যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 10:51am

|   লন্ডন - 04:51am

|   নিউইয়র্ক - 11:51pm

  সর্বশেষ :

  বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকা’র কমিটি ঘোষণা   রোহিঙ্গা সংকট দ্রুতগতিতে বাড়ছে, জরুরি সহায়তা প্রয়োজন : বিশ্বব্যাংক   ভেরিফিকেশনে গিয়ে ফুল-মিষ্টি দিয়ে পুলিশ সুপারের শুভেচ্ছা!   দেশের রেডিওতে শুদ্ধ বাংলা ব্যবহারের নির্দেশ   দ্বিতীয় মেয়াদেও প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হবেন সিসি   ভুয়া খবরের প্রচার ঠেকাতে ‘বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যম’র র‍্যাংকিং করবে ফেসবুক   কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের হামলায় ২২ সেনা নিহত   যুক্তরাষ্ট্রে সরকার ব্যবস্থায় অচলাবস্থা, নেপথ্য কারণ   টাওয়ার হ্যামলেটসকে ‘ট্রাম্পমুক্ত এলাকা’ ঘোষণা : নেতৃত্বে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর   সিলেটে অর্থমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় ১০ জন আহত   নাইজেরিয়ায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ১২   জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ   রাজশাহীতে প্রথম ফ্লাইওভার নির্মাণের সিদ্ধান্ত   তহবিল সংকটের কারণে ফের শাটডাউনের শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র   ফিলিস্তিনকে সাড়ে ৪ কোটি ডলার খাদ্য সহায়তা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র

>>  বহিঃ বিশ্ব এর সকল সংবাদ

দ্বিতীয় মেয়াদেও প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হবেন সিসি

আগামী মার্চে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবেন মিশরের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আব্দেল ফাতাহ আল সিসি। শুক্রবার তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষমতায় থাকা সিসি এবারও জয় পাবেন।

মিশরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ২০১৩ সালে ক্ষমতাচ্যুত করেন সিসি। ২০১৪ সালে তিনি সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করেন এবং এতে জয় পান। সিসির কয়েক বছরের শাসনে মিশরে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরেছে। তবে তার কঠোর অর্থনৈতিক সংস্কারের কারণে জনগণের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। একইসঙ্গে তিনি বিরোধীদের

বিস্তারিত খবর

কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের হামলায় ২২ সেনা নিহত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-২০ ১১:৪৫:৩৪

আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোতে উগান্ডার ইসলামি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২২ সেনা নিহত হয়েছে। শুক্রবার কঙ্গোর নিরাপত্তা বাহিনী ও কূটনৈতিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ৮ ডিসেম্বর কঙ্গোতে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের হামলায় তাঞ্জানিয়ার ১৫ শান্তিরক্ষী নিহত হয়। এরপরই কঙ্গো ও উগান্ডার সেনাবাহিনী যৌথভাবে অ্যালায়েড ডেমোক্র্যাটিক ফোর্স নামের ওই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে।

এক জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে নর্থ কিভু প্রদেশের এরিংয়েটি শহরে বন্দুকধারীরা হামলা চালায়। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত ছিল। এতে আরো ২০ সেনা আহত হয়েছে।

হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে আরেক সেনা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২২ সেনা নিহত হয়েছে বলে তিনি তথ্য পেয়েছেন।

কঙ্গোর প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রিসপিন আতামা বলেছেন, ‘আমরা যুদ্ধের মধ্যে রয়েছি। যখন আপনি যু্দ্ধাবস্থায় থাকবেন তখন গুপ্তহত্যা সম্ভব। এটা আমাকে বিস্মিত করেনি।’

প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত চলা যুদ্ধের অবসানের পর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চল বিদ্রোহীদের দখলে চলে যায়। ওই যুদ্ধে অনাহার ও রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যায় কয়েক লাখ লোক।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি 

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাষ্ট্রে সরকার ব্যবস্থায় অচলাবস্থা, নেপথ্য কারণ

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-২০ ১১:৩৭:০৯

সিনেট প্রতিনিধিদের মধ্যে বাজেট নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় ১৯ জানুয়ারি রাত বারোটার পরপরই বন্ধ হয়ে যায় দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রম। যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টির পর পরস্পরকে দুষছে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান দল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অভিবাসন ইস্যুতে মার্কিন সিনেট কোনও সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারায় কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রম চালিয়ে নিতে নতুন বাজেট ছাড় করা যায়নি। ওইসব প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ‘ড্রিমার অভিবাসী’খ্যাত তরুণদের জন্য কর্মসূচির প্রশ্নে সমঝোতা না হওয়ার কারণেই এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়।  

ফ্লোরিডার মার-ই-লাগো রিসোর্টে ক্ষমতায় যাওয়ার বর্ষপূর্তি উদযাপন করতে যাওয়ার কথা ছিল দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে শুক্রবার পুরো দিনটিই কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে সমঝোতার কাজে ব্যয় করেন ট্রাম্প। ওভাল কার্যালয়ে সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার ও রিপাবলিকান প্রতিনিধির মধ্যে আলোচনার ব্যবস্থা করা হলেও সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হন ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানরা।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ থেকে দেখা গেছে, বাজেট নিয়ে সিনেটরদের ভাগ হয়ে যাওয়ার মূল কারণ অভিবাসন-নীতিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রস্তাবিত পরিবর্তন। যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ তরুণ অভিবাসীদের সামাজিক সুরক্ষায় ওবামা ঘোষিত ‘ড্রিমার কর্মসূচি’ পরিচালনায় বরাদ্দ অর্থ নিয়ে দুই ভাগে ভাগ হয় সিনেট। ওই কর্মসূচির আওতায় যে আট লাখ তরুণ-তরুণী সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পেয়েছে, তাদের ব্যাপারে কোনও স্থায়ী সমাধানকে সমঝোতার শর্ত হিসেবে তুলে ধরে ডেমোক্র্যাটরা। অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রতিনিধিরা পুরো বিষয়টিকে সাময়িক সমাধান হিসেবে দেখতেই আগ্রহী। এ নিয়ে রিপাবলিকানদের সঙ্গে মতবিরোধ হওয়ায় শেষপর্যন্ত বাজেটের সমঝোতা প্রস্তাব পাশের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম ৬০ ভোটও মেলেনি।

ট্রাম্প-শুমার বৈঠকের ব্যাপারে অবগত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুমার মেক্সিকোর দেয়াল নির্মাণ প্রশ্নে আলোচনায় রাজি ছিলেন। সামরিকব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাবেও আপত্তি ছিল না তার। বিপরীতে শুমার চেয়েছিলেন একটি সাময়িক সমঝোতায় আসতে। যেন পরবর্তী সময়ে এ নিয়ে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে বিস্তৃত পরিসরে সমঝোতার সুযোগ তৈরি হয়। ওই সূত্রকে উদ্ধৃত করে গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পকে শুমারের প্রস্তাবে প্ররোচিত হতেই দেখা গেছে। তিনি প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন রিপাবলিকান নেতাদের এ নিয়ে  বোঝাতে চেষ্টা করবেন। তবে তেমনটা হয়নি।

সিএনবিসি-কে শুমার বলেছেন, ‘সরকারের অচলাবস্থা এড়াতে মেক্সিকোর দেয়াল নিয়েও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলাম। ট্রাম্পই সরে গেছেন’। তিনি বলেন, ‘একে ট্রাম্প শাটডাউন বলা উচিত। কেননা ও ব্যাপারে দায়ী করার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চেয়ে যথার্থ আর কোনও মানুষ নেই।’

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন, এনবিসি ও ভক্স নিউজসহ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানও সমঝোতা না হওয়ার নেপথ্যে অভিবাসন ইস্যুটিকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এই সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ড্রিমার প্রকল্পের সমঝোতা না হওয়াই অচলাবস্থার প্রধান কারণ। ওই কর্মসূচির আওতায় কয়েক লাখ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো থেকে বিরত ছিল হোয়াইট হাউস। তাদের যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে মূলত তরুণ অনিবন্ধিত অভিবাসীদের সুরক্ষা দিতে চেয়েছিল ওবামা প্রশাসন। এ কর্মসূচির দাফতরিক নাম ‘ডেফারড অ্যাকশন ফর চিলড্রেন অ্যারাইভাল’ (ডিএসিএ)। এ কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, পড়াশোনা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পান প্রায় ৭ লাখ তরুণ। এই তরুণদের বলা হয় ‘ড্রিমার’। তবে গত সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পটি সমাপ্তির ঘোষণা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন।

গত বছর সেপ্টেম্বরেই শেষ হয়ে গিয়েছিল সরকারি ব্যয় বরাদ্দের তারিখ। তবে কার্যকর দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার অভাবে তখন থেকেই স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপের মাধ্যমে অচলাবস্থা ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে। সবশেষ গত বছর ডিসেম্বরে স্বল্পমেয়াদি ব্যয় বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই সময়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘ড্রিমার’দের জন্য ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত হয়, এরপর আর কর্মসূচিটির জন্য অর্থায়ন করা হবে না।তবে মঙ্গলবার ট্রাম্প প্রশাসনের সেই সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য রুল জারি করেছে সান ফ্রান্সিসকোর আদালত। 'ড্রিমার' প্রকল্পের আওতায় আবারও আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শৈশবে বাবা-মায়ের সঙ্গে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো অভিবাসীদের কাজের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে যারা আগে এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন, শুধু তারাই নবায়নের সুযোগ পাবেন।

ভক্স নিউজের খবরে বলা হয়েছে, অভিবাসন প্রশ্নে বর্তমান প্রশাসনের নীতি এসেছিল ট্রাম্প-শুমার আলোচনায়। তবে ডেমোক্র্যাটরা ড্রিমারদের ব্যাপারে ছাড় দিতে নারাজ ছিলেন। ক্যাপিটলে ফিরেই শুমার একটি টেলিফোন কল পান। হোয়াইট হাউস থেকে প্রধান কর্মকর্তা জন কেলি তাকে টেলিফোনে জানান, ট্রাম্পকে দেওয়া তার প্রস্তাব বেশ উদার। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন ও কংগ্রেসের অন্তত ৬ সদস্যের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলেছে। তারা জানিয়েছে, অভিবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে ঐক্য হয়নি। ৯০ মিনিটের বৈঠকটি নিষ্ফল হয়ে গেছে।

আরেক ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ডেমোক্র্যাট আইন প্রণেতারা চাইছিলেন, ৭০ লাখ ড্রিমার অভিবাসীর ভাগ্য নির্ধারণে একটি কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ। তবে রাজি হননি রিপাবলিকানরা। গত সপ্তাহে ড্রিমারদের জন্য স্বতন্ত্র কর্মসূচি চালু রাখার প্রস্তাবে নিজের অসম্মতির কথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, মেক্সিকো সীমান্তে দেওয়াল নির্মাণের মতো নিরাপত্তা সুরক্ষার কর্মসূচিতে ড্রিমারদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। মেক্সিকোর দেয়াল নিয়েও আলাপ করতে রাজি ছিলাম আমরা। তবে ট্রাম্প ড্রিমার অভিবাসীদের জন্য কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে চাননি কোনোমতেই। 

গত সপ্তাহে ট্রাম্প ড্রিমারদের বৈধতা দেওয়ার জন্য একটি কার্যকর চুক্তির জন্য ট্রাম্প উভয় দলের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে বসেছিলেন। এক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার আগ্রহ দেখানোর কারণ ছিল সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা ও কয়েক ভিসা কর্মসূচির পরিবর্তন আনা। কিন্তু প্রেসিডেন্ট নাটকীয়ভাবে ওই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা বন্ধ করে দেন। ওই সময় তিনি হাইতি বা এল সালভাদোরের মতো দেশের অভিবাসীদের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে এক ব্যক্তিগত বৈঠকে দেশগুলোকে ‘শিটহোল কান্ট্রিজ’ বলেও মন্তব্য করেন।

গার্ডিয়ানের শনিবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড্রিমার কর্মসূচিটি ৫ মার্চ পর্যন্ত চালিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তবে এই অভিবাসীরা প্রায় সবাই ডেমোক্র্যাটদের ভোটার। ডেমোক্র্যাট রাজনীতির ভেতরে বিপুল চাপ রয়েছে ওই অভিবাসীদের ভাগ্য-নির্ধারণে সক্রিয় হওয়ার। তাই সব মানলেও ড্রিমারদের শঙ্কার মধ্যে রাখতে রাজি নয় তারা। এই ইস্যুতে তারা চান একটি স্থায়ী সমাধান। ড্রিমারদের সুরক্ষায় তারা একটি কার্যকর আইনি রূপান্তর চেয়েছিলেন।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রিপাবলিকানরা সরকারের জন্য একটি স্বল্পমেয়াদি তহবিল বরাদ্দ করানোর চেষ্টা করেন। তারা যুক্তি দেন, অভিবাসন ইস্যু আলাদা আর তা নিয়ে পরেও আলোচনা করা যাবে। দর কষাকষির একপর্যায়ে ডেমোক্র্যাটদের চাপে ফেলতে তারা জনপ্রিয় শিশুস্বাস্থ্য বীমার মেয়াদ আরও ৬ বছর বাড়ানোর প্রস্তাব দেন। ওই বীমা কর্মসূচির আওতায় দেশটির প্রায় ৯০ লাখ শিশু স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে থাকে। এভাবেই সমঝোতার সম্ভাবনাটি ভেস্তে যায়।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নাইজেরিয়ায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ১২

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৯ ১২:২৩:৫০

নাইজেরিয়ায় রনো প্রদেশের একটি বাজারে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১২ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ৬৫ জন।

আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, বুধবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মুনা গ্যারেজে এই হামলা চালানো হয়। মাদুগুরির বাস্তুহারারা এই স্থানেই মূলত আশ্রয় নেয়।

দেশটির জাতীয় জরুরি ব্যবস্থা সংস্থার মুখপাত্র আবদুল কাদির ইব্রাহিম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা চারজন নারী এই হামলা চালায়। জরুরি উদ্ধারকারী দল আহত ৬৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন ও হাসপাতালে নিয়ে যান।

তবে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা নিউজ এজেন্সি অব নাইজেরিয়া জানিয়েছে, এই হামলা দুইজন পুরুষ হামলকারী চালিয়েছে। আর এতে নিহত হয়েছেন ১২ জন। আহতের সংখ্যা ৪৮।

পুলিশ কমিশনার ডেমিয়েন চুক্কু বলেছেন, মুনা গ্যারেজের বাইরে একটি ব্যস্ত বাজারে হামলা চালায় এক হামলাকারী। আরেকজন ভয় পেয়ে সাথে সাথেই বোমার বিস্ফোরণ ঘটান এবং নিজেই ছিন্নভিন্ন হয়ে যান।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৯ ১২:২২:১৯

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিজস্ব দপ্তরে যৌন হয়রানি ও হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে জাতিসংঘ। একইসঙ্গে অভিযোগকারীদের এড়িয়ে যাওয়া এবং হামলাকারীদের দায়মুক্তির বিষয়টিও স্বীকার করেছে সংস্থাটি। শুক্রবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান  এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

জাতিসংঘের প্রায় অর্ধশত প্রাক্তন ও বর্তমান কর্মী অভিযোগ করেছেন, সংস্থাটির মধ্যে যৌন হয়রানি ও হামলার অভিযোগের ব্যাপারে কর্তাব্যক্তিদের মধ্যে নিশ্চুপ থাকার সংস্কৃতি রয়েছে। এছাড়া অভিযোগ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে নির্যাতিতদের নিশ্চুপ থাকতে হয়।

সাক্ষাৎকার নেওয়াদের মধ্যে ১৫ জন জানিয়েছেন, তারা গত পাঁচ বছরের মধ্যে যৌন হয়রানি বা হামলার স্বীকার হয়েছেন অথবা এ বিষয়ে অভিযোগ করেছেন। তাদের এ অভিযোগের মধ্যে কটূক্তি থেকে শুরু করে ধর্ষণ পর্যন্ত রয়েছে। এদের মধ্যে সাত নারী তাদের সঙ্গে যা ঘটেছে সে ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে প্রচারণাকারীরা জানিয়েছেন, চাকরি হারানোর ভয় কিংবা অভিযোগ করে কিছুই হবে না সেই হতাশা থেকে অনেক নির্যাতিতাই এ ব্যাপারে অগ্রসর হতে চান না।

বিশ্ব স্বংস্থায় পরামর্শক হিসেবে কাজ করার সময় সুপারভাইজারে হাতে হয়রানির শিকার হয়েছেন এমন এক নারী বলেছেন, ‘আপনি যদি অভিযোগ করেন তাহলে আপনার ক্যারিয়ার একেবারেই শেষ, বিশেষ করে আপনি যদি পরামর্শক হন। এটা অনেকটা অব্যক্ত ব্যাপার।’

জাতিসংঘ অবশ্য অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছে, এ বিষয়গুলি উদ্বেগের। সংস্থার মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরেস ‘যৌন হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করেছেন।’

১০টিরও বেশি দেশে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাতিসংঘের কর্মীরা গার্ডিয়ানের কাছে যৌন হয়রানির বিষয়ে কথা বলেছেন। ভিন্ন দপ্তরের তিন নারী জানিয়েছেন, তারা যৌন হয়রানি বা যৌন হামলার বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন। এরপর থেকে তাদেরকে অব্যহতি চাইতে বাধ্য করা হয়েছে অথবা চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। হামলাকারীদের মধ্যে একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও রয়েছেন। তারা সবাই এখনো স্বপদে বহাল রয়েছেন।

সংস্থার চার বর্তমান ও প্রাক্তন কর্মী জানিয়েছেন, যৌন হামলার শিকার হওয়ার পর তাদের চিকিৎসা সেবা অথবা পরামর্শ দেওয়া হয়নি। এদের মধ্যে একজন অভিযোগ করায় চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, হামলার পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে তিনি তিনজন পৃথক গাইনি বিশেষজ্ঞকে দেখিয়েছেন। কারণ হামলার পর জাতিসংঘের প্রথম মেডিক্যাল টিমটি এর আগে এ ধরণের বিষয় নিয়ে কাজই করেনি।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

তহবিল সংকটের কারণে ফের শাটডাউনের শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৯ ১০:৫৮:৩৮

২০১৩ সালের পর আবারও তহবিল সংকটের কারণে সরকারি কার্যক্রম বন্ধ রাখা বা শাটডাউনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার। কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের রিপাবলিকান সদস্যরা দেশটির জন্য বরাদ্দকৃত তহবিল স্থগিতের প্রস্তাব পাস করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও প্রস্তাবটি সমর্থন করেছেন। উদ্যোগটি কার্যকর করতে শুক্রবার মধ্যরাতে তা সিনেটে পাস করতে হবে। এজন্য রিপাবলিকানদের ডেমোক্র্যাট দলের মাত্র কয়েকজন সদস্যের সমর্থন দরকার পড়বে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সিনেট অধিবেশনের কয়েকঘণ্টা আগেও মনে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে শাটডাউন হবে। সর্বশেষ ২০১৩ সালে টানা ১৬ দিনের জন্য শাটডাউন ঘটেছিল।

আল জাজিরা বলছে, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের শাটডাউন কয়েকদিন বলবৎ থাকলেই জাতীয় উদ্যান, জাদুঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা বন্ধ হয়ে যাবে। এমনকি দেশটির পাসপোর্ট ও ভিসা প্রক্রিয়াও বন্ধ থাকবে। এতে দেশটির পর্যটনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আর জাতীয় উদ্যান ও স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউট জাদুঘরও জনসাধারণের জন্য খোলা হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের অনিবন্ধিত অভিবাসীদের সুরক্ষার জন্য একটি বিল নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দলের সদস্যদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ভেস্তে গেছে। এরপর রিপাবলিকানরা শাটডাউন বিলের উদ্যোগ নেয়। তবে এই উদ্যোগ কার্যকর হলে দুই দলের নেতৃত্বকেই কঠিন মূল্য ‍দিতে হতে পারে।

আর্থিক রেটিংস এজেন্সি ‘স্যান্ডার্ট অ্যান্ড পুওর’ এর জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ বেথ আন বোভিনো বলেন, এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব ফেলবে।   তিনি বলেন, শাটডাউনের প্রত্যক্ষ প্রভাবের মধ্যে রয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় সাত লাখ সরকারি কর্মচারীর উৎপাদন অপ্রয়োজনীয়ভাবে নষ্ট হয়ে যাবে। এই শ্রমিকদের সাময়িক ছুটিতে পাঠানো হবে। অর্থাৎ সরকার কার্যক্রম শুরু করা না পর্যন্ত তাদের বিনা বেতনে ছুটিতে থাকতে হবে। আর তাদের  বেতন দেওয়া হলেও সরকার উৎপাদন বঞ্চিত হবে। তিনি বলেন, কাজ ছাড়া বসে থাকা সময় কখনও ফিরে আসে না।

বোভিনো বলেন, পরোক্ষ ক্ষতির শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম হলেন ঠিকাদাররা। ২০১৮ অর্থবছরে ঠিকাদারদের সঙ্গে চার হাজার ৩০০ কোটির বেশি ডলারের চুক্তি করা হয়েছে। শাটডাউন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও অর্থ ছাড় হবে না। এতে অনেক ব্যক্তি নাগরিকের আয় কমে যাবে। খুচরা বেচা-কেনাও কমে যাবে। বোভিনো বলেন, ‘এখন ছুটির মৌসুম চলছে। তাই শাটডাউনের প্রভাব কম তীব্র হবে। তবে ছুটির বিক্রি হিসাব করলে তা জানুয়ারিতেও চলতে থাকে।’

যুক্তরাষ্ট্রে সরকার শাটডাউন হলেও জাতীয় নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ সুরক্ষায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলো চালু থাকবে। এর মধ্যে সামরিক বাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও বিমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে। গবাদি পশুর স্বাস্থ্য সেবা ও দরিদ্র পরিবারের জন্য ফুড স্ট্যাম্প সুবিধার কোনও ক্ষতি হবে না। কেন্দ্রীয় আদালত চালু থাকলেও কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

২০১৩ সালে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান সদস্যরা বারাক ওবামার স্বাস্থ্য নীতিতে অর্থায়ন না করতে চাওয়ায় ১৬ দিন শাটডাউন ছিল। তার আগে ১৯৯৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৯৯৬ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ২৭ দিন শাটডাউন চলেছিল। সে বার স্বাস্থ্য বীমা নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে মতবিরোধের জেরে এমন ঘটনা ঘটেছিল। তার আগের মাস নভেম্বরেই চার দিন সাটডাউন ছিল।

তথ্য উপাত্ত ঘাটলে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে কৌশলগতভাবে বেশিরভাগ সময় সপ্তাহের ছুটির দিনে এমন কাজ করে থাকে। যাতে দেশটির অর্থনীতিতে কোনও প্রভাব পড়ে না। ২০১৩ সালের শাটডাউনে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলার ক্ষতি হয়েছিল। সে বছর দেশটির জিডিপি ছিল ১৬ লাখ কোটি ডলারের বেশি। তবে এবার শাটডাউন হলে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৬০০ কোটি ডলার ক্ষতি হবে। বোভিনো বলেন, বছরের শুরুতেই এমন ক্ষতি পরবর্তীতে ভোগান্তি তৈরি করবে।

তবে গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্যান্ডার্ট অ্যান্ড পুওর আশা প্রকাশ করেছে, এবার সম্ভবত শিাটডাউন হবে না। কারণ হিসেবে বোভিনো বলেন, ‘আমাদের মনে হয়, সরকার একটা সিদ্ধান্তে আসতে পারবে। ওয়াশিংটনে সবকিছু সুন্দর ও সঠিকভাবে চলছে বলে আমরা বুঝতে পারছি। এই সময়ে সরকার শাটডাউনে প্রতি আগ্রহী হবে না।’


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ফিলিস্তিনকে সাড়ে ৪ কোটি ডলার খাদ্য সহায়তা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৯ ১০:৫৫:৫৭

ফিলিস্তিনিদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার দিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

গত বছর ১৫ ডিসেম্বর মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কম্পট্রোলার এরিক হামব্রি এক চিঠিতে জাতিসংঘের ত্রাণ ও কল্যাণ সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ’র কমিশনার জেনারেল পিয়েরে ক্রাহেনবুহলিকে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজার জনগণের জন্য জরুরি খাদ্য সহায়তা হিসেবে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ওই চিঠিতে বলা হয়েছিল, ‘ ২০১৮ সালের প্রথম দিকে এই ত্রাণ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সহায়তা নিশ্চিত করতে আরো একটি চিঠি ও সহায়তা প্যাকেজ ২০১৮ সালের জানুয়ারি বা তার আগেই পাঠানো হবে।’

তবে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাউয়ার্ত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, ইউএনআরডব্লিউএকে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে পূর্বাভাসসহ প্রতিশ্রুতি ছিল, এটা কোনো নিশ্চিত বিষয় ছিল না।

এর আগে গত মঙ্গলবার ইউএনআরডব্লিউএকে ফিলিস্তিনিদের জন্য দেওয়া বার্ষিক অনুদানের মধ্যে ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার না দেওয়ার ঘোষণা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য দাবি করেছে, ফিলিস্তিনিদের শাস্তি দিতে নয়, বরং ইউএনআরডব্লিউএ’র মধ্যে যাতে সংস্কার করা হয় সেজন্য তারা এ অর্থ দেবে না।

গত ৬ ডিসেম্বর জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর প্রতিবাদে আরব লিগের উদ্যোগে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব পাস হয়।

২ জানুয়ারি ট্রাম্প এক টু্ইটারবার্তায় বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনিদের লাখ লাখ ডলার দিচ্ছে। বিনিময়ে কোনো সমাদর বা সম্মান পায়নি।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

এক বছরের মধ্যে জেরুজালেমে দূতাবাস সরছে না : ট্রাম্প

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৮ ১২:২৭:২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বছরের মধ্যে মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নাকচ করে দিয়েছেন।

এক বছরের মধ্যেই মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তরিত হতে পারে বলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যে ইঙ্গিত দিয়েছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাম্প এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ৬ ডিসেম্বর জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। একই সঙ্গে মার্কিন দূতাবাস ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব থেকে সরিয়ে জেরুজালেমে নেওয়া হবে বলে জানান।

সে সময় ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমা মিত্রসহ আরব বিশ্ব মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়া নষ্ট হতে পারে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করে।

এদিকে গত মাসে ট্রাম্পের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন বলেন, সম্ভবত তিন বছরের আগে মার্কিন দূতাবাস সরানো যাবে না এবং এটা বেশ উচ্চাভিলাষী। এই সময়সীমার মধ্যে প্রশাসনের কর্মকর্তারা একটি উপযুক্ত জায়গা খোঁজার কাজ করবেন। পাশাপাশি কূটনীতিকদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করবেন।

কিন্তু ভারত সফরে আসা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বুধবার নয়া দিল্লীতে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মূল্যায়ন হচ্ছে, আপনাদের ধারণার চেয়েও দ্রুতগতিতে এর বাস্তবায়ন হবে- এখন থেকে আগামী এক বছরের মধ্যে।’

নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘বিষয়টি তা নয়। এই বছরের শেষের দিকে? আমরা ভিন্ন প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলছি। আমি আসলে বোঝাতে চাচ্ছি, সেটি হবে অস্থায়ী ভিত্তিতে। যেভাবে বলা হচ্ছে বিষয়টি সেভাবে দেখছি না।এটা হবে না।’

প্রসঙ্গত, মুসলিম, ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারীদের কাছে পবিত্র ভূমি হিসেবে পরিচিত জেরুজালেম। ১৯৬৭ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় পূর্ব জেরুজালেম দখলে নেয় ইসরায়েল। আর ফিলিস্তিন এই ভূখণ্ডের মালিকানা দাবি করে আসছে। আন্তর্জাতিকভাবে এখনো এই বিবাদের মীমাংসা হয়নি। তবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম এমনটিই চায় ফিলিস্তিনিরা।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

পাকিস্তানে চীনের পরমাণু সাবমেরিন ঘাঁটি, চিন্তায় ভারত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৮ ০০:০৫:২০

পাকিস্তানের গোয়াদর বন্দরে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে চীন৷ চীনের ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর। আর সেই করিডোরের অন্যতম প্রকল্প এই গোদর বন্দর। এই বন্দর দিয়েই ভারত মহাসাগরে দ্রুত চলাচল করা সম্ভব।
এবার এই বন্দরে চীন পরমাণু সাবমেরিন স্টেশন তৈরি করছে বলে ভারতীয় মিডিয়ায় খবর প্রকাশ করেছে।

গদর বন্দর পাকিস্তানের এক গুরুত্বপূর্ণ বন্দর৷ চীন এই বন্দরে দরকারি উন্নয়ন শুরু করেছে৷ ভারত মহাসাগর দিয়ে চীনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করবে এই বন্দর৷ এমন হলে চীন-পাকিস্তান যোগাযোগের পথ হবে ভারত ঘিরে৷ সেক্ষেত্রে ভারতীয় নেভির অপারেশন ও প্রভাব সম্পর্কে অবগত হতে পারবে চীন৷ফলে চিন্তায় পড়েছে ভারত।

নিউক্লিয়ার সাবমেরিন শুধুমাত্র নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর ক্ষমতা থাকবে, তাই নয়৷ এক্ষেত্রে সেই সাবমেরিনকে নিউক্লিয়ার অস্ত্রও বইতে হবে না৷ দরকার পড়লে সমুদ্রে অতিরিক্ত সময়ের জন্যও থাকতে পারবে নিউক্লিয়ার সাবমেরিন৷ এর জন্য কোথাও ল্যান্ড করা বা জ্বালানি নেয়ার প্রয়োজন নেই৷

সম্প্রতি চীনের উচ্চ পদস্থ কর্তারা ইসলামাবাদ সফরে গিয়েছিলেন৷ পাকিস্তানি নৌবাহিনীর সঙ্গেও তাদের কথা হয়৷ দক্ষিণ পাকিস্তান উপকূলের এই প্রজেক্ট নিয়ে চীন যথেষ্ট উৎসাহী৷ শোনা যাচ্ছিল, ইরানের কাছাকাছি জিওয়ানি বন্দরে এই সেট আপ তৈরি করছে চীন৷ গোয়াদার থাকবে শুধু বাণিজ্যিক বন্দর হিসেবে৷ কিন্তু বেইজিং একথা অস্বীকার করেছে৷

সাবমেরিন কমিউনিকেশনের জন্য VLF স্টেশন তৈরি করছে পাকিস্তান নেভি৷ গভীর সমুদ্রে সাবমেরিনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে এই VLF বা ভেরি লো ফ্রিকোয়েন্সি৷ পাকিস্তান নেভির সঙ্গে এই নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে চীন৷ বসে গেছে ২০৫ ফিট অ্যান্টেনা টাওয়ার৷ আন্ডারগ্রাউন্ড VLF বিল্ডিং ও পাওয়ার স্টেশনের কাজও চলছে৷

ভারতীয় নৌবাহিনী ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, ভারতীয় উপকূলের কাছাকাছি চীনের সাবমেরিন দেখা গেছে৷ সম্প্রতি আফ্রিকা উপকূলের মিলিটারি বেস দিজেবৌতিতে হামলা চালিয়েছে চীন৷ ভারতের উপকূলে হামলার আশঙ্কাও তাই উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না৷


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

রাশিয়ায় তাপমাত্রা মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৭ ২৩:৪৭:৩৯

রাশিয়ার প্রত্যন্ত ইয়াকুটিয়া অঞ্চলে তাপমাত্রা নেমে গেছে মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তাপমাত্রার এই ভয়াবহ অবনমনে চোখের পাতায়ও জমে যাচ্ছে বরফ।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে ৫ হাজার ৩০০ কিলোমিটার পূর্বে ইয়াকুটিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার তাপমাত্রা রেডর্ক করা হয় মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস (মাইনাস ৮৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট)।

প্রায় ১০ লাখ লোকের বসবাস রয়েছে ওই অঞ্চলে। কয়েকদিন ধরে মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যেই বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল শিক্ষার্থীরা। তবে মঙ্গলবার থেকে বিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ নির্দেশ দিয়েছে, ছেলেমেয়েদের বাড়ির মধ্যে রাখতে।

মানুষের বসবাস রয়েছে, বিশ্বের এমন শীতলতম স্থানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি রাশিয়ার শাখা অঞ্চলের ওয়াইমায়াকনস্কি জেলার ওয়াইমায়াকন গ্রাম। মঙ্গলবার এই গ্রামের তাপমাত্রা থার্মোমিটারের পারদকে পরাস্ত করেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ওয়াইমায়াকন গ্রামের একটি থার্মোমিটারের রিডিং দেখানো হয়, যেখানে দেখা যায়, থার্মোমিটারের সর্বনিম্ন স্তরে পারদ নেমে গেছে। ওই থার্মোমিটারের সর্বনিম্ন মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পরিমাপের ক্ষমতা রয়েছে।

সপ্তাহের শেষ দিন ঠান্ডায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গাড়ি বিকল হওয়ায় তারা হেঁটে পার্শ্ববর্তী খামারবাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় ঠান্ডায় তাদের রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং সেখানে মারা যায়। এ ঘটনায় তদন্তদল গঠন করা হয়, যারা জানিয়েছে ওই তিন জনের সঙ্গে থাকা অন্য তিন ব্যক্তি প্রাণে বেঁচে গেছেন, কারণ তাদের পরনে ছিল গরম কাপড়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ওয়াইমায়াকনে সর্বকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ওই বছর সেখানে তাপমাত্রা পৌঁছেছিল মাইনাস ৭১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

ঠান্ডায় চোখের পাতায় বরফ জমে গেলেও ইয়াকুটিয়ার জীবনযাত্রা থেমে নেই। কেন্দ্রীয়ভাবে অফিস ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গরম রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মাইনাস ৪০-৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের মানুষের কাছে অসহনীয় হলেও ইয়াকুটিয়ায় তা নতুন নয়। এমন বৈরী আবহাওয়ায় তারা অভ্যস্ত। ইয়াকুটিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যমে চরম ঠান্ডার এই খবর প্রাধান্য পায়নি।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

অলিম্পিকে দুই কোরিয়ার ‘অভিন্ন পতাকা’

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৭ ২৩:৪৪:৩৮

দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠেয় শীতকালীন অলিম্পিকে একটি ‘অভিন্ন পতাকা’ উড়াবে দুই কোরিয়া।

পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু কার্যক্রম ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই প্রায় দুই বছরের বেশি সময় পর সরাসরি আলোচনায় বুধবার এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া। শুধু তা-ই নয়, অলিম্পিকে নারীদের আইস হকি প্রতিযোগিতায় দুই কোরিয়া যৌথভাবে একটি দল খেলাবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিবিসি অনলাইনের ব্রেকিং নিউজে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

৯-১২ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কোরিয়ার পায়োংচাংয়ে এবারের শীতকালীন অলিম্পিক খেলার আসর বসতে যাচ্ছে। দুই কোরিয়া সরকারিভাবে যৌথ আইস হকি টিম মাঠে নামাতে সম্মত হলেও দক্ষিণ কোরিয়া কোচ ও রক্ষণশীল সংবাদপত্রগুলো এ সিদ্ধান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার হকি দলের মেডেল জয়ের সম্ভাবনা কমে যাবে।

উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সমঝোতাকে জাপানও ভালোভাবে দেখছে না। জাপান বলেছে, সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া যে ‘পুলকে আক্রমণ’ চালিয়েছে, সে বিষয়ে বিশ্বের অন্ধ হলে চলবে না।

আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দুই কোরিয়ার অভিন্ন পতাকা ব্যবহার ও যৌথভাবে দল মাঠে নামানোর নজির এই প্রথম, তা নয়। অভিন্ন পতাকা দুই কোরিয়াকে ‘একীভূত’ দেশ হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করে। সাদা রংয়ের কাপড়ের ওপর কোরীয় উপদ্বীপের নীল রঙা মানচিত্র দিয়ে অভিন্ন তৈরি করা হয়। তবে উভয় দেশে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এই পতাকার তাৎপর্য নেই বললেই চলে এবং রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানে তা ব্যবহৃত হয় না। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মাঝে মাঝে এই অভিন্ন পতাকা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

১৯৯১ সালে প্রথমবার অভিন্ন পতাকা ব্যবহার করে দুই কোরিয়া। ওই বছর জাপানের চিবায় অনুষ্ঠিত ‘৪১তম বিশ্ব টেলিব টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপস’ এবং পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ‘অষ্টম বিশ্ব তরুণ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ’-এ যৌথভাবে দল খেলিয়েছিল, যেখানে তারা সাদা-নীল পতাকা ব্যবহার করেছিল।

এরপর বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অভিন্ন পতাকা ব্যবহার করে দুই কোরিয়া।

অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ায় আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় শীতকালীন অলিম্পিকে অংশগ্রহণের জন্য ২০০ সদস্যের একটি খেলোয়াড়দল পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া।

দুই কোরিয়ার মধ্যে বিবদমান উত্তেজনার মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সপ্তাহব্যাপী এ-বিষয়ক আলোচনা চলাকালে বুধবার দক্ষিণ কোরিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে অলিম্পিকে উত্তর কোরিয়ার অংশগ্রহণকে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার চাপ কমানোর সুযোগ হিসেবে না দেখার আহ্বান জানিয়েছে জাপান।

প্রায় দুই বছর পর উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সরাসরি আলোচনা হচ্ছে। এই সুযোগে তাদের মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা সামরিক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে উত্তর কোরিয়া পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম অব্যাহত রাখায় সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।

এদিকে, কানাডার ভ্যাঙ্কুভার শহরে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে অংশগ্রহণকারী ২০ দেশ মঙ্গলবার এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, পরমাণু অস্ত্র মুক্ত করতে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার চাপ আরো বাড়াতে হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র হুঁশিয়ারি করে বলেছে, পরমাণু কার্যক্রম অব্যাহত রাখলে উত্তর কোরিয়াকে সামরিক জবাব দেওয়া হবে।

১৯৫০-১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়াকে সমর্থনকারী ২০ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের এই বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন বলেন, উত্তর কোরিয়া যদি আলোচনার পথে না আসে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক জবাব দেবে যুক্তরাষ্ট্র।

জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনো বৈঠকে বলেন, উত্তর কোরিয়ার ‘পুলকে আক্রমণ’ নিয়ে বিশ্বের সাদামাটা চিন্তা করলে চলবে না। তিনি বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে চাপ কমানো বা তাদের পুরস্কৃত করার সময় নয় এটি।’ তারো কোনো দাবি করেন, ‘ঘটনা হলো উত্তর কোরিয়া আলোচনায় বসছে, এর অর্থ দাঁড়ায় নিষেধাজ্ঞায় কাজ হচ্ছে।’

২০১৭ সালে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রসহ বেশ কিছু আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির দাবি, পুরো যুক্তরাষ্ট্রের তাদের ক্ষেপণাস্ত্র পাল্লার আওতায় চলে এসেছে। গুয়াম ঘাঁটিতে হামলারও হুমকি দেয় তারা। জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পরমাণু হামলা চালিয়ে উত্তর কোরিয়াকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দেন। এর পাশাপাশি কিম জং-উন ও ট্রাম্পের মধ্যে বাকযুদ্ধ বিশ্বকে উদ্বেগে ফেলেছে। তবে ২০১৮ সালের শুরুতে উত্তর কোরিয়ার নেতা জং-উনের নমনীয় বক্তব্য চলমান উত্তেজনা কিছুটা কমিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠেয় অলিম্পিকে দল পাঠানোর প্রাথমিক প্রস্তাব দেন তিনি। পরে দক্ষিণ কোরিয়া আলোচনার প্রস্তাব দেয় এবং দুই কোরিয়া আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধিদল দক্ষিণ কোরিয়ায় যাবে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

রাখাইনে বিক্ষোভে পুলিশের গুলি, নিহত ৭

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৭ ১২:২৮:৩৩

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পুলিশের গুলিতে সাত বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ১২ জন। মঙ্গলবার রাতে আরাকান রাজ্যের পতন দিবস উপলক্ষে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ গুলিবর্ষণ করলে এ ঘটনা ঘটে।

রাখাইন রাজ্য সরকারের সেক্রেটারি টিন মায়ুং সউয়ি জানিয়েছেন, রাখাইনের উত্তরাঞ্চলীয় মারাউক ইউ শহরে মঙ্গলবার রাতে আরাকান রাজ্যের পতন দিবস উপলক্ষে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছিল। দিবসটি উদযাপন বন্ধে সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাচ্ছিল তারা।

সউয়ি জানান, আরাকান রাজ্যের পতন দিবস উদযাপন শেষে প্রায় চার হাজার বিক্ষোভকারী একটি সরকারি ভবন ঘেরাও করে। আয়োজকরা তাদের জমায়েতের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেয়নি।

তিনি বলেন, ‘প্রথম দিকে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছোঁড়ে। তবে এরপরেও তারা সরে যায়নি। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তা সদস্যরা গুলি ছোঁড়ে। কয়েকজন বিক্ষোভকারী পুলিশের কাছ থেকে বন্দুক কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

মারুক ইউ থেকে স্থানীয় এমপি তুন থের সেইন জানিয়েছেন, গুরুতর আহত কয়েকজনকে রাজ্যের রাজধানী সিতউই’র হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বাংলার সুলতানি আমলে রাখাইন রাজ্য আরাকান হিসেবে পরিচিত ছিল। এ রাজ্যটিতে দাপ্তরিকভাবে ১৩৫টি জাতির বাস। তাদের সঙ্গে আরাকান রাজত্বের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ১৭৮৪ সালে এ রাজ্যটি বার্মার দখলে যায়।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

 

বিস্তারিত খবর

বিশ্বের প্রথম ‘পানিহীন’ শহর!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৭ ১২:২৫:২৬

পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউন শহর শতাব্দীর ভয়াবহতম খরার মুখে আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে পানিহীন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জরুরি সেবার আওতায় সরকারের বরাদ্দকৃত পানি পেতে হয়তো শিগগিরই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হবে কেপ টাউনের বাসিন্দাদের। শহর কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, বিকল্প পানির উৎস বের করতে না পারলে ২২ এপ্রিলের মধ্যে পানি পাবে না লোকজন। ২২ এপ্রিলকে ‘শূন্য দিবস’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর আগেই পানি প্রাপ্তির বিকল্প উৎসের সন্ধানে রয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ জন্য পানির উৎস লবণ মুক্ত করা ও ভূগর্ভস্থ পানি তোলার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

কেপ টাউনে প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ পর্যটক আসে। বালিময় সাদা সৈকতে স্নান করা বা পার্শ্ববর্তী আঙুর খেতে গিয়ে মদ পান করা পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম নামে আন্তর্জাতিক সংগঠনের তথ্যানুযায়ী, গত বছর পর্যটন খাত থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা আয় করেছে ৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা তাদের মোট বাজেটের ৯ শতাংশ।

কেপ টাউন পৌরসভার পানিবিষয়ক কমিটির সদস্য ও কাউন্সিলর থানথিয়া লিমবার্গ জানিয়েছেন, ‘বর্তমান হারে পানি ব্যবহার করতে থাকলে শূন্য দিবস হবে ২২ এপ্রিল।’ অর্থাৎ ২২ এপ্রিলের পর শহরের পানি উৎস নিঃশেষ হয়ে যাবে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মুসলিম শিশুদের মসজিদে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা চীনের

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৭ ১১:৫৩:৩৫

শীতকালীন ছুটিতে শিশুদের মসজিদে না পাঠাতে চীনের গানসু প্রদেশের লিনসিয়াই জেলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ধর্মীয় শিক্ষার ওপর নিয়ন্ত্রণ আনতেই কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অনলাইনে শিক্ষা ব্যুরোর পোস্ট করা একটি নোটিসের বরাত দিয়ে বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

লিনসিয়াই জেলার  মুসলমানরা হুই উপজাতির। মুসলমান শিশুরা যাতে শীতকালীন ছুটিতে ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা শিখতে না পারে সেজন্য তাদেরকে ওই সময় মসজিদে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

জেলা শিক্ষা ব্যুরো জানিয়েছে, শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে অথবা উপাসনালয়েও ধর্মগ্রন্থ থেকে কোনো কিছু পাঠ করতে পারবে না। রাজনৈতিক আদর্শ ও প্রচারণাকে আরো শক্তিশালী করতে এ বিষয়ে নজর রাখার জন্য সব শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতি নির্দেশও দেওয়া হয়েছে ।

রয়টার্স জানিয়েছে, নোটিসের সত্যতা নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে জানতে লিনসিয়াইয়ের শিক্ষা ব্যুরো দপ্তরে ফোন করা হলে এক ব্যক্তি ফোন লাইনে ধরে রাখেন। পরে এক নারী এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

নোটিসের ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছিলেন চাইনিজ একাডেমি অব সোশ্যাল সায়েন্টিস্টসের সদস্য মার্ক্স তাত্ত্বিক শি উই। তিনি সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ইউএনএইচসিআর ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন উদ্বেগের : জাতিসঙ্ঘ

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৭ ১১:৫২:০১

শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে বাইরে রেখে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে চুক্তি সইতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসঙ্ঘের মহাপরিচালক এন্তোনিও গুতেরেজ।

বুধবার নিউ ইয়র্কে জাতিসঙ্ঘ সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে চুক্তির বিষয়ে ইউএনএইচসিআরের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। তবে চুক্তিতে সংস্থাটিকে অংশীদার করা হয়নি। অথচ এ ধরনের শরণার্থী প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় ইউএনএইচসিআর জড়িত থাকে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছায়। রোহিঙ্গাদের অবশ্যই তাদের আদি বাড়িতে ফিরে যেতে দিতে হবে। তাদেরকে কোনো আশ্রয় শিবিরে রাখা যাবে না। এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করা অত্যন্ত প্রয়োজন। বাংলাদেশের আশ্রয় শিবির থেকে এসব মানুষকে মিয়ানমারের শিবিরে পাঠানো হলে তা হবে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কার্যক্রম যাতে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে চলে তা নিশ্চিত করার জন্য এ প্রক্রিয়ায় ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত রাখা হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পাস হওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের একজন বিশেষ দূত শিগগির নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানান গুতেরেজ।

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছা ও মর্যাদার সাথে প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ ওয়াশিংটনে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে প্রত্যাবাসন বিষয়ক বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সই হওয়া চুক্তি নিয়ে এক প্রশ্নে জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র হিদার ন্যুয়েট বলেছেন, দুই বছরের মধ্যে প্রত্যাবাসন শেষ করা সম্ভব না হলে প্রয়োজনে সময় পিছিয়ে দিতে হবে। আমাদের কাছে মানুষের নিরাপদ ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন সময়সীমার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেউ নিরাপদ মনে না করলে তাকে জোর করে ফেরত পাঠানোকে আমরা সমর্থন করি না। এতে হিতে বিপরীত হবে। এ ধরনের পরিস্থিতি শরণার্থীরা চায় না, আমরা চাই না এবং কোনো জাতিও তা চাইবে না।

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য রাখাইন যথেষ্ট নিরাপদ কি না - জানতে চাওয়া হলে ন্যুয়েট বলেন, মাঠ পর্যায়ের হালনাগাদ পর্যবেক্ষণ আমার কাছে নেই। খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ দেশ ছেড়েছে। তাই আমি ভাবতে পারছি না এই মুহূর্তে তারা বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য নিরাপদবোধ করবে। বার্মা ও বাংলাদেশে আমার সংক্ষিপ্ত সফরে শরণার্থীদের সাথে আলাপের ভিত্তিতে বলতে পারি, তারা বাড়ি ফেরার মত পরিস্থিতিতে নেই। তাদের অনেককে আমি অত্যন্ত নাজুক ও ভীতির মধ্যে থাকতে দেখেছি।

সেফ দ্য চিলড্রেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী পল রোনার্ল্ডস বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার জন্য নিরাপত্তাবোধ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দশকের পর দশক ধরে তারা যে দমন-পীড়ন ও নৃশংসতার মধ্য দিয়ে জীবন কাটিয়েছে, সেটা যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। নাগরিকত্ব, অবাধ চলাফেরার স্বাধীনতা ও জীবিকার সুযোগের মত মৌলিক অধিকারগুলো যে কোনো চুক্তির ন্যুনতম শর্ত হওয়া উচিত।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পরিকল্পনাকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ‘ভয়াবহ অপরিপক্ক’ হিসাবে আখ্যয়িত করেছে। সংস্থাটির আঞ্চলিক পরিচালক জেমস গোমজ বলেছেন, রোহিঙ্গাদের অবশ্যই মিয়ানমারে ফেরার ও বসবাসের অধিকার রয়েছে। তবে জাতিবিদ্বেষ চলছে এমন পরিস্থিতিতে তাদের তড়িঘড়ি করে ঠেলে দেয়া উচিত না। শরণার্থীদের জোর করে ফেরত পাঠানো আন্তর্জাতিক আইন বিরোধী।

২৩ জানুয়ারি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু
পূর্ব নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৩ জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে হিন্দু-মুসলিম মিলিয়ে মিয়ানমার এক হাজার ২৫৮ জন রোহিঙ্গাকে নিতে চায় মিয়ানমার। রোহিঙ্গা হিসাবে যাচাইকৃত ৫০৮ জন হিন্দু ও ৭৫০ জন মুসলিম রোহিঙ্গার তালিকা বাংলাদেশকে দিয়েছে মিয়ানমার। মিয়ানমারের তথ্য মন্ত্রণালয় এসব কথা জানিয়েছে।

এদিকে গত সোমবার ও মঙ্গলবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নেইপিডোতে অনুষ্ঠিত যৌথ কার্যকরী গ্রুপের (জেডাব্লিউজি) প্রথম বৈঠকে আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মির (আরসা) এক হাজার ৩০০ সদস্যের একটি তালিকা বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলকে দিয়েছে মিয়ানমার। ১৯৮০ সালের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও সহযোগিতা চুক্তির আওতায় আরসার এসব সদস্যকে মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করার জন্য বাংলাদেশের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ আগস্ট আরসা সদস্যরা মিয়ানমারের পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে হামলা করেছে - এই অজুহাতে নিরাপত্তা বাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নির্বিচার দমন-পীড়ন ও হত্যাযজ্ঞ চালায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এর আগে ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর সীমান্ত চৌকিতে হামলার অজুহাতে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানের নামে চালানো নৃশংসতার কারণে ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল। বাংলাদেশে পালিয়ে আসা এসব রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত জেডাব্লিউজির প্রথম বৈঠক শেষে সই হওয়া ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্টে বলা হয়েছে, আগামী দুই বছরের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হবে। রোহিঙ্গাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাবাসন হবে পরিবারভিত্তিক। এতিম ও অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতিতে জন্ম নেয়া শিশুদের ক্ষেত্রে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করা হবে।

জেডাব্লিউজি বৈঠকে প্রতি সপ্তাহে ১৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। আর মিয়ানমার তাদের সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার ও রোববার ছাড়া প্রতিদিন ৩০০ করে সপ্তাহে সর্বোচ্চ দেড় হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশ তিন মাস পর অনুষ্ঠেয় জেডাব্লিউজির দ্বিতীয় বৈঠকে এ সংখ্যা বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক।

মিয়ানমারের সাথে ইতোপূর্বে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও জেডাব্লিউজির টামর্স অব রেফারেন্স (কার্যপরিধি) অনুযায়ী ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট চূড়ান্ত করা হয়েছে। ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট অনুযায়ী, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ পাঁচটি ট্রানজিট ক্যাম্প স্থাপন করবে। রোহিঙ্গাদের গ্রহণ করার জন্য মিয়ানমার প্রাথমিকভাবে দুটি অভ্যর্থনা কেন্দ্র নির্মাণ করবে। উত্তর রাখাইনে হ্লা পো খাউং এলাকায় রোহিঙ্গাদের জন্য অস্থায়ী শিবির গড়ে তোলা হচ্ছে। মিয়ানমার দ্রুততার সাথে এই শিবির নির্মাণ কাজ শেষ করবে। প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে সীমান্তের জিরো লাইনে অবস্থিত রোহিঙ্গাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। পরিচয় যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাবাসনের জন্য দু’টি পৃথক করিগরী কমিটি গঠন করা হবে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

‘রহস্যময়ী’ ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৬ ১২:৫২:৪২

প্রেসিডেন্ট স্বামী ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতার এক বছর পার করছেন কিন্তু আজো অন্তরালে রহস্যাবৃত্ত হয়ে রয়েছেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।

মেলানিয়ার জীবনপ্রণালি, তার কর্মকাণ্ড, ট্রাম্পের সঙ্গে তার বিয়ে ও তার লক্ষ্য সম্পর্কে এখনো আমেরিকার লাখ লাখ মানুষ কিছুই জানে না। ফার্স্ট লেডি হিসেবে তিনি কারো কারো কাছে ‘অনন্যা’। তবে তাকে নিয়ে বিতর্কের ডালপালা এতদূর প্রসারিত যে, আসলেই তিনি কেমন তা নিয়ে মানুষের কৌতূহল রয়েই গেছে।

মেলানিয়া একবার তার স্বামী ট্রাম্পের ব্যক্তিগত বিমানে নগ্ন হয়ে ছবি তুলেছিলেন। গত ২০০ বছরের ইতিহাসে তিনিই কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম অন্য দেশে জন্মগ্রহণকারী বধূ এবং একই সময়ের ইতিহাসে তিনিই সেই ফার্স্ট লেডি, ইংরেজি যার দ্বিতীয় ভাষা।

স্বামী ট্রাম্পের অভিষেকে তাকে দেখা গেলেও এরপর এক বছরে কোনো বিশেষ কাজ নিয়ে তিনি জনসমক্ষে আসেননি। প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা ও লরা বুশ স্থূলতার বিরুদ্ধে ও শিক্ষার প্রসারে প্রচারাভিযান চালিয়ে জনগণের দৃষ্টি কাড়লেও মেলানিয়াকে সুস্পষ্ট কোনো কাজে এখনো সম্পৃক্ত হতে দেখা যায়নি।

ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে থাকলেও মেলানিয়া তাদের ছোট ছেলে ব্যারনের পড়াশোনার জন্য নিউ ইয়র্কে থেকে যান। ব্যারনের স্কুল পর্যায় শেষ করার জন্যই তিনি ওয়াশিংটনে স্থায়ী হননি। তবে প্রায়ই তিনি হোয়াইট হাউসে যান এবং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে দিনে হাজার হাজার ডলার খরচ করতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডিদের নিয়ে গবেষণা করেন ওহাইও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্যাথেরিন জেলিসন। তিনি বলেছেন, ‘এক বছর পর আজো তিনি রহস্যময়ী।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি মনে করি না, আমেরিকার লোকজন আজো প্রকৃত মানুষটিকে (মেলানিয়া) জানতে পেরেছে।’

নির্বাচনী প্রচারের সময় সাইবার-হাঙ্গামার বিরুদ্ধে তিনি প্রচারাভিযান চালাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আজো সে বিষয়ে তাকে কোনো কাজ করতে দেখা যায়নি। উপরন্তু তার স্বামী ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সাইবার-হাঙ্গামার মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে।

ট্রাম্পের বয়স ৭১ বছর। মেলানিয়ার বয়স ৪৭ বছর। নারীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সমালোচনা কম হয়নি। তার ওপর এর আগে দুই স্ত্রীর সঙ্গে ট্রাম্পের ছাড়াছাড়ি হয়েছে। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিশেষ করে ট্যাবলয়েড পত্রিকায় অনেক লেখালেখি হয়েছে। এত সবের পরও মেলানিয়া ও ট্রাম্পের দাম্পত্য নিয়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে। অনেকে বলে থাকেন, ট্রাম্পের কাছ থেকে আলাদাই থাকতে পছন্দ করেন মেলানিয়া।

সম্প্রতি একটি নতুন বইয়ে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার রাতে কেঁদেছিলেন মেলানিয়া। আরো দাবি উঠেছে, ট্রাম্প টাওয়ারে থাকা অবস্থায় বেশ কিছু দিন তাদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল না। জেলিসন বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডির মধ্যে কী ধরনের সম্পর্ক, তা জনতে চেষ্টা করে যাচ্ছে মানুষ এবং এসব নিয়ে মানুষের প্রশ্ন তাদের নিয়ে রহস্য আরো ঘনীভূত করছে।

তবে অনেকে মনে করেন, হয়তো প্রিন্সেস ডায়ানার মতো একসময় তিনিও কণ্ঠ তুলবেন, রহস্যের চাদর সরিয়ে আসবেন সবার সামনে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ক্যালিফোর্নিয়ায় শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা ১৩ সন্তানকে উদ্ধার করল পুলিশ

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৬ ১২:৫০:৩৩

ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৩ সন্তানকে শেকল দিয়ে ঘরে বেঁধে রাখার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিজ বাড়িতে ডেভিড অ্যালেন টারপিন ও তার স্ত্রী লুইসি আন্না টারপিন তাদের সন্তানদের বিছানার সঙ্গে শেকল ও তালা দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন।

রিভারসাইড শেরিফের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার রাজধানী লস অ্যাঞ্জেলেসের ৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে পেরিস শহরে ওই দম্পতির বাড়ি। তাদের সন্তানদের বয়স দুই থেকে ২৯ বছরের মধ্যে। সোমবার তাদের মধ্যে একজন সেখান থেকে পালিয়ে পুলিশের জরুরি নম্বরে ফোন দেয়। ওই বাড়ির ভেতরে সেলুলার ডিভাইস থেকে নম্বরটি পেয়েছিল সে।

১০ বছর বয়সি অত্যন্ত রুগ্ন ওই শিশুটি জানায়, তার ১২ জন ভাইবোনকে তাদের বাবা-মা বেঁধে রেখেছেন। পরে পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে দেখে অন্ধকার ও দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশে বিছানার সঙ্গে তাদের শেকল ও তালা দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। তবে কেন তাদের বেঁধে রাখা হয়েছে এর উত্তরে বাবা-মা সুস্পষ্ট যৌক্তিক কোনো কারণ দেখাতে পারেননি।

পুলিশ জানায়, ১৮ থেকে ২৯ বছরের সাতজনকে এভাবে বেঁধে রাখতে দেখে তারা খুবই অবাক হয়েছেন। তারা অপুষ্টিতে ভুগছে এবং তাদের অপরিষ্কার রাখা হয়েছে। বর্তমানে তাদের সবাইকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

রোহিঙ্গা ইস্যু : যুক্তরাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনায় এমপিরা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৬ ১২:৪০:২১

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের আইনগত মর্যাদা বা অবস্থান, চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় তাদের গন্তব্য বা যাওয়ার ইচ্ছা কতুটুকু সে বিষয়ে পরিষ্কার কোনো বোঝাপড়া না করে তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর আন্তর্জাতিক একটি পরিকল্পনার সমালোচনা করেছে যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতারা। মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, এক প্রতিবেদনে মিয়ানমারের সামরিক শাসকদের প্রতি যুক্তরাজ্য সরকারের কৌশলের তীব্র সমালোচনা করেছে পার্লামেন্টের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক সর্বদলীয় নির্বাচন কমিটি। রোহিঙ্গাদের প্রতি বৈষম্যকরণ, তাদেরকে প্রান্তিকিকরণ ও নির্যাতনের প্রচুর প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে কেন দীর্ঘ সময় ধরে তা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে মন্ত্রীদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক কমিটি।

কমিটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, গত কয়েক বছর ধরে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো  গ্রুপগুলি নিয়মিতভাবে পরিষ্কারভাবে জাতিগত নিধন চলছে বলার পরও তা বন্ধে এখনো পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি।

এতে মন্ত্রীদের অতীতের দিকে দৃষ্টিপাত করার পরামর্শ দিয়ে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের গণতন্ত্রের উন্নয়নের ব্যাপারে এবং নোবেল বিজয়ী অং সান সু চির ব্যাপারে অতিরিক্ত আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করা হয়েছে।

মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক অব্যাহত রাখার মাধ্যমে এটা দেখা যাচ্ছে যে, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যা করা হয়েছে তা মেনে নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করা হয়েছে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

কসোভোর সার্ব নেতাকে দলীয় কার্যালয়ে গুলি করে হত্যা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৬ ১২:২৬:৪১

কসোভোর এক সার্ব নেতাকে তার দলীয় কার্যালয়ের বাইরে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সার্ব নিয়ন্ত্রিত উত্তর মিতরোভিকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে মঙ্গলবার বিবিসি জানিয়েছে।

নিহত আইভনিক ছিলেন মধ্যপন্থি নেতা। তিনি ফ্রিডম, ডেমোক্রেসি , জাস্টিস নামের একটি দলের প্রধান ছিলেন। কসোভোর সার্বদের পক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার। তার বিরুদ্ধে ১৯৯৯ সালে আলবেনীয়দের জাতিগতভাবে হত্যার দায়ে যুদ্ধাপরাধের একটি মামলা পুনঃবিচারাধীন রয়েছে।

উত্তর মিতরোভিকায় দলীয় কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর আইভনিকের বুকে চারটি গুলি করা হয়। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইভনিকের আইনজীবী নেবজসা ভ্লাজিক।

এই সংবাদ পাওয়ার পরপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত কসোভো আলবেনিয়ানের সঙ্গে চলমান বৈঠক থেকে বের হয়ে আসে সার্বিয়ার সরকারের পক্ষে প্রতিনিধি দল।

সার্বিয়ার থেকে স্বাধীনতার ঘোষণার পর কসোভোতে জাতিগত বিভাজন দেখা দেয়। মিত্রোভিকাকে দুভাগ করে এর উত্তরের দখল রয়েছে সার্বদের, আর দক্ষিণে রয়েছে আলবেনীয়রা।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আমি বর্ণবাদী নই : ট্রাম্পের দাবি

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৫ ১৩:৩৩:২০

আফ্রিকান জাতিসমূহকে ‘নোংরা’ বলে বর্ণনা করার পর যে সমালোচনার মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি দাবি করেছেন, ‘আমি বর্ণবাদী নই।’

অভিবাসন সংস্কার নিয়ে গত সপ্তাহে ওভাল অফিসে দ্বিদলীয় বৈঠকের সময় আফ্রিকান জাতিসমূহকে বোঝাতে তিনি ‘সিথহল’ শব্দটি ব্যবহার করেন। সিথহল শব্দের অর্থ ‘চরম নোংরা বা নীচ’।

আফ্রিকানদের এভাবে আক্রমণের পর এবার তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বললেন, ‘আমি বর্ণবাদী নই। আপনারা সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিদের মধ্যে আমিই সবচেয়ে কম বর্ণবাদী।’

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগের বিষয়টি এই প্রথম সরাসরি প্রত্যাখ্যান করলেন তিনি। রোববার রাতে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল গলফ ক্লাবে হোয়াইট হাউসের প্রেস পুলের সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার উভয় দলের আইনপ্রণেতারা প্রস্তাবিত দ্বিদলীয় অভিবাসন সংস্কার চুক্তি নিয়ে আলোচনার সময় ট্রাম্প বিতর্কিত ওই মন্তব্য করেন। ওই দিন বৈঠকের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নোংরা দেশগুলো থেকে লোকজনকে কেন আমরা আমাদের দেশে থাকতে দিচ্ছি?’

অবশ্য ট্রাম্প দাবি করেছেন, সেদিন তিনি যেসব কথা বলেছিলেন, সেসব কঠিন ছিল। কিন্তু গণমাধ্যমও তার কথা ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে। তবে সিনেটর ডিক ডারবিন দাবি করেছেন, ওই বৈঠকে ট্রাম্প অশালীন ভাষা ব্যবহার করেছেন।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

৩০ হাজার রোহিঙ্গার জন্য অস্থায়ী ক্যাম্প তৈরী করছে মিয়ানমার

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৫ ১৩:৩১:২১

প্রত্যাবাসন চুক্তি অনুযায়ী ফিরিয়ে নেওয়ার পর অস্থায়ী ভিত্তিতে থাকার মতো ৩০ হাজার জনের জন্য একটি ক্যাম্প তৈরি করছে মিয়ানমার। প্রত্যাবাসিত রোহিঙ্গাদের সেখানে সাময়িকভাবে রাখার পর অন্যত্র পুনর্বাসন করা হবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের চলমান আলোচনার মধ্যেই সোমবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ খবর দিল। খবর রয়টার্স অনলাইনের।

গত বছর ২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বর্বর সামরিক অভিযান শুরু করলে প্রাণ বাঁচাতে এ পর্যন্ত ৬ লাখ ৫০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে এই অভিযানকে ‘জাতিগত নিধন’ বলে অভিহিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ। কিন্তু মিয়ানমার তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

২৩ নভেম্বর স্বাক্ষরিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য সোমবার মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন দুই দেশের কর্মকর্তারা। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরানো নিয়ে দুই দেশ ঢাকায় বসে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করার পর এটিই তাদের প্রথম বৈঠক। প্রত্যাবাসন চুক্তি বাস্তবায়নের বিস্তারিত বিষয়গুলো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হবে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার সোমবার এক খবরে জানিয়েছে, প্রত্যাবাসন চুক্তির মাধ্যমে যারা দেশে ফিরবে, তাদের সাময়িকভাবে রাখার জন্য হ্লা পো খায়ুংয়ে একটি ক্যাম্প তৈরি করা হচ্ছে। ১২৪ একর জমির ওপর ৬২৫টি ভবন তৈরি করা হবে, যেখানে ৩০ হাজার রোহিঙ্গা থাকতে পারবে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আবুধাবিতে কাতার রাজপরিবারের সদস্যকে আটকের অভিযোগ

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৫ ১৩:২৮:২৮

কাতারের রাজপরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অভিযোগ করেছেন যে, তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে আটকে রাখা হয়েছে।

শেখ আব্দুল্লাহ বিন আলী আল থানি সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের সাথে কাতারের কূটনৈতিক সংকটের মধ্যেও দেশটির সাথে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। খবর- বিবিসির।

তিনি তাকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে আটক করার অভিযোগটি করেছেন ইউটিউবে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে।

তিনি দাবি করেন যে তিনি আবুধাবির যুবরাজ শেখ মোহাম্মেদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান কর্তৃক আটক রয়েছেন এবং তার কিছু হলে তিনিই 'পুরোপুরি দায়ী' হবেন।

তবে আরব আমিরাতের কর্মকর্তারা এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

শেখ আব্দুল্লাহ বিন আলী আল থানি কাতারের বর্তমান আমিরের আত্মীয়।

ভিডিওতে দেখা যায় তিনি আরামকেদারায় বসে আছেন এবং ক্যামেরার দিকে সরাসরি তাকিয়ে কথা বলছেন।

তিনি বলেন, "আমি এখন আবুধাবিতে শেখ মোহামেদের অতিথি হিসেবে। কিন্তু এটিকে ঠিক অতিথির মর্যাদা বলা যাচ্ছেনা। বরং এটা আটকে রাখার মতো বিষয়। তারা আমাকে কোন দিকে যেতে মানা করেছে"।

শেখ আব্দুল্লাহ বিন আলী আল থানি বলেন, "আমি সবাইকে অবহিত করতে চাই যে যদি আমার কোন কিছু ঘটে তাতে কাতারের কোন দোষ থাকবেনা"।

তবে বিষয়টি নিয়ে একাধিক টুইট করেছেন আবুধাবির শিক্ষা বিভাগের প্রধান আলী রশিদ আল নুয়াইমি।

যাতে বলা হয়, "শেখ আব্দুল্লাহ যেখানে খুশি সেখানে যেতে পারেন"।

মূলত সৌদি আরব ও তার মিত্ররা যখন কাতারকে একঘরে করার চেষ্টা করেছিলো তখন থেকে শেখ আব্দুল্লাহ বিন আলী আল থানি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন মধ্যপ্রাচ্যে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বেনজির হত্যার দায় স্বীকার করল পাকিস্তান তালেবান

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৫ ১৩:২৬:৩৩

পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর হত্যার দায় প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে জঙ্গি গোষ্ঠী তেহরিক ই তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। তালেবান নেতা আবু মনসুর আসিম মুফতি নুর ওয়ালির লেখা একটি বইতে এই দায় স্বীকার করা হয়েছে।

২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর রাওয়ালপিন্ডির এক নির্বাচনী সমাবেশ শেষে সভাস্থল ত্যাগ করার পর গাড়িতে ওঠার পরপর আত্মঘাতী হামলায় নিহত হন বেনজির ভুট্টো। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল পারভেজ মোশাররফ ওই সময় এর জন্য টিটিপিকে দায়ী করেছিলেন। টিটিপি অবশ্য এ ব্যাপারে পুরোপুরি নীরব ভূমিকা পালন করেছে।

‘ইনকিলাব মেহসুদ সাউথ ওয়াজিরস্থান-ফ্রম ব্রিটিশ রাজ টু আমেরিকান ইমপেরিয়ালিজম’ শীর্ষক বইটিতে বলা হয়েছে, আত্মঘাতী হামলাকারী বিলাল, যিনি সাইদ নামেও পরিচিত ছিলেন এবং ইকরামুল্লাহকে ২৭ ডিসেম্বর ভুট্টোর ওপর হামলা চালাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। ‘বোমা হামলাকারী বিলাল প্রথমে তার পিস্তল দিয়ে বেনজির ভুট্টোকে গুলি করে এবং গুলি তার গলায় বিদ্ধ হয়। পরে সে তার আত্মঘাতী বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে র‌্যালিতে অংশ নেওয়া লোকদের মাঝে নিজেকে উড়িয়ে দেয়।

বইটিতে দাবি করা হয়েছে, ২০০৭ সালে করাচিতে বেনজির ভু্ট্টোর ওপর আরেকটি হামলা চালিয়েছিল তালেবান। ওই হামলায় ১৪০ জন নিহত হয়।

এতে আরো দাবি করা হয়েছে, ‘করাচিতে হামলার পরেও সরকার উপযুক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নেওয়ায় রাওয়ালপিন্ডিতে বেনজির ভুট্টোর ওপর হামলাকে সহজ করে দিয়েছে।’


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাগদাদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ২৬ জন নিহত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৫ ১৩:১৯:৪৯

ইরাকের রাজধানী বাগদাদের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত তায়ারান স্কয়ারে জোড়া আত্মঘাতী হামলায় কমপক্ষে ২৫ জন নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আরো আহত হয়েছেন ৬৩ জন।

সোমবারের এ হামলায় হয় বলে নিজেদের ফেইসবুক পেইজে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
খবর- বিবিসি অনলাইনের।

তিন দিনের মধ্যে এটি দ্বিতীয় আত্মঘাতী হামলার ঘটনা। ইরাকি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাগদাদের বাণিজ্যিক এলাকা এভিয়েশন স্কয়ারে হামলাটি চালানো হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আত্মঘাতী ভেস্ট পড়া দুই ব্যক্তি হামলাটি চালিয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

তিন বছর আগে ইরাকের এক তৃতীয়াংশ এলাকা দখল করে নিয়েছিল জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) । গত মাসে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জয় ঘোষণা করে ইরাক। কিন্তু সম্মুখ লড়াইয়ে পরাজিত হওয়ার পর থেকে গোষ্ঠীটির জঙ্গিরা দেশটির বিভিন্ন এলাকায় হামলা ও বোমাবাজি শুরু করেছে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

প্রোটোকল ভেঙে নেতানিয়াহুকে আলিঙ্গন করে বরণ করলেন মোদি

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৪ ১১:৩৮:২৯

ছয় দিনের ভারত সফরে আসা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার স্ত্রী সারা নেতানিয়াহুকে প্রোটোকল ভেঙে দিল্লির বিমানবন্দরে গিয়ে বরণ করে নিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বিদেশি সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানকে বিমানবন্দরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বাগত জানানোর নিয়ম নেই ভারতে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে বিমানবন্দরে গিয়ে স্বাগত জানিয়ে প্রোটোকল ভেঙেছিলেন মোদি।

এ যাবৎকাল ইসরায়েলের কোনো প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বড় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল নিয়ে ভারত এসেছেন নেতানিয়াহু।

উল্লেখ্য, গত ১৫ বছরের মধ্যে ইসরায়েলের কোনো প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করছেন। এর আগে ২০০৩ সালে ভারত সফর করেছিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল শ্যারন।

ছয় দিনের সফর শেষে দেশে ফেরার আগে ভারতের সঙ্গে অনেক ব্যবসায়িক চুক্তি স্বাক্ষরের প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়ে রেখেছেন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও গুরুত্বপূর্ণ এই বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে আমরা সম্পর্ক জোরদার করছি। এটি আমাদের নিরাপত্তা, অর্থনীতি, বাণিজ্য ও পর্যটনসহ আরো অনেক বিষয়ে স্বার্থ রক্ষা করবে। ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য এটি বিশাল আশীর্বাদ।’

নেতানিয়াহুকে বরণ করার পর এক টুইটে মোদি লিখেছেন, ‘ভারতে স্বাগতম, আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ভারতে আপনার এই সফর ঐতিহাসিক ও বিশেষ। এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো মজবুত করবে।’ হিব্রু ভাষায়ও একই টুইট করেন মোদি। নেতানিয়াহুও মোদিকে তার ‘ভালো বন্ধু’ উল্লেখ করে টুইট করেছেন এবং উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নেতানিয়াহুর সফরকে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সম্পর্কের রজতজয়ন্তির মোক্ষম উপলক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

সফরের শুরুতে নেতানিয়াহু ও মোদি দিল্লির তিন মূর্তি চক স্থাপনায় গিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয় বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ইসরায়েলের হাইফা শহরে মিত্রবাহিনীর পঞ্চদশ ইমপেরিয়াল সার্ভিস ক্যাভালরি ব্রিগেডের অংশ হিসেবে ভারতের হায়দরাবাদ, যোধপুর ও মহীশূরের অশ্বারোহী সৈনিকদল আক্রমণ করে অক্ষ শক্তিকে পরাজিত করে। ওই তিন সৈনিকদলের বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্মারক হিসেবে তিন মূর্তি চক তৈরি করা হয়। রোববার স্থাপনটি পরির্দশনের সময় দর্শনার্থীর স্বাক্ষর বইয়ে স্বাক্ষর করেন মোদি ও নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহুর সফর উপলক্ষে তিন মূর্তি স্থাপনার নাম পাল্টে ‘তিন মূর্তি হাইফা চক’ নামকরণ করা হয়েছে।

নেতানিয়াহুর সম্মানে আজ রাতে এক ভোজসভার আয়োজন করছেন মোদি।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত