যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ২০ অগাস্ট, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 03:01pm

|   লন্ডন - 10:01am

|   নিউইয়র্ক - 05:01am

  সর্বশেষ :

  স্তন্যপান করিয়ে বিপন্ন শিশুকে বাঁচালেন আর্জেন্টিনার পুলিশ কর্মকর্তা   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু   সরকার কোনো আন্দোলনকে দানা বেঁধে উঠতে দেবে না : এরশাদ   বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন প্রিয়াঙ্কা-নিক   ফিলিস্তিনিদের ঘরে ফেরার আন্দোলনে নিহত ১৬৬   প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ইমরান খান   ফাইনালে পারল না বাংলাদেশি মেয়েরা   মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে : নাসিম   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান আর নেই   সবচেয়ে বেশি আয় স্কারলেট জোহানসনের   শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার দাবি ড. কামালের   ছাত্র আন্দোলনে ‘গুজব’ ছড়ানোর অভিযোগে কফিশপের মালিক ফারিয়া রিমান্ডে   এবার ট্রাম্পের পুত্রবধূর বিরুদ্ধে অভিযোগ   যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন!   হ্যান্ডশেক না করা সেই সুইডিশ তরুণী মামলায় জিতলেন

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

সৌদি আরবে ইমামদের জন্য বিতর্কিত অ্যাপ

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৮-০৮ ১৭:০৮:০৫

নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ এমন একটি মোবাইল অ্যাপলিকেশন তৈরি করছে, যা দেশটির মসজিদের ইমামদের ধর্মীয় বয়ান পর্যবেক্ষণ করবে এবং বয়ান বেশি লম্বা হয়ে গেলে সেটি ব্যবহার করে তাদের সতর্ক করা যাবে।

সৌদি আরবের ইসলাম ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল লতিফ আল-শাইখ আল-ওয়াতান পত্রিকাকে জানিয়েছেন, এই অ্যাপটি মসজিদে ইমামদের বয়ানের ‘সময়’ এবং ‘মান’ পর্যবেক্ষণ করবে।

তবে কে বা কারা এসব পর্যবেক্ষণ তদারকি করবেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়। ধারণা করা হচ্ছে, নিয়মিত নামাজীরা এই অ্যাপ ব্যবহার করে তাদের ইমামদের কার্যক্রম সম্পর্কে নম্বর দিতে পারবেন।

ধর্মীয় বয়ান ও শিক্ষার বিষয়ে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে সৌদি আরব। ‘বিদেশী, দলগত বা ব্রাদারহুড’ চিন্তাভাবনা থেকে মানুষজনকে সরিয়ে আনতে সর্বত্র একই ধরণের বয়ান চালু করার কথা ভাবা হচ্ছে, যা নিয়ে দেশটিতে বিতর্ক চলছে।

আরেকটি অ্যাপ চালু করেছে সৌদি সরকার, যা ব্যবহার করে নাগরিকরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে খেলাধুলা পর্যন্ত নানা সরকারি সেবার বিষয়ে তাদের মতামত দিতে পারবেন।

এর আগে আরেকটি অ্যাপ চালু করেছে সৌদি সরকার, যা ব্যবহার করে নাগরিকরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে খেলাধুলা পর্যন্ত নানা সরকারি সেবার বিষয়ে তাদের মতামত দিতে পারবেন।

ধারণা করা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বর্তমানের এসব সংস্কারের পেছনে রয়েছেন, যিনি সৌদি আরবকে একটি আধুনিক ইসলামিক এবং উদার সমাজের দেশে পরিণত করতে চান।

যদিও এ সপ্তাহেই দেশটিতে মানবাধিকার কর্মীদের মুক্তির দাবিতে কানাডা একটি বিবৃতি দেয়ার পর সেদেশের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের পাশাপাশি বাণিজ্য সম্পর্ক স্থগিত করেছে সৌদি আরব।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৩৯০ বার

আপনার মন্তব্য