যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 02:39pm

|   লন্ডন - 08:39am

|   নিউইয়র্ক - 04:39am

  সর্বশেষ :

  রাঙামাটিতে নির্বাচনকর্মীদের উপর গুলিবর্ষণ: নিহত ৭   প্যাটারসন সিটির ইউ‌নিয়ন এ‌ভি‌নিউ-এর নাম এখন ‘বাংলা‌দেশ বুলেভার্ড’   নিজের জন্য সংগৃহীত ৪২ হাজার ডলার নিহতদের পরিবারে দান করছেন ‘এগ বয়’   অসুস্থতার কারণে আদালতে খালেদা জিয়াকে হাজির করেনি কারা কর্তৃপক্ষ   এই বিশ্বে ইসলামবিদ্বেষের কোনো স্থান নেই: কানাডার প্রধানমন্ত্রী   ‘মুজিব কোট’ পরে এসেছিল শিশুরা   ক্রাইস্টচার্চে সন্তানকে বাঁচাতে বন্দুকের সামনে বুক পাতেন বাবা!   সিনেটরের মাথায় ডিম ভেঙে রাতারাতি হিরো কনোলি   লাশ আনতে প্রতি পরিবারের একজন নিউজিল্যান্ডে যেতে পারবেন   আবারও ডাকসুর পুনর্নির্বাচন চাইলেন ভিপি নুর   ক্রাইস্টচার্চে হামলাকারীর মৃত্যুদণ্ড চাইলেন তার বোন   ইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু   ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশি নিহতের সংখ্যা ৮ হতে পারে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী   এবার অস্ট্রেলিয়ায় মসজিদে গাড়ি নিয়ে ঢুকে পড়লো উগ্রবাদী   বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিন আজ

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

নিম্নকক্ষ ডেমোক্র্যাটদের উচ্চকক্ষ রিপাবলিকানদের, ক্ষমতা কার?

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৭ ১৪:৪৮:২৬

নিউজ ডেস্ক: মার্কিন কংগ্রেস এখন দুইভাগে বিভক্ত। একটি অংশ রিপাবলিকানদের দখলে এবং অন্যটি ডেমোক্র্যাটদের। এ অবস্থায় বিশ্বের অনেক মানুষ বুঝতে পারছেন না ক্ষমতা আসলে কার। এজন্য তারা গুগলের সাহায্য নিচ্ছেন। এছাড়া অনেকেই মধ্যবর্তী নির্বাচন সম্পর্কেও স্পষ্ট কোনও ধারণা রাখেন না।

হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস বা নিম্নকক্ষ
কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ৪৩৫ জন প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত। এদের প্রত্যেকের মেয়াদ দুই বছর। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যার অনুপাতে সেখানে নিম্নকক্ষের প্রতিনিধি কতজন হবে তা নির্ধারণ করা হয়। প্রত্যেক প্রতিনিধি তার নিজের অঞ্চলের হয়ে কাজ করেন।

নিম্নকক্ষের সদস্যরা সরকারি কর্মকর্তাদের অভিশংসন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন। এছাড়া ব্যয় সংক্রান্ত বিল তৈরির ক্ষমতাও রয়েছে তাদের। এবার নিম্নকক্ষে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বেশি হওয়ায় বিভিন্ন ব্যয় নির্বাহের বিষয়ে সিনেটর বা উচ্চকক্ষের সদস্যদের ওপর চাপ তৈরি করতে পারবে তারা। আর এদের চাপে হয়তো নিজেদের সমর্থকদের বিপরীতে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সিনেটরদের।

সিনেট বা উচ্চকক্ষ
সিনেট বা উচ্চকক্ষকে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর কারণ হলো উচ্চকক্ষের সদস্য সংখ্যা নিম্নকক্ষের চেয়ে অনেক কম। তার ওপর সাংবিধানিকভাবে এদের অনেক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

সিনেটে সব মিলিয়ে ১০০ জন সদস্য রয়েছেন। প্রতিটি অঙ্গরাজ্য থেকে দুজন করে সিনেটর নির্বাচিত হন। এদের মেয়াদ ৬ বছর।

সংবিধান সিনেটরদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ক্ষমতা দিয়েছে। সে হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে হবে তা নির্ধারণ করে উচ্চকক্ষ বা সিনেট সদস্যরাই। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নির্বাচন এবং বিভিন্ন দেশের সাথে চুক্তি সম্পাদন করেন এরাই।

যদিও অভিশংসন প্রক্রিয়া প্রথম শুরু হয় নিম্নকক্ষে, তারপর সেটা উচ্চকক্ষে আসে। অভিশংসনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের সদস্যরা অনেকটা জুরি বোর্ডের মতো কাজ করে। কোনও প্রেসিডেন্টকে সরাতে হলে দুই-তৃতীয়াংশ সিনেটরের সমর্থন লাগে।

কার ক্ষমতা বেশি
কার ক্ষমতা বেশি এই আলোচনার পর অবশ্য পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার কথা। এ সম্পর্কে রটগার্স ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক বেকারের একটি বক্তব্য প্রাসঙ্গিক। বেকার বলেন, যদিও উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের দায়িত্ব প্রায় একই তারপরও সাংবিধানিকভাবে তাদের (সিনেটরদের) আলাদা কিছু বিশেষত্ব রয়েছে।

তার ভাষায়, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের খুব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হয়। উচ্চকক্ষে নমিনেশন ও বিভিন্ন চুক্তি সম্পর্কিত এবং নিম্নকক্ষে কর ও ব্যয় নিয়ে কাজ করতে হয়।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৬৭১ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত

সাম্প্রতিক খবর