যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 12:33pm

|   লন্ডন - 06:33am

|   নিউইয়র্ক - 01:33am

  সর্বশেষ :

  গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় উত্তর আমেরিকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন   মিলানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত   ভারতীয় সেনাপ্রধানের মুসলিমবিরোধী বক্তব্যে তোলপাড়   পেরুতে দ্বিতল বাস খাদে পড়ে নিহত ৪৪   বিনোদনে ৬৪০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে সৌদি আরব   খালেদা জিয়ার অর্থদণ্ড স্থগিত, জামিন শুনানি রোববার   স্কুলে হামলা ঠেকাতে শিক্ষকদের অস্ত্র দেওয়ার প্রস্তাব ট্রাম্পের   বাংলাদেশে দুর্নীতির মাত্রা অধিক ও উদ্বেগজনক : টিআইবি   বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার দাবি   আজ বিশ্ব স্কাউট দিবস   নিউইয়র্কে কুষ্টিয়া জেলা সমিতির পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন   রোমে প্রথম প্রহরে একুশ উদযাপন   আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে সিডনীতে বইমেলা   বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র চলছে : নিউইয়র্কে প্রবাসী নাগরিক সমাজের মুক্ত আলোচনা   ফ্রান্স আওয়ামীযুবলীগের সভা অনুষ্ঠিত

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

সৌদি নারীদের জন্য বোরকা পরা বাধ্যতামূলক থাকছে না

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০২-১১ ০১:২৪:৫৭

নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের শীর্ষস্থানীয় এক ধর্মীয় নেতা বলেছেন, সে দেশে মেয়েদের 'আবায়া' বা বোরকা পরতেই হবে এমন কোনো ব্যাপার নেই। মেয়েদের আব্রু বজায় রেখে পোশাক পরতে হবে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তাদের আবায়া পরতে হবে।

সৌদি আরবে মেয়েরা পা পর্যন্ত পুরো শরীর ঢেকে রাখা যে ঢিলেঢালা আচ্ছাদন ব্যবহার করে, তাকে আবায়া বলে। সেখানে আবায়া না পরে বাইরে যেতে দেখা যায় কম মহিলাকেই। সেখানে এটি পরা আইনত বাধ্যতামূলক।

কিন্তু সৌদি আরবের 'কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলারস' বা সবচেয়ে বয়েজ্যোষ্ঠ ধর্মীয় চিন্তাবিদদের কাউন্সিলের সদস্য শেখ আবদুল্লাহ আল মুতলাক বলেছেন, এটার দরকার নেই।

সৌদি সমাজে যখন নানা রকম সংস্কারের চেষ্টা চলছে, তখনই একজন শীর্ষ ধর্মীয় নেতা এ ধরণের একটি ধর্মীয় ব্যাখ্যা হাজির করলেন।

শেখ আবদুল্লাহ আল মুতলাক শুক্রবার বলেন, "মুসলিম বিশ্বের ৯০ শতাংশ মহিলাই 'আবায়া' পরেন না। কাজেই আমাদেরও উচিৎ হবে না মেয়েদের এটা পরতে বাধ্য করা।"

সৌদি আরবে এই প্রথম এরকম উচ্চ পদের কোনো ধর্মীয় নেতার মুখে এরকম কথা শোনা গেল।

তার এই মন্তব্য ঘিরে ইতোমধ্যে অনলাইনে তীব্র বিতর্ক এবং আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই তার সমর্থনে কথা বলছেন। বিরোধিতাও করছেন অনেকে।

টুইটারে মাশারি ঘামদি নামে একজন লিখেছেন, "আবায়া আমাদের অঞ্চলের একটা ঐতিহ্য। এটি কোনো ধর্মীয় ব্যাপার নয়।"

তবে আরেকজন তীব্র বিরোধিতা করে লিখেছেন, "যদি ১০০ ফতোয়াও জারি করা হয় তারপরও আমি আামার আবায়া ছাড়বো না। মরলেও না। হে মেয়েরা, তোমরা এই ফতোয়ায় কান দিও না।"

সৌদি আরবে মেয়েরা যখন আবায়া না পরে বাইরে যায়, তখন অনেক সময় ধর্মীয় পুলিশ তাদের এসে ভর্ৎসনা করে। ২০১৬ সালে রিয়াদের রাস্তায় এক মহিলা তার আবায়া খুলে ফেলার পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সৌদি আরবে মেয়েদের কেবলমাত্র কালো রঙের আবায়ার পরিবর্তে আর বিভিন্ন উজ্জ্বল রঙের আবায়া পরতে দেখা যায়। লম্বা স্কার্ট বা জিন্সের সঙ্গে খোলা আবায়া পরাও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আধুনিক তরুণীদের মধ্যে।

সৌদি আরবে গত কিছু দিন ধরেই পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। গত বছর সেখানে বাণিজ্যিক সিনেমার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়। এ বছরের মার্চে সেখানে প্রথম সিনেমা হল খুলবে।

গত ডিসেম্বরে সেখানে প্রথম কোনো গানের কনসার্টে মহিলা সঙ্গীত শিল্পীকে গান গাইতে দেখা গেছে। সৌদি আরবে স্টেডিয়ামে গিয়ে মেয়েদের খেলার দেখারও অনুমতি দেয়া হয়েছে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৫০৫ বার

আপনার মন্তব্য