যুক্তরাষ্ট্রে আজ রবিবার, ১৬ Jun, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 09:45am

|   লন্ডন - 04:45am

|   নিউইয়র্ক - 11:45pm

  সর্বশেষ :

  নিউজিল্যান্ডে উড়োজাহাজের সংঘর্ষে ২ পাইলট নিহত   কী কথা হলো মোদি-ইমরানের?   ঢাকায় বস্তিতে সাড়ে ৬ লাখ মানুষের বাস   দুর্ঘটনায় মৃত্যু নয়, সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যা করা হয় : মির্জা ফখরুল   উজবেকিস্তান পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি   মোহাম্মদ বিন সালমানের বোন ফ্রান্সে বিচারের মুখোমুখি   ‘ইমরান খান ধর্মের প্রতি আন্তরিক’   দুর্নীতি ও অর্থ পাচার নিয়ে সংসদে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ   প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বাবুনগরীর প্রতিবাদ   চট্টগ্রামে ১০ হাজার ইয়াবাসহ পুলিশের এসআই আটক   নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন ক্রাইস্টচার্চে হামলাকারী   ওমান উপসাগরে ট্যাংকারে হামলায় ইরান দায়ী: মার্কিন সামরিক বাহিনী   আবারও সৌদি বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা   ঋণনির্ভর বাজেট জনগণের পকেট কাটবে: ফখরুল   প্রয়োজনেই বড় বাজেট: প্রধানমন্ত্রী

মূল পাতা   >>   কলাম

ওয়াশিংটনে ঠাকুর দর্শন

সুবীর কাস্মীর পেরেরা, নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২৫ ১৬:০৫:৩৫

 আপডেট: ২০১৮-১০-২৫ ১৬:০৬:০১

সুবীর কাস্মীর পেরেরা: শিরোনামটি এমনও হতে পারতো ঠাকুর বাড়ির ঠাকুর দর্শন! কিন্তু করা সম্ভব হয়নি, কারণ পূজামন্ডপগুলো করা হচ্ছে স্কুলে কিংবা মন্দিরে।গত সপ্তাহে ভার্জিনিয়ার সম্পা বণিক দিদির বাসায় পূজার আয়োজন দেখলাম। ঘরোয়া পরিবেশে বণিক বাড়ির পূজা মণ্ডপে অনেক অতিথি দেখে মনে পরে গেলো ফেলে আসা পুজোর স্মৃতিময় দিনগুলির কথা। সম্পা দি গত বছর দাওয়াত দিয়েছিলেন, কিন্তু কাজ থাকতে যেতে পারিনি। তাই দেশীয় আমেজটা উপভোগ করতে পারিনি।

গত সপ্তাহে মেট্রো ওয়াশিংটনে নীলাচল আয়োজন করেন শারদীয় পূজা উৎসবের। স্থানীয় একটি অডিটোরিয়ামে নির্মিত পূজামণ্ডপে প্রতিমা স্থাপন করা হয়েছিল। আয়োজনে ছিল, দেশীয় খাবার, প্রসাদ, উলুধ্বনি, ডাকের তাল ও নাচ। সম্প্রীতির বন্ধনে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অনেক মানুষ ছুটে গিয়েছিলো।

গত শনিবার ছিল গ্রেটার ওয়াশিংটন হিন্দু সোসাইটির পূজা আয়োজন। তপন দত্ত দা, পঙ্কজ চৌধুরী দা ও উত্তম দাদার সাথে পরিচয় বহুদিনের। সেই সুবাদে পূজা উৎসবে যোগদানের আগ্রহের মাত্রাটা ছিল বেশি।

বিপুল-জিনিয়া ও আমি সকালের পূজা অর্চনা পর্বে অংশ নিতে না পারলেও সন্ধ্যায় গিয়ে খানিক স্বাদ মেটালাম। ভার্জিনিয়ার একটি স্কুলে এই আয়োজন দেখে মনে হয়নি প্রবাসের বুকে পূজামণ্ডপে আছি। দেশীয় আমেজে মা দুর্গার প্রতিমা, প্রসাদ, খাবার, আশীর্বাদ, ধুনচি নাচ কোন কিছুর কমতি ছিল না।

ছোট বেলায় পাশের বাড়ির ভিওয়াবাড়ি,কালীবাড়ি ও কৈবত পাড়ায় তিনদিনের পূজোৎসবে সারারাত কাটিয়ে দিয়েছি বন্ধুরা দল বেঁধে। সারাদিনের ডাকের বাজনা ও মাইকে সিনেমার গান এবং ক্ষণে ক্ষণে 'দূর্গা মা কি? জয় বলে মহাধ্বনি এখন কাজে বাজে। তখন বয়োজ্যেষ্ঠদের মুখে শুনতাম ঠাকুর দেখতে যাচ্ছি। সেই থেকেই চলছে ঠাকুর দর্শন। গ্রামের দৃশ্যপট পেড়িয়ে ঢাকার মণিপুরীপাড়াতে আয়োজন ছিল আরো বিশাল। সন্ধ্যা হলে চলে যেতাম পূজামণ্ডপে।

গ্রেটার ওয়াশিংটন হিন্দু সোসাইটির পূজামণ্ডপে ঢুকেই শুনতে পেলাম সেই পরিচিত ঢাকের আওয়াজ, উলুধ্বনি, শঙ্খধ্বনি এবং সেই ধুনচি নাচ। প্রধান ফটকে ঢুকতেই মা দূর্গা ও অসুরের প্রতিমা। ভিতরে উৎসবমুখর পরিবেশ। ভুলে গেলাম প্রবাস জীবনে ব্যস্তদিনের কথা।

ঢাকের তালে নেচে যাচ্ছে সুমা দি, দিনার ভাবি, রুমা দি সহ আরো অনেকে। অন্যদিকে ছবি তোলার ব্যস্ত সুদীপ দা, রাজীব দা ও বিপ্লব দত্ত। রুমি ভাই ব্যস্ত ফেসবুকে লাইভ সম্প্রচার নিয়ে । কে কোন ধর্মের সেটা বড় কথা নয়, মুখে সিঁদুর মেখে এক কাতারে সবাই মা দুর্গার আশীর্বাদে আনন্দে মেতে উঠছে।

ক্ষণিকের এই জীবনে আনন্দ করতে পারাটাই বড় সার্থকতা। এবং তাই প্রমানিত প্রবাসে শারদীয় দূর্গা উৎসবের আয়জন।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৫৬৪ বার

আপনার মন্তব্য