যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 02:08pm

|   লন্ডন - 08:08am

|   নিউইয়র্ক - 03:08am

  সর্বশেষ :

  নজরদারিতে ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি জোটের নেতারা   হাত-পাবিহীন একজন ‍আলোকচিত্রীর স্বপ্ন ছোঁয়ার গল্প   এত কিছু করেও শেষ রক্ষা পাচ্ছেন না নাজমুল হুদা!   সাভারে আগুনে অর্ধশতাধিক ঘর পুড়ে ছাই   আমাকে উৎখাত করলে ব্রেক্সিট সহজ হবে না : থেরেসা মে   কোমর ব্যথায় করণীয়   ‘বেগম খালেদা জিয়া : হার লাইফ, হার স্টোরি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন   আলোচনায় ইলিয়াস আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আবরার   ড. কামালের কাছে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন রেজা কিবরিয়া   ভিডিও কনফারেন্সে প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন তারেক, আ.লীগের অভিযোগ   দেশ ছাড়ছেন ভেনেজুয়েলার সুন্দরীরা   জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ, নিহত ১   খাশোগি হত্যার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই: ট্রাম্প   ‘একজনের কারণে তিস্তা চুক্তি হলো না’   চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিল

মূল পাতা   >>   প্রবাসী কমিউনিটি

তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিনে ক্যালিফোর্ণিয়া বিএনপি'র বিবৃতি

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৭-১১-১৯ ২৩:২৫:৫৮

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রাণপুরুষ, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, নির্যাতিত নন্দিত জননেতা, দেশনায়ক তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিন আগামী ২০ নভেম্বর। এ উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ক্যালিফোর্ণিয়া শাখা, যুক্তরাষ্ট্র। ক্যালিফোর্ণিয়া বিএনপির সভাপতি মোঃ আঃ বাছিত ও সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলম চৌধুরী (শিপ্‌লু) স্বাক্ষরিত এ বিবৃতিতে বলা হয়, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান নতুন প্রজন্মের সত্তর শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি তৃণমূলে নেতৃত্ব দিয়ে প্রতিনিধি সভা করে জনপ্রিয় নেতা হয়েছিলেন। এখানেই আওয়ামী লীগ ও ১/১১ সরকারের ভয় ছিল। এ কারণেই আওয়ামী লীগ ১/১১ সরকারের সাথে ষড়যন্ত্র করে হত্যার চেষ্টা করেছে। দেশবাসীর দোয়ায় তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন। তিনি এখন বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তারেক রহমান সেখানে বসেও দেশের জন্য কাজ করছেন। আমাদের দেশের প্রায় ৩০ বছরের নিচে যারা তাদের সংখ্যা হলো ৭০-৭২ শতাংশ। এই প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করেন আমাদের নেতা তারেক রহমান। তাকেই আগামীদিনে নেতৃত্ব দিতে হবে। ইনশাল্লাহ খুব শিগগিরিই তিনি আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।

উল্লেখ্য যে, ১৯৬৫ সালের এইদিনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্র, ইসলামী মূল্যবোধ ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, সফল রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও তিনবারের সফল সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশের ১ম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঘর আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেন  জ্যেষ্ঠপুত্র তারেক রহমান। তার ৫৩তম জন্মদিন এবার এমন এক সময়ে এলো যখন একদলীয় স্বৈরাচারী সরকার ক্ষমতা আঁকড়িয়ে দেশে অঘোষিতভাবে নিষিদ্ধ করেছে বিরোধীদলের সকল রাজনৈতিক অধিকার। ৫ জানুয়ারির মতো ভোটার ও প্রার্থীবিহীন কলঙ্কিত এক প্রহসনের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে ক্ষমতাসীনরা দেশজুড়ে সংখ্যালঘু নির্যাতন, খুন, গুম, হত্যাযজ্ঞ, দখলবাজির মাধ্যমে লুটপাটের পাশাপাশি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে শতাধিক সাজানো মামলা দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

দেশের স্বাধীনতা-সার্ভভৌমত্ব অক্ষুন্ন ও স্বনির্ভরতা অর্জন করতে গিয়ে দেশি বিদেশি অপশক্তির ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে দেশপ্রেমিক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শাহাদত বরণ করায় মাত্র ১৫ বছর বয়সেই পিতৃহারা হন তারেক রহমান। দেশের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল থেকে তিনি মাধ্যমিক ও ঢাকার বিএফ শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবিতে পরে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রথম বর্ষে ভর্তি হন এবং স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি হন মেধাবী ছাত্র তারেক রহমান। শিক্ষাজীবন শেষে ব্যবসাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন তিনি। বস্ত্রশিল্পে বিনিয়োগ করে স্বল্প সময়ের মধ্যে ব্যবসায় সফলতা লাভ করেন। পরে তিনি নৌ-যোগাযোগ খাতে বিনিয়োগ করে সফলতা অর্জন করেন। তারেক রহমান ১৯৯৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান, সাবেক যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের বড় মেয়ে ডা. জুবায়দার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের একমাত্র কন্যা জায়মা রহমান সম্প্রতি লন্ডনের স্কুল থেকে কৃতিত্বে সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

নন্দিত জননেতা তারেক রহমান কিশোর বয়সে ১৯৮১ সালে পিতাকে হারালেও পড়াশুনার পাশাপাশি স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে  তার মায়ের সহচর হিসেবে অংশ নেন। পিতা শহীদ  প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বগুড়া কমিটির সদস্য হিসেবে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়। মাত্র ২২ বছর বয়সে ১৯৮৮ সালে তারেক রহমান বগুড়া জেলার গাবতলী থানা বিএনপির সদস্য হন। আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনে যোগ দেয়ার আগেই তারেক রহমান রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির রাজনীতিতে প্রায় নেপথ্যে থেকে সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন তারেক রহমান। তারই রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, অনবদ্য পরিকল্পনা ও প্রজ্ঞার কারণে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট বিপুল ভোটে বিজয়ী হয় ২০০১ সালের নির্বাচনে। দীর্ঘদিন দলের রাজনীততে গুরুত্বপূর্ণ কাজে নেপথ্যচারীর ভূমিকা পালন করলেও  অবশেষে ২০০২ সালে তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পান। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তারেক রহমান সংগঠনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ৬ষ্ঠ কাউন্সিলে তারেক রহমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

রাজনীতিতে এসেই তারেক রহমান বুঝতে পারেন দেশের উন্নয়ন চাইলে গ্রাম গঞ্জের উন্নয়ন করতে হবে। তাই তিনি পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে গ্রামে-গঞ্জের পথে প্রান্তরে ঘুরে বেড়িয়েছেন। তিনি গ্রামাঞ্চলের কৃষক-মজুর-খেটে খাওয়া গরীব-দুঃখী মানুষের কাছে গিয়ে তাদের সুখ-দুঃখ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারেক রহমান বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে গভীর সেতুবন্ধন নির্মাণ করতে তৃণমূল ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন। এসব সম্মেলনে কর্মীরা দলীয় রাজনীতি ও সংগঠন সম্পর্কে মন খুলে কথা বলেছেন। এ সভাগুলোতে তারেক রহমান মূলত দলের গঠনতন্ত্র, উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নেতাকর্মীদের সাথে দীর্ঘ মতবিনিময় করেন। বিস্তারিত মতবিনিময়ের বিষয়বস্তুর মাঝে আরও ছিল প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে দলের করণীয় ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন-অগ্রগতি নিশ্চিতকরণে সরকারী দল হিসেবে বিএনপির করণীয় প্রসঙ্গে আলোচনা। তৃণমূল পর্যায়ের এই সভা ও জনসংযোগ কার্যক্রমের ফলে দলের নেতাকর্মীদের তরুণ অংশটির মনোবল অসাধারণভাবে বৃদ্ধি পায়। তিনি ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে যেভাবে তৃণমূলে দলের শেকড় প্রোথিত করেন তাতে অশুভ রাজনৈতিক শক্তির পায়ের তলা থেকে মাটি সরতে থাকে। তারেক রহমান সরাসরি রাজনীতিতে অংশগ্রহণের পরই তার জনপ্রিয়তায় ও জাতীয়তাবাদী শক্তির জাগরণে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা ভীত হয়ে চক্রান্ত শুরু করে। বিএনপি ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের দলা পাকানো হয় এবং এই চেষ্টা আজও অব্যাহত আছে। যড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে অবৈধভাবে সেনা হস্তক্ষেপের পর তারেক রহমানের ওপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন।

২০০৭ সালের ৭ মার্চ গভীর রাতে যৌথবাহিনীর সদস্যরা কোনো ওয়ারেন্ট, মামলা এমনকি কোনো অভিযোগ ছাড়াই ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মইনুল রোডের বাসভবন থেকে তারেক রহমানকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর থেকে দিনের পর দিন রিমান্ডে নিয়ে তাকে নির্যাতন করে শারীরিকভাবে প্রায় পঙ্গু করে দেয়া হয়। গ্রেফতারের ১৬ ঘন্টা পর গুলশান থানায় এক কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে জনৈক ব্যবসায়ীকে দিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক প্রথম মামলা করা হয়। ওই ব্যবসায়ী পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয় এবং কিভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে দিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করতে বাধ্য করা হয় তা জনসমক্ষে প্রকাশ করে। এভাবে পর্যায়ক্রমে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মোট ১২টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। সেনা সমর্থিত সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা দায়ের অব্যাহত থাকে। মানি লন্ডারিং মামলা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলাসহ মোট ১৭টি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে। কিন্তু একটি মামলাও আজ পর্যন্ত প্রমাণ করতে পারেনি। বরং সরকারের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় শক্তি প্রয়োগ করে সাজানো তদন্ত ও সাক্ষি উপস্থাপন করলেও বিশেষ আদালত রায়ে মানি লন্ডারিং মামলা থেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ ঘোষণা করে বেকসুল খালাস প্রদান করেছেন তারেক রহমানকে। এরপর প্রতিহিংসাবশত তারেক রহমানকে খালাশ দেয়া বিচারপতিও সরকারের হুমকিতে পালিয়ে আছেন। সরকারি জোর তৎপরতায় হাইকোর্ট তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এই মামলা দন্ড দেয়। বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ বের করতে পারেনি। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আরো শতাধিক মামলা দয়ের করে ওয়ারেন্ট ইস্যু করে।

তারেক রহমানকে গ্রেফতারের পর তার ওপর যেভাবে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে পঙ্গু করে দেয়া হয় তা মনে করলে আজো শরীর শিউরে ওঠে। আজো তিনি সেই নির্মম নির্যাতনের যাতনা আর ক্ষতচিহ্ন বহন করে চলেছেন। বর্তমানে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের তারুণ্যের এই “রাজনীতিক আইডল” বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্রের নাগপাশ ছিন্ন করে রাজনীতির নতুন দিশার বর্ণাঢ্য আলোক রোশনাই ছড়িয়ে সমুখে ধাবমান। এক মর্মন্তুদ ক্ষত নিয়ে তিনি প্রবাসী থাকলেও তার মনপ্রাণ পড়ে আছে দেশেই। প্রতিবারের মতো এবারো  এই হিরন্ময় তরুণ নেতার জন্মদিনটি এলেও তা সুদূর প্রবাসে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে পালন করতে হচ্ছে। জন্মদিনে তারেক রহমান দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিনে ক্যালিফোর্ণিয়া বিএনপি'র বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেনঃ মো: আব্দুল বাছিত, বদরুল আলম চৌধুরী শিপ্‌লু, সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন দিলির, নজরুল ইসলাম চৌধুরী কাঞ্চন, খন্দকার আলম, আবুল ইব্রাহিম, মুর্শেদুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান শাহীন, সালাম দাড়িয়া, মানিক চৌধুরী, মাতাব আহমদ, সাইদ আবেদ নিপু, জহিরুল কবীর হেলাল, অপু সাজ্জাদ, মিশর নুন, মোয়াজ্জেম আহমেদ রাসেল, আলমগীর হোসেন, সৈয়দ নাসিরউদ্দিন জেবুল, লায়েক আহমেদ, বদরুল আলম মাসুদ, মারুফ খান, ইলিয়াস মিয়া, শাহতাব কবীর ভূইয়া শান্ত, শাহীন হক, হোসেন আহমেদ, মিয়াকেল খান রাসেল, মিজানুর রহমান, আমজাদ চৌধুরী দুলাল, রেজাউল হায়দার চৌধুরী, নাঈমুল ইসলাম চৌধুরী, মিল্টন খান, জাভেদ বখ্‌ত, খসরু রানা, ফয়সাল সিদ্দিক, খোরশেদ আলম রতন, রুহুল আমিন বাবু, জিল্লুর রহমান চৌধুরী, আবুল মোতালেব, সাজ্জাদ পারভেজ, হেলাল মজুমদার, ইসলাম উদ্দিন, জুনেল আহমদ, শাহেদ আহমদ, তানভীর আহমেদ, শাহানুর কবীর ভূইয়া, আবদুল হাকিম, কামরুল ইসলাম চৌধুরী, আবু তাহের সাজু, ফুয়াদ, নুর, মঈনুল আহমেদ, সামসুল ইসলাম, ফারুক সরকার, রেজাউল করিম জামিল, এহসান হক, ওমর ফারুক, কামাল হোসেন, মাহবুবুর রহমান, আবদুল কাদির, নজরুল ইসলাম, ইহসান আহমেদ,হুমায়ূন কবীর প্রমুখ।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৯৪০ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত

সাম্প্রতিক খবর