যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 06:32pm

|   লন্ডন - 12:32pm

|   নিউইয়র্ক - 07:32am

  সর্বশেষ :

  জামায়াত বিলুপ্তির প্রস্তাব, যা বললেন ওবায়দুল কাদের   আইএসে যোগ দেওয়া ব্রিটিশ-বাংলাদেশিকে ফিরতে দেওয়া হবে না   পানি চুরি!   কাশ্মিরে যে কোনও পদক্ষেপ নিতে সেনাবাহিনীকে মোদির অনুমতি   আখেরি মোনাজাতে শেষ হল ইজতেমার প্রথম পর্ব   যুক্তরাষ্ট্রে শিকাগোর শিল্পাঞ্চলে বন্দুক হামলায় নিহত ৫   নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের গুলিতে ৬৬ জন নিহত   সোনালী কাবিন’র কবি আল মাহমুদ আর নেই, বাদ জোহর জানাযা   ভাইরাল হতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার   আর প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না: ডয়েচে ভেলেকে শেখ হাসিনা   কাশ্মিরে পুলিশ বাসে হামলায় নিহত ৪২   সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড   তিনদিনের সফরে জার্মানিতে প্রধানমন্ত্রী   নির্বাচন চ্যালেঞ্জ করে ঐক্যফ্রন্টের ৭৪ প্রার্থীর মামলা   বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট আসছে জুনে

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রে ফাঁসির সময় পাশে ইমাম চেয়েও পাননি দণ্ডিত মুসলিম

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-০৯ ১২:০১:১২

নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাবামা অঙ্গরাজ্যে ফাঁসির সময় পাশে ইমাম চেয়েও পাননি এক দণ্ডিত মুসলিম।

বৃহস্পতিবার ৪২ বছর বয়সী ডোমিনিক ‘হাকিম’রে নামের এই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় তার পাশে ইমাম রাখার অনুরোধ দেশটির সুপ্রিম কোর্ট ৫-৪ ভোটে প্রত্যাখ্যান করেন বলে জানিয়েছে ‘আল জাজিরা’।

রে’র আইনজীবীদের যুক্তি, অ্যালাবামার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নীতি খ্রিস্টানদের অনুকূলে। কারণ এই নীতি অনুসারে কোনও খ্রিস্টানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় তার পাশে একজন যাজক থাকতে পারেন। দণ্ডিত ব্যক্তির মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তিনি তার পাশে থাকতে এবং প্রার্থনা করতে পারেন।

এই বিষয়ে ‘কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশন্স’র অ্যালাবামা শাখার সরকার বিষয়ক সমন্বয়ক আলি মাসুদ জানান, এক্ষেত্রে অন্য উপায় অবলম্বন করা যেতো।

তিনি টেলিফোনে কাতার-ভিত্তিক গণমাধ্যমটিকে বলেন, একদিকে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত খ্রিস্টানরা জীবনের শেষ মুহূর্তে ধর্মীয় উপদেশ শুনতে পারবে। অন্যদিকে মুসলিমরা পারবে না। আমরা মনে করি এটা এক ধরনের ধর্মীয় বৈষম্য।

রে’র মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে ‘ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশন্স’র একজন মুখপাত্র ইমেইল বার্তায় রয়টার্স নিউজ এজেন্সিকে জানান, স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১২ মিনিটে প্রাণনাশক ইনজেকশন প্রয়োগের মাধ্যমে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। তাৎক্ষণিক আর কিছুই জানানো হয়নি।

বার্মিংহাম নিউজসহ একাধিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, একজন ইমাম পাশের রুম থেকে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দেখেন। সরকার পক্ষের আইনজীবীরা জানান, নিরাপত্তার জন্য শুধু কারাগারের কর্মীদেরকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় থাকার অনুমতি আছে।

রে’কে ১৯৯৯ সালে ১৫ বছর বয়সী টিফ্যানি হারভিলে নামের এক কিশোরীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এই কিশোরী ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে তার বাসা থেকে নিখোঁজ হয়।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৬৭৪ বার

আপনার মন্তব্য