যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 10:45am

|   লন্ডন - 04:45am

|   নিউইয়র্ক - 11:45pm

  সর্বশেষ :

  বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকা’র কমিটি ঘোষণা   রোহিঙ্গা সংকট দ্রুতগতিতে বাড়ছে, জরুরি সহায়তা প্রয়োজন : বিশ্বব্যাংক   ভেরিফিকেশনে গিয়ে ফুল-মিষ্টি দিয়ে পুলিশ সুপারের শুভেচ্ছা!   দেশের রেডিওতে শুদ্ধ বাংলা ব্যবহারের নির্দেশ   দ্বিতীয় মেয়াদেও প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হবেন সিসি   ভুয়া খবরের প্রচার ঠেকাতে ‘বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যম’র র‍্যাংকিং করবে ফেসবুক   কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের হামলায় ২২ সেনা নিহত   যুক্তরাষ্ট্রে সরকার ব্যবস্থায় অচলাবস্থা, নেপথ্য কারণ   টাওয়ার হ্যামলেটসকে ‘ট্রাম্পমুক্ত এলাকা’ ঘোষণা : নেতৃত্বে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর   সিলেটে অর্থমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় ১০ জন আহত   নাইজেরিয়ায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ১২   জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ   রাজশাহীতে প্রথম ফ্লাইওভার নির্মাণের সিদ্ধান্ত   তহবিল সংকটের কারণে ফের শাটডাউনের শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র   ফিলিস্তিনকে সাড়ে ৪ কোটি ডলার খাদ্য সহায়তা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করলেন মিয়ানমার সেনাপ্রধান

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১০ ১২:১৮:১১

নিউজ ডেস্ক: প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দিলেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং। বুধবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ১০ জন রোহিঙ্গাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। তবে বরাবরের মতোই তিনি তাদের ‘বাঙালি জঙ্গি’ হিসেবে তাদের আখ্যায়িত করেন।

সেনাপ্রধানের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, গ্রামবাসী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীরা মিলে ‘বাঙালি জঙ্গি’দের বিরুদ্ধে এ হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। তাদের প্রথমে আটক ও পরে হত্যা করা হয়। তার ভাষায়, ‘ইনদিন গ্রামের কয়েকজন গ্রামবাসী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্য স্বীকার করেছেন যে, তারা ১০ জন বাঙালি জঙ্গিকে হত্যা করেছেন।’

২০১৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ওই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। পরে নিহতদের গণকবর খুঁজে পাওয়ার পর এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে গত মাসে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে মিয়ানমার। সেই তদন্তের প্রেক্ষিতেই ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানালেন দেশটির সেনাপ্রধান।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারে নতুন করে রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ শুরুর পর জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন ছয় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন এই ঘটনাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞের ‘পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ’হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তবে গত মাসে জাতিসংঘের এক কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকে রাখাইনে সেনাদের হাতে রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণের অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি। জাতিসংঘ মহাসচিবকে লেখা এক চিঠিতে এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রামিলা প্যাটেন নামের ওই কর্মকর্তা।

প্রামিলা প্যাটেন হলেন সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে যৌন নিপীড়নের ঘটনা পর্যবেক্ষণকারী জাতিসংঘের বিশেষ দূত। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে তিনি চারদিনের জন্য মিয়ানমার সফরে যান। জাতিসংঘ মহাসচিবকে তিনি জানান, সু চি’র সঙ্গে তার আলোচনা হলেও বৈঠকটি কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। কারণ রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীদের ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগগুলো নিয়ে কথা বলতে চাইলে তা এড়িয়ে গেছেন সু চি।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৫০১ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত