যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 05:30am

|   লন্ডন - 12:30am

|   নিউইয়র্ক - 07:30pm

  সর্বশেষ :

  মিয়ানমার কারও কথা শোনে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী   পরীক্ষা ছাড়া ভর্তিকে কেন্দ্র করে ঢাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের হাতাহাতি   ১৮টি অমুসলিম উপাসনালয়ের অনুমোদন দিচ্ছে আরব আমিরাত   দেশে দুর্নীতি মহামারী আকার ধারণ করেছে : মওদুদ   লাইবেরিয়ায় ধর্মীয় স্কুলে আগুন, নিহত ৩০   ১৮ দিনেও খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পাননি স্বজনরা, উদ্বেগ   নিউইয়র্কে ইন্টারন্যাশনাল সীরাত কনভেনশন শনিবার   নিউইয়র্কে বিয়ানীবাজার এডুকেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের ক্রিকেট টুনার্মেন্ট সম্পন্ন   ওয়াশিংটন ডিসিতে শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তি সংগঠন ‘সমস্বর’-এর আত্মপ্রকাশ   বাফলা চ্যারিটির ফান্ড রাইজিং ডিনার রবিবার   দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতিবিদরা মাথা ন্যাড়া করছেন   বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আরো ভাগাভাগি হচ্ছে, গণমাধ্যমে আসছে না: আরেফিন সিদ্দিক   ‘জাবির অর্থ কেলেঙ্কারি ফাঁসকারী ছাত্রলীগ নেতারা হুমকির সম্মুখীন’   খালেদা কিছুই দেননি, হাসিনা আমাদের সম্মানিত করেছেন: আল্লামা শফী   রাখাইনে আরও ৬ লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার চরম ঝুঁকিতে : জাতিসংঘ

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

ধর্ম বা বিশ্বাসের কারণে সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবসের বিবৃতি

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৮-২৩ ১৪:১৬:০৬

নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব সম্প্রদায় গতকাল ধর্মীয় মত প্রকাশের কারণে নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। জাতিসংঘ এদিন ২২ শে আগস্ট তারিখটিকে ধর্ম বা বিশ্বাসের কারণে সহিংসতার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণ করার আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে মিলে একে স্বাগত জানিয়েছে। আমাদের বিশ্বাস বিভিন্ন ধারণা নিয়ে উন্মুক্ত, গঠনমূলক এবং পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বিতর্কের পাশাপাশি স্থানীয়, জাতীয়, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আন্তঃধর্মীয়, আন্তঃবিশ্বাস ও আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপ ধর্মীয় বিদ্বেষ, উস্কানি এবং সহিংসতা মোকাবেলায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র সর্বত্র ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা এবং তা এগিয়ে নেওয়ায় সংকল্পবদ্ধ। ধর্মীয় স্বাধীনতা এগিয়ে নেওয়া বিষয়ক দ্বিতীয় মন্ত্রি পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেওয়ার জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা এ ফোরামটিকে বিশ্বব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সংলাপ আরও এগিয়ে নেওয়ার এক অনুঘটক হিসেবেই দেখি।

১৬-১৮ জুলাই ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত ওই মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠকে নাগরিক সমাজের এক হাজারের বেশি সদস্য এবং বিদেশি সরকার ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ১০৫ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। এটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের আয়োজিত এ যাবতকালের বৃহত্তম মানবাধিকার বিষয়ক সম্মেলন।

ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা এবং ধর্মীয় নিপীড়ন ও বৈষম্য মোকাবেলায় সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থা ঠিক করা ছিল এর লক্ষ্য।

মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেন, ‘আমরা সবসময়ই আপনার বিবেকের নির্দেশ অনুসারে জীবনধারণ, কাজকর্ম ও উপাসনা করার স্বাধীনতার পক্ষে থাকব। আর ধর্মীয় স্বাধীনতা সর্বদাই হবে যুক্তরাষ্ট্রের চেতনার অন্যতম মূল সুর।’

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৭৩ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত

সাম্প্রতিক খবর