যুক্তরাষ্ট্রে আজ বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 01:19am

|   লন্ডন - 08:19pm

|   নিউইয়র্ক - 03:19pm

  সর্বশেষ :

  করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ মানুষ   বিশ্বব্যাপী মৃত্যু ৫০ হাজার ছাড়াল   চলতি মাসের শেষে নিয়ন্ত্রণে আসবে করোনা: চীনের বিশেষজ্ঞ   ইসরাইলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত, প্রধানমন্ত্রী আইসোলেশনে   মক্কা-মদিনায় ২৪ ঘণ্টার কারফিউ   বাংলাদেশে আটকে পড়া ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য ডিকসনের ৪ বার্তা   ব্রিটেনে একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানি, ২৪ ঘণ্টায় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি   বাংলাদেশে সর্দি, কাশি, জ্বর ও গলাব্যাথা নিয়ে ৫৮ জনের মৃত্যু   করোনা সংক্রমণ: যুক্তরাষ্ট্রে সব কারাগার লকডাউন   করোনায় লকডাউন ভাঙলে গুলির নির্দেশ   করোনা লড়াইয়ে ভারতকে সাহায্য করতে এগিয়ে এল চিনা অ্যাপ টিকটক   করোনার কারণে একজন চীনা কূটনীতিকও ফিরে যাবে না   মুম্বাইয়ে হোম কোয়ারেন্টিনে ১৩ বাংলাদেশি   নিজামুদ্দিনে যোগ দেওয়া আরও দুইজনের করোনায় মৃত্যু   করোনায় লন্ডনের হাসপাতালে প্রাণ গেল সোমালিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর

>>  টুকিটাকি এর সকল সংবাদ

করোনা আক্রান্তদের জন্য কয়েকটি টিপস

করোনাভাইরাস দিনকে দিন বিশ্বে ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে। এ রোগের কারণে একে একে মৃত্যুর দুয়ারে গেছেন ১১ হাজারের বেশি মানুষ। মহামারি এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। দেখা যাচ্ছে, এ রোগে দ্রুত আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধদের মধ্যেই বেশি। চীন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বৃদ্ধদের, বিশেষ করে যাঁরা দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসা নিচ্ছেন, তাঁদের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। এরই মধ্যে করোনায় সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন বয়স্ক ব্যক্তিরাই।

বয়স্কদের মধ্যে দুর্বল প্রতিরোধক্ষমতা ও স্বাস্থ্যের অবনতির কারণে কোভিড–১৯ সহজেই তাঁদের আক্রান্ত করে। বৃদ্ধদের মধ্যে কোভিড-১৯

বিস্তারিত খবর

করোনাভাইরাস: গৃহবন্দি শিশুর বিষণ্নতা দূর করতে যাকিছু করণীয়

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-৩০ ০৮:০৩:১৯

এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা প্রাণোচ্ছ্বল শিশু-কিশোরদের। ২৪ ঘণ্টা চার দেওয়ালে বন্দি ওরা, ওদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া তাই অবশ্য কর্তব্য

বিশ্বব্যাপী কেরোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আমরা একপ্রকার বাধ্য হয়েই মেনে নিচ্ছি এই গৃহবন্দি পরিস্থিতি। আর এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা প্রাণোচ্ছ্বল শিশু-কিশোরদের। স্কুল, টিউশন বন্ধ। সাঁতার-গান-নাচও বন্ধ। বিকেলে খেলাধুলো বা পার্কে যাওয়ারও উপায় নেই। ২৪ ঘণ্টা চার দেওয়ালে বন্দি ওরা। এই অবস্থায় ওদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া তাই অবশ্য কর্তব্য।

অভিভাবকদের করণীয়

১) শিশুদের বুঝিয়ে বলুন “হোম কোয়রান্টাইন” কী আর এই পরিস্থিতিতে এর যৌক্তিকতাইবা কী। তাহলে চার দেওয়ালের মধ্যে আটকে থাকার  গ্রহণযোগ্যতা অনেকটাই বাড়বে ওদের মধ্যে।

২) একটি ৩-৫ বছর বয়সী শিশুর মধ্যে কিন্তু মৃত্যু সম্পর্কে একটা অস্বচ্ছ ধারণা তৈরি হয়ে যায়। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ও তার সংখ্যা নিয়ে ওদের সামনে বেশি আলোচনা না করাই বাঞ্ছনীয়। অপরিণত মস্তিষ্কে মৃত্যুভয় বাসা বাঁধতে পারে।

৩) বাড়ির অন্য সকলে যেমন সংসারের সমস্ত কাজ ভাগ করে করছেন, আপনার সন্তানটিকেও তার বয়স ও ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ ভাগ করে দিন। সকলের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করাটা হয়তো ওর কাছে উপভোগ্যই হবে।

৪) বাড়ির কাজের পাশাপাশি ছবি আঁকা, বাগান করা, গল্পের বই পড়ার  মতো কোনও শখ— যেটা ঘরে বসেই করা যায়, এমন কিছুতে বেশি করে উৎসাহিত করুন।

৫) বছরের আর পাঁচটা দিনের চেয়ে অভিভাবকদের হাতে কিন্তু একটু বেশিই সময় আছে সন্তানকে দেওয়ার মত। তাই এই সময় চেষ্টা করবেন, একসঙ্গে বসে কিছু খেলতে বা মজার কোনও বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে। এটা ওদের কাছে অনেক বেশি উপভোগ্য হবে।

৬) শিশুর অতিরিক্ত কার্টুন বা মোবাইল গেমসের নেশা কাটিয়ে ফেলার সুযোগ কিন্তু এখনই। অনেকটা সময় হাতে পাচ্ছে যখন, তখন ওর মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। পাঠ্যবইয়ের বাইরেও নানা বই পড়ার স্বভাব পরবর্তীতে ওর বেশ উপকারেই আসবে!

 ৭) এই সময়টা শিশুকে “হ্যান্ড হাইজিন” আর “কফ এটিকেট” শেখানোরও এক আদর্শ সময়। সেটা আয়ত্ত করে ফেলতে পারলে করোনাভাইরাসকে প্রতিরোধ করার সঙ্গেসঙ্গে আপনার সন্তান সারাজীবন ধরেই  কিন্তু অন্য অনেক রোগের আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পাববে।


এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

বিস্তারিত খবর

‘পিপিই’কে ‘পিপিপি’ বলে তুমুল হাস্যরসের স্বীকার বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-৩০ ০১:০৮:৪৬

ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বা পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্টের সংক্ষেপিত রূপ ‘পিপিই’কে ‘পিপিপি’ উচ্চারণ করে তুমুল হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন সাম্প্রতিককালে নানা বিতর্কের মধ্য দিয়ে যাওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

গতকাল এক ভিডিও বার্তায় তিনি করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি জানানোর সময় অন্তত নয়বার তিনি ‘পিপিই’কে ‘পিপিপি’ বলে উচ্চারণ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আরাফাত বিপ্লব নামের একজন লিখেছেন, ‘মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী, শব্দটা পিপিপি নয় বরং পিপিই। কেউ হয়তো বলবেন, স্লিপ অব টাং! আচ্ছা, স্লিপ অব টাং কি নয়বারও হয়?
 
দিদারুল ইসলাম নামের আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘করোনা ভাইরাস বাংলাদেশ থেকে দূর করার আগে এই স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাইরাসকে আগে দূর করতে হবে। ইনি দুলতে দুলতে বললেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ভেন্টিলেটর অনেক বেশি আছে। আমি শিওর উনি জানেনই না ভেন্টিলেটর জিনিসটা কি।’

এদিকে করোনাভাইরাসের টেস্ট করিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। রবিবার (২৯ মার্চ) কোভিড -১৯ নিয়ে আয়োজিত জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। তবে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি বলে নিশ্চিত করেছেন।
 
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এবং আপনি হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন কিনা—জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তো অনেক বড়, এখানে অনেক লোকজন আসা যাওয়া করে। এর মধ্যে কেউ করোনায় আক্রান্ত হতেও পারেন।’ তিনি নিজে কোয়ারেন্টিনে আছেন কিনা জানতে চাইলে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমি তো কাজ করছি। টেস্ট করিয়েছি, আমি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হইনি। আর আমি কোয়ারেন্টাইনে আছি তা বলবো না, অন্যরা যেভাবে আছেন, সেভাবেই আছি।’

মন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে পত্রিকা, টেলিভিশনে অনেক কিছু দেখতে পাই, শুনতে পাই। অনেকে বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে আমাদের প্রস্তুতি ছিল না। আমরা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছি, স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করেছি, জাতীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি করেছি। সেই কমিটির মাধ্যমে সব কাজ হচ্ছে, আমরা কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করেছি, ট্রিটমেন্ট প্রটোকল তৈরি এবং ডাক্তার-নার্সদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/টি

বিস্তারিত খবর

যে ৫ কারণে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস মহামারী হবে না

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৮ ০৬:৫১:২২

বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব কয়টি দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রমণ করেছে এই মরণব্যাধি। এই পর্যন্ত ৫ জন মারা গেছে করোনা আক্রান্ত হয়ে।

বিশ্বের অনেক দেশেই এই করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করেছে। যেমন চীন, স্পেন, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, এসব দেশগুলোতে এই করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করেছে। এসব দেশগুলো থেকে হাজার হাজার লোক এই করোনাভাইরাস মৃত্যুবরণ করছে। তবে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে মহামারি হবে না বলে জানা গেছে এক গবেষণায়। সেই গবেষণা মতে ৫ কারণে রক্ষা পাবে বাংলাদেশ।

১. বয়স বিবেচনা: বাংলাদেশ একটি তরুণ অধ্যুষিত দেশ। এ দেশে তরুণদের সবথেকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া। এই করোনাভাইরাস যারা মারা গেছে তারা প্রায় ৬০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। এবং তরুণদের মৃত্যুর হার ২%। তাই বাংলাদেশ মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা কম।

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: বাংলাদেশের মানুষ নানা প্রতিকূলতায় বেঁচে থাকে। এবং এদেশের মানুষ নানা ধরনের পুষ্টিকর খাবার খেয়ে থাকে। যার কারণে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। তাই মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা কম।

৩. পরিষ্কার পরিছন্নতা: বাংলাদেশ একটি মুসলিম কান্ট্রি। এদেশের মানুষ প্রায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে অভ্যাস তো। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখে সবাই। তাই মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা কম।

৪. খাদ্যাভ্যাস: বাংলাদেশের মানুষ বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়ে থাকে। তারা সবকিছু প্রায় সিদ্ধ করে খেতে পছন্দ করে। তাই মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা কম।

৫. আবহাওয়া: যেসকল দেশগুলো উষ্ণতায় আছে, যেসব দেশগুলোতে মৃত্যুর হার অনেক কম, এখন আমাদের দেশ এখন উষ্ণ। তাই বলা হচ্ছে বাংলাদেশে মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা কম।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এন
 

বিস্তারিত খবর

করোনা রুখতে গির্জায় ভক্তদের ডেটল পান করালেন ফাদার, নিহত ৫৯

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৬ ০৯:৩৭:০৩

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে একজন খ্রিস্টান পাদ্রীর উপদেশে তরল জীবাণুনাশক 'ডেটল' পান করে ৫৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। নাইরোবি থেকে প্রকাশিত দৈনিক কেনিয়া-টুডে বুধবার জানায়।
ফাদার 'রুফুস ফালা' সম্প্রতি করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তার ভক্তদের ডেটল খাওয়ান। গির্জার মধ্যে তিনি ভক্তদের নিজহাতে এই ডেটল পান করান।

ডেটল পানকারী ৫৯ জনের মৃত্যু হয় এবং আরও চারজন মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ফাদারের অনুসারীরো মনে করেছিল ডেটল পান করলে তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হবেন না।

এ সম্পর্কে ফাদার রুফুস ফালা দাবি করেছেন, তিনি জানতেন ডেটল খাওয়া মারাত্মক ক্ষতির কারণ। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা (গড) তাকে এটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি নিজে সবার আগে ডেটল খেয়েছেন বলেও দাবি করে ফাদার রুফুস ফালা। তবে তিনি কি পরিমাণ খেয়ে বেঁচে আছেন এবং তার ভক্তরা কতখানি খাওয়ার কারণে মারা গেছেন তা জানা যায়নি।

তবে ডেটল খাবার উপদেশ এবারই প্রথম দেননি ফাদার রুফুস ফালা। এর আগে তিনি তার ভক্তদেরকে রোগ থেকে মুক্তি পেতে শরীরকে সংক্রমণ মুক্ত করতে ডেটল খাবার পরামর্শ দিয়েছেন। ডেইলি সান সাইথ আফ্রিকা জানিয়েছে।

আফ্রিকার ৫৪টি দেশের মধ্যে এরইমধ্যে ৪০টি দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।

বিস্তারিত খবর

ফ্লাইটে করোনা আক্রান্ত যাত্রী, বিমান থেকে পালালেন পাইলট!

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৪ ১৪:১৭:০২


করোনাভাইরাসে আক্রান্ত যাত্রী ফ্লাইটে রয়েছেন এমন খবরে ফ্লাইটের ককপিপের জানালা দিয়ে পালিয়েছেন পাইলট। ২০ মার্চ দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ঘটনাটি ঘটেছে।

সোমবার ইন্ডিয়া ট্যুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, এয়ার এশিয়ার পুনে থেকে দিল্লিগামী একটি ফ্লাইটে করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছে খবরে বিমানটি অতরণের পরই সেকেন্ডারি এক্সিট দিয়ে পাইলট নেমে যান। পরে পরীক্ষায় অবশ্য যাত্রীর দেহে করোনা সংক্রমণ পাওয়া যায়নি।

এয়ার এশিয়া ইন্ডিয়ার মুখপাত্র জানান, বিমানে সন্দেহজনক করোনা আক্রান্ত একজন যাত্রী ছিলেন। তিনি বিমানের প্রথম দিকের একটি সিটে বসেছিলেন। বিমানটি অবতরণের সময় থেকেই নানা রকমের ব্যবস্থা নেয়া হয়। সাধারণত বিমান যেখানে নামে, তার থেকে অনেকটা দূরে বিমান অবতরণ করে। সামনের দরজা নিয়ে নামানো হয় ওই যাত্রীকে। এরপর অবশ্য পরীক্ষার পর যাত্রী ভাইরাস আক্রান্ত নন বলেই জানা গেছে।

এদিকে বিমান কর্মীদেরও ১৪ দিনের সেলফ কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। ভারতের এখন পর্যন্ত ৪৯৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ১০ জন।

চীনের উহান থেকে মহামারী আকারে করোনাভাইরাস বিশ্বের ১৯০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এর থাবা পড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেও। এর জেরে মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই পুরো ভারত লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বিস্তারিত খবর

রহস্যময়ভাবে প্রতি শতাব্দীর ২০তম সাল প্রাণঘাতি হিসেবে চিহ্নিত

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-১৮ ০৩:৫১:২৬


শতাব্দীর পর শতাব্দির ২০তম বছরে সংক্রামক মহামারীতে আক্রান্ত হয়েছে মানব সভ্যতা।
রহস্যময়ভাবে প্রতি শতাব্দীর ২০তম সাল চিহ্নিত হয়েছে মানব সভ্যতার জন্য প্রাণঘাতি বছর। ঠিক ১০০ বছর পরপর প্লেগ, কলেরা, ফ্লু কিংবা করোনার মত ভয়াল সব অনুজীবের আক্রমণে 'জনশূন্য' হয়েছে বহু জনপদ। 

১৭২০ সালে ইউরোপ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে সংক্রামক মহামারি প্লেগ। তিন বছর ধরে সমগ্র ইউরোপের পাশাপশি আফ্রিকা ও এশিয়ার কিছু অংশে তান্ডব চালিয়ে প্রায় লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যুর কারণ হয় এই মরণব্যাধি।

এর ঠিক একশ বছর পর ১৮২০ সালে আঘাত হানে মহামারী কলেরা। ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও ভারতীয় উপমহাদেশে মৃত্যুর কালো ছায়া ছড়িয়ে পরে। লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে অস্তিত্বের জানান দেয় জলবাহিত ব্যাকটেরিয়া জনিত ব্যাধি কলেরা।

আরও একশ বছর পর ১৯২০ সালে ইউরোপ থেকে পৃথিবীর নানা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে আরেক ভাইরাস স্প্যানিশ ফ্লু। ধ্বংসলীলায় আগের সব ব্যাধীকে ছাড়িয়ে যাওয়া সর্বগ্রাসী স্প্যানিস ফ্লু ১৯১৮ সালে প্রথম অস্তিত্ব জানান দিলেও ১৯২০ সালে ছড়িয়ে পড়ে নানা অঞ্চলে। বিশ্বের প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ আক্রান্ত হয় এই ব্যাধিতে। মৃত্যু হয় অন্তত দশ লক্ষ মানুষের।

ঠিক ১০০ বছর পর একবিংশ শতাব্দীতে এই চক্রের সর্বশেষ সংযোজন ২০২০ সালে আঘাত হানা করোনাভাইরাস। চিনের উহান প্রদেশ থেকে যাত্রা শুরু করে করোনা সংক্রমণ ঘটায় বিশ্বজড়ে। এখন পর্যন্ত করোনার আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছে সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি মানুষ। বহু উন্নত দেশের আধুনিক নগরীকে জনশূন্য করেছে করোনা। বিশ্বের বহু দেশ করোনাকে মহামারি ঘোষণা করে জারি করেছে জরুরি অবস্থা।

কয়েকটি শতাব্দীর ২০তম সালে আঘাত হানা অন্যান্য মহামারী থেকে বহু সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে রক্ষা পেয়েছে মানব সভ্যতা। প্রাণঘাতি করোনায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান কতদূর পৌঁছুবে এখন সেই দিকে তাকিয়ে আছে পৃথিবীর অজস্র মানুষ।

বিস্তারিত খবর

মানব সেবার জন্য দায়িত্ব কমালেন বিল গেটস

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-১৪ ০১:৫০:৫৪

মানব সেবায় নিজেকে আরো বেশি নিয়োজিত করার জন্য মাইক্রোসফটের পরিচালকদের বোর্ড থেকে সরে দাঁড়ালেন কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। বিশ্বের অন্যতম সেরা ধনী বিল গেটস জানিয়েছেন, বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্য উন্নয়ন, শিক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে তিনি আরো কাজ করতে চান।

২০০৮ সাল থেকেই মাইক্রোসফটের কাজের সঙ্গে প্রতিনিয়ত জড়িত থাকতেন বিল গেটস । তবে এখন থেকে তাকে আর সেভাবে দেখা যাবেনা। জানা গেছে, বোর্ড থেকে সরে দাঁড়ালেও মাইক্রোসফটের নেতৃত্বে বিল গেটসই থাকছেন। এ বিষয়ে বিল গেটস বলেন, সবসময় আমার জীবনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে থাকবে। এছাড়া বিল গেটস যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক সমন্বিত বিনিয়োগয়ারী কোম্পানি বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের পরিচালক বোর্ড থেকেও সরে গেছেন।

ফোর্বস ম্যাগাজিনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০৩. ৬ বিলিয়ন ডলার নিয়ে বিশ্বের ধনীদের তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন বিল গেটস । প্রথম অবস্থানে আছেন আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস ।

বিস্তারিত খবর

করোনা: ভারতে মিলছে গোমূত্রের হ্যান্ড স্যানিটাইজার!

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-১১ ১১:০০:৪৪


করোনা প্রতিরোধে গোমূত্রের হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং সাবান পাওয়া যাচ্ছে ভারতের ই-কমার্স সাইটে। গোমূত্র দিয়ে তৈরি এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং সাবানের নাম দেয়া হয়েছে 'কাউপ্যাথি'। এমনটি জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ।

জি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫০ মিলিলিটারের ২টি হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাওয়া যাচ্ছে ১০০ রুপিতে। অন্যদিকে, অনলাইনে ২১০ রুপিতে পাওয়া যাচ্ছে 'কাউপ্যাথি' সাবানের ছয় থেকে সাতটির প্যাক।

'কাউপ্যাথি' স্যানিটাইজারের বিবরণে লেখা রয়েছে,দেশি গরুর বিশুদ্ধ গোমূত্র দিয়ে তৈরি হয়েছে এটি। একইসঙ্গে যাতে কোনও গন্ধ না বের হয়, সেজন্য এর সঙ্গে অ্যারোমা এসেনশিয়াল অয়েল ও গঙ্গার পানি মেশানো হয়েছে। বিবরণে আরও বলা হয়েছে ,এতে কোনও অ্যালকোহল নেই। আপনার হাতকে এটা আর্দ্র ও কোমহল রাখবে।

যদিও, এই স্যানিটাইজার ও সাবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ 'রুখেছে' বলে হাতেকলমে কোনও প্রমাণ নেই। তবে ই-কমার্স সাইটে এটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছে বলে দাবি করেছে জি নিউজ।

প্রসঙ্গত, গোমূত্র ও গোবরেই সারতে পারে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ! সম্প্রতি এমন দাবি করেছিলেন ভারতের আসামের বিজেপি বিধায়ক সুমন হরিপ্রিয়া।আর এর কিছুদিন পরই জানা গেলো গোমূত্র দিয়ে তৈরি হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

বিস্তারিত খবর

ঘুমালেই পাবেন লাখ টাকা পারিশ্রমিক!

 প্রকাশিত: ২০২০-০২-২৩ ০৫:০৬:২১


আপনি কী ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে লাখ লাখ টাকার স্বপ্ন দেখেন? তবে এই বিশেষ নিউজটা আপনার জন‌্যই।

কারণ, ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে লাখপতি হবার স্বপ্ন দেখার দিন শেষ। এবার সময় এসেছে সেই স্বপ্নকে সত্যি করার!

অবাক লাগছে? বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বলা যাক...

রাতে ঘুম হয় না বা যাদের রাতে ঘুমানোর অভ্যাস কম বা চলে গিয়েছে- এমন নানা সমস্যা থেকে মানুষকে মুক্তি উদ্যোগ নিয়েছে ‘ওয়েকফিট' (Wakefit) নামক এক সংস্থা।

তাদের শর্ত- প্রতিদিন ৯ ঘণ্টা ঘুমালেই পেয়ে যাবেন এক লাখ টাকা পারিশ্রমিক।

সম্প্রতি ‘ইনসমনিয়া’ ভুগছেন এমন বহু মানুষকে এই সমস্যা থেকে রেহাই দিতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এজন‌্য ‘ওয়েকফিট’ সম্প্রতি শুরু করেছে এক ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রাম ১০০ দিনের আর এর জন্য ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপনে ওই সংস্থা লিখেছে, ‘আপনি কি রাতে আপনার প্রিয় শোগুলো না দেখে তার পরিবর্তে নয় ঘণ্টা ঘুমাতে পারবেন? যদি তাই হয়, তাহলে আপনিই হতে পারেন যোগ্য প্রার্থী, আমরা যার খোঁজ করছি।’ এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ওয়েকফিট স্লিপ ইন্টার্নশিপ’।

‘ওয়েকফিট স্লিপ ইন্টার্নশিপ’-এর যোগ্য প্রার্থী হতে লাগবে ‘শুধু ঘুম!’ তবে এর সঙ্গেই জুড়ে দেওয়া হয়েছে কিছু শর্ত।

শর্তগুলো হলো-

১) যিনি শোয়ার ১০-২০ মিনিটের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। যার যখন তখন সামান্য সুযোগ পেলেই ঘুমিয়ে পড়ার ক্ষমতা রয়েছে।

২) দ্বিতীয়ত, এর অন্যতম শর্ত বেশি রাত পর্যন্ত জেগে না থাকা। নিজের ফোনে আসা একের পর এক নোটিফিকেশনকেও অগ্রাহ্য করতে পারার ক্ষমতাও থাকতে হবে।

৩) ইন্টার্নদের ঘুমাতে হবে ওয়েকফিটের দেওয়া ম্যাট্রেসে। স্লিপ ট্র্যাকারের মাধ্যেমে তাদের ঘুমের নানা দিক লক্ষ্য রাখা হবে। সেই অনুযায়ী ভাল ঘুমানোর পরামর্শ দিতে কাউন্সেলিং সেশনও থাকবে।

বিস্তারিত খবর

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফিরল শক্তিশালী ইঁদুর

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-১১ ১২:২৩:১৭


গত মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) থেকে ৩৮০০ পাউন্ড ওজনের কার্গো বহন করে পৃথিবীতে নিরাপদে অবতরণ করেছে স্পেসএক্সের তৈরি মহাকাশযান ‘ড্রাগন’।

ড্রাগন নামক এই কার্গো মহাকাশযানটির মধ্যে ছিল ৪০টি ইঁদুর, যার মধ্যে বিজ্ঞানীদের জিনগতভাবে পরির্তন করা অত্যন্ত পেশীবহুল ৮টি ইঁদুর ছিল। এই ইঁদুরগুলোকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা শক্তিশালী পেশীর এই ইঁদুরগুলোকে পর্যবেক্ষণ করে নভোচারীদের মহাকাশে সুস্থ রাখার বিষয়টি বিজ্ঞানীরা উদঘাটন করতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করছেন।

এই ৪০টি ইঁদুর স্পেসএক্সের মহাকাশযানে চড়ে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছিল রোডেন্ট রিসার্চ-১৯ প্রকল্পের অংশ হিসেবে। মহাকাশে মাইক্রোগ্রাভিটি কীভাবে পেশী ও হাড়ের ক্ষয়কে প্রভাবিত করে তা পরীক্ষা করার জন্যই এই গবেষণা প্রকল্পের উদ্যোগ নেন বিজ্ঞানীরা।

এই পরীক্ষা চালানোর কারণ হচ্ছে, এর আগে জানা গিয়েছিল যে দীর্ঘদিন মহাকাশে থাকার পরে যারা ফিরে এসেছেন, তাদের শরীরে কিছু ঝামেলা হয়েছিল। মহাকাশের ওজনহীনতায় নভোচারীদের হাড় ও মাংসপেশী ক্ষয়ের ঘটনা ঘটেছিল।। তাই বিজ্ঞানীরা ৮টি ইঁদুরকে জেনেটিক্যালি পরিবর্তন করে পৃথিবীর ইঁদুরের দ্বিগুণ শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠিয়েছিলেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে থাকা নভোচারীরাও ইঁদুরগুলোর ওপর কিছু ওষুধ ব্যবহার করেছিলেন। এটা জানার জন্য যে, মহাকাশে দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে পেশী এবং হাড়ের ক্ষয় ঠিক কি কারণে হয়।

আর এখন যেহেতু শক্তিশালী ইঁদুরগুলো ও তাদের সঙ্গী ইঁদুরগুলো পৃথিবীতে ফিরে এসেছে, তাই বিজ্ঞানীরা তাদের ওপর গবেষণা করে পেশী ও হাড় ক্ষয়ের কৌশলগুলো খুঁজে বের করতে পারবেন।

গবেষণা প্রকল্পটির সহ-গবেষক সে-জিন লি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘নভোচারীদের পেশী এবং হাড়ের ওপর মাইক্রোগ্রাভিটির প্রভাব সম্পর্কে আমরা যা জানছি তা মহাকাশ এবং পৃথিবী- ‍উভয় ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সহায়তা করবে। এছাড়া বয়স্ক ব্যক্তি কিংবা এইডস, এএলএস, ক্যানসারসহ অন্যান্য রোগে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ সম্পর্কেও আরো ভালো ধারণা লাভ করা সম্ভব হবে।’

বিস্তারিত খবর

চুল বিক্রি করে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন মা

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-১০ ২৩:২০:৫৯

সাত মাস আগে আত্মহত্যা করে মারা গেছে স্বামী। আপাদমস্তক ঋণে জর্জরিত। হাতে কানাকড়িও নেই। অন্যের কাছে হাত পেতেও সাহায্য পাননি। তার তিনটি সন্তানই অভুক্ত। খাবারের জন্য তারা কাঁদছে। শেষমেশ অসহায়-দরদি মা নিজের চুল বিক্রি করে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন।

এমনই হৃদয়-বিদারক ঘটনা ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের সালেম শহরে। অসহায় ওই নারীর নাম প্রেমা (৩১)। পরে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছেন ওই নারী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজএইটিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার প্রেমার কাছে কোনো কানাকড়িও ছিল না। চোখের সামনে ক্ষুধার জ্বালায় কাঁদছিল তিন শিশু। তাদের একজনের বয়স পাঁচ বছর। বাকি দুজনের বয়স আরও কম-দুই আর তিন বছর। বাড়িতে খাবারের জন্য কিছুই ছিল না। বাধ্য হয়ে কয়েক জনের কাছে হাতও পাতেন। কিন্তু কারও মন গলেনি। সবাই তাকে তাড়িয়ে দেয়। দিশেহারা অবস্থায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন প্রেমা। ভেবে পাচ্ছিলেন না কী করবেন। ঠিক সেই সময়েই রাস্তা দিয়ে এক ফেরিওয়ালা পরচুলা বানানোর জন্য চুল কিনবেন বলে হেঁকে যাচ্ছিলেন! এক মুহূর্তও আর ভাবেননি প্রেমা! নিজের চুল কেটে ১৫০ টাকায় বিক্রি করেন। ১০০ টাকা দিয়ে সন্তানদের জন্য খাবার কেনেন। বাকি টাকা নিয়ে পাশেই একটি দোকানে কীটনাশক কিনতে যান প্রেমা।

প্রেমার এই ঘটনার এক সপ্তাহ পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন জি বালা নামের এক গ্রাফিক ডিজাইনার। তিনি লেখেন, ‘প্রেমা বিষাক্ত আরালি বীজ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। কিন্তু বোন এসে তাকে আটকায়।’

জানা গেছে, ওই ঘটনা পোস্ট করার পর তার সাহায্যে অনেকে এগিয়ে আসেন। তার জন্য সংগ্রহ করা হয় ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। বৃহস্পতিবার সালেম জেলা প্রশাসন প্রেমার মাসিক বিধবা ভাতা চালু করে দেয়। বর্তমানে বালার এক বন্ধুর ইটভাটায় কাজ করছেন প্রেমা।

বিস্তারিত খবর

বরের মুখ দেখেই বিয়ে ভেঙে দিল কনে

 প্রকাশিত: ২০১৯-১২-০৫ ১০:৩৩:৪৬


বিয়ের মঞ্চ প্রস্তুত, অতিথিরা চলে এসেছেন। স্বজনরা অপেক্ষায় আছেন শুভক্ষণের; কিন্তু শেষ মুহূর্তে বাধলো বিপত্তিটা। বিয়ে বাতিল করে দিলেন কনে। বললেন, এ বিয়ে হবে না।

কেন? কারণ হিসেবে জানা গেল, বরের বয়স বেশি ও চেহারা সুন্দর নয়। কনের অজুহাত, এই বর তার সৌন্দর্যের সাথে মানানসই নয়। তাই বিয়ে হবে না। এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের কানপুরে।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে গালফ নিউজ জানিয়েছে, গত ২৪ নভেম্বর রোববার কানপুরের সাচেন্দি এলাকায় এই কাণ্ড হয়েছে। বিয়ের একেবারে আগ মুহূর্তে ‘শুভদৃষ্টির’ সময় বর ও কনে যখন পরস্পরের মুখের পর্দা সরিয়ে ফেলে তখনই বরের মুখ দেখে বেঁকে বসে কনে। কনে বলেন, এমন কালো ছেলেকে বিয়ে করবো না।

এমন ঘট্নায় তাৎক্ষণিকভাবে উত্তজনা ছড়িয়ে পড়ে বিয়ে বাড়িতে। পরিস্থিতি সামলাতে আসতে হয় পুলিশকে। তবে সব কিছুর পরেও কনে তার জেদে অটল থাকেন এবং শেষ পর্যন্ত বিয়ে না করেই ফিরে যান। পরে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে এক সমঝোতা বৈঠকে বিয়ের খরচাপাতি বিষয়ে সমাধান হয়।

খবরে বলা হয়েছে, কনের পরিবারের মুরুব্বিরা তাকে বুঝিয়ে বিয়েতে রাজি করানোর অনেক চেষ্টা করেছেন কিন্তু কাজ হয়নি। সব আয়োজন সম্পন্ন, অতিথিরা এসে গেছে এমন অবস্থায় বিয়েটা না ভাঙতে কনেকে অনেকেই অনুরোধ করেছেন। কিন্তু করেন এক কথা, এমন অসুন্দর ছেলেকে বিয়ে করবো না।

পরে ওই দিন সন্ধ্যায় আবারো বসেছিলেন দুই পরিবারের লোকরা। সেখানেও তারা বিয়ে অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা করেছেন; কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি।



বিস্তারিত খবর

পঙ্গু থেকে মডেল, আয় ৫০ লাখ টাকা!

 প্রকাশিত: ২০১৯-১২-০২ ১০:২৪:৪০


মাত্র এক সপ্তাহ বয়সেই পঙ্গু মেয়েকে রাস্তায় ফেলে দেন নিষ্ঠুর বাবা-মা। কিন্তু সেই মেয়েই একদিন বড় হয়ে সুপার মডেল হবে তা কে জানতো!

২৩ বছর বয়সী এই সুপার মডেলের নাম সেসর। দুই পা না থাকলেও ইচ্ছা আর মনোবলের জোরেই বর্তমানে তিনি সুপার মডেল। প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে এরই মধ্যে চমকে দিয়েছেন গোটা বিশ্বকে।

সেসরের জন্ম থাইল্যান্ডে। জন্ম থেকেই শারীরিকভাবে পঙ্গু মেয়ের বাবা-মা তাকে জন্মের এক সপ্তাহ পরই একটি বৌদ্ধ মন্দিরের পাশের রাস্তায় ফেলে চলে যান।

এরপর শিশু সেসরের ঠিকানা হয় অনাথ আশ্রমে। সেখান থেকেই তাকে দত্তক নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান জিমি ও মারিয়ান সেসর নামের এক দম্পতি। সন্তানস্নেহে বড় করেন বিকলাঙ্গ মেয়েকে।

সেসর আজ বিভিন্ন পোশাক নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সুপরিচিত মডেল। সেসর জানিয়েছেন, শুধু বিজ্ঞাপন থেকেই মাসে ৫০ লাখ টাকা (৬০ হাজার ডলার) আয় করেন।

বিস্তারিত খবর

রেস্তোরাঁ কর্মীকে গাড়ি বখশিশ দিলেন ক্রেতা

 প্রকাশিত: ২০১৯-১১-৩০ ০৭:১৩:১৩


অ্যাড্রিয়ানা এডওয়ার্ড। কাজ করেন টেক্সাসের গালভেস্টনে রেস্টুরেন্ট চেইন ডেনিসের একটি শাখায়।  প্রতিদিন বাড়ি থেকে তার কর্মস্থলে যেতে সময় লাগে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। তবে এডওয়ার্ড প্রতিদিন এ সময় (সাড়ে বাইশ কিলোমিটার রাস্তা) হেঁটেই যেতেন।

রেস্টুরেন্টে এসে এডওয়ার্ডের কষ্টের এ গল্প শুনে তাকে বখশিশ হিসেবে একটি গাড়ি  দিয়েছেন ওই রেস্তোরাঁর ক্রেতা স্বামী-স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে।

অ্যাড্রিয়ানা হেঁটে গিয়ে টাকা সঞ্চয় করছিলেন। সেই টাকায় তিনি গাড়ি কিনবেন ঠিক করেছিলেন। তবে টাকা জোগাড় না হলেও এখন তাকে আর হেঁটে আসতে হয় না। গাড়ি বখশিশ দিয়েছেন রেস্তোরাঁর ক্রেতা স্বামী-স্ত্রী। তবে তারা তাদের পরিচয় গোপন রেখেছেন।

মঙ্গলবার তারা সেই রেস্টুরেন্টে যান। কথা কথায় সেখানে অ্যাড্রিয়ানার কাহিনি জানতে পারেন। তারপরই তারা ঠিক করেন অ্যাড্রিয়ানাকে গাড়ি বখশিশ দেবেন।  সেই মতো ‘২০১১ নিসান সেন্ট্রা’ কিনে কয়েক ঘণ্টা পরে রেস্টুরেন্টে ফিরে আসেন এবং অ্যাড্রিয়ানার হাতে তুলে দেন নতুন গাড়ির চাবি। 

বিস্তারিত খবর

দোকানে গিয়ে চিকিৎসা নিল আহত হনুমান

 প্রকাশিত: ২০১৯-১১-১৭ ০৭:২৮:৪২

সপ্তাহান্তের সকালে মল্লারপুর স্টেশন চত্বর যেন কুস্তির আখড়া। শনিবার সকাল ন’টা নাগাদ স্টেশনে ঢোকার মুখে দুই পূর্ণবয়স্ক হনুমানের মারপিট দেখতে ভিড় জমেছিল। কে কাকে আঘাত করে মাটিতে ফেলতে পারবে তার লড়াই চলতে থাকে। হনুমানের মল্লযুদ্ধ দেখে অনেকে হাততালিও দিতে থাকেন। মারামারিতে জখম হয় দু’টি হনুমানই। কিছুক্ষণ পরে রণে ভঙ্গ দিয়ে একটি পালিয়ে যায়। অন্যটি বসে থাকে চুপ করে। বেশ কয়েক জায়গায় ক্ষতস্থান থেকে রক্ত ঝরতে দেখা যায়।

সকালের ভিড়ে ঠাসা স্টেশন চত্ত্বরে যাত্রীদের নিয়ে টোটোর যাওয়া আসা চলতেই থাকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আচমকা একটি টোটোয় চড়ে বসে জখম হনুমানটি। করুণ চোখে সহযাত্রীদের গায়ে হাত রেখে বোঝানোর চেষ্টা করে সে আক্রমণ করবে না। মল্লারপর স্টেশন থেকে খানিকটা দূরে পঞ্চায়েত ভবন। সেখানেই একটি ওষুধের দোকানের সামনে ঝুপ করে নেমে পড়ে হনুমানটি। ওষুধ দোকানের মালিক আনাজুল আজিম বলেন, ‘‘দোকানের সামনে বেঞ্চে বসে অপেক্ষা করছিল হনুমানটি। দোকানের ভিড় একটু কমতেই লাফ দিয়ে কাউন্টারে উঠে বসে কোমরের নীচে ও শরীরের অন্য অংশে ক্ষতস্থানগুলো দেখাতে থাকে। আমার হাত ধরে এমন ভাব করে যেন চিকিৎসা চাইছে।’’ দোকানে ওষুধ নিতে এসেছিলেন শক্তিপদ মিস্ত্রি নামে স্থানীয় এক যুবক। তিনিও হাত লাগান জখম হনুমানের ক্ষতে মলম ও ব্যান্ডেজ করায়। ওষুধ লাগিয়ে ব্যান্ডেজ করে দেওয়ার পরেও ক্ষতস্থানগুলি বারবার দেখাতে থাকায় ওই ওষুধ দোকানদারের মনে হয় ব্যথার জন্য হনুমানটি এরকম করছে। কাপে জল নিয়ে একটি ব্যথা কমার ওষুধও খাওয়ানো হয় তাকে। সঙ্গে খান চারেক কলা। কিছুক্ষণ বসে থেকে আনাজুলের কাঁধে হাত রেখে দোকানের কাউন্টার থেকে রাস্তায় নেমে ফের একটি স্টেশনগামী টোটোয় চড়ে বসে সে।            

মল্লারপুরের ঘটনা মনে করিয়ে দেয় বছর আড়াই আগে এরকমই এক শনিবারের সকালে হুগলির চুঁচুড়া ইমামবাড়া (সদর) হাসপাতালে পুরষ বিভাগে কর্তব্যরত নার্সদের চমকে দিয়েছিল একটি হনুমান। ডান পায়ে রক্ত ঝরছিল। নার্সদের বারবার ক্ষতস্থান দেখিয়ে হাত নেড়ে ডাকতে থাকে হনুমানটি। অন্যরা ভয় পেলেও একজন নার্স এগিয়ে এসে হনুমানটির চিকিৎসা করেন। ব্যান্ডেজ করে দেন পায়ে। তারপরে তার গায়ে হাত বুলিয়ে দিতে শুশ্রূষা হয়েছে বুঝতে পেরে চলে যায় হনুমানটি। বন্যপ্রাণী গবেষক শান্তিনিকেতনের ঈশানচন্দ্র মিশ্র বলেন, ‘‘যে সব প্রাণী মানুষের কাছাকাছি থাকে তাদের কেউ কেউ মানুষের আচরণ, কার্যকলাপ অনুসরণ করে। হনুমান, বাঁদর বা কুকুরের অনুসরণের ক্ষমতা অনেক বেশি।’’

বিস্তারিত খবর

এ পি জে আবদুল কালাম: কিংবদন্তি হয়ে ওঠার গল্প

 প্রকাশিত: ২০১৯-১০-১৫ ১৫:৩৮:৩৬

এ পি জে আবদুল কালাম বিশ্ব ইতিহাসে একটি অনুপ্রেরণার নাম। আমরা তাকে অনেক উপাধি, অনেক উদাহরণেই চিনি। এ পি জে আবদুল একজন জীবন্ত ইতিহাস, কিংবদন্তি, আদর্শবাদী, অসাধারণ ব্যক্তিত্বের এক চমৎকার প্রতিচ্ছবি। একেবারে শূন্যের কোটা থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন, হয়েছিলেন জাতির পথপ্রদর্শক। আজ তার জন্মদিন। জন্মদিনে তার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা।

বাবা ছিলেন মাঝি, হ্যাঁ নাদের মাঝির ছেলে এ পি জে আবদুল কালাম ভারতের রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন। জন্মেছিলেন ১৫ অক্টোবর ১৯৩১ সালে। জীবনে বার বার হেরে গিয়ে জিতে গেছেন তিনি। কখনো তিনি মনোবল হারাননি হৃদয়ের অধিকারী এই অসাম্প্রদায়িক মানুষ।

এ পি জে আবদুল কালাম ছিলেন দারুণ প্রতিভাবান এক বাগ্মী। তাঁর বাকচাতুর্য মনকে ভরিয়ে দেয়, অদ্ভুত এক অনুপ্রেরণা বোধ হয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে যেতেন তরুণদের জাগিয়ে তুলতে, তাদের ভেতরের জীবটি লালন-পালন করার জন্য। ছাত্রছাত্রীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় সাধারণ পোশাকের মোড়কে থাকা এই অসাধারণ মানুষটি।

তিনি এক মহান সুযোগ পেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি হয়ে ভারতের দায়ভার নেওয়ার। সেবা দিয়ে গিয়েছিলেন সুচারুভাবে। দুর্নীতির কালো পাহাড় তাকে বিন্দুমাত্র টলাতে পারেনি। শিশুসুলভ এই সদাহাস্য ব্যক্তিটি অকপটে সাধারণের ভেতর মিশে গেছেন। কোট-টাই পরা শুরু করেছিলেন রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর। এর আগে পোশাকে ছিলেন সাধারণ, কিন্তু ব্যক্তিত্বে ছিলেন অসাধারণ।

ভারতের ১১তম রাষ্ট্রপতি এ পি জে কালাম যেদিন রাষ্ট্রপতি ভবন ছেড়েছিলেন, সেদিন সেই জিনিসগুলোই তাঁর সঙ্গে ছিল, যেগুলো তিনি ভবনে প্রবেশের সময় সঙ্গে নিয়েছিলেন। তিনি অনুকরণীয় এবং দারুণভাবে অনুসরণীয়।

এই মহান মানুষটি ২০১৪ সালের ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশে এসেছিলেন। মিসাইল ম্যান এ পি জে কালাম ছিলেন দারুণ সাদাসিধে টাইপের মানুষ। কাজের ভারে বিয়ে করার সময়টাও নাকি মেলাতে পারেননি। দেশের জন্য অকাতরে শুধু নিজেকে সঁপে দিয়েছেন। অকুতোভয় আপসহীন দেশপ্রেমিক ক্ষমতার লোভে কখনো নিজেকে বিকিয়ে দেননি। নিজেকে সাধারণের কাতারে দাঁড় করিয়ে সবকিছুর চুলচেরা বিশ্লেষণ করতেন। সম্ভবত এ জন্য এই নিরহংকারী মানুষটি ‘জনগণের রাষ্ট্রপতি’ হতে পেরেছিলেন।

এই মানুষটি জীবনের আনন্দ খুঁজেছিলেন কাজের মাঝে। কাজই তাঁকে অমর করে রেখেছে। এ পি জে দারুণ আত্মবিশ্বাসী একজন মানুষ। যে রাজ্যে তিনি পদচারণা করেছেন, তা সুশোভিত করেছেন। তাই তো তাঁর অবদানকে আরো তাৎপর্যমণ্ডিত করতে তিনি তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেন নিজের চিন্তাচেতনার কথা। তরুণদের মনে দারুণভাবে দাগ কেটেছিলেন আধুনিক বিজ্ঞানের এই মহীরুহ। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে তরুণ-তরুণীদের মনকে আন্দোলিত করতে ছুটে যেতেন। তিনি স্বপ্ন দেখাতেন তরুণদের।

তাঁর ‘Wings of Fire’, ‘Turning Points’ কিংবা ‘Ignited Minds’ যুবসমাজের মধ্যে সহসা যে শক্তি জুগিয়েছে, তা আসলে ঈর্ষণীয়। অথচ কে জানত, নাদের মাঝির ছেলে ভারতের রাষ্ট্রপতি হবেন! কতদিন খেয়ে না খেয়ে পড়াশোনা করেছেন। দুঃখকে তিনি জয় করেছেন তাঁর সৎ চেষ্টা দ্বারা। হারতে হারতে জিতে যাওয়া এই মানুষটি একসময় চেয়েছিলেন পাইলট হবেন। কিন্তু হয়েছিলেন পরমাণুবিজ্ঞানী। ভারতের পারমাণবিক ক্ষেত্র সাফল্যের চূড়ায় আরোহণ করেছে যে ব্যক্তিগুলোর হাত ধরে, তার মধ্যে এ পি জের ভূমিকা সর্বাগ্রে বিদিত।

এ পি জে সম্ভবত একবিংশ শতাব্দীতে ভারতের সেরা আবিষ্কারের মধ্যে অন্যতম। পেছনে না তাকিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখাতেন তিনি। আধুনিক ভারতের রূপকার এ পি জে মনে করতেন, পৃথিবীর সব মানুষ সমান। মিডিয়ায় বিতর্কিত কমেন্ট করে কখনো পত্রিকার শিরোনাম হননি। তাঁর ‘Wings of Fire’ অন্যতম বেস্ট সেলার। ১০ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে এ বইটি। তাঁর লেখা জ্ঞানের এমন আধার, যার ভেতরে ধার ও ভার দুটিই আছে। আসলে যে পারে, সে পারে। একাধারে তিনি একজন বিজ্ঞানী, রাষ্ট্রপতি, বক্তা, লেখক সর্বোপরি একজন ভালো মানুষ। জীবনে বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, তবে সমাজকে দূষিত করে নয়। তাঁর জীবনের সবচেয়ে সেরা পুরস্কার মানুষের ভালোবাসা। তাঁর কর্মময় জীবনের জন্য তিনি বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে। এ পি জের মতো ব্যক্তিত্বদের আজ দরকার ভঙ্গুর দেশের ভার নেওয়ার জন্য। তিনি আমাদের ছেড়ে যান ২৭ জুলাই, ২০১৫। শিলংয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগকারী এই নিরহংকার, সদা হাস্যোজ্জ্বল, সহজ-সরল মানুষটি আমার জীবনের সবচেয়ে সেরা পথপ্রদর্শক।

বিস্তারিত খবর

৪৫ বছর ধরে বিশাল পাতিলে রান্না হচ্ছে স্যুপ

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৮-০১ ১৬:১১:৫২

কথায় আছে ওয়াইন যত পুরনো হয়, তার স্বাদও তত বাড়ে। বাড়ে দামও। দামি পুরনো জিনিসের তালিকায় এতদিন মদের একচেটিয়া অধিকার রইলেও এবার সেই তালিকায় যোগ হয়েছে আরেক পানীয়। সেটি হচ্ছে- স্যুপ।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে একটি রেস্তোরাঁয় ৪৫ বছর ধরে রান্না করা হচ্ছে একই স্যুপ। পরিবার পরিচালিত ওই রেস্তোরাঁটি ঘিরে গ্রাহকদের আনাগোনা লেগেই আছে। এই স্যুপ খেতেই দেশ-বিদেশ থেকে বহু পর্যটক গিয়ে হাজির হয় ওই রেস্তোরাঁয়।

৪৫ বছর ধরে একই স্যুপ সরবরাহ করে আসছে রেস্তোরাঁটি। এর নাম ওয়াত্তানা পানিচ। রেস্তোরাঁটি বিশাল পাত্রে স্যুপ রান্না করে। দিনশেষে অবশিষ্ট স্যুপটুকু সংরক্ষণ করে রাখে। পরের দিন একই পাত্রে আবার সেই স্যুপ দিয়েই নতুন স্যুপ বানানো হয়। ৪৫ বছর ধরে একই নিয়মে রান্না হচ্ছে স্যুপ। প্রতিদিন একই স্যুপে টাটকা মাংস, মিটবল এবং অন্যান্য নানা উপাদান জুড়ে নতুন করে রান্না করা হয়। ফলে এই স্যুপের স্বাদই আলাদা। কদরও বেশি।

নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেস্তোরাঁর মালিক নাট্টাপং কৌওয়েনানতাওয়ং। তিনি তার মা ও স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে এই বিশেষ স্যুপটি রান্না করেন। স্যুপটির স্থানীয় নাম নিউয়া টিউন।

নাট্টাপং জানান, ৪৫ বছর ধরে আমাদের স্যুপের ঝোল কোনো দিন রান্নার পরে ফেলে দেয়া হয়নি। এই ঝোল ৪৫ বছর ধরে সংরক্ষণ করা হয়ে আসছে এবং রান্না করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রাচীন এই রন্ধন পদ্ধতিটি স্যুপে একটি স্বতন্ত্র স্বাদ ও গন্ধ যোগ করেছে।

তবে শুধু ব্যাংকক নয়, নিউয়া টিউন স্যুপটি এখন বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। সোশ্যাল মিডিয়াতে অভিনব এই স্যুপের প্রশংসা করে অনেকেই পোস্ট করেছেন।

বিস্তারিত খবর

ছোবল খেয়ে সাপকে কামড়ে টুকরো !

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৭-৩১ ০৬:২৬:৫১

সাপের কাপমড় খেয়ে প্রতিশোধ নিতে সাপকে টুকরো টুকরো কামড়ে মেরেছেন এক ব্যক্তি । সম্প্রতি ভারতের উত্তরপ্রদেশের এটাহ জেলার আসরৌলি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

রামকুমার নামের ওই ব্যক্তি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাজ কুমারের অবস্থা  আশঙ্কাজনক।

রাজকুমারের বাবা বাবু রাম জানান, রবিবার রাতে তার ছেলে নেশা করে বাড়ি ফিরেছিল। ওই সময় রাজকুমারের ঘরে একটি সাপ ঢোকে এবং তাকে কামড়ায়। এতে ছেলে ক্ষিপ্ত হয়ে সাপটাকে কামড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলে। বাবু রাম বলেন, ‘ ছেলের অবস্থা গুরুতর। কিন্তু তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া আমাদের পক্ষে অসম্ভব’।

স্থানীয় হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলছেন, তারা প্রথমে বুঝতেই পারেননি যে রাজ কুমার একটি সাপকে কামড়ে টুকরো করে ফেলেছেন।

একজন চিকিৎসক বলেন, ‘ওই যুবক এসে আমাদের জানায় যে সে একটি সাপকে কামড়ে দিয়েছে। আমি প্রথমে ব্যাপারটা বুঝতে পারিনি। আমি ভেবেছিলাম সাপ ওকে ছোবল মেরেছে। তারপরে বিষয়টা স্পষ্ট হয় আমার কাছে’।

তিনি আরও বলেন, ‘সাপে কাটা রোগী প্রায়ই আসে আমাদের কাছে। কিন্তু সাপকে কাপড়ে দেওয়া রোগী জীবনে প্রথম দেখলাম’। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, অবস্থা খারাপ হওয়ায় রাজকুমারকে আরেকটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভারতে সাপকে কামড়ে দেওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়।

গত মে মাসে গুজরাট রাজ্যে সাপের ছোবল খাওয়ার পরে ৬০-বছর বয়সী এক ব্যক্তি সাপটিকেই কামড়ে দিয়েছিলেন। এতে ওই ব্যক্তির সঙ্গে সঙ্গে সাপটিও মারা যায়।

বিস্তারিত খবর

লন্ডনী বিয়ে: খরচ ৫০ লক্ষ টাকা, স্থায়ী‌ত্ব ৩ মিনিট!

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৬-৩০ ১৩:১০:০৪

লন্ডনের একটি বিয়ের অনুষ্ঠান। বিয়ের ‘আকত’ হয়েছে ৩ মিনিট হল। বর তার নব্য বিবাহিত বউকে মিষ্টি খাওয়াতে এগিয়ে গেল। মিষ্টি খাওয়াতে গিয়ে ভুলবশত মিষ্টির এক টুকরো কনের বিয়ের শাড়িতে পড়ে গেল। কনে রাগে অস্থির হয়ে বরকে সরি বলল বললো। সাথে বর সরি বললো।
কনে বলল এভাবে না তোমাকে মাইকে বলতে হবে। তো বর তাই করল মাইকে সরি বললো । এবার কনে বললো একবার বললে হবে না ৩ বার বলতে হবে। বর কিচ্ছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল ঠিক আছে-
sorry
sorry
sorry
তবে আমি আরও একটু বলতে চাই –
১ তালাক
২ তালাক
৩ তালাক
বাইন তালাক।

এভাবে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার একটি ধুমধামের বিয়ে তিন মিনিটে শেষ হয়ে গেলো। এটি সম্প্রতি লন্ডনে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা। যিনি এই ঘটনার খবর জানিয়েছেন তিনি বর-কনের নাম পরিচয় প্রকাশ করেননি।

(সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে নেয়া)

বিস্তারিত খবর

ভারতের নির্বাচনে গরু নিয়ে গোঁয়ার্তুমি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৪-০৮ ১৪:৫২:২১

ভারতে ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর এখন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে ঘিরেও জাতীয়তাবাদের প্রতীক বলতে সবার মুখে একটাই নাম ‘গো-মাতা’। কীভাবে ছড়াচ্ছে এই চিন্তা?

আগে ছিল রাম
নব্বইয়ের দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের প্রতীক বা আদর্শিক মূলে ছিল অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের প্রকল্প, যাকে ঘিরে ভারতের রাজনীতিতে শক্তিশালী হতে থাকে ভারতীয় জনতা পার্টি, বিজেপি। এখন রাম মন্দির নির্মাণের আন্দোলন মূলস্রোতের রাজনীতিতে হারিয়ে গেলেও তার জায়গা নিয়েছে ‘গো-রক্ষা’ ও ‘গো-মাতা’র মতো নতুন ইস্যু।

গরুর গুরুত্ব
সনাতনধর্ম প্রচলনের বহু আগে থেকেই দক্ষিণ এশিয়ায় গবাদি পশু ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ধার্মিক আচারের মধ্যে এই প্রাণীর পবিত্রতার কথা উল্লেখ থাকায় ভারতে তার গুরুত্ব বেড়েছে কয়েকগুণ। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন উৎসবে গরুকে আরাধ্য হিসাবে দেখা হয়। গরুর বহু গুণের জন্য তাকে অনেকে পুজো করেন ‘মাতা’ হিসাবে।

গরু বাঁচাতে যা হলো...
২০১৪ সালে যখন বিজেপি ক্ষমতায় আসে, তখন তাদের নির্বাচনি ইশতাহারের অনেকটা জুড়ে ছিল ‘গো-রক্ষা’র প্রচার। বলা হয়েছিল যে, ক্ষমতায় আসলে প্রতিটি রাজ্যে গো-রক্ষা কমিটি গঠন করা হবে। গো-মাংস ভক্ষণ করে যারা, তাদের হাত থেকে ‘গো-মাতা’কে বাঁচাতে বেশ কয়েকটি রাজ্যে তা গঠিতও হয়েছে।

গরুর জন্য খুন!
২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে গো-রক্ষার নামে ভারতে এখন পর্যন্ত ২৮০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন প্রাণও হারিয়েছেন। প্রশ্ন উঠছে, গরুকে বাঁচানোর নামে কি তবে ভারতে চলছে মানুষ মারার উৎসব? শুধু তাই নয়, যারা হিন্দু নন তাদের বিরুদ্ধে হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা গো-মাংস ভক্ষণের অভিযোগ তুলছে, যা হিন্দুত্ববাদীদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত করে বলে জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের ‘গো-রক্ষা বাহিনী’র সদস্য কমল।

নিষিদ্ধ গো-মাংস
২০১৪ সালে সরকার গঠনের পর ভারতীয় জনতা পার্টি ভারতের একাধিক রাজ্যে গো-মাংস নিষিদ্ধ করে। একই সাথে রাজ্যগুলিতে বাড়তে থাকে বিভিন্ন গো-রক্ষা বাহিনীর তৎপরতা, যারা প্রায়ই গো-রক্ষার নামে সংখ্যালঘু মানুষদের নানাভাবে হেনস্থা করে। উল্লেখ্য, গো-মাংস ভক্ষণ নিষিদ্ধ হলেও বর্তমানে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গো-মাংস রপ্তানিকারক দেশের তালিকায় দ্বিতীয়।

আইন বড়, না গরু?
নরেন্দ্র মোদী একটি কমিটি গঠন করেন, যার উদ্দেশ্য ভারতের আদি নিবাসী যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা, তা প্রমাণ করা। এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের আধিকারিক অভিনব প্রসূন বলেন, ‘‘এটি রাজনৈতিক বিষয়।’’ এভাবেই হিন্দু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীদের তালে তাল মিলিয়ে বদলাচ্ছে আইন, সরকারি কর্মসূচি। গো-রক্ষা থেকে হিন্দুত্ববাদী কমিটি- সবখানেই স্পষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা। গরু হয়ে উঠছে জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেমের প্রতীক।

ভোটের বাজারে গরু
ভারতে গো-রক্ষার নামে যে সহিংসতা চালু হয়েছে গত কয়েক বছরে, তা সবারই জানা। আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীত্ব লাভ করেছেন এমন দু’জন ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে গো-রক্ষার নামে মানুষ খুনের অভিযোগ! গরুকে জাতীয়তাবাদের প্রতীক বানিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভয়ের পরিবেশ। কিন্তু এবারও কি নির্বাচনে গো-রক্ষার জয়যাত্রা অব্যাহত থাকবে?

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

হীরার তৈরি বিমান!

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-০৮ ০৯:৪৮:৩৬

হীরার তৈরি আস্ত একটি বিমান। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক এমিরেটস এয়ারলাইন্সের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে করা একটি পোস্ট উসকে দিল সেই জল্পনা। হাজার হাজার হীরা খচিত বিমানের গায়ে। ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়ে পড়েছে হীরার তৈরি ওই বিমানের ছবি। সত্যিই এটি বিমান নাকি অন্য কিছু? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল মানুষের মনে।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের রত্নখচিত বোয়িং ৭৭৭ বিমানটিকে ‘ব্লিং ৭৭৭’ বলে উল্লেখ করেছে। সাধারণ মানুষ যারা প্রথমবার এই বিমানের ছবিটি দেখেছেন তারা সবাই কমেন্টে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তবে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল ছবিটির ক্যাপশন থেকেই। এমিরেটস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে আসলে হীরা দিয়ে তৈরি করা হয়নি বিমানটি। কিন্তু সেদিকে কারও চোখ যায়নি। কারণ কয়েক লক্ষাধিক হীরার ঝলকানিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের চোখ গেছে আটকে।

‘হীরার বিমানে’র ছবি শেয়ার করে এমিরেটস লিখেছে, ‘‘দি এমিরেটস ‘ব্লিং’ ৭৭৭, ছবিটি তৈরি করেছেন সারা শাকিল।’’ 

খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারা শাকিল হচ্ছেন একজন ক্রিস্টাল শিল্পী। ইনস্টাগ্রামে বিখ্যাত এই শিল্পীর প্রায় পাঁচ লাখ ফলোয়ার আছে। গত মঙ্গলবার সারা ইনস্টাগ্রামে তার এই আর্টওয়ার্কের ছবি শেয়ার করেছিলেন। ছবিটি দেখেই এমিরেটস এয়ারলাইন্সের অনেক পছন্দ হয়ে যায়। শাকিলের অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি নিয়ে নিজেদের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে এমিরেটস। এ ছাড়া ছবির পুরস্কার হিসেবে পাকিস্তান থেকে মিলান অবধি সারা শাকিলকে বিনামূল্যে বিমানযাত্রার ব্যবস্থা করে দেয় এমিরেটস।

সারা শাকিলের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ৫৬ হাজারের বেশি মানুষ লাইক করেছে এটি।

বিস্তারিত খবর

আংটির নকশা করলেন অ্যাপলের প্রধান ডিজাইনার, দাম কত?

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১৩ ১২:৪৩:১০

আপনি অ্যাপলকে পছন্দ করতে পারেন কিংবা না-ও পারেন। যে দলেই থাকুন না কেন, প্রতিষ্ঠানটির ডিজাইন পরিকল্পনা বা ডিজাইন দর্শন সম্পর্কে সমালোচনা করার সুযোগ খুব একটা পাবেন না।

বর্তমানে অ্যাপলের প্রধান ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছেন জনি ইভে। সম্প্রতি প্রযুক্তি জগতের বাইরের একটি পণ্যের ডিজাইন করেছেন তিনি। এই পণ্যটি হলো হীরার আংটি।

গেজেটস নাউয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আংটি তৈরিতে হীরা ছাড়া আর কিছু ব্যবহার করা হয়নি। একে তো হীরা, তার ওপর এর ডিজাইন করেছেন অ্যাপলের প্রধান ডিজাইনার। বুঝতেই পারছেন দাম কীরকম হবে।

জানা গেছে, হীরার এই আংটি ২ লাখ ৫০ হাজার ডলারে বিক্রি করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যার বাংলাদেশি মুদ্রায় দাম হয় ২ কোটি ৫ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে এই আংটির দিকে নজর দিয়েছেন অনেকেই।

অন্য এক প্রতিবেদনে বিজনেস ইনসাইডার জানিয়েছে, বিখ্যাত নিলামকারী প্রতিষ্ঠান সথেবে এটা বিক্রি করবে। নিলামে সর্বোচ্চ দাম হাঁকানো ব্যক্তিই আংটি নিজের করে নিতে পারবেন। ৫ ডিসেম্বর এই নিলাম হওয়ার কথা রয়েছে।

বিস্তারিত খবর

বিশ্বের সবচেয়ে সেক্সি পুরুষ ইদ্রিস এলবা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ০১:১৬:১৮

আগামী জেমস বন্ডের ভূমিকায় হয়তো অভিনয় করা হবে না ইদ্রিস এলবার। কিন্তু, প্রভাবশালী মার্কিন ম্যাগাজিন তাকে এ বছরের সবচেয়ে সেক্সি পুরুষ হিসেবে অভিহিত করেছে।

ব্রিটিশ এই অভিনেতা পিপলের প্রচ্ছদে নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় জানান, প্রথমে তিনি এটা বিশ্বাসই করেননি।

ইদ্রিস এলবা বলেন, ‘পরে আয়নায় পরীক্ষা করে দেখলাম। মনে হলো আজকে আমাকে ভালোই লাগছে। তবে শুধুই একটা ভাল অনুভূতি, চমৎকার একটা সারপ্রাইজ ছিল। নিজের ইগোর জন্য এটা অবশ্যই ভালো ছিল।’

২০১৩ সালে নেলসন ম্যান্ডেলার জীবনী অবলম্বনে নির্মিত ‘ম্যান্ডেলা লং ওয়াক টু ফ্রিডম’ সিনেমায় ম্যান্ডেলার ভূমিকায় অভিনয় করেন। অন্যদিকে মার্ভেলের সুপার হিরো মুভি ‘থর’র নর্স মিথলজির এক দেবতার ভূমিকায়ও অভিনয় করেন তিনি।

যখন বড় পর্দায় অভিনয় করেন না তখন এলবা ডিজে বিগ ড্রিস নামে সঙ্গীত পরিবেশন করেন এবং তার নিজস্ব ব্র্যান্ডের পোশাকের নকশা করেন।

দুই সন্তানের জনক এলবা তার বাচ্চাদের পৃথবীতে আসার মুহূর্তকেই তার জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেন।

ব্রিটিশ এই অভিনেতা তার জীবনে কোনো আফসোস রাখতে চান না, ‘কী করা উচিৎ ছিল সেটা নিয়ে চিন্তা করাটা জীবন নয়। কালকের কোনো নিশ্চয়তা নেই, তাই যা করার আজই করা উচিৎ সবার। আপনি এটা প্রাণ ভরে যত খুশি করতে পারবেন, ততই বেঁচে থাকার মানে বুঝতে পারবেন।’

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

একটা গোলাপি হিরার দাম ৪১৮ কোটি!

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ০০:৫৯:৫১

বড় আকারের একটি গোলাপি হীরা আগামী সপ্তাহে জেনেভায় নিলামে তুলবে ক্রিস্টি’স। দুষ্প্রাপ্য হিরাটির জন্য নিলামে প্রায় ৫ কোটি ডলার বা ৪১৮ কোটি টাকা পাওয়া যেতে পারে আশা করছে বিক্রেতারা।

রত্ন বিশেষজ্ঞ জাঁ-মার্ক লুনেল বার্তা সংস্থা এএফপি জানান, ‘দ্য পিঙ্ক লিগাসি’ নামের ১৯ ক্যারেটের এই হিরাটি অত্যন্ত বিরল।

বেশিরভাগ গোলাপি হিরার ওজন এক ক্যারেটেরও কম হয় এটা বিবেচনা করলে এই হিরাটির বিশেষত্ব বুঝতে পারবেন, বলেন তিনি।

এর আভিজাত্যের কারণে এই হিরার নামকরণ করা হয়েছে ‘দ্য পিঙ্ক লেগাসি’। এর আগে এত দামি ও ঐতিহ্যময় রত্ন নিলামে ওঠেনি বলে দাবি করেন তারা।

সাধারণত বেশিরভাগ গোলাপি হিরাই এক ক্যারেটের কম ওজনের হয়। সেখানে এই হিরার ওজন ও ঔজ্জ্বল্য অত্যন্ত বেশি হওয়ায় একে ‘বিরল’ বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা। রঙের ঘনত্বের দিক থেকেও অন্য সব হিরকখণ্ডকে ছাড়িয়ে যাবে পিঙ্ক লিগাসি।

আগে, ২০১৭-র নভেম্বরে হংকংয়ে ১৫ ক্যারেটের একটি গোলাপি হিরা নিলামে ওঠে। প্রতি ক্যারেটের দামের হিসাবে ইতিহাসে সেটিই সবচেয়ে দামি হিরা হিসাবে পরিচিত ছিল।

২০১৩ সালে ৫৯ ক্যারেট ওজনের একটি গোলাপি হিরা নিলামে ওঠে, যার প্রতি ক্যারেটের দাম উঠেছিল প্রায় ১১.৫ কোটি টাকা।

আপাতত এই মূল্যবান হিরকখণ্ডটি জেনেভার ওপেনহাইমার পরিবারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। বিগত ১০ বছর ধরে এই পরিবার ডে বিয়ার্স ডায়মন্ড মাইনিং সংস্থার কর্ণধার। তবে, এই হিরকখণ্ডের বর্তমান মালিকের পরিচয় দিতে তারা অস্বীকার করেন।

এই হিরকখণ্ডটি দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো এক খনি থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেন রত্ন বিশেষজ্ঞ জিন মার্ক লুনেল। তার মতে, এটিই আপাতত পৃথিবীর সেরা হিরকখণ্ড।

তিনি মনে করেন, ১৯২০ সাল নাগাদ এই হিরকখণ্ডটিকে কেটে ১৯ ক্যারেটের ওজন দেয়া হয়। আগামী ১৩ তারিখ পৃথিবীর সেরা এই হিরের কত দাম ওঠে তা নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রত্ন ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা।

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত