যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 11:19pm

|   লন্ডন - 06:19pm

|   নিউইয়র্ক - 01:19pm

  সর্বশেষ :

  জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন   আমেরিকারপ্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের প্রমাণ মিলেছে   খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া শপথ নেয়ার প্রশ্নই আসে না: মওদুদ   তারেক-জোবাইদার ব্রিটেনের ৩ ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিল ঢাকার আদালত   ভারতের নির্বাচনে বাংলাদেশে যে প্রভাব পড়তে পারে   নুসরাত হত্যা : আ.লীগ নেতা রুহুল আমিন আটক   দেশের গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করছে : তথ্যমন্ত্রী   গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ   আল্লাহর রহমতে আ.লীগের জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে : প্রধানমন্ত্রী   নতুন চমক নিয়ে আসছেন এআর রহমান   ইতালিতে বারবিকিউয়ের আগুন থেকে দাবানল, দুই শিক্ষার্থীকে ২৭ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা   দেশেই উৎপাদন হবে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ গাড়ি   বিমানবন্দরে অস্ত্র গুলিসহ উপজেলা চেয়ারম্যান আটক   নুসরাতকে নিয়ে ছোট ভাই রায়হানের আবেগঘন স্ট্যাটাস   কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রে ফাঁসির সময় পাশে ইমাম চেয়েও পাননি দণ্ডিত মুসলিম

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-০৯ ১২:০১:১২

নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাবামা অঙ্গরাজ্যে ফাঁসির সময় পাশে ইমাম চেয়েও পাননি এক দণ্ডিত মুসলিম।

বৃহস্পতিবার ৪২ বছর বয়সী ডোমিনিক ‘হাকিম’রে নামের এই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় তার পাশে ইমাম রাখার অনুরোধ দেশটির সুপ্রিম কোর্ট ৫-৪ ভোটে প্রত্যাখ্যান করেন বলে জানিয়েছে ‘আল জাজিরা’।

রে’র আইনজীবীদের যুক্তি, অ্যালাবামার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নীতি খ্রিস্টানদের অনুকূলে। কারণ এই নীতি অনুসারে কোনও খ্রিস্টানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় তার পাশে একজন যাজক থাকতে পারেন। দণ্ডিত ব্যক্তির মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তিনি তার পাশে থাকতে এবং প্রার্থনা করতে পারেন।

এই বিষয়ে ‘কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশন্স’র অ্যালাবামা শাখার সরকার বিষয়ক সমন্বয়ক আলি মাসুদ জানান, এক্ষেত্রে অন্য উপায় অবলম্বন করা যেতো।

তিনি টেলিফোনে কাতার-ভিত্তিক গণমাধ্যমটিকে বলেন, একদিকে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত খ্রিস্টানরা জীবনের শেষ মুহূর্তে ধর্মীয় উপদেশ শুনতে পারবে। অন্যদিকে মুসলিমরা পারবে না। আমরা মনে করি এটা এক ধরনের ধর্মীয় বৈষম্য।

রে’র মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে ‘ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশন্স’র একজন মুখপাত্র ইমেইল বার্তায় রয়টার্স নিউজ এজেন্সিকে জানান, স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১২ মিনিটে প্রাণনাশক ইনজেকশন প্রয়োগের মাধ্যমে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। তাৎক্ষণিক আর কিছুই জানানো হয়নি।

বার্মিংহাম নিউজসহ একাধিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, একজন ইমাম পাশের রুম থেকে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দেখেন। সরকার পক্ষের আইনজীবীরা জানান, নিরাপত্তার জন্য শুধু কারাগারের কর্মীদেরকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় থাকার অনুমতি আছে।

রে’কে ১৯৯৯ সালে ১৫ বছর বয়সী টিফ্যানি হারভিলে নামের এক কিশোরীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এই কিশোরী ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে তার বাসা থেকে নিখোঁজ হয়।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৭৩৪ বার

আপনার মন্তব্য