যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 05:08pm

|   লন্ডন - 11:08am

|   নিউইয়র্ক - 06:08am

  সর্বশেষ :

  শ্রীদেবীর মৃত্যু নিয়ে নতুন বিতর্ক উস্কে দিলেন প্রিয়া!   বেতন দেয়ার রেকর্ড গড়েছে বার্সেলোনা   ত্যাগীরা মনোনয়নে অগ্রাধিকার পাবেন: কাদের   ব্রেক্সিটনিয়ে ভোটাভুটিতে বিশাল ব্যবধানে হেরেছেন থেরেসা মে   সাংবাদিক আমানুল্লাহ কবীর আর নেই   শাহনাজের বাইক উদ্ধার, আসামি আটক   হিউসটন প্রবাসী মঈন চোধুরীর ইন্তেকাল   মাওলানা আব্দুল মতীন ফাউন্ডেশন, সিলেট এর কার্যকরী কমিটি গঠন সম্পন্ন   এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিনেটর   বিশ্বব্যাংকের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্টের তালিকায় ইভাঙ্কা-হ্যালি   রাজধানীতে অভিনব কায়দায় নারী বাইক রাইডারের স্কুটি ছিনতাই   মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে তলব   আবারও ক্রিকেট মাঠে মৃত্যু, শোকস্তব্ধ সতীর্থরা   টিআইবির প্রতিবেদন মনগড়া : ইসি   রাতেই ব্যালটে সিল ৬৬% আসনে, জাল ভোট পড়েছে ৮২ শতাংশ: টিআইবি

>>  স্বদেশ এর সকল সংবাদ

ত্যাগীরা মনোনয়নে অগ্রাধিকার পাবেন: কাদের

রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে যারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন মনোনয়নে তারা অগ্রাধিকার পাবেন। বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার সকালে ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে বের হয়ে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তেমনি অর্ধেক ভোটারও নারী। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তরুণী ও নারীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। নির্বাচিত প্রতিনিধি হওয়ার জন্য জনগণের খেদমত করার জন্য তাদেরও আকাঙ্ক্ষা

বিস্তারিত খবর

সাংবাদিক আমানুল্লাহ কবীর আর নেই

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৬ ০১:৪৬:৩৮

প্রবীণ সাংবাদিক আমানুল্লাহ কবীর মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার রাত ১ টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

তিনি ডায়াবেটিস ও লিভারের নানা রোগ নিয়ে বেশ কিছুদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত দুই সপ্তাহ আগে রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি তাকে ভর্তি করা হন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে বিএসএমএমইউতে নেয়া হয়।

কবীর সাংবাদিক আন্দোলনের অন্যতম পুরাধা আমানুল্লাহ কবীর ১৯৪৭ সালের ২৪ জানুয়ারি জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন। সাড়ে চার দশকের সাংবাদিকতা জীবনে আমানুল্লাহ বাংলা দৈনিক আমার দেশ ও ইংরেজি দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফের (বর্তমানে বিলুপ্ত) প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন আমানুল্লাহ কবীর। তিনি এর আগে এস এম আলীর সম্পাদনায় প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের শুরুর দিকে বার্তা সম্পাদক ছিলেন।

আমানুল্লাহ কবীর ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিডিনিউজ২৪.কমে জ্যেষ্ঠ সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই দায়িত্বে বহাল ছিলেন।

তিনি সাংবাদিক নেতা হিসাবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের পাশাপাশি এরশাদের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন আমানুল্লাহ কবীর।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

শাহনাজের বাইক উদ্ধার, আসামি আটক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৬ ০১:৪৫:৫৩

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচিত বাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা নারী  শাহনাজ আক্তারের চুরি যাওয়া বাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে চুরি যাওয়া বাইক ও আসামি জনিকে আটক করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন  পুলিশের তেজগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার আবু তৈয়ব। জনিকে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আবু তৈয়ব বলেন, জনি একজন শিক্ষার্থী। প্রতারণার মাধ্যমে বাইকটি সে চুরি করেছে বলে স্বীকার করেছে। এখন শাহনাজের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে বাইকটি তুলে দেয়া হবে।

গতকাল মঙ্গলবার শাহনাজের বাইকটি চুরি যাওয়ার পর শাহনাজ শেরেবাংলা নগর থানায় অভিযোগ করেন। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাইকটি উদ্ধার করে।

থানায় করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই যুবক শাহনাজের অল্প দিনের পরিচিত। শাহনাজকে চাকরি দেয়ার কথা বলে মঙ্গলবার তার সঙ্গে দেখা করেন জনি। দুপুরে খামারবাড়ি এলাকায় শাহনাজ বাইকের পাশে ছিলেন, আর ওই যুবক শাহনাজের বাইকে উঠে কথা বলছিলেন। কথার একপর্যায়ে প্রতারণা করে শাহনাজকে রেখে আকস্মিকভাবে বাইকটি নিয়ে সটকে পড়েন জনি।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মাওলানা আব্দুল মতীন ফাউন্ডেশন, সিলেট এর কার্যকরী কমিটি গঠন সম্পন্ন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৬ ০১:২৩:৫০

বৃহত্তর সিলেটের অন্যতম সেবামূলক সামাজিক ও দ্বীনি সংগঠন ''মাওলানা আব্দুল মতীন ফাউন্ডেশন সিলেট''র উদ্যোগে এক জরুরি সভা গত (১৩ জানুয়ারি) রোববার সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর মিরাবাজারস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক এডভোকেট হাসান আহমদের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব মুফতী নুরুযযামমান সাঈদের সঞ্চালনায় কুরআনে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা আব্দুল্লাহ বিন গিয়াস।সভায় ২০১৯-২০ সালের জন্য শায়খুল হাদিস মাওলানা মুহিব্বুল হক গাছবাড়িকে প্রধান উপদেষ্টা করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি এবং বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট হাসান আহমদকে সভাপতি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাওলানা রশীদ আহমদকে সাধারণ সম্পাদক ও মুফতী নুরুযযামান সাঈদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।

উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা হলেন,জনাব ইব্রাহীম আলী (বৌলগাঁও), ডা.এ.জেড.মাহবুব আহমদ (প্রাক্তন সিভিল সার্জন, সিলেট), মাওলানা আব্দুল খালিক শায়খে চাক্তা, মাওলানা মোহাম্মদ আবু বকর,জনাব মুহিবুর রহমান (আঙ্গারজুর), মাওলানা শাহ নজরুল ইসলাম,মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল মান্নান,মাওলানা আব্দুল মুছাব্বির (কোম্পানীগন্জ),মাওলানা ফখরুল ইসলাম (হনিরগ্রাম), মাওলানা নূরুল ইসলাম(তোয়াকুলী),অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল লতীফ (আঙ্গারজুর), হাফেজ মাওলানা ফয়জুর রহমান(গৌরীনগর), জনাব মাস্টার মুহাম্মদ ইলিয়াস আলী (মানাউরা) ও জনাব মাস্টার রুহুল আমীন(খাগাইল)।

নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলরা হলেনঃ-
সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আতাউর রহমান কোম্পানীগঞ্জী, সহ-সভাপতি জনাব রকিব আল হাফিজ,অধ্যাপক মুহাম্মদ জিল্লুর রহমান,মুফতি মাওলানা মফিজুর রহমান, মাওলানা মোহাম্মদ এহসান উদ্দীন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শাব্বির আহমদ, মাওলান ইদ্রিস আহমদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, অর্থ সম্পাদক জনাব আখতার হুসাইন,সহ অর্থ সম্পাদক মুফতি ফখরুদ্দীন, তথ্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা শাহিদ হাতিমী, সহ তথ্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা আনোয়ার হোসাইন(মানাউরা), প্রচার সম্পাদক মাওলানা ইলিয়াস মশহুদ, সহ-প্রচার সম্পাদক মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন ইমরান।

কার্যকরী সদস্যঃ- মাওলানা মোহাম্মদ ইব্রাহীম আলী, সালাহ উদ্দিন বেলাল,মাওলানা ইমাদুদ্দীন সেলিম,মাওলানা রফিক আহমদ মহল্লী,মাস্টার সিরাজ উদ্দিন (নোয়াগাঁও), মাওলানা শুয়াইবুর রহমান,মাওলানা বিলাল উদ্দীন(সৌদি আরব), হাফিয আব্দুল মুবিন (ইউকে),সাংবাদিক রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা জিয়াউর রহমান(খাগাইল),কবি নজমুল হক চৌধুরী, মাওলানা কুতুবুদ্দীন,কারী মোহাম্মদ মোজ্জাম্মেল আলী (ইউকে),মাওলানা মুহিউদ্দীন, হেলাল উদ্দীন আহমদ, মাওলানা মুঈনুদ্দীন আহমদ, আতিকুর রহমান হাতিমী।

এছাড়াও সভায় গতবছরের মতো এবারও সম্মিলিত কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড- আল হাইআতুল উলইয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীনে ১৪৪০ হিজরির দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স সমমান) পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকার শীর্ষ ৪০-এ অবস্থানকারী সিলেট বিভাগের মেধাবী তরুণ আলেম-আলেমাহদের সম্মানে আগামি ২রা ফেব্রুয়ারি নগরীর দরগা গেইটস্থ শহীদ সুলেমান হলে “কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও বৃত্তিপ্রদান অনুষ্ঠান”২০১৯ আয়োজনের ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।
উল্লেখ্য, ''মাওলানা আব্দুল মতীন ফাউন্ডেশন সিলেট” উপমহাদেশের অন্যতম বুযুর্গ আলেম, বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান,শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রাহ.'র একান্ত ছাত্র, ঐতিহ্যবাহী জামেয়া মুশাহিদিয়া খাগাইল মাদরাসা,কোম্পানীগঞ্জ সিলেটের সাবেক দীর্ঘকালীন নাজিমে তা'লিমাত,ওলিয়ে কামিল আল্লামা আব্দুল করীম শায়খে ছত্রপুরী রাহ.'র খলিফা,মানুষ গড়ার কারিগর,মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল মতীন দা.বা.এর নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত একটি সেবামূলক সামাজিক সংগঠন।

খ্যাতিমান এই আলেমেদ্বীন ১৯৩৮ সালে সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দির গাঁও ইউনিয়নের মানাউরা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত দ্বীনি পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

রাজধানীতে অভিনব কায়দায় নারী বাইক রাইডারের স্কুটি ছিনতাই

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৫ ১৪:০১:০০

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ পরিচিত অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং নারী চালক শাহনাজ আক্তার পুতুল। তিনি আজ (মঙ্গলবার) প্রতারকচক্রের খপ্পড়ে তার স্কুটিটি হারিয়ে এখন অঝোড়ে শুধু কেঁদেই চলছেন।

এ ব্যাপারে জনি নামে এক ব্যক্তিকে আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। জিডি নম্বর-৯১১।

জিডি সূত্রে জানা যায়, শাহনাজ আক্তার নীল রঙের একটি মাহিন্দ্র স্কুটি চালাতেন। যার নম্বর ঢাকা মেট্রো-হ-৫৫-২৯৪৭। দাম ৫৮ হাজার টাকা। তিনি স্কুটিটি ধার করে কিনেছিলেন। এখনও সেই ঋণের টাকা বাকি আছে। পরিবার চালানোর একমাত্র মাধ্যমও ছিল তার স্কুটিটি।

প্রায় ২ মাস ধরে স্মার্টফোনের অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোটরবাইক চালাচ্ছেন শাহনাজ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে তিনি এরইমধ্যে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। বাইক চালিয়ে নিজের দুই মেয়ের লেখাপড়া ও সংসারের খরচ বহন করছেন এই নারী।

শাহনাজ বলেন, উবার চালানোর সূত্রে পাঁচদিন আগে জনি নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে শ্যামলী বাসস্ট্যান্ডে আমার পরিচয় হয়। তিনিও আমার মতো উবার চালাতেন। সম্প্রতি ওই ব্যক্তি আমাকে নির্দিষ্ট এক নারী রাইডারকে ঠিক করে দেয়ার আশ্বাস দেন। ওই নারী রাইডারের সঙ্গে দেখা করতে তিনি আমাকে আজ (মঙ্গলবার) খামারবাড়ি আসতে বলেন। খামারবাড়ি এসে ওই নারীকে না পেয়ে তিনি আমাকে নিয়ে বিমানবন্দর যান। সেখান থেকে আবার আগারগাঁওয়ের তালতলা আসি। এরপর তাকে নিয়ে আমি আসাদগেট এলাকায় আসি। এ সময় তিনি মেয়েদের স্কুটি কিভাবে চালায়- বলে আমার বাইকে উঠে বসেন। আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি আমার বাইক নিয়ে চলে যান।

জানা গেছে, শাহনাজ আক্তার সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। রাজধানীর মিরপুরেই তার জন্ম। বাবা নেই, মা আর বোনেরা আছেন। স্বামী থাকলেও তিনি আলাদা থাকেন। তার সঙ্গে তার দুই মেয়েও থাকে। বড় মেয়ে নবম ও ছোট মেয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়ে।

শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিজি বিশ্বাস বলেন, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে ওই নারীর একটি স্কুটি চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

টিআইবির প্রতিবেদন মনগড়া : ইসি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৫ ১৩:৫২:৪৮

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) দেয়া প্রতিবেদনকে মনগড়া বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম।

নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে দেয়া টিআইবি’র প্রতিবেদনও প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিবেদনটিকে পূর্বনির্ধারিত বলেও আখ্যা দেন রফিকুল ইসলাম।

মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, টিআইবি যে প্রতিবেদনটিকে গবেষণা বলে দাবি করছে, তা কোনো গবেষণা নয়। এটিকে প্রতিবেদন বলা যেতে পারে। কেননা, গবেষণা করতে যে সকল পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হয়, তা এখানে প্রয়োগ করা হয়নি। এটি সম্পূর্ণরূপে মনগড়া প্রতিবেদন।

এছাড়া বলা হয়েছে- এটা তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন। তার অর্থই হচ্ছে এই প্রতিবেদন পূর্বনির্ধারিত প্রতিবেদন।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

রাতেই ব্যালটে সিল ৬৬% আসনে, জাল ভোট পড়েছে ৮২ শতাংশ: টিআইবি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৫ ১৩:৫১:৫৮

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে জাল ভোট পড়েছে ৮২ শতাংশ আসনে। আর ৬৬ শতাংশ আসনে নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালট বাক্সে সিল মারা হয়েছে। আর ৯৪ শতাংশ আসনে নির্বাচনী অনিয়ম হয়েছে বলে দাবি করেছে বেসরকারি গবেষণামূলক সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি)।

টিআইবির গবেষণায় দেখা গেছে, ৫০টি আসনে গবেষণা করে তার মধ্যে ভোটের আগের রাতে ৩৩টি আসনের এক বা একাধিক কেন্দ্রে সিল মেরে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারী) রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান ও প্রতিবেদন পাঠ করেন গবেষক দলের শাহজাদা এম আকরাম।

টিআইবি জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে থেকে দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে ৪৫টি জেলার ৫০টি আসনে গবেষণা করা হয়। এর মধ্যে টিআইবি প্রকাশিত প্রাথমিক গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয় এ ৫০টি আসনের মধ্যে ৪৭টি আসনে কমবেশি অনিয়ম হয়েছে। গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত আসনগুলোতে আওয়ামী লীগ ৪০, জাতীয় পার্টি ৬, বিএনপি ১, গণফোরাম ২ এবং অন্যান্য দল একটি আসনে জয়ী হয়েছে।

টিআইবির গবেষণার ৫০টি আসনে নির্বাচনের দিন সংঘটিত অনিয়মগুলোর মধ্যে রয়েছে, প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর নীরব ভূমিকা ৪২ আসনে, জাল ভোট দেওয়া ৪১ আসনে, নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালটে সিল মেরে রাখা ৩৩ আসনের এক বা একাধিক কেন্দ্রে, বুথ দখল করে প্রকাশ্যে সিল মেরে জাল ভোট ৩০ আসনে, পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া ও কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া ২৯ আসনে, ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া ২৬ আসনে, ভোটারদের জোর করে নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা ২৬ আসনে, ব্যালট পেপার শেষ হয়ে যাওয়া ২২ আসনে, আগ্রহী ভোটারদের হুমকি দিয়ে তাড়ানো ২১ আসনে, ব্যালট বাক্স আগে থেকে ভরে রাখা ২০ আসনে, প্রতিপক্ষ দলের প্রার্থীর নেতাকর্মীদের মারধর করা ১১ আসনে এবং ১০ আসনে কোনো এজেন্ট ছিল না।

জাতীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগ ২৫৭, জাতীয় পার্টি ২২, বিএনপি ৫, গণফোরাম ২, স্বতন্ত্র ৩ ও অন্যান্য দল ৯ আসনে জয়ী হয়। ভোটের দিন সারা দেশে ২৪ জেলায় নির্বাচনি সহিংসতার ফলে ১৮ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০০ জন আহত হন।

এ সময় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে, সেই পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। গণতন্ত্রের জন্য এ ধরনের নির্বাচন ইতিবাচক নয়। এ জন্য আমরা বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছি।’

এ সময় সুলতানা কামাল বলেন, এই নির্বাচনে প্রচুর ত্রুটি রয়েছে। আগামী নির্বাচনগুলোতে যাতে এ ত্রুটিগুলো না হয়, সেজন্য যে সরকারই আসুক না কেন, তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে।

সংস্থাটির প্রতিবেদনের সুপারিশে বলা হয়, সৎ ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেয়া; নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ অন্যান্য অংশীজনদের দলীয় প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষ রাখতে হবে; নির্বাচনে সহিংসতা ও বলপ্রয়োগসহ নির্বাচনী আচরণবিধির বহুমুখী লঙ্ঘনের যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত ও তার ওপর ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচারবিভাগীয় তদন্তের উদ্যোগ নেয়া, আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে তাদের ব্যর্থতা নিরূপণ করা, নির্বাচন প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজ করা, নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমের তথ্য সংগ্রহের জন্য অবাধ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

গত বছরের নভেম্বর থেকে শুরু করে ভোটের দিন ও চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রাথমিক প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদক প্রকাশ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন সজীব ওয়াজেদ জয়

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৫ ১৩:৩৯:৪১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

প্রধানমন্ত্রী রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর রুল ৩(বি) (১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আজ মঙ্গলবার সজীব ওয়াজেদ জয়কে উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেন।

এ দায়িত্ব পালনে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন। তবে এই নিয়োগটি খন্ডকালীন ও অবৈতনিক।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিনিয়োগ বাড়াতে বিশ্বের কাছে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করব: ড. মোমেন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৪ ১৩:৫৮:৪৬

বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে বিশ্বের কাছে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করব। বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে বিদেশিদের কাছে ভুল তথ্য রয়েছে। তারা মানে করে এদেশে বিনিয়োগ করলে অনেক কর দিতে হয়। সেই ভুল দূর করার চেষ্টা করব। বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ সম্পর্কে সঠিক তথ্যের অনেক ফারাক রয়েছে। বিদেশিরা এখনো মনে করে যে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে বিনিয়োগের সুফল তাদের দেশে নেওয়া যায় না। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অনেক কর দিতে হয়। অথচ মূল তথ্য হল, এদেশে বিনিয়োগ করলে বিদেশিরা সহজেই লভ্যাংশ নিজেদের দেশে নিতে পারে। তাই বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে বিশ্বের কাছে সঠিক উপস্থাপনের ব্যবস্থা করব।

তিনি বলেন, মিয়ানমার বাংলাদেশের বন্ধু দেশ। তারা যদি বন্ধুত্বের প্রতিফলন দেয় তবে এই সমস্যা সহজেই মিটে যাবে। তবে রোহিঙ্গা একটি সিরিয়াস ইস্যু। এটি অগ্রাধিকারমূলক একটি বিষয়। এই বিষয়ে অনেক আলাপ করতে হবে, আলাপ করে সমাধানে পৌঁছাতে হবে। এই সমস্যা সহজেই সমাধান হবে না।

আব্দুল মোমেন বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কটের ফলে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তাজনিত কি কি হুমকি রয়েছে তা বের করার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়েরও দায়িত্ব রয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট জিইয়ে থাকলে ভারত, থাইল্যান্ড, চীনসহ বিশ্বের স্বার্থ বিঘ্নিত হবে, সবার জন্য অমঙ্গল হবে, সবার স্থিতিশীলতার জন্যই রোহিঙ্গা সঙ্কট একটি হুমকি।

তিনি বলেন, মহাজোট সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি, তাই দায়িত্বও অনেক বেশি। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবো। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী এবং সরকার উন্নয়নের যে রূপরেখা প্রণয়ন করেছে তা বাস্তবায়নের ওপর ফোকাস দেবো। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হতে, ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্র অর্জনে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি স্থিতিশীল উন্নত দেশ হিসেবে গড়তে কাজ করবো।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জামিন পেলেন ভিকারুননিসার দুই বরখাস্ত শিক্ষক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৪ ১৩:৫৭:২৯

ভিকারুননিসা নূন স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় প্রতিষ্ঠানটির দুই সাময়িক বরখাস্ত শিক্ষক আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী পুলিশি প্রতিবেদন জমা না হওয়া পর্যন্ত ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস এবং প্রভাতী শাখার প্রধান জিন্নাত আরার জামিন মঞ্জুর করেন। খবর ইউএনবির

পালাতক থাকা এ দুই শিক্ষক সোমবার সকালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।

এর আগে ডিসেম্বরে মামলায় ভিকারুননিসার আরেক অভিযুক্ত শিক্ষক হাসনা হেনাকে জামিন দেয় আদালত।

পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে শিক্ষকদের তিরস্কারের শিকার হয়ে গত ৩ ডিসেম্বর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারী তাদের রাজধানীর শান্তিনগরের বাসায় আত্মহত্যা করে।

এ ঘটনায় অরিত্রীর বাবা দিলিপ অধিকারী স্কুলের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই সাথে ঘটনার জেরে স্কুলের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয় এবং এর বিচার দাবি করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তিন দিন ধরে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখান।

পরে ভিকারুননিসার পরিচালনা পর্ষদ আত্মহত্যার ঘটনায় অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, বেইলি রোড ক্যাম্পাসের প্রভাতী শাখার প্রধান জিন্নাত আরা ও অরিত্রীর শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনাকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সংলাপ নয়, শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য ডাকা হবে: কাদের

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৪ ১৩:৫৬:৩০

কোনো সংলাপ নয়, নির্বাচনোত্তর শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য গণভবনে ডাকা হবে রাজনৈতিক দলগুলোকে।

বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সোমবার এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যেই নির্বাচন নিয়ে সারা বিশ্বের কোথাও কোনো সংশয় নেই, গণতান্ত্রিক বিশ্ব থেকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে, কোনো বিতর্ক কোনো প্রশ্ন না করেই। সেখানে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপের কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচন নিয়ে কোনো সংলাপ নয়।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে ঐক্যফ্রন্টসহ ৭৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য চিঠি দিয়ে আবারো তাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। আর সেটা শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য। এখানে কোনো সংলাপ নয়।

তিনি বলেন, কোনো সংলাপের আমন্ত্রণ আমরা জানাচ্ছি না।

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় উদযাপন করতে ১৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের জনসমাবেশ সফল করতে মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ওই বর্ধিত সভা আয়োজন করা হয়।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মার্চের প্রথম সপ্তাহে উপজেলা নির্বাচন, সদর উপজেলায় ইভিএম

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৪ ১৩:৫৪:৫৯

আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দেশের সব জেলার সদর উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ হবে। মার্চের প্রথম সপ্তাহে উপজেলা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

একাদশ জাতীয় সংসদের জন্য সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের জন্য আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দেশের সব জেলার সদর উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ হবে।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে। আর মার্চের প্রথম সপ্তাহে ভোট গ্রহণ শুরু হবে। সচিব জানান, উপজেলা নির্বাচনে এবার সব জেলার সদর উপজেলায় ভোট গ্রহণ হবে ইভিএমের মাধ্যমে।

হেলালুদ্দীন বলেন, প্রশাসনিক বিভাগ অনুযায়ী চার ধাপে উপজেলা নির্বাচন হবে। তবে যেসব উপজেলার মেয়াদ পরে শেষ হবে সেসব উপজেলায় একত্রে পঞ্চম ধাপে নির্বাচন হবে। কোন উপজেলার মেয়াদ কবে শেষ হবে তা জেলা প্রশাসন থেকে নির্বাচন কমিশন সংগ্রহ করবে। উপজেলা নির্বাচনের জন্য প্রাথমিকভাবে কমিশন এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ উপদেষ্টা নিয়োগে প্রজ্ঞাপন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৪ ১৩:৫২:৫৯

মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ উপদেষ্টা নিয়োগে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই প্রজ্ঞাপন জারি করে।রাষ্ট্রপতি আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রজ্ঞাপনটি সই করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর রুল ৩বি(১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে অদ্য ২৪ পৌষ ১৪২৫/৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে নিম্নলিখিত ব্যক্তিবর্গকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে নিয়োগপূর্বক তাদেরকে তাদের নামের পাশে উল্লেখকৃত দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার হলেন- রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল(অব:) তারিক আহমেদ সিদ্দিক।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়,  উপদেষ্টা পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালীন তারা মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতাদি ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন।

গেল ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গেল সাত জানুয়ারি নতুন মন্ত্রীসভার সদস্যরা শপথ নেন। নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ড. কামালকে বি চৌধুরীর অভিনন্দন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৩ ১৩:৩৭:৫৪

ড. কামাল হোসেন জামায়াতের সঙ্গে রাজনীতি করবেন না এমন মন্তব্যের জন্য তাকে বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (বি চৌধুরী) অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বি চৌধুরী বলেন, তিনি জামায়াতের সঙ্গে রাজনীতি করবেন না, আমাদের রাজনীতির সঙ্গে বিলম্বে হলেও ঐকমত্য পোষণ করায় তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবে, যারা মানচিত্রকে অস্বীকার করে, সেই স্বাধীনতাবিরোধীদের সঙ্গে আমরা ঐক্য ক‌রি নাই। বিকল্পধারা বাংলাদেশ মনে করে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য এখনও যারা স্বাধীনতাবিরোধী তাদের চূড়ান্ত উপলব্ধির সময় এসেছে।

বিএনপির উদ্দেশে সাবেক রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর একটি বক্তব্য প্রতিধ্বনি করে আমিও বলবো, বিএনপির উচিত হবে সংসদে বিরোধীদল হিসেবে তাদের সঠিক ভূমিকা রাখা। নিজেদের ভুল-ত্রুটি এবং সরকারের ভুল-ত্রুটি সম্পর্কে সংসদে সাহসী উচ্চারণের মাধ্যমে বিএনপি সঠিক ভূমিকা রাখতে পারে। এটা ভবিষ্যতে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রাজনীতি চর্চার জন্য অপরিহার্য।

তিনি বলেন, সঠিকভাবে গণতন্ত্রের চর্চা না হলে এবং সংসদকে এ গণতান্ত্রিক চর্চার মূল কেন্দ্র হিসেবে প্রমাণিত করতে না পারলে, সংসদে বিরোধীদল যোগদান না করলে, একদিকে বিরোধীদলের ভবিষ্যৎ, অন্যদিকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।

অনুষ্ঠানে বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, প্রেসিডিয়াম সদস্য ‌মাহী বি. চৌধুরী, শমসের মবিন চৌধুরীসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সরকার দুর্নীতি বিরোধী লড়াই অব্যাহত রাখবে: প্রধানমন্ত্রী

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৩ ১৩:৩৭:০৭

দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং এর অর্জনসমূহ সমুন্নত রাখার জন্য সরকার তার দুর্নীতি বিরোধী লড়াই অব্যাহত রাখবে। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চতুর্থবারের মতো পুনঃনির্বাচিত হওয়ার পর রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) তার প্রথম কর্মদিবসে সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন। খবর বাসস।

শেখ হাসিনা বলেন, যদিও কোনও দেশের পক্ষেই শতভাগ দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব নয়। তবে আমাদের সরকারের একটা দায়িত্ব হলো এই দুর্নীতি প্রতিরোধ করা; যাতে এটি দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে না পারে এবং আমাদের সকল সাফল্য ম্লান করে না দেয়।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, সন্ত্রাসবাদ, দুর্নীতি ও মাদক নির্মূলের ক্ষেত্রে আমাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনা বলেন, টেন্ডার ছিনতাইয়ের ঘটনা দেশে বারংবার ঘটেছে। কিন্তু আমরা দেশকে এই অবস্থা থেকে মুক্ত করতে পেরেছি। প্রযুক্তির বদৌলতে এই সাফল্য এসেছে এবং এটা ডিজিটাল বাংলাদেশের একটা ভালো ফল।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশ বিমানে মাতলামি, বেঁধে রাখা হলো যাত্রীকে : প্রবাসী সাংবাদিকের প্রতিবাদ

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৩ ১৩:২৫:৩৯

মদ্যপান করে বিমানে উঠে হুলস্থূল কাণ্ড ঘটিয়ে ছাড়লেন এক যাত্রী। অন্য যাত্রীদের গালিগালাজ এবং একপর্যায়ে মারধরও করেন। শেষপর্যন্ত উপায় না পেয়ে তাকে মোটা রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়।

৪ জানুযারি বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২০২ ফ্লাইটে এ ঘটনা ঘটে। বিমানটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে সিলেট হয় ঢাকায় আসছিল। ওই যাত্রীর নাম-পরিচয় জানা না গেলেও ভিডিওতে তার কথোপকথন শুনে ধারণা করা হচ্ছে তার বাড়ি সিলেটে। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাজ্যের নাগরিক মনে হয়েছে তাকে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, ওই যাত্রী মদপান করে মাতলামি করছেন। একপর্যায়ে তিনি বিমানের এক যাত্রীকে আঘাত করেন। পরে বিমানের কেবিন ক্রু ও যাত্রীরা মিলে তাকে রশি দিয়ে সিটের সঙ্গে বেঁধে ফেলেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগে মহাব্যবস্থাপক (জিএম) শাকিল মেরাজ গণমাধ্যমকে জানান, ফ্লাইট সিলেটে অবতরণ করার পর আইনশৃঙ্খলা সংস্থার কাছে তাকে সোপর্দ করা হয়।

এদিকে বিমানে এই ধরনের অনাকাংখিত গঠনার বিচার দাবী করলেও বিমান কতৃপক্ষের ব্যর্থতার জন্য এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন নর্থ ইংল্যান্ড বাংলাদেশী টিভি জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান। তিনি এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তার ফেইসবুকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিমান কর্তৃপক্ষের এই আচরনের প্রতিবাদ জানান। তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিমানের অভিযুক্ত ঐ যুবকের সাথে তার কোন পরিচয় নেই। সে যে অপরাধ করেছে তার শাস্তি চেয়েছেন তিনি। তবে তার সাথে যে অপেশাদারমূলক যে আচরন করা হয়েছে তারও তদন্ত দাবী করেছেন তিনি।

তিনি ফেইসবুকে যা লিখেছেন তা তুলে ধরা হলো :
বাংলাদেশ বিমানে সম্ভবত একজন ব্রিটিশ বাংলাদেশী যাত্রী অতিরিক্ত মদ পান করে বা অন্য কোন কারনে যাত্রীদের সাথে সম্ভবত খারাপ ব্যবহার করে। তার জন্য আইন অনুযায়ী বিচার হওয়া দরকবার । আমি তার উপযুক্ত বিচার চাই।
তবে বিমানে কর্মরত অফিসারগণ এই লোকের সাথে গরু ছাগলের মত তাকে পিটিয়েছেন এবং দডি দিয়ে হাত পা বেধেছেন প্লেনের সিটের সাথে ফ্লোরে । বিমানে কর্মরত সিকিউরিটি অফিসার গন যদি এই সামান্য বিষয় সুন্দর ভাবে কনট্রল করতে পারেন না , তা হলে যে কোন সিরিয়াস ইস্যু হলে কিভাবে সামাল দিবেন।
এই লোকটি অবশ্যই দোষ করেছে তার জন্য আইন আছে কিন্তু এমন ব্যবহার একজন সাধারন মানুষ হিসেবে কখন ও মেনে নিতে পারি না ।
এরজন্য কিছুকিছু অতি উৎসাহী যাত্রী ফেইসবুকে ফেমাস হওয়ার জন্য তার সাথে এমন ব্যবহার না করলেও পারতেন ।তার অপরাধের জন্য শাস্তি হবে তবে এমন আচরন টিক হয়নি আমি মনে করি।
আমি এর সুষটু বিচার দাবী করছি । আইন কারো হাতে তুলে নেবার অধিকার নেই ।
আমি প্রধান মন্ত্রী ও প্রবাসী কল্যান মন্ত্রী ইমরান ভাইয়ের কাছে বিচার চাইছি।
প্রয়োজনে আমি বিষয টি উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সাথে আলাপ করবো ।

বিস্তারিত খবর

নতুন মজুরি কাঠামোতে বেতন বাড়ছে পোশাক শ্রমিকদের

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৩ ১৩:২২:৫৩

পোশাক শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের ফলে সংশ্লিষ্টদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে শ্রমিকদের স্বার্থে ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডে মজুরি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশোধিত এ কাঠামো গত ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর ধরা হবে। ফেব্রুয়ারির বেতন থেকে তা সমন্বয় করা হবে।

রোববার বিকেলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান এ মজুরি ঘোষণা করেন। এসময় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব আফরোজা খানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বেতন কাঠামো সমন্বয় করায় প্রথম গ্রেডে ৫ হাজার ২৫৭ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ২৫৭ টাকা, দ্বিতীয় গ্রেডে ৪ হাজার ৫১৬ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৪১৬ টাকা, তৃতীয় গ্রেডে ৩ হাজার ৪০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮৪৫ টাকা। এছাড়া ৪র্থ গ্রেডে ২ হাজার ৯২৭ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৩৪৭ টাকা, ৫ম গ্রেডে ২ হাজার ৮৩৩ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৮৭৫ টাকা, ৬ষ্ঠ গ্রেডে ২ হাজার ৭৪২ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৪২০ টাকা। সপ্তম গ্রেডের মজুরি সব মিলিয়ে গেজেটের মতই আট হাজার টাকা রাখা হয়েছে। ২০১৩ সালের কাঠামোতে সর্বনিম্ন গ্রেডের বেতন ছিল ৫৩০০ টাকা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পোশাক শ্রমিকদের মজুরি যৌক্তিকহারে বৃদ্ধির নির্দেশ দেয়ার পর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে করে ঘোষিত মজুরির সাতটি গ্রেডের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ৬টি গ্রেডেই বেতন বেড়েছে।

ঘোষিত মজুরির কয়েকটি গ্রেডে বেতন আশানুরূপভাবে বৃদ্ধি না পাওয়ায় শ্রমিকরা ৭ জানুয়ারি থেকে দেশের বিভিন্নস্থানে আন্দোলন করে আসছিল। এতে কোথাও কোথাও পোশাক শ্রমিকদের পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবিও মোতায়েন করা হয়।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আমার বক্তব্য মিডিয়ায় ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে : আহমদ শফী

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১২ ১৫:০২:১১

চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলে মেয়েদের স্কুল-কলেজে না পাঠানোর ব্যাপারে দেওয়া বক্তব্যের খণ্ডাংশ বিভিন্ন মিডিয়ায় ভুলভাবে উপস্থাপন করায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন হেফাজতের আমির শাহ আহমদ শফী।

হাটহাজারী মাদ্রাসার মুখপাত্র মাসিক মুইনুল ইসলামের নির্বাহী সম্পাদক সরওয়ার কামাল স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি করা হয়েছে। শনিবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হেফাজত আমিরের পক্ষে গণমাধ্যমে এই লিখিত বিবৃতি পাঠান সরওয়ার কামাল।

লিখিত বক্তব্যে হেফাজত আমির বলেন, ‘আমি মূলত বলতে চেয়েছি, ইসলামের মৌলিক বিধান পর্দার লঙ্ঘন হয় –এমন প্রতিষ্ঠানে মহিলাদের পড়াশুনা করানো উচিত হবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। এখানে শিক্ষা থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনাসহ যাবতীয় সব কিছুই রয়েছে। ইসলামে নারীদের শিক্ষার বিষয়ে উৎসাহিত করা হয়েছে এবং সবাই অবগত যে, উম্মুল মুমিনিন হজরত মা আয়িশা (রাঃ) ছিলেন একজন প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস। তিনি শিক্ষাগ্রহণ না করলে উম্মত অনেক হাদিস থেকে মাহরুম হয়ে যেতো। তবে এর পাশাপাশি ইসলামের একটি মৌলিক বিধান হচ্ছে পর্দা। নারীদের পর্দার বিষয়ে ইসলামে সুস্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। আমি আমার বক্তব্যে বলতে চেয়েছি, শিক্ষাগ্রহণ করতে গিয়ে যেন পর্দার বিধান লঙ্ঘন করা না হয়। কারণ আমাদের দেশের বেশিরভাগ সাধারণ শিক্ষাকেন্দ্রে সহশিক্ষা দেওয়া হয়, অর্থাৎ ছেলেমেয়ে একইসঙ্গে শিক্ষাগ্রহণ করে থাকে। এতে পর্দার লঙ্ঘন হয়। আমি মূলত এই সহশিক্ষা গ্রহণেই মানুষকে সতর্ক করতে চেয়েছি।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমি (হেফাজত আমির) জানতে পেরেছি যে, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আমাকে নারী বিদ্বেষী ও নারী শিক্ষা বিদ্বেষী বলে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা আমার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা দাঁড় করাচ্ছে। আমি হাইয়াতুল উলইয়ালিল জামিয়াতিল কওমিয়ার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। আপনারা জানেন যে, হাইয়ার অধীনে হাজার হাজার নারী শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার সনদ গ্রহণ করে থাকেন। ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাওরায়ে হাদিসকে মার্স্টাসের সমমান প্রদান করেছেন। এতে আমাদের দেশের লাখো মাদ্রাসা ছাত্রছাত্রী দাওয়ারে হাদিস পাশ করে মার্স্টাসের সমমান অর্জন করছেন। যে সম্মিলিত বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়ে হাজার হাজার নারী রাষ্ট্র স্বীকৃত উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত বলে পরিগণিত হচ্ছে, সেই বোর্ডের প্রধান হয়ে আমি কীভাবে নারী শিক্ষার বিরোধী হলাম তা বোধগম্য নয়।’

ওই বিবৃতি বলা হয়, ‘আমি আবারও বলছি যে, আমি বা আমরা নারীশিক্ষার বিরুদ্ধে নই, তবে নারীর জন্য নিরাপদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে আমরা আগেও সতর্ক করেছি, এখনও করছি। আমরা চাই, নারীরা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হোক, তবে সেটা অবশ্যই নিরাপদ পরিবেশে এবং ইসলামের মৌলিক বিধানকে লঙ্ঘন না করে। শিক্ষাগ্রহণ অবশ্যই জরুরি, তবে সেটা গ্রহণের জন্য আমরা আমাদের কন্যাদের অনিরাপদ পরিবেশে পাঠাতে পারি না।’

বিবৃতিতে উল্লেখ, ‘আমরা যেমন নিরাপদ পরিবেশে রেখে নারীদের সর্বোচ্চ শিক্ষায় (দাওরায়ে হাদিস সমমান মাস্টার্স) শিক্ষিত করে যাচ্ছি, আপনারাও সেভাবে নিরাপদ ব্যবস্থা করে শিক্ষা দান করুন। আমরা উৎসাহিত করবো আপনাদের। আমরা চাই, এ দেশের নারীরা শিক্ষিত হোক। কারণ, মা শিক্ষিত হলেও সন্তান সঠিক শিক্ষা পাবে। নারীদের শিক্ষাগ্রহণের জন্য পরিবেশ তৈরি করুন। যেখানে পরিচালক থেকে শুরু করে কর্মকর্তারা সবাই নারী থাকবেন। সে ধরনের শিক্ষা দানের ব্যবস্থা থাকলে আমরা তাতে উৎসাহিত করবো, ইনশাল্লাহ।’

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ভূমি অফিসের কর্মীদের সম্পত্তির হিসাব দেয়ার নির্দেশ

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১২ ১৪:৫৪:৫৪

ভূমি মন্ত্রণালয়সহ দেশের সব ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দাখিলের জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মৌখিকভাবে নির্দেশ দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ।

আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ নির্দেশ দেন।

শিগগির বিভিন্ন ভূমি অফিসে সারপ্রাইজ ভিজিট শুরু করবেন জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমি অধিগ্রহণের নোটিশ ইস্যুর পর মামলা হয়। ভূমি অফিসের কিছু শ্রেণির কর্মীরা এর সঙ্গে জড়িত থাকে। তাই নোটিশ ইস্যুর পর মামলা টিকবে না এমন একটি সিস্টেম বের করছি। সোজা হিসাব। এ রকম নিয়ম করা হবে।

এসময় মন্ত্রী আরও জানান, উপজেলা-ইউনিয়নের সব ভূমি অফিসগুলোকে সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসা হবে। এছাড়া বিভিন্ন পয়েন্টে ভয়েস রেকর্ডিংয়েরও সুযোগ রাখা হবে। সততার কোনও বিকল্প নেই জানিয়ে মন্ত্রী সবসময় দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতিতে অটুট থাকবেন বলে জানান।

আগামী ৫ বছরের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়কে ভালো অবস্থানে নিয়ে যাবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভূমি মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বে টার্মিনাল, কর্ণফুলী টানেল, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন, অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ সব বড় প্রকল্পের ভূমি ছাড়ে প্রায়োরিটি দেয়া হচ্ছে। কর্ণফুলীর দুই পাড়ের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ উপমহাদেশের প্রথম টানেল হচ্ছে চট্টগ্রামে। বড় প্রকল্পগুলোতো আছেই। আমি শুধু প্রস্তাব করবো- যোগ করেন তিনি।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিএনপির এমপিদের সংসদে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১২ ১৪:৫০:১৭

গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং গঠনমূলক রাজনীতিতে নিজেদের ফিরে আসার সুযোগ কাজে লাগাতে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জাতীয় সংসদে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করে গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপিকে সংসদে যোগ দেয়া উচিত।

শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যৌথ সভায় উদ্বোধনী ভাষণে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দলের বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে গণতন্ত্রচর্চার সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

নির্বাচনের বিএনপির পরাজয়ের কারণ হিসেবে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের (বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট) পরাজয় স্বীকার করতে হবে। কারণ তারা যোগ্য নেতা নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং হত্যার রাজনীতি করার জন্য জনগণের সমর্থন হারিয়েছে। বিএনপি একজন পলাতক অপরাধীকে দিয়ে দল পরিচালনা করায় নির্বাচনে হেরেছে।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ঐক্যফ্রন্ট টেকাতে বিএনপিকে জামায়াত ছাড়তে হবে: ড. কামাল

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১২ ১৪:৪৭:১০

জামায়াতকে বাদ দিয়ে বিএনপিকে রাজনীতি করতে হবে। ঐক্যফ্রন্ট টেকাতে বিএনপিকে জামায়াত ছাড়তে হবে।

বললেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

শনিবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর আরামবাগে গণফোরামের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ড. কামাল হোসেন বলেন, জামায়াতকে নিয়ে কোনোদিন রাজনীতি করিনি, করবোও না। জাতীয় ঐক্যের জন্য বিএনপিকে জামায়াত ছাড়তে হবে,  এ কথা এখন বলাই যায়।

লিখিত বক্তব্যে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, তাড়াহুড়ো করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করতে গিয়ে যে ভুল-ত্রুটিগুলো হয়েছে, তা সংশোধন করে সুদৃঢ় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

অশান্ত ঢাকা-আশুলিয়া

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১২ ১৪:৪৬:০১

টানা পাঁচদিন আন্দোলনের পর একদিনের বিরতিতে গতকাল শনিবার ফের রাস্তায় নেমেছে গার্মেন্ট শ্রমিকরা। গতকাল ঢাকা ও এর আশপাশ এলাকাÑ সাভার ও আশুলিয়ায় ব্যাপক আন্দোলন হয়েছে। আশুলিয়ায় রাস্তা অবরোধ করেছে বিক্ষোভরত শ্রমিকরা। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হন টাঙ্গাইল ও ঢাকাগামী যাত্রীরা। এ সময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে। বেশ কয়েকটি বাস ভাঙচুর হয়েছে। বিকালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী গার্মেন্ট শ্রমিকদের দাবি এক মাসের মধ্যে পূরণেরও আশ্বাস দেন। কিন্তু এর পরও আন্দোলন। ধারণা করা হচ্ছে তৃতীয় কোনো চক্রের কারণেই শ্রমিকরা আন্দোলনে নেমেছে। শ্রমিক সেজে এর বাইরে ষড়যন্ত্রকারীরা ঢুকে পড়েছে। এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া জানিয়েছেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কেউ উসকানি দিয়ে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কি-না সেটা খতিয়ে দেখতে গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ন্যূনতম বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে মিরপুরের বেশকিছু পোশাক কারখানার শ্রমিক গতকাল সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সরকারি বাঙলা কলেজের সামনের সড়ক থেকে শুরু করে টেকনিক্যাল মোড় পর্যন্ত অবস্থান করেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘণ্টা দুয়েক অবরোধের পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই এলাকা থেকে সরে যায় তারা। টেকনিক্যাল মোড়ে কল্যাণপুর থেকে গাবতলী হয়ে যাওয়া সব যানবাহন আটকা পড়ে। আবার বিপরীত দিকে সাভার হয়ে ঢাকামুখী দূরপাল্লার গাড়িও এখানে আটকা পড়ে। ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি- পশ্চিম) লিটন কুমার সাহা জানান, আন্দোলনকারী শ্রমিকদের সঙ্গে প্রশাসনের আলোচনার পর সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এদিকে ঢাকার অদূরে আশুলিয়ায় গতকাল দুপুরে কিছু সময়ের জন্য আবার সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে। একপর্যায়ে শ্রমিকরা অবরোধ প্রত্যাহার করে। আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় হামীম গ্রুপের শ্রমিকরা দুপুরের খাওয়ার বিরতির সময় কারখানা থেকে বের হয়। এর পর কয়েকশ শ্রমিক কারখানার ভেতরে না ঢুকে কারখানার পাশে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে। ওই অবরোধে সড়কের দুপাশে কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়। এর আগে ন্যূনতম মজুরির দাবিতে সকাল নয়টা থেকে বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছেন। তারা দফায় দফায় আবদুল্লাহপুর বাইপাস সড়ক অবরোধ করেন। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ১০টি যানবাহন ভাঙচুর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কাজ করে। শ্রমিক বিক্ষোভের কারণে আশুলিয়া এলাকায় অর্ধশত কারখানা বন্ধ ছিল। এদিকে গত কয়েক দিনে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার ৯টি গার্মেন্টে ভাঙচুরের ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। র‌্যাব-১-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম জানান, সাম্প্রতিক সময়ে টঙ্গী এলাকার ৯টি গার্মেন্টে ভাঙচুর ও ধ্বংসযজ্ঞে সরাসরি জড়িত পাঁচজন। তারা শ্রমিক বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গার্মেন্টগুলোতে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। এ ঘটনায় তদন্তের ভিত্তিতে টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আন্দোলনে উসকানি আছে কি-না দেখবে গোয়েন্দা সংস্থা
ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া জানিয়েছেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কেউ উসকানি দিয়ে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কি-না সেটা খতিয়ে দেখতে গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল রাজধানীর মিরপুরে পিছিয়েপড়া তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের নামে কেউ যদি ব্যক্তি স্বার্থ বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এছাড়াও শ্রমিকদের দাবির বিষয় নিয়ে মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ কাজ করছে। শিগগির তাদের দাবি মিটিয়ে দেওয়া হবে। তিনি শ্রমিকদের সড়ক ছেড়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান। গত ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নতুন মজুরি কাঠামোতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামেন নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের বেশকিছু কারখানার শ্রমিকরা। বিজিএমইএ ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের চেষ্টায় নির্বাচনের আগে আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়। তবে গত রোববার ঢাকার উত্তরার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন। পরের দিনগুলোতে তা বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। মজুরি কাঠামো ও দাবি-দাওয়া পূরণ করার আশ্বাস সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হলেও পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

এত বড় জয় কখনোই কারচুপিতে সম্ভব না : জয়

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১২ ১৪:৪৩:০১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টকে বাংলাদেশের মানুষ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই তারা এখন তাদের বিদেশি প্রভুদের কাছে নালিশ করছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের এত বড় ব্যবধানের জয় কখনোই কারচুপির মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না।

আজ শনিবার দুপুরে সজীব ওয়াজেদ জয় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেছেন।

স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে দেয়া হলো—

সাম্প্রতিক নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টকে বাংলাদেশের মানুষ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই তারা এখন তাদের বিদেশী প্রভুদের কাছে নালিশ করছে ও সাহায্য চাইছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যোগাযোগ ও লবিংয়ের মাধ্যমে তারা প্রমাণ করতে চাইছে যে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে, যা পরিসংখ্যান মোতাবেক একেবারেই অসম্ভব।

আওয়ামী লীগ বিএনপি থেকে প্রায় ৪ কোটি ৯০ লক্ষ বেশি ভোট পেয়েছে। এতো বড় ব্যবধানের জয় কখনোই কারচুপির মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না। তারা বলছে ভয় ভীতির কথা, কিন্তু যদি আমরা ধরেও নেই আওয়ামী লীগের বাইরের সকল ভোট বিএনপি-জামাত এর পক্ষেই যেত, তাহলেও ২ কোটি ২০ লক্ষ ভোটের ব্যবধান থাকতো বিএনপি আর আওয়ামী লীগের মধ্যে।

তারপরেও আমাদের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা কেউ কেউ বিএনপির এই আন্তর্জাতিক লবিংয়ের সাথে সমান তালে গলা মিলিয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইছে। তাদের অভিযোগগুলোর উত্তর দেয়ার পাশাপাশি আমি নিজেও কিছু কথা বলতে চাই।

তাদের প্রথম অভিযোগ, ভোটার সংখ্যা ছিল অত্যাধিক, তার মানে ভুয়া ভোট দেয়া হয়েছে। এবার ভোট দেয়ার হার ছিল ৮০ শতাংশ, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ নয়। ২০০৮ সালের 'তত্ত্বাবধায়ক সরকারের' অধীনে নির্বাচনে ভোট দেয়ার হার ছিল ৮৭ শতাংশ, যা এখন পর্যন্ত রেকর্ড। সেই নির্বাচনটিতেও আওয়ামী লীগ ৪৭ শতাংশ ভোট পেয়ে ব্যাপক ব্যবধানে জয় পেয়েছিলো। ২০০১ সালে ভোট দেয়ার হার ছিল ৭৫.৬ শতাংশ আর ১৯৯৬ সালে ছিল ৭৫ শতাংশ। ওই দুইটি নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোট দেয়ার হার সামান্য বেশি ছিল কারণ এক দশকে এটাই ছিল প্রথম অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন।

দ্বিতীয় অপপ্রচার হচ্ছে আওয়ামী লীগ নাকি এবার ৯০ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এই কথাটি পুরোপুরি মিথ্যা। আওয়ামী লীগ ভোট পেয়েছে ৭২ শতাংশ। মহাজোটের অন্যান্য শরিকরা পেয়েছে ৫ শতাংশের কম ভোট। এই ৭২ শতাংশও আওয়ামী লীগের এর জন্য সর্বোচ্চ না। কারণ ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পেয়েছিলো ৭৩.২ শতাংশ ভোট। সেইবার যেমন স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়ার কারণে আওয়ামী লীগ বিশাল বিজয় পেয়েছিলো, এবারের নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের ভোট বাড়ার পেছনে আছে দুইটি সুনির্দিষ্ট কারণ।

প্রথম কারণটি খুবই পরিষ্কার। আওয়ামী লীগ আমলে মানুষের জীবনমানের উন্নতি হয়েছে যেকোনো সময়ের থেকে বেশি। আমরা নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হয়েছি, মাথাপিছু আয় প্রায় তিনগুণ বেড়েছে, দারিদ্রের হার অর্ধেক করা হয়েছে, মোটামুটি সবাই এখন শিক্ষার সুযোগ, স্বাস্থসেবা ও বিদ্যুতের সুবিধা পাচ্ছে ইত্যাদি। বাংলাদেশের মানুষের জন্য যে উন্নয়ন আওয়ামী লীগ সরকার করেছে তা এখন দৃশ্যমান।

আমাদের সুশীল সমাজ সবসময়ই বলার চেষ্টা করে বাংলাদেশের ভোটাররা নাকি পরিবর্তন চায়। এইসব ঢালাও কথাবার্তা, যার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এ থেকেই বুঝা যায় আসলে তারা কতটা জনসম্পৃক্ততাহীন। আপনি যদি একজন সাধারণ মানুষ হন, এমনকি ধনী ব্যবসায়ীও হন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশের অর্থনীতি যেই হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার সুফল আপনিও পাচ্ছেন। কেউ কেন এমন একটি সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিতে চাইবে যাদের আমলে তার জীবন বা ব্যবসার উন্নতি ঘটেছে?

দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে আমাদের নির্বাচনী প্রচার কিন্তু গত বছর শুরু হয়নি। আমরা ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর থেকে আমাদের প্রচারণা শুরু করে দিয়েছিলাম। জনগণের কাছে আমাদের উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেয়ার কোনো সুযোগই হাতছাড়া করিনি। আমরা তাদেরকে বুঝিয়েছি যা উন্নয়ন ও অগ্রগতি হচ্ছে তা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারণেই হচ্ছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক যত উন্নয়ন দেখা যাচ্ছে তার পেছনে আছে আমাদের দলের ভিশন, পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও পরিশ্রম। যার কৃতিত্ব আমাদের দলীয় মন্ত্রী, সাংসদ, কাউন্সিলরসহ সকলের। যখন আমাদের বিরোধী পক্ষ ও সুশীল সমাজ ব্যস্ত ছিল সমস্যা ও নালিশ নিয়ে, আমরা ব্যস্ত ছিলাম জনগণকে সমস্যার সমাধান দিতে।

সুশীল সমাজের একটি বড় অপপ্রচার হচ্ছে নতুন ভোটাররা রাজনৈতিক দল নিয়ে মাথা ঘামায় না ও তাদের বেশিরভাগই নাকি পরিবর্তন চায়। তারা বুঝতে পারেনি যে এই নতুন ভোটাররা আমাদের আমলের উন্নয়নের মধ্যে বড় হয়েছে যা তাদের জীবনকে করেছে আরো সহজ ও উন্নত। তারা কেন আমাদের ভোট দিবে না?

২০১৩ সাল থেকেই আওয়ামী লীগের জন্য আমি জনমত জরিপ করাই। আপনারা হয়তো খেয়াল করেছেন যে এবার কিন্তু সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে কোনো জরিপ আসেনি। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে কিন্তু তারা ঠিকই একের পর এক জরিপ প্রকাশ করছিলো দেখানোর জন্য আওয়ামী লীগের অবস্থা কত খারাপ। আসলে বাংলাদেশে খুব কম ব্যক্তি বা সংগঠনই সঠিকভাবে জনমত জরিপ করতে পারে। হার্ভার্ডে থাকতে আমি জনমত জরিপের উপর পড়াশুনা করি। জরিপ করতে আমরা যাদের ব্যবহার করি তাদের বাছাই করার আগে আমি নিজে একাধিক গবেষণা সংগঠনের সাথে বসে আলাপ করি। ভুয়া জরিপ করে নিজেদের জনপ্রিয়তা দেখানোর কাজ আমরা করিনা, কারণ আমাদের জন্যই সঠিক তথ্যটি পাওয়া খুবই জরুরি। আমরা জানতে চেষ্টা করি নির্বাচনী লড়াইয়ে আমাদের অবস্থান ও সক্ষমতা, তাই জরিপের ব্যাপারে আমরা খুবই সতর্ক থাকি।

নির্বাচনের দুই সপ্তাহ আগে আমাদের জরিপ থেকে আমরা জানতে পারি আওয়ামী লীগ পাবে ৫৭ থেকে ৬৩ শতাংশ ভোট আর বিএনপি পাবে ১৯ থেকে ২৫ শতাংশ ভোট। তাহলে আমরা ৭২ শতাংশ ভোট কিভাবে পেলাম? আমাদের জরিপের জন্য স্যাম্পল নেয়া হয় ৩০০ আসন থেকে, অর্থাৎ ১০ কোটি ৪০ লক্ষ নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে থেকে। কিন্তু ভোট দেয়ার হার কখনোই ১০০ শতাংশ হয় না আর ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হয়েছিল ২৯৮টি আসনে। ২৯৮টি আসনে ১০ কোটি ৩৫ লক্ষ নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে ৮০ শতাংশ ভোট দিয়েছেন, অর্থাৎ ৮ কোটি ২৮ লক্ষ। আওয়ামী লীগ পেয়েছে প্রায় ৬ কোটি ভোট। ১০ কোটি ৩৫ লক্ষ ভোটারের মধ্যে ৬ কোটি মানে ৫৮ শতাংশ। অর্থাৎ, আমাদের জরিপের সাথে এই বিষয়টি মিলে যায়।

কিন্তু বিএনপি-ঐক্য ফ্রন্ট কেন এতো কম ভোট পেলো? কিছু যৌক্তিক কারণে। বিএনপির চেয়ারপার্সন দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত হয়ে জেলে আছেন। তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সনও দণ্ডিত আসামি, আছেন দেশের বাইরে পালিয়ে। তাদের সংগঠনের অবস্থা করুন। তার থেকেও বড় আরেকটি কারণ আছে যা আমাদের সুশীল সমাজ সহজে বলতে চায় না। যেই কারণটি বিএনপির জনপ্রিয়তায় ধসের পেছনে সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর বলে আমি মনে করি।

জনমত জরিপগুলো থেকে খেয়াল করেছি যে বিএনপি ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যে অগ্নিসন্ত্রাস চালায় তার পর থেকেই তাদের জনপ্রিয়তায় ব্যাপক ধস নামে। পেট্রল বোমা সন্ত্রাসের আগে জরিপগুলোতে বিএনপি আওয়ামী লীগ থেকে জনপ্রিয়তায় ১০ শতাংশ পিছিয়ে থাকতো। কিন্তু রাজনীতির নামের সন্ত্রাসবাদের কারণে তাদের সাথে আওয়ামী লীগের ব্যাবধান ৩০ শংতাংশ হয়ে যায় আর তারপর থেকেই বাড়তেই থাকে।

এছাড়া তাদের আত্মঘাতী নির্বাচনী প্রচারণার বিষয়টিও আমাদের আমলে নিতে হবে। নির্বাচনী প্রচারণায় কমতি ছিল পরিষ্কারভাবেই। তার উপর তারা তারেক রহমানের মাধ্যমে নিজেদের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়। আর মানুষের মনে ভেসে উঠে হাওয়া ভবন আমলের দুর্নীতি ও সহিংসতার দুঃসহ সব স্মৃতি। তারেক রহমান আবার মনোনয়ন দেন একাধিক চিহ্নিত অপরাধী ও যুদ্ধাপরাধীদের। এর মাধ্যমে কি তাদের জনপ্রিয়তা বাড়বে না কমবে?

নির্বাচনের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তাদের সমর্থকদের তারা ইঙ্গিত দেয় যে তারা নির্বাচন থেকে সরে আসবে। আপনি যদি মনে করেন আপনার দল নির্বাচনেই আসবে না, তাহলে কি আপনি ভোট দেয়ার জন্য প্রস্তুত হবেন? এই কারণে তাদের নিজেদের সমর্থকদেরও ভোট দেয়ার হার কম ছিল যার ফলশ্রুতিতে তারা ভোট পায়ও কম।

বিএনপি-ঐক্য ফ্রন্টের বার্তাই ছিল আওয়ামী লীগ খারাপ। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ সেই বার্তা গ্রহণ করেনি কারণ তারা নিজেরাই দেখেছে কিভাবে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন হয়েছে।

ঐক্য ফ্রন্টের নেতা কামাল হোসেন নিজে নির্বাচনই করেননি। কারণ উনি জানতেন উনি কোনো আসন থেকেই জিততে পারবেন না। কিন্তু তারা আমাদের কিছুটা অবাকও করেছেন। ভোটের লড়াইয়ে প্রথমবারের মতন কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরাম একটি নয়, দুইটি আসন থেকে জয়লাভ করে। কারচুপি যদি হতোই তাহলে যে দল আগে কোনো নির্বাচনেই কোনো আসন পায়নি তারা কিভাবে দুইটি আসনে জিতে?

সত্য আসলে বেশি জটিল না। বাংলাদেশের জনগণ, বিশেষ করে তরুণরা, দেখছে কিভাবে শেখ হাসিনার মতন একজন ডাইনামিক নেত্রী দেশকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাই বিরোধীপক্ষের শত অপবাদ, অপপ্রচার ও কাদা ছোড়াছুড়ি কোনো কাজে আসেনি। কারণ দিন শেষে মানুষ তাকেই বেছে নেয় যে তাকে উন্নত জীবন দিতে পারবে।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মেয়েদের ক্লাস ফোর বা ফাইভ পর্যন্ত পড়ান: আহমদ শফী

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১১ ১৪:৫৩:০২

মেয়েদের স্কুল-কলেজে না দেওয়ার উপদেশ দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফী। এ প্রসঙ্গে হেফাজত আমির বলেন, ‘আপনাদের মেয়েদের স্কুল-কলেজে দেবেন না। ক্লাস ফোর বা ফাইভ পর্যন্ত পড়াতে পারবেন। এর বেশি যদি পড়ান, পত্র-পত্রিকায় দেখছেন আপনারা। মেয়েকে ক্লাস এইট, নাইন, টেন, এমএ, বিএ পর্যন্ত পড়ালে ওই মেয়ে কিছুদিন পর আপনার মেয়ে থাকবে না। তাই আপনারা আমার সঙ্গে ওয়াদা করুন। বেশি পড়ালে আপনার মেয়েকে টানাটানি করে অন্য পুরুষ নিয়ে যাবে। এ ওয়াজটা মনে রাখবেন।’

শুক্রবার (১১ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর হাটহাজারী মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ উপদেশ দিয়েছেন। মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।

আল্লাম শফি আরও বলেন, ‘আপনারা সুন্নত মোতাবেক দাড়ি রাখবেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। মেয়েরা যাতে পর্দা মেনে চলে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। মেয়ের মা এবং মেয়েকে পর্দার মধ্যে রাখবেন।’ তিনি এসব মেনে চলার জন্য উপস্থিত মুসল্লিদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নেন।

এ সময় উপস্থিত জনতা হাত তুলে আল্লামা শফীর এসব উপদেশ মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দেন।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে বিএনপি ও বামজোট

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১১ ১৪:৫১:৫৪

ভোট ডাকাতি অনিয়মের নানা চিত্র এবার ডকুমেন্ট আকারে আদালত ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরবে বিএনপি-বামজোট। এর আগে নানা অনিয়ম, কারচুপি ও সহিংসতার অভিযোগ এনে গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট ও বামজোটগুলো। গত ৩-৪ দিন বিএনপি তাদের প্রার্থীদের মাধ্যমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনভিত্তিক অনিয়মের চিত্র তথ্য-উপাত্ত দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমা নিচ্ছেন। নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে মামলার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রার্থীদের কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই এ তথ্য জমা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে দলটি। এ নিয়ে খুব শিগগিরই মামলা করা হবে বলেও জানিয়েছেন দলের নেতারা। এদিকে গতকাল নির্বাচনে ভোট ডাকাতি ও কেন্দ্র দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেছেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের প্রার্থীরা।গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাম গণতান্ত্রিক জোটের উদ্যোগে আয়োজিত গণশুনানিতে বাম জোটের প্রার্থীরা ভোটের রাতে ও ভোটের দিনের যত অভিযোগ তুলে ধরেন। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া গণশুনানি চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। গণশুনানিতে ১৩১ জন প্রার্থী নির্বাচনের দিনে অনিয়মের কথা তুলে ধরেন। বিএনপি ও বামজোটের কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা বিদেশ সফর করবেন। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দেশে ভোট ডাকাতির ভিডিও চিত্র এবং নানান ডকুমেন্ট নিয়ে মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করবেন তারা। এ ছাড়াও নির্বাচনের আইনগত বৈধতা প্রশ্নে আদালতে বিচার চাওয়ার বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরবেন। তাই বিদেশ সফরের আগেই বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া ভোট জালিয়াতির চিত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। দলীয় প্রার্থীদের মাধ্যমে শতশত ভিডিও চিত্র বিএনপি সংগ্রহ করেছে বলেও জানা যায়।

ড. কামাল ও মির্জা ফখরুল কখন দেশের বাইরে যাবেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঐক্যফ্রন্টের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা লতিফুল বারী হামিম আমার সংবাদকে জানান, ড. কামাল হোসেন ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের বাইরে যাচ্ছেন কিনা তার জানা নেই। লতিফুল বারী হামিম বলেন, ড. কামাল হোসেন আন্তর্জাতিক ল ইয়ার, তিনি সবসময় দেশের বাইরে সফর করেন এটা নতুন কিছু নয়। আর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের একটি শীর্ষ রাজনৈতিক দলের নেতা। বহু কারণে তাকে দেশের বাইরে যেতে হয়। তবে আগামী শপ্তাহে এ দুজন ভোট চিত্রের ভিডিও নিয়ে দেশের বাইরে যাচ্ছেন বলে ঐক্যফ্রন্টের একটি সূত্র আমার সংবাদকে নিশ্চিত করেছেন। এর আগেই অভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করছে বিএনপি। টাকা দিয়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও প্রশাসন থেকে ভোট জালিয়াতির ভিডিও কিনতেছে দলটি। বিএনপির নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের দাবি, ভোট জালিয়ায়তির ইঙ্গিত পেয়ে বিএনপি ক্ষমতাসীন দলের অর্থলোভী ও প্রশাসনের বড় একটি সিন্ডিকেটকে আগ থেকেই টার্গেট করে। যারা ভোটের দিন কেন্দ্রে থাকবে। এ জন্য তাৎক্ষণিক অর্থবরাদ্দ করে দলটি। যারা ভোটের রাতে ও ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে সরকারি দলের বেজ পড়ে থাকবে আর অনিয়মের চিত্র গোপনে তুলে রাখবে। পরে বিএনপির কাছে গোপন ভিডিওগুলো হস্তান্তর করবে। সে সেটাপেই বিএনপি এরই মধ্যে কয়েকশ ভিডিওচিত্র ওদের মাধ্যমে হাতে পেয়েছে বলে জানা গেছে। এসব ডকুমেন্টের ভিত্তিতেই আদালতে যাবে বিএনপি। এ বিষয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, উচ্চ আদালতে নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ও একাদশ জাতীয় নির্বাচন বাতিলের আবেদন জানিয়ে শিগগিরই মামলা করা হবে বলে জানান। তিনি বলেন, যিনি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি আইনসম্মতভাবে হননি, তার পদটি বাতিল করে যিনি আবেদন করেছেন তাকে সংসদ সদস্য ঘোষণা করা যেতে পারে অথবা পুরো নির্বাচনটিই বাতিল চেয়ে পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি করা যেতে পারে।এ নিয়ে খুব শিগগিরই দেশি ও আন্তর্জাতিক আদালতে শরণাপন্ন হবে ঐক্যফ্রন্ট ও সরকারবিরোধী দলগুলো। তাই এর আগেই বাম গণতান্ত্রিক জোট, বামফ্রন্ট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও সরকারের বাইরে থাকা সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করতে চায়।

এদিকে নির্বাচনের পর থেকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারছে না স্বজনরা। এ নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করে অভিযোগও করেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তবে বিএনপির দপ্তর সূত্র জানান, খালেদা জিয়ার সঙ্গে দলের সিনিয়র নেতাদের সাক্ষাতের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। সাক্ষাতের অনুমতি মিললে দলের পরবর্তী প্রদক্ষেপ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কারাগার থেকে খালেদার নির্দেশনা নিয়েই বিএনপি মাঠে নামবে বলে দাবি সূত্রের। অন্যদিকে দেশের প্রশ্নবিদ্ধ এ নির্বাচনকে পজেটিভ আকারেও নিচ্ছেন রাজনৈতিক অঙ্গনের বড় একটি অংশ। নির্বাচনে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টে বামজোটের প্রার্থীরা হারলেও ভোটের চিত্র দেশবাসীকে একটি বড় বার্তা দিয়েছে। দলীয় সরকারের অধীনে যে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না তা স্পষ্ট হয়েছে। ভবিষ্যতে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার কোনো যুক্তিই এখন ধোপে টিকবে না। দেশের সচেতন মানুষ যে সব তরুণ ভোটাররা প্রথম বছরেই ভোট প্রয়োগের অধিকার বাস্তবায়ন করতে পারেনি তাদের কাছে এ ধরনের নির্বাচন কখনোই আর গ্রহণযোগ্যতা আসবে না।গতকাল প্রেস ক্লাবে গণশুনানির বক্তব্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন নিয়ে বহু অভিযোগ আছে। এটি নজিরবিহীন একটি ভুয়া ভোটের নির্বাচন। বাম গণতান্ত্রিক জোট এবারের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৩১টি আসনে ১৪৭ জন প্রার্থী অংশ নেয়। দিনব্যাপী গতকালের ওই গণশুনানি অনুষ্ঠানে বাম দল থেকে নির্বাচনে অংশ নেয়া ৮০ জন প্রার্থী তাদের নির্বাচনি এলাকায় ভোটের সময়কার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি এবারের জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসন থেকে কোদাল মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। গণশুনানিতে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগের দিন রাতেই কেন্দ্র ভেদে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ ভোট সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভরে ফেলা হয়েছে। আমরা যারা প্রার্থী ভোট দিতে গিয়েছিলাম, দেখেছি, একটা ভোটকেন্দ্রে ভোটারের তেমন কোনো ভিড় নেই অথচ নয়টা বা সাড়ে নয়টার মধ্যেই ব্যালট বাক্স ভরে গেছে।’ জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে এর মতো কলঙ্কজনক নির্বাচন আর নেই। এটা আমাদের উপলব্ধি করার কথা। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে একটা নির্বাচন হলো, কিন্তু সেই নির্বাচনে জনগণকে অংশ নিতে দেয়া হলো না। সম্পূর্ণভাবে প্রশাসনের কর্তৃত্ব কাজ করেছে।’ তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে থেকেই পুরো একটা একতরফা পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। বিরোধী প্রার্থীদের ওপর হামলা-মামলা-গ্রেপ্তার করে এই পরিবেশ তৈরি করা হয়। মানুষ যাতে ভোটকেন্দ্রে আসতে না পারে, ভয় পায় সে জন্য আগে থেকেই একটা পরিবেশ তৈরি করা ছিল। এটাই তাদের লক্ষ্য ছিল। ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী শম্পা বসু মই মার্কায় নির্বাচনে অংশ নেন। তিনি গণশুনানিতে অভিযোগ করেন, ‘সকালে সেগুন বাগিচা হাইস্কুল ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখি, কেন্দ্রে কোনো ভোটার নেই। অথচ ব্যালট বাক্স ভোটে ভর্তি হয়ে আছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করতেই বললেন, মাত্র ১০০টি ভোট পড়েছে। কিন্তু ব্যালট বাক্স ভর্তি এত ভোট কোথা থেকে এলো?’পঞ্চগড?-২ আসনের বাম দলের প্রার্থী আশরাফুল আলম ভোটের দিনে বিভিন্ন অনিয়মের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভোটের দিনে সরকারি দলের লোকজন ভোটকেন্দ্রে জবর দখল করে রেখেছিল। কাউকে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়নি। বিরোধী দলের কোনো পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। ঠিকমতো গণসংযোগ করতে দেয়নি। গাইবান্ধা-১ আসনের প্রার্থী গোলাম রাব্বানী বলেন, ভোট গ্রহণের আগের রাতে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ব্যালট পেপারে সিল মেরে রাখা হয়েছিল। ওই দিন বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের কাউকে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে যেতে দেয়া হয়নি। ভোট গ্রহণের আগের রাতে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি-ধমকি দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পাবনা-১ আসনের প্রার্থী জুলহাসনাইন বাবু বলেন, ভোটের জন্য ঠিকমতো প্রচারণা করতে দেয়া হয়নি। সবসময় আমাদের নেতাকর্মীদের হুমকির মধ্যে রাখা হয়েছে। প্রতি পদে পদে বাধা দেয়া হয়েছে আমাদের। বামজোটের প্রার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এক কলঙ্কিত নির্বাচন। এমন কলঙ্কজনক নির্বাচন দেশের ইতিহাসে আর হয়নি। নজিরবিহীন ভুয়া ভোটের এই নির্বাচনের আগের দিনই বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রশাসনের সহায়তায় ভোট ডাকাতি হয়েছে। অথচ নির্বাচনের দিন প্রশাসন এসব অনিয়ম ঠেকাতে নিষ্ক্রিয় ছিল। অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সরকার বাম গণতান্ত্রিক জোটসহ বিরোধী দল ও জোটগুলোর কোনো দাবিই মানেনি। সরকার পদত্যাগ করেননি, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠিত হয়নি, জনগণের সমর্থনহীন বিতর্কিত সংসদ বিলুপ্ত করা হয়নি, অকার্যকর ও সরকারি দলের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশনে পরিবর্তন আনা হয়নি। সর্বোপরি নির্বাচনের টাকার খেলা বন্ধসহ অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের ন্যূনতম কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এর পাশাপাশি বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, হয়রানি, হুমকি শাস্তি দেয়া অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে দেশের অধিকাংশ এলাকায় বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে বলে অভিযোগ করেন প্রার্থীরা। তারা অভিযোগ করে বলেন, দেশবাসীর প্রত্যাশা ছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলগুলোর সংলাপের ফল হিসেবে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অনুষ্ঠানে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া কিন্তু সরকার ও সরকারি দল সুষ্ঠু নির্বাচনের যুক্তিপূর্ণ ও ন্যায়সঙ্গত কোনো দাবিই মানেনি।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত