যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 09:22am

|   লন্ডন - 03:22am

|   নিউইয়র্ক - 10:22pm

  সর্বশেষ :

  নিউইয়র্কে নববর্ষ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের শুভেচ্ছা বিনিময়   প্যারেডের থ্রিডি প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাফলার ফান্ডরাইজিং অনুষ্ঠিত   নিউ ইয়র্কে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, গ্রেপ্তার ৪   আরব আমিরাতে অবৈধ অভিবাসীকে আশ্রয় দিলে এক লাখ দিরহাম জরিমানা   টয়লেট টিস্যুতে ‘আল্লাহ’, বিক্ষুব্ধ যুক্তরাজ্যের মুসলিমরা   ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন   বিশ্বের শীর্ষ ১০০ চিন্তাবিদের তালিকায় শেখ হাসিনা   শান্তি ও মানবাধিকারের অনন্য আশ্রয়ভূমি ফ্রান্স   কারাগারে ‘মারা গেছেন’ মসজিদে নববীর এক ইমাম   ক্যালিফোর্নিয়ায় বাংলাদেশি খুদে শিক্ষার্থীর চমক, ৯ বছরেই কলেজে   আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে মোস্তাফিজ   সালমান খানকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি   কৃষ্ণ সাগরে দুই জাহাজে আগুন, নিহত ১০   প্যাটারসন সিটির পাবলিক স্কুলে হালাল ফুড   আর্জেন্টাইন ফুটবলারসহ দুজনকে নিয়ে বিমান নিখোঁজ

মূল পাতা   >>   ইউরোপের খবর

ব্রিটেনে নির্বাচনের শেষদিনের প্রচারণা চলছে

ইউরোপ ডেস্ক , নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-০৭ ০৮:৫৭:০৮

ইউরোপ ডেস্ক : ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনের আর মাত্র একদিন বাকি। ফলে চলছে শেষদিনের নির্বাচনী প্রচারণা। লন্ডন ও ম্যানচেস্টারে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে কড়া নিরাপত্তার মাঝে দলগুলো শেষবেলার প্রস্তুতি সারছে। নির্বাচিত হলে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের মোকাবেলায় মানবাধিকার আইন পরিবর্তন করবেন বলে মন্তব্য করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও কনজারভেটিভ পার্টির নেত্রী তেরেসা মে।
মঙ্গলবার নিজের একটি চূড়ান্ত নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে তিনি বলেন, সন্দেহজনক বিদেশী সন্ত্রাসীদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ এবং বর্তমান হুমকি হিসেবে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের স্বাধীনতা ও চলাফেরায় নিয়ন্ত্রণ আনবেন তিনি। লন্ডনে শনিবারের সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে তার এই নতুন প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবেলার ক্ষেত্রে পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাজকে বাধাগ্রস্ত করে মানবাধিকার বিষয়ক এমন যেকোনো ধরনের আইনের পরিবর্তন আনতে প্রস্তুত তার সরকার।
তিনি আরো বলেন, ‘যখন আমরা হুমকির মুখে তখন যেকোনো পরিবর্তনই জটিল হয়ে দাড়ায়। আমরা নিশ্চিত করতে চাই আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী এবং গোয়েন্দাদের হাতে যেন যথেষ্ট ক্ষমতা থাকে।’ লন্ডনে সর্বশেষ হামলার পর মে বলেছিলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবর্তন জরুরি। যদিও সুনির্দিষ্টভাবে নতুন কোনো নীতি-প্রস্তাব তুলে ধরেননি তিনি। অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী লিবারেল ডেমোক্রেট দল বলছে, এর ফলে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস নয় বরং মানুষের স্বাধীনতাই হ্রাস করতে চাইছেন। সূত্র: বিবিসি    

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৪৪১ বার

আপনার মন্তব্য