যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 04:31pm

|   লন্ডন - 10:31am

|   নিউইয়র্ক - 05:31am

  সর্বশেষ :

  দিল্লির নালা-নর্দমা থেকে বের হচ্ছে একের পর এক লাশ   ৫৯ দেশে করোনাভাইরাস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’   র‌্যাবের গুলিতে পা হারানো সেই লিমন এখন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক   করোনাভাইরাস : ইরানে নিহত ২১০   নিউইয়র্ক পুলিশের লেফটেন্যান্ট হলেন বাংলাদেশি সুমন   ভারত ছাড়ার নোটিশ: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে আইনি সহায়তার ঘোষণা   থমথমে দিল্লী, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪২   ১০ হাজার বাংলাদেশির ওমরাহ অনিশ্চিত, ক্ষতি ৫০ কোটি টাকা   মোদিবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ঢাকা   বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার না করলে জনগণ রাজপথে নামবে: ফখরুল   যুদ্ধাপরাধী-সন্ত্রাসীদের সিটিজেনশিপ কেড়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রে নয়া অফিস   দক্ষিণ কোরিয়ায় একদিনে ৫৭১ জন করোনায় আক্রান্ত   পাপিয়ার সহযোগীদেরও ধরা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ, গ্রেপ্তারের মুখে ভারতীয় নায়িকা   চোখে অশ্রু নিয়ে দিল্লি ছাড়ছে আতঙ্কিত মুসলিমরা

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

আবার বাধার মুখে ব্রেক্সিট

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২১ ১১:৪১:৫৪

নিউজ ডেস্ক:

ব্রিটিশ সংসদের উচ্চকক্ষ সংশোধনী চেয়ে ব্রেক্সিট বিল নিম্ন কক্ষে ফেরত পাঠানোয় ৩১শে জানুয়ারি ব্রেক্সিট কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়লো। ইইউ নাগরিকদের অধিকার না মানলে সরকার সমস্যায় পড়তে পারে।

গত ডিসেম্বর মাসে আগাম নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর সবকিছু বেশ মসৃণভাবেই এগোচ্ছিল। কিন্তু ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সংসদের উচ্চকক্ষে ব্রেক্সিট আইন অনুমোদন করাতে গিয়ে ধাক্কা খেলেন। সোমবার হাউস অফ লর্ডস ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিচ্ছেদ চুক্তির প্রতি সমর্থন জানায়নি। অনুমোদন না করার ক্ষমতা না থাকলেও আইনে সংশোধনী চেয়ে নিম্নকক্ষে ফেরত পাঠানোর ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন সংসদ সদস্যরা।

চলতি মাসের শুরুতেই ব্রিটিশ সংসদের নিম্নকক্ষ ব্রেক্সিট আইন অনুমোদন করেছে। ৩১শে জানুয়ারি ব্রেক্সিট কার্যকর করতে জনসন তার আগেই সব আইনি প্রস্তুতি শেষ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। নিজস্ব সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকা সত্ত্বেও হাউস অফ লর্ডসে বাধার আশঙ্কা করেননি জনসন। অথচ ব্রেক্সিটের পরেও ব্রিটেনে বসবাসরত ইইউ নাগরিকদের সে দেশে থাকার অধিকার নিশ্চিত করতে বিরোধী উদারপন্থি দল সোমবার একটি প্রস্তাব পেশ করে। ২৭০ জন সংসদ সদস্য প্রস্তাবের পক্ষে, ২২৯ জন বিপক্ষে ভোট দেন। এই উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত সফল হলে ইইউ নাগরিকদের আলাদা করে ব্রিটেনে থাকার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে না। সরকারের প্রস্তাবিত ডিজিটাল তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বদলে তাদের ব্রিটেনে বসবাসের অধিকারের প্রমাণ হিসেবে নথিপত্রও দিতে হবে। শিশু শরণার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতেও উচ্চকক্ষ সোমবার সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।

উচ্চকক্ষের এই কড়া মনোভাবের ফলে জনসন সরকারের পরিকল্পনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়লো। নিম্নকক্ষকে আইনের খসড়ায় পরিবর্তনের দাবি বিবেচনা করতে পারে। চলতি সপ্তাহে উচ্চকক্ষে ফেরত পাঠালে নতুন করে আপত্তি দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে আরও বিলম্বের আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। ৩১শে জানুয়ারি ব্রেক্সিট কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রাও প্রশ্নের মুখে পড়ছে। ব্রিটেনের সংসদের দুই কক্ষে ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদনের পর ইউরোপীয় পার্লামেন্টেও এই চুক্তি অনুমোদন করাতে হবে। মাত্র ১০ দিনের মধ্যে গোটা প্রক্রিয়া শেষ করা কঠিন হবে।

এদিকে ব্রেক্সিট-পরবর্তী ব্রিটেনকে আকর্ষণীয় করে তুলতে বরিস জনসন আফ্রিকার নেতাদের সামনে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তুলে ধরেন। বিশেষ করে আফ্রিকার অভিবাসীদের জন্য সহজে ভিসা দেবার অঙ্গীকার করেন তিনি। ইইউ অভিবাসীদের অগ্রাধিকারের ব্যবস্থা শেষ হলে ব্রিটেন এ ক্ষেত্রে গোটা অভিবাসন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে চায়।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১৫৫ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত