যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ১০ Jul, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 10:55pm

|   লন্ডন - 05:55pm

|   নিউইয়র্ক - 12:55pm

  সর্বশেষ :

  অরেঞ্জ কাউন্টিতে করোনা সংক্রমণের দ্বিগুণ বৃদ্ধি   করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে স্কুল খোলার পরিকল্পনা পেছালো   ১৮ আগস্ট থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু লস এঞ্জেলেসে   ভয়াবহ বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১, আহত ৩ শেরিফ ডেপুটি   দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৭, শনাক্ত ২৯৪৯   লকডাউনে ভারতে তাবলীগে যোগ দেওয়া ৮২ বাংলাদেশি জামিন পেলেন   এবার নিজ জন্মভূমিতে পোড়ানো হলো মেলানিয়া ট্রাম্পের মূর্তি   করোনার মধ্যে স্কুল খোলার হুমকি দিল ট্রাম্প   এবার ভারমন্টে ‘খাদ্য বর্জ্য নিষিদ্ধ’ নামে নতুন আইন   এবার করবিবরণী নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বিপত্তি   বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রতারণা করেছিলেন ট্রাম্প   ৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশি ফ্লাইটে ইতালির নিষেধাজ্ঞা   জুতা সেন্ডেলের আঠার নেশায় বুঁদ কিশোররা   সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন আর নেই   ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হলেন ড্রেইক

>>  লাইফ স্টাইল এর সকল সংবাদ

যে কারণে সবার প্রেম করা উচিত


প্রথম প্রেমের কথা কেউ কী কখনো ভুলতে পারে? এই প্রশ্নটার উত্তরে একেকজন হয়তো একেক রকম কথা বলতে পারেন। কারণ অনেকের জীবনেই প্রথম প্রেম প্রস্ফুটিত হয়নি। অভিজ্ঞতাও ভিন্ন রকম। অবশ্য হুমায়ূন আজাদের কথা মেনে নিলে বিষয়টি আবার অন্যরকমই দাঁড়ায়। তিনি বলেন, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেই। মানুষ যখন প্রেমে পরে তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম। প্রথম প্রেমের রেশ থেকে যায় অনেক দিন। একটা তাড়না, তিক্ত-মধুর এক অনুভূতি মনকে আচ্ছন্ন করে রাখে। অনেকের মনে অতীত স্মৃতি তাড়িয়ে বেড়ায়। স্মৃতি রোমন্থনে অনেকে আবেগী হয়ে ওঠেন। তাই চলুন প্রথম প্রেম নিয়ে বিজ্ঞান বা

বিস্তারিত খবর

শারীরিক সম্পর্ক কি কেবলই শারীরিক

 প্রকাশিত: ২০২০-০৬-০৬ ১০:১৯:২৮


পরপর কয়েকটা রাতে মিলন করতে ভালো লাগে না, এমনটা অনেক দম্পতির ক্ষেত্রেই হতে পারে।। কিন্তু শারীরিক সম্পর্কের এই অনীহা যদি বেশি দিনের জন্য হয়, তাহলে সমস্যার বিষয়। এতে করে আপনার এবং আপনার পার্টনারের মধ্যে সমস্যা দেখা দিতে পারে। নষ্ট হতে পারে দাম্পত্য জীবন। স্বাভাবিক যৌনতা কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে এখনো পর্যন্ত দুইটি কারণকে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। এর একটা হল মানসিক আর অন্যটা শারীরিক। মনোবিজ্ঞানীদের মতে সংকট বা যে কোন মানসিক দুশ্চিন্তার কারণে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনীহা তৈরি হয়।


তারা বলেন, স্ট্রেসের মধ্যে বিছানাতে আপনি ভালো ফল পাবেন না। স্ট্রেস ঘরে‚ বাইরে‚ অফিসে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কারণে হতে পারে। স্ট্রেস তৈরি হতে পারে যে কোন সংকটকে কেন্দ্র করে। তবে স্ট্রেস কমানোর উত্তর কিন্তু আপনাকেই খুঁজতে হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিজেরাই স্ট্রেসের মোকাবেলা করা যায়। সেইসাথে ডাক্তারের কিংবা কারো পরামর্শ নিতে পারেন। সংকটজনিত ডিপ্রেশন হলেও মিলনের ইচ্ছা কমে যায়। তাই যতটা পারবেন হাসি-খুশি থাকার চেষ্টা করুন। অহেতুক বিষণ্ণতায় ভুগবেন না। যারা ডিপ্রেশন কমানোর ওষুধ খান, তাদের ওই ওষুধের ফলে সেক্স ড্রাইভ কমে যেতে পারে। তাই অবশ্যই ডাক্তারকে এই কথা জানান।

সেইসাথে অবসাদ, বিষণ্ণতা ও দুশ্চিন্তা নারীর ক্ষেত্রেও যৌনমিলনের ইচ্ছে কমিয়ে দেয়। নারী যখন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকে তখন এ্যডরিনাল গ্রন্থি ইষ্ট্রোজেন এবং টেষ্ট্রোষ্টিরন হরমোন সৃষ্টিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ইষ্ট্রোজেন এবং টেষ্ট্রোষ্টিরন হরমোনই নারী শরীরে যৌন আকাঙ্খা উৎপন্ন করে। এভাবে সংকটজনিত দুশ্চিন্তার কারণে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনীহা তৈরি হয়।

এলএ বাংলা টাইমস/এমবি 

বিস্তারিত খবর

রান্নাঘর ভাইরাসের ঝুঁকিমুক্ত রাখার ১০টি বিশেষ টিপস

 প্রকাশিত: ২০২০-০৫-০৪ ১৩:৪৯:৫০

আপনার রান্নাঘর থেকে শুরু করে খাবার টেবিল পর্যন্ত সব স্থান জীবাণুমুক্ত রাখার মাধ্যমেও আপনি আপনার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেন। বাজার থেকে কিনে আনা দ্রব্য কতটা নিরাপদ তা আমরা কেউ জানি না। তাই আমাদের সবার সর্তক থাকা একান্ত দরকার। তাই, সংক্রমণ এড়াতে রান্নাঘরে কিছু সর্তকতা অবলম্বন করুন।

১.রান্নার সরঞ্জাম, রান্নার প্রস্তুতি পর্বের স্থান ও রান্নার স্থান হালকা গরম পানি এবং সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে নিন।

২.রান্নার আগে হাত সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধুয়ে তারপর রান্না করুন।

৩.মাছ, মাংস, ডিম সব সময় শাক-সবজি ও ফল থেকে দূরে রাখুন।

৪.প্রবহমান পানির নিচে শাকসবজি, ফল, মাছ-মাংস ২০-৩০ মিনিট ধরে ধুয়ে নিতে পারেন।

৫.মাংসের অতিরিক্ত চর্বি ও মুরগীর চামড়া ফেলে দিন। কেননা জীবাণু এই চর্বিযুক্ত স্থানে বেশি অবস্থান করে।

৬.শাক-সবজি ও মোটা খোসাযুক্ত ফল ভিনেগার ও পানির মিশ্রণে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ঠাণ্ডা পানিতে স্ক্রাবার দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। (৯০ ভাগ পানির সঙ্গে ১০ ভাগ ভিনেগার, সঙ্গে একটু লবণ বা লেবুর রস যোগ করতে পারেন)

৭.ভিনেগার না থাকলে ২% লবণ পানিতে ৩০-৪০ মিনিট সব্জি ও ফল ভিজিয়ে রাখুন। পাতলা খোসাযুক্ত সবজি বা ফল ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন।

৮.মাছ, মাংস, মুরগী ও সবজি কাটার আগে ধুয়ে নিতে হবে এবং মাঝারি টুকরো করে কাটতে হবে, যেন খুব সহজেই ভালো ভাবে সিদ্ধ হতে পারে আবার এর পুষ্টিগুণও বজায় থাকে।

৯.মুরগী, মাংস, মাছ কাটার স্থান শাক-সবজি কাটার স্থান থেকে আলাদা রাখুন এবং ধোয়ার পর ধোয়ার জায়গা, সরঞ্জাম আবার সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিন।

১০.যিনি বাজার করবেন অবশ্যই গ্লাভস ব্যবহার করবেন। গ্লাভস না থাকলে অন্তত পলিথিনে হাতটা মুড়িয়ে নিয়ে তারপর বাজার করুন।

মনে রাখতে হবে, ঘরের "High Touch Area" অর্থাৎ যে সকল স্থানে আমাদের হাতের স্পর্শ বেশি থাকে সে সকল স্থান অবশ্যই পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

কোন অবস্থাতেই খাবার জিনিস সাবান পানি, ডিটারজেন্ট, ব্লিচিং পাউডার বা অন্য কোন জীবাণু নাশকারী দ্রব্য ব্যবহার করে পরিষ্কার করা যাবে না।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এলএস

বিস্তারিত খবর

২০২২ পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে: গবেষণা

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-১৫ ১১:৪৯:০৪

২০২২ সাল পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে বিশ্বকে। না হলে বিপুলসংখ্যক মানুষ অতিমহামারীতে আক্রান্ত হবেন। হাসপাতালে তাদের জায়গা দেয়া যাবে না।

সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এ হুশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘আগামী দিনে নির্দিষ্ট ঋতুতে বারবার ফিরে আসতে পারে কোভিড ১৯। ওই রোগ সাধারণ সর্দিকাশির চেয়ে অনেক বেশি ছোঁয়াচে। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা এখনও নতুন রোগটির সম্পর্কে বেশিকিছু জানি না। একবার সংক্রমণ হলে শরীরে কী ধরনের প্রতিরোধক্ষমতা জন্মায়, সেই ক্ষমতা কতদিন বজায় থাকে, আমরা কিছুই জানি না।’

বিজ্ঞানীদের অন্যতম স্টিফেন কিসলার বলেন, ‘আমরা যতদূর জানতে পেরেছি, কিছুদিনের জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাই যথেষ্ট নয়। আমেরিকার চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে ভবিষ্যতে দফায় দফায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কোভিড ১৯ এর নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। রোগ ঠেকাতে বারে বারে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বজায় রাখাই হল পথ।’

বিজ্ঞানীদের মতে, ভবিষ্যতে যখনই রোগটি ফের ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে, তখনই ব্যাপক হারে টেস্ট করা প্রয়োজন। করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হলে লকডাউনের সময়সীমা কমানো যেতে পারে।

লকডাউনের সময় কিছু ছাড়ও দেয়া যেতে পারে। কিন্তু যতদিন ভ্যাকসিন না বেরোচ্ছে, ততদিন মাঝে মাঝেই লকডাউন চালিয়ে যেতে হবে। যখনই ছাড় দেয়া হবে, তখনই বাড়বে রোগীর সংখ্যা। কিন্তু মাঝে মধ্যে লকডাউন হলে হাসপাতালগুলো তাদের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের ক্ষমতা বাড়াতে পারবে।

একইসঙ্গে টানা দীর্ঘদিন লকডাউন বা সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের বিরোধিতা করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার সময় জনসাধারণের মধ্যে কোনো প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয় না। সেজন্য মাঝে মাঝে লকডাউনে ছাড় দেয়া দরকার।


এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এলএস

বিস্তারিত খবর

মাস্ক ব্যবহারের নিয়ম-কানুন

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৭ ০৩:০৬:২৮

সর্বোচ্চ মানের মাস্ক মানেই এন ৯৫। তবে এই মাস্ক সাধারণের জন্য নয়। এই মাস্ক পরে বেশি ক্ষণ থাকাও যায় না। একমাত্র রোগীর চিকিৎসা ও দেখভালের সময় তার কাছে যাওয়ার সময় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা এই মাস্ক পরবেন। বরং এই ধরনের মাস্ক কিনে মজুত করলে প্রয়োজনে চিকিৎসকরা সেই মাস্ক পাবেন না। কাজেই এমন মাস্ক সংগ্রহে থাকলে তা নিকটবর্তী হাসপাতালে দান করা উচিত বলেই মত বিশ্বের বিশেষজ্ঞদের।

নীল বা সবুজ রঙের সার্জিক্যাল মাস্ক: এই মাস্ক ব্যবহারের পর ফেলে দিতে হবে। তিন স্তরযুক্ত এই মাস্ক বাইরে বেরলে আমজনতা পরতে পারেন। তবে এই মাস্ক এক দিনের বেশি ব্যবহার করা যাবে না। তাই মাস্কের আকালে এই ধরনের মাস্ক প্রতি দিন জোগাড় করা কঠিন।

তা হলে উপায়?

টেরিলিন বা সুতির কাপড়ের মাস্ক হতে পারে ঘরোয়া মাস্ক হিসেবে সেরা বিকল্প। কাপড় ভাঁজ করে দু’পাশে দুটো ফিতে আলাদা করে সেলাই করে নিন।

মাস্ক পরার আগে

ভালো করে হাত-মুখ ধুয়ে নিন। অ্যালকোহল বেসড হ্যান্ডওয়াশ বা পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট মেশানো জল ও সাবান দিয়ে ভাল করে হাত ধুয়ে নিন।

মাস্ক পরার পর

মাস্ক যেন নাক, মুখ ভাল ভাবে ঢাকে তা দেখতে হবে। পরার পর বার বার তাতে হাত দেবেন না। নইলে মাস্কে আটকে থাকা জীবাণুরা হাতে লেগে যাবে। সেই হাত থেকেই নাক-মুখের মাধ্যমে অসুখ ছড়িয়ে যেতে পারে। ফলে কাজের কাজ হবে না।

মাস্ক খোলার সময়

মাস্কের উপরের তলে হাত দিয়ে বা সামনের দিকে ধরে বা টেনে মাস্ক খুলবেন না। এতে মাস্কের জীবাণু হাতে লেগে যাবে। আবার হাতে থাকা জীবাণু পুরোটাই লেগে যাবে মাস্কে। পিছন দিক থেকে মাস্কের দড়ি বা ইলাস্টিক ব্যান্ড টেনে মাস্ক খুলুন। একে হাতের জীবাণু দড়িতে লাগলেও তা মুখের কাছাকাছি এসে সংক্রমণ ঘটাতে পারবে না। মাস্ক খোলার পর অবশ্যই ভালো করে ফের সাবান ও হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত-মুখ ধোবেন।

কাচতে হবে মাস্কও। একই মাস্ক পর পর দু’দিন যেমন পরা যাবে না, তেমনই নিজের মাস্কও অন্যকে ধার দেওয়া যাবে না পরার জন্য। নিজেও অন্যের মাস্ক পরবেন না। সাবানজল বা কীটনাশক লোশন মেশানো জলে ভাল করে কেচে নিতে হবে মাস্ক। কড়া রোদে রেখে মাস্ক শুকিয়ে নিতে পারলে ভাল। একান্তই তা না পারলে ঘরের তাপমাত্রায় শুকিয়ে নিন মাস্ক। ভিজে মাস্ক কখনওই পরা যাবে না।

সুস্থ মানুষ কখন মাস্ক পরবেন

ঘরের মধ্যে থাকলে এবং সুস্থ মানুষদের সঙ্গে বসবাস করলে বাড়িতে মাস্ক পরে থাকার কোনও দরকার নেই। তবে বাড়িতেও বজায় রাখুন সোশ্যাল ডিসট্যান্স। এই ভাইরাস এখনও অবধি তিন মিটারের বেশি দূরত্বে ছড়াতে পারে না বলেই মত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। কাজেই বাইরে থেকে ভাইরাসের ঘরে ঢোকার আশঙ্কা নেই। তবে বাড়িতে করোনা আক্রান্ত রোগী থাকলে এবং তার দেখভাল করতে হলে অবশ্যই মাস্ক পরবেন। বাইরে বেরলে মাস্ক পরতে হবে সব সময়।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এলএস

বিস্তারিত খবর

ঘরকে যেভাবে করোনাভাইরাস মুক্ত রাখবেন

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৩ ০৭:২২:৩৬

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বেশিরভাগ মানুষ এখন ঘরেই সময় কাটাচ্ছেন। এমতাবস্থায় আপনার পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষিত রাখতে ঘর ভাইরাসমুক্ত করাটা জরুরি।
নিউ দিল্লির ফোর্টিস মেমোরিয়াল রিসার্চ ইন্সটিটিউটের পরিচালক ও ‘নিউরোলজি’ বিভাগের প্রধান পারভিন গুপ্তা ঘর সুরক্ষিত রাখার কিছু টিপস দিয়েছেন। আসুন জেনে নেই সেই সম্পর্কে-

১.ঘরের প্রতিটি অংশ নিয়মিত সাবান কিংবা জীবানুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

২. প্রতিদিন রান্না করার পর রান্নাঘর পরিষ্কার করতে হবে। বাইরে পরার জুতা নিয়ে ঘরের প্রবেশ করা যাবে না।

৩. লাইটের সুইচ, টেবিল, কম্পিউটারের কিবোর্ড, দরজার হাতল, টয়লেট, আলমারি ও ওয়্যারড্রোব পরিষ্কার করতে হবে।

৪. বাইরে থেকে সদাই কিনে আনার পর ব্যাগটি ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে ব্যাগটিকে ঘরের বাইরে ফেলে রাখুন ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা।

৫. সদাই বাসায় আনার পর ‘পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট’ দ্রবণে পরিষ্কার করতে হবে। এই রাসায়নিক উপাদানটি পাওয়া না গেলে ৫ থেকে ১০ মিনিট গরম পানিতে ধুয়ে নিতে হবে।

৬. বাজারে গেলে মানুষের যতটা দূরে থাকা যাই ততই ভালো। ঘরে ফিরে প্রথম হাত ধোওয়া, সম্ভব হলে পরা কাপড় ধুয়ে গোসল করতে হবে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এলএস

বিস্তারিত খবর

কীভাবে সামলাবেন দুরন্ত শিশু?

 প্রকাশিত: ২০২০-০২-২৩ ০৫:১৬:৩৫

সন্তানের দুরন্তপনায় হতাশ না হয়ে ধৈর্য্য ধরতে হবে বাবা-মাকে। শিশুর সঙ্গে রাগ দেখালে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। জেনে নিন দুরন্ত শিশুকে কীভাবে সামলাবেন।

পরিস্থিতি বুঝুন ঠাণ্ডা মাথায়
শিশুকে বারবার বলার পরও সে যখন কোনও কথাই শোনে না, তখন বেশিরভাগ বাবা-মা- ই রেগে যান, চিৎকার করেন। তবে সন্তানের সামনে এমনটা না করলেই ভালো করবেন। হঠাৎ রেগে গেলে মনে মনে এক থেকে পাঁচ পর্যন্ত গুণতে পারেন। এতে আপনার রাগ কমবে অনেকটা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও আপনার সন্তানের সঙ্গে কথা বলুন, তাকে বুঝিয়ে বলুন তার ভালোর জন্যই কথাগুলো বলছেন আপনি।
করণীয় সম্পর্কে বলুন
বেশিরভাগ সময় আমরা শিশুকে কোনও একটি কাজ করতে নিষেধ করি, কিন্তু কোন কাজটি করতে হবে সে বিষয়ে কিছু বলি না। ধরুন জিনিসপত্র ছোঁড়াছুড়ি করছে শিশু। তাকে সেটি করতে নিষেধ না করে বলুন জিনিসটি যেন সুন্দর করে গুছিয়ে রাখা হয়।
বিকল্প কিছু বলুন
ধরুন শিশু ভাত না খেয়ে চিপস খেতে চাইছে। তাকে বলতে পারেন যে ভাত খাবার পর চিপস খাওয়া যেতে পারে।
সময় দিয়ে কথা বলুন
শিশুদের মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে বিকশিত হয়। সেক্ষেত্রে তাকে বড়দের মতো বিবেচনা করে কথা বলা ঠিক না। শিশুর চারপাশ, পৃথিবীর সব কিছুই ধীরে ধীরে শেখে সে। তাই কিছু বলার পর শিশুকে তা বোঝার জন্য ৫-৮ সেকেন্ড সময় দিন। তাকে বুঝতে দিন কোনটা তার জন্য ভালো।

বিস্তারিত খবর

কন্যাসন্তানের বাবারা দীর্ঘায়ুর অধিকারী হন: গবেষণা

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-১৬ ০১:২০:৫১

আমাদের দেশে অনেকেই আছেন যারা কন্যাসন্তান পছন্দ করেন না। কন্যাসন্তানকে বোঝা মনে করেন।

তবে আপনি জানেন কী? কন্যাসন্তানের বাবারা দীর্ঘায়ুর অধিকারী হয়ে থাকেন। এখানেই শেষ নয়, যে বাবার যত বেশি কন্যাসন্তান, তিনি তত বেশি বছর বাঁচেন। এক গবেষণায় এমনি তথ্য জানানো হয়েছে। পোল্যান্ডের জাজিলোলোনিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে এ গবেষণা চালানো হয়।

গবেষণার তথ্যমতে, ছেলেসন্তানের বাবাদের ওপর কোনো ধরনের প্রভাব পড়েনি। তবে যাদের কন্যা রয়েছে, তারা দীর্ঘায়ু হয়েছেন।

গবেষণায় কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, কন্যাসন্তান বাবার জন্য বেশি আনন্দ নিয়ে আসে। আর এতেই বাবার আয়ু বাড়িয়ে দেয়। প্রতিটি কন্যাসন্তানের জন্য ৭৪ সপ্তাহ বা ৫১৮ দিন বা প্রায় দুই বছর বেশি বাঁচেন।

সন্তান জন্মের সময় পিতার স্বাস্থ্য এবং শরীর কীভাবে প্রভাবিত হয় তা নিয়ে গবেষণা চালানো হয়েছে। গবেষণায় এসব তথ্য জানা গেছে।

চার হাজার ৩১০ জনেরও বেশি লোকের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়, যার মধ্যে দুই হাজার ১৭৭ জন মা ও দুই হাজার ১৬৩ জন বাবা ছিলেন। তবে অন্য এক গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের সন্তান নেই, তাদের থেকে যাদের সন্তান রয়েছে, সেই দম্পতি বেশি দিন বাঁচে।

বিস্তারিত খবর

স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর আয় বেশি হলে যা হয়

 প্রকাশিত: ২০১৯-১১-২৩ ০১:০০:৫৭


স্ত্রীর আয় বেশি বলে স্বামীকে হীনম্মন্যতা ও অনিরাপত্তায় ভুগতে দেখার দৃশ্য বলিউডি অনেক ছবিতেই রয়েছে। ‘অভিমান’ থেকে শুরু করে ‘ম্যায়, মেরি পত্নী ঔর ওহ’র মতো ছবিতে এমন ঘটনা দেখা যায়। স্ত্রীর আয় আর ঠাটবাট বেশি হওয়ায় স্বামীকে চাপা ঈর্ষায় জ্বলতে দেখা যায়। পরিণতিতে ভালোবাসার বন্ধনে মাথা তুলে দাঁড়ায় দূরত্বের দেয়াল। ছবির মতো বাস্তব জীবনেও এমন ঘটনা এখন বিরল নয়।

যুক্তরাজ্যের বাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের দীর্ঘদিনের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় ৬ হাজার দম্পতির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। ১৫ বছর ধরে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, যখন পুরো দাম্পত্য আয়ের ৪০ শতাংশের বেশি স্ত্রীর কাছ থেকে আসতে শুরু করে, তখনই স্বামী উদ্বিগ্ন হতে শুরু করেন।

দম্পতি কর্মজীবী হলে ঠাটবাটে কে কার চেয়ে এগিয়ে যাবেন, একটা দৌড় শুরু হয়। এমন দৌড়ে স্ত্রী যদি স্বামীকে টপকে এগিয়ে যান, তখন বিরূপ এক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। স্বামী ভুগতে পারেন অনিরাপত্তায়। সাম্প্রতিক এক গবেষণার ফলাফলে এমনটি দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।

গবেষণায় দেখা গেছে, স্ত্রীর আয় বেশি হয়ে গেলে পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার শিকার হয়ে স্বামী অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন, যা বেড়েই চলে। যুক্তরাজ্যের বাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেদের করা ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, যে স্বামী তাঁর স্ত্রীর আয়ে পুরোপুরি নির্ভর করেন, তাঁর অবস্থা থাকে সবচেয়ে করুণ। স্ত্রীর আর্থিক সমর্থনে চলা পুরুষেরা সবচেয়ে বেশি অবসাদগ্রস্ত থাকেন।

গবেষক জোয়ানা সাইড্রা বলেন, গবেষণা থেকে প্রমাণিত হয় যে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের রীতিনীতির কারণে প্রচলিত প্রথা ভেঙে নারীর আয় বেড়ে গেলে তা পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

গবেষকেরা বলেন, স্ত্রী যদি পরিবারে আর্থিকভাবে সাহায্য করেন তবে সবচেয়ে কম চাপ অনুভব করেন স্বামী। কিন্তু স্বামীর আয়ের চেয়ে স্ত্রীর আয় বেড়ে গেলেই তখনই অনিরাপদ বোধ শুরু হয়ে যায়।

গবেষক জোয়ানা বলেন, স্ত্রীর অধিক আয়ের সঙ্গে শারীরিক ও মানসিক বিষয়ের পাশাপাশি জীবন সন্তুষ্টি, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, সম্পর্কচ্ছেদ, বৈবাহিক দর-কষাকষির ক্ষমতার মতো বিষয় যুক্ত হয়ে যায়। প্রথাগত লিঙ্গ ভূমিকার পরিণতি হিসেবে এটা তৈরি হয়।

ভারতের মনস্তাত্ত্বিক পরামর্শক শ্বেতা সিংয়ের ভাষ্য, অনেক পরিবারে মনে করা হয় পুরুষই হবে মূল রোজগেরে। ছোটবেলায় অনেক বইতে পরিবারে বাবার ভূমিকা হিসেবে লেখা হয়, যিনি পরিবারের জন্য আয় করেন এবং মায়ের ভূমিকা পরিবারের দেখাশোনা করা। এ ধারণা নিয়েই অনেকে বড় হন। তাই নারীর আয় বেড়ে গেলে অনেক পুরুষকেই অনিরাপত্তায় ভুগতে দেখা যায়। লিঙ্গ নিয়ে গৎবাঁধা ধারণার কারণেই রীতিনীতির বাইরের কোনো বিষয় গ্রহণ করতে মানুষের কষ্ট হয়।

বিস্তারিত খবর

শিশুকে বাম কোলে রাখলে দ্রুত কথা শিখে: গবেষণা

 প্রকাশিত: ২০১৯-১১-০৯ ০১:৪৫:১০


শিশুকে বাম কোলে রাখলে ভালো। এতে শিশু দ্রুত কথা শিখে এবং মায়ের মস্তিষ্কে সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। কারণ শিশুকে বাম কোলে রাখলে ডান হাত থাকে উন্মু্ক্ত। ফলে অনেক কাজ করতে সুবিধা হয়।

‘জার্নাল অব নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড বায়োবিহেইভিয়োরাল’য়ে প্রকাশিত এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, অধিকাংশ মানুষ শিশুকে বাম পাশে কোলে নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বিষয়টি কাকতালীয় নয়। বরং শিশুকে বাম কোলে রাখলে মায়েদের অন্য কাজ করতে সুবিধে হয়।

জার্মানভিত্তিক এই গবেষণায়, চল্লিশের বেশি গবেষণার ফল পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে- ৬৬ থেকে ৭২ শতাংশ মানুষ তাদের সন্তানকে বাম বাহু দিয়ে আগলে রাখে। যারা ডানহাতি তাদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি সাধারণ।

বাম হাতে শিশুকে কোলে ধরা হলে ডান হাত খালি থাকে। ফলে নানান কাজ করা যায়। আর ৭০ থেকে ৯৫ শতাংশ মানুষই ডানহাতি। ৭৩ শতাংশ নারী ও ৬৪ শতাংশ পুরুষ শিশুকে বাম কোলে নেন। কারণ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নারীদের তুলনায় পুরুষরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাঁহাতি হয়ে থাকেন।

১৯৯৬ সালে করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুকে দাঁড় করানোভাবে যদি মায়েরা বাম পাশে কোলে নেয়, তবে মায়ের মস্তিষ্কে সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। আর শিশুর মস্তিষ্কের ডান দিক তা সংবেদন সৃষ্টি করে, যা শিশুকে কথা বলা শুরু করতে সাহায্য করে।

এ ছাড়া শিশুকে হৃদস্পন্দনের কাছাকাছি রাখতে বাম পাশ কোলে নেয়ার অন্যতম প্রধান কারণ, যা মূলত শিশুর জন্য বেশি আরামদায়ক।

বিস্তারিত খবর

সন্তানের মনের কথা জানতে চান? মজার ১টি কৌশল শিখে নিন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-২২ ১৩:৩৮:০৮

সন্তানকে সব সময় বুকে আগলে রাখতে চান মা-বাবা। কিন্তু একটা সময় আদরের সন্তানকে কোল থেকে নামিয়ে বড় পৃথিবীটায় ছেড়ে দিতে হয়। যাতে সে সবার সাথে মিশতে পারে, পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হতে পারে। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেটা কতটা সম্ভব? কতটা নিরাপদ? দিনের সিংহভাগ‌ই ওদের কেটে যায় স্কুলে। তাই লক্ষ্ণীসোনাটা সেখানে কার সাথে মিশছে, কী করছে সেটা জানা অতি জরুরি হয়ে পড়ে। কারণ তার ভিত্তি গড়ার সময় এটাই। কিন্তু পুঁচকের কাছ থেকে কী সে কথা সহজে বের করা যাবে?

উহু...। খুবই কঠিন কাজ। সে মুখ খুলবেই না। তার ভেতরে ভয় কাজ করাটা স্বাভাবিক।

তাহলে উপায়?

উপায় ১টা আছে। ব্রিটেনের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ড. ওয়েন্ডি মোগাল জানিয়েছেন সেই উপায়।

তিনি জানান, স্কুলে সন্তান কী করছে তা জানতে হলে মা-বাবাকে আগে তাদের মনের কথা সন্তানকে জানাতে হবে। মানে, সন্তানকে নিয়ে তার মনে কী চলছে তা জানাতে হবে। এই যেমন, স্কুল থেকে আসার সময় হাতের মুঠোয় থাকা মোবাইল ফোনটি ব্যাগে রেখে সন্তানের হাতটি ধরতে হবে। তার পর বলতে হবে, জানো আজ না তোমাকে স্কুল থেকে নিতে আসার সময় ..... (সন্তানের প্রিয় কোনো খাবার বা জিনিস) দেখে, তোমার কথা মনে হয়েছে।

'সন্তান যখন বুঝতে পারবে, সে কাছে না থাকার পরও তার কথা আপনার মনে পড়ছে। অথবা তার প্রিয় কিছু নিয়ে আপনি ভাবছেন, সে খুব খুশি হবে। মনের কথাগুলো অকপটে আপনাকে বলে দিবে।'

'বলতে পারেন এটি একটি ম্যাজিক ট্রিক। খুব ভালো কাজ করে এ কৌশলটি। তবে কেউ কেউ ব্যতিক্রমও থাকতে পারে।'

কেউ কেউ হয়ত ভাবতে পারেন, সন্তানের সাথে চালাকি করা হচ্ছে। আসলে ব্যাপারটি তা নয়। আপনার সন্তানের মনের কথাগুলো জানতে হলে তার সাথে তার মতো করে মিশতে হবে। সে যা পছন্দ করে, সেই বিষয়ে কথা বলে তার আগ্রহ বাড়াতে হবে। যাতে সে আপনার সাথে সহজে মিশতে পারে, এই যা। এটি খুব মজার একটি কৌশল। চেষ্টা করে দেখতে পারেন। কাজ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

বিস্তারিত খবর

মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করবেন যেভাবে

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৭-৩১ ০৬:২৯:১৩

মুখের ত্বক শরীরের অন্যান্য অংশের ত্বকের চাইতে সংবেদনশীল। ফলে এই অংশে থাকা অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে চাইলে থাকবে হবে সচেতন। জেনে নিন কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করবেন।
হলুদ গুঁড়া পানিতে ভিজিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। মুখের যে অংশে অবাঞ্ছিত লোম রয়েছে সেখানে লাগিয়ে রাখুন হলুদের পেস্ট। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানিতে পাতলা কাপড় ভিজিয়ে ঘষে ঘষে উঠিয়ে নিন।
    সমপরিমাণ বেসন ও হলুদের গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। ত্বকে লাগিয়ে রাখুননা শুকানো পর্যন্ত। শুকিয়ে গেলে ঘষে ঘষে উঠিয়ে ফেলুন।
    একটি ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার ও ১ টেবিল চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন পাতলা করে। শুকিয়ে ফেলে একপাশ থেকে টেনে উঠিয়ে ফেলুন। উঠে যাবে অবাঞ্ছিত লোম।

বিস্তারিত খবর

বরফের কয়েকটি জরুরি ব্যবহার, জানা জরুরি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৫-১১ ১৬:৩৫:৩৫

বরফ আমরা অনেক কাজে ব্যবহার করি। বিশেষ করে পানি ঠাণ্ডা করার কাজেই এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এছাড়া কেউ আঘাত পেলে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে বরফ ব্যবহার প্রচলিত। কিন্তু এগুলো ছাড়াও আরও কিছু ক্ষেত্রে বরফ ব্যবহার করা যায়। দেখে নিন সেই ক্ষেত্রগুলো-

* ফ্রিজে থাকা ঠাণ্ডা ভাত গরম করার সময় একটুকরো বরফ দিয়ে দিন। ভাত গরম হবে আর বরফ গলতে থাকবে। ফলে আর্দ্রতা ফিরে পাবে ভাত। একদম নতুন ঝরঝরে ভাত মনে হবে।
* কাপড় ইস্ত্রি করতে গেলে পানি না ছিটিয়ে বেশি কুঁচকানো অংশে বরফ ঘষে নিন। দেখবেন খুব দ্রুত কাপড় ইস্ত্রি করে ফেলতে পারবেন কোনও ঝামেলা ছাড়াই।

* দুষ্টুমি করে বন্ধুরা চুলে চুইংগাম আটকে দিলে তখনই তা কেটে ফেলবেন না। চুলের সেই জায়গায় বরফ ঘষতে থাকুন। বরফের সঙ্গে চুইংগাম উঠে আসবে।

* জামা কাপড়ে বা জুতায় চুইংগাম লাগলে একই ব্যবস্থা নিতে হবে। বরফ ঘষতে থাকলে চুইংগাম শক্ত হয়ে উঠে আসবে।

* ত্বকের যেকোনও জ্বালাপোড়ায় বরফ ব্যবহার করুন। কমে যাবে।

বিস্তারিত খবর

রোজায় সুস্থ থাকতে যা প্রয়োজন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৫-১০ ১৫:৪৯:০১

চলছে রোজা। এজন্য দিনের অনেকটা সময় না খেয়ে থাকতে হয়। এসময় কিছু নিয়ম মেনে চললে আপনার শরীর থাকবে চাঙা। সহজে কোনো রোগ আপনাকে আক্রমণ করতে পারবে না। দেখে নিন রোজায় সুস্থ থাকতে কী করবেন-

ইফতারের পর পানি সঙ্গে রাখুন
সুস্থ থাকার জন্য শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখা খুবই জরুরি। এজন্য ইফতারের পর যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করুন। সহজে পানি পান করতে একটি বোতলে পানি ভরে রাখতে পারেন এবং কিছুক্ষণ পরপর তা পান করতে পারেন।

অতিরিক্ত খাবেন না
অনেকে হয়তো ভাবতে পারেন সারাদিন না খেয়ে থাকার বিষয়টা একইসঙ্গে পুষিয়ে নিতে হবে। আর এ কারণে তারা রাতের বেলায় অতিরিক্ত খাবার খান। কিন্তু কাজটি ভুল। একবারে অতিরিক্ত না খেয়ে একটু পর পর পরিমিত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান

রমজানে ইফতারের সময় অনেকেরই ভাজা-পোড়া ও তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। কিন্তু এসব খাবারে থাকে উচ্চ মাত্রার সোডিয়াম, যা শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এজন্য এসব খাবার এড়িয়ে বরং ফল-মূল ও পেট ঠাণ্ডা রাখবে এমন খাবার খেতে হবে।

আর সেহরির সময় কয়েকটি খেজুর খেয়ে নিন। এতে দিনে না খেয়ে থাকার ফলে মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরানোর মতো যে সমস্যা দেখা দেয় তা এড়ানো যাবে।
২০ মিনিট হাঁটুন
রোজা রেখেছেন বলে ব্যায়াম বাদ দেয়া যাবে না। বরং প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট করে হলেও ব্যায়াম করুন। তাহলে আর রোগ বালাই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

বিস্তারিত খবর

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ৬ টিপস

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৪-৩০ ১৫:১৯:৩২

আমাদের সবারই আশা থাকে প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী হওয়া। কিন্তু সবাই এ গুণের অধিকারী হতে পারে না। জেনে রাখুন, প্রখর স্মৃতিশক্তি শুধু বর্তমানেই নয়, ভবিষ্যতেরও বড় সম্পদ হতে পারে। এর অধিকারী হলে জীবনে সাফল্য পাবার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।

যেভাবে স্মৃতিশক্তি বাড়াবেন-

খাবার
স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ রাখার পূর্বশর্তই হচ্ছে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। তা হতে পারে প্রচুর পরিমাণ ফলমূল, শাকসবজি ও উপকারী চর্বিযুক্ত খাবার (মাছ, বাদাম, অলিভ ওয়েল)।

ব্যায়াম
যেকোনো ধরনের ব্যায়াম যেমন- দৌড়, সাঁতার, সাইকেল চালানো, জগিং ইত্যাদি স্মৃতির জন্য খুবই ভালো। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়াম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। স্মৃতিশক্তিজনিত রোগ নিরাময়েও এটি কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

ঘুম

পর্যাপ্ত ঘুম শুধু শরীরের জন্য নয়, মনের জন্যও অপরিহার্য। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ভালো ঘুম স্মরণশক্তি বাড়াতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

কবিতা/ছড়া
শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ছড়া বা কবিতা পাঠের বিকল্প নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি বড়দের স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ রাখতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

বিস্তারিত খবর

শিশুদের কার্টুনের আসক্তি দূর করতে যা করবেন

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৬ ১৩:৩০:০৩

এখনকার শিশুরা কার্টুন দেখতে খুব পছন্দ করে। তবে এটা আসক্তির পর্যায়ে গেলে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো কার্টুন না চালালে তারা খেতে চায় না।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন বলছে, কার্টুন দেখে নানা ধরনের উদ্ভট আচরণ শিখে শিশুরা। এটা খুবই স্বাভাবিক। শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। তারা যা দেখে তাই করতে পছন্দ করে। এ কারণে শিশুরা যে কার্টুন দেখে সেটা যেন মানসম্পন্ন হয়, এ ব্যাপারটি নিশ্চিতের চেষ্টা করতে হবে।

শিশুদের কার্টুন দেখা বিষয়ে মনোবিদ কায়লা বইস ও ব্র্যাড বুশম্যান মিশিগান ইউনিভার্সিটিতে একটি গবেষণা করেন। এতে দেখা যায়, দুই থেকে পাঁচ বছরের শিশুরা প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৩২ ঘণ্টা কার্টুন দেখে। ছয় থেকে এগারো বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ ২৮ ঘণ্টা।

গবেষণায় দেখা গেছে, কার্টুন দেখার ফলে বদলে যায় শিশুদের আচার-আচরণ। নিরীহ বাধ্য সন্তান হয়ে উঠতে পারে অবাধ্য-হিংস্র। আবার দেশীয় সংস্কৃতির বদলে তারা রপ্ত করতে পারে বিদেশি রীতি-নীতি যা নিজেদের সমাজে একেবারেই বেমানান।

এদিকে ভারতের গুজরাটে পরিচালিত এক গবেষণা বলছে, কার্টুন দেখলে শতকরা আশি শতাংশ ক্ষেত্রেই শিশুদের মধ্যে পরিবর্তন আসে। এমনকি কার্টুন শিশুদের মাদকাসক্তির দিকেও নিয়ে যেতে পারে।

এ অবস্থা ঠেকাতে কী করবেন তাহলে? সবার আগে শিশুদের জন্য সারা দিনে কার্টুন দেখার সর্বোচ্চ সময় বেঁধে দিন দেড় ঘণ্টা। শিশুকে কার্টুন দেখতে দেয়ার আগে নিজে ভালো করে সেগুলো দেখুন। এরপর যেটা কম ক্ষতিকারক মনে হবে সেটাই তাকে দেখতে দিন।

শিশুর কার্টুনের আসক্তি দূর করতে সবচেয়ে ভালো সমাধান হতে পারে শিশুকে নিয়ে বাইরে ঘুরে বেড়ানো। নিয়মিত এমনটি করলে শিশুর স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকবে তেমনি কার্টুনের প্রতিও তার আসক্তি কমবে। শিশুকে বাসায় না রেখে তাকে বাইরে খেলতে দিন।

এছাড়া রাতে ঘুমানোর সময় তাকে গল্প শোনানোর অভ্যাস করুন। দেখবেন, আপনার শিশু আপনার চাওয়া মতোই বেড়ে উঠছে।

এলএবাংলাটাইমস/এলএস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

শিশুদের সাথে বড়দের কেমন আচরণ করা উচিত

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০৯ ১২:৪১:০৬

‘গড়তে শিশুর ভবিষ্যৎ স্কুল হবে নিরাপ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শুরু হওয়া বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০১৮ এর দ্বিতীয় দিনে সোমবার ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে শিশুদের নিয়ে সেশন ‘আমার কথা শোন’। সোমবারের বিষয় ছিল মাদককে না বলি।

শিশু প্রতিনিধি উম্মে মোবাসশিরার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব মাহমুদা শারমীন বেনু ও বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের চাইল্ড প্রটেকশন স্পেশালিষ্ট জনাব শাবনাজ জেহেরীন। আলোচনা পর্বটিতে মডারেটর হিসাবে ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রনালয়ের নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টি সেক্টারাল কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক ড. আবুল হোসেন।

আলোচনা পর্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিশুএকাডেমীর পরিচালক জনাব আনজীর লিটন।

শিশু সভাপতি তার বক্তব্যে সকল শিশুকে পড়ালেখার পাশাপাশি সৃজনশীল কর্মকান্ডে অংশ নিতে ও মাদকসহ সকল খারাপকাজ থেকে নিজেদের বিরত থাকার আহব্বান জানান।

অনুষ্ঠানে অতিথি বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন শিশু বক্তা তানভীর আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সকল শিশুর সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। পথ শিশুরা যদি শিক্ষা লাভের সুযোগ পায়, বিনোদনের সুযোগ পায়, সৃজনশীল কাজের প্রশিক্ষণ পায় তাহলে তারা শুধু মাদক থেকেই দূরে থাকবেনা বরং সুনাগরিক হিসাবেও গড়ে উঠবে।’

প্রধান অতিথি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব মাহমুদা শারমীন বেনু বলেন, শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে মা-বাবা এবং শিক্ষকদের ভূমিকা অনেক। শিশুদের সামনে ধূমপান ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে পাশাপাশি টিভিতে শিশুদের নিয়ে সিরিয়াল না দেখে তাদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে সাহায্য করে এমন অনুষ্ঠান দেখা উচিত।

বিশেষ অতিথি ইউনিসেফ বাংলাদেশের চাইল্ড প্রটেকশন স্পেশালিষ্ট জনাব শাবনাজ জেহেরীন বলেন, ছোটদের অনেক কথা বলার আছে। তাদের কথা শুনতে হবে। তাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, খারাপ ভাল সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে তবেই তারা সকল খারাপ থেকে নিজেদের বিরত রাখতে পারবে।

উন্মুক্ত আলোচনায় বিভিন্ন স্কুলের শিশু, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা অংশ গ্রহণ করে তাদের মত প্রকাশ করেন। এসময়ে মাদক নিয়ে শিশুদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন অতিথিরা। মাদকের ক্ষতিকার দিক ও মাদক থেকে বিরত থাকতে করণীয় বিষয় নিয়ে শিশুদের সচেতন করেন বক্তারা।

উল্লেখ্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমীতে ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া বিশ্ব শিশুদিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০১৮ চলবে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত। এখানে প্রতিদিনই খেলনা মেলা,সায়োস্কোপ,আর্ট ক্যাম্পসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান হচ্ছে ।

বিস্তারিত খবর

কোন খাবার কতদিন ফ্রিজে রাখবেন?

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০২ ১২:০৫:০৪

ব্যস্ত জীবনে তিনবেলা রান্না করে টাটকা খাবার খাওয়ানোর সময়ই বা কোথায়? তাই ফ্রিজই ভরসা। তবে, ফ্রিজে কোন খাবার কতোদিন রাখতে হয় সে ব্যাপারে জানতে হবে। কিছু কিছু জীবাণু আছে যেগুলো শুধুমাত্র ঠাণ্ডায় জন্মায়। তাই ডিপফ্রিজে খাবার রাখলেই যে নিরাপদ- এটারও কোনও ভিত্তি নেই। খাবার স্বাস্থ্যসম্মত থাকে কীনা সেটা দেখা সবার আগে জরুরি। চলুন পুষ্টিবিদদের পরামর্শমতো জেনে নেই কোন খাবার ফ্রিজে কতদিন রাখতে হবে।

১) ফ্রিজে কাঁচা খাবার সংরক্ষণের পদ্ধতি এক রকম আবার রান্না করা খাবার সংরক্ষণের পদ্ধতি আরেক রকম। এ দুই ধরনের খাবার ফ্রিজে আলাদা করে রাখা উচিত।

২) খুব বেশি খাবার একসঙ্গে না রেখে প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে রাখতে পারেন। একসঙ্গে যদি বেশি খাবার রেখে দেন, তাহলে বের করে রান্নার আগে কাঁচা মাছ বা মাংস পুরোটাই আপনাকে ভিজিয়ে রাখতে হবে। আবার রান্না করা খাবার পুরোটাই জ্বাল দিতে হবে। এতে করে খাবারের পুষ্টি ও স্বাদ দুটোই নষ্ট হয়।

৩) অবশ্যই ফ্রিজের তাপমাত্রার দিকে খেয়াল রাখবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী কমাবেন এবং বাড়িয়ে দেবেন।

৪) ফ্রিজে খাবার যদি আপনি বাক্সে করে রাখতে অভ্যস্ত হন, তাহলে বাক্সগুলোর মাঝে কিছুটা জায়গা ফাঁকা রাখবেন। তাহলে ভেতরে বাতাস চলাচল করতে পারবে।

৫) অনেকে মাসের পর মাস ডিপ ফ্রিজে মৌসুমি ফলমূল রেখে দেন। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সংরক্ষণের নিয়মাবলী মেনে তারপর রাখতে হবে। তবে বেশি দিন রাখার ফলে ফলের স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়।

৬) মাংস দুই থেকে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করাই যৌক্তিক। আর মাছ রাখা যেতে পারে সর্বোচ্চ ১৫ দিন। তবে মাছের মাথাগুলো আরও দ্রুত রান্না করে ফেলা ভালো।

স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখলে যেমন কিছু খাবারে ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়, তেমনি কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয় ঠাণ্ডা জায়গায়। আবার কোনও খাবার যদি আপনি জীবাণুসহ ফ্রিজে রাখেন, তাহলে ওই জীবাণুও খাবারে থেকেই যায়। তাই ফ্রিজে রাখার আগেই দেখে নেবেন খাবারটা ঠিক আছে কি না। তা ছাড়া ফ্রিজে রাখার পর যদি কখনো কোনও খাবারের বর্ণ, গন্ধ ও স্বাদ পরিবর্তন হয়ে যায়, তাহলে সেটা আর না খাওয়াই ভালো।

এলএবাংলাটাইমস/এলএস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

যে ১০টি জিনিস কখনোই রাখবেন না বাথরুমে

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৯-১৫ ০৯:৪০:১৭

ঘরের মাঝে থেকেও বাথরুমের পরিবেশটা আলাদা। একটু বেশি আর্দ্র এবং একটু বেশি জীবাণু থাকে বাথরুমে, যতবারই পরিষ্কার করা হোক না কেন। বাথরুমে এমন অনেক কিছুই রাখা হয় যা গোসলের জন্য বা সৌন্দর্যচর্চায় দরকারি হলেও আসলে বাথরুমের বাইরে রাখা দরকার।  বাথরুমে রাখা হলে এসব জিনিসের কার্যকারিতা কমে যায় এমনকি দ্রুত নষ্টও হয়ে যায়।  এ জিনিসগুলো আপনার বাথরুমে থাকলে অতি সত্ত্বর বের করে ফেলুন-

১) ওষুধ
ওষুধ সবসময় ঠাণ্ডা জায়গায় রাখতে হয়। ঘরের কোনো অন্ধকার এবং শুকনো ড্রয়ারে বা আলমারিতে তা রাখতে পারেন। কিন্তু বাথরুমে নয়। বাথরুমে তাপ এবং আর্দ্রতা দুটোই বেশি হয় যার ফলে ওষুধ দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

২) তোয়ালে
বাথরুমে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সেখানে খুব বেশি জীবাণু ছড়ায়। এ কারণে তোয়ালেতেও ফাঙ্গাস বংশবিস্তার করতে পারে।  গোসলের পর তোয়ালে বারান্দায় বা ফ্যানের নিচে মেলে শুকিয়ে নিন। অতিরিক্ত তোয়ালে আলমারিতে রাখুন।

৩) বই
টয়লেটে সময় বেশি লাগে বলে অনেকেই এই সময়টায় বই পড়েন এবং টয়লেটে দিয়েকটা পেপারব্যাক রাখেন। কিন্তু তা করলে বইগুলো নষ্ট হয়ে যাবে খুব তাড়াতাড়ি।
অনেকেই গোসলের সময়ে ইয়ারিং, আংটি বা চেইন বাথরুমে খুলে রাখেন। ছবি: সংগৃহীত

৪) গহনা
বাইরে থেকে ফিরে অনেকেই গোসলের সময়ে ইয়ারিং, আংটি বা চেইন বাথরুমে খুলে রাখেন।  কিন্তু বাথরুমের বাইরে জুয়েলারি বক্সে গহনা রাখাই ভালো। কারণ বাথরুমে পানি ও আর্দ্রতার সংস্পর্শে খুব দ্রুত গহনায় মরিচা ধরে যেতে পারে।

৫) টুথব্রাশ
আরে, টুথব্রাশ বাথরুমে থাকবে না তো কোথায় থাকবে? সমস্যা হলো, টয়লেট ফ্লাশ করার সময়ে বাতাসে অনেক জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে এবং এর অনেকটাই আটকে যায় টুথব্রাশে।  সমস্যাটি এড়াতে ব্যবহারের পর টুথব্রাশ বাইরে রাখুন। অনেকের বাড়িতেই ডাইনিং রুম বা কিচেন লাগোয়া একটা বেসিন থাকে। সেখানে টুথব্রাশ রাখতে পারেন।

৬) মেকআপ

মেকআপের পেছনে প্রচুর খরচ করেন অনেকে। এই মেকআপ বাথরুমে রাখা মানে টাকাগুলো একেবারে পানিতে ফেলা। বাথরুমে রাখলে দ্রুত মেকআপ নষ্ট হয়। এমনকি মেকআপে ছাতা পড়ার কারণে ত্বকেরও ক্ষতি হতে পারে। টুথব্রাশের মতো একইভাবে নোংরা হতে পারে মেকআপ ব্রাশ। এ কারণে মেকআপ কখনোই বাথরুমে রাখবেন না।

৭) পারফিউম
গোসলের পর পারফিউম ব্যবহার করে তারপরেই বাথরুম থেকে বের হন অনেকে। কিন্তু বাথরুমে রাখলে পারফিউমের সুগন্ধ নষ্ট হয়ে যেতে পারে দ্রুত। উত্তাপ এবং সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখুন পারফিউম।
বাথরুমের গরম ও আর্দ্রতার কারণে নেইলপলিশ খুব কম সময়ে নষ্ট হয়ে যায়। ছবি: সংগৃহীত

৮) নেইলপলিশ
নেইল পলিশ প্রায় দুই বছর পর্যন্ত ভালো থাকে। কিন্তু বাথরুমের গরম ও আর্দ্রতার কারণে এর আগেই নেইলপলিশ নষ্ট হয়ে যায়, খুব ঘন ও চটচটে হয়ে যায়, সমানভাবে দেওয়া যায় না বা সহজেই ভেঙে চলটা উঠে যায়।

৯) রেজর এবং রেজরের ব্লেড
বাথরুমে রেজর রাখলে আর্দ্রতার কারণে তা ভোঁতা হয়ে যেতে পারে এমনকি মরিচাও পড়তে পারে। রেজর ব্যবহারের পর ভালো করে শুকিয়ে রাখুন। এতে এর আয়ু বাড়বে।

১০) ইলেকট্রনিকস
ওয়াটারপ্রুফ নয় এমন ইলেকট্রনিকস বাথরুমে নেওয়া যাবে না। এমনকি আপনার স্মার্টফোনটিও না।  দামি জিনিসটা খুব সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

বিস্তারিত খবর

শিশুদের মনোযোগ বাড়াতে যেসব খাবার প্রয়োজন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৯-১১ ০৯:৩১:৫৪

সুস্থ থাকার জন্য সুষম খাদ্যের বিকল্প নেই। শিশুদের ক্ষেত্রে এটা আরও জরুরি। তাদের শরীরে পুষ্টির ঘাটতি হলে শারীরিক দুর্বলতার সঙ্গে সঙ্গে মনোযোগেরও অভাব দেখা দেয়। শিশুদের মনোযোগ বাড়ানোর বেশ কিছু উপায় রয়েছে। যেমন-

১. শরীরে শর্করার ঘাটতি হলে শিশুরা অমনোযোগী হয়। এ কারণে তাদের সকালের নাস্তায় পর্যাপ্ত শর্করা যোগ করা উচিত। এজন্য পূর্ণ শস্য জাতীয় খাবার যেমন- রুটি, ওটস, যব জাতীয় খাবার এদের খাদ্য তালিকায় যোগ করা উচিত।

২. শিশুর চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন। যদি সে এক গ্লাস দুধে ২ চামচ চিনি খায় তাহলে তা ধীরে ধীরে কমিয়ে এক চামচ করুন। শিশুরা যত কম চিনি খাবে তাদের মনোযোগী হওয়ার প্রবণতা তত বাড়বে।

৩. সাধারণ আলুর চেয়ে শিশুদের মিষ্টি আলু দিয়ে চিপস করে দিতে পারেন। এতে তার মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়বে।

৪. প্রতিদিন সকালে শিশুর ডিম খাওয়ার অভ্যাস করুন।এতে তার মস্তিষ্কের উর্বরতা বাড়বে।

৫. প্রোটিন এবং ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার শিশুদের মস্তিষ্কের গঠনের জন্য দারুন উপকারী। এজন্য তাদের নিয়মিত দুধ এবং দই খেতে দিন। এতে তাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়বে।

৬. এছাড়া বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, ব্লুবেরী –এগুলো শিশুদের মনোযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখে।


এলএবাংলাটাইমস/এলএস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বায়ু দূষণে বুদ্ধি কমে!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৮-২৮ ১৫:৪৬:৪৭

তীব্র বায়ু দূষণের সাথে মানুষের বুদ্ধি কমে যাবার সম্পর্ক থাকতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। চীনের পিকিং ইউনিভার্সিটি ও আমেরিকার ইয়েল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা নতুন এ তথ্য জানিয়েছেন। 

বিবিসির খবরে বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত গত চার বছরে দশ বছর বয়স থেকে এরচেয়ে বেশি ২০ হাজার মানুষের ওপর এই গবেষণা চালানো হয়েছে। গবেষকরা মনে করছেন এই ফলাফল বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে যুক্তিসঙ্গত। কারণ বিশ্বজুড়ে শহরাঞ্চলের ৮০ শতাংশ মানুষই অনিরাপদ বায়ু দূষণের মধ্যে বসবাস করছে।

গবেষকরা বলছেন, বায়ু দূষণের শিকার ব্যক্তিদের গণিত এবং মৌখিক কিছু পরীক্ষা দেয়া হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল তাদের বুদ্ধিমত্তা যাচাই করা। কিন্তু দেখা যায় যেসব দেশ বেশি বায়ু দূষণের শিকার সেসব দেশের পরীক্ষার্থীরা ভালো করতে পারেনি।

ইয়েল স্কুল অব পাবলিক হেলথের গবেষক শি চেন বলেন, গবেষণায় আমরা যেসব নমুনা সংগ্রহ করেছি তার মাধ্যমে আমরা বোঝার চেষ্টা করেছি যে কোন বয়সের মানুষের উপর বায়ু দূষণ কতটা প্রভাব ফেলে।

তিনি বলেন, তাদের বুদ্ধিমত্তা যাচাই করার জন্য ২৪টি গণিত এবং ৩৪টি শব্দ চিহ্নিত করার প্রশ্ন দেয়া হয়েছিল। এর আগের গবেষণায় দেখা যায় যে বায়ু দূষণের কারণে শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিমত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যা আগের গবেষণার ফলাফলের সাথে এই গবেষণার ফলাফল মিলে গেছে। যারা বায়ু দূষণের শিকার হচ্ছেন তাদের মগজ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বায়ুতে যেসব দূষণ কণিকা থাকে সেগুলো ছোট রাস্তা দিয়ে সরাসরি মগজে গিয়ে পৌঁছে। দূষণের শিকার অনেকের মাঝে মানসিক সমস্যাও তৈরি করতে পারে। এদের মধ্যে অনেকে মানসিক চাপে ভুগতে থাকে।

এলএবাংলাটাইমস/এলএস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

এসি ছাড়াই ঘর ঠাণ্ডা রাখুন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-২৩ ১৩:২১:২১

এসি ছাড়াই সহজ ও বিজ্ঞানসম্মত কিছু কৌশলে ঘর ঠাণ্ডা রাখতে পারেন আপনিও। দেখে নিন তেমনই কিছু কৌশল-

১) পর্দা টেনে রাখুন
বাইরের রোদ থেকে ঘরকে বাঁচাতে দিনের বেলায় পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখুন দরজা এবং জানালা। পর্দা যত ভারী হবে তত ভালোভাবে গরম আটকানো যাবে। লাল, কমলা এবং হলুদ পর্দা ঘরকে বেশি ঠাণ্ডা রাখে।

২) ঘরের ভেতরে দরজা খুলে রাখুন
ঘরের বাইরের দরজা বন্ধ রাখলেও ভেতরের দরজাগুলো খুলে রাখুন যাতে বিভিন্ন ঘরে বাতাস চলাচল করে। তবে অবশ্যই রান্নাঘরের দরজা খোলা রাখবেন না, এতে চুলার গরম ঘরের ভেতরে এসে পড়বে। রান্নাঘরে এক্সহস্ট ফ্যান থাকলে তা চালিয়ে দিন এবং দরজা বন্ধ রাখুন।

৩) ফ্যানের সামনে বরফ রাখুন
ছোট আকারের ফ্যান বা স্ট্যান্ড ফ্যান যদি বাসায় থাকে, তা চালিয়ে এর সামনে এক বোল বরফ বা ঠাণ্ডা পানি রাখুন। এতে সারা ঘরে ঠাণ্ডা বাতাস ছড়িয়ে পড়বে।

৪) মাথা খাটিয়ে ফ্যান ব্যবহার করুন
ঘর থেকে গরম বাতাস বের করার জন্য জানালার সামনে একটা ফ্যান রাখতে পারেন, আবার দরজা থেকে ঘরের ভেতরে ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহিত করার জন্য আরেকটা ফ্যান রাখতে পারেন।

৫) গ্যাজেট বন্ধ রাখুন
কম্পিউটার বন্ধ করে দিন, দরকারের বেশি আলো জ্বালাবেন না, ওয়াশিং মেশিন বন্ধ রাখুন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো যন্ত্রই চালাবেন না। আপনি নিজেও যথাসম্ভব পরিশ্রম কম করুন।

৬) জানালা খুলে দিন
রাতের বেলায় পরিবেশ ঠাণ্ডা হয়ে আসে। এ সময়ে জানালা খোলা রাখুন, ঘরে আটকানো গরম বাতাস বের হতে দিন। সকালে কিছু সময়ের জন্য হলেও জানালা বন্ধ রাখুন যাতে ঠাণ্ডা বাতাসটা ঘরে থাকে। সারাদিন অবশ্য বন্ধ রাখতে পারবেন না।

৭) বিছানার চাদর পাল্টান
পাতলা সুতি এবং সিল্কের বিছানার চাদর ঠাণ্ডা থাকে এবং তাতে ঘুমাতে আরাম পাবেন আপনি। এছাড়া বিছানার চাদর একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে করে ফ্রিজে রাখুন। ঘুমানোর আগে বের করে বিছানায় পেতে নিন। এতে অনেক শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন।

৮) পানি ব্যবহার করুন
গরমকালে বেশি পানি পান করতে হবে, এটা সবাই জানে। এ ছাড়াও কিছু কাজ করতে পারেন। একটি স্প্রে বোতলে পানি ভরে ফ্রিজে রাখতে পারেন। খুব গরম লাগলে তা মুখে স্প্রে করতে পারেন। একটি রুমাল পানিতে ভিজিয়ে ফ্রিজে রাখুন। ঠাণ্ডা হলে বের করে ঘাড়, হাত ও পায় মুছে নিন।

৯) ঘরে গাছ রাখুন
ঘরে কিছু গাছ, যেমন পাতাবাহার বা ক্যাকটাস রাখলে তা বাতাসকে ঠাণ্ডা রাখবে। 


এলএবাংলাটাইমস/এলএস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বেশি খরচের বিয়েতে বিচ্ছেদের শঙ্কা বেশি

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-১০ ০৯:০৩:৪৯

বিয়ের অনুষ্ঠানের নাম শুনলেই খরচের ভয়ে অনেকের মুখ শুকিয়ে যায়। কারণ ইদানিং বিয়ের অনুষ্ঠান মানেই কয়েক লাখ টাকার ধাক্কা। ব্রাইডাল শো, ম্যাগাজিন, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলোর কথা শুনে মনে হয় বিয়ের অনুষ্ঠানে জাঁকজমক যত বেশি, সেই দম্পতি সুখিও হবেন তত বেশি। তবে একটি গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে বিয়ের অনুষ্ঠানে খরচ কম হলেই বিচ্ছেদের ঝুঁকি কম হয়। খবর দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

এ গবেষণার জন্য ৩,০০০ বিবাহিত ব্যক্তির ওপর জরিপ করেন যুক্তরাষ্ট্রের এমোরি ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক অ্যান্ড্রু ফ্রান্সিস-ট্যান এবং হিউগো এম মিয়ালন। তারা দেখেন, কিছু কিছু কাজে বাড়ে বিবাহবিচ্ছেদের সম্ভাবনা। গবেষণার ফলাফল বলছে, এনগেজমেন্ট রিং এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে খরচ যত বেশি হয়, দাম্পত্য ততই সংক্ষিপ্ত হয়।
এনগেজমেন্ট রিংয়ের খরচ বেশি হওয়া যাবে না।

দেখা যায়, এনগেজমেন্ট রিংয়ের খরচ ২ হাজার মার্কিন ডলার বা তার বেশি হলেই বিচ্ছেদের ঝুঁকি হয় বেশি। আরও পরিষ্কার করে বললে, যেসব পুরুষ ২ থেকে ৪ হাজার ডলারের মাঝে এনগেজমেন্ট রিং কেনেন, তাদের বিচ্ছেদের ঝুঁকি ১.৩ গুণ বেশি হয় তাদের তুলনায় যারা ৫০০ ডলার থেকে ২ হাজার ডলারের ভেতরেই রিং কেনেন।

বিয়ের অনুষ্ঠানের খরচের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। ১ হাজার ডলারের মাঝেই বিয়ের অনুষ্ঠান সেরে ফেললে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে বিচ্ছেদের শঙ্কা। এই খরচ ২০ হাজার ডলারের বেশি হলেও ১.৬ গুণ বাড়ে বিচ্ছেদের সম্ভাব্যতা।আরও একটি বিষয় বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। একজন আরেকজনকে সুন্দর চেহারার কারণে বিয়ে করলে বিচ্ছেদের ঝুঁকি থাকে বেশি। অবশ্য এনগেজমেন্ট রিং এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে একেবারেই খরচ না করাটাও বিচ্ছেদের ঝুঁকি বাড়ায়। বিয়ের পর হানিমুনে গেলে কম হয় এ ঝুঁকি। গবেষকরা বলেন, বিয়ের অনুষ্ঠানে বেশি খরচ না করে বরং হানিমুনে খরচ করাটাই শ্রেয়।

বিস্তারিত খবর

ঘরেই তৈরি করুন টুথপেস্ট!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-০৯ ০২:০৮:২৯

ঘুম থেকে ওঠার পর একজন ব্যক্তির প্রধান কাজ হলো দাঁত পরিস্কার করা। কেননা মুখের দুর্গন্ধ সাধারণতই একটা মানুষকে আড়ষ্ট করে ফেলে। মুখ ও দাঁতের সুস্থতায় সকালে ঘুমিয়ে ওঠার পর ও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দুবার ব্রাশ করা উচিৎ। বাজারে বিভিন্ন দামের ও মানের টুথপেস্ট পাওয়া যায়। তবে কোনটা মুখের ও দাঁতের জন্য ভালো, কোনটায় ক্ষতিকারক রাসায়নিক আছে তা জানা মুশকিল। সেসব মুশকিলকে আসান করে দিতে এসে গেছে ঘরে বসে টুথপেস্ট তৈরির উপায়।

আসুন জেনে নেওয়া যাক ঘরে বসে কি উপায়ে তৈরি করবেন টুথপেস্ট :

টুথপেস্ট তৈরিতে দরকারে হবে
১. বেকিং সোডা আধা কাপ। ২. সামুদ্রিক লবণ ১ চামচ। ৩. পিপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েলের ১০ থেকে ১৫ ড্রপ বা লবঙ্গের তেল। ৪. বিশুদ্ধ ফোটানো পানি।

কিভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে উপরের উপরণগুলো যোগাড় করে একটি পাত্রে বেকিং সোডা নিয়ে তার সঙ্গে লবন, পিপারমিন্ট অয়েল বা লবঙ্গের তেল মিশিয়ে নিন। সবগুলো একসঙ্গে মেশানোর পর এতে ধীরে ধীরে পানি মেশান। মিশ্রনটি যখন ঘন কিংবা থকথকে হয়ে যাকে তখন মেশানো বন্ধ করে দিন। লক্ষ্য রাখবেন পেস্টটিতে যেন বুঁদবুঁদ না থাকে।

ব্যাস হয়ে গেল ঘরে তৈরি টুথপেস্ট। এবার এটিকে বাষ্পীভূত একটি পাত্রে সংরক্ষণ করুন।

মনে রাখবেন আপনার ঘরে তৈরি এই টুথপেস্ট আপনি একনাগাড়ে ৭ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন। এর চেয়ে বেশি সময় ব্যবহার করা যায়, তবে না করাই শ্রেয়।

এলএবাংলাটাইমস/এলএস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি খেলে যে সমস্যা হতে পারে

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-২৭ ১১:১৬:০৭

গরমের সময় অনেকেই ফ্রিজের একদম ঠাণ্ডা পানি ছাড়া খেতে পারেন না। কিন্তু, গরমে এভাবে ঠাণ্ডা পানি খেলে শরীরে যেসব মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়ে সবারই সচেতন থাকা উচিত।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি দাঁতের ভেগাস নার্ভ বা স্নায়ুকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ভেগাস স্নায়ু আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি খেলে ভেগাস স্নায়ু উদ্দীপিত হয়ে ওঠে। এর ফলে হৃদস্পন্দনের গতি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যেতে পারে।

ওয়ার্কআউট বা ব্যায়াম করার পর ঠাণ্ডা পানি খাওয়া মোটেও উচিত নয়। কারণ, শরীরচর্চার পর দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। এই সময় ঠাণ্ডা পানি খেলে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রার সঙ্গে বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রা ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হয় না। এ কারণে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি খাওয়ার কারণে রক্তনালীও সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, হজমের সময় যে সমস্ত পুষ্টিগুণ শরীরের কোষে মিশতে থাকে, তা বাধাপ্রাপ্ত হয়।  এ থেকেও হজমের মারাত্মক সমস্যা হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাওয়ার ঠিক পর পর ঠাণ্ডা পানি খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। কারণ, এর ফলে শ্বাসনালীতে শ্লেষ্মার অতিরিক্ত আস্তরণ তৈরি হয়, যা থেকে সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।


এলএবাংলাটাইমস/এলএস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত