যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 01:24am

|   লন্ডন - 07:24pm

|   নিউইয়র্ক - 02:24pm

  সর্বশেষ :

  ভক্তদের ভালবাসা জানালেন শাহানা কাজী   বাংলাদেশ ক্লাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মাল্টা যাচ্ছে ইতালির রত্না-অর্পিতা   মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন সু চি   শরীরের ভেতরের যেসব অঙ্গ ছাড়াও আপনি বাঁচতে পারবেন   দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী   আরো আবেদনময়ী হতে চান আনুশকা   পাকিস্তানে শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকারীর মৃত্যুদণ্ড   ডিসেম্বরে অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিলেন অর্থমন্ত্রী   মিয়ানমার জেনারেলের ওপর কানাডার নিষেধাজ্ঞা, রোহিঙ্গারা এখনও নৃশংসতার ঝুঁকিতে : ইউরোপীয় পার্লামেন্ট   মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ, ১৩ রুশ অভিযুক্ত   নাইজেরিয়ায় তিন আত্মঘাতীর হামলায় নিহত ১৮   ইতালীস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সংবাদ সংগ্রহে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত স্থানীয় সাংবাদিকদের   পারিশ্রমিক না পেয়ে চটেছেন প্রিয়াঙ্কা   ভারতকে সাবধান করে দিলো চীন   দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

ছেলের খোঁজে সাইকেল নিয়ে ১৫০০ মাইল

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০২ ১৩:২৭:৪৩

নিউজ ডেস্ক: ছ’মাস আগে নিখোঁজ হয়েছে ১১ বছরের প্রতিবন্ধী ছেলে।সাহায্যের জন্য বাবা ছুটে গিয়েছিলেন পুলিশের কাছে ; কিন্তু মেলেনি।শূন্য হাতেই ফিরতে হয় ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাতরসের কৃষক সতীশ চন্দকে।

শেষ পর্যন্ত ছেলের খোঁজে নিজের সাইকেল নিয়ে পথে নামেন সতীশ।এভাবে চলতে চলতে নিজের রাজ্য পেরিয়ে চলে গিয়েছেন দিল্লি, হরিয়ানা।পাঁচ মাস ধরে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পথ সাইকেলে অতিক্রম করে ফেলেছেন সতীশ।তবুও মেলেনে ছেলের খোঁজ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, সতীশ যেখানে গিয়েছেন সেখানেই পথে-ঘাটের মানুষকে ছেলের ছবি দেখিয়ে জানতে চেয়েছেন কেউ তাকে দেখেছে কি না।কিন্তু কেউই সন্ধান দিতে পারেনি।এরপরও দমে যাননি আটচল্লিশের এই কৃষক।ছেলেকে খুঁজে পাওয়ার আশাতেই সাইকেলের প্যাডেলে পা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

সতীশ বেশ আক্ষেপের সঙ্গে বলেন, ‘লোকে আমাকে জিজ্ঞাসা করে কেন এমন পদক্ষেপ নিলাম। কিন্তু তারা বোঝে না, সন্তান হারানোর যন্ত্রণা কতটা তীব্র!’

তিনি জানান, ২০০৫ সালে মেয়ে সরিতা অসুখে ভুগে মারা যায়।২০১১ সালে মারা যায় তার অন্য এক সন্তান।গত ২৪ জুন ছেলে গডনাও নিখোঁজ হয়।শেষ সম্বলকে খুঁজতে তাই আর পিছনের দিকে তাকাননি তিনি।

সতীশ জানান, ২৪ জুন বাড়ি থেকে স্কুলের যায় গডনা।বাড়ি থেকে স্কুল এক কিলোমিটারের মধ্যেই।সন্ধ্যা হয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় স্কুলে খোঁজ নিতে যান তিনি।কিন্তু সেখানেও ছেলেকে না পেয়ে তার কয়েক জন বন্ধুর বাড়িতে যান।পথে যেতে যেতে কেউ একজন তাকে জানান, গডনাকে সাসনি রেলস্টেশনে দেখা গিয়েছে।সেখানেও ছুটে যান তিনি,কিন্তু হদিস পাননি তার।

চারদিন খোঁজার পর ২৮ জুন পুলিশের দ্বারস্থ হন সতীশ।তার অভিযোগ, পুলিশ এইআইআর নিতে অস্বীকার করে।বার বার অনুরোধ সত্ত্বেও কোনও কান দেয়নি পুলিশ।অগত্যা নিজেই ছেলেকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়েন নিজের সাইকেল নিয়ে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১৯১ বার

আপনার মন্তব্য