যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 09:31am

|   লন্ডন - 03:31am

|   নিউইয়র্ক - 10:31pm

  সর্বশেষ :

  মুশফিকের অনবদ্য ডাবল সেঞ্চুরি   প্রথম দিনে বিএনপির ১ হাজার ৩২৬টি মনোনয়নপত্র বিক্রি   ৪ হাজার ৩৬৭টি মনোনয়ন বিক্রি করেছে আ.লীগ, আয় ১৩ কোটি টাকা   সিডনিতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক ‘লিভ মি অ্যালন’ মঞ্চায়িত   ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলের ভয়াবহতা বাড়ছেই, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১   নির্বাচন এক সপ্তাহ পেছাল, ৩০ ডিসেম্বর ভোট   বিশ্বের সবচেয়ে সেক্সি পুরুষ ইদ্রিস এলবা   একটা গোলাপি হিরার দাম ৪১৮ কোটি!   ৩ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কিনলেন খালেদা জিয়া   ইসরায়েলিদের গুলিতে হামাস কমান্ডারসহ নিহত ৭   প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির শতবর্ষ পূর্তিতে স্মরণানুষ্ঠান   ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবে বিএনপিসহ ৮ দল   ঢাবির হলে ছাত্রদের বের করে কক্ষ দখল করল ছাত্রলীগ   ইতালিতে আইয়ুব বাচ্চু’র স্মরনে “রূপালী গিটার”   পেটারসনে ‘বাংলাদেশ বুলেবার্ড’ নামে সড়ক হচ্ছে

>>  বহিঃ বিশ্ব এর সকল সংবাদ

ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলের ভয়াবহতা বাড়ছেই, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১-এ পৌঁছেছে। এছাড়া ২০০ মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে দাবানলে এত মানুষ মারা যায় ১৯৩৩ সালে। তখন ৩১ জন মারা যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। এটা লস এঞ্জেলসের গ্রিফিথ পার্ক বিপর্যয় হিসেবে পরিচিত।

জানা গেছে, দাবানলের কারণে এখন পর্যন্ত অঙ্গরাজ্যটির ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে সরে যেতে হয়েছে। এক্ষেত্রে সহায়তা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

দাবানল এলাকায় বাতাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এটা আরও বেশি ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা

বিস্তারিত খবর

ইসরায়েলিদের গুলিতে হামাস কমান্ডারসহ নিহত ৭

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ০০:৪৫:৫৯

ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে হামাস কমান্ডারসহ সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে প্রবেশ করে ইসরায়েলি বাহিনী অভিযান চালায়।

রোববার (১১ নভেম্বর) বিকেলে হামাসের পক্ষ থেকে রকেট শেল ছোড়া হলে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকার খান ইউনিস এলাকায় একটি বেসামরিক গাড়িতে করে স্থলপথে ঢুকে পড়ে এবং পরে বিমান হামলাও করে।

বিবিসি ও আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এতে নিহতদের মধ্যে হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডের পরিচিত কমান্ডার নুর বারাকেহ রয়েছেন।

গাজায় ঢোকার পর গুলিবিনিময়ে ইসরায়েলি বাহিনীর এক সদস্যও নিহত হয়েছেন বলে একটি বিবৃতিতে দাবি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

এদিকে, এ খবরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়া ফ্রান্স সফর সংক্ষিপ্ত করে ইসরায়েলে ফিরে এসেছেন।

হামাসের মুখপাত্র ফাউজি বাহরাম একে ‌‘কাপুরুষোচিত ইসরায়েলি হামলা‌’ বলে মন্তব্য করেছেন।

২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী ও হামাস তিন-তিনটি লড়াই করেছে। মাসখানেক ধরে চলা সাম্প্রতিক অস্থিতিশীলতায় চতুর্থ যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির শতবর্ষ পূর্তিতে স্মরণানুষ্ঠান

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ০০:৪৫:২৯

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ অবসানের শতবর্ষ পূর্তির স্মরণানুষ্ঠান উপলক্ষে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে জড়ো হয়েছেন বিশ্বের প্রায় ৭০ দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান। যুদ্ধে নিহত সৈন্যদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছেন তারা।

বিবিসি জানিয়েছে, এ উপলক্ষে রোববার প্যারিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ বিশ্ব নেতাদের জাতীয়তাবাদকে প্রত্যাখানের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্যারিসে সমবেত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ বিশ্বের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে বক্তৃতাকালে ম্যাখোঁ জাতীয়তাবাদকে ‘দেশপ্রেমের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

 ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর এক চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে । ওই চুক্তিটি  ‘আরমিসটিস’ (সংঘাতের অবসান) নামে পরিচিত। আজ শতবর্ষ পূর্ণ করল শান্তি প্রতিষ্ঠার সেই ঐতিহাসিক দিনটি।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম রক্তাক্ত লড়াই। ১৯১৪ সালের ২৮ জুন খুন হন তৎকালীন ‘অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান’ রাজসিংহাসনের উত্তরাধিকারী আর্চ ডিউক ফ্রানজ ফার্ডিনান্ড। এক সার্বীয় তাকে হত্যা করেন। অস্ট্রিয়া এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সার্বিয়াকে দায়ী করে। এরপর  ওই বছরের ২৮ জুন সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ‘অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি’। আর এ থেকেই সূচনা হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের।

ওই যুদ্ধে একপক্ষে ছিল জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া এবং অটোমান সাম্রাজ্য। এদের বলা হয় ‘দ্য সেন্ট্রাল পাওয়ারস’। আর অন্য পক্ষে ছিল ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, রোমানিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র। এদের বলা হয় ‘দ্য অ্যালাইড পাওয়ারস’।

যুদ্ধে প্রায় এক কোটি সামরিক সদস্য এবং প্রায় ৭০ লাখ বেসামরিক লোক নিহত হন।  এদের মধ্যে ‘দ্য অ্যালাইড পাওয়ারস’ -এর সামরিক সদস্য নিহত হন ৫৭ লাখ। আর বেসামরিক লোক নিহত হন ৩৭ লাখ। অন্যদিকে, ‘দ্য সেন্ট্রাল পাওয়ারস’ -এর সামরিক সদস্য নিহত হন ৪০ লাখ। আর বেসামরিক লোক নিহত হন ৩১ লাখ।

দেশে দেশে নানা আয়োজনে এ দিবসটি পালিত হচ্ছে। ওই যুদ্ধের অন্যতম রণক্ষেত্র ইউরোপের দেশগুলোয় প্রতিবছরই দিবসটি পালন করা হয়। তবে শতবর্ষ উপলক্ষে এবারের আয়োজন অন্যবারের তুলনায় আলাদা এবং ব্যাপক পরিসরে করা হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশের নির্বাচনে যেভাবে প্রভাব রাখবে ভারত

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১১ ০১:১৯:২৪

হাডসন ইনস্টিটিউটের থিংক-ট্যাংক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অপর্না পান্ডে। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারত একটি বড় ফ্যাক্টর। আসন্ন নির্বাচনেও ভারতের প্রভাব থাকবে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কটে ভারতের অবস্থান, আসামের নাগরিক তালিকার মতো ইস্যুগুলো ভারত সম্পর্কে বাংলাদেশের জনগণের মতামতকে ইতোমধ্যেই প্রভাবিত করেছে। নির্বাচনী প্রচারণাতেও রাজনৈতিক দলগুলো এই ইস্যু ব্যবহার করবে।

অপর্না পান্ডে বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা চায় দিল্লি। তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। তবে ভারত বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু এটি একটি কষ্টসাধ্য কাজ।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আবারো ক্ষমতায় গেলে পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে খুব সামান্য পরিবর্তন হবে। তবে বিরোধী জোট ক্ষমতায় এলে কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তনের ব্যাপারে দিল্লিকে প্রস্তুত থাকতে হবে। একই সাথে এটাও মাথায় রাখতে হবে, বাংলাদেশে বিরোধী দল ক্ষমতায় এলে বেইজিং হয়তো এ অঞ্চলে তার উপস্থিতি আরো বাড়ানোর চেষ্টা করবে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মাঝ আকাশে যাত্রীর শিশুকে স্তন্যপান করালেন বিমানসেবিকা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১১ ০১:১৮:২৪

বিমান তখন মাঝ আকাশে। হঠাৎ করেই একটি দুধের শিশুর কান্নারোল পড়ে গেল। কিছুতেই তার কান্না থামানো যাচ্ছে না। অগত্যা এগিয়ে গেলেন বিমানসেবিকা। জানতে পারলেন ফর্মুলা দুধ শেষ তাই ক্ষুধার জ্বালায় শিশুটি কান্না করছে। এমন অবস্থায় নিজেই স্তন্যপান করিয়ে শিশুটিকে শান্ত করলেন ওই বিমানসেবিকা।

ফিলিপিন্স এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে সম্প্রতি এমনই এক মানবিক ঘটনা ঘটেছে। যা সামনে আসার পর ওই বিমানসেবিকার প্রশংসায় সবাই পঞ্চমুখ হয়েছে। কেউ কেউ তাকে মানবিকতার প্রতিমূর্তি বলেও উপমা দিয়েছেন। খবর আনন্দবাজারের।

ঘটনাটা গত ৬ নভেম্বরের। সকালের দিকেই রওনা দিয়েছিল বিমানটি। তাতে বাচ্চা নিয়ে উঠেছিলেন এক নারী। দুধের বোতল নিয়েই উঠেছিলেন তিনি। কিন্তু উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যে তা শেষ হয়ে যায়। কাঁদতে শুরু করে বাচ্চাটি।

চেষ্টা করেও তাকে থামাতে পারেননি ওই মহিলা। তখনই এগিয়ে আসেন বছর চব্বিশের বিমানসেবিকা প্যাট্রিশা অরগ্যানো। কয়েক মাস আগে তিনি নিজেই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। জিজ্ঞাসা করে জানতে পারেন, দুধ শেষ হয়ে গিয়েছে। বাচ্চাটিকে থামানোর আর কোনও উপায় না দেখে তিনি নিজে স্তন্যপান করানোর সিদ্ধান্ত নেন।

সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন আর এক বিমানসেবিকা। দুজন মিলে ওই নারী ও তার শিশুকে বিমানের মধ্যেই এক কোণে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে স্তন্যপান করান প্যাট্রিশা। তার এই পদক্ষেপ সোশ্যাল মিডিয়ায় চাউর হতে সময় লাগেনি। তাতে মুহূর্তের মধ্যে খবরের শিরোনামে উঠে আসেন তিনি।

তবে আহামরি কিছু করেছেন বলে মানতে নারাজ প্যাট্রিশা। এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। আচমকা কাঁদতে শুরু করে বাচ্চাটি। এমনভাবে কাঁদছিল যে থাকতে পারিনি। তাই নিজেই স্তন্যপান করানোর সিদ্ধান্ত নিই। কয়েকমাস আগে আমার নিজেরও সন্তান হয়েছে। তাকে তো স্তন্যপান করাই। তাই তেমন অস্বস্তি হয়নি।

ওই শিশুটির মা প্যাট্রিশাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। শিশুটিকে কোলে নিয়ে তোলা একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন প্যাট্রিশাও।

বিস্তারিত খবর

পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা শ্রীলংকার প্রেসিডেন্টের

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১১ ০১:০৭:৩১

হঠাৎ করে শ্রীলংকার পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা। শুক্রবার জারি করা এক ডিক্রিতে আগাম নির্বাচনেরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

জারি করা ডিক্রিতে সিরিসেনা বলেছেন, শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দেওয়ার নির্দেশনা কার্যকর হবে। আগামী ৫ জানুয়ারি নতুন নির্বাচন হবে এবং ১৭ জানুয়ারি নতুন পার্লামেন্টের অধিবেশন বসবে।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে সিরিসেনার দল ইউনাইটেড পিপলস ফ্রিডম পার্টি (ইউপিএফএ) জানিয়েছিল, পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে জিততে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছেন না প্রেসিডেন্টের নিয়োগ দেওয়া নতুন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে। এরপরই পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দেওয়ার ঘোষণা দেন সিরিসেনা।

অক্টোবরের শেষ দিকে জোটসঙ্গী ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) নেতা রনিল বিক্রমাসিংহেকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত করেন সিরিসেনা। এরপর তিনি প্রাক্তন প্রতিদ্বন্দ্বী মাহিন্দা রাজাপাকসেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। তবে তার এ পদক্ষেপকে অবৈধ দাবি করে পদ  ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান বিক্রমাসিংহে। পার্লামেন্টের স্পিকারও জানান, প্রেসিডেন্টের পদক্ষেপ বৈধ নয় এবং বিক্রমাসিংহেই বৈধ প্রধানমন্ত্রী। ইউএনপি অবিলম্বে পার্লামেন্টের অধিবেশন ডেকে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা প্রমাণের আহ্বান জানিয়ে আসছিল। এরই মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ ইউএনপির সদস্যদের দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন রাজাপাকসে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ক্যালিফোর্নিয়ার দাবানলে নিহত বেড়ে ২৩

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১১ ০১:০৩:১০

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চলীয় ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জন। বুট্টে কাউন্টি শেরিফ এবং মৃতদেহ পরীক্ষক করি হোনিয়া বলেছেন, শনিবার আরও ১৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর সিএনএনের।

হোনিয়া বলেন, আগুনে বিধ্বস্ত প্যারাডাইস শহর থেকে ১০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, সাতজনের মৃতদেহ ঘরের ভেতর এবং তিনজনের মরদেহ বাইরে পাওয়া গেছে। আর বাকি চারজনের মধ্যে দুজনের মৃতদেহ গাড়ি এবং অন্যান্য এলাকার বাড়ির ভেতর থেকে দুজনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

শনিবার শক্তিশালী বাতাস কমে গেলে ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাসের তিনটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের একটি কিছুটা শান্ত হয়। এই আগুনে রেকর্ড সংখ্যক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তিন লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

কিন্তু কর্মকর্তারা বলছেন, রোববার থেকে আবারও শক্তিশালী বাতাস বইতে শুরু করবে এবং তাই কাউকে ঘরবাড়িতে না ফেরার নির্দেশ কার্যকর থাকবে।

ভেনটুরা কাউন্টি ফায়ার চিফ মার্ক লোরেনজেন বলেছেন, প্রকৃতি মা  আমাদের সাময়িক অবকাশ দিয়েছে, কিন্তু আমরা জানি আগামীকাল (রোববার) প্রকৃতি মা আবারও তার পাখা চালিয়ে দেবে এবং বাতাস বইতে শুরু করবে।

তিনি বলেন, আমি আমার দমকলকর্মীদের এবং মানুষদের এই ভালো আবহাওয়া দেখে ধোঁকা না খেতে সতর্ক করে দিয়েছেন।

লোরেনজেন আরও বলেন, সতর্ক থাকুন।

এর আগে কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, উত্তরাঞ্চলীয় ক্যালিফোর্নিয়ায় নয়জন নিহত হয়েছেন এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্যালিফোর্নিয়া আরও দুজন মারা যেয়ে থাকতে পারে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

কঙ্গোয় ইবোলা আক্রান্ত হয়ে দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১১ ০১:০০:২৭

আফ্রিকার দেশ কঙ্গোতে ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রোববার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আক্রান্তদের প্রায় অর্ধেকই উত্তর কিভু অঞ্চলের বেনি শহরের বাসিন্দা। শহরটিতে আট লাখ লোকের বাস। তবে এ পর্যন্ত মাত্র ২৫ হাজার লোককে টিকা দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওলে ইলুঙ্গা অভিযোগ করেছেন, দেশটির সশস্ত্র বিদ্রোহীরা টিকাদানে নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের হেনস্তা করছে।

গত সেপ্টেম্বরে বেনিতে বিদ্রোহী গোষ্ঠী হামলা চালালে টিকাদান প্রকল্প বন্ধ হয়ে যায়। ওই সময় মাত্র কয়েক ঘন্টা চলেছিল এই কর্মসূচি।

১৯৭৬ সাল থেকে কঙ্গোয় ইবোলার প্রাদুর্ভাব চলছে। সর্বশেষ গত জুলাইয়ে দশমবারের মতো দেশটিতে ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ২৯১ জনের আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং ২০১ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের কাছে খাশোগি হত্যার অডিও হস্তান্তর করল তুরস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১১ ০০:৫২:০৫

সৌদি আরবের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখতে জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের কাছে সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের অডিও রেকর্ড হস্তান্তর করেছে তুরস্ক। শনিবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার শত বছর পূর্তি উপলক্ষে শনিবার ফ্রান্স সফরের আগে তিনি সাংবাদিকদের কাছে বলেছেন, প্রথমবারের মতো ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত তিনটি দেশের কাছে খাশোগি হত্যার প্রমাণ হস্তান্তর করা হলো।

তিনি বলেন,‘আমরা টেপগুলো দিয়েছি। আমরা সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের কাছে এর সবগুলো দিয়েছি। তারা সবগুলো কথাবার্তা শুনেছেন। তারা জানে।’

গত মাসে তুরস্ক সফরকালে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইয়ের পরিচালক জিনা হ্যাসপেল খাশোগি হত্যার টেপ শুনেছেন। এছাড়া এক সৌদি জ্যেষ্ঠ কূটনীতিককেও টেপ শোনানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এরদোয়ান অবশ্য টেপগুলোতে কী আলোচনা রয়েছে তা জানানি। তবে দুটি তুর্কি সূত্র জানিয়েছে তুরস্কের কাছে একাধিক টেপ রয়েছে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, যেসব কর্মকর্তা টেপগুলো শুনেছেন তারা ওই সময় রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। টেপে যাদের কথোপকথন রেকর্ড হয়েছে তাদের মধ্যে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদের শীর্ষ সহযোগী সৌদ আল-কাথানিও রয়েছে।

২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে সৌদি কনসুলেট ভবনে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন সাংবাদিক জামাল খাশোগি। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে খাশোগিকে হত্যার কথা স্বীকার করলেও এর সঙ্গে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নাকচ করে আসছে রিয়াদ।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলে ৯ জনের মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১০ ০২:০৯:৩২

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছে। শুক্রবার পার্বত্য এলাকা মালিবুতে দাবাদল ছড়িয়ে পড়লে এ ঘটনা ঘটে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নিহতদের সবার দেহ নর্দান ক্যালিফোর্নিয়ার প্যারাডাইস শহর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। অবকাশ যাপনকারীদের শিবির থেকে ছড়িয়ে পড়া আগুন থেকে ওই এলাকার ছয় হাজার ৭০০ এর বেশি বাড়ি ও  ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। রাজ্যের ইতিহাসে এটা সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক  দাবানল বলে জানিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার বনায়ন ও অগ্নিপ্রতিরক্ষা বিভাগ।

শুক্রবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে বাট্টি কাউন্টির শেরিফ করি হোনেয়া বলেছেন, ‘এটা সবচেয়ে বাজে ঘটনার দৃশ্য। অনেক আগ থেকেই আমরা এর জন্য ভয় পাচ্ছিলাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সবাই বের হয়ে আসতে পারেনি।’

তিনি জানান, নিহতদের পাঁচজনের মৃতদেহ একটি জ্বলন্ত গাড়ির ভেতরে অথবা কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনজনের বাড়ির বাইরে থেকে এবং একজনের দেহ বাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ৩৫ জন নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়া অগ্নিনির্বাপন বাহিনীর তিন কর্মী আহত হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, প্যারাডাইস এলাকায় আগুন এতোটা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে পার্বত্য শহরটিতে লোকজন তাদের গাড়ি পরিত্যাগ করে জীবন বাঁচাতে দৌড় দিতে বাধ্য হয়।  একটি রাস্তায় ফেলে যাওয়া গাড়িগুলোর মধ্যে একটি স্কুলবাসও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্বের এলাকা স্যাকরামেন্তোর প্লুমাস ন্যাশনাল ফরেস্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ পর্যন্ত ৯০ হাজার একর জমি আগুনে পুড়ে গেছে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ক্যালিফোর্নিয়ায় বাবা-মাকে খুনের দায়ে বাংলাদেশি হাসিব দোষী সাব্যস্ত

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১০ ০২:০২:৫৯

ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজ বাড়িতে বাংলাদেশি দম্পতি খুনের ঘটনায় নিহত দম্পতির বড় ছেলে হাসিব বিন গোলাম রাব্বিকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। স্থানীয় সান্তা ক্লারা কাউন্টির হল অব জাস্টিসে দীর্ঘ এক মাস ধরে শুনানির পর গত ২৫ অক্টোবর তাকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করেন আদালত।

ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসে এলাকায় মা-বাবার সঙ্গে থাকতেন হাসিব। ২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিল নিজ বাড়িতে মা-বাবা দুজনকেই হত্যা করেন তিনি। হত্যার পরপরই তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। ওই বছরের ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় ট্র্যাসি এলাকা থেকে হাসিবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর তাকে সান্তা ক্লারা কাউন্টি জেলে পাঠানো হয়।

ঘটনার দিন বিকেলে হাসিবের কয়েকজন বন্ধু তাদের সান হোসের ওই বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তারা বাড়ির দরজা খোলা দেখতে পান। ঘরে ঢুকেই তাদের চোখে পড়ে খুনের ভয়াবহ দৃশ্য। হাসিবের বাবা-মায়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ কাঠের মেঝেতে পড়ে ছিল। সে সময় নিহত দম্পতির ১৭ ও ২১ বছর বয়সী দুই ছেলে বাড়িতে ছিলেন না বলে জানায় তাদের বন্ধুরা। খুনের দুইদিন পর রাব্বি দম্পতির ১৭ বছর বয়সী ছোট ছেলের সন্ধান পায় পুলিশ। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার বড় ছেলে হাসিব রাব্বিকে (২১) ট্র্যাসি এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

পেশায় প্রকৌশলী গোলাম রাব্বি এবং হিসাবরক্ষক শামিমা সান হোসের এভারগ্রিন ইসলামিক সেন্টারের সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। তাদের দেশের বাড়ি বগুড়া জেলায়।

তারা ১৯৭৬ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে খ্যাতি অর্জনকারী ‘এমদাদ অ্যান্ড সিতারা খান ফাউন্ডেশনের’ চেয়ারপারসন সিতারা খানের ছোট ভাই গোলাম রাব্বি। নয় বোন এবং দুই ভাইয়ের মধ্যে গোলাম রাব্বি ছিলেন পঞ্চম। তার তিন বোন মারা গেছেন। চার বোন যুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস করেন। জীবিত একমাত্র ভাই রয়েছেন বাংলাদেশে। নিহত দম্পতির ঘরে একটি চিরকুটও পাওয়া যায় যাতে লেখা ছিল- ‘দুঃখিত, আমার প্রথম খুনটি ছিল বিরক্তিকর’।

এ ছাড়া তদন্ত কর্মকর্তারা ওই বাড়ির দেয়ালে লেখা আরেকটি বার্তা দেখতে পান। বার্তাটি এমন- ‘তোমার মতো আমি মিথ্যাবাদী হতে পারব না। আমি ওদের (মা-বাবা) অজ্ঞাতে অথবা সম্মতি ব্যতীত কাউকে ভালোবাসতে পারব না।’

আদালতে হাসিব নিজেই নিজের পক্ষে আইনি লড়াই চালান। তিনি তার ১৭ বছর বয়সী ছোট ভাই ওমরের ওপর মা-বাবাকে হত্যার দায় চাপানোর চেষ্টা করেন। অবশ্য ২০১৬ সালে গ্রেফতারের পরপর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হাসিব জানিয়েছিলেন, এক অপরিচিত লোক তাদের বাড়িতে এসে তাকে তার মা-বাবাকে হত্যা করতে বাধ্য করে।

হাসিব ও তার ছোট ভাই ওমরকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে ওমর জানায়, তার মা-বাবার মৃতদেহ দুটি রাখা হয়েছিল গ্যারেজে। সেখান থেকে কোনো রক্তের ধারা যেন বাইরে না যায়, তা নিশ্চিত করতে তার ভাই তাকে বলেছিল।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণে কেন্দ্রীয় সরকারকে জমি দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মমতা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৯ ১৩:২৯:৫২

বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে ৩০০ একর জমি দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায় ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর বেড়া নির্মাণের জন্য ৩০০ একর জমি দিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। এতদিন জমি দেয়ার ব্যাপারে আপত্তি করছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। তাই বেড়া নির্মাণের কাজে দেরি হচ্ছিল।

আরও বলা হয়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরে জমি চেয়ে একটি চিঠি দেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে। তার চিঠি পাওয়ার পর জমি দিতে দেরি করেননি মমতা। এমনিতেই রাজনাথের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো। অনেকেই মনে করেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে রাজনাথ সিংয়ের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত এলাকার পরিধি ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার। এর ২ হাজার ২১৬ কিলোমিটার পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে। তাই অনুপ্রবেশ থেকে শুরু করে চোরাচালান রুখতে এই এলাকায় বেড়া নির্মাণের পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মতো উত্তরপ্রদেশ, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকেও জমি চেয়ে চিঠি লেখেন বলেও উল্লেখ করা হয় ভারতীয় গণমাধ্যমটির প্রতিবেদনে।

এদিকে শুক্রবার চীন থেকে শুরু করে নেপাল ও পাকিস্তান সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজনাথ। তারা জানান, বেশকিছু রাজ্য সরকার পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্র না দেয়ায় কয়েকটি কাজ আটকে আছে। এসব রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

এছাড়া এই বৈঠকে গুজরাটে ১৮টি কোস্টাল বর্ডার আউটপোস্ট তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিস্তারিত খবর

আবারও সাগর পাড়ি দিচ্ছে রোহিঙ্গারা, বিপর্যয়ের আশঙ্কা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৯ ০৪:১৩:২৩

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য এখনো রোহিঙ্গারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে সাগর পাড়ি দিচ্ছে। নতুন করে এভাবে নৌকায় করে সাগর পাড়ি দেওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় ২০১৫ সালের মতো মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি  করতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।  বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কর্মকর্তা ও ত্রাণকর্মীদের বরাত দিয়ে শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, বুধবার বঙ্গোপসাগর দিয়ে মাছ ধরার নৌকায় করে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টাকালে টেকনাফ থেকে ৩৩ রোহিঙ্গা ও ছয় বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে।   সাগরপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ইতিমধ্যে মিয়ানমারের পশ্চিমের রাখাইন রাজ্য থেকে  রোহিঙ্গাদের কয়েকটি নৌকা ছেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন রোহিঙ্গা নেতারা।

নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে সাগর সাধারণত শান্ত থাকে। আর এই সময়টাতে সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারীরা মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের সাগরপথে নৌকায় করে পাচার করে। থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া অভিমুখী বিপদসঙ্কুল এই যাত্রায় অনেক সময় ছোট নৌকায় অতিরিক্ত লোক থাকায় সেগুলো সাগরে ডুবে যায় এবং অনেকের মৃত্যু হয়।

২০১৫ সালে উপকূলে কয়েকটি গণকবরের সন্ধান পাওয়ার পর থাইল্যান্ড মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। ওই সময় অনেক পাচারকারী নৌকাবোঝাই রোহিঙ্গাদের  আন্দামান সাগরে ফেলে রেখে পালিয়ে যেতে শুরু করে।

রাখাইনের রাজধানী সিতওয়ে থেকে সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের নৌকায় করে সাগর পাড়ি দেওয়ার খবর দিয়েছেন ত্রাণকর্মীরা। তবে  এ পর্যন্ত কতটি নৌকা মিয়ানমার উপকূল ছেড়ে গেছে সে ব্যাপারে সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সিতওয়ের এক ত্রাণকর্মী অবশ্য জানিয়েছেন, অক্টোবরের প্রথম থেকে এ পর্যন্ত অন্তত চারটি নৌকা ছেড়ে গেছে। এর কয়েকটি ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া পৌঁছে গেছে। এসব নৌকার কয়েকটিতে নারী ও শিশু রয়েছে যারা মালয়েশিয়া থাকা স্বজনদের কাছে যাওয়ার জন্য দেশ ছেড়েছেন।

রোহিঙ্গাদের নতুন করে নৌকায় করে সাগর পাড়ি দেওয়ার খবর এমন সময় বের হলো যখন আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার যৌথ ঘোষণা দিয়েছে।  রোহিঙ্গারা অবশ্য নাগরিকত্ব ও স্বাধীনভাবে চলাচলের অধিকারসহ মৌলিক অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারে ফিরতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

আরকান প্রজেক্টের পরিচালক ক্রিস লেওয়া বলেছেন, ‘রোহিঙ্গারা ফাঁদে আটকা পড়েছে। তাদের কোথাও যাওয়ার উপায় নেই। কেউ তাদের চায় না এবং তারা এখন প্রত্যাবাসনের হুমকিতে পড়েছে।’

বিস্তারিত খবর

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে সৌদি আরব

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৮ ১৩:৪১:২৪

সৌদি আরব রোহিঙ্গাদের জোর করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে যাচ্ছে।  অবৈধভাবে সৌদি যাওয়া এসব রোহিঙ্গা বর্তমানে দেশটির আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।

আটককৃত রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা হিসেবে প্রমাণের জন্য তাদের কাছে মিয়ানমারের পরিচয়পত্র আছে। গত বছরের আগস্টে মিয়ানমার সরকার রাখাইনে নিধন অভিযান শুরুর পর তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন। তারা বাংলাদেশি নাগরিক নন।

গত মধ্য অক্টোবর থেকে আটককৃত এসব রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল ও পাকিস্তান থেকে জাল পাসপোর্টের মাধ্যমে অনেক রোহিঙ্গা সৌদি আরব গিয়েছে। মূলত উমরাহ করার ভিসা নিয়ে এসব রোহিঙ্গা সেখানে গিয়েছে। চলতি বছর সৌদি ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ অবৈধ অভিবাসী  ও শ্রমিকদের ধরতে অভিযান শুরু করে। এসব অভিযানে আটক রোহিঙ্গাদের জেদ্দাহর শুমাইসি আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জাল পাসপোর্টে সৌদি প্রবেশের কথা স্বীকার করেছে।

এসব রোহিঙ্গা জানিয়েছেন তাদের কাছ থেকে জোর করে ‘মানসিক সুস্থতার ঘোষণাপত্রে’ স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।

আটককৃতদের কয়েকজন মিডল ইস্ট আইকে জানিয়েছেন, সৌদি ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বুকে ঘুষি মেরেছে এবং বাংলাদেশে ফেরত যাওয়ার সম্মতি ও ‘মানসিক সুস্থতার ঘোষণাপত্রে’ স্বাক্ষর নিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বন্দী বলেছেন, ‘ইতিমধ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস ও সৌদি ইমিগ্রেশন পুলিশ ফর্ম পূরণ শেষ করেছে। তাদের কেবল আমাদের আঙ্গুলের  ছাপ প্রয়োজন, এই ছাপ নিতে  (সৌদি পুলিশ) আমার বুকে ঘুষি মেরেছে। আমরা বাংলাদেশ ফেরত যেতে ও শরণার্থী শিবিরে থাকতে চাই না। সেখানে আমাদের কী ভবিষ্যত আছে?’

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক গবেষক অ্যাডাম কুগল সৌদি কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ‘জোর করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ ফেরত পাঠানো সৌদি আরবকে অবশ্যই বন্ধ করা উচিৎ এবং তাদের সেখানে আশ্রয় দেওয়া উচিৎ।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

লস এঞ্জেলেসের অদূরে বারে গুলি, নিহত ১২

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৮ ০৮:১১:২১

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি বারে বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রাজ্য পুলিশের সার্জেন্ট শেরিফ রন হেলাসও রয়েছেন।

এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো বেশ কয়েকজন। ওই বন্দুকধারীও মারা গেছেন। তবে কিভাবে সে নিহত হয়েছে তা জানা যায়নি।

বিবিসি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে রাজ্যের থাউজেন্ড ওকস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় কর্মকর্তারা গুলিতে ১২ জন নিহত এবং সন্দেহভাজন হামলাকারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাজ্য পুলিশ জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার (৪০মাইল) উত্তর-পশ্চিমে বর্ডারলাইন বার গ্রিলে এ হামলা হয়। এ সময় বারটিতে প্রায় দুইশ’ লোক ছিল। তারা কলেজ কান্ট্রি মিউজিক নাইটে যোগ দিয়েছিল।

বন্দুকধারী গুলি করা শুরু করলে অনুষ্ঠানে আসা লোকজন বারের দরজা জানালা ভেঙে বেরিয়ে আসেন। কেউ কেউ টয়লেটের ভেতর আশ্রয় নেন।

ভেঞ্চুরা কাউন্টি শেরিফ অফিসের মুখপাত্র এরিক বাসচাও বলেন, ডেপুটি শেরিফ ঘটনাস্থলে পৌঁছার পরও বারের ভেতরে গুলির শব্দ শুনেছেন।

তিনি বলেন, শেরিফের অফিস ফোনে হামলার খবর পেয়ে তারসহকারীরা সেখানে ছুটে যান। সেখানে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এদের মধ্যে শেরিফের একজন সার্জেন্ট এবং হামলাকারীও ছিল।

বিস্তারিত খবর

জিম্বাবুয়েতে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪৭

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৮ ০১:২৫:০৪

জিম্বাবুয়ে’তে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় দুই শিশুসহ ৪৭ জন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির পুলিশ।

স্থানীয় সময় বুধবার রাতে রুসাপে শহরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম জিমআই।

পুলিশের মুখপাত্র অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পল নিয়াথি গণমাধ্যমকে বলেন, মুতারে শহরগামী একটি বোল্ট কাটার বাস এবং রাজধানী হারারেগামী একটি স্মার্ট এক্সপ্রেস বাসের সংঘর্ষের ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

মাকোনি জেলা প্রশাসক এবং সিভিল প্রটেকশন ইউনিটের চেয়ারম্যান দারলিংটন মুসেকা বলেন, এটা সত্যিই ভয়ঙ্কর। এই ঘটনা মেনে নেয়া সহজ নয়, আমরা খুবই মর্মাহত। আমি এর বেশি আর কিছু বলতে পারবো না।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, স্মার্ট এক্সপ্রেস বাসটির চালক একটি মালবাহী ট্রাককে ওভারটেক করার চেষ্টা করছিলেন। এমন সময় সামনের দিক থেকে আসা বোল্ট কাটার বাসের সঙ্গে এর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

তিনি বলেন, স্মার্ট এক্সপ্রেস বাসের চালক ও কন্ডাক্টর প্রাণে বাঁচতে সক্ষম হন এবং দুর্ঘটনার পরপরই তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। গতকাল রাত পর্যন্ত বোল্ট কাটারের ড্রাইভার সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি।

রুসাপে ফায়ার ব্রিগেড খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসের ভেতর আটকে পড়া যাত্রীদের বের করতে সহযোগিতা করে।

রুসাপে জেনারেল হাসপাতালের একজন ডাক্তার নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে এ পর্যন্ত ৭০ জন এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

অ্যাটর্নি জেনারেলকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৮ ০০:৫৭:১৭

অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনসকে বরখাস্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার এক টুইটার বার্তায় তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

টুইট বার্তায় ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমরা অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনসকে তার কাজের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং তার কল্যাণ কামনা করছি।’

২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের নির্বাচনী শিবিরে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগের ব্যাপারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন সেশনস। এই দায়িত্ব তার অধীনস্ত রড রোজেনস্টেইনকে দেন তিনি। এরপর থেকেই প্রকাশ্যে সেশনসের বিরুদ্ধে নানা ধরণের সমালোচনামূলক কথা বলতে শুরু করেন ট্রাম্প।

২০১৭ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাতকার ট্রাম্প বলেন ‘সেশনসের কখনোই নিজেকে সরিয়ে নেওয়া উচিৎ হয়নি। তিনি এই তদন্ত থেকে সরে যাবেন এই কথা আমাকে আগে বললে আমি তাকে এই দায়িত্ব দিতাম না। আমি অন্য কাউকে এই কাজের জন্য নিয়োগ দিতাম।’

সেশসনের এই বরখাস্তের ঘটনা যে খুব স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্যে ঘটেছে তেমনটি কিন্তু নয়।তারিখবিহীন একটি পদত্যাগ পত্রে সেশনস যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেননি সেটা স্পষ্ট ধরা পড়েছে।

আলাবামার সাবেক এই সিনেটর পদত্যাগ পত্রে লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট আপনার অনুরোধে আমি আমার পদত্যাগ পত্র জমা দিচ্ছি"।

রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকার সময় আমরা আইনের শাসনকে বলবত রেখেছি।’

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাজ্যে শীতলীকরণ লরি থেকে ২১ জনকে উদ্ধার

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৭ ১৪:৫০:০৭

যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করার সময় একটি শীতলীকরণ লরি থেকে ২১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১২ শিশুও রয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে এই দলটি ভিয়েতনাম থেকে এসেছে। বৃহস্পতিবার সাসেক্সের নিউহ্যাভেন বন্দরে গাড়িটি আটক করা হয়।  এতে তল্লাশি চালিয়ে ২১ জনকে উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি। তবে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

রোমানিয়ার নাগরিক গাড়িটির চালকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। গাড়িটি ফ্রান্সের দিয়েপ্পে থেকে আসছিল। উদ্ধার করা শিশুরা সুস্থ আছে। তাদেরকে সামাজিক সেবা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।ৎ

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস-এ রেকর্ড সংখ্যক নারীর বিজয়

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৭ ১৪:৪৯:১৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ বা 'হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস'-এ বিপুল সংখ্যক নারী বিজয়ী হয়েছেন। মার্কিন কংগ্রেসের গবেষণা বিভাগের বরাত দিয়ে বুধবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

বুধবার সকালে সিএনএন ফলাফলের সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে জানিয়েছে, প্রতিনিধি পরিষদে এবার ৯৬ জন নারী সদস্য বিজয়ী হতে যাচ্ছেন। এর আগে এই সংখ্যা ছিল ৮৫ জন। সেই হিসেবে এবারের প্রতিনিধি পরিষদ নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক নারীই বিজয়ী হচ্ছেন।

এবারের ৯৬ জন নারীর মধ্যে ৩১ জনই প্রথমবারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। বাকী ৬৫ জন আগে থেকেই প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ছিলেন।

প্রতিনিধি পরিষদের এবারের নির্বাচনে নারীরা একাধিক রেকর্ড করেছেন। নিউ ইয়র্কের ডেমোক্র্যাট ২৯ বছরের আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ কংগ্রেসে সর্বকনিষ্ঠ নারী হিসেবে যোগদান করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তিনি ৭৮ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  মিনেসোটা ও মিশিগান রাজ্যের দুই ডেমোক্র্যাট রাজনীতিবিদও হয়েছেন ইতিহাসের অংশ। ইলহান ওইমার ও রাশিদা ত্লাইব মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া প্রথম আদিবাসী নারী হিসেবে কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়েছেন কানসাস রাজ্যের শারিস ডেভিডস ও নিউ মেক্সিকো রাজ্যের ডেব্রা হালান্ড।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিম্নকক্ষ ডেমোক্র্যাটদের উচ্চকক্ষ রিপাবলিকানদের, ক্ষমতা কার?

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৭ ১৪:৪৮:২৬

মার্কিন কংগ্রেস এখন দুইভাগে বিভক্ত। একটি অংশ রিপাবলিকানদের দখলে এবং অন্যটি ডেমোক্র্যাটদের। এ অবস্থায় বিশ্বের অনেক মানুষ বুঝতে পারছেন না ক্ষমতা আসলে কার। এজন্য তারা গুগলের সাহায্য নিচ্ছেন। এছাড়া অনেকেই মধ্যবর্তী নির্বাচন সম্পর্কেও স্পষ্ট কোনও ধারণা রাখেন না।

হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস বা নিম্নকক্ষ
কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ৪৩৫ জন প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত। এদের প্রত্যেকের মেয়াদ দুই বছর। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যার অনুপাতে সেখানে নিম্নকক্ষের প্রতিনিধি কতজন হবে তা নির্ধারণ করা হয়। প্রত্যেক প্রতিনিধি তার নিজের অঞ্চলের হয়ে কাজ করেন।

নিম্নকক্ষের সদস্যরা সরকারি কর্মকর্তাদের অভিশংসন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন। এছাড়া ব্যয় সংক্রান্ত বিল তৈরির ক্ষমতাও রয়েছে তাদের। এবার নিম্নকক্ষে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বেশি হওয়ায় বিভিন্ন ব্যয় নির্বাহের বিষয়ে সিনেটর বা উচ্চকক্ষের সদস্যদের ওপর চাপ তৈরি করতে পারবে তারা। আর এদের চাপে হয়তো নিজেদের সমর্থকদের বিপরীতে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সিনেটরদের।

সিনেট বা উচ্চকক্ষ
সিনেট বা উচ্চকক্ষকে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর কারণ হলো উচ্চকক্ষের সদস্য সংখ্যা নিম্নকক্ষের চেয়ে অনেক কম। তার ওপর সাংবিধানিকভাবে এদের অনেক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

সিনেটে সব মিলিয়ে ১০০ জন সদস্য রয়েছেন। প্রতিটি অঙ্গরাজ্য থেকে দুজন করে সিনেটর নির্বাচিত হন। এদের মেয়াদ ৬ বছর।

সংবিধান সিনেটরদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ক্ষমতা দিয়েছে। সে হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে হবে তা নির্ধারণ করে উচ্চকক্ষ বা সিনেট সদস্যরাই। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নির্বাচন এবং বিভিন্ন দেশের সাথে চুক্তি সম্পাদন করেন এরাই।

যদিও অভিশংসন প্রক্রিয়া প্রথম শুরু হয় নিম্নকক্ষে, তারপর সেটা উচ্চকক্ষে আসে। অভিশংসনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের সদস্যরা অনেকটা জুরি বোর্ডের মতো কাজ করে। কোনও প্রেসিডেন্টকে সরাতে হলে দুই-তৃতীয়াংশ সিনেটরের সমর্থন লাগে।

কার ক্ষমতা বেশি
কার ক্ষমতা বেশি এই আলোচনার পর অবশ্য পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার কথা। এ সম্পর্কে রটগার্স ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক বেকারের একটি বক্তব্য প্রাসঙ্গিক। বেকার বলেন, যদিও উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের দায়িত্ব প্রায় একই তারপরও সাংবিধানিকভাবে তাদের (সিনেটরদের) আলাদা কিছু বিশেষত্ব রয়েছে।

তার ভাষায়, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের খুব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হয়। উচ্চকক্ষে নমিনেশন ও বিভিন্ন চুক্তি সম্পর্কিত এবং নিম্নকক্ষে কর ও ব্যয় নিয়ে কাজ করতে হয়।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

উলফা প্রধান পরেশ বড়ুয়া দুর্ঘটনায় নিহত

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৭ ০৩:৫৭:৩৮

মিয়ানমার-চীন সীমান্তে দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়ে মারা গেছেন মোস্ট ওয়ান্টেড বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা উলফা প্রধান পরেশ বড়ুয়া। আসামের বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা ও স্থানীয় পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে এমন খবর প্রকাশি হয়েছে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এই রাজ্যের একাধিক সংবাদ মাধ্যম তাদের রিপোর্টে গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত করেছে।

তবে উলফার সাবেক নেতা অনুপ চেটিয়া বলেছেন, দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়েছেন পরেশ বড়ুয়া। তবে তার মৃত্যু হয়নি। তিনি বলেছেন, চীন ও মিয়ানমার সীমান্তে চীনে শহর রুইলির কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন পরেশ।

এদিকে আসাম পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা পল্লব ভট্টাচার্যও জঙ্গি নেতা পরেশ বড়ুয়ার গুরুতর আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন। তবে তার মৃত্যুর কোনও খবর নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

পরেশ বড়ুয়ার মৃত্যুর খবরে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ভারতসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও কোনও কিছুরই সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলেই জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

মিয়ানমার ও চীনের সীমান্ত দিয়ে দুই রাষ্ট্রের মধ্যে নিয়মিত আসা যাওয়া করেন উলফা। চীনের দিকে রুইলি শহরে তার ঘাঁটি আবার মিয়ানমারের টাগা শহরেও তার আস্তানা রয়েছে। গোয়েন্দা বিভাগ আগেই জানিয়েছে, রুইলি শহর থেকেই ভারত বিরোধী নাশকতার ষড়যন্ত্র করে পরেশ বড়ুয়া। যদিও চীন সরকার তাদের জমিতে এই জঙ্গি নেতার অস্তিত্ব সম্পর্কে মানতে নারাজ।

পরেশ বড়ুয়া আসামের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তার নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম বা উলফা। পরে এই সংগঠনের কিছু নেতা অস্ত্র ছেড়ে আলোচনায় বসে। তবে পরেশ বড়ুয়া সশস্ত্র পথেই আসামকে ‘স্বাধীন’করার ডাক দিয়ে নাশকতামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, তিনসুকিয়ায় পাঁচ বাঙালিকে হত্যার পর থেকে আসাম উত্তপ্ত। অভিযোগ উঠেছে, এই হামলায় জড়িত উলফা। তবে এই জঙ্গি সংগঠন সেই দায় অস্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে। এরপরই মূলত পরেশ বড়ুয়ার মৃত্যু খবর ছড়িয়ে পড়ে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সবচেয়ে কমবয়সী কংগ্রেসওম্যান ওকাসিও-কর্টেজ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৭ ০৩:২৮:৪৭

প্রগতিশীল ডেমোক্রেট আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ নিউ ইয়র্কের ১৪তম জেলা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনিই প্রথম নারী যিনি সবচেয়ে কম বয়সে কংগ্রেসে নির্বাচিত হলেন। খবর হাফিংটন পোস্টের।

রাজনীতির ময়দানে অপেক্ষাকৃত নতুন ২৯ বছর বয়সী ওকাসিও-কর্টেজ গেল জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রে সংবাদ শিরোনাম হন। সেসময় ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে দশবারের হাউজ প্রতিনিধি জো ক্রাউলিকে পরাজিত করেন তিনি।

মঙ্গলবারের নির্বাচনে ডেমোক্রেটদের ঘরের এই আসন থেকে অনায়াসেই রিপাবলিকান প্রার্থী সেন্ট জনস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অ্যান্থনি পাপাসকে পরাজিত করেন ওকাসিও-কর্টেজ।

নির্বাচনে জয়ের পর দেয়া ভাষণে ওকাসিও-কর্টেজ বলেন, এটা তখনই সম্ভব যখন সব মানুষ সম্মিলিতভাবে বুঝতে পারে যে, আমাদের কাজ খুব শক্তিশালী, মূল্যবান ও দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তনে সক্ষম।

তিনি বলেন, আয়োজক, ক্ষুদ্র অর্থদাতা, প্রত্যেক কর্মজীবী বাবা-মা এবং ড্রিমার যারা এই আন্দোলনে সাহায্য করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।

ওকাসিও-কর্টেজ আরও বলেন, এটা কোনও প্রচারণা বা নির্বাচনী দিন নয় বরং সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং জাতিগত ন্যায়বিচারের জন্য একটি আন্দোলন।

পুয়ের্তো রিকোর মা ও মার্কিন বাবার সন্তান ওকাসিও-কর্টেজ আগে একজন বারটেন্ডার ছিলেন। ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাইমারিতে জেতার আগে তিনি কখনও কোনও রাজনৈতিক পদে ছিলেন না। তবে এই সাধারণ নির্বাচনে তার প্রতি সমর্থন দেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

প্রথমবারের মতো মার্কিন কংগ্রেসে ২ মুসলিম নারী

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৭ ০৩:১৮:২৪

যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনে প্রথমবারের মতো কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে জয়ী হয়েছেন দুই মুসলিম নারী। মঙ্গলবারের ভোটে তারা দু’জনই ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন।

এ দুজনের একজন সোমালি বংশোদ্ভূত ইলহান ওমর এবং অন্যজন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত রাশিদা তালিব। ইলহান ওমর জয়লাভ করেছেন মিনেসোটা রাজ্য থেকে। আর রাশিদা তালিব মিশিগানে জয়ী হয়েছেন।

বিবিসি ও রয়টার্স জানিয়েছে, গৃহযুদ্ধের কারণে সোমালিয়া থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর ইলহান ওমর মার্কিন নাগরিকত্ব পান। মিনেসোটা রাজ্যের আইন পরিষদেরও সদস্য ছিলেন তিনি।

অন্যদিকে ডেট্রয়টে জন্মগ্রহণকারী রাশিদা তালিব ফিলিস্তিন-আমেরিকান পিতামাতার সন্তান। ২০০৮ সালে প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে তিনি মিশিগান আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সময় সকাল থেকে দেশজুড়ে ভোট দিতে শুরু করেন সে দেশের নাগরিকরা। শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টায়। এরপর আসতে শুরু করে নির্বাচনী ফলাফল।

ভোটের মাধ্যমে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এর সব কয়টি (৪৩৫) আসনের প্রতিনিধি নির্বাচন করছেন ভোটাররা। এ ছাড়া, উচ্চকক্ষ অর্থাৎ সিনেটের একশ’ আসনের মধ্যে ভোট গ্রহণ করা হয় ৩৫টির।

আর ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ৩৬টির গভর্নর নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ভোটাররা। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি অঞ্চলের গভর্নর নির্বাচন করা হবে। এর বাইরে অনেক নগরীর মেয়র এবং স্থানীয় কর্মকর্তাও নির্বাচিত হবেন এ ভোটের মাধ্যমে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

হাউসে ডেমোক্র্যাট ও সিনেটে রিপাবলিকানদের জয় : বিপাকে ট্রাম্প

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৭ ০৩:১৩:১৯

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে দেশটির সংসদ কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে জয় পেয়েছে ডেমোক্রেটিক পার্টি। এ ফল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা।

গত আট বছরের মধ্যে এবার প্রথম হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলো ডেমোক্র্যাটরা। এর ফলে এখন ডেমোক্র্যাটরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নানা এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারবেন।

তবে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষ সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সময় সকাল থেকে দেশজুড়ে ভোট দিতে শুরু করেন সে দেশের নাগরিকরা। শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টায়। এরপর আসতে শুরু করে নির্বাচনী ফলাফল।
 
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি চার বছর পরপর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। আর প্রেসিডেন্টের মেয়াদের মাঝামাঝিতে অর্থাৎ, দু’বছরের মাথায় হয় মধ্যবর্তী নির্বাচন। এ নির্বাচনে জনগণ প্রেসিডেন্টকে নিয়ে তাদের সন্তোষ বা অসন্তোষ প্রকাশের সুযোগ পায়। আর তাই ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে মানুষ কি ভাবছে এবং তার আবারো ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটুকু তা এ নির্বাচনেই স্পষ্ট হয়ে যায়।

সাধারণত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তুলনায় মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম থাকে। তবে এবার রেকর্ড পরিমাণ ভোটার ভোট দেন। ভোটে কংগ্রেসের দুই কক্ষের মধ্যে একটি কক্ষ রিপাবলিকান আর অপরটি ডেমোক্র্যাটদের দখলে যাওয়ায় বিল পাস করাতে বেশ বেগ পেতে হবে ট্রাম্পকে।

মঙ্গলবারের ভোটের মাধ্যমে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এর সব কয়টি (৪৩৫) আসনের প্রতিনিধি নির্বাচন করছেন ভোটাররা। এ ছাড়া, উচ্চকক্ষ অর্থাৎ সিনেটের একশ’ আসনের মধ্যে ভোট গ্রহণ করা হয় ৩৫টির। আর ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ৩৬টির গভর্নর নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ভোটাররা। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি অঞ্চলের গভর্নর নির্বাচন করা হবে। এর বাইরে অনেক নগরীর মেয়র এবং স্থানীয় কর্মকর্তাও নির্বাচিত হবেন এ ভোটের মাধ্যমে।
 
এ পর্যন্ত নির্বাচনী ফলাফলে দেখা গেছে, সিনেটে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। ইতোমধ্যে সিনেটে ১০০ এর মধ্যে তাদের আসন সংখ্যা হয়েছে ৫১টি। পক্ষান্তরে, ডেমোক্র্যাটরা পেয়েছে ৪২টি আসন।

যুক্তরাষ্ট্রের সংসদ কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে রিপাবলিকানরা এ পর্যন্ত পেয়েছে ১৫৯টি আসন। আর ডেমোক্র্যাটরা পেয়েছে ১৬০টি আসন। তবে ভোট গণনায় দেখা গেছে, ডেমোক্র্যাটরা হাউসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে, এটি নিশ্চিত।

এখনো পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফলে ১৮ রাজ্যে ডেমোক্র্যাটরা ও ২২ রাজ্যে রিপাবলিকানরা গভর্নর পেয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জাপান কেন আত্মহত্যা প্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত?

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৬ ১০:০২:০৫

জাপানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিশু আত্মহত্যা করেছে গত বছরে।২০১৬-১৭ অর্থবছরের মার্চ মাস পর্যন্ত প্রাথমিক থেকে হাইস্কুলের ২৫০ জন শিশু আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে।১৯৮৬ সালের পর থেকে জাপানে এত বিপুল সংখ্যক শিশু আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেনি।

আত্মহত্যার আগে ঐসব শিশুরা যেসব সমস্যার কথা জানিয়েছিল তার মধ্যে রয়েছে পারিবারিক সমস্যা, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা এবং বন্ধুদের কাছ থেকে অবজ্ঞা বা তাচ্ছিল্য পূর্ণ ব্যবহার।তবে স্কুলগুলোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এসব ঘটনার ১৪০টিরই সঠিক কারণ তারা জানে না কারণ সেসব ক্ষেত্রে শিশুরা আত্মহত্যার আগে কোনো নোট রেখে যায়নি।আত্মহত্যা করা অধিকাংশ শিশুই হাই স্কুলের শিক্ষার্থী। ১৮ বছরের কম বয়সী জাপানি শিক্ষার্থীরা সাধারণত এসব স্কুলে পড়ে।

২০১৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা প্রবণ দেশগুলোর একটি ছিল জাপান; তবে এই প্রবণতা বন্ধ করতে জাপান সরকার বিভিন্ন ধরণের পদক্ষেপ নেয়ার পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয় বলে উঠে আসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে।২০০৩ সালে জাপানে মোট আত্মহত্যার ঘটনা ছিল ৩৪ হাজার ৫০০টি, যা কমে ২১ হাজারে নেমে আসে ২০১৭ সালে।

কেন জাপানে আত্মহত্যার হার এত বেশি?
২০১৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী জাপানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭০ জন মানুষ আত্মহত্যা করে।বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সাথে তুলনা করলে দক্ষিণ কোরিয়া বাদে অন্য কোনো দেশে আত্মহত্যার হার এত ব্যাপক নয়।

ঐতিহাসিক ধারা
আর্থ-সামাজিক এবং ঐতিহাসিক কারণে জাপানে মানুষের আত্মহত্যার প্রবণতা অনেক বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।টোকিও'র টেম্পল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী ওয়াতুরু নিশিদা বলেন, "বিষণ্ণতা এবং আত্মহত্যার অন্যতম প্রধান কারণ বিচ্ছিন্নতা বা একা থাকার প্রবণতা।""জাপানে একসময় বৃদ্ধ অভিভাবকদের দেখাশোনা করতো তাদের সন্তানরা, তবে বর্তমানে সেরকমটা হয় না বললেই চলে। বৃদ্ধাশ্রম বা হাসপাতালে একাকী মৃত্যুবরণের ঘটনা দিন দিন বাড়ছেই।"

জাপানে ঐতিহাসিকভাবে প্রচলিত 'সম্মানজনক আত্মহত্যা'র ঐতিহ্যকেও দায়ী মনে করেন অনেকে।জাপানের সামুরাই যোদ্ধাদের আত্মহত্যা, যাকে 'সেপ্পুকু' বলা হতো অথবা ১৯৪৫ সালে তরুণ 'কামিকাজে' বিমানচালকদের আত্মহত্যার ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের মানসিকতায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে বলে মনে করেন ঐ বিশেষজ্ঞরা।

মি. নিশিদা বলেন, "জাপানে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে, আত্মহত্যা করা পাপ নয়।"জাপান হেল্পলাইনে কাজ করা কেন জোসেফ মন্তব্য করেন অনেকসময় বৃদ্ধ ব্যক্তিরা অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তা এবং বীমা সংক্রান্ত জটিলতা থেকে রেহাই পেতে আত্মহত্যা করেন।জাপানে আত্মহত্যা সংক্রান্ত ঘটনায় বীমা প্রতিষ্ঠানগুলো সহজেই বীমার অর্থ হস্তান্তর করে।মি. জোসেফ বলেন, "যখন আর কোনে উপায় থাকে না, তখন অনেকেই মনে করেন, আত্মহত্যা করলে সহজেই পরিবারের টাকা-পয়সা সংক্রান্ত জটিলতা দূর হবে।"

অর্থনৈতিক চাপ
জাপানে যে শুধু নি:সঙ্গ বৃদ্ধরাই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন, তা নয়। আত্মহত্যা করা মানুষের বয়স যাচাই করলে দেখা যায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আত্মহত্যাকারী ২০ থেকে ৪৪ বছর বয়সী পুরুষ।এসব আত্মহত্যার ঘটনা যাচাই করলে দেখা যায় যে তারা জীবন নিয়ে হতাশ ছিলেন এবং কারো কাছে সাহায্য চাইতে অপারগ ছিলেন।

১৯৯৮ সালে এশিয়ার অর্থনৈতিক সঙ্কটের পর এ ধরণের আত্মহত্যার হার বেড়ে গিয়েছিল। ২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সঙ্কটের পর আবারও এই হার বৃদ্ধি পায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, জাপানে 'অনিশ্চিত চাকরি'র সংখ্যা বা তরুণদের স্বল্প মেয়াদী চুক্তিতে চাকরি দেয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েছে।জাপানে এখনো অনেক বয়স্ক ব্যক্তিরা চাকরিক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং ব্যাপক সুবিধা পেলেও ২০১৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী জাপানের তরুণদের প্রায় ৪০% স্থির চাকরি পান না।

মানসিকতা ও প্রযুক্তি
অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তা ও অনিরাপত্তার পাশাপাশি অভিযোগ না করার মানসিকতার সংস্কৃতিও তরুণদের মধ্যে আত্মহত্যা বাড়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।মি. নিশিদা বলেন, "রাগ বা ক্ষোভ প্রকাশ করার খুব একটা সুযোগ নেই জাপানের সমাজে।""এটি একটি নিয়মতান্ত্রিক সমাজ। তরুণদের একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ থাকতে হয়। তাদের সত্যিকার মনোভাব প্রকাশের কোনো সুযোগই থাকে না তাদের সামনে।"আর বিশেষজ্ঞরা মনে করেন দিনদিন প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং প্রসারের কারণে এই অবস্থার আরো অবনতি হচ্ছে।আধুনিক প্রযুক্তি তরুণদের সমাজ থেকে আরো বিচ্ছিন্ন করছে বলে মনে করেন তারা।

সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার এই প্রবণতার একটি বিশেষ নামও রয়েছে জাপানে; এটিকে বলা হয় 'হিক্কিমোরি'।জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাষায়, হিক্কিমোরি হলো সেসব ব্যক্তি যারা ৬ মাসের বেশি সময় ধরে নিজেদের বাড়ির বাইরে বের হয় নি এবং নিজেদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।জাপানের সরকারি তথ্য অনুযায়ী ২০১০ সালে জাপানে হিক্কোমোরি হিসেবে বসবাসরত ব্যক্তির সংখ্যা ৭ লক্ষ।জাপান ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, স্পেন, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া ও ফ্রান্সেও এই ধরণের ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত