যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 12:47pm

|   লন্ডন - 06:47am

|   নিউইয়র্ক - 01:47am

  সর্বশেষ :

  গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় উত্তর আমেরিকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন   মিলানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত   ভারতীয় সেনাপ্রধানের মুসলিমবিরোধী বক্তব্যে তোলপাড়   পেরুতে দ্বিতল বাস খাদে পড়ে নিহত ৪৪   বিনোদনে ৬৪০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে সৌদি আরব   খালেদা জিয়ার অর্থদণ্ড স্থগিত, জামিন শুনানি রোববার   স্কুলে হামলা ঠেকাতে শিক্ষকদের অস্ত্র দেওয়ার প্রস্তাব ট্রাম্পের   বাংলাদেশে দুর্নীতির মাত্রা অধিক ও উদ্বেগজনক : টিআইবি   বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার দাবি   আজ বিশ্ব স্কাউট দিবস   নিউইয়র্কে কুষ্টিয়া জেলা সমিতির পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন   রোমে প্রথম প্রহরে একুশ উদযাপন   আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে সিডনীতে বইমেলা   বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র চলছে : নিউইয়র্কে প্রবাসী নাগরিক সমাজের মুক্ত আলোচনা   ফ্রান্স আওয়ামীযুবলীগের সভা অনুষ্ঠিত

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

চীন সাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে ব্রিটেন

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০২-১৩ ১২:২২:৩৪

নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির একটি যুদ্ধজাহাজ আগামী মাসে দক্ষিণ চীন সাগরের মধ্য দিয়ে চলাচল করবে বলে জানিয়েছেন ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্যাভিন উইলিয়ামসন। ওই অঞ্চল দিয়ে যে তাদের নৌযান চালানোর অধিকার রয়েছে, তা জানান দিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মঙ্গলবার জানান তিনি।

ব্রিটেনের কর্মকর্তারা আরও ছয়মাস আগে এই অভিযানের পরিকল্পনা করেছেন। ওই সমুদ্র অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবি জানিয়ে আসছে চীন এবং সাগরের মাঝে দ্বীপে সামরিক স্থাপনা তৈরি করেছে দেশটি।

ব্রিটিশ রয়্যাল নেভি যুদ্ধজাহাজ পাঠালে ওই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিতে পারে।

দ্য অস্ট্রেলিয়ান পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে উইলিয়ামসন বলেছেন, যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস সাদারল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের পর দক্ষিণ চীন সাগরে যাবে।

তিনি বলেন, ‘ফেরার পথে জাহাজটি দক্ষিন চীন সাগরের মধ্য দিয়ে আসবে। আমাদের নেভির যে ওই পথ ব্যবহারের অধিকার আছে পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিতেই এই কাজ করব।’

তবে বিতর্কিত কোনো জলসীমার ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে জাহাজটি আসবে কিনা তা জানাতে পারেনি পত্রিকাটি।

আগে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াতের অধিকার জানান দিতে দক্ষিণ চীন সাগরের মধ্য দিয়ে গিয়েছিল। এরপর বেইজিং ওই পথ ব্যবহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা করে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং বলেছেন, তারা ব্রিটিশ নেভির সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবগত আছেন।

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সব দেশেরই দক্ষিন চীন সাগরে নৌযান ও তার উপর দিয়ে বিমান চালানোর অধিকার রয়েছে। এটা নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। দক্ষিণ চীন সাগর পরিস্থিতিরও ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে। আমরা আশা করব সংশ্লিষ্ট সব দেশ, বিশেষ করে ওই অঞ্চলের বাইরের দেশগুলো আঞ্চলিক দেশগুলোর উদ্যোগকে সম্মান দেখাবে।’

সাক্ষাৎকারে উইলিয়ামসন অস্ট্রেলিয়াকেও বিতর্কিত অঞ্চলে তাদের কর্মকাণ্ড আরও বাড়াতে উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে, অন্যান্য দেশ আরও বেশি কিছু করবে। এটা যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার জন্য আরও বেশি কিছু করার, নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ।’

উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ চীন সাগরে পর্যবেক্ষণমূলক কিছু ফ্লাইট পরিচালনা করেছে, কিন্তু নৌ চলাচলের অধিকার জানান দিতে কোনো অভিযান পরিচালনা করেনি।

বেইজিং কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে তাদের নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সেখান দিয়ে অবাধ চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা করছে। এর মধ্যেই সেখানকার বিভিন্ন দ্বীপে সামরিক স্থাপনা তৈরি করায় আন্তর্জাতিক মহল চীনের সমালোচনা করে।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৪৭৬ বার

আপনার মন্তব্য