যুক্তরাষ্ট্রে আজ রবিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 10:11pm

|   লন্ডন - 04:11pm

|   নিউইয়র্ক - 11:11am

  সর্বশেষ :

  হাসপাতাল থেকে ‘বিতাড়িত’, গাছ তলায় সন্তান প্রসব   একটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট সুনামগঞ্জের নিলাদ্রী লেক   যুক্তরাজ্যে ধর্ষণের দায়ে বাংলাদেশির ১০ বছরের জেল   ইসরাইলি বিমান হামলা ব্যর্থ করল সিরিয়া   সিলেটের রেল উন্নয়নে ডিও লেটার দিলেন মোমেন   আলিয়ার ‘কলঙ্ক’ ফাঁস   সিডনিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে 'গানে গানে জোছনা'   ইতালিতে রহস্যজনক ভাবে এক বাংলাদেশীর মৃত্যু   ধনী মানুষ বৃদ্ধির হারে বিশ্বে তৃতীয় বাংলাদেশ   খাশোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা   প্যারিসে জড়ো হচ্ছে ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনকারীরা   নির্বাচনের কলঙ্ক ঢাকতে বিজয় সমাবেশ করছে আ.লীগ : ফখরুল   ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র সচিব, যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক অঞ্চলে সুবিধার প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ   এরশাদ গুরুতর অসুস্থ, রোববার সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন   জীবন দিয়ে হলেও জনগণের ভোটের মর্যাদা রক্ষা করব : প্রধানমন্ত্রী

>>  খেলাধুলা এর সকল সংবাদ

বেতন দেয়ার রেকর্ড গড়েছে বার্সেলোনা

বার্সেলোনার ফের বিশ্বে এক নম্বর!  মাঠে নয়, প্রথম ফুটবল দল হিসেবে স্প্যানিশ লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা মাসিক বেতন দিতেই খরচ করে ফেলেছে আধা বিলিয়ন ইউরো। যা গেল বছরের চেয়ে ৪২ শতাংশ বেশি। ইউরোপ ভিত্তিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান কেপিএমজি’র এক রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে।

ইউরোপের শীর্ষ ৮টি লিগের চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য এবং তাদের খরচ নিয়ে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে রেকর্ড পরিমাণ ১৬০ মিলিয়ন ইউরো (১৮৩ মিলিয়ন ডলার) খরচ করে ব্রাজিলের ফিলিপ কুতিনহোকে লিভারপুল থেকে নিয়ে আসে বার্সা। কাতালান স্টাফদের পেছনে বার্ষিক ৫৬২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করা

বিস্তারিত খবর

আবারও ক্রিকেট মাঠে মৃত্যু, শোকস্তব্ধ সতীর্থরা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৫ ১৩:৫৫:০৮

অকালেই চলে গেলেন ভারতীয় তরুণ ক্রিকেটার ৷ আর পাঁচদিনের মতোই অনুশীলন শুরু করলেন কিন্তু আর উঠলেন না ৷ ক্রিকেট মাঠে আগেও মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে ৷ তবে এদিন কিন্তু খেলতে খেলতে মারা যাননি ৷

এদিন টালা পার্কে পড়ে গিয়ে অসুস্থ ক্রিকেটার মারা যান। মৃত ক্রিকেটারের নাম অনিকেত শর্মা৷ বুধবার পাইকপাড়া ক্লাবের ম্যাচ ছিল ৷ তার আগে ফুটবল খেলবেন ঠিক করেছিলেন ক্রিকেটাররা ৷ কিন্তু ওয়ার্ম আপ করতে করতেই হঠাৎ মাটিতে পড়ে যান ৷

মৃত অনিকেত শর্মার বাড়ি কলকাতার খড়্গপুরে ৷ মাঠে অসুস্থ হওয়ার পরেই অনিকেতকে নিয়ে যাওয়া হয় আরজি কর হাসপাতালে ৷ সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয় ৷

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ক্লাবের মালিক বনে গেলেন মেসি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-০৮ ১৩:১৭:৪৯

এখনো তিনি আপাদমস্তক একজন ফুটবলার। তবে এই পরিচয়ের পাশাপাশি তার অন্য একটা গোপন পরিচয়ও আছে। লিওনেল মেসি আসলে ব্যবসায়ীও। হোটেলসহ একাধিক ব্যবসা আছে বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের। ফুটবলারের অন্তরালে এবার যুক্ত হয়ে গেল তার আরও একটি পরিচয়। মেসি এখন ফুটবল ক্লাবেরও মালিক।

সত্যিই তাই। তবে একক মালিক নন, জেরার্ড পিকে ও সেস ফ্যাব্রিগাসের সঙ্গে তিনিও একজন অংশীদার। কিছুদিন আগেই বার্সেলোনা ভিত্তিক একটা আধা পেশাদার ক্লাবের মালিকানা কিনেছেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে। এফসি অ্যান্ডোরা নামের ক্লাবটি আসলে তার মালিকানাধীন কোম্পানি কসমস ক্লাবটা কিনেছে। পিকের সেই ক্লাবের শেয়ার কিনে মেসি এবং ফ্যাব্রিগাসও বনে গেলেন মালিক।

এল ডিয়ারি ডি অ্যান্ডোরা এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে এই খবর। তবে মেসি ও ফ্যাব্রিগাস ঠিক কত শতাংশ শেয়ার কিনেছেন সেটা জানানো হয়নি। তবে এটা নিশ্চিত করা হয়েছে, পিকের কোম্পানি কসমসের তুলনায় কম শতাংশ শেয়ার কিনেছেন তারা। মানে এখনো ক্লাবটির মুল মালিক পিকের কসমস গ্রুপ। সেই সুবাদেই ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট বিশ্বখ্যাত সংগীত শিল্পী শাকিরার প্রেমিক পিকে।

এফসি অ্যান্ডোরা কাতালনের প্রথম বিভাগে খেলছে। যা স্পেনের চতুর্থ পর্যায়ের লিগ। তবে কসমস গ্রুপ মালিকানা কেনার পরই ক্লাবটিকে পুরোপুরি পেশাদার ক্লাবে পরিণত করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। ক্লাবটির কোচিং দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পিকে-মেসিদের বার্সেলোনারই সাবেক দুই খেলোয়াড় আলবার্ট জরকুয়েরা ও গ্যাব্রি গর্সিয়াকে। শুধু তাই নয়, ক্লাবটিকে শক্তিশালী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে নতুন খেলোয়াড় কেনাও শুরু করে দেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই কেনা হয়েছে ৪ জন নতুন খেলোয়াড়।

ক্লাবটিকে ঘিরে পিকে-মেসিদের চূড়ান্ত লক্ষ্যের কথা জানা যায়নি। তবে মেসি-পিকে-ফ্যাব্রিগাসদের মতো বিশ্বসেরা ফুটবলাররা যখন ফুটবলের ব্যবসায় নাম লিখিয়েছেন, ক্লাবটিকে যে তারা পুনর্গঠন করে বিখ্যাত করার চেষ্টা করবেন, সেটা অনুমিতই। টাকা তো তাদের আর কম নেই। ইচ্ছা করলেই তিনজনে মিলে কাড়ি কাড়ি টাকা ঢেলে এফসি অ্যান্ডোরায় বসাতে পারবেন তারার মেলা। চতুর্থ পর্যায় থেকে ক্লাবটিকে তুলে আনতে পারবেন শীর্য পর্যায়ে।

কে জানে, পিকে-মেসিদের পরিকল্পনাও হয়তো সেটাই। টাকার প্রভাবে ধীরে ধীরে অখ্যাত ক্লাবটিকে বিখ্যাত করা।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাড়ি-গাড়ি সব বেঁচে দিচ্ছেন রোনালদো!

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-২০ ০৭:৪৩:৫৫

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বাড়ি-গাড়ি প্রীতির কথা ফুটবলপ্রেমীদের কাছে অজানা নয়। বিলাসবহুল বাড়ি ও অত্যাধুনিক গাড়ির প্রতি পর্তুগিজ সুপারস্টারের আকর্ষণটা বহু পুরনো। কিন্তু সেই রোনালদোই এবার বাড়ি-গাড়ি বিক্রি করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ঐতিহ্যবাহী দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে থাকাকালে পাঁচটি বেডরুমের প্রাসাদসম বাড়িতে থাকতেন রোনালদো। ২০০৯ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়লেও বাড়িটির মালিকানা নিজের কাছেই রেখেছিলেন তিনি। এবার চেশায়ারের সে বাড়িটি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জুভেন্টাসের এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড।

অবশ্য ক্রয়মূল্যের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা কমে বাড়িটি বিক্রি করতে হচ্ছে রোনালদোকে। ২০০৬ সালে প্রায় ৪১ কোটি টাকায় বাড়িটি কিনেছিলেন তিনি। পরবর্তী এক যুগে মুদ্রার মূল্যমান বাড়লেও বাড়ি বিক্রি করতে গিয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে। বাড়িটির বর্তমানে বাজার মূল্য সাড়ে ৩৪ কোটি টাকার বেশি নেই বলেই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট এজেন্টরা।
তিনতলা বাড়িতে সুইমিং পুল, জিমনেশিয়াম ও সিনেমা হলসহ প্রায় সব সুবিধাই রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

২০০৯ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পরই বাড়িটি বিক্রি করতে চেয়েছিলেন রোনালদো। পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত পাল্টে ম্যানচেস্টারের ডিফেন্ডার লুক শকে ভাড়া দেন তিনি। ভাড়া বাবদ মাসে সাড়ে সাত লাখ টাকা ভাড়া পেতেন রোনালদো। চেশায়ারের অ্যালডারলি এজে অবস্থিত তিনতলা বাড়িতে ইনডোর সুইমিং পুল, জিমনেশিয়াম ও সিনেমা হলসহ প্রায় সকল আধুনিক সুবিধাই রয়েছে।

স্পোর্টিং লিসবন থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে আসার পরই অডি কোম্পানির একটা গাড়ি কিনেছিলেন রোনালদো। এস-থ্রি ক্যু মডেলের সেই গাড়িটিও বিক্রি করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তবে বাড়ি বিক্রিতে লোকসান গুনলেও গাড়িটি বিক্রি করতে যাচ্ছেন প্রায় তিন গুণ বেশি দামে।
কেবল বাড়ি নয়, গাড়িও বিক্রি করে দিচ্ছেন রোনালদো। ছবি: সংগৃহীত

২০০০ সালে বাজারে আসা অডি কোম্পানির এই গাড়িটির বর্তমান মূল্য ছয় হাজার থেকে ১০ হাজার ইউরো। এদিকে রোনালদো নিজেও অবশ্য গাড়িটা ‘সেকেন্ড-হ্যান্ড’ কিনেছিলেন। তবে বিক্রির জন্য গাড়িটির দাম হাঁকানো হয়েছে ২০ হাজার ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৯ লাখ টাকা।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

রোম বিডি স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে বিজয় দিবস গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-১৮ ১৩:২৮:২৮

গত ১৬ ডিসেম্বর রোম বিডি স্পোটিং ক্লাব ইতালীর আয়োজনে বিজয় দিবস গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৮ইং অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মোট ৮টি টিম অংশগ্রহন করে।
রোম বিডির সভাপতি মোঃওমর ফারুকের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম পলাশের পরিচালনায় এক অনাড়ম্বর অনুষ্টানের মধ্য ঝাকঝমক ভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সমিতি-ইতালীর সাবেক সভাপতি জনাব নূরে আলম ছিদ্দিকী বাচ্চু, প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সমিতি-ইতালীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ নায়েব আলী, মহিলা সম্পাদিকা সুমি ইসলাম পৃষ্টপোষকতায় ক্লাবের পরিচালক কামরুজ্জামান রতন,তত্ত্বাবধানেঃঅলিউদ্দিন শামীম,এছাড়া ও জালালাবাদ এসোসিয়েশন ইতালীর সহসভাপতি মাহবুবুল কাদির ওয়েছ, বৃহত্তর সিলেট যুব সংঘ ইতালীর সভাপতি আরমান উদ্দিন স্বপন, ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ রুহুল আমিন, ইউনুছ মোল্লা,শফিকুর রহমান প্রচার সম্পাদক মিনহাজ হোসেন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ব্যাক্তিবর্গ এবং গ্যালারী ভর্তি দর্শক রোমের আর্কদি ত্রাবেরতিনো ২টি মাঠে একসাথে খেলা চলে এতে ৪টি টিম সেমিফাইনালে যায়, ১ জালালাবাদ স্পোটিং ক্লাব (বনাম) বিডি ওয়ারিছ, ২ কলিআলবানী ইয়াং স্টার (বনাম) রয়েল বিডি ক্লাব,বিডি ওয়ারিছ ও জালালাবাদ স্পোটিং ক্লাবের খেলাটি ছিল টান টান উত্তেজনামুলক যেন গোল্ডকাপ ফাইনাল পরিশেষে বিডি ওয়ারিছ এবং কলিআলবানী ইয়াং স্টার ফাইনালে যায়।
ফাইনাল খেলাটি আগামী রবিবার অনুষ্টিত হবে এবং পুরষ্কার বিতরনী ও চ্যাম্পিয়ানদের গোল্ডকাপ ট্রফি আগামী ৩১শে ডিসেম্বর নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। এতে রোমে বাংলাদেশ দূতাবাস ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ ছাড়াও সকল রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনকে আমন্ত্রন জানানো হবে। সাংস্কৃতিক অনুষ্টান পরিচালনায় থাকবেন রোমের জনপ্রিয় সকল কন্ঠশিল্পীবৃন্দ বলে জানিয়েছেন ক্লাবের সদস্যবৃন্দ।

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জয়ে রাঙাল টাইগারদের বছরের শেষ ওয়ানডে

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-১৪ ১২:৪৬:১৬

‘ফরম্যাট যত ছোট, ততো ভয় ক্যারিবীয়দের।’ টাইগার অধিনায়কের কথাটা অল্প হলেও প্রমাণ করতে পারলো সফরকারীরা। বাংলাদেশ দলের যত ভয় ছিল ক্যারিবীয়দের ‘মাসল পাওয়ার’ নিয়ে। একমাত্র শাই হোপ ছাড়া বাকি ব্যাটসম্যানরা তার ছিটেফোঁটাও দেখাতে পারেনি ওয়ানডে সিরিজে।

চলতি বছরের জুলাইতে নিজেদের মাটিতে বাংলাদেশের কাছে ২-১ ম্যাচে সিরিজে হেরেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেটার একটা প্রতিশোধ নিতে পারতো ক্যারিবীয়রা। কিন্তু ঘটল তার উল্টো চিত্র!

নিজেদের মাঠে বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য সেটা বিশ্ব ক্রিকেটের ভালোই জানা। দেশে-বিদেশে চলতি বছরে এ নিয়ে ১৩তম ওয়ানডে ম্যাচ জিতল ২০ ম্যাচ খেলে। এই সিরিজসহ ২০১৮ সালে তৃতীয় সিরিজ জয়। জুলাইতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নভেম্বরে জিম্বাবুয়ে আর ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সিলেটের মাঠে এটাই প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ। অচেনা উইকেটে দুপুরে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ অধিনায়কের।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা থেকে শেষ, একমাত্র শাই হোপ ছাড়া গোটা ৫০ ওভারই অস্বস্তির ছিল ক্যারিবীয়দের জন্য।

সিরিজ সমতায় ছিল বলে দুই দলের জন্যই ছিল সিরিজ জয়ের সমান সুযোগ।

যার জন্য সাবধানী ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই হারিয়ে বসে ওপেনার চন্দরপল হেমরাজের উইকেট।

ইনিংস শুরুর দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে ক্যারিবীয় ওপেনার চন্দরপল হেমরাজকে ফিরিয়ে ক্যারিবীয় ব্যাটিং লাইনআপের ধ্বংসযজ্ঞটা শুরু করেন মেহেদী মিরাজ। ব্যক্তিগত ৯ রানের মাথায় ক্যাচ দেন মোহাম্মদ মিঠুনের হাতে।

এরপর শুরু হয় ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানদের বিরতিহীন উইকেট যাওয়া-আসার মিছিল!

ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানরা যখন নিয়মিত বিরতিতে যাওয়া-আসার মিছিলে নেমেছিলেন, তখনও নিজের কক্ষপথ থেকে নড়েননি হোপ। হোপের ব্যাটে আশা দেখেছেন ক্যারিবীয়রা, নিজে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতক!

হোপের শতক ছাড়া বাকি নয় ব্যাটসম্যানের কেউই কুড়ি রানের কোটা পার করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১৩১ বলে ১০৮ রানে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছেড়েছেন ক্যারিবীয় ওপেনার। ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ ১৯৮ রান।

মিরাজ নিয়েছে ৪টি উইকেট, সাকিব আর মাশরাফি নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন নেন ১টি উইকেট।

১৯৯ রান তাড়া করার লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তামিম-লিটন মিলে শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। চার বাউন্ডারিতে ২৩ রান করা লিটন দাস খেই হারালেন কেমো পলের বলে চেজের কাছে ক্যাচ দিয়ে।

সৌম্যকে এদিন পাঠানো হয় তিন নম্বরে ব্যাট করতে। আগের দুই ম্যাচে ছয়ে ব্যাট করে সুবিচার করতে পারেননি নিজের নামের সঙ্গে। আজ তামিমের সঙ্গে জুটি গড়ে করেছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সপ্তম অর্ধশতক। তামিমও তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৪৪তম অর্ধশতক।

১৯৮ রানের লক্ষ্যটা মামুলি করতে দুজন মিলে জুটি গড়েন ১৩১ রানের। জয়ের জন্য ২৩ রান বাকি থাকতে সৌম্য আউট হয়ে যান ৮০ বলে ৮০ রান করে।

শেষদিকে মুশফিকের ১৭ আর তামিমের অপরাজিত ৮১ রানে ভর করে ৩৮.২ ওভারে ৮ উইকেটের বিশাল জয়ে বছরের শেষ ওয়ানডে কিংবা ওয়ানডে সিরিজ জয় বাংলাদেশের। ক্যারিবীয়দের হয়ে দুই উইকেটই নেন কেমো পল।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশে করল বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-০২ ১২:১৯:৫৩

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পদচারণা ১৮ বছর হয়ে গেল। এ যাত্রায় সাফল্য-ব্যর্থতায় অনেক কিছুরই স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এবারের ঢাকা টেস্টকে রাখতে হবে ভিন্ন জায়গায়, অনেক সাফল্যের ওপরে। চাইলে সবার ওপরেও রাখা যায়।

প্রথমবারের মতো কোনো পেসার ছাড়া টেস্ট ম্যাচ খেলল বাংলাদেশ। একাদশে দ্বিতীয়বারের মতো চার স্পিনার নিয়ে ভারতকে পেছনে ফেলল। বছরের আটজনের টেস্ট অভিষেক। কতকিছুই না হলো মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ-বধে কঠিন পরিকল্পনা।

টেবিলের কঠিন পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়ন করলেন খেলোয়াড়রা। ফলাফলও আসল বাংলাদেশের পক্ষে। অনেক প্রথমের সঙ্গে যুক্ত হলো আরো দুটি। প্রথমবারের মতো প্রতিপক্ষকে ফলোঅন করাল বাংলাদেশ। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়েছে প্রতিপক্ষকে। তাইতো এ জয় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে স্মরণীয়।

চট্টগ্রাম টেস্টের পর ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশ জিতেছে ইনিংস ও ১৮৪ রানের বিশাল ব্যবধানে। নিজেরা ৩৮ বার ইনিংস ব্যবধানে হারের লজ্জা পাওয়ার পর প্রথমবার প্রতিপক্ষকে এ লজ্জা দিল। বাংলাদেশের চতুর্থ সিরিজ জয় এবং তৃতীয় হোয়াইটওয়াশের স্বাদ।

ইতিহাসের পাতায় অক্ষয় কালিতে নিজের নাম লিখিয়ে রাখলেন সাকিব আল হাসান। তার নেতৃত্বেই দেশ ও দেশের বাইরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। প্রথমবার ২০০৯ সালে ওদের মাটিতে, নয় বছর পর নিজেদের মাটিতে।

সাকিবের হাতে ওঠা রূপালি রঙের ট্রফি জয়ের নায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। টেস্টে দ্বিতীয়বারের মতো ১২ উইকেট পেলেন মিরাজ। প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে তার পকেটে ঢুকল ৫ উইকেট। ১২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা টেস্ট বোলিং ফিগার তারই দখলে। এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫৯ রানে নিয়েছিল ১২ উইকেট। এবার ১১৭ রানে শিকার ১২টি।

ক্যারিবীয়দের জন্য পাতা হয়েছিল স্পিন ফাঁদ। ওই ফাঁদেই আটকে পড়ল সফরকারীরা। ইনিংস ব্যবধানে জয়ের জন্য রোববার তৃতীয় দিন ১৫ উইকেট দরকার ছিল বাংলাদেশের। কাজটা শুধু কঠিনই না, দুরূহ। তবুও অসাধ্য সাধন করে দেখাল বাংলাদেশ।

চট্টগ্রামের মতো ঢাকাতেও আড়াই দিনে শেষ টেস্ট। রোববার প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটে ৭৫ রানে দিন শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেষ ৫ উইকেট তুলে নিতে সকালে বাংলাদেশের সময় লাগে মাত্র ৫১ মিনিট। বাংলাদেশের করা ৫০৮ রানের জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস শেষ ১১১ রানে।

আগের দিনের ৩ উইকেটের সঙ্গে আজ আরো ৪ উইকেট নিয়েছেন মিরাজ। সব মিলিয়ে মিরাজের পকেটে গেছে ৭ উইকেট। ৫৮ রানে ৭ উইকেট নিয়ে মিরাজ ক্যারিয়ার সেরা বোলিং উপহার দিয়েছেন। 

ফলোঅন এড়াতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার ছিল ৩০৯! বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় সাহস পেলেন সাকিব। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ প্রতিপক্ষকে ফলোঅন করাল। ৩৯৭ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নেমে আবারো ব্যাটিং বিপর্যয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এবারও স্পিন বিষে নীল ক্যারিবীয়রা। প্রথম সেশনেই নেই ৪ উইকেট। দ্বিতীয় সেশনে হারাল শেষ ৬টি।

প্রথম ইনিংসের বিপর্যয়ের পর দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারীদের সংগ্রহ ২১৩। ওই শিমরন হেটমায়ারই যা করে দেখাল, ৯২ বলে ১ চার ও ৯ ছক্কায় করলেন ৯৩। ৯ ছক্কা হাঁকিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ডও গড়েছেন। কুমার সাঙ্গাকারা ৩১৯ করার পথে হাঁকিয়েছিলেন ৮ ছক্কা।

আহ! কী দারুণ। স্পিন চতুষ্টয় সাকিব, মিরাজ, তাইজুল ও নাঈম প্রত্যেকেই পেলেন উইকেট। মিরপুরে উড়ল বাংলাদেশের পতাকা। ১২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা মিরাজ। আর ব্যাট হাতে ১১৫ রান ও বল হাতে ৯ উইকেট নিয়ে সাকিব হলেন সিরিজসেরা।

দ্বিতীয় দফায় অধিনায়ক হওয়ার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর দিয়ে শুরু করেছিলেন সাকিব। পেয়েছিলেন তিক্ত অভিজ্ঞতা। দুই টেস্টই বাংলাদেশ হেরেছিল ইনিংস ও বিশাল রান ব্যবধানে। ঘরের মাঠে আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ দিয়ে শুরু সাকিবের। এবার সাকিবের হাত ধরে উড়ল বিজয়ের পতাকা।

জুলাইয়ে নিজেদের মাটিতে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এবার ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করেই বদলা নিল বাংলাদেশ। এ যেন, হোয়াইটওয়াশের বদলা হোয়াইটওয়াশে।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

তিন দিনেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাল বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-২৪ ১২:৫৩:৪৪

চট্টগ্রাম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তিন দিনেই হারিয়েছে বাংলাদেশ। ৬৪ রানের জয়ে দুই ম্যাচ সিরিজে এগিয়ে গেছে সাকিব আল হাসানের দল।

বাংলাদেশের প্রথম
প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্টে হারাল বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৫ টেস্টে এটি বাংলাদেশের তৃতীয় জয়। আগের দুটি জয় ছিল ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে।

তাইজুলের ছয়ে বাংলাদেশের দারুণ জয়
সুনীল অ্যামব্রিসকে ফিরিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস গুটিয়ে দিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। ২০৪ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলআউট হয়েছে ১৩৯ রানে। বাঁহাতি স্পিনারকে ডিফেন্ড করতে গিয়ে বল মিস করেন অ্যামব্রিস। কট বিহাইন্ডের আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। যদিও টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় বল ব্যাট স্পর্শ করেনি। অ্যামব্রিস রিভিউ নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার আগেই শেষ হয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই রিভিউ।

দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৩ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন তাইজুল। সাকিব ও মিরাজ পেয়েছেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরির জন্য ম্যাচসেরা হয়েছেন মুমিনুল হক।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩২৪
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস: ২৪৬
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ১২৫ (ইমরুল ২, সৌম্য ১১, মুমিনুল ১২, মিথুন ১৭, সাকিব ১, মুশফিক ১৯, মিরাজ ১৮, মাহমুদউল্লাহ ৩১, নাঈম ৫, তাইজুল ১, মুস্তাফিজ ২*; বিশু ৪/২৬, চেজ ৩/১৮, ওয়ারিকান ২/৪৩, গ্যাব্রিয়েল ১/২৪)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২ম ইনিংস: (লক্ষ্য ২০৪) ১৩৯ (ব্রাফেট ৮, পাওয়েল ০, হোপ ৩, অ্যামব্রিস ৪৩ , চেজ ০, হেটমায়ার ২৭, ডোরিচ ৫, বিশু ২, রোচ ১, ওয়ারিকান ৪১, গ্যাব্রিয়েল ০; তাইজুল ৬/৩৩, সাকিব ২/৩০, মিরাজ ২/২৭)।
ফল: বাংলাদেশ ৬৪ রানে জয়ী
সিরিজ: দুই ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মুমিনুল হক।

প্রতিরোধ ভাঙলেন মিরাজ
অ্যামব্রিস-ওয়ারিকানের পঞ্চাশোর্ধ জুটিটা বাংলাদেশের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ৬৩ রানের এ জুটি ভেঙে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি ফিরিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অফ স্পিনারকে উড়াতে গিয়ে বল আকাশে তোলেন জোমেল ওয়ারিকান। মিড উইকেট থেকে কিছুটা দৌড়ে দুইবারের চেষ্টায় ক্যাচ নেন সাকিব আল হাসান।

ওয়ারিকান ক্যারিয়ার সেরা ৪১ রান করে ফেরার সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর ৯ উইকেটে ১৩৮ রান। সুনীল অ্যামব্রিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শ্যানন গ্যাব্রিয়েল।

অ্যামব্রিস-ওয়ারিকান জুটির পঞ্চাশ
৭৫ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর নবম উইকেটে ফিফটি রানের জুটি গড়েছেন সুনীল অ্যামব্রিস ও জোমেল ওয়ারিকান। ৬৩ বলে ছুঁয়েছে জুটির পঞ্চাশ।

৩৩ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ১৩০ রান। অ্যামব্রিস ৩৬ ও ওয়ারিকান ৩৯ রানে অপরাজিত আছেন। জয়ের জন্য এখনো ৭৪ রান দরকার ওয়েস্ট ইন্ডিজের, বাংলাদেশের চাই ২ উইকেট।

তাইজুলের পাঁচ উইকেট
কেমার রোচকে ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেছেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনারের বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন রোচ। আম্পায়ার যদিও প্রথমে আউট দেননি। বাংলাদেশ নেয় রিভিউ। তাতে পাল্টে সিদ্ধান্ত।

রোচের বিদায়ের সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৭৫ রান। সুনীল অ্যামব্রিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন জোমেল ওয়ারিকান।

তাইজুলের চতুর্থ শিকার বিশু
তাইজুল ইসলামের বলে শট খেলতে গিয়ে মিস করে বোল্ড হয়েছেন দেবেন্দ্র বিশু। ইনিংসে এটি তাইজুলের চতুর্থ উইকেট।

বিশুকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ জয়ের পথে এগিয়ে গেছে আরেক ধাপ। তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৬৯ রান। সুনীল অ্যামব্রিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন কেমার রোচ। জয়ের জন্য আরো ১৩৫ রান দরকার ওয়েস্ট ইন্ডিজের, বাংলাদেশের চাই ৩ উইকেট।

তাইজুলের তৃতীয় শিকার ডোরিচ
শেন ডোরিচকে ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের তৃতীয় উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনারের বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। রিভিউ নিয়েও রক্ষা হয়নি।

ডোরিচ ৫ রান করে ফেরার সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৫১ রান। সুনীল অ্যামব্রিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন দেবেন্দ্র বিশু।

বিপজ্জনক হেটমায়ারকে ফেরালেন মিরাজ
প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও পাল্টা আক্রমণে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন শিমরন হেটমায়ার। এবারও তাকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে বড় উইকেট এনে দিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

আগের বলের পরই নাঈম হাসানকে মিড অফ থেকে সরিয়ে লং অফে পাঠান অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। সিদ্ধান্তটা দারুণভাবে কাজে দিয়েছে। অফ স্পিনার মিরাজকে ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলতে গিয়ে নাঈমের হাতে ধরা পড়েন হেটমায়ার।

হেটমায়ারের বিদায়ে ভাঙে ৩৩ রানের পঞ্চম উইকেটে জুটি। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান ১৯ বলে ২৭ করে ফেরার সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৪৪ রান। সুনীল অ্যামব্রিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শেন ডোরিচ।

সাকিব-তাইজুলে টালমাটাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
২০৪ রানের লক্ষ্য তাড়ায় সাকিব আল হাসান ও তাইজুল ইসলামের স্পিন বিষে নীল হয়ে শুরুতেই ওপরের দিকের চার ব্যাটসম্যানকে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিজের পরপর দুই ওভারে কাইরান পাওয়েল ও শাই হোপকে ফেরান সাকিব। লাঞ্চের আগে একই ওভারে ক্রেইগ ব্রাফেট ও রোস্টন চেজের উইকেট নেন তাইজুল।

 লাঞ্চ বিরতির সময় ৫ ওভার ৫ বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১১ রান। জয়ের জন্য এখনো ১৯৩ রান করতে হবে সফরকারীদের। দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথমবারের মতো টেস্টে হারাতে বাংলাদেশের চাই আর ৬ উইকেট। 

পাঁচ বলে দুই উইকেট তাইজুলের
প্রথমবারের মতো আক্রমণে এসে পাঁচ বলের মধ্যে দুই উইকেট তুলে নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনারের প্রথম বলে এলবিডব্লিউ হন ক্রেইগ ব্রাফেট (৮)। পঞ্চম বলে এলবিডব্লিউ রোস্টন চেজও (০)। তখন ১১ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ভীষণ বিপদে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। 

সাকিবের দ্বিতীয় শিকার হোপআগের ওভারে নিয়েছিলেন কাইরান পাওয়েলের উইকেট। নিজের পরের ওভারে এসে শাই হোপকেও ফিরিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

বাঁহাতি স্পিনারকে পা বাড়িয়ে ডিফেন্ড করতে চেয়েছিলেন হোপ। বল তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা হয় উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে।

হোপ ৩ রান করে ফেরার সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১১ রান। ক্রেইগ ব্রাফেটের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সুনীল অ্যামব্রিস।

বোথামকে ছাড়িয়ে সাকিব
দারুণ এক অর্জনে নাম লেখালেন সাকিব আল হাসান। টেস্টে দ্রততম ৩ হাজার রান ও ২০০ উইকেটের ডাবল এখন বাংলাদেশের অলরাউন্ডারের। তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ইংলিশ কিংবদন্তি ইয়ান বোথামকে। এই ডাবল ছুঁতে বোথামের লেগেছিল ৫৫ টেস্ট। সাকিবের লাগল একটি কম, ৫৪ টেস্ট।


পাওয়েলকে ফিরিয়ে সাকিবের ২০০ উইকেট
ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। বাঁহাতি স্পিনারকে ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলতে গিয়ে বল মিস করেন কাইরান পাওয়েল। স্টাম্পিংয়ের সহজ সুযোগ কাজে লাগান মুশফিকুর রহিম। টেস্ট ক্রিকেটে এটি সাকিবের ২০০তম উইকেট।

দলীয় ৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাওয়েল রানের খাতা খুলতে পারেননি। ক্রেইগ ব্রাফেটের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শাই হোপ। 

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২০৪ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ
৩ রানের মধ্যে শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৫ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসের ৭৮ রানসহ বাংলাদেশের লিড ২০৩ রানের। সিরিজের প্রথম টেস্ট জিততে হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে করতে হবে ২০৪ রান।

লিড দুইশ ছোঁয়ার পর দেবন্দ্র বিশুর তিন বলের মধ্যে ফেরেন নাঈম হাসান ও মাহমুদউল্লাহ। নাঈম করেছেন ৫ রান। মাহমুদউল্লাহ ৩৬ বলে একটি করে চার এক ছক্কায় ৩১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন।

পরের ওভারে আরেক স্পিনার রোস্টন চেজের বলে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন তাইজুল ইসলাম (১)। ২ রানে অপরাজিত ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ইতালীর ইন্টার বাংলা স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-২১ ১২:৪৫:৩৮

স্বপ্নহীন পথ চলা যেমন অসম্ভব তেমনি স্বপ্নের বাস্তবায়ন করাটাও সহজ ব্যাপার নয়। মানুষ তার স্বপ্ন পূরণের উদ্দেশ্যে ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যায় নিরন্তর, জীবনের লক্ষ্য পূরণে ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাব ইতালী।

পৃথিবীতে যত রকম খেলা আছে তার মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। আবহমান বাংলার ঐতিহ্যের সাথে ফুটবল খেলা ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা। ইতালীর তরপিনাত্তারার বাংলাদেশিদের  রয়েছে গৌরবময় অবস্থান তারা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সংস্কৃতি, ক্রীড়াসহ নানা ঐতিহ্যময় কর্মকাণ্ডে পরিপূর্ণ।

বাংলাদেশ ক্রীড়া সংস্থা ইতালীর আয়োজনে গত রবিবার ইতালী রোম শহরে পরান কৃষ্ণ সাহা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অংশগ্রহণ করে ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাব, এতে ইতালীর বিভিন্ন শহর থেকে সামাজিক সংগঠনের ফুটবলের টিম অংশগ্রহণ করছে।এবং রোমের ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাবে ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে এতে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দল ছিল বিডি ওয়ারিয়াস স্পোটিং ক্লাবে এবং খেলায় ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাব ৪-০ গোলে বিজয় অর্জন করে।

এ সময় খেলার মাঠে প্রথমেই বাংলা সেলুন তরপিনাত্তারার সত্বধিকারী ও ইন্টার বাংলাস্পোটিং ক্লাবের ম্যানেজার ইমরুল কায়েছ এর সার্বিক সহযোগিতায় ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাবের জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ইমরুল কায়েছ বাংলা সেলুনের পক্ষ থেকে সকল খেলোয়াড়দের হাতে জার্সি তুলে দেন।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা বায়জিদ আলী, পরিচালক সামসুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পরিশেষে দলের ম্যানেজার ইমরুল কায়েছ বলেন, বর্তমান বিশ্বে ফুটবল খেলা অত্যন্ত জনপ্রিয় ও চিত্তাকর্ষক খেলা। সাম্প্রতিক কালে ফুটবল খেলা ‘খেলার রাজা’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এই খেলা সময়সাপেক্ষ, ব্যয়সাধ্য ও আভিজাত্যপূর্ণ। বর্তমানে ফুটবল বাঙালি জাতির অনেক আশা-আকাক্সক্ষা এবং প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাব সামনে জাতীয়পর্যায়ে গিয়ে খেলতে পারে সেই আশা ব্যাক্ত করে সকলের কাছে সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন। এবং সকলকে ইন্টার বাংলা স্পোটিং ক্লাবের টিমের আগামী দিনের অগ্রযাত্রাকে আরো দূর করতে সকলেকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জয় দিয়ে সিরিজ শেষ করল টাইগাররা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১৫ ১৩:৫৪:০০

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের ইতিহাসে হারটাই লেখা থেকে যাবে আজীবন।

বাংলাদেশকে লজ্জায় ডুবিয়ে ১-০ ম্যাচে সিরিজে এগিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। সেই ম্যাচে হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়ে রেখেছিলেন টাইগার অধিনায়ক। ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল দলের সবাই। যেমন কথা তেমন কাজ। চাওয়া ছিল এই ম্যাচে জিতে সিরিজ সমতা। চাওয়ার সঙ্গে পাওয়াটাও মিলে গেল।

ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের জয়। বাঘেরা বাঘের মতোই খেলে হারিয়েছে জিম্বাবুয়েকে। গোটা ম্যাচেই আধিপত্য ছিল স্বাগতিকদের।

প্রথম ইনিংসে মুমিনুলের ১৬১ রানের ইনিংস। মুশফিকের ইতিহাস গড়া দ্বিশতক (২১৯*)। উইকেট কিপার-ব্যাটসম্যান হয়ে দুটি ডাবল সেঞ্চুরি। সবমিলে ৫২২ রানের বিশাল সংগ্রহ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে সফরকারীরা পড়ে ফলোঅনে। তাইজুল ইসলামের টানা তৃতীয়বারের মতো পাঁচ উইকেট। ৩০৪ রানে অল আউট জিম্বাবুয়ে।

ফলোঅন না করিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের। তবে শুরুটা সুখকর হয়নি মোটেও। মিডল অর্ডারে নেমে প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে বিদায় নেয়া অভিষিক্ত মোহাম্মদ মিঠুন দ্বিতীয় ইনিংসে খেলেন ৬৭ রানের ইনিংস।

দলের ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বললেও ঘুরে দাঁড়ানোর বড্ড দরকার ছিল মাহমুদুল্লাহ রিয়াদেরও। খেললেন অনবদ্য শত রানের ইনিংস। দীর্ঘ আট বছর পর পেলেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট শতক।

সব মিলে ৪৪৩ রানের বিশাল লিড ছুঁড়ে দেয় জিম্বাবুয়েকে। এত বড় ইনিংস টপকে ইতিহাস গড়া অন্তত জিম্বাবুয়ের জন্য না সেটা ভালো জানা তাদেরও।

আগের ইনিংসে তাইজুলের পাঁচ উইকেট আর শেষ ইনিংসে মিরাজের পাঁচ। টেইলরের অপরাজিত শতকও ম্যাচ বাঁচাতে পারেনি জিম্বাবুয়ের। নিজে অপরাজিত ছিলেন তবে যাওয়া আসার খেলা দেখেছেন সতীর্থদের। শেষ পর্যন্ত ২২৪ রানেই শেষ। দলের হয়ে দুটি উইকেট তুলে নেন তাইজুল। একটি উইকেট শিকার কররেন মুস্তাফিজুর রহমান।

২১৮ রানের বিশাল জয়ে সিরিজ সমতা বাংলাদেশের। সমতা না বলে অবশ্য মান বাঁচানো বললেও খারাপ হবে না!

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মুশফিকের অনবদ্য ডাবল সেঞ্চুরি

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ১৩:৫১:৪১

বড় ইনিংস খেলার অপেক্ষায় ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছিলেন ইনিংস লম্বা করার কথা। ব্যাটে-বলে হচ্ছিল না। অনেক কাছে গিয়েও ব্যর্থ হচ্ছিলেন। তবুও দমে যাননি। নতুন করে আবার লড়াই শুরু। সেই লড়াইয়ে অবশেষে আসল সফলতা। অপেক্ষা ফুরাল মিরপুর শের-ই-বাংলায়।যে মাঠে ছিল না কোনো সেঞ্চুরি সেই মাঠেই গড়লেন ইতিহাস। পড়লেন রেকর্ড মালা। মহাকাব্যিক ইনিংস উপহার দিলেন মুশফিকুর রহিম।

বিশে^র একমাত্র উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে দুটি ডাবল সেঞ্চুরি এখন মুশফিকুর রহিমের নামের পাশে। জ¦লজ¦ল করছে আরও কিছু অর্জন। বাংলাদেশের হয়ে বল ও মিনিটের হিসেবে দীর্ঘতম ইনিংস এখন তার দখলে। সেই সুবাদে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটিতেও তার নাম।

তার ব্যাট যেদিন হাসে সেদিন হাসে পুরো বাংলাদেশও। আজও ব্যতিক্রম হল না। প্রথম দিনের ৩০৩ রানের সঙ্গে আজ বাংলাদেশ যোগ করল আরও ২১৯ রান। সব মিলিয়ে ঢাকা টেস্টে ৭ উইকেট হারিয়ে৫২২ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করল বাংলাদেশ। পড়ন্ত বিকেলে ১৮ ওভার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পায় জিম্বাবুয়ে। ২৫ রান তুলতেই তারা হারিয়েছে অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজার উইকেট।

১১১ রানে সোমবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেন মুশফিক। সঙ্গী মাহমুদউল্লাহ। শুরু থেকেই বেশ মন্থর ব্যাটিং তাদের। প্রথম ঘন্টায় ১৪ ওভারে রান মাত্র ২২। আর প্রথম সেশনে ৩০ ওভারে রান ৬২। কোনো উইকেট না হারিয়ে বিরতিতে যান দুই ‘ভায়রা’। মুশফিক অপরাজিত ১৩৫, মাহমুদউল্লাহ ৩৫।

দীর্ঘ সময় ধরে রান খরায় থাকা মাহমুদউল্লাহ ফিরে পেয়েছিলেন নিজের আত্মবিশ^াস। ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়াচ্ছিলেন। কিন্তু ৪০ মিনিটের বিরতির পর নিজের মনোযোগ ধরে রাখতে পারেননি। বিরতির পর ১ রান যোগ করে ফেরেন জারভিসের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে। পুল শটে বাউন্ডারি মেরে দারুণ শুরু করেছিলেন আরিফুল হক। কিন্তু উইকেট বিলিয়ে আসেন জারভিসের বলে। ৪ রান করা আরিফুলের উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন জারভিস।

দুই ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফিরতে দেখেও বিচলিত হননি মুশফিক। দৃঢ় ব্যাটিংয়ে এগিয়ে যান ডাবল সেঞ্চুরিতে।ঘড়ির কাঁটায় যখন ১টা ৫৪ মিনিট তখন মুশফিকের নামের পাশে বাংলাদেশের দীর্ঘতম ইনিংসের রেকর্ড। ২০০০ সালে অভিষেক টেস্টে আমিনুল ইসলাম বুলবুল ৫৩৫ মিনিট ক্রিজে ছিলেন। আর মুশফিক অপরাজিত ৫৩৬ মিনিট।১৯৫ রানে অপরাজিত থেকে গিয়েছিলেন চা-বিরতিতে। চা-বিরতির পরপরই ছুঁয়ে ফেলেন ল্যান্ডমার্ক।

১৯৯ রানে এবার পথ ভুলেননি। কিছুদিন আগে এশিয়া কাপে ৯৯ রানে আউট হয়েছিলেন পাকিস্তানের বিপক্ষে। এবার ১৯৯ রানে থেকেই খেলেছেন ৬ বল। সপ্তম বলে পেয়েছেন ১ রান। ৪০৭ বলে মুশফিক পৌঁছলেন ডাবল সেঞ্চুরিতে। দুই হাত মেলে দৌড়ালেন অনেকদূর। হাতের থেকে পড়ে গেল ব্যাট। গ্লাভস খুলে আঁকলেন ভালোবাসার চিহ্ন। উদযাপন তখনও থামেনি। সিজদাহ করে সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া আদায়। ড্রেসিং রুমের বাইরে তখন পুরো দল। হাত তালি দিয়ে মুশফিককের অর্জনকে নিয়ে যাচ্ছিলেন চূড়ায়। আর মিরপুরের গ্যালারিতে তখন একটাই নাম, মুশফিক-মুশফিক-মুশফিক।

মুশফিকের ডাবলের আগে মিরাজ ছুঁয়ে নেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি। এরপর দুজন দুহাত খুলে কড়া শাসন করেন জিম্বাবুয়ের বোলারদের। ব্যাটিং ধারাবাহিকতায় মুশফিক পৌঁছে যান ২১৯ রানে। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১৭ রান করেছিলেন। আজ সেই রান ছাড়িয়ে যান। সাথে আশরাফুলের রেকর্ডও। বলের হিসেবে মোহাম্মদ আশরাফুল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে খেলেছিলেন ৪১৭ বল। ২১৯ রানে মুশফিক যখন অপরাজিত থেকে ড্রেসিংরুমে ফিরছিলেন তখন তার নামের পাশে বলের সংখ্যা ৪২১, মিনিট ৫৮৯! ভাবা যায়।

প্রয়োজনের থেকে বেশি অনুশীলন ও পরিশ্রম করেন বলে সতীর্থদের কাছে মুশফিক সব সময় অনুপ্রেরণার আরেক নাম। এবার মুশফিক হয়ে গেলেন টার্গেট! সাদা পোশাকে বাংলাদেশের সবার উপরে তার নাম। তাকে ছাড়িয়ে যেতে সতীর্থদের করতে হবে বিরোচিত কিছু। ছোট গল্প অনেক পড়িয়েছেন মুশফিক। আজ পড়ালেন মহাকাব্য। অসাধারণ, দুর্দান্ত, নান্দনিক, দর্শনীয়, মহাকাব্যিক এ ইনিংসে শীতল হাওয়া বইছে ড্রেসিংরুমে।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিপিএলের প্রস্তুতি : ড্রাফট থেকে দলে ৮৭ খেলোয়াড়

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২৮ ১৩:৪৫:২৮

একমাত্র দল হিসেবে বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের খেলোয়াড় কোটা পূরণ করেছে সিলেট সিক্সার্স।

প্রতি আসরে বিপিএল মানেই নতুন নিয়ম, নতুন কৌশল, নতুন করে ঢেলে সাজানোর প্রয়াস। টি-টোয়েন্টি এ ফরম্যাটের পাঁচ আসর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত কাগজে কলমে স্থায়ী কোনো নিয়ম নেই! নেই কোনো রূপরেখা! তাইতো সময়ের চাহিদামতো পাল্টায় বিপিএলের নিয়ম!

গত আসরে পাঁচ বিদেশি খেলোয়াড় খেলানোর সিদ্ধান্তে কি ঝড়টাই না বয়ে গিয়েছিল বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের ওপর। তাইতো এবার চার বিদেশি খেলোয়াড় খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আয়োজকরা। সাথে শর্তও জুড়ে দিয়েছে। এবার চাইলেই বিদেশি ক্রিকেটার উড়িয়ে আনা যাবে না।

সরাসরি সাইন করাতে পারবে ২ জন বিদেশি, দেশি-বিদেশি মিলিয়ে রিটেইন করাতে পারবে ৪ জন আর সব মিলিয়ে দেশি খেলোয়াড় সর্বোচ্চ ১২ জন, সর্বনিম্ন ১০ জন, বিদেশি খেলোয়াড় সর্বোচ্চ ৯ জন। সর্বোচ্চ খেলোয়াড় হিসেব করে স্কোয়াডে মোট খেলোয়াড় সংখ্যা দাড়ায় ২১ জন। নতুন নিয়মের ড্রাফট অনুষ্ঠিত হলো রোববার। ড্রাফট থেকে মোট ৮৭ খেলোয়াড়কে দলে নিয়েছে সাত ফ্রাঞ্চাইজি। আর রিটেইন ও সরাসরি সাইনে আছেন ৪২ খেলোয়াড়।

রোববার ষষ্ঠ আসরের ড্রাফটে ১৫ খেলোয়াড়কে দলভুক্ত করে ২১ জনের কোটা পূরণ করেছে সিলেট সিক্সার্স। বাকি ছয় দলের কারো ২১ জনের কোটা পূরণ হয়নি। তবে সর্বনিম্ন ১৯ জনের কোটা পূরণ করেছে খুলনা টাইটান্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

খুলনা দেশি খেলোয়াড় নিয়েছে ১১ জন, বিদেশি ৮ জন। বিপিএল শুরুর আগে কিংবা চলাকালিন সময়ে ড্রাফট থেকে একজন করে দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় দলভুক্ত করতে পারবে দলটি। তবে ড্রাফটে চমক দেখিয়েছে তারা। লটারিতে সবার আগে খেলোয়াড় তোলার সুযোগ পায় খুলনা। ‘এ’ ক্যাটাগরির সৌম্য, বিজয়, মোসাদ্দেক কিংবা রনির দিকে না তাকিয়ে তারা দলে নেয় ‘বি’ ক্যাটাগরির জহুরুল ইসলাম অমিকে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় রাউন্ডেও তারা দলে নেয় ‘ই’ ক্যাটাগরির পেসার শরীফুল ইসলামকে। শুরুর মতো তাদের শেষটাও ছিল দারুণ। তিন ইনফর্ম লাসিথ মালিঙ্গা, ইয়াসির শাহ ও ব্রেন্ডন টেলরকে দলভুক্ত করে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। রিটেইন হিসেবে আছেন আরিফুল, শান্ত ও ব্রাফেট।

সিলেট ড্রাফট থেকে তুলেছে মোট ১৫ জন খেলোয়াড়। দেশি তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি নজর ছিল সিলেটের। শুরুটা তাদের আফিফ হোসেনকে দিয়ে। এরপর তৌহিদ হৃদয়, জাকের আলী এবং মেহেদী হাসান রানাকে দলে নেয়। মাঝে অভিজ্ঞ তাসকিন, আল-আমিন, অলোক, ইবাদতকেও দলভুক্ত করে সিলেট। দলটিতে আইকন হিসেবে আছেন লিটন। রিটেইন আছেন সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন। বিদেশি কোটা তারা পেয়েছে ডেভিড ওয়ার্নার, আন্দ্রে ফ্লেচার, মোহাম্মদ ইরফানের মতো খেলোয়াড়দের।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স শক্তিশালী দল গড়েছে। তামিমের দল ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে আবু হায়দার রনিকে দলে নিয়েছে। বিপিএলের চতুর্থ আসরের চ্যাম্পিয়ন দলে ছিলেন রনি। এবার তাকে দলে ফিরিয়ে আবার শিরোপার স্বপ্ন দেখছে ফ্রাঞ্চাইজিটি। এছাড়া এনামুল হক বিজয়, অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান, জিয়াউর রহমান, মোশাররফ হোসেন রুবেল, শহীদকে দলে পেয়েছে। বিদেশি শোয়েব মালিককে রিটেইন করার পাশাপাশি ড্রাফট থেকে শহীদ আফ্রিদি, এভিন লুইসকে নিয়েছে। এছাড়া ইমরুল আর সাইফউদ্দিন তো আছেনই।

ঢাকা ও রাজশাহী ১১ জন করে এবং রংপুর ও চিটাগং ১২ জন করে করে খেলোয়াড় এখন পর্যন্ত দলভুক্ত করেছে। সাকিবের ঢাকা ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে ভরসা রেখেছে পেসার রুবেলের হোসেনের ওপর। এছাড়া কাজী নুরুল হাসান সোহান, রনি তালুকদার, শুভাগত হোম, কাজী অনিক, শাহাদাত হোসেন ও মিজানুর রহমানকে দলে নিয়েছে। ঢাকার ভরসা বিদেশি ক্রিকেটার। রিটেইন ও সরাসরি সাইনের মাধ্যমে ঢাকা ডায়নামাইটসে খেলবেন সুনীল নারিন, রভম্যান পাওয়েল, কাইরন পোলার্ড ও আন্দ্রে রাসেল। ড্রাফট থেকে তাদের বিদেশি সংগ্রহ আন্দ্রে ব্রিচ ও ইয়ান বেল।

বিপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স মাশরাফিকে রিটেইন করার পাশাপাশি ক্রিস গেইল, নাজমুল ইসলাম অপু ও মিথুনকে পেয়েছে। এবার তাদের বিদেশি রিক্রুট এবি ডি ভিলিয়ার্স। তাকে প্রথমবারের মতো উড়িয়ে আনছে রংপুর। সাথে আসছেন অ্যালেক্স হেলস। ড্রাফট থেকে তারা প্রথমে দলে নেয় শফিউল ইসলামকে। ভরসা রেখেছে সোহাগ গাজী ও নাহিদুলের ওপর। গতবার দুজনই খেলেছিলেন রংপুরের হয়ে। এছাড়া ফরহাদ রেজা, মেহেদী মারুফ ও আবুল হাসান রাজু রয়েছেন এ দলে। বিদেশি রবি বোপারা, বেনি হাওয়েলকেও নিয়েছে রংপুর।

রাজশাহী কিংস দিনের শুরুতেই নেয় সৌম্য সরকারকে। এরপর ফজলে রাব্বীকে দলে ভেড়ায়। জাতীয় দলের তিন ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান ও মুমিনুল হককে তারা রেখে দিয়েছে আগেই। বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে আছেন ইসরু উদানা, রায়ান টেন ডয়েসকাট ও গত দুই আসরে খেলা মোহাম্মদ সামি।

চিটাগং ভাইকিংস খেলোয়াড় ড্রাফটের আগেই মুশফিকুর রহিমকে তুলে নেয়। আইকন হিসেবে তাদের দলে খেলবেন মুশফিক। ড্রাফট থেকে মোসাদ্দেক হোসেন, রাহী, খালেদ আহমেদ, নাঈম হাসানকে দলে নেয় তারা। দলের মেন্টর সুযোগ করে দেন মোহাম্মদ আশরাফুলকে। ফিক্সিংয়ের শাস্তি ভোগের পর এবারই প্রথম বিপিএল খেলতে যাচ্ছেন আশরাফুল। এছাড়া তাদের বিদেশি খেলোয়াড় মোহাম্মদ শাহজাদ, রবার্ট ফ্রাইলিঙ্ক, ক্যামেরন ডেলপোর্ট ও দাসুন শানাকা।

ড্রাফট থেকে ৮৭ ও আগের থেকে ৪২ খেলোয়াড় বিপিএলে এখন পর্যন্ত দলভুক্ত হয়েছে। সিলেট বাদে প্রত্যেকেরই দলে শক্তি বাড়ানোর সুযোগ আছে। তবে সেটা হতে হবে ড্রাফটের অবশিষ্ট খেলোয়াড়দের থেকেই।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জোড়া সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইট ওয়াশ করল টাইগাররা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২৬ ১৩:৪৭:১৪

 অসাধারণ, অনন্য, অনবদ্য পারফরম্যান্স বাংলাদেশের। ব্যাট কিংবা বল দুই বিভাগেই বাংলাদেশ যেন দুর্দান্ত, দূরন্ত, উড়ন্ত।

‘পুচকে’ জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে বাংলাদেশ পেল দ্বাদশ ধবল-ধোলাইয়ের স্বাদ। ৭ উইকেটের জয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ মাশরাফির দল জিতল ৩-০ ব্যবধানে। আগে ব্যাটিং করতে নেমে শন উইলিয়ামসের ১২৭ রানের ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৮৬ রান তুলে জিম্বাবুয়ে। জবাবে ইমরুল কায়েসের ১১৫ ও সৌম্য সরকারের ১১৭ রানে ৪৭ বল আগে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে বাংলাদেশ।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ড ২৭৮ রান করে হারিয়েছিল বাংলাদেশকে। পাশাপাশি ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরির স্বাদ পেল বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ হাঁকিয়েছিলেন সেঞ্চুরি। ২০১৫ সালে এ কীর্তি গড়েছিলেন তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। দ্বিতীয় উইকেটে ২২০ রানের জুটি গড়েন ইমরুল ও সৌম্য। দ্বিতীয় উইকেটে যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ।

বোলিংয়ে বাংলাদেশ ছিল নড়বড়ে। নিয়মিত পারফর্মার মুস্তাফিজ-মিরাজকে ছাড়া সুযোগটি বেশ ভালোমতোই কাজে লাগায় জিম্বাবুয়ে। পাহাড় সমান রান পায় সফরকারীরা। বাংলাদেশকে ছুঁড়ে দেয় রেকর্ড রানের লক্ষ্য। তাতেও মনোবল হারায়নি। অনিন্দ্যসুন্দর ব্যাটিংয়ে কাজের কাজটা হয়ে যায় সহজে। হেসেখেলে বাংলাদেশ পায় জয়ের স্বাদ। আগের দিন মাশরাফি ড্রেসিং রুমের শক্তির কথা শোনাচ্ছিলেন। সেই শক্তির স্থিরচিত্র গোটা সিরিজে বেশ ভালোভাবেই ফুটে উঠল।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট। জারভিসের প্রথম বলে এলবিডব্লিউ লিটন। শুরুর আঘাতে দমে যায়নি বাংলাদেশ। বরং সৌম্যকে সঙ্গে নিয়ে ইমরুল চালালেন পাল্টা আক্রমণ। তাতে ছড়াল বিস্ময়, মুগ্ধতা।

যদিও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ছিল ঝুঁকি, ছিল আউট হওয়ার শঙ্কা। তবুও ২২ গজে চলল ঝড়ো ব্যাটিং। ভাগ্যদেবী আজ পাশে ছিল। তাইতো লিটন আউট হওয়ার পরও শুরুর ঝড়ে কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের রান ৮০, বাউন্ডারি ১৩টি।

প্রথম ৫ ওভারে রয়েশয়ে খেলেছিলেন ইমরুল, সৌম্য। ৪ বাউন্ডারিসহ রান মাত্র ২৪। খোলস থেকে বেরিয়ে আসেন ষষ্ঠ ওভারে। ৬ থেকে ১০ ওভার পর্যন্ত বাংলাদেশের রান ৫৬, যার ৩৬ রানই আসে বাউন্ডারিতে।

১৪তম ওভারের দ্বিতীয় বলে এক রান নিয়ে ৪১ বলে হাফ সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন ইমরুল। পরের ওভারে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে ইনিংসের প্রথম ছক্কা হাঁকিয়ে দলের রান ১০৩ এ নিয়ে যান। থেমে থাকেননি সৌম্য। ২০তম ওভারে শন উইলিয়ামসকে উড়িয়ে ষষ্ঠ হাফ সেঞ্চুরির স্বাদ পান। দুজনের ব্যাটিংয়ে ছড়াতে থাকে মুগ্ধতা, বাড়তে থাকে রানের চাকা। লক্ষ্য চলে আসে নাগালেই।

কিন্তু হাফ সেঞ্চুরির পর নিজের সহজাত আক্রমণত্মক পথ বেছে নেন সৌম্য। ৫৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি ছোঁয়া এ ব্যাটসম্যান পরের ২৭ বলে পৌঁছে যান শতরানে। ৪ চার ও ৩ ছক্কা হাঁকান এ সময়ে। সেঞ্চুরি ছুঁয়েও ক্লান্ত হননি। জিম্বাবুয়ের বোলারদের কড়া শাসন করেছেন। কিন্তও বিপদ ডেকে আসেন সেখানেই। মাসাকাদজাকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ দেন ১১৭ রানে। ৯২ বলে ৯ চার ও ৬ ছক্কার ঝড় থামে ওখানে। ২২০ রানের রেকর্ড জুটি থাকে সেখানে।

সঙ্গী হারানোর পর ধীরে ধীরে সেঞ্চুরির পথে এগুতে থাকেন ইমরুল। এবার আর ভুল করেননি। দেখেশুনে খেলে ৯৯ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি। ইমরুলের সেঞ্চুরির পর সবার নজর ছিল ভিন্ন জায়গায়।

৩ ম্যাচ দ্বিপাক্ষিক সিরিজে সবথেকে বেশি রান পাকিস্তানের বাবর আজমের। ৩৬০ রান করেছিলেন বাবর। প্রথম ম্যাচে ১৪৪, দ্বিতীয় ম্যাচে ৯০ রান করা ইমরুলের সুযোগ ছিল বিশ্বরেকর্ড গড়ার। রেকর্ড গড়তে হলে ১২৭ রান করতে হতো তাকে। সুযোগটিও ছিল। কিন্তু ১১৫ রানের বেশি করতে পারেননি এ ওপেনার।

দ্বিতীয় ওয়ানডের মতো আউট হয়েছে অফস্পিনারের বলে লং অফে ক্যাচ দিয়ে। ১১২ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় সাজান ইনিংসটি। বিশ্ব রেকর্ড গড়তে না পারলে সতীর্থর রেকর্ড ভেঙেছেন ইমরুল। দ্বিপাক্ষিক সিরিজে তামিমের রান ছিল সর্বোচ্চ ৩১২ রান। পাকিস্তানের বিপক্ষে ২ সেঞ্চুরি আর এক হাফ সেঞ্চুরিতে তামিম করেছিলেন ৩১২ রান। ইমরুলের এ সিরিজে রান ৩৪৯।

জয়ের থেকে ১৪ রান দূরে থেকে ইমরুল সাজঘরে ফিরেন। বাকি কাজটুকু সারেন মুশফিক ও মিথুন। আগের দিন মিথুনের ছক্কায় নিশ্চিত হয়েছিল সিরিজ। এবার মুশফিকের ছক্কায় নিশ্চিত হয়েছে ধবলধোলাই।

এর আগে উলিয়ামসের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে বিশাল সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে। ৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপদে তখন ব্রেন্ডন টেলরকে সঙ্গ দিতে মাঠে নামেন উইলিয়ামস। ১৩২ রানের জুটি গড়ে দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান রানের চাকা সচল রাখেন। চেপে ধরেন বাংলাদেশের বোলারদের। টেলর ৭৫ রানে সাজঘরের পথ দেখেন। কিন্তু উইলিয়ামস পথ ভুলেননি।

৭৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করা উইলিয়ামস পরের ৫১ বলে পৌঁছান তিন অঙ্কে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এর আগে করেছিলেন ১০২ রান। সেটাও তিন বছর আগে ২০১৫ সালে। আজ সেই রান ছাড়িয়ে যান ১২৯ রানের ইনিংস উপহার দিয়ে। ১০ চার ও ১ ছক্কায় সাজান ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস।

উইলিয়ামস বাদে ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়িয়েছেন ব্রেন্ডন টেলর। উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান ৭২ বলে করেছেন ৭৫ রান। ৮ চার ও ৩ ছক্কায় মাঠ মাতিয়ে রাখেন টেলর। এছাড়া সিকান্দার রাজা ৫১ বলে ৪০, পিটার মুর ২১ বলে ২৮ রান তুলে স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

বল হাতে নাজমুল ইসলাম ৫৮ রানে পেয়েছেন ২ উইকেট। ১টি করে উইকেট পকেটে পুরেন আবু হায়দার, সাইফউদ্দিন।

ব্যাট-বলের দাপটে বাংলাদেশ নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে হেসেখেলে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর, এশিয়া কাপের পর পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। মাশরাফির হাত ধরে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এ সিরিজের আগে টানা দশ ম্যাচ অপরাজিত ছিল বাংলাদেশ। এবার সেই অঙ্কটা ১৩তে গিয়ে পৌঁছাল। আর জিম্বাবুয়েকে টানা তৃতীয়বার হোয়াইটওয়াশ করল, সব মিলিয়ে চতুর্থ।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ফুটবল ট‌ুর্না‌মে‌ন্টে রয়েল ক্লাব বাতিস্তিনি কর্নেলিয়ার অংশগ্রহণ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২৫ ১৬:০২:৩৭

ফুটবল প্রিয় দেশ ইতা‌লি‌তে বাংলা‌দে‌শের অবস্থান করার প্রত্যাশায় বাংলা‌দেশ জাতীয় ক্রীড়‌া সংস্থা আয়ো‌জিত শ্রী পরান কৃষ্ণ সাহা স্মৃ‌তি ফুটবল টুর্না‌মে‌ন্টে ১মবা‌রের মত র‌য়েল ক্লাব বা‌তি‌স্তি‌নি ক‌র্ণে‌লিয়া অংশগ্রহন ক‌রে‌ছে।

‌রো‌মের যুব সমাজ‌কে স‌ঠিক প‌থে প‌রিচা‌লনায় ক্লা‌বের ভূ‌মিকা রাখ‌তে অক্লান্ত প‌রিশ্রম ক‌রে‌ছেন প‌রিচালক শেখ মামুন ও সহ প‌রিচালক শাহ শওকত। এছাড়াও সহ‌যো‌গিতায় র‌য়ে‌ছেন সারোয়ার হো‌সেন, সোলায়মান, লোকমান ভূইয়া, মোজা‌হিদ খা‌দেম, জিকু রহমান বাচ্চু, মাসুদুর রহমান ও বা‌তি‌স্তি‌নি-ক‌র্নে‌লিয়ার নেতৃবৃন্দ। স্পন্সর হি‌সে‌বে এগি‌য়ে এসে‌ছে সো‌হেল চৌধুরী, মো: আমিন, প্রচা‌রে মো: মিঠু।

ক্লা‌বের প‌রিচালক শেখ মামুন সহ অন্যান্যরা ম‌নে ক‌রেন, সমাজ‌কে এগি‌য়ে নি‌য়ে বি‌ভিন্ন কর্মকা‌ন্ডের পাশপা‌শি খেলাধূলা অ‌তি প্র‌য়োজনীয়। টুর্না‌মে‌ন্টে আমরা শ‌ক্তিশালী দল না হ‌লেও আমা‌দের ম‌নোবল অ‌নেক শক্ত। এবছর না হ‌লেও আগামী‌তে কৃতী‌ত্বের স্বাক্ষর রাখ‌তে সক্ষম হ‌বো।

এসময় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রীড়া সংস্থা সাধারন সম্পাদক আব্দুর র‌শিদ, সিনিয়র সহ সভাপতি আবু তাহের, খেলা প‌রিচালক মু‌হিব হাসান, সহ সভাপতি আল আমিন ভূঁইয়া, মাহবুবুল আলম প্রধান, আবুল বাসার, প্রচার সম্পাদক মিজানুল হক মিজু ও ১নং সদস্য ইমাম হাসান লিখন উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

‌খেলায় টুর্না‌মে‌ন্টের অন্যতম শ‌ক্তিশালী দল ইন্টার বাংলার মু‌খোমু‌খি হয় নবাগত দল রয়েল ক্লাব বাতিস্তিনি কর্নেলিয়া। সং‌শ্লিষ্টরা ম‌নে ক‌রেন খেলায় ৫-১ গো‌লে পরা‌জিত হ‌লেও র‌য়েল ক্লাব বা‌তি‌স্তি‌নি ক‌র্নে‌লিয়ার অ‌ভিজ্ঞতা অর্জন হ‌য়ে‌ছে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দশমবারের মতো সিরজ জয়

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২৪ ১৪:৫৮:৩২

তামিম ইকবালকে ছাড়া উদ্বোধনী জুটিতে ১৪৮ রান। চোটে পড়ে দলের বাইরে থাকা বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যানের অভাব এই ম্যাচে ক’জনই বা অনুভব করেছে! লিটন দাস আর ইমরুল কায়েসের জুটি যেটা করে দেখালো তাতে লোকাল হিরো তামিমের অভাব অনুভব করারও কথা না।

৭৭ বলে লিটনের ৮৩ রান। ১০৭.৭৯ স্ট্রাইক রেটের এই ইনিংসে ছিল ১২ চার আর একটি ছয়। এতটা নিখুঁত ব্যাটিং করছিলেন তাতে শতক বঞ্চিত হওয়াটা দুঃখজনকই বটে।

গত রোববার প্রথম ওয়ানডেতে ফজলে মাহমুদ নিজের অভিষেক ম্যাচে করেছিলেন চার বলে শূন্য। আজ অবশ্য একটা বল বেশি খেলেছিলেন, তাতেও ফিরলেন রানের খাতা না খুলেই। সিকান্দার রাজাকে ডাউন দ্যা উইকেটে মারতে গিয়ে হলেন স্ট্যাম্পিং। শঙ্কা জাগারই কথা তার ক্যারিয়ার নিয়ে। 

‘ইমরুল কায়েসের শতকে সিরিজ বাংলাদেশের’ এমন শিরোনাম লেখাই যেতো কিন্তু বিপত্তি বাঁধায় সেই সিকান্দার রাজার বলেই। নার্ভাস নাইন্টির কোটায় ক্যাচ তুলে দিলেন এল্টন চিগুম্বুরার হাতে। ১১১ বলে ৯০ রান করে ফিরলেন সাজঘরে।

মুশফিকের সঙ্গে ইমরুলের জুটিটা ৫৯ রানের। ইমরুল বিদায় নিলেও মুশফিককে আউট করতে পারেনি সিকান্দার রাজারা। টাইগার ব্যাটিং লাইন আপের মিডল অর্ডারে ভরসার নাম হয়ে উঠা মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়লেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল।

৭ উইকেটের বড় জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ।

এর আগে দুপুরে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ অধিনায়ক।

হ্যামিল্টন মাসাকাদজা আর কেফাস ঝুওয়াওয়ের উদ্বোধনী জুটি ১৮ রানের মাথায় ভাঙ্গলেও ব্রেন্ডন টেইলরের ৭৫, শেন উইলিয়ামসনের ৪৭ আর সিকান্দার রাজার ৪৯ রানে ভর করে বাংলাদেশকে লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল ২৪৭ রানের।

বাংলাদেশের হয়ে সাইফুদ্দিন নিয়েছিলেন ১০ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট। এই ম্যাচ জয়ে সিরিজসহ জিম্বাবুয়েকে ১০ বার সিরিজ হারালো বাংলাদেশ।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে হবে আগামী ২৬ অক্টোবর একই ভেন্যুতে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

দারুণ জয় দিয়ে সিরিজ শুরু টাইগারদের

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২১ ১৪:৫৫:০৯

‘ঘরের মাঠে আমরাই ফেভারিট’, বাংলাদেশ অধিনায়কের মুখে এমনটা শোনা না গেলেও জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক বলেছিলেন এই সিরিজে তারাই ফেভারিট। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের এখনও বাকি আছে আরও দুই ম্যাচ। তবে প্রথম ম্যাচ জিতে যে বাংলাদেশ ১-০ তে এগিয়ে গেছে এটাই এখন সত্য।

আজ রোববার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। এই মাঠে ২৫০ রান করলে যে কোনও দলই যে জিততে পারে সেটা গতকাল সংবাদ সম্মেলনে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

এই লক্ষ্যেই টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত অধিনায়কের। কিন্তু ব্যাটিংয়ে নেমে যেভাবে উইকেট দিয়ে আসার মিছিল শুরু করেছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা তাতে ২০০ রান পার হতো কি না তা নিয়েই ছিল সন্দেহ।

দলীয় ১৬ রানের মাথায় ১৪ বলে চার রান করে বিদায় নেন লিটন দাস। এরপর অভিষিক্ত ফজলে রাব্বিও ফেরেন রানের খাতা খোলার আগে।

ইমরুল-মুশফিক জুটি কিছুটা আশা দেখালেও এগোতে পারেনি বেশিদূর। ব্রেন্ডন মাভুতার বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নিলেন ১৫ রান করে।

এরপর মোহাম্মদ মিঠুন এসে রান তুলছিলেন দ্রুত। কিন্তু ৪০ বলে ৩৭ রান করে কাইল জার্ভিসের বলে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন ডান-হাতি এই ব্যাটসম্যান। মাহমুদুল্লাহ শূন্য রানে আর মেহেদী হাসান মিরাজ ১ রানে আউট হয়ে কপালে পড়ে চিন্তার ভাজ।

এত কিছু ঘটে গেলেও ইমরুল কায়েস একটুও নড়েননি তার কক্ষপথ থেকে। শেষ পর্যন্ত টেনে নিলেন দলকে। সঙ্গী হিসেবে পেলেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনকে।

ইমরুল কায়েস তুলে নেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতক। টেন্ডাই চাতারার বলে ক্যাচ দিয়ে যখন প্যাভিলিয়নে ফিরছেন এই ওপেনার তখন তার নামের পাশে ১৪০ বলে ১৪৪ রানের এক ঝলমলে ইনিংস। তার এই লম্বা ইনিংসে ছিল ৬টি ওভার বাউন্ডারি আর ১৩টি বাউন্ডারি।

এদিন সাইফুদ্দিনও আস্থার প্রতিদান দেন। ক্যারিয়ারে প্রথম অর্ধশত রান করে দলকে এনে দেন শক্ত ভিত।
৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৭১ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ফেভারিটের মতোই শুরু করেছিলেন জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার হ্যামিল্টন মাসাকাদজা আর কেফাস ঝুওয়াও। এই দুইয়ের জুটি থেকে আসে ৪৮ রান।

কিন্তু জুটি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠার আগে মুস্তাফিজু রহমান ফেরান ঝুওয়াওকে। ২৪ বলে ৩৫ রান করে মাঠ ছাড়েন এই ওপেনার। এর পরপরই প্রতিপক্ষের সেরা ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন টেইলরকে সাজঘরে ফেরান নাজমুল অপু।

উইকেটে থিতু হতে পারেননি আরেক ওপেনার মাসাকাদজাও। ৩৪ বলে ২১ করে পড়েন রান আউটের ফাঁদে। এরপর ক্রেগ আরভিন আর সিকান্দার রাজা মিলে প্রতিরোধ গড়ার প্রচেষ্টাও সফল হতে পারেননি। ২ বলে ৭ রান করে বিদায় নেন সিকান্দার রাজা। অন্যদিকে ব্যক্তিগত ২৪ রানের মাথায় বোল্ড হয়ে ফেরেন আরবিন।

এর পর কাণ্ডারি হয়ে দাঁড়ান শেন উইলিয়ামস। ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। যদিও পথে ডোনাল্ড তিরিপানো, ব্রান্ডন মাভুতা ছিটকে যান। সেসময় বড় রানে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল টাইগাররা।

তবে কাইল জারভিসকে নিয়ে নবম উইকেটে ৬৭ রানের বড় পার্টনারশিপ গড়েন উইলিয়ামস। ৪৯তম ওভারের চতুর্থ বলে আউট হন জারভিস। শেষ পর্যন্ত ক্যারিয়ারের ২৯তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন উইলিয়ামস। তবে ২৮ রানের হারের লজ্জা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মেসিকে ছাড়াই কোপার পরিকল্পনা আর্জেন্টিনার!

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-১৯ ১৪:৫৬:৩০

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে ‘সাময়িক অবসর’ নিয়েছেন লিওনেল মেসি। বিশ্রামের নাম করে নেওয়া এই স্বেচ্ছা অবসর থেকে কবে ফিরবেন তারও কোনো ইঙ্গিত নেই। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আর জাতীয় দলে ফিরবেন না মেসি? এই প্রশ্নের উত্তর দেবে সময়। তবে আর্জেন্টাইন ফুটবল ফেঢারেশনের (এএফএ) হাবভাবে স্পষ্ট, মেসিকে ছাড়াই আসন্ন কোপা আমেরিকার প্রস্তুতি-পরিকল্পনা করছে তারা!

শুধু মেসি নয়, অন্য যে সিনিয়ররা আপাতত দলের বাইরে, তাদেরকেও ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা নাকি নেই এএফএ’র। এমনকি কোপার আগে স্থায়ী কোচ নিয়োগের পরিকল্পনাও নেই। মানেটা স্পষ্ট, মেসি এবং স্থায়ী  কোচ ছাড়াই ২০১৯ সালের কোপা আমেরিকায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে আর্জেন্টিনা!

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার দায় চাপিয়ে কোচ হোর্হে সাম্পাওলিকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার পরিবর্তে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ করা হয়েছে লিওনেল স্কালোনিকে। প্রথমে শোনা গিয়েছিল ২০১৮ সালের বাকি সময়টুকুর জন্যই অস্থায়ীভাবে কোচ করা হয়েছে ৪০ বছর বয়সী স্কালোনিকে। সামনেই যেহেতু কোপা আমেরিকার কঠিন চ্যালেঞ্জ। তাই ২০১৯ সালের শুরুতেই দেখে-শুনে বিশ্বমানের একজনকে স্থায়ী কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে, যিনি বিশ্বসেরা মেসিকে কোচিং করানো এবং নিয়ন্ত্রণ করার যোগ্য হবেন।

সেই যোগ্যতার নিরীখে বেশ কয়েকজনের নামও ভাসছে বাতাসে। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের কোচ দিয়েগো সিমিওনে, টটেনহামের কোচ মরিসিও পচেত্তিনো এবং আর্জেন্টাইন ক্লাব রিভার প্লেটের কোচ মার্সেলো গ্যালার্দোর কথাই শোনা যাচ্ছে বেশি। গুঞ্জন আছে হোসে সাবেক কোচ হোসে পেকারম্যানকে আবার ফিরিয়ে আনার বিষয়েও। কিন্তু আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমের খবর, স্থায়ী কোচ নিয়োগের পরিকল্পনা নাকি আপাতত এএফএর নেই।

২০১৯ সালের কোপা আমেরিকার আসর বসবে ব্রাজিলে। জুন-জুলাইয়ের এই মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট নিয়েই নাকি এএফএর সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা নেই! তবে স্থায়ী কোচ নিয়োগ বা গঞ্জালো হিগুয়েইন, সার্জিও আগুয়েরো, অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়াসহ অন্য সিনিয়র খেলোয়াড়দের দলে ফেরানোর বিষয় নিয়ে ততটা আলোচনা হচ্ছে না। মেসির ফেরা না ফেরা নিয়েই আলোচনাটা হচ্ছে বেশি!

নতুন করে পথ চলার শপথ নিয়ে অন্তর্বর্তী কোচ স্কালোনি এক দল তরুণকে নিয়ে দল গঠন করেছেন। তারকাবিহীন দলটি এরই মধ্যে খেলে ফেলেছে ৪টি ম্যাচ। তাতে দুটিতে জয়, একটিতে ড্র, একটিতে হার। একমাত্র সেই হারটা গতকাল মঙ্গলবার চিরশত্রু ব্রাজিলের বিপক্ষে।

এমনিতে ব্রাজিলের কাছে হার হজম করা আর্জেন্টাইনদের জন্য কঠিন। কিন্তু এবারের হারটাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে আর্জেন্টাইনরা। অনভিজ্ঞ তরুণরাও তারকাখচিত ব্রাজিলের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছে, এতেই খুশি তারা। আর্জেন্টাইন ফুটবলবোদ্ধাদের মনে এই বিশ্বাসও জন্ম নিয়েছে, এই তরুণদের সময় দিলে এবং যত্ন নিয়ে গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে ভালো একটা দলই পাওয়া যাবে।

দলের খেলা দেখে এএফএ কর্তাদের মনেও এই বিশ্বাসটাই জন্মেছে। তাই মেসিসহ অন্য সিনিয়রদের ফিরিয়ে না এনে এই তরুণদের গড়ে তোলার পরিকল্পনাই নাকি করছে! তবে পরিকল্পনা এখনো পাকা নয়। এএফএস আসলে দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে আছে। দ্বিধাদ্বন্দ্বটা কেটে গেলেই জানা যাবে মেসিসহ অন্যদের ক্যারিয়ারের ভবিষ্যত। তবে অস্থায়ী কোচ স্কালোনির ভাষ্য, মেসি যখনই ফিরবেন, তাকে স্বাগত জানানো হবে। তার জন্য ’১০ নম্বর’ জার্সিটাও তুলে রেখেছেন স্কালোনি।

কিন্তু আর্জেন্টিনার অনেক সাবেক ফুটবলারই চান না মেসিকে আবার ফিরিয়ে আনা হোক। তারা বরং নতুন করে পথ চলারই পক্ষে। আর সেই দলে আছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল ঈশ্বর স্বয়ং ম্যারাডোনাও। আর্জেন্টিনার ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী নায়ক তো সরাসরিই মেসিকে আহ্বান জানিয়েছেন, জাতীয় দলে আর না ফিরতে।

দেখা যাক জল কোন দিকে গড়ায়।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

৩৭ বছর পর ফুটবল মাঠে ইরানের মেয়েরা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-১৭ ১৪:২০:১০

৩৭ বছর পর এমন কিছু দেখা গেল ইরানের কোনো স্টেডিয়ামে। ছবি:এএফসিইরানের স্টেডিয়ামগুলো ভুলেই গিয়েছিল এমন দৃশ্যের কথা। গ্যালারির এক প্রান্ত থেকে নারী দর্শকের কণ্ঠ ভেসে আসা, দলের গোলে আনন্দে চিৎকার করা, পতাকা নাড়িয়ে উল্লাস করা। ফুটবল মাঠে যে এমন কিছু হতে পারে, সেটা হয়তো জানা নেই ইরানের নতুন অনেক স্টেডিয়ামেরই। কীভাবে জানবে, ১৯৮১ সাল থেকেই যে ফুটবল স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ ছিলেন নারীরা। গত মঙ্গলবার বলিভিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইরান জাতীয় দল। নারী দর্শকের উপস্থিতিকে জয় দিয়ে উদ্‌যাপন করেছে ফুটবল দল।

গতকাল বলিভিয়ার বিপক্ষে তেহরান স্টেডিয়ামে খেলতে নেমেছিল ইরান। আলিরেজা জাহানবখশ ও মেহদি তোরাবির গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে স্বাগতিকেরা। তবে এ জয়ের চেয়েও গুরুত্ব পেয়েছে গ্যালারিতে থাকা ১০০ নারীর উপস্থিতি। সত্তরের দশকের শেষ দিকে ইসলামিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই স্টেডিয়ামে নারীদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ হতে থাকে। ১৯৮১ সালের পর থেকে তো কোনো নারী স্টেডিয়ামেও ঢুকতে পারেননি। এরপর যে নারীরা মাঠে গিয়ে খেলার স্বাদ নিয়েছেন, তারা সবাই পুরুষ সেজে সেখানে গিয়েছেন, শাস্তির ঝুঁকি মাথায় নিয়েই। অথচ দেশের বাইরে দলের খেলাতে উপস্থিত থাকেন অনেক নারী দর্শক। রাশিয়া বিশ্বকাপেও গ্যালারিতে উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল ইরানি মেয়েদের।

রাষ্ট্রীয় সংস্থা আইএলএনএ জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের পরিবারের লোকজনই মাঠে ঢোকার এ দুর্লভ সৌভাগ্যের স্বাদ পেয়েছে এবার। অনেকের ধারণা, এ ম্যাচ দিয়েই ধীরে ধীরে নারীর সম অধিকারের পথে হাটতে শুরু করবে দেশটি। কিছুদিন আগে স্থানীয় ভলিবল ও বাস্কেটবল ম্যাচেও নারী দর্শকেরা প্রবেশের অনুমতি পেয়েছেন। কিন্তু সবাই এতে সন্তুষ্ঠ নন। ব্রাসেলসে অবস্থান নেওয়া নারী অধিকারকর্মী দারিয়া সাফানি দাবি করেছেন ‘এসব ধোঁকাবাজি’, মানুষের সঙ্গে প্রহসন করছে ইরানি কর্তৃপক্ষ, ‘যত দিন মেয়েরা টিকিট কিনতে পারবে না, স্টেডিয়ামের নিষেধাজ্ঞা আসলে তত দিনই থাকবে। ভলিবলেও তারা এটা করেছে। অধিকারকর্মীদের চাপে পড়ে তারা কিছু নারী বেছে নেয় খেলা দেখার জন্য। এটা একটা চাল মাত্র।’

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ চ্যাম্পিয়ন ফিলিস্তিন

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-১২ ১৩:৫২:৫০

ফাইনাল খেলা ফাইনালের মতোই হয়েছে বলা যায়। নির্দিষ্ট সময়ে হয়নি কোনও গোল। এরপর অতিরিক্ত ৩০ মিনিট মিলে ১২০ মিনিটে খেলা গড়ালেও কোনও গোল পায়নি কোনও দল। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

৬ জাতির টুর্নামেন্টে তিন ভেন্যুতে ১২ দিনের বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ-২০১৮ এর মহাযজ্ঞ শেষ হলো আজ শুক্রবার তাজিকিস্তান আর ফিলিস্তিনের মধ্যকার জমজমাট এক ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে।

এই ম্যাচে জয়টা ফিলিস্তিনের হলেও কৃতিত্ব দিতে হবে ১০ জনের দল নিয়ে খেলা তাজিকিস্তানকে। ম্যাচের ৩৪ মিনিটের সময় তাজিকিস্তান দলের অধিনায়ক ফাতখুল্লুক বিবাদ বাঁধান ফিলিস্তিনের মারাবাহকের সঙ্গে। তখনই ফাতখুল্লুককে লালা কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয়।

এরপরও ১০ জনের দল নিয়েও দমে যায়নি তাজিকরা। একের পর এক পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমিয়ে তোলে দুই দল।

শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে খেলা গড়ালে ফিলিস্তিনের গোলকিপার শেষ দুই শট ঠেকিয়ে জয় এনে দেয় যুদ্ধবিদ্ধস্থ দেশটিকে।

ম্যাচ শেষে পুরস্কার প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মাঠে নেমেই জোড়া গোল উসাইন বোল্টের

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-১২ ১৩:৫২:০১

স্প্রিন্ট ট্র্যাক থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়ার পর পেশাদার ফুটবলার হবার জন্য চেষ্টার কমতি নেই স্প্রিন্টের রাজা উসাইন বোল্টের। ১০০ মিটার স্প্রিন্টের দ্রুততম এই মানব ট্র্যাক ছেড়ে দেবার পর পেশাদার ফুটবলার হবার প্রচেষ্টায় ঘুরে বেড়িয়েছেন বিশ্বের নানান প্রান্তে। বিভিন্ন ক্লাবে অনুশীলনও করেছেন। তবে কোথাও থিতু হবার সুযোগ পাননি।

এই অতি আগ্রহের কারণে বোল্টের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে অস্ট্রেলীয় ‘এ’ লীগের ক্লাব সেন্ট্রাল কোস্ট মেরিনার্স। অনন্ত কাল ট্রায়ালের সুযোগ করে দিয়েছে জ্যামাইকান এই গতি দানবকে। কিন্তু দৌঁড়ানো আর ফুটবল খেলা যে এক নয় সেটি হারে হারে টের পেয়েছেন বোল্ট। দলের হয়ে প্রথম মাঠে নামার সুযোগ পেয়ে মাত্র ২০ মিনিটেই ক্লান্তি ভর করেছিল তার। এগুতে পরেননি সেই দফায়।

তবে নিজের স্বপ্ন পুরণের অদম্য আগ্রহ দমাতে পারেনি বোল্টকে। লড়াই চালিয়ে গেছেন, সফলও হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ফুটবল ক্যারিয়ারের প্রথম মাইলফলকে পৌছেছেন বোল্ট। মাঠে নেমেছেন পেশাদার ফুটবলে জার্সি  পরে। দেখা পেয়েছেন গোলেরও। তাও আবার এক ম্যাচেই দুটি গোল করেছেন অলিম্পিকের আট স্বর্ণপদক জয়ী এই স্প্রিন্টার। গোল উদযাপনটা অবশ্য তার জন্য হয়ে গেছে কস্টদায়কও। কারণ দুই গোল করা ম্যাচে কুচকির ইনজুরিতেও আক্রন্ত হয়েছে তিনি।

শুক্রবার মৌসুম পূর্ব প্রীতি ম্যাচে সেন্ট্রাল কোস্টের হয়ে ফরোয়ার্ড হিসেবে নেমে এই অসাধ্য সাধন করেছেন বোল্ট। শুক্রবার সিডনিতে ম্যাকার্থার সাউথ ওয়েস্ট ইউনাইটেডের বিপক্ষে অনুষ্টিত ম্যাচে দুই দুটি গোল করেছেন ১০০ মিটার স্প্রিন্টের এই বিশ্ব রেকর্ডধারী।ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে গোল করেই উদযাপনে নেমে পড়েন বোল্ট। তার সেই বিখ্যাত ট্রেডমার্ক আদলে কাল্পনিক তীর ছুড়ে উদযাপন করেন পেশাদার ফুটবলের প্রথম গোলটি। ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান ৩২ বছর বয়সি এই বিশ্বখ্যাত তারকা। ম্যাচে ৪-০ গোলে জয়লাভ করে তার দল।

গত আগস্টে অনির্ধারিত সময়ের জন্য ‘এ’ লীগের এই ক্লাবে ট্রায়ালে অংশগ্রহনের চুক্তিবদ্ধ হওয়া বোল্টের এটি ছিল প্রথম কোন ম্যাচ। এর আগে অবশ্য কয়েকটি ‘অ্যামেচার’ ফুটবল ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন বোল্ট।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন, ক্রীড়াঙ্গণে কমিউনিটিতে নতুন দিগন্ত

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-১০ ১৪:৪৬:৩৮

নিউইয়র্কে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে উৎসব গ্রুপ বাংলাদেশী প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) ইউএসএ-২০১৮ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে। বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় শনিবার এই টুর্নামেন্ট শুরু হয়। যৌথভাবে এই টুর্নামেন্টের আয়োজক হচ্ছে নর্থ আমেরিকান ক্রিকেট প্লেয়ার্স এসোসিয়েশন ও এনওয়াইবিসিএল। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের নামে ১৬টি দল অংশগ্রহণ করছে। এই টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড স্পন্সর হচ্ছে ‘উৎসব গ্রুপ’ আর মিডিয়া পার্টনার হচ্ছে ‘টাইম টেলিভিশন ও বাংলা পত্রিকা’। আর এই টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশী কমিউনিটিতে নতুন দিগন্তের শুভ সূচনা হলো। দেশ-বিদেশের বিপুল সংখ্যক ক্রিকেট ভক্ত টাইম টেলিভিশনের মাধ্যমে উদ্বোধনী ম্যাচ সরাসরি উপভোগ করেন। এজন্য অনেক ক্রিকেটামোদী মেইলে বিপিএল ইউএসএ টি-২০ টুর্নামেন্ট আয়োজক, পৃষ্ঠপোষক উৎসব গ্রুপ এবং মিডিয়া পার্টনার বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। টুর্নামেন্টর উদ্বোধনী ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করায় বিশ্বব্যাপী ক্রিড়ামোদীরা টাইম টেলিভিশন-এর উদ্যোগের ভূয়শী প্রশংসা করেছেন। 

শনিবার (৬ অক্টোবর) মেঘলা সকাল আর মৃদুমন্দ বাতাসে নিউইয়র্কের রুজডেলে প্রতিষ্ঠিত গাছ-গাছালী ঘেরা আইডলউল্ড ক্রিকেট মাঠে লাল-সবুজের একগুচ্ছু বেলুল উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন গ্র্যান্ড স্পন্সর উৎসব গ্রুপ-এর চেয়ারম্যান রায়হান জামান। উদ্বোধনী ম্যাচে টুর্নামেন্টের এ গ্রুপে ঢাকা স্কোরপিওন্স সহজেই ৮ উইকেটে সিলেট জালালিয়ান্স-কে পরাজিত করে শুভ সূচনা করে। খেলায় টসে হেরে সিলেট জালালিয়ান্স নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলায় ৫ উকেটের বিনিময়ে ১২৭ রান সংগ্রহ করে। অপরদিকে ঢাকা স্কোরপিওন্স দুই উকেটের বিনিময়ে ১৫ দশমিক ১ ওভারে ১৩১ রান সংগ্রহ করে জয়ী হয়। উদ্বোধনী খেলা শেষে এই ম্যাচের সেরা খেলোয়ার ঢাকা স্কোরপিওন্স-এর নাজমুল সিদ্দিকের হাতে ট্রফি তুলে দেন টাইম টেলিভিশন-এর সিইও এবং বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক আবু তাহের। খেলায় নাজমুল সিদ্দিক ৬১ রান সংগ্রহ করে। উদ্বোধনী ম্যাচ টাইম টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করে।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটির সভাপতি সুমন খান এবং সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জনি। এসময় টাইম টেলিভিশন-এর অন্যতম পরিচালক সৈয়দ ইলিয়াস খসরু, উৎসব গ্রুপের মার্কেটিং ডিরেক্টর সৈয়দ এ আল আমীন ও বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিলের কর্মকর্তা তৈয়বুর রহমান টনি অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটির সহ সভাপতি মাসুম রহমান। উদ্বোধনী দিনে নিউইয়র্কের বিভিন্ন মাঠে আরো ৭টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনী বক্তব্যে রায়হান জামান প্রথমবারের মতো নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের উদ্যোগে টি-২০ টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রশংসা করে বলেন, আমেরিকার ক্রিকেট ইতিহাসে আজকের দিনটি একটি মাইল ফলক হয়ে থাকবে। সেই সাথে আমরা উৎসব গ্রুপ আর মিডিয়া পার্টনার টাইম টেলিভিশন ও বাংলা পত্রিকা সহ সংশ্লিস্ট সবাই এই মাইল ফলকের অংশীদার। সবার সহযোগিতায় এই টুর্নামেন্ট সফল ও সার্তক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উদ্বোধনী ম্যাচ শেষে অতিথি হিসেবে বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর সিইও আবু তাহের তার বক্তব্যে টি-২০ টুর্নামেন্টের সাফল্য কামনা করে বলেন, সবার সহযোগিতায় এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টেকে আরো এগিয়ে নিতে হবে। ক্রিকেট-কে আমেরিকানদের কাছে জনপ্রিয় করতে এমন টুর্নামেন্ট ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, আজ আমেরিকাতে আমাদের কমিউনিটির সবার জন্য নতুন অভিজ্ঞতার দিন। নতুন টুর্নামেন্টের পাশপাশি টাইম টেলিভিশন এই প্রথমবারের মতো কোন খেলা সরাসরি মাঠ থেকে সম্প্রচার করছে। এই পথ চলা আগামী দিনে সবার পাথেয় হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, এটি টুর্নামেন্ট বাংলাদেশী সহ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটারদের জন্য একটি প্রেরণা, এটি তাদেরকে আরও ভাল খেলতে উৎসাহিত করবে।     
বিপিএল টি-২০ ২০১৮’র দলসমূহ হলো (দলগুলোর স্বত্তাধিকারী সহ): সিলেট সুলতান  (সারোয়ার চৌধুরী মওলুদ), সিলেট জালালিয়ান (ইফতেখার বিপ্লব), সিলেট ঈগলস (নাবিলা রহমান), বিয়ানীবাজার ইয়াং স্টার (শাহানুল করিম), সিলেট স্ট্রাইকার ও ওয়ারিয়র (ইরফান খান, লিসান চৌধুরী, লিসান চৌধুরী, রাজু আহমেদ, সালেহ আহমেদ), ঢাকা স্করপিওন (তানভীর এইচ চৌধুরী বাবু) বাবু, ঢাকা গ্লাডিয়েটর (মারজান আলম), মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুর (আরিফুল ভূঁইয়া জিয়া), কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স নিউইয়র্ক (মেহেদী হাসান সোহাগ), কুমিল্লা আইডিয়াল (রাশেদুল ইসলাম), সাতক্ষীরা টাইগার্স (রুমেল খান, সাদমান খান), নোয়াখালী ডায়নামাইটস (আরমান চৌধুরী), নোয়াখালী নেমেসিস (জাহিদুল ইসলাম, মাহাদি হাসান), বরিশাল রয়েলস (ফয়সাল আহমেদ, আসমা খান, তানভীর ভূঁইয়া), সন্দ্বীপ চিতাজ (সজীব জামান) এবং চিটাগাং লায়ন্স (আশরাফ খালিদ নেওয়াজ, ফরহাদ মাহমুদ, সজীব জামান)।
টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটির সভাপতি সুমন খান ও সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জনি জানান, বাংলাদেশীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেট, নিউইয়র্কে প্রতিবছর প্রায় ৪০টির বেশি দল নিয়ে এনওয়াইবিসিএল ক্রিকেট লীগ হয়, যেখানে ১০০০ এর বেশি বাংলাদেশী খেলোয়ার আছেন। নিউইয়র্কে স্কুল ক্রিকেট, এনওয়াইপিডি ইয়্যুথ লীগসহ অন্যান্য লীগ হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় কমবেশী সবাই এখানে ক্রিকেটপ্রেমী হলেও অনেকেই জানেন না স্থানীয় ক্রিকেট লীগের কথা। তাই প্রবাসে যেসব স্থানীয় ক্রিকেট খেলোয়াড় আছেন তাদের মধ্যে থেকে ভবিষ্যতের সাকিব, মাশরাফি, তামিমদের খুঁজে বের করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা চাই, আমাদের তরুণ, উদীয়মান ক্রিকেট খেলোয়াড়রা বের হয়ে আসুক এবং নিউইয়র্কের এই টুর্নামেন্টে খেলে বাংলাদেশ জাতীয় দলে জায়গা করে নিক। আর এই কাজে প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা সাহায্যের হাত বাড়ালে খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কমিউনিটিও লাভবান হবে।

টুর্নামেন্ট কমিটির কর্মকর্তারা তাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট পরিচালনা ও সফল করতে সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। 

প্রতিযোগিতামূলক এই টুর্নামেন্টে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করবে। প্রতিটি দলে একজন আইকন ও তিনজন হোম টাউন খেলোয়াড়, সাতজন এ ক্যাটাগরি, তিনজন বি ক্যাটাগরিসহ মোট ১৪জন খেলোয়াড় থাকবে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে ২টি দল কোয়ার্টার ফাইনাল খেলবে, এরপর সেমি এবং ফাইনাল খেলা হবে। সর্বমোট ১০,০০০ ডলার নগদ অর্থ পুরস্কার থাকবে। যেখানে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে নগদ ৫,৫০০ ডলার এবং রানার্সআপ ২,০০০ ডলার। এছাড়াও থাকবে প্রতি খেলায় সেরা খেলোয়ারের পুরস্কারসহ চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ।
এছাড়াও গ্র্যান্ড স্পন্সর হিসেবে থাকছে ১০ বছর ধরে ক্রিকেটের সাথে জড়িত রেন্ডী বি সিগেল, গোল্ড এনওয়াই ইন্সুরেন্স, জেরিন বুটিক, আরমান চৌধুরী (সিপিএ), কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও মূলধারার রাজনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ী গিয়াস আহমদ।
উল্লেখ্য, বাকানা আয়োজিত ক্রিকেট লীগের পথ ধরেই চারর বছর ‘এনওয়াইবিসিএল’ টুর্নামেন্ট চলার পর আমরাই প্রথম বিপিএল টি-২০ ২০১৮ আয়োজন করা হয়েছে। বিপিএল যুক্তরাষ্ট্রের রেজিষ্টার্ড করা। তাই এই নাম নিয়ে কোন সমস্যা বা বিভ্রান্তি হবে না বলেই আমাদের বিশ্বাস। আর প্রতিটি দলের এন্টি ফি থাকবে সবমিলিয়ে ১৬,০০ ডলার। বাংলাদেশের সাবেক ক্যাপ্টেন খালেদ মাসুদ পাইলট ছাড়াও সাবেক খেলোয়ারগণ অংশ নেবেন এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। এছাড়াও নিউইয়র্ক সহ নিউজার্সী, মিশিগান, টেক্সাস প্রভৃতি অঙ্গরাজ্য থেকে প্রবাসের ক্রিকেট খেলোয়ার অংশ নেবেন। সপ্তাহের প্রতি শনিবার নিউইয়র্কের কুইন্স বরোর বিভিন্ন ক্রিকেট মাঠে একাধিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। টাইম টেলিভিশন পরবর্তীতে টুর্নামেন্টের সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সেই ভুটানেই জয়োৎসব করল বাংলাদেশের মেয়েরা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০৭ ১৪:২৬:৪১

দুই মাস আগে ভুটানের চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে কেঁদেছিল মারিয়া মান্ডা-শামসুন্নাহাররা। সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেও হেরে গিয়েছিল ১-০ ব্যবধানে।

সেই চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামেই আজ জয়োৎসব করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। তাদের উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বাংলাদেশে। এবার অনূর্ধ্ব-১৫ তে নয়, অনূর্ধ্ব-১৮ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে। এই টুর্নামেন্টের প্রথম আসরের ফাইনালে আজ রোববার নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। অবশ্য অনূর্ধ্ব-১৫ দলের ১৩ জন ফুটবলার ছিলেন অনূর্ধ্ব-১৮ এর এই স্কোয়াডে। তাই তাদের উচ্ছ্বাসটা একটু বেশিই ছিল। আগস্টে ভারতের কাছে হারের ক্ষতটায় তারা এবার প্রলেপ দিয়েছে সোনালী রঙের ট্রফিতে চুমু খেয়ে। আর সেই ভারত এবার বিদায় নিয়েছে সেমিফাইনাল থেকেই।

আজ রোববার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে নেপাল। অবশ্য গ্রুপপর্বে নেপালকে অনায়াসে ২-১ গোলে হারালেও আজ হিমালয়ের কন্যারা বাংলাদেশকে বেশ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। সেই চ্যালেঞ্জের মুখে প্রথমার্ধে কোনো গোলের দেখা পায়নি তারা। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল পায় বাংলাদেশ। এ সময় (৪৮ মিনিটে) মনিকা চাকমার নেওয়া ফ্রি কিকে মাথা লাগিয়ে বল জালে পাঠান মাসুরা পারভীন। পুরো টুর্নামেন্টে মাসুরা কোনো গোল না পেলেও আজ তার করা একমাত্র গোলেই সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরের শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশের মেয়েরা।

সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ তাদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১৭-০ গোলে উড়িয়ে দেয়। পরের ম্যাচে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে উঠে। এরপর সেমিফাইনালে স্বাগতিক ভুটানকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পায়। অন্যদিকে নেপাল তাদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১২-০ গোলে উড়িয়ে দেয়। দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে হারলেও সেমিফাইনালে ওঠে। আর সেমিফাইনালে ভারতের মতো শক্তিশালী দলকে টাইব্রেকাওে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনালের টিকিট পায় তারা।

এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দলের পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপ।

সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ছিল ‘বি’ গ্রুপে। যেখানে মৌসুমী-মারিয়াদের প্রতিপক্ষ ছিল নেপাল ও পাকিস্তান। ‘এ’ গ্রুপে ছিল ভারত, স্বাগতিক ভুটান ও মালদ্বীপ।

২৩ সদস্যের বাংলাদেশ দল : মাহমুদা আক্তার, রূপনা চাকমা, রুকসানা বেগম, মাসুরা পারভীন, শিউলি আজিম, মোসাম্মদ আঁখি খাতুন, সাজেদা খাতুন, শামসুন্নাহার, আনাই মোগিনি, নাজমা, রিতু পর্না চাকমা, নিলুফা ইয়াসমিন নীলা, মারিয়া মান্ডা, মোসাম্মদ মিসরাত জাহান মৌসুমি (অধিনায়ক), মোসাম্মদ ইসরাত জাহান রত্না, মনিকা চাকমা, মার্জিয়া, সানজিদা আক্তার, তহুরা খাতুন, মোসাম্মদ সিরাত জাহান স্বপ্না, শ্রীমতি কৃষ্ণারাণী সরকার, মোসাম্মদ রাজিয়া খাতুন ও অনুচিং মোগিনি।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ক্যাপ্টেন-লিডার-লিজেন্ড মাশরাফিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালো আইসিসি

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০৫ ১৬:১৩:১৮

মাশরাফি বিন মুর্তজা—বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক। কিন্তু ২২ গজের এই গণ্ডি ছাড়িয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন ১৬ কোটি বাঙালির হৃদয়ে। ক্রিকেটপ্রেমীদের থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে মাশরাফি নামটি একজন ক্রিকেটার কিংবা অধিনায়কের চেয়েও অনেক বড় কিছু। বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) ৩৫ বছরে পা দিয়েছেন নড়াইল এক্সপ্রেস। জন্মদিনে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত-সমর্থকের পাশাপাশি তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় দলের সতীর্থরা।

জন্মদিনে মাশরাফিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক ও টুইটারে নিজেদের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশ অধিনায়ককে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিশ্ব-ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

এ ছাড়া ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো এবং আইসিসি বিশ্বকাপের ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে মাশরাফিকে ৩৫তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে। শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে ডানহাতি এই পেসারকে অধিনায়ক, নেতা ও

২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ২০ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট তুলে নেন মাশরাফি। যা ওই ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ে দুর্দান্ত ভূমিকা রাখে। আফগানদের বিপক্ষে মাশরাফির বোলিংয়ের সেই ভিডিও ক্লিপ আইসিসি বিশ্বকাপের ভেরিফাইড পেজ থেকে পোস্ট করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে কিংবদন্তি উপাধি দিয়ে ৩৫তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।


আইসিসি বিশ্বকাপ পেজ থেকে জানানো শুভেচ্ছা বার্তায় লেখা হয়, ‘অধিনায়ক, নেতা, কিংবদন্তি। শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।’

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ এই উইকেট শিকারিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজেদের ফেসবুক পেজ থেকে আইসিসি লিখেছে, ‘সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে ওয়ানডেতে সর্বপ্রথম ২৫০ উইকেট নিয়েছেন। তিনিই বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক। শুভ জন্মদিন মাশরাফি বিন মুর্তজা।’

ফেসবুকের পাশাপাশি আইসিসির অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকেও মাশরাফির জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। সেখানে তারা লিখেছে, ‘বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক এবং এই ফরম্যাটেই ২৫১ উইকেট নিয়ে তাদের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি। শুভ জন্মদিন মাশরাফি বিন মুর্তজা।’

ইএসপিএন ক্রিকইনফো তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে মাশরাফিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে লিখেছে, ১৯৮৩ সালের ৫ অক্টোবর নড়াইলে জন্মগ্রহণ করেন মাশরাফি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাশরাফির অভিষেক ২০০১ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে। একই বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অভিষেক হয় ডানহাতি এই পেসারের। টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক ২০০৬ সালে। কিন্তু ইনজুরির কবলে পড়ে ১৭ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অনেকটা সময়ই মাঠের বাইরে কাটিয়েছেন তিনি। সাত বার যেতে হয়েছে অপারেশন টেবিলে। তবুও দমে যাননি!

২০১৪ সালে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অধিনায়কের দায়িত্ব পান মাশরাফি বিন মুর্তজা। তার হাত ধরেই ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ দল। ঘরের মাটিতে হয়ে ওঠে অদম্য এক প্রতিপক্ষ। শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও মাশরাফির হাত ধরে এসেছে সফলতা। ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল, ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল এবং এশিয়া কাপে সর্বশেষ আসরে ফাইনাল পর্যন্ত খেলেছে বাংলাদেশ। এর সবই সম্ভব হয়েছে একজন মাশরাফির কারণে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে বিপিএল ইউএসএ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু ৬ অক্টোবর

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০৩ ১৪:৪৯:২৬

নিউইয়র্কে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশী প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) ইউএসএ-২০১৮ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে। টুর্নামেন্টের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। এতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের নামে অংশগ্রহণ করবে ১৬টি দল। এই টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড স্পন্সর হচ্ছে ‘উৎসব গ্রুপ’ আর মিডিয়া পার্টনার হচ্ছে ‘টাইম টেলিভিশন ও বাংলা পত্রিকা’। আগামী ৬ অক্টোবর শনিবার থেকে টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে। টুর্নামেন্টের খেলাগুলো হবে কুইন্সের বিভিন্ন মাঠে। টাইম টেলিভিশন উদ্বোধনী আর ফাইনাল খেলা সহ চারটি খেলা সরাসরি সম্প্রচার করবে। যৌথভাবে এই টুর্নামেন্টের আয়োজক হচ্ছে নর্থ আমেরিকান ক্রিকেট প্লেয়ার্স এসোসিয়েশন ও এনওয়াইবিসিএল।
বিপিএল টি-২০ ২০১৮’র দলসমূহ হলো (দলগুলোর স্বত্তাধিকারী সহ): সিলেট সুলতান  (সারোয়ার চৌধুরী মওলুদ), সিলেট জালালিয়ান (ইফতেখার বিপ্লব), সিলেট ঈগলস (নাবিলা রহমান), বিয়ানীবাজার ইয়াং স্টার (শাহানুল করিম), সিলেট স্ট্রাইকার ও ওয়ারিয়র (ইরফান খান, লিসান চৌধুরী, লিসান চৌধুরী, রাজু আহমেদ, সালেহ আহমেদ), ঢাকা স্করপিওন (তানভীর এইচ চৌধুরী বাবু) বাবু, ঢাকা গ্লাডিয়েটর (মারজান আলম), মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুর (আরিফুল ভূঁইয়া জিয়া), কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স নিউইয়র্ক (মেহেদী হাসান সোহাগ), কুমিল্লা আইডিয়াল (রাশেদুল ইসলাম), সাতক্ষীরা টাইগার্স (রুমেল খান, সাদমান খান), নোয়াখালী ডায়নামাইটস (আরমান চৌধুরী), নোয়াখালী নেমেসিস (জাহিদুল ইসলাম, মাহাদি হাসান), বরিশাল রয়েলস (ফয়সাল আহমেদ, আসমা খান, তানভীর ভূঁইয়া), সন্দ্বীপ চিতাজ (সজীব জামান) এবং চিটাগাং লায়ন্স (আশরাফ খালিদ নেওয়াজ, ফরহাদ মাহমুদ, সজীব জামান)।
টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটির সভাপতি সুমন খান ও সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জনি ইউএনএ প্রতিনিধি-কে জানান, বাংলাদেশীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেট, নিউইয়র্কে প্রতিবছর প্রায় ৪০টির বেশি দল নিয়ে এনওয়াইবিসিএল ক্রিকেট লীগ হয়, যেখানে ১০০০ এর বেশি বাংলাদেশী খেলোয়ার আছেন। নিউইয়র্কে স্কুল ক্রিকেট, এনওয়াইপিডি ইয়্যুথ লীগসহ অন্যান্য লীগ হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় কমবেশী সবাই এখানে ক্রিকেটপ্রেমী হলেও অনেকেই জানেন না স্থানীয় ক্রিকেট লীগের কথা। তাই প্রবাসে যেসব স্থানীয় ক্রিকেট খেলোয়াড় আছেন তাদের মধ্যে থেকে ভবিষ্যতের সাকিব, মাশরাফি, তামিমদের খুঁজে বের করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা চাই, আমাদের তরুণ, উদীয়মান ক্রিকেট খেলোয়াড়রা বের হয়ে আসুক এবং নিউইয়র্কের এই টুর্নামেন্টে খেলে বাংলাদেশ জাতীয় দলে জায়গা করে নিক। আর এই কাজে প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা সাহায্যের হাত বাড়ালে খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কমিউনিটিও লাভবান হবে।
বিপিএল ইউএসএ-২০১৮ এর কর্মকর্তারা জানান, প্রতিযোগিতামূলক এই টুর্নামেন্টে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করবে। প্রতিটি দলে একজন আইকন ও তিনজন হোম টাউন খেলোয়াড়, সাতজন এ ক্যাটাগরি, তিনজন বি ক্যাটাগরিসহ মোট ১৪জন খেলোয়াড় থাকবে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে ২টি দল কোয়ার্টার ফাইনাল খেলবে, এরপর সেমি এবং ফাইনাল খেলা হবে। সর্বমোট ১০,০০০ ডলার নগদ অর্থ পুরস্কার থাকবে। যেখানে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে নগদ ৫,৫০০ ডলার এবং রানার্সআপ ২,০০০ ডলার। এছাড়াও থাকবে প্রতি খেলায় সেরা খেলোয়ারের পুরস্কারসহ চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ।
এছাড়াও গ্র্যান্ড স্পন্সর হিসেবে থাকবে ১০ বছর ধরে ক্রিকেটের সাথে জড়িত রেন্ডী বি সিগেল, গোল্ড এনওয়াই ইন্সুরেন্স, জেরিন বুটিক, আরমান চৌধুরী (সিপিএ), কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও মূলধারার রাজনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ী গিয়াস আহমদ।
তারা বলেন, আমরা শুরু করেছি মাত্র। আমাদের নির্দিষ্ট কোন বাজেট নেই। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাকানা আয়োজিত ক্রিকেট লীগের পথ ধরেই চারর বছর ‘এনওয়াইবিসিএল’ টুর্নামেন্ট চলার পর আমরাই প্রথম বিপিএল টি-২০ ২০১৮ আয়োজন করছি।

তিনি জানান, বিপিএল যুক্তরাষ্ট্রের রেজিষ্টার্ড করা। তাই এই নাম নিয়ে কোন সমস্যা বা বিভ্রান্তি হবে না বলেই আমাদের বিশ্বাস। আর প্রতিটি দলের এন্টি ফি থাকবে সবমিলিয়ে ১৬,০০ ডলার। লীগের খেলায় অংশগ্রহণকারী খেলোয়ারদের এক সপ্তাহ আগে তাদের নাম রেজিষ্টার্ড করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাবেক ক্যাপ্টেন খালেদ মাসুদ পাইলট ছাড়াও সাবেক খেলোয়ারগণ অংশ নেবেন এই টুর্নামেন্টে। এছাড়াও নিউইয়র্ক সহ নিউজার্সী, মিশিগান, টেক্সাস প্রভৃতি অঙ্গরাজ্য থেকে প্রবাসের ক্রিকেট খেলোয়ার অংশ নেবেন।


বিস্তারিত খবর

সেমিফাইনালে টাইগাররা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০২ ১৫:০২:২৪

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল হংকংকে হারিয়ে নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক করে রেখেছিল। কিন্তু জয় উল্লাস ঠিক সেভাবে করতে পারেনি তৌহিদ-মাহমুদুল হাসানরা। তবে সেটা নিশ্চয় পাকিস্তানের হারের পর পুষিয়ে নিয়েছে। শ্রীলংকার বিপক্ষে পাকিস্তান জিতলে ঘরের মাঠে এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নিতে হতো বাংলাদেশের যুবাদের। কিন্তু শ্রীলংকা ২৩ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশকে নিয়ে সেমিফাইনালে উঠে গেছে।

এশিয়া কাপে বাংলাদেশ যুবাদের শুরুটা ভালো হয়নি। শ্রীলংকার বিপক্ষে হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে তারা। এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পায় বাংলাদেশ। হংকংয়ের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে পাকিস্তানের হারের অপেক্ষায় ছিল অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। শ্রীলংকার দেওয়া ২০০ রানের লক্ষ্যে পাকিস্তান যেতে পারেনি। হেরে গেছে ২৩ রানে। লক্ষ্য তাড়ায় পাকিস্তান ৯৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে। আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সেখান থেকে।

অন্য ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে হংকংকে ব্যাটে পাঠায় বাংলাদেশ যুবারা। এরপর বোলাররা যেন হংকং ব্যাটসম্যানদের দিকে এক একটি মারণ গোলা ছুড়তে থাকে। হংকং কিছু বুঝে ওঠার আগেই ৪৬.৫ ওভারে মাত্র ৯১ রানে শেষ হয়ে যায় তাদের ইনিংস। হংকংয়ের করা ওই রান ৬ ওভারের মধ্যে টপকাতে পারলে সরাসরি সেমিফাইনালে যেতো বাংলাদেশ। কিন্তু তারা তা পারেননি। জিততে নিয়েছে ১১.২ ওভারে। তাও আবার ৫ উইকেট হারিয়ে।

ব্যাটে নেমে বাংলাদেশের শুরুটাও অবশ্য ভালো হয়নি। দলের মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে তৌহিদরা। পরে আকবর আলী (২৫) আর মাহমুদুল হাসানের (৩২) ব্যাটে জয় পায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে ১১ রানে ৩ উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। এছাড়া রাকিবুল হাসান ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ২টি করে উইকেট নেন।

বাংলাদেশ যুবারা 'বি' গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় সেরা দল হিসেবে সেমিতে গেছে। তিন ম্যাচেই জিতে গ্রুপ সেরা হয়েছে শ্রীলংকা। তাই বাংলাদেশকে 'এ' গ্রুপের সেরা দলের মুখোমুখি হতে হবে। এশিয়া কাপ অনূর্ধ্ব-১৯ এর 'এ' গ্রুপের সেরা দল হয়েছে ভারত। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই জয় পেয়েছে তারা। বাংলাদেশ-ভারত আগামী ৪ অক্টোবর সেমিফাইনালের ম্যাচে মুখোমুখি হবে। অন্য ম্যাচে পরদিন শ্রীলংকা খেলবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। ম্যাচ দুটি শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে সকাল ৯টায় শুরু হবে।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত