যুক্তরাষ্ট্রে আজ বৃহস্পতিবার, ২১ Jun, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 12:51pm

|   লন্ডন - 07:51am

|   নিউইয়র্ক - 02:51am

  সর্বশেষ :

  খালেদা জিয়ার কারামুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবীতে লস এঞ্জেলেসে আলোচনা ও মতবিনিময়   ভয়াবহভাবে ‘ভেঙে পড়েছে’ অ্যাসাঞ্জের স্বাস্থ্য, জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা   শেখ জামাল উদ্দিন আহমেদ-এর ২টি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ২৪ জুন   শাহানা কাজীর নতুন মিউজিক ভিডিও   গাজার ২৫টি সামরিক স্থাপনায় ইসরাইলের ৪৫ রকেট হামলা   উরুগুয়ের কাছে সৌদির হার   রোনালদোর গোলে পর্তুগালের জয়   রাজধানীতে এমপি পুত্রের গাড়ি চাপায় প্রাণ গেল পথচারীর!   চীনের কাছ থেকে জেট বিমান কিনছে বাংলাদেশ   ২০২০ সালের মধ্যে ৯৯ লাখ কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী   ‘বাংলাদেশ নিরাপদ নয়, কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি এই দেশ ছাড়ছি’   গাজা উপত্যকা যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে : জাতিসংঘ মহাসচিব   জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে বেরিয়ে গেলো যুক্তরাষ্ট্র   লস এঞ্জেলেসে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত   ইতালির রোমে প্রবাসীদের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

আগামী নির্বাচনে চ্যালেঞ্জের মুখে এরদোগান!

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-০৭ ১৬:৩৫:৩৯

নিউজ ডেস্ক: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেপ এরদোগান চলতি মাসে অনুষ্ঠেয় তুরস্কের নির্বাচনে নজিরবিহীন প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হতে যাচ্ছেন। বিরোধীরা নতুন একটি ঐক্য গড়ে তুলেছে। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জোর নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে।

২০০৩ সালে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকারী এরদোগান এখন দেশটির প্রেসিডেন্ট। তিনি নিজেকে তুরস্কের নির্বাচনে বিজয়ী দেখতে চান। খবর এএফপি’র।

কিন্তু বিশ্লেষকরা বলেন, তার ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি) ২৪ জুনের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিরোধী জোটের কাছে হেরেও যেতে পারে।

এরদোগান দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করবেন ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। গত বছরের গণভোটের মাধ্যমে তার ক্ষমতাকে বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে এবং একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
এরদোগানের বিজয় সম্পর্কে আগে থেকেই কিছু বলা যাচ্ছে না। এই নির্বাচনটি দ্বিতীয় পর্যায়ে যেতে পারে।
প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস’ পার্টি (সিএইচপি) নেতা কেমাল কিলিকদারোগলু নিজেই প্রার্থী না হলে এমপি মুহারেম ইনসেকে মনোনিত করে সবাইকে অবাক করে দিয়েছেন।
আর ইনসের দল ভিন্নমতাবলম্বী জাতীয়তাবাদী সাবেক মন্ত্রী মেরাল আকসেনের ও রক্ষণশীল সাদেত পার্টির সঙ্গে বৃহৎ জোট গড়ে তোলেন।

ইউরোপীয় পরিষদের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক কর্মকর্তা এসলি আইদিনতাসবাস বলেন, ‘এই প্রথমবারের মতো তুরস্কের বিরোধী দলগুলো এ ধরনের সমন্বয় ও ঐক্য গড়ে তুলছে।’
এই নারী কর্মকর্তা আরো বলেন, একেপি ইনসেকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি। কিলিকদারোগলুকে একটি সহজ প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা হয়েছিল।
অর্থনৈতিক সংকট বৃদ্ধির মধ্যেই নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এ বছর তুরস্কের মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে ১২.১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে এবং ডলারের বিপরীতে লিরার মান ২০ শতাংশ কমে গেছে।
লেভিন বলেন, তুরস্কতে বর্তমানে ৩৫ লাখ সিরীয় শরণার্থী অবস্থান করছে। দেশের মানুষ ক্রমেই এদের প্রতি বিরূপ ও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে। বিরোধী দলগুলো জনগণের এই মনোভাবকে পুঁজি করে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৫০৪ বার

আপনার মন্তব্য