যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭ ইং

|   ঢাকা - 04:46am

|   লন্ডন - 10:46pm

|   নিউইয়র্ক - 05:46pm

  সর্বশেষ :

  ধর্ম অবমাননা নিয়ে রংপুরে সহিংসতা, আদালতে টিটু রায়ের স্বীকারোক্তি   টিকাতেই নিরাময় হবে ক্যান্সার   মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা ‘জাতিগত বৈষম্যের’ শিকার : অ্যামনেস্টি   ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র জালিয়াতি, আটক ৮   নাইজেরিয়ায় মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫০   রোহিঙ্গাদের ফেরাতে চলতি সপ্তাহে সমঝোতার আশা সু চি’র   জানুয়ারি থেকে সব বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ ভাতা: প্রধানমন্ত্রী   আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে সেরা হলেন যারা   পদত্যাগ নয়, জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন মুগাবে   কেন সৌদি আরব এমন করছে?   মরক্কোয় ত্রাণ নেওয়ার সময় পদদলিত হয়ে নিহত ১৫   ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে রিট   শাহজালালের মাজারের কুপের পানিকে জমজমের পানি বলে প্রতারণা : তদন্তের নির্দেশ আদালতের   এলপিজি আমদানির জাহাজ কিনলো বেক্সিমকো পেট্রোলিয়াম   রোহঙ্গিা সঙ্কট নিরসনে চীনের ৩ ধাপের প্রস্তাব

>>  টুকিটাকি এর সকল সংবাদ

গুগল ম্যাপে দেখা যাবে পৃথিবীর বাইরের ছবি

এতদিন শুধু পৃথিবীর নানা জায়গা ও সেখানে পৌঁছনোর রাস্তা দেখিয়েই ক্ষান্ত হতো গুগল ম্যাপ অ্যাপ্লিকেশনটি। এবারে তার সঙ্গে যুক্ত হল আরো একটি ফিচার। গুগল ম্যাপে এবার থেকে দেখতে পাওয়া যাবে সৌর জগতের নানা গ্রহ, নক্ষত্র, চন্দ্র। অবাক হওয়ার মতোই ব্যাপার। শনি গ্রহের নিজস্ব চন্দ্র যেমন এনকেলেডাস, টাইটান ও মিমাসকেও দেখা যাবে বলে দাবি করেছেন গুগলের প্রডাক্ট ম্যানেজার, স্ট্যাফোর্ড মারকার্ড। একটি ব্লগপোস্টে তিনি লিখেছেন, নিজের ঘরে বসেই মানুষ দেখতে পাবেন এনকেলেডাসের বরফে ঢাকা উপত্যকা।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, কুড়ি বছর আগে কেপ ক্যানাভেরল

বিস্তারিত খবর

‘দাদিদের’ সুন্দরী প্রতিযোগিতা!

 প্রকাশিত: ২০১৭-১০-২৩ ১২:৩৪:৫২

সুন্দরী প্রতিযোগিতার কথা শুনলেই একদল সুন্দরী তরুণীর ছবিই মনের মধ্যে ভেসে ওঠে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টিক সিটিতে গত বৃহস্পতিবার হয়ে গেল এক ভিন্নধর্মী সুন্দরী প্রতিযোগিতা। এ সুন্দরী প্রতিযোগিতাটি ছিল নানি-দাদিদের বয়সীদের নিয়ে। রীতিমতো জমকালো পোশাকে সুসজ্জিত হয়ে নানি-দাদিরা অংশ নেন মিস সিনিয়র আমেরিকা ২০১৭-তে।

যে বয়সটাকে প্রথাগতভাবে মনে হয় অসুখ-বিসুখে বিছানায় পড়ে থাকা কিংবা হুইল চেয়ারে চলাফেরার, সেই বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তারা তাদের সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্বের ঝলক দেখালেন। এ খবর দিয়েছে এএফপি ।

এ বছরের মিস সিনিয়র আমেরিকার খেতাব জিতে নেন ৭৩ বছর বয়স্ক নিউ জার্সির ক্যারোলিন স্লেড হার্ডেন। উচ্ছ্বসিত হার্ডেন বলেন, এ বয়স হচ্ছে মার্জিত সৌন্দর্যের। এটি কেবল শুরু, শেষ না। দুই সন্তানের এ জননীর তিনজন পৌত্র ও একজন প্রপৌত্র রয়েছে। তিনি বলেন, সৌন্দর্য প্রদর্শনী বলতে লোকে মনে করে শারীরিক সৌন্দর্য। তবে এটি আসলে ‘ভেতর থেকে আসা সৌন্দর্য’।

প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে শরীরচর্চা করেন। সৌন্দর্যের রহস্য সম্পর্কে হার্ডেন বলেন, ৭০ বছর বয়েসেও কি করে সুন্দর থাকা যায় এর কোনো জাদুকরি উত্তর নেই। তিনি বলেন, ‘খোদার কাছে প্রার্থনা করুন আর স্বাস্থ্যকর খাবার খান।’ তিনি বলেন, ‘লোকে বলে, আমি দেখতে সিনড্রেলার মতো। তবে কখনই মনে হয় না, আমি ততটা সুন্দর।’ মিস সিনিয়র আমেরিকা প্রতিযোগিতায় ৯০ ছাড়ানো কিছু নারীও অংশ নেন।

এ প্রতিযোগীদের অনেকেই ক্যান্সার, তালাক প্রাপ্ত ও বৈধব্যের মতো যন্ত্রণার মধ্য দিয়েও গেছেন। প্রতিযোগিতার দিন তারা নানা ধরনের নাচ-গান আর হাঁটাচলার প্রদর্শনী দেখিয়ে প্রমাণ করেন এগুলো করার জন্য বেশি বয়স কোনো ব্যাপার নয়।

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

৮৬ দিনেই কুরআনের হাফেজ শিশু ইয়াসিন

 প্রকাশিত: ২০১৭-১০-০৬ ১২:৫৪:২৮

ষষ্ঠ শ্রেণিতে নিয়মিত ক্লাস করেও মাত্র ৮৬ দিনে ৩০ পারা কুরআন হিফজ (মুখস্থ) করে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে ইয়াসিন আরাফাত খান। পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষায়ও চমকপ্রদ ফলাফল করছে মাত্র সাড়ে ১১ বছর বয়সী এই মেধাবী মুখ। কক্সবাজার তানযীমুল উম্মাহ হিফজ মাদরাসা থেকে এবছর ইয়াসিন হেফজ করে।

যে বয়সে খেলাধুলা আর দুষ্টুমিতে ছেলেদের সময় কাটে, সে বয়সে মহান আল্লাহর ৩০ পারা কালাম নির্ভুলভাবে হিফজ করা সত্যিই আশ্চর্যের।

তার বাবা গোলাম আজম খান পেশায় সাংবাদিক। মা সালমা খাতুন একজন গৃহিণী। তার স্থায়ী নিবাস টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সাতঘরিয়াপাড়া এলাকায়।

তানযীমুল উম্মাহ হিফজ মাদরাসা কক্সবাজার শাখার মেধাবী ছাত্র ইয়াসিন আরাফাত খান ইতোপূর্বে ৫ম শ্রেণিতে বৃত্তি লাভ করে। বর্তমানে একই প্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।

হাফেজ ইয়াসিন আরাফাতের শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি অনেক ছাত্র পেয়েছি। ইয়াসিনের মতো পাইনি। তার মেধায় যাদুকরী  শক্তি আছে। পড়া দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুখস্থ করে ফেলে। শিক্ষক ডেকে হাজিরা দেয়। চমৎকার সুশৃঙ্খল, অমায়িক ও মার্জিত হওয়ায়  তার প্রতি সবার আকর্ষণ আলাদা।

তিনি বলেন, সব ছাত্ররা যখন গভীর রাতে ঘুমিয়ে থাকে ওই সময়েও পড়তে দেখেছি ইয়াসিন আরাফাতকে।

মাদরাসার অধ্যক্ষ হাফেজ রিয়াদ হায়দার বলেন, ক্লাসের হাজিরা খাতা অনুসারে মাত্র ২ মাস ২৬ দিনে (৮৬ দিন) ৩০ পারা পবিত্র কুরআন শরীফ খতম করেছে ইয়াসিন আরাফাত। এখন থেকে যুক্ত হলো ‘হাফেজ’ শব্দ। যে শব্দটি কেনা যায় না। চুরি করেও মেলে না ‘হাফেজ’সনদ। মেধা-সাধনা দিয়ে নিতে হয় এই সনদ।

তিনি বলেন, সাধারণ ক্লাসের পাশাপাশি এত দ্রুত সময়ের মধ্যে কুরআন হেফজ করার দৃষ্টান্ত এই অঞ্চলের জন্য নজিরবিহীন। পুরো দেশে হয়তো দু’য়েকটা থাকতে পারে।

ইয়াসিনের বাবা গোলাম আজম খান জানান,  তার বড় ছেলে আবদুল্লাহ আল সিফাত এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ভর্তি পরীক্ষায় ‘খ’ ইউনিটে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

হাফেজ ইয়াসিন আরাফাতের দাদা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মরহুম ডাক্তার মোহাম্মদ ইছহাক খান টেকনাফের সুপরিচিত ব্যক্তি ছিলেন। নানা আলহাজ্ব ছালেহ আহমদ সৌদিআরবের একজন প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ী।

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি   

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কের নারীরা ইভানকার চেহারা পেতে মরিয়া

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৯-২০ ১২:২০:১৪

নিউইয়র্কের নারীরা সম্প্রতি দেখতে হুবহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকার মতো হতে চাইছেন। নিজের চেহারা বদলে ইভানকার মুখ ও চেহারা বসিয়ে নিতে মরিয়া হয়ে প্লাস্টিক সার্জনের কাছে ছুটছেন তারা।

খবরে বলা হয়, গত এক সপ্তাহে অন্তত ৫০ জন নারী ইভানকার রূপ নিতে নিউইয়র্কের প্লাস্টিক সার্জন নরম্যান রোয়ির কাছে গেছেন। প্রায় ৫০ লাখ টাকা (৬০ হাজার ডলার) খরচ করেও তারা এই প্লাস্টিক সার্জারি করতে রাজি।

প্লাস্টিক সার্জন নরম্যান রোয়ি বলেন, ‘প্লাস্টিক সার্জারি করে ইভানকার রূপ নিতে এর আগে কাউকে আসতে দেখিনি। ইভানকা সুন্দরী, ক্ষমতাধর নারী ও প্রেসিডেন্ট পরিবারের সদস্য। এ কারণেই হয়তো এখন নারীরা তাঁর রূপ নিতে উৎসাহিত হচ্ছেন। তাঁরা দেখতে হুবহু ইভানকার মতো হতে চাইছেন।’

বিস্তারিত খবর

বিভিক্ত সিলেট এবং অবিভক্ত ভালোবাসা

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৯-১৩ ০২:১৫:২৮

তোমার দুঃখ তোমার থাকুক আমার দুঃখ আমার
মাঝখানে যে বরাক নদী বড় বেশী ফারাক।
 
তোমার মেঘে  বৃষ্টি হলে আমার নামে ঢল
উজান গাঙে আটকে থাকে মাঝির চোখের জল।
 
ওপারেতে কেমন আছো জানতে ইচ্ছা  করে
দুঃখের ভাগি হবার ভয়ে আশটি গুমরে মরে।
 
বাপদাদার স্মৃতি ঘেরা বুন্দাশীল গ্রাম
যাওয়া হয়নি কস্মিনকালে অপূর্ণ তাই প্রাণ।
 
ওই দেখা যায়  তোমার উঠান
সুবাস পাঠায় তোমার বাগান
কণ্ঠে শুনি  ভাটিয়ালি গান সদাই আসে ভেসে
তবুও আমরা ভিনদেশী আজ রাজার দন্ডাদেশে।
 
হোক বিভাজন মিলবো মোরা শুধুই ভালোবেসে
কালের সাক্ষী রেখে।

বিস্তারিত খবর

ক্যানসারের ওষুধ আবিষ্কার!

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৮-৩১ ০৪:১০:৩১

অবশেষে কি আবিষ্কার হয়ে গেল ক্যানসারের ওষুধ? এমনটাই দাবি করেছেন গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।

ক্যানসার আক্রান্ত দেহকোষকে খতম করে ফেলার প্রযুক্তি এখন তাদের হাতের মুঠোয় বলেই জানিয়েছেন ওই গবেষকরা। বর্তমানে যে পদ্ধতিতে রোগীর দেহের ক্যানসার আক্রান্ত কোষকে মেরে ফেলা হয়, সেটা সবসময় কার্যকরী হয় না।

সিআইসিডি নামে এই নতুন পদ্ধতিতে একশো শতাংশ সাফল্য মিলবে মনে করছেন তাঁরা। তবে বিষয়টি নিয়ে আরও কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করবেন তারা।

বর্তমানে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করতে কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন এবং ইমিউনোথেরাপি–র মতো পদ্ধতি অবলম্বন করেন চিকিৎসকরা। এতে অ্যাপোপটোসিস পদ্ধতিতে কোষের মধ্যে কৃত্রিম উপায়ে প্রোটিন তৈরি করে আক্রান্ত কোষ মেরে ফেলা হয়। তবে অনেক সময়েই ক্যানসার আক্রান্ত কোষ ভোল পাল্টে ফেলে প্রোটিনের আক্রমণের হাত থেকে রেহাই পেয়ে যায়। নতুন পদ্ধতিতে কোনও আক্রান্ত কোষই রেহাই পাবে না। শুধু তাই নয়, কোষের অবাঞ্ছিত বিষাক্ত পদার্থের হাত থেকেও রেহাই মিলবে।

গবেষকদলের প্রধান স্টিফেন টেট বলেছেন, ‘একশো শতাংশ সাফল্যের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমরা। আর কয়েকদিন এই গবেষণা চালাতে হবে। তারপরেই সাধারণ রোগীদের এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা সম্ভব হবে।’

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আজ পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাজিলে

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৮-২১ ০৫:২১:৩৯

আজ সোমবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। প্রায় এক শতাব্দী পর এই পূর্ণ বলয় গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকি,মিডওয়ে হ্যাটল দ্বীপ, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ব্রাজিল থেকে। তবে বাংলাদেশ থেকে এ বিরল দৃশ্য দেখা যাবে না। কারণ বাংলাদেশে যখন রাত তখন এই সূর্যগ্রহণ হবে।
 
যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৩৪ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৪৭ মিনিট)। বাংলাদেশে গ্রহণ শেষ হবে রাত ৩টা ৪ মিনিটে। 

এদিকে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখতে অপেক্ষা করছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোটি কোটি মানুষ। কারণ ১৯১৮ সালের পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূল থেকে পশ্চিম উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত হবে পূর্ণ সূর্য গ্রহণ। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪টি রাজ্যের অধিবাসীদের মধ্যে শুরু হয়েছে সাজ সাজ রব। শুরু হয়েছে “এক্লিপস পার্টি”-র প্রস্তুতিও। এ ছাড়াও পশ্চিম ইউরোপ, আফ্রিকার কয়েকটি এলাকা এবং এশিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকেও আংশিক সূর্য গ্রহণের দেখা মিলবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওই সময় অন্ধকার আকাশ পশু-পাখিদের বিভ্রান্ত করতে পারে। নিশাচর প্রাণীরা, বিশেষত পেঁচা দিনের বেলায়ই রাত ভেবে জেগে যেতে পারে, ভেড়ার পাল খুঁজতে পারে ঘুমানোর জন্য জায়গা। দিনের পাখিরা কলরব বন্ধ করে দিবে। পূর্ণগ্রাস সূর্য গ্রহণ রাতে চলা পতঙ্গ ও প্রজাপতিদের চলাফেরাতেও বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে। পোষা বিড়াল ও কুকুরও বিরক্ত বোধ করতে পারে। 

জানা গেছে, আগ্রহীরা এ পূর্ণ সূর্য গ্রহণটি দেখতে পাবেন নাসা টেলিভিশন এবং নাসার ওয়েবসাইটে লাইভ ভিডিও স্ট্রিমের মাধ্যমে।

নাসার ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, ১১টি বিমান থেকে ধারণ করা হবে সূর্য গ্রহণের দৃশ্য। এ ছাড়াও, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে থাকা নভোচারীরা পাঠাবেন গ্রহণকালে গ্রকৃতির রহস্যময় রূপের ছবি।


এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আজ বাইশে শ্রাবণ, কবিগুরুর প্রয়াণ দিবস

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৮-০৬ ০২:০৩:০৭

বাইশে শ্রাবণ আজ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৬তম প্রয়াণ দিবস। ৭৫ বছর আগে ইংরেজি ১৯৪১ সালের ৬ আগস্ট (বাংলা ১৩৪৮ সন) এই দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির শ্যামল প্রাঙ্গণে বাংলা সাহিত্য ও কাব্যগীতির শ্রেষ্ঠ রূপকার কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পরলোকগমন করেছিলেন।

যদিও রবীন্দ্রনাথ জন্ম-মৃত্যুর মাঝে তফাত দেখেছেন খুব সামান্যই। সৃষ্টিই যে এই নশ্বর জীবনকে অবিনশ্বরতা দেয়, সে কথা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন বলেই তিনি বলেছিলেন, ‘মৃত্যু দিয়ে যে প্রাণের মূল্য দিতে হয়/সে প্রাণ অমৃতলোকে/ মৃত্যুকে করে জয়।’

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ যখন ইহধাম ত্যাগ করেন সেদিন শোকার্ত বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম শ্রদ্ধা নিবেদন করে লিখেছিলেন, ‘দুপুরের রবি পড়িয়াছে ঢলে অস্তপারে কোলে/ বাংলার কবি শ্যাম বাংলার হৃদয়ের ছবি তুমি চলে যাবে বলে/ শ্রাবণের মেঘ ছুটে এলো দলে দলে।’

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অনেক কিছুরই প্রথম স্রষ্টা তিনি।

তার পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিণত হয়েছে বাংলার শিল্প-সাহিত্য। তার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্য লাভ করেছে নতুন রূপ। বাংলা গদ্যের আধুনিকায়নের পথিকৃৎ রবিঠাকুর ছোটগল্পেরও জনক। গল্পে, উপন্যাসে, কবিতায়, প্রবন্ধে, নতুন নতুন সুরে ও বিচিত্র গানের বাণীতে, অসাধারণ সব দার্শনিক চিন্তাসমৃদ্ধ প্রবন্ধে, সমাজ ও রাষ্ট্রনীতিসংলগ্ন গভীর জীবনবাদী চিন্তাজাগানিয়া নিবন্ধে, এমনকি চিত্রকলায়ও রবীন্দ্রনাথ চিরনবীন-চির অমর।

রবীন্দ্রনাথ একজন দার্শনিকও বটে। তার ধর্মীয় ও দার্শনিক চিন্তা-চেতনা শুধু নিজের শান্তি বা নিজের আত্মার মুক্তির জন্য ধর্ম নয়। মানুষের কল্যাণের জন্য যে সাধনা তাই ছিল তার ধর্ম। তার দর্শন ছিল মানুষের মুক্তির দর্শন। মানবতাবাদী এই কবি বিশ্বাস করতেন, বিশ্বমানবতায়।

জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সেই দর্শন অন্বেষণ করেছেন। তার কবিতা, গান, সাহিত্যের অন্যান্য শাখার লেখনী মানুষকে আজও সেই অন্বেষণের পথে, উপলব্ধির পথে আকর্ষণ করে। রবীন্দ্রনাথ আজও আমাদের মনমানসিকতা গঠনের, চেতনার উন্মেষের প্রধান অবলম্বন। আমাদের জীবনের এমন কোনো বিষয় নেই, যেখানে আমরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে পাই না। তার রচনাবলী আমাদের প্রেরণার শিখা হয়ে পথ দেখায়। বাংলা সাহিত্যকে তিনি বিশ্বের দরবারে বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছেন।

‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনিই একমাত্র কবি, যিনি তিনটি দেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা (বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কা)।

জীবনের শেষ পর্যায়ে চিত্রকর হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। তিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, কথাশিল্পী, চিত্রশিল্পী, গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক, ছোট গল্পকার ও ভাষাবিদ। বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্য সঙ্কলন প্রকাশিত হয়েছে। তার ১৯১৫টি গান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে গীতবিতানে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এক বাণীতে বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তার আত্মার প্রতি জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের অবিসংবাদিত প্রতিভা।

রবীন্দ্রনাথ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে নিজ প্রতিভার আলোয় বিশ্বমানে উন্নীত করেছিলেন। তার সৃষ্টিকর্ম শুধুমাত্র বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলেই নয়, সারাবিশ্বে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে। তার সাহিত্যভুবনে দেশমাতৃকা ও মানুষের জীবনই প্রধান উপজীব্য। তার রচিত গান আমাদের জাতীয় সংগীতের মর্যাদা পাওয়ায় আমরা গর্বিত। জনসমাজে সংঘাত, হানাহানি, হিংসা-বিদ্বেষের কারণে যে গ্লানী ও তিক্ততা বিদ্যমান সেখান থেকে পরিত্রাণের জন্য তার অমূল্য সৃষ্টিকর্ম আজও নিঃসহায় মানুষকে এগিয়ে যেতে প্রেরণা জোগায়।

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

হঠাৎ বিদেশে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-২৬ ১০:২০:৫৫

চাকরি, ব্যবসা, ভ্রমণ বা শিক্ষার্থী হিসেবে বিভিন্ন দেশে প্রতিনিয়তই আমাদের যেতে হয়। বিদেশে যাওয়ার পর আমার পরিচয় বহনের একমাত্র প্রমাণ হলো পাসপোর্ট। কিন্তু কোনো কারণে পাসপোর্ট যদি হারিয়ে যায় তাহলে বিদেশের মাটিতে নানা ঝামেলায় পড়তে হয়। অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সঠিক প্রমাণাদির অভাবে কারাগারেও যেতে হতে পারে আপনাকে। তাই বিদেশের মাটিতে পাসপোর্ট হারালে কী করবেন? চলুন সে বিষয়ে জেনে নিই।

❏ চাকরির সময়: মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে যারা চাকরি নিয়ে যান তাঁদের অনেককে মালিকের কাছে পাসপোর্ট জমা দিতে হয়। মালিকপক্ষ থেকে তাদের সরকারি বিভিন্ন অনুমোদ করিয়ে দেয়া হয়। তবে নিজের প্রয়োজনে পাসপোর্টের ফটোকপি সঙ্গে রাখতে হবে। কিন্তু কেউ যদি ব্যবসা, ফ্রি ভিসায় চাকরি করতে যান তাঁদের উচিত পাসপোর্ট সব সময় সঙ্গে রাখা।তারপরও দুর্ঘটনাবশত পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে সে ক্ষেত্রে আপনাকে বাংলাদেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে। পাসপোর্টের ফটোকপি ও রোডপাস বা রাস্তায় চলাচলের প্রত্যয়নপত্র (যদি সঙ্গে থাকে) নিয়ে যোগাযোগ করলে দূতাবাসের পক্ষ থেকে আপনাকে নতুন পাসপোর্ট তৈরিতে সহায়তা করা হবে।

❏ ভ্রমণের সময় পাসপোর্ট খোয়ালে: আপনার বিদেশ ভ্রমণের পুরো আনন্দটাই মাটি হতে পারে যদি আপনি পাসপোর্ট হারিয়ে ফেলেন। কোনো কারণে যদি তা হারিয়েই ফেলেন তাহলে সবার আগে আপনাকে যোগাযোগ করতে হবে বাংলাদেশ হাই কমিশনে। কোনো ট্যুর অপারেটর বা ট্র্যাভেল এজেন্সি যদি আপনার ভ্রমণে সহায়তা করে থাকে তবে তারাই আপনাকে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সহায়তা করবে। এর পর আপনাকে সহায়তা করবে বাংলাদেশ হাই কমিশন। বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিস ও ইমিগ্রেশন আপনার সব তথ্য পর্যবেক্ষণ করে বাংলাদেশ হাই কমিশনকে একটি পত্র বা দরখাস্ত পাঠাবে। এ পত্র বা দরখাস্তই আপনাকে সুন্দরভাবে দেশে ফিরে আসতে সহায়তা করবে।

❏ পাসপোর্ট নবায়ন: বিদেশে অবস্থান করার সময় নিজের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এ ব্যাপারে সহযোগিতা করবে সে দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস। দূতাবাসের কনস্যুলার শাখা থেকে বাংলাদেশীরা তাদের পাসপোর্ট নবায়ন করতে পারবেন। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাসের আগেই নবায়ন করা ভালো।

❏ পাসপোর্ট নিয়ে জালিয়াতি: বিদেশে নিজের বৈধতার সনদ হচ্ছে পাসপোর্ট। এই পাসপোর্টের ভিত্তিতেই নির্ধারণ করা হবে আপনি বৈধ, না অবৈধ। তাই পাসপোর্ট যত্ন করে রেখে দেবেন। কোনোভাবেই হাতছাড়া করবেন না। বিদেশে বৈধ পাসপোর্ট অনেকে অবৈধভাবে বেচাকেনা করে। টাকার বিনিময়ে একজনের বৈধ পাসপোর্ট অবৈধ ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেয়। তাই পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে দ্রুত পদক্ষেপ নিন। অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান কর্মীদের পাসপোর্ট রেখে এর বিনিময়ে একটি ‘পাস’ বা কার্ড দেয়। কর্মীরা যাতে পালিয়ে গিয়ে অন্য কোথাও কাজ করতে না পারে, তার জন্য এমনটি করা হয়। বাস্তবতা যাই হোক না কেন বিদেশে গেলে পাসপোর্টের প্রতি আপনাকে বাড়তি সতর্ক হতেই হবে।

বিস্তারিত খবর

বিশ্বের সব চেয়ে লম্বা পায়ের নারী

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-১৩ ১৪:৫১:২৬

বয়স এখনও ৩০ বছর হয়নি। কিন্তু এখনও যেন দৈর্ঘ্যে বেড়েই চলেছেন ইয়াকাতেরিনা লিসিনা!
 
ইয়াকাতেরিনা লিসিনা— ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিক্সে, এই রুশ সুন্দরী সে দেশের মহিলা বাস্কেটবল টিমের হয়ে খেলে ব্রোঞ্জ জেতেন। ২০১৪ সালে খেলাধুলোর দুনিয়া থেকে সরে আসেন লিসিনা। বর্তমানে তিনি মডেলিং দুনিয়ায় বেশ পরিচিত নাম।
 
লিসিনার বৈশিষ্ট্য তার উচ্চতায়। লম্বায় তিনি ৬ ফুট ৯ ইঞ্চি। এক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বর্তমানে ইয়াকাতেরিনা লিসিনাই সম্ভবত বিশ্বের সব থেকে লম্বা মহিলা। যদিও এখনও তা নিশ্চিত করা হয়নি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের তরফ থেকে।
 
তবে, লিসিনার আশা, তার নাম রেকর্ড গড়ুক ‘লম্বা পা’য়ের জন্য। বর্তমানে সেই রেকর্ড রয়েছে অ্যামাজন ইভ-এর নামে। লম্বায় তিনি ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি, এবং তাঁর পায়ের দৈর্ঘ্য ৫২ ইঞ্চি। অন্যদিকে, মডেল লিসিনার পায়ের দৈর্ঘ্য ৫২.৪ ইঞ্চি।
 
মহিলা হিসেবে, রাশিয়ার সব থেকে বড় মাপের পা হল ইয়াকাতেরিনা লিসিনার। তিনি ১৩ নম্বর জুতো ব্যবহার করেন।
 
প্রসঙ্গত, ইয়াকাতেরিনা লিসিনার মা-বাবা ও ভাই, তিন জনেরেই উচ্চতা প্রায় সাড়ে ছ’ফুট। সংবাদ মাধ্যমকে তার বাবা জানান, জন্মের পরে ছোট্ট লিসিনাকে প্রথমবার দেখার সময়ই তার মনে হয়েছিল যে মেয়ের পা দু’টি খুবই লম্বা।


এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

হিটলারের আঁকা ৫ ছবি নিলামে উঠছে

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-০২ ১১:৫৯:৩৩

শিগগিরই নিলামে উঠছে এডলফ হিটলারের আঁকা পাঁচটি ছবি।

কোটি মানুষ হত্যার জন্য ইতিহাসে যিনি দায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সেই খলনায়ক হিটলারও ছিলেন চিত্রকর! এক হাতে খুন, অন্যহাতে শিল্প! আশ্চর্য চরিত্র।

যুক্তরাজ্যের নিলামকারী প্রতিষ্ঠান ‘মুলকস’- এর দেওয়া তথ্যানুসারে, পাঁচটি ছবির মধ্যে চারটিতে হিটলারের স্বাক্ষর রয়েছে- ‘এ হিটলার’। এর মধ্যে দুটি ছবিতে ১৯০০ শতকের প্রথম দশকের তারিখ রয়েছে। আরেকটি ছবিতে তার স্বাক্ষর না থাকলেও ফ্রেম ও শিল্পমান থেকে ধরে নেওয়া হচ্ছে, সেটিও তার হাতের ছবি।

প্রতিটি ছবির দাম উঠতে পারে ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার পাউন্ড। গ্রাম্য রাস্তার দৃশ্য, নিজ দেশ অস্ট্রিয়ার একটি শহরের প্রবেশপথের দৃশ্যসহ ফুল, ফল ও ঘড়ির ছবি এঁকেছেন হিটলার।

হিটলারের অস্বাক্ষরিত তৈলচিত্রে তার সৎভাইঝি গেলি রবেলের সমাধি আঁকা হয়েছে। বলা হয়ে থাকে, রবেলের সঙ্গে রোমান্টিক সম্পর্ক ছিল হিটলারের। ১৯৩১ সালে নিজ পিস্তলের গুলিতে আত্মহনন করেন রবেল।

নিলামকারী প্রতিষ্ঠান মুলকসের পরামর্শক বেন জোনস বলেছেন, ‘এর আগে আমরা হিটলারের আঁকা একেকটি ছবি ৫ হাজার থেকে ১২ হাজার পাউন্ডে বিক্রি করেছি।’

হিটলার ২ হাজার থেকে ৩ হাজার ছবি এঁকেছেন বলে জানা গেছে। অধিকাংশ চিত্রকর্ম তেলরং, জলরংয়ের।

বিস্তারিত খবর

আলিঙ্গনে সাড়া দিলেন না ইভাঙ্কা ট্রাম্প : আলোচনা-সমালোচনা

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-২২ ০২:০৪:০৩

এবার মার্কিন সিনেটরের আলিঙ্গনে সাড়া না দিয়ে আলোচনায় এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প। এর আগে ট্রাম্পের হাত ফিরিয়ে দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। খোদ ট্রাম্পও আচরণ নিয়ে অতীতে বেশ কয়েকবার সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।

মঙ্গলবার রিপাবলিকান সিনেটর মার্কো রুবিও ব্যবসায়িক এক আলোচনায় ইভাঙ্কার সঙ্গে আলিঙ্গনের চেষ্টা করলে কোনো রকম প্রতিক্রিয়া দেখাননি ট্রাম্প কন্যা। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আলোচনার ঝড় বইছে।

মার্কো অ্যান্টনি রুবিও মার্কিন রাজনীতিবিদ এবং অ্যাটর্নি জেনারেল। ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য থেকে তিনি রিপাবলিকান সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে ফ্লোরিডার স্পিকার ছিলেন তিনি।

টুইটারে একজন লিখেছেন, কিছুই না; ইভাঙ্কা ট্রাম্পের শরীরের ভাষা রুবিওকে আলিঙ্গনের জন্য আকৃষ্ট করেছিল। আরেকজন বলেন, বিখ্যাতদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে অালিঙ্গনের মধ্য দিয়ে। কিন্তু ইভাঙ্কা সেটা দেখালেন না।

এ ব্যাপারে মার্কো রুবিও বেশ কয়েকটি টুইট করে লজ্জা আড়ালের চেষ্টা করেন। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, ইভাঙ্কা ট্রাম্প তাকে নিরাশ করেননি। এ ব্যাপারে কৌতুক করে তিনি লেখেন, ‘আলিঙ্গনে সাড়া না দেয়ার ব্যাপারে তদন্ত চলছে।’

তবে এক টুইটার ব্যবহারকারী আলিঙ্গনের ভিন্ন উপায় দেখিয়েছেন। তার পোস্ট করা ছবিতে একজনকে পেছন থেকে আলিঙ্গন করতে দেখা যাচ্ছে।

আরেকজন লেখেন, মেলানিয়া কাণ্ড, কভফেফে কিংবা আলিঙ্গনের বিষয় বাদ দিয়ে হেলথকেয়ার বিল সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাবেন কি? অভদ্রতার একটা সীমা আছে। বহুত হয়েছে। খারাপ কিছু এবং কৌতুক বন্ধ করার সময় হয়েছে বলে আরেকজন মন্তব্য করেছেন।

এতো আলোচনা সমালোচনার পর মুখ খোলেন ইভাঙ্কা। তিনি টুইট করেন, ‘বেনামি সূত্র বলছে, মার্কো রুবিও আলিঙ্গনে ব্যর্থ হয়েছেন। আমার কিছু বলার নেই (কিন্তু আমি তার সঙ্গে অন্যভাবে আলিঙ্গন করেছি!)।’

তিনি আরেক টুইট বার্তায় লেখেন, ‘পুরোটাই ভুয়া খবর। সেখানে তাদের দুজনের মধ্যে অালিঙ্গন হয়েছে। সেই আলিঙ্গন অনেক বেশি সন্তোষজনক ছিল। মার্কো দারুণভাবে আলিঙ্গন করতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।’


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সৌদি আরবের নতুন যুবরাজ সম্পর্কে পাঁচটি তথ্য

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-২২ ০২:০০:০৪

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বাবা ক্ষমতায় বসার পর থেকেই আস্তে আস্তে তিনি আলোচনায় আসা শুরু করেন, আর এখন ক্রাউন প্রিন্স ঘোষণার পর সিংহাসনের একধাপ পেছনে রয়েছেন বিন সালমান।

৩১ বছর বয়সী মোহাম্মদ বিন সালমান খুবই দ্রুতই রাজনীতিতে জায়গা করে নিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোও তাঁর নিয়ন্ত্রণে।

সৌদি আরবের ভবিষ্যত বাদশাহ সম্পর্কে যে বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন।

প্রতিরক্ষা খাতে তার অবদান
২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে সালমান বিন আবদুল আজিজ সিংহাসনে আরোহণের পর বেশকিছু রদবদল করেন। তাঁর ছেলেকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব দেন।

২৯ বছর বয়সে বিশ্বের সবচেয়ে কমবয়সী প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোহাম্মদ বিন সালমান।

তার দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পরেই ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সামরিক অভিযান শুরু করে।

সৌদি আরবে অর্থনীতিতে তেল নির্ভরতা কমাতে চান মোহাম্মদ বিন সালমান
সৌদি কাউন্সিল অব ইকোনমিক এন্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাফেয়ার্সের প্রধান মোহাম্মদ বিন সালমান ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে দেশটির অর্থনৈতিক সংস্কারের পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।

সৌদি আরবে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের জন্য প্রকাশিত তাঁর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, যা ভিশন ২০৩০ নামে পরিচিত।

ওই পরিকল্পনা প্রকাশ করে তিনি এটাও বলেছেন যে "আমরা তেল ছাড়াই চলতে পারবো, ২০২০ সালের মধ্যেই এমনটা নিশ্চিত হবে"।

নতুন এই যুবরাজ সৌদিদের কাছে অন্যতম একটি রোল মডেলও হয়ে উঠেছিলেন।
অর্থনৈতিক সংস্কারের যে পরিকল্পনা মোহাম্মদ বিন সালমান ঘোষণা করেছেন সেটাক অবশ্য 'উচ্চাভিলাষী" বলে বর্ণনা করেছে আইএমএফ । একইসাথে এই লক্ষ্যে পৌঁছানোও একটা বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড বা আইএমএফ।

ইরানের সাথে সম্পর্কে তিনি কোনো পরিবর্তন আনবেন সেই সম্ভাবনা নেই
প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা গত মাসেই বাতিল করে দেন প্রিন্স মোহাম্মদ।

সিরিয়া ও ইয়েমেনে যে লড়াই চলছে তাতে দুদেশ দুই পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

সৌদি আরবে এক শিয়া নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবার পর দুই দেশের সম্পর্কে আরো অবনতি হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় মাধ্যম ওই শিয়া নেতার মৃত্যুদণ্ডের ঘটনাকে 'এক অভ্যুত্থান' হিসেবে বর্ণনা করে বলেছিল সৌদি আরবকে এ ঘটনার জন্য কড়া মূল্য দিতে হবে।

রাজপরিবারের ক্ষমতা আরো বেশি দৃঢ় করেছেন মোহাম্মদ বিন সালমান
তাঁর বাবা বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ সিংহাসনে বসার আগে থেকেই ছেলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যথেষ্ঠ ঘনিষ্ঠ ছিল।

২০০৯ সালে তাঁর বাবার বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান মোহাম্মদ বিন সালমান। সেই সময়ে রিয়াদের গর্ভনর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ।

২০১৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় এসে বাদশাহ সালমান তাঁর ছেলেকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব দেন এবং ভাতিজা মোহাম্মদ বিন নায়েফকে ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স ঘোষণা করেন।

ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স হলেও মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের তেল নীতি বাস্তবায়ন ও ব্যবসা পরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছিলেন। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অস্ত্র আমদানিকারক এই দেশের বিপুল প্রতিরক্ষা বাজেটও ছিল তার নিয়ন্ত্রণে।

মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের জন্যও তাঁর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনাও প্রকাশ করেছেন, যা ভিশন ২০৩০ নামে পরিচিত।

তিনি রাজপরিবারের সদস্য
মোহাম্মদ বিন সালমানের জন্ম ১৯৮৫ সালের ৩১শে আগস্ট। বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের তৃতীয় স্ত্রী ফাহদা বিনতে ফালাহ বিন সুলতানের সন্তান মোহাম্মদ বিন সালমান।

সৌদি রাজপরিবারের বেশিরভাগের মতোই তিনি সৌদি আরবেই তার পড়ালেখা শেষ করেছেন।

কিং সৌদ ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে পড়ালেখা শেষ করে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করেছেন বিন সালমান।

তার একজন স্ত্রী রয়েছেন, দুই কন্যা ও দুই পুত্রের জনক সৌদি আরবের নতুন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সুইমস্যুটে ট্রাম্পের মুখ!

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-২২ ০১:৫৩:৪২

খ্যাতি থাকলে তার বিড়ম্বনা তো থাকবেই। আর এই কথাটি বেশ ভালই বোঝেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নিয়েছেন একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত। এর জন্য সমালোচিতও হয়েছেন। কিন্তু তাতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তায় এতটুকু ভাটা পড়েনি। আর এই জনপ্রিয়তাই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ফেলল নয়া বিড়ম্বনায়। কেন? কারণ ক্যালিফোর্নিয়ার এক সংস্থার আনা নয়া সুইমস্যুট। যাতে ফুটে উঠেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখমণ্ডল।

নিজের মুখের অভিব্যাক্তির জন্য বারবার সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন ট্রাম্প। তবে এবারে সেই সৌজন্যেই তাঁর ঠাঁই হল নতুন সুইমস্যুটে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের আশ্চর্য হওয়ার অভিব্যাক্তিটিকেও তুলে ধরা হয়েছে গোটা পোশাক জুড়ে। কেন এমনটা করা হল? প্রশ্নের উত্তরে সংস্থার দাবি, নতুন এই পোশাকটিতে মহিলাদের সৌন্দর্য আরও ভালভাবে প্রকাশ পাবে। আর মার্কিন মুলুকের বাসিন্দারাও নাকি এমন পোশাক সমুদ্রসৈকতে দেখতে বেশ পছন্দ করবেন। তবে নিন্দুকদের মতে, কেবলমাত্র সস্তার প্রচারের তাগিদের মার্কিন প্রেসিডেন্টের ছবি এভাবে সুইমস্যুটে তুলে ধরা হয়েছে।

মার্কিন মুলুকে ট্রাম্প ম্যানিয়ার এমন নমুনা আগেও দেখা গিয়েছে। তাও আবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগেই। সে সময় টয়লেট পেপারে ছাপা হয়েছিল ট্রাম্পের মুখের নানারকম ভঙ্গি। অনলাইনে বিক্রিও হয়েছিল সেই পণ্য। শোনা গিয়েছিল, ট্রাম্পের অধিকাংশ নিন্দুকরাই কিনেছিলেন সেই অভিনব টয়লেট পেপার। এবার পালা এই ‘শকড ট্রাম্প’ সুইমস্যুটের। প্রেসিডেন্টকে নিজের অঙ্গে জড়িয়ে রাখতে বহু মার্কিন ক্রেতারাই এই বিশেষ সাঁতারের পোশাকটি কিনবেন, সেই আশাই করছে সংস্থাটি। সেই কারণেই দাম ধার্য করা হয়েছে ৪৯.৯৫ ডলার।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

টানা তিন বছর এক জায়গায় বসে

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১০ ০৯:৩৭:৪৯

দক্ষিণ কোরিয়ার ফু শি নামের এই কুকুরটিকে সারা পৃথিবীর মানুষই চিনে ফেলেছে। কেননা, টানা তিন বছর রোজ রাস্তার ধারে বসে থাকতো কুকুরটি। এক ভাবে, এক ঠায় যেন কারও প্রতীক্ষায়। তার এই বসে থাকার ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে যায়। তারপর থেকেই সবার কাছে পরিচিত ফু শি। কিন্তু কেন সে বসে থাকে এমন ভাবে? সে কাহিনি সত্যিই খুব দুঃখের। জানা গেছে, দক্ষিণ কোরিয়ার বুশানের বাসিন্দা এক বৃদ্ধা ফু শি-কে নিজের কাছে রেখেছিলেন বেশ কয়েক বছর। বেশ সুখেই দিন কাটছিল ফু শি ও তার মালকিনের। কিন্তু তিন বছর আগে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন বৃদ্ধা। তাকে নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়। এদিকে ফাঁকা বাড়িতে তার অপেক্ষায় দিন কাটতে থাকে ফু শি-র।

এর পরে নার্সিং হোমে মারা যান ওই বৃদ্ধা। সেই থেকে বেচারি পোষ্য অপেক্ষায় থাকে তার মালকিনের। সে তো জানে না, তার মালকিন আর ফিরবেন না। রোজ সকালে নিয়ম করে রাস্তার ধারে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফু শি-র অপেক্ষার দৃশ্য চোখে পড়ে প্রতিবেশীদের। তারাই নিজেদের খাবারের উচ্ছিষ্ট খেতে দিতেন ফু শিকে। কিন্তু যতদিন যাচ্ছিল তারা দেখতে পাচ্ছিলেন, ক্রমশ ভেঙে পড়ছে ফু শি। খাওয়া-দাওয়াতে তার আগ্রহ নেই। শেষ পর্যন্ত পশু চিকিৎসকদের খবর দেন প্রতিবেশীরা। চিকিৎসা শুরু হয় ফু শি-র।

ফু শি-র ঘটনা অনেককে মনে করিয়ে দেবে হাচিকোর কথা। যাকে নিয়ে অসাধারণ এক সিনেমাও হয়ে গেছে। সেও তার মালিকের জন্য অপেক্ষায় ছিল দীর্ঘ ৯ বছর। অবশেষে মৃত্যুর পরে তার অপেক্ষার শেষ হয়। তবে ফু শি-র কাহিনির শেষটা কিন্তু বিয়োগান্তক নয়। একটি পরিবার মিডিয়ার দৌলতে ছড়িয়ে পড়া ফু শি-র খবরে মর্মাহত হন। তারা তাদের বাড়িতে নিয়ে এসেছেন ফু শি-কে। এখন নতুন মালিক-মালকিনের সঙ্গে দিব্যি ভালো আছে ফু শি। এখন অবশ্য তার নাম ফু শি নয়। সে নতুন নাম পেয়েছে- স্কাই। সূত্র: এবেলা

বিস্তারিত খবর

কলম্বাস আমেরিকায় প্রথম কোথায় নেমেছিলেন?

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১০ ০৯:৩৫:২২

আজ থেকে প্রায় পাঁচশ বছর আগে আমেরিকার ঠিক কোন জায়গায় জাহাজ ভিড়িয়েছিলেন ক্রিস্টোফার কলম্বাস? সেই রহস্যের সমাধান করার চেষ্টা করছেন একদল অভিযাত্রী। কলম্বাস ১৪৯২ সালে সমুদ্রপথে ওই অভিযান শুরু করেন। ওই অভিযানেই প্রথমবারের মতো ইউরোপের কারও সঙ্গে দেখা হয় কোনো আমেরিকানের। আমেরিকা মহাদেশের ঠিক কোথায় কলম্বাস জাহাজ থেকে নেমেছিলেন তা নিয়ে শত শত বছর ধরে বিতর্ক চলেছে। অন্তত ১০টি স্থানের বাসিন্দারা দাবি করেন, কলম্বাস তাদের জায়গাতেই প্রথম পদধূলি দেন। তবে আমেরিকায় নামার পর কলম্বাস ভেবেছিলেন তিনি জাপানে পৌঁছেছেন।

এখন একদল ইতিহাসবিদ ও সমুদ্র অভিযাত্রী প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন যে ক্রিস্টোফার কলম্বাস ইতালি থেকে যাত্রা শুরু করে মধ্য আমেরিকায় পৌঁছে সেখানকার গ্র্যান্ড টার্ক দ্বীপেই প্রথম অবতরণ করেন। এই দ্বীপটি টার্কস অ্যান্ড কেকস দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী। আরেকটি দ্বীপ বাহামাও দাবি করে যে কলম্বাস সান সালভাদরেই প্রথম নামেন। এখন টার্কস এবং কেকস দ্বীপের অভিযাত্রী দলটি ঠিক করেছে, কলম্বাস যে পথ ধরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পৌঁছেন সেই একই পথ ধরে তারাও যাত্রা করবেন। তাদের হাতে থাকবে ক্রিস্টোফার কলম্বাসের ব্যক্তিগত ডায়রি এবং তার সেই বিখ্যাত সমুদ্র অভিযানের লগবই। তারা প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন যে কলম্বাস আর অন্য কোথাও অবতরণ করেননি।

কলম্বাসই প্রথম আমেরিকায় যান বলে দাবি করা হলেও তার বহু আগে ভাইকিংরা ইওরোপ থেকে আমেরিকায় নেমেছিল বলে জানা যায়। তবে কলম্বাসের হাত ধরেই আমেরিকা মহাদেশের সঙ্গে ইওরোপের সাম্রাজ্যবাদী, বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটে। কলম্বাসের অভিযানকে স্মরণ করতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ১২ অক্টোবর কলম্বাস দিবস পালন করা হয়। সূত্র: বিবিসি।

বিস্তারিত খবর

যেখানে মানুষ বেশিদিন বাঁচে

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১০ ০৯:৩৩:৩১

ইতালির উত্তরে পাহাড়েঘেরা গার্ডা হ্রদ এখন নানা দেশের পর্যটকদের কাছে বড় আকর্ষণ। অথচ এক সময় এমনটা ছিল না। বংশগত বিশেষ জিনের কারণে এখানকার অনেক মানুষ দীর্ঘজীবী হন। গার্ডা লেকের আয়তন প্রায় ৩৭০ বর্গকিলোমিটার। এখানকার অন্যতম পরিচিত শহরের নাম লিমোনে সুল গার্ডা। গত শতাব্দীর বিশের দশক পর্যন্ত শুধু নৌকায় চেপে জেলেদের এই গ্রামে যাওয়া যেত। এখন যাতায়াতের অনেক সুবিধা হয়েছে।

লিমোনে শহরের বয়স্ক অনেক মানুষ এখানে পর্যটকদের প্রথম ঢলের কথা এখনও মনে করতে পারেন। তাদের কাছেই জানা যায়, ১৯৩২ সালে মুসোলিনি যখন গার্ডেসেনা নামের পাড়ের রাস্তা তৈরি করিয়েছিলেন তখনই পর্যটনের উন্নতি শুরু হয়। আগে যেখানে লেবুর বাগান ছিল সেখানে হোটেল তৈরি শুরু হয় পঞ্চাশের দশকে। লিমোনে সুল গার্ডা নাকি পৃথিবীর উত্তরতম প্রান্ত। এখানে লেবু জন্মায়। কিছু প্রাচীন লেবুগাছের ঝোপ এখনও দেখা যায়। লেবু ছাড়াও এখানের আকর্ষণ হ্রদের মাছ। ভোর থেকেই নানা রকমের মাছ ধরা হয়। গত শতাব্দীর সত্তরের দশকের শেষে স্থানীয় মানুষের মধ্যে বিশেষ এক জিন শনাক্ত করা হয়, যা তাদের দীর্ঘ আয়ুর কারণ।

গার্ডা লেকের উত্তর প্রান্তে অতিথিরা আজ আর শুধু তরুণ ইতালীয়দের টানে আসেন না। বিশেষ ধরনের বাতাসের কারণে হ্রদটি সার্ফার ও নৌকাচালকদের স্বর্গ হয়ে উঠেছে। ক্যাবল কারে চেপে লেকের অপর প্রান্তে মন্টে বালডো পাহাড়ে চলে যাওয়া যায়। বছরে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ রিজ বা ঢাল দেখতে আসেন। বাতাস কাজে লাগিয়ে অনেকে প্যারাগ্লাইডিং করেন।

পর্যটকদের সুবিধার জন্য এখানে রয়েছে ক্যাবল কার কোম্পানি। এই ক্যাবল কার ইউরোপের অন্যতম সুন্দর গার্ডা লেক থেকে প্রায় এক হাজার ৮০০ মিটার উঁচুতে মন্টে বাল্ডোয় যায়। সেখানে রয়েছে মন্টে বাল্ডোর ইউরোপীয় বাগান। মন্টে বাল্ডো পাহাড়ের পাদদেশে মালচেসিনে শহর। লিমোনে সুল গার্ডার পরেই উত্তর পাড়ের অন্যতম পরিচিত শহর। মধ্যযুগীয় ছোট্ট শহরটিকে ‘গার্ডা লেকের মুক্তো’ বলা হয়।

বিখ্যাত জার্মান কবি ও সাহিত্যিক ইয়োহান ভল্ফগাং ফন গ্যোটে অষ্টাদশ শতাব্দীতেই তার ‘ইতালি ভ্রমণ’ বইয়ে শহরটিকে অমর করে দিয়েছেন। মালচেসিনে শহরের মাঝে চতুর্দশ শতাব্দীর স্কালিগার কেল্লায় গোটা এলাকার সমৃদ্ধ সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায়। প্রথম জার্মান পর্যটক হিসেবে সেখানে গ্যোটের জন্য আলাদা ফলক শোভা পাচ্ছে। গ্যোটের ভ্রমণ সম্পর্কে জানা যায়, তখন ক্যামেরা ছিল না। তাই তিনি এঁকেছেন, স্কেচ তৈরি করেছেন।

লোকে ভেবেছিল, তিনি একজন গুপ্তচর এবং তাকে কেল্লার কারাগারে পুরে দিতে চেয়েছিল। মালচেসিনে শহরের একজন মানুষ জার্মানির ফ্রাংকফুর্ট শহরে এক রেস্তোরাঁয় ওয়েটারের কাজ করেছিলেন। তিনিই লোকজনকে জানান, গ্যোটে অত্যন্ত বিখ্যাত এক কবি। তখন তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। মালচেসিনে শহরে সন্ধ্যা নামলে এক জাদুময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এর টানেই শত শত বছর ধরে মানুষ এখানে আসছেন।

বিস্তারিত খবর

সোনা পাচারের যতসব বিচিত্র উপায়

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১০ ০৯:২৯:৫২


ভারতের মাফিয়া ডন হাজী মাস্তান বা দাউদ ইব্রাহীমরা এক সময়ে সমুদ্রপথে সোনা পাচার করতো। এছাড়াও অনেকে সোনার গয়না পরে চলে আসত পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে, অথবা বিদেশ থেকে ফেরার পথে স্যুটকেসের লুকানো কুঠরিতে থাকত সোনার বাঁট বা গয়না। এখন দিন পাল্টেছে। পাচারকারীরা বদলেছে সোনা স্মাগলিংয়ের ধরণ। গত কয়েক বছরে নতুন নতুন পদ্ধতিতে পাচার করে নিয়ে আসার সময়ে ধরা পড়েছে প্রচুর সোনার বাঁট আর বিস্কুট।

মলদ্বারে সোনার বিস্কুট
গত কয়েক মাসে ভারতের শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ এমন তিনজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা নিজেদের মলদ্বারে সোনার বিস্কুট লুকিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করছিলেন। তিনটে ঘটনাই মুম্বাই বিমানবন্দরের। শুল্ক গোয়েন্দারা বলছেন, এপ্রিল মাসের এক রাতে শ্রীলঙ্কার দুই নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়, যারা বিমানবন্দর থেকে বেরুনোর চেষ্টা করছিল। দু’জনেই দুবাই থেকে মুম্বাইতে এসেছিল। সন্দেহ হওয়াতে দু’জনকেই আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। আর তাতেই জানা যায় যে, নিজেদের মলদ্বারে সোনার বিস্কুট লুকিয়ে নিয়ে এসেছে তারা। দু’জনের কাছ থেকে ২৪টা সোনার বিস্কুট পাওয়া যায়, যার ওজন তিন কেজি, দাম প্রায় এক কোটি টাকা।

মে মাসে আরও একটি ঘটনা ধরা পড়ে ওই মুম্বাই বিমানবন্দরেই। কলম্বো থেকে আসা এক শ্রীলঙ্কান যখন মেটাল ডিটেক্টর যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল, তখনই ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে তার শরীরে কোনো ধাতব বস্তু রয়েছে। ওই যাত্রীকে জেরা করে জানা যায় যে সেও মলদ্বারে সোনার বিস্কুট লুকিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে মলদ্বার থেকে ছয়টা সোনার বিস্কুট বার করা হয়। ২০৪ গ্রামের ওই সোনার বিস্কুটগুলোর মূল্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা।

মলদ্বার থেকে সোনা বার করতে স্মাগলারদের অনেক সময়েই প্রচুর কলা খাওয়াতে হয়, যাতে মলের সঙ্গে বিস্কুট অথবা নিষিদ্ধ মাদক বেরিয়ে আসে। গতবছর কলকাতা বিমানবন্দরে কুয়ালালামপুর থেকে আসা এক বাংলাদেশীকে দেখে সন্দেহ হয়েছিল শুল্ক কর্তাদের। মেটাল ডিটেক্টের প্রথমেই জানিয়ে দিয়েছে যে ওই ব্যক্তির শরীরে কোনো ধাতু রয়েছে। জেরা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই লোকটি স্বীকার করে যে, তার পেটের মধ্যে সোনা রয়েছে। এরপর তিন-চার ঘণ্টা ধরে পেট পরিষ্কার করার ওষুধ আর পানি খাওয়ানো চলে। সকালে লোকটি যখন টয়লেটে যায়, তখনই পেট থেকে বেরিয়ে আসে ১১টি সোনার বিস্কুট। ওজন এক কিলোগ্রামের কিছুটা বেশি, দাম ৩৪ লক্ষ টাকা।

ফলের জুসার আর ওয়াশিং মেশিনের মধ্যে সোনা
গালফ এয়ারের বিমানে দুবাই থেকে মুম্বাইতে এসে পৌঁছানো এক যাত্রীর ব্যাপারে সন্দেহ হচ্ছিল শুল্ক বিভাগের অফিসারদের। তাঁরা জেরা করতে শুরু করেন ওই ব্যক্তিকে। শেষমেশ সব মালপত্র পরীক্ষা করে দেখা যায় হাতে ঘুরিয়ে ফলের রস বের করার একটি যন্ত্রের মধ্যে লুকানো রয়েছে প্রায় ৫৭০ গ্রাম সোনা, যার মূল্য ১৭ লক্ষ টাকা। এমিরেটস-এর দুবাই-মুম্বাই বিমানের এক যাত্রীর সঙ্গে আনা ওয়াশিং মেশিন বাজেয়াপ্ত করেছিলেন শুল্ক অফিসারেরা। পরে ওয়াশিং মেশিনের ভেতরে থাকা মোটরে প্রায় সোয়া দুই কেজি ওজনের একটি সোনার বাঁট খুঁজে পাওয়া যায়।

ময়লার ঝুড়িতেও সোনা
জেট এয়ারওয়েজের মাস্কট-মুম্বাই বিমান পৌঁছানোর আগেই গোয়েন্দাদের কাছে খবর চলে এসেছিল যে ওই বিমানে সোনা পাচার করা হবে। বিমানটা মুম্বাইয়ের মাটি ছোঁয়ার পরেই শুরু হয়েছিল সোনার খোঁজ। কিন্তু কোথাও সোনা পাওয়া যাচ্ছে না! অবাক লেগেছিল গোয়েন্দাদের। অবশেষে তাঁদের নজর পড়ে বিমানের পেছনের দিকে টয়লেটের কাছে রাখা একটি ময়লা ফেলার ঝুড়ির দিকে। পরীক্ষা করে দেখা যায়, ওই ঝুড়িটার দুটো ভাগ রয়েছে, যা বাইরে থেকে বোঝা যায় না। একটা ফোঁকড় তৈরী করে তার মধ্যেই টেপ দিয়ে আটকিয়ে রাখা ছিল আটটা সোনার বাঁট। একেকটার ওজন এক কিলোগ্রাম করে। দাম দুই কোটি টাকা।

কয়েক বছর আগে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছানো একটি বেসরকারী এয়ারলাইন্সের বিমান থেকে ২৪ কেজি সোনা পাওয়া গিয়েছিল। কেউই সেই সোনা আর দাবি করেনি। টয়লেটের মধ্যে একটি গোপন কুঠুরি বানিয়ে সেখানে রেখে দেওয়া হয়েছিল সোনার বাঁটগুলি। মনে করা হয়, বিমানকর্মীদের যোগসাজসেই ওই সোনা পাচার করা হচ্ছিল।

পানির বোতলে সোনা
গত মাসে একই বিমানে সফররত ২১ জনকে একসঙ্গে আটক করা হয়। খবর ছিল যে এরা সোনা পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। সবাই জেদ্দা থেকে মুম্বাই আসছিল। বিমানটা মুম্বাইতে পৌঁছানোর পরে যখন শুল্ক অফিসারেরা মালপত্র পরীক্ষা করতে শুরু করেন, দেখা যায় পানির বোতলের নিচে আর বোতলের ছিপির ভেতরে সোনার ছোট ছোট টুকরো লুকিয়ে রেখেছে ওই পাচারকারীরা।

সকলের কাছ থেকে মোট সাড়ে পাঁচ কিলোগ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়, যার বাজার মূল্য এক কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। জেরা করে জানা যায়, এরা সকলেই উত্তরপ্রদেশের লখ্‌নৌর এক পাচার চক্রের সদস্য।

বেল্ট, জুতো আর টর্চের মধ্যে সোনা
ইস্তানবুল থেকে আগত এক তুর্কী নাগরিক বিশেষভাবে তৈরী বেল্টে লুকিয়ে সোনা নিয়ে আসতে গিয়ে ধরা পড়ে। বেল্টের ভেতরে ছোট্ট ছোট্ট খুপড়ি তৈরী করা হয়েছিল সোনা রাখার জন্য। মোট তিন কেজি সোনা পাওয়া গিয়েছিল তার কাছে। মার্চ মাসে মুম্বাই বিমানবন্দরে কর্মরত শুল্ক কর্মকর্তারা লক্ষ্য করেন যে এক যাত্রী সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছেন। কিছুদিন আগেও ওই ব্যক্তিকে দেখেছিলেন কর্মকর্তারা। তাতেই সন্দেহটা বাড়ে।

তিনি সিঙ্গাপুর থেকে মুম্বাই এসেছিলেন। মেটাল ডিটেক্টরের সামনে নিয়ে যেতেই যন্ত্র জানিয়ে দেয় যে ধাতব পদার্থ রয়েছে ওই ব্যক্তির কাছে। তারপর তল্লাশি করে পাওয়া যায় জুতোর তলায় একটা গোপন কুঠুরি বানিয়ে সোনা রাখা হয়েছে। ১২টা সোনার বিস্কুট পাওয়া যায় ওই ব্যক্তির কাছ থেকে। এর আগে রিয়াদ থেকে মুম্বাই পৌঁছানো জেট এয়ারওয়েজের একটি বিমানে এক যাত্রী এলইডি টর্চের ব্যাটারি রাখার জায়গায় সোনার ছোট ছোট বিস্কুট ভরে আনে। তার পার্সেও সোনার বিস্কুট ছিল। প্রায় এক কিলোগ্রাম সোনা পাওয়া গিয়েছিল তার কাছ থেকে।

সোনা দিয়ে তৈরী হ্যান্ডব্যাগের রিং
মুম্বাইয়ের ভিলে পার্লের বিদেশী ডাকঘরে একটা তল্লাশী অভিযান চালানো হয় সম্প্রতি। এ সময় শুল্ক অফিসাররা ১২টি এমন পার্সেল বাজেয়াপ্ত করেন, যার মধ্যে পাচার করা সোনা ছিল। বিশেষ তদন্ত দলের কাছে খবর এসেছিল যে মেয়েদেরে পার্স আর হ্যান্ডব্যাগের মধ্যে সোনা পাচার হচ্ছে। পরীক্ষা করে দেখা যায়, ওই হ্যান্ডব্যাগ ও পার্সের রিংগুলো আসল সোনা দিয়ে তৈরী। চার কেজিরও বেশি সোনা উদ্ধার হয়েছিল ওই অভিযান থেকে।

বিমানে সোনা
ভারতে গত কয়েক বছর ধরে শুরু হয়েছে বিমানে করে সোনা পাচার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিরেক্টরেট অব রেভেনিউ ইন্টেলিজেন্স বা ডিআরআই বলছে, ২০১৪ সাল থেকে পরবর্তী আড়াই বছরে তারা মোট সাত হাজার কিলোগ্রাম পাচার হওয়া সোনা উদ্ধার করেছে, যার দাম দুই হাজার কোটি রুপিরও বেশি। এর মধ্যে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম অর্দ্ধে প্রায় ৯১ কোটি টাকা মূল্যের সোনা উদ্ধার করা হয়েছে।

বিমানে করে সোনা পাচারের বিষয়টাও ওই সময়েই প্রথমে নজরে আসে গোয়েন্দাদের। গুয়াহাটি থেকে নিয়মিত ''অতি মূল্যবান দ্রব্য'' বলে একটি বিশেষ বেসরকারী এয়ারলাইন্সের বিমানে করে প্যাকেট আসতে শুরু করেছিল দিল্লিতে। মোট ৬১৭ বার ওভাবে 'বিশেষ' প্যাকেট আসাতেই সন্দেহ হয় গোয়েন্দাদের। আন্তর্দেশীয় বিমানেই আনা হচ্ছিল ওই 'বিশেষ' প্যাকেট,যাতে শুল্ক দপ্তর টের না পায়। মিয়ানমার থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ওই সোনা ভারতে আনা হয়েছিল বলে মনে করেন কর্মকর্তারা।

গাড়ির ইঞ্জিন
এর আগে ২০১৫ সালে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি এলাকায় একসঙ্গে ৮৭ কিলোগ্রাম সোনা ধরা পড়েছিল ডিআরআই'য়ের হাতে। একটি সদ্য কেনা গাড়ির ইঞ্জিনের মধ্যে লুকানো ছিল ওই সোনা। সেটাও মিয়ানমার থেকে মিজোরাম-আসাম হয়েই পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে জানিয়েছিলেন কর্মকর্তারা।

গতবছর নরেন্দ্র মোদীর সরকার বড় ব্যাংকনোট বাতিল ঘোষণা করার পরের দুই মাসে ভারতের ৫৯টি বিমানবন্দর থেকে ৩৫১ কেজি সোনা, ৫০ কেজি রূপা উদ্ধার করেছিল বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা ফোর্স। সূত্র : বিবিসি

বিস্তারিত খবর

প্রজাপতির রঙিন পাখার রহস্য

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-০৭ ০৮:১৪:৩৬

“প্রজাপতি, প্রজাপতি, কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা? ওই লাল-নীল ঝিলিমিলি আঁকাবাঁকা।” ছোটবেলার গানটার কথা মনে আছে?
সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যস্ততা বাড়ে। আর সেই সঙ্গে সঙ্গে আমরাও ছোটবেলার স্মৃতিগুলো ফেলে মানিয়ে নিই কর্মব্যস্ত জীবনের সঙ্গে। এই কর্মব্যস্ত জীবনের ফাঁকে হুট করেই যদি একবার এই গানটার কথা মনে পড়ে যায়, তাহলে তো মাথায় একটা প্রশ্ন আসতেই পারে- সত্যিই তো, এমন রঙিন পাখা কোথায় পেল প্রজাপতি? প্রজাপতির রঙিন পাখার মূল রহস্য হচ্ছে পিগমেন্টেশন। সাধারণভাবে যেকোনো কিছুর রঙের পেছনেই রয়েছে পিগমেন্টেশনের ভূমিকা। গাছের পাতা সবুজ হয় কেননা পাতায় রয়েছে ক্লোরোফিল পিগমেন্ট। ক্লোরোফিল সবুজ ছাড়া সমস্ত রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য শুষে নেয়, ফলে আমরা গাছের পাতা সবুজ দেখি।
একইভাবে বিভিন্ন পিগমেন্টের উপস্থিতি থাকায় প্রজাপতির পাখা রঙিন হয়। মূলত প্রজাপতির পাখায় থাকে মেলানিন পিগমেন্ট। এর উপস্থিতিতে প্রজাপতির পাখার রং হলুদ, বাদামি এবং কালো হয়ে থাকে। একটা মজার তথ্য হচ্ছে প্রজাপতির পাখার রং কিন্তু পরিবর্তন হয়। বিভিন্ন দিক থেকে দেখলে তাদের পাখা বিভিন্ন রঙের দেখায়। আর এটাই অন্য প্রাণীর সঙ্গে তাদের রঙিন পাখার সবচেয়ে বড় পার্থক্য। প্রজাপতির পাখার এই রং পাল্টানোর রহস্য হচ্ছে ইরিডিসেন্স বা চিত্রাভা। যখন আলো অনেকগুলো স্তরের একটি স্বচ্ছ পৃষ্ঠতলের ভেতর দিয়ে যায়, তখন প্রতিটা পৃষ্ঠ থেকে আলাদা আলাদাভাবে আলোর প্রতিফলন ঘটে। ফলে বিভিন্ন রং তৈরি হয়। আপনি জায়গা পরিবর্তন করলে তখন ভিন্ন ভিন্ন রং দেখবেন।
প্রজাপতির পাখার ক্ষেত্রে ঠিক এই ঘটনাটাই ঘটে। প্রজাপতির পাখায় স্বচ্ছ পর্দার উপরে থাকে আঁশের একটি আস্তরণ। এই আঁশগুলো প্রজাপতির পাখার স্বচ্ছ পর্দাকে ঢেকে রাখে। এগুলোকে খালি চোখে ধুলোর মতো দেখায়। এগুলো এতই কোমল এবং সূক্ষ্ম যে হাত দিয়ে স্পর্শ করলে এগুলো হাতের সঙ্গে লেগে আসে। প্রজাপতির পাখার গঠন এমন হওয়ায় খুব সহজেই এখানে ইরিডিসেন্স প্রক্রিয়া ঘটে। ফলে বিভিন্ন দিক থেকে দেখলে প্রজাপতির পাখার বিভিন্ন রং দেখা যায়। এটাই হচ্ছে প্রজাপতির রঙিন পাখার জটিল রহস্য।
এবার প্রশ্ন হচ্ছে, প্রজাপতির রঙিন পাখা কি শুধুই তাদের সৌন্দর্য বাড়ায়, নাকি অন্য কোন কাজেও লাগে? আসলে প্রজাপতির পাখা তার নিজের প্রয়োজনেই রঙিন। ছদ্মবেশ ধারণ করে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রজাপতির রঙিন পাখার কোনো বিকল্প নেই। এছাড়া এদের পাখার রং ও নকশা দেখেই পুরুষ ও মেয়ে প্রজাপতি আলাদা করা হয়।  

বিস্তারিত খবর

যেভাবে দিন শুরু করেন পৃথিবীর সবচাইতে সফল মানুষেরা

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৫-১৫ ০৯:৩১:৩৯

সকালের সময়টা সবার জন্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঘুম থেকে ওঠার পর পরই আপনি কী করছেন তার ওপর নির্ভর করে আপনার বাকি দিনটা কীভাবে যাবে। এ কারণে সফল মানুষেরা সকালে এমন কিছু কাজ নিয়মিত করেন যা তাদের সারাদিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত হতে সাহায্য করে। সকালে আপনি হালকা ব্যায়াম করুন বা দিনের কাজের একটা তালিকা করুন, ইতিবাচক এসব অভ্যাস আপনাকে সফল হতে সাহায্য করে। দেখে নিন পৃথিবীর সবচাইতে সফল কিছু মানুষের সকালের অভ্যাসগুলো-
১) বারাক ওবামা সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি এই গ্রহের অন্যতম কঠিন কাজগুলোর একটি শেষ করেছেন, তা হলো সারা পৃথিবীকে প্রভাবিত করবে এমন সব সিদ্ধান্ত নেওয়া। এ কারণে সকাল বেলায় তিনি পুরো দিনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেন। তিনি ঘুমানও বেশ কম, মাত্র ৫ ঘন্টা। সকালে কী খেতে হবে, কী পোশাক পরতে হবে এমন সব ছোট ছোট সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি নিজের সময় নষ্ট না করারই চেষ্টা করেন। সকালে ৪৫ মিনিট ব্যায়াম করেন তিনি। কখনো কার্ডিও এবং কখনো স্ট্রেংথ ট্রেইনিং।
২) ডোয়েইন জনসন (দি রক) তিনি না বলে দিলেও আমাদের ধারণা করতে অসুবিধে হয় না যে তার জীবনের বড় একটা অংশ জুড়ে রয়েছে ব্যায়াম। ভোরবেলা তিনি ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম শুরু করেন এবং সারাদিন ব্যায়াম এবং ডায়েট বজায় রাখেন। এক কাপ কফি পান করার পর কার্ডিও ব্যায়াম করেন। এরপর দৌড়ান ৩০ থেকে ৫০ মিনিট। সব সময় তিনি ডায়েট মেনে চলেন এবং আগে থেকেই খাবার প্রস্তুত করে রাখেন যাতে সময় নষ্ট না হয়।
৩) জেনিফার অ্যানিস্টন এই টিভি আইকন তার দিন শুরু করে ভোর সাড়ে চারটা থেকে পাঁচটার মাঝে, যখন তিনি কোনো অভিনয়ের কাজে যুক্ত থাকেন। যখন কাজ থাকে না, তখন তিনি সকাল ৮-৯টার দিকে ঘুম থেকে ওঠেন। এর পাশাপাশি তিনি খুব নিয়ম করে পালাক্রমে এই কাজগুলো করেন- -      এক টুকরো লেবুর সাথে গরম পানি পান করেন

-      মুখ ধুয়ে নেন

-      মেডিটেশন করেন

-      ব্রেকফাস্ট করেন

-      ব্যায়াম করেন
৪) কিম কার্দাশিয়ান তিনি দিন শুরু করেন টেকনোলজি দিয়ে। ৬টার দিকে ঘুম থেকে উঠে বেবি মনিটর, ব্ল্যাকবেরি এবং আইফোন চেক করেন। তিনি এ সময়ে ইমেইলের উত্তর দেন না, শুধু দেখে নেন কী আছে। এরপর তিনি তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। এক ঘন্টা দৌড়ানোর পর তিনি ব্রেকফাস্ট করেন। এরপর তিনি তার মেয়ের কাছে যান।
৫) অপরাহ উইনফ্রে আরও অনেক সেলেব্রিটির মতো অপরাহ উইনফ্রে দিনটা শুরু করেন মেডিটেশন দিয়ে। সূর্যোদয়ের আগে তিনি কিছু সময় এতে ব্যয় করেন।
৬) ওয়ারেন বাফেট পৃথিবীর সবচাইতে সফল বিনিয়োগকারী হিসেবে ধরা হয় তাকে। তিনি দিনটা শুরু করেন খবর পড়া দিয়ে। তিনি সারাদিনই পড়তে থাকেন। শুধু নিউজ নয় বরং বিভিন্ন ধরণের তথ্য পড়েন তিনি। এমনকি জানা যায় তিনি দিনের ৮০ শতাংশই পড়ার পেছনে ব্যয় করেন। তিনি দিনে ৫০০ পৃষ্ঠা পড়ার উপদেশ দেন।
৭) রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ব্রিটিশ ইতিহাসে সবচাইতে লম্বা সময় ধরে থাকা এক রানী তিনি। ৬০ বছর ধরে রাজত্ব করা এই নারী সকালে কী করেন? "At Home with the Queen" বইয়ের লেখক ব্রায়ান হোয়ে বলেন রানী প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠেন সাড়ে ৭ টায়। এরপর তিনি এক কাপ ইংলিশ টি এবং মেরি কুকি খান। এ সময়ে তিনি খবরের কাগজ পড়েন এবং রেডিও শো শোনেন।
সুত্র: বিজনেস ইনসাইডার  

বিস্তারিত খবর

জানতে চান কিভাবে আসলো ‘মা দিবস’

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৫-১৪ ১১:২৪:৪৪

মা। কথাটি খুব ছোট্ট কিন্তু এর বিশালতা ব্যাপক। এই পৃথিবীতে আমরা মায়ের কারণেই আসতে পেরেছি। মা সহস্র ত্যাগের মাধ্যমে আমাদের এই ‘কঠোর’ পৃথিবীতে পথ চলতে শিখিয়েছেন, বেঁচে থাকার পথ দেখিয়েছেন। মা দিবস পালন করার বহু নিয়ম-কানুন প্রচলিত আছে সমগ্র দুনিয়া জুড়ে। এটি নতুন কিছু নয়। তবে সব দিবসের একটি ইতিহাস আছে। 'মা দিবসের' ইতিহাস কী? চলুন জেনে নিই গল্পে গল্পে-
মা দিবসের ইতিহাস
ঐতিহাসিকভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম সম্পর্ক স্থাপন এবং বজায় রাখার ক্ষেত্রে মায়েদের ভূমিকা অপরিসীম। পরিবার থেকে নিয়ম কানুন মায়েরা প্রথমে নিজেরা শেখেন, জানেন এবং সেগুলো নিজ সন্তানের কাছে পৌঁছে দেন। এতে করে তাঁরা নির্ভরতার সেতু হিসেবে কাজ করেন। মায়ের এই ভূমিকাই 'মা দিবসের' ঘটনার পেছনের অংশ। কিন্তু এটিই সব নয়।  কিছু মানুষ মনে করেন, হলমার্কই প্রথম মা দিবসের ছুটির ব্যাপারটি স্থাপন করেছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল কার্ড, ফুল এবং উপহার বিক্রি করা এই বিশেষ দিনে। আবার অনেকেই মনে করেন যে সকল মায়েরা গৃহিণী, তাদের অন্তত একদিন ছুটি দেয়ার জন্যই এই দিবসের প্রবর্তন। আমাদের বর্তমান সমাজ হলো ভোক্তাবাদী, তারা ছুটি পেলেই সন্তুষ্ট বোধ করেন। মা দিবসে মায়েদের ছুটি শুধুমাত্র পরিবারকে সময় দেওয়ার জন্যে নয়। এছাড়া আরও অনেক কারণ লুকায়িত আছে এই দিনের পেছনে। দিনটি ব্যক্তিগত এবং রাজনৈতিক উভয় স্তরে অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের নারীদের প্রতিজ্ঞার বিষয়। এটি নারীদের সম্মান করে যারা না শুধুমাত্র তাদের নিজের শিশুদের জন্য বরং একটি সম্পূর্ণ ভবিষ্যত প্রজন্মের পক্ষে কাজ করেছেন। 
শেকড়ের গল্প:
গ্রীক ও রোমানদের উদযাপন
মা দিবস এখন আন্তর্জাতিকভাবে ছুটির দিন। কিন্তু এটি নতুন নয়। বহু আগে থেকেই এই ছুটির প্রচলন ছিল। প্রাচীন গ্রীসে বসন্তের সময়ে মাতৃদেবী রিয়ার অর্চনা করা হতো। গোধূলী বেলায় লোকেরা মধু-রুটি, পানীয় ইত্যাদি দিয়ে অর্চনায় শরিক হতেন। প্রাচীন রোমের অধিবাসীদের ও ‘মাগনা মাতার’ নামে একজন মাতৃদেবী ছিলেন। তার উদ্দেশ্যে একটি মন্দির নির্মিত হয়েছিল। প্রতি বছর মার্চ মাসে তার উদ্দেশ্যে আনন্দ উদযাপিত হতো। দেবীমাকে খুশি করার জন্য দর্শনার্থীরা হরেক রকমের উপহার আনতেন।
প্রাচীন ইংল্যান্ডে মা দিবস উদযাপন 
১৬০০ সালের দিকে ইংরেজরা ‘মাদারিং সানডে’ পালন করতো মায়েদের সম্মানার্থে। তখনকার সময়ে অনেক দরিদ্র নারীরা পরিবার থেকে দূরে গিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন মানুষের বাসায় কাজ করে। ওই একটা দিন তাঁরা ছুটি পেতেন এবং পরিবারের সাথে দিনটি পালন করতেন। উৎসবের আয়োজন আরও প্রগাঢ় করতে বিভিন্ন রকম পিঠার আয়োজন করা হতো।
প্রাচীন আমেরিকায় মা দিবস উদযাপন
প্রাচীন আমেরিকায় মা দিবস উদযাপন শুরু হয় কবি এবং লেখিকা জুলিয়া ওয়ার্ড এর চেষ্টায়। সময়টা ছিল ১৮৭২ সাল। মা দিবসের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি তখন কাজ করছিলেন। তিনি এই বিষয়ে একটি বিস্তারিত প্রক্লেমেশন পাস করানোর চেষ্টা করেন এবং দিনটিকে ছুটির দিন হিসেবে প্রকাশ করার আবদার জানান। জুলিয়ার রচনা করা ‘ব্যাটেল হিম অব দ্য রিপাবলিক’ গানটিও বেশ জনপ্রিয়তা পায়। 
মা দিবসের প্রেক্ষিতে আনা জার্ভিসের অবদান:
আনা জার্ভিস ছিলেন ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার একটি আদুরে মেয়ে। তিনি ‘মা দিবসের প্রতিষ্ঠাতা’ এবং ‘মা দিবসের মাতা’ হিসাবে স্বীকৃত। আনার মা মিসেস অ্যান ম্যারি রিভস জার্ভিস ছিলেন একজন কর্মী, যিনি সকল এক্টিভিস্ট মায়েদের তাদের যথাযথ স্বীকৃতি প্রদান করার চেষ্টা করতে চেয়েছিলেন। ১৯০৫ সালে মায়ের মৃত্যুর পর, আনার সংকল্প দৃঢ় হয়ে ওঠে এবং কয়েকজন সমর্থক মা দিবসে সরকারি ছুটির জন্য আনুষ্ঠানিক ছুটি চেয়ে ক্ষমতার লোকেদের চিঠি লিখতে শুরু করে। মাতৃমৃত্যুর দিন উদযাপন করার জন্য, আন্না তার স্থানীয় এলাকাবাসীদের তার মায়ের প্রিয় ফুল কার্নেশান পাঠাতে শুরু করলো যাতে লোকেরা তাদের মায়ের সম্মানে সেগুলো পরিধান করে। ধারণাটি বছরের পর বছর ধরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং ১৯১০ সালে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া মাতৃদিবসের ছুটি প্রদান করার দিক থেকে প্রথম রাষ্ট্র হয়ে উঠেছিল। শেষমেশ ১৯১৪ সালের ৮ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে ‘মা দিবস’ ঘোষণা করে চুক্তিপক্ষ সাক্ষর করে। 
এভাবেই সমগ্র পৃথিবী জুড়ে ‘মা দিবস’ পালন শুরু হয় এবং এই ঐতিহ্য এখনো পালিত হচ্ছে। প্রত্যেকটি মা সুস্থ, সুন্দর ও সামগ্রিক ভালোবাসার অধিকারী হন, এই শুভকামনা রইলো সকল মায়েদের প্রতি। 
সূত্র: লিগ্যাসি প্রজেক্ট   

বিস্তারিত খবর

আগামী মাসে ফেসবুকের টিভি শো

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৫-০৯ ০৯:৩০:২৫

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের পরবর্তী বড় পদক্ষেপ টিভি শো চলতি বছরের জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে উন্মুক্ত করা হবে। ব্যবসা বাণিজ্য বিষয়ক সাইট বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে একথা জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুক দুটি ভিন্ন স্তরে শো পরিচালনা করবে- একটি থাকবে বড় বাজেটের লম্বা শো অনেকটা নেটফ্লিক্সের 'হাউজ অব কার্ড' এর মতো, আরেকটি হবে ৫ থেকে ১০ মিনিটের শো যা ফেসবুকের নতুন ভিডিও ট্যাব ফিচার হিসেবে থাকতে পারে। ফেব্রুয়ারি মাসে ফেসবুক প্রধান মার্ক জাকারবার্গ বলেছিলেন, তিনি চান ব্যবহারকারিরা এই টিভি সেবায় এপিসোড কনটেন্টের জন্য আসবে। ফেসবুক এই টিভি শো এর জন্য বেশ কিছু শীর্ষ পর্যায়ের তারকাদের সাথে কাজও করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গত সপ্তাহে ফেসবুক তাদের প্রথম প্রান্তিকের আয়ের হিসেব প্রকাশ করেছে। আর এসময় প্রতিষ্ঠান প্রধান জানিয়েছেন, ভিডিও কনটেন্ট এখন ফেসবুকের মূল লক্ষ্য এবং ভিডিও কনটেন্টের জন্য তারা দ্বিগুন বিনিয়োগ করবে বলেও জানিয়েছে। এবং ফেসবুকের নিউজফিডে বেশিরভাগই থাকবে ভিডিও কনটেন্ট।
সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার  

বিস্তারিত খবর

ভুয়া খবর বোঝার উপায় নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে ফেসবুকের বিজ্ঞাপন

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৫-০৯ ০৯:২৩:৪০

সামাজিক যোগাযোগের শীর্ষ মাধ্যম ফেসবুক এবার ভুয়া খবর শনাক্ত করতে যুক্তরাজ্যের সংবাদ মাধ্যমকেই বেছে নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি দ্য টাইমস, দ্য গার্ডিয়ান ও ডেইলি টেলিগ্রাফে ভুয়া খবরবিরোধী বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রকাশিত এই বিজ্ঞাপনে কোনো একটি প্রতিবেদনকে সত্য হিসেবে ধরে নেওয়ার আগে যাচাই করা উচিত এমন ১০টি নির্দেশনার একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে। মিথ্যা সংবাদ শনাক্তে ফেসবুকের দেওয়া ১০টি পরামর্শ হলো- >> শিরোনাম সন্দেহপ্রবণ কিনা দেখুন

>> ইউআরএল বা ওয়েব অ্যাড্রেস ভালোভাবে দেখুন

>> উৎস যাচাই করুন

>> অস্বাভাবিক কোনো ফরম্যাটিং হয়েছে কিনা দেখুন

>> ছবিগুলো বিবেচনা করুন

>> তারিখ দেখুন

>> প্রমাণ যাচাই করুন

>> অন্যান্য প্রতিবেদনগুলোও দেখুন

>> প্রতিবেদনটি কোনো কৌতুক কিনা?

>> কিছু প্রতিবেদন ইচ্ছাকৃতভাবেই মিথ্যা (ব্যাঙ্গাত্মক) 
যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক চাপে রয়েছে ফেসবুক। ৮ জুন যুক্তরাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে । এ নির্বাচনে ভুয়া খবরের প্রভাব নিয়ে শঙ্কায় আছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুকে বিস্তার করা ভুয়া খবর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচন ও ব্রিটেনের গণভোটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে ভূমিকা রেখেছে। যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে এমনটি হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।
যুক্তরাজ্যের ফেসবুকের নীতিমালাবিষয়ক পরিচালক সায়মন মিলনার বলেন, ‘মানুষ ফেসবুকে সঠিক তথ্য দেখতে চায় আর আমরাও তাই।’ এছাড়াও ফেসবুক ভুয়া খবর শনাক্তে ‘ফুল ফ্যাক্ট’ আর ‘ফার্স্ট ড্রাফট’ নামের দুটি থার্ড পার্টি ফ্যাক্ট চেকার প্রতিষ্ঠানকে ‘সমর্থন’ দিচ্ছিল বলেও বলেন তিনি।
সূত্র: বিবিসি  

বিস্তারিত খবর

জেগে উঠছে বরফে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন সব রোগ

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৫-০৯ ০৯:১৩:২২

পরিবেশ পরিবর্তনের ব্যাপারটা যত চরম আকার ধারণ করছে ততই মানুষ নতুন নতুন সব বিভীষিকার মুখোমুখি হচ্ছে। সম্প্রতি জানা গেছে, পৃথিবী উত্তপ্ত হবার সাথে সাথে প্রাচীন ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ারা বরফ থেকে নতুন করে জেগে উঠতে শুরু করেছে। গবেষকেরা আশংকা করছেন এই ব্যাপারটা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।
সহস্র বছর ধরে বরফে আটকা পড়ে আছে কিছু কিছু জীবাণু। এদের ব্যাপারে প্রায় কিছুই জানেন না বিজ্ঞানীরা। তারা কী ধরণের ক্ষতি করতে পারে আমাদের, সে ব্যাপারেও তারা নিশ্চিত নন। সাইবেরিয়ার গলতে থাকা পার্মাফ্রস্টের মাঝে গবেষকেরা ইতোমধ্যেই দেখা পেয়েছেন কিছু “জায়ান্ট ভাইরাস” এর জাদের রয়েছে হাজার হাজার জিন। ৩০ হাজারেরও বেশি এমন একটি ভাইরাস ২০১৫ সালে আবিষ্কার হয় এবং তখনো তার মাঝে প্রাণীকে আক্রান্ত করার ক্ষমতা ছিল। সৌভাগ্যবশত তা মানুষের জন্য ক্ষতিকর ছিল না। 
এমনও চিন্তা করা হচ্ছে যে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া কিছু প্রাচীন রোগ আবার ফিরে আসতে পারে। কারন পার্মাফ্রস্ট জীবাণু আটকে রাখে এবং এসব জীবাণু থাকে সুপ্ত অবস্থায়, আবার উত্তাপের উপস্থিতিতে জীবিত হতে পারে। ১৯১৮ সালে আলাস্কার তুন্দ্রা অঞ্চলে কবর দেওয়া লাশের মাঝে স্প্যানিশ ফ্লু ভাইরাস খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা। ১৮৯০ এর দিকে সাইবেরিয়ান একটি শহরের অর্ধেক মানুষ মারা যায় স্মলপক্স হবার কারণে। তখন কোলাইমা নদীর তীরে পার্মাফ্রস্টের মাঝে তাদেরকে কবর দেওয়া হয়। সেই জায়গাটার বরফ এখন গলতে শুরু করছে। ফলে কী ধরণের দুর্যোগ দেখা দিতে পারে, তা বোঝাই যায়।
গত আগস্ট মাসে এ ধরণের একটি দুর্যোগ দেখা যায়। ১০০ জন মানুষ এবং ২,৩০০ টি রেইনডিয়ার আক্রান্ত হয় অ্যানথ্রাক্সে। ১৯৪১ সালের পর এই প্রথম অ্যানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব দেখা গেল সেখানে। একটি ছেলে মারা যায় এই রোগে। গবেষকেরা বিশ্বাস করেন ২০১৬ সালের উত্তপ্ত গ্রীষ্মে  বরফ গলে বের হয় একটি রেইনডিয়ারের অবশেষ, সেখান থেকেই আসে এই জীবাণু।
পার্মাফ্রস্ট গলে শতাব্দী পুরনো মহামারিগুলো ফিরে আসার আশঙ্কা রাশিয়ান বিজ্ঞানীরা ২০১১ সালের একটি গবেষণাপত্রে ব্যক্ত করেছিলেন। গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর ফলে পরিবেশের যেসব অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তার মাঝে অন্যতম একটি হলো পার্মাফ্রস্ট।
সুত্র: হাফিংটন পোস্ট  

বিস্তারিত খবর

নারীর সঙ্গে নারীর বিয়ে, পাঞ্জাবে হৈ চৈ

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-২৭ ১৫:২৮:০৫

ভারতের পাঞ্জাবে এক সমলিঙ্গ বিবাহের ঘটনা ঘটেছে। সেখানকার সরকারি এক নারীকর্মী বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হয়েছেন তারই এক নারী সঙ্গীর সাথে। ওই রাজ্যে দুজন মেয়ের মধ্যে বিয়ের ঘটনা সম্ভবত এটাই প্রথম।

রাজ্য সরকারের ওয়ার্ডেন পদে কর্মরত মনজিৎ কাউর সান্ধু (৪৪) কিছুদিন আগে বিয়ে করেছেন ২৭ বছর বয়সী তারই সহকর্মী বান্ধবীকে। যা নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমে বেশ মাতামাতি হচ্ছে বলে খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি বাংলা।

অবশ্য এই বিয়ে নিয়ে মিডিয়াতে অনেক ভুলভাল জিনিসও লেখা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন মনজিৎ সান্ধু। তিনি বলেছেন, ‘এগুলো আমার ব্যক্তিগত জীবনে অবাঞ্ছিত নাক-গলানো ছাড়া কিছুই নয়।’

তিনি আরও বলেছেন ‘যেমন অনেকেই লিখেছে আমি নাকি একজন পুলিশকর্মী - সেটা ঠিক নয়। তা ছাড়া আমি কোনওদিন অপারেশন করিয়ে আমার লিঙ্গ পরিবর্তনও করাইনি।’

মনজিৎ সান্ধু জানিয়েছেন, তার বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত একটি বিষয় এটা নিয়ে এত হইচই করারও কিছু নেই। তাদের দুই পরিবারের সদস্যদেরই এই বিয়েতে সমর্থন ছিল এবং তারা সবাই বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন।

পাঞ্জাবের জলন্ধর শহরের পাক্কা বাগ এলাকায় একটি মন্দিরে হিন্দু রীতিনীতি অনুযায়ী এই বিবাহ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয় বলেও জানা গেছে। ধর্মীয় রীতি অনুসারে বিয়ের পর শহরের একটি হোটেলে নবদম্পতির সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। তাতে তাদের পরিবারের লোকজন, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরাও হাজির ছিলেন।

মনজিৎ এরপর লাল পাগড়ি পরে ও ঘোড়ায় টানা রথে চেপে 'নববধূ'কে নিয়ে তার বাড়িতে এসে ওঠেন। যার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে, মনজিৎ তার নাম অবশ্য প্রকাশ করেননি। তবে এই বিয়ের ছবি ও ভিডিও কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড়ের বেগে ছড়িয়ে পড়েছে। জলন্ধরসহ গোটা পাঞ্জাবে এ বিয়ে নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত