যুক্তরাষ্ট্রে আজ বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 12:45am

|   লন্ডন - 06:45pm

|   নিউইয়র্ক - 01:45pm

  সর্বশেষ :

  প্রার্থিতা বিষয়ে রিট : তৃতীয় বেঞ্চের বিচারপতির প্রতি খালেদার অনাস্থা   নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: কাদের   তুরস্কে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৯, আহত ৪৭   ইলিয়াসপত্নী লুনার মনোনয়ন স্থগিত   মনে হচ্ছে পুলিশ ধানের শীষের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী : বিএনপি   নাসার অ্যাপস প্রতিযোগিতায় শীর্ষ চারে বাংলাদেশ   চট্টগ্রামে আমীর খসরুর গণসংযোগকালে হামলা   নির্বাচন কমিশন থেকে ফেরার পথে বিএনপি নেতা আটক   ব্রাজিলে গির্জায় গোলাগুলি, নিহত ৫   ২৪ ডিসেম্বর মাঠে নামছে সেনবাহিনী   আটকে গেল ২ বিএনপি নেতার নির্বাচন   নেতৃত্ব হারাতে পারেন থেরেসা মে   টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু শেখ হাসিনার   অনুমোদন পেল বেঙ্গল গ্রুপের নতুন ব্যাংক   দাবানলে সর্বহারা মার্কিন মাহিলার পাশে বাফলা

মূল পাতা   >>   প্রবাসী কমিউনিটি

সোহরাওয়ার্দীর ৫৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ৫ ডিসেম্বর

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-০১ ০৪:৪১:৩৫

নিউজ ডেস্ক: ৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র‘ ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের মূল প্রতিষ্ঠাতা ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘রাজনৈতিক পিতা‘ এবং ’উপমহাদশেরে বরণ্যে রাজনতৈকি নতো    হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৫তম মৃত্যু বার্ষিকী । ১৯৬৩ সনের এই দিনে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের এক হোটলে কক্ষে নঃিসঙ্গ অবস্থায়  বাংলাদেশের এই কিংবদন্তী নেতা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এ উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বভিন্নি রাজনতৈকি ও সামাজকি সংগঠন বভিন্নি র্কমসূচি গ্রহণ করছে।ে   ভাব গম্ভীর পরিবেশে দিনটি উদযাপনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রস্থ সোহরাওয়ার্দী স্মৃতি পরিষদ ছাড়াও বঙ্গবন্বু প্রচারকেন্দ্র সমাজকল্যাণ পরিষদ, ইন্টারন্যাশনাল বঙ্গবন্ধু  সেন্টার , বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ, জাতীয় চারনেতা পরিষদ, প্রবাসী বাঙ্গালী সমাজকল্যাণ পরিষদ , বনলতা শিল্পী-সাহিত্যিক -সাংবাদিক গোষ্টী ও শিরি শিশু সাহিত্য কেন্দ্র -নিউইয়র্ক শাখা প্রভৃতি সংগঠনসমূহ এক যৌথ কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।
এছাডাও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাং¯কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।

উল্লেখ্য, সোহরাওয়ার্দীর আশীর্বাদ, সমর্থন ও মনোনয়ন নিয়ে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে সভাপতি করে ১৯৪৯ সনের ২৩ জুন ঢাকায় প্রথমে প্রাদেশিক পর্যায়ে পূর্ব বাংলা আওয়ামী মুসলিম লীগ (পরবর্তী নাম পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ) গঠন করা হয়। প্রাদেশিক নেতৃত্ব গ্রহণে অনিচ্ছুক সোহরাওয়ার্দী দলের প্রাদেশিক প্রধানের পদটি মওলানা ভাসানীকে প্রদানের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আওয়ামী মুসলীম লীগ (পরবর্তী নাম লিখল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ ) গঠন করে সোহরাওয়ার্দী পর্যায় ক্রমে নিজে এর আহবায়ক , সভাপতি এবং দলীয় প্রধান হিসাবে আমৃত্যুকাল কার্য পরিচালনা করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের‘রাজনৈতিক পিতা’ হিসাবে পরিচিত হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বৃটিশ ভারতের অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী (১৯৪৬-৪৭) এবং পরবর্তীতে  তদানীন্তন পাকিস্তানের এককালীন প্রধানমন্ত্রী (১৯৫৬-৫৭) ছিলেন।

এ উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন একাধারে প্রতিভাবান রাজনৈতিক সংগঠক, আইনজ্ঞ, বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভা ও গণপরিষদের সদস্য, অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রীসহ তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। যথাযোগ্য মর্যাদায় অবিসংবাদিত এই নেতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সোমবার সকাল ৮টায় হাইকোর্ট সংলগ্ন মরহুম হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মাজারে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে, গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহের সকল স্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে সোহরাওয়ার্দীর জন্ম। তিনি ছিলেন বিচারপতি স্যার জাহিদ সোহরাওয়ার্দীর কনিষ্ঠ সন্তান। শহীদ সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এদেশের শান্তিপ্রিয় গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি মুসলিম লীগ সরকারের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করেন।১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর বাঙালির যে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটেছিল তার অন্যতম নেতৃত্ব দিয়েছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন যুক্তফ্রন্ট গঠনের মূল নেতাদের মধ্যে অন্যতম। গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন তিনি, তাই সুধী সমাজ কর্তৃক ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ বলে আখ্যায়িত হন।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৫০২ বার

আপনার মন্তব্য