যুক্তরাষ্ট্রে আজ রবিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 09:59pm

|   লন্ডন - 03:59pm

|   নিউইয়র্ক - 10:59am

  সর্বশেষ :

  হাসপাতাল থেকে ‘বিতাড়িত’, গাছ তলায় সন্তান প্রসব   একটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট সুনামগঞ্জের নিলাদ্রী লেক   যুক্তরাজ্যে ধর্ষণের দায়ে বাংলাদেশির ১০ বছরের জেল   ইসরাইলি বিমান হামলা ব্যর্থ করল সিরিয়া   সিলেটের রেল উন্নয়নে ডিও লেটার দিলেন মোমেন   আলিয়ার ‘কলঙ্ক’ ফাঁস   সিডনিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে 'গানে গানে জোছনা'   ইতালিতে রহস্যজনক ভাবে এক বাংলাদেশীর মৃত্যু   ধনী মানুষ বৃদ্ধির হারে বিশ্বে তৃতীয় বাংলাদেশ   খাশোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা   প্যারিসে জড়ো হচ্ছে ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনকারীরা   নির্বাচনের কলঙ্ক ঢাকতে বিজয় সমাবেশ করছে আ.লীগ : ফখরুল   ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র সচিব, যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক অঞ্চলে সুবিধার প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ   এরশাদ গুরুতর অসুস্থ, রোববার সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন   জীবন দিয়ে হলেও জনগণের ভোটের মর্যাদা রক্ষা করব : প্রধানমন্ত্রী

>>  বহিঃ বিশ্ব এর সকল সংবাদ

ইসরাইলি বিমান হামলা ব্যর্থ করল সিরিয়া

সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইসরাইলি বিমান হামলা ব্যর্থ করে দিয়েছে বলে জানায় দেশটির সেনাবাহিনী।

রোববার সিরিয়া সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম জানায়, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি একটি বিমান হামলা প্রতিরোধ করছে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। খবর ইয়ানি শাফাক।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম সানা জানায়, 'আামাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইসরাইলি হামলা ব্যর্থ করেছে। হামলা আমরা আগেই প্রতিরোধ করতে পেরেছি।' এতে বিস্তারিত আর কিছু জানানো হয়নি।

এদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

এর আগে

বিস্তারিত খবর

ধনী মানুষ বৃদ্ধির হারে বিশ্বে তৃতীয় বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৯ ০৮:১৬:১২

নিউইয়র্কভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েলথ-এক্সের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে বাংলাদেশে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে উচ্চ সম্পদশালী (এইচএনডব্লিউ) ব্যক্তিদের সংখ্যা বাড়বে ১১ দশমিক ৪ শতাংশ।

বুধবার প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড আল্ট্রা ওয়েলথ রিপোর্ট ২০১৯’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল দেশের তালিকায় ধনী জনগোষ্ঠী বৃদ্ধি পাওয়ার হিসাবে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থান লাভ করেছে।

ওয়েলথ-এক্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালে বিশ্বে উচ্চ সম্পদশালী জনগোষ্ঠী ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে দুই কোটি ২৪ লাখে দাঁড়িয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হারের চেয়ে কম। আর সব উচ্চ সম্পদশালীর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৬১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

এর আগে ওয়েলথ-এক্সের ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অতি-উচ্চ সম্পদশালী (ইউএইচএনডব্লিউ) জনগোষ্ঠী বৃদ্ধির তালিকায় বাংলাদেশ ছিল সবার উপরে। ২০১২-১৭ মেয়াদে বৃদ্ধির হার ছিল ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেট ১০ লাখ থেকে তিন কোটি মার্কিন ডলার সম্পদের মালিক ব্যক্তিরা উচ্চ সম্পদশালী এবং যাদের তিন কোটি মার্কিন ডলারের বেশি নেট সম্পদ রয়েছে তারা অতি-উচ্চ সম্পদশালী।

সাধারণত প্রাথমিক বাসস্থান, সংগ্রহে থাকা জিনিসপত্র ও ভোগ্যপণ্যের মতো ব্যক্তিগত সম্পদ বাদ দিয়ে যাদের সর্বোচ্চ তিন কোটি মার্কিন ডলারের মতো বিনিয়োগ উপযোগী সম্পদ রয়েছে তাদের উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

ধনী জনগোষ্ঠী বৃদ্ধি পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাশাপাশি আর মাত্র চারটি দেশ দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। সেগুলো হলো- নাইজেরিয়া (১৬ দশমিক ৩ শতাংশ), মিসর (১২ দশমিক ৫ শতাংশ), ভিয়েতনাম (১০ দশমিক ১ শতাংশ) ও পোল্যান্ড (১০ শতাংশ)।

তালিকায় থাকা প্রথম ১০টি দেশের মধ্যে বাকি পাঁচটি দেশ হলো- চীন (৯ দশমিক ৮ শতাংশ), কেনিয়া (৯ দশমিক ৮ শতাংশ), ভারত (৯ দশমিক ৭ শতাংশ), ফিলিপাইন (৯ দশমিক ৪ শতাংশ) ও ইউক্রেন (৯ দশমিক ২ শতাংশ)।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ধনী মানুষ থাকা শীর্ষ ১০ দেশ হলো- যুক্তরাষ্ট্র (৮৬ লাখ ৮০ হাজার অতি-উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তি), চীন (১৮ লাখ ৮০ হাজার), জাপান (১৬ লাখ ২০ হাজার), জার্মানি (১০ লাখ দুই হাজার), যুক্তরাজ্য (আট লাখ ৯৩ হাজার ৯০৫), ফ্রান্স (আট লাখ ৭৭ হাজার ৩৮০), কানাডা (পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ১০), দক্ষিণ কোরিয়া (চার লাখ ৭৬ হাজার ৭০৫), অস্ট্রেলিয়া (চার লাখ ৭৩ হাজার ৬০০) ও ইতালি (চার লাখ ১৮ হাজার ৯০)।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

খাশোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৯ ০৮:১৪:৪৯

মার্কিন রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরি মোহাম্মদ বিন সালমানের বিষয়ে একটি ফায়সালা না হওয়ার আগ পর্যন্ত সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক সামনে এগোতে পারে না।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সঙ্গে আঙ্কারায় বৈঠকের একদিন পর তিনি বলেন, সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে কংগ্রেস।

গত বছরের ২ অক্টোবর ইস্তানবুলে সৌদি কানস্যুলেটে বিয়ের কাগজপত্র আনতে গেলে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ওয়াশিংটন পোস্টের প্রদায়ক জামাল খাশোগি।

রিয়াদ প্রথমে খাশোগির নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছিল। পরে বিভিন্ন পরস্পরবিরোধী ভাষ্য দেয়ার পর তাকে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে সৌদি।

সৌদি কর্মকর্তারা বলছেন, এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান কিছু জানেন না। গত বছর দেশটি জানিয়েছে, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে ২১ সৌদি নাগরিককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জনকে অভিযুক্ত করে বিচারের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

খাশোগি হত্যাকাণ্ডে ভূমিকা রাখায় ১৭ সৌদি নাগরিকের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।

গত বছরের ডিসেম্বরে মার্কিন সিনেট ইয়েমেনের যুদ্ধে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রতি মার্কিন সমর্থন দেওয়া বন্ধ করার একটি প্রস্তাব বাস্তবায়নের পক্ষে ভোট দেয়।

এছাড়া মার্কিন আইনপ্রণেতারা নতুন বছরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য চাপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

প্যারিসে জড়ো হচ্ছে ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনকারীরা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৯ ০৮:১৪:২১

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিতে জড়ো হয়েছে ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনকারীরা। এই নিয়ে আন্দোলন শনিবার আন্দোলনের ১০তম সাপ্তাহিক ছুটির দিনে গড়ালো।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা চ্যাম্পস এলিসি প্রাসাদ,পার্লামেন্টের নিম্মকক্ষ অ্যাসেম্বলি ন্যাশনাল ও আইফেল টাওয়ারের কাছাকাছি ইনভ্যালিডস এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেছে। দিন শেষে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জ্বালানি তেলে কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে নভেম্বরের মাঝামাঝি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর সরকারের বিরুদ্ধে পরিবহন শ্রমিকদের ‘হলুদ জ্যাকেট’ পরিধান করে আন্দোলন শুরু হয়। এরপর এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে জীবনযাত্রার মানের ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদেও। ক্রমান্বয়ে আন্দোলনটি সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। আন্দোলনকারীরা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে, দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে। আন্দোলনকারীদের শান্ত করতে ডিসেম্বরে সর্বনিম্ন বেতন বাড়ানো ও জ্বালানি তেলের ওপর কর বৃদ্ধি বাতিলের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো। তবে এরপরেও আন্দোলনকারীরা পিছু হটছে না।

প্রথম দিকে আন্দোলনকারীদের দমনে ব্যাপক লাঠিচার্জ ও ধরপাকড় করলেও ম্যাক্রন সরকার শেষ পর্যন্ত পিছু হটেছে। এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান গড়তে দেশজুড়ে উন্মুক্ত বিতর্কের ডাক দিয়েছেন ম্যাক্রন।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বেতন না পাওয়ায় ঘরের জিনিসপত্র বিক্রি করছেন মার্কিনিরা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৮ ০৯:১৯:৩১

রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়-বাংলা এই প্রবাদটি হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন মার্কিন সরকারের কিয়দংশের অচলাবস্থার কবলে পড়া কর্মীরা। মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের দ্বন্দ্বে বেতনহীন কয়েক লাখ কর্মীকে নিত্যপ্রয়োজনী পণ্য কিনতে শিশুর ব্যবহৃত জ্যাকেট থেকে শুরু করে দেয়াল ঘড়িটিও বিক্রি করতে হচ্ছে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য ট্রাম্প মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য কংগ্রেসের কাছে সীমান্ত নিরাপত্তা বাবদ ৫৭০ কোটি ডলার চেয়েছেন। তবে প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেমোক্র্যাটরা এই তহবিলের অনুমোদন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটে অনুমোদন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এর ফলে সরকারের একটি অংশে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা। গত মাসে শুরু হওয়া এই অচলাবস্থা শুক্রবার ২৮তম দিনে গড়িয়েছে। এর ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন কারাগার, বিমানবন্দর, এফবিআই ও নাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আট লাখ কর্মচারী বেতনহীন দিন পার করছেন।

আন্দ্রেয়া ক্যাভালারোর স্বামী কোস্টগার্ডে চাকরি করেন। সরকারে অচলাবস্থা চলার পরও তাকে প্রতিদিন কাজে যেতে হচ্ছে। কিন্তু প্রায় এক মাস হতে চললেও বেতন না পাওয়ায় কনিষ্ঠ সন্তানের প্রথম জন্মদিনের সময় উপহার দেওয়া বোম্বার জ্যাকেটটি ফেসবুকে পাঁচ ডলারে বিক্রির জন্য পোস্ট দিতে হয়েছে তাকে। শুধু জ্যাকেটই নয়, বাড়িতে থাকা শিশুদের কাপড়চোপড় ও খেলনাগুলোকে পাঁচ থেকে ১০ ডলারের মধ্যে বিক্রি করার পোস্ট দিয়েছেন আন্দ্রেয়া।

তিনি বলেছেন, ‘আপনি কখনো ভাবতেও পারেন না, আপনি কাজ করছেন আর আপনাকে বেতনহীন থাকতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে না পড়লে এটা কেমন তা আপনি বুঝবেন না।’

উইন্ডি বেটসের স্বামী মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। নাসার জন্য অর্থ ছাড় না দেওয়ায় বেতনহীন আছেন বেটসের স্বামী। খাদ্যদ্রব্য কিনতে আর ঋণ পরিশোধের জন্য বেটসকে তার বিয়ের সময় কেনা স্মৃতিচিহ্ন টোস্টিং গ্লাস ৬০ ডলারে বিক্রি করতে হয়েছে চোখের পানি বিসর্জন দিয়ে। ক্লিভল্যান্ডের বাসিন্দা বেটসকে এখন ঘরের আসবাবপত্র, কৃত্তিম চারাগাছ, গহণাপত্র সবই একে একে বিক্রি করতে হচ্ছে।

মেয়ের বিয়ের জন্য অনলাইনে কয়েকটি বিয়ের পোশাক কিনে রেখেছিলেন লরা স্লেমনস। তবে এগুলো পছন্দ না হওয়ায় ঘরেই তুলে রেখেছিলেন তিনি। জর্জিয়ার হাউজিং অ্যান্ড আরবান ডেভেলপমেন্ট বিভাগে কর্মরত লরার স্বামী বেতন পাচ্ছেন না প্রায় এক মাস। সংসার খরচ জোগাতে সেই বিয়ের পোশাকগুলো ফেসবুকে বিক্রির পোস্ট দিয়েছেন লরা। প্রতিটি পোশাকের জন্য তিনি চেয়েছেন ১০০ ডলার।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সিরিয়া-ইরান ইস্যুতে চরমে আরবের ‘বিভক্তি’

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৮ ০৯:১৬:৩৭

লেবাননে অনুষ্ঠিতব্য আঞ্চলিক অর্থনীতিবিষয়ক সম্মেলনের বৈঠকের প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরব লিগের দেশগুলোর মধ্যে বিভেদ আরও প্রকট হয়ে উঠছে।

সিরিয়ার ভবিষ্যত এবং ইরানকে ঠেকানোর কৌশল নিয়ে আরব দেশগুলোর বিরোধ সম্মেলনকে প্রভাবিত করছে।

কাতারের সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদক জিনা খোদর বলেন, বৈরুতে আরব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট সম্মেলনে যোগদানে সম্মতি দিয়েছিলেন অনেক রাষ্ট্রপ্রধান। কিন্তু, তাদের অনেকেই এখন সেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেছেন।

কাতার ও কুয়েতের আমির সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন না। মিশর তাদের প্রেসিডেন্টের পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রীকে পাঠাচ্ছে। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস জানিয়েছেন, তিনি ওই সময়ে নিউইয়র্কে থাকবেন।

লেবাননের সম্মেলনে না গিয়ে এসব দেশ সম্ভবত ইরানকে বার্তা দেয়ার চেষ্টা করছে বলে জানান আলজাজিরার সাংবাদিক।

হিজবুল্লাহসহ ইরানের বিভিন্ন সহযোগী লেবাননে ক্ষমতায় রয়েছে এবং সিরিয়ার সরকারকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। ইরানের সহযোগীরা এই সম্মেলনের মাধ্যমে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে আরব বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে।

সংস্থাটির আঞ্চলিক সদস্য হিসেবে সিরিয়াকে পুনরায় অন্তর্ভূক্ত করার জন্য সম্মেলনের আগে আগে আরব লিগের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে এজন্য ভোটাভুটির সম্ভাবনা দেখা দেয়।

তবে, সম্মেলনে সিরিয়ার ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেই মনে হয়।

‘সিরিয়াকে তিউনিসিয়ার সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণের বিষয়ে লেবাননের বৈঠকে আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই লিগের, দামেস্ককে সেখানে আমন্ত্রণ করাও হয়নি,’ বলেন আরব লিগের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হোসাম জাকি।

‘আমরা এখনও ওই অবস্থায় পৌঁছতে পারিনি। সব আরব দেশ এখনই সিরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ইচ্ছুক নয়,’ বলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক রামি খুরি।

সিরিয়ার সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর ভয়াবহ দমন-নিপীড়ন চালানোয় ২০১১ সালে দেশটির সদস্যপদ বাতিল করে এর ওপর অবরোধ আরোপ করে আরব লিগ।

কয়েকটি দেশ তাদের রাষ্ট্রদূতও প্রত্যাহার করে নেয়। গত বছরের শেষদিকে সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল বাশির এই সঙ্কট শুরুর পর প্রথম আরব লিগ নেতা হিসেবে সিরিয়া সফরে যান। এর পরের সপ্তাহগুলোতে আরব আমিরাত, বাহরাইন সেখানে তাদের দূতাবাস পুনরায় চালু করে। কিন্তু, পুরো আরব জোট এখনও সিরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছতে পারেনি।

বৈরুত সম্মেলনের আগে কয়েকটি আরব রাষ্ট্র সিরিয়া সম্পর্কে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। ইরাক আগেও দামেস্কের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেনি এবং এখনও তারা আরব লিগে সিরিয়ার সদস্যপদ ফিরিয়ে দিতে ইচ্ছুক।

সিরিয়ার বিরোধিতা করে আসা কাতার বলছে, যে কারণে দেশটির সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে, সেগুলোর এখনও সুরাহা হয়নি।

সৌদি আরব তার মিত্র আরব আমিরাত ও বাহরাইনের পদক্ষেপ অনুসরণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

‘মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এসব দেশকে বলেছেন, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সময় এখনও আসেনি এবং রাজনৈতিক মীমাংসার বিভিন্ন বিষয়ে একমত না হলে দেশটি পুনর্গঠনের বিষয়ে আলোচনা শুরু করা যাবে না,’ আলজাজিরাকে বলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক স্বামী আল নাদির।

সাত বছর ধরে বিদ্রোহ দমন করে ক্ষমতায় থাকা বাশার আল আসাদ চাইছেন, তার ক্ষমতা দৃঢ় করতে, একঘরে অবস্থা থেকে বের হতে এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়া দেশটিকে পুনর্গঠনে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন জোগাড় করতে।

কিন্তু, অনেকে সিরিয়ার সরকারকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টাকে রাশিয়ার কূটনৈতিক তৎপরতা বলে মনে করায় এসব উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এ মাসের শুরুতে দামেস্ককে লিগে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা সম্ভাবনা দেখা দিলেও ওই বৈঠক পরে বাতিল করা হয়।

মিশর আসাদের সিরিয়াকে আরব লিগে ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু, এখন তারা বলছে, জাতিসংঘের নেতৃত্বে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক সঙ্কটের সামধান না করলে সিরিয়াকে আরব লিগে ফিরিয়ে আনা যাবে না।

তা ছাড়া আসাদকে আগেভাগেই স্বীকৃতি দিয়ে ফেললে, তার সঙ্গে দর কষাকষিতে সুবিধা করা যাবে না বলেও মনে করেন অনেকে।

যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলকে ইরানের প্রভাবমুক্ত করতে বিশেষ আগ্রহী। তারা মনে করে, আসাদকে শক্তিশালী করা মানেই ইরানকে শক্তিশালী করা।

আসাদের বিরোধীরা চায়, তিনি যেন জাতিসংঘে গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী কাজ করে তার ক্ষমতা কিছুটা ছেড়ে দেন। তবে মার্চে তিউনিসিয়ায় আরব লিগের বৈঠকের আগে আসাদের সমর্থকরা আবারও তৎপর হয়ে উঠবে নাকি তা স্পষ্ট হচ্ছে না।

তবে, ইরান ইতোমধ্যে সিরিয়া সম্পর্কে আরব দেশগুলোর মনোভাবের পরিবর্তনকে প্রকাশ্যে স্বাগত জানিয়েছে।

‘সিরিয়ায় আরব দেশগুলোর ফেরাটা একটা ইতিবাচক পরিবর্তন। এতে বোঝা যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সিরিয়ার অখণ্ডতা এবং বৈধ সরকারকে স্বীকৃতি দিচ্ছে,’ মন্তব্য করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

তবে, আরব লিগ দামেস্কের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করলে, তারা সেখানে নতুন আঞ্চলিক ক্ষমতা এমনভাবে বিন্যস্ত করবে যেন তা থেকে ইরান লাভবান না হয়। সিরিয়ার অর্থনীতি চাঙ্গা করতে আরব দেশগুলো বিশাল অঙ্কের অনুদান দিলেও, তার বদলে তারা দেশটিতে আরও বেশি প্রভাব বিস্তার করতে চাইবে।

‘শত্রু আরব দেশগুলো দামেস্কে ফিরে যাওয়ায় ইরানের লোকসানই হবে। সেখানে তারা অনেক কিছু বিসর্জন দিয়েছে,’ বলেন মোহানাদ হাজি আলি।

কার্নেগি মিডল ইস্ট সেন্টারের এই বিশ্লেষক আলজাজিরাকে বলেন, ‘আরব বিশ্বে সিরিয়ার ফেরার মানে হচ্ছে, ইরানের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও কৌশল পরিবর্তন করা।’

বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সিরিয়ার দেশটির সরকারকে অবিচল সমর্থন দিয়ে গেছে ইরান। আসাদ এই সম্পর্ক ছিন্ন করবেন এমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

ওই অঞ্চলে ইরানের প্রভাব সীমিত করতে যুক্তরাষ্ট্র যে তৎপরতা শুরু করেছে, তার প্রথম ফল হচ্ছে বৈরুতের বৈঠক ঘিরে আরব দেশগুলোর কূটনৈতিক পদক্ষেপ। ফেব্রুয়ারি মাসে ওয়ারশতে তেহরানবিরোধী বৈঠকে এই তৎপরতা বেগবান হয়ে উঠবে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

৪২ দিন কথা বলেন না যে গ্রামের বাসিন্দারা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৮ ০৯:১৬:০৩

হিমাচল প্রদেশের মানালির কুলু জেলার গোশাল গ্রাম। এই গ্রামের বাসিন্দারা জানুয়ারি মাসের ১৪ তারিখ থেকে ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখ পর্যন্ত কোনও কথা বলেন না। গোশাল ছাড়াও বুরুয়া, শানাগ ও কুলাং গ্রামেও এই প্রথা রয়েছে।

হিমাচল প্রদেশের মাঝাচ, পালচান, কোঠি, রুয়ার গ্রামের বাসিন্দারাও বিশ্বাস করেন এই ৪২ দিন নীরবতা পালনের বিষয়টি।

সোলাং ও রুয়ার মতো গ্রামে আবার চুপ থাকার পাশাপাশি বন্ধ থাকে কৃষিকাজও।

মাঘ মাসে মকর সংক্রান্তির সময় থেকে এই রীতি চালু হয়। কিন্তু ৪২ দিন এক টানা কেন চুপ করে থাকেন এই গ্রামগুলোর বাসিন্দারা?

কারও মতে, এই সময় গভীর ধ্যান করে ঈশ্বর স্বর্গের পথে ফিরে যান। স্বর্গে যাওয়ার পথে অসুবিধার মুখে যাতে না পড়েন, তাই নাকি এই চল। তবে এই নিয়ে পৌরাণিক মতও রয়েছে।

বিপাশা নদীর পাশে ঋষি গৌতম তপস্যা করছিলেন। তার তপস্যা যাতে ভঙ্গ না হয়, তাই নাকি এই ব্যবস্থা। বহু প্রাচীন একটি মন্দিরও রয়েছে এখানে। মকর সংক্রান্তির দিন লোহ্রিতে পূজার্চনার পর বন্ধ করে দেয়া হয় মন্দির।

গৌতম ঋষি ছাড়াও বেদব্যাস ও কাঞ্চন নাগের মূর্তিও রয়েছে এই মন্দিরে। মানালির গোশাল গ্রামের এই মন্দিরটি এই সময়ে পর্যটকের জন্য বন্ধ থাকে। মন্দিরে কোনও রকম পূজাও করা হয় না বলে জানিয়েছেন সেটির পুরোহিত।

ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখের পর মন্দির খোলে। তা নিয়েও রয়েছে একটি মিথ। সেই সময়ে একটা ফুল যদি পড়ে থাকে মন্দিরের মেঝেতে, তা হলে তা গ্রামগুলোর জন্য শুভ বলে মনে করা হয়।

আর যদি কয়লার টুকরো পড়ে থাকে, ধরে নেয়া হয় গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে পাঁচদিনের মধ্যেই।

যদিও বিজ্ঞানীরা বলছেন, বরফ ঢাকা এই জায়গাগুলিতে রোদের আভাস মিললে খোলে মন্দির। এতটাই বেশি বরফ পড়ে জায়গাগুলোতে যে, শীতকালে কর্মক্ষমতাই থাকে না স্থানীয় বাসিন্দাদের। বেশিরভাগ সময়টাই ক্লান্ত লাগে। তাই কথা বলার বা বাড়ি থেকে বেরোনোর সুযোগ প্রায় মেলে না।

তবে চুপ করে থাকলেও গ্রামের মানুষ এই সময়ে  হেডফোনে গান শোনেন, বেড়াতে যান, বাড়ির কাজ করেন। কোনও পর্যটককেও কথা বলার সুযোগ দেন না গ্রামের বাসিন্দারা।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাণিজ্য যুদ্ধের আশঙ্কাতেও নিউইয়র্কে বেড়েছে চীনা নাগরিক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৮ ০৯:১১:৩৪

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করেছেন কিন্তু এতে তার নিজের শহর নিউইয়র্কের মূল শিল্পে কোনও কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। বরং সবশেষ পর্যটন পরিসংখ্যানের মতে, গত বছর শহরটিতে চীনের পর্যটকের সংখ্যা যথেষ্ট পরিমাণে বেড়েছে।

বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। এদিন এনওয়াইসি এণ্ড কোম্পানি নামের একটি পর্যটন সংস্থা জানায়, ২০১৮ সালে শহরটি ভ্রমণ করা পর্যটকের সংখ্যা রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে ৬৫.২ মিলিয়ন হয়। এসব পর্যটকের বেশিরভাগই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

আরও জানায়, বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো বিষয় হলো গত বছর নিউইয়র্ক ভ্রমণকারী চীনের নাগরিকের সংখ্যা বেড়েছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে ভ্রমণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও শহরটিতে ১.১ মিলিয়ন চীনের নাগরিক ভ্রমণ করেছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুসারে, গত বছর নিউইয়র্ক ভ্রমণকারী বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চীন। এই তালিকায় ব্রিটেন প্রথম এবং কানাডা তৃতীয় অবস্থানে আছে। গত বছর ব্রিটেনের ১.২৪ মিলিয়ন এবং কানাডার এক মিলিয়ন নাগরিক নিউইয়র্ক ভ্রমণ করে।

এই বিষয়ে পর্যটন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ফ্রেড ডিক্সন বলেন, এই পরিসংখ্যান দেখে মনে হচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে চীনের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য আরও ভালো হবে।

নিউইয়র্ক শহরের মেয়র বিল ডে ব্লাসিও বলেন, আমরা বৈচিত্র্যকে আলিঙ্গন করি এবং সবাইকে স্বাগত জানাই। তাই ৬৫ মিলিয়নেরও বেশি পর্যটক আমাদের শহর ভ্রমণ করতে পেরেছে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মোবাইলের পাসওয়ার্ড না দেয়ায় স্বামীকে পুড়িয়ে মারলো স্ত্রী

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৭ ১৩:১৭:১৪

মোবাইলের পাসওয়ার্ড না দেয়ায় স্বামীকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মেরেছে ইন্দোনেশিয়ার এক নারী। আগুন দেয়ার দুই দিনের মাথায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্বামীর মৃত্যু হয়। দেশটির পশ্চিম নুসা টেনগারা প্রদেশের পশ্চিম লুমবোক জেলায় এ ঘটনা ঘটে।

ডেইলি মেইল জানায়, স্বামী দেদি পুরনামা (২৬) ঘরে কাজ করছিলেন। এসময় তার স্ত্রী ইলহাম চাহায়ানি (২৫) তার কাছে মোবাইলের পাসওয়ার্ড চায়। পুরনামা পাসওয়ার্ড দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এসময় ইলহাম রেগে গিয়ে বোতল থেকে পেট্রোল বের করে পুরনামার গায়ে ঢেলে দেয় এবং লাইটার দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পরে পুরনামাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়। ছবিতে দেখা গেছে, পুরনামার শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে।

এ ঘটনার পর স্ত্রী ইলহামকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি।

পুলিশের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে পুরনামা ইলহামকে আঘাত করে। এর ইলহাম রেগে গিয়ে স্বামীর গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

অনাস্থা ভোটে টিকে গেলেন থেরেসা মে

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৭ ১০:০৫:০১

ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে ভোটাভুটিতে প্রত্যাখ্যাত হলেও অনাস্থা ভোটে কোনোরকমে টিকে গেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে।

বিবিসি জানিয়েছে, বুধবার যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্সে দীর্ঘ আলোচনার পর ভোটাভুটিতে থেরেসা মের সরকারের প্রতি সমর্থন জানান ৩২৫ এমপি।

বিপরীতে তার প্রতি অনাস্থা জানিয়েছেন ৩০৬ জন। অর্থাৎ মাত্র ১৯ ভোটের ব্যবধানে রক্ষা পেয়েছে মের সরকার।

এর আগে মঙ্গলবার দীর্ঘ আলোচনার পর এক ভোটাভুটিতে ২৩০ ভোটের রেকর্ড ব্যবধানে ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেন এমপিরা। ব্রিটেনের পার্লামেন্টের ইতিহাসে এর আগে ক্ষমতাসীন দলকে এত বড় হার মেনে নিতে হয়নি।

এ হারের ফলে অনাস্থা ভোটের মুখে পড়েন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। ভোটের পরপরই লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন রক্ষণশীল দলের সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব আনেন।

ভোটে টিকে যাওয়ার পর থেরেসা মে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে সব এমপিকে নিজ নিজ স্বার্থ পরিহার করে একসঙ্গে গঠনমূলক কাজ করার আহবান জানান।

তিনি ব্রেক্সিট চুক্তির নতুন খসড়া তৈরিতে পার্লামেন্টের সব দলের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাবও রেখেছেন।

এদিকে ভোটে নিজেদের হারের পর জেরেমি করবিন বলেছেন, কোনো চুক্তি ছাড়াই ইইউ ছাড়ার মতো ঘটনা যেন না ঘটে, থেরেসা মেকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৩ জুন যুক্তরাজ্যে এক গণভোটে ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে রায় দেন ভোটাররা। ফলে সংস্থা থেকে ব্রিটেনের চার দশকের সম্পর্কোচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

আর গণভোটে হারের পর রক্ষণশীল দলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন পদত্যাগ করেন। তখন প্রধানমন্ত্রী হন থেরেসা মে এবং ইইউ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পথরেখা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি।

বিস্তারিত খবর

শাটডাউন নিয়ে ট্রাম্পের উপর ক্ষেপছে তরুণরা, মুখ ফেরাচ্ছে শ্বেতাঙ্গরা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৭ ০৯:৩৩:১৯

যুক্তরাষ্ট্রে চলমান সরকার অচলাবস্থায় (শাটডাউন) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ মার্কিন শ্বেতাঙ্গ নাগরিকরা।

বিশেষ করে শ্বেতাঙ্গ শ্রমিক শ্রেণী ও তরুণরা। গত ২৫ দিন ধরে কোনো বেতন-ভাতা ছাড়াই কাজ করতে হচ্ছে তাদের। এটা এখন ক্রমেই প্রভাব ফেলছে তাদের দৈনন্দিন জীবন-যাপনের ওপর। পেটে টান পড়ায় ট্রাম্পের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন তারা।

বলছেন, মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের নামে ট্রাম্প যা করছেন তা মোটেই ঠিক নয়। অথচ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের সবচেয়ে ‘সমর্থন ঘাঁটি’ ছিল এই শ্বেতাঙ্গ মার্কিনিরাই। সম্প্রতি সিএনএনের চালানো এক জনমত জরিপে ট্রাম্পের প্রতি শ্বেতাঙ্গ মার্কিনিদের এই ক্ষুব্ধ মনোভাব উঠে এসেছে।

চলমান প্রশাসনিক অচলাবস্থায় কোনো সমাধানের ইঙ্গিত মিলছে না। সর্বশেষ বৈঠকেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা অনড় অবস্থানে থাকায় আলোচনা ভেস্তে গেছে। শুধু তাই নয়, অচলাবস্থা শুরু করা প্রেসিডেন্ট বৈঠক শেষে নিজের চিরাচরিত পন্থায় টুইটারে ঝড় তুলেছেন। এমনকি প্রয়োজনে আরও দীর্ঘ অচলাবস্থার মধ্য দিয়ে যাবেন। তবু নতি স্বীকার করবেন না বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের এই গোয়ার মনোভাবের কারণে এই মুহূর্তে তার জনপ্রিয়তা এ যাবৎকালের মধ্যে সবচেয়ে তলানিতে ঠেকেছে। সিএনএন জরিপ মতে, কলেজ ডিগ্রিহীন শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকদের মধ্যে ৪৭ শতাংশই ট্রাম্পের প্রতি ক্ষুব্ধ। আর মাত্র ৪৫ ভাগের এখনও তার প্রতি সমর্থন রয়েছে। শ্বেতাঙ্গদের সমর্থকদের বেলায় ২০১৮ সালের ফেব্র“য়ারি পর এই প্রথমবারের জন্য ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন সর্বনিম্নে অবস্থান করছে।

গত বছরের ডিসেম্বরের এক জরিপেও তার ওপর ৫৪ শতাংশ শ্বেতাঙ্গের সমর্থন ছিল। অন্যদিকে ৩৯ শতাংশ ছিল ক্ষুব্ধ। ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প যেসব ভোটারের ওপর সবচেয়ে নির্ভর করেছিলেন এবং এখনও নির্ভর করছেন, সেই গোষ্ঠীটি হচ্ছে এই শ্বেতাঙ্গ শ্রমিক ও কৃষক শ্রেণী, যাদের কোনো কলেজ ডিগ্রি নেই। এদেরকে প্রায়ই ট্রাম্পের ‘সমর্থন ঘাঁটি’ বলা হয়ে থাকে।

এর মধ্যে রয়েছে ইভাঞ্জেলিক্যাল খ্রিস্টান, প্রবীণ প্রজন্ম এবং শ্বেতাঙ্গদের অন্য আরও কিছু গোষ্ঠী। ট্রাম্প এখনও এদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু সময় যত যাচ্ছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি তাদের মোহ ততই ভাঙছে।

মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ প্রশ্নে ট্রাম্পের বিপক্ষেই অবস্থান সাধারণ মার্কিনিদের। কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, ভোটারদের ৬২ শতাংশেরই সীমান্ত দেয়াল প্রশ্নে এই অচলাবস্থার প্রতি সমর্থন নেই। বিপরীতে সমর্থন রয়েছে মাত্র ৩৪ শতাংশ ভোটারের। একই অবস্থা তৈরি হয়েছে সিনেটেও।

ট্রাম্প যেমনটি আশঙ্কা করছেন, ঠিক সেভাবেই নিজ দলের অনেক সিনেটর এরই মধ্যে এই অচলাবস্থা নিয়ে বিরক্ত হয়ে পড়েছেন। তারা সীমান্ত দেয়াল প্রশ্ন অমীমাংসিত রেখেই সরকার চালুর পক্ষে অবস্থান করছেন। অচলাবস্থা আরও দীর্ঘ হলে এই রিপাবলিকান সিনেটররা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠতে পারেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিস্তারিত খবর

চাঁদের বুকে গাছের চারা!

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৬ ১৩:৪০:০৯

চীনের মহাকাশ সংস্থা বলেছে, চাঁদের বুকে তাদের পাঠানো যানে একটি পাত্রে বোনা তুলোর বীজ থেকে চারা গজিয়েছে। চাঁদের বুকে এই প্রথম কোন জৈব পদার্থের জন্ম হলো। খবর বিবিসির।

চাঁদের যে উল্টো পিঠ - যা পৃথিবী থেকে দেখা যায় না, - সেখানেই রয়েছে চীনা যন্ত্রযান চ্যাং'অ - ৪ থেকে পাঠানো এক ছবিতে দেখা গেছে এ দৃশ্য।

চীনের মহাকাশ সংস্থা এ খবর দিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানের প্রেক্ষাপটে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

গত ৩রা জানুয়ারি চাঁদে অবতরণ করে চ্যাংঅ ৪ নামের চন্দ্রযান। চাঁদের উল্টো পিঠে এটাই প্রথম কোন মহাকাশযানের অবতরণ।

এই যানে ছিল চাঁদের ভূতাত্ত্বিক গঠন বিশ্লেষণ করার যন্ত্রপাতি। এ ছাড়া ছিল মাটি, তুলা এবং আলুর বীজ, ফ্রুট ফ্লাই নামে এক ধরণের মাছির ডিম, এবং খামি বা ইস্ট নামের ছত্রাক - যা দিয়ে পাউরুটি তৈরি হয়।

তুলোবীজ থেকে গজানো গাছের চারা রাখা হয়েছে চন্দ্রযানের ভেতর একটি বন্ধ কনটেইনারে। এখানে একটা বায়োস্ফিয়ার তৈরি করা হবে - যার মানে এমন এক কৃত্রিম পরিবেশ যেখানে একটি গাছ নিজেই নিজের খাদ্য গ্রহণ করে বেঁচে থাকতে পারবে।

এর আগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গাছ গজানো হয়েছে। কিন্তু চাঁদের বুকে থাকা মহাকাশযানে কখনো করা হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাঁদের বুকে তাপমাত্রা অত্যন্ত পরিবর্তনশীল - কখনো চরম ঠান্ডা কখনো তীব্র গরম। কখনো তাপমাত্রা নেমে যায় শূন্যের নিচে ১৭৩ ডিগ্রি পর্যন্ত, আবার কখনো তা উঠে যেতে পারে ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও ওপরে।

এই পরিবেশে একটা আবদ্ধ জায়গাতেও গাছপালা গজানোর মতো স্বাভাবিক তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, এবং মাটির পুষ্টিগুণ ধরে রাখা অত্যন্ত কঠিন কাজ।

চাঁদের বুকে গাছের চারা গজানোর বিষয়টা দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযান - যেমন মঙ্গলগ্রহে অভিযানের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মঙ্গলগ্রহে যেতে সময় লাগবে প্রায় আড়াই বছর।

চাঁদে যদি গাছপালা গজানো সম্ভব হয় তাহলে, নভোচারীরা হয়তো সেখানে তাদের নিজেদের খাদ্য নিজেরাই উৎপন্ন করতে পারবেন। তার রসদপত্র সংগ্রহের জন্য পৃথিবীতে ফিরে আসতে হবে না।

জৈব পদার্থ নিয়ে এসব পরীক্ষানিরীক্ষার ফলে কি চাঁদ দূষিত হয়ে পড়বে?

বিজ্ঞানীরা বলছেন, তেমন সম্ভাবনা কম।

তা ছাড়া মনে করিয়ে দেয়া দরকার যে এ্যাপোলোর নভোচারীদের ফেলে আসা মলমূত্র ভর্তি পাত্র এখনও চাঁদের বুকে রয়ে গেছে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জি-৭৭ এর নেতৃত্বে ফিলিস্তিন, ইসরায়েলের সমালোচনা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৬ ১৩:৩৮:২৩

উন্নয়নশীল দেশগুলোর সংগঠন জি-৭৭ এর সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছেন ফিলিস্তিনি স্বায়ত্তশাসন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে মিশর আনুষ্ঠানিকভাবে এ সংগঠনের দায়িত্ব ফিলিস্তিনের কাছে হস্তান্তর করে। পার্সটুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘের অধীনে সবচেয়ে বড় সংগঠন এটি। জি-৭৭ এর সভাপতিত্ব পাওয়াকে বিরাট দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন মাহমুদ আব্বাস। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষে তিনি এ দায়িত্ব বিনয়ের সঙ্গে পালন করে যাবেন।

এছাড়া সংগঠনের দায়িত্ব নেয়ার সময় মাহমুদ আব্বাস ইসরায়েলের ‘দখলদারিত্ব’ নীতির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ইসরায়েলের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব জনগণের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, জি-৭৭ হচ্ছে চীন এবং উন্নয়নশীল ১৩৪টি দেশের সংগঠন যা ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রাথমিকভাবে এ সংগঠনে ৭৭টি সদস্য দেশ ছিল। তবে বর্তমানের এর সদস্য দেশ ১৩৪টি এবং এটি বিশ্বের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ব্রেক্সিটনিয়ে ভোটাভুটিতে বিশাল ব্যবধানে হেরেছেন থেরেসা মে

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৬ ০১:৪৯:০৪

ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে ভোটাভুটিতে বিশাল ব্যবধানে হেরেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাজ্য সংসদের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে ওই ভোটাভুটিতে ২৩০ ভোটের ব্যবধানে হারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

টানা পাঁচ দিন আলোচনার পর পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার রাতে ওই ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, দেশটির ইতিহাসে পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে কোনও ক্ষমতাসীন সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারার রেকর্ড। 

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় ৪৩২ জন এমপি চুক্তির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর পক্ষে ছিলেন ২০২ জন।

পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীনদের পরাজয়ের পর লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন অনাস্থা ভোটের প্রস্তাব দিয়েছে। আজ বুধবার ওই অনাস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছেন।

খবরে বলা হচ্ছে, এর ফলে দেশটির আগাম সাধারণ নির্বাচন হতে পারে।

দুই বছর ধরে কাঠখড় পুড়িয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-র সঙ্গে ওই চুক্তি করা মে’র জন্য একটি বড় আঘাতই মনে করা হচ্ছে। যদিও ভোটাভুটির ফলাফল যে থেরেসা মের বিপক্ষে যাবে সেটা অনুমেয়ই ছিল। তাই অনেকেই এই ফলাফলে মোটেও বিস্মিত হচ্ছেন না।

ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন হলে আগামী ২৯ মার্চ ইইউ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে ব্রিটেনের।

ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য থেরেসা মের চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ছিল এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠান। থেরেসা মের প্রস্তাবিত চুক্তিটি অধিকাংশ সাংসদরা বাতিল করায় তার সামনে এখন দুইটা পথ খোলা আছে। তা হচ্ছে চুক্তির নতুন খসড়া তৈরি করা। না হলে, ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের সময় বাড়িয়ে নেয়া।

তবে ক্ষমতাসীনরা এমন কিছু নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে কোনও রকমের চুক্তি ছাড়াই ২৭টি দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে ব্রিটেনকে। এতে বেশ বড়সড় সংকটে পড়বে দেশটির অর্থনীতি তথা সামাজিক অবস্থা।

উল্লেখ্য, ৬৫০ আইনপ্রণেতার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে স্পিকার ও তার তিন সহযোগী মিলে চারজনের ভোট দেয়ার অধিকার নেই।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিনেটর

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৫ ১৪:০৪:৩৮

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেটর হিসেবে শপথ নিয়েছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শেখ রাহমান। সোমবার তিনি শপথ নেন।

জর্জিয়ার জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে তিনিই প্রথম মুসলিম সিনেটর। একইসাথে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত প্রথম বাংলাদেশি।

সোমবার সকালে বাইবেল নিয়ে অন্য সিনেটরদের সঙ্গে শপথ নেন শেখ রাহমান। পরে নির্জ ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী কোরআন নিয়ে শপথ নেন জর্জিয়ার প্রথম এই মুসলিম সিনেটর।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে একটি রেস্টুরেন্টে ডিশ ওয়াশারের কাজ করেছেন শেখ রাহমান। পাশাপাশি কঠোর পরিশ্রমের অন্য কাজও করতেন তিনি। তিনি ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়া থেকে ডিগ্রি লাভ করেন।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিশ্বব্যাংকের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্টের তালিকায় ইভাঙ্কা-হ্যালি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৫ ১৪:০২:৪০

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট পদে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের নাম। আলোচনায় আছেন তালিকায় জাতিসংঘের সাবেক রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালিও।

‘ফিন্যান্সিয়াল টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাংকের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিমের স্থলে নিয়োগের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তরে একটি তালিকা জমা পড়েছে। তালিকায় নাম আছে ইভাঙ্কা ট্রাম্পেরর।আরও আছেন জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি ও ট্রেজারি আন্ডারসেক্রেটারি (ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স) ডেভিড মালপাস ও ইউএসএআইডির প্রধান ম্যাক গ্রিন।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার আকস্মিকভাবে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন জিম ইয়ং কিম। তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন বছরের বেশি সময় আগেই তিনি এমন ঘোষণা দেন। হঠাৎ করে পদত্যাগ করার কোনো কারণ দেখাননি তিনি। তবে জিম ইয়ং কিমের পদত্যাগের পেছনে তাঁর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতভেদের বিষয়টি সামনে আসছে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে তলব

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৫ ১৩:৫৮:১৬

বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি শূন্য রেখার ১৫০ গজের মধ্যে তুমব্রু খালে অবৈধভাবে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছে মিয়ানমার। গণমাধ্যমে এই প্রকাশ হওয়ার পর মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ লুইন ও’কে তলব করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কেন পাকা স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে রাষ্ট্রদূতকে তলব করে নেপিডোর কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা জানতে চেয়ে একটি কূটনৈতিক চিঠি দিয়েছে ঢাকা। বিকেল রাষ্ট্রদূত উ লুইন ও দুই প্রতিনিধিকে নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাজির হন।

এদিকে, একই বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপিকে গতকাল সোমবার আরেকটি চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ লুইন ও’কে মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে এনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে নেপিডোর সর্বশেষ তথ্য জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে নেপডো কাজ করছে। খুব শিগগিরই ঢাকাকে অগ্রগতি জানান হবে।

এর আগে, গত ৮ জানুয়ারি কূটনৈতিক চ্যানেলে আরাকান আর্মি ও আরসা নিয়ে বাংলাদেশকে জড়িয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের মুখপাত্রের দেওয়া বিবৃতির কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা।

মিয়ানমার সরকারকে দেয়া প্রতিবাদপত্রে ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আরাকান আর্মি এবং আরসার কোনো ঘাঁটি নেই। মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের মুখপাত্র আরাকান আর্মি ও আরসা নিয়ে বাংলাদেশকে জড়িয়ে গণমাধ্যমে যে বিবৃতি দিয়েছে তা বাংলাদেশের নজরে এসছে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের মুখপাত্রের ওই বিবৃতি মিথ্যা ও মনগড়া।

বিস্তারিত খবর

১৮৯৫ সালের সঙ্গে মিলে গেলো ২০১৯-এর ক্যালেন্ডার

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৪ ১৩:৫৩:৫৬

‘ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি’ কথাটি আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। এবার সত্যিকার অর্থেই সেটা দেখা গেলো। ২০১৯ সালের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে গেলো ১৮৯৫ সালের ক্যালেন্ডার। আর এতেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি কথাটি যেন আরও বাস্তব হয়ে ধরা দিলো।

ইতোমধ্যে ক্যালেন্ডারের এই সাদৃশ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই দুটি ক্যালেন্ডারের ছবি একসঙ্গে দিয়ে নানা ধরনের ছবি পোস্ট করছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সেখানে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ১৮৯৫ সালের ক্যালেন্ডার ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে দেখা যায়, ২০১৯ সালের ক্যালেন্ডার এবং ১৮৯৫ সালের ক্যালেন্ডার সম্পূর্ণ একই রকম।

আনন্দবাজারের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ১২৩ বছরে ১৩ বার বার্ষিক ক্যালেন্ডার আগের কোনও এক সালের সঙ্গে মিলে যেতে দেখা গেছে। নির্দিষ্ট একটি সময় পর পর এমনটি হয়।

দুটি ক্যালেন্ডার বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ১৮৯৫ সাল এবং ২০১৯ সাল মঙ্গলবারে শুরু হয়। জানুয়ারি মাস শেষ হয় বৃহস্পতিবারে। একইভাবে দুটি বছরই শেষ হয় মঙ্গলবারে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মালয়েশিয়ার নতুন রাজা টেঙ্কু আব্দুল্লাহ

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৪ ১৩:৫১:৫৯

মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্য শনিবার তাদের নতুন সুলতান হিসেবে টেঙ্কু আব্দুল্লাহ শাহের (৫৯) নাম ঘোষণা করেছে। তার বাবা সুলতান আহমেদ শাহের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।

ধারণা করা হচ্ছে, দেশটির নতুন রাজা হতে পারেন টেঙ্কু আবদুল্লাহ। বারনামা নিউজ এজেন্সির বরাতে এএফপি জানায়, মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান পঞ্চম মোহাম্মদের সিংহাসন ত্যাগের পর নতুন রাজা নির্বাচনে নয়টি রাজপরিবারের প্রধানরা আগামী ২৪ জানুয়ারি ভোট দিতে যাচ্ছেন।

এর আগে নতুন সুলতানের নাম ঘোষণায় তার রাজা হওয়ার সম্ভাবনাই বেড়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।

রুশ সুন্দরী সাবেক ‘মিস মস্কো-২০১৫’ ওকসানা ভোয়েভোদিনার সঙ্গে রাজা মোহাম্মদের বিয়ের খবর ডিসেম্বরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গত সপ্তাহে হঠাৎই পদত্যাগের ঘোষণা দেন পঞ্চম মোহাম্মদ। মেয়াদ শেষের আগেই সরে যাওয়া প্রথম মালয়েশীয় রাজা তিনি।
মালয়েশিয়ায় একজন রাজার মেয়াদ পাঁচ বছর। দেশটিতে নয়টি রাজপরিবারের প্রধানরা (সুলতান) ভোটের মাধ্যমে দেশের রাজা নির্বাচন করেন। ক্রমান্বয়ে এক রাজ্যের পর আরেক রাজ্য থেকে রাজা নির্বাচিত হয়। এবারের ধাপে পাহাং রাজ্য থেকেই রাজা হবে বলে জানিয়েছে এএফপি।

সুলতান আবদুল্লাহ শাহ খেলাধুলার ক্ষেত্রে পরিচিত ফিগার। বর্তমানে তিনি এশিয়ান হকি ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট এবং আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনের (ফিফা) কাউন্সিল সদস্য।

রাজপ্রাসাদের সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের বনিবনা হচ্ছিল না বলেও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। সাংবিধানিকভাবে পরিচালিত দেশ মালয়েশিয়ায় রাজা বলতে গেলে অলঙ্কারিক পদ, যিনি মুসলমান অধ্যুষিত দেশটিতে ইসলামের অভিভাবক। তবে প্রধানমন্ত্রীসহ বেশ কিছু জ্যেষ্ঠ পদে নিয়োগের জন্য রাজার অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ইরানে বিমান বিধ্বস্ত, একজন ছাড়া সবাই নিহত

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৪ ১৩:৫১:২৫

ইরানের আলবুর্জ প্রদেশের কারাজ শহরে বোয়িং ৭০৭ নামের একটি মালবাহী বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় শুধু একজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

কিরগিজস্তান থেকে আমদানিকৃত মাংস নিয়ে বিমানটি দেশে ফেরার পথে স্থানীয় সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে এই বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি ‘ফার্স নিউজ এজেন্সি’। এটি ইরানের সেনাবাহিনীর বিমান ছিল বলে তাদের জনসংযোগ দপ্তরের একটি ঘোষণায় বলা হয়েছে।

বিমানটির চালক ভুল করে আন্তর্জাতিক পায়াম বিমানবন্দরের পরিবর্তে এখান থেকে ১২ কিলোমিটার দূরবর্তী ফাতহ সামরিক বিমানবন্দরে বিমানটিকে অবতরণ করান। ফাতহ বিমানবন্দরটির এয়ার ফিল্ড ১.৩ কিলোমিটারের, যা পায়াম বিমানবন্দরের চেয়ে ২.৫ কিলোমিটার ছোট।

বিমানটি বিধ্বস্তের পর ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার চিকিৎসা কেন্দ্রগুলো থেকে একটি হেলিকপ্টার, একটি বাস অ্যাম্বুলেন্স, দুটি পিকআপ অ্যাম্বুলেন্স এবং কিছু উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পাঠায়।

দেশটির রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান পিরহোসেইন কৌলিভন্দ ঘোষণা করেন, এই বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন। ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ারকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে একজন নারী ছিলেন। আর বিমানটি যে বাড়িতে আঘাত হানে, সেটিতে কেউ ছিলেন না।

প্রদেশটির ফরেনসিক মেডিসিন অর্গানাইজেশনের প্রধান হামিদ দাভৌদাবাদি বলেন, নিহতদের মধ্যে ১০ জনের মরদেহ শনাক্ত হয়েছে। অন্য মরদেহগুলোও শনাক্তের কাজ অব্যাহত আছে। মরদেহ শনাক্তের প্রক্রিয়া শেষ হলেই জানানো হবে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

চীনে কয়লা খনি ধসে নিহত ২১

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৩ ১৩:২৯:১৬

চীনে একটি কয়লা খনি ধসের ঘটনায় ২১ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই ঘটনার সময় খনির ভেতর ৮৭ জন শ্রমিক কাজ করছিল। তবে ৬৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

খবরে বলা হয়েছে, চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শানশি প্রদেশের সেনমুতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক খবরে বলা হয়েছিল, ১৯ জন খনি শ্রমিক নিহত হয়েছে এবং দুজন আটকা পড়েছে। পরে কর্তৃপক্ষ ২১ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে।

বেইজি মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের মালিকাধীন লিজিয়াগোও খনিতে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

তবে কী কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার পর পর প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, অনেক গাড়ি সেখানে জড়ো হয়েছে।

চীনে প্রায়ই ভয়াবহ খনি দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। অবৈধ খনির বিরুদ্ধে অভিযান ও কয়লা উৎপাদনের অবস্থা উন্নয়নের চেষ্টার পরও সেখানে নিরাপত্তা রেকর্ড খুব একটা ভালো নয়।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের দক্ষিণ পশ্চিমের একটি কয়লা খনিতে দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়।

এর আগে ওই বছরেরই অক্টোবরে আরেকটি খনিতে দুর্ঘটনা ঘটলে ২১ জন শ্রমিক নিহত হয়।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

পাকিস্তানের তেল শোধনাগার নির্মাণে বিনিয়োগ সৌদি আরবের

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৩ ১৩:২৮:১২

পাকিস্তানের একটি গভীর সমুদ্র বন্দরে তেল শোধনাগার নির্মাণের জন্য বিপুল পরিমান অর্থ বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব।

দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশের গ্বাদর সমুদ্র বন্দরে এই বিনিয়োগের পরিমান দশ বিলিয়ন ডলার বলে রয়টার্সে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

রবিবার গ্বাদর বন্দরে দাঁড়িয়ে এ আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেন সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী খালিদ আল ফালি।

তিনি বলেন, পাকিস্তানের আর্থিক উন্নয়নের অংশীদার হতে চায় সৌদি আরব। সেই জন্যই বানানো হচ্ছে তেল শোধনাগার। পাশাপাশি চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের অংশীদারও হতে চাই আমরা।

মন্ত্রী ফালি জানান, আগামী ফেব্রুয়ারিতেই পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন সৌদির যুবরাজ ক্রাউন প্রিন্স মহম্মদ বিন সালমান। সেখানে এ বিষয়ে চুক্তি সই করা হবে।

ওই সময় গ্বাদর সমুদ্র বন্দরে তেল শোধনাগার ছাড়া অন্যান্য বেশ কিছু প্রকল্পেও পাকিস্তানকে আর্থিক সাহায্য করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, গ্বাদর বিমানবন্দরেই একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা রয়েছে চীন ও পাকিস্তানের। এই এলাকায় পন্য মজুত, পরিবহন এবং উৎপাদনের জন্য জায়গা দেওয়া হবে বিভিন্ন চীনা কোম্পানিকে।

এই গ্বাদরেই বিপুল পরিমান অর্থ বিনিয়োগ করে সৌদি আরবের তৈল শোধনাগার বানানোর সিদ্ধান্ত কীভাবে নিচ্ছে চীন, সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

গত আগস্টে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ঋণের দায়ে জর্জরিত পাকিস্তানকে দেউলিয়া হয়ে যাওয়া থেকে উদ্ধার করতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কাছে আর্থিক সাহায্য চাইছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। কখনও চীন, কখনও সৌদি, কখনও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ঋণ মওকুফ করতে ইমরান আলাপ-আলোচনা চালাচ্ছেন আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের সঙ্গেও। এই পরিস্থিতিতে সৌদির এই আর্থিক সাহায্যে আপাতত কিছুটা হলেও হাঁফ ছেড়ে বাঁচার সুযোগ পেলেন পাকপ্রধানমন্ত্রী, এমনটাই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

এবার জার্মানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৩ ১৩:২৬:৩৫

রাশিয়া পরিচালিত নর্ড স্ট্রিম ২ গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পে সম্পৃক্ত কোম্পানিগুলো নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়বে বলে হুমকি দিয়েছেন জার্মানিতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের দূত। এই পাইপলাইনের সাহায্যে বাল্টিক সাগরের নিচ দিয়ে সরাসরি জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহ করা হবে। এ প্রকল্পে জার্মানির কিছু কোম্পানিও কাজ করছে।

রোববার যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনিয়র কর্মকর্তার বরাত একথা বলেছেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এর আগে রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখায় চীন, ইরান ও ভারতসহ বেশকিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা বা নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

রুশ জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল জার্মানিকে মস্কোর হাতে বন্দি বলে অভিযোগ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটিকে ১১ বিলিয়ন ডলারের গ্যাস পাইপলাইনের কাজ বন্ধ করে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এই পাইপলাইনের সাহায্যে বাল্টিক সাগরের নিচ দিয়ে সরাসরি জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহ করা হবে। পরে জার্মানি থেকে দেশটির মিত্ররা এতে সংযুক্ত হতে পারবে। এর ফলে ইউক্রেন একটি বড় অঙ্কের গ্যাস ট্রানজিট ফি থেকে বঞ্চিত হবে, যা দেশটি এখন পাচ্ছে।

জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জানিয়েছে, আমেরিকান রাষ্ট্রদূত রিচার্ড গ্রেনেল বেশকিছু কোম্পানিকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন।

এই মুখপাত্র জানান, রুশ জ্বালানি সরবরাহকারী পাইপলাইনে কাজ করা যেকোনো কোম্পানি কাউন্টারিং আমেরিকা’স অ্যাডভার্সারিজ থ্রো স্যাংশনস অ্যাক্টের(সিএএটিএসএ) আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়বে বলে চিঠি দিয়ে মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে।

অন্য ইউরোপীয় দেশগুলো এই পাইপলাইন প্রকল্পের বিরোধিতা করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ওয়াশিংটন সিএএটিএসএ ব্যবহারের মাধ্যমে অন্য দেশগুলোর পররাষ্ট্র ও জ্বালানি নীতিতে হস্তক্ষেপ করে বলে অভিযোগ জার্মানি এবং তাদের ইউরোপীয় মিত্ররাষ্ট্রগুলোর। তবে এই বিষয়ে জার্মান সরকার এবং নর্ড স্ট্রিম ২ প্রকল্পে সংযুক্ত কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে অভিযোগ করবে লেবানন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১২ ১৫:০৩:০৫

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অভিযোগ দায়ের করার কথা ঘোষণা দিয়েছে লেবানন। দেশটির দক্ষিণে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তৎপরতার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দাখিল করা হবে। মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর এখবর জানিয়েছে।

গত মাসে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ওই অঞ্চলে একটি সামরিক অভিযান শুরু করেছে। ইসরায়েলের দাবি, তারা হেজবুল্লাহ’র সুড়ঙ্গ ধ্বংসে এই অভিযান চালাচ্ছে। জাতিসংঘ নির্ধারিত ব্লুলাইনে একটি দেয়ালও নির্মাণ করছে সেনাবাহিনী।  ২০০০ সালে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পর লেবানন ও ইসরায়েল সীমান্তে একটি ব্লু লাইন চিহ্নিত করা হয়েছিল।

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে অভিযোগ দায়েরের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে লেবাননের সর্বোচ্চ প্রতিরক্ষা পরিষদের বৈঠকের পর। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট মাইকেল আউন, প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি এবং শীর্ষ সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।

লেবাননের প্রতিরক্ষা কাউন্সিল জানায়, সীমান্তে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তৎপরতা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুল্যুশন ১৭০১ এর স্পষ্ট লঙ্ঘন।

লেবানন ইসরায়েলকে শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে থাকে। নজরদারির উদ্দেশ্যে ইসরায়েলি বিমানগুলো প্রায়ই লেবাননের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। লেবানন প্রায়ই দেশটির বিরুদ্ধে আকাশ সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে আসছে। ২০০৬ সালে উভয় দেশ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১২ ১৪:৫৭:৩৬

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারে অচলাবস্থা (শাটডাউন) টানা ২২ দিনে পৌঁছেছে শনিবার। এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি শাটডাউন। এর আগে ১৯৯৫-৯৬ সালে বিল ক্নিনটনের আমলে টানা ২১ দিন অচলাবস্থা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে। খবর বিবিসি ও সিএনএনের

গত ২১ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এই অচলাবস্থা নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং অচলাবস্থাকে থোড়াই কেয়ার করে নিজের প্রতিশ্রুতি মেক্সিকো সীমান্ত দেয়াল নির্মাণে অটল রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, দেয়াল নির্মাণে অর্থ বরাদ্দ পেতে আবারও জরুরি অবস্থা জারির হুমকি দিয়েছেন তিনি।

এই অচলাবস্থার কারণে আটকে আছে ফেডারেল সরকারের ৮ লাখ কর্মকর্তার বেতন। বিমানবন্দরকর্মী, কারারক্ষী এবং এফবিআই এজেন্টসহ আরও অনেকগুলো সরকারি সংস্থার কর্মীরা শুক্রবার তাদের নতুন বছরের প্রথম বেতন পাননি। ফলে বিক্ষুব্ধ কর্মীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছেন।

২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রচারণাকালে অন্যতম আশ্বাস ছিল মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ। কিন্তু ডেমোক্র্যাটদের বিরোধিতায় আটকে আছে তার সে পরিকল্পনা।

ডেমোক্র্যাটরা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দাদের করের টাকা দিয়ে দেয়াল নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে ডেমোক্র্যাটরা একটি বাজেট বিল পাস করলেও তাতে মেক্সিকো সীমান্তের জন্য তহবিল বরাদ্দ রাখা হয়নি।

অন্যদিকে ট্রাম্প বলছেন, তার দাবিকৃত বরাদ্দ না রাখলে কোনো বাজেট বিলই তিনি অনুমোদন দেবেন না। উপরন্তু কংগ্রেসকে এড়িয়েই দেয়াল নির্মাণে জরুরি অবস্থা জারি করতে পারেন ট্রাম্প- এমন হুমকি দিয়ে আসছেন গত কয়েকদিন ধরে। মূলত এ দ্বন্দ্বের কারণে যুক্তরাষ্ট্র সরকারে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত