যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 07:30pm

|   লন্ডন - 01:30pm

|   নিউইয়র্ক - 08:30am

  সর্বশেষ :

  ট্রাম্পকে শান্তিতে নোবেলের জন্য অনুরোধ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র   ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাককে ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের অভিনন্দন!   অনুমোদন পেল আরও তিন ব্যাংক   সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে শাজাহান খানের নেতৃত্বে কমিটি   ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের কমিটি গঠিত   পাকিস্তান সীমান্তে ১৪০ যুদ্ধবিমান নিয়ে ভারতের মহড়া   কাশ্মীরে বোমা বিস্ফোরণে ভারতীয় মেজর নিহত   পুলওয়ামা হামলার পর ভারতজুড়ে আতঙ্কে কাশ্মীরিরা   মা-বাবার পাশে শায়িত হলেন আল মাহমুদ   শিক্ষিত হয়েও অনেকে স্বেচ্ছায় বেকার : পরিকল্পনামন্ত্রী   মিউনিখে প্রধানমন্ত্রীকে নাগরিক সংবর্ধনা   আল মাহমুদের জানাজা সম্পন্ন, কাল নিজ গ্রামে দাফন   জামায়াত থেকে শিবিরের সাবেক সভাপতি মঞ্জু বহিষ্কার   বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হলেন ৪৯ নারী   জামায়াত বিলুপ্তির প্রস্তাব, যা বললেন ওবায়দুল কাদের

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

নিউইয়র্কে ২০ মার্কিনির ঘাতক গাড়ির মালিক ‘পাকিস্তানি’

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০৯ ১২:৩৭:৫৯

নিউজ ডেস্ক: নিউইয়র্কে শনিবার বিশালাকৃতির যে লিমুজিন গাড়ি দুর্ঘটনায় ২০ জন মার্কিন নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন, তার মালিক পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তি বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

মঙ্গলবার বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, শাহেদ হুসেইন নামের ওই ব্যক্তি তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের ইনফর্মার হিসেবে কাজ করতেন।

নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো বলেন, সংস্কার করা ওই গাড়িটি রাস্তাতে নামানোরই কথা নয়।

এছাড়া, এর ড্রাইভারেরও এ রকম গাড়ি চালানোর যথার্থ লাইসেন্স ছিল না। কুয়োমো বলেন, কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা বের করতে তারা তদন্ত আরো জোরদার করেছেন।

‘প্রেস্টিজ লিমুজিন’ নামের প্রতিষ্ঠান থেকে গাড়িটি ভাড়া দেয়া হয়েছিল, সেটি ২৪ মাসে ২২ বার বিভিন্ন আইন ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে বলে জানায় সিবিএস নিউজ।

আদালত ও অন্যান্য সরকারি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, হুসেইন একাধিক বড় ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন।

পুলিশ কর্মকর্তা রবার্ট প্যাটনড জানান, হুসেন বর্তমানে পাকিস্তানে আছেন এবং তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

হুসেইন ইনফর্মার কিনা, সে সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভবত হুসেইনের ছেলে লিমুজিন প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছেন।

গাড়ির ড্রাইভার স্কট লিসিনিকিয়া আগে দু’বার মাদকের দায়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন।

যে গাড়িটিতে ভাড়া দেয়া হয়েছিল, সেটি আসলে ছিল ‘২০০১ ফোর্ড এক্সপেডিশন’ মডেলের। সেটিকেই সংস্কার করে লিমুজিনে রুপান্তর করা হয়েছিল।

এভাবে পরিবর্তিত গাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কর্তৃপক্ষ সব সময়ই উদ্বিগ্ন থাকে বলে জানান, পরিবহন খতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাবেক কর্মকর্তা পিটার গেলজ।

গাড়িটিতে ১৯ জনের বসার ব্যবস্থা ছিল। দুর্ঘটনার সময় এতে থাকা ১৮ জন যাত্রীর সবাই ও পথের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দু’জন মানুষ নিহত হন।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১০০৩ বার

আপনার মন্তব্য