যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ২৬ Jun, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 09:11pm

|   লন্ডন - 04:11pm

|   নিউইয়র্ক - 11:11am

  সর্বশেষ :

  ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা   ভূমধ্যসাগরে ট্রলারে ভেসে থাকা আরো ১৫ বাংলাদেশী দেশে ফিরেছেন   যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে মেক্সিকোর ১৫ হাজার সৈন্য মোতায়েন   সংসদ সদস্যদের নামে প্লট বরাদ্দ দেয়া হবে: গণপূর্ত মন্ত্রী   ড. কামালকে ভাড়া করে আ.লীগের হয়ে কাজ করলো বিএনপি : নাসিম   বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো লিভার ট্রান্সপ্লান্ট   রাশিয়ায় ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্প   এটি ট্রাম্পের শয়তানি পরিকল্পনা: ফিলিস্তিন   আফগানিস্তানকে হারিয়ে টাইগারদের জয়   ২২ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারদেশের রেল যোগাযোগ চালু   বগুড়ায় উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী জয়ী   ভারতের মহারাষ্ট্রে তিন বছরে ১২ হাজার কৃষকের আত্মহত্যা   সৌদি বিমানবন্দরের হুথিদের হামলায় নিহত ১   ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত ট্রাম্প   ইথিওপিয়ায় অভ্যুত্থানের নেতাকে গুলি করে হত্যা

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

সৌদি আরবে ইমামদের জন্য বিতর্কিত অ্যাপ

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৮-০৮ ১৭:০৮:০৫

নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ এমন একটি মোবাইল অ্যাপলিকেশন তৈরি করছে, যা দেশটির মসজিদের ইমামদের ধর্মীয় বয়ান পর্যবেক্ষণ করবে এবং বয়ান বেশি লম্বা হয়ে গেলে সেটি ব্যবহার করে তাদের সতর্ক করা যাবে।

সৌদি আরবের ইসলাম ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল লতিফ আল-শাইখ আল-ওয়াতান পত্রিকাকে জানিয়েছেন, এই অ্যাপটি মসজিদে ইমামদের বয়ানের ‘সময়’ এবং ‘মান’ পর্যবেক্ষণ করবে।

তবে কে বা কারা এসব পর্যবেক্ষণ তদারকি করবেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়। ধারণা করা হচ্ছে, নিয়মিত নামাজীরা এই অ্যাপ ব্যবহার করে তাদের ইমামদের কার্যক্রম সম্পর্কে নম্বর দিতে পারবেন।

ধর্মীয় বয়ান ও শিক্ষার বিষয়ে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে সৌদি আরব। ‘বিদেশী, দলগত বা ব্রাদারহুড’ চিন্তাভাবনা থেকে মানুষজনকে সরিয়ে আনতে সর্বত্র একই ধরণের বয়ান চালু করার কথা ভাবা হচ্ছে, যা নিয়ে দেশটিতে বিতর্ক চলছে।

আরেকটি অ্যাপ চালু করেছে সৌদি সরকার, যা ব্যবহার করে নাগরিকরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে খেলাধুলা পর্যন্ত নানা সরকারি সেবার বিষয়ে তাদের মতামত দিতে পারবেন।

এর আগে আরেকটি অ্যাপ চালু করেছে সৌদি সরকার, যা ব্যবহার করে নাগরিকরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে খেলাধুলা পর্যন্ত নানা সরকারি সেবার বিষয়ে তাদের মতামত দিতে পারবেন।

ধারণা করা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বর্তমানের এসব সংস্কারের পেছনে রয়েছেন, যিনি সৌদি আরবকে একটি আধুনিক ইসলামিক এবং উদার সমাজের দেশে পরিণত করতে চান।

যদিও এ সপ্তাহেই দেশটিতে মানবাধিকার কর্মীদের মুক্তির দাবিতে কানাডা একটি বিবৃতি দেয়ার পর সেদেশের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের পাশাপাশি বাণিজ্য সম্পর্ক স্থগিত করেছে সৌদি আরব।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৪৭৭ বার

আপনার মন্তব্য