যুক্তরাষ্ট্রে আজ বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 09:37pm

|   লন্ডন - 03:37pm

|   নিউইয়র্ক - 10:37am

  সর্বশেষ :

  নির্বাচন পেছানোর বিষয়ে পরে জানাবে ইসি   বিল ক্লিনটনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুললেন মনিকা   হামাস-ইসরাইল অস্ত্রবিরতি : প্রতিবাদে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ   রেকর্ড পরিমাণ মার্কিন নাগরিক আশ্রয় চাইছে কানাডায়   শ্রীলঙ্কায় নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসের প্রতি সংসদের অনাস্থা   আটক রেখে নির্বাচন হতে পারে না : খালেদা জিয়া   যৌনকর্মীদের পুনর্বাসনে হাইকোর্টের রোল   নয়াপল্টনে বিএনপি কর্মীদের সাথে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ   ধানের শীষ বিজয়ী করে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার অঙ্গীকার ইতালি বিএনপির   নরসিংদী-৫ মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রবাসী সাংবাদিক জুয়েল   তনুশ্রী আমার সঙ্গে লেসবিয়ান সেক্স করেছেন : রাখি   আংটির নকশা করলেন অ্যাপলের প্রধান ডিজাইনার, দাম কত?   ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সিএনএনের মামলা   নির্বাচন পেছানোর আর সুযোগ নেই : সিইসি   ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ফিলিস্তিনের

>>  স্বদেশ এর সকল সংবাদ

নির্বাচন পেছানোর বিষয়ে পরে জানাবে ইসি

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের তারিখ পেছানোর কথা বলেছে। নির্বাচন কমিশন বলেছে, জানুয়ারিতে অনেক বিষয় আছে, তারপরও নির্বাচন কমিশন বৈঠকে বসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরে এ বিষয়ে জানাবে।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

সচিব বলেন, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হলে এখানে অনেকগুলো রি-ইলেকশন করতে হতে পারে। গেজেটের ব্যাপার আছে, বিশ্ব ইজতেমার ব্যাপার আছে। সবকিছু মিলিয়ে জানুয়ারিতে করা হলে নির্বাচনটা আমাদের জন্য অনেক কষ্টদায়ক হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আজ

বিস্তারিত খবর

আটক রেখে নির্বাচন হতে পারে না : খালেদা জিয়া

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১৪ ১৩:৫২:১৫

নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির সময় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাদের আটকে রাখা হচ্ছে। এভাবে নির্বাচন হতে পারে না।
বুধবার এ মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির সময় পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ মাহমুদুল কবিরের আদালতে খালেদা জিয়া এমন মন্তব্য করেন।
এদিন বেলা ১১টা ৫৮ মিনিটে হুইল চেয়ারে করে আদালতের এজলাসে প্রবেশ করানো হয় খালেদা জিয়াকে। বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, ‘একদিকে মামলা চলবে, অপরদিকে তারা (ক্ষমতাসীন ১৪দল) নির্বাচন করবে, এটা তো হতে পারে না।’
শুনানির এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ‘আমার মামলাগুলো কেন এত দ্রুত বিচার করা হচ্ছে? কয়টা মামলা দ্রুত বিচারে নিষ্পত্তি করা হয়েছে? নারায়ণগঞ্জের সাত খুন (সেভেন মার্ডার) কি দ্রুত বিচার আইনে হয়েছে?’
আদালতে খালেদা জিয়া নির্বাচনের পর অভিযোগ গঠনের বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সময় আমার আইনজীবী ও নেতাকর্মীরা ব্যস্ত থাকবেন। কেউ আদালতে আসতে পারবেন না। এ কারণে নির্বাচনের পর শুনানির দিন ধার্য করা হোক।’
পরে আদালত আগামী ৩ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেন। এ মামলায় খালেদা জিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছিলেন।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়া গ্রেফতার হওয়ার পর ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ মামলাটি দায়ের করে। ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় দুদক।
মামলায় অভিযোগ করে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে ‘তুলে দেওয়ার’ মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন। আসামি পক্ষ এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন।
শুনানি শেষে আদালত ২০০৮ সালের ৯ জুলাই এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করার পাশাপাশি রুল জারি করেন। এরপর বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৫ সালের ১৮ জুন হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করে। পাশাপাশি খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরে ওই বছরের ডিসেম্বরে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক আমিনুল ইসলাম ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেয় আদালত। সেই দিন থেকেই কারাগারে রয়েছেন তিনি।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

যৌনকর্মীদের পুনর্বাসনে হাইকোর্টের রোল

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১৪ ১৩:৪৯:৫৩

দেশের পতিতালয়গুলো বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে যৌনকর্মীদের পুনর্বাসনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র সচিব, সমাজকল্যাণ সচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) উক্ত রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বুধবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ওমর শরীফ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যার্টনি জেনারেল মো. মোখলেসুর রহমান।

পরে অ্যাডভোকেট ওমর শরীফ জানান, দেশের সকল পতিতালয় বন্ধ করার জন্য এবং যৌনকর্মীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে। তারপরও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক পতিতালয় রয়েছে। সেখানে কাজের কথা বলে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তরুণী, বিধবাদের পাচার করছে। তাই পতিতালয় উচ্ছেদ এবং যৌনকর্মীদের পুনর্বাসনের নির্দেশনা চেয়ে  আইনজীবী সোহেল ইসলাম খান এবং শফিকুল কাজল রিট করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন  আদালত।

চলতি বছরের ২৩ জুন একটি জাতীয় দৈনিকে ‘কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রির চেষ্টা, স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার’  এবং ৫ জানুয়ারি অপর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘চাকরির কথা বলে দুই কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রি, অতঃপর...’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। রিটে এসব প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নয়াপল্টনে বিএনপি কর্মীদের সাথে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১৪ ১৩:৪৭:৩৬

মনোনয়নপত্র বিক্রির মধ্যেই রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় বিএনপির প্রধান কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পুলিশের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বুধবার দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আজ ছিল বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রির তৃতীয় দিন। এদিনও মনোনয়ন ফরম কিনতে আসা নেতা-কর্মীদের চাপে রাজধানীর নয়াপল্টনের সামনের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, পুলিশ রাস্তা স্বাভাবিক করতে নেতা-কর্মীদের অনুরোধ জানো হয়। একপর্যায়ে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এ নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ ও নেতা-কর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে। এ সময় নেতা-কর্মীরা কার্যালয়ের সামনে থাকা বেশ কয়েকেটি পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। বুধবার দুপুর ১টা থেকে এই সংঘর্ষ শুরু হয়ে প্রায় ২টা পর্যন্ত চলে।
এ ঘটনায় পুলিশের টিয়ার শেলের আঘাতে এক সাংবাদিকসহ বিএনপির ২৫ নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের স্থানীয় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি নেতা আব্বাসের সঙ্গে আসা তার কর্মী আসাদুজ্জামান, পল্টন থানা বিএনপি কর্মী কাদির, মাদারীপুর শিবচর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সাখাওয়াত, ঢাকার স্বেচ্ছাসেবক দলের সুমন চৌকিদার, মানবজমিনের সাংবাদিক রুদ্র মিজান, গাইবান্ধা পলাশবাড়ীর ছাত্রদল নেতা শামীম রেজা, একই থানার ছাত্রদল নেতা খন্দকার আপেল মাহমুদ, বিএনপি নেতা ড. মইনুল সাদিক, ফরহাদ, এম শুকুর পাটোয়ারী।

বিএনপির কর্মী, পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা শোডাউন শুরু করলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সেখানে আগে থেকে থাকা পুলিশ সদস্যরা টিয়ার শেল নিক্ষেপ করতে শুরু করে। এর পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে। বিএনপির নেতাকর্মীরা দিগ্বিদিক ছুটাছুটি করতে থাকেন।
একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের পক্ষ থেকেও টিয়ার গ্যাসের কয়েকটি শেল নিক্ষেপ করা হয়। এর একপর্যায়ে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে উপস্থিত দৈনিক মানব জমিন পত্রিকার অপরাধবিষয়ক প্রতিবেদক রুদ্র মিজানের শরীরে টিয়ার শেলের পাঁচটি স্লিন্টার লেগেছে। তিনি পল্টন এলাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
রুদ্র মিজান গণমাধ্যমকে আরও বলেন, ‘সংবাদ সংগ্রহের জন্য আমি সকাল থেকেই বিএনপি অফিসের সামনে অবস্থান করছিলাম।’
বিএনপির মহিলা দলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মুকুল আকতার কনা বলেন, ‘কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুলিশ গুলি (ছড়রা) করতে শুরু করে।’
এই নেত্রী অভিযোগ করেন, থেমে থেমে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী (২টা পর্যন্ত) চলা সংঘর্ষের সময় পুলিশ ছড়রা গুলি ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে।
এদিকে টিয়ার শেল নিক্ষেপের বিষয়টি স্বীকার করেনি পুলিশ। পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের কিছু হয়নি।
দুপুরে মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘পুলিশ রাস্তা থেকে বলেছিল সরে যেতে, যাতে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকে। কিন্তু তারা সে কথা না শুনে হঠাৎ পুলিশের ওপর হামলা করে।’
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মনোনয়ন ফরম নিতে আসা নেতা-কর্মীদের ওপর বিনা উসকানিতে পরিকল্পিত হামলা করেছে সরকার। সংঘর্ষের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, ‘গত তিন ধরে নেতা-কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে আসে। এখানে (পল্টনে) স্বাভাবিক পরিবেশ বিরাজ করছিল। শেখ হাসিনার নির্দেশে নির্বাচন কমিশন পুলিশ দিয়ে এ হামলা চালাচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে সরকার :
ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে সরকার নিজেই। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাথে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক শুরুর আগে গতকাল দুপুরে ইসিতে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
নয়া পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, এর মাধ্যমে সরকার ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করছে।
তিনি জানান, সরকার বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করছে। এ ধরনের পরিস্থিতি না ঘটানোর আহ্বান জানান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ মুখপাত্র। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনক ভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের আইন শৃঙ্খলাবাহিনী তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এ ধরনের পরিস্থিতি করে সরকার নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করছে। ভোটের অনুকূল পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য আহ্বান জানাই।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নির্বাচন পেছানোর আর সুযোগ নেই : সিইসি

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১৩ ১২:৩৫:৪০

আসন্ন একদাশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২৩ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দাবির প্রেক্ষিতে জাতীয় নির্বাচন এক সপ্তাহ পেছানো হয়েছে। এরপর আর পেছানোর কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরুর আগে নির্বাচন ভবনে সিইসি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে অন্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচনে ঢাকা ও চট্টগ্রামের জন্য বিভাগীয় কমিশনার এবং অন্য জেলাগুলোতে জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

সিইসি বলেন, বিভিন্ন দলের দাবিতে ভোটের তারিখ পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর করা হয়েছে। নানা দিক বিবেচনা করে নির্বাচন পেছানোর আর কোনো সুযোগ নাই। সংসদ ও সরকার বহাল থেকে এবার নির্বাচন হওয়ায় অন্যবারের থেকে এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। কখনও তত্বাবধায়ক সরকার, কখনও সেনাবাহিনী এবং একক দলের নির্বাচন হয়। তাই এবার ভোটে রাজনৈতিক চাপ বেশি।

কেএম নূরুল হুদা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, এবার নতুন আইনে এবং ভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্বাচন হবে। তাই জাতি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দিকে তাকিয়ে আছে। এছাড়া মন্ত্রী, এমপি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের থেকে চাপ আসলে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, দায়িত্ব পালনে কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবেন না। কমিশনের আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করবেন। অতি উৎসাহী আচরণ বা ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না।

নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি চালক হয়, নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফল করতে হলে রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেই গাড়ির ফুয়েল হিসেবে কাজ করে। তাই সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তারা জনগুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করবেন।

দলগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ ডিসেম্বরের পরিবর্তে সোমবার (১২ নভেম্বর) ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণের পুনঃতফসিল দেয় ইসি। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৮ নভেম্বর, বাছাই ২ ডিসেম্বর ও প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ ডিসেম্বর।

যদিও বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ও ড. কামালের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট তফসিল এক মাস পেছানোর দাবি জানিয়েছিল ইসির কাছে। তবে, সিইসিকে চিঠি দিয়ে ভোটগ্রহণের দিন এক সপ্তাহ পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকলধারার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. বি.চৌধুরী।

গত ৮ নভেম্বর ২৩ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণের দিন ঠিক করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন সিইসি কে এম নূরুল হুদা। ওই তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষদিন ছিল ১৯ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ছিল ২২ নভেম্বর এবং ২৯ নভেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট থেকেই নির্বাচনে অংশ নেবে জাতীয় পার্টি

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১৩ ১২:২২:১৩

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের সঙ্গে জোট করেই নির্বাচনে অংশ নেবে জাতীয় পার্টি (জাপা)।দলীয় মনোনয়র ফরম বিক্রির তৃতীয় দিন শেষে মঙ্গলবার বিকেলে বনানীতে জাপা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার।

তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি মহাজোটে থেকেই নির্বাচনে অংশ নেবে। আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়েই দু'একদিনের মধ্যে মহাজোটের আসন বন্টন চূড়ান্ত হবে।

এসময় জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, যত দ্রুত সম্ভব মহাজোটের আসন বণ্টন শেষ হবে। চুলচেরা বিশ্লেষণে চূড়ান্ত করা হবে প্রার্থী তালিকা। প্রতিটি আসনেই জাতীয় পার্টির রিজার্ভ ভোট আছে, তারাই জয়-পরাজয়ে মূল ভূমিকা রাখবে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টি থাকলে প্রতিটি আসনে মহাজোটের প্রার্থীর বিজয়ের পথ সহজ হবে।

বিএনপিবিহীন দশম সংসদ নির্বাচন এইচ এম এরশাদের দল আলাদাভাবে অংশ নিলেও ২০০৮ সালের নির্বাচন জোট বেঁধেই করেছিল আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি।

এদিকে জাতীয় পার্টির কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, তিন দিনে এক হাজার ৯৮৬টি দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে। আগামী  বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ফরম বিক্রি করা হবে। শনিবার শুরু হবে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

প্রথম দিনে বিএনপির ১ হাজার ৩২৬টি মনোনয়নপত্র বিক্রি

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ১৩:৪৬:৫৪

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রথম দিনে এক হাজার ৩২৬টি মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছে বিএনপি। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত এ মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, নির্বাচনের তারিখ পেছানোর কারণে দলের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদানের সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৬ নভেম্বর শুক্রবার পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেয়া যাবে।

বিএনপির মনোনয়নপত্রের মূল্য রাখা হয়েছে পাঁচ হাজার টাকা। আর জমা দেওয়ার সময় জামানত হিসেবে দিতে হচ্ছে ২৫ হাজার টাকা।

রোববার পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেয় বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

সোমবার রাজনৈতিক দলগুলোর দাবিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারিখ পিছিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।পুনঃতফসিল অনুযায়ী, ২৩ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণের তারিখ পরিবর্তন করে ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। আর মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ১৯ নভেম্বর থেকে পিছিয়ে ২৮ নভেম্বর করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই করা হবে ২ ডিসেম্বর ও প্রত্যাহার ৯ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। ১০ ডিসেম্বর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। সন্ধ্যায় এক প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন এ তথ্য প্রকাশ করে।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

৪ হাজার ৩৬৭টি মনোনয়ন বিক্রি করেছে আ.লীগ, আয় ১৩ কোটি টাকা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ১৩:৪৫:৩৫

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দলীয় ৪ হাজার ৩৬৭টি মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছে আওয়ামী লীগ। আজ সোমবার মনোনয়নপত্র বিক্রি ও জমা দেয়ার ছিল শেষ দিন। এদিন ৩৩২টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়। গেল চারদিনে সর্বমোট ৪হাজার ৩৬৭টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়। প্রতিটি মনোনয়নপত্রের মূল্য ছিল ৩০ হাজার টাকা। যা থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় ফান্ডে জমা হয়েছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ১০ হাজার টাকা।

গেল শুক্রবার থেকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র বিক্রি ও জমার কাজ শুরু হয়।আটটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ব্যক্তিদের কাছে দলীয় মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছে আওয়ামী লীগ। ধানমন্ডিতে দলটির বর্ধিত অফিসের দোতলা ও তৃতীয়তলা থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তারা।

মনোনয়নপ্রত্যাশী ও তাদের সমর্থকদের ভিড়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমণ্ডির কার্যালয় ঘিরে ছিল উৎসবের আমেজ। মনোনয়নপত্র কিনতে প্রত্যাশীরা দলবল নিয়ে ধানমন্ডিতে হাজির হন।

ঘোষিত নতুন তফসিল অনুযায়ী, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ ডিসেম্বর এবং প্রত্যাহারের তারিখ ৯ ডিসেম্বর। নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে সোমবার এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আজ সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা ভোটের নতুন তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ঘোষণা করেন।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নির্বাচন এক সপ্তাহ পেছাল, ৩০ ডিসেম্বর ভোট

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ০২:৩০:২৬

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আগামী একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পেছোনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৩ ডিসেম্বরের পরিবর্তে একাদশ সংসদ নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৮ নভেম্বর।

এর আগে গত ৮ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।  ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল আগামী ২৩ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১৯ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ২২ নভেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

৩ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কিনলেন খালেদা জিয়া

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ০০:৪৮:২০

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তিনটি আসন থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আসনগুলো হলো, ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও ৭। 

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন ফরম কেনার মাধ্যমেই বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়।

সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে প্রথমে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খালেদা জিয়ার পক্ষে ফেনী-১ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কেনেন।

এর পর পরই খালেদা জিয়ার পক্ষে বগুড়া-৬ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কেনেন স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

এ ছাড়া বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য মির্জা আব্বাস খালেদা জিয়ার পক্ষে বগুড়া-৭ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কেনেন।

এ সময় তারা ফরমের নির্ধারিত মূল্যও পরিশোধ করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদিন, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরফত আলী সপু, সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনীর হোসেন, বেলাল আহমেদ, সহ-প্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক সিকদার প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দি থাকায় খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে আদালত যদি তাকে অনুমতি দেন সেক্ষেত্রে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

উল্লেখ্য, গতকাল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের যাওয়ার ঘোষণার দেওয়ার পরই বিকেলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আজ থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রির ঘোষণা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এবং মঙ্গলবার একই সময়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করা হবে। সেই সাথে ১৩ নভেম্বর এবং ১৪ নভেম্বরের মধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা দিতে হবে। ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ৫ হাজার টাকা এবং জমা দিতে লাগবে ২৫ হাজার টাকা।’

এ ছাড়া গতকাল রোববার ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণার দেওয়ার পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটও নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

এদিকে, মনোনয়ন ফরম বিক্রি উপলক্ষে সোমবার সকাল থেকেই নয়া পল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী ও তাদের সমর্থকরা ভিড় করছেন।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবে বিএনপিসহ ৮ দল

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ০০:৪৩:০০

বিএনপিসহ আটটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে।

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে গিয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) দেওয়া এক চিঠির মাধ্যমে এ কথা জানায় বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।

প্রতিনিধিদলে ছিলেন- বিএনপির প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান, দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বিজন কান্তি সরকার প্রমুখ।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিম্নলিখিত নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো যৌথভাবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। দলগুলো হলো- বিএনপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), খেলাফত মজলিস, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।

চূড়ান্ত মনোনয়ন সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আসনে যৌথভাবে মনোনীত প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দের জন্য লিখিতভাবে অবহিত করা হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

কৃষিক শ্রমিক জনতা লীগ জাতীয় এক্যফ্রন্টের শরিক দল হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবে বলে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে। তারা দলীয় প্রতীক ‘গামছা’ অথবা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনীত প্রতীক ব্যবহার করবে।

নির্বাচন কমিশনে দেওয়া কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার স্বাক্ষরিত চিঠিতে এসব কথা বলা হয়েছে।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ঢাবির হলে ছাত্রদের বের করে কক্ষ দখল করল ছাত্রলীগ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ০০:৪১:২৫

শিক্ষার্থী তিনজন থাকেন তাদের নামে বরাদ্দ করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে। কক্ষে তালা দিয়ে পাঠকক্ষে পড়তে গিয়েছিলেন তারা। গভীর রাত পর্যন্ত পড়াশোনা শেষে কক্ষে ফিরে দেখেন নিজেদের জিনিসপত্রগুলো বাইরে। তালা ভেঙে সে কক্ষে উঠানো হয়েছে কয়েকজনকে। পরে এ নিয়ে কথা বলতে গেলে তাদের হুমকি দেয়া হয় বলে অভিযোগ। তাই কক্ষে থাকতে না পারায় বাইরে শীতের মধ্যে রাত পার করতে হয় ভুক্তভোগীদের। ভুক্তভোগীদের মধ্যে ছাত্রলীগের নিজেদের সংগঠনের নেতাও রয়েছেন।
শনিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে এভাবেই বৈধ শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়ে কক্ষ দখলের অভিযোগ হল শাখা ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত আরিফ হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সানীর অনুসারী। আর ভুক্তভোগীরা হলেন- আমান সাদিক, আবদুল আলিম ও নূর মোহাম্মদ ফরহাদ। সবাই মাস্টার্সের শিক্ষার্থী এবং থাকতেন হলের ২০৪ নম্বর কক্ষে। এদের মধ্যে আমান মুহসীন হল ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি। আর আলিম ও ফরহাদ ঢাবি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা হল প্রশাসনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে সূত্র জানায়।

হল সূত্র জানায়, ২০৪ নম্বর কক্ষে মাস্টার্সের ছাত্র আমান, আলিম ও ফরহাদ থাকতেন। কক্ষে তালা লাগিয়ে তারা পাঠকক্ষে অধ্যয়ন করছিলেন। কিন্তু রাত দেড়টার দিকে কক্ষে এসে দেখেন সকল জিনিসপত্র কক্ষের বাইরে। সেখানে তারা দ্বিতীয় বর্ষের কয়েকজন ছাত্রকে অবস্থান করতে দেখেন। পরে কক্ষে ঢুকতে গেলে তাদের হুমকি দিয়ে বের করে দেয়া হয়।
জানতে চাইলে ভুক্তভোগী আলিম বলেন, শীতের মধ্যে সারা রাত বাইরে কাটিয়েছি। জিনিসপত্র এলোমেলো করে ফেলায় অনেক জরুরি কাগজপত্র হারিয়ে গেছে। আমি আমার কক্ষ ফেরত চাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরিফ নয়া দিগন্তকে বলেন, তাদের বের করে দেয়া হয়নি। কক্ষ পরিবর্তন করে উপরের কক্ষে যেতে চেয়েছিলো তারা। তাই তাদের অন্য কক্ষে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তবে এর একটা সুনির্দিষ্ট নিয়ম আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের তো কক্ষ দেয়া হচ্ছে।
হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক নিজামুল হক ভূইয়াকে ঘটনা অবহিত করলে তিনি পরে জানাবেন বলে জানান।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ঢাকায় আ.লীগের দু’পক্ষের নির্বাচনী সংঘাতে জোড়া খুন, জানেন না ইসি সচিব!

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১১ ০১:১৫:২২

আগারগাঁও থেকে মোহাম্মদপুর। সীমানা ধরলে লাগোয়া। আর মোহাম্মপুরের নবোদয় হাউজিং থেকে নির্বাচন ভবন, বড়জোর দুই কিলোমিটার।

শনিবার সকালে নবোদয় হাউজিংয়ের সামনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত হন ২ যুবক।

অথচ বিকেলে ব্রিফিংয়ে এসে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানালেন, এমন কোনো ঘটনা তিনি জানেন-ই না। সাংবাদিকদের কাছ থেকে মাত্রই শুনলেন।

মনোনয়নপত্র নিতে যাওয়ার সময় সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিংয়ের সামনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাদেক খানের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে পিকআপ চাপায় দুই যুবক নিহত হন। নিহতরা হলেন, পথচারী সুজন (১৮) ও আরিফ (১৫)।

এই সহিংসতার বিষয়টি নজরে এনে সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান, মনোনয়নপত্র বিতরণকে কেন্দ্র করে এক ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা চলছে। এটি জনভোগান্তিও তৈরি করেছে। এসব বন্ধে আপনারা কি ব্যবস্থা নিয়েছেন?

জবাবে তিনি বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা, মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ। কোনো দল বা ব্যক্তি যদি প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রচারণা চালান, তা স্বাভাবিকভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন। আমরা ইতোমধ্যে সকল রিটার্নিং অফিসারকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এরপর সাংবাদিকরা ইসি সচিবকে জানান— মোহাম্মদপুরে সম্ভাব্য দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে দু’জন নিহত হয়েছেন। পরে স্বররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, এ ঘটনার দায়-দায়িত্ব ইসির ওপর বর্তায়। এখন আপনার কি বলবেন?

জবাবে হেলালুদ্দীন বলেন, ‘এমন বিষয় (সংঘর্ষ) আমরা জানি না। আপনাদের কাছ থেকে মাত্রই শুনলাম। বিষয়গুলো আমাদের নজরে আসেনি, আমরা শুনিও নাই।’

নজরে আসলে কি করবেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের পক্ষেতো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান আইজিপিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইতোমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছেন— নির্বাচন ঘিরে যাতে কোথাও কোনো সহিংসতা না হয়। কেউ যেন কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে প্রচার-প্রচারণা না চালান এবং যাতে কোনো ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন না হয়, সেগুলো বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা আশা করব, যারা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, তারা যেন আচরণবিধি মেনে চলবেন। প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র নিতে এলে তাদের হাতে আচরণবিধির ফটোকপি দেয়া হবে। এরপরও কিছু ঘটলে রিটার্নিং অফিসার নির্বাচন কমিশনের পক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।’

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি নিয়ে ধানমন্ডি এলাকার জনদুর্ভোগ বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভোট একটি উৎসব। প্রচার-প্রচারণা, মনোনয়ন ফরম নেয়া, জমা দেয়া একটি নির্দিষ্ট সীমানায় হচ্ছে। এতে আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে, এটা আমাদের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে না।’

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে বিএনপি ও জোট

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১১ ০০:৫৫:৪২

বাংলাদেশে ড: কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এই জোটের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতা বিবিসি'র সাথে আলাপকালে তাদের এমন সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।

বিএনপি'র আরেকটি জোট ২০ দলও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে তারা নির্বাচনের সময় পিছানোর দাবি জানাবে।

বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের নেতারা অনানুষ্ঠানিকভাবে বলেছেন,আন্দোলনের অংশ হিসেবে তারা শর্তসাপেক্ষে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন।

ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড: হোসেনের আজ সংবাদ সম্মেলন করে সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

যদিও সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকার গঠন করাসহ ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবি পূরণ হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সাথে দুই দফায় সংলাপে তাদের মুল দাবিগুলো নাকচ হয়ে গেছে।

বিএনপি'র জাতীয় স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য বলেছেন, যেহেতু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়ে গেছে, ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে থেকে তারা কোন কর্মসূচি নিলে তাতে পুলিশের অনুমতি না দেয়ার বা আইনগত প্রশ্ন তোলার সুযোগ থাকে। এছাড়া নির্বাচন বানচালের চেষ্টার অভিযোগও আনা হতে পারে। এর পাশাপাশি তারা রাজনৈতিক অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তারা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে চাইছেন।

এছাড়া নির্বাচনে অংশ নেয়ার ব্যাপারে বিএনপি নেতৃত্ব তাদের তৃণমুলের নেতাকর্মিদের থেকেও চাপের মধ্যে রয়েছে বলে দলটির নেতাদের অনেকে বলছেন।

তারা এবার একতরফাভাবে নির্বাচনী মাঠ ছেড়ে দিতে রাজী নন।

সেখানে অন্যান্য দাবি পূরণ না হলেও বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া তারা কিভাবে নির্বাচন যাবে, সেই প্রশ্নও দলটির অনেকে তুলছেন।

বিএনপির সিনিয়র নেতারা বলছেন, তারা তাদের দলের নেত্রীর মুক্তিসহ দাবিগুলোতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন।

তবে বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্ট মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার তারিখ এবং নির্বাচনের সময় পিছিয়ে তফসিল নতুনভাবে সাজানোর বা পুন:তফসিলের দাবি জানাতে পারে।

তারা তাদের আন্দোলনও অব্যাহত রাখবে।

দু'এক দিনের মধ্যে এই ফ্রন্টের নেতারা নির্বাচন কমিশনের সাথে বৈঠক করতে পারেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে তারা রাজনৈতিক নেতা কর্মিদের গ্রেফতার বা পুলিশী হয়রানি বন্ধ করা সহ সব দলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টির দাবি জানাতে পারেন।

তারা সরকারের সাথেও আলোচনা চাইবেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম একজন নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না বিবিসিকে বলেছেন, ‘নির্বাচনের তফসিল যেটা ঘোষণা করা হয়েছে, এই অল্প সময়ে প্রক্রিয়াগুলো করা প্রায় অসম্ভব। সেজন্য আমরা তফসিল ঢেলে সাজাতে বলবো।গ্রেফতার বন্ধ করতে হবে।রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।বন্ধ করতে হবে নতুন নতুন মামলা দেয়া।এরসাথে সবার জন্য সমান সুযোগ আমরা চাইবো।এই বিষয়গুলো আমরা এখন হাইলাইট করবো।’

এদিকে, কোন দল কোন জোট থেকে নির্বাচনে অংশ নেবে, বা কোন দল এককভাবে নির্বাচন করবে, সে ব্যাপারে দলগুলোকে আজই কমিশনে জানাতে হবে।

২০দলীয় জোটের কয়েকটি শরিক দলের নেতারা জানিয়েছেন, এই জোটের শরিক কোন কোন দল ধানের শীষ প্রতীক নেবে এবং কয়টি আসন চায়, তা জানতে চেয়ে তাদের প্রধান শরিক বিএনপি ইতিমধ্যে চিঠি দিয়েছে।

জামায়াতে ইসলামী ছাড়া অন্যরা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করার কথা জানিয়ে দিয়েছে।

জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় এই দলের প্রার্থীরা কিভাবে নির্বাচন করবেন, তা নিয়ে তাদের জোটেও আলোচনায় কোন ফল আসেনি।

তবে বিএনপির প্রতীক নেয়া না নেয়ার প্রশ্নে জামায়াত আজ রোববার সকালের মধ্যে তাদের সিদ্ধান্ত বিএনপিকে জানাবে।

বিএনপির নেতারা বলেছেন, তাদের দুই জোটে আসন ভাগাভাগিতে সমস্যা হবে না বলে তারা মনে করেন।

তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং তাদের জোটের শরিকরা ইতিমধ্যে মনোনয়ন প্রার্থীদের মধ্যে ফরম দেয়া শুরু করেছে।তারা পুরোপুরি নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছে।

বিএনপি বা ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বলছেন, তাদেরও প্রস্তুতি আছে। তবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে তারা সময় চাইবেন।

বিএনপি নিজেদের মধ্যে এবং জোটের শরিকদের সাথে কয়েকদফা বৈঠক করেছে শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত।

দলটি প্রথমে তাদের নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নিজেদের অবস্থান ঠিক করেছে।

এরপর বিএনপি বৈঠক করেছে তাদের পুরোনো ২০ দলীয় জোটের শরিকদের সাথে।

শনিবার রাতেই বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আজ শহিদ নূর হোসেন দিবস

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১০ ০২:১৮:২৯

আজ ১০ নভেম্বর, শহিদ নূর হোসেন দিবস। বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন-সংগ্রামে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৮৭ সালের এই দিনে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহিদ হন নূর হোসেন।

তার এই আত্মত্যাগ তত্কালীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে বেগবান করে। এ দিনে হাজারো প্রতিবাদী যুবকের সঙ্গে জীবন্ত পোস্টার হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন যুবলীগ কর্মী নূর হোসেন। তার বুকে-পিঠে উত্কীর্ণ ছিল ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ এই জ্বলন্ত স্লোগান।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অকুতোভয় সেই যুবকের অগ্নিঝরা স্লোগান সহ্য হয়নি তত্কালীন স্বৈরশাসকের। স্বৈরাচারের লেলিয়ে দেয়া বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালিয়ে তার বুক ঝাঁঝরা করে দেয়। গুলিতে আরও শহিদ হন যুবলীগ নেতা নুরুল হুদা বাবুল ও কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটোও।

এই আন্দোলনের জোয়ারে নব্বইয়ের শেষ দিকে ভেসে যায় স্বৈরাচারের তক্তপোশ। শহিদ নূর হোসেনের রক্তদানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন তীব্রতর হয় এবং অব্যাহত লড়াই-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে।

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ  তার বাণীতে বলেন, নূর হোসেনের মতো সকল সাহসী মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সচেষ্ট থাকার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিনে শহিদ নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয় ঢাকার রাজপথ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণিতে বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে ১০ নভেম্বর একটি অবিস্মরণীয় দিন।  ১৯৮৭ সালের এই দিন যুবলীগ নেতা নূর হোসেনের রক্তে ঢাকার রাজপথ রঞ্জিত হয়েছিল।

দিবসটি উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শহীদের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শহীদ নূর হোসেন স্কয়ারে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত, আলোচনা সভা, সেমিনার প্রভৃতি।

বিস্তারিত খবর

আওয়ামী লীগের প্রার্থী হচ্ছেন নাজমুল হুদা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৯ ১৩:৩৬:০৬

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। তিনি ঢাকা -১৭ আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়তে চান।

শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে তার একজন প্রতিনিধি মনোনয়ন ফরমটি সংগ্রহ করেন।

২০১০ সাল থেকে বিএনপির সাথে নাজমুল হুদার টানাপোড়েন শুরু হয়। দল তাকে বহিষ্কার করে। সেই বহিষ্কার আদেশের পরও তিনি বিএনপির পরিচয়েই রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করেন। পরে ২০১২ সালের জুনে তিনি বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন। এর দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) নামে নতুন একটি দল গঠন করেন। কিন্তু এটাও বেশিদিন টিকেনি। কয়েক মাসের মধ্যেই ফ্রন্টের আরেক নেতা আবুল কালাম আজাদ তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেন।

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর)। তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ ডিসেম্বর (রোববার)। এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১৯ নভেম্বর (সোমবার)। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ২২ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার)। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার)।

তফসিল ঘোষণার পর শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পত্রের ফরম বিক্রি। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে এই ফরম বিক্রি শুরু হয়।

মনোনয়নপত্রের ফরম কেনার জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয়ের সামনে সকাল থেকেই হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেছেন। গতবার মনোনয়ন ফরমের দাম ২৫ হাজার টাকা থাকলেও এবার তা ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসন্ন এ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া এলাকার গোপালগঞ্জ-৩ ও রংপুরের পীরগঞ্জের রংপুর-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

বিস্তারিত খবর

খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া তফসিল গ্রহণযোগ্য হবে না: ফখরুল

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৯ ১৩:৩২:১৭

আমাদের কথা খুব স্পষ্ট। নির্বাচনের মাঠ সমান করতে হবে। সকল দলকে সমান অধিকার দিতে হবে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া নির্বাচনের তফসিল গ্রহণযোগ্য হবে না। এখন সংকট আরও কঠিন আরও ভয়াবহ। বললেন জাতীয় ঐক্যফন্টের মুখপাত্র এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার বিকেলে রাজশাহীর আলিয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে এই স্বৈরাচার সরকার আটকে রেখেছে। তিনি অসুস্থ, হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। সেখান থেকে তাকে জেলখানায় নেওয়া হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমাদের কথা পরিষ্কার-নির্বাচনের মাঠ সমান করতে হবে। সব দলকে সমান অধিকার দিতে হবে। মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় এই তফসিল গ্রহণযোগ্য হবে না।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, পাঁচ বছর ধরে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আমরা আন্দোলন করে যাচ্ছি। তারা পুলিশ দিয়ে, বন্দুক-পিস্তল দিয়ে মানুষকে গণতন্ত্রের অধিকার থেকে বঞ্চিত রেখেছে। শত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে আপনারা উপস্থিত হয়েছেন। পথে পথে বাধা অতিক্রম করে আপনারা গণতন্ত্রের জন্য এসেছেন। এখন সংকট আরও কঠিন, আরও ভয়াবহ।

ফখরুল বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে জনগণের মধ্যে ঐক্য গড়ে বাংলাদেশের মুক্তি জন্য লড়াই করছি। সে জন্য আমরা সংলাপে বসেছিলাম। আমরা বলেছিলাম, পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে হবে, দেশনেত্রীকে মুক্তি দিতে হবে। কিন্তু তারা তা করেনি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন-আপনারা কি খালেদা জিয়ার মুক্তি চান? তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চান? তাহলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দাবি আদায় করতে হবে।

রাজশাহীবাসীর উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাজশাহীর মানুষের কাছে আমাদের আবেদন, আপনারা সংগ্রামী মানুষ, লড়াকু মানুষ। আমাদের মনে আছে, রাজনৈতিক আন্দোলনে রাজশাহীর কত মানুষ প্রাণ দিয়েছে। গণতন্ত্রকে রক্ষার এই আন্দোলনকে প্রাণ দিয়ে হলেও আমরা সফল করবই। জনগণের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারের পতন হবে।

দুপুর ২টায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে জনসভা শুরু হয়। শারীরিক অসুস্থতার কারণে আজকের জনসভায় যোগ দিতে পারেননি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনসহ সাত দফা দাবি আদায়ে নবগঠিত জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের রাজশাহীতে এটি চতুর্থ সমাবেশ।

জনসভায় আছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের চেয়ারম্যান ও ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক দলের নেতা বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বিজেপির সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থ, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রবসহ জাতীয় ঐক্যফন্টের নেতাকর্মীরা।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়ক ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

তফসিলের পর আন্দোলন কর্মসূচি আইন ও সংবিধান পরিপন্থি : কাদের

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৯ ১৩:৩০:৩৯

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল গতকাল বৃহস্পতিবার (০৮নভেম্বর) ঘোষণা করা হয়েছে। তফসিলের পর আন্দোলন কর্মসূচি আইন ও সংবিধান পরিপন্থি।

শুক্রবার (৯ নভেম্বর) সকালে দলের মনোনয়ন ফরম বিক্রির পর সাংবাদিকদের সাথে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, ‘নির্বাচনের আইন মেনেই তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের অধীনের সব বিষয়। তফসিল ঘোষণার পর আমরা একটা নিয়মের মধ্যে চলে গেছি। তফসিল ঘোষণার কারণে তারা (বিএনপি) আন্দোলনের কমসূচি দেবে এটা গণতন্ত্রের পরিপন্থী। তাদের আন্দোলনে জনগণ সায় দেবে না।’

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘মনোনয়নপত্র বিক্রির মধ্য দিয়ে নির্বাচনের যাত্রা শুরু হয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে সারা বাংলাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। পাবলিক এখন ইলেকশন মুডে আছে। সবাই ইলেকশনের প্রস্তুতি নিয়ে আছে। তারা ইলেকশন করতে চায়। এর বাইরে যারা নির্বাচনবিরোধী তৎপরতা চালাবেন, জনগণই তাদের প্রতিরোধ করবে।’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপের ফলাফল শূন্য এটা বলা যাবে না। তারা (ঐক্যফ্রন্ট) যে তালিকা দিয়েছে তা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীদের ওপর নির্বাচনী আচারণবিধি আরোপিত হবে। ইসির আচরণবিধি যাতে লঙ্গিত না হয়, সেজন্য মন্ত্রী, এমপি ও জনপ্রতিনিধিদের আচরণবিধি মেনে চলার জন্য যত্নবান হতে হবে।

তিনি বলেন, এটাই দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে প্রথম। এ সংলাপের জন্য দেশের সর্বস্তরের মানুষ যেমন প্রশংসা করছে, তেমনি বিদেশী কূটনৈতিক মহল, বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশের সরকার প্রধান ও জাতিসংঘ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংলাপের উদ্যোগের প্রশংসা করছেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও সকলের অংশগ্রহনের মাধ্যমে সম্পন্ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সংলাপের আয়োজন করেছেন তা দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আ. লীগের মনোনয়ন বিক্রি শুরু, প্রথম দিনে দুটি মনোনয়ন ফরম কিনলেন শেখ হাসিনা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৯ ০৪:১৫:৪৯

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম কিনলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গোপালগঞ্জ-৩ (টু্ঙ্গিপাড়া-কোটালিপাড়া) ও অন্য আরেকটি আসনের জন্য দুটি মনোনয়ন ফরম কেনেন তিনি। তবে ওইটি কোন আসন তা জানা যায়নি।

শেখ হাসিনার পক্ষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ফরমটি কিনেন। এসময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহসহ গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আজ শুক্রবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ের পাশে নতুন নির্বাচনী অফিস থেকে এই মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী মনোনয়ন ফরম কিনেছেন রংপুর-৬ সংসদীয় আসনের জন্য। শিরীন শারমিন চৌধুরীর পক্ষ থেকে ফরম সংগ্রহ করেন চিপ হুইপ আ স ম ফিরোজ। এ সময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নোয়াখালী- ৫ এর জন্য ওবায়দুল কাদেরের পক্ষ থেকে ফরম তুলে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

ঘোষিত তফসিল অনুসারে নির্বাচনের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই  ২২ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ২৯ নভেম্বর।

বিস্তারিত খবর

সরকারের ইচ্ছায় এক তরফা তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে : মির্জা ফখরুল

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৮ ১৪:৪৮:৩৬

একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করেছে। এখানে সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে, এখানে জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই মন্তব্য করেছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের এক বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, তফসিল ঘোষণা না করার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা পিছিয়ে দেয়নি। তিনি বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটি, ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক আছে, বৈঠক শেষে এ বিষয়ে পরবর্তীতে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় দল, পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশ (পিপিবি) ও বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি ২০ দলীয় জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়।

বৈঠকের সভাপতি অলি আহমদ বলেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ, তারপরও তাকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে। সরকার আদালতের আদেশ অমান্য করে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে গেছে। ২০ দলীয় জোট খালেদা জিয়ার মুক্তি চায়।

২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানসহ জোটের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে ও বৈঠক করে তফসিল পেছানোর দাবি জানিয়েছিল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। কিন্তু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে তফসিল ঘোষণার পর ঐক্যফ্রন্ট একে এক পাক্ষিক বলে মনে করছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় বাড়ানোর দাবি করতে পারে এই জোট।

আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সিইসির তার ঘোষণায় জানান, তফসিল অনুযায়ী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ নভেম্বর, বাছাইয়ের তারিখ ২২ নভেম্বর ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর।

গত ৬ নভেম্বর মঙ্গলবার ঐক্যফ্রন্টের জনসভা থেকে বলা হয়েছিল, তফসিল ঘোষণা না পেছালে তারা নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা করবে। এ তফসিল ঘোষণার পরে সে পদযাত্রা নিয়ে জানতে চাইলে ঐক্যফ্রন্টের এক নেতা জানান, সময় কম। এ কর্মসূচি করতে হলে দ্রুতই করতে হবে। আগামীকাল ৯ নভেম্বর শুক্রবার রাজশাহীর সমাবেশ শেষে আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকেই এ পদযাত্রা হতে পারে। তবে তফসিল ও অন্যান্য বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টের পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে রাজশাহীর সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু প্রথম আলোকে বলেন, এটা অনাকাঙ্ক্ষিত। সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলে ভালো হতো।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

অধিকারের নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৮ ১৩:৫১:২৭

নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে 'অধিকার' এর নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। গত সোমবার সংস্থাটির নিবন্ধন বাতিল করে ইসি। মঙ্গলবার বিষয়টি জানিয়ে অধিকার সভাপতিতে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয়া হয়। 

অধিকার মানবাধিকার সংগঠন হিসেবে কাজ করলেও নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে ইসিতে নিবন্ধিত ছিল।

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ আরটিভি অনলাইনকে বলেন, প্রতিষ্ঠানটির এনজিও ব্যুরোর নিবন্ধন না থাকা, রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।

নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনে স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে নিবন্ধন পাওয়ার পূর্বশর্ত হলো সংস্থাটিকে সংবিধিবদ্ধ কোনও প্রতিষ্ঠান অথবা এনজিও ব্যুরোতে নিবন্ধিত হতে হবে।

অধিকার (নিবন্ধন নং-১৪)-এর এনজিও বিষয়ক বিষয়ক ব্যুরোতে নিবন্ধনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা-২০১৭ এর ৬-এর-২ উপধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন নিবন্ধিত স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধন বাতিল করা হলো।

তবে মাত্র ৪ মাস আগে সংস্থাটি ইসির শর্ত মেনে কাগজপত্র জমা দিয়ে পর্যবেক্ষকের নিবন্ধন নবায়ন করেছে।

সাধারণত, কোনো সংস্থার নিবন্ধন বাতিল করতে হলে তা আগে ইসি থেকে অভিযোগের বিষয়ে নোটিশ দেয়ার কথা। নোটিশ প্রাপ্তির ৫ দিনের মধ্যে সংস্থাটিকে শুনানির জন্য আবেদন করতে হয়।

এরপর ইসির সিদ্ধান্ত ৭ দিনের মধ্যে সংস্থাটিকে অবহিত করা হয়। কিন্তু অধিকারের নিবন্ধন বাতিলের ক্ষেত্রে ইসি কোনও ধরনের শুনানির সুযোগ দেয়নি বলে অভিযোগ করেছে সংস্থার কর্মকর্তারা।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৩ ডিসেম্বর

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৮ ১৩:৩৮:২১

একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত। বাছাই হবে ২২ নভেম্বর এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা এই তফসিল ঘোষণা করেন। তিনি সব দলকে এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দিতে নির্বাচনের সময় ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারে সব প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল সমান সুযোগ পাবে। সবার জন্য অভিন্ন আচরণ ও সমান সুযোগ তৈরির জন্য নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা হবে। এসব নিয়ে শিগগরিই পরিপত্র জারি করা হবে।

সিইসি বলেন, ভোটার, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, প্রার্থী, প্রার্থীর সমর্থক এবং এজেন্টরা যেন বিনা কারণে হয়রানির শিকার না হন বা মামলা-মোকদ্দমার মুখে না পড়েন, তার নিশ্চয়তা দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর কঠোর নির্দেশ থাকবে। দলমত নির্বিশেষে সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদে সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ভোট শেষে নিজ নিজ বাসস্থানে নিরাপদে অবস্থান করতে পারবেন।

ভাষণে সিইসি সর্বস্তরের জনগণকে নির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রতিটি দলকে একে অন্যের প্রতি সহনশীল ও রাজনীতিসুলভ আচরণের অনুরোধ করেন তিনি।

সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেন কখনও প্রতিহিংসা বা সহিংসতায় পরিণত না হয়, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে অনুরোধ জানাই।’

সিইসি একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের মাঠ পর্যায়ের যাবতীয় প্রস্তুতি তুলে ধরেন। ভাষণে সব নাগরিককে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে জনগণের হয়ে সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেশের গণতন্ত্রের ধারা এবং উন্নয়নের গতিকে সচল রাখার আহ্বানও জানান তিনি।

ভাষণে সিইসি জানান, ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং প্রায় ৪০ হাজার ভোট কেন্দ্রের বাছাই কাজ শেষ হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় সাত লাখ কর্মকর্তা নিয়োগের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। প্রত্যেক নির্বাচনি এলাকায় নির্বাহী এবং বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী থেকে ছয় লাখের বেশি সদস্য মোতায়েন করা হবে। তাদের মধ্যে থাকবে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, কোস্ট গার্ড, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে উল্লেখ করে নূরুল হুদা বলেন, ‘তাদের দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও একাগ্রতার ওপর বিশেষ দৃষ্টি রাখা হবে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণে নির্বাচন ক্ষতিগ্রস্ত হলে দায়ী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অসামরিক প্রশাসনকে যথা-প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে।’

সুষ্ঠু নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন কীভাবে কাজ করবে, সেটার ব্যাখ্যা করে সিইসি বলেন, পোলিং এজেন্টরা ফলাফলের তালিকা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করবেন। নির্বাচনি কর্মকর্তারা নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনে অটল থাকবেন। নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করবেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভোট কেন্দ্র, ভোটার, প্রার্থী, নির্বাচনি কর্মকর্তা ও এজেন্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। গণমাধ্যমকর্মী বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ করবেন, পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা মেনে দায়িত্ব পালন করবেন এবং ইসি সবিচালয় সামগ্রিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও তত্তাবধানের আওতায় রাখবে।’

এর আগে বেলা ১১টায় বৈঠক করে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সিইসির কক্ষে এ বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সিইসির কক্ষে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণ রেকর্ড করা হয়। এজন্য সকাল থেকে বিটিভি, বেতারের রেকর্ডিং টিম ইসিতে অবস্থান নেয়।

সংবিধান অনুযায়ী আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে হিসেবে গত ৩১ অক্টোবর থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষণ-গণনা শুরু হয়।

প্রসঙ্গত, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

হাসপাতাল থেকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে খালেদা জিয়াকে

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৮ ০০:৫৩:৩২

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে  বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে আজ সকাল থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের চারপাশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ।  একইভাবে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় নাজিমুদ্দিন রোডের পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে।

কারা অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য রয়েছে আজ।

উল্লেখ্য, ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান গত ৮ ফেব্রুয়ারি  জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রায়ে খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। গত ৬ অক্টোবর খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বল এখন সরকারের কোর্টে: কামাল

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৭ ১৪:৫৩:৩৭

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম নেতা ড. কামাল হোসেন জানিয়েছেন, চলমান সংকটের তারা শান্তিপূর্ণ সমাধান চান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপ শেষে বুধবার বিকেলে বেইলি রোডের বাসভবনে সাংবাদিকদের কাছে তিনি একথা জানান।

সংলাপের মাধ্যমে সমাধান না এলে সহিংস কোনো কর্মসূচির দিকে যাবেন কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা আমাদের দাবিগুলো বলেছি। আমরা সব সময় শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই। কিন্তু, আমরা মনে করি, বল এখন সরকারের কোর্টে।’

ব্রিফিংয়ের সময়ে ড. কামাল হোসেন ছোট্ট একটি লিখিত বক্তব্য সাংবাদিকদের ধরিয়ে দেন।

এতে নির্বাচন সামনে রেখে ৭ দফা দাবির ভিত্তিতে ১ ও ৭ নভেম্বর সংলাপ আহ্বান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

কামাল হোসেন বলেন, ‘আজকের সংলাপে আমরা ৭ দফা দাবি নিয়ে সীমিত পরিসরে আলোচনা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করেছি।’

ঐক্যফ্রন্টের এই প্রধান নেতার ভাষ্যে, ‘ইতোমধ্যে সারা দেশে হাজার হাজার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যেসব মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে আর কোনো গায়েবি হয়রানিমূলক মামলা দায়ের হবে না এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের আর গ্রেফতার করা হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন।’

এ সময় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি রয়েছে, সেটি অব্যাহত থাকবে। দাবি আদায়ে আন্দোলন থেকে পিছপা হব না।’

তিনি বলেন, ‘সংলাপে আমরা আলোচনা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছি, তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। গায়েবি মামলা আর হবে না বলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন।’

ব্রিফিংয়ে অন্যদের মধ্যে আ স ম আব্দুর রব, মোস্তফা মহসিন মন্টু, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, সুব্রত চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান মান্না উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সংলাপ শেষ করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা ড. কামাল হোসেনের বাসায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। বেলা সোয়া ৩টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক হয়।

বৈঠকে ড. কামাল হোসেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ‌মোস্তফা মহ‌সিন মন্টু, দলের কার্যকরি সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত ‌চৌধু‌রী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, দলের উপদেষ্টা এসএম আকরাম, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর উপস্থিত ছিলেন।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সংলাপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৭ ১৪:৫৩:০৯

সংলাপের ফলাফল নিয়ে আগামী ৮ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন স্থগিত হয়েছে।

৭ নভেম্বর, বুধবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম বলেন, ‘অনিবার্য কারণে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনটি স্থগিত করা হয়েছে।’

এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সংলাপের ফলাফল নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

গত ১ নভেম্বর ড. কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে প্রথম সংলাপে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলের নেতারা।

২ নভেম্বর ড. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপ করেন ১৪ দলের নেতারা। ৫ নভেম্বর এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সম্মিলিত জোটের সঙ্গে সংলাপে বসেন তারা।

৬ নভেম্বর গণভবনে ১২টি ইসলামী দল ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের সঙ্গে সংলাপ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার জোটের নেতারা।

৭ নভেম্বর ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপ করেন তারা। একই দিন আরও ২৪টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে বসেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ১৪ দল।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত