যুক্তরাষ্ট্রে আজ রবিবার, ০৫ Jul, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 10:56pm

|   লন্ডন - 05:56pm

|   নিউইয়র্ক - 12:56pm

  সর্বশেষ :

  করোনার মধ্যেও শত শত মানুষের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন   রক্ত দান ও ফ্লাইওভারে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিক্সন লাইব্রেরি   সাউথ লস এঞ্জেলেসে এ্যাম্বুলেন্স চুরির ঘটনায় আটক ১   করোনায় মারা গেলেন লস এঞ্জেলেস পুলিশ কর্মকর্তা   ভিন্নরকম আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস   বর্ষসেরা চিকিৎসক হয়ে যুক্তরাজ্যের বিলবোর্ডে বাংলাদেশি ফারজানা   দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৯, শনাক্ত ৩২৮৮   অরেঞ্জ সিটির আন্তর্জাতিক স্ট্রিট ফেয়ার হচ্ছে না   ক্যালিফোর্নিয়া পালন করবে ব্যতিক্রমী স্বাধীনতা দিবস   ক্যালিফোর্নিয়ার নাগরিকদের করোনা ভীতি কমছে   ভাবুন সকলেই করোনায় আক্রান্ত’, বললেন মেয়র   সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলো মায়ের গর্ভের আট মাসের শিশু   আগুনে পুড়লো সান বার্নারদিনো ন্যাশেনাল ফরেস্টের ১০০ একর   যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে বিশিষ্টজনদের ভাস্কর্য রক্ষায় ট্রাম্পের উদ্যোগ   স্বাধীনতা দিবসের জমায়েতে যুক্তরাষ্ট্রে করোনা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কা

>>  টুকিটাকি এর সকল সংবাদ

অন্ত মিলন-এর কবিতা

তোমাকে আমি খনন করতে চাইঅন্ত মিলন

তোমার প্রহেলিকা খনন করে তোমাকে আমি আবিষ্কার করতে চাই।
এই নিশি রাতে তোমাকে আমি খনন করতে চাই।
পরিশেষে আমি তোমার লজ্জায় নত হতে চাই।

এভাবেই চলুক আমাদের প্রণয় যাত্রা
আরো কিছুদিন।
আরো কিছুদিন চলুক তোমার আমার ছেলেখেলা।
হতাহত জোছনা'রা দেখুক আহত সুখ।

ভালোবাসা কখনও বৈধ-অবৈধ বোঝে না,
ভালোবাসা শুধু ভালোবাসা বোঝে।
ভালোবাসার কোনো সমাজ-ধর্ম থাকতে নেই,
থাকতে নেই ভয় !
আমি তোমার ভয়কে খনন করে আমি তোমাকে আবিস্কার করতে চাই।
এই নিশি রাতে আমি তোমার তোমাকে খনন করতে চাই।
পরিশেষে আমি তোমার মাতৃত্বের কাছে নত

বিস্তারিত খবর

রয়া চৌধুরীর কবিতা

 প্রকাশিত: ২০২০-০৫-১৭ ১১:৩৪:১২

এক অনন্ত মায়াবী ঘুম
রয়া চৌধুরী

আমি দেখেছি এনাকোন্ডা,দেখেছি মেডুসা,
আমি পালাচ্ছি, দৌড়াচ্ছি -
তেড়ে আসছে বিভৎস হুংকার,
আমি অবসন্ন, আমি শ্রান্ত,
আচমকা একটি অন্ধকার মুখ,
আমি হারিয়ে গেলাম,
হেরে গেলাম আমি,
পৃথিবীর রুপ হিংস্র আঁধার,
হয়তো বেঁচে গেলাম আমি,
কিছুটা ভয় তবুও,
কিছুটা সংশয়,
তবুও তো বেঁচে গেলাম আমি,
আমি জিতে গেলাম।
আমার চোখে এখন শান্তির তমসা নদী,
পৃথিবীর ক্লান্ত রাত নেই এখন আমার চোখে আর,
এনাকোন্ডার সেই অমানিশা পাকস্থলী আমার অনন্ত প্রশান্তি,
পৃথিবীর ভয়ংকর দুর্ধর্ষ রুপ,
মানুষের অবলুপ্ত মূল্যবোধ,
মানুষের মিথ্যা কপট অবয়ব,
আমার স্মৃতির পান্ডুলিপি কোথায় যেন হারিয়ে যায়!
তবুও তো এনাকোন্ডার পাকস্থলীতে তিমির রাত্রি ক্লান্তিহীন শান্তির নিঃশ্বাস;
আমার ঘুম,
অসীম অন্ধকারে এক অনন্ত মায়াবী ঘুম!


বিস্তারিত খবর

রয়া চৌধুরী’র ৩টি কবিতা

 প্রকাশিত: ২০২০-০৫-১২ ১৬:৩৬:৩৪

ছায়া এবং ফাঁসি
ছায়া এবং বিশ্বাস,
বুকে আগলে ধরে রাখা মায়াবী
অন্ধকার !
ভুলে গিয়েছিলাম
নির্মম এক চিরন্তন সত্য।
ছায়া সবসময় শ্যামই হয়।
আমার ঠোঁটে দেখো,
অট্টহাসির বিদগ্ধ নগরী!
কিন্ত একটু ভালো করে
চেয়ে দেখো আমার পানে,
দেখবে আমার তপনেও আছে
হারিয়ে ফেলার অম্বু।
আজও সেই নিহত ছায়া,
আমার পাশেই শৃঙ্খলাবদ্ধ,
আমি তাকে দেখতে পাই,
অনুভব করতে পারি,
আমি আজও তাকে ভালোবাসি।
তাহলে কেন তোমরা আমায়
নিয়ে যেতে চাচ্ছো ফাঁসিকাষ্ঠে?
কেন আমার ফাঁসি হবে?
সেই মিথ্যে,প্রতারক, অবিশ্বাসী
ছায়াকে আজও ভালোবাসি,তাই?
চুপ করে আছো কেন?
ভালোবাসি বলেই তো আঁকড়ে
ধরে রাখতে চেয়েছিলাম-
আঁধারের রুপ।
আমি না হয় নক্ষত্রের চোখে  তাকিয়ে থাকবো
সেই অমানিশা, বিভৎস, আর
অবিশ্বাসী ঐ ছায়ার অভিমুখে।

-----
আত্মবিলাপ
আমি আজ ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত
বিবেকের কারাগারে বন্দী।
কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে থাকা,
ফেলানী আমাকে প্রশ্ন করে।
সমুদ্র সৈকতে ঘুমিয়ে থাকা ,
আলিয়ান কুর্দি আমায় প্রশ্ন করে,
কি ছিল তাদের অপরাধ?
আমি কিছুই বলতে পারি না
উত্তর দিতে পারি না।
নুসরাত, নাদিয়া,তনু,খাদিজারা
আর্তনাদ করে জানতে চায়,
কি ছিল তাদের অপরাধ?
আমার চোখ জলে সিক্ত হয়,
আমি বিবেকের দংশনে বারবার
দগ্ধ হতে থাকি,সন্তপ্ত হতে থাকি।
কিছুই করতে পারি না,পারি না।
বাসে ধর্ষিতা মাজেদা ,
ফুপাতো ভাইয়ের হাতে
কেরোসিনে মৃত ফুলন,
ভাইয়ের সামনে ধর্ষিতা বোন ,
ছেলের সামনে বলাৎকৃতা মা,
পাঁচ মাসের ধর্ষিতা শিশু,
জন্মের আগেই সন্ত্রাসীদের হাতে
যে শিশু মৃত্যুকে করে আলিঙ্গন ,
সবাই ,সবাই আমাকে প্রশ্ন করে।
আমি উদ্বিগ্ন হই,অবসাদগ্রস্ত হই।
সায়মার বুক ফাটা আর্তনাদ ,
আমাকে সর্বক্ষণ প্রশ্ন করে,
প্রশ্ন করে আর কত সায়মাকে
বাংলার সোনার ছেলেদের
হিংস্রতার আর বর্বরতার
শিকার হতে  হবে?
আর কত সায়মা আত্মাহুতি দিলে
এসব সোনার ছেলেরা,
তাদের অসুস্থ মানসিকতা থেকে
বের হয়ে আসবে?
পতিতালয় কাদের জন্য
কারো কি জানা আছে?
না ,তারা পতিতালয়ে কেন যাবে?
একজন অসহায় শিশু, বালিকা
আর বৃদ্ধার উপর জোর খাটিয়ে ,
যে অসুস্থ তৃপ্তির ঢেকুর তোলে তারা
যে  অসভ্য পুরুষত্বের শক্তিকে
জাহির করতে পারে,
তাতে করে তারা যে, অসুস্থ আনন্দের
আস্বাদ গ্রহণ করে,
তা কি পতিতালয়ে পাওয়া যাবে?
আমি কি জবাব দিব?
আমি যেন আজ বিবেকের
কারাগারে বন্দী এক পাখি।
শুধু ছটফট করি,ছটফট করি।
আমি তমসার শ্রীঘরে
নিমজ্জিত অসহায় এক মানবী।

-----
ভালোবাসা এবং একটি খুন
একটি আপেল মহীরূহ,
তাতে ছিল বিস্তর আপেল।
হাতে ফলাযুক্ত চকচকে ছুরি,
বৃক্ষটির নীচে দাঁড়িয়ে ছিলাম বেশ কিছুক্ষণ,
ঝরে পড়লো একটি লাল আপেল,
হাতে তুলে নিলাম আপেলটি;
ভাবছি কি করবো?
হাতে আমার চকচকে ছুরি,
বাড়ি আসলাম ,দেখছি আর ভাবছি;
আপেলটি যেন আমার দিকে তাকিয়ে আছে,
আমিও অপলক দৃষ্টিতে দেখছি;
আমি কি কাটবো আপেলটি?
তাকিয়ে আছি আর ভাবছি।
কেটে ফেললাম, রক্তাক্ত করলাম আমার হাত !
রক্ত ঝড়ছে আমার অন্তঃকরণ থেকে।
একি করলাম আমি?
ঘোরের মধ্যে ডুবে আছি যেন!
এক টুকরো,দুই টুকরো
এভাবে টুকরোর পর টুকরো।
আমার হাত কাঁপছে,
আমার সমস্ত শরীর কাঁপছে।
আমি খুন করে ফেললাম?
আমি খুনী,আমি খুনী!
এ কি করলাম আমি?

বিস্তারিত খবর

হবিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী এঁটেল মাটির তৈরি সুস্বাদু খাবার ‘ছিকর’!

 প্রকাশিত: ২০২০-০৫-০৫ ০৬:০১:২০

ছিকর হচ্ছে একধরণের পোড়া মাটি। ছিকর হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন গ্রামে নিম্নবিত্ত সমাজে প্রচলিত এক বিশেষ আহার্য। ক্ষুধা নিবারণের জন্য নয়, বরং এক ধরণের অভ্যাসের বশে লোকজন তা খায় বলে জানা যায়।

পাহাড়ি টিলায় গর্ত খুড়ে লম্বা বাঁশের সাহায্যে গভীর থেকে তুলা হয় একধরণের মিহি মাটি। তারপর তা মাখিয়ে খাই বানিয়ে ছাঁচে ফেলে প্রথমে তৈরি করা হয় মন্ড। তারপর তা পছন্দ মত কেটে টুকরো করা হয়। পরে বিশেষ এক পদ্ধতিতে সেই টুকরো পুড়ানো হয় আগুনে। এইভাবে তৈরি হয় ছিকর। ছিকর বিভিন্ন আকৃতির হয়ে থাকে। কোনটি দেখতে বিস্কুটের মত কোন কোন ছিকর আছে ললিপপের মত লম্বা আবার কোন ছিকর ছোট লজেন্সের মতো।
বিভিন্ন এলাকার ছিকর বিভিন্ন স্বাদের হয়ে থাকে। কোন এলাকার ছিকরে খাই মাখানোর সময় গোলাপজল, আদার রস ইত্যাদি মেশানো হয়। যা মাটির সাথে পুড়ানোর পর ভিন্ন এক স্বাদের জন্ম দেয়। স্থানীয় কুমার সম্প্রদায় বা মৃৎ শিল্পীদের কেউ কেউ ছিকর তৈরি করে বাজারজাত করে থাকে। দিনে দিনে ক্রেতার সংখ্যা কমে যাওয়ায় ছিকর এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে।


নবীগঞ্জ উপজেলার দিনারপুরে পাহাড়ি টিলা থেকে একসময় বিভন্ন এলাকার কুমাররা এসে মিহি মাটি সংগ্রহ করত। কিন্তু আজকাল কেউ আর মাটি সংগ্রহ করতে যায় না বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। উক্ত টিলা ছাড়াও বানিয়াচং, বাহুবল ও মাধবপুরের বিভিন্ন জায়গায় ছিকরের উপযোগি মাটি আহরণের ক্ষেত্র আছে। হবিগঞ্জ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন গ্রাম্য বাজারে ঘুরে ছিকরের সন্ধান মিলেনি।
বিশিষ্ট লেখক দেওয়ান মাসুদুর রহমান চৌধুরী জানান, ‘মাটিকে ভিজিয়ে নরম করে রুটির মত করে ছোট ছোট টুকরোর মাধ্যমে বিশেষ প্রক্রিয়ায় শুধু মাত্র আগুনের ধোয়া দিয়ে পুড়িয়ে তৈরী করা হত। যা এ অঞ্চলের গ্রামগুলোতে ছিকর নামে পরিচিত।
৭০/৮০ দশকে হবিগঞ্জে প্রচুর পরিমাণে এই ছিকর পাওয়া যেত। গর্ভবতী মহিলাদের কাছে ইহা একটি পছন্দনীয় সুস্বাদু খাদ্য ছিল। তাদের ধারণা ছিল এটা খেলে বিভিন্ন রোগ বালাই থেকে বেঁচে থাকা যাবে’। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর বাজার ও মাধবপুর উপজেলার নারায়ণপুর ও ঘোমটিয়া গ্রামের কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তির সাথে কথা বলে সবার কাছ থেকে প্রায় একই রকম বক্তব্য পাওয়া গেছে। দুষ্প্রাপ হওয়ায় ছিকর খাওয়া এখন ভুলে গেছেন তারা।

তবে সদর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের লস্করপুর ইউনিয়নের কটিয়াদি বাজারে মোঃ হুসাইন উল্লা নামক এক ছিকর বিক্রেতার খোঁজ মিললে তার সাথে কথা বলে জানা যায় ছোট বেলা থেকে তিনি ছিকর বিক্রি করে আসছেন। আগে মানুষ ছিকর কিনত এখন খুব কম লোকই কিনে। মূলত আধুনিক শিক্ষিত মানুষরা ছিকর খাওয়াকে অস্বাস্থ্যকর ও রুচি বিরুদ্ধ বিবেচনা করার কারণে ছিকর এখন বিলুপ্তির পথে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/টি

বিস্তারিত খবর

ভিক্ষা করে জমানো টাকা কর্মহীন মানুষদের খাদ্য সহায়তায় দান করলেন বৃদ্ধ

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-২১ ১৯:৪১:১৭

দুই বছর ধরে ভিক্ষা করে জমানো ১০ হাজার টাকা করোনায় কর্মহীন মানুষদের খাদ্য সহায়তায় দান করেছেন নাজিমুদ্দিন নামের এক বৃদ্ধ।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার মালিঝিকান্দা ইউনিয়নের বাতিয়াগাঁও গ্রামে ঝিনাইগাতী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদের হাতে টাকা তুলে দেন নাজিমুদ্দিন।

৮০ বছর বয়সী নাজিমুদ্দিন কাংশা ইউনিয়নের গান্ধীগাঁও গ্রামের ইয়ার আলীর ছেলে।

পরে নজিমুদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভিক্ষা করে খাইয়ে-খুইচরে (খরচ করে) গত দুই বছরে এ টেহা (টাকা) জড়ো করছি। আমার ঘরডা ভাঙে গেছে গা। এহন আর ঘর-দরজা দিলাম না। দশে এহন কষ্ট করতাছে। আমি এ টেহ্যা ইউএনও সাবের হাতে দিলাম। দশেরে দিয়ে দিক, লোকে খাইয়ে বাঁচুক।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯ এপ্রিল ইউএনও রুবেল মাহমুদের নির্দেশে খাদ্য সহায়তার জন্য স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দি প্যাসিফিক ক্লাবের সদস্য ও স্থানীয় ইউপি সদস্যদের যৌথ দল কর্মহীন অসহায় দরিদ্র মানুষদের তালিকা প্রণয়নে গান্ধীগাঁও গ্রামে যান। এ সময় ভিক্ষুক নজিমুদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে তাকে ইউএনওর’র পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। পরে তার জাতীয় পরিচয়পত্র দেখতে চান তারা। ভিক্ষুক নজিমুদ্দিন ওই তালিকায় তার নাম না ওঠানোর জন্য অনুরোধ করেন। তিনি জানান, নিজের বসত ঘর মেরামত করার জন্য গত দুই বছরে ভিক্ষা করে ১০ হাজার টাকা জমিয়েছেন। এ টাকা অসহায়দের খাদ্য সহায়তার জন্য ত্রাণ তহবিলে দান করতে চান তিনি। পরে ২১ এপ্রিল ওই ক্লাবের সদস্য ও স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে ইউএনওর হাতে ১০ হাজার টাকা তুলে দেন নজিমুদ্দিন।

ইউএনও রুবেল মাহমুদ বলেন, ‘ভিক্ষুক নজিমুদ্দিনের দান মহানুভবতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি মানবতার বরপুত্র।’

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/টি

বিস্তারিত খবর

উহানের ল্যাবে হাজার হাজার ভয়ংকর ভাইরাস!

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-১৯ ১১:২৮:০৩

উহানের নামটার সঙ্গে অনেকেই হয়ত পরিচিত ছিলেন না। কিন্তু মহামারী করোনাভাইরাসের উৎস হিসেবে এখন এই শহরের না প্রায় সবারই জানা। এ মুহূর্তে উহানের আরেকটি আলোচিত বিষয় হচ্ছে একটি ল্যাবরেটরি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, উহানের ওই ল্যাবরেটরি থেকেই মূলত ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস। উহানের মাছের বাজারের সঙ্গে ভাইরাসের কোনও সম্পর্ক নেই বলেই মনে করছে বহু বিশেষজ্ঞ। রীতিমতো এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে আমেরিকা। মার্কিন সচিব মাইক পম্পেও জানিয়েছেন, কীভাবে গোটা বিশ্বে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ল তার নিখুঁত তদন্ত করবে তারা।

কী এই ‘ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি’?

মূলত চিনের ভাইরাস কালচার কালেকশনের কেন্দ্র এই গবেষণাগার। বলা যায় এটাই এশিয়ার বৃহত্তম ভাইরাস ব্যাংক। যেখানে ১৫০০০ ধরনের নমুনা নিয়ে পরীক্ষা-নিরিক্ষা চলছে। ইবোলার মত ভাইরাস নিয়েও গবেষণা করে এরা। যেসব ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে পারে, সেরকম ভাইরাসও রয়েছে এই গবেষণাগারে।
 
৪২ মিলিয়ন ডলারে তৈরি করা হয় এই ল্যাবরেটরি। ২০১৫ সালে ল্যাব তৈরির কাজ শেষ হয়। ২০১৮ থেকে এখানে গবেষণার কাজ শুরু হয়। এখানে অবশ্য একটি ল্যাবরেটরি রয়েছে, যা ২০১২ থেকে কাজ শুরু করেছে।

এই গবেষণাগার অবস্থিত জঙ্গলে ঘেরা একটি পাহাড়ের তলায়। পাশেই রয়েছে জলাশয়। লোকালয় থেকে দূরে এই গবেষণাগার ৩২০০০ স্কোয়্যার ফুট জায়গা জুড়ে রয়েছে। বিল্ডিং-এর বাইরে একটি সতর্কবার্তা লেখা রয়েছে। সেখানে লেখা আছে, “Strong Prevention and Control, Don’t Panic, Listen to Official Announcements, Believe in Science, Don’t Spread Rumours”.

করোনাভাইরাস উহানের ল্যাব থেকেই ছড়িয়েছিল কিনা শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের উত্তরে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, আমরা নজর রেখেছি, আরও অনেকেই এর দিকে নজর রেখেছে। চিন একটি নির্দিষ্ট ধরণের বাদুড়ের কথা বলেছেন, কিন্তু ওই বাদুড় ওই এলাকায় ছিলই না। ওই এলাকায় বাদুড় বিক্রি হয়নি, সেটা বিক্রি হয়েছিল ৪০ মাইল দূরে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ফক্স নিউজ জানিয়েছে, ভাইরাসটি উহানের ল্যাব থেকে ছড়িয়েছে কিনা সে সম্পর্কে আমেরিকা জোর দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে। বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলি পরীক্ষাগারগুলিও রোগের প্রকোপ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে।

ভাইরাসের উৎস প্রসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, অনেক অদ্ভুত জিনিস ঘটছে। তদন্তের কাজও চলছে। আমরা এটা খুঁজে বার করছি। আমি শুধু এটুকু বলতে পারি, এটা যেখান থেকেই যে রূপেই আসুক না কেন, তা চিন থেকে এসেছে। বিশ্বের ১৮৪ টি দেশ এর ফল ভুগছে।
 
ট্রাম্প আরো বলেন, উহানে অনুদান দেওয়া বন্ধ করবে আমেরিকা। ওবামা সরকার তাঁদেরকে ৩.৭ মিলিয়ন ডলার অর্থ অনুদান দিয়েছিল। আমরা সেটা খুব শিগগিরি বন্ধ করে দেব।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/টি

বিস্তারিত খবর

লকডাউনে সড়কেই ঘুমাচ্ছে সিংহ

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-১৭ ০৭:০৯:৪০

করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের অধিকাংশ দেশে এখন চলছে লকডাউন। তাই রাস্তাঘাট, পর্যটন কেন্দ্র সবই এখন প্রায় ফাঁকা। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রুগার ন্যাশনাল পার্কও পর্যটক  বা দর্শনার্থী শূন্য। মানুষজনের দেখা না পেয়ে তাই পার্কের কয়েকটি সিংহকে সড়কেই সুখনিদ্রায় যেতে দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার পার্কের রেঞ্জার রিচার্ড সোরি এই ছবিটি তুলেছেন। এতে অন্তত ৮টি সিংহকে পার্কের বাইরে একটি বিশ্রামাগারের কাছে সড়কের ওপর ঘুমাতে দেখা গেছে।

ন্যাশনাল পার্কের মিডিয়া কর্মকর্তা আইজাক ফালা বিবিসিকে বলেছেন, সিংহ সাধারণত ঝোপঝাড়ে বিশ্রাম নেয়। তবে ‘ওরা এখন অনেক স্মার্ট হয়েছে এবং আমরা না থাকায় তারা এখন স্বাধীনতা ভোগ করছে।’ শুকনো হওয়ায় সিংহগুলোর কাছে রাস্তাটি পছন্দ হয়েছিল বলে জানান তিনি।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/টি

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হচ্ছে প্রাণীর জন্য প্রথম কোয়ারেন্টাইন সেন্টার

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-১৩ ১৩:৪২:০০

যুক্তরাষ্ট্রে একটি মালয়ান বাঘের কোভিড-১৯ ধরা পড়ার পর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তা বেশ আলোচিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন গবেষণায় ওঠে আসে, যেসব পরিবারে বিড়াল রয়েছে। সেসব পরিবারের কেউ করোনা আক্রান্ত হলে বিড়ালও আক্রান্ত হতে পারে।

এ ব্যাপারে সমাধান খুঁজে ভারতের উত্তরাখন্ডের পৌরি ঘারওয়াল এলাকার পুরনো ন্যাশনাল পার্ক জিম কর্বেটকে পশুদের জন্য আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে পশুর জন্য ১০টি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) ওই ন্যাশনাল পার্ক কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে দি নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

এছাড়া, ন্যাশনাল টাইগার কনসারভেশন অথোরিটি (এনটিসিএ) বাঘের মধ্যে যাতে মানুষ থেকে করোনা সংক্রমিত হতে না পারে সেজন্য সম্প্রতি একটি নির্দেশনা জারি করেছে।

তাতে বলা হয়েছে, যেসব কর্মীরা বাঘ ও হাতির জন্য কাজ করবেন তাদের অবশ্যই নভেল করোনাভাইরাস পরীক্ষা করতে হবে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ব্রনক্স চিড়িয়াখানায় এ সপ্তাহে আরো একটি বাঘ করোনাভাইরাসের কারণে মারা গেছে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/টি

বিস্তারিত খবর

লকডাউন উঠতেই উহানে বিয়ের হিড়িক

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-১১ ০২:২৫:৩৮

আড়াই মাসের লকডাউন উঠে যাওয়ার পর বিয়ের জন্য আবেদনের হিড়িক পড়েছে করোনাভাইরাসের উৎসভূমি উহানে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল )পর্যন্ত অ্যালিপে নামে একটি অ্যাপে গত বুধবার থেকে ৩০০ বিয়ের আবেদন জমা পড়েছে।

অ্যালিপে থেকে জানানো হয়েছে, অ্যাপটিতে এত বেশি ভিজিট হয়েছে, সেটি সাময়িকভাবে থেমে যায়। সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে উহান থেকে। সিস্টেম ভেঙে না পড়লেও অ্যাপটিকে রিফ্রেশ করতে বেশ কিছুটা সময় লেগে গেছে।

উহানে ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কোনো বিয়ে হয়নি। এর পেছনে কারণ একটাই, তা হলো করোনাভাইরাস। যে কারণে অ্যালিপে অ্যাপে বিয়ের আবেদন নেওয়া বন্ধ করা হয়।

তবে লকডাউন তুলে নেওয়ার পর থেকে যুগলেরা যাতে সবচেয়ে রোমান্টিক উপায়ে নিজেদের উপভোগ করতে পারেন, সে ব্যবস্থা করা হযেছে।

অবেদন করলেও শর্ত মানতে হবে যুগলদের। তারা করোনা মুক্ত কি না সে সাটিফিকেট দেখাতে হবে তাদের।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/টি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে করোনার কবলে চিড়িয়াখানার বাঘ

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৬ ০৩:১২:৩৩

মহামারি করোনাভাইরাসে নাজেহাল গোটা বিশ্ব। বিশ্বের প্রায় ১৩ লাখ লোক আক্রান্ত হয়েছে এই ভাইরাসে। প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৭০ হাজার। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না পশুরাও।

চিকিৎহীন এই ভাইরাসে রোববার আক্রান্ত হয়েছে নিউইয়র্কের ব্রোনক্স চিড়িয়াখানার ৪ বছর বয়সী বাঘ নাদিয়া। মানুষের শরীর থেকে তার শরীরে প্রবেশ করেছে ভাইরাসটি। পরীক্ষা করে বাঘের শরীরে কোভিড-১৯ এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার পর এই প্রথম কোনো পশু আক্রান্ত হল।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে নাদিয়া, তার বোন আজুল, আরো দুটি বাঘ এবং তিনটি আফ্রিকান সিংহ ‘শুকনো কাশির’ সমস্যায় ভুগছে। শ্বাসযন্ত্রের সমস্যার কারণে চিড়িয়াখানার বেশ কিছু সিংহ ও বাঘকে কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয়। সেখানেই নাদিয়ার করোনা ধরা পড়ে। এমনই তথ্য দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাগ্রিকালচারস ন্যাশনাল ভেটেনারি ল্যাবরেটরিজ।

চিড়িয়াখানার দেওয়া এক বর্তায় জানানো হয়েছে, ‘যদিও বাঘগুলোর ক্ষুধামন্দার সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে চিড়িয়াখানায় তারা পর্যবেক্ষণের মধ্যে আছে। তাদের পরিচারকের সঙ্গে বেশ সাড়া দিচ্ছে। ঠিক কিভাবে তাদের মধ্যে কনোরাভাইরাস ছড়ালো সেটা এখনো অজানা। কারণ, একেকটা প্রজাতি করোনাভাইরাসের সঙ্গে একেকরকম আচরণ করে। একেক প্রজাতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে একেকরকম লক্ষণ প্রকাশ করে। তবে যতদিন পুরোপুরি সেরে না ওঠে ততোদিন বাঘগুলোকে আমরা পর্যবেক্ষণে রাখবো।’

ধারনা করা হচ্ছে যেসব লোক বাঘগুলোর দেখভাল করে তাদের কোনো একজনের মাধ্যমে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। হয়তো ওই ব্যক্তির মধ্যে এখনো করোনাভাইরাসের লক্ষণ প্রকাশ পায়নি। কিন্তু তিনি ভাইরাসটি বহন করছেন। তাইতো চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ আজ থেকেই সতর্ক হচ্ছে এ বিষয়ে। যারা যারা বাঘগুলো দেখভাল করছে তাদের পরীক্ষা করে দেখা হবে এবং চিড়িয়াখানা থেকে দূরে রাখা হবে।

এমন ঘটনায় যারপরনাই উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্রের বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ সমিতি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গেল ১৬ মার্চ থেকে বন্ধ আছে নিউইয়র্কের ব্রোনক্স চিড়িয়াখানা। এবার কিনা চিড়িয়াখানার পশুরাই আক্রান্ত হয়ে গেল প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে!

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/টি

বিস্তারিত খবর

করোনাভাইরাস: সামাজিক দূরত্ব মেনে ভিডিও কলে বিয়ে

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৫ ০৬:০৮:১৪

করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে ভারতে চলছে ২১ দিনের লকডাউন। এই লকডাউনের মধ্যে বিয়ের মতো আনন্দের ব্যাপারও থেমে নেই। তবে সামাজিক দূরত্ব মেনে ভিডিও কলে বিয়ের কাজ সারলেন এক মুসলিম যুগল।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভারতের মহারাষ্ট্রের আওরঙ্গাবাদ এলাকায় এ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিয়ের কাজ সারতে প্রধানমন্ত্রীর কোনো নির্দেশ অমান্য করেনি দুই পরিবার। লকডাউনের নিয়ম অনুসরণ করে বিয়ের সমস্ত অনুষ্ঠান ভিডিও কলের মাধ্যমে সম্পন্ন করেছেন তারা।

বর মিনহাজুদ্দিনের বাবা মো. গিয়াস বলেন, ‘ছয় মাস আগে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে ঠিক করা হয়েছিলো। করোনাভাইরাসের ভয়ে তো আর বিয়ে বন্ধ থাকতে পারে না। তাই আমরা সরকারি আদেশ মেনেই ভিডিও কলে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেছি।’

কাজী মুফতি আনিসুর রহমান বলেন, ‘ভিডিও কলের মাধ্যমে বিয়ে পড়ানোয় দুই পরিবার অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। তাছাড়া খরচ অনেক কমে গেছে।’


এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/টি

বিস্তারিত খবর

করোনা আক্রান্তদের জন্য কয়েকটি টিপস

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০২ ০৬:৫৬:৪৯

করোনাভাইরাস দিনকে দিন বিশ্বে ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে। এ রোগের কারণে একে একে মৃত্যুর দুয়ারে গেছেন ১১ হাজারের বেশি মানুষ। মহামারি এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। দেখা যাচ্ছে, এ রোগে দ্রুত আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধদের মধ্যেই বেশি। চীন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বৃদ্ধদের, বিশেষ করে যাঁরা দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসা নিচ্ছেন, তাঁদের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। এরই মধ্যে করোনায় সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন বয়স্ক ব্যক্তিরাই।

বয়স্কদের মধ্যে দুর্বল প্রতিরোধক্ষমতা ও স্বাস্থ্যের অবনতির কারণে কোভিড–১৯ সহজেই তাঁদের আক্রান্ত করে। বৃদ্ধদের মধ্যে কোভিড-১৯ আক্রান্তের ঝুঁকিও বেশি। কেন বৃদ্ধরা এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, এর সঠিক কারণ কেউই এখন পর্যন্ত বলতে পারছেন না। এটা হতে পারে বয়সজনিত কারণে। কারণ, এ সময় রোগ প্রতিরোধক্ষমতা অনেকটাই কমে যায়। এ জন্য তাঁরা কোনো রোগ বা জীবাণুর সঙ্গে লড়তে পারেন না।

৬৫ বছর বা এর ঊর্ধ্বে যাঁদের বয়স, তাঁদের ঝুঁকি বেশি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলছেন, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, হার্টের সমস্যা, ক্যানসার, হাঁপানির মতো সমস্যা থাকলে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রেও একইভাবে বিপজ্জনক করোনাভাইরাস।

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশেই বলা হয়েছে, ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সের ব্যক্তিরা, যাঁদের দৈহিক বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে, তাঁরা যেন জনসমাগম এলাকা এড়িয়ে চলেন। তাঁরা যেন বাড়িতে থাকেন। বয়স্কদের সাবধানে কীভাবে রাখবেন, এর জন্য কয়েকটি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—

ওষুধসহ প্রয়োজনীয় জিনিস মজুত রাখা
দরকারি ওষুধ ও প্রয়োজনীয় জিনিস আগে থেকে কিনে বাসায় রাখতে হবে। বাসার বৃদ্ধরা দুর্বল ও দীর্ঘদিন অসুস্থ হলে আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) সুপারিশ করেছে, বেশ কিছু সপ্তাহের ওষুধ ও অন্যান্য জিনিস বাড়িতেই যেন রাখা হয়। সিডিসি তাদের নাগরিকদের বলেছে, প্রয়োজনীয় খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য চিকিৎসা পণ্যের সরবরাহগুলো আগে থেকে মজুত করে রাখুন। প্রিয়জনদের কী কী ওষুধ প্রয়োজন, তার খেয়াল পরিবার যেন রাখে। বাসার বয়স্কদের দিকে একটু সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিন।

পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। ২০ সেকেন্ড ধরে নিজেদের হাত সাবান–পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই পরামর্শ করোনাভাইরাস সচেতনতার জন্য সবাই দিচ্ছেন। যদি হ্যান্ডওয়াশ-পানি না থাকে, সে ক্ষেত্রে স্যানিটাইজার দিয়েও হাত ভালোভাবে ঘষে নিতে হবে। বাড়ি ও কর্মক্ষেত্রের জায়গাও যেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে, এ বিষয়ে নিশ্চিত থাকতে হবে। নিয়মিত বাড়ি ও কাজের জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করুন। এমনকি ইলেকট্রনিকসের জিনিসগুলোও নিয়মিত পরিষ্কার করুন।

কোনো জিনিস শেয়ার নয়

যৌথ পরিবারে সবাই একসঙ্গে থাকেন। একেকজনের ঝুঁকি একেক ধরনের হতে পারে। এ রকম অবস্থায় সবারই ঝুঁকি রয়েছে বলেই ধরে নিতে হবে। একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, একই পরিবারে বৃদ্ধ ও শিশুরা থাকে। তাদের এই সময়ে বা মাঝেমধ্যে সর্দি-কাশি হয়। সে ক্ষেত্রে পরিবারের উচিত ব্যক্তিগত সব জিনিস এই মুহূর্তে আলাদা ব্যবহার করা। যেমন খাবার, পানির বোতল, বাসন-কোসন। প্রয়োজন হলে বাড়ির একটি আলাদা ঘরে অসুস্থ সদস্যকে রেখে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে আলাদা শৌচাগারের ব্যবস্থাও করলে আরও ভালো হয়।

অনেক বৃদ্ধই আছেন, যাঁরা একা একা থাকেন। সে ক্ষেত্রে কীভাবে তাঁরা নিজেদের যত্ন নেবেন, সে বিষয়ে আগে থেকে পরিকল্পনা করে নিতে হবে। ফোন বা ই–মেইল কীভাবে ব্যবহার করবেন, জরুরি ফোন নম্বর, চিকিৎসকের নম্বর সব যেন হাতের কাছে থাকে।

আতঙ্ক নয়, আলোচনা করুন

অযথা আতঙ্কিত না হয়ে কোভিড-১৯ সম্পর্কে প্রতিবেশী, পরিবার-স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে আলোচনা করতে হবে। কেউ আক্রান্ত হলে আগাম প্রস্তুতি কী হবে, তা নিয়ে পরিকল্পনা করে রাখুন। কোভিড-১৯ সম্পর্কে যতটা সম্ভব সচেতনতা বাড়াতে হবে, বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে এটা আরও প্রয়োজন। তাঁরা যাতে কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে না বের হন, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বৃদ্ধদের আশ্বস্ত করুন যে এ রোগে ভয়ের কিছু নেই।

চিকিৎসকদের পরামর্শ মানুন

করোনা নিয়ে আতঙ্ক না বাড়িয়ে চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞদের নির্দেশ মেনে চলাই শ্রেয়। কিছুদিন বৃদ্ধদের বাড়ির বাইরে বের হতে না দিয়ে বাড়িতেই রাখতে হবে। বিভিন্ন ধরনের ফিট থাকার শরীরচর্চা এই সময় তাঁরা করতে পারেন। স্বাস্থ্যকর খাবার এ সময় খুব প্রয়োজন। সর্দি-কাশি হলে তা এড়িয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

করোনার ভয়ে বিশ্ববাসী রীতিমতো একঘরে হয়ে রয়েছেন। বিশ্বের অনেক দেশ তাদের শহরগুলো লকডাউন করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) নিজেদের ওয়েবসাইটে কোভিড-১৯ নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছে। সেখানে এ রোগের বিষয়ে সব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

বিস্তারিত খবর

করোনাভাইরাস: গৃহবন্দি শিশুর বিষণ্নতা দূর করতে যাকিছু করণীয়

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-৩০ ০৮:০৩:১৯

এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা প্রাণোচ্ছ্বল শিশু-কিশোরদের। ২৪ ঘণ্টা চার দেওয়ালে বন্দি ওরা, ওদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া তাই অবশ্য কর্তব্য

বিশ্বব্যাপী কেরোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আমরা একপ্রকার বাধ্য হয়েই মেনে নিচ্ছি এই গৃহবন্দি পরিস্থিতি। আর এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা প্রাণোচ্ছ্বল শিশু-কিশোরদের। স্কুল, টিউশন বন্ধ। সাঁতার-গান-নাচও বন্ধ। বিকেলে খেলাধুলো বা পার্কে যাওয়ারও উপায় নেই। ২৪ ঘণ্টা চার দেওয়ালে বন্দি ওরা। এই অবস্থায় ওদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া তাই অবশ্য কর্তব্য।

অভিভাবকদের করণীয়

১) শিশুদের বুঝিয়ে বলুন “হোম কোয়রান্টাইন” কী আর এই পরিস্থিতিতে এর যৌক্তিকতাইবা কী। তাহলে চার দেওয়ালের মধ্যে আটকে থাকার  গ্রহণযোগ্যতা অনেকটাই বাড়বে ওদের মধ্যে।

২) একটি ৩-৫ বছর বয়সী শিশুর মধ্যে কিন্তু মৃত্যু সম্পর্কে একটা অস্বচ্ছ ধারণা তৈরি হয়ে যায়। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ও তার সংখ্যা নিয়ে ওদের সামনে বেশি আলোচনা না করাই বাঞ্ছনীয়। অপরিণত মস্তিষ্কে মৃত্যুভয় বাসা বাঁধতে পারে।

৩) বাড়ির অন্য সকলে যেমন সংসারের সমস্ত কাজ ভাগ করে করছেন, আপনার সন্তানটিকেও তার বয়স ও ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ ভাগ করে দিন। সকলের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করাটা হয়তো ওর কাছে উপভোগ্যই হবে।

৪) বাড়ির কাজের পাশাপাশি ছবি আঁকা, বাগান করা, গল্পের বই পড়ার  মতো কোনও শখ— যেটা ঘরে বসেই করা যায়, এমন কিছুতে বেশি করে উৎসাহিত করুন।

৫) বছরের আর পাঁচটা দিনের চেয়ে অভিভাবকদের হাতে কিন্তু একটু বেশিই সময় আছে সন্তানকে দেওয়ার মত। তাই এই সময় চেষ্টা করবেন, একসঙ্গে বসে কিছু খেলতে বা মজার কোনও বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে। এটা ওদের কাছে অনেক বেশি উপভোগ্য হবে।

৬) শিশুর অতিরিক্ত কার্টুন বা মোবাইল গেমসের নেশা কাটিয়ে ফেলার সুযোগ কিন্তু এখনই। অনেকটা সময় হাতে পাচ্ছে যখন, তখন ওর মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। পাঠ্যবইয়ের বাইরেও নানা বই পড়ার স্বভাব পরবর্তীতে ওর বেশ উপকারেই আসবে!

 ৭) এই সময়টা শিশুকে “হ্যান্ড হাইজিন” আর “কফ এটিকেট” শেখানোরও এক আদর্শ সময়। সেটা আয়ত্ত করে ফেলতে পারলে করোনাভাইরাসকে প্রতিরোধ করার সঙ্গেসঙ্গে আপনার সন্তান সারাজীবন ধরেই  কিন্তু অন্য অনেক রোগের আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পাববে।


এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

বিস্তারিত খবর

‘পিপিই’কে ‘পিপিপি’ বলে তুমুল হাস্যরসের স্বীকার বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-৩০ ০১:০৮:৪৬

ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বা পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্টের সংক্ষেপিত রূপ ‘পিপিই’কে ‘পিপিপি’ উচ্চারণ করে তুমুল হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন সাম্প্রতিককালে নানা বিতর্কের মধ্য দিয়ে যাওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

গতকাল এক ভিডিও বার্তায় তিনি করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি জানানোর সময় অন্তত নয়বার তিনি ‘পিপিই’কে ‘পিপিপি’ বলে উচ্চারণ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আরাফাত বিপ্লব নামের একজন লিখেছেন, ‘মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী, শব্দটা পিপিপি নয় বরং পিপিই। কেউ হয়তো বলবেন, স্লিপ অব টাং! আচ্ছা, স্লিপ অব টাং কি নয়বারও হয়?
 
দিদারুল ইসলাম নামের আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘করোনা ভাইরাস বাংলাদেশ থেকে দূর করার আগে এই স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাইরাসকে আগে দূর করতে হবে। ইনি দুলতে দুলতে বললেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ভেন্টিলেটর অনেক বেশি আছে। আমি শিওর উনি জানেনই না ভেন্টিলেটর জিনিসটা কি।’

এদিকে করোনাভাইরাসের টেস্ট করিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। রবিবার (২৯ মার্চ) কোভিড -১৯ নিয়ে আয়োজিত জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। তবে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি বলে নিশ্চিত করেছেন।
 
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এবং আপনি হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন কিনা—জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তো অনেক বড়, এখানে অনেক লোকজন আসা যাওয়া করে। এর মধ্যে কেউ করোনায় আক্রান্ত হতেও পারেন।’ তিনি নিজে কোয়ারেন্টিনে আছেন কিনা জানতে চাইলে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমি তো কাজ করছি। টেস্ট করিয়েছি, আমি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হইনি। আর আমি কোয়ারেন্টাইনে আছি তা বলবো না, অন্যরা যেভাবে আছেন, সেভাবেই আছি।’

মন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে পত্রিকা, টেলিভিশনে অনেক কিছু দেখতে পাই, শুনতে পাই। অনেকে বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে আমাদের প্রস্তুতি ছিল না। আমরা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছি, স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করেছি, জাতীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি করেছি। সেই কমিটির মাধ্যমে সব কাজ হচ্ছে, আমরা কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করেছি, ট্রিটমেন্ট প্রটোকল তৈরি এবং ডাক্তার-নার্সদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/টি

বিস্তারিত খবর

যে ৫ কারণে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস মহামারী হবে না

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৮ ০৬:৫১:২২

বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব কয়টি দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও আক্রমণ করেছে এই মরণব্যাধি। এই পর্যন্ত ৫ জন মারা গেছে করোনা আক্রান্ত হয়ে।

বিশ্বের অনেক দেশেই এই করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করেছে। যেমন চীন, স্পেন, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, এসব দেশগুলোতে এই করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করেছে। এসব দেশগুলো থেকে হাজার হাজার লোক এই করোনাভাইরাস মৃত্যুবরণ করছে। তবে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে মহামারি হবে না বলে জানা গেছে এক গবেষণায়। সেই গবেষণা মতে ৫ কারণে রক্ষা পাবে বাংলাদেশ।

১. বয়স বিবেচনা: বাংলাদেশ একটি তরুণ অধ্যুষিত দেশ। এ দেশে তরুণদের সবথেকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া। এই করোনাভাইরাস যারা মারা গেছে তারা প্রায় ৬০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। এবং তরুণদের মৃত্যুর হার ২%। তাই বাংলাদেশ মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা কম।

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: বাংলাদেশের মানুষ নানা প্রতিকূলতায় বেঁচে থাকে। এবং এদেশের মানুষ নানা ধরনের পুষ্টিকর খাবার খেয়ে থাকে। যার কারণে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। তাই মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা কম।

৩. পরিষ্কার পরিছন্নতা: বাংলাদেশ একটি মুসলিম কান্ট্রি। এদেশের মানুষ প্রায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে অভ্যাস তো। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখে সবাই। তাই মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা কম।

৪. খাদ্যাভ্যাস: বাংলাদেশের মানুষ বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়ে থাকে। তারা সবকিছু প্রায় সিদ্ধ করে খেতে পছন্দ করে। তাই মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা কম।

৫. আবহাওয়া: যেসকল দেশগুলো উষ্ণতায় আছে, যেসব দেশগুলোতে মৃত্যুর হার অনেক কম, এখন আমাদের দেশ এখন উষ্ণ। তাই বলা হচ্ছে বাংলাদেশে মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা কম।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এন
 

বিস্তারিত খবর

করোনা রুখতে গির্জায় ভক্তদের ডেটল পান করালেন ফাদার, নিহত ৫৯

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৬ ০৯:৩৭:০৩

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে একজন খ্রিস্টান পাদ্রীর উপদেশে তরল জীবাণুনাশক 'ডেটল' পান করে ৫৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। নাইরোবি থেকে প্রকাশিত দৈনিক কেনিয়া-টুডে বুধবার জানায়।
ফাদার 'রুফুস ফালা' সম্প্রতি করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তার ভক্তদের ডেটল খাওয়ান। গির্জার মধ্যে তিনি ভক্তদের নিজহাতে এই ডেটল পান করান।

ডেটল পানকারী ৫৯ জনের মৃত্যু হয় এবং আরও চারজন মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ফাদারের অনুসারীরো মনে করেছিল ডেটল পান করলে তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হবেন না।

এ সম্পর্কে ফাদার রুফুস ফালা দাবি করেছেন, তিনি জানতেন ডেটল খাওয়া মারাত্মক ক্ষতির কারণ। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা (গড) তাকে এটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি নিজে সবার আগে ডেটল খেয়েছেন বলেও দাবি করে ফাদার রুফুস ফালা। তবে তিনি কি পরিমাণ খেয়ে বেঁচে আছেন এবং তার ভক্তরা কতখানি খাওয়ার কারণে মারা গেছেন তা জানা যায়নি।

তবে ডেটল খাবার উপদেশ এবারই প্রথম দেননি ফাদার রুফুস ফালা। এর আগে তিনি তার ভক্তদেরকে রোগ থেকে মুক্তি পেতে শরীরকে সংক্রমণ মুক্ত করতে ডেটল খাবার পরামর্শ দিয়েছেন। ডেইলি সান সাইথ আফ্রিকা জানিয়েছে।

আফ্রিকার ৫৪টি দেশের মধ্যে এরইমধ্যে ৪০টি দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।

বিস্তারিত খবর

ফ্লাইটে করোনা আক্রান্ত যাত্রী, বিমান থেকে পালালেন পাইলট!

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৪ ১৪:১৭:০২


করোনাভাইরাসে আক্রান্ত যাত্রী ফ্লাইটে রয়েছেন এমন খবরে ফ্লাইটের ককপিপের জানালা দিয়ে পালিয়েছেন পাইলট। ২০ মার্চ দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ঘটনাটি ঘটেছে।

সোমবার ইন্ডিয়া ট্যুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, এয়ার এশিয়ার পুনে থেকে দিল্লিগামী একটি ফ্লাইটে করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছে খবরে বিমানটি অতরণের পরই সেকেন্ডারি এক্সিট দিয়ে পাইলট নেমে যান। পরে পরীক্ষায় অবশ্য যাত্রীর দেহে করোনা সংক্রমণ পাওয়া যায়নি।

এয়ার এশিয়া ইন্ডিয়ার মুখপাত্র জানান, বিমানে সন্দেহজনক করোনা আক্রান্ত একজন যাত্রী ছিলেন। তিনি বিমানের প্রথম দিকের একটি সিটে বসেছিলেন। বিমানটি অবতরণের সময় থেকেই নানা রকমের ব্যবস্থা নেয়া হয়। সাধারণত বিমান যেখানে নামে, তার থেকে অনেকটা দূরে বিমান অবতরণ করে। সামনের দরজা নিয়ে নামানো হয় ওই যাত্রীকে। এরপর অবশ্য পরীক্ষার পর যাত্রী ভাইরাস আক্রান্ত নন বলেই জানা গেছে।

এদিকে বিমান কর্মীদেরও ১৪ দিনের সেলফ কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। ভারতের এখন পর্যন্ত ৪৯৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ১০ জন।

চীনের উহান থেকে মহামারী আকারে করোনাভাইরাস বিশ্বের ১৯০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এর থাবা পড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেও। এর জেরে মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই পুরো ভারত লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বিস্তারিত খবর

রহস্যময়ভাবে প্রতি শতাব্দীর ২০তম সাল প্রাণঘাতি হিসেবে চিহ্নিত

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-১৮ ০৩:৫১:২৬


শতাব্দীর পর শতাব্দির ২০তম বছরে সংক্রামক মহামারীতে আক্রান্ত হয়েছে মানব সভ্যতা।
রহস্যময়ভাবে প্রতি শতাব্দীর ২০তম সাল চিহ্নিত হয়েছে মানব সভ্যতার জন্য প্রাণঘাতি বছর। ঠিক ১০০ বছর পরপর প্লেগ, কলেরা, ফ্লু কিংবা করোনার মত ভয়াল সব অনুজীবের আক্রমণে 'জনশূন্য' হয়েছে বহু জনপদ। 

১৭২০ সালে ইউরোপ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে সংক্রামক মহামারি প্লেগ। তিন বছর ধরে সমগ্র ইউরোপের পাশাপশি আফ্রিকা ও এশিয়ার কিছু অংশে তান্ডব চালিয়ে প্রায় লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যুর কারণ হয় এই মরণব্যাধি।

এর ঠিক একশ বছর পর ১৮২০ সালে আঘাত হানে মহামারী কলেরা। ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও ভারতীয় উপমহাদেশে মৃত্যুর কালো ছায়া ছড়িয়ে পরে। লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে অস্তিত্বের জানান দেয় জলবাহিত ব্যাকটেরিয়া জনিত ব্যাধি কলেরা।

আরও একশ বছর পর ১৯২০ সালে ইউরোপ থেকে পৃথিবীর নানা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে আরেক ভাইরাস স্প্যানিশ ফ্লু। ধ্বংসলীলায় আগের সব ব্যাধীকে ছাড়িয়ে যাওয়া সর্বগ্রাসী স্প্যানিস ফ্লু ১৯১৮ সালে প্রথম অস্তিত্ব জানান দিলেও ১৯২০ সালে ছড়িয়ে পড়ে নানা অঞ্চলে। বিশ্বের প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ আক্রান্ত হয় এই ব্যাধিতে। মৃত্যু হয় অন্তত দশ লক্ষ মানুষের।

ঠিক ১০০ বছর পর একবিংশ শতাব্দীতে এই চক্রের সর্বশেষ সংযোজন ২০২০ সালে আঘাত হানা করোনাভাইরাস। চিনের উহান প্রদেশ থেকে যাত্রা শুরু করে করোনা সংক্রমণ ঘটায় বিশ্বজড়ে। এখন পর্যন্ত করোনার আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছে সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি মানুষ। বহু উন্নত দেশের আধুনিক নগরীকে জনশূন্য করেছে করোনা। বিশ্বের বহু দেশ করোনাকে মহামারি ঘোষণা করে জারি করেছে জরুরি অবস্থা।

কয়েকটি শতাব্দীর ২০তম সালে আঘাত হানা অন্যান্য মহামারী থেকে বহু সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে রক্ষা পেয়েছে মানব সভ্যতা। প্রাণঘাতি করোনায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান কতদূর পৌঁছুবে এখন সেই দিকে তাকিয়ে আছে পৃথিবীর অজস্র মানুষ।

বিস্তারিত খবর

মানব সেবার জন্য দায়িত্ব কমালেন বিল গেটস

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-১৪ ০১:৫০:৫৪

মানব সেবায় নিজেকে আরো বেশি নিয়োজিত করার জন্য মাইক্রোসফটের পরিচালকদের বোর্ড থেকে সরে দাঁড়ালেন কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। বিশ্বের অন্যতম সেরা ধনী বিল গেটস জানিয়েছেন, বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্য উন্নয়ন, শিক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে তিনি আরো কাজ করতে চান।

২০০৮ সাল থেকেই মাইক্রোসফটের কাজের সঙ্গে প্রতিনিয়ত জড়িত থাকতেন বিল গেটস । তবে এখন থেকে তাকে আর সেভাবে দেখা যাবেনা। জানা গেছে, বোর্ড থেকে সরে দাঁড়ালেও মাইক্রোসফটের নেতৃত্বে বিল গেটসই থাকছেন। এ বিষয়ে বিল গেটস বলেন, সবসময় আমার জীবনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে থাকবে। এছাড়া বিল গেটস যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক সমন্বিত বিনিয়োগয়ারী কোম্পানি বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের পরিচালক বোর্ড থেকেও সরে গেছেন।

ফোর্বস ম্যাগাজিনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০৩. ৬ বিলিয়ন ডলার নিয়ে বিশ্বের ধনীদের তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন বিল গেটস । প্রথম অবস্থানে আছেন আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস ।

বিস্তারিত খবর

করোনা: ভারতে মিলছে গোমূত্রের হ্যান্ড স্যানিটাইজার!

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-১১ ১১:০০:৪৪


করোনা প্রতিরোধে গোমূত্রের হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং সাবান পাওয়া যাচ্ছে ভারতের ই-কমার্স সাইটে। গোমূত্র দিয়ে তৈরি এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং সাবানের নাম দেয়া হয়েছে 'কাউপ্যাথি'। এমনটি জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ।

জি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫০ মিলিলিটারের ২টি হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাওয়া যাচ্ছে ১০০ রুপিতে। অন্যদিকে, অনলাইনে ২১০ রুপিতে পাওয়া যাচ্ছে 'কাউপ্যাথি' সাবানের ছয় থেকে সাতটির প্যাক।

'কাউপ্যাথি' স্যানিটাইজারের বিবরণে লেখা রয়েছে,দেশি গরুর বিশুদ্ধ গোমূত্র দিয়ে তৈরি হয়েছে এটি। একইসঙ্গে যাতে কোনও গন্ধ না বের হয়, সেজন্য এর সঙ্গে অ্যারোমা এসেনশিয়াল অয়েল ও গঙ্গার পানি মেশানো হয়েছে। বিবরণে আরও বলা হয়েছে ,এতে কোনও অ্যালকোহল নেই। আপনার হাতকে এটা আর্দ্র ও কোমহল রাখবে।

যদিও, এই স্যানিটাইজার ও সাবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ 'রুখেছে' বলে হাতেকলমে কোনও প্রমাণ নেই। তবে ই-কমার্স সাইটে এটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছে বলে দাবি করেছে জি নিউজ।

প্রসঙ্গত, গোমূত্র ও গোবরেই সারতে পারে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ! সম্প্রতি এমন দাবি করেছিলেন ভারতের আসামের বিজেপি বিধায়ক সুমন হরিপ্রিয়া।আর এর কিছুদিন পরই জানা গেলো গোমূত্র দিয়ে তৈরি হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

বিস্তারিত খবর

ঘুমালেই পাবেন লাখ টাকা পারিশ্রমিক!

 প্রকাশিত: ২০২০-০২-২৩ ০৫:০৬:২১


আপনি কী ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে লাখ লাখ টাকার স্বপ্ন দেখেন? তবে এই বিশেষ নিউজটা আপনার জন‌্যই।

কারণ, ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে লাখপতি হবার স্বপ্ন দেখার দিন শেষ। এবার সময় এসেছে সেই স্বপ্নকে সত্যি করার!

অবাক লাগছে? বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বলা যাক...

রাতে ঘুম হয় না বা যাদের রাতে ঘুমানোর অভ্যাস কম বা চলে গিয়েছে- এমন নানা সমস্যা থেকে মানুষকে মুক্তি উদ্যোগ নিয়েছে ‘ওয়েকফিট' (Wakefit) নামক এক সংস্থা।

তাদের শর্ত- প্রতিদিন ৯ ঘণ্টা ঘুমালেই পেয়ে যাবেন এক লাখ টাকা পারিশ্রমিক।

সম্প্রতি ‘ইনসমনিয়া’ ভুগছেন এমন বহু মানুষকে এই সমস্যা থেকে রেহাই দিতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এজন‌্য ‘ওয়েকফিট’ সম্প্রতি শুরু করেছে এক ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রাম ১০০ দিনের আর এর জন্য ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপনে ওই সংস্থা লিখেছে, ‘আপনি কি রাতে আপনার প্রিয় শোগুলো না দেখে তার পরিবর্তে নয় ঘণ্টা ঘুমাতে পারবেন? যদি তাই হয়, তাহলে আপনিই হতে পারেন যোগ্য প্রার্থী, আমরা যার খোঁজ করছি।’ এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ওয়েকফিট স্লিপ ইন্টার্নশিপ’।

‘ওয়েকফিট স্লিপ ইন্টার্নশিপ’-এর যোগ্য প্রার্থী হতে লাগবে ‘শুধু ঘুম!’ তবে এর সঙ্গেই জুড়ে দেওয়া হয়েছে কিছু শর্ত।

শর্তগুলো হলো-

১) যিনি শোয়ার ১০-২০ মিনিটের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। যার যখন তখন সামান্য সুযোগ পেলেই ঘুমিয়ে পড়ার ক্ষমতা রয়েছে।

২) দ্বিতীয়ত, এর অন্যতম শর্ত বেশি রাত পর্যন্ত জেগে না থাকা। নিজের ফোনে আসা একের পর এক নোটিফিকেশনকেও অগ্রাহ্য করতে পারার ক্ষমতাও থাকতে হবে।

৩) ইন্টার্নদের ঘুমাতে হবে ওয়েকফিটের দেওয়া ম্যাট্রেসে। স্লিপ ট্র্যাকারের মাধ্যেমে তাদের ঘুমের নানা দিক লক্ষ্য রাখা হবে। সেই অনুযায়ী ভাল ঘুমানোর পরামর্শ দিতে কাউন্সেলিং সেশনও থাকবে।

বিস্তারিত খবর

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফিরল শক্তিশালী ইঁদুর

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-১১ ১২:২৩:১৭


গত মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) থেকে ৩৮০০ পাউন্ড ওজনের কার্গো বহন করে পৃথিবীতে নিরাপদে অবতরণ করেছে স্পেসএক্সের তৈরি মহাকাশযান ‘ড্রাগন’।

ড্রাগন নামক এই কার্গো মহাকাশযানটির মধ্যে ছিল ৪০টি ইঁদুর, যার মধ্যে বিজ্ঞানীদের জিনগতভাবে পরির্তন করা অত্যন্ত পেশীবহুল ৮টি ইঁদুর ছিল। এই ইঁদুরগুলোকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা শক্তিশালী পেশীর এই ইঁদুরগুলোকে পর্যবেক্ষণ করে নভোচারীদের মহাকাশে সুস্থ রাখার বিষয়টি বিজ্ঞানীরা উদঘাটন করতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করছেন।

এই ৪০টি ইঁদুর স্পেসএক্সের মহাকাশযানে চড়ে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছিল রোডেন্ট রিসার্চ-১৯ প্রকল্পের অংশ হিসেবে। মহাকাশে মাইক্রোগ্রাভিটি কীভাবে পেশী ও হাড়ের ক্ষয়কে প্রভাবিত করে তা পরীক্ষা করার জন্যই এই গবেষণা প্রকল্পের উদ্যোগ নেন বিজ্ঞানীরা।

এই পরীক্ষা চালানোর কারণ হচ্ছে, এর আগে জানা গিয়েছিল যে দীর্ঘদিন মহাকাশে থাকার পরে যারা ফিরে এসেছেন, তাদের শরীরে কিছু ঝামেলা হয়েছিল। মহাকাশের ওজনহীনতায় নভোচারীদের হাড় ও মাংসপেশী ক্ষয়ের ঘটনা ঘটেছিল।। তাই বিজ্ঞানীরা ৮টি ইঁদুরকে জেনেটিক্যালি পরিবর্তন করে পৃথিবীর ইঁদুরের দ্বিগুণ শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠিয়েছিলেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে থাকা নভোচারীরাও ইঁদুরগুলোর ওপর কিছু ওষুধ ব্যবহার করেছিলেন। এটা জানার জন্য যে, মহাকাশে দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে পেশী এবং হাড়ের ক্ষয় ঠিক কি কারণে হয়।

আর এখন যেহেতু শক্তিশালী ইঁদুরগুলো ও তাদের সঙ্গী ইঁদুরগুলো পৃথিবীতে ফিরে এসেছে, তাই বিজ্ঞানীরা তাদের ওপর গবেষণা করে পেশী ও হাড় ক্ষয়ের কৌশলগুলো খুঁজে বের করতে পারবেন।

গবেষণা প্রকল্পটির সহ-গবেষক সে-জিন লি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘নভোচারীদের পেশী এবং হাড়ের ওপর মাইক্রোগ্রাভিটির প্রভাব সম্পর্কে আমরা যা জানছি তা মহাকাশ এবং পৃথিবী- ‍উভয় ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সহায়তা করবে। এছাড়া বয়স্ক ব্যক্তি কিংবা এইডস, এএলএস, ক্যানসারসহ অন্যান্য রোগে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ সম্পর্কেও আরো ভালো ধারণা লাভ করা সম্ভব হবে।’

বিস্তারিত খবর

চুল বিক্রি করে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন মা

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-১০ ২৩:২০:৫৯

সাত মাস আগে আত্মহত্যা করে মারা গেছে স্বামী। আপাদমস্তক ঋণে জর্জরিত। হাতে কানাকড়িও নেই। অন্যের কাছে হাত পেতেও সাহায্য পাননি। তার তিনটি সন্তানই অভুক্ত। খাবারের জন্য তারা কাঁদছে। শেষমেশ অসহায়-দরদি মা নিজের চুল বিক্রি করে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন।

এমনই হৃদয়-বিদারক ঘটনা ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের সালেম শহরে। অসহায় ওই নারীর নাম প্রেমা (৩১)। পরে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছেন ওই নারী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজএইটিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার প্রেমার কাছে কোনো কানাকড়িও ছিল না। চোখের সামনে ক্ষুধার জ্বালায় কাঁদছিল তিন শিশু। তাদের একজনের বয়স পাঁচ বছর। বাকি দুজনের বয়স আরও কম-দুই আর তিন বছর। বাড়িতে খাবারের জন্য কিছুই ছিল না। বাধ্য হয়ে কয়েক জনের কাছে হাতও পাতেন। কিন্তু কারও মন গলেনি। সবাই তাকে তাড়িয়ে দেয়। দিশেহারা অবস্থায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন প্রেমা। ভেবে পাচ্ছিলেন না কী করবেন। ঠিক সেই সময়েই রাস্তা দিয়ে এক ফেরিওয়ালা পরচুলা বানানোর জন্য চুল কিনবেন বলে হেঁকে যাচ্ছিলেন! এক মুহূর্তও আর ভাবেননি প্রেমা! নিজের চুল কেটে ১৫০ টাকায় বিক্রি করেন। ১০০ টাকা দিয়ে সন্তানদের জন্য খাবার কেনেন। বাকি টাকা নিয়ে পাশেই একটি দোকানে কীটনাশক কিনতে যান প্রেমা।

প্রেমার এই ঘটনার এক সপ্তাহ পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন জি বালা নামের এক গ্রাফিক ডিজাইনার। তিনি লেখেন, ‘প্রেমা বিষাক্ত আরালি বীজ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। কিন্তু বোন এসে তাকে আটকায়।’

জানা গেছে, ওই ঘটনা পোস্ট করার পর তার সাহায্যে অনেকে এগিয়ে আসেন। তার জন্য সংগ্রহ করা হয় ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। বৃহস্পতিবার সালেম জেলা প্রশাসন প্রেমার মাসিক বিধবা ভাতা চালু করে দেয়। বর্তমানে বালার এক বন্ধুর ইটভাটায় কাজ করছেন প্রেমা।

বিস্তারিত খবর

বরের মুখ দেখেই বিয়ে ভেঙে দিল কনে

 প্রকাশিত: ২০১৯-১২-০৫ ১০:৩৩:৪৬


বিয়ের মঞ্চ প্রস্তুত, অতিথিরা চলে এসেছেন। স্বজনরা অপেক্ষায় আছেন শুভক্ষণের; কিন্তু শেষ মুহূর্তে বাধলো বিপত্তিটা। বিয়ে বাতিল করে দিলেন কনে। বললেন, এ বিয়ে হবে না।

কেন? কারণ হিসেবে জানা গেল, বরের বয়স বেশি ও চেহারা সুন্দর নয়। কনের অজুহাত, এই বর তার সৌন্দর্যের সাথে মানানসই নয়। তাই বিয়ে হবে না। এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের কানপুরে।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে গালফ নিউজ জানিয়েছে, গত ২৪ নভেম্বর রোববার কানপুরের সাচেন্দি এলাকায় এই কাণ্ড হয়েছে। বিয়ের একেবারে আগ মুহূর্তে ‘শুভদৃষ্টির’ সময় বর ও কনে যখন পরস্পরের মুখের পর্দা সরিয়ে ফেলে তখনই বরের মুখ দেখে বেঁকে বসে কনে। কনে বলেন, এমন কালো ছেলেকে বিয়ে করবো না।

এমন ঘট্নায় তাৎক্ষণিকভাবে উত্তজনা ছড়িয়ে পড়ে বিয়ে বাড়িতে। পরিস্থিতি সামলাতে আসতে হয় পুলিশকে। তবে সব কিছুর পরেও কনে তার জেদে অটল থাকেন এবং শেষ পর্যন্ত বিয়ে না করেই ফিরে যান। পরে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে এক সমঝোতা বৈঠকে বিয়ের খরচাপাতি বিষয়ে সমাধান হয়।

খবরে বলা হয়েছে, কনের পরিবারের মুরুব্বিরা তাকে বুঝিয়ে বিয়েতে রাজি করানোর অনেক চেষ্টা করেছেন কিন্তু কাজ হয়নি। সব আয়োজন সম্পন্ন, অতিথিরা এসে গেছে এমন অবস্থায় বিয়েটা না ভাঙতে কনেকে অনেকেই অনুরোধ করেছেন। কিন্তু করেন এক কথা, এমন অসুন্দর ছেলেকে বিয়ে করবো না।

পরে ওই দিন সন্ধ্যায় আবারো বসেছিলেন দুই পরিবারের লোকরা। সেখানেও তারা বিয়ে অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা করেছেন; কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি।



বিস্তারিত খবর

পঙ্গু থেকে মডেল, আয় ৫০ লাখ টাকা!

 প্রকাশিত: ২০১৯-১২-০২ ১০:২৪:৪০


মাত্র এক সপ্তাহ বয়সেই পঙ্গু মেয়েকে রাস্তায় ফেলে দেন নিষ্ঠুর বাবা-মা। কিন্তু সেই মেয়েই একদিন বড় হয়ে সুপার মডেল হবে তা কে জানতো!

২৩ বছর বয়সী এই সুপার মডেলের নাম সেসর। দুই পা না থাকলেও ইচ্ছা আর মনোবলের জোরেই বর্তমানে তিনি সুপার মডেল। প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে এরই মধ্যে চমকে দিয়েছেন গোটা বিশ্বকে।

সেসরের জন্ম থাইল্যান্ডে। জন্ম থেকেই শারীরিকভাবে পঙ্গু মেয়ের বাবা-মা তাকে জন্মের এক সপ্তাহ পরই একটি বৌদ্ধ মন্দিরের পাশের রাস্তায় ফেলে চলে যান।

এরপর শিশু সেসরের ঠিকানা হয় অনাথ আশ্রমে। সেখান থেকেই তাকে দত্তক নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান জিমি ও মারিয়ান সেসর নামের এক দম্পতি। সন্তানস্নেহে বড় করেন বিকলাঙ্গ মেয়েকে।

সেসর আজ বিভিন্ন পোশাক নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সুপরিচিত মডেল। সেসর জানিয়েছেন, শুধু বিজ্ঞাপন থেকেই মাসে ৫০ লাখ টাকা (৬০ হাজার ডলার) আয় করেন।

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত