যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 02:07pm

|   লন্ডন - 08:07am

|   নিউইয়র্ক - 03:07am

  সর্বশেষ :

  নজরদারিতে ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি জোটের নেতারা   হাত-পাবিহীন একজন ‍আলোকচিত্রীর স্বপ্ন ছোঁয়ার গল্প   এত কিছু করেও শেষ রক্ষা পাচ্ছেন না নাজমুল হুদা!   সাভারে আগুনে অর্ধশতাধিক ঘর পুড়ে ছাই   আমাকে উৎখাত করলে ব্রেক্সিট সহজ হবে না : থেরেসা মে   কোমর ব্যথায় করণীয়   ‘বেগম খালেদা জিয়া : হার লাইফ, হার স্টোরি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন   আলোচনায় ইলিয়াস আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আবরার   ড. কামালের কাছে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন রেজা কিবরিয়া   ভিডিও কনফারেন্সে প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন তারেক, আ.লীগের অভিযোগ   দেশ ছাড়ছেন ভেনেজুয়েলার সুন্দরীরা   জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ, নিহত ১   খাশোগি হত্যার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই: ট্রাম্প   ‘একজনের কারণে তিস্তা চুক্তি হলো না’   চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিল

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

ছেলের খোঁজে সাইকেল নিয়ে ১৫০০ মাইল

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০২ ১৩:২৭:৪৩

নিউজ ডেস্ক: ছ’মাস আগে নিখোঁজ হয়েছে ১১ বছরের প্রতিবন্ধী ছেলে।সাহায্যের জন্য বাবা ছুটে গিয়েছিলেন পুলিশের কাছে ; কিন্তু মেলেনি।শূন্য হাতেই ফিরতে হয় ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাতরসের কৃষক সতীশ চন্দকে।

শেষ পর্যন্ত ছেলের খোঁজে নিজের সাইকেল নিয়ে পথে নামেন সতীশ।এভাবে চলতে চলতে নিজের রাজ্য পেরিয়ে চলে গিয়েছেন দিল্লি, হরিয়ানা।পাঁচ মাস ধরে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পথ সাইকেলে অতিক্রম করে ফেলেছেন সতীশ।তবুও মেলেনে ছেলের খোঁজ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, সতীশ যেখানে গিয়েছেন সেখানেই পথে-ঘাটের মানুষকে ছেলের ছবি দেখিয়ে জানতে চেয়েছেন কেউ তাকে দেখেছে কি না।কিন্তু কেউই সন্ধান দিতে পারেনি।এরপরও দমে যাননি আটচল্লিশের এই কৃষক।ছেলেকে খুঁজে পাওয়ার আশাতেই সাইকেলের প্যাডেলে পা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

সতীশ বেশ আক্ষেপের সঙ্গে বলেন, ‘লোকে আমাকে জিজ্ঞাসা করে কেন এমন পদক্ষেপ নিলাম। কিন্তু তারা বোঝে না, সন্তান হারানোর যন্ত্রণা কতটা তীব্র!’

তিনি জানান, ২০০৫ সালে মেয়ে সরিতা অসুখে ভুগে মারা যায়।২০১১ সালে মারা যায় তার অন্য এক সন্তান।গত ২৪ জুন ছেলে গডনাও নিখোঁজ হয়।শেষ সম্বলকে খুঁজতে তাই আর পিছনের দিকে তাকাননি তিনি।

সতীশ জানান, ২৪ জুন বাড়ি থেকে স্কুলের যায় গডনা।বাড়ি থেকে স্কুল এক কিলোমিটারের মধ্যেই।সন্ধ্যা হয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় স্কুলে খোঁজ নিতে যান তিনি।কিন্তু সেখানেও ছেলেকে না পেয়ে তার কয়েক জন বন্ধুর বাড়িতে যান।পথে যেতে যেতে কেউ একজন তাকে জানান, গডনাকে সাসনি রেলস্টেশনে দেখা গিয়েছে।সেখানেও ছুটে যান তিনি,কিন্তু হদিস পাননি তার।

চারদিন খোঁজার পর ২৮ জুন পুলিশের দ্বারস্থ হন সতীশ।তার অভিযোগ, পুলিশ এইআইআর নিতে অস্বীকার করে।বার বার অনুরোধ সত্ত্বেও কোনও কান দেয়নি পুলিশ।অগত্যা নিজেই ছেলেকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়েন নিজের সাইকেল নিয়ে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ২৯৬ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত