যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 06:05pm

|   লন্ডন - 12:05pm

|   নিউইয়র্ক - 07:05am

  সর্বশেষ :

  প্রতীক বরাদ্দ, একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩শ আসনে ১৮৪১ প্রার্থী   সিডনিতে বিজয় দিবস উদযাপন শুরু   ধানের শীষকে জয়যুক্ত করে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে : রোমে বিএনপির সভা   নিউইয়র্কে তিন দিনব্যাপী ফোবানা কনভেনশন ৩০-৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বসবেন ম্যাক্রো, না থামলে কড়া পদক্ষেপ   ইইউর অনুমতি ছাড়াই ব্রেক্সিট বাতিল করতে পারবে যুক্তরাজ্য : ইসিজি   বন্ধ ৫৮টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল খুলে দিয়েছে বিটিআরসি   নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন সাকিব   ধানের শীষের প্রচারের নেতৃত্বে ড. কামাল   ট্রাম্পকন্যা দাবি এক পাকিস্তানি তরুণীর!   নির্বাচন সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য করতে ইইউ'র আহ্বান   গৃহশিক্ষকের চোখে প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের শৈশব   সোমবার প্রতীক বরাদ্দ   প্রার্থিতা ফিরে পেতে খালেদা জিয়ার রিট   ভারতে ইভিএম নিয়ে বাড়ছে সন্দেহ ও অবিশ্বাস

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

মিয়ানমারে ফেসবুক পশুতে পরিণত হয়েছে : জাতিসংঘের তদন্ত দল

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৩-১৪ ০১:০৫:৫৬

নিউজ ডেস্ক: রোহিঙ্গা নির্যাতনের ঘটনা তদন্তে গঠিত জাতিসংঘের তদন্ত দল অভিযোগ করেছে, মিয়ানমারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পশুতে পরিণত হয়েছে। রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াতে এটি নিরুপক ভূমিকা পালন করছে।

সোমবার তদন্ত দল তাদের অন্তর্বতী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতেই এ কথা বলা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান মারজুকি দারুসমান বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে জনসাধারণের মধ্যে বিদ্বেষের মাত্রা বাড়াতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের স্বতন্ত্র ভূমিকা রয়েছে। বিদ্বেষপূর্ণ কথাবার্তা অবশ্যই তার অংশ। মিয়ানমারের পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক এবং ফেসবুক হচ্ছে সামাজিক গণমাধ্যম।’

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াংহি লি বলেছেন, ‘আমরা জানি উগ্র জাতিয়তাবাদী বৌদ্ধদের নিজস্ব ফেসবুক রয়েছে এবং তারা সত্যিকারার্থে ব্যাপক সহিংসতা উস্কে দিচ্ছে এবং রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা উস্কে দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি ভীত যে, ফেসবুক এখন পশুতে পরিণত হয়েছে এবং এটি সত্যিকারার্থে যা হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি।’

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, সামাজিক এই যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষপূর্ণ বার্তা ছড়ানোর কোনো জায়গা নেই।

ফেসবুকের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেছেন,‘আমরা এই বিষয়টি অতি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি এবং নিরাপত্তা উপকরণের উন্নয়ন ও পাল্টা বক্তব্য প্রচারের জন্য কয়েক বছর ধরে মিয়ানমারের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করেছি।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৯০২ বার

আপনার মন্তব্য