যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২১ Jul, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 12:00pm

|   লন্ডন - 07:00am

|   নিউইয়র্ক - 02:00am

  সর্বশেষ :

  বিশ্ব সিলেট সম্মেলন ২০১৮-এর পূর্ণাঙ্গ কার্যকরী পরিষদ ঘোষণা   মিতালী মুখার্জী গাইবেন সিডনীতে   বরিশাল বিভাগ সমিতির আয়োজনে বনভোজন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   বিশ্বের ৪ কোটি মানুষ ‘আধুনিক দাসত্বে’র কবলে, যুক্তরাষ্ট্রে ৪ লক্ষাধিক   গাড়িতে চড়েন গৃহকর্মী, পরেন ২৫ লাখের গয়না!   দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের সাজা বেড়ে ৩২ বছর   এইচএসসিতে ফেল করায় ৩ ছাত্রীর আত্মহত্যা   বিএনপির বিশাল সমাবেশ : নির্বাচনে যেতে তিন শর্ত   ‘সরকার বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করছে’   সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত   ‘সালাম’ ভালোবাসার নির্মল সেতুবন্ধন   ‘ইহুদি জাতীয় রাষ্ট্র’ বিল পাস করেছে ইসরাইলি পার্লামেন্ট   সাইপ্রাসে নৌকাডুবিতে ১৯ অভিবাসীর মৃত্যু   কক্সবাজারে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ২ জন নিহত   দুই বছর জারি থাকা জরুরি অবস্থা তুলে নিল তুরস্ক

মূল পাতা   >>   ইউরোপের খবর

ব্রিটেনে নির্বাচনের শেষদিনের প্রচারণা চলছে

ইউরোপ ডেস্ক , নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-০৭ ০৮:৫৭:০৮

ইউরোপ ডেস্ক : ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনের আর মাত্র একদিন বাকি। ফলে চলছে শেষদিনের নির্বাচনী প্রচারণা। লন্ডন ও ম্যানচেস্টারে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে কড়া নিরাপত্তার মাঝে দলগুলো শেষবেলার প্রস্তুতি সারছে। নির্বাচিত হলে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের মোকাবেলায় মানবাধিকার আইন পরিবর্তন করবেন বলে মন্তব্য করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও কনজারভেটিভ পার্টির নেত্রী তেরেসা মে।
মঙ্গলবার নিজের একটি চূড়ান্ত নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে তিনি বলেন, সন্দেহজনক বিদেশী সন্ত্রাসীদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ এবং বর্তমান হুমকি হিসেবে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের স্বাধীনতা ও চলাফেরায় নিয়ন্ত্রণ আনবেন তিনি। লন্ডনে শনিবারের সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে তার এই নতুন প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবেলার ক্ষেত্রে পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাজকে বাধাগ্রস্ত করে মানবাধিকার বিষয়ক এমন যেকোনো ধরনের আইনের পরিবর্তন আনতে প্রস্তুত তার সরকার।
তিনি আরো বলেন, ‘যখন আমরা হুমকির মুখে তখন যেকোনো পরিবর্তনই জটিল হয়ে দাড়ায়। আমরা নিশ্চিত করতে চাই আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী এবং গোয়েন্দাদের হাতে যেন যথেষ্ট ক্ষমতা থাকে।’ লন্ডনে সর্বশেষ হামলার পর মে বলেছিলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবর্তন জরুরি। যদিও সুনির্দিষ্টভাবে নতুন কোনো নীতি-প্রস্তাব তুলে ধরেননি তিনি। অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী লিবারেল ডেমোক্রেট দল বলছে, এর ফলে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস নয় বরং মানুষের স্বাধীনতাই হ্রাস করতে চাইছেন। সূত্র: বিবিসি    

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৩০৪ বার

আপনার মন্তব্য