যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 09:22am

|   লন্ডন - 03:22am

|   নিউইয়র্ক - 10:22pm

  সর্বশেষ :

  নিউইয়র্কে নববর্ষ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের শুভেচ্ছা বিনিময়   প্যারেডের থ্রিডি প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাফলার ফান্ডরাইজিং অনুষ্ঠিত   নিউ ইয়র্কে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, গ্রেপ্তার ৪   আরব আমিরাতে অবৈধ অভিবাসীকে আশ্রয় দিলে এক লাখ দিরহাম জরিমানা   টয়লেট টিস্যুতে ‘আল্লাহ’, বিক্ষুব্ধ যুক্তরাজ্যের মুসলিমরা   ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন   বিশ্বের শীর্ষ ১০০ চিন্তাবিদের তালিকায় শেখ হাসিনা   শান্তি ও মানবাধিকারের অনন্য আশ্রয়ভূমি ফ্রান্স   কারাগারে ‘মারা গেছেন’ মসজিদে নববীর এক ইমাম   ক্যালিফোর্নিয়ায় বাংলাদেশি খুদে শিক্ষার্থীর চমক, ৯ বছরেই কলেজে   আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে মোস্তাফিজ   সালমান খানকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি   কৃষ্ণ সাগরে দুই জাহাজে আগুন, নিহত ১০   প্যাটারসন সিটির পাবলিক স্কুলে হালাল ফুড   আর্জেন্টাইন ফুটবলারসহ দুজনকে নিয়ে বিমান নিখোঁজ

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করলেন মিয়ানমার সেনাপ্রধান

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১০ ১২:১৮:১১

নিউজ ডেস্ক: প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দিলেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং। বুধবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ১০ জন রোহিঙ্গাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। তবে বরাবরের মতোই তিনি তাদের ‘বাঙালি জঙ্গি’ হিসেবে তাদের আখ্যায়িত করেন।

সেনাপ্রধানের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, গ্রামবাসী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীরা মিলে ‘বাঙালি জঙ্গি’দের বিরুদ্ধে এ হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। তাদের প্রথমে আটক ও পরে হত্যা করা হয়। তার ভাষায়, ‘ইনদিন গ্রামের কয়েকজন গ্রামবাসী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্য স্বীকার করেছেন যে, তারা ১০ জন বাঙালি জঙ্গিকে হত্যা করেছেন।’

২০১৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ওই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। পরে নিহতদের গণকবর খুঁজে পাওয়ার পর এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে গত মাসে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে মিয়ানমার। সেই তদন্তের প্রেক্ষিতেই ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানালেন দেশটির সেনাপ্রধান।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারে নতুন করে রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ শুরুর পর জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন ছয় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন এই ঘটনাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞের ‘পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ’হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তবে গত মাসে জাতিসংঘের এক কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকে রাখাইনে সেনাদের হাতে রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণের অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি। জাতিসংঘ মহাসচিবকে লেখা এক চিঠিতে এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রামিলা প্যাটেন নামের ওই কর্মকর্তা।

প্রামিলা প্যাটেন হলেন সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে যৌন নিপীড়নের ঘটনা পর্যবেক্ষণকারী জাতিসংঘের বিশেষ দূত। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে তিনি চারদিনের জন্য মিয়ানমার সফরে যান। জাতিসংঘ মহাসচিবকে তিনি জানান, সু চি’র সঙ্গে তার আলোচনা হলেও বৈঠকটি কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। কারণ রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীদের ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগগুলো নিয়ে কথা বলতে চাইলে তা এড়িয়ে গেছেন সু চি।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৬৬৬ বার

আপনার মন্তব্য