যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 07:04pm

|   লন্ডন - 01:04pm

|   নিউইয়র্ক - 09:04am

ব্রেকিং নিউজ >>   ইরাকে ফেরি ডুবে নিহত ৭১

  সর্বশেষ :

  ‘আবরার ফুটওভার ব্রিজ’ নির্মাণ কাজ শুরু   হোটেল কক্ষে গোপন ক্যামেরা বসিয়ে ১৬০০ অতিথির অন্তরঙ্গ মুহূর্ত   ইরাকে ফেরি ডুবে নিহত ৭১   নিউ জিল্যান্ডে অ্যাসাল্ট রাইফেল নিষিদ্ধ হচ্ছে   জুমার আজান সম্প্রচার করবে নিউজিল্যান্ডের রেডিও-টিভি   যুক্তরাজ্যে এক রাতে ৫ মসজিদে হামলা   সফল বাইপাস সার্জারির পর ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্যের উন্নতি   বিয়ে করছেন তিন টাইগার ক্রিকেটার   বিএনপি সরকারবিরোধী উস্কানি দিচ্ছে : হানিফ   পদ্মা সেতুতে বসছে নবম স্প্যান বৃহস্পতিবার   ২৮ তারিখ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত   আগামী শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের নারীদেরকে স্কার্ফ পরার আহ্বান   সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত   পুলিশ হেফাজতে জামায়াত কর্মীর মৃত্যু, উত্তাল কাশ্মীর   এবার চাকসু নির্বাচনের সিদ্ধান্ত

>>  খেলাধুলা এর সকল সংবাদ

বিয়ে করছেন তিন টাইগার ক্রিকেটার

ক্রাইস্টচার্চের ঘটনা পিছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। দেশে ফিরে মানসিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পরিবারকে বেশি সময় দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অবসরের ফাঁকে এবার পারিবারিকভাবে বিয়ে করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ দলের তিন ক্রিকেটার।

কিছুদিন আগে বিয়ের কাজটি সম্পন্ন করেছেন সাব্বির রহমান। এবার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ দলের তিন ‘ম’। তারা হলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান ও মুমিনুল হক। তিন তারকার বিয়ে নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট পাড়ায় চলছে নানা আলোচনা।

সবার আগে মিরাজ:
বয়সে বাকি

বিস্তারিত খবর

প্রথমবারের মত ওয়াশিংটনে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘বলী খেলা’ আয়োজন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৩-১৬ ১৫:২৪:৪৩

ওয়াশিংটন: এই প্রথমবারের মত প্রবাসের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ’বলী খেলা। বাঙালির প্রানের উৎসব বৈশাখী মেলাকে ঘিরে এই ’বলী খেলা’র আয়োজন সাজিয়েছে ওয়াশিংটনের সাংস্কৃতিক সংগঠন ”ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামেলী (ডিএমভি)। এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন সংগঠনের দুই প্রধান আকতার হোসাইন ও বোরহান আহমেদ।খবর বাপসনিঊজ ।বলীখেলা এক বিশেষ ধরনের কুস্তি খেলা, যা চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে প্রতিবছরের ১২ই বৈশাখে অনুষ্ঠিত হয়।এই খেলায় অংশগ্রহনকারীদেরকে বলা হয় বলী। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কুস্তি বলীখেলা নামে পরিচিত। ১৯০৯ সালে চট্টগ্রামের বদরপাতি এলাকার ধনাঢ্য ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার সওদাগর এই প্রতিযোগিতার সূচনা করেন। তার মৃত্যুর পর এই প্রতিযোগিতা জব্বারের বলী খেলা নামে পরিচিতি লাভ করে। জব্বারের বলীখেলা একটি জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যমন্ডিত প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত। বলীখেলাকে কেন্দ্র করে লালদিঘী ময়দানের আশে পাশে প্রায় তিন কিলোমিটার জুড়ে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয় এবং এটি বৃহত্তর চট্টগ্রাম এলাকার সবচেয়ে বৃহৎ বৈশাখী মেলা।

এবারে দেশের সাথে তাল মিলিয়ে ওয়াশিংটনের মাটিতেও আয়োজন করা হয়েছে ’বলী খেলা’র। আগামী ৬ এপ্রিল শনিবার ভার্জিনিয়ার ম্যাশন ডিষ্ট্রিক পার্ক, ৬৬২১ কলম্বিয়া পাইক, আনানডেল, ভার্জিনিয়া ২২০০৩ এ ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামেলী (ডিএমভি) আয়োজিত বৈশাখী মেলায় এই আকর্ষনীয় বলী খেলা অনুষ্ঠিত হবে। বলী খেলায় অংশগ্রহনে ইচ্ছুক বলীদেরকে আকতার হোসাইন ৭০৩-৩৮৯-৬৭৮৯ এবং বোরহান আহমেদ ২০২-৭১৪-৭০৩৮ এই নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রত্যেক বলীদের জন্য মেলায় থাকবে আকর্ষনীয় পুরস্কার।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পী সহ আমন্ত্রীত শিল্পীরা নাচ গান ও সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। অনুষ্ঠানে পান্তা ইলিশ ভর্তা সহ নানা রকমের শাড়ী চুড়ি খেলনা সহ নানা ধরনের খাবারের ষ্টলে থাকবে ভরপুর। অনুষ্ঠানে থাকবে আকর্ষনীয় র‌্যাফেল ড্র পুরস্কার। প্রতি বছরের ন্যায় ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামেলী আয়োজিত এই বৈশাখী মেলায় অংশগ্রহন করবার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে কোন প্রবেশ মুল্য নাই। অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য আকতার হোসাইন ৭০৩-৩৮৯-৬৭৮৯, ও বোরহান আহমেদ ২০২-৭১৪-৭০৩৮ ’র সাথে যোগাযোগ করার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানের গ্র্যান্ড স্পন্সর হিসাবে আছে একাত্তর ফাউন্ডেশন এর কবির পাটোয়ারী ও পারভিন পাটোয়ারী, গোল্ড স্পন্সর ডাটাগ্রুপ, বেঙ্গল কাবাব, ডাটা এন টেক, প্যানঅ্যাম কন্সট্রাকসন, ও পিপল এন্ড টেক। এছাড়াও অনুষ্ঠানের স্পন্সর হিসবে আছে পার্টনার রিয়েলষ্টেট রাজিব হক, রিয়েলটর নাজির নাজির উল্ল্যা, রিয়েলটর উৎপল সাহা, রিয়েলটর দিলাল আহমেদ, কমনওয়েলথ মর্টগেজ, দেশী বাজার, কাবাব কিং, হোম টাউন প্রপার্টিজ লিমিটেড, অলষ্টেট মোহাম্মদ আলী, ফেয়ারওয়ে মর্টগেজ, জিআই রাসেল, প্যানএম কর্পোরেশন, এসসিফিন, আরটিএস ট্যাক্স, খামারবাড়ী নিউইয়র্ক। অনুষ্ঠানের টেলিভিশন মিডিয়া পার্টনার হিসাবে আছে এনটিভি, অনলাইন মিডিয়া পার্টনার ওয়াশিংটন বাংলা ডট কম, ডিজিটাল পার্টনার আনন্দী ফটোগ্রাফী, সোস্যাল মিডিয়া পার্টনার কিরনটিভি, বিডিঅন ইত্যাদি।

বিস্তারিত খবর

৫০ মিলিয়নে রিয়ালে ব্রাজিলের মিলিতো

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৩-১৪ ১৪:১১:১৬

রিয়াল মাদ্রিদ আজ জানিয়েছে যে তারা ৫০ মিলিয়ন ইউরোতে পর্তুগালের ক্লাব পোর্তোর সেন্টার ব্যাক এদার মিলিতোকে চুক্তিবদ্ধ করেছে। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত তিনি রিয়ালে থাকবেন।

এ বিষয়ে রিয়াল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘রিয়াল মাদ্রিদ ও পোর্ত এদার মিলিতো এর ব্যাপারে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী মিলিতো পরবর্তী ছয় মৌসুম (২০২৫ সালের জুন) রিয়ালে থাকবেন।’

অবশ্য মিলিতোকে দলে ভেড়াতে রিয়াল মাদ্রিদ বেশ তোড়জোড় করেছে। সে কারণে দ্রুতই চুক্তিটি হয়েছে। দলে ভেড়ানোর পর মিলিতোর বাইআউট ক্লজ ২৫ শতাংশ বেড়ে হবে ৭৫ মিলিয়ন ইউরো।

২১ বছর বয়সী এই তারকা পর্তুগালের ক্লাব পোর্তোর হয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পারফরম্যান্স করে নজর কেড়েছেন। ২০১৮ সালে তাকে সাও পাওলো থেকে দলে ভিড়িয়েছে পোর্তো। পেপের পাশাপাশি ইতিমধ্যে পোর্তোর হয়ে ৩৪ ম্যাচ খেলেছেন মিলিতো। পর্তুগালে এক মৌসুম কাটাতে না কাটাতেই তাকে দলে টেনে নিল রিয়াল।

রক্ষণভাগের এই খেলোয়াড়ের ফুটবল নৈপূণ্য ও ব্যক্তিত্ব তাকে রিয়ালের মতো ক্লাবে নিয়ে এসেছে। তার আগমণে অবশ্য কপাল পুড়তে যাচ্ছে জেসাস ভালেজোর। হয়তো লোনে তাকে কোথাও পাঠাবে রিয়াল। আবার রেখেও দিতে পারে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ভারতকে আইসিসির হুঁশিয়ারি, পাল্টা হুংকার ভারতের

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৩-০৫ ০৮:৪৫:৪০

ভারতের সঙ্গে আইসিসির সম্পর্ক বোঝা বড় দায়।পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ না খেললেও আইসিসির দরবারে বিচার অনুষ্ঠানে ভারতই জিতেছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হতে পারে, এ আর নতুন কি! আইসিসি আর বিসিসিআই তো ‘মাসতুতো ভাই’। কিন্তু, কিছুদিন আগে কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার জন্য পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ থেকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছিল ভারত। আইসিসি তাঁদের দাবি কানে তোলেনি। সাফ বলে দিয়েছে, বিশ্বকাপে কোনো সদস্য দেশকে খেলতে না দেওয়ার এখতিয়ার নেই আইসিসির। এবার কর নিয়ে ভারত-আইসিসি সম্পর্ক আরেকটু নাজুক হওয়ার মুখে। ভারত সরকার করছাড় না দিলে আইসিসির দুটি প্রতিযোগিতা আয়োজনে করের বোঝা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকেই (বিসিসিআই) টানতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা।
২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ভারতে। দুবাইয়ে আইসিসির ত্রৈমাসিক বৈঠকে এ দুটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজনে সরকারের কাছ থেকে করছাড়ে অনুমোদন নিতে বিসিসিআইকে বলেছে আইসিসি। ভারত সরকার করছাড় না দিলে দুটি বিশ্বকাপ আয়োজনের করের বোঝা বিসিসিআইকেই বহন করতে হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশের মাটিতে এ দুটি বিশ্বকাপ আয়োজনের কর প্রায় দেড় শ কোটি রুপি।২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে হয়েছিল। এই টুর্নামেন্টে ভারত সরকার কোনো করছাড় দেয়নি। আইসিসির ভারতীয় চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহর তাই এবার বিসিসিআইকে সাফ বলে দিয়েছেন, সরকার এবারও করছাড় না দিলে সেই করের বোঝা ক্রিকেট বোর্ডকেই বহন করতে হবে। তবে আইসিসির এমন কথা বিসিসিআইয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ভালো চোখে দেখছেন না। বোর্ডের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, সরকার করছাড় না দিলে আইসিসি চাইলে দুটি বিশ্বকাপই ভারতের বাইরে আয়োজন করতে পারে। কিন্তু এভাবে চাপ দিয়ে কোনো লাভ হবে না।সেই কর্মকর্তা উল্টো আইসিসিকেই হুমকি দিয়ে বলেছেন, ‘কর বিভাগ ও মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত নেবে আমরা তা মেনে চলব। আমরা নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চাই। তবে আইসিসি যদি কঠিন হতে চায় তাহলে তাঁদের সবকিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তারা চাইলে টুর্নামেন্ট ভারতের বাইরে নিতে পারে। তাহলে বিসিসিআই-ও আইসিসির কাছ থেকে লভ্যাংশ বুঝে নেবে; তখন দেখা যাবে কার লোকসান বেশি হয়।’বিসিসিআইয়ের আরেক অফিশিয়াল সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমরা আগেও দেখেছি, ভিন্ন ভিন্ন বোর্ড সদস্যদের সঙ্গে ভিন্ন আচরণ করে আইসিসি। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) জন্য শুধু করছাড়ের চেষ্টাই যথেষ্ট। কিন্তু বিসিসিআইকে করছাড় নিশ্চিত করতে হবে। এর সঙ্গে কোনোভাবেই একমত হওয়ার পথ নেই বিসিসিআইয়ের। আইসিসি কোনোভাবেই ভারতের স্বার্থকে আঘাত করতে পারে না।’

বিস্তারিত খবর

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ১০০ দিনের ক্ষণগণনা শুরু

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-১৯ ১১:৩৪:২৯

৩০ মে পর্দা উঠবে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের। মাসের হিসেবে আর কয়েকটি মাস বাকি। তবে দিনের হিসেবে বাকি মাত্র ১০০ দিন। ওয়ানডে বিশ্বকাপের এই ১০০ দিনের ক্ষণগণনা আজ মঙ্গলবার থেকে লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে নেলসন কলামে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সেখানে একটি বিশাল আকৃতির স্ট্যাম্প বানানো হয়েছে। যার মিডেল স্ট্যাম্প বানানো হয়েছে ট্রাফালগার স্কয়ারের মনুমেন্টটিকে। সামনে রাখা হয়েছে বিশ্বকাপের ট্রফিটি। এখান থেকেই শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন ও শেষ ১০০ দিনের সফর।

ক্ষণগণনার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব ক্রিকেট, বিশ্ব ক্রীড়া, মিডিয়া ও বিনোদনের আলোচিত ও খ্যাতিমান ব্যক্তিবর্গ। সেই তালিকায় আছেন ইংল্যান্ডের ক্রীড়া মন্ত্রী মিমস ডাভিস, স্যার অ্যালিস্টার কুক, জেমস অ্যান্ডারসন, দুইবারের বিশ্বকাপ জয়ী ক্লাইভ লয়োড, বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্টিভ এলওর্থি, আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন, সেলিব্রেটি হ্যারি জুড ও ক্রিস হিউজেস।

এ বিষয়ে বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্টিভ এলওর্থি বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ এখন ছোঁয়া দূরত্বে। ট্রাফালগার স্কয়ারে টুর্নামেন্টের ১০০ দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে যে আয়োজন সেটা দেখে দারুণ লাগছে। এসব আয়োজন আসলে টুর্নামেন্টটিকে স্থানীয় এবং বিশ্বব্যাপী ক্রিকেট ভক্ত-সমর্থকদের চোখের সামনে নিয়ে আসে।এটা আসলে টুর্নামেন্টকে স্মরণীয় করে রাখতে আমাদের যে প্রচেষ্টা সেটার অংশ। আশা করছি ১০০ দিনে ট্রফিটি খেলোয়াড়, ক্রিকেট ভক্ত, দর্শকদের মধ্যে অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ উদ্দীপনা ছড়াবে। এই ১০০ দিনে ট্রফির সঙ্গে আমরাও দারুণ দারুণ জায়গায় যেতে পারব। স্মরণীয় ও আকর্ষণীয় নানা স্থান দেখব। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষকে বিশ্বকাপের উৎসবে সামিল করতে পারব।’

বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর মধ্য দিয়ে আমাদের বছরের পর বছর ধরে করা পরিকল্পনাগুলোর বাস্তবায়ন হয়। তবে মূল উত্তেজনাটা ছড়ায় বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগের ১০০ দিনে। আশা করছি আগামী ১০০ দিনে ক্রিকেট বিশ্বের কোটি কোটি সমর্থকদের উৎসবে সামিল করবে এই ক্ষণগণনা ও ট্রফির সফর। যেটা ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও আকর্ষণীয় স্থান ঘুরে বেড়াবে।’

আবারো ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ক্রিকেটপ্রেমী, নতুন প্রজন্ম বিশ্বের তারকা ক্রিকেটারদের খেলা দেখতে পারবে ঘরের মাঠে। তারকা ক্রিকেটারদের পদচারণায় মুখরিত হবে নানান ভেন্যু ও স্থান। ১৪ জুলাই বিজয়ী দলের অধিনায়ক উঁচিয়ে ধরবেন বিশ্বকাপের ট্রফি।তার আগে ১০০ দিনের ক্ষণগণার সময়ে ট্রফিটি ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের ১১৫টি লোকেশন ঘুরবে। যেখানে ক্রিকেট ভক্তরা সুযোগ পাবে ট্রফিটিকে কাছ থেকে দেখার। ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার। ১০০ দিনের সফর শেষে ট্রফিটি ফিরে আসবে লন্ডনে। যেখানে ৩০ মে পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের।

ইংল্যান্ডের সাবেক স্পিনার গ্রায়েম সোয়ানকে ১০০ দিনের ট্রফি ট্যুরের অ্যাম্বাসেডর করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘ট্রফি ট্যুরের অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত। এই সফরের মাধ্যমে দেশের আনাচে-কানাচের ক্রিকেট ভক্ত ও সমর্থকদের মধ্যে বিশ্বকাপের যে আমেজ সেটা ছড়িয়ে দিব। টুর্নামেন্টকে ঘিরে তাদের যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সেটা আরো বাড়িয়ে দিব। এই গ্রীষ্মের সময়টি ইংল্যান্ড-ওয়েলস এবং বিশ্বব্যাপী খুবই উত্তেজনাকর হবে। আর সেটা শুরু হল বিশ্বকাপের ১০০ দিনের ক্ষণগণার মধ্য দিয়ে।’

এর আগে বিশ্ব ভ্রমণের অংশ হিসেবে ট্রফিটি ওমান, যুক্তরাষ্ট্র, জ্যামাইকা, বার্বাডোজ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভারত, আফগানিস্তান, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, রুয়ান্ডা, নাইজেরিয়া, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও জার্মানি ঘুরে এসেছে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য হলেন মাশরাফি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-১০ ১৪:৪১:৫৮

একাদশ জাতীয় সংসদে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। এই কমিটির সভাপতি করা হয়েছে প্রাক্তন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবকে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, প্রাক্তন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, মাহবুব আরা গিনি, প্রাক্তন ফুটবলার ও সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী, জুয়েল আরেং, প্রাক্তন ক্রিকেটার ও সংসদ সদস্য এ এন এম নাইমুর রহমান দুর্জয়।

রোববার সন্ধ্যায় ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশেন চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী কমিটির সদস্যদের নাম প্রস্তাব করেন।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশের ৩ ভেন্যুতে হবে আইপিএল!

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-০৬ ১৩:১২:৫৮

বাংলাদেশে হতে যাচ্ছে আইপিএল ম্যাচ! ২০১৯ মৌসুমের ১৪টি ম্যাচ হবে এখানে! বিপিএলের ৩ ভেন্যুতে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে!
এপ্রিল-মে মাসে অনুষ্ঠিত হবে ভারতের ১৭তম লোকসভা নির্বাচন। সম্ভাব্য সহিংসতা এড়াতে ক’দিন আগে আইপিএলের ১৪টি ম্যাচ বাংলাদেশে আয়োজনের প্রস্তাব দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (সিসিসিআই)! তাতে তাৎক্ষণিক হ্যাঁ না বললেও অসম্মতি জানায়নি বিসিবি!
বিষয়টি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করতেই নাকি ৩ দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছেন বর্তমান আইসিসি চেয়ারম্যান এবং সাবেক বিসিসিআই সভাপতি শশাঙ্ক মনোহর। তবে চাউর হয়েছে, বিপিএল ফাইনাল দেখতে এসেছেন তিনি।
বুধবার ভারত থেকে বিশেষ বিমানে (চাটার্ড বিমান) ঢাকায় এসেছেন মনোহর। তার সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞ কিউরেটররা। বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
আসছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিসিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে বসবেন মনোহর ও তার সহযোগিরা। ৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম পরিদর্শন এবং বিপিএল ষষ্ঠ আসরের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করবেন। পরে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যাবেন তারা।
গুঞ্জন, নেপথ্যে আইপিএল আয়োজন! বাংলাদেশের তিন ভেন্যুতে মাল্টি মিলিয়ন ডলারের টুর্নামেন্টটির কয়েকটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত করা যায় কি না-খতিয়ে দেখবেন অতিথিরা। এছাড়া দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেটীয় সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হবে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সংসদে গেলেন এমপি মাশরাফি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-০৫ ১১:৫৮:০৩

সংসদে যোগ দিয়েছেন নড়াইল-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা। একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের চতুর্থ দিন বিকেলে পাঁচটায় সংসদে যোগ দেন তিনি। এর আগে সাড়ে ৪টার দিকে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।

গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের ব্যানারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

এরপর ৩০ জানুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়, কিন্তু সেসময় বিপিএলের কারণে ব্যস্ত থাকায় আজই প্রথমবারের মতো সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন মাশরাফি।

মঙ্গলবার সংসদে যোগ দিলেও মাশরাফির বুধবার বিপিএলে একটি ম্যাচ রয়েছে তার। শিরোপার স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে হলে ঢাকার বিপক্ষে বুধবার জিততেই হবে মাশরাফির রংপুরকে। ক্রিকেটে মাঠের জটিল সব সমীকরণ মাথায় নিয়েই মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো সংসদে গেলেন মাশরাফি। বিপিএল শেষেই মাশরাফির ব্যস্ততা কমছে না। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি তিন ম্যাচের ওয়ানডে খেলতে মাশরাফি নিউজিল্যান্ড সফরে যাবেন।

ক্রিকেটের ২২ গজে তুখোড় অধিনায়ক রাজনীতির ময়দানে নবীন। রাজনীতিতে জড়ালেও মাশরাফি আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত ক্রিকেট নিয়েই থাকতে চান। বাকি কয়দিন ক্রিকেটে সময় দেওয়ার পর সুযোগ থাকলেই কেবল রাজনীতির বিষয়গুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত হবেন। গত রোববার মাশরাফি বলেছিলেন, সব সময়ইতো বলি ক্রিকেট নিয়ে থাকবো। আপাতত এটাই আমার কাজ। সংসদ শুরু হয়েছে। নিউজিল্যান্ড যাওয়ার আগে যে কয়দিন সুযোগ পাবো অধিবেশনে যোগ দিবো। রাজনীতি কেবল শুরু করেছি। ধীরে ধীরে এসে অভ্যস্ত হয়ে উঠবো।’


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

রাশিয়ার দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়ামগুলো ‘শ্বেত হস্থিতে’ পরিণত

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-০৫ ১১:৩৫:১৫

অনেকেই ভেবেছিল, রাশিয়ার ফুটবল উন্মাদনা শেষ হবে না। কিন্তু বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই টুর্নামেন্টের জন্য নির্মিত দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়ামগুলো এখন ‘শ্বেত হস্তিতে’ পরিণত হয়েছে। দেশটি এখন এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।

অবশ্য বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের সর্ববৃহৎ এই আয়োজন সম্পন্ন হবার ছয় মাস পর স্টেডিয়ামগুলোতে দর্শকের উপস্থিতি বেড়েছে। বিশ্বকাপের জন্য অবকাঠামো নির্মাণে রাশিয়া ১০ বিলিয়নেরও বেশি অর্থ ব্যয় করেছিল। টুর্নামেন্টের ১১টি আয়োজক শহরের স্টেডিয়ামগুলো এ সময় হয় নতুনভাবে নির্মিত হয়েছে, নতুবা সম্পূর্ণভাবে সংস্কার করতে হয়েছে।

টুর্নামেন্ট উপলক্ষে নির্মিত হয়েছিল একেবারেই নতুন সাতটি স্টেডিয়াম। তন্মধ্যে তিনটি নির্মিত হয়েছে ভলগোগার্ড, নিজনি নভগরদ ও সারানস্কে।

২০১৮-১৯ মৌসুমে শহরগুলোর তিনটি দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবের ম্যাচে রেকর্ড সংখ্যক দর্শক উপস্থিত হয়েছে।

এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী মৌসুমের শুরুতে ভলগোগার্ডে হোম ম্যাচগুলো উপভোগ করার জন্য গড়ে ২২ হাজার দর্শকের সমাগম ঘটেছে। নিজনি নভগরদে গড় উপস্থিতি ছিল ২০ হাজার দর্শক। আর রাশিয়ার কেন্দ্রস্থল সারানস্কে গড় দর্শক উপস্থিতি ছিল ১৫ হাজার।

রাশিয়ার প্রিমিয়ার লীগের দর্শক উপস্থিতিও বেড়েছে। ডিসেম্বরে শীতকালীন বিররির শুরুতে শীর্ষস্থানীয় ক্লাবগুলোর ম্যাচের দর্শক উপস্থিতি গড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০ শতাংশ। এ সময় গড়ে ১৭ হাজার দর্শক সমাগম ঘটেছে ওইসব ম্যাচে।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

পূর্বাচলে ‘স্টেট অব আর্ট’ স্টেডিয়াম বানাবে বিসিবি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-০২ ১৩:৪২:২৫

‘স্টেট অব আর্ট’ স্টেডিয়ামের আলাদা বিশেষত্ব রয়েছে। এটা শুধু একটি স্টেডিয়াম নয়, এর স্থাপনায় জড়িয়ে থাকে ঐতিহ্য, অসাধারণ নিদর্শণ, দারুণ শিল্প শৈলি। এ ধরণের স্টেডিয়াম গুলো গড়ে উঠে অত্যাধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা নিয়ে। স্টেডিয়াম ভিলেজেই থাকে আবাসন সুবিধা, যোগাযোগ অবকাঠামো।

ইউরোপের স্টেডিয়ামগুলো গড়ে তোলা হয় ‘স্টেট অব আর্ট’- এর আদলে। আইকনিক এ ধরণের স্টেডিয়ামগুলো মুগ্ধতা ছড়ায়, তৈরি করে ভিন্ন আবহ। উপমহাদেশে সচরাচর এ স্টেডিয়ামগুলো দেখা যায় না। ভারতের গুজরাটে এমনই এক স্টেডিয়াম বানাচ্ছে গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েসন। দীর্ঘদিন ধরে এমনই স্টেডিয়াম বানানোর কথা বলে আসছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই স্বপ্ন বেশিদূরে নয়।

অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম বানানোর জন্য পূর্বাচলে ৩৭.৪৯ একর জমি পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এজন্য ব্যয় করতে হয়েছে মাত্র ১০ লাখ টাকা।নিজস্ব অর্থায়ণ ও ব্যাবস্থাপনায় বিসিবি নির্মাণ করতে যাচ্ছে ৫০ হাজার দর্শক আসন বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক মানের এ স্টেডিয়াম।

‘স্টেট অব আর্ট’ স্টেডিয়াম বানাতে আগ্রহী বিসিবি। আজ বোর্ড সভা শেষে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন,‘আমরা ঠিক করেছি এটার জন্য এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্টচেয়ে আন্তর্জাতিকভাবে দরপত্র দিব। মূলত নকশা ও পরামর্শক চেয়ে আমরা দরপত্র আহ্বান করব। আজ তাদের নির্বাচন করার প্রক্রিয়া নিয়ে আলাপ করেছি। বোর্ডের লোক তো থাকবেই, বাইরের থেকেও বিশেষজ্ঞ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করব। আগামী তিন বছরের মধ্যে এই স্টেডিয়ামটা সম্পূর্ণ করতে চাই।’

খরচের বিষয়ে বোর্ড সভাপতি বলেন,‘স্টেডিয়ামের খরচ পুরোটা করবে বিসিবি। আমরা চাচ্ছি ‘স্টেট অব আর্ট’ স্টেডিয়াম করতে। দেখার মতো একটা জায়গা হবে। নকশার কারণে খরচ বেশি হবে। আইকনিক কিছু করব আমরা।’

এই স্টেডিয়ামের সঙ্গে একাডেমি, ইনডোর, সুইমিংপুল, জিমনেশিয়াম থাকবে। সাথে থাকবে পাঁচ তারকা মানের একটি হোটেলও।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সর্বোচ্চ শিরোপার রেকর্ডটা গড়েই ফেললেন জোকোভিচ

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২৭ ১২:০৩:১৯

ম্যাচজয়ী পয়েন্টটা পেতেই র্যাকেটটা ছুড়ে ফেলে দু-হাঁটু গেড়ে বসে পড়লেন কোর্টে। দুই হাত উপরের দিকে প্রসারিত করে আকাশের দিকে তাকালেন। এরপর চোখ দুটো বন্ধ করলেন। মুখখানা করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ঈশ্বরের কাছে। মাত্রই প্রবল প্রতিপক্ষ রাফায়েল নাদালকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের পুরুষ এককের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সপ্তম শিরোপা জয়ের অনন্য রেকর্ড গড়েছেন। নোভাক জোকোভিচের উদযাপনে একটু ভিন্ন মাত্রা তো পাবেই।

রয় এমারসন ও রজার ফেদেরারের সর্বোচ্চ ৬ শিরোপার রেকর্ড সার্বিয়ান তারকা ভাগ বসান গত মৌসুমেই। এবার তাই তার সামনে ওই দুই কিংবদন্তিকে পেছনে রেকর্ডটা নিজের করে নেওয়ার। একের পর এক ধাপ পেরিয়ে যখন ফাইনালে পা রাখলেন, তখনো একটা সংশয় মিশ্রিত প্রশ্ন অদৃশ্যে বাজছিল-জোকোভিচ রেকর্ডটা গড়তে পারবেন তো?

প্রশ্নটা উঠছিল, কারণ ফাইনালে তার প্রতিপক্ষ যে ছিলেন রাফায়েল নাদাল। নেটের দুই পাশে টেনিস ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই তারকা। মেলবোর্ন পার্কে দর্শকেরা তাই আশায় বুক বেঁধেছিল ধ্রুপদী এক লড়াই দেখার। ক্লাসিক ম্যাচের স্বপ্ন দেখছিল আসলে বিশ্বজুড়ে টেনিস ভক্তরাও। কিন্তু আজ মেলবোর্ন পাকে দর্শকদের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

একেবারেই যে লড়াই হয়নি, তা নয়। তবে ধ্রুপদী লড়াই বলতে যা বোঝায়, নাদাল তা করতে পারেননি। রেকর্ড গড়ার ক্ষুধু মেটাতে জোকোভিচ ম্যাচটা জিতে নিয়েছেন অনায়াসেই। মাত্র দুই ঘণ্টা ৪ মিনিটেই শেষ করে দিয়েছেন ম্যাচের আয়ু। জিতেছেন সরাসরি ৬-৩, ৬-২, ৬-৩ গেমে।

সব মিলে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে এটা তার সপ্তম শিরোপা। মেলবোর্ন পাকে এর আগে ২০০৮, ২০১১, ২০১২, ২০১৩, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে শিরোপা উৎসব করেছেন। এই শিরোপা জয়ের মধ্যদিয়ে সার্বিয়ান কিংবদন্তি সর্বকালের সর্বোচ্চ গ্র্যান্ডস্লামজয়ীদের তালিকায় নিজেকে নিয়ে গেলেন তিন নম্বরে। সব মিলে এটা তার ক্যারিয়ারের ১৫তম গ্র্যান্ড স্লামের একক শিরোপা। তার উপরে কেবল দুজন, আজকের ‘পরাজিত নায়ক’ রাফায়েল নাদাল (১৭টি) ও সুইজ কিংবদন্তি রজার ফেদেরার (২০টি)।

জোকোভিচের আগে মেয়েদের এককে শিরোপা জিতেছেন জাপানি তারকা নওমি ওসাকা। পেত্রা কেভিতোভাকে ৭-৬ (৭-২), ৫-৭, ৬-৬ গেমে হারিয়ে জাপানি মেয়ে গড়েছেন দুদটি রেকর্ড। প্রথমত প্রথম জাপানি হিসেবেই শুধু নয়, প্রথম এশিয়ান হিসেবেই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের শিরোপা জিতলেন তিনি। এই শিরোপা জয়ের মধ্যদিয়ে প্রথম জাপানি, একই সঙ্গে প্রথম এশিয়ান হিসেবে ২১ বছরের নওমি পা রেখেছেন মেয়েদের র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে মোস্তাফিজ

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২২ ১৫:০৭:২২

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ওয়ানডে দল জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের হাসিমুখের ঘাতক মোস্তাফিজুর রহমান। সোমবার রাতে ২০১৮ সালের ওয়ানডে একাদশ ঘোষণা করেছে আইসিসি। ওয়ানডে দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ভারতের বিরাট কোহলি। এই দলে আছেন মোস্তাফিজ। গত বছর দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে সেরা একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন এই কাটার মাস্টার।

১৮টি ওয়ানডে খেলে ২৯ উইকেট শিকার করেন মোস্তাফিজুর। ১৪৯ দশমিক ৫ ওভার বল করে ৬৩০ রান খরচ করেন দ্য ফিজ। তার বোলিং গড়- ২১ দশমিক ৭২।

বর্ষসেরা এই দলে ভারত-ইংল্যান্ড থেকে সর্বোচ্চ ও সমান চারজন করে খেলোয়াড় সুযোগ পেয়েছেন। এছাড়া নিউজিল্যান্ড, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে একজন করে খেলোয়াড় আছে। তবে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কোন খেলোয়াড়ের জায়গা হয়নি আইসিসি দলে।

আইসিসি বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশ : বিরাট কোহলি (ভারত) (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (ভারত), জনি বেয়ারস্টো (ইংল্যান্ড), জো রুট (ইংল্যান্ড), রস টেইলর (নিউজিল্যান্ড), জস বাটলার (ইংল্যান্ড-উইকেটরক্ষক), বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড), মোস্তাফিজুর রহমান (বাংলাদেশ), রশিদ খান (আফগানিস্তান), কুলদীপ যাদব (ভারত) ও জসপ্রিত বুমরাহ (ভারত)।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বেতন দেয়ার রেকর্ড গড়েছে বার্সেলোনা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৬ ০২:০২:৫২

বার্সেলোনার ফের বিশ্বে এক নম্বর!  মাঠে নয়, প্রথম ফুটবল দল হিসেবে স্প্যানিশ লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা মাসিক বেতন দিতেই খরচ করে ফেলেছে আধা বিলিয়ন ইউরো। যা গেল বছরের চেয়ে ৪২ শতাংশ বেশি। ইউরোপ ভিত্তিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান কেপিএমজি’র এক রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে।

ইউরোপের শীর্ষ ৮টি লিগের চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য এবং তাদের খরচ নিয়ে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে রেকর্ড পরিমাণ ১৬০ মিলিয়ন ইউরো (১৮৩ মিলিয়ন ডলার) খরচ করে ব্রাজিলের ফিলিপ কুতিনহোকে লিভারপুল থেকে নিয়ে আসে বার্সা। কাতালান স্টাফদের পেছনে বার্ষিক ৫৬২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করা হয়।

২০১৭ সালের আগস্টে ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড উসমানে ডেম্বেলেকে নিয়ে আসা এবং বেশ কিছু খেলোয়াদের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করে তারা। এর মধ্যে রয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসিও। ফলে খরচ বেড়েছে যথেষ্ট পরিমাণে।

কেপিএমজি’র তালিকায় থাকা দ্বিতীয় শীর্ষনামটি প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানের খরচ ২০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩২ মিলিয়ন ইউরো।

অন্যদিকে ম্যানচেস্টার সিটির বিষয়টি পুরোই উল্টো। ইংলিশ প্রিমিয়র লিগে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বেতন খাতে খরচ কমেছে ৫ শতাংশ।
 
কেপিএমজি’র গ্লোবাল হেড অব স্পোর্টস আন্দ্রে সারতরি বলেছেন, ফুটবল বিশ্ব অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে ফুটবল বেশ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে।

তিনি বলেন, বড় দলগুলো দিন দিন বিনোদন কোম্পানির মডেল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান থেকে বৈশ্বিক ব্র্যান্ড হিসেবে পুরো বিশ্ব থেকে দর্শক-সমর্থকদের কাছে তারা গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আবারও ক্রিকেট মাঠে মৃত্যু, শোকস্তব্ধ সতীর্থরা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৫ ১৩:৫৫:০৮

অকালেই চলে গেলেন ভারতীয় তরুণ ক্রিকেটার ৷ আর পাঁচদিনের মতোই অনুশীলন শুরু করলেন কিন্তু আর উঠলেন না ৷ ক্রিকেট মাঠে আগেও মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে ৷ তবে এদিন কিন্তু খেলতে খেলতে মারা যাননি ৷

এদিন টালা পার্কে পড়ে গিয়ে অসুস্থ ক্রিকেটার মারা যান। মৃত ক্রিকেটারের নাম অনিকেত শর্মা৷ বুধবার পাইকপাড়া ক্লাবের ম্যাচ ছিল ৷ তার আগে ফুটবল খেলবেন ঠিক করেছিলেন ক্রিকেটাররা ৷ কিন্তু ওয়ার্ম আপ করতে করতেই হঠাৎ মাটিতে পড়ে যান ৷

মৃত অনিকেত শর্মার বাড়ি কলকাতার খড়্গপুরে ৷ মাঠে অসুস্থ হওয়ার পরেই অনিকেতকে নিয়ে যাওয়া হয় আরজি কর হাসপাতালে ৷ সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয় ৷

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ক্লাবের মালিক বনে গেলেন মেসি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-০৮ ১৩:১৭:৪৯

এখনো তিনি আপাদমস্তক একজন ফুটবলার। তবে এই পরিচয়ের পাশাপাশি তার অন্য একটা গোপন পরিচয়ও আছে। লিওনেল মেসি আসলে ব্যবসায়ীও। হোটেলসহ একাধিক ব্যবসা আছে বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের। ফুটবলারের অন্তরালে এবার যুক্ত হয়ে গেল তার আরও একটি পরিচয়। মেসি এখন ফুটবল ক্লাবেরও মালিক।

সত্যিই তাই। তবে একক মালিক নন, জেরার্ড পিকে ও সেস ফ্যাব্রিগাসের সঙ্গে তিনিও একজন অংশীদার। কিছুদিন আগেই বার্সেলোনা ভিত্তিক একটা আধা পেশাদার ক্লাবের মালিকানা কিনেছেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে। এফসি অ্যান্ডোরা নামের ক্লাবটি আসলে তার মালিকানাধীন কোম্পানি কসমস ক্লাবটা কিনেছে। পিকের সেই ক্লাবের শেয়ার কিনে মেসি এবং ফ্যাব্রিগাসও বনে গেলেন মালিক।

এল ডিয়ারি ডি অ্যান্ডোরা এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে এই খবর। তবে মেসি ও ফ্যাব্রিগাস ঠিক কত শতাংশ শেয়ার কিনেছেন সেটা জানানো হয়নি। তবে এটা নিশ্চিত করা হয়েছে, পিকের কোম্পানি কসমসের তুলনায় কম শতাংশ শেয়ার কিনেছেন তারা। মানে এখনো ক্লাবটির মুল মালিক পিকের কসমস গ্রুপ। সেই সুবাদেই ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট বিশ্বখ্যাত সংগীত শিল্পী শাকিরার প্রেমিক পিকে।

এফসি অ্যান্ডোরা কাতালনের প্রথম বিভাগে খেলছে। যা স্পেনের চতুর্থ পর্যায়ের লিগ। তবে কসমস গ্রুপ মালিকানা কেনার পরই ক্লাবটিকে পুরোপুরি পেশাদার ক্লাবে পরিণত করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। ক্লাবটির কোচিং দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পিকে-মেসিদের বার্সেলোনারই সাবেক দুই খেলোয়াড় আলবার্ট জরকুয়েরা ও গ্যাব্রি গর্সিয়াকে। শুধু তাই নয়, ক্লাবটিকে শক্তিশালী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে নতুন খেলোয়াড় কেনাও শুরু করে দেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই কেনা হয়েছে ৪ জন নতুন খেলোয়াড়।

ক্লাবটিকে ঘিরে পিকে-মেসিদের চূড়ান্ত লক্ষ্যের কথা জানা যায়নি। তবে মেসি-পিকে-ফ্যাব্রিগাসদের মতো বিশ্বসেরা ফুটবলাররা যখন ফুটবলের ব্যবসায় নাম লিখিয়েছেন, ক্লাবটিকে যে তারা পুনর্গঠন করে বিখ্যাত করার চেষ্টা করবেন, সেটা অনুমিতই। টাকা তো তাদের আর কম নেই। ইচ্ছা করলেই তিনজনে মিলে কাড়ি কাড়ি টাকা ঢেলে এফসি অ্যান্ডোরায় বসাতে পারবেন তারার মেলা। চতুর্থ পর্যায় থেকে ক্লাবটিকে তুলে আনতে পারবেন শীর্য পর্যায়ে।

কে জানে, পিকে-মেসিদের পরিকল্পনাও হয়তো সেটাই। টাকার প্রভাবে ধীরে ধীরে অখ্যাত ক্লাবটিকে বিখ্যাত করা।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাড়ি-গাড়ি সব বেঁচে দিচ্ছেন রোনালদো!

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-২০ ০৭:৪৩:৫৫

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বাড়ি-গাড়ি প্রীতির কথা ফুটবলপ্রেমীদের কাছে অজানা নয়। বিলাসবহুল বাড়ি ও অত্যাধুনিক গাড়ির প্রতি পর্তুগিজ সুপারস্টারের আকর্ষণটা বহু পুরনো। কিন্তু সেই রোনালদোই এবার বাড়ি-গাড়ি বিক্রি করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ঐতিহ্যবাহী দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে থাকাকালে পাঁচটি বেডরুমের প্রাসাদসম বাড়িতে থাকতেন রোনালদো। ২০০৯ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়লেও বাড়িটির মালিকানা নিজের কাছেই রেখেছিলেন তিনি। এবার চেশায়ারের সে বাড়িটি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জুভেন্টাসের এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড।

অবশ্য ক্রয়মূল্যের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা কমে বাড়িটি বিক্রি করতে হচ্ছে রোনালদোকে। ২০০৬ সালে প্রায় ৪১ কোটি টাকায় বাড়িটি কিনেছিলেন তিনি। পরবর্তী এক যুগে মুদ্রার মূল্যমান বাড়লেও বাড়ি বিক্রি করতে গিয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে। বাড়িটির বর্তমানে বাজার মূল্য সাড়ে ৩৪ কোটি টাকার বেশি নেই বলেই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট এজেন্টরা।
তিনতলা বাড়িতে সুইমিং পুল, জিমনেশিয়াম ও সিনেমা হলসহ প্রায় সব সুবিধাই রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

২০০৯ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পরই বাড়িটি বিক্রি করতে চেয়েছিলেন রোনালদো। পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত পাল্টে ম্যানচেস্টারের ডিফেন্ডার লুক শকে ভাড়া দেন তিনি। ভাড়া বাবদ মাসে সাড়ে সাত লাখ টাকা ভাড়া পেতেন রোনালদো। চেশায়ারের অ্যালডারলি এজে অবস্থিত তিনতলা বাড়িতে ইনডোর সুইমিং পুল, জিমনেশিয়াম ও সিনেমা হলসহ প্রায় সকল আধুনিক সুবিধাই রয়েছে।

স্পোর্টিং লিসবন থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে আসার পরই অডি কোম্পানির একটা গাড়ি কিনেছিলেন রোনালদো। এস-থ্রি ক্যু মডেলের সেই গাড়িটিও বিক্রি করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তবে বাড়ি বিক্রিতে লোকসান গুনলেও গাড়িটি বিক্রি করতে যাচ্ছেন প্রায় তিন গুণ বেশি দামে।
কেবল বাড়ি নয়, গাড়িও বিক্রি করে দিচ্ছেন রোনালদো। ছবি: সংগৃহীত

২০০০ সালে বাজারে আসা অডি কোম্পানির এই গাড়িটির বর্তমান মূল্য ছয় হাজার থেকে ১০ হাজার ইউরো। এদিকে রোনালদো নিজেও অবশ্য গাড়িটা ‘সেকেন্ড-হ্যান্ড’ কিনেছিলেন। তবে বিক্রির জন্য গাড়িটির দাম হাঁকানো হয়েছে ২০ হাজার ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৯ লাখ টাকা।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

রোম বিডি স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে বিজয় দিবস গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-১৮ ১৩:২৮:২৮

গত ১৬ ডিসেম্বর রোম বিডি স্পোটিং ক্লাব ইতালীর আয়োজনে বিজয় দিবস গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৮ইং অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মোট ৮টি টিম অংশগ্রহন করে।
রোম বিডির সভাপতি মোঃওমর ফারুকের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম পলাশের পরিচালনায় এক অনাড়ম্বর অনুষ্টানের মধ্য ঝাকঝমক ভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সমিতি-ইতালীর সাবেক সভাপতি জনাব নূরে আলম ছিদ্দিকী বাচ্চু, প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সমিতি-ইতালীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ নায়েব আলী, মহিলা সম্পাদিকা সুমি ইসলাম পৃষ্টপোষকতায় ক্লাবের পরিচালক কামরুজ্জামান রতন,তত্ত্বাবধানেঃঅলিউদ্দিন শামীম,এছাড়া ও জালালাবাদ এসোসিয়েশন ইতালীর সহসভাপতি মাহবুবুল কাদির ওয়েছ, বৃহত্তর সিলেট যুব সংঘ ইতালীর সভাপতি আরমান উদ্দিন স্বপন, ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ রুহুল আমিন, ইউনুছ মোল্লা,শফিকুর রহমান প্রচার সম্পাদক মিনহাজ হোসেন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ব্যাক্তিবর্গ এবং গ্যালারী ভর্তি দর্শক রোমের আর্কদি ত্রাবেরতিনো ২টি মাঠে একসাথে খেলা চলে এতে ৪টি টিম সেমিফাইনালে যায়, ১ জালালাবাদ স্পোটিং ক্লাব (বনাম) বিডি ওয়ারিছ, ২ কলিআলবানী ইয়াং স্টার (বনাম) রয়েল বিডি ক্লাব,বিডি ওয়ারিছ ও জালালাবাদ স্পোটিং ক্লাবের খেলাটি ছিল টান টান উত্তেজনামুলক যেন গোল্ডকাপ ফাইনাল পরিশেষে বিডি ওয়ারিছ এবং কলিআলবানী ইয়াং স্টার ফাইনালে যায়।
ফাইনাল খেলাটি আগামী রবিবার অনুষ্টিত হবে এবং পুরষ্কার বিতরনী ও চ্যাম্পিয়ানদের গোল্ডকাপ ট্রফি আগামী ৩১শে ডিসেম্বর নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। এতে রোমে বাংলাদেশ দূতাবাস ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ ছাড়াও সকল রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনকে আমন্ত্রন জানানো হবে। সাংস্কৃতিক অনুষ্টান পরিচালনায় থাকবেন রোমের জনপ্রিয় সকল কন্ঠশিল্পীবৃন্দ বলে জানিয়েছেন ক্লাবের সদস্যবৃন্দ।

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জয়ে রাঙাল টাইগারদের বছরের শেষ ওয়ানডে

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-১৪ ১২:৪৬:১৬

‘ফরম্যাট যত ছোট, ততো ভয় ক্যারিবীয়দের।’ টাইগার অধিনায়কের কথাটা অল্প হলেও প্রমাণ করতে পারলো সফরকারীরা। বাংলাদেশ দলের যত ভয় ছিল ক্যারিবীয়দের ‘মাসল পাওয়ার’ নিয়ে। একমাত্র শাই হোপ ছাড়া বাকি ব্যাটসম্যানরা তার ছিটেফোঁটাও দেখাতে পারেনি ওয়ানডে সিরিজে।

চলতি বছরের জুলাইতে নিজেদের মাটিতে বাংলাদেশের কাছে ২-১ ম্যাচে সিরিজে হেরেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেটার একটা প্রতিশোধ নিতে পারতো ক্যারিবীয়রা। কিন্তু ঘটল তার উল্টো চিত্র!

নিজেদের মাঠে বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য সেটা বিশ্ব ক্রিকেটের ভালোই জানা। দেশে-বিদেশে চলতি বছরে এ নিয়ে ১৩তম ওয়ানডে ম্যাচ জিতল ২০ ম্যাচ খেলে। এই সিরিজসহ ২০১৮ সালে তৃতীয় সিরিজ জয়। জুলাইতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নভেম্বরে জিম্বাবুয়ে আর ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সিলেটের মাঠে এটাই প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ। অচেনা উইকেটে দুপুরে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ অধিনায়কের।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা থেকে শেষ, একমাত্র শাই হোপ ছাড়া গোটা ৫০ ওভারই অস্বস্তির ছিল ক্যারিবীয়দের জন্য।

সিরিজ সমতায় ছিল বলে দুই দলের জন্যই ছিল সিরিজ জয়ের সমান সুযোগ।

যার জন্য সাবধানী ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই হারিয়ে বসে ওপেনার চন্দরপল হেমরাজের উইকেট।

ইনিংস শুরুর দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে ক্যারিবীয় ওপেনার চন্দরপল হেমরাজকে ফিরিয়ে ক্যারিবীয় ব্যাটিং লাইনআপের ধ্বংসযজ্ঞটা শুরু করেন মেহেদী মিরাজ। ব্যক্তিগত ৯ রানের মাথায় ক্যাচ দেন মোহাম্মদ মিঠুনের হাতে।

এরপর শুরু হয় ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানদের বিরতিহীন উইকেট যাওয়া-আসার মিছিল!

ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানরা যখন নিয়মিত বিরতিতে যাওয়া-আসার মিছিলে নেমেছিলেন, তখনও নিজের কক্ষপথ থেকে নড়েননি হোপ। হোপের ব্যাটে আশা দেখেছেন ক্যারিবীয়রা, নিজে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতক!

হোপের শতক ছাড়া বাকি নয় ব্যাটসম্যানের কেউই কুড়ি রানের কোটা পার করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১৩১ বলে ১০৮ রানে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছেড়েছেন ক্যারিবীয় ওপেনার। ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ ১৯৮ রান।

মিরাজ নিয়েছে ৪টি উইকেট, সাকিব আর মাশরাফি নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন নেন ১টি উইকেট।

১৯৯ রান তাড়া করার লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তামিম-লিটন মিলে শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। চার বাউন্ডারিতে ২৩ রান করা লিটন দাস খেই হারালেন কেমো পলের বলে চেজের কাছে ক্যাচ দিয়ে।

সৌম্যকে এদিন পাঠানো হয় তিন নম্বরে ব্যাট করতে। আগের দুই ম্যাচে ছয়ে ব্যাট করে সুবিচার করতে পারেননি নিজের নামের সঙ্গে। আজ তামিমের সঙ্গে জুটি গড়ে করেছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সপ্তম অর্ধশতক। তামিমও তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৪৪তম অর্ধশতক।

১৯৮ রানের লক্ষ্যটা মামুলি করতে দুজন মিলে জুটি গড়েন ১৩১ রানের। জয়ের জন্য ২৩ রান বাকি থাকতে সৌম্য আউট হয়ে যান ৮০ বলে ৮০ রান করে।

শেষদিকে মুশফিকের ১৭ আর তামিমের অপরাজিত ৮১ রানে ভর করে ৩৮.২ ওভারে ৮ উইকেটের বিশাল জয়ে বছরের শেষ ওয়ানডে কিংবা ওয়ানডে সিরিজ জয় বাংলাদেশের। ক্যারিবীয়দের হয়ে দুই উইকেটই নেন কেমো পল।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশে করল বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-০২ ১২:১৯:৫৩

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পদচারণা ১৮ বছর হয়ে গেল। এ যাত্রায় সাফল্য-ব্যর্থতায় অনেক কিছুরই স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এবারের ঢাকা টেস্টকে রাখতে হবে ভিন্ন জায়গায়, অনেক সাফল্যের ওপরে। চাইলে সবার ওপরেও রাখা যায়।

প্রথমবারের মতো কোনো পেসার ছাড়া টেস্ট ম্যাচ খেলল বাংলাদেশ। একাদশে দ্বিতীয়বারের মতো চার স্পিনার নিয়ে ভারতকে পেছনে ফেলল। বছরের আটজনের টেস্ট অভিষেক। কতকিছুই না হলো মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ-বধে কঠিন পরিকল্পনা।

টেবিলের কঠিন পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়ন করলেন খেলোয়াড়রা। ফলাফলও আসল বাংলাদেশের পক্ষে। অনেক প্রথমের সঙ্গে যুক্ত হলো আরো দুটি। প্রথমবারের মতো প্রতিপক্ষকে ফলোঅন করাল বাংলাদেশ। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়েছে প্রতিপক্ষকে। তাইতো এ জয় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে স্মরণীয়।

চট্টগ্রাম টেস্টের পর ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশ জিতেছে ইনিংস ও ১৮৪ রানের বিশাল ব্যবধানে। নিজেরা ৩৮ বার ইনিংস ব্যবধানে হারের লজ্জা পাওয়ার পর প্রথমবার প্রতিপক্ষকে এ লজ্জা দিল। বাংলাদেশের চতুর্থ সিরিজ জয় এবং তৃতীয় হোয়াইটওয়াশের স্বাদ।

ইতিহাসের পাতায় অক্ষয় কালিতে নিজের নাম লিখিয়ে রাখলেন সাকিব আল হাসান। তার নেতৃত্বেই দেশ ও দেশের বাইরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। প্রথমবার ২০০৯ সালে ওদের মাটিতে, নয় বছর পর নিজেদের মাটিতে।

সাকিবের হাতে ওঠা রূপালি রঙের ট্রফি জয়ের নায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। টেস্টে দ্বিতীয়বারের মতো ১২ উইকেট পেলেন মিরাজ। প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে তার পকেটে ঢুকল ৫ উইকেট। ১২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা টেস্ট বোলিং ফিগার তারই দখলে। এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫৯ রানে নিয়েছিল ১২ উইকেট। এবার ১১৭ রানে শিকার ১২টি।

ক্যারিবীয়দের জন্য পাতা হয়েছিল স্পিন ফাঁদ। ওই ফাঁদেই আটকে পড়ল সফরকারীরা। ইনিংস ব্যবধানে জয়ের জন্য রোববার তৃতীয় দিন ১৫ উইকেট দরকার ছিল বাংলাদেশের। কাজটা শুধু কঠিনই না, দুরূহ। তবুও অসাধ্য সাধন করে দেখাল বাংলাদেশ।

চট্টগ্রামের মতো ঢাকাতেও আড়াই দিনে শেষ টেস্ট। রোববার প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটে ৭৫ রানে দিন শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেষ ৫ উইকেট তুলে নিতে সকালে বাংলাদেশের সময় লাগে মাত্র ৫১ মিনিট। বাংলাদেশের করা ৫০৮ রানের জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস শেষ ১১১ রানে।

আগের দিনের ৩ উইকেটের সঙ্গে আজ আরো ৪ উইকেট নিয়েছেন মিরাজ। সব মিলিয়ে মিরাজের পকেটে গেছে ৭ উইকেট। ৫৮ রানে ৭ উইকেট নিয়ে মিরাজ ক্যারিয়ার সেরা বোলিং উপহার দিয়েছেন। 

ফলোঅন এড়াতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার ছিল ৩০৯! বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় সাহস পেলেন সাকিব। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ প্রতিপক্ষকে ফলোঅন করাল। ৩৯৭ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নেমে আবারো ব্যাটিং বিপর্যয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এবারও স্পিন বিষে নীল ক্যারিবীয়রা। প্রথম সেশনেই নেই ৪ উইকেট। দ্বিতীয় সেশনে হারাল শেষ ৬টি।

প্রথম ইনিংসের বিপর্যয়ের পর দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারীদের সংগ্রহ ২১৩। ওই শিমরন হেটমায়ারই যা করে দেখাল, ৯২ বলে ১ চার ও ৯ ছক্কায় করলেন ৯৩। ৯ ছক্কা হাঁকিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ডও গড়েছেন। কুমার সাঙ্গাকারা ৩১৯ করার পথে হাঁকিয়েছিলেন ৮ ছক্কা।

আহ! কী দারুণ। স্পিন চতুষ্টয় সাকিব, মিরাজ, তাইজুল ও নাঈম প্রত্যেকেই পেলেন উইকেট। মিরপুরে উড়ল বাংলাদেশের পতাকা। ১২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা মিরাজ। আর ব্যাট হাতে ১১৫ রান ও বল হাতে ৯ উইকেট নিয়ে সাকিব হলেন সিরিজসেরা।

দ্বিতীয় দফায় অধিনায়ক হওয়ার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর দিয়ে শুরু করেছিলেন সাকিব। পেয়েছিলেন তিক্ত অভিজ্ঞতা। দুই টেস্টই বাংলাদেশ হেরেছিল ইনিংস ও বিশাল রান ব্যবধানে। ঘরের মাঠে আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ দিয়ে শুরু সাকিবের। এবার সাকিবের হাত ধরে উড়ল বিজয়ের পতাকা।

জুলাইয়ে নিজেদের মাটিতে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এবার ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করেই বদলা নিল বাংলাদেশ। এ যেন, হোয়াইটওয়াশের বদলা হোয়াইটওয়াশে।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

তিন দিনেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাল বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-২৪ ১২:৫৩:৪৪

চট্টগ্রাম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তিন দিনেই হারিয়েছে বাংলাদেশ। ৬৪ রানের জয়ে দুই ম্যাচ সিরিজে এগিয়ে গেছে সাকিব আল হাসানের দল।

বাংলাদেশের প্রথম
প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্টে হারাল বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৫ টেস্টে এটি বাংলাদেশের তৃতীয় জয়। আগের দুটি জয় ছিল ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে।

তাইজুলের ছয়ে বাংলাদেশের দারুণ জয়
সুনীল অ্যামব্রিসকে ফিরিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস গুটিয়ে দিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। ২০৪ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলআউট হয়েছে ১৩৯ রানে। বাঁহাতি স্পিনারকে ডিফেন্ড করতে গিয়ে বল মিস করেন অ্যামব্রিস। কট বিহাইন্ডের আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। যদিও টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় বল ব্যাট স্পর্শ করেনি। অ্যামব্রিস রিভিউ নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার আগেই শেষ হয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই রিভিউ।

দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৩ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন তাইজুল। সাকিব ও মিরাজ পেয়েছেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরির জন্য ম্যাচসেরা হয়েছেন মুমিনুল হক।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩২৪
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস: ২৪৬
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ১২৫ (ইমরুল ২, সৌম্য ১১, মুমিনুল ১২, মিথুন ১৭, সাকিব ১, মুশফিক ১৯, মিরাজ ১৮, মাহমুদউল্লাহ ৩১, নাঈম ৫, তাইজুল ১, মুস্তাফিজ ২*; বিশু ৪/২৬, চেজ ৩/১৮, ওয়ারিকান ২/৪৩, গ্যাব্রিয়েল ১/২৪)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২ম ইনিংস: (লক্ষ্য ২০৪) ১৩৯ (ব্রাফেট ৮, পাওয়েল ০, হোপ ৩, অ্যামব্রিস ৪৩ , চেজ ০, হেটমায়ার ২৭, ডোরিচ ৫, বিশু ২, রোচ ১, ওয়ারিকান ৪১, গ্যাব্রিয়েল ০; তাইজুল ৬/৩৩, সাকিব ২/৩০, মিরাজ ২/২৭)।
ফল: বাংলাদেশ ৬৪ রানে জয়ী
সিরিজ: দুই ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মুমিনুল হক।

প্রতিরোধ ভাঙলেন মিরাজ
অ্যামব্রিস-ওয়ারিকানের পঞ্চাশোর্ধ জুটিটা বাংলাদেশের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ৬৩ রানের এ জুটি ভেঙে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি ফিরিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অফ স্পিনারকে উড়াতে গিয়ে বল আকাশে তোলেন জোমেল ওয়ারিকান। মিড উইকেট থেকে কিছুটা দৌড়ে দুইবারের চেষ্টায় ক্যাচ নেন সাকিব আল হাসান।

ওয়ারিকান ক্যারিয়ার সেরা ৪১ রান করে ফেরার সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর ৯ উইকেটে ১৩৮ রান। সুনীল অ্যামব্রিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শ্যানন গ্যাব্রিয়েল।

অ্যামব্রিস-ওয়ারিকান জুটির পঞ্চাশ
৭৫ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর নবম উইকেটে ফিফটি রানের জুটি গড়েছেন সুনীল অ্যামব্রিস ও জোমেল ওয়ারিকান। ৬৩ বলে ছুঁয়েছে জুটির পঞ্চাশ।

৩৩ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ১৩০ রান। অ্যামব্রিস ৩৬ ও ওয়ারিকান ৩৯ রানে অপরাজিত আছেন। জয়ের জন্য এখনো ৭৪ রান দরকার ওয়েস্ট ইন্ডিজের, বাংলাদেশের চাই ২ উইকেট।

তাইজুলের পাঁচ উইকেট
কেমার রোচকে ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেছেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনারের বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন রোচ। আম্পায়ার যদিও প্রথমে আউট দেননি। বাংলাদেশ নেয় রিভিউ। তাতে পাল্টে সিদ্ধান্ত।

রোচের বিদায়ের সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৭৫ রান। সুনীল অ্যামব্রিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন জোমেল ওয়ারিকান।

তাইজুলের চতুর্থ শিকার বিশু
তাইজুল ইসলামের বলে শট খেলতে গিয়ে মিস করে বোল্ড হয়েছেন দেবেন্দ্র বিশু। ইনিংসে এটি তাইজুলের চতুর্থ উইকেট।

বিশুকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ জয়ের পথে এগিয়ে গেছে আরেক ধাপ। তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৬৯ রান। সুনীল অ্যামব্রিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন কেমার রোচ। জয়ের জন্য আরো ১৩৫ রান দরকার ওয়েস্ট ইন্ডিজের, বাংলাদেশের চাই ৩ উইকেট।

তাইজুলের তৃতীয় শিকার ডোরিচ
শেন ডোরিচকে ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের তৃতীয় উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনারের বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। রিভিউ নিয়েও রক্ষা হয়নি।

ডোরিচ ৫ রান করে ফেরার সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৫১ রান। সুনীল অ্যামব্রিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন দেবেন্দ্র বিশু।

বিপজ্জনক হেটমায়ারকে ফেরালেন মিরাজ
প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও পাল্টা আক্রমণে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন শিমরন হেটমায়ার। এবারও তাকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে বড় উইকেট এনে দিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

আগের বলের পরই নাঈম হাসানকে মিড অফ থেকে সরিয়ে লং অফে পাঠান অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। সিদ্ধান্তটা দারুণভাবে কাজে দিয়েছে। অফ স্পিনার মিরাজকে ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলতে গিয়ে নাঈমের হাতে ধরা পড়েন হেটমায়ার।

হেটমায়ারের বিদায়ে ভাঙে ৩৩ রানের পঞ্চম উইকেটে জুটি। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান ১৯ বলে ২৭ করে ফেরার সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৪৪ রান। সুনীল অ্যামব্রিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শেন ডোরিচ।

সাকিব-তাইজুলে টালমাটাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
২০৪ রানের লক্ষ্য তাড়ায় সাকিব আল হাসান ও তাইজুল ইসলামের স্পিন বিষে নীল হয়ে শুরুতেই ওপরের দিকের চার ব্যাটসম্যানকে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিজের পরপর দুই ওভারে কাইরান পাওয়েল ও শাই হোপকে ফেরান সাকিব। লাঞ্চের আগে একই ওভারে ক্রেইগ ব্রাফেট ও রোস্টন চেজের উইকেট নেন তাইজুল।

 লাঞ্চ বিরতির সময় ৫ ওভার ৫ বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১১ রান। জয়ের জন্য এখনো ১৯৩ রান করতে হবে সফরকারীদের। দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথমবারের মতো টেস্টে হারাতে বাংলাদেশের চাই আর ৬ উইকেট। 

পাঁচ বলে দুই উইকেট তাইজুলের
প্রথমবারের মতো আক্রমণে এসে পাঁচ বলের মধ্যে দুই উইকেট তুলে নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনারের প্রথম বলে এলবিডব্লিউ হন ক্রেইগ ব্রাফেট (৮)। পঞ্চম বলে এলবিডব্লিউ রোস্টন চেজও (০)। তখন ১১ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ভীষণ বিপদে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। 

সাকিবের দ্বিতীয় শিকার হোপআগের ওভারে নিয়েছিলেন কাইরান পাওয়েলের উইকেট। নিজের পরের ওভারে এসে শাই হোপকেও ফিরিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

বাঁহাতি স্পিনারকে পা বাড়িয়ে ডিফেন্ড করতে চেয়েছিলেন হোপ। বল তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা হয় উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে।

হোপ ৩ রান করে ফেরার সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১১ রান। ক্রেইগ ব্রাফেটের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সুনীল অ্যামব্রিস।

বোথামকে ছাড়িয়ে সাকিব
দারুণ এক অর্জনে নাম লেখালেন সাকিব আল হাসান। টেস্টে দ্রততম ৩ হাজার রান ও ২০০ উইকেটের ডাবল এখন বাংলাদেশের অলরাউন্ডারের। তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ইংলিশ কিংবদন্তি ইয়ান বোথামকে। এই ডাবল ছুঁতে বোথামের লেগেছিল ৫৫ টেস্ট। সাকিবের লাগল একটি কম, ৫৪ টেস্ট।


পাওয়েলকে ফিরিয়ে সাকিবের ২০০ উইকেট
ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। বাঁহাতি স্পিনারকে ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলতে গিয়ে বল মিস করেন কাইরান পাওয়েল। স্টাম্পিংয়ের সহজ সুযোগ কাজে লাগান মুশফিকুর রহিম। টেস্ট ক্রিকেটে এটি সাকিবের ২০০তম উইকেট।

দলীয় ৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাওয়েল রানের খাতা খুলতে পারেননি। ক্রেইগ ব্রাফেটের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শাই হোপ। 

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২০৪ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ
৩ রানের মধ্যে শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৫ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসের ৭৮ রানসহ বাংলাদেশের লিড ২০৩ রানের। সিরিজের প্রথম টেস্ট জিততে হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে করতে হবে ২০৪ রান।

লিড দুইশ ছোঁয়ার পর দেবন্দ্র বিশুর তিন বলের মধ্যে ফেরেন নাঈম হাসান ও মাহমুদউল্লাহ। নাঈম করেছেন ৫ রান। মাহমুদউল্লাহ ৩৬ বলে একটি করে চার এক ছক্কায় ৩১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন।

পরের ওভারে আরেক স্পিনার রোস্টন চেজের বলে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন তাইজুল ইসলাম (১)। ২ রানে অপরাজিত ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ইতালীর ইন্টার বাংলা স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-২১ ১২:৪৫:৩৮

স্বপ্নহীন পথ চলা যেমন অসম্ভব তেমনি স্বপ্নের বাস্তবায়ন করাটাও সহজ ব্যাপার নয়। মানুষ তার স্বপ্ন পূরণের উদ্দেশ্যে ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যায় নিরন্তর, জীবনের লক্ষ্য পূরণে ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাব ইতালী।

পৃথিবীতে যত রকম খেলা আছে তার মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। আবহমান বাংলার ঐতিহ্যের সাথে ফুটবল খেলা ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা। ইতালীর তরপিনাত্তারার বাংলাদেশিদের  রয়েছে গৌরবময় অবস্থান তারা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সংস্কৃতি, ক্রীড়াসহ নানা ঐতিহ্যময় কর্মকাণ্ডে পরিপূর্ণ।

বাংলাদেশ ক্রীড়া সংস্থা ইতালীর আয়োজনে গত রবিবার ইতালী রোম শহরে পরান কৃষ্ণ সাহা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অংশগ্রহণ করে ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাব, এতে ইতালীর বিভিন্ন শহর থেকে সামাজিক সংগঠনের ফুটবলের টিম অংশগ্রহণ করছে।এবং রোমের ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাবে ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে এতে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দল ছিল বিডি ওয়ারিয়াস স্পোটিং ক্লাবে এবং খেলায় ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাব ৪-০ গোলে বিজয় অর্জন করে।

এ সময় খেলার মাঠে প্রথমেই বাংলা সেলুন তরপিনাত্তারার সত্বধিকারী ও ইন্টার বাংলাস্পোটিং ক্লাবের ম্যানেজার ইমরুল কায়েছ এর সার্বিক সহযোগিতায় ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাবের জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ইমরুল কায়েছ বাংলা সেলুনের পক্ষ থেকে সকল খেলোয়াড়দের হাতে জার্সি তুলে দেন।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা বায়জিদ আলী, পরিচালক সামসুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পরিশেষে দলের ম্যানেজার ইমরুল কায়েছ বলেন, বর্তমান বিশ্বে ফুটবল খেলা অত্যন্ত জনপ্রিয় ও চিত্তাকর্ষক খেলা। সাম্প্রতিক কালে ফুটবল খেলা ‘খেলার রাজা’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এই খেলা সময়সাপেক্ষ, ব্যয়সাধ্য ও আভিজাত্যপূর্ণ। বর্তমানে ফুটবল বাঙালি জাতির অনেক আশা-আকাক্সক্ষা এবং প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাব সামনে জাতীয়পর্যায়ে গিয়ে খেলতে পারে সেই আশা ব্যাক্ত করে সকলের কাছে সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন। এবং সকলকে ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাবের টিমের আগামী দিনের অগ্রযাত্রাকে আরো দূর করতে সকলেকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জয় দিয়ে সিরিজ শেষ করল টাইগাররা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১৫ ১৩:৫৪:০০

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের ইতিহাসে হারটাই লেখা থেকে যাবে আজীবন।

বাংলাদেশকে লজ্জায় ডুবিয়ে ১-০ ম্যাচে সিরিজে এগিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। সেই ম্যাচে হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়ে রেখেছিলেন টাইগার অধিনায়ক। ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল দলের সবাই। যেমন কথা তেমন কাজ। চাওয়া ছিল এই ম্যাচে জিতে সিরিজ সমতা। চাওয়ার সঙ্গে পাওয়াটাও মিলে গেল।

ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের জয়। বাঘেরা বাঘের মতোই খেলে হারিয়েছে জিম্বাবুয়েকে। গোটা ম্যাচেই আধিপত্য ছিল স্বাগতিকদের।

প্রথম ইনিংসে মুমিনুলের ১৬১ রানের ইনিংস। মুশফিকের ইতিহাস গড়া দ্বিশতক (২১৯*)। উইকেট কিপার-ব্যাটসম্যান হয়ে দুটি ডাবল সেঞ্চুরি। সবমিলে ৫২২ রানের বিশাল সংগ্রহ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে সফরকারীরা পড়ে ফলোঅনে। তাইজুল ইসলামের টানা তৃতীয়বারের মতো পাঁচ উইকেট। ৩০৪ রানে অল আউট জিম্বাবুয়ে।

ফলোঅন না করিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের। তবে শুরুটা সুখকর হয়নি মোটেও। মিডল অর্ডারে নেমে প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে বিদায় নেয়া অভিষিক্ত মোহাম্মদ মিঠুন দ্বিতীয় ইনিংসে খেলেন ৬৭ রানের ইনিংস।

দলের ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বললেও ঘুরে দাঁড়ানোর বড্ড দরকার ছিল মাহমুদুল্লাহ রিয়াদেরও। খেললেন অনবদ্য শত রানের ইনিংস। দীর্ঘ আট বছর পর পেলেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট শতক।

সব মিলে ৪৪৩ রানের বিশাল লিড ছুঁড়ে দেয় জিম্বাবুয়েকে। এত বড় ইনিংস টপকে ইতিহাস গড়া অন্তত জিম্বাবুয়ের জন্য না সেটা ভালো জানা তাদেরও।

আগের ইনিংসে তাইজুলের পাঁচ উইকেট আর শেষ ইনিংসে মিরাজের পাঁচ। টেইলরের অপরাজিত শতকও ম্যাচ বাঁচাতে পারেনি জিম্বাবুয়ের। নিজে অপরাজিত ছিলেন তবে যাওয়া আসার খেলা দেখেছেন সতীর্থদের। শেষ পর্যন্ত ২২৪ রানেই শেষ। দলের হয়ে দুটি উইকেট তুলে নেন তাইজুল। একটি উইকেট শিকার কররেন মুস্তাফিজুর রহমান।

২১৮ রানের বিশাল জয়ে সিরিজ সমতা বাংলাদেশের। সমতা না বলে অবশ্য মান বাঁচানো বললেও খারাপ হবে না!

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মুশফিকের অনবদ্য ডাবল সেঞ্চুরি

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ১৩:৫১:৪১

বড় ইনিংস খেলার অপেক্ষায় ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছিলেন ইনিংস লম্বা করার কথা। ব্যাটে-বলে হচ্ছিল না। অনেক কাছে গিয়েও ব্যর্থ হচ্ছিলেন। তবুও দমে যাননি। নতুন করে আবার লড়াই শুরু। সেই লড়াইয়ে অবশেষে আসল সফলতা। অপেক্ষা ফুরাল মিরপুর শের-ই-বাংলায়।যে মাঠে ছিল না কোনো সেঞ্চুরি সেই মাঠেই গড়লেন ইতিহাস। পড়লেন রেকর্ড মালা। মহাকাব্যিক ইনিংস উপহার দিলেন মুশফিকুর রহিম।

বিশে^র একমাত্র উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে দুটি ডাবল সেঞ্চুরি এখন মুশফিকুর রহিমের নামের পাশে। জ¦লজ¦ল করছে আরও কিছু অর্জন। বাংলাদেশের হয়ে বল ও মিনিটের হিসেবে দীর্ঘতম ইনিংস এখন তার দখলে। সেই সুবাদে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটিতেও তার নাম।

তার ব্যাট যেদিন হাসে সেদিন হাসে পুরো বাংলাদেশও। আজও ব্যতিক্রম হল না। প্রথম দিনের ৩০৩ রানের সঙ্গে আজ বাংলাদেশ যোগ করল আরও ২১৯ রান। সব মিলিয়ে ঢাকা টেস্টে ৭ উইকেট হারিয়ে৫২২ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করল বাংলাদেশ। পড়ন্ত বিকেলে ১৮ ওভার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পায় জিম্বাবুয়ে। ২৫ রান তুলতেই তারা হারিয়েছে অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজার উইকেট।

১১১ রানে সোমবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেন মুশফিক। সঙ্গী মাহমুদউল্লাহ। শুরু থেকেই বেশ মন্থর ব্যাটিং তাদের। প্রথম ঘন্টায় ১৪ ওভারে রান মাত্র ২২। আর প্রথম সেশনে ৩০ ওভারে রান ৬২। কোনো উইকেট না হারিয়ে বিরতিতে যান দুই ‘ভায়রা’। মুশফিক অপরাজিত ১৩৫, মাহমুদউল্লাহ ৩৫।

দীর্ঘ সময় ধরে রান খরায় থাকা মাহমুদউল্লাহ ফিরে পেয়েছিলেন নিজের আত্মবিশ^াস। ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়াচ্ছিলেন। কিন্তু ৪০ মিনিটের বিরতির পর নিজের মনোযোগ ধরে রাখতে পারেননি। বিরতির পর ১ রান যোগ করে ফেরেন জারভিসের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে। পুল শটে বাউন্ডারি মেরে দারুণ শুরু করেছিলেন আরিফুল হক। কিন্তু উইকেট বিলিয়ে আসেন জারভিসের বলে। ৪ রান করা আরিফুলের উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন জারভিস।

দুই ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফিরতে দেখেও বিচলিত হননি মুশফিক। দৃঢ় ব্যাটিংয়ে এগিয়ে যান ডাবল সেঞ্চুরিতে।ঘড়ির কাঁটায় যখন ১টা ৫৪ মিনিট তখন মুশফিকের নামের পাশে বাংলাদেশের দীর্ঘতম ইনিংসের রেকর্ড। ২০০০ সালে অভিষেক টেস্টে আমিনুল ইসলাম বুলবুল ৫৩৫ মিনিট ক্রিজে ছিলেন। আর মুশফিক অপরাজিত ৫৩৬ মিনিট।১৯৫ রানে অপরাজিত থেকে গিয়েছিলেন চা-বিরতিতে। চা-বিরতির পরপরই ছুঁয়ে ফেলেন ল্যান্ডমার্ক।

১৯৯ রানে এবার পথ ভুলেননি। কিছুদিন আগে এশিয়া কাপে ৯৯ রানে আউট হয়েছিলেন পাকিস্তানের বিপক্ষে। এবার ১৯৯ রানে থেকেই খেলেছেন ৬ বল। সপ্তম বলে পেয়েছেন ১ রান। ৪০৭ বলে মুশফিক পৌঁছলেন ডাবল সেঞ্চুরিতে। দুই হাত মেলে দৌড়ালেন অনেকদূর। হাতের থেকে পড়ে গেল ব্যাট। গ্লাভস খুলে আঁকলেন ভালোবাসার চিহ্ন। উদযাপন তখনও থামেনি। সিজদাহ করে সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া আদায়। ড্রেসিং রুমের বাইরে তখন পুরো দল। হাত তালি দিয়ে মুশফিককের অর্জনকে নিয়ে যাচ্ছিলেন চূড়ায়। আর মিরপুরের গ্যালারিতে তখন একটাই নাম, মুশফিক-মুশফিক-মুশফিক।

মুশফিকের ডাবলের আগে মিরাজ ছুঁয়ে নেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি। এরপর দুজন দুহাত খুলে কড়া শাসন করেন জিম্বাবুয়ের বোলারদের। ব্যাটিং ধারাবাহিকতায় মুশফিক পৌঁছে যান ২১৯ রানে। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১৭ রান করেছিলেন। আজ সেই রান ছাড়িয়ে যান। সাথে আশরাফুলের রেকর্ডও। বলের হিসেবে মোহাম্মদ আশরাফুল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে খেলেছিলেন ৪১৭ বল। ২১৯ রানে মুশফিক যখন অপরাজিত থেকে ড্রেসিংরুমে ফিরছিলেন তখন তার নামের পাশে বলের সংখ্যা ৪২১, মিনিট ৫৮৯! ভাবা যায়।

প্রয়োজনের থেকে বেশি অনুশীলন ও পরিশ্রম করেন বলে সতীর্থদের কাছে মুশফিক সব সময় অনুপ্রেরণার আরেক নাম। এবার মুশফিক হয়ে গেলেন টার্গেট! সাদা পোশাকে বাংলাদেশের সবার উপরে তার নাম। তাকে ছাড়িয়ে যেতে সতীর্থদের করতে হবে বিরোচিত কিছু। ছোট গল্প অনেক পড়িয়েছেন মুশফিক। আজ পড়ালেন মহাকাব্য। অসাধারণ, দুর্দান্ত, নান্দনিক, দর্শনীয়, মহাকাব্যিক এ ইনিংসে শীতল হাওয়া বইছে ড্রেসিংরুমে।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিপিএলের প্রস্তুতি : ড্রাফট থেকে দলে ৮৭ খেলোয়াড়

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২৮ ১৩:৪৫:২৮

একমাত্র দল হিসেবে বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের খেলোয়াড় কোটা পূরণ করেছে সিলেট সিক্সার্স।

প্রতি আসরে বিপিএল মানেই নতুন নিয়ম, নতুন কৌশল, নতুন করে ঢেলে সাজানোর প্রয়াস। টি-টোয়েন্টি এ ফরম্যাটের পাঁচ আসর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত কাগজে কলমে স্থায়ী কোনো নিয়ম নেই! নেই কোনো রূপরেখা! তাইতো সময়ের চাহিদামতো পাল্টায় বিপিএলের নিয়ম!

গত আসরে পাঁচ বিদেশি খেলোয়াড় খেলানোর সিদ্ধান্তে কি ঝড়টাই না বয়ে গিয়েছিল বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের ওপর। তাইতো এবার চার বিদেশি খেলোয়াড় খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আয়োজকরা। সাথে শর্তও জুড়ে দিয়েছে। এবার চাইলেই বিদেশি ক্রিকেটার উড়িয়ে আনা যাবে না।

সরাসরি সাইন করাতে পারবে ২ জন বিদেশি, দেশি-বিদেশি মিলিয়ে রিটেইন করাতে পারবে ৪ জন আর সব মিলিয়ে দেশি খেলোয়াড় সর্বোচ্চ ১২ জন, সর্বনিম্ন ১০ জন, বিদেশি খেলোয়াড় সর্বোচ্চ ৯ জন। সর্বোচ্চ খেলোয়াড় হিসেব করে স্কোয়াডে মোট খেলোয়াড় সংখ্যা দাড়ায় ২১ জন। নতুন নিয়মের ড্রাফট অনুষ্ঠিত হলো রোববার। ড্রাফট থেকে মোট ৮৭ খেলোয়াড়কে দলে নিয়েছে সাত ফ্রাঞ্চাইজি। আর রিটেইন ও সরাসরি সাইনে আছেন ৪২ খেলোয়াড়।

রোববার ষষ্ঠ আসরের ড্রাফটে ১৫ খেলোয়াড়কে দলভুক্ত করে ২১ জনের কোটা পূরণ করেছে সিলেট সিক্সার্স। বাকি ছয় দলের কারো ২১ জনের কোটা পূরণ হয়নি। তবে সর্বনিম্ন ১৯ জনের কোটা পূরণ করেছে খুলনা টাইটান্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

খুলনা দেশি খেলোয়াড় নিয়েছে ১১ জন, বিদেশি ৮ জন। বিপিএল শুরুর আগে কিংবা চলাকালিন সময়ে ড্রাফট থেকে একজন করে দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় দলভুক্ত করতে পারবে দলটি। তবে ড্রাফটে চমক দেখিয়েছে তারা। লটারিতে সবার আগে খেলোয়াড় তোলার সুযোগ পায় খুলনা। ‘এ’ ক্যাটাগরির সৌম্য, বিজয়, মোসাদ্দেক কিংবা রনির দিকে না তাকিয়ে তারা দলে নেয় ‘বি’ ক্যাটাগরির জহুরুল ইসলাম অমিকে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় রাউন্ডেও তারা দলে নেয় ‘ই’ ক্যাটাগরির পেসার শরীফুল ইসলামকে। শুরুর মতো তাদের শেষটাও ছিল দারুণ। তিন ইনফর্ম লাসিথ মালিঙ্গা, ইয়াসির শাহ ও ব্রেন্ডন টেলরকে দলভুক্ত করে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। রিটেইন হিসেবে আছেন আরিফুল, শান্ত ও ব্রাফেট।

সিলেট ড্রাফট থেকে তুলেছে মোট ১৫ জন খেলোয়াড়। দেশি তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি নজর ছিল সিলেটের। শুরুটা তাদের আফিফ হোসেনকে দিয়ে। এরপর তৌহিদ হৃদয়, জাকের আলী এবং মেহেদী হাসান রানাকে দলে নেয়। মাঝে অভিজ্ঞ তাসকিন, আল-আমিন, অলোক, ইবাদতকেও দলভুক্ত করে সিলেট। দলটিতে আইকন হিসেবে আছেন লিটন। রিটেইন আছেন সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন। বিদেশি কোটা তারা পেয়েছে ডেভিড ওয়ার্নার, আন্দ্রে ফ্লেচার, মোহাম্মদ ইরফানের মতো খেলোয়াড়দের।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স শক্তিশালী দল গড়েছে। তামিমের দল ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে আবু হায়দার রনিকে দলে নিয়েছে। বিপিএলের চতুর্থ আসরের চ্যাম্পিয়ন দলে ছিলেন রনি। এবার তাকে দলে ফিরিয়ে আবার শিরোপার স্বপ্ন দেখছে ফ্রাঞ্চাইজিটি। এছাড়া এনামুল হক বিজয়, অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান, জিয়াউর রহমান, মোশাররফ হোসেন রুবেল, শহীদকে দলে পেয়েছে। বিদেশি শোয়েব মালিককে রিটেইন করার পাশাপাশি ড্রাফট থেকে শহীদ আফ্রিদি, এভিন লুইসকে নিয়েছে। এছাড়া ইমরুল আর সাইফউদ্দিন তো আছেনই।

ঢাকা ও রাজশাহী ১১ জন করে এবং রংপুর ও চিটাগং ১২ জন করে করে খেলোয়াড় এখন পর্যন্ত দলভুক্ত করেছে। সাকিবের ঢাকা ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে ভরসা রেখেছে পেসার রুবেলের হোসেনের ওপর। এছাড়া কাজী নুরুল হাসান সোহান, রনি তালুকদার, শুভাগত হোম, কাজী অনিক, শাহাদাত হোসেন ও মিজানুর রহমানকে দলে নিয়েছে। ঢাকার ভরসা বিদেশি ক্রিকেটার। রিটেইন ও সরাসরি সাইনের মাধ্যমে ঢাকা ডায়নামাইটসে খেলবেন সুনীল নারিন, রভম্যান পাওয়েল, কাইরন পোলার্ড ও আন্দ্রে রাসেল। ড্রাফট থেকে তাদের বিদেশি সংগ্রহ আন্দ্রে ব্রিচ ও ইয়ান বেল।

বিপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স মাশরাফিকে রিটেইন করার পাশাপাশি ক্রিস গেইল, নাজমুল ইসলাম অপু ও মিথুনকে পেয়েছে। এবার তাদের বিদেশি রিক্রুট এবি ডি ভিলিয়ার্স। তাকে প্রথমবারের মতো উড়িয়ে আনছে রংপুর। সাথে আসছেন অ্যালেক্স হেলস। ড্রাফট থেকে তারা প্রথমে দলে নেয় শফিউল ইসলামকে। ভরসা রেখেছে সোহাগ গাজী ও নাহিদুলের ওপর। গতবার দুজনই খেলেছিলেন রংপুরের হয়ে। এছাড়া ফরহাদ রেজা, মেহেদী মারুফ ও আবুল হাসান রাজু রয়েছেন এ দলে। বিদেশি রবি বোপারা, বেনি হাওয়েলকেও নিয়েছে রংপুর।

রাজশাহী কিংস দিনের শুরুতেই নেয় সৌম্য সরকারকে। এরপর ফজলে রাব্বীকে দলে ভেড়ায়। জাতীয় দলের তিন ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান ও মুমিনুল হককে তারা রেখে দিয়েছে আগেই। বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে আছেন ইসরু উদানা, রায়ান টেন ডয়েসকাট ও গত দুই আসরে খেলা মোহাম্মদ সামি।

চিটাগং ভাইকিংস খেলোয়াড় ড্রাফটের আগেই মুশফিকুর রহিমকে তুলে নেয়। আইকন হিসেবে তাদের দলে খেলবেন মুশফিক। ড্রাফট থেকে মোসাদ্দেক হোসেন, রাহী, খালেদ আহমেদ, নাঈম হাসানকে দলে নেয় তারা। দলের মেন্টর সুযোগ করে দেন মোহাম্মদ আশরাফুলকে। ফিক্সিংয়ের শাস্তি ভোগের পর এবারই প্রথম বিপিএল খেলতে যাচ্ছেন আশরাফুল। এছাড়া তাদের বিদেশি খেলোয়াড় মোহাম্মদ শাহজাদ, রবার্ট ফ্রাইলিঙ্ক, ক্যামেরন ডেলপোর্ট ও দাসুন শানাকা।

ড্রাফট থেকে ৮৭ ও আগের থেকে ৪২ খেলোয়াড় বিপিএলে এখন পর্যন্ত দলভুক্ত হয়েছে। সিলেট বাদে প্রত্যেকেরই দলে শক্তি বাড়ানোর সুযোগ আছে। তবে সেটা হতে হবে ড্রাফটের অবশিষ্ট খেলোয়াড়দের থেকেই।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জোড়া সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইট ওয়াশ করল টাইগাররা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২৬ ১৩:৪৭:১৪

 অসাধারণ, অনন্য, অনবদ্য পারফরম্যান্স বাংলাদেশের। ব্যাট কিংবা বল দুই বিভাগেই বাংলাদেশ যেন দুর্দান্ত, দূরন্ত, উড়ন্ত।

‘পুচকে’ জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে বাংলাদেশ পেল দ্বাদশ ধবল-ধোলাইয়ের স্বাদ। ৭ উইকেটের জয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ মাশরাফির দল জিতল ৩-০ ব্যবধানে। আগে ব্যাটিং করতে নেমে শন উইলিয়ামসের ১২৭ রানের ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৮৬ রান তুলে জিম্বাবুয়ে। জবাবে ইমরুল কায়েসের ১১৫ ও সৌম্য সরকারের ১১৭ রানে ৪৭ বল আগে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে বাংলাদেশ।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ড ২৭৮ রান করে হারিয়েছিল বাংলাদেশকে। পাশাপাশি ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরির স্বাদ পেল বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ হাঁকিয়েছিলেন সেঞ্চুরি। ২০১৫ সালে এ কীর্তি গড়েছিলেন তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। দ্বিতীয় উইকেটে ২২০ রানের জুটি গড়েন ইমরুল ও সৌম্য। দ্বিতীয় উইকেটে যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ।

বোলিংয়ে বাংলাদেশ ছিল নড়বড়ে। নিয়মিত পারফর্মার মুস্তাফিজ-মিরাজকে ছাড়া সুযোগটি বেশ ভালোমতোই কাজে লাগায় জিম্বাবুয়ে। পাহাড় সমান রান পায় সফরকারীরা। বাংলাদেশকে ছুঁড়ে দেয় রেকর্ড রানের লক্ষ্য। তাতেও মনোবল হারায়নি। অনিন্দ্যসুন্দর ব্যাটিংয়ে কাজের কাজটা হয়ে যায় সহজে। হেসেখেলে বাংলাদেশ পায় জয়ের স্বাদ। আগের দিন মাশরাফি ড্রেসিং রুমের শক্তির কথা শোনাচ্ছিলেন। সেই শক্তির স্থিরচিত্র গোটা সিরিজে বেশ ভালোভাবেই ফুটে উঠল।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট। জারভিসের প্রথম বলে এলবিডব্লিউ লিটন। শুরুর আঘাতে দমে যায়নি বাংলাদেশ। বরং সৌম্যকে সঙ্গে নিয়ে ইমরুল চালালেন পাল্টা আক্রমণ। তাতে ছড়াল বিস্ময়, মুগ্ধতা।

যদিও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ছিল ঝুঁকি, ছিল আউট হওয়ার শঙ্কা। তবুও ২২ গজে চলল ঝড়ো ব্যাটিং। ভাগ্যদেবী আজ পাশে ছিল। তাইতো লিটন আউট হওয়ার পরও শুরুর ঝড়ে কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের রান ৮০, বাউন্ডারি ১৩টি।

প্রথম ৫ ওভারে রয়েশয়ে খেলেছিলেন ইমরুল, সৌম্য। ৪ বাউন্ডারিসহ রান মাত্র ২৪। খোলস থেকে বেরিয়ে আসেন ষষ্ঠ ওভারে। ৬ থেকে ১০ ওভার পর্যন্ত বাংলাদেশের রান ৫৬, যার ৩৬ রানই আসে বাউন্ডারিতে।

১৪তম ওভারের দ্বিতীয় বলে এক রান নিয়ে ৪১ বলে হাফ সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন ইমরুল। পরের ওভারে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে ইনিংসের প্রথম ছক্কা হাঁকিয়ে দলের রান ১০৩ এ নিয়ে যান। থেমে থাকেননি সৌম্য। ২০তম ওভারে শন উইলিয়ামসকে উড়িয়ে ষষ্ঠ হাফ সেঞ্চুরির স্বাদ পান। দুজনের ব্যাটিংয়ে ছড়াতে থাকে মুগ্ধতা, বাড়তে থাকে রানের চাকা। লক্ষ্য চলে আসে নাগালেই।

কিন্তু হাফ সেঞ্চুরির পর নিজের সহজাত আক্রমণত্মক পথ বেছে নেন সৌম্য। ৫৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি ছোঁয়া এ ব্যাটসম্যান পরের ২৭ বলে পৌঁছে যান শতরানে। ৪ চার ও ৩ ছক্কা হাঁকান এ সময়ে। সেঞ্চুরি ছুঁয়েও ক্লান্ত হননি। জিম্বাবুয়ের বোলারদের কড়া শাসন করেছেন। কিন্তও বিপদ ডেকে আসেন সেখানেই। মাসাকাদজাকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ দেন ১১৭ রানে। ৯২ বলে ৯ চার ও ৬ ছক্কার ঝড় থামে ওখানে। ২২০ রানের রেকর্ড জুটি থাকে সেখানে।

সঙ্গী হারানোর পর ধীরে ধীরে সেঞ্চুরির পথে এগুতে থাকেন ইমরুল। এবার আর ভুল করেননি। দেখেশুনে খেলে ৯৯ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি। ইমরুলের সেঞ্চুরির পর সবার নজর ছিল ভিন্ন জায়গায়।

৩ ম্যাচ দ্বিপাক্ষিক সিরিজে সবথেকে বেশি রান পাকিস্তানের বাবর আজমের। ৩৬০ রান করেছিলেন বাবর। প্রথম ম্যাচে ১৪৪, দ্বিতীয় ম্যাচে ৯০ রান করা ইমরুলের সুযোগ ছিল বিশ্বরেকর্ড গড়ার। রেকর্ড গড়তে হলে ১২৭ রান করতে হতো তাকে। সুযোগটিও ছিল। কিন্তু ১১৫ রানের বেশি করতে পারেননি এ ওপেনার।

দ্বিতীয় ওয়ানডের মতো আউট হয়েছে অফস্পিনারের বলে লং অফে ক্যাচ দিয়ে। ১১২ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় সাজান ইনিংসটি। বিশ্ব রেকর্ড গড়তে না পারলে সতীর্থর রেকর্ড ভেঙেছেন ইমরুল। দ্বিপাক্ষিক সিরিজে তামিমের রান ছিল সর্বোচ্চ ৩১২ রান। পাকিস্তানের বিপক্ষে ২ সেঞ্চুরি আর এক হাফ সেঞ্চুরিতে তামিম করেছিলেন ৩১২ রান। ইমরুলের এ সিরিজে রান ৩৪৯।

জয়ের থেকে ১৪ রান দূরে থেকে ইমরুল সাজঘরে ফিরেন। বাকি কাজটুকু সারেন মুশফিক ও মিথুন। আগের দিন মিথুনের ছক্কায় নিশ্চিত হয়েছিল সিরিজ। এবার মুশফিকের ছক্কায় নিশ্চিত হয়েছে ধবলধোলাই।

এর আগে উলিয়ামসের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে বিশাল সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে। ৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপদে তখন ব্রেন্ডন টেলরকে সঙ্গ দিতে মাঠে নামেন উইলিয়ামস। ১৩২ রানের জুটি গড়ে দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান রানের চাকা সচল রাখেন। চেপে ধরেন বাংলাদেশের বোলারদের। টেলর ৭৫ রানে সাজঘরের পথ দেখেন। কিন্তু উইলিয়ামস পথ ভুলেননি।

৭৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করা উইলিয়ামস পরের ৫১ বলে পৌঁছান তিন অঙ্কে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এর আগে করেছিলেন ১০২ রান। সেটাও তিন বছর আগে ২০১৫ সালে। আজ সেই রান ছাড়িয়ে যান ১২৯ রানের ইনিংস উপহার দিয়ে। ১০ চার ও ১ ছক্কায় সাজান ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস।

উইলিয়ামস বাদে ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়িয়েছেন ব্রেন্ডন টেলর। উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান ৭২ বলে করেছেন ৭৫ রান। ৮ চার ও ৩ ছক্কায় মাঠ মাতিয়ে রাখেন টেলর। এছাড়া সিকান্দার রাজা ৫১ বলে ৪০, পিটার মুর ২১ বলে ২৮ রান তুলে স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

বল হাতে নাজমুল ইসলাম ৫৮ রানে পেয়েছেন ২ উইকেট। ১টি করে উইকেট পকেটে পুরেন আবু হায়দার, সাইফউদ্দিন।

ব্যাট-বলের দাপটে বাংলাদেশ নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে হেসেখেলে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর, এশিয়া কাপের পর পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। মাশরাফির হাত ধরে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এ সিরিজের আগে টানা দশ ম্যাচ অপরাজিত ছিল বাংলাদেশ। এবার সেই অঙ্কটা ১৩তে গিয়ে পৌঁছাল। আর জিম্বাবুয়েকে টানা তৃতীয়বার হোয়াইটওয়াশ করল, সব মিলিয়ে চতুর্থ।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত