যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 07:00pm

|   লন্ডন - 01:00pm

|   নিউইয়র্ক - 09:00am

ব্রেকিং নিউজ >>   ইরাকে ফেরি ডুবে নিহত ৭১

  সর্বশেষ :

  ‘আবরার ফুটওভার ব্রিজ’ নির্মাণ কাজ শুরু   হোটেল কক্ষে গোপন ক্যামেরা বসিয়ে ১৬০০ অতিথির অন্তরঙ্গ মুহূর্ত   ইরাকে ফেরি ডুবে নিহত ৭১   নিউ জিল্যান্ডে অ্যাসাল্ট রাইফেল নিষিদ্ধ হচ্ছে   জুমার আজান সম্প্রচার করবে নিউজিল্যান্ডের রেডিও-টিভি   যুক্তরাজ্যে এক রাতে ৫ মসজিদে হামলা   সফল বাইপাস সার্জারির পর ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্যের উন্নতি   বিয়ে করছেন তিন টাইগার ক্রিকেটার   বিএনপি সরকারবিরোধী উস্কানি দিচ্ছে : হানিফ   পদ্মা সেতুতে বসছে নবম স্প্যান বৃহস্পতিবার   ২৮ তারিখ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত   আগামী শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের নারীদেরকে স্কার্ফ পরার আহ্বান   সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত   পুলিশ হেফাজতে জামায়াত কর্মীর মৃত্যু, উত্তাল কাশ্মীর   এবার চাকসু নির্বাচনের সিদ্ধান্ত

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

দুই বছর জারি থাকা জরুরি অবস্থা তুলে নিল তুরস্ক

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-১৯ ০২:০৯:০৫

নিউজ ডেস্ক: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানতুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর তুরস্কে দুই বছর ধরে জারি থাকা জরুরি অবস্থা তুলে নিয়েছে দেশটির সরকার। গতকাল বুধবার জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

বিবিসি জানিয়েছে, জরুরি অবস্থার সময় লাখো মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন।

২০১৬ সালের ১৫ জুলাই তুরস্ক সেনাবাহিনীর একটি অংশ অভ্যুত্থানের চেষ্টা করে। তুরস্কের জনগণ তা ব্যর্থ করে দেয়। এরপর জরুরি অবস্থা জারি করেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

ওই জরুরি অবস্থা জারি করার পর তার মেয়াদ সাতবার বৃদ্ধি করা হয়। জরুরি অবস্থার কারণে নতুন আইন পাস এবং নাগরিক অধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতা স্থগিত করার ক্ষেত্রে পার্লামেন্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, এরদোয়ান নির্বাচনে জেতার কয়েক সপ্তাহ পরেই জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার ঘোষণা এল। নির্বাচনের আগে এরদোয়ানের প্রতিদ্বন্দ্বীরা নির্বাচনে জিতলে জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

তুরস্কের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো অনেক দিন ধরেই জরুরি অবস্থা তুলে নিতে দেশটির সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছিল। ইউরোপীয় ইউনিয়নও তুরস্কে জরুরি অবস্থা বলবৎ থাকায় সেটির সমালোচনা করে বলেছে, এর মাধ্যমে বিভিন্ন নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারণার সময় দুই বছর ধরে চলা জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এরদোয়ান। ২৪ জুন তুরস্কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

বেসরকারি ও সরকারি সূত্র অনুযায়ী, জরুরি অবস্থা জারির পর দেশটিতে ১ লাখ ৭ হাজার মানুষ সরকারি চাকরি হারিয়েছেন এবং ৫০ হাজার লোক জেলে গেছেন, যাঁরা বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন।

সামরিক বাহিনী, বিচার বিভাগ, পুলিশ, গণমাধ্যম, শিক্ষা খাতসহ অভ্যুত্থানচেষ্টায় জড়িত বা যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছানির্বাসিত ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লা গুলেনের সমর্থক সন্দেহে হাজার হাজার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যাপক শুদ্ধি অভিযানের ধারাবাহিকতায় জরুরি অবস্থা জারি করে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সরকার।

অভ্যুত্থানচেষ্টায় গুলেন ও তাঁর অনুসারীদের দায়ী করে তুরস্ক। তবে তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

২০১৬ সালের ওই অভ্যুত্থানচেষ্টায় প্রায় ২৫০ জন নিহত হন।

এর আগে তুরস্কে সর্বশেষ জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল ১৯৮৭ সালে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন প্রদেশে। কুর্দি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে লড়াই করাই ছিল এর লক্ষ্য। ২০০২ সালে সেই জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া হয়।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৮২৫ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত