যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 04:01pm

|   লন্ডন - 10:01am

|   নিউইয়র্ক - 05:01am

  সর্বশেষ :

  ড. কামালের গাড়িতে হামলার তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   সার্কের সভা থেকে ভারতীয় কূটনীতিকের ওয়াকআউট   হোয়াইট হাউজের ভারপ্রাপ্ত চিফ অব স্টাফ মুলভানে   ১৭ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে ঐক্যফ্রন্টের চিঠি   জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি অস্ট্রেলিয়ার   স্বপ্নের সিনেমায় বাংলাদেশকে দেখবে   রোমে সিলেটী নাগরী বর্ণমালার আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন   সুষ্ঠু ভোটের জন্য সরকারকে চাপ দেওয়া উচিত : এইচআরডাব্লিউ   বেআইনি আদেশ মানবেন না: পুলিশকে ড. কামাল   জীবননগরে বিএনপির থানা কার্যালয়সহ ২০টি নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ!   জয়ে রাঙাল টাইগারদের বছরের শেষ ওয়ানডে   বিজয় দিবস উপলক্ষে বাফলার আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শনিবার   বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে কামাল হোসেনের গাড়িবহরে যুবলীগের হামলা   লস এঞ্জেলেসে ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী বিজয় বহর   রাষ্ট্রদূত মার্শার উপর হামলার জের: নানকের ভিসা বাতিল, সেনাপ্রধানের স্ত্রীর আবেদন প্রত্যাখান!

>>  টুকিটাকি এর সকল সংবাদ

হীরার তৈরি বিমান!

হীরার তৈরি আস্ত একটি বিমান। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক এমিরেটস এয়ারলাইন্সের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে করা একটি পোস্ট উসকে দিল সেই জল্পনা। হাজার হাজার হীরা খচিত বিমানের গায়ে। ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়ে পড়েছে হীরার তৈরি ওই বিমানের ছবি। সত্যিই এটি বিমান নাকি অন্য কিছু? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল মানুষের মনে।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের রত্নখচিত বোয়িং ৭৭৭ বিমানটিকে ‘ব্লিং ৭৭৭’ বলে উল্লেখ করেছে। সাধারণ মানুষ যারা প্রথমবার এই বিমানের ছবিটি দেখেছেন তারা সবাই কমেন্টে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তবে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া

বিস্তারিত খবর

আংটির নকশা করলেন অ্যাপলের প্রধান ডিজাইনার, দাম কত?

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১৩ ১২:৪৩:১০

আপনি অ্যাপলকে পছন্দ করতে পারেন কিংবা না-ও পারেন। যে দলেই থাকুন না কেন, প্রতিষ্ঠানটির ডিজাইন পরিকল্পনা বা ডিজাইন দর্শন সম্পর্কে সমালোচনা করার সুযোগ খুব একটা পাবেন না।

বর্তমানে অ্যাপলের প্রধান ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছেন জনি ইভে। সম্প্রতি প্রযুক্তি জগতের বাইরের একটি পণ্যের ডিজাইন করেছেন তিনি। এই পণ্যটি হলো হীরার আংটি।

গেজেটস নাউয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আংটি তৈরিতে হীরা ছাড়া আর কিছু ব্যবহার করা হয়নি। একে তো হীরা, তার ওপর এর ডিজাইন করেছেন অ্যাপলের প্রধান ডিজাইনার। বুঝতেই পারছেন দাম কীরকম হবে।

জানা গেছে, হীরার এই আংটি ২ লাখ ৫০ হাজার ডলারে বিক্রি করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যার বাংলাদেশি মুদ্রায় দাম হয় ২ কোটি ৫ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে এই আংটির দিকে নজর দিয়েছেন অনেকেই।

অন্য এক প্রতিবেদনে বিজনেস ইনসাইডার জানিয়েছে, বিখ্যাত নিলামকারী প্রতিষ্ঠান সথেবে এটা বিক্রি করবে। নিলামে সর্বোচ্চ দাম হাঁকানো ব্যক্তিই আংটি নিজের করে নিতে পারবেন। ৫ ডিসেম্বর এই নিলাম হওয়ার কথা রয়েছে।

বিস্তারিত খবর

বিশ্বের সবচেয়ে সেক্সি পুরুষ ইদ্রিস এলবা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ০১:১৬:১৮

আগামী জেমস বন্ডের ভূমিকায় হয়তো অভিনয় করা হবে না ইদ্রিস এলবার। কিন্তু, প্রভাবশালী মার্কিন ম্যাগাজিন তাকে এ বছরের সবচেয়ে সেক্সি পুরুষ হিসেবে অভিহিত করেছে।

ব্রিটিশ এই অভিনেতা পিপলের প্রচ্ছদে নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় জানান, প্রথমে তিনি এটা বিশ্বাসই করেননি।

ইদ্রিস এলবা বলেন, ‘পরে আয়নায় পরীক্ষা করে দেখলাম। মনে হলো আজকে আমাকে ভালোই লাগছে। তবে শুধুই একটা ভাল অনুভূতি, চমৎকার একটা সারপ্রাইজ ছিল। নিজের ইগোর জন্য এটা অবশ্যই ভালো ছিল।’

২০১৩ সালে নেলসন ম্যান্ডেলার জীবনী অবলম্বনে নির্মিত ‘ম্যান্ডেলা লং ওয়াক টু ফ্রিডম’ সিনেমায় ম্যান্ডেলার ভূমিকায় অভিনয় করেন। অন্যদিকে মার্ভেলের সুপার হিরো মুভি ‘থর’র নর্স মিথলজির এক দেবতার ভূমিকায়ও অভিনয় করেন তিনি।

যখন বড় পর্দায় অভিনয় করেন না তখন এলবা ডিজে বিগ ড্রিস নামে সঙ্গীত পরিবেশন করেন এবং তার নিজস্ব ব্র্যান্ডের পোশাকের নকশা করেন।

দুই সন্তানের জনক এলবা তার বাচ্চাদের পৃথবীতে আসার মুহূর্তকেই তার জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেন।

ব্রিটিশ এই অভিনেতা তার জীবনে কোনো আফসোস রাখতে চান না, ‘কী করা উচিৎ ছিল সেটা নিয়ে চিন্তা করাটা জীবন নয়। কালকের কোনো নিশ্চয়তা নেই, তাই যা করার আজই করা উচিৎ সবার। আপনি এটা প্রাণ ভরে যত খুশি করতে পারবেন, ততই বেঁচে থাকার মানে বুঝতে পারবেন।’

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

একটা গোলাপি হিরার দাম ৪১৮ কোটি!

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১২ ০০:৫৯:৫১

বড় আকারের একটি গোলাপি হীরা আগামী সপ্তাহে জেনেভায় নিলামে তুলবে ক্রিস্টি’স। দুষ্প্রাপ্য হিরাটির জন্য নিলামে প্রায় ৫ কোটি ডলার বা ৪১৮ কোটি টাকা পাওয়া যেতে পারে আশা করছে বিক্রেতারা।

রত্ন বিশেষজ্ঞ জাঁ-মার্ক লুনেল বার্তা সংস্থা এএফপি জানান, ‘দ্য পিঙ্ক লিগাসি’ নামের ১৯ ক্যারেটের এই হিরাটি অত্যন্ত বিরল।

বেশিরভাগ গোলাপি হিরার ওজন এক ক্যারেটেরও কম হয় এটা বিবেচনা করলে এই হিরাটির বিশেষত্ব বুঝতে পারবেন, বলেন তিনি।

এর আভিজাত্যের কারণে এই হিরার নামকরণ করা হয়েছে ‘দ্য পিঙ্ক লেগাসি’। এর আগে এত দামি ও ঐতিহ্যময় রত্ন নিলামে ওঠেনি বলে দাবি করেন তারা।

সাধারণত বেশিরভাগ গোলাপি হিরাই এক ক্যারেটের কম ওজনের হয়। সেখানে এই হিরার ওজন ও ঔজ্জ্বল্য অত্যন্ত বেশি হওয়ায় একে ‘বিরল’ বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা। রঙের ঘনত্বের দিক থেকেও অন্য সব হিরকখণ্ডকে ছাড়িয়ে যাবে পিঙ্ক লিগাসি।

আগে, ২০১৭-র নভেম্বরে হংকংয়ে ১৫ ক্যারেটের একটি গোলাপি হিরা নিলামে ওঠে। প্রতি ক্যারেটের দামের হিসাবে ইতিহাসে সেটিই সবচেয়ে দামি হিরা হিসাবে পরিচিত ছিল।

২০১৩ সালে ৫৯ ক্যারেট ওজনের একটি গোলাপি হিরা নিলামে ওঠে, যার প্রতি ক্যারেটের দাম উঠেছিল প্রায় ১১.৫ কোটি টাকা।

আপাতত এই মূল্যবান হিরকখণ্ডটি জেনেভার ওপেনহাইমার পরিবারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। বিগত ১০ বছর ধরে এই পরিবার ডে বিয়ার্স ডায়মন্ড মাইনিং সংস্থার কর্ণধার। তবে, এই হিরকখণ্ডের বর্তমান মালিকের পরিচয় দিতে তারা অস্বীকার করেন।

এই হিরকখণ্ডটি দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো এক খনি থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেন রত্ন বিশেষজ্ঞ জিন মার্ক লুনেল। তার মতে, এটিই আপাতত পৃথিবীর সেরা হিরকখণ্ড।

তিনি মনে করেন, ১৯২০ সাল নাগাদ এই হিরকখণ্ডটিকে কেটে ১৯ ক্যারেটের ওজন দেয়া হয়। আগামী ১৩ তারিখ পৃথিবীর সেরা এই হিরের কত দাম ওঠে তা নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রত্ন ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা।

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মালদ্বীপে সাগরের নিচে চালু হলো বিশ্বের প্রথম আবাসিক হোটেল

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৬ ১৩:২১:০০

আপনি সাগরের পানির নিচে অবস্থান করছেন। চারপাশে শুধু নীল জলরাশি। সেখানেই ছিমছাম একটি কক্ষে বিছানায় শুয়ে মাছের ঝাঁকসহ অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণী দেখছেন। কখনও তাদের উদ্দেশে হয়তো দু-একটি কথাও বলছেন মনের অজান্তেই। স্বপ্ন মনে হচ্ছে? একবারেই নয়, মালদ্বীপ আপনাকে এমন অভিজ্ঞতা নেয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।

দেশটিতে এই প্রথম সাগরের নিচে চালু হয়েছে আবাসিক হোটেল। কনরাড মালদ্বীপ রাঙ্গালি দ্বীপে এই হোটেল চালু করা হয়েছে। দোতলা এই হোটেলটির অবস্থান ভারত মহাসাগরের ১৬ ফুট পানির নিচে। এর নাম দেয়া হয়েছে মুরাকা। মালদ্বীপের ভাষায় যার অর্থ কোরাল।

মুরাকায় বিছানার পাশাপাশি অন্যান্য হোটেল রুমের মতো বাকি সব সুবিধা রয়েছে। এছাড়া এর দ্বিতীয় তলায় রয়েছে প্রাইভেট জিম, একটি বার, ইনফিনিটি পুলসহ আকর্ষণীয় সব সুবিধা। এই হোটেলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি হলো- এখানে শুয়ে সাগরের নিচের অতুলনীয় দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।

হোটেলটির একটি অংশ পানির নিচে রাখা হলেও অপর অংশটি পানির ওপরে রাখা হয়েছে। এটা মূলত ‘বিশ্রাম নেয়ার ডেক’ হিসেবে বিবেচিত। এই জায়গায় এসে পর্যটকরা সূর্যের আলো পাবেন।

রোমাঞ্চকর এই হোটেলে থাকতে খরচ কেমন পড়বে? সিএনএনের প্রতিবেদন বলছে, মুরাকায় প্রতি রাত কাটাতে খরচ হবে ৫০ হাজার ডলার যার মান বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪২ লাখ টাকা।

কিন্তু সমস্যা হলো এখানে একদিন থাকার কোনও সুযোগ নেই। এই হোটেলে থাকতে হলে চার রাতের একটি প্যাকেজ নিতে হবে যাতে খরচ হবে ২ লাখ ডলার বা ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।

এই প্যাকেজের আওতায় আপনার সাথে একজন রাঁধুনি থাকবে ও একটি ব্যক্তিগত নৌযান দেয়া হবে। যে এই প্যাকেজ নেবেন তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিলটন ডায়মন্ড স্ট্যাটাস পাবেন।

পরিবেশগত দিকগুলো বিবেচনায় নিয়েই মুরাকা নির্মাণ করা হয়েছে। এর সবকিছুই তৈরি হয়েছে সিঙ্গাপুরে। তারপর একটি বিশেষ জাহাজে করে এগুলো মালদ্বীপ নিয়ে আসা হয়।

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

টয়লেট বিপ্লব করতে চান বিল গেটস

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৬ ০৯:৫৯:৪৬

মাইক্রোসফটের সহ প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ ধনী বিল গেটস টয়লেট বিপ্লব করতে চীনে গিয়েছেন। মঙ্গলবার বেইজিং এক সম্মেলনে পানি ও পয়ঃনিস্কাশন লাইন ব্যতীত ভবিষ্যত টয়লেট ব্যবস্থার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

গেটস আরো জানিয়েছেন, বিল ও মেলিন্দা গেটস ফাউন্ডেশন উদ্ভাবিত এই টয়লেটে মানব মল নিস্কাশনের কোনো প্রয়োজন নেই। রাসায়নিক ব্যবহারের মাধ্যমে মুহূর্তে এটি সারে রুপান্তরিত হয়ে যাবে।

তিনি জানান, বিশ্বয়ান ও মুক্তবাণিজ্যের কল্যাণে এই টয়লেট তৈরির প্রযুক্ত একীভূত করা সম্ভব হয়েছে।

বিল গেটস বলেন, ‘আমি সত্যিকারার্থে বিশ্বাস করি বাণিজ্য প্রত্যেক দেশকে তার সর্বোচ্চটা দেওয়ার সুযোগ দেয়।’

তিনি বলেন, ‘তাই যখন আমি এই টয়লেট তৈরির উপাদান সম্পর্কে বলি-এগুলো চীনে তৈরি হয়েছে, এগুলো থাইল্যান্ডে, অন্যগুলো যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হয়েছে-তখন আপনি সত্যিকারার্থে বুদ্ধির মাত্রা দিয়ে এগুলো একসঙ্গে পেতে চাইবেন।’

গেটস জানান, অত্যাধুনিক এই টয়লেট ইতিমধ্যে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। টয়লেটগুলো একাধিক ডিজাইনের হলেও এর সবগুলিই তরল ও কঠিন বর্জ্যকে পৃথক করবে।

তিনি বলেন, ‘প্রচলিত টয়লেটগুলি বর্জ্যকে পানির মাধ্যমে ভাসিয়ে নেয়। অথচ এই টয়লেটগুলোতে নিস্কাশনের প্রয়োজন হয় না। এগুলোতে পানি ও কঠিন বর্জ্য রাসায়নিক মিশ্রনে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুড়িয়ে ফেলে।’

বিস্তারিত খবর

প্রথম দেখায় প্রেম, সেদিন থেকেই শুরু নতুন ব্যবসা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৬ ০৯:৫৭:২৯

রাধা ভিয়াস একটি ডেটিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরিচয় হওয়া ব্যক্তির সাথে যখন প্রথম দেখা করতে যান তখন জানতেন না যে, সেই রাতেই তার প্রেমে পরে যাবেন আর তখন থেকেই একসাথে ব্যবসা করার কথাও ভাবতে থাকবেন!২০১২ সালে রাধার বয়স যখন ৩২, জুটি বানানোর ওয়েবসাইটে এমন একজনকে খুঁজে পান যারও কিনা তার মতোই ঘুরে বেড়াতে ভালো লাগে। ঐ ব্যক্তির নাম লি থম্পসন।

ডেটিং-এর প্রথম দিনেই লন্ডনের একটি পানশালায় গল্প করতে করতে তারা খুঁজে পেলেন যে, ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সী একাকী মানুষদের জন্যে অ্যাডভেঞ্চার ট্র্যাভেলের ব্যবস্থা খুব বেশি নেই।এই বয়সীদের জন্যে খুব কমই ভাবে ভ্রমণ পরিকল্পনাকারীরা।মিজ রাধার যুক্তি ছিল যে, ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের জন্যে দলবেধে পর্যটন বা ভ্রমণের যতটা ব্যবস্থা রয়েছে, তার বয়সী মানুষের জন্যে তেমন ব্যবস্থা নেই।৩১ বছর বয়সী লি একমত হন, আর তখনই তারা এ নিয়ে পরিকল্পনায় মেতে ওঠেন।

রাধা বলেন যে, "এরপর থেকে আমরা যতই এই সম্পর্কিত ব্যবসায়িক ধারণা বা পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে থাকি, ততই আমাদের উত্তেজনা বাড়তে থাকে।""আর এক সপ্তাহের মধ্যে দেখা আমরা কেবল একটি জুটি হিসেবেই আবদ্ধ হয়ে পরলাম তা নয়, দেখা গেল আমরা ব্যবসায়িক অংশিদারও হয়ে গেছি।"এখন তাদের পরিচয়, তারা বিবাহিত দম্পতির সাথে সাথে 'ফ্ল্যাশ প্যাক' নামের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও মালিক। যে প্রতিষ্ঠানটি বছরে ৩০ ও ৪০ বছর বয়সী অন্তত ১০ হাজার মানুষকে দলবেধে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা ও জর্ডানে ভ্রমণে নিয়ে যায়।

যেভাবে শুরু হলো ব্যবসার চিন্তা
এমন ভ্রমণ ব্যবস্থার চিন্তা রাধার মাথায় এসেছিল একবার যখন সে একটি দলের সাথে কম্বোডিয়ায় গিয়েছিল। সেই দলটির অধিকাংশের বয়স ছিল বিশের কোঠায়।রাধা বলছিলেন, "দলটির সবাই খুব ভালো ছিল, কিন্তু তারা আমার থেকে এতটাই ছোট ছিল যে আমার ভাবনার সাথে তাদের মিল খুব বেশি ছিলনা।"

"তখনই আমার চিন্তা এল যে, কেউ কি আমার বয়সী মানুষদের জন্যে ছুটি কাটাতে কোনো ভ্রমণ পরিকল্পনা করছে?"
প্রথম দেখার পর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রাধা এবং লি'র সম্পর্ক যত দানা বাঁধতে থাকে, সেই সাথে চলতে থাকে তাদের পর্যটন সংক্রান্ত ব্যবসা নিয়ে গবেষণা। তারা একমত হন যে তারা এতে সফল হতে পারবেন।মিজ রাধা কাজ করতেন তহবিল সংগ্রহের একটি প্রতিষ্ঠানে আর মি. লি ছিলেন ফটো সাংবাদিক। তারা সেসব কাজের ফাঁকে ফাঁকেই সময় বের করেন তাদের প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানোর জন্যে। তারা তাদের কোম্পানির নাম দেন 'ফ্ল্যাশ প্যাক' যার পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো "ফ্ল্যাশ ব্যাকপ্যাকিং" যা দিয়ে বোঝায় দ্রুত গোছগাছ করে বেরিয়ে পরা।আর প্রাথমিকভাবে দুজনে মিলে পুঁজি হিসেবে যোগাড় করেন ১৫ হাজার পাউন্ড।

যেভাবে ধরা দিল সাফল্য
কিন্তু সাফল্য শুরুতেই ধরা দেয়নি। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ব্যবসাটির জন্যে তারা প্রথম যখন ওয়েবসাইট চালু করেন, তখন মাত্র একজন সিয়েরা লিওনে দু:সাহসিক ছুটি কাটানোর জন্যে নাম লিখিয়েছিলেন।"ব্যবসার প্রথম ছয়টি মাস ছিল কষ্টকর," রাধা বলছিলেন।

"আপনারা হয়তো রাতারাতি সাফল্যের অনেক গল্পই শোনেন, কিন্তু আমাদের বেলায় সেসব কিছুই হয়নি। আমরা সিয়েরা লিওনে ভ্রমণে পাঠাবার জন্যে মাত্র একজনকে পেয়েছিলাম। কিন্তু তার টাকা ফেরত দিয়ে দিতে হয়েছিল, কেননা সে যাত্রার আর কাউকেই পাওয়া যায়নি।"

এরপর লন্ডন ভিত্তিক এই দম্পতির এই পর্যটন ব্যবসার নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে, আর সেটি সম্ভব হয় লি-র একটি বিপণন ভাবনা থেকে।ব্যাপারটি ঘটে ২০১৪ সালে ব্রাজিল ফুটবল বিশ্বকাপের সময়ে, মি. লি একটি বিশেষ ছবি দেখে তার ভাবনাটি প্রথম মাথায় আসে।এ নিয়ে লি বলেন, "রিও ডি জেনিরোর উঁচু পাহাড়ে যীশু খৃষ্টের যে বিখ্যাত বিশাল মুর্তিটি আছে, তার ওপর থেকে একজন শ্রমিক একটি ছবি তুলেছিলেন, যেখান থেকে নিচে পুরো শহরটি চমৎকারভাবে দেখা যায়।"

"আমি জানতাম যে যদি আমিও সেখানে উঠে একটি সেলফি তুলতে পারি তবে সেটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পরবে বা ভাইরাল হবে।"

এরপর মি. লি ব্রাজিলের পর্যটন সংস্থার কাছ থেকে এমন একটি কাজ করার অনুমতি আদায় করেন। আর শহরটি থেকে ৭৩৮ মিটার বা ২হাজার ৪২১ ফুট উচ্চতায় দাঁড়িয়ে নিজের একটি ছবি তোলেন।আর তার প্রত্যাশা অনুযায়ীই ছবিটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষের কাছে এটি ছড়িয়ে পরে।

বিশ্বের প্রধান প্রধান সংবাদ মাধ্যমগুলো তার সাক্ষাতকার প্রচার করতে থাকে, আর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো যে, তাদের প্রতিষ্ঠান ফ্ল্যাশ প্যাকের ওয়েব সাইটে বাড়তে থাকে মানুষের তৎপরতা।শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠানটি মাসে একশ জনের মতো পর্যটকের জন্যে ভ্রমণের ব্যবস্থা করতো। এরপর থেকে ব্যবসাটির প্রসার ঘটতে থাকে আর বর্তমানে এর প্রবৃদ্ধি হয়েছে চারগুণ।আজ ফ্ল্যাশ প্যাকের বার্ষিক আয় প্রায় ৪ মিলিয়ন পাউন্ড এবং সম্পদ ১০ মিলিয়ন পাউন্ড। সেইসাথে এর সাথে যুক্ত হয়েছে বাইরের বিনিয়োগ, যদিও রাধা ও লি বেশিরভাগ অংশের মালিক।

ট্রাভেলজু নামের একটি ওয়েবসাইটের কর্ণধার ও পর্যটন বাণিজ্য বিশ্লেষক জোয়েল ব্র্যান্ডন-ব্রাভোর মতে ফ্ল্যাশ প্যাকের মতো খুব কম প্রতিষ্ঠানই আছে যারা ৩০ ও ৪০ এর কোঠায় থাকা নিঃসঙ্গ পর্যটকদের কথা ভেবে কাজ করে।মি. ব্রাভো বলেন, "যেসব একাকী পর্যটক পৃথিবী ঘুরে দেখতে চান কিন্তু তাদের অর্থ কড়ি থাকলেও সময়ের অভাব এবং সঠিক পরিকল্পনা নেই-তাদেরকে লক্ষ্য করেই এই প্রতিষ্ঠান ভ্রমণের ব্যবস্থা করে।""এটি বহু ব্লগারকে একা একা ঘুরে বেড়াতে উৎসাহ যুগিয়েছে এবং প্রমাণ করেছে যে একাকী বেড়ানোরও একটি ইতিবাচক দিক রয়েছে," বলছিলেন ব্রাভো।

রাধা এবং লি দু'জনেই স্বীকার করেন যে, নিজের জীবন সঙ্গীর সাথে ব্যবসা শুরু করলে সম্পর্কে কিছুটা প্রভাব ফেলে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি খু্বই ইতিবাচক একটি ব্যাপার-এটাও দু'জনের মত।"আমি এটা একা চালিয়ে নেবো- কল্পনাই করতে পারি না," বলছিলেন লি।

"একটি প্রতিষ্ঠান শুরু করা খুবই একাকীত্বের একটি ব্যাপার, আর যদি কাজের উত্থান পতন ভাগাভাগি করে নেবার মতো কেউ থাকে তবে তা অসাধারণ।"শুরু থেকেই রাধা এবং লি তাদের কাজ ভাগাভাগি করে করতেন। এখন রাধা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী এবং লি নিজেকে 'চিফ বাজ মেকার' বলে দাবি করেন যার কাজ মূলত যোগাযোগ বৃদ্ধি আর ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

আমরিকা আর কানাডার বহু মানুষের চাহিদা বাড়তে থাকায় ভবিষ্যতে তারা উত্তর আমেরিকায় এর একটি অফিস খোলার পরিকল্পনা করছে। সেই সাথে ভ্রমণের স্পটও তারা বাড়াতে চায়।রাধার মতে, পর্যটন ব্যবসার ক্ষেত্রে বয়স ভিত্তিক পরিকল্পনার না থাকার যে ঘাটতি, সেটিকেই তারা আসলে কাজে লাগিয়েছে।

বিস্তারিত খবর

শূন্যে ভাসছে পানির কল, পড়ছে পানিও!

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২৬ ১১:১০:৫৭

কোনো পাইপ নেই, অথচ কল থেকে অবিরাম পানি পড়ে চলেছে! কলের মুখ হাওয়ায় ভাসছে, তা থেকে অঝোর ধারায় পানি পড়েই চলেছে। আশ্চর্য হলেও এ রকম কল আমেরিকা, কানাডা, স্পেন ও বেলজিয়ামের পার্কগুলিতে গেলেই দেখতে পাওয়া যাবে। পর্যটকদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় এই ম্যাজিক কল।

অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠবে এমনটা কী করে সম্ভব? কোনও অবলম্বন ছাড়াই কলগুলো কীভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে? আসলে এটা চোখের ভ্রম।

আসল বিষয়টা হল, বিশাল কলের মুখগুলো লম্বা কাচের নলের মাধ্যমে যুক্ত। স্বচ্ছ হওয়ায় কল থেকে পানি পড়ার কারণে দর্শকদের কাছে সেটা অদৃশ্য বলে মনে হয়। ওই কাচের নলটি পানির পাম্পের সঙ্গে যুক্ত। সেই পাম্প থেকে পানি ওই কাচের নল দিয়ে উপরের দিকে উঠে কলের মুখে ধাক্কা খেয়ে আবার নীচের দিকে নেমে আসে।

ফলে যারা এই ম্যাজিক কল দেখছেন তাঁদের মধ্যে একটা ভ্রম তৈরি হয়। মনে হয় কলগুলি যেন হাওয়ায় ভাসছে। এমন অদ্ভুত কল রয়েছে আমেরিকা, কানাডা, স্পেন ও বেলজিয়ামের পার্কগুলিতে।

বিস্তারিত খবর

আমি যেন এক ধূর্ত ভলপোনি

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২১ ১৪:২৫:২৮

ভলপোনির মতো ভীষণ চতুর লোক এক, করিনা তেমন কোনো কারবার,
সুযোগ পেলেই নিজ প্রয়োজনে করি অন্যের সব স্বপ্ন চুরমার !

অতিবুদ্ধির কারণে জীবনে যাইনি কভু হেরে,
নীতিহীন আর সুচতুর, একে একে সবকিছু নেই কেড়ে !

স্বজনের সহায় সম্বল নিয়েছি কড়ায় গন্ডায় মেপে ,
যদিও অসহায় দলিলদাতাদের হাত উঠেছিলো বারবার কেঁপে ।

আমি এক পাকা ওস্তাদ, লোকচোখে দেই  ধুলো,
ভাবি লোকেরা সব গরু কিংবা গাধা, খায় শুধু মুলো ।

স্বার্থের কারণে করতে পারিনা আপন-পর তফাৎ,
সময় সুযোগ পেলেই সবাইকে করি কুপোকাৎ ।

কখনো ভাবিয়ে তোলেনা আমায় আপনজনের কান্না,
পরের টাকায় কেনা চালে হয় আমার বিরানী পোলাও রান্না ।

সবাই প্রথম দেখে ভাবে আমি নির্ঘাৎ ছড়াই আলো,
কেউ না জানুক আমি জানি, আমার ভেতর কতো কদাকার ও কালো !

সবাই ভাবে একদিন হবে আলোময় এক ভোর,
ততদিনে অনেক ঘটনা, কাটে যখন সবার ঘোর ।

মহাসড়কের পাশে গড়েছি বহুতল এক বাড়ি,
বিভিন্ন ব্যাঙ্কে জমিয়েছি টাকা কাঁড়ি কাঁড়ি ।

এখনও আমার কূটকর্মের হয়নি শেষ,
আমাতে নেই বিবেকতাড়িনা, মানবতার লেশ !

বিস্তারিত খবর

পনের আগস্ট অতপর

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২১ ১৪:১৮:৩৪

নিস্তব্ধ রাতের শেষ প্রহর-
কুয়াছায় আচ্ছন্ন ঢাকার রাজপথ,
বাংলার আকাশে ধ্রুব তারার ম্লান হাসি,
পতনের ছটপটানিতে আকাশ বড্ড মলিন আজ।

ভোরের পাখি জাগছ্নো কেন!রজনীগন্ধা মেলছেনা পাখা,
হাসনাহেনার মলিন হাসি-
লাল সবুজের পতাকা দুলছেনা।

১৯৭৫, আগষ্ট ১৫, কাক ডাকা ভোর
ভোরের আবছা আলোয় বুটের শব্দ,
মির জাফরের কালো ছায়ায়-
ঢেকে গেল ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি।

বাংলার পিতা শুয়ে আছে -
সদ্য স্বাধীনতার গন্ধ শুকে,
মুখে হাসি , পরনে সাদা কোর্তা
হঠাৎ অজানা ভয়ে কেঁপে উঠে মুজিব।

চারিদিকে বুলেটের শব্দ-
আর্তচিৎকারে লুটে পড়ে,
সদ্য বিবাহিত মুজিব পুত্র,
নব বধু সুলতানা কামাল।

নিমিশে বুলেটের আঘাতে -
রক্তাক্ত বঙ্গমাতা , নিষ্পাপ রাসেল,
শেখ জামাল আরও বেশ কজন
ঘাতকের বুলেটে শুয়ে আছে।

বঙ্গপিতার হুঙ্কারে ফারুক স্তম্ভিত ,
থরথর করে কাঁপছে-ঘাতকের বুলেট গান,
কে যেন বলছে আমি পারবনা,
পিতার বুকে আঘাত করতে।

পরক্ষণেই মেজর নুরের-
বুলেটের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত
বঙ্গবন্ধুর সারা দেহ,
পড়ে আছে নিথর হয়ে।

কালো বাটের প্রগ্রেসিভ গ্লাসের-
চশমায় লুটিয়ে পড়ল মুজিব,
মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করে বলছে
আমার বাংলা আমি খুব ভালবাসি।

হায় অভাগা বাঙালী-
পিতার বুকে বুলেট ভরে,
শাসক হতে চায়,
স্বাধীন দেশের শীতল ছায়ায়।

হে মুজিব!
বাংলার পিতা আমার,
ফিরে এসো মায়ের কোল জুড়ে
লাল সবুজের পতাকা হাতে।

বিস্তারিত খবর

ইমাম গাযালীর মূল্যবান আটটি জীবন ঘনিষ্ট উপদেশ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-১৭ ১০:৪৭:৫৬

ইমাম আবু হামিদ আল-গাযালীর সমগ্র রচনায় আমরা জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপদেশের সমাহার লক্ষ করি। ‘শিষ্যের প্রতি চিঠি’ মূল্যবান জীবনোপদেশ সম্বলিত তার এমনই একটি রচনা। এটি মূলত তার একজন শিষ্যের চিঠির জবাব, যাতে তিনি আটটি অমূল্য উপদেশ দান করেছেন।

তিনি এই চিঠিতে আপন শিষ্যকে আল্লাহর নিকটবর্তী হতে চারটি কাজ করা হতে নিষেধ করেছেন এবং চারটি কাজ করতে উপদেশ দিয়েছেন। নিম্নে তা পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

১. বিতর্ক পরিহার
শিষ্যের প্রতি ইমাম গাযালীর প্রথম উপদেশটি হলো, যথাসাধ্য সম্ভব বিতর্ক পরিহার করে চলা। বিশেষ করে, অজ্ঞ ও মূর্খ লোকের সাথে অযথা বিতর্কে জড়িয়ে পড়া থেকে বিজ্ঞ ব্যক্তির সাথে আলোচনা এবং তার জ্ঞান থেকে উপকৃত হওয়ার জন্য ইমাম তার শিষ্যকে উপদেশ দিয়েছেন।

২. খ্যাতি লাভের ইচ্ছা পরিহার
শিষ্যের প্রতি ইমাম গাযালীর দ্বিতীয় উপদেশ হলো, খ্যাতি লাভের ইচ্ছাকে পরিহার করা। কেননা, এটি  মানুষকে মানুষের মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুৎ করে এবং এর ফলে কাজের জন্য কাজ করার আন্তরিকতা তার মধ্যে বিদ্যমান থাকে না।

৩. শাসকদের পরিহার
ইমাম গাযালীর তার শিষ্যের প্রতি তৃতীয় উপদেশ হচ্ছে, শাসকদের পরিহার করে চলার। কেননা তাদের সাথে যে কারো সংযোগ, মেলামেশা ও সামাজিকতা ওই ব্যক্তির জন্য জটিলতর ও বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।

৪. শাসকদের নিকট থেকে উপহার পরিহার
পারস্পরিক উপহারের আদান-প্রদান অনুমোদিত হলেও শাসক এবং সমাজের উচ্চস্তরের ব্যক্তিদের নিকট থেকে উপহার ও অর্থকে পরিহার করার জন্য ইমাম গাযালী তার শিষ্যকে উপদেশ দিয়েছেন। কেননা এর মাধ্যমে ব্যক্তি উপহার দানকারীর প্রভাবাধীনে চলে যেতে পারে।

৫. প্রত্যাশা অনুযায়ী আল্লাহর হক আদায়

আল্লাহর সাথে এমনভাবে সম্পর্ক তৈরি করার উপদেশ ইমাম গাযালী তার শিষ্যকে দিয়েছেন, যাতে নিজের অনুগত কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে প্রত্যাশিত সম্পর্ক অনুযায়ী এই সম্পর্ক গঠিত হয়।

৬ প্রত্যাশা অনুযায়ী অপরের সাথে আচরণ
নিজের জন্য প্রত্যাশিত আচরণ অনুযায়ী অন্যের সাথে আচরণ করার জন্য ইমাম গাযালী তার শিষ্যকে  উপদেশ দিয়েছেন। রাসূল (সা.) এর হাদীস অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির ঈমান সম্পূর্ণ হতে পারে না যদি না ওই ব্যক্তি নিজের জন্য যা চায়, অপরের জন্য তা না চায়।

৭. তা থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করা, যা ব্যক্তির জন্য উপকারী

যে বস্তু বা বিষয় তার শিষ্যের জন্য উপকারী এবং কার্যকর, শুধু তা থেকেই জ্ঞান অর্জনের জন্য ইমাম গাযালী তার শিষ্যকে উপদেশ দিয়েছেন। এর মাধ্যমে ব্যক্তির জন্য জ্ঞান অনুধাবন ও আয়ত্ত্বাধীন করা সম্ভবপর হতে পারে।

৮. পৃথিবী থেকে শুধু প্রয়োজনীয় সম্পদ গ্রহণ
ইমাম গাযালী তার শিষ্যকে দুনিয়া থেকে শুধু তার জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদটুকুই নেওয়ার জন্য উপদেশ দিয়েছেন। অধিক সম্পদ মানুষকে অধিক জটিলতার মধ্যে নিক্ষেপ করে। এর ফলে আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার জন্য পথও জটিলতর হয়ে পড়ে।

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

উন্নত বিশ্বে দ্রুত বাড়ছে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৯-২৩ ০৮:৪৯:০১

গোটা ইউরোপ মহাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কমছে জন্মহার, কমছে শিশু আর এর বিপরীতে দ্রুত বাড়ছে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা। বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বাড়ছে ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি বয়সের মানুষের সংখ্যা। অনেক উন্নত দেশে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি উদ্বেগজনক পর্যায়ে চলে গেছে। এক দিকে অগণিত মানুষ প্রাণন্তকর সাধনা করে যাচ্ছে কিভাবে আরো বেশি দিন পৃথিবীতে বেঁচে থাকা যায়, আরেক দিকে অনেক দেশ বয়স্ক মানুষ নিয়ে নানা ধরনের সঙ্কটের মুখোমুখি। জাপানসহ অনেক দেশে বয়স্কদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। উন্নত দেশে পূর্ণ আর্থিক নিরাপত্তা, উন্নত চিকিৎসাসহ বয়স্কদের জন্য যাবতীয় সুযোগ-সুবিধার আয়োজন থাকলেও তাদের প্রধান সমস্যা নিঃসঙ্গতা। অপর দিকে দারিদ্র্য বা অনুন্নত দেশে অধিক বয়স্ক মানুষ নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে পরিবারের লোকজন আর্থিক নিরাপত্তাহীনতা এবং উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা না থাকায়। এসব দেশে বয়স্করা সাধারণত পরিবারের সাথে থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই তাদের বোঝা এবং বিড়ম্বনা হিসেবে দেখা হয়।

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গড় আয়ু জাপানের মানুষের, ৮৭ বছর। জাপানের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে উন্নত জীবন যাপন পদ্ধতি, সংক্রামক ব্যধি প্রতিরোধ, শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। বেশি দিন বেঁচে থাকার আশায় অনেক দেশের মানুষ জাপানিদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপন পদ্ধতি মেনে চলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের অনেকেই হয়তো জানেন না জাপান বর্তমানে বয়স্ক মানুষ নিয়ে কী ধরনের সঙ্কটের মুখোমুখি। জাপানে প্রতি বছর যে পরিমাণ মানুষ আত্মহত্যা করে তার মধ্যে শতকরা ৩০ ভাগের ওপরে রয়েছে বয়স্ক মানুষ। তবে ২০১৫ সালে জাপানে ২৪ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করে। জাপানে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে যারা আত্মহত্যা করে তাদের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে যাদের বয়স ৫০ থেকে ৫৯ বছর । দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যাদের বয়স ৮০ বছর বা তার বেশি। তৃতীয় স্থানে রয়েছে যাদের বয়স ৭০ থেকে ৭৯ বছর।

নিঃসঙ্গতা, সামাজিক বিচ্ছিন্নতাসহ বিভিন্ন কারণে উন্নত দেশের বয়স্ক লোকজন নানা ধরনের মানসিক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং বয়স্কদের কোনো কোনো আত্মহত্যার খবর প্রায়ই এসব দেশে গভীর বেদনা সৃষ্টি করে।
সিঙ্গাপুরে ২০১৭ সালে আত্মহত্যার ৩৬ ভাগ ঘটে ৬০ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়স্কদের ক্ষেত্রে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৬ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী গড় আয়ুর দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড ৮৩ দশমিক ৪, তৃতীয় সিঙ্গাপুর ৮৩ দশমিক ১, চতুর্থ অস্ট্রেলিয়া ও স্পেন ৮২ দশমিক ৮। এরপরের দেশগুলো হলো আইসল্যান্ড ৮২ দশমিক ৭, ইতালি ৮২ দশমিক ৭, ইসরাইল ৮২ দশমিক ৫, সুইডেন ও ফ্রান্স ৮২ দশমিক ৪ ও দক্ষিণ কোরিয়া ৮২ দশমিক ৩।

আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, মরক্কো, মিসর ছাড়া আফ্রিকার বেশির ভাগ দেশের মানুষের গড় আয়ু ৬৫-এর নিচে। এ মহাদেশের অনেক দেশের মানুষের গড় আয়ু ৫০ এর সামান্য বেশি। বিশ্বের সবচেয়ে কম গড় আয়ু আফ্রিকার সিয়েরালিওনে ৫০ দশমিক ১।
বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭১ দশমিক ৮। বিশ্বব্যাপী মানুষের গড় আয়ু ২০১০ থেকে ২০১৫ সালে ছিল ৭১ বছর। এটা ২০৪৫ থেকে ২০৫০ সালে ৭৭ পর্যন্ত পৌঁছবে।

শতকরা হিসাবে সবচেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষ রয়েছে জাপানে। জাপানের জনসংখ্যার ২৬ দশমিক ৩ ভাগের বয়স ৬৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি। ২০৩০ সালে এটা ৩২ ভাগ হবে। জাপানে বর্তমানে প্রতি চারজনে একজনের বয়স ৬৫ বা তার চেয়ে বেশি। শতকরা হিসাবে বয়স্ক মানুষের সংখ্যার দিক দিয়ে এর পরের দেশগুলো হলো ইতালি ২২ ভাগ, গ্রিস ও জার্মানি ২১ ভাগ করে, পর্তুগাল, ফিনল্যান্ড ও বুলগেরিয়া ২০ ভাগ করে, সুইডেন, লাটভিয়া ও মাল্টা ২০ ভাগ করে, ফ্রান্স এবং ডেনমার্ক ১৯ ভাগ করে, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, লিথুনিয়া, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভেনিয়া ও সুইজারল্যান্ডে ১৮ ভাগ করে বয়স্ক মানুষ রয়েছে মোট জনসংখ্যার। যুক্তরাজ্য ও রোমানিয়ায় রয়েছে ১৭ ভাগ।

জাতিসঙ্ঘের জনসংখ্যা তহবিলের ২০১৭ সালের তথ্য অনুসারে সারা বিশ্বে ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি মানুষের সংখ্যা হলো ৯৬ কোটি ২০ লাখ। এটা মোট জনসংখ্যার ১৩ ভাগ। ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা প্রতি বছর ৩ শতাংশ হারে বাড়ছে। বর্তমানে এ বয়সী মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রয়েছে ইউরোপে তথা ২৫ ভাগ। এটা দ্রুত অন্যান্য মহাদেশেও বাড়বে। আফ্রিকা মহাদেশ ছাড়া সারা বিশ্বে আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি মানুষের সংখ্যা হবে ২৫ ভাগ। আর ইউরোপে ২০৫০ সালের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫ ভাগে।
বয়স্ক মানুষের সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে ১৪০ কোটি এবং ২০৫০ সালে ২১০ কোটি হবে।

ল্যাটিন আমেরিকায় এবং এশিয়ায় বর্তমানে বয়স্ক মানষের সংখ্যা শতকরা ১২ ভাগ। ২০৫০ সালের মধ্যে এটা ল্যাটিন আমেরিকায় ২৫ ভাগ এবং এশিয়ায় ২৪ ভাগ পর্যন্ত বাড়বে।

উত্তর আমেরিকায় বর্তমানে ২২ ভাগ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে ২৮ ভাগ পর্যন্ত বাড়বে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা।
বয়স্ক মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে কম আফ্রিকা মহাদেশে মাত্র ৫ ভাগ। ২০৫০ সালে এটা ৯ ভাগ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

জাতিসঙ্ঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কম বয়সী মানুষ সবচেয়ে বেশি রয়েছে আফ্রিকা মহাদেশে। এ মহাদেশে ৬০ ভাগ মানুষের বয়স ২৫ বছরের নিচে । ৪১ ভাগ মানুষের বয়স ১৫ বছরের নিচে। আফ্রিকা মহাদেশে বয়স্ক মানুষ কম থাকার পেছনে রয়েছে এইডস এবং বিভিন্ন অসংক্রামক রোগে মৃত্যু।

ল্যাটিন আমেরিকায় ২৫ ভাগ মানুষের বয়স ১৫ বছরের নিচে এবং এশিয়ায় ২৪ ভাগ মানুষের বয়স ১৫ বছরের নিচে।
বর্তমানে বিশ্বে ৮০ বছর অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৪ কোটি। ২০৫০ সালের এটা তিনগুণ বেড়ে ৪২ কোটি ৫০ লাখে পৌঁছবে। বর্তমানে ৮০ বছর অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা শতকরা ১ ভাগ। বর্তমানে একমাত্র সুইডেনে ৮০ বছর বা তার বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা শতকরা ৫ ভাগ।

৬০ বছর অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা ১৯৫০ সালে ছিল প্রতি ১৫ জনে ১ জন, ২০০০ সালে ৯ জনে ১ জন এবং ২০৫০ সালে এটা প্রতি ৫ জনে ১ জন হবে।

জাতিসঙ্ঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ৬০ অথবা তার চেয়ে বেশি বয়স্কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অন্যের ওপর নির্ভরশীল বা পরিবারের সাথে জীবনযাপন করে আফগানিস্তানে। আফগানিস্তানের ৯৩ ভাগ বয়স্ক লোক অন্যের ওপর নির্ভরশীল বা পরিবারের সাথে বাস করেন। আর বয়স্কদের মধ্যে সবচেয়ে কম নির্ভরশীল এবং একাকী জীবন যাপন করেন নেদারল্যান্ডে।

সেখানে মাত্র ২ দশমিক ৩ ভাগ বয়স্ক অন্যের ওপর নির্ভরশীল। বাকিরা সাবলম্বী এবং একাকী জীবন যাপন করেন। তবে পুরুষের তুলনায় বয়স্ক নারীরা বেশি একাকিত্বে ভোগেন। আফ্রিকা এবং ইউরোপে পুরুষের দ্বিগুণ নারী একাকী জীবন যাপন করেন। ১৪৩টি দেশের তথ্যের আলোকে ২০১৭ সালে জাতিসঙ্ঘের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ঢেউয়ে ভাসে মসজিদ : তিন মিনিট পরপর খুলে যায় ছাদ

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৮-৩০ ১৭:১৪:১৪

মরক্কোর মাটিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন পানিতে ভাসমান এ মসজিদটির নাম গ্র্যান্ড মস্ক হাসান–২ বা দ্বিতীয় হাসান মসজিদ। একে ভাসমান মসজিদ বলার কারণ হচ্ছে, মসজিদটির তিন ভাগের এক ভাগ আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর অবস্থিত। দূরের কোনো জাহাজ থেকে দেখলে মনে হয়, ঢেউয়ের বুকে যেন মসজিদটি দুলছে আর মুসল্লিরা যেন নামাজ পড়ছেন পানির ওপর।

মহাসাগরে ভাসমান এ মসজিদটি মরক্কোসহ আফ্রিকার সবচেয়ে বড় মসজিদ। ঝড়–বৃষ্টির সময় ছাড়া প্রাকৃতিক আলো ও মুক্তবাতাস প্রবেশ করায় মসজিদটির ছাদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায় তিন মিনিট পরপর। ৩৩ ফুট উচ্চতার সামুদ্রিকঢেউ সামলে নেওয়ার ব্যবস্থা আছে মসজিদটিতে। সমুদ্রের কোনো গর্জন শোনা যায় না মসজিদটির ভেতর থেকে।

২২ দশমিক ২৪ একর জায়গার ওপর অবস্থিত এ মসজিদের মূল ভবনের সঙ্গে আছে সভাকক্ষসহ লাইব্রেরি, কোরআন শিক্ষালয়, অজুখানা। আড়াই হাজার পিলারের ওপর স্থাপিত এ মসজিদের ভেতরের পুরোটায়ই টাইলসবসানো। মসজিদ এলাকার আশপাশ সাজানো হয়েছে ১২৪টি ঝরনা ও ৫০টি ক্রিস্টালের ঝাড়বাতি দিয়ে। শুধু তা–ইনয়, কোথাও কোথাও এসব মোড়ানো হয়েছে স্বর্ণের পাত দিয়ে। মসজিদটির মেঝে থেকে ছাদের উচ্চতা ৬৫ মিটার। মেহরাবের উচ্চতা দোতলা ভবনের সমান। আর মিনারের উচ্চতা ২১০ মিটার। ৬০ তলা ভবনের সমান এমিনারের ওপর রয়েছে লেজার রশ্মি, যা নাবিকদের দেখিয়ে দেয় পবিত্র কাবা শরিফের পথ। ৩০ কিলোমিটার দূরথেকেও স্পষ্ট দেখা যায় এই লেজার রশ্মি। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মিনার এটি।

মরক্কোর বাদশাহ দ্বিতীয় হাসান মসজিদটি তৈরি করেছেন। এটি নির্মাণে কাজ করেছেন ফরাসি কম্পানি বয়গিসের প্রকৌশলীরা। আর নকশা করেছেন ফরাসি স্থপতি মিশেল পিনচিউ।

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিশ্বের বৃহত্তম সুইমিং পুল, নৌকাও চলে এতে

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৮-২৭ ১৪:২৭:২০

বিশ্বের বৃহত্তম সুইমিং পুল এটি। দৈর্ঘ্য প্রায় তিন হাজার ৩২৪ ফুট। পুলটিতে ৬৬ মিলিয়ন গ্যালন পানি সংরক্ষণ করা যায়। এমনকি নৌকাও চালাতে পারবেন এই সুইমিং পুলে। চিলির সান অ্যালফোনসো ডেল মার রিসোর্টে দেখা পাওয়া যাবে এই সুইমিং পুলটির।

চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে এই রিসোর্টটি অবস্থিত। আট মিটার লম্বা ছয় হাজার পুলের চেয়েও বড় এই সুইমিং পুল।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ ২০০৬ সালে চিলির এই পুলটিকে বিশ্বের বৃহত্তম পুল বলে ঘোষণা করে।


প্রায় ২০ একর এলাকা জুড়ে অবস্থিত পুলটি। ১১৫ ফিট গভীর এই সুইমিং পুলে ওয়াটার স্পোর্টসের ব্যবস্থা রয়েছে। সুইমিংপুলটি আলফ্রেস্কো লাগোনের নিজস্ব সুইমিংপুল।

সান অ্যালফোনসো ডেল মার রিসোর্টের এই সুইমিং পুলটি তৈরি করতে সময় লেগেছে পাঁচ বছর। সুইমিংপুলটি অলিম্পিকের প্রায় ২০টি সুইমিং পুলের সম আয়তনের।

জানা গেছে, পুলটির পানি পরিষ্কার রাখতে ব্যবহার করা হয়েছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত অপারেটিং সিস্টেম।

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সীমান্ত পার হওয়ায় গর্ভবতী গাভীর মৃত্যুদণ্ড!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-০৪ ১৫:১৪:৪৭

সীমান্ত পার হওয়ায় একটি গর্ভবতী গাভীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। বিষয়টি বিস্ময়কর হলেও এমনটা ঘটেছে ইউরোপে। একটি প্রাণীকে তুচ্ছ অপরাধে প্রাণদণ্ড দেয়া নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে। খবর ইন্ডিপেনডেন্ট।

ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত পার হওয়ায় গর্ভবতী গাভীটিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। পেনকা নামের গাভীটির তিন সপ্তাহ পর বাচ্চা প্রসব করার কথা। সম্প্রতি গাভীটি বুলগেরিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রাম কপিলোভস্তিতে পাল থেকে বের হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অসদস্য দেশ সার্বিয়ায় ঢুকে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা পর অবশ্য গাভীটি তার মালিক হারাম্পিয়েভের কাছে ফিরে আসে।

কিন্তু ততক্ষণে তার আইন ভাঙার কথা এক কান দুই কান করে ছড়িয়ে পড়ে সারা গ্রামে। আর এতেই বাড়ে বিপত্তি। এ অপরাধের শাস্তি হিসেবে ইইউ আইন অনুযায়ী, গাভীটির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে বুলগেরিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

পশু চিকিৎসক লিউবোমিরভ বলেন, ‘আসলে এসব ব্যাপারে আমাদের কিছুই করার থাকে না। আমরা শুধুই আইনের বাস্তবায়ন করি। আইন তো পাস হয় সেই ব্রাসেলস থেকেই।’

বুলগেরিয়ার রক্ষণশীল দলের এমপি জন ফ্ল্যাক এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বয়কো বরিসভ ও ইইউর প্রেসিডেন্ট অ্যান্টনিও তাজানির কাছে চিঠি লিখে বলেছেন, কঠোর আইনের নামে এই অযাচিত হস্তক্ষেপ সুনিশ্চিতভাবে বন্ধ করা উচিত।

চেঞ্জ ডট অর্গ পিটিশন নামে একটি গ্রুপ গাভীটির ব্যাপারে ছাড় দেয়ার জন্য ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, পেনকার ঘটনায় ইইউ কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের জন্য যে ছাড় দেয়া হয়, তাও দেননি। আর গাভীটির মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণায় তার মালিক উন্মাদপ্রায়।’

উল্লেখ্য, ইউরোপজুড়ে পেনকার মৃত্যুদণ্ড নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইইউ প্রণীত এ ধরনের অদ্ভুত আইন পরিবর্তনে একটি পিটিশনও আহ্বান করা হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত পিটিশনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৮ হাজার ব্যক্তি।

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

টয়লেটের ছবি না দিলে বেতন বন্ধ!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-২৬ ১৪:০৬:১২

সম্প্রতি বাড়ির টয়লেটের ওপর কাঠের চেয়ারে বসা ভগতী প্রসাদের ছবি ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তার ছবির সঙ্গে বিস্তারিত কিছু বিবরণ, যার মধ্যে আধার কার্ড ও ফোন নম্বর দেওয়া রয়েছে। ভগতী প্রসাদ হচ্ছেন উত্তর প্রদেশের সিতাপুরের একটি সরকারি স্কুলের অধ্যক্ষ।আর এই ছবি হচ্ছে তার বাড়িতে যে টয়লেট রয়েছে তার প্রমাণপত্র।

কয়েক দিন আগে সিতাপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শীতল বার্মা তার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন, অধস্তন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসায় টয়লেট আছে কিনা তার প্রমাণ দাখিল করতে হবে। এজন্য তারা যেন বাসার টয়লেটের ছবি জেলা পঞ্চায়েত রাজ অফিসে পাঠায়।

তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সোয়াচ ভারত অভিযান কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২ অক্টোবরের মধ্যে দেশের সব গ্রামে উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ বন্ধ করতে হবে। তাই প্রত্যেক বাড়িতে টয়লেট থাকা বাধ্যতামূলক।

তার নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীর বাসায় টয়লেট থাকতে হবে। আর যদি না থাকে তাহলে তাদের বেতন বন্ধ করে দেওয়া হবে।

জারি করা নির্দেশনায় তিনি বলেছেন, ‘আগামী ২৭ মে’র মধ্যে ছবি জমা দেওয়া না হলে বেতন বন্ধ করে দেওয়া হবে।’

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

১৪০ দিনে হাতে লিখলেন পুরো কোরআন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-২০ ১৪:২৭:২৭

মিসরের ডাকহলিয়া প্রদেশের আরবি ক্যালিওগ্রাফার হামদি বাহরাভি মাত্র ১৪০ দিনে পুরো কোরআন শরীফ হাতে লিখেছেন।
৫৫ বছর বয়সী এই শিল্পী দেশটির ডাকহলিয়া প্রদেশের শহীদ মুস্তাফা ভ্যাটিডি প্রাথমিক স্কুলের আরবি ক্যালিগ্রাফির শিক্ষক।

তিনি হাতে পুরো কোরআন হাতে লেখার পরিকল্পনা করলে তার বন্ধু-বান্ধব ও শিক্ষকরা তাকে সতর্ক করেন। কারণ, তাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে; আর কাজটিও বেশ কঠিন। কিন্তু তিনি একাগ্র সাধনা ও অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে সব বাধা অতিক্রম পেরিয়ে একাজ করতে সফল হয়েছেন।

ক্যালিওগ্রাফার হিসেবে তিনি বেশ পরিচিত। বিভিন্নভাবে পবিত্র কোরআনের আয়াত লেখার জন্য হামদি বাহরাভি তার এলাকায় অনেক প্রসিদ্ধ।

মাত্র ১৪০ দিনে কোরআন হাতে লেখার বিষয়ে তিনি বলেন, অনেকেই আমাকে সতর্ক করেছেন। কিন্তু আমি আমার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য দৃঢ়প্রত্যয়ী থেকে পবিত্র কোরআন হাতে লেখার কাজ অব্যাহত রাখি এবং সফল হই। এ কাজে আমার পরিবারের সদস্যরা ব্যাপক উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছে। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

তার হাতে লেখা কোরআনের কপিটি ৩০ সেন্টিমিটার প্রস্থ এবং ৪০ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্য। পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪১৫টি। এটা তিনি মিলিমিটার কলম দিয়ে লিখেছেন। পুরো কাজটি লিখতে তার ব্যয় হয়েছে মিসরীয় ১২৫ পাউন্ড।
তার লিখিত কোরআনের পাণ্ডুলিপিটি আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে করে নির্ভুল বলে ঘোষণা করেছে।

বর্তমানে এই শিল্পী পবিত্র কোরআনের একটি বড় পাণ্ডুলিপি লেখার কাজ শুরু করেছেন। এরই মধ্যে ২ হাজার ৭শ’ মিসরীয় পাউন্ড ব্যয় করে ৭ মাসে ১২ পারা লিখে শেষ করেছেন।

তার ইচ্ছা, এই পাণ্ডুলিপির কাজ শেষ হলে এটিও পর্যবেক্ষণের জন্য আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাবেন এবং সেখান থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর তা মিসরে জাদুঘরে প্রদর্শনের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে উপহার দেবেন।

বিস্তারিত খবর

পেটের ভেতর থেকে বের হলো ১৯ কেজির টিউমার!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৩-২১ ০২:১০:১৫

নিশ্বাস নিতে পারতেন না। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে কপালে ঘাম জমত। সবসময়ই মনে হতো পেটের ভেতর কিছু একটা আছে। আচমকা তার ওজন বেড়ে যাওয়ায় ভয় পেয়ে গিয়েছিল পাড়া প্রতিবেশীরাও। আলির পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, ওজন যন্ত্রে ওজন নিতে গিয়ে দেখা যায় শরীরে ওজন অনেক বেশি দেখাচ্ছে।

কিন্তু সে এমন কোনো খাবারও খেত না যে হঠাৎ করেই এমন ওজন বেড়ে যাবে। এর পরেই পরীক্ষা করে দেখা যায় পেটের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে বিশাল এক টিউমার। কলকাতার বসিরহাট এলাকার শের আলি সাপুই (৫০) নামের ওই ব্যক্তি পেট থেকে বিশাল ওজনের ওই টিউমার বের করার পর এখন তিনি সুস্থ আছেন।

চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলে লাইপোসারকোমা। মূলত চর্বিযুক্ত টিস্যু নিয়েই তৈরি হয় এই টিউমার। প্রকাণ্ড এই মাংসপিণ্ড পাকস্থলীর সিংহভাগ অংশ জুড়ে ছিল। অস্ত্রোপচার করতে শহরের একাধিক হাসপাতালে ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু বেশ কয়েকটি হাসপাতাল তাকে ফিরিয়ে দেয়।

রোগীর পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, প্রকাণ্ড এই টিউমারের অস্ত্রোপচার করতে দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। রোগীকে দীর্ঘক্ষণ অজ্ঞান করে রাখতে হয় এমন অস্ত্রপচারে। অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎসকদের আশঙ্কা ছিল এত বড় অস্ত্রোপচারের ধকল সইতে পারবে না আলির শরীর।

দীর্ঘদিন ধরেই ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া না করে এমনিতেই দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন আলি। অবশেষে সল্টলেকের বেসরকারি এক হাসপাতালে সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় আলির শরীরে অস্ত্রোপচার করেন ড. জে কে শাহ। টানা দেড় ঘণ্টার অস্ত্রোপচার শেষে পাকস্থলী থেকে যে মাংসপিণ্ডটি বেরিয়েছে তার ওজন ১৯ কেজিরও বেশি।

খাদ্যনালি থেকে তলপেট পর্যন্ত পেঁচিয়ে ছিল টিউমারটি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শরীরে কোনও অংশ বাদ না দিয়েই টিউমারটিকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আপাতত সুস্থ আছেন আলি।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ছেলের পরীক্ষা তাই কার্ড ছাপিয়ে দাওয়াত খাওয়ালেন বাবা!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৩-১৪ ০০:৫৬:৩৪

ছেলের মাধ্যমিক পরীক্ষা উপলক্ষে দাওয়াত দিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য ভুরিভোজনের আয়োজন করেছে বাবা। ছেলের পরীক্ষা শুরুর আগে রীতিমত কার্ড ছাপিয়ে এ ধরণের আয়োজন করেন মুর্শিদাবাদের দুই বাবা।  

কার্ড ছাপিয়ে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি ঘরের উঠোনে টাঙ্গানো হয়েছে বিশাল সামিয়ানা। সেইসাথে রান্নাপাতির বড় বড় ডেকসি-পাতিলে এলাহি কারবার। অতিথিরাও পরীক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে এসেছেন খাতা কলম।
 
রজব আলী পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। তিনি পড়াশোনায় প্রাথমিক স্কুল পেরোতে পারেননি। স্ত্রী রূপসেনা বিবির দৌড়ও ক্লাস সেভেন পর্যন্ত। তাদের বড় ছেলে শামীম শেখ পুরো বাড়ির মধ্যে প্রথম মাধ্যমিকে বসছে । তাই তিনি দীর্ঘদিন ধরে টাকা জমিয়েছেন ছেলের পরীক্ষার আগে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে খাওয়ানোর জন্য। মুরগির মাংস, পোলাওসহ হরেক রকম আইটেম রান্নার আয়োজনও করেছেন তিনি।

শনিবার ভগবানগোলা এলাকায় বিশাল ভূরিভোজনের ব্যস্ততার মধ্যে রজব আলী আনন্দবাজার পত্রিকাকে জানান, ‘‘বাড়ির বড় ছেলে এ বার মাধ্যমিক দিচ্ছে। সেই উপলক্ষেই এই আয়োজন। সবাই দোয়া করুন, ছেলেটা যেন সফল হয়।’’
 
একইভাবে রবিবার পদ্মাপাড়ের লালগোলায় সারজেমান শেখের বাড়িতেও বসে এ ধরণের ভূরিভোজনের। তিনিও আমন্ত্রণ করেছেন শ’দেড়েক অতিথি। তাদেরকে খাইয়েছেন মোরগ পোলাও।
 
মোটরবাইক শো-রুমের মালিক সারজেমান বলেন, “বড় ছেলের মাধ্যমিক পরীক্ষা। অতিথিদের দোয়ার নেয়ার উদ্দেশে সামান্য এ আয়োজন করেছি। সেইসাথে ছেলেটার পরীক্ষাভীতিও কাটলো।’’ 

ছেলেমেয়েদের পরীক্ষার আগে সীমান্ত ঘেঁষা লালগোলা, ভগবানগোলা, ফরাক্কা কিংবা লালবাগের মতো জনপদে এমন রেওয়াজ অবশ্য নতুন নয় বলে জানা গেছে।

স্থানীয় লালগোলা লস্করপুর উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের প্রধানশিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলছেন, ‘‘মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে সকলেই দুশ্চিন্তায় থাকেন। এমন আয়োজনে ভয় ঢাকা পড়ে যায় উৎসবের আবহে।’’

সীমান্ত ঘেঁষা জনপদ হওয়ার সুবাদে চোরাচালানি, মাদক ব্যবসাসহ নানা ধরণের অপরাধের সাথে জড়িত লালগোলা কিংবা ভগবানগোলার মানুষ। তবে স্থানীয় স্কুলের শিক্ষকেরা জানাচ্ছেন, সেই দুর্নাম ক্রমে মুছে দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। গত কয়েক বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। সেইসাথে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে ছাত্রীর সংখ্যাও।


 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মেয়ে সেজে ৪০০০ সুন্দরীকে প্রতিযোগিতায় হারিয়ে দিলেন যুবক!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০২-১০ ১৩:১২:৩১

টানা টানা চোখ। ভরাট ঠোঁট। তীক্ষ্ণ নাক। ততোধিক গভীর চোখ। এরিনা আলিয়েভার এমন ছবি দেখেই মুগ্ধ হয়েছিলেন নেটদুনিয়ার বাসিন্দারা। ফল, ৪০০০ জনকে হারিয়ে সুন্দরী প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌঁছেছিলেন।

কিন্তু শেষরক্ষা হলো না। হাটে হাড়িটি ভেঙেই গেল। যখন জানা গেল এরিনা আদতে ইল্লায় দায়গিলেভ। সুন্দরী যুবতী নন বরং সুঠাম চেহারার ২২ বছরের এক যুবক। ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়ে গেছে কাজাখস্তানে। অনেকেই হতবাক ইল্লায়ের এই ভোলবদল দেখে।


১৬ বছর বয়স থেকে ফ্যাশন দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত ইল্লায়। এক্সপেরিমেন্ট করতে ভালোবাসেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে এ নমুনা কম নেই। সেই নতুন কিছু করার তাগিদেই মেকআপের সাহায্যে মেয়ে হয়ে ওঠেন কাজাখস্তানের যুবক। এরিনা আলিয়েভার নামে সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলও খুলে ফেলেন। নাম লেখান মিস ভারচুয়াল কাজাখস্তান প্রতিযোগিতায়। অনলাইন এই প্রতিযোগিতার ফাইনালেও পৌঁছে যান ২০০০টি ভোট পেয়ে।

কিন্তু ফাইনালের দুই দিন আগে ধরা পড়ে যান ইল্লায়। অবশ্য তাতে কোনো আক্ষেপ নেই যুবকের। সামাজিক ব্যবহারের এই পরীক্ষা সফল হয়েছে বলেই মনে করেন তিনি। আর এভাবেই নিজের অদ্ভুত এক্সপেরিমেন্টগুলো চালিয়ে যেতে চান।


 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

শিশুর গলায় আটকা কলমের ঢাকনা!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-২৫ ১১:১৬:২৫

বেশ কিছুদিন ধরেই খাবার খেতে গিয়ে কষ্ট হত ৬ বছরের শিশু শাহজামালের। অসহ্য যন্ত্রনায় ছটফট করত শিশুটি।  কোনো চিকিৎসকই শিশুটির সমস্যা ধরতে পারছিল না। কাজেই বাধ্য হয়েই কলকাতার শেঠ সুখলাল কারনানি মেমোরিয়াল হাসপাতালে শিশুটিকে নিয়ে যান তার বাবা-মা। সেখানে শিশুটির গলায় এক্স-রে করার পর চিকিৎসকেরা দেখতে পান, তার শ্বাসনালীতে আটকে আছে আস্ত একটি কলমের ঢাকনা।

স্বাভাবিকভাবে বাইরে থেকে তা বের করার কোনো উপায় ছিল না। ফলে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকেরা। এরপর বৃহস্পতিবার জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রাণ বাঁচে শাহজামালের। শিশুটির গলা থেকে বের করা হয় কলমের ঢাকনাটি।

চিকিৎসকেরা জানান, এই কলমের ঢাকনার জন্যই এতদিন অসহ্য যন্ত্রনায় ছটফট করত শিশুটি। খাবার খেতে গিয়ে কষ্ট হত।

তবে সেটি কিভাবে শিশুটির গলায় ঢুকল তা বলতে পারছেন না শাহজামালের অভিভাবকেরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ওয়ান ইন্ডিয়া জানায়, বর্তমানে শিশুটি সুস্থ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছে এই অস্ত্রোপচারটি ছিল বেশ চ্যালেঞ্জের। কারণ শ্বাসনালির এমন জায়গায় ঢাকনাটি আটকে ছিল, যেখান থেকে ঢাকনাটি বের করা সহজ ছিল না।

বিস্তারিত খবর

উদ্বোধনের অপেক্ষায় ভোলার স্বাধীনতা জাদুঘর

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-২৩ ১৩:০২:৫৮

আগামী  প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ করতে ভোলার উপশহর বাংলাবাজারে নির্মিত স্বাধীনতা জাদুঘর উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে।

আগামী ২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জাদুঘরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। জাদুঘরটি  প্রতিষ্ঠা করেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে। রাষ্ট্রপতির উদ্বোধনের পরপরই জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানান জাদুঘরের তত্ত্বাবধায়ক। ইতোমধ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ স্বাধীনতা জাদুঘরটি পরিদর্শন করেছেন।

জাদুঘরটির একদিকে গবেষণাগার, অপরদিকে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে রয়েছে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন। ভাষা অন্দোলন থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারাবাহিকতা দেখতে ও জানতে পারবে নতুন প্রজন্ম। বাঙালির লোকজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়েছে।

প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ড: মুনতাসীর মামুনসহ বেশ কয়েকজন গবেষকের নিরলস পরিশ্রমে জাদুঘরটি অন্যতম সংগ্রহশালায় পরিণত হয়েছে। এখানে আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের পেছনের ৮০ বছরের ইতিহাসের ধারাবাহিক দুর্লভ সংরক্ষণ থাকবে বলে জানা গেছে। থাকছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর জন্য রাখা হচ্ছে থ্রি-ডি মিনি হল রুম। বর্তমানে চলছে যাদুঘরটির শেষ মুহূতের কাজ।

বাণিজ্যমন্ত্রীর মায়ের নামে বাংলাবাজারে প্রতিষ্ঠিত ফাতেমা খানম কমপ্লেক্সের ৩ বছর আগে নির্মাণকাজ শুরু হয়। এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

জাদুঘরটির স্বপ্নদ্রষ্টা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মহনায়ক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল জানান, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এমন একটি জাদুঘর নির্মাণের স্বপ্ন ছিল দীর্ঘদিনের। কারণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি ভাষণই জাতিকে আন্দোলিত করেছিল। যা আজ গবেষণার বিষয় হয়ে উঠেছে।
জাদুঘর পরিচালনার দায়িত্বে থাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব জানান, এখানে তিনটি গ্যালারি রয়েছে। প্রথম তলার গ্যালারিতে এক পাশে ইতিহাস এতিহ্য,প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ’৪৭-এ দেশভাগ ও ভাষা আন্দোলনের দুর্লভ ছবি ও তথ্য রয়েছে। অপর পাশে রয়েছে লাইব্রেরি ও গবেষণাগার। এছাড়া একই তলায় রয়েছে মাল্টিমিডিয়া ডিসপ্লে হলরুম। দ্বিতীয় তলায় রয়েছে ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধের আগ পর্যন্ত ইতিহাসের মুহূর্তগুলোর চিত্রকল্প।

তৃতীয় তলায় রয়েছে যুক্তফন্ট, ’৫৮-এর আন্দোলন, পাকিস্তানের সামরিক শাসন, ’৬৬-এর আন্দোলন, ’৬৯-এর গণআন্দোলন, ’৭০-এর নির্বাচন, ৭ মার্চের ভাষণ, ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগের দুর্লভ আলোকচিত্র।
এছাড়া রয়েছে বঙ্গবন্ধুর সব ভাষণের অডিও ও ভিডিও ডিজিটাল প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা ডিজিটাল টাচস্কিন ব্যবহার করে যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ও তথ্য জানতে পারবেন।

উল্লেখ্য, ভোলার বাংলাবাজার এলাকাটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বহন করে চলছে। ১৯৭১ সালের ২৩ অক্টোবর বাংলাবাজারে তিনদিক থেকে পাকবাহিনী হামলা চালায়। তাই ওই এলাকায় স্থাপিত হয়েছে এমন জাদুঘর।


 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ক্যান্সার চিকিৎসা গবেষণায় যুগান্তকারী আবিষ্কার

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৯ ১০:০২:৩৬

শরীরে ছড়িয়ে পড়ার আগেই রক্তের একটি মাত্র পরীক্ষার মাধ্যমে দেহে আট ধরণের ক্যান্সারের প্রাথমিক অস্তিত্ব সনাক্ত করা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত এই গবেষণাকে ক্যান্সার চিকিৎসায় রীতিমতো যুগান্তকারী বলে আখ্যা দিয়েছেন গবেষকরা।

চলতি সপ্তাহে জার্নাল সায়েন্স সাময়িকীতে এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই গবেষণা ফলাফল পট পরিবর্তনকারী। এর মাধ্যমে রোগের শুরুতেই চিকিৎসার মাধ্যম হাজারো মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এটি সবার জন্য সহজলভ্য হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তারা।

এক হাজারেরও বেশি রোগীর ওপর চালানো গবেষণা দেখা গেছে, ক্যান্সারের প্রাথমিক অবস্থায় ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে টিউমার সনাক্ত করা সম্ভব। এর ফলে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রোগী সবচেয়ে ভালো সুযোগ পাবে।

রক্তের ভেতরে থাকা মরে যাওয়া অণুর মাধ্যম ও পরিবর্তিত ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে অন্ত্র, স্তন, লিভার, ফুসফুস, খাদ্যনালী, অগ্নাশয়, ডিম্বাশয় ও পাকস্থলির ক্যান্সার সনাক্ত সম্ভব।

গবেষক দলের সদস্য মেলবোর্নের ওয়াল্টার অ্যান্ড এলিজা ইনিস্টিটিউটের অধ্যাপক পিটার গিবস জানিয়েছেন, এর মাধ্যমে হাজারো মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব। শিগগিরই ব্যাপকভাবে ও কম খরচে এই পরীক্ষা করানো যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা এ পর্যন্ত যতোগুলো ক্যান্সার পেয়েছি সেগুলো সনাক্ত সম্ভব, যেগুলোর লক্ষণ দেখার জন্য আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হতো এবং দেরিতে চিকিৎসা করতে হতো।’


 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মঙ্গলগ্রহে বিপুল পরিমাণ পানির সন্ধান

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৪ ০০:২৯:০১

মঙ্গলে গ্রহে যাওয়া নিয়ে জোর প্রস্তুতি চলছে বটে গবেষকদের মাঝে। কিন্তু অনেকেই ভাবছেন, মঙ্গলে গেলে খাদ্য কী করে পাওয়া যাবে? শুকনো খাবার নেওয়া যাবে হয়ত, কিন্তু পানি ছাড়া বাঁচা যাবে কী করে? তাদের সেই চিন্তা বুঝি দূর হলো এবার। গবেষকেরা মঙ্গলের পৃষ্ঠের ঠিক নিচেই বিপুল পরিমাণ পানি খুঁজে পেয়েছেন, যা কিনা মঙ্গলে অভিযানে যাওয়া মহাকাশচারীদের দারুণ কাজে আসবে।

Science জার্নালে প্রকাশিত হওয়া এই গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন রিসার্চ জিওলজিস্ট কলিন ডানডাস। অ্যারিজোনার এই গবেষক দল মার্স রিকনেসাস অরবিটারে থাকা HiRISE(High Resolution Imaging Science Experiment) যন্ত্রটি ব্যবহার করে এই ফলাফল পান। তারা এমন আটটি স্থান খুঁজে পান যেখানে মাটি ক্ষয়ে গিয়ে বের হয়ে এসেছে প্রচুর পরিমাণ বরফ। কিছু কিছু জায়গায় মাটির মাত্র ১/২ মিটার নিচে এই বরফের স্তর ছিল ১০০ মিটার পুরু।

শুধু তাই নয়, পৃথিবীতে মাটি যেমন বিভিন্ন স্তরে স্তরে থাকে, তেমনই মঙ্গলের এই বরফের মাঝেও স্তর দেখা যায়। এর অর্থ হলো, মঙ্গলের আবহাওয়ার ইতিহাস খুঁজে বের করতেও কাজে আসতে পারে এই বরফ।

ডানডাস জানান, “কিছু কিছু জায়গায় এই বরফের ওপরে শুধুই ধুলো বা পাতলা মাটির স্তর রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, এই বরফ মাটির একদম নিচেই পাওয়া যাবে।“

গবেষকেরা আগেই ধারণা করেছিলেন যে মঙ্গলে বরফ আছে। কিন্তু এই গবেষণায় নিশ্চিত হওয়া গেল যে এই বরফ যথেষ্ট সহজলভ্য। ভবিষ্যতে মঙ্গলের জন্য পাঠানো অভিযান যেমন ২০২১ সালের ইউরোপিয়ান এক্সোমার্স রোভার মিশনে পৃষ্ঠের ২ মিটার নিচে পর্যন্ত ড্রিল করার যন্ত্র থাকবে, তখন এই বরফ নিয়ে গবেষণা করা যাবে সহজেই। 

ডানডাস এবং তার গবেষক দলের আবিষ্কৃত এই বরফের অবস্থান দেখে বোঝা যায় বেশ শক্তপোক্ত তা। এটাও বোঝা যায় যায় এক মিলিয়ন বছরের কম বয়স এই বরফের। বরফ থেকে কিছু পাথর খসে পড়েছে বলে দেখা যায়, ফলে ধরে নেওয়া যায় মাটি ও বরফ ক্ষয় হয়ে চলেছে। এছাড়া মঙ্গলের আবহাওয়ায় চাপ কম হওয়াতে বরফ থেকে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় পানি। এ কারণেও বরফ ক্ষয় হয়ে চলেছে। 

ভবিষ্যতে মঙ্গলে মানুষ পাঠানো হলে তারাও এই পানি কাজে লাগাতে পারবেন। শুধু পান করার কাজে নয়, জ্বালানী হিসেবেও তা ব্যবহার করা যেতে পারে। HiRISE ব্যবহার করে মঙ্গল পৃষ্ঠের মাত্র ৩ শতাংশ পর্যবেক্ষণ করা গেছে, তাই ভবিষ্যতে আরো বেশী পরিমাণে বরফ পাওয়া যেতে পারে বলে আশাবাদী গবেষকেরা।

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মৃত ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর মর্গে জেগে ওঠল মরদেহ!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০৯ ০১:২১:০৯

তিন চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করলেও হাসপাতাল মর্গে জেগে ওঠল মৃতদেহ। স্পেনের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানিয়েছে বিবিসি।

স্পেনের আস্তুরিয়াস অঞ্চলের এক কারাগারের বন্দি গঞ্জালো মন্তয়া জিমেনেজকে মৃত ঘোষণার পর হাসপাতালে মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েক ঘণ্টা পর তিনি জেগে ওঠলে ঘটনাটি সাড়া পড়ে যায় তখন। তার পরিবার জানান, মৃত ঘোষণার পর সমাহিত করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা।

তারা জানান, তার ময়নাতদন্তের জন্য চিহ্নিত করে রাখা হয়েছিল। তার আগ মুহুর্তে গঞ্জালো জেগে ওঠেন। তাকে এখন হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। কেন এধরণের ঘটনা ঘটল তার কারণ জানা যায়নি এখনো। কারণ অনুসন্ধানের জন্য গঞ্জালোকে প্রাদেশিক রাজধানীর মেডিসিন ইন্সটিটিউটে নিয়ে যাওয়া হবে।

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত