যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 04:59pm

|   লন্ডন - 11:59am

|   নিউইয়র্ক - 06:59am

  সর্বশেষ :

  আইসিসি মিয়ানমারে এলে বন্দুক ধরবো : উইরাথু   ২০ বছর পর পার্লামেন্টে ফিরলেন আনোয়ার ইব্রাহিম   নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে পাল্টা ব্যবস্থার হুমকি সৌদির   চার দিনের সফরে সৌদি আরব যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী   একাদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ৭০০ কোটি টাকা অনুমোদন   খাশোগি নিখোঁজের ‘বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত’ চায় যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানি   গ্রামের একটি তৃণমূল বীরের বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কাহিনী   অনুভবে নজরুল: জ্যাকসন হাইটসে শতদলের মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান   হলিউডে দুর্গাপূজা আগামী ১৯, ২০ ও ২১ অক্টোবর   প্র‌তিভার সন্ধা‌নে ইতা‌লীতে শুরু হ‌চ্ছে দি রাইজিং স্টার   এবার মুম্বাইয়ে বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অবস্থান   ড. ইউনুসের কারণে পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন করেনি বিশ্বব্যাংক : শেখ হাসিনা   অবশেষে বিএনপিকে নিয়ে ‘জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট’র আত্মপ্রকাশ, বিকল্পধারা আউট   খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেও বিচার চলবে   চট্টগ্রামে পাহাড় ও দেয়াল ধসে ৪ জনের মৃত্যু

মূল পাতা   >>   প্রবাসী কমিউনিটি

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন বিরোধী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে স্ট্যান্ড নিতে হবে : ড. নীনা আহমেদ

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-০৫ ১৩:৫৪:১৯

নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ার অঙ্গরাজ্য প্রশাসন নির্বাচনে ‘লুউটান্যান্ট গভর্নর’ পদে প্রার্থী বাংলাদেশী-আমেরিকান ড. নীনা আহমেদ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন বিরোধী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে স্ট্যান্ড নিতে হবে। নতুন প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত রেখে যেতে হবে। আর এজন্য দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন নীতির বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখার অঙ্গীকারও করেন। তিনি বলেন, আগে নিজ আর পরিবার কে জানতে হবে। তারপর কাজ শুরু করতে হবে। প্রতিবেশী থেকে শুরু করে সিটি ও ষ্টেট অফিসিয়্যালদের সাথে সুসম্পর্ক আর ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে হবে। নিজের আর কমিউনিটির সমস্যা অফিসিয়্যালদের বুঝাতে হবে।
ড. নীনা আহমেদ বলেন, একজন বাংলাদেশী-আমেরিকান হিসেবে মনে করি আমরা অফিসিয়্যাল পদে নির্বাচিত হলে কমিউনিটির সমস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে জানাতে পারবো। এজন্য আমাদের ভিষণ আর মিশন থাকতে হবে। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচিত হলে আমাদের পরিচয় হবে আমরা বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটি তথা এশিয়ান কমিউনিটির লোক। আর এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশী আর বাংলাদেশকে সবাই জানবে। খবর ইউএনএ’র।
ড. নীনা আহমেদ গত ৩১ মার্চ শনিবার অপরাহ্নে নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড সিটিস্থ বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন হাউজে সংশ্লিস্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে উপরোক্ত কথা বলেন। ড. নীনা আহমেদ বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন পরিদর্শনে আসলে মিডিয়া দুটির কর্ণধার আবু তাহের তাকে স্বাগত জানান। এরপর নিউইয়র্কের সর্ববৃহৎ মিডিয়া হাউজ দু’টিতে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে বার্তা কক্ষে তিনি খোলা-মেলা কথা বলেন। এসময় তাকে উপস্থিত সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেন বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক ও টাইম টিভির সিইও আবু তাহের। বৈঠকে বিশিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে অধ্যাপক ডা. জিয়া উদ্দিন আহমেদ ও পিপলএনটেক-এর সিইও আবু হানিপ উপস্থিত ছিলেন।
টাইম টেলিভিশন-এর খবরে বলা হয়: সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে ড. নীনা আহমেদ বলেন, আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য পেনসিলভেনিয়ার রাজ্য প্রশাসন নির্বাচনে তিনি ‘লুউটান্যান্ট গভর্নর’ প্রার্থী। এরই অংশ হিসেবে মে-মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাইমারী। দলীয় মনোনয়নের বাছাইপর্বের সিঁড়ি বেড়ে যুদ্ধ জয়ের চূড়ান্তে ধাপে পৌঁছাতে হবে তাঁকে। প্রশ্ন ছিল, প্রবাসীদের দেশীয় রাজনৈতিক চর্চা কেন? বলেন, শেকড়ের টানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকলেও, প্রজন্মের-স্বার্থে অভিবাসীদের মূলধারায় সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে।  
অভিবাসীদের অভয়ারণ্য-খ্যাত পেনসিলভানিয়ার রাজনীতিতে আমুল পরিবর্তনও ঘটিয়েছেন এই বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত নারী। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম এশিয়ান-আমেরিকান হিসেবে যিনি ফিলাডেলফিয়া সিটির ডেপুটি মেয়র হিসেবেও ছিলেন সফল। দীর্ঘ ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে রাজ্য ও সিটির সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার নীনা আহমেদ। জানান, ‘লুউটান্যান্ট গভর্নর’ নির্বাচিত হলে রাজ্য প্রশাসনের পক্ষে লাখো-কোটি ড্রিমারদের স্বপ্ন পূরণে নিয়োজিত থাকবেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অধিকার বঞ্চিত মানুষের পক্ষে লড়াই অব্যাহতের পাশাপাশি বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন বিরোধী নীতির বিরুদ্ধেও সোচ্চার থাকবেন তিনি। 
উল্লেখ্য, আশির দশকের শেষে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো ‘নীনা আহমেদ’ প্রেসিডেন্ট ওবামা প্রশাসনের উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেছিলেন। হোয়াইট হাউজের তৎকালীন প্রশাসনে ‘এশিয়ান আমেরিকান ও প্যাসিফিক আইল্যান্ডের’ উপদেষ্টা কমিটির অন্যতম শীর্ষ সদস্য ছিলেন। এর মধ্যে ফিলাডেলফিয়ার মেয়র নির্বাচনে নতুন মেয়র জিম কেইনির বিজয়ী হওয়ার পেছনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। যার মধ্য দিয়ে চলে আসেন সিটির জনপ্রতিনিধিত্বের কাতারে। এ ধারা আগামীতেও অব্যাহত রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
ড. নীনা আহমেদ বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মূলধারার রাজনীতিক। তিনিই একমাত্র বাংলাদেশী যিনি প্রেসিডেন্ট ওবামা প্রশাসনের উপদেষ্টার পর যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া সিটির ডেপুটি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য পেনসিলভেনিয়ার রাজ্য প্রশাসন নির্বাচনে তিনি ‘লুউটান্যান্ট গভর্নর’ পদে প্রার্থী। অভিবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় আপোষহীন নীনা আহমেদই হচ্ছেন আগামী প্রজন্মের এক অনুপ্রেরণার নাম। যিনি, সবার সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মূলধারার রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, নারীদের সম্মান’সহ সবার ন্যায্য অধিকার আদায়ে উচ্চকণ্ঠস্বর। প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রত্যাশা শত প্রতিকূলতাকে জয় করা নীনা আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৯১৩ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত

সাম্প্রতিক খবর