যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 07:45am

|   লন্ডন - 02:45am

|   নিউইয়র্ক - 09:45pm

  সর্বশেষ :

  করোনা সর্বত্র শান্তির জন্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে : জাতিসংঘ মহাসচিব   ব্যাপক হারে কানাডার নাগরিক হচ্ছেন আমেরিকানরা   বানরের অধিকার নিশ্চিতে সুইজারল্যান্ডে গণভোট   আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক   আফগানিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তালেবানের সংঘর্ষ: নিহত অর্ধশত   হেফাজত আমির আল্লামা আহমদ শফী আর নেই   হিজাব কেড়ে নেয়ায় লস এঞ্জেলেস পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা মুসলিম নারীর   যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত তরুণদের অধিকাংশই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের   এবার নোবেল শান্তি পুরষ্কারে মনোনীত হলেন নেতানিয়াহু   হারিকেন স্যালির আঘাতে যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুৎহীন ৫ লক্ষাধিক মানুষ   নতুন আরও এক লাখ কর্মী নিয়োগ দেবে আমাজন   লস এঞ্জেলেসে অক্টোবর থেকে সীমিত আকারে খুলবে ব্যবস্থাপ্রতিষ্ঠান   বাইডেনের নির্বাচনী প্রচারণায় হস্তক্ষেপ করতে চাইছে রাশিয়া   ক্যালিফোর্নিয়ায় গুলিতে আহত এক, নেপথ্যে মাদক   তীব্র হচ্ছে ক্যালিফোর্নিয়ার 'ববক্যাট ফায়ার'

মূল পাতা   >>   করোনা কর্ণার

নভেম্বরেই বাজারে আসছে চীনের তৈরি ভ্যাকসিন

এলএ বাংলা ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০২০-০৯-১৫ ০২:৫০:৫২

 আপডেট: ২০২০-০৯-১৫ ০২:৫২:০৮

ইতোমধ্যে তিনটি ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ট্রায়াল প্রায় শেষ পর্যায়ে

এলএ বাংলা ডেস্ক: চীনের তৈরি করোনার টিকা সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য নভেম্বরের মধ্যেই প্রস্তুত হয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে চীনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এর এক কর্মকর্তা। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চীনের স্থানীয় গণমাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। 

সিডিসির কর্মকর্তা ও প্রধান বায়োনিরাপত্তা প্রধান গুইজেন ইয়ু জানান, চীনে চারটি করোনার টিকা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের চূড়ান্ত ধাপে রয়েছে। এর মধ্যে জরুরি কর্মসূচির আওতায় তিনটি টিকা গত জুলাই থেকে জরুরি কাজে নিয়োজিত কর্মীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেওয়া হচ্ছে।

গুইজেন ইয়ু বলেন, টিকাগুলোর তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল খুব ভালোভাবে এগিয়ে চলেছে এবং তা নভেম্বর বা ডিসেম্বরের মধ্যেই সাধারণ জনগণের ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হয়ে যেতে পারে।

ইয়ু আরো জানান, এপ্রিলে তিনি নিজে করোনার টিকা নিয়েছিলেন। কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো অস্বাভাবিক উপসর্গের মুখোমুখি হোননি তিনি। তবে তিনি কোন টিকা নিয়েছেন, তা উল্লেখ করেননি।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংস্থা চায়না ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রুপ (সিনোফার্ম) ও যুক্তরাষ্ট্রে তালিকাভুক্ত সিনোভ্যাক বায়োটেক দেশটির জরুরি ব্যবহারের জন্য তিনটি টিকা তৈরিতে কাজ করছে। চতুর্থ আরেকটি টিকা তৈরিতে কাজ করছে ক্যানসিনো বায়োলজিকস। গত জুনে চীনা সেনাবাহিনীর জন্য টিকাটি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

জুলাইয়ে সিনোফার্ম জানিয়েছিল, এ বছর শেষ হওয়ার আগেই তাদের টিকা জনগণের ব্যবহারের জন্য ছাড়া হতে পারে। এর মধ্যে তাদের তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা শেষ হয়ে যাবে।

এদিকে সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঝুঁকি সত্ত্বেও চীনা ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলো ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বাইরে নতুন টিকা প্রয়োগ করছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সিনোফার্মের সহায়ক সংস্থা চীনা ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপ কোম্পানির দুটি পরীক্ষামূলক টিকা জুলাইয়ে বেইজিংয়ের কাছ থেকে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পায়। এ সপ্তাহে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের টিকাগুলোর পরীক্ষামূলক ডোজ হাজারো মানুষকে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে চীনা আরেক টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেড বলেছে, তাদের কর্মী, তাঁদের পরিবারের সদস্যসহ তিন হাজার মানুষকে টিকা দিয়েছে। পরীক্ষামূলক ও করোনার টিকাগ্রহীতাদের মধ্যে তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও রয়েছেন।


এলএবাংলাটাইমস/ওএম 

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১০৪ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত