যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২০ Jul, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 09:18am

|   লন্ডন - 04:18am

|   নিউইয়র্ক - 11:18pm

  সর্বশেষ :

  আগুন থেকে বাঁচতে ১৯ তলা বেয়ে নামলেন 'স্পাইডারম্যানে'র মতো!   দুবাইয়ে দোকান থেকে মদ কিনতে পারবে পর্যটকরা   বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   প্রিয়া সাহাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি ১৪ দলের   মার্কিন সেনাদের থাকার অনুমতি দিলেন সৌদি বাদশাহ   আমেরিকা আমাদের সবার : মিশেল ওবামা   ২৭ ও ২৮ জুলাই লস এঞ্জেলেসে বর্ণাঢ্য আনন্দমেলা   দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জন্য প্রিয়া সাহাকে আইনের আওতায় আনা হোক   প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী প্রতারণার শিকার   ফিলিস্তিন যেতে নেতানিয়াহুর অনুমতি লাগবে মার্কিন মুসলিম এমপিদের!   নেত্রকোনার পর এবার রাজশাহীতে শিশুকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা   হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন মিন্নি, রিমান্ডে রিশান   কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বোমা বিস্ফোরণ, নিহত ৬   ইরানের ড্রোন ধ্বংস করেছে যুক্তরাষ্ট্র   উদ্ভট দাবি নিয়ে ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশি নারীর নালিশ, সমালোচনার ঝড়

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

নিম্নকক্ষ ডেমোক্র্যাটদের উচ্চকক্ষ রিপাবলিকানদের, ক্ষমতা কার?

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-০৭ ১৪:৪৮:২৬

নিউজ ডেস্ক: মার্কিন কংগ্রেস এখন দুইভাগে বিভক্ত। একটি অংশ রিপাবলিকানদের দখলে এবং অন্যটি ডেমোক্র্যাটদের। এ অবস্থায় বিশ্বের অনেক মানুষ বুঝতে পারছেন না ক্ষমতা আসলে কার। এজন্য তারা গুগলের সাহায্য নিচ্ছেন। এছাড়া অনেকেই মধ্যবর্তী নির্বাচন সম্পর্কেও স্পষ্ট কোনও ধারণা রাখেন না।

হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস বা নিম্নকক্ষ
কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ৪৩৫ জন প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত। এদের প্রত্যেকের মেয়াদ দুই বছর। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যার অনুপাতে সেখানে নিম্নকক্ষের প্রতিনিধি কতজন হবে তা নির্ধারণ করা হয়। প্রত্যেক প্রতিনিধি তার নিজের অঞ্চলের হয়ে কাজ করেন।

নিম্নকক্ষের সদস্যরা সরকারি কর্মকর্তাদের অভিশংসন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন। এছাড়া ব্যয় সংক্রান্ত বিল তৈরির ক্ষমতাও রয়েছে তাদের। এবার নিম্নকক্ষে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বেশি হওয়ায় বিভিন্ন ব্যয় নির্বাহের বিষয়ে সিনেটর বা উচ্চকক্ষের সদস্যদের ওপর চাপ তৈরি করতে পারবে তারা। আর এদের চাপে হয়তো নিজেদের সমর্থকদের বিপরীতে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সিনেটরদের।

সিনেট বা উচ্চকক্ষ
সিনেট বা উচ্চকক্ষকে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর কারণ হলো উচ্চকক্ষের সদস্য সংখ্যা নিম্নকক্ষের চেয়ে অনেক কম। তার ওপর সাংবিধানিকভাবে এদের অনেক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

সিনেটে সব মিলিয়ে ১০০ জন সদস্য রয়েছেন। প্রতিটি অঙ্গরাজ্য থেকে দুজন করে সিনেটর নির্বাচিত হন। এদের মেয়াদ ৬ বছর।

সংবিধান সিনেটরদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ক্ষমতা দিয়েছে। সে হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে হবে তা নির্ধারণ করে উচ্চকক্ষ বা সিনেট সদস্যরাই। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নির্বাচন এবং বিভিন্ন দেশের সাথে চুক্তি সম্পাদন করেন এরাই।

যদিও অভিশংসন প্রক্রিয়া প্রথম শুরু হয় নিম্নকক্ষে, তারপর সেটা উচ্চকক্ষে আসে। অভিশংসনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের সদস্যরা অনেকটা জুরি বোর্ডের মতো কাজ করে। কোনও প্রেসিডেন্টকে সরাতে হলে দুই-তৃতীয়াংশ সিনেটরের সমর্থন লাগে।

কার ক্ষমতা বেশি
কার ক্ষমতা বেশি এই আলোচনার পর অবশ্য পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার কথা। এ সম্পর্কে রটগার্স ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক বেকারের একটি বক্তব্য প্রাসঙ্গিক। বেকার বলেন, যদিও উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের দায়িত্ব প্রায় একই তারপরও সাংবিধানিকভাবে তাদের (সিনেটরদের) আলাদা কিছু বিশেষত্ব রয়েছে।

তার ভাষায়, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের খুব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হয়। উচ্চকক্ষে নমিনেশন ও বিভিন্ন চুক্তি সম্পর্কিত এবং নিম্নকক্ষে কর ও ব্যয় নিয়ে কাজ করতে হয়।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৭৪০ বার

আপনার মন্তব্য