যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ০৩ Jul, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 08:54pm

|   লন্ডন - 03:54pm

|   নিউইয়র্ক - 10:54am

  সর্বশেষ :

  ‘পিক-আপ’ সেবা চালু করলো লস এঞ্জেলেস পাবলিক লাইব্রেরি   ১১.১ শতাংশ কর্মহীন হওয়ায় নতুন আরও ৪.৮ মিলিয়ন চাকুরির সুযোগ সৃষ্টি   করোনায় মৃত্যু প্রকাশিত সংখ্যার চেয়ে ২৮ শতাংশ বেশি   সান্তা মোনিকায় মাস্ক না পড়লে সর্বোচ্চ ১০০০ ডলার জরিমানা   লস এঞ্জেলেসে জিমনিশিয়ামেও পড়তে হবে মাস্ক ও গ্লাভস   করোনায় একদিনে গেল আরও ৫৫ প্রাণ, আক্রান্ত ১ লাখ ৭ হাজার ৬৬৭   মিয়ানমারে খনিতে ধস, নিহত ১১৩   লস এঞ্জেলেস পুলিশের বাজেট হ্রাস পেলো ১৫০ মিলিয়ন ডলার   দেশে আক্রান্তের সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৮   বন্ধ হয়ে গেল রাষ্ট্রায়ত্ত সব পাটকল   ৪ জুলাই ক্যালিফোর্নিয়ায় যা বন্ধ থাকবে   লস এঞ্জেলেস স্কুল পুলিশ প্রধানের পদত্যাগ   লাল-কমলা-হলুদ-সবুজ অঞ্চলে ভাগ হচ্ছে লস এঞ্জেলেস   করোনার মধ্যেই ক্যালিফোর্নিয়ায় ফের বৃদ্ধি পেলো গ্যাস-ট্যাক্স   ওয়েস্ট হলিউডে মাস্ক না পড়লে জরিমানা ৩০০ ডলার

মূল পাতা   >>   প্রবাসী কমিউনিটি

আমেরিকায় দ.এশীয় অভিবাসীদের মধ্যে দারিদ্র্যে দ্বিতীয় বাংলাদেশিরা

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৫-১৭ ১৫:৪৯:০৮

নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে বেশিরভাগের চেয়েই বেশি দরিদ্র বাংলাদেশিরা। অলাভজনক সংগঠন সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লিডিং টুগেদারের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সালের পর থেকে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও দারিদ্রতার দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন তারা।
বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার প্রায় ৫০ লাখ অভিবাসীর বসবাস যুক্তরাষ্ট্রে।

২০১০ সালের আদমশুমারি  এবং ২০১৭ সালের আমেরিকান কমিউনিটি সার্ভের ওপর নির্ভর করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংগঠনটি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৬৫ সালের মধ্যে এশিয়ান আমেরিকানরাই হবে সর্ববৃহৎ অভিবাসী জনগোষ্ঠী। দেশটিতে বিগত বছরগুলোতে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে নেপালি অভিবাসী। তাদের বৃদ্ধির হার ২০৬ শতাংশ। আর ভারতীয়দের সংখ্যা বেড়েছে ৩৮ শতাংশ।

তবে সেখানে বসবাসরতদের মধ্যে আর্থিক বৈষম্য প্রকট। ৫০ লাখ দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে ১০ শতাংশই দারিদ্রতায় দিন কাটাচ্ছে। সবচেয়ে করুণ পরিস্থিতি বাংলাদেশি ও নেপালিদের। বাংলাদেশিদের আয় ৪৯ হাজার ৮০০ ডলার। আর নেপালিদের ৪৩ হাজার ৫০০ ডলার।

নাগরিকত্ব না পাওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রায় ৬১ শতাংশই চারটি সরকারি সুবিধার মধ্যে অন্তত একটি পেয়ে থাকে। পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে এই হার ৪৮ শতাংশ আর ভারতের ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ।  তবে অনথিভুক্ত ভারতীয়দের সংখ্যা ৬ লাখ ৩০ হাজার। ২০১০ সাল থেকে যা ৭২ শতাংশ বেশি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও থাকছেন ভারতীয়রা। ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ছিলো আড়াই লাখ। তাই তাদের অনথিভুক্ত বিবেচনা করা হচ্ছে।

সংস্থাটির অন্তর্বতীকালীন সহ-নির্বাহী পরিচালক লক্ষ্মী শ্রীদারন বলেন, ‘আমরা আমাদের কমিউনিটিকে বাড়তে দেখেছি। যেকোনও সময়ের চেয়ে এখনই তাদের প্রয়োজন বোঝা সবচেয়ে জরুরি। ২০২০ সালের আদমশুমারিতে আমাদের এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত প্রয়োজন।

আগামী আদম শুমারিতে নাগরিকত্ব প্রদান প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প প্রশাসন। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই গণনা থেকে অনেকে বাদ পরবেন। বিশেষ করে ৬ লাখ দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীকে গণনাই করা হয় না। বঞ্চিত হবেন আরও হাজার হাজার মানুষ। লক্ষ্মী বলেন, এতে করে যাদের সহায়তা বেশি প্রয়েৃাজন তারাই বাদ পড়ে যেতে পারেন।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৩২৫ বার

আপনার মন্তব্য

সাম্প্রতিক খবর