যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ১৮ অগাস্ট, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 04:47pm

|   লন্ডন - 11:47am

|   নিউইয়র্ক - 06:47am

  সর্বশেষ :

  সবচেয়ে বেশি আয় স্কারলেট জোহানসনের   শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার দাবি ড. কামালের   ছাত্র আন্দোলনে ‘গুজব’ ছড়ানোর অভিযোগে কফিশপের মালিক ফারিয়া রিমান্ডে   এবার ট্রাম্পের পুত্রবধূর বিরুদ্ধে অভিযোগ   যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন!   হ্যান্ডশেক না করা সেই সুইডিশ তরুণী মামলায় জিতলেন   ভারতে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৮ শতাধিক   পাকিস্তানের ২২তম প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, শপথ শনিবার   মিলানে শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন   নিউজিল্যান্ডে বাড়ি কিনতে পারবে না বিদেশিরা   লিবিয়ায় হত্যার দায়ে ৪৫ জনের মৃত্যুদণ্ড   কোটা সংস্কার আন্দোলন : ইডেন কলেজছাত্রী ৩ দিনের রিমান্ডে   বঙ্গবন্ধু হত্যায় খালেদাও জড়িত: প্রধানমন্ত্রী   ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী আর নেই   আমেরিকার বিপক্ষে তুরস্কের সঙ্গে জার্মান

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

ছেলের খোঁজে সাইকেল নিয়ে ১৫০০ মাইল

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০২ ১৩:২৭:৪৩

নিউজ ডেস্ক: ছ’মাস আগে নিখোঁজ হয়েছে ১১ বছরের প্রতিবন্ধী ছেলে।সাহায্যের জন্য বাবা ছুটে গিয়েছিলেন পুলিশের কাছে ; কিন্তু মেলেনি।শূন্য হাতেই ফিরতে হয় ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাতরসের কৃষক সতীশ চন্দকে।

শেষ পর্যন্ত ছেলের খোঁজে নিজের সাইকেল নিয়ে পথে নামেন সতীশ।এভাবে চলতে চলতে নিজের রাজ্য পেরিয়ে চলে গিয়েছেন দিল্লি, হরিয়ানা।পাঁচ মাস ধরে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পথ সাইকেলে অতিক্রম করে ফেলেছেন সতীশ।তবুও মেলেনে ছেলের খোঁজ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, সতীশ যেখানে গিয়েছেন সেখানেই পথে-ঘাটের মানুষকে ছেলের ছবি দেখিয়ে জানতে চেয়েছেন কেউ তাকে দেখেছে কি না।কিন্তু কেউই সন্ধান দিতে পারেনি।এরপরও দমে যাননি আটচল্লিশের এই কৃষক।ছেলেকে খুঁজে পাওয়ার আশাতেই সাইকেলের প্যাডেলে পা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

সতীশ বেশ আক্ষেপের সঙ্গে বলেন, ‘লোকে আমাকে জিজ্ঞাসা করে কেন এমন পদক্ষেপ নিলাম। কিন্তু তারা বোঝে না, সন্তান হারানোর যন্ত্রণা কতটা তীব্র!’

তিনি জানান, ২০০৫ সালে মেয়ে সরিতা অসুখে ভুগে মারা যায়।২০১১ সালে মারা যায় তার অন্য এক সন্তান।গত ২৪ জুন ছেলে গডনাও নিখোঁজ হয়।শেষ সম্বলকে খুঁজতে তাই আর পিছনের দিকে তাকাননি তিনি।

সতীশ জানান, ২৪ জুন বাড়ি থেকে স্কুলের যায় গডনা।বাড়ি থেকে স্কুল এক কিলোমিটারের মধ্যেই।সন্ধ্যা হয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় স্কুলে খোঁজ নিতে যান তিনি।কিন্তু সেখানেও ছেলেকে না পেয়ে তার কয়েক জন বন্ধুর বাড়িতে যান।পথে যেতে যেতে কেউ একজন তাকে জানান, গডনাকে সাসনি রেলস্টেশনে দেখা গিয়েছে।সেখানেও ছুটে যান তিনি,কিন্তু হদিস পাননি তার।

চারদিন খোঁজার পর ২৮ জুন পুলিশের দ্বারস্থ হন সতীশ।তার অভিযোগ, পুলিশ এইআইআর নিতে অস্বীকার করে।বার বার অনুরোধ সত্ত্বেও কোনও কান দেয়নি পুলিশ।অগত্যা নিজেই ছেলেকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়েন নিজের সাইকেল নিয়ে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ২৬৪ বার

আপনার মন্তব্য