেসবুক, আমাজনসহ ৫০টিরও বেশি প্রযুক্তি সংস্থা। সোমবার ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালতে সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে এই চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করা হয়।


সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, ভিসার এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এই মামলায় বাদী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের চেম্বার অব কমার্সসহ আরও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।  

গত জুনে ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণায় ২০২০ সালের শেষ পর্যন্ত সকল এইচ ওয়ান বি ও জে ওয়ান ভিসা প্রত্যাহার করে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের চাকরির বাজারের সুরক্ষার উদ্দেশ্যে ট্রাম্প এই সিদ্ধান্ত নেন।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ভারতীয় কর্মীরা। যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় কর্মীদের একটি বড় অংশই প্রযুক্তিখাতে নিয়োজিত। ফলে প্রযুক্তিসংস্থাগুলোও এই সিদ্ধান্তের ফলে বিপাকে পড়ে। 

তবে ভিসা প্রত্যাহারের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের চাকরির বাজার উলটো ক্ষতিগ্রস্ত হবার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দক্ষ কর্মীদের অন্য থেকে দেশে আনতে না পারলে কোম্পানীগুলো অন্য দেশেই তাদের অফিসগুলোতে আরও বেশি স্থানীয় কর্মী নিয়োগ দিতে পারে। সেক্ষেত্রে তা নেচিবাচক প্রভাব ফেলবে যুক্তরাষ্ট্রের চাকরির বাজারে। 

জুনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এখন পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে অনেকগুলো ফাইল আদালতে জমা দিয়েছে বিভিন্ন কোম্পানি, কিন্তু ট্রাম্প সরকারের সিদ্ধান্ত তাতে পরিবর্তিত হয়নি। তাই ফেসবুক, মাইক্রোসফটের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের চ্যালেঞ্জও ট্রাম্পের নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে কিনা তা বলা যাচ্ছে না।  







এলএ বাংলা টাইমস/এমকে

বিস্তারিত খবর

‘শত কোটিপতি ক্লাবে’ নাম লেখালেন জাকারবার্গ

 প্রকাশিত: ২০২০-০৮-০৭ ১৭:২৫:২১

সংক্ষিপ্ত ভিডিও শেয়ারিংয়ের নতুন অ্যাপ ইন্সটাগ্রাম রিলস চালুর ঘোষণার পর অ্যামাজনের জেফ বেজোস ও মাইক্রোসফ্টের বিল গেটসের সঙ্গে সর্বশেষ ‘শত কোটিপতি ক্লাবে’ যোগ দিলেন ফেইসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। 


বিতর্কিত চীনা ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটকের পাল্টায় যুক্তরাষ্ট্রে ইন্সটাগ্রাম রিলস চালু করার ঘোষণা দেওয়ার পর পরই বৃহস্পতিবার ফেইসবুকের শেয়ারের দাম ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে। আর কোম্পানির ১৩ শতাংশের মালিকানা এখন জাকারবার্গের হাতে। জাকারবার্গের ব্যক্তিগত সম্পদ বেড়ে এখন ১০০ বিলিয়ন বা ১০ হাজার কোটি ডলার হয়েছে।

করোনাভাইরাসের লকডাউন ও বিধিনিষেধের সবচেয়ে বড় উপকারভোগীদের মধ্যে রয়েছে ফেইসবুক, অ্যামাজন, অ্যাপল ও গুগল। কারণ এই সময়ে মানুষ অনেক বেশি অনলাইনে কেনাকাটা করেছে, ভিডিও দেখেছে এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কাটিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টিকটিক বন্ধের ঘোষণার ফলে জাকারবার্গের ইন্সটাগ্রাম রিলস এখন তুমুল আলোচনায় আছে।

ব্লুমবার্গের হিসাবে, এবছর জাকারবার্গের ব্যক্তিগত সম্পদ বেড়েছে ২২ বিলিয়ন বা ২ হাজার ২০০ কোটি ডলার, যেখানে জেফ বেজোসের বেড়েছে ৭৫ বিলিয়ন বা ৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পাঁচ প্রযুক্তি কোম্পানি- অ্যাপল, অ্যামাজন, অ্যালফাবেট (গুগলের মালিক), ফেইসবুক ও মাইক্রোসফ্ট- মিলে যে বাজারমূল্য রয়েছে তা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩০ শতাংশ।







এলএ বাংলা টাইমস/এমকে

বিস্তারিত খবর

ট্রাম্পের আদেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিল টিকটক

 প্রকাশিত: ২০২০-০৮-০৭ ০৮:৩৩:০৫


আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে চাইনিজ সোশ্যাল অ্যাপ টিকটকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার কোম্পানিটি বলেছে, তারা প্রেসিডেন্টের এমন নির্বাহী আদেশে ব্যথিত হয়েছে। এজন্য সব রকমের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে টিকটক। যাতে আইনের ব্যত্যয় না ঘটে।


এদিকে ট্রাম্প অন্য চাইনিজ অ্যাপগুলোর বিরুদ্ধেও একই পদক্ষেপ নিচ্ছেন। উইচ্যাটের বিরুদ্ধেও নির্বাহী আদেশ দেওয়া হয়েছে। উইচ্যাট মালিক টেনসেন্ট জানিয়েছে, তারা নির্বাহী আদেশ পুরোপুরি বুঝার চেষ্টা করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে টিকটক ব্যানের প্রসঙ্গ এনেছিলেন ট্রাম্প। এরপর টিকটক কিনে নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়  জায়ান্ট প্রযুক্তি কোম্পানি মাইক্রোসফট। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই চুক্তি হতে হবে বলে হুংকার ছুঁড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। না হলে অ্যাপটি যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ করা হবে। ইতোমধ্যে ভারতে নিষিদ্ধ রয়েছে টিকটক।

তথ্যচুরির অভিযোগ প্রথম থেকেই অস্বীকার করে আসছে বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন টিকটক। চীন সরকারের কাছে ব্যবহারকারীদের কোনো তথ্য দেওয়া হয় না বলে জানিয়েছে তারা। জটিলতা নিরসনে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছিল টিকটক। তবে তা কানে নেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।


এলএবাংলাটাইমস/এনএইচ


বিস্তারিত খবর

৩০ বিলিয়ন ডলারে স্প্রিন্ট এবং টি মোবাইল একীভূত

 প্রকাশিত: ২০২০-০৮-০৪ ০৯:৫৩:৪২


স্প্রিন্ট মোবাইল ব্র্যান্ডের খুচরা দোকানগুলো নতুন করে  সাজছে। এটি একীভূত হয়েছে মোবাইল জায়ান্ট টি-মোবাইলের সাথে। সোমবার  আনুষ্ঠানিকভাবে স্প্রিন্ট মোবাইল অবসর নিল। প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারে এই চুক্তি হয়েছে।


টি মোবাইলের সিইও মাইক সিইভার্ট এটিকে নতুন অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, আমরা এটি সম্ভব করেছি। এটি টি মোবাইলের জন্য আরেকটি ঐতিহাসিক দিন।

স্প্রিন্ট মোবাইল স্টোরগুলো নতুন করে টি মোবাইলে ব্র্যান্ডিং করা হচ্ছে। এখন থেকে টি মোবাইল ব্র্যান্ডের স্টোরগুলো স্প্রিন্ট ও টি মোবাইল উভয়ের সেবা দিবে। ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, অল্পকিছু ব্যতিক্রম ছাড়া আমাদের দোকানগুলোতে স্প্রিন্ট ও টি মোবাইলের সেবা দেওয়া হবে গ্রাহকদের। 

একীভূত করার চুক্তি হিসেবে টি মোবাইল ৫জি নেটওয়ার্ক সেবা দিতে সক্ষম হবে। স্বাভাবিকের চেয়ে ৮গুণ বেশি ৫জি সেবা পাবেন গ্রাহকেরা। কোম্পানির লক্ষ্য আগামী ৬ বছরে শতকরা ৯৯ ভাগ মার্কিনির কাছে ৫জি সেবা পৌঁছানো।


এলএবাংলাটাইমস/এনএইচ



বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের খরচ আরও বাড়ছে

 প্রকাশিত: ২০২০-০৬-১১ ১০:২৬:১৩

 নতুন অর্থবছরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ বাড়ছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য যে বাজেট প্রস্তাব করেছেন, তাতে মোবাইল সিম বা রিম কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে সেবার বিপরীতে সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছেন।

ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলা, এসএমএস পাঠানো এবং ডাটা ব্যবহারের খরচও বেড়ে যাবে।

বিদায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল সিম বা রিম কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে সেবার বিপরীতে সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছিল।

প্রথমবার মোবাইল ফোন ব্যবহারের উপর সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয় ২০১৫-১৬ সালের বাজেটে। তখন ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব হলেও পরে তা ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছিল।

মোবাইল ফোন অপারেটররা বলছে, এর ফলে বর্তমানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সেবায় ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ১ শতাংশ সারচার্জ, ১৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং অন্যান্য মিলে মোট কর ২৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ৩৩.২৫ শতাংশে।

সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়লে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কেউ যদি ১০০ টাকার সেবা নিতে চান, তাহলে ৭৫ দশমিক শূন্য ৩ টাকার সেবা নিতে পারবেন। ২৪ দশমিক ৯৭ টাকা যাবে সরকারের পকেটে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আইসিটি

বিস্তারিত খবর

অনলাইন ক্লাশ করতে পারেন যেভাবে

 প্রকাশিত: ২০২০-০৬-০৬ ১০:০৭:০০


প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের এই সময়ে বাড়ছে অনলাইন ক্লাশের গুরুত্ব। একই সাথে বেড়েছে অনলাইনে ভিডিও চ্যাটের হারও। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও চালু হয়েছে অনলাইন ক্লাশ। বিস্তৃত পরিসরে চালু না হলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই সময়ে অনলাইনে ক্লাশ নিচ্ছে বলে জানা গেছে। তাই চলুন অনলাইনে ক্লাশ করার ক্ষেত্রে আপনি অনেক মাধ্যম বা সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। তাই চলুন অনলাইন ক্লাশের কিছু জনপ্রিয় মাধ্যম সম্পর্কে জেনে নেই।


ফেসবুক লাইভ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুককে নতুন করে পরিচিত করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। জনপ্রিয়তার বিচারে ফেইবুক সবার শীর্ষে। ফেইসবুককে পড়াশোনার ক্লাসরুম বানিয়েও কাজে লাগাতে পারেন। এখানে কোর্সভিত্তিক আলাদা গ্রুপে লাইভ ক্লাস করতে পারেণ। তাছাড়া এখানে ডকুমেন্ট, প্রেজেন্টেশন ও নোটস বিনিময়েরও সুবিধা  আছে। ক্লাস চলাকালে কমেন্টে কেউ তাঁদের সমস্যার কথাও জানাতে পারবেন। ক্লাসে উপস্থিত না থাকতে পারলে, গ্রুপে ভিডিও থেকে যাবে। এতে করে পড়ে এই লাইভ ক্লাসগুলো দেখে নিতে পারবে যে কেউ।

ইউটিউব লাইভ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও শেয়ারিংভিত্তিক সবচেয়ে বড় সাইট হচ্ছে ইউটিউব। এখানে কেউ চাইলে তাঁর নির্ধারিত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে চালু করতে পারেন ইউটিউব চ্যানেল। এই সকল চ্যানেলে বিষয়ভিত্তিক ক্লাসের ভিডিও আপলোড করার সুযোগও রয়েছে। সেইসাথে রয়েছে ‘প্রাইভেট’ অপশন চালু করে নির্দিষ্ট শিক্ষার্থীদের দেখানোর সুযোগ। ভিন্ন ভিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা, রেজল্যুশন মিলিয়ে ইউটিউব অনলাইন ক্লাসের চমকপ্রদ সমাধান।

মাইক্রোসফট টিম

মাইক্রোসফট তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য বানিয়েছে মাইক্রোসফট টিম। অফিস ৩৬৫ ব্যবহারকারীর জন্য থাকছে মাইক্রোসফট টিম ব্যবহারের সুযোগ। ভিডিও আপলোডের সাথে এখানে শিক্ষক শিক্ষার্থীকে প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন। সেইসাথে ক্লাসের সবাইকে দলগত আলোচনার সুবিধা দিতে থাকছে চ্যাটবক্স। তবে নিয়ন্ত্রনের জন্য শিক্ষক নির্ধারিত বিষয়কে চ্যাটবক্সের একদম ওপরে রেখে দিতে পারেন। মাইক্রোসফট টিম ব্যবহার করার সময় সরাসরি ই–মেইল স্কাইড্রাইভ ও শেয়ার পয়েন্ট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা। বরাবরের মতোই যেকোনো ডিভাইস থেকে এই টিম ব্যবহারের সুযোগ থাকছে।

গুগল ক্লাসরুম

গুগল ক্লাসরুম ব্যবহার করে এখন অনেকে ক্লাস নিচ্ছে। বিনা মূল্যে কোনো শিক্ষক চাইলে গুগল স্যুটে নিবন্ধন করতে পারেন। নির্ধারিত কোড দিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন ওই ক্লাসে। একটি কোর্সে অসংখ্য ক্লাসের পাশাপাশি ২০ জন শিক্ষক তাঁদের ক্লাস যুক্ত করতে পারবেন। অ্যাসাইনমেন্টের জন্য গুগল ফরম, গুগল ডক, গুগল ড্রাইভ ও ইউটিউব ভিডিও যুক্ত করার সুযোগ থাকছে। ক্লাসরুমে থেকে যাওয়া ক্লাসের ভিডিওগুলো পরেও দেখা যাবে। এখানে যে কোনো ডিভাইস থেকে শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন অনলাইন ক্লাসে।

জুম

জুম অধিকাংশ সময় অফিসের কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে এখানে চাইলে বানিয়ে নেওয়া যায় ক্লাসরুম। সেইসাথে বিনা মূল্যে ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও সামান্য কিছু টাকা খরচ করলে, রয়েছে আধুনিক সেবা। এখানে একসাথে ১০০ জন ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিতে পারেন। তবে বিনা মূল্যে প্রতিটি কনফারেন্সের সময় ৪০ মিনিট। এসবের বাইরে আরও অসংখ্য মাধ্যম রয়েছে অনলাইনে ক্লাশ করার। আপনি আপনার সুবিধা মতো সফটওয়্যার বেছে নিয়ে করোনার এই সময়ে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হতে পারেন।

এলএ বাংলা টাইমস/এমবি

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশে ইন্টারনেট গ্রাহক ১০ কোটি ছাড়ালো

 প্রকাশিত: ২০২০-০৫-১৪ ১৬:৩৯:২৮

বাংলাদেশে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ১০ কোটি ছাড়িয়েছে। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা- বিটিআরসি জানিয়েছে, দেশের চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরের মোট গ্রাহক সংখ্যাও দেশের মোট জনসংখ্যার কাছাকাছি গিয়ে সাড়ে ১৬ কোটি ছাড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিটিআরসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত দেশে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ১০ কোটি ৩২ লাখ ৫৩ হাজারে উন্নীত হয়েছে।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, ইন্টারনেট সেবার মান বৃদ্ধির সাথে সাথে গ্রাহকও বাড়ছে। ইন্টারনেট ছাড়া এখন উপায় নেই। এটি টেলিযোগাযোগ খাতের একটি সাফল্য। ইন্টারনেট গ্রাহকের মধ্যে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন ৯ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার গ্রাহক। আর ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) ও পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্কের (পিএসটিএন) ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০ লাখ ৮৪ হাজার, যা ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ ছিল ৫৭ লাখ ৪৩ হাজার।

বিটিআরসির হিসাবে, মার্চ মাস নাগাদ চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরের মোট গ্রাহক সংখ্যা ১৬ কোটি ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার। সাত কোটি ৫৩ লাখ ৩৩ হাজার গ্রাহক নিয়ে শীর্ষে রয়েছে গ্রামীণফোন। তাদের পরে রয়েছে রবি। তাদের গ্রাহক চার কোটি ৯৭ লাখ ১৮ হাজার। বাংলালিংকের গ্রাহক তিন কোটি ৫৩ লাখ ৭৩ হাজার। আর রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটকের গ্রাহক সংখ্যা ৪৯ লাখ ১৩ হাজার।


এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আইসিটি

বিস্তারিত খবর

করোনায় ফেসবুকের নতুন ফিচার, ভিডিও কলে যুক্ত হতে পারবেন ৫০ জন

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-২৫ ০৫:৩২:২৯

করোনা ভাইরাসে প্রায় পুরো বিশ্বজুড়ে চলছে লকডাউন। আর এতে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে মানুষ। ফলে বেড়েছে সামাজিক দূরত্ব। এবার সেই সামাজিক দূরত্ব ঘুচাতে সর্বোচ্চ ৫০ জনের সঙ্গে ভিডিও চ্যাট করার সুযোগ করে দিলো বিশ্বের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। শুক্রবার ফেসবুকের পক্ষ থেকে ম্যাসেঞ্জার রুমস নামের একটি ফিচার উদ্বোধন করা হয়। যেখানে একসঙ্গে ৫০ জনের সাথে ভিডিও কলে সংযুক্ত হওয়া যাবে।

সংবাদমাধ্যম সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুক এবং মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীরা এখন থেকে আলাদা মেসেঞ্জার রুম ব্যবহার করতে পারবেন। সেখানে তারা সর্বোচ্চ ৫০ জন মানুষের সঙ্গে ভিডিও কলে সংযুক্ত হতে পারবেন। ফেসবুক মেসেঞ্জারে এখন সর্বোচ্চ আট জনের সঙ্গে ভিডিও কলে সংযুক্ত হওয়া যায়। নতুন ফিচারের সম্পর্কে ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, এর মাধ্যমে এই কোয়ারেন্টাইন সময়ে ব্যবহারকারীরা তাদের বন্ধু এবং আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে আরো বেশি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবেন। শুধু ম্যাসেঞ্জার নয়, পরবর্তীতে এই সুবিধা ফেইসবুকের মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম ডাইরেক্টেও যুক্ত হবে।

জানা গেছ, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট না থাকলে ভিডিও চ্যাটের লিঙ্ক পাঠিয়ে তাদেরকে গ্রুপ চ্যাটে ইনভাইট করা যাবে। ফিচারটি সব ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাতে কয়েক সপ্তাহ লাগবে।

এ বিষয়ে ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, মেসেঞ্জার এবং হোয়াটসঅ্যাপে প্রতিদিন ৭০ কোটি মানুষ ভিডিও কলে যোগাযোগ করে। কিছু কিছু দেশে মেসেঞ্জারের চেয়ে হোয়াটসঅ্যাপ বেশি জনপ্রিয়।

এদিকে করোনাকালে লকডাউনের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপ হিসেবে জনপ্রিয়তা পায় জুম এবং হাউজপার্টি। জানা গেছে, জুমে এক সঙ্গে ১০০ জনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হওয়া যায়। আর হাউজপার্টি অ্যাপে আট জনের সঙ্গে ভিডিও চ্যাট করা যায়। যদিও এই অ্যাপসগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আপত্তি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আইসিটি

বিস্তারিত খবর

জাকারবার্গের নিরাপত্তায় ফেসবুকের ব্যয় ২ কোটি ৩৪ লাখ ডলার

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-১২ ১৩:৫০:৪৯

ফেসবুক তার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের নিরাপত্তা খাতে ২০১৯ সালে ব্যয় করেছে ২ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০০ কোটি টাকা।

সিএনবিসির এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর জাকারবার্গের ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিতে কোম্পানিটির এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে তাঁর ব্যক্তিগত বিমান ভ্রমণ বাবদ ব্যয় হয়েছে ২৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার। ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে জাকারবার্গের নিরাপত্তা ব্যয় বেড়েছে ৩৪ লাখ ডলার।

গত শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশনে ফেসবুকের সাবমিট করা একটি ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্ট থেকে জাকারবার্গের এই নিরাপত্তা খরচের বিষয়টি জানা গেছে।

২০১৯ সালে জাকারবার্গের নিরাপত্তাকর্মীদের বেতন, সরঞ্জাম কেনা, নিরাপত্তা সেবা নেওয়া ও বিমান ভ্রমণ বাবদ ২ কোটি ৩৪ লাখ ডলার ব্যয় করা হয়েছে। ২০১৮ সালে এই খাতে ফেসবুকের ব্যয় ছিল ২ কোটি ডলার এবং ২০১৭ সালে ব্যয় ছিল ৯১ লাখ ডলার।

সিএনবিসি বলছে, ২০১৯ সালে জাকারবার্গ এবং তার পরিবারের পেছনে নিরাপত্তা বাবদ ফেসবুকের খরচ হয়েছে ১ কোটি ডলার। ২০১৮ সালে এই ব্যয় ছিল ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং ২০১৭ সালে ৭৫ লাখ ডলার।

জাকারবার্গ ফেসবুক থেকে প্রতীকী মাত্র ১ ডলার বেতন নেন। কিন্তু তার পেছনে প্রতিবছর কোম্পানির খরচ কোটি কোটি টাকা। এর কারণ হচ্ছে, মার্ক জাকারবার্গ একাধারে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা, প্রধান নির্বাহী, চেয়ারম্যান এবং সবচেয়ে বেশি শেয়ারের মালিক। এ কারণে তার নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া ফেসবুকের আয়ের পরিমাণও প্রতিবছর বাড়ছে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আইসিটি

বিস্তারিত খবর

করোনা রোগী শনাক্ত করবে চবি শিক্ষার্থীদের ‘করোনা ইনফো’ অ্যাপ

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৩ ১৪:৩৩:৩৯

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস ইতিমধ্যে বাংলাদেশেও আঘাত হেনেছে। কিন্তু এই দুর্যোগে দেশের স্বাস্থ্যখাত ঠিক কতটা মোকাবেলা করতে পারবে সে প্রশ্ন থেকেই যায়। এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনা সন্দেহভাজনদের পরীক্ষাও সহজলভ্য হয়নি। তাই অনেকেই সর্দি-কাশি হলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। বুঝতে পারছেন না করোনা আক্রান্ত কিনা।

সম্প্রতি এই সংকট কাটিয়ে উঠতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) একদল শিক্ষার্থী তৈরি করেছেন ‘করোনা ইনফো’ নামে একটি অ্যাপ। এই টিমে কাজ করেছেন মমশাদ দিনুরী, আব্দুল্লাহ জুনায়েদ খান ও মাহবুবুর রহমান। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে মমশাদ দিনুরী জানান, এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে প্রাথমিকভাবে জানতে পারবেন আপনার বর্তমান অবস্থা কি। এই তথ্যগুলো একটা সেন্ট্রাল সার্ভারে থাকবে। প্রতিটি ডাটাকে গুরুত্বভেদে বিভিন্ন লিস্ট করে সেই লিস্ট অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অ্যাপটির মাধ্যমে নিজের এবং নিজের পরিবারের সদস্যদের তথ্য দিতে পারবেন। আপনাদের সহায়তায় পুরো বাংলাদেশের একটা ডিজিটাল ট্র্যাকিং ম্যাপ তৈরি হবে। যার ফলে রেসপন্স করা খুবই সহজ হবে।

তিনি আরও বলেন, আপনি হিটম্যাপ থেকে বিভাগের তথ্য এবং বাংলাদেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতিও দেখতে পারবেন। ‘করোনা ইনফো’ অ্যাপটি নিয়ে সরকারের এ টু আই প্রজেক্টের অধীনে কোভিড-১৯ ইমারজেন্সি গ্রুপ বাংলাদেশ এ কাজ করা হচ্ছে।

জানা যায়, অভিজ্ঞ ডাক্তারদের একটি গ্রুপের মাধ্যমে করোনা রোগী চেনার জন্য বেশকিছু প্রশ্ন বাছাই করা হয়েছে। যেগুলার উত্তর সাবমিট করে ব্যবহারকারী প্রাথমিকভাবে তার করোনার লক্ষণ আছে কিনা বুঝতে পারবেন। আর এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সরকারের একটা ডাটাবেজে সংরক্ষিত হয়। এই ডাটাবেজের লিস্ট দেখে সরকার যদি মনে করে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা দরকার, তখন ব্যক্তির লক্ষণ সাবমিট করার সময় জমা দেয়া ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হবে।

আরো পড়ুন: এক হাজার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হবে আজ

তবে প্লে স্টোর করোনা রিলেটেড অ্যাপগুলো গ্রহণ করছে না বিধায় এই অ্যাপসটিতে অ্যাপটোইড ব্যবহার করা হয়েছে। আর যেকোনো অভিযোগ, প্রয়োজনে নিচের ফোন নম্বর এবং ই-মেইল ব্যবহার করে করোনা ইনফো টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।

অ্যাপটি ডাউনলোড করার লিংকঃ https://com-tne-selfreportingapp.en.aptoide.com/app?store_name=zeroth.index

বিস্তারিত খবর

করোনায় সেবা দিতে বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের রোবট

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৩ ০৭:৪৯:৫৬

বিশ্বজুড়ে এখন করোনা আতঙ্ক। প্রাণঘাতী কভিড-১৯ খুবই ছোঁয়াচে। তাই রোগীর সংস্পর্শে যাওয়া বিপজ্জনক। রোগীকে সেবা দেওয়া চিকিৎসকরাও আছেন ঝুঁকিতে। এ পরিস্থিতিতে রোগী থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে নির্বিঘ্ন চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার হতে পারে চমৎকার কৌশল। এ নিয়ে বাংলাদেশের তরুণ প্রকৌশলীরা আশার সংবাদ শুনিয়েছেন। গত মঙ্গলবার তারা দাবি করেছেন, স্বল্প ব্যয়ে তৈরি করা 'সেবক' নামের রোবট কভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের সহযোগিতা করতে সক্ষম। গবেষক দলের নেতৃত্বে থাকা বেসরকারি সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষক মেহেদী হাসান বলেন, 'আমাদের তৈরি করা রোবট চিকিৎসক এবং অন্যদের দূরে রেখেই কভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় ছয়টি জরুরি সেবা দিতে সক্ষম।'
তিনি জানান, কভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় চীনাদের মডেল অনুসরণ করে এ রোবট তৈরি করা হয়েছে। তাদের তৈরি করা ভিডিওতে দেখা গেছে, সংশ্নিষ্ট সবাইকে নিরাপদ দূরত্বে রেখে রোবটটি সেবা দিচ্ছে।
বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রভাষক মেহেদী হাসান তার অনুষদের একজন সহকর্মী ও দুই শিক্ষার্থীকে নিয়ে রোবট তৈরি করেছেন। এ রোবটের দাম ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, একজন চিকিৎসক একটি কন্ট্রোল স্টেশনে থেকেই এ রোবটের সাহায্যে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার এবং হাসপাতালে থাকা বেশ কয়েকজন রোগীকে সেবা দিতে পারবেন।
তাদের এ দলটির নাম 'টিম সেভিয়ার বিডি'। তাদের তৈরি রোবটটির কাজ দেখানোর জন্য তারা একটি ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে প্রকাশ করেছেন।

বিস্তারিত খবর

কর্মহীনদের আহার জোগাতে অনলাইন উদ্যোগ

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০১ ০৭:১১:০৭

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরবর্তী পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমজীবী মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করতে অনলাইনে সামাজিক উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশি কনটেন্ট প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান জাস্ট স্টোরিজ।

বুধবার (০১ এপ্রিল) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

‘আহার-এ জীবন’ শীর্ষক কার্যক্রমে যারা অংশ নেবেন তাদের কাছে থেকে শুকনো খাবার সংগ্রহ করে সুবিধাবঞ্চিতদের কাছে পৌঁছে দেবে একদল তরুণ স্বেচ্ছাসেবক। এতে নগদ অর্থও দেওয়া যাবে।

কার্যক্রম নিয়ে জাস্ট স্টোরিজ দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, করোনা ভাইরাসের কারণে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত আর খেটে খাওয়া মানুষগুলো সব থেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছে। থমকে গেছে তাদের উপার্জনের পথগুলো। সমাজের সেই মানুষগুলোকে সাহায্য করার জন্য স্বাবলম্বী মানুষদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

সামাজিক উদ্যোগটির কর্মীরা বলেন, অনেকেই চাইছেন সাহায্য করতে, কিন্তু পারছেন না। তাদের জন্য আমাদের ‘আহার-এ-জীবন’ এর ভলান্টিয়ার বাহিনী কাজ করছে।  শুকনো খাবার যেমন চাল, ডাল, তেল, ডিম, পেয়াজ, আলু এরকম শুকনো খাবার স্বেচ্ছাসেবকরা নিবন্ধিত ঠিকানায় গিয়ে নিয়ে আসবে।

প্রতি সপ্তাহের সোম আর মঙ্গলবার, যথাযথ নিরাপত্তার সঙ্গে  শুকনো খাবার সংগ্রহ করা হবে।  এই সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া যাবে ইন্টারনেটের এই ঠিকানায়- aharejibon.juststorys.com।

এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

বিস্তারিত খবর

করোনাভাইরাস: বিশ্বনেতাদের পোস্ট ডিলিট করছে ফেসবুক-টুইটার

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-৩১ ১৩:৫১:৩১

ফেসবুক এবং টুইটার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কয়েকজন রাষ্ট্র-নেতার পোস্ট ডিলিট করেছে যেগুলোতে করোনাভাইরাস সম্পর্কে মিথ্যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছিল। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেয়ার বোলসোনারোর এরকম একটি ভিডিও ফেসবুক ডিলিট করা হয়েছে। এটিতে দাবি করা হয়েছিল 'হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন' করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় খুবই কার্যকরী।

প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো বার বার করোনাভাইরাসের বিপদকে খাটো করে দেখাতে চেয়েছেন। এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা যেসব পরামর্শ দিচ্ছিলেন, বিশেষ করে লোকজনকে পরস্পরের কাছ থেকে দূরে থাকার যে পরামর্শ, সেগুলো তিনি উপেক্ষা করতে ব্রাজিলের মানুষকে উৎসাহিত করছিলেন।

টুইটার ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর একটি টুইট ডিলিট করেছে একই রকম কারণে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধের একটি ঘরোয়া টোটকা চিকিৎসা টুইট করেছিলেন প্রেসিডেন্ট মাদুরো। বড় বড় রাষ্ট্র-নেতাদের পোস্ট ফেসবুক বা টুইটার ডিলিট করছে এমন ঘটনা বিরল। অতীতে কোন কোন ক্ষেত্রে রাষ্ট্র-নেতারা ভুয়া বিষয় প্রচার করছেন এমন প্রমাণিত হওয়ার পরও সেসব পোস্ট ডিলিট করা হয়নি।

যেমন টুইটার এর আগে একবার বলেছিল, বিশ্বনেতারা নিয়ম ভাঙলেও তারা এসব পোস্ট ডিলিট করবে না, কারণ সাধারণ মানুষের এগুলো নিয়ে বিপুল আগ্রহ আছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের বেলায় যেরকম গুজব আর মিথ্যে তথ্য ছড়াচ্ছে তা ঠেকাতে বিরাট চাপের মুখে পড়েছে ফেসবুক আর টুইটারের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো। টুইটার চিকিৎসা নিয়ে অপপ্রচার মোকাবেলা সংক্রান্ত গাইডলাইন সম্প্রতি আপডেট করেছে। আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য নির্দেশনার বিপক্ষে যায় এমন যে কোন বিষয়কে তারা এখন অপপ্রচার বলে গণ্য করবে।

অন্যদিকে ফেসবুক অঙ্গীকার করেছে, শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে এমন তথ্য তারা তাদের সাইট থেকে অপসারণ করবে। প্রেসিডেন্ট বোলসোনারোর একটি পোস্টে দেখা যাচ্ছিল তিনি টাগুয়াটিংগার একটি রাস্তায় দাঁড়িয়ে লোকজনের সঙ্গে কথা বলছেন।

ফেসবুক জানিয়েছে- তারা প্রেসিডেন্ট বোলসোনারোর এই ভিডিওটি ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম- দু জায়গা থেকেই অপসারণ করেছে। কারণ এই পোস্ট তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘন করছিল। পরবর্তীকালে ফেসবুক দুটি নিউজ-সাইট 'বাজফীড‌' এবং 'দ্য ভার্জ'কে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট বোলসোনারোর এই ভিডিওটিতে 'হাইড্রাক্সিক্লোরোকুইন' সম্পর্কে কিছু দাবি করা হয়েছিল। সে কারণেই ভিডিওটি অপসারণ করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, করোনাভাইরাসের এখনো পর্যন্ত কোন প্রমাণিত চিকিৎসা নেই, যদিও কিছু কিছু ঔষধের মিশ্রণ ব্যবহার করে হয়তো কিছুটা উপশম পাওয়া যাচ্ছে। হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন এবং এটির একটি উপাদান ক্লোরোকুইন করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় কার্যকর এমন প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। কিন্তু এই দুটি ঔষধ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

তবে কোন ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের 'ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন‌' (এফডিএ) এই দুটি ঔষধ কোভিড-নাইনটিন রোগীদের জরুরী চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে বলে অনুমোদন দিয়েছে। এতদিন এই দুটি ঔষধ মূলত ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হতো।

এফডিএ বলেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই দুটি ঔষধ যে ফল দিতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে, তার তুলনায় এটি ব্যবহারের ঝুঁকি সেরকম বেশি নয় বলেই মনে করে তারা।


এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আইসিটি

বিস্তারিত খবর

অ্যান্ড্রয়েড ১১ সংস্করণে ওয়ান-টাইম লোকেশন অ্যাকসেস

 প্রকাশিত: ২০২০-০২-২৩ ০৫:১৮:১১

সার্চ ইঞ্জিন গুগল এবার লোকেশন ট্র্যাকিং অনুমতির বিষয়টি একবারই অ্যাপের ক্ষেত্রে নেবে। আগে বিষয়টি প্রতিটি অ্যাপে আলাদাভাবে প্রতিবার নেওয়া হতো। অ্যান্ড্রয়েড ১১ সংস্করণ থেকে এটি একবারই নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
গত বছর আইওএস ১৩ সংস্করণ থেকে লোকেশন ট্র্যাকিং অনুমতি একবারই নেওয়ার অপশন চালু করে অ্যাপল। একই পদ্ধতিতে এবার গুগল কাজটি করলো। ইতোমধ্যে অ্যান্ড্রয়েড ১১ সংস্করণের ডেভেলপার সংস্করণে বিষয়টি সক্রিয় করা হয়েছে।
সাধারণত কোনও অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে লোকেশন ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হয়। আগে এটি প্রতিটি অ্যাপে প্রতিবার ব্যবহারের ক্ষেত্রেই চাওয়া হতো। এবার সেটি অ্যাপ ব্যবহারের শুরুতে একবারই চাওয়া হবে। অ্যাপের পাশাপাশি মাইক্রোফোন ও ক্যামেরা অ্যাকসেসের ক্ষেত্রেও একবারই অনুমতি চাওয়া হবে।
এ সুবিধা চালুর পাশাপাশি গুগল ইতোমধ্যে ‘অ্যালাও অল দ্য টাইম’ নামের অপশনটি মুছে ফেলছে। এর ফলে কোনও অ্যাপ ব্যবহার শুরুর সময় লোকেশন ট্র্যাকিং অনুমতি চাওয়া হবে না। এক্ষেত্রে যেসব অ্যাপ ডেভেলপারদের অ্যাপে লোকেশন অ্যাকসেস প্রয়োজন তাদের সেটিংস থেকে লোকেশন অ্যাকসেস সক্রিয় করার জন্য ব্যবহারকারীদের আলাদা নোটিফিকেশন দিতে হবে।
বিষয়টি নতুনভাবে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য চালু হলেও আগে থেকেই আইওএস ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন। তবে অ্যান্ড্রয়েডের তুলনায় যেহেতু আইওএস অপারেটিং সিস্টেম বেশি দ্রুত কাজ করে তাই স্মার্টফোন ভেদে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা কিছুটা সমস্যায় পড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এ নিয়ে মুখ খোলেনি গুগল কর্তৃপক্ষ। যেহেতু বিষয়টি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে তাই চালুর পর ব্যবহারকারীদের ওপর নির্ভর করবে নতুন এই সুবিধা চালুর করার ভালো-মন্দ দিক।

বিস্তারিত খবর

ফেসবুক তৈরি ছিল ভয়ঙ্কর ভুল: জাকারবার্গ

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-১২ ১২:১৫:৫৩


ফেসবুক নিয়ে আলোচনা সমালোচনা কম হয়নি। এবার মুখ খোললেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। নিজেই নিজের তৈরি এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ‌্যমের সমালোচনা করেছেন।

জাকারবার্গ জানান, ফেসবুক সমাজকে বিপুল ক্ষতির মুখোমুখি করছে। বুধবার জাকারবার্গ এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, বিগত এক বছরে তার পরিষেবা থেকে সৃষ্ট একাধিক সংকটের জন্য তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন।

জাকারবার্গ বলেছেন, আমি মনে করি জীবনে ভুল থেকে শিখতে হবে। এগিয়ে যাওয়ার জন্য আপনার কী করা উচিত তা নির্ধারণ করতে হবে। আপনি যখন ফেসবুকের মতো এমন কিছু তৈরি করছেন যা পৃথিবীতে নজিরবিহীন, তখন এমন কিছু জিনিস হয়ে উঠবে যেগুলি আপনাকে বিভ্রান্ত করে।

ফেসবুকের ভাইস প্রেসিডেন্ট চামাথ পালিপিতিয়া জানান, ফেসবুক হলো ভয়ঙ্কর ভুল। তিনি তার সন্তানকে ব্যবহার করতে দেন না ফেসবুক।

তিনি জানান, ফেসবুক তৈরি করা হয়েছিল সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে। সামাজিক কাজকর্ম করার জন্য ফেসবুক অনেক রকম টুলস এনেছে।

চামাথ পালিপিতিয়া জানান, কীভাবে মানুষের মন ঘোরানো যায় সেটা নিয়েও তারা ভাবছেন। কিন্তু তার সঙ্গে সঙ্গে তিনি বলেন, শিশুদের মাথায় কখন কী চলছে, সেটা শুধু ওপরওয়ালা জানেন।

বিস্তারিত খবর

মহাকাশ থেকে ক্বাবা ঘরের ছবি তুললেন নভোচারী, মুহূর্তেই ভাইরাল

 প্রকাশিত: ২০১৯-১১-১৭ ০০:১৮:০৫

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম নভোচারী হিসেবে গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে অবস্থান করছেন হাজজা আল মানসুরী। আর সেখান থেকেই তিনি ইসলামের পবিত্রতম স্থান মসজিদ আল হারামের (ক্বাবা) একটি ছবি শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়া ইনস্টাগ্রামে। এর আগে হাজজা আল মানসুরি তার এ মহাকাশ যাত্রায় সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন পবিত্র গ্রন্থ কুরআনের একটি কপি।

ভূ-পৃষ্ট হতে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থান করে মহাকাশ স্টেশন হতে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তোলা মক্কার মসজিদ আল হারামের এ ছবি মুহূর্তেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
 
পবিত্র নগরী মক্কা ও কাবার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে হাজজা এই ছবিটির ক্যাপশনে লিখেছেন ‘এটি এমন একটি জায়গা যা সারা বিশ্বের প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ে বাস করে এবং তারা এটির দিকে মুখ করেই করেই সালাত আদায় করে।’

উল্লেখ্য যে, আমিরাতের প্রথম সব মিলিয়ে ২৪০তম দর্শনার্থী নভোচারী হিসেবে হাজজা আল মানসুরি মহাকাশে গেছেন। আর মহাকাশে নভোচারী পাঠানোর তালিকায় ১৯তম দেশ হিসেবে নাম লিখিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, আরব দেশগুলোর মধ্যে যা প্রথম।

বিস্তারিত খবর

কোরআন সঙ্গে নিয়ে মহাকাশে যাচ্ছেন নভোচারী

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৮-৩০ ১৪:১৩:৪৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দা হাজা আল মানসুরি। প্রথম অ্যারাবিয়ান হয়ে মহাকাশ ভ্রমণে যাচ্ছেন তিনি। দেশটির জাতীয় পতাকার সঙ্গে মহাকাশে পবিত্র কোরআন মাজিদের একখণ্ড পাণ্ডুলিপি নিয়ে যাচ্ছেন এই নভোচারী।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, মহাকাশ সফরে ১০ কেজি পণ্য বহন করতে পারবেন হাজা আল মানসুরি। সে হিসাবে কোরআনের একখণ্ড পাণ্ডুলিপি, পারিবারিক ছবি, খাঁটি সিল্কে বোনা আরব আমিরাতের পতাকা, ‘কিসাতি’ (আমার গল্প) নামক একটি গ্রন্থ, শায়খ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহইয়ানের ছবি এবং ‘আল গাফ’ গাছের ৩০টি বীজ মহাকাশে নিয়ে যাচ্ছেন এই আরবীয় নভোচারী।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘মোহাম্মদ বিন রশিদ স্পেস সেন্টারের’ সহকারী মহাপরিচালক সালেম আল মেরি বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম মহাকাশ নভোচারী হলেন হাজা আল মানসুরি। এটিই প্রথম আমাদের মহাকাশ কর্মসূচি। আমরা সফল হলে মহাকাশ ভ্রমণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯তম দেশ হবে।

মার্কিন মহাকাশ সংস্থার (নাসা) ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর মহাকাশযান ‘সয়ুজ এমএস ১৫’-এর মাধ্যমে মহাকাশ ভ্রমণে যাচ্ছেন আল মানসুরি। তাঁর সঙ্গে জেসিকা মেয়ার ও ওলেগ স্ক্রিপোচকার নামে আরো দুই নভোচারীও যাচ্ছেন।

বিস্তারিত খবর

মানুষ কি সত্যিই চাঁদে গিয়েছিল?

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৭-৩১ ০৬:৩৫:০৯

চাঁদের মাটিতে সত্যিই মানুষের পা পড়েছে কিনা, তা নিয়ে রয়েছে অনেক জল্পনা-কল্পনা। অর্ধশতাব্দী পার হয়ে গেলেও এখনও এই বিতর্ক থেকে বের হতে পারেনি নাসা। এ নিয়ে একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। সাংবাদিক রিচার্ড গডউইনের সেই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কীভাবে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই অভিযান বিতর্কিত হয়ে উঠলো। বাংলা ট্রিবিউনের পাঠকের জন্য ওই প্রতিবেদনের ভাষান্তর করেছেন গ্লোরিয়া অমৃতা। 

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৬৯ সালে নিল আর্মস্ট্রং এবং বাজ আলড্রিন-এর চাঁদে অবতরণ সফল করার পেছনে ৪ লাখ নাসা কর্মী এবং কন্ট্রাক্টর তাদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং শক্তি বিনিয়োগ করেছিলেন। তবে মাত্র একজন ব্যক্তির ছড়ানো ধারণা এই সম্পূর্ণ ঘটনাটিকে ধাপ্পাবাজি হিসেবে ব্যাখ্যা দিয়ে অনেকের মনে সন্দেহের  সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়। ওই ব্যক্তির নাম বিল কেসিং। কেসিং মার্কিন মহাকাশ প্রকল্পে দক্ষতার সঙ্গে অবদান রেখেছিলেন এবং ১৯৫৬ এবং ১৯৬৩ সালের মধ্যে তিনি রকেট ডাইন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মী হিসেবে কাজ করেছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানটি স্যাটার্ন ভি নামের রকেট ইঞ্জিন তৈরির কাজে সাহায্য করে।

পুরো বিষয়টি একটি দৃঢ় বিশ্বাসে রূপান্তরিত হওয়ার আগেই এর শুরুটা হয়েছিল একটি পূর্বাভাস ও একটি অনুমান ধারণার মধ্য দিয়ে। ধারণা ছিল, চাঁদে অবতরণের জন্য কিংবা আপাতদৃষ্টিতে চাঁদে গিয়ে আবার ফিরে আসার জন্য যে প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রয়োজন, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটতি ছিল। ১৯৭৬ সালে কেসিং ‘আমরা কখনও চাঁদে অবতরণ করিনি: আমেরিকার ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রতারণা’ নামের একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেন। যেখানে তিনি তার দৃঢ় বিশ্বাস প্রমাণের জন্য গ্রেইনি ফটোকপি এবং হাস্যকর কিছু তথ্য দিয়েছিলেন। তিনি তার অনুসন্ধানের মাধ্যমে কিছু চিরজীবী ও গ্রহণযোগ্য তত্ত্ব প্রণয়নে সমর্থ হয়েছিলেন, যেগুলো এখনও কিছু হলিউড সিনেমা, ফক্স নিউজ ডকুমেন্টারি, রেডিড ফোরাম এবং ইউটিউব চ্যানেলে জায়গা করে নিয়েছে।

চাঁদে যাওয়া নিয়ে যদিও বেশকিছু অসাধারণ প্রমাণ রয়েছে, যেমন ৩৮২ কেজি চাঁদের পাথর, যা প্রায় ছয়টা মিশন থেকে সংগৃহীত। রাশিয়া, জাপান এবং চীনও একে সমর্থন দিয়েছিল। এছাড়া নাসার চন্দ্রপরিদর্শনকারী অরবিটের মাধ্যমে পাঠানো ছবি যেখানে চাঁদের পিঠে অবতরণকারীদের পায়ের ছাপ দেখাচ্ছে। তারপরও ১৯৬৯ সালের দিকে চাঁদে যাওয়ার ঘটনা ধাপ্পাবাজি হিসেবে প্রমাণ করার ষড়যন্ত্র অনেক বেশিই বিকশিত হওয়া শুরু করে। ‘৯/১১ হামলায় নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসী, সংশয়বাদী, টিকাদানের বিরোধী, যারা বিশ্বাস করেন উড়োজাহাজ রাসায়নিক পদার্থ স্প্রে করে, যারা বিশ্বাস করেন পৃথিবী সমতল, যারা হলোকাস্ট অস্বীকার করেন, চাঁদে অবতরণও তেমনি অনেকের কাছে একটি ধাপ্পাবাজি’র ঘটনা। আর এটা কেবলমাত্র ক্ষোভ উদ্‌গিরণের উৎস নয় বরং একটি তত্ত্ব হিসেবে হাজির আছে।

তেমনই বিভিন্ন সংশয়বাদীর মধ্যে একজনের নাম কিংপিং জো রিগ্যান। ইউটিউবের শেন ডাওসানও তাদেরই একজন। এমনকি গত বছর নিউজার্সিতে একজন সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপকও তার ছাত্রদের কাছে চাঁদে যাওয়ার ঘটনাটি মিথ্যা আকারে হাজির করেন। যেখানে খোদ কেসিং বিশ্বকে সচেতন করার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত বইয়ের ফটোকপির ওপর নির্ভর করেছিলেন, সেখানে এখনকার সংশয়বাদীরা নিজেদের ব্যক্তিগত উৎসাহ থেকে বিভিন্ন নথি তৈরি করছেন। যেমন নাসা কতো অলস ছিল যে, তারা অ্যাপোলো ১৫, ১৬ আর ১৭’র জন্য একটিমাত্র চন্দ্রযান ব্যবহার করেছিল। অথবা নাসা কীভাবে এতোগুলো বছর ধরে বোকা বানিয়ে রেখেছে। অথবা তারা ‘একটি জিনিস এখনও আমার মাথায় ঢুকছে না’ নাম দিয়ে বিভিন্ন নথি সামনে হাজির করার চেষ্টা করছে।

এ ব্যাপারে দীর্ঘশ্বাস ফেলে নাসার সাবেক শীর্ষস্থানীয় ইতিহাসবিদ রজার লওনিয়াস বলেন, সত্য কথা বলতে হলে ইন্টারনেট মানুষকে যা খুশি ইচ্ছামতোন বলার ও করার সুযোগ দিয়েছে এবং তা আরও বেশিসংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। আর এটা সত্যি, মার্কিনিরা এসব ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব শুনতেও বেশ আগ্রহী। সবসময়ই কেউ না কেউ ব্যক্তি-বিপরীত ব্যাখ্যা তৈরি করে নেওয়ার জন্য তৈরি থাকে। এমনকি চাঁদে যাওয়ার ব্যাপারে ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব ব্রিটিশদের কাছে আকর্ষণীয় তত্ত্ব হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। গত বছর ‘দিজ মর্নিং’ নামের সম্প্রচারিত একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে একজন অতিথিকে স্বাগত জানানো হয়, যার ধারণা ছিল কেউ কখনও চাঁদে পৌঁছাতে পারবে না। কারণ চাঁদ সম্পূর্ণ আলো দিয়ে তৈরি। মার্টিন কেরি নামের একজন ব্যক্তির দাবি, অতীতে চাঁদে অবতরণের যে দৃশ্য দেখানো হয়েছিল, সেটার সত্যতা প্রমাণের সুযোগ নেই। তবে বর্তমানে এই আধুনিক প্রযুক্তির যুগে তরুণেরা এ ব্যাপারে নিজস্ব অনুসন্ধান জারি রেখেছে।

সাম্প্রতিক এক জরিপে (ইউগভ) দেখা গেছে,  প্রতি ছয়জন ব্রিটিশ নাগরিকের মধ্যে অন্তত একজন বিশ্বাস করে, চাঁদে অবতরণও যে একটি সাজানো ঘটনা ছিল। চার শতাংশ ব্রিটিশ বিশ্বাস করে, এটি স্রেফ ধাপ্পাবাজি। ১২ শতাংশের বিশ্বাস, ঘটনাটি সত্য হলেও হতে পারে, আর বাকি ৯ শতাংশের অভিমত,  তারা এ ব্যাপারে জানেন না। চাঁদে যাওয়ার ব্যাপারে এই ভ্রান্তি সবথেকে বেশি ছিল তরুণদের মধ্যে। ৫৫ বছরের বেশি বয়সের মানুষদের ১৩ শতাংশ চাঁদে যাওয়ার বিষয়টি সাজানো মনে করে। আর ২৪ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের মধ্যে এই হার ২১ শতাংশ।

কেসিংয়ের মূল অনুসন্ধান এই বিষয়ে আরও মদত জোগাচ্ছে। ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি হলো সেই ছবিগুলোর মধ্যে একটি তারাও দৃশ্যমান। আরেকটা হলো ল্যান্ডিং মডিউলের নিচের অংশ: পর্যাপ্ত আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত না হওয়া। তৃতীয়ত: অবতরণকারীদের ছায়ার অবস্থান। যারা জানত, যে ব্যাপারগুলো নিয়ে এসব ষড়যন্ত্রকারী কথা বলছে, তা শুধুমাত্র এসব বিশৃঙ্খলাকে ব্যাখ্যা করার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপচয় করছে, তারা তাদের নিজেদের পেশায় সম্মানিত (ক্যামেরা এক্সপোজের সময় যেভাবে ভ্যাকিউমের ভেতর তৃষ্ণা কাজ করে এবং তাদের ধুলার প্রতিফলিত ধর্ম কাজ করে)। তথাপি ২০০৫ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কেসিং স্বীকার করেন, এ সবকিছু্ই ছিল একটি মিথ্যাচার যা কিনা একটি টিভি স্টুডিওতে ধারণ করা হয়েছিল। ১৯৯৪ সালে উইয়ার্ডকে তিনি বলেন, এটি খুবই তথ্যসমৃদ্ধ কাজ ছিল যে নাসা প্রায়শই এটিকে খারাপভাবে পরিচালনা করতো এবং তাদের নিয়ন্ত্রণের গুণগত মানও খারাপ ছিল। কিন্তু ১৯৬৯ সালে আমরা কীভাবে হঠাৎ করেই একটি বলিষ্ঠ কাজে অংশগ্রহণ করতে সমর্থ হলাম? তাও পরিপূর্ণ সফলতার সঙ্গে? এটা অবশ্যই সমস্ত পরিসংখ্যানে অস্বাভাবিকতার বিপরীত।

অবশ্য তিনি এই একটা ব্যাপারে যথাযথ ছিলেন, যখন সোভিয়েতরা ১ অক্টোবরে তাদের স্পুটনিক মহাকাশ উন্মোচন করলো (একমাস পর এটি স্পুটনিক ২-কে অনুসরণ করে, যা লাইকা নামের কুকুরটিকে বহন করেছিল), তখন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ ব্যবস্থার অস্তিত্বই ছিল না। নাসার জন্ম ১৯৫৮ সালে এবং তা অ্যালান শেফার্ডকে মহাশূন্যে নিতে সক্ষম হয় ১৯৬১ সালের মে মাসে। কিন্তু যখন জন এফ কেনেডি ঘোষণা করলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই এ দশক শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই আপাতত একটি মানুষকে চাঁদে পাঠানো এবং সুস্থভাবে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সক্ষম হতে হবে। তখন এ ঘোষণাটি অনেক বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী মনে হলো।

ষাটের দশকের মাঝামাঝি মার্কিন রাষ্ট্রীয় বাজেটের ৪ শতাংশের বেশি বরাদ্দ ভোগ করছে নাসা। তবে তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন সবকিছু প্রথমেই অর্জন করে ফেলছিলো। যেমন মহাশূন্যে প্রথম নারী ভ্রমণ (১৯৬৩), প্রথম অতিরিক্ত যানবাহন সম্পর্কিত কার্যক্রম, যেমন স্পেস ওয়াক (১৯৬৫)। তখন মার্কিনিরা তাদের লাঞ্চপ্যাডে অগ্নিকাণ্ড অ্যাপোলো-১ এর তিনজন নভোচারীর মৃত্যুর হয়। ফলে রাশিয়ার উন্নতিতে নিজেদের অবনতি অনেক ভালোভাবে উপলব্ধি করছিল যুক্তরাষ্ট্র।

গডউইন বলেন, আপনি যদি কখনও লন্ডনের বিখ্যাত জাদুঘরে যান, জানতে পারবেন লুনার মডিউল বিশেষত তৈরি করা হয়েছিল টিন ফয়েল দিয়ে। অ্যাপোলো-৮ চাঁদের কক্ষপথে পরিভ্রমণ করেছে ১৯৬৮ সালে। কিন্তু আর্মস্ট্রংয়ের ভাষ্যমতে সঠিক কোর্স নির্ধারণ করা এবং চাঁদে অবতরণ করা ছিল এই অভিযানের সবচেয়ে কষ্টকর অংশ। তিনি আরও বলেন, চন্দ্রপৃষ্ঠে হাঁটা ছিল আরও ১০টি কষ্টকর কাজের মধ্যে একটি (যদিও তার পায়ে যেই টিভি ক্যাবল জড়ানো ছিল, সেটা নিয়ে হাঁটাটা একটু কঠিন), কিন্তু আমি মনে করি চাঁদে অবতরণ করা সমস্যার সংখ্যার দিক থেকে ১৩তম।

অর্ধশতাব্দী ধরে ‘মিথ্যাচারের’ ব্যাপারে নাসায় কর্মকরত একজন কর্মীর মুখ থেকেও একটি ‘সত্য’ বের করতে সক্ষম হওয়া যায়নি। একটি মিথ্যাকে পুরো দুনিয়ার কাছে টিকিয়ে রাখা নাসার পক্ষে তাই অনেক কঠিন। ফলে চন্দ্রাভিযানের ধাপ্পাবাজির ধারণাটি শেষ পর্যন্ত ধোপে টেকেনি। আপনাকে এটাও ভাবতে হবে, ১৯৬৯ সালে নাসাতে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল, সেখানে ২০১৯ সালের স্পেশাল ইফেক্ট সমৃদ্ধ প্রযুক্তি মানুষের আওতাধীন ছিল এবং প্রায় ৬০ কোটি টিভি দর্শকদের মধ্যে কেউ এ ব্যাপারে কোনও খটকা অনুভব করেননি। স্ট্যানলি কুবরিক্স-এর ‘২০০১ অ্যা স্পেস অডিসি (১৯৬৪)’ সিনেমাটি একটি উৎকৃষ্ট প্রমাণ যে তখন হলিউড স্পেশাল ইফেক্টের গুণগত মান কেমন ছিল। সেই সময়ের সিনেমার প্রযুক্তি বিবেচনা করলে চাঁদের অভিযানের সম্প্রচার চূড়ান্তভাবে অনির্ভরযোগ্য ছিল। প্রকৃতপক্ষে এটি সঠিক একটি লোকেশনেও সিনেমা করার জন্য অদক্ষ ছিল।

১৯৮৮ সালে রবিবারে খেলার পত্রিকার প্রথম পাতায় ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার দুজন বোমারুকে চাঁদে পাওয়া গিয়েছে’ এই শিরোনামে ছাপানো ঘটনাকে পাশ কাটিয়ে গেলেও ২০০১ সালে চাঁদ নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব আবার জনমনে উৎসাহ তৈরি করে। সে বছর ফক্স নিউজ ‘আমরা কি সত্যিই চাঁদে অবতরণ করেছিলাম’ নামক একটি ডকুমেন্ট প্রচার করে, যার পরিচালক ছিলেন ‘দ্য এক্স ফাইলস’-এর অভিনেতা মিচ পিলেগ্গি।  অনুষ্ঠানটিতে কেসিংয়ের দেওয়া তথ্যগুলোকে নতুন দর্শকদের কাছে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়। সে সময় নাসায় কাজ করা লওনিয়াস জানান, তিনি সবার সান্ত্বনার পরিবর্তে তাদের প্রতি শুধু বিদ্রূপটাই বেশি স্মরণ করতে পারে। তিনি বলেন, অনেক বছর পর্যন্ত তারা এসব বিষয়ের প্রতি কোনও সাড়া দেওয়া থেকে নিজেদের বিরত রেখেছেন। তারা এর প্রত্যুত্তর দেওয়ার তেমন কোনও প্রয়োজন মনে করেননি। কিন্তু যখন ফক্স নিউজ সেই তথাকথিত প্রামাণ্যচিত্রটি সম্প্রচার করলো, বিষয়টি সত্যিই তার সীমানা অতিক্রম করে। তখন তারা বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন-উত্তরের সম্মুখীন হতে শুরু করে।

লওনিয়াস বলেন, সে সময় বেশিরভাগ ফোন সন্দেহকারীর কাছে থেকে নয় বরং পিতামাতা ও শিক্ষকদের কাছ থেকে আসতে থাকে। সবাই বলাবলি করতে লাগলো ‘আমার বাচ্চা এটা দেখেছে, আমি তাকে কীভাবে উত্তর দেবো।’ পরিস্থিতি সামাল দিতে নাসা একটি ওয়েবপেজ তৈরি করে কিছু কিছু বিষয় সম্পর্কে জানিয়ে শিক্ষকদের তথ্য পাঠানো শুরু করলো।

ফক্স নিউজের ওই প্রামাণ্যচিত্রের সবচেয়ে মারাত্মক বিষয় ছিল একটি পরিসংখ্যান। সেখানে দাবি করা হয়, মার্কিনিদের মধ্যে ২০ শতাংশ বিশ্বাস করে, চাঁদে যাওয়ার ব্যাপারটি একটি ধাপ্পাবজি ছিল। লওনিয়াস বলেন, প্রকৃতপক্ষে এই ভোটের ফলাফল ৪-৫ শতাংশের ভেতর হওয়া উচিত ছিল।  কিন্তু ভোটের প্রশ্নগুলোকে অতিরঞ্জিত করার মাধ্যমে মানুষের চোখকে ফাঁকি দিয়ে আকর্ষণীয় ফল অর্জন করা অনেকটাই সহজ ব্যাপার। প্রতিটা সময় যখন এ ব্যাপারে কোনও আলোচনা, এমনকি সিনেমার সাধারণ একটা সংলাপও বিষয়টাকে ইন্ধন জোগায়। তিনি এই ব্যাপারে নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলানের ‘ইন্টারস্টেলার’ নামক একটি চলচ্চিত্রের এক দৃশ্যের বর্ণনা করেন। যেখানে একজন স্কুলশিক্ষক ম্যাথিউ এক চরিত্রকে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধে জেতার জন্য জানান, চাঁদে অবতরণ করা একটি মিথ্যা। এটা শুধুমাত্র সিনেমার প্রয়োজনে তৈরি করা একটি দৃশ্য ছিল। কিন্তু এই ছোট ব্যাপারটি পুরো বিষয়টাকে নিয়ে বড় ধরনের সাড়া ফেলে দেয়।

‘দ্য মুন- অ্যা হিস্ট্রি ফর দ্য ফিউচার’ বইয়ের লেখক অলিভার মর্টন বিশ্বাস করেন, চাঁদে যাওয়া নিয়ে ষড়যন্ত্র করার ব্যাপারে অধ্যবসায় মোটেও অবাক করার কিছু নয়। যেখানে অনেক ধরনের প্রমাণ রয়েছে (যেমন অ্যাপোলো-১১), সেখানে অসম্ভব নামক ঘটনার ব্যাখ্যা এবং যে ঘটনার শূন্য প্রমাণ আছে, সেখানে বিশ্বাসযোগ্য ঘটনার বর্ণনা করে কিছু মানুষ জবাব চাইবেই। অ্যাপোলোর উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে দেখানো যে বিভিন্ন বড় কাজ করার ক্ষেত্রে মার্কিন সরকার কতটা ক্ষমতাধর। আর চাঁদ নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে বোঝানো যে যুক্তরাষ্ট্র সরকার মানুষকে বোকা বানিয়ে রেখে যা সত্য না তা বিশ্বাস করানোর ক্ষেত্রে ততটুকু ক্ষমতাসম্পন্ন। তবে ধাপ্পাবাজির গল্প তখনই সত্য হতো, যদি অ্যাপোলেকে কখনোই কোথাও না পাঠানো হতো। ১৯৭২ সালের পরও তার আর কোনও অভিযান ছিল না। তিনি আরও বলেন,  যখন মার্কিনিদের মন আবার ১৯৭০-এর ‘মস্তিষ্ক বিকৃতি’তে রূপান্তরিত হয়, তবেই এই বিষয়ে বিশ্বাস করা বেশি আনন্দদায়ক হবে।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই দোষের একটু ভাগ জেমস বন্ডকেও দিতে হবে। ‘ডায়মন্ড আর ফরেভার (১৯৭১)’ সিনেমাতে সিনকানারি ল্যাস ভেগাস ক্যাসিনোর পথে যাওয়ার সময় নাসার একটি ভবনে ঢুকে পড়ে। সেখানে পুরো সিনেমায় চাঁদের মধ্যে পৃথিবী অভিমুখী নভোচারীদের ছোটাছুটি দেখানো হয়েছে। কিন্তু এখানে এটা শুধু দৃশ্যত রসিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং নেভাদা মরুভূমির চারপাশে চাঁদের পোকার মতো ঘোরাঘুরির ঘটনাটি সত্যতা প্রদানের একটি পথ তৈরি করে। পরে ১৯৭৮ সালে পিটার হাইমে’র কেসিংয়ীয় ষড়যন্ত্র নিয়ে থ্রিলার ক্যাপ্রিকর্ন ওয়ান (১৯৭৮) সিনেমা নির্মাণ করেন। এর  মূল প্রতিপাদ্য ছিল, সরকার সবাইকে বোকা বানাচ্ছে। তখনই বিষয়টি আর হাসি তামাশার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। সিনেমার থিম ছিল মঙ্গলে অভিযান নিয়ে যে মিশনটা সাফল্য লাভ করে। বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য এবং সত্য গোপন রাখার জন্য কর্তৃপক্ষ সেই মিশনের নভোচারীদের হত্যা করা শুরু করে। যার মধ্যে একটি চরিত্রে অভিনয় করেন ও জে সিম্পসন।  সেই ‘পোস্ট ওয়াটারগেট স্ক্যান্ডাল’ যুগে সরকার এমন বড় মাপের একটি মিথ্যাচার করতে পারে এই ধারণা একটি বিশ্বাসযোগ্য বিষয়ে পরিণত হয়।

গডউইন বলেন, অ্যাপোলো ষাটের দশকে আশাবাদ এবং সত্তরের দশকে হতাশাবাদের ক্ষেত্রে একটি চূড়ান্ত ভূমিকা রেখেছিল। তখন আমরা একটি মানুষকে চাঁদে রেখে আসতে পারি। তো এখনও আমরা কেনও অলৌকিক কিছু করতে পারি না। এই প্রবাদটি একটি সাধারণ প্রশ্ন হয়ে ওঠে। মর্টনের ভাষ্যমতে, অবশ্যই সরকার অনেক অসাধারণ কিছু লক্ষ্য স্থির করতে পারে এবং সেটা পূরণ করার জন্য যা কিছু করার প্রয়োজন, করতে পারে। কিন্তু তার মানে এই নয়, তারা ভিয়েতনামের সঙ্গে যুদ্ধ জয়, অভ্যন্তরীণ শহরকে পরিচ্ছন্ন করা, ক্যানসারের প্রতিকার কিংবা এসব কিছুই যা মার্কিনিরা আসলেই সবচেয়ে বেশি চেয়েছিল তা পূরণ করতে পারবে। সরকার আসলে যেরকম ক্ষমতাধর হিসেবে নিজেকে দেখাতে চায়, আসলে তারা এতটা ক্ষমতাবান নয়। এই ধারণাটি তখন সবকিছুতে চরমভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা চলছিল। যেটা চন্দ্র ষড়যন্ত্রের বিষয়টিকে একটু মনোযোগ দিয়ে পর্যালোচনা করলে বোঝা যায়।

চন্দ্র ষড়যন্ত্র মূলত কোন কোন বিষয় নিয়ে করা হয়েছে তা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করার চেয়ে বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করা হয়েছে কোন কোন বিষয় তখন করা হয়নি তার ওপর। অ্যাপেলো, মার্স, জেমিনি এবং অ্যাটলাস মিশনের সবই কি মিথ্যা ছিল, নাকি লাইকা অথবা ইউরি গ্যাগারিন আসলেই কখনো মহাশূন্যে ভ্রমণ করেছিল। এবং কুবকিক কী ভূমিকা পালন করেছে, এ মতবাদগুলো নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে বিভেদ রয়েছে। কিন্তু যখন চন্দ্রষড়যন্ত্রকারীদের প্রথম প্রজন্ম রাগের মাধ্যমে আবেগতাড়িত ছিল, তখনকার সময় বিষয়টি একঘেয়েমি লাগার চেয়ে আরও কিছু বিষয় ছিল। তখন ষড়যন্ত্র এবং বিনোদনের মধ্যকার তফাৎ অনেক বেশি ঝাপসা ছিল।

তারপরও চন্দ্র ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার মানুষদের যন্ত্রণায় বিরক্ত হয়ে বাজ অলড্রিন ২০০২ সালে বার্ট সিব্রল নামক এক ষড়যন্ত্রকারীকে ঘুষি মারেন। যদিও একদিক থেকে বিবেচনা করলে এই ষড়যন্ত্রটা গণহত্যা ও ভ্যাকসিন ভয়াবহ তথ্যের তুলনায় নিরীহ। মর্টন নোট করেন, এটি অনেক অল্প ষড়যন্ত্রের মধ্যে একটা, যা ইহুদিবিদ্বেষ দ্বারা সংক্রমিত না। এমনকি এটি ডেনাল্ড ট্রাম্প যিনি কি না সংবাদমাধ্যমে বিনোদনের বিরাট এক উৎস, তার সঙ্গেও জড়িত নয়। এ বিষয়ে আধুনিক ইন্টারনেটের প্রগতিশীলতাও স্পষ্টত কোনও সাহায্য করতে পারেনি। খেয়াল করলেই দেখা যাবে, ইউটিউবে অ্যাপোলোর ভিডিওগুলো এবং বড় বড় চন্দ্র ষড়যন্ত্রের আগের ভিডিওগুলো অটোপ্লের সারিতে একসঙ্গে দেখা যাবে। কিন্তু এখানে ছোট একটি প্রমাণ আছে, রুশ এজেন্টরা চাঁদ ষড়যন্ত্র এই ভুল তথ্য সরিয়ে দিয়েছে। যেমনটি তারা আগেও করেছিল। উদাহরণস্বরূপ টিকাদানবিরোধী প্রচারণা। আপনি যদি এ ব্যাপারে একটু গভীরভাবে চিন্তা করেন, আপনি এসব করার পেছনে তাদের যুক্তিযুক্ত অনেক কারণ পাবেন। তথ্য নিয়ে যুদ্ধ এবং নীরব যুদ্ধের মধ্যে তাদের সম্মান আবার পুনরুদ্ধার করার একটি পরিষ্কার পদ্ধতি।

আবার সেই সেময় সোভিয়েত ইউনিয়নও আমেরিকানদের কিছু উন্মোচন করার জন্য সুযোগ খুঁজছিল। রুশ মহাকাশচারী অ্যালেক্সিও লিওনোভ সম্প্রতি স্মরণ করেন, ‘আমরা তখন সোভিয়েত সামরিক ঘাঁটি-৩২১০৩ ছিলাম।’ তিনি আরও জানান, আমি ঈশ্বরের দিব্যি খেয়ে বলছি, আমরা তখন খুবই উদ্বেগের সঙ্গে ওই মুহূর্তের অপেক্ষা করছিলাম। আমরা আশাবাদী ছিলাম, তারা আমাদের স্বপ্ন সত্য করতে পারবে। আমরাও চাচ্ছিলাম এটা হোক। সে সময় বোর্ডে যে মানুষগুলো ছিলেন, আমরা তাদের চিনতাম এবং তারাও আমাদের চিনতো।

লওনিয়াস আক্ষেপ করে বলেন, ষড়যন্ত্র তত্ত্বের পেছনে বর্তমান শক্তি হলো, জিনিসগুলো সময়ের সঙ্গে দূরে সরে যায় এবং সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যায়। এই জিনিসগুলো আমরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং গণহত্যার সময় অনুভব করেছি। এই ঘটনায় অনেক প্রত্যক্ষদর্শী থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু মানুষ এসব ঘটনাকে সহজেই অস্বীকার করে। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে রূপকথা জন্ম, নেয় এবং এককালে তা প্রভাবশালী তত্ত্ব হিসেবে স্থান নেয়।

সম্ভবত বিশ্বাস করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কষ্টকর হলো, মানুষ এমন কিছু একটা অতিক্রম করেছে, এমন কিছু একটা অর্জন করেছে, যা নিক্সনের মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট কিছু বের করে আনতে পেরেছিল। কারণ তিনি অলড্রিন ও আর্মস্ট্রংয়ের সঙ্গে এক ফোনালাপে তাদের বলছিলেন, ‘আপনারা যা কিছু করেছেন, তার মাধ্যমে পুরো পৃথিবী এক হয়ে গেছে। আপনারা চাঁদের মধ্যকার প্রশান্তির সমুদ্র থেকে আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন, এটা আমাদের এই পৃথিবীর মধ্যে প্রশান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের উৎসাহ দ্বিগুণ করেছে।

আমাদের প্রতি আমাদের নিজেদের বিশ্বাসই এখন কমতে শুরু করেছে। বেশিরভাগ ষড়যন্ত্রকারীই সম্পূর্ণ বিষয়টিকে এখন একটি পরিহাসের বিষয়ে পরিণত করেছেন। সম্ভবত যদি নাসা আবার ২০২৪-এর দিকে ট্রাম্পের খেয়ালমতে চাঁদে আবার ফেরত যায়, এটা তখন মঙ্গলের ষড়যন্ত্রের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে যাবে।

তথাপি আপনার এই ষড়যন্ত্রকারীদের অধ্যবসায় ও মতামতগুলোকে অ্যাপোলো বিজ্ঞানীদের মতামত হিসেবে খুঁজে পেতে পারেন। মর্টনের ভাষ্যমতে, একদিক থেকে চাঁদ নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা অন্যান্য মানুষের তুলনায় অ্যাপোলো মিশন নিয়ে অনেক বেশি গুরুত্বসহকারে আলোচনা করেন। সত্যি বলতে চাঁদে অবতরণ আসলে পৃথিবীর মানুষের জীবনযাত্রায় কোনও পরিবর্তন আনেনি। অন্তত এখন পর্যন্ত নয়।

এই প্রবন্ধটি ১০ এবং ১১ জুলাই ২০১৯-এ সংশোধন করা হয়েছে। এর প্রথম সংস্করণে বলা হয়েছিল, নাসার অ্যালান শেফার্ডকে ১৯৬১ সালের মে মাসে উন্মুক্ত করেছিল। যাই হোক, অভিযানটি আংশিক কক্ষপথের। উপরন্তু নাসা ১৯৬৩ সালে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেটের ৪ শতাংশেরও বেশি ভোগ করেছিল, পুরো দেশের জিডিপির ৪ শতাংশের বেশি নয়। যেমনটি আগের লেখাতে বলা হয়েছিল। এই তথ্যগুলো সংশোধিত হয়।

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত