যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২৪ অগাস্ট, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 08:31pm

|   লন্ডন - 03:31pm

|   নিউইয়র্ক - 10:31am

  সর্বশেষ :

  সুনামগঞ্জ জেলা সমাজকল্যাণ সমিতি, যুক্তরাষ্ট্র’-এর ‘বার্ষিক মিলন-উৎসব ও বনভোজন অনুষ্ঠিত   আমাজনে আগুন : ব্রাজিলের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি ইউরোপের   ফেসবুকে অপপ্রচারে থানায় জিডি করলেন লন্ডন প্রবাসী লেখক-সাংবাদিক আনোয়ার শাহজাহান   সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশী নিহত   চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে মাদক ব্যবসা, খুন সবই হয়   নিউইয়র্কে মিস নেপাল প্রতিযোগিতার বিচারক হলেন ইঞ্জিনিয়ার হানিপ   কাশ্মীর নিয়ে জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে কথা বললেন ইমরান খান   রাশিদা-ইলহান নিষিদ্ধ: ইসরাইল যাবেন না মার্কিন নারীবাদীরা   প্রবাসে কমিউনিটির চিন্তায় ও মননে সকল বাংলাদেশিরা এক এবং অভিন্ন   রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকার ব্যর্থ: রিজভী   রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে শক্ত অবস্থানে যাবে বাংলাদেশ   আমাজনে আগুন: বাণিজ্য চুক্তি বন্ধের হুমকি ফ্রান্স-আয়ারল্যান্ডের   ধর্ম বা বিশ্বাসের কারণে সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবসের বিবৃতি   পেন্সিল অস্ট্রেলিয়া’র আয়োজনে সিডনীতে সাংস্কৃতিক সমাবেশ   চলে গেলেন অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

মালিতে জাতিগত সহিংসতায় নিহত ৯৫

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৬-১১ ১৪:৫৯:৩২

নিউজ ডেস্ক: আফ্রিকার দেশ মালিতে জাতিগত সহিংসতায় অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছে। রোববার রাতভর  ডোগন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষদের গ্রামে হামলা চালিয়েছে প্রতিপক্ষ ফুলানি গোষ্ঠীর লোকেরা। সোমবার স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র এরি কানেকো সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘আরো হামলা ঠেকাতে মালি সরকারকে’ জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বিমান সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

বানকার এলাকার মেয়র মৌলায়ে গুইন্দো রয়টার্সকে জানিয়েছেন, রোববার রাতে সাংহা জেলায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। অন্ধকারে প্রতিবেশী বানকাস জেলা থেকে ফুলানিরা যেয়ে ডোগনদের গ্রামে হামলা চালায়।

প্রতিবেশী শহর বান্দিয়াগারার কর্মকর্তা সিরিয়াম কানৌতি বলেন, ‘ফুলানিদের সশস্ত্র লোকজন লোকদের ওপর গুলি ছোঁড়ে এবং গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়।’

সাংহা মেয়র আলি দোলো জানান, ৯৫টি মৃতদেহ এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে। তবে গ্রামটি এখন জ্বলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এ কারনে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

তিনি বলেন, ‘প্রায় ৩০০ বাসিন্দার মধ্যে কেবল ৫০ জনের সাড়া পাওয়া গেছে।’

ডোগন ও ফুলানি গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব বহু পুরোনো। এর মূল কারণ ডোগনরা প্রথাগত পদ্ধতিতে চাষবাস করে জীবিকা নির্বাহ করে। আর পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আসা ফুলানি গোত্রের লোকেরা কিছুটা যাযাবর জীবনযাপন করে। এই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মূল বিরোধটি জমির মালিকানা নিয়ে।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৫৬ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত

সাম্প্রতিক খবর