যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 08:35pm

|   লন্ডন - 03:35pm

|   নিউইয়র্ক - 10:35am

  সর্বশেষ :

  মিয়ানমার কারও কথা শোনে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী   পরীক্ষা ছাড়া ভর্তিকে কেন্দ্র করে ঢাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের হাতাহাতি   ১৮টি অমুসলিম উপাসনালয়ের অনুমোদন দিচ্ছে আরব আমিরাত   দেশে দুর্নীতি মহামারী আকার ধারণ করেছে : মওদুদ   লাইবেরিয়ায় ধর্মীয় স্কুলে আগুন, নিহত ৩০   ১৮ দিনেও খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পাননি স্বজনরা, উদ্বেগ   নিউইয়র্কে ইন্টারন্যাশনাল সীরাত কনভেনশন শনিবার   নিউইয়র্কে বিয়ানীবাজার এডুকেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের ক্রিকেট টুনার্মেন্ট সম্পন্ন   ওয়াশিংটন ডিসিতে শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তি সংগঠন ‘সমস্বর’-এর আত্মপ্রকাশ   বাফলা চ্যারিটির ফান্ড রাইজিং ডিনার রবিবার   দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতিবিদরা মাথা ন্যাড়া করছেন   বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আরো ভাগাভাগি হচ্ছে, গণমাধ্যমে আসছে না: আরেফিন সিদ্দিক   ‘জাবির অর্থ কেলেঙ্কারি ফাঁসকারী ছাত্রলীগ নেতারা হুমকির সম্মুখীন’   খালেদা কিছুই দেননি, হাসিনা আমাদের সম্মানিত করেছেন: আল্লামা শফী   রাখাইনে আরও ৬ লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার চরম ঝুঁকিতে : জাতিসংঘ

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

গণবিক্ষোভের মুখে চীনের সঙ্গে হংকংয়ের প্রত্যর্পণ বিলের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৭-০৯ ০৭:৩৪:৫৬

নিউজ ডেস্ক: উত্তাল গণবিক্ষোভের মুখে চীনের সঙ্গে হংকংয়ের প্রত্যর্পণ বিলের মৃত্যু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন হংকংয়ের শাসক ক্যারি ল্যাম। এ বিলটি বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারীরা সরকারি অফিসগুলো অবরুদ্ধ করে রাখেন। এমনকি তারা দেশটির সংসদে ঢুকে যায়। খবর রয়টার্স।

মঙ্গলবার ক্যারি ল্যাম স্বীকার করেন, এই গণবিক্ষোভ বিলটি নিয়ে তার সরকারের তৎপরতা পুরোপুরি ভেস্তে দিয়েছে।

চীনের মতো ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের দেশে প্রত্যর্পণের উদ্যোগ নেয়ায় ক্যারি ল্যামের পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা বিতর্কিত বিলটি স্থায়ীভাবে বাতিলের দাবিতে আওয়াজ তোলেন।

এর আগে গত মাসে লাখো মানুষের গণবিক্ষোভের মুখে এ বিলটির জন্য ক্ষমা চান হংকংয়ের চীনপন্থী শাসক ক্যারি ল্যাম।

বিতর্কিত অপরাধী প্রত্যর্পণ বিলটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিতেরও ঘোষণা দেন তিনি। তবে এর পরও আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন বিক্ষোভকারীরা।

এর আগে অপরাধী প্রত্যর্পণ বিলে কোনো রকমের কাটছাঁট করা হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন ক্যারি ল্যাম। তবে গণআন্দোলনের মুখে বিলটি স্থগিতের পর উল্টো জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন তিনি।

মূলত চীন ও তাইওয়ানে অপরাধী প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত প্রস্তাবিত একটি বিলের বিপক্ষে হংকংজুড়ে এই গণবিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

আন্দোলনকারীদের মূল ক্ষোভ চীনের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে। হংকংয়ের সাধারণ মানুষ মনে করছেন, বেইজিংয়ের দুর্বল আইন এবং মানবাধিকার রেকর্ডের কারণে সেখানে কাউকে ফেরত পাঠানো নিরাপদ নয়। দেশটির সাধারণ মানুষের ধারণা, বিলটি পাস হলে তা দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চীনের হস্তক্ষেপের সুযোগ বাড়িয়ে দেবে।

হংকং চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হলেও ২০৪৭ সাল অবধি অঞ্চলটির স্বায়ত্তশাসনের নিশ্চয়তা দিয়েছে দেশটি। ১৫০ বছর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনে থাকার পর লিজ চুক্তির মেয়াদ শেষে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই অঞ্চলটি চীনের কাছে ফেরত দেয়া হয়েছিল।

হংকংয়ের জনসংখ্যা প্রায় ৭৪ লাখ হলেও ১২ জনের একটি বিশেষ কমিটি নেতা বাছাইয়ে ভোট দেয়ার সুযোগ পান।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১১৮ বার

আপনার মন্তব্য

সাম্প্রতিক খবর