যুক্তরাষ্ট্রে আজ রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 11:35pm

|   লন্ডন - 06:35pm

|   নিউইয়র্ক - 01:35pm

  সর্বশেষ :

  মঙ্গলবার চীনে উদ্বোধন হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু   ওয়াশিংটনে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত   ঢাকায় সরকারি চাকরিতে বয়স বৃদ্ধির দাবির সমাবেশে পুলিশের লাঠিচার্জ   এরদোগানকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে যাচ্ছেন সালমান?   মানুষ ভোট দিলে আবার আসবো না দিলে আফসোস নেই : প্রধানমন্ত্রী   কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ১৫   মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আইয়ুব বাচ্চু   বেলজিয়ামে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি শায়লা   দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু   প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক, অন্তর্দ্বন্দ্বে নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ আদালতের   তুরস্কে চলছে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কুরআন প্রদর্শনী   যেসব খাবারের সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক রয়েছে   মেসিকে ছাড়াই কোপার পরিকল্পনা আর্জেন্টিনার!   বিন সালমানের অপসারণ চাইলেন সৌদির ওলামা পরিষদ   ‘যত বার ওর অফিসে গিয়েছি, তত বারই চুমু খাওয়ার চেষ্টা করেছেন’

>>  টুকিটাকি এর সকল সংবাদ

ইমাম গাযালীর মূল্যবান আটটি জীবন ঘনিষ্ট উপদেশ

ইমাম আবু হামিদ আল-গাযালীর সমগ্র রচনায় আমরা জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপদেশের সমাহার লক্ষ করি। ‘শিষ্যের প্রতি চিঠি’ মূল্যবান জীবনোপদেশ সম্বলিত তার এমনই একটি রচনা। এটি মূলত তার একজন শিষ্যের চিঠির জবাব, যাতে তিনি আটটি অমূল্য উপদেশ দান করেছেন।

তিনি এই চিঠিতে আপন শিষ্যকে আল্লাহর নিকটবর্তী হতে চারটি কাজ করা হতে নিষেধ করেছেন এবং চারটি কাজ করতে উপদেশ দিয়েছেন। নিম্নে তা পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

১. বিতর্ক পরিহার
শিষ্যের প্রতি ইমাম গাযালীর প্রথম উপদেশটি হলো, যথাসাধ্য সম্ভব বিতর্ক পরিহার করে চলা। বিশেষ করে, অজ্ঞ ও মূর্খ লোকের সাথে অযথা বিতর্কে

বিস্তারিত খবর

উন্নত বিশ্বে দ্রুত বাড়ছে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৯-২৩ ০৮:৪৯:০১

গোটা ইউরোপ মহাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কমছে জন্মহার, কমছে শিশু আর এর বিপরীতে দ্রুত বাড়ছে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা। বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বাড়ছে ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি বয়সের মানুষের সংখ্যা। অনেক উন্নত দেশে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি উদ্বেগজনক পর্যায়ে চলে গেছে। এক দিকে অগণিত মানুষ প্রাণন্তকর সাধনা করে যাচ্ছে কিভাবে আরো বেশি দিন পৃথিবীতে বেঁচে থাকা যায়, আরেক দিকে অনেক দেশ বয়স্ক মানুষ নিয়ে নানা ধরনের সঙ্কটের মুখোমুখি। জাপানসহ অনেক দেশে বয়স্কদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। উন্নত দেশে পূর্ণ আর্থিক নিরাপত্তা, উন্নত চিকিৎসাসহ বয়স্কদের জন্য যাবতীয় সুযোগ-সুবিধার আয়োজন থাকলেও তাদের প্রধান সমস্যা নিঃসঙ্গতা। অপর দিকে দারিদ্র্য বা অনুন্নত দেশে অধিক বয়স্ক মানুষ নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে পরিবারের লোকজন আর্থিক নিরাপত্তাহীনতা এবং উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা না থাকায়। এসব দেশে বয়স্করা সাধারণত পরিবারের সাথে থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই তাদের বোঝা এবং বিড়ম্বনা হিসেবে দেখা হয়।

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গড় আয়ু জাপানের মানুষের, ৮৭ বছর। জাপানের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে উন্নত জীবন যাপন পদ্ধতি, সংক্রামক ব্যধি প্রতিরোধ, শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। বেশি দিন বেঁচে থাকার আশায় অনেক দেশের মানুষ জাপানিদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপন পদ্ধতি মেনে চলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের অনেকেই হয়তো জানেন না জাপান বর্তমানে বয়স্ক মানুষ নিয়ে কী ধরনের সঙ্কটের মুখোমুখি। জাপানে প্রতি বছর যে পরিমাণ মানুষ আত্মহত্যা করে তার মধ্যে শতকরা ৩০ ভাগের ওপরে রয়েছে বয়স্ক মানুষ। তবে ২০১৫ সালে জাপানে ২৪ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করে। জাপানে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে যারা আত্মহত্যা করে তাদের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে যাদের বয়স ৫০ থেকে ৫৯ বছর । দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যাদের বয়স ৮০ বছর বা তার বেশি। তৃতীয় স্থানে রয়েছে যাদের বয়স ৭০ থেকে ৭৯ বছর।

নিঃসঙ্গতা, সামাজিক বিচ্ছিন্নতাসহ বিভিন্ন কারণে উন্নত দেশের বয়স্ক লোকজন নানা ধরনের মানসিক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং বয়স্কদের কোনো কোনো আত্মহত্যার খবর প্রায়ই এসব দেশে গভীর বেদনা সৃষ্টি করে।
সিঙ্গাপুরে ২০১৭ সালে আত্মহত্যার ৩৬ ভাগ ঘটে ৬০ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়স্কদের ক্ষেত্রে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৬ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী গড় আয়ুর দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড ৮৩ দশমিক ৪, তৃতীয় সিঙ্গাপুর ৮৩ দশমিক ১, চতুর্থ অস্ট্রেলিয়া ও স্পেন ৮২ দশমিক ৮। এরপরের দেশগুলো হলো আইসল্যান্ড ৮২ দশমিক ৭, ইতালি ৮২ দশমিক ৭, ইসরাইল ৮২ দশমিক ৫, সুইডেন ও ফ্রান্স ৮২ দশমিক ৪ ও দক্ষিণ কোরিয়া ৮২ দশমিক ৩।

আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, মরক্কো, মিসর ছাড়া আফ্রিকার বেশির ভাগ দেশের মানুষের গড় আয়ু ৬৫-এর নিচে। এ মহাদেশের অনেক দেশের মানুষের গড় আয়ু ৫০ এর সামান্য বেশি। বিশ্বের সবচেয়ে কম গড় আয়ু আফ্রিকার সিয়েরালিওনে ৫০ দশমিক ১।
বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭১ দশমিক ৮। বিশ্বব্যাপী মানুষের গড় আয়ু ২০১০ থেকে ২০১৫ সালে ছিল ৭১ বছর। এটা ২০৪৫ থেকে ২০৫০ সালে ৭৭ পর্যন্ত পৌঁছবে।

শতকরা হিসাবে সবচেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষ রয়েছে জাপানে। জাপানের জনসংখ্যার ২৬ দশমিক ৩ ভাগের বয়স ৬৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি। ২০৩০ সালে এটা ৩২ ভাগ হবে। জাপানে বর্তমানে প্রতি চারজনে একজনের বয়স ৬৫ বা তার চেয়ে বেশি। শতকরা হিসাবে বয়স্ক মানুষের সংখ্যার দিক দিয়ে এর পরের দেশগুলো হলো ইতালি ২২ ভাগ, গ্রিস ও জার্মানি ২১ ভাগ করে, পর্তুগাল, ফিনল্যান্ড ও বুলগেরিয়া ২০ ভাগ করে, সুইডেন, লাটভিয়া ও মাল্টা ২০ ভাগ করে, ফ্রান্স এবং ডেনমার্ক ১৯ ভাগ করে, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, লিথুনিয়া, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভেনিয়া ও সুইজারল্যান্ডে ১৮ ভাগ করে বয়স্ক মানুষ রয়েছে মোট জনসংখ্যার। যুক্তরাজ্য ও রোমানিয়ায় রয়েছে ১৭ ভাগ।

জাতিসঙ্ঘের জনসংখ্যা তহবিলের ২০১৭ সালের তথ্য অনুসারে সারা বিশ্বে ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি মানুষের সংখ্যা হলো ৯৬ কোটি ২০ লাখ। এটা মোট জনসংখ্যার ১৩ ভাগ। ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা প্রতি বছর ৩ শতাংশ হারে বাড়ছে। বর্তমানে এ বয়সী মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রয়েছে ইউরোপে তথা ২৫ ভাগ। এটা দ্রুত অন্যান্য মহাদেশেও বাড়বে। আফ্রিকা মহাদেশ ছাড়া সারা বিশ্বে আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি মানুষের সংখ্যা হবে ২৫ ভাগ। আর ইউরোপে ২০৫০ সালের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫ ভাগে।
বয়স্ক মানুষের সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে ১৪০ কোটি এবং ২০৫০ সালে ২১০ কোটি হবে।

ল্যাটিন আমেরিকায় এবং এশিয়ায় বর্তমানে বয়স্ক মানষের সংখ্যা শতকরা ১২ ভাগ। ২০৫০ সালের মধ্যে এটা ল্যাটিন আমেরিকায় ২৫ ভাগ এবং এশিয়ায় ২৪ ভাগ পর্যন্ত বাড়বে।

উত্তর আমেরিকায় বর্তমানে ২২ ভাগ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে ২৮ ভাগ পর্যন্ত বাড়বে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা।
বয়স্ক মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে কম আফ্রিকা মহাদেশে মাত্র ৫ ভাগ। ২০৫০ সালে এটা ৯ ভাগ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

জাতিসঙ্ঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কম বয়সী মানুষ সবচেয়ে বেশি রয়েছে আফ্রিকা মহাদেশে। এ মহাদেশে ৬০ ভাগ মানুষের বয়স ২৫ বছরের নিচে । ৪১ ভাগ মানুষের বয়স ১৫ বছরের নিচে। আফ্রিকা মহাদেশে বয়স্ক মানুষ কম থাকার পেছনে রয়েছে এইডস এবং বিভিন্ন অসংক্রামক রোগে মৃত্যু।

ল্যাটিন আমেরিকায় ২৫ ভাগ মানুষের বয়স ১৫ বছরের নিচে এবং এশিয়ায় ২৪ ভাগ মানুষের বয়স ১৫ বছরের নিচে।
বর্তমানে বিশ্বে ৮০ বছর অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৪ কোটি। ২০৫০ সালের এটা তিনগুণ বেড়ে ৪২ কোটি ৫০ লাখে পৌঁছবে। বর্তমানে ৮০ বছর অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা শতকরা ১ ভাগ। বর্তমানে একমাত্র সুইডেনে ৮০ বছর বা তার বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা শতকরা ৫ ভাগ।

৬০ বছর অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা ১৯৫০ সালে ছিল প্রতি ১৫ জনে ১ জন, ২০০০ সালে ৯ জনে ১ জন এবং ২০৫০ সালে এটা প্রতি ৫ জনে ১ জন হবে।

জাতিসঙ্ঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অন্যের ওপর নির্ভরশীল বা পরিবারের সাথে জীবনযাপন করে আফগানিস্তানে। আফগানিস্তানের ৯৩ ভাগ বয়স্ক লোক অন্যের ওপর নির্ভরশীল বা পরিবারের সাথে বাস করেন। আর বয়স্কদের মধ্যে সবচেয়ে কম নির্ভরশীল এবং একাকী জীবন যাপন করেন নেদারল্যান্ডে।

সেখানে মাত্র ২ দশমিক ৩ ভাগ বয়স্ক অন্যের ওপর নির্ভরশীল। বাকিরা সাবলম্বী এবং একাকী জীবন যাপন করেন। তবে পুরুষের তুলনায় বয়স্ক নারীরা বেশি একাকিত্বে ভোগেন। আফ্রিকা এবং ইউরোপে পুরুষের দ্বিগুণ নারী একাকী জীবন যাপন করেন। ১৪৩টি দেশের তথ্যের আলোকে ২০১৭ সালে জাতিসঙ্ঘের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ঢেউয়ে ভাসে মসজিদ : তিন মিনিট পরপর খুলে যায় ছাদ

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৮-৩০ ১৭:১৪:১৪

মরক্কোর মাটিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন পানিতে ভাসমান এ মসজিদটির নাম গ্র্যান্ড মস্ক হাসান–২ বা দ্বিতীয় হাসান মসজিদ। একে ভাসমান মসজিদ বলার কারণ হচ্ছে, মসজিদটির তিন ভাগের এক ভাগ আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর অবস্থিত। দূরের কোনো জাহাজ থেকে দেখলে মনে হয়, ঢেউয়ের বুকে যেন মসজিদটি দুলছে আর মুসল্লিরা যেন নামাজ পড়ছেন পানির ওপর।

মহাসাগরে ভাসমান এ মসজিদটি মরক্কোসহ আফ্রিকার সবচেয়ে বড় মসজিদ। ঝড়–বৃষ্টির সময় ছাড়া প্রাকৃতিক আলো ও মুক্তবাতাস প্রবেশ করায় মসজিদটির ছাদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায় তিন মিনিট পরপর। ৩৩ ফুট উচ্চতার সামুদ্রিকঢেউ সামলে নেওয়ার ব্যবস্থা আছে মসজিদটিতে। সমুদ্রের কোনো গর্জন শোনা যায় না মসজিদটির ভেতর থেকে।

২২ দশমিক ২৪ একর জায়গার ওপর অবস্থিত এ মসজিদের মূল ভবনের সঙ্গে আছে সভাকক্ষসহ লাইব্রেরি, কোরআন শিক্ষালয়, অজুখানা। আড়াই হাজার পিলারের ওপর স্থাপিত এ মসজিদের ভেতরের পুরোটায়ই টাইলসবসানো। মসজিদ এলাকার আশপাশ সাজানো হয়েছে ১২৪টি ঝরনা ও ৫০টি ক্রিস্টালের ঝাড়বাতি দিয়ে। শুধু তা–ইনয়, কোথাও কোথাও এসব মোড়ানো হয়েছে স্বর্ণের পাত দিয়ে। মসজিদটির মেঝে থেকে ছাদের উচ্চতা ৬৫ মিটার। মেহরাবের উচ্চতা দোতলা ভবনের সমান। আর মিনারের উচ্চতা ২১০ মিটার। ৬০ তলা ভবনের সমান এমিনারের ওপর রয়েছে লেজার রশ্মি, যা নাবিকদের দেখিয়ে দেয় পবিত্র কাবা শরিফের পথ। ৩০ কিলোমিটার দূরথেকেও স্পষ্ট দেখা যায় এই লেজার রশ্মি। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মিনার এটি।

মরক্কোর বাদশাহ দ্বিতীয় হাসান মসজিদটি তৈরি করেছেন। এটি নির্মাণে কাজ করেছেন ফরাসি কম্পানি বয়গিসের প্রকৌশলীরা। আর নকশা করেছেন ফরাসি স্থপতি মিশেল পিনচিউ।

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিশ্বের বৃহত্তম সুইমিং পুল, নৌকাও চলে এতে

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৮-২৭ ১৪:২৭:২০

বিশ্বের বৃহত্তম সুইমিং পুল এটি। দৈর্ঘ্য প্রায় তিন হাজার ৩২৪ ফুট। পুলটিতে ৬৬ মিলিয়ন গ্যালন পানি সংরক্ষণ করা যায়। এমনকি নৌকাও চালাতে পারবেন এই সুইমিং পুলে। চিলির সান অ্যালফোনসো ডেল মার রিসোর্টে দেখা পাওয়া যাবে এই সুইমিং পুলটির।

চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে এই রিসোর্টটি অবস্থিত। আট মিটার লম্বা ছয় হাজার পুলের চেয়েও বড় এই সুইমিং পুল।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ ২০০৬ সালে চিলির এই পুলটিকে বিশ্বের বৃহত্তম পুল বলে ঘোষণা করে।


প্রায় ২০ একর এলাকা জুড়ে অবস্থিত পুলটি। ১১৫ ফিট গভীর এই সুইমিং পুলে ওয়াটার স্পোর্টসের ব্যবস্থা রয়েছে। সুইমিংপুলটি আলফ্রেস্কো লাগোনের নিজস্ব সুইমিংপুল।

সান অ্যালফোনসো ডেল মার রিসোর্টের এই সুইমিং পুলটি তৈরি করতে সময় লেগেছে পাঁচ বছর। সুইমিংপুলটি অলিম্পিকের প্রায় ২০টি সুইমিং পুলের সম আয়তনের।

জানা গেছে, পুলটির পানি পরিষ্কার রাখতে ব্যবহার করা হয়েছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত অপারেটিং সিস্টেম।

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সীমান্ত পার হওয়ায় গর্ভবতী গাভীর মৃত্যুদণ্ড!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-০৪ ১৫:১৪:৪৭

সীমান্ত পার হওয়ায় একটি গর্ভবতী গাভীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। বিষয়টি বিস্ময়কর হলেও এমনটা ঘটেছে ইউরোপে। একটি প্রাণীকে তুচ্ছ অপরাধে প্রাণদণ্ড দেয়া নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে। খবর ইন্ডিপেনডেন্ট।

ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত পার হওয়ায় গর্ভবতী গাভীটিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। পেনকা নামের গাভীটির তিন সপ্তাহ পর বাচ্চা প্রসব করার কথা। সম্প্রতি গাভীটি বুলগেরিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রাম কপিলোভস্তিতে পাল থেকে বের হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অসদস্য দেশ সার্বিয়ায় ঢুকে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা পর অবশ্য গাভীটি তার মালিক হারাম্পিয়েভের কাছে ফিরে আসে।

কিন্তু ততক্ষণে তার আইন ভাঙার কথা এক কান দুই কান করে ছড়িয়ে পড়ে সারা গ্রামে। আর এতেই বাড়ে বিপত্তি। এ অপরাধের শাস্তি হিসেবে ইইউ আইন অনুযায়ী, গাভীটির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে বুলগেরিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

পশু চিকিৎসক লিউবোমিরভ বলেন, ‘আসলে এসব ব্যাপারে আমাদের কিছুই করার থাকে না। আমরা শুধুই আইনের বাস্তবায়ন করি। আইন তো পাস হয় সেই ব্রাসেলস থেকেই।’

বুলগেরিয়ার রক্ষণশীল দলের এমপি জন ফ্ল্যাক এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বয়কো বরিসভ ও ইইউর প্রেসিডেন্ট অ্যান্টনিও তাজানির কাছে চিঠি লিখে বলেছেন, কঠোর আইনের নামে এই অযাচিত হস্তক্ষেপ সুনিশ্চিতভাবে বন্ধ করা উচিত।

চেঞ্জ ডট অর্গ পিটিশন নামে একটি গ্রুপ গাভীটির ব্যাপারে ছাড় দেয়ার জন্য ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, পেনকার ঘটনায় ইইউ কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের জন্য যে ছাড় দেয়া হয়, তাও দেননি। আর গাভীটির মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণায় তার মালিক উন্মাদপ্রায়।’

উল্লেখ্য, ইউরোপজুড়ে পেনকার মৃত্যুদণ্ড নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইইউ প্রণীত এ ধরনের অদ্ভুত আইন পরিবর্তনে একটি পিটিশনও আহ্বান করা হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত পিটিশনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৮ হাজার ব্যক্তি।

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

টয়লেটের ছবি না দিলে বেতন বন্ধ!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-২৬ ১৪:০৬:১২

সম্প্রতি বাড়ির টয়লেটের ওপর কাঠের চেয়ারে বসা ভগতী প্রসাদের ছবি ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তার ছবির সঙ্গে বিস্তারিত কিছু বিবরণ, যার মধ্যে আধার কার্ড ও ফোন নম্বর দেওয়া রয়েছে। ভগতী প্রসাদ হচ্ছেন উত্তর প্রদেশের সিতাপুরের একটি সরকারি স্কুলের অধ্যক্ষ।আর এই ছবি হচ্ছে তার বাড়িতে যে টয়লেট রয়েছে তার প্রমাণপত্র।

কয়েক দিন আগে সিতাপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শীতল বার্মা তার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন, অধস্তন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসায় টয়লেট আছে কিনা তার প্রমাণ দাখিল করতে হবে। এজন্য তারা যেন বাসার টয়লেটের ছবি জেলা পঞ্চায়েত রাজ অফিসে পাঠায়।

তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সোয়াচ ভারত অভিযান কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২ অক্টোবরের মধ্যে দেশের সব গ্রামে উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ বন্ধ করতে হবে। তাই প্রত্যেক বাড়িতে টয়লেট থাকা বাধ্যতামূলক।

তার নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীর বাসায় টয়লেট থাকতে হবে। আর যদি না থাকে তাহলে তাদের বেতন বন্ধ করে দেওয়া হবে।

জারি করা নির্দেশনায় তিনি বলেছেন, ‘আগামী ২৭ মে’র মধ্যে ছবি জমা দেওয়া না হলে বেতন বন্ধ করে দেওয়া হবে।’

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

১৪০ দিনে হাতে লিখলেন পুরো কোরআন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-২০ ১৪:২৭:২৭

মিসরের ডাকহলিয়া প্রদেশের আরবি ক্যালিওগ্রাফার হামদি বাহরাভি মাত্র ১৪০ দিনে পুরো কোরআন শরীফ হাতে লিখেছেন।
৫৫ বছর বয়সী এই শিল্পী দেশটির ডাকহলিয়া প্রদেশের শহীদ মুস্তাফা ভ্যাটিডি প্রাথমিক স্কুলের আরবি ক্যালিগ্রাফির শিক্ষক।

তিনি হাতে পুরো কোরআন হাতে লেখার পরিকল্পনা করলে তার বন্ধু-বান্ধব ও শিক্ষকরা তাকে সতর্ক করেন। কারণ, তাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে; আর কাজটিও বেশ কঠিন। কিন্তু তিনি একাগ্র সাধনা ও অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে সব বাধা অতিক্রম পেরিয়ে একাজ করতে সফল হয়েছেন।

ক্যালিওগ্রাফার হিসেবে তিনি বেশ পরিচিত। বিভিন্নভাবে পবিত্র কোরআনের আয়াত লেখার জন্য হামদি বাহরাভি তার এলাকায় অনেক প্রসিদ্ধ।

মাত্র ১৪০ দিনে কোরআন হাতে লেখার বিষয়ে তিনি বলেন, অনেকেই আমাকে সতর্ক করেছেন। কিন্তু আমি আমার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য দৃঢ়প্রত্যয়ী থেকে পবিত্র কোরআন হাতে লেখার কাজ অব্যাহত রাখি এবং সফল হই। এ কাজে আমার পরিবারের সদস্যরা ব্যাপক উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছে। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

তার হাতে লেখা কোরআনের কপিটি ৩০ সেন্টিমিটার প্রস্থ এবং ৪০ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্য। পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪১৫টি। এটা তিনি মিলিমিটার কলম দিয়ে লিখেছেন। পুরো কাজটি লিখতে তার ব্যয় হয়েছে মিসরীয় ১২৫ পাউন্ড।
তার লিখিত কোরআনের পাণ্ডুলিপিটি আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে করে নির্ভুল বলে ঘোষণা করেছে।

বর্তমানে এই শিল্পী পবিত্র কোরআনের একটি বড় পাণ্ডুলিপি লেখার কাজ শুরু করেছেন। এরই মধ্যে ২ হাজার ৭শ’ মিসরীয় পাউন্ড ব্যয় করে ৭ মাসে ১২ পারা লিখে শেষ করেছেন।

তার ইচ্ছা, এই পাণ্ডুলিপির কাজ শেষ হলে এটিও পর্যবেক্ষণের জন্য আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাবেন এবং সেখান থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর তা মিসরে জাদুঘরে প্রদর্শনের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে উপহার দেবেন।

বিস্তারিত খবর

পেটের ভেতর থেকে বের হলো ১৯ কেজির টিউমার!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৩-২১ ০২:১০:১৫

নিশ্বাস নিতে পারতেন না। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে কপালে ঘাম জমত। সবসময়ই মনে হতো পেটের ভেতর কিছু একটা আছে। আচমকা তার ওজন বেড়ে যাওয়ায় ভয় পেয়ে গিয়েছিল পাড়া প্রতিবেশীরাও। আলির পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, ওজন যন্ত্রে ওজন নিতে গিয়ে দেখা যায় শরীরে ওজন অনেক বেশি দেখাচ্ছে।

কিন্তু সে এমন কোনো খাবারও খেত না যে হঠাৎ করেই এমন ওজন বেড়ে যাবে। এর পরেই পরীক্ষা করে দেখা যায় পেটের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে বিশাল এক টিউমার। কলকাতার বসিরহাট এলাকার শের আলি সাপুই (৫০) নামের ওই ব্যক্তি পেট থেকে বিশাল ওজনের ওই টিউমার বের করার পর এখন তিনি সুস্থ আছেন।

চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলে লাইপোসারকোমা। মূলত চর্বিযুক্ত টিস্যু নিয়েই তৈরি হয় এই টিউমার। প্রকাণ্ড এই মাংসপিণ্ড পাকস্থলীর সিংহভাগ অংশ জুড়ে ছিল। অস্ত্রোপচার করতে শহরের একাধিক হাসপাতালে ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু বেশ কয়েকটি হাসপাতাল তাকে ফিরিয়ে দেয়।

রোগীর পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, প্রকাণ্ড এই টিউমারের অস্ত্রোপচার করতে দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। রোগীকে দীর্ঘক্ষণ অজ্ঞান করে রাখতে হয় এমন অস্ত্রপচারে। অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎসকদের আশঙ্কা ছিল এত বড় অস্ত্রোপচারের ধকল সইতে পারবে না আলির শরীর।

দীর্ঘদিন ধরেই ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া না করে এমনিতেই দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন আলি। অবশেষে সল্টলেকের বেসরকারি এক হাসপাতালে সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় আলির শরীরে অস্ত্রোপচার করেন ড. জে কে শাহ। টানা দেড় ঘণ্টার অস্ত্রোপচার শেষে পাকস্থলী থেকে যে মাংসপিণ্ডটি বেরিয়েছে তার ওজন ১৯ কেজিরও বেশি।

খাদ্যনালি থেকে তলপেট পর্যন্ত পেঁচিয়ে ছিল টিউমারটি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শরীরে কোনও অংশ বাদ না দিয়েই টিউমারটিকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আপাতত সুস্থ আছেন আলি।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ছেলের পরীক্ষা তাই কার্ড ছাপিয়ে দাওয়াত খাওয়ালেন বাবা!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৩-১৪ ০০:৫৬:৩৪

ছেলের মাধ্যমিক পরীক্ষা উপলক্ষে দাওয়াত দিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য ভুরিভোজনের আয়োজন করেছে বাবা। ছেলের পরীক্ষা শুরুর আগে রীতিমত কার্ড ছাপিয়ে এ ধরণের আয়োজন করেন মুর্শিদাবাদের দুই বাবা।  

কার্ড ছাপিয়ে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি ঘরের উঠোনে টাঙ্গানো হয়েছে বিশাল সামিয়ানা। সেইসাথে রান্নাপাতির বড় বড় ডেকসি-পাতিলে এলাহি কারবার। অতিথিরাও পরীক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে এসেছেন খাতা কলম।
 
রজব আলী পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। তিনি পড়াশোনায় প্রাথমিক স্কুল পেরোতে পারেননি। স্ত্রী রূপসেনা বিবির দৌড়ও ক্লাস সেভেন পর্যন্ত। তাদের বড় ছেলে শামীম শেখ পুরো বাড়ির মধ্যে প্রথম মাধ্যমিকে বসছে । তাই তিনি দীর্ঘদিন ধরে টাকা জমিয়েছেন ছেলের পরীক্ষার আগে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে খাওয়ানোর জন্য। মুরগির মাংস, পোলাওসহ হরেক রকম আইটেম রান্নার আয়োজনও করেছেন তিনি।

শনিবার ভগবানগোলা এলাকায় বিশাল ভূরিভোজনের ব্যস্ততার মধ্যে রজব আলী আনন্দবাজার পত্রিকাকে জানান, ‘‘বাড়ির বড় ছেলে এ বার মাধ্যমিক দিচ্ছে। সেই উপলক্ষেই এই আয়োজন। সবাই দোয়া করুন, ছেলেটা যেন সফল হয়।’’
 
একইভাবে রবিবার পদ্মাপাড়ের লালগোলায় সারজেমান শেখের বাড়িতেও বসে এ ধরণের ভূরিভোজনের। তিনিও আমন্ত্রণ করেছেন শ’দেড়েক অতিথি। তাদেরকে খাইয়েছেন মোরগ পোলাও।
 
মোটরবাইক শো-রুমের মালিক সারজেমান বলেন, “বড় ছেলের মাধ্যমিক পরীক্ষা। অতিথিদের দোয়ার নেয়ার উদ্দেশে সামান্য এ আয়োজন করেছি। সেইসাথে ছেলেটার পরীক্ষাভীতিও কাটলো।’’ 

ছেলেমেয়েদের পরীক্ষার আগে সীমান্ত ঘেঁষা লালগোলা, ভগবানগোলা, ফরাক্কা কিংবা লালবাগের মতো জনপদে এমন রেওয়াজ অবশ্য নতুন নয় বলে জানা গেছে।

স্থানীয় লালগোলা লস্করপুর উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের প্রধানশিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলছেন, ‘‘মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে সকলেই দুশ্চিন্তায় থাকেন। এমন আয়োজনে ভয় ঢাকা পড়ে যায় উৎসবের আবহে।’’

সীমান্ত ঘেঁষা জনপদ হওয়ার সুবাদে চোরাচালানি, মাদক ব্যবসাসহ নানা ধরণের অপরাধের সাথে জড়িত লালগোলা কিংবা ভগবানগোলার মানুষ। তবে স্থানীয় স্কুলের শিক্ষকেরা জানাচ্ছেন, সেই দুর্নাম ক্রমে মুছে দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। গত কয়েক বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। সেইসাথে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে ছাত্রীর সংখ্যাও।


 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মেয়ে সেজে ৪০০০ সুন্দরীকে প্রতিযোগিতায় হারিয়ে দিলেন যুবক!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০২-১০ ১৩:১২:৩১

টানা টানা চোখ। ভরাট ঠোঁট। তীক্ষ্ণ নাক। ততোধিক গভীর চোখ। এরিনা আলিয়েভার এমন ছবি দেখেই মুগ্ধ হয়েছিলেন নেটদুনিয়ার বাসিন্দারা। ফল, ৪০০০ জনকে হারিয়ে সুন্দরী প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌঁছেছিলেন।

কিন্তু শেষরক্ষা হলো না। হাটে হাড়িটি ভেঙেই গেল। যখন জানা গেল এরিনা আদতে ইল্লায় দায়গিলেভ। সুন্দরী যুবতী নন বরং সুঠাম চেহারার ২২ বছরের এক যুবক। ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়ে গেছে কাজাখস্তানে। অনেকেই হতবাক ইল্লায়ের এই ভোলবদল দেখে।


১৬ বছর বয়স থেকে ফ্যাশন দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত ইল্লায়। এক্সপেরিমেন্ট করতে ভালোবাসেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে এ নমুনা কম নেই। সেই নতুন কিছু করার তাগিদেই মেকআপের সাহায্যে মেয়ে হয়ে ওঠেন কাজাখস্তানের যুবক। এরিনা আলিয়েভার নামে সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলও খুলে ফেলেন। নাম লেখান মিস ভারচুয়াল কাজাখস্তান প্রতিযোগিতায়। অনলাইন এই প্রতিযোগিতার ফাইনালেও পৌঁছে যান ২০০০টি ভোট পেয়ে।

কিন্তু ফাইনালের দুই দিন আগে ধরা পড়ে যান ইল্লায়। অবশ্য তাতে কোনো আক্ষেপ নেই যুবকের। সামাজিক ব্যবহারের এই পরীক্ষা সফল হয়েছে বলেই মনে করেন তিনি। আর এভাবেই নিজের অদ্ভুত এক্সপেরিমেন্টগুলো চালিয়ে যেতে চান।


 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

শিশুর গলায় আটকা কলমের ঢাকনা!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-২৫ ১১:১৬:২৫

বেশ কিছুদিন ধরেই খাবার খেতে গিয়ে কষ্ট হত ৬ বছরের শিশু শাহজামালের। অসহ্য যন্ত্রনায় ছটফট করত শিশুটি।  কোনো চিকিৎসকই শিশুটির সমস্যা ধরতে পারছিল না। কাজেই বাধ্য হয়েই কলকাতার শেঠ সুখলাল কারনানি মেমোরিয়াল হাসপাতালে শিশুটিকে নিয়ে যান তার বাবা-মা। সেখানে শিশুটির গলায় এক্স-রে করার পর চিকিৎসকেরা দেখতে পান, তার শ্বাসনালীতে আটকে আছে আস্ত একটি কলমের ঢাকনা।

স্বাভাবিকভাবে বাইরে থেকে তা বের করার কোনো উপায় ছিল না। ফলে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকেরা। এরপর বৃহস্পতিবার জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রাণ বাঁচে শাহজামালের। শিশুটির গলা থেকে বের করা হয় কলমের ঢাকনাটি।

চিকিৎসকেরা জানান, এই কলমের ঢাকনার জন্যই এতদিন অসহ্য যন্ত্রনায় ছটফট করত শিশুটি। খাবার খেতে গিয়ে কষ্ট হত।

তবে সেটি কিভাবে শিশুটির গলায় ঢুকল তা বলতে পারছেন না শাহজামালের অভিভাবকেরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ওয়ান ইন্ডিয়া জানায়, বর্তমানে শিশুটি সুস্থ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছে এই অস্ত্রোপচারটি ছিল বেশ চ্যালেঞ্জের। কারণ শ্বাসনালির এমন জায়গায় ঢাকনাটি আটকে ছিল, যেখান থেকে ঢাকনাটি বের করা সহজ ছিল না।

বিস্তারিত খবর

উদ্বোধনের অপেক্ষায় ভোলার স্বাধীনতা জাদুঘর

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-২৩ ১৩:০২:৫৮

আগামী  প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ করতে ভোলার উপশহর বাংলাবাজারে নির্মিত স্বাধীনতা জাদুঘর উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে।

আগামী ২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জাদুঘরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। জাদুঘরটি  প্রতিষ্ঠা করেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে। রাষ্ট্রপতির উদ্বোধনের পরপরই জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানান জাদুঘরের তত্ত্বাবধায়ক। ইতোমধ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ স্বাধীনতা জাদুঘরটি পরিদর্শন করেছেন।

জাদুঘরটির একদিকে গবেষণাগার, অপরদিকে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে রয়েছে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন। ভাষা অন্দোলন থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারাবাহিকতা দেখতে ও জানতে পারবে নতুন প্রজন্ম। বাঙালির লোকজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়েছে।

প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ড: মুনতাসীর মামুনসহ বেশ কয়েকজন গবেষকের নিরলস পরিশ্রমে জাদুঘরটি অন্যতম সংগ্রহশালায় পরিণত হয়েছে। এখানে আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের পেছনের ৮০ বছরের ইতিহাসের ধারাবাহিক দুর্লভ সংরক্ষণ থাকবে বলে জানা গেছে। থাকছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর জন্য রাখা হচ্ছে থ্রি-ডি মিনি হল রুম। বর্তমানে চলছে যাদুঘরটির শেষ মুহূতের কাজ।

বাণিজ্যমন্ত্রীর মায়ের নামে বাংলাবাজারে প্রতিষ্ঠিত ফাতেমা খানম কমপ্লেক্সের ৩ বছর আগে নির্মাণকাজ শুরু হয়। এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

জাদুঘরটির স্বপ্নদ্রষ্টা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মহনায়ক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল জানান, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এমন একটি জাদুঘর নির্মাণের স্বপ্ন ছিল দীর্ঘদিনের। কারণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি ভাষণই জাতিকে আন্দোলিত করেছিল। যা আজ গবেষণার বিষয় হয়ে উঠেছে।
জাদুঘর পরিচালনার দায়িত্বে থাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব জানান, এখানে তিনটি গ্যালারি রয়েছে। প্রথম তলার গ্যালারিতে এক পাশে ইতিহাস এতিহ্য,প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ’৪৭-এ দেশভাগ ও ভাষা আন্দোলনের দুর্লভ ছবি ও তথ্য রয়েছে। অপর পাশে রয়েছে লাইব্রেরি ও গবেষণাগার। এছাড়া একই তলায় রয়েছে মাল্টিমিডিয়া ডিসপ্লে হলরুম। দ্বিতীয় তলায় রয়েছে ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধের আগ পর্যন্ত ইতিহাসের মুহূর্তগুলোর চিত্রকল্প।

তৃতীয় তলায় রয়েছে যুক্তফন্ট, ’৫৮-এর আন্দোলন, পাকিস্তানের সামরিক শাসন, ’৬৬-এর আন্দোলন, ’৬৯-এর গণআন্দোলন, ’৭০-এর নির্বাচন, ৭ মার্চের ভাষণ, ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগের দুর্লভ আলোকচিত্র।
এছাড়া রয়েছে বঙ্গবন্ধুর সব ভাষণের অডিও ও ভিডিও ডিজিটাল প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা ডিজিটাল টাচস্কিন ব্যবহার করে যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ও তথ্য জানতে পারবেন।

উল্লেখ্য, ভোলার বাংলাবাজার এলাকাটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বহন করে চলছে। ১৯৭১ সালের ২৩ অক্টোবর বাংলাবাজারে তিনদিক থেকে পাকবাহিনী হামলা চালায়। তাই ওই এলাকায় স্থাপিত হয়েছে এমন জাদুঘর।


 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ক্যান্সার চিকিৎসা গবেষণায় যুগান্তকারী আবিষ্কার

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৯ ১০:০২:৩৬

শরীরে ছড়িয়ে পড়ার আগেই রক্তের একটি মাত্র পরীক্ষার মাধ্যমে দেহে আট ধরণের ক্যান্সারের প্রাথমিক অস্তিত্ব সনাক্ত করা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত এই গবেষণাকে ক্যান্সার চিকিৎসায় রীতিমতো যুগান্তকারী বলে আখ্যা দিয়েছেন গবেষকরা।

চলতি সপ্তাহে জার্নাল সায়েন্স সাময়িকীতে এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই গবেষণা ফলাফল পট পরিবর্তনকারী। এর মাধ্যমে রোগের শুরুতেই চিকিৎসার মাধ্যম হাজারো মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এটি সবার জন্য সহজলভ্য হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তারা।

এক হাজারেরও বেশি রোগীর ওপর চালানো গবেষণা দেখা গেছে, ক্যান্সারের প্রাথমিক অবস্থায় ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে টিউমার সনাক্ত করা সম্ভব। এর ফলে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রোগী সবচেয়ে ভালো সুযোগ পাবে।

রক্তের ভেতরে থাকা মরে যাওয়া অণুর মাধ্যম ও পরিবর্তিত ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে অন্ত্র, স্তন, লিভার, ফুসফুস, খাদ্যনালী, অগ্নাশয়, ডিম্বাশয় ও পাকস্থলির ক্যান্সার সনাক্ত সম্ভব।

গবেষক দলের সদস্য মেলবোর্নের ওয়াল্টার অ্যান্ড এলিজা ইনিস্টিটিউটের অধ্যাপক পিটার গিবস জানিয়েছেন, এর মাধ্যমে হাজারো মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব। শিগগিরই ব্যাপকভাবে ও কম খরচে এই পরীক্ষা করানো যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা এ পর্যন্ত যতোগুলো ক্যান্সার পেয়েছি সেগুলো সনাক্ত সম্ভব, যেগুলোর লক্ষণ দেখার জন্য আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হতো এবং দেরিতে চিকিৎসা করতে হতো।’


 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মঙ্গলগ্রহে বিপুল পরিমাণ পানির সন্ধান

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৪ ০০:২৯:০১

মঙ্গলে গ্রহে যাওয়া নিয়ে জোর প্রস্তুতি চলছে বটে গবেষকদের মাঝে। কিন্তু অনেকেই ভাবছেন, মঙ্গলে গেলে খাদ্য কী করে পাওয়া যাবে? শুকনো খাবার নেওয়া যাবে হয়ত, কিন্তু পানি ছাড়া বাঁচা যাবে কী করে? তাদের সেই চিন্তা বুঝি দূর হলো এবার। গবেষকেরা মঙ্গলের পৃষ্ঠের ঠিক নিচেই বিপুল পরিমাণ পানি খুঁজে পেয়েছেন, যা কিনা মঙ্গলে অভিযানে যাওয়া মহাকাশচারীদের দারুণ কাজে আসবে।

Science জার্নালে প্রকাশিত হওয়া এই গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন রিসার্চ জিওলজিস্ট কলিন ডানডাস। অ্যারিজোনার এই গবেষক দল মার্স রিকনেসাস অরবিটারে থাকা HiRISE(High Resolution Imaging Science Experiment) যন্ত্রটি ব্যবহার করে এই ফলাফল পান। তারা এমন আটটি স্থান খুঁজে পান যেখানে মাটি ক্ষয়ে গিয়ে বের হয়ে এসেছে প্রচুর পরিমাণ বরফ। কিছু কিছু জায়গায় মাটির মাত্র ১/২ মিটার নিচে এই বরফের স্তর ছিল ১০০ মিটার পুরু।

শুধু তাই নয়, পৃথিবীতে মাটি যেমন বিভিন্ন স্তরে স্তরে থাকে, তেমনই মঙ্গলের এই বরফের মাঝেও স্তর দেখা যায়। এর অর্থ হলো, মঙ্গলের আবহাওয়ার ইতিহাস খুঁজে বের করতেও কাজে আসতে পারে এই বরফ।

ডানডাস জানান, “কিছু কিছু জায়গায় এই বরফের ওপরে শুধুই ধুলো বা পাতলা মাটির স্তর রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, এই বরফ মাটির একদম নিচেই পাওয়া যাবে।“

গবেষকেরা আগেই ধারণা করেছিলেন যে মঙ্গলে বরফ আছে। কিন্তু এই গবেষণায় নিশ্চিত হওয়া গেল যে এই বরফ যথেষ্ট সহজলভ্য। ভবিষ্যতে মঙ্গলের জন্য পাঠানো অভিযান যেমন ২০২১ সালের ইউরোপিয়ান এক্সোমার্স রোভার মিশনে পৃষ্ঠের ২ মিটার নিচে পর্যন্ত ড্রিল করার যন্ত্র থাকবে, তখন এই বরফ নিয়ে গবেষণা করা যাবে সহজেই। 

ডানডাস এবং তার গবেষক দলের আবিষ্কৃত এই বরফের অবস্থান দেখে বোঝা যায় বেশ শক্তপোক্ত তা। এটাও বোঝা যায় যায় এক মিলিয়ন বছরের কম বয়স এই বরফের। বরফ থেকে কিছু পাথর খসে পড়েছে বলে দেখা যায়, ফলে ধরে নেওয়া যায় মাটি ও বরফ ক্ষয় হয়ে চলেছে। এছাড়া মঙ্গলের আবহাওয়ায় চাপ কম হওয়াতে বরফ থেকে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় পানি। এ কারণেও বরফ ক্ষয় হয়ে চলেছে। 

ভবিষ্যতে মঙ্গলে মানুষ পাঠানো হলে তারাও এই পানি কাজে লাগাতে পারবেন। শুধু পান করার কাজে নয়, জ্বালানী হিসেবেও তা ব্যবহার করা যেতে পারে। HiRISE ব্যবহার করে মঙ্গল পৃষ্ঠের মাত্র ৩ শতাংশ পর্যবেক্ষণ করা গেছে, তাই ভবিষ্যতে আরো বেশী পরিমাণে বরফ পাওয়া যেতে পারে বলে আশাবাদী গবেষকেরা।

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মৃত ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর মর্গে জেগে ওঠল মরদেহ!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০৯ ০১:২১:০৯

তিন চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করলেও হাসপাতাল মর্গে জেগে ওঠল মৃতদেহ। স্পেনের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানিয়েছে বিবিসি।

স্পেনের আস্তুরিয়াস অঞ্চলের এক কারাগারের বন্দি গঞ্জালো মন্তয়া জিমেনেজকে মৃত ঘোষণার পর হাসপাতালে মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েক ঘণ্টা পর তিনি জেগে ওঠলে ঘটনাটি সাড়া পড়ে যায় তখন। তার পরিবার জানান, মৃত ঘোষণার পর সমাহিত করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা।

তারা জানান, তার ময়নাতদন্তের জন্য চিহ্নিত করে রাখা হয়েছিল। তার আগ মুহুর্তে গঞ্জালো জেগে ওঠেন। তাকে এখন হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। কেন এধরণের ঘটনা ঘটল তার কারণ জানা যায়নি এখনো। কারণ অনুসন্ধানের জন্য গঞ্জালোকে প্রাদেশিক রাজধানীর মেডিসিন ইন্সটিটিউটে নিয়ে যাওয়া হবে।

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও প্রেমিকাকে বিয়ে, অতঃপর…

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০৫ ১১:২৮:০৭

সাদা গাউন গায়ে জড়িয়ে অক্সিজেন মাস্ক লাগিয়ে হাসপাতালের বেডে শুয়েছিলেন ক্যানসার আক্রান্ত কনে। হাসপাতালেই উপস্থিত হন বর, দুই পরিবারের আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবরা। কনের হাতে আংটি পরালেন বর। বরের দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলেন, আই ডু।

বিয়ে সম্পন্ন হবার সঙ্গে সঙ্গে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো অবস্থাতেই দুহাত তুলে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন কনে। কিছুক্ষণ পরই কনের শরীর আরো খারাপ হতে শুরু করে। শেষমেশ বিয়ের ঠিক ১৮ ঘণ্টা পরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন নববধূ।

প্রেমিকা হিথার মোসহেরের নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও হাসপাতালে বিয়ে করেন ডেভিড মোসহের। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ঘটে যাওয়া এই অভূতপূর্ব ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাটের হার্টফোর্ড শহরের ফ্যান্সি হাসপাতাল ও মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ও কর্মীরা। হিথার বেঁচে নেই কিন্তু তার বিয়ের ছবি ভাইরাল হয়ে ঘুরছে নেট দুনিয়ায়।

২০১৫ সালে হিথারের সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল ডেভিডের। প্রথম দর্শনেই প্রেম। দিনে দিনে প্রেমেরে সম্পর্ক আরো গভীর হয়। যেদিন হিথারকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার পরিকল্পনা করেন ডেভিড, ঠিক সেদিনই জানা যায় হিথার স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। তবু বিয়ের প্রস্তাব দেন ডেভিড।

প্রেমিকার এই কঠিন অবস্থায় তার পাশে থাকতে চান ডেভিড। তার শেষ সময়টাকে আনন্দে ভরিয়ে দিতে চান তিনি। প্রথমে তারা ঠিক করেন ডিসেম্বরের ৩০ তারিখ বিয়ে করবেন। কিন্তু হিথারের শারীরিক পরিস্থিতি দ্রুতই খারাপ হচ্ছিল। চিকিৎসকরা জানান, হিথারের হাতে খুব বেশি সময় নেই। তাই হাসপাতালেই ২২ ডিসেম্বর বিয়ের আয়োজন করা হয়।

ডেভিড বলেন, আমি তাকে তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করতে দেখেছি। কিন্তু বিয়ের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত বেঁচে থাকার আশা ছাড়েনি হিথার। তার মতো কেউ কখনো ভালবাসতে পারবে না আমায়। যেখানে বিয়ের শপথ নিয়ে একসঙ্গে থাকার কথা ছিল আমাদের, সেখানে আমি আমার স্ত্রীকে চিরদিনের বিদায় জানালাম।


 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

১ জানুয়ারি আফগানিস্তানে গণ-জন্মদিন!

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-৩১ ১২:১৫:৩৯

জানুয়ারি মাসের প্রথম দিনটিতে সামাদ আলাবির জন্মদিন। এ দিন তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও ৩২ জন বন্ধু এবং আরো কয়েক হাজার আফগানেরও জন্মদিন। প্রকৃত তারিখ জানা না থাকায় তারা পরবর্তী সময়ে জন্মদিন হিসেবে ১ জানুয়ারিকেই পছন্দ করেছে।

জন্ম সনদ অথবা অফিসিয়াল রেকর্ড না থাকায় বয়স নির্ণয়ের জন্য অনেক আফগান দীর্ঘদিন ধরে মৌসুমি বা ঐতিহাসিক দিনগুলোকে তাদের জন্মদিন বানিয়েছে।

কিন্তু ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ফলে এবং পাসপোর্ট ও ভিসার ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে আফগানদের জন্ম তারিখ লিখতে হয়। প্রকৃত জন্ম তারিখ জানা না থাকায় তারা নিজেদের পছন্দমত একটি দিন বেছে নেয়। ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য জন্মদিনের প্রয়োজন হয়। তাই এখন ১ জানুয়ারি আফগানদের গণ জন্মদিনে পরিণত হয়েছে।

সামাদ আলাবি (৪৩) বলেন, ‘১ জানিয়ারি সকল আফগানবাসীর জন্মদিন বলে মনে হচ্ছে।’

তারা সোলার হিজরি থেকে কোন তারিখকে তাদের জন্মদিন বানাতে চায় না। ইসলামিক বর্ষটি শুধু ইরান ও আফগানিস্তানে ব্যবহৃত হয়। এ কারণেই তারা ১ জানুয়ারিকেই তাদের জন্মদিন হিসেবে পছন্দ করে।

আলাবি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘যখন ২০১৪ সালে আমি প্রথম ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলি। তখন আমার জন্মদিন হিসেবে ড্রপ ডাউন লিস্ট থেকে ১ জানুয়ারি তারিখটি বাছাই করা খুবই সহজ ছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘ওই সময় ইন্টারনেটের গতিও খুব মন্থর ছিল। তাই অন্য কোন তারিখ খুঁজে বের করা কঠিন ছিল।’

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

কিম জং উনকে নকল করে ঘুরে বেড়ান তিনি

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৭ ১৩:১৭:২৪

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সাথে চেহারার মিল থাকায় তাকে নকল করে দেশে দেশে ঘুরে বেরান এমন একজন মানুষ আছেন যাকে সবাই ড্রাগন কিম নামে চেনেন।

কিম জং উনের মতোই গুরুগম্ভীর চেহারা করে হাঁটেন, রাজসিক ভঙ্গিতে মানুষকে দেখে হাত নাড়েন। রাস্তায় পথ চলতি মানুষেরা হঠাৎ থমকে দাড়িয়ে যান কেউ কেউ।

রাস্তায় লোকজন তাকে দেখে অবাক হয়, মজাও পায়। অনেকেই আবার স্মার্ট ফোন বের করে ছবি তোলেন কেউ ভিডিও করেন, কেউ আবার সেলফি তুলতে চান। ব্যপারটি ড্রাগন কিম রীতিমত উপভোগ করেন।


 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ট্রাম্পের সাথে ডিনার, খরচ মাথাপিছু ৭৫০ ডলার!

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৩ ১০:০৮:৩১

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে বর্ষবরণের ডিনারের চাঁদা ধরা হয়েছে মাথাপিছু ৭৫০ ডলার । ৩১ ডিসেম্বর রাতে এ পার্টি হবে দক্ষিণ ফোরিডায় পামবিচে ট্রাম্পের মালিকানাধীন ‘মার-এ লগো’ ক্লাবে। তবে ক্লাবের সদস্যদের জন্য ফি ধার্য করা হয়েছে ৬০০ ডলার করে। ইতোমধ্যেই সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন এ পার্টির আয়োজকেরা।

উল্লেখ্য, ফার্স্টলেডি মেলানিয়াকে নিয়ে বড়দিনের উৎসবও এখানেই উদযাপন করবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সাথে থাকবে তাদের ১১ বছর বয়সী ছেলে ব্যারোন। গত বছরের ডিনার পার্টির টিকিটের মূল্য ছিল সদস্যদের জন্য ৫২৫ ডলার এবং অতিথির জন্য ৫৭৫ ডলার।


এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ভালোবাসা হাসপাতাল

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২২ ১২:২০:৩৯

চীনের সাংহাইয়ে গড়ে তোলা হয়েছে ‘ভালোবাসার হাসপাতাল’ বা ‘লাভ হসপিটাল’। কর্তৃপক্ষের মতে, সম্পর্কের মাঝে মূল সমস্যাটিই হলো স্ত্রীর মতো আচরণ। স্ত্রীকে সরিয়ে দিয়ে প্রেমিকা হয়ে উঠতে পারলেই ভালোবাসার মানুষটিকে কাছে রাখা সম্ভব।

এই হাসপাতালে স্ত্রীদের তাঁদের ভালোবাসার প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছ থেকে ভালোবাসার মানুষটিকে ফিরিয়ে আনতে পরামর্শ দেওয়া হয়, যারা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চাইছেন। হাসপাতালটিতে বেশ কয়েক সপ্তাহ কাউন্সেলিংয়ের পর ওই নারী অনেক কিছু শিখেছেন বলে জানান। শিখেছেন কীভাবে আরো দায়িত্বশীল স্ত্রী হওয়া যায়, নিজেকে আরো ভালো করে তোলা যায়।

ভালোবাসা হাসপাতালের সহপ্রতিষ্ঠাতা শু-চীন বলেন, আমাদের কাছে ৩৩টি উপায় আছে একজন স্ত্রীকে দূর করে, প্রেমিকা করে তোলার। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটা হয়ে থাকে অন্য কোথাও সম্পর্ক থাকার জন্য। এটা খুবই ভয়ানক। এটা পরিবার ও সমাজের পথে বাধা। হাসপাতালটি প্রায় ১৭ বছর ধরে পরিচালনা করতেছি। এই সময়ে লক্ষাধিক গ্রাহককে সেবা দিয়েছি।


 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

১ লাখ ৪০ হাজার ইউরোয় গ্রাম বিক্রি

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-১৮ ০১:৩৭:৫৬

জার্মানির রাজধানী বার্লিন থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছোট্ট একটি গ্রাম অ্যালউইন। জীবিকার তাগিদে গ্রাম ছেড়ে অনত্র চলে গেছেন সিংহভাগ বাসিন্দা। অবশিষ্ট আছে হাতে গোনা ২০জন প্রবীণ। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটে তাদের। রোজগার বলতে কিছুই নেই। খেয়ে না খেয়ে কোনোমতে বেঁচে আছে তারা। অনেকের আবার রোগে-শোকে যায়যায় অবস্থা। এমন অবহেলিত গ্রামটি এখন চলে গেছে অন্যের হাতে।

সম্প্রতি নিলামে তোলা হয় অ্যালউইন গ্রামটি। শুরুতে এর দাম উঠেছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ইউরো। শেষমেশ ১ লাখ ৪০ হাজার ইউরো দিয়ে গ্রামটি কিনে নিয়েছেন অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। ২০০০ সালেও এক দফা বিক্রি হয়েছিল ১৬ হাজার বর্গমিটার আয়তনের গ্রামটি। ইউরো চালু হওয়ার আগে জার্মানির মুদ্রা ছিল ডয়েসমার্ক। সে সময় নামমাত্র এক ডয়েসমার্ক দিয়ে এক ব্যক্তির কাছে গ্রামটি বিক্রি করে দেয়া হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির নেতা হিটলারের তরুণ সেনারা এই গ্রামে প্রশিক্ষণ নিত। এ ছাড়া যুদ্ধবন্দীদেরও সেখানেই রাখা হতো। বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে এই গ্রাম পূর্ব জার্মানির অংশ হয়।

নব্বইয়ের দশকের শেষ পর্যন্ত কমিউনিস্ট শাসিত সাবেক পূর্ব জার্মানির অন্তর্ভুক্ত ছিল অ্যালউইন। দিনভর কাজ করে পরিবার নিয়ে সুখে-শান্তিতে দিন কাটাত তখনকার গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামের পাশেই ছিল ইটভাটা। যেখানে বহুলোক কাজ করতো। প্রায় রাতেই বিভিন্ন বাড়ি থেকে ভেসে আসত গানের আওয়াজ।

১৯৯০ সালে দুই জার্মানি এক হয়ে যাওয়ার পর অ্যালউইন গ্রামের সুখের সংসারগুলোতে নেমে আসে ঘোরতর অন্ধকার। ধীরে ধীরে মানুষগুলোও চলে যেতে থাকে। হঠাৎ একদিন ইটভাটাও বন্ধ হয়ে যায়। মুহূর্তেই শত শত মানুষের কপালে হাত। কী আর করা! রুটি-রুজির জন্য প্রিয় জন্মস্থান ছেড়ে দূর-দুরান্তে পাড়ি জমাতে থাকে অসংখ্য মানুষ। এভাবে হইচই আর লোকে লোকারণ্য গ্রামটি একদিন হয়ে যায় নীরব-নিস্তব্ধ।

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সালমানের ফিটনেস রহস্য ফাঁস!

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০৬ ১৩:১৭:৩২

মেঘে মেঘে বেলা কম হয়নি। আসছে ২৭ ডিসেম্বর সালমান খানের বয়স হচ্ছে ৫২ বছর। অথচ সল্লু ভাইজানকে দেখে কে বলবে যে এতটা বয়স হয়েছে তার? এই বয়সেও যে দারুণ ফিটনেস ধরে রেখেছেন তিনি।

এই বয়সে সালমান খান এতটা ফিট কীভাবে? সালমানের ‘সুলতান’ আর ‘টাইগার জিন্দা হ্যাঁয়’ ছবির পরিচালক আলী আব্বাস জাফর সম্প্রতি এই নায়কের ফিটনেস রহস্য ফাঁস করেছেন। আলী আব্বাস বলেন, ‘সালমান নিজেকে ফিট রাখার জন্য অনেক ব্যায়াম করেন। এই ছবির শুটিং শুরুর আগের তিন মাস সালমান বলতে গেলে জিমে পুরো জীবন দিয়ে দিয়েছেন। ছবির শুটিং মরুভূমিতে হোক আর বরফঢাকা কোনো পাহাড়ে, সালমান এক দিনের জন্যও শরীরচর্চা বাদ দেননি। প্রতিদিন প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ সাইকেল চালিয়ে সেটে আসতেন তিনি। এ রকম আবহাওয়ায় সাইকেল চালিয়ে এত দূর পাড়ি দেওয়া সহজ নয়।’

পরিচালক জানান, এ অভিনেতা নাকি খাবারও মেপে মেপে খান। ‘টাইগার জিন্দা হ্যাঁয়’ ছবির শুটিং হয়েছে আবুধাবি, অস্ট্রিয়া, গ্রিস আর মরক্কোতে। শুটিং সেটের অন্যরা যখন নানা দেশের মুখরোচক সব খাবারের স্বাদ নিচ্ছেন, সালমান তখন ‘কঠিন’ ডায়েটে। তবে সবশেষে গ্রিস অংশের শুটিংয়ের সময় নাকি নিজেকে কিছুটা ছাড় দেন সালমান। সবার সঙ্গে বসে তখন পেট পুরে খেয়েছেন।

সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীত ‘টাইগার জিন্দা হ্যাঁয়’ মুক্তি পাবে ২২ ডিসেম্বর।


এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

যে রেস্টুরেন্টে বৈধভাবে মানুষের মাংস বিক্রি হয়!

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০১ ১৪:৫২:৩৩

এই আজব পৃথিবীতে কত যে অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটছে তার কোনো হদিস নেই। আবার মহাজাগতিক বিশ্বে সর্বশ্রেষ্ঠ জীবের পক্ষেই যে সর্ব নিকৃষ্ট জীব হওয়া সম্ভব, তার চাক্ষুস নিদর্শন হচ্ছে বিস্ময়কর এই মানবজাতি। সম্প্রতি জাপানের রাজধানী টোকিওতে একটি খাবার রেস্টুরেন্ট চালু করা হয়েছে। আর সেই রেস্টুরেন্টে প্রকাশ্যেই বিক্রি করা হচ্ছে মানুষের মাংস দিয়ে তৈরি করা নানা রকম খাবার। আপনি হয়তো ভাবছেন, এটা একটি কাল্পনিক কিংবা সম্পূর্ণ অবৈধ রেস্তোরাঁর কথা বলছি। কিন্তু না ব্যাপারটি আসলে তা নয়। জানা যায় ঐ রেস্টুরেন্টটির রয়েছে মানুষের মাংস বিক্রি করার বৈধতাও। টোকিওতে অবস্থিত ঐ রেস্টুরেন্টির নাম ‘The Resoto ototo no shoku ryohin’, নামটি জাপানি ভাষায় রাখা হয়েছে। এই নামের বাংলা অর্থ দাঁড়ায় ‘ খাবারের যোগ্য ভাই’। ইতোমধ্যে জাপানসহ আন্তর্জাতিক বেশ কিছু গণমাধ্যমে ঐ রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে বেশ কয়েকটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। রেস্টুরেন্টটির প্রতিটি খাবার বেশ উচ্চ দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানা যায় মেক্সিকান সংবাদমাধ্যম মেলিনিও থেকে। ঐ রেস্তোরাঁর কর্তৃপক্ষয়ের দাবি এটি বিশ্বের প্রথম রেস্টুরেন্ট, যেখানে বৈধভাবে মানুষের মাংস বিক্রি হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় ঐ রেস্টুরেন্টটি, মৃত মানুষের লাশ কিনে নেয়। এমনকি, জাপানের অনেক মানুষই আছে যারা মৃত্যুর পূর্বে তাদের সেই দেহ ঐ রেস্টুরেন্টটিতে বিক্রয়ের জন্য পরিবারকে জানিয়ে রাখে। রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ প্রত্যেকটি লাশের জন্য ঐ মৃত ব্যক্তির পরিবারকে সর্বনিম্ন £২৭,000 পরিমাণ অর্থ প্রদান করে, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় তিরিশ লক্ষ তিন হাজার টাকা।

সম্প্রতি আর্জেন্টিনায় বসবাসকারী এক জনৈক পর্যটক জাপানের ঐ মানুষের মাংস বিক্রি করা রেস্টুরেন্টটিতে খেতে গিয়ে তার অভিজ্ঞতার কথা জানায় একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে। তখন তিনি বলেন ‘রেস্টুরেন্টিতে বিক্রি করা মাংসের স্বাদ অনেকটা শূকরের মাংসের মতো, তবে সাধারণ মাংসের তুলনায় ঐ মাংস অনেকটাই শক্ত এবং টাইট।’

তবে মানুষের মাংস বিক্রি করা এই পৃথিবীতে মোটেও বিরল ঘটনা নয়। যুক্তরাজ্যের খ্যাতিমান সংবাদ মাধ্যম দ্য ইনডিপেন্ডেন্ট থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালে রেস্টুরেন্টে মানুষের মাংস বিক্রি করার অপরাধে নাইজেরিয়ার আনাম্ব্রা প্রদেশের একটি রেস্তরাঁ থেকে দেশটির পুলিশ এগারো জনকে গ্রেফতার করেছে।

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

তাই বলে চোখে ট্যাটু!

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০১ ১৪:৩৪:২০

করণ কিং, দিল্লির ট্যাটু আর্টিস্ট। বয়স ২৮। ভারতীয় হিসেবে তিনিই প্রথম ট্যাটু আর্টিস্ট যিনি নিজের চোখের মণিতে রংয়ের রেখাচিত্র আঁকানোর সাহস দেখিয়েছেন, এমনই দাবি করণের। সম্প্রতি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে করণ বলেছেন, ‘আমি জানি, আমার এই ইচ্ছের কথা জানার পর এবং অভীষ্টপূরণের পর অনেকেই আমাকে অপছন্দ করবেন। কিন্তু আমি এটা করিয়েছি, কারণ আমি মনে প্রাণে চেয়েছি চোখে ট্যাটু করাতে। আমার চোখ, আমার আনন্দ, আমার জীবন’।

চোখের মতো একটি সংবেদনশীল জায়গায় উল্কি করানোর পরিণতি ভয়ানক হতে পারে, এমনকী দৃষ্টি শক্তিও চলে যেতে পারে, এটা জেনেও চোখে ট্যাটু করানোর মতো একটা সিদ্ধান্ত করণ কিং নিয়েছেন।

‘আমি জানতাম, পান থেকে চুন খসলেই আমাকে হয়ত নিজের চোখ হারাতে হত। তবে আমি কায়মনোবাক্যে চেয়েছিলাম চোখে ট্যাটু করাতে। শেষ পর্যন্ত করতে পেরেছি’, চোখে ট্যাটু করানোর পর এই প্রতিক্রিয়াই দিয়েছেন করণ। তার সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মাসিক আয় লাখ টাকা, তবুও ছাড়বেন না ভিক্ষাবৃত্তি!

 প্রকাশিত: ২০১৭-১১-২৫ ১০:৩৮:১৭

ভারতে পেশাদার ভিক্ষাজীবী দেখতে পাওয়া যায়। তাদের উপার্জন কর্পোরেট সংস্থায় চাকুরেদের থেকে কোন অংশে কম নয়।

তাদের মধ্যে মুম্বাইয়ের বাসিন্দা ভরত অন্যতম। পঞ্চাশোর্ধ্ব ভরত রীতিমতো ফ্যামিলি ম্যান। তার কর্মক্ষেত্র মুম্বাইয়ের পারেল এলাকা। তিনি দু'টো ফ্ল্যাটের মালিক। সেই ফ্লাট দুইটির দাম অন্তত এক কোটি টাকা। ভিক্ষা করে প্রতি মাসে তার উপার্জন ৭৫ হাজার টাকা। এই ভিক্ষাবৃত্তীর জন্য তিনি সময় দিতে পারেন না পরিবারকে।

এছাড়াও ভরতের একটি দোকান রয়েছে। তবে সেটি তিনি ভাড়া দিয়েছেন।

ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে পেয়ে থাকেন ১০ হাজার টাকার বেশি। পাশাপাশি তার পরিবারের অন্য সদস্যরা স্কুলের স্টেশনারি জিনিসের ব্যবসা চালান।

সব মিলিয়ে মাসে মাসে লক্ষাধিক টাকার উপার্জন হয়েই থাকে। পরিবারের তরফে বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু ভরত ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়বেন না। কারণ যে জীবিকা তাঁকে পায়ের নিচে জমি দিয়েছে সেটা নিয়ে তিনি বিন্দুমাত্র লজ্জিত নন।

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত