যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 06:34am

|   লন্ডন - 12:34am

|   নিউইয়র্ক - 07:34pm

  সর্বশেষ :

  ভারত সীমান্তে ২৩ দিনে ১০ বাংলাদেশি নিহত   খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ‘বিশেষ আবেদন’   বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংঘাতে ছয় বছরে নিহত ৬৩৫   ‘আইসিজের রায়ে শুধু রোহিঙ্গা নয়, বাংলাদেশেরও বিজয় হয়েছে’   দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছি: প্রধানমন্ত্রী   করোনা নিয়ন্ত্রণে চীনের দশ শহরে গণপরিবহন ও মন্দির বন্ধ   আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ প্রত্যাখ্যান করলো মিয়ানমার   জার্মানিতে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৬   হারাম উপার্জন সন্তানের ওপর প্রভাব ফেলে   ইরানি ব্যবসায়ীদের ভিসা দেয়া বন্ধ করল আমেরিকা   ডাক্তারদের রোগী দেখার ফি নির্ধারণ করবে সরকার   রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যা করা হয়েছে তা গণহত্যার শামিল: আইসিজে   বাংলাদেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা উদ্বেগজনক : টিআইবি   ছড়াকার সুফিয়ান চৌধুরী স্বদেশ যাত্রা করবেন ৩০ জানুয়ারি   শাশুড়ির জ্বালায় পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা!

>>  স্বদেশ এর সকল সংবাদ

ভারত সীমান্তে ২৩ দিনে ১০ বাংলাদেশি নিহত


সীমান্ত হত্যা বন্ধে গত কয়েক বছরে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত। দেশটি বলছিল সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। ২০১৮ সালে এর কিছুটা প্রতিফলন দেখা গেলে বাংলাদেশও তাতে আস্থা রেখেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বাস্তব চিত্র নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

নতুন বছরের প্রথম মাসে অর্থাৎ জানুয়ারির প্রথম ২৩ দিনে বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ১০ বাংলাদেশি। এর মধ্যে বুধ ও বৃহস্পতিবার পরপর দুই দিন ছয়জনকে হত্যা করেছে বিএসএফ।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে

বিস্তারিত খবর

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ‘বিশেষ আবেদন’

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২৪ ১৩:৫১:৩১

খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য মুক্তি চেয়ে বিশেষ আবেদনের কথা তার স্বজনেনা ভাবছে বলে জানিয়েছেন তার বোন বোন সেলিমা ইসলাম। শুক্রবার বিকেলে বিএসএমএমইউতে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা জানান।

সেলিমা ইসলাম বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা খুবই খারাপ। তাই আমরা বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য মুক্তি চেয়ে বিশেষ আবেদনের কথা ভাবছি।

তিনি বলেন, তার (খালেদা জিয়া) অবস্থা তো খুবই খারাপ। সে শুধু বমি করছে। গায়ে জ্বর আছে। ব্যথায় বাম হাতটা সম্পূর্ণ বেঁকে গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও নিতে হবে। যা এই হাসপাতালে সম্ভব না।

হাসপাতালের ডাক্তাররা তাকে কেমন দেখছেন সাংবাদিকদের এই প্রশ্নে সেলিমা ইসলাম বলেন, তারা যে চিকিৎসা দিচ্ছে, এতে কোন কাজ করছে না।

পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে কোনো আবেদন করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এখনো কোনো আবেদন করিনি। উনার যে অবস্থা, উনাকে মুক্তি দিয়ে উন্নত চিকিৎসার বন্দোবস্ত করতে হবে। শরীর তো খুবেই খারাপ। সে তো ব্যথায় কু-কাচ্ছে, তার ডায়াবেটিকস আজকেও ১৫ তে। এভাবে কতদিন চলবে? এ হাসপাতালে তো ১ বছরের কাছাকাছি সময় রয়েছেন, তার শরীরে কোন উন্নতি হচ্ছে না। বরং দিন দিন অবনতি হচ্ছে। এজন্য আমরা চাই উনাকে উন্নত হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে সরকার আইনের কথা বলছেন। এক্ষেত্রে পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষ কোনো আবেদন করবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা ভাবছি, আমরা আবেদন করবো। তবে এটা এখনো ঠিক করিনি। কারণ তার শরীরে যে অবস্থা, এই অবস্থায় বেশীদিন থাকলে তাকে জীবিত বাসায় নিয়ে যেতে পারবো না।

নির্বাচনের বিষয়ে কোনো বার্তা দিয়েছেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সে তো কথাই বলতে পারছে না। তবে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছে।

এর আগে বিকাল ৩টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে প্রবেশ করেন পরিবারের সদস্যরা। সঙ্গে নিয়ে যান বাসায় রান্না করা খাবার ও কিছু ফলমূল।

বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার জানান, পরিবারের সদস্যরা হলেন, খালেদা জিয়ার সেজো বোন সেলিমা ইসলাম, ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার, তার স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, ছেলে অভিক ইস্কান্দার,সাইদ ইস্কান্দারের স্ত্রী নাসরিন ইস্কান্দার। এছাড়া আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি ফাতেমা রেজা হাসপাতালে আসলেও সাক্ষাৎকারের তালিকায় তার নাম থাকায় প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংঘাতে ছয় বছরে নিহত ৬৩৫

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২৪ ১৩:৪৯:২৬


গত ছয় বছরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংঘাতে ৬৩৫ জন নিহত হয়েছেন৷ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাব বিস্তারের অসুস্থ প্রতিযোগিতার কারণে এসব ঘটনা ঘটে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা৷ যার শিকার হন সাধারণ কর্মী আর নাগরিকেরা৷

আধিপত্য বিস্তারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সংঘাতে জড়িয়ে পড়া স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে৷ নির্বাচন, ক্ষমতা বিস্তারকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে প্রায়ই৷ এমনকি নিজ দলের ভেতরেও অন্তর্কোন্দল রূপ নেয় সংঘর্ষে৷ যার কারণে ঘটে প্রাণহানি৷

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে এখন পর্যন্ত বড় কোনো ঘটনা না ঘটলেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে৷ বিশ্লেষকেরা মনে করেন রাজনৈতিক সংঘাত বাংলাদেশের নীতিহীন রাজনীতিরই বহিঃপ্রকাশ৷ দলগুলো গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে সহিংসতাকে উস্কে দিচ্ছে৷

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) হিসাবে গত ছয় বছরে দেশে মোট তিন হাজার ৭১০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে৷ তাতে নিহত হয়েছেন ৬৩৫ জন, আহত ৪১ হাজার ৩৪৫ জন৷

আসক-এর হিসাবে, শুধু ২০১৯ সালে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৩৯ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন দুই হাজার ৬৮৯ জন৷ সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে মোট ২০৯টি৷ ২০১৮ সালে এমন ঘটনার সংখ্যা ছিল ৭০১টি৷ এতে ৬৭ জন নিহতের পাশাপাশি আহত হয়েছেন সাত হাজার ২৮৭ জন৷ ২০১৭ সালে নিহত হয়েছেন ৫২ জন আর আহত চার হাজার ৮১৬ জন৷ সে বছর রাজনৈতিক সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে ৩৬৪টি৷ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক সংঘাতে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে ২০১৬ সালে৷ মোট ১৭৭ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ১১ হাজার ৪৬২ জন৷ সংঘাতের ঘটনা ছিল ৯০৭টি৷ ২০১৫ সালে ১৫৩ জন আর ২০১৪ সালে ১৪৭ জন মারা গেছে এমন সহিংসতার কারণে৷

এইসব ঘটনা প্রধানত আওয়ামী লীগ ও বিএনপি জড়িত ছিল৷ এর বাইরে নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলও সংঘাতের জন্ম দিয়েছে৷ নির্বাচন, নির্বাচন প্রতিরোধ এবং মাঠ দখলে রাখার চেষ্টা ছিল সহিংসতার প্রধান কারণ৷

২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে-পরে বাংলাদেশে ব্যাপক সহিংসতা হয়৷ ২০১৩ এবং ২০১৪ সালে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের নামে যানবাহন ও স্থাপনায় সবচেয়ে বেশি আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে৷ ২০১৩ সালে ৯৭ জন দগ্ধ হয়েছেন, তাদের মধ্যে ২৫ জন মারা যান৷

মানবাধিকার কর্মী এবং আসকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক নূর খান বলেন, ‘‘রাজনৈতিক সংঘাত ও সহিংসতা আমাদের নীতিহীন রাজনীতির প্রকাশ৷ আর দুঃখজনক হলেও সত্য এর শিকার হন রাজনৈতিক দলের সাধারণ কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ৷ রাজনৈতিক দলগুলো তাদের শক্তি দেখিয়ে প্রতিপক্ষকে ভয় দেখাতে সংঘাত সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে৷ তারা সহিষ্ণু নয়, তারা অসহিষ্ণুতার প্রকাশ ঘটায়৷''

তিনি মনে করেন, ‘‘রাজনৈতিক দলগুলো তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যবহারে ব্যর্থ হয়ে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে৷ এটি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরেও ঘটে৷ তারও কারণ এক গ্রুপের ওপর আরেক গ্রুপের অসুস্থ উপায়ে আধিপত্য বিস্তারের প্রবণতা।’

তার মতে, ‘‘নির্বাচনে সংঘাত ও সহিংসতাও হয় পরিস্থিতি নিজেদের পক্ষে নেয়ার জন্য৷ কারণ, ক্ষমতার লড়াই৷'

রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. তারেক শামসুর রহমান মনে করেন, ‘‘আমাদের রাজনীতিতে সাম্প্রতিক প্রবণতা হলো পরস্পরকে অস্বীকার করা৷ আমরা গণতেন্ত্রর কথা বলছি বটে, গণতন্ত্রের কথা আছে বটে৷ কিন্তু গণতন্ত্রের যে মূল স্পিরিট, পরস্পরের প্রতি আস্থা রাখা, বিরোধী দলকে আস্থায় নিয়ে গণতন্ত্রের চর্চা করা, তাদের বিশ্বাস করা-এটা বাংলাদেশে নাই৷'

 তিনি বলেন, ‘‘দুঃখজনক হলেও সত্য সাম্প্রতিককালে অসহিষ্ণুতা চরমভাবে বেড়ে গেছে৷ বিরোধীদলকে আস্থায় নিয়ে গণতন্ত্রের চর্চা করা যাচ্ছে না এবং রাজনৈতিক সহিংসতার মাত্রা বেড়ে গেছে৷'

তার মতে, ‘‘সহিংসতার মাত্রা কমানো না গেলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিনির্মাণ করা যাবে না।’ -ডয়চে ভেলে

বিস্তারিত খবর

‘আইসিজের রায়ে শুধু রোহিঙ্গা নয়, বাংলাদেশেরও বিজয় হয়েছে’

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২৪ ১৩:৪৮:৩৬

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজের শেষে বিশেষ দোয়া মাহফিলে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছে রোহিঙ্গারা। নেদারল্যান্ডসের হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) রোহিঙ্গাদের পক্ষে রায় হওয়ায় এই বিশেষ দোয়া করা হয়। এসময় বলা হয়, এই রায়ে শুধু রোহিঙ্গাদের নয়, বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার বিজয় হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে কক্সবাজারের রোহিঙ্গারা। এসময় গাম্বিয়া ও বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তারা।

বাংলাদেশ ও গাম্বিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের ডেভেলপম্যান্ট কমিটির সভাপতি মোহামদ আলম বলেন, ‘মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিজে’র দেওয়া রায়ের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ অতিক্রম করেছে। এই রায়ে শুকরিয়া জানিয়ে শিবিরের মসজিদে-মসজিদে বিশেষ দোয়া-মাহফিল হয়েছে। এতে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছি যেন রোহিঙ্গা ও তাদের স্বজনদের হত্যার সুবিচার হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার সরকার ও জনগণের জন্য দোয়া করা হয়।’

রোহিঙ্গা সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) ভাইস চেয়ারম্যান আবদুর রহিম বলেন, ‘কোনও কর্মসূচি পালনে অনুমতি না পাওয়ায় শিবিরের প্রত্যেক মসজিদ ও মাদ্রাসায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

এদিকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে শুক্রবার জুমা নামাজের পর উখিয়ার কুতুপালং, লম্বাশিয়া, টেকনাফের শালবন, নয়াপাড়া, জামিদুরা ও লেদাসহ বেশকিছু ক্যাম্পের মসজিদ, স্কুল ও মাদ্রাসায় বিশেষ দোয়া মাহফিল হয়। এতে শত শত রোহিঙ্গা নাগরিক অংশ নেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা জোরদার করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। তারা রাখাইনে হত্যাকাণ্ড, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ শুরু করলে জীবন বাঁচাতে নতুন করে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এই নৃশংসতাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর আইসিজেতে মামলা করে গাম্বিয়া।

বৃহস্পতিবার আইসিজে-র বিচারক রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা নিশ্চিতে চারটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ঘোষণা করেন। এগুলো হলো: ১. রোহিঙ্গাদের হত্যা, মানসিক ও শারীরিক নিপীড়ন ও ইচ্ছাকৃত আঘাত করা যাবে না। ২. গণহত্যার আলামত নষ্ট করা যাবে না। ৩. গণহত্যা কিংবা গণহত্যার প্রচেষ্টা বা ষড়যন্ত্র না করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ। ৪. মিয়ানমারকে অবশ্যই চার মাসের মধ্যে লিখিত জমা দিতে হবে, তারা সেখানে পরিস্থিতি উন্নয়নে কী ব্যবস্থা নিয়েছে। এরপর প্রতি ৬ মাসের মধ্যে আবার প্রতিবেদন দিতে হবে।

বিস্তারিত খবর

দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছি: প্রধানমন্ত্রী

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২৪ ১৩:৪৬:৪০


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন তার সরকারের প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তন করা। আর সেই লক্ষ্য অর্জনে তারা কাজ করছেন এবং এই কাজ অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা উচ্চ প্রবৃদ্ধি হার অর্জন করেছি এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে আমরা ভালো অবস্থানে রয়েছি। আমরা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রাখবো।’

শুক্রবার বিকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দলের কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটি এবং উপদেষ্টা কাউন্সিলের যৌথসভায় বক্তৃতা করেন।

সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর থেকে একটানা তিন মেয়াদের জন্য সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। আমাদের সরকারের ধারাবাহিকতার ফলে দেশের উন্নয়ন দৃশ্যমান হচ্ছে এবং জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দলের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে জাতির জনকের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। ইনশাল্লাহ, আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে পারবো।’

শেখ হাসিনা জানান, তৃণমূল এবং পল্লী এলাকায় বসবাসকারী জনগণ যাতে সব অর্জনের সুফল পায় সে লক্ষ্যে তার সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার জাতীয় পযার্য়ে মুজিব বর্ষ উদযাপনের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি অন্যান্য সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানও ভাবগম্ভীর পরিবেশে বঙ্গবন্ধু’র জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করবে।

আমরা ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত মুজিব বর্ষ উদযাপন করবো এবং আমরা ইতিমধ্যেই ক্ষণগণনা শুরু করেছি। আমরা ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবো। তিনি আরও বলেন, ‘মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সবার মধ্যে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে।’

১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করে তার নাম একেবারে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কিন্তু এখন আর কেউ তার নাম মুছতে পারবে না, কারণ তিনি সংগ্রাম করেছিলেন এবং সারাজীবন দেশের মানুষের জন্য কষ্ট সহ্য করেছিলেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার ২৪ বছরের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে এবং জাতির পিতার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় অর্জিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা, ত্রিশ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ মা-বোনকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন দেশকে স্বাধীন করেছিলেন তখন ৮২ শতাংশের বেশি মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করত। তিনি বলেন, ‘আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার দারিদ্র্য হারকে ২০ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন এবং তিনিও এ লক্ষ্যে কাজও শুরু করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তবে আমাদের দুর্ভাগ্য, বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যার পরে বাংলাদেশ সেই আদর্শ ও চেতনা থেকে বিচ্যুত হয়েছিল।’

দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশ আবারও উন্নয়নের দিকে যাত্রা শুরু করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা সম্ভব হয়েছে যেহেতু আমরা জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করছি।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

তারা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দুপুরে জাতির পিতার সমাধি সৌধে পুষ্পাঞ্জলী অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা প্রথমে জাতির পিতার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পাঞ্জলী অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার এই মহান স্থপতির প্রতি সম্মান জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

পরে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে সমাধি সৌধের বেদিতে আরেকটি শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এই বাঙালি বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

তারা সেখানে ফাতেহা পাঠ করেন এবং বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি কামনা করে অনুষ্ঠিত বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে অনুষ্ঠিত একটি মিলাদেও তারা অংশগ্রহণ করেন।

মোনাজাতে দেশ ও জাতির অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতি কামনার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং বিশেষ সহকারীগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, বেলা ১১টায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার যোগে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার পৈত্রিক নিবাস গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া এসে পৌঁছান।

টুঙ্গিপাড়া পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী সরাসরি বঙ্গবঙ্গুর সমাধিসৌধে যান এবং সেখানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং ফাতেহা পাঠ করেন।

বিস্তারিত খবর

ডাক্তারদের রোগী দেখার ফি নির্ধারণ করবে সরকার

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২৩ ১১:০১:৪৫


স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও চেম্বারে চিকিৎসকদের রোগী দেখা বাবদ ফি আদায়ের বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়নের চিন্তা করছে সরকার।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস‌্য গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকারের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ‌্যমন্ত্রী বলেন, যোগ্যতা ও পদমর্যাদা অনুযায়ী জেনারেল প্র্যাকটিশনার থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক লেভেল পর্যন্ত সরকার কর্তৃক সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য রোগী দেখার ফি’র হার নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস‌্য নূর মোহাম্মদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ডাক্তারের সাথে মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের সাক্ষাতের জন‌্য ইতোমধ্যে সরকারি হাসপাতালগুলোতে সপ্তাহে দুই দিন অফিস সময়ের পরে নির্ধারিত সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালসমূহকে তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নিয়মনীতি মোতাবেক মেডিক‌্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের সাথে ডাক্তারদের সাক্ষাতের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা উদ্বেগজনক : টিআইবি

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২৩ ১১:০০:২৬


বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) কর্তৃক প্রকাশিত দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০১৯ এ সর্বনিম্ন থেকে গণনা অনুযায়ী ২০১৮ সালের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থানের এক ধাপ উন্নতি হলেও স্কোর (২৬) অপরিবর্তিত রয়েছে। বৈশ্বিক গড় স্কোরের (৪৩) তুলনায় এবারও বাংলাদেশের স্কোর যেমন অনেক কম তেমনি গতবারের মতই বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর ও অবস্থানে থাকায় দেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা ও গভীরতা এখনো উদ্বেগজনক।

এই প্রেক্ষাপটে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুধুই প্রতিশ্রুতি আর স্বল্প পরিসরের অভিযানের বাইরে গিয়ে আরো কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ায় এবছরও সর্বনিম্ন ১৬ স্কোর পেয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান।

বৃহস্পতিবার সকালে সিপিআই ২০১৯ এর বৈশ্বিক প্রকাশ উপলক্ষে ধানমণ্ডিস্থ টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান প্রকাশ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জানান, ‘সূচকে বাংলাদেশের স্কোর কমেনি এটুকুই সুখবর, তবে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। ২০১৯ সালে ০-১০০ স্কেলে গতবারের সমান ২৬ স্কোর পেয়ে ১৮০টি দেশের মধ্যে তালিকার সর্বনিম্ন থেকে গণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম, যা ২০১৮ এর তুলনায় ১ ধাপ উন্নতি এবং সর্বোচ্চ থেকে গণনা অনুযায়ী ১৪৬তম, যা ২০১৮ এর তুলনায় ৩ ধাপ উন্নতি। এবার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ থেকে গণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থানের খানিকটা উন্নতি হলেও স্কোর গতবারের তুলনায় অপরিবর্তিত থাকায়, বৈশ্বিক গড় ৪৩ এর চেয়ে অনেক কম এবং দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্থানে অব্যাহত থাকা এখনো বিব্রতকর ও উদ্বেগজনক। আমাদের আরো ভালো করার সামর্থ্য ছিল। যদি রাজনৈতিক শুদ্ধাচারের মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করা যেতো, অবস্থান ও পরিচয় নির্বিশেষে আইনের কঠোর প্রয়োগ হতো, তাহলে আমাদের স্কোর ও অবস্থানে আরো উন্নতি হতে পারতো।

প্রধানমন্ত্রীর ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুন্য সহনশীলতা’ এবং ‘কাউকে ছাড় না দেয়ার’ ঘোষণার বাস্তবায়নের অন্যতম অন্তরায় একদিকে বহুমুখী দুর্নীতি সহায়ক যোগসাজশ ও অন্যদিকে রাজনীতির সাথে অর্থ ও দুর্বৃত্তায়নের নিবিড় সম্পর্ক; যার ফলে রাজনৈতিক ও অন্যভাবে ক্ষমতার অবস্থান ব্যক্তিগত সুবিধা ও সম্পদ বিকাশের জন্য লাইসেন্স হিসেবে বিবেচিত ও ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নের দায়িত্ব ও ক্ষমতাপ্রাপ্ত মহল ও প্রতিষ্ঠানেই দুর্নীতির যোগসাজশ, সহায়ক ও সুবিধাভোগীদের প্রভাবের কারণে অগ্রগতি অর্জনের সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৯ সালের সিপিআই অনুযায়ী ৮৭ স্কোর পেয়ে যৌথভাবে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড। ৮৬ স্কোর পেয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফিনল্যান্ড এবং ৮৫ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে যৌথভাবে রয়েছে সিংগাপুর, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড। আর সর্বনিম্ন ৯ স্কোর পেয়ে গতবারের মত এবারও তালিকার সর্বনিম্নে অবস্থান করছে সোমালিয়া। ১২ স্কোর নিয়ে নিম্নক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ সুদান এবং ১৩ স্কোর পেয়ে তালিকার তৃতীয় সর্বনিম্নে আছে হিসেবে সিরিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন টিআইবির চেয়ারপার্সন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, উপদেষ্টা, নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের এবং আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক শেখ মন্জুর-ই-আলম।

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রকাশিত তথ্যের সাথে দুর্নীতির ধারণা সূচকে ধারাবাহিকভাবে একই স্কোর বজায় থাকা সাংঘর্ষিক কী না এমন প্রশ্নের জবাবে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি হচ্ছে এটা যেমন সত্য ও গৌরবের, তেমনি এই অগ্রগতি আরো তরান্বিত হতো, আরো সুষম ও টেকসইভাবে হতে পারতো যদি আমরা কার্যকরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারতাম।’

এসময় অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, ‘আমাদের অর্থনৈতিক উন্নতি হচ্ছে, প্রবৃদ্ধি বাড়ছে ঠিকই, কিন্তু এই প্রবৃদ্ধির ব্যবহার হচ্ছে কোথায়, কার ভোগে যাচ্ছে, সেটা সঠিকভাবে বণ্টন হচ্ছে কী না তা দেখতে হবে। দুর্নীতি না থাকলে আমাদের আরো উন্নতি হতো।’

সাম্প্রতিক দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের স্কোর আরো ভালো আশা করা স্বাভাবিক ছিলো উল্লেখ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান আরো বলেন, ‘অভিযানকে কেন্দ্র করে প্রত্যাশা বাড়লেও বাস্তবে কথিত ‘গডফাদার’দের বিচারের আওতায় আনার বিষয়ে একধরনের শঙ্কা, রাজনৈতিক শুদ্ধাচারের ঘাটতি, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ক্ষমতাবানদের প্রত্যাশা ও চাহিদার প্রতিফলন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় শুদ্ধাচারের ঘাটতি বিশেষ করে রাজনৈতিক অর্থায়নে শুদ্ধাচার ও স্বচ্ছতার ঘাটতি, অর্থপাচার ও ব্যাংকিংখাতে দুর্নীতির ক্ষেত্রে আলোচিত মূল হোতাদের বিচারের আওতায় আনতে না পারার মত বিষয়গুলোর কারণে এই সূচকে আমাদের অবস্থান আরো ভালো হয়নি বলে মনে করছি। বিদ্যমান আইনী কাঠামো সংস্কারের যথেষ্ট সুযোগ থাকলেও যতটুকু আছে সেগুলো যদি কারো প্রতি ভয়-ভীতি বা করুণা প্রদর্শন না করে কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হতো, সরকারের ওপর জনগণের আস্থা বাড়তো এবং সূচকে আমাদের অবস্থান আরো উন্নতি হতো।’

বিস্তারিত খবর

শাশুড়ির জ্বালায় পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা!

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২৩ ১০:৫০:২০

আজ ভোরে রাজধানীর মিরপুর পুলিশ লাইন মাঠে পুলিশ সদস্য আবদুল কুদ্দুস (৩১) নিজের ইস্যুকৃত অস্ত্র দিয়ে বুকে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
আত্মহত্যার আগে স্ত্রী ও শাশুড়িকে নিয়ে তিনি ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছিলেন।
আব্দুল কুদ্দুস ফেসবুকে লিখেছেন তার মৃত্যুর জন্য কেউই দায়ী নয়। আবার লেখার ভেতরে তার বউ শাশুড়ির নামে বিভিন্ন কথা লিখেছেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে আব্দুল কুদ্দুস লিখেন, আমার মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করবো না। আমার ভেতরের যন্ত্রণাগুলো অনেক বড় হয়ে গেছে। আমি আর সহ্য করতে পারছি না। প্রাণটা পালাই পালাই করছে।
স্ট্যাটাস এ উল্লেখ করেন সকল অবিবাহিতগণের প্রতি আমার আকুল আবেদন, আপনারা পাত্রী পছন্দ করার আগে পাত্রীর ‘মা’ ভালো কি-না সঠিকভাবে খবর নেবেন। কারণ পাত্রীর ‘মা’ ভালো না হলে, পাত্রী কখনোই ভালো হবে না। ফলে আপনার সংসারটা হবে দোজখের মতো।

বিস্তারিত খবর

বুয়েটের আবরার স্টাইলে ঢাবিতে ৪ শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতন ছাত্রলীগের

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২৩ ০৩:২৪:১৩

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদের মতো নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে চার শিক্ষার্থীকে রড, লাঠি ও স্ট্যাম্প দিয়ে রাতভর নির্যাতন করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ছাত্রলীগের একটি সূত্র জানিয়েছে, রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিবির সন্দেহে হলের গেস্টরুমে ডাকা হয় ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মুকিম চৌধুরীকে।

শুধু তাই নয় তার মোবাইলের কললিস্টে আরও তিন বন্ধুর নাম থাকায় তাদেরও ডেকে গেস্টরুমে আনা হয়।

তারা হলেন- রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সানওয়ার হোসেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মিনহাজ উদ্দীন ও একই বর্ষের আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী আফসার উদ্দীন।

এ সময় হল শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা, হল সংসদের সহ-সভাপতি সাইফুল্লাহ আব্বাসী অনন্তসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগের নেতারা রড, লাঠি ও স্ট্যাম্প দিয়ে ওই চার শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পেটাতে শুরু করেন।

নির্যাতন সইতে না পেরে তারা মেঝেতে শুয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তারা অচেতন হয়ে পড়েন। এভাবে রাত ২টা পর্যন্ত তাদের ওপর নির্যাতন চালায় ছাত্রলীগ নেতারা।

পরে রাত ২টার পর তাদের প্রক্টরিয়াল টিমের মাধ্যমে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় পুলিশ।

তবে ছাত্রলীগের অন্য একটি সূত্র বলছে, শিবির সন্দেহের কারণে নয়, হলের গেস্টরুমের মিটিংয়ে না আসাকে কেন্দ্র ওই চার শিক্ষার্থীকে পেটানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হলশাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ঘটনার সময় আমি হলে ছিলাম না। এ বিষয়ে কিছু জানি না।

তবে ঘটনাটি যেহেতু হলের ভেতর ঘটেছে, তাই বিষয়টি হল প্রশাসন দেখবে বলে মনে করেন তিনি।

নির্যাতনের বিষয়ে ঢাবি প্রক্টর গোলাম রব্বানীকে ফোন দেয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি।

প্রসঙ্গত ভারতের সঙ্গে গ্যাস, পানি, বিদ্যুতের চুক্তির বিরোধিতা করে গত বছরের ৫ অক্টোবর বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ।

এর জের ধরে পরদনি রাতে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে তার লাশ সিঁড়িতে ফেলে রাখা হয়।-যুগান্তর

বিস্তারিত খবর

রাজনৈতিক প্রচারণায় ফের ‘বিতর্কিত’ জবি ভিসি

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২২ ১২:১৫:০৮


‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের পক্ষে স্বতঃস্ফূর্ত প্রচারণা’ ক্যাপশন দিয়ে ফেসবুকে ছবিটি শেয়ার করা হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে ফের আলোচনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।

গত রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম তার ফেসবুকে ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের পক্ষে স্বতঃস্ফূর্ত প্রচারণা’ ক্যাপশন দিয়ে একটি ছবি শেয়ার করেন। এর পরপরই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ফেসবুকে শেয়ার করা ছবিটিতে দেখা যায়, উপাচার্যের কার্যালয়ে অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানসহ সহকারী প্রক্টর নিউটন হালদার ও আসাদুজ্জামান রিপন পোস্টার হাতে নিয়ে শেখ ফজলে নূর তাপসের পক্ষে প্রচারণা চালান। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপাচার্য নির্বাচনে কোনো প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইতে পারেন কি না এমন প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণের রিটার্নিং অফিসার মো. আব্দুল বাতেন বলেন, ‘এটি নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। এ ধরনের পদে থেকে কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়া বা ওই প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া যায় না।’

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোনায়েম হোসেন বলেন, ‘একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে থেকে রাজনৈতিক প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি সীমা লঙ্ঘন করেছেন। এর আগেও তিনি নানান বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করে সমালোচিত হয়েছেন। আমরা তার এমন কর্মকাণ্ডে লজ্জিত।’

এ বিষয়ে জানতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মীজানুর রহমানের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সংযোগ করা যায়নি।

এদিকে গত ১৫ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্মরত সাংবাদিকদের ‘মূর্খ’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। উপাচার্যের মদদে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে পত্রিকা পোড়ানোর অভিযোগও আছে। এর আগে গত ১৭ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে ‘যুবলীগের চেয়ারম্যান পদ পেলে উপাচার্য পদ ছেড়ে দেবো’ মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন। তখন তিনি বলেন, ‘আমাকে যদি বলা হয়, আপনি যুবলীগের দায়িত্ব নিতে পারবেন কি না? তবে আমি সঙ্গে সঙ্গে উপাচার্য বা চাকরি ছেড়ে দেব এবং যুবলীগের দায়িত্ব নেব।’

বিস্তারিত খবর

গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের আট ধাপ অগ্রগতি

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২২ ১২:১৩:৪৩


গণতন্ত্র সূচকে আট ধাপ অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) সর্বশেষ (২০১৯) গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশ ৫ দশমিক ৮৮ স্কোর নিয়ে ৮০তম স্থানে উঠে এসেছে। এর আগের (২০১৮) সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮৮ আর স্কোর ছিল ৫ দশমিক ৫৭।

১৯৪৬ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে ইকোনমিস্ট পত্রিকার সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইআইইউ। ২০০৬ থেকে প্রতিষ্ঠানটি বৈশি^ক গণতন্ত্র সূচকের তালিকা প্রকাশ করে আসছে। ১৬৭টি দেশের গণতন্ত্রের ওপর মোট ৬০টি ইনডিকেটরের ভিত্তিতে তৈরি করা তাদের তালিকায় সর্বোচ্চ পয়েন্ট ধরা হয় ১০।

ইআইইউর সূচক অনুযায়ী, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহণের পরে এবারই সর্বোচ্চ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ। এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৭তম। বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণের সূচকে পেয়েছে ৬ দশমিক ১১। রাজনৈতিক সংস্কৃতি সূচকে ৪ দশমিক ৩৮। আর বেসামরিক নাগরিকদের স্বাধীনতার সূচকে পাঁচ দশমিক শূন্য।

এবার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ভারত। দেশটির মোট পয়েন্ট ৬ দশমিক ৯০। সেই হিসাবে দেশটির সূচকে এবার পতন হয়েছে। আগের বছর ভারতের সূচক ছিল ৭ দশমিক ২৩।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সাল থেকে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দেশগুলো আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির পাশাপাশি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যথেষ্ট উন্নতি করছে। মহাদেশভিত্তিক গণতন্ত্র সূচকে শীর্ষে রয়েছে উত্তর আমেরিকা ও পশ্চিম ইউরোপ। তাদের মোট পয়েন্ট যথাক্রমে ৮ দশমিক ৫৯ ও ৮ দশমিক ৩৫।

সূচকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কার্যকর গণতন্ত্র রয়েছে ২২টি দেশে। আর ফ্লড ডেমোক্রেসি রয়েছে ৫৪টি দেশে। হাইব্রিড রেজিম রয়েছে ৩৭টি দেশে। আর কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে ৫৪টি দেশে।

বিস্তারিত খবর

সংসদে ৮ হাজার ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২২ ১২:১২:২৫


জাতীয় সংসদে ঋণখেলাপি ৮ হাজার ২৩৮ জন ব্যক্তি বা কোম্পানির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশে কার্যরত সব ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত সিআইবি ডাটাবেসে রক্ষিত ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসভিত্তিক হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৯৬ হাজার ৯৮৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। পরিশোধিত ঋণের পরিমাণ ২৫ হাজার ৮৩৬ কোটি ৪ লাখ টাকা।


বুধবার জাতীয় সংসদে আহসানুল ইসলাম টিটুর প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

অর্থমন্ত্রী এ সময় কোম্পানি/প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত ১০৭ পৃষ্ঠাবিশিষ্ট একটি তালিকা সংসদে উত্থাপন করেন। সেই তালিকায় স্থান পায় কে কত টাকার ঋণখেলাপি।

প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ত্রৈমাসিকের তথ্য অনুযায়ী ২৫টি ব্যাংকের পরিচালকবৃন্দ নিউ (নতুন) ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন। তাদের গৃহীত ঋণের বকেয়া স্থিতির পরিমাণ ১ হাজার ৬১৪ কোটি ৭৭ লাখ ১৭ হাজার টাকা। যা মোট ঋণের ০.১৬৬৬ শতাংশ। এ ছাড়া ব্যাংকের পরিচালকবৃন্দ নিজ ব্যাংক ব্যতিত অন্য ৫৫টি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। তাদের গৃহীত ঋণের উপস্থিতির পরিমাণ ১ লাখ ৭১ হাজার ৬১৬ কোটি ১২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। যা ব্যাংকগুলোর মোট প্রদেয় ঋণের ১১.২১ শতাংশ।

সংসদে অর্থমন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৫৭টি ব্যাংকের মধ্যে ২৫টি ব্যাংকের পরিচালকরা তাদের নিজ ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়েছেন। শুধু রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে কোনো পরিচালক ঋণ নেননি।

অর্থমন্ত্রী জানান, নিজ ব্যাংক থেকে সব থেকে বেশি ঋণ নিয়েছেন এবি ব্যাংকের পরিচালকরা। তাদের ঋণের স্থিতি ৯০৭ কোটি ৪৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা। এরপরের অবস্থানে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যাংকটি থেকে এর পরিচালকরা ৩৬২ কোটি ৫০ লাখ ৬৪ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন।

এদিকে এক্সিম ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের পরিচালকদের কাছে নিজ ব্যাংকের কোনো পাওনা নেই বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তবে অন্য ব্যাংকগুলোর পরিচালকদের কাছে পাওনার দিক থেকে এই দুই ব্যাংক শীর্ষে রয়েছে বলে জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী জানান, ইসলামী ব্যাংক থেকে ১৯ হাজার ১৭৫ কোটি ৭৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও এক্সিম ব্যাংক থেকে ১০ হাজার ৫১৩ কোটি ৬৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন অন্য ব্যাংকের পরিচালকরা।

এদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক থেকেও বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়েছেন অন্য ব্যাংকের পরিচালকরা। তাদের কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির পাওনা ১০ হাজার ১২৬ কোটি ৭২ লাখ ৫ হাজার টাকা। এছাড়া পূবালী ব্যাংক থেকে ৯ হাজার ৭৩৫ কোটি ৫২ লাখ ৭৪ হাজার টাকা নিয়েছেন অন্য ব্যাংকের পরিচালকরা।

সংসদে অর্থমন্ত্রীর দেয়া তালিকা অনুযায়ী, দেশের শীর্ষ ঋণখেলাপি গ্রাহক অ্যাননটেক্স। তারপরই রয়েছে ক্রিসেন্ট গ্রুপের নাম। প্রতিষ্ঠান দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠান দুটিই ঋণের টাকা বিদেশে পাচার করেছে। অ্যাননটেক্সের মালিক হলেন ইউনুছ বাদল। তিনি বিদেশে পালিয়েছেন। আর ক্রিসেন্টের মালিক দুইজন। তারা হলেন এমএ কাদের ও চলচ্চিত্র প্রযোজক আবদুল আজিজ। এদের মধ্যে এমএ কাদের গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে বন্দি।

ঋণখেলাপির শীর্ষ তালিকায় নাম এসেছে বিল্ডট্রেড গ্রুপ ও চ্যানেল নাইনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এনায়েতুর রহমানের। তার খেলাপি ঋণ প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা। শীর্ষ তালিকায় রয়েছেন আলোচিত ব্যবসায়ী মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু। তার মালিকানাধীন ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, নর্থ বেঙ্গল পোলট্রিসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে খেলাপি ঋণ প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। এ দু'জনই এবি ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন।

সংসদে অর্থমন্ত্রীর প্রকাশিত ঋণখেলাপির তালিকায় বেশকিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- রহিম আফরোজ, নাভানা লিমিটেড, অটবি, মুন্নু গ্রুপ, ঢাকা ডায়িং, দুসাই হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, আবদুল মোনেম সুগার রিফাইনারি, কেয়া, গ্রামীণ শক্তি, সিনহা ইয়ার্ন অ্যান্ড ডায়িং।

এদিকে ঋণখেলাপির তালিকায় নাম উঠেছে গণমাধ্যমের মালিকদের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। তার মধ্যে মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদের খেলাপি ঋণ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা এবং ব্যবসায়ী এমএনএইচ বুলুর খেলাপি ঋণ ২৫০ কোটি টাকা।

বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের বাংলালায়নের খেলাপি ঋণ ৫১৮ কোটি টাকা। ব্যবসায়ী সাইদ হোসেন চৌধুরীর পরিবারের এইচআরসি শিপিংয়ের খেলাপি ঋণ ১৭০ কোটি টাকা।

আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানও ঋণখেলাপির তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, পিপলস লিজিংসহ আরও কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অ্যাপোলো ইস্পাত ও এমারেল্ড ওয়েল্ড।

আবাসন খাতের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঋণখেলাপির তালিকায় রয়েছে- এনা প্রোপার্টিজ, অ্যাডভান্সড ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজি ও কক্স ডেভেলপার্স।

এ ছাড়া ঋণখেলাপির তালিকায় এসেছে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান করোলা কর্পোরেশন এবং পারটেক্স সুগার মিলস।

বিস্তারিত খবর

বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীদের গণসংযোগে হামলা, আহত ২০

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২২ ১২:১১:০৫


ঢাকা উত্তর সিটিতে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের ওপর হামলার রেশ না কাটতে এ সিটির ১৮ নং ওয়ার্ডের বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী শরিফউদ্দিন জুয়েলে ও তার সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে জুয়েলসহ ১১ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

বুধবার বিকালে শাহজাদপুর কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা নিরব ভূমিকা পালন করে। এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্ডে একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থীর পোস্টার ছিড়ে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কাউন্সিলর প্রার্থী শরিফউদ্দিন জুয়েলে জানিয়েছেন, আওয়ামী প্রার্থী জাকির হোসের বাবুল এর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের লোকেরা তার নির্বাচনী গণসংযোগ এ হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, হামলার সময় পুলিশ উপস্থিত ছিল, কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। পুলিশ প্রহরায়ই এ হামলা চালানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়। গণসংযোগে হামলার পর দুর্বৃত্তরা বিএনপির নেতাকর্মীদের বাসা-বাড়িতে হামলা চালায়।

৫০ নং ওয়ার্ড বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী দেওয়ান মো: নাজিমুদ্দিনের ওপর হামলা চালিয়েছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা। এ সময় প্রার্থীসহ দশজন আহত হন। উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আহত কর্মীদের খোজ খবর নিতে যান তাবিথ আউওয়াল।

বুধবার বিকালে এ ওয়ার্ডে গণসংযোগ করে চলে আসার পর তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।
ডিএনসিসির ৩৪নং ওয়ার্ড এ বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী এডভোকেট মাসুম খান রাজেশ আজ স্থানীয় শংকর, মুধবাজার গণসংযোগ চালিয়েছেন। এসময় তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে ঠেলাগাড়ী প্রতীকে ভোট চেয়েছেন।

তিনি জানান, আমরা জনগণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। মাসুম খান রাজেশ আভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষ আমাদের পোস্টা ছিড়ে ফেলছে। দিলে লাগালো হলে রাতে পোস্টার ছিড়ে ফেলছে প্রতিপক্ষের লোকেরা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশ নির্বাচনে (ডিএনসিসি) ৩১ নং ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী সাজেদুল হক খান রনি স্থানীয় রাজিয়া সুলতানা ও সলিমুল্লাহ রোড গণসংযোগ চালিয়েছেন। এ সময় তিনি এয়ারকন্ডিশন মার্কার ভোট চান। তিনি অভিযোগ করে জানান, প্রতিদিনই পোস্টা ছিড়ে ফেলা হচ্ছে। তবে তার নির্বাচনী এলাকার পরিবেশ ভালো রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

পূর্বনাখাল পাড়া এলাকার সমিতি বাজার ও এর আশপাশের এলাকায় গণসংযোগ চালিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ২৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সাইফুল ইসলাম কাজল। এ সময় তিনি লাটিম প্রতীকের ভোট চান। সাইফুল ইসলাম কাজল জনান, মানুষ ভোট দিতে চায়, সুষ্ঠু ভোট হলে আমরা জয়ী হবো

বিস্তারিত খবর

ই-পাসপোর্ট জাতির জন্য ‘মুজিব বর্ষের’ উপহার : প্রধানমন্ত্রী

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২২ ১২:০৯:৪৪


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কর্মসূচি এবং স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন করে বলেছেন, এটা (ই-পাসপোর্ট) জাতির জন্য ‘মুজিব বর্ষে’ একটি উপহার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমরা মুজিব বর্ষে দেশের জনগণের হাতে ই-পাসপোর্ট তুলে দিচ্ছি। এটি একটি বিশেষ বছর এবং ঘটনাক্রমে জাতি এ বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করছে।’

তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে যে কোন দেশে প্রবেশ এবং বহির্গমনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশী নাগরিকের ঝামেলামুক্ত চলাচল নিশ্চিত হবে এবং ই-গেটের সর্বাধিক সুবিধা গ্রহণ করা যাবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘ই-পাসপোর্ট কর্মসূচি এবং স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন করেন। দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম এবং বিশ্বে ১১৯ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি ই-পাসপোর্ট এবং স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা সন্দেহাতীতভাবে ডিজিটাল বিশ্বে বাংলাদেশের জনগণের মর্যাদা আরো সমুন্নত করবে এবং বাংলাদেশ আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ই-পাসপোর্টে এমবেডেড ইলেকট্রনিক মাইক্রো প্রসেসর চিপ থাকবে। যেখানে পাসপোর্ট গ্রহিতার সকল তথ্য, স্বাক্ষর, ছবি, চোখের কর্ণিয়া এবং ফিঙ্গার প্রিন্ট সিল্ড অবস্থায় সুরক্ষিত থাকে।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘অতীতে একটা সমস্যা ছিল পাসপোর্ট নিয়ে। একসময় গলাকাটা পাসপোর্টও দেশে প্রচলিত ছিল, সেটা আর কখনো হবে না। মানুষ আর ধোঁকায় পড়বে না। স্বচ্ছতার সাথে চলবে’,বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফাহরেনহোল্টস অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বহির্গমন এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তরের (ডিআইপি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো.শহিদুজ্জামান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান খান প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তাঁর ই-পাসপোর্টটি হস্তান্তর করেন।

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ই-পাসপোর্ট ভবনের ফলক উন্মোচন করেন এবং এনরোলমেন্ট বুথ পরিদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, উর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং কূটনীতিক, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই ই-পাসপোর্ট ব্যবস্থা প্রবর্তন বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্র্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি আধুনিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এবং ইমিগ্রেশন পদ্ধতি সহজীকরণ করবে বলে গতকাল এক সাংবাদিক সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,‘মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট’কে (এমআরপি) আরও অধিকতর নিরাপত্তা সম্বলিত করার জন্য ‘বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট এবং অটোমেটেড বর্ডার কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বাস্তবায়ন’ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।’

তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের আওতাধীন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস জিএমবিএইচ কর্তৃক ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫শ ৬৯ কোটি টাকা। ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ৫ থেকে ১০ বছর।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে ডিআইপি তাদের আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ি এবং উত্তরা কার্যালয় থেকে এই পাসপোর্ট ইস্যু করবে। পর্যায়ক্রমে এ বছর থেকেই দেশের সবখান থেকে এই পাসপোর্ট ইস্যু করা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বপ্রথম এই পাসপোর্ট লাভ করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিদিন প্রয়োজনে ২৫ হাজার পাসপোর্ট ইস্যু করা সম্ভব হবে।
সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া তথ্য মতে, ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের সাধারণ ফি ৩,৫০০ টাকা, জরুরি ফি ৫,৫০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৭,৫০০ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের সাধারণ ফি ৫,০০০ টাকা, জরুরি ফি ৭,০০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৯,০০০ টাকা।

নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে অতীব জরুরিতে ৩ দিনে, জরুরিতে ৭ দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে ২১ দিনে পাসপোর্ট পাওয়া যাবে। তবে পুরনো অথবা মেয়দোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যু করার ক্ষেত্রে অতীব জরুরি পাসপোর্ট ২ দিনে, জরুরি পাসপোর্ট ৩ দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট ৭ দিনের মধ্যে দেওয়া হবে।

বিস্তারিত খবর

ইভিএমে জাল ভোট প্রদান প্রতিহত করা বিরাট সমস্যা

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২২ ১২:০৮:১০


আসন্ন ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ৫০ শতাংশ ভোট না পড়লে ব্যালটে পূনরায় ভোট করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জ্যেষ্ঠ নির্বাচন নির্বাচন (ইসি) কমিশনার মাহবুব তালুকদার। বিভিন্ন ভোটের তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, ইভিএম নিয়ে ভোটারদের মনে আছে ইভিএম ভীতি। এছাড়া ইভিএমে জাল ভোট প্রদান প্রতিহত করা এক বিরাট সমস্যা। বুথ দখল করে বা গোপন কক্ষে গিয়ে জাল ভোট প্রদানের ঘটনা অবশ্যই প্রতিহত করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অন্যান্য নির্বাচন কর্মকর্তাদের সম্মিলিতভাবে গোপন কক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আবশ্যক। বর্তমান সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার কমিশনের জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে বুধবার নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বৈঠকে লিখিত বক্তব্যে মাহবুব তালুকদার এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

মাহবুব তালুকদার বলেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাম্প্রতিক উপ-নির্বাচনে সবগুলো কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হয়। এতে ২২ দশমিক ৯৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম বিহীন ব্যালট পেপারে যে ২৯৪টি আসনে ভোট হয়েছে, ভোটের হার যেখানে ছিল শতকরা ৮০ ভাগ, সেখানে ইভিএম ব্যবহারে ২৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ কম ভোট পড়েছে। এর কারণ ইভিএম নিয়ে ভোটারদের মনে আছে ইভিএম ভীতি।

ভোটারদের উপস্থিতি বৃদ্ধিও একান্ত অপরিহার্য উল্লেখ করে মাহবুব তালুকদার বলেন, এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের সাফল্যের ওপর নির্ভর করছে এই যন্ত্রটির ভবিষ্যত। এই নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার প্রশ্নবিদ্ধ হলে শুধু নির্বাচন নয়, ইভিএম যন্ত্রটির ভবিষ্যতও অনিশ্চিত হয়ে যেতে পারে। আমার মতে যে কোনো নির্বাচনে শতকরা ৫০ ভাগ ভোট না পড়লে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক।

তিনি বলেন, এজন্য বিশ্বের অনেক দেশে ৫০ শতাংশের কম ভোট পড়লে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হয়। ইভিএম সম্পর্কে আমার বক্তব্যের বটম লাইন হলো, ইভিএম-এ যদি ৫০ শতাংশ ভোট না পড়ে, তাহলে ব্যালট পেপারে পুনরায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। এজন্য নির্বাচনি বিধি-বিধান পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে।

বিস্তারিত খবর

বিমানে লাগেজ হারালে বা নষ্ট হলে কেজি প্রতি পাওয়া যাবে লক্ষাধিক টাকা ক্ষতিপূরণ

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২২ ১২:০৭:৩৩


বিমানে লাগেজ হারানো বা বিনষ্টের জন্য অতীতের দায় প্রতি কেজি ২০ মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার এসডিআর বা ১ হাজার ৩৮১ ডলার পার কেজি হবে (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজার)। কার্গো বিনষ্ট বা হারানোর জন্য ২০ ডলার পার কেজি থেকে নতুন আইনে ক্ষতিপূরণের অংশ বেড়ে ১৭ এসডিআর বা ২৪ ডলার পার কেজি হবে।

এছাড়া বিমান দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তির মৃত্যু বা আঘাতজনিত ক্ষতিপূরণের অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা করার প্রস্তাবসহ ‘আকাশপথে পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন) আইন, ২০২০’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

নতুন আইনে প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ দেশি টাকায় ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৬শ’ টাকা (প্রায়) থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩৩৪ টাকা (প্রায়) করা হয়েছে। খবর বাসসের।

সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন প্রদান করা হয়।

পরে বিকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের অবহিতকরণকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘মন্ত্রিসভা আকাশপথের যাত্রীদের সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে মন্ট্রিল কনভেনশন-১৯৯৯-এর আলোকে এই আইনটির খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।’

তিনি বলেন, মন্ট্রিল কনভেনশনটি অনুস্বাক্ষর ও যাত্রীর মৃত্যু, আঘাত এবং মালামাল নষ্ট বা হারানোর ক্ষতিপূরণ প্রদান সহজীকরণের জন্য মন্ট্রিল কনভেনশনের আলোকে আকাশপথে পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন, ১৯৯৯) আইন, ২০২০-এর খসড়াটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

আনোয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আইনটি প্রণীত হলে যাত্রীর মৃত্যু বা আঘাত, ব্যাগেজ ও কার্গো ক্ষতি বা হারানোর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের হার আগের থেকে অনেক বৃদ্ধি পাবে।’ এ সংক্রান্ত আইনটি প্রণীত না হওয়ায় ২০১৭ সালে নেপাল বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা নাম মাত্র ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সচিব বলেন, পুরনো আইনে (ওয়ারশ কনভেনশন) মৃত্যু বা আঘাতজনিত ক্ষতিপূরণের হার ছিল ২৫ লাখ ফ্রাঙ্ক বা বাংলাদেশি টাকায় ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৬শ’ টাকা প্রায়। নতুন আইনে ক্ষতিপূরণ মিলবে ১ লাখ এসডিআর বা ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৪ মার্কিন ডলার। যা দেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩৩৪ টাকা হবে। ফ্লাইট বিলম্বের কারণে পরিবহনকারীর দায় হবে ১ হাজার এসডিআর বা ৫ হাজার ৭৩৪ মার্কিন ডলার। যা অতীতে ২০ ডলার ছিল।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যাত্রীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে, যাত্রীর সম্পত্তির বৈধ প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তিবর্গের মধ্যে এই আইনের বিধানবলি মোতাবেক ক্ষতিপূরণের অর্থ ভাগ করা যাবে। সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজের পক্ষ/বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে অথবা আদালতের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে।

তিনি বলেন, আকাশপথে অভ্যন্তরীণ পরিবহনে বিলম্ব, ক্ষয়-ক্ষতি, মৃত্যু ইত্যাদির ক্ষেত্রেও এই আইন মন্ট্রিল কনভেনশন এবং এর আলোকে প্রণীত প্রটোকলের সংশোধনীসমূহ নিয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সরকার প্রয়োগ করতে পারবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিদ্যমান আইনকে যুগোপযোগীকরণের অংশ হিসেবে‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন,২০২০’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রস্তাবিত খসড়া আইনটি অনুমোদিত হলে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে মালিকানা হস্তান্তরের সুযোগ সৃষ্টি হবে। যেটি বিদ্যমান ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন,২০১৩’তে ছিল না।

তিনি বলেন, নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের অর্থদণ্ড প্রদানের ক্ষমতা না থাকায় অতীতে সামান্য অপরাধের জন্য এজেন্সির নিবন্ধন স্থগিত করা বা বাতিল করতে হতো। কিন্তু নতুন আইনে অর্থদণ্ড প্রদানপূর্বক এজেন্সি নবায়ন করা যাবে। নতুন আইনে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো শাখা অফিস খুলতে পারায় জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবাপ্রাপ্তি সহজ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিস্তারিত খবর

তাবিথের উপর হামলা, তদন্তের নির্দেশ ইসির

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২১ ১১:৩৫:১৪


আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের উপর হামলার ঘটনায় রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গাবতলীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে তাবিথ আউয়ালের নির্বাচনি প্রচারণায় হামলার অভিযোগ পাওয়া যায়। কমিশনের সাথে বৈঠকে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ দায়ের করে বিএনপি।

আগারগাওস্থ নির্বাচন ভবনে মঙ্গরবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে ৫৮তম কমিশন বৈঠক শেষে ইসির জেষ্ঠ্য সচিব মো. আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

ইসি সচিব বলেন, তাবিথের উপর হমলার বিষয়ে কমিশনের কাছে বিএনপি তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ করেছে। কমিশন অভিযোগ শুনেছে। সাথে সাথে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বিস্তারিত খবর

৩৫০০ কোটি টাকা পাচার: পিকে হালদারসহ ১৯ জনের সম্পদ জব্দের নির্দেশ

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২১ ১১:৩৪:২২


ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেডের পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পিকে হালদার) ১৯ জনের সব সম্পদ, ব্যাংক হিসাব জব্দ ও পাসপোর্ট আটকানোর নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকারের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন শাহরিয়ার কবির।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেড আর্থিক খাতের কোম্পানি হিসেবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত।

কোম্পানিটির স্বাধীন পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ইব্রাহিম খালেদকে নিয়োগ দিতে আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ক্যাসিনোবিরোধী শুদ্ধি অভিযানের সময় পিকে হালদারের নাম আলোচনায় আসে। গেল বছরের ৩ অক্টোবর তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ নভেম্বর হাজির হতে নোটিশ দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে তিনি দেশ থেকে পালিয়ে যান। বর্তমানে সিঙ্গাপুরে রয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে।

বিস্তারিত খবর

আওয়ামী লীগের রাজনীতির খরা কেটে গেছে : ওবায়দুল কাদের

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২১ ১১:৩৩:২৬


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতির খরা কেটে গেছে। এক সময় আমরা দুর্বল ছিলাম। এখন আমরা অনেক শক্তিশালী।

তিনি বলেন, কক্সবাজারকে উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে। মাতারবাড়ি থেকে শুরু করে কক্সবাজারে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ চলছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে কক্সবাজারকে উন্নয়নের প্রাণকেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে। সী-বীচকে দেশী বিদেশী পর্যটকদের কাছে আরো বেশি আকর্ষণীয় করতে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে কক্সবাজার শহীদ দৌলত ময়দানে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, বিএনপির জোয়ার এখন দিবাস্বপ্ন। তাদের আন্দোলন ও নির্বাচনে ভাটা পড়েছে। জোয়ারের আর দেখা পাবে না বিএনপি।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফার সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, নিজেদের ভেদাভেদ ভুলে যান। আপন ঘরে শত্রু থাকলে বাইরের শত্রু দরকার নাই। যেকোনো মূল্যে নিজেদের ঐক্য সুদৃঢ় করতে হবে।

তিনি বলেন, নিজেদের ঘরে আরেকটা ঘর করবেন না। দলকে আরো বেশি ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করুন। আমরা একতাবদ্ধ থাকলে কোনো অপশক্তি আমাদের হঠাতে পারবে না।

ওবায়দুল কাদের হুঁশিয়ার করে বলেন, দল ভারী করতে সুবিধাবাদিদের স্থান দিবেন না। দুঃসময়ের কর্মীদের মূল্যায়ন করুন। কমিটি করার বেলায় যেন ত্যাগীদের স্থান হয়। সিনিয়রদের সম্মান করবেন। না হলে একদিন যখন আপনারা সিনিয়র হবেন, তখন জুনিয়রদের সম্মান পাবেন না।

মনে রাখবেন, আওয়ামী লীগ বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। ক্ষমতার অহংকার করবেন না। অহংকার পতনের মূল। বিনয়ী লোকদের সবাই সম্মান করে, ভালোবাসে। সুন্দর ব্যবহার দিয়ে জনগণের ভালোবাসা অর্জন করুন। সেটিই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ।

‘আজকের বাংলাদেশ শেখ হাসিনার কারণে বিশ্বের কাছে মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে। আমাদের নেত্রী নিজের পরিশ্রমের গুণে বিশ্বের সেরা শাসকের একজন। তিনি পা থেকে মাথা পর্যন্ত সৎ। সততায় বঙ্গবন্ধুর পরিবারের তুলনা হয় না। সেই সাহসেই নিজের দল থেকেই তিনি শুদ্ধি অভিযান শুরু করে দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন’, বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের টানা দুইবারের সাধারণ সম্পাদক বলেন, কক্সবাজারের মানুষ আতঙ্কে আছে। রোহিঙ্গাদের থাকার জায়গা করে দিয়ে এখানকার মানুষ নিজ ঘরে পরবাসীর মতো। আমরা রোহিঙ্গাদের কারণে চরম সংকটে আছি। পরিত্রাণ চাই।

তিনি বলেন, মানবিক সাহায্য মানবিক সংকট বাড়িয়েছে। যাদের মানবিক সাহায্য করেছি তারা যেন স্থায়ী বোঝা না হয়- মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের উপর দোষ চাপিয়ে পাশ কাটিয়ে যেতে চাচ্ছে মিয়ানমার। আঞ্চলিক ঝুঁকি থেকে আমাদের রক্ষার জন্য মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকারকে বাধ্য করতে হবে। তাদের বোঝা আমরা আর সাইতে পারব না।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় সামবেশে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতবদিয়া) আসনের এমপি আশেক উল্লাহ রফিক, সংরক্ষিত আসনের এমপি কানিজ ফাতেমা আহমদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ, জেলা যুব লীগের সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ নজিবুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

বিস্তারিত খবর

রেলের একটি টয়লেট মেরামতে খরচ ৭৩ লাখ!

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২১ ১১:২৭:৫৯


২০১৭ ও ২০১৮ সালের দুর্নীতির নথিপত্র ফাঁস হওয়ায় পশ্চিম রেলের বর্তমান কর্মকর্তাদের মাঝে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। দুর্নীতির এ সিরিজ প্যাকেজের মোটমূল্য ৭০০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।পশ্চিম রেলে দুই থেকে আড়াই শতাধিক গায়েবি খাতে ৭০০ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। বিভিন্ন স্টেশন পরিষ্কার করতেই ৯৫ লাখ টাকার ভিম পাউডার লেগেছে।এছাড়া ছোট্ট একটি টয়লেট মেরামতে খরচ হয়েছে ২৮ লাখ টাকা। আরেকটি টয়লেট সংস্কারসহ বারান্দার টিন বদলে খরচ হয়েছে ৭৩ লাখ টাকা।রেলের এমন শত শত কাজ টেন্ডার ছাড়াই ক্ষমতাসীন দলের তৃতীয় শ্রেণির ঠিকাদারদের দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো নিয়মই মানা হয়নি।পশ্চিম রেলের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. রমজান আলী ও তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তার সিন্ডিকেট দুর্নীতির এ মহাযজ্ঞের নেতৃত্বে ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবে একটা ছোট অফিসের কয়েকটা টয়লেট মেরামতে একজন ঠিকাদারকে পরিশোধ করা হয়েছে প্রায় ২৮ লাখ টাকা। বারান্দার টিন বদল আর অফিসের টয়লেট মেরামতে আরেকজন ঠিকাদারকে দেয়া হয়েছে ৭৩ লাখ টাকার বিল।নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পশ্চিম রেলের এমন দুই থেকে আড়াই শতাধিক গায়েবি খাতে ৭০০ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক মোর্শেদ আলম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, রেলে দুর্নীতির পরিসর বিস্তৃত ও মাত্রা ভয়াবহ। সীমিত জনবলে এসব অনুসন্ধানে অনেক সময়ের প্রয়োজন। অনুসন্ধান পুরোদমে চলছে। সময় হলে সব জানানো হবে।জানা গেছে, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. রমজান আলীর পুরো মেয়াদে এ ধরনের কাজের মাধ্যমে বিপুল অর্থ লোপাট হয়েছে। রমজান আলী বর্তমানে মোংলা রেল প্রকল্পের পরিচালক।
বিনা টেন্ডারে কাজ দেয়া ও বিপুল অর্থ লোপাটের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে একাধিকবার তাকে ফোন করা হয়। কিন্তু প্রতিবারই ব্যস্ততা দেখিয়ে নিজেই কথা বলবেন বলে জানান; কিন্তু তিনি পরে আর ফোন করেননি।অন্যদিকে টয়লেট মেরামত দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ বিল প্রদানকারী সাবেক সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী ও বর্তমানে সৈয়দপুর সহকারী প্রকৌশলী (সেতু) পদে কর্মরত মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।

পরে কথা বলবেন বলে জানালেও আর ফোন রিসিভ করেননি।এ বিষয়ে মতামত চাইলে রাজশাহীতে রেলভবনে কর্মরত সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী (এসএসইএ) বাবুল আকতার বলেন, বিষয়টি আগের কর্মকর্তার আমলের। তাই এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।সাবেক প্রধান সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন প্রকৌশলী অসীম কুমার তালুকদার বর্তমানে পাকশীর বিভাগীয় ম্যানেজার। তিনিও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।অন্যদিকে পশ্চিম রেলের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মিহির কান্তি গুহ বলেন, ‘মাত্র কিছুদিন আগে দায়িত্ব নিয়েছি। এরই মধ্যে দুদকের কর্মকর্তারা কয়েকবারই এসেছেন এবং তাদের চাহিদামতো নথিপত্র সরবরাহ করা হয়েছে। দুর্নীতি কতটুকু কী পরিমাণ হয়েছে, সেটা আমি এখন বলতে পারছি না।

বিস্তারিত খবর

বানরের জন্য অর্থ চাইলেন শাজাহান খান

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২০ ১২:৩৪:০১



মাদারীপুরের বানরের জন্য অর্থ বরাদ্দ ও প্রকল্প চান সরকারি দলের সংসদ সদস্য শাজাহান খান। এ জন্য তিনি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দীনের মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন।

সোমবার জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের আলোচনায় শাজাহান খান এই দাবি জানান। মাদারীপুরে বানরের জন্য খাদ্য সরবরাহ প্রসঙ্গে নোটিশ দেন তিনি।

শাজাহান খান বলেন, মাদারীপুর পৌরসভার চরমুগুরিয়া বন্দর পাট ব্যবসার জন্য প্রসিদ্ধ। এখান থেকে হাজার হাজার মণ পাট ভারতে রফতানি হত। জনশ্রুতি আছে, ভারতের তুলারাম বসুরাজ শখের বশে দুটি বানর এনেছিলেন। বাড়তে বাড়তে এখন বানরের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় দুই হাজার। স্বাধীনতার পর তুলারাম গোডাউন আদমজী পাটকলের গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হত।

সেখানকার একজন কর্মকর্তা বানরগুলোকে খাবার দিতেন। ১৯৮১ সালে বিএনপি গোডাউন বিক্রি করে দেয়। বানরদের খাবার দেয়াও বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার এই বানরগুলোর জন্য খাবার সরবরাহ করেছিল। বর্তমানে সরবরাহ না থাকায় বানরগুলো রাস্তায় মানুষের খাবার ছিনিয়ে নেয়, দোকান থেকে খাবার ছিনিয়ে নেয়, বাড়ি বাড়ি গিয়ে অত্যাচার করে খাবার ছিনিয়ে নেয়। এখানকার জনগণ বানরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। বানরকুল রক্ষার জন্য তাদের খাদ্যের জন্য অর্থ বরাদ্দ ও প্রকল্প গ্রহণ জরুরি।

বিস্তারিত খবর

আতিকুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২০ ১২:২৭:২০



আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ নির্দেশ দেন ঢাকা উত্তর সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম। আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দু'টি অভিযোগে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

২৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মহুয়া আফরোজ এবং ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদি মুর্শিদকে এই নির্দেশ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙের দায়ে আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গত রোববার উত্তর সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আতিকুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিলেন তিনি।

আবুল কাসেমের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি জানান, আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আজকে ইসির নির্দেশ পেয়েছি। সারাদিন ব্যস্ত ছিলাম। তাই এখন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি।

এই সিটির বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়ালের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে ইসি।

ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশে বলা হয়েছে, বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়ালের ‘নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে আমার নির্বাচনী প্রচারণারত মাইক্রোফোন ভাঙচুর’ এবং ‘নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘন’ বিষয়ক গত ১৩ জানুয়ারি দাখিল করা আবেদনের বিষয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।

এদিকে, সোমবার তাবিথ আউয়াল আবারো অভিযোগ দেন। তাতে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর ২৫ বিধি অনুযায়ী নির্বাচন-পূর্ব সময়ে অর্থাৎ নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেট প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়কালে কোনো সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব বা উন্নয়ন তফসিলভুক্ত কোনো প্রকল্প বা কাজের ঘোষণা দেয়া যায় না। অথচ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আসন্ন নির্বাচনে প্রাক্কালে ঢাকা উত্তর করপোরেশন কর্তৃপক্ষ ফিরে দেখা ২০১৯ : মশক নিয়ন্ত্রণ শীর্ষক বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে বহুবর্ণে সচিত্র উন্নয়নমূলক ঘোষণা দিয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছেন। যা আচরণবিধি লঙ্ঘন।

বিস্তারিত খবর

২০৩১ সালে শেষ হচ্ছে বাংলাদেশের গ্যাসের মজুত

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২০ ১২:২৬:৪১


দেশে উত্তোলনযোগ্য প্রাকৃতিক গ্যাস যেটুকু রয়েছে তা আর মাত্র ১১ বছর ব্যবহার করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সে অনুযায়ী ২০৩১ সালে শেষ হচ্ছে গ্যাসের মজুত।

সোমবার সংসদে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। সরকারি দলের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে ১০ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুত রয়েছে। যা ১১ বছর ব্যবহার করা যাবে। গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে সম্ভাব্য স্থানে গ্যাসের কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

দেশে বিদ্যমান গ্যাস ক্ষেত্রসমূহ থেকে বর্তমানে দৈনিক দুই হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে বলে জানান নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৯-২১ সাল নাগাদ দুটি অনুসন্ধান কূপ, ২০২২-৩০ সাল নাগাদ ১৩টি অনুসন্ধান কূপ এবং ২০৩১-৪১ সাল নাগাদ ২০টি অনুসন্ধান কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাপেক্স।

অপর প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি পর্যায়ে ১২ দশমিক পাঁচ কেজি এলপিজির দাম ৭০০ টাকা। আর বেসরকারি খাতে বটলিংকৃত প্রতিটি ১২ কেজির সিলিন্ডার খুচরা পর্যায়ে ৯৫০ থেকে ১০০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

বিস্তারিত খবর

বঙ্গবন্ধুর নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাঙালি ও বাংলাদেশ: রাষ্ট্রপতি

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২০ ১২:২৫:৩৩


রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল হামিদ বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশ। তিনি স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। এ বছর স্বাধীনতার সেই অগ্নিপুরুষের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপিত হতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। আগামী ১৭ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের ঠিক ৮দিন আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের কার্যক্রম শুরু হবে। চলবে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত।’

সোমবার গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাকে জাতীয় স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বাংলাদেশ স্কাউটস আয়োজিত নবম জাতীয় কাব ক্যাম্পুরির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও চীফ স্কাউট মো. আব্দুল হামিদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘গোটা দেশবাসী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা গভীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে তাদের প্রিয় নেতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য। ঠিক এমনি সময়ে ক্যাম্পুরি অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা সকলের নিকট স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে সোনার বাংলায় পরিণত করতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। আমাদের তরুণ প্রজন্ম, যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, বঙ্গবন্ধুকে দেখেনি, তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করবে।’

রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, ‘রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তি ছিল আমাদের স্বাধীনতার লক্ষ্য। জাতির পিতা সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাসহ তার পরিবারের আপনজনদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ফলে দেশে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থমকে দাঁড়ায়। উত্থান ঘটে স্বৈরশাসন ও অগণতান্ত্রিক সরকারের। দেশে আজ মুক্তিযুদ্ধের পতাকাবাহী গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজকে পরিপূর্ণতা দানের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ভিশন ২০২১’, ‘ভিশন ২০৪১’ এবং শতবর্ষ মেয়াদি ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ গ্রহণ করেছেন। জাতিসংঘ ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০৩০’ অর্জনসহ ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা এসব পরিকল্পনার উদ্দেশ্য। তবে উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে জনগণকে ইতিবাচক, আধুনিক ও বিজ্ঞানমনস্ক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে উন্নয়ন যাত্রায় সামিল হতে হবে। স্কাউটিং কার্যক্রম পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আধুনিক, প্রগতিশীল, সৃজনশীল হিসেবে গড়ে তুলতে এবং সমাজকে এগিয়ে নিতে।’

রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, ‘স্কাউটিং একজন শিক্ষার্থীকে লেখাপড়ার পাশাপাশি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হাতে কলমে শিক্ষা দেয়। স্কাউটিং দেশসেবা ও মানবিক কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। স্কাউটিং এর শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক জীবনে প্রতিফলিত করা গেলে জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। জীবনে বড় হতে হলে কঠোর পরিশ্রম আর অনুশীলনের বিকল্প নেই। আমি আশা করি নবম জাতীয় ক্যাব ক্যাম্পুরিতে অংশগ্রহণকারী স্কাউটসগণ নিজেদের উন্নয়নের পাশাপাশি পরোপকারী স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে গড়ে তুলবে। তাহলেই তোমরা সমাজের কাছ থেকে আরো স্নেহ-ভালবাসা পাবে এবং অন্যরা তোমাদেরকে অনুসরণ কওে স্কাউটিং এ উৎসাহিত হবে। স্কাউট জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন ‘‘প্রেসিডেন্টস স্কাউট অ্যাওয়ার্ড” অর্জন করেছ। অ্যাওয়ার্ড অর্জনকারী সকলকে আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি। আগামী দিনের সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তোমরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবে এটাই সকলের প্রত্যাশা। আমি তোমাদের সার্বিক কল্যাণ কামনা করি।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ স্কাউট সদস্য সংখ্যা বর্তমানে ১৯ লাখ থেকে ২১ লক্ষে উন্নীত করার উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। ২০২১ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে ৩২ তম এপিআর স্কাউট জাম্বুরি। আমি জেনে আরো আনন্দিত যে, স্কাউট সদস্য সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধিও জন্য বাংলাদেশ বিশ্ব স্কাউট সংস্থার ‘টপ ফাইভ কান্ট্রি অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘এপিআর সাসটেনেবল গ্রোথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে। এজন্য আমি সকল পর্যায়ের স্কাউট ও স্কাউট নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানাই। আগামী দিনে তোমরাই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। তোমরাই জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত, ধর্মনিরপেক্ষ উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে। সবসময় মনে রাখতে হবে অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এ দেশ আমাদের। এ জন্য তোমাদের যোগ্য ও দক্ষ হয়ে গড়ে উঠতে হবে। সমাজসেবা সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তোমরা সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভবন ধ্বস ও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্ধার কাজে তথা জাতীয় দুর্যোগে স্কাউটদের সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে।’

বাংলাদেশ স্কাউটসের সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি।

এর আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও চীফ স্কাউট ২০১৮ সালের স্কাউটদের সর্ব্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড ‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’ এবং রোভার স্কাউটদেও সর্ব্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড ‘প্রেসিডেন্ট’স রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’ অর্জনকারীদের মধ্যে অ্যাওয়ার্ড বিতরণ করেন।

বিস্তারিত খবর

মুজিববর্ষের লোগো যথাযথ ব্যবহারের নির্দেশিকা প্রকাশ

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২০ ১২:২৪:২৪


মুজিব শতবর্ষের লোগো যথাযথ ব্যবহারের জন্য নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে সরকার। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি সকল পর্যায়ে এই নির্দেশনা মেনে চলার আহবান জানানো হয়েছে।

রোববার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি জানায়, মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে সরকারি, বেসরকারি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান মুজিববর্ষ সম্পর্কিত যে সকল ডিজাইন ও স্মারক তৈরি করবে তার মানের সমতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্বাচিত ও অনুমোদিত ‘মুজিব শতবর্ষ’ লোগো ব্যবহারের জন্য নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

মুজিব শতবর্ষ লোগো ব্যবহার নির্দেশিকা’ নামে প্রকাশিত এই নির্দেশিকার কপি সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মুজিববর্ষের ওয়েবসাইট (http://mujib100.gov.bd) থেকে মুজিব শতবর্ষ লোগো এবং লোগো ব্যবহার নির্দেশিকা ডাউনলোড করেও ব্যবহার করা যাবে।

লোগো ব্যবহার নির্দেশিকায় উল্লেখিত দশটি মূল নির্দেশনা হলো- (১) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত রঙ, বর্ণবিণ্যাস এবং আকৃতি ব্যতীত অন্য কোনো প্রকারে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না। (২) সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি, সরকারি ও বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মিডিয়া ও বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক সকল ইমেইল, সরকারি পত্র, স্মারকপত্র, আধা-সরকারি পত্রে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের লোগোর সঙ্গে যথাযথভাবে মুজিববর্ষের লোগোটি ব্যবহার করা যাবে। (৩) সরকারি মালিকানাধীন সকল বাস, ট্রেন, দাপ্তরিক গাড়ি, নৌযান, অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক রুটে চলমান বাংলাদেশ বিমান, সামরিক এয়ারক্রাফ্ট এবং ক্রুজে উপযুক্ত স্থানে; বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনে এবং সাজসজ্জায় মুজিববর্ষ লোগোর নির্দেশিকা অনুসরণ করে নির্ধারিত ও আনুপাতিক হারে নান্দনিকভাবে লোগোটি ব্যবহার করা যাবে। (৪) জাতীয় দিবসসহ বিভিন্ন উপলক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে শুভেচ্ছা কার্ড এবং আমন্ত্রণপত্রে উক্ত লোগো ব্যবহার করা যাবে। (৫) জাতীয় পাঠ্যপুস্তক এবং সকল সরকারি তথ্য বাতায়নে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে। (৬) সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডার, নোটপ্যাড, স্টেশনারি, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি সকল প্রচার সামগ্রীতে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে। (৭) কোনো ব্যক্তিগত বা বেসরকারি ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক প্রোডাক্ট, সেবার উদ্দেশ্যে এই লোগোর ব্যবহার করা যাবে না। (৮) সিগারেট, এ্যালকোহল, আগ্নেয়াস্ত্র কিংবা অনুরূপ দ্রব্যাদিতে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না। (৯) বিভিন্ন ক্রীড়া, সাহিত্য, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংস্থার অনুষ্ঠানের আয়োজনে, প্রকাশনার ক্ষেত্রে লোগো ব্যবহার করা যাবে। (১০) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী জাতীয় পর্যায়ে সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে নির্বাচিত লোগোটি ২৬ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।

এছাড়া উক্ত নির্দেশিকায় উল্লেখিত লোগোর ধরন, লোগোর পটভূমির রঙ, লোগোর চতুর্দিকের ফাঁকা জায়গা, গাঢ় পটভূমিতে লোগোর ব্যবহার, লোগোর মুদ্রণে রঙের নির্দেশনা, লোগোর ব্যবহারিক অবস্থান এবং লোগো ব্রান্ডিং এর উদাহরণ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত