যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২১ Jul, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 11:57am

|   লন্ডন - 06:57am

|   নিউইয়র্ক - 01:57am

  সর্বশেষ :

  বিশ্ব সিলেট সম্মেলন ২০১৮-এর পূর্ণাঙ্গ কার্যকরী পরিষদ ঘোষণা   মিতালী মুখার্জী গাইবেন সিডনীতে   বরিশাল বিভাগ সমিতির আয়োজনে বনভোজন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   বিশ্বের ৪ কোটি মানুষ ‘আধুনিক দাসত্বে’র কবলে, যুক্তরাষ্ট্রে ৪ লক্ষাধিক   গাড়িতে চড়েন গৃহকর্মী, পরেন ২৫ লাখের গয়না!   দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের সাজা বেড়ে ৩২ বছর   এইচএসসিতে ফেল করায় ৩ ছাত্রীর আত্মহত্যা   বিএনপির বিশাল সমাবেশ : নির্বাচনে যেতে তিন শর্ত   ‘সরকার বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করছে’   সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত   ‘সালাম’ ভালোবাসার নির্মল সেতুবন্ধন   ‘ইহুদি জাতীয় রাষ্ট্র’ বিল পাস করেছে ইসরাইলি পার্লামেন্ট   সাইপ্রাসে নৌকাডুবিতে ১৯ অভিবাসীর মৃত্যু   কক্সবাজারে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ২ জন নিহত   দুই বছর জারি থাকা জরুরি অবস্থা তুলে নিল তুরস্ক

মূল পাতা   >>   প্রবাসী কমিউনিটি

পারিবারিক শান্তি-ই হলো আসল শান্তি : ফাদার শীতল

গ্রেটার ওয়াশিংটনে বড়দিন উদযাপন

সুবীর কাস্মীর পেরেরা, নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৬ ১১:৪১:১০

সুবীর কাস্মীর পেরেরা: যথাযত ধর্মীয় মর্যাদায় গ্রেটার ওয়াশিংটন বড়দিন উদযাপিত হয়েছে। পারিবারিক শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে সকালে বড়দিনের খ্রীষ্টযাগ উৎসর্গ করেন ফাদার শীতল হিউবার্ট রোজারিও, সিএসসি এবং তাকে সহায়তা করেন দুইজন সেমিনারিয়ান। মেরিক্যান্ডের সিলভার স্প্রিং শহরের সেন্ট ক্যামিলাস ক্যাথলিক চার্চের ক্যামিলা হলে বিশেষ খ্রীষ্টযাগের আয়োজন করা হয়।

খ্রীষ্টযাগে  সহস্রাধিক খ্রিস্টান অংশগ্রহণ করেন। ধূপারিতো নৃত্যের তালে শোভাযাত্রা করে হলে যাজকসহ অন্যান্যরা বেদিতে প্রবেশ করেন।

খ্রীষ্টযাগের উপদেশে ফাদার শীতল হিউবার্ট রোজারিও, সিএসসি বলেন, পারিবারিক শান্তি হলো আসল শান্তি। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি হলো পরিবারে শান্তি। তিনি বলেন, শান্তির জন্য স্বামী-স্ত্রীর ভূমিকা অনেক।

গ্রেটার ওয়াশিংটন এলাকায় প্রায় তিন হাজার প্রবাসী বাংলাদেশী খ্রিষ্টান সম্প্রদায় বসবাস করে। প্রতি বছর বড়দিন ও ইস্টারে সেন্ট ক্যামিলাস ক্যাথলিক চার্চে স্থানীয় চার্চ কমিটির ব্যাবস্থাপনায় বাংলা খ্রীষ্টযাগের আয়োজন করা হয়।
খ্রীষ্টযাগে স্থনীয় প্রবাসীদের সাথে বড়দিন উদযাপন করতে ভিবিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকেও অনেকে চলে আসেন। খ্রীষ্টযাগ শেষে বেদির পাশে অস্থায়ী গোশালায় শিশু যীশুর মূর্তি সামনে প্রার্থনা করেন। কীর্তন বড়দিনের বিশেষ একটি অংশ স্থানীয় দুটি সংগঠনের সদস্যরা কীর্তন প্ৰদৰ্শন করেন।
এই সময় একে ওপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, ছোটরা বড়দের কাছে আশীর্বাদ নেয়।

খ্রীষ্টযাগ শেষে ফাদার শীতল বলেন, গ্রেটার ওয়াশিংটন এলাকায় সবাই এক সাথে বড়দিন উদযাপন করেন কারণ ঈশ্বরের বিশেষ আশীর্বাদ রয়েছে এই ষ্টেটে।

চার্চ কমিটির পক্ষে ক্লারা মলি রোজারিও ও প্রভাতী সিসিলিয়া রোজারিও সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

বিকেল থেকে বাড়ি বাড়ি কীর্তন পরিবেশন করে দুটি সামাজিক সংগঠন।

বড়দিন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ খ্রিষ্টান এসোসিয়েশন, বাঙালি-আমেরিকান খ্রিষ্টান এসোসিয়েশন ও ইছামতির পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা ভাবে বড়দিন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে আগামী ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৮৪০ বার

আপনার মন্তব্য