যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 07:39am

|   লন্ডন - 02:39am

|   নিউইয়র্ক - 09:39pm

  সর্বশেষ :

  ক্রাইস্টচার্চে হামলাকারীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ   ব্রেক্সিট নেতার গায়ে লাচ্ছি ছুঁড়লো প্রতিবাদকারী   ২৪ বারের মতো এভারেস্টে উঠে রেকর্ড   একদিন আগেই কমলাপুরে টিকিটের জন্য ভিড়   মিসরে পুলিশের অভিযানে ১৬ জন নিহত   পেশাজীবীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার   দল থেকে বহিষ্কার, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ছাত্রলীগ নেত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা   ভারতে সংসদ সদস্যসহ ১১ জন খুন   নারী সহকর্মীদের ধর্ষণ করতে তালিকা তৈরি যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর নাবিকদের   ভাড়া করা নেতৃত্বে চলছে বিএনপি : হাছান মাহমুদ   খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছি : খন্দকার মাহবুব   কৃষক বাঁচাতে চাল আমদানি বন্ধ করতে সংসদীয় কমিটির সুপারিশ   রোজা রেখে দায়িত্ব পালনের সময় ঢাকায় ট্র্যাফিক কনস্টেবলের মৃত্যু   হামলার জেরে ছাত্রলীগের ৫ নেতাকর্মী বহিষ্কার   পাকিস্তানিদের ভিসা দেয়া বন্ধ করেছে বাংলাদেশ

মূল পাতা   >>   ইসলামী জীবন

ইবাদতের মৌসুম মাহে রমজান

হাফেজ মাওলানা মো. নাসির উদ্দিন, নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-২১ ১২:৪০:৫৩

হাফেজ মাওলানা মো. নাসির উদ্দিন: পবিত্র রমজান মাস বছরের বাকি এগারো মাস অপেক্ষা অধিক মর্যাদাশীল ও বরকতময়। এ মাসের বিশেষত্ব অনেক।

নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রমজান মাসে যে ব্যক্তি একটি নফল আদায় করল সে যেন অন্য মাসে একটি ফরজ আদায় করল। আর যে এ মাসে একটি ফরজ আদায় করল সে যেন অন্য মাসে  সত্তরটি ফরজ আদায় করল। (শুআবুল ঈমান, ৩/৩০৫-৩০৬)

উল্লেখিত হাদিস দ্বারা এ কথাই বুঝা যায় যে, এ মাসে নফল আদায় করলে অন্য মাসের ফরজের ন্যায় ছওয়াব হয়। আর এ মাসের একটি ফরজ অন্য মাসের সত্তরটি ফরজের সওয়াব পাওয়া যায়। অন্য এক হাদিসে আছে, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রমজানের ওমরা হজ সমতুল্য। (তিরমিজি শরীফ, ৯৩৯ ও আবু-দাউদ শরীফ, ১৯৮৬)

রোজার ছওয়াব সর্ম্পকে আল্লাহ তাআলা নিজেই বলেন, নিশ্চয়ই রোজা আমার জন্য আর এর প্রতিদান স্বয়ং আমিই দেব। (মুসলিম শরীফ, ১১৫১/১৬৫)

এ সওয়াবের পরিমাণ যে কত তা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন। পবিত্র রমজান মাস হলো, রহমত, বরকত, মাগফিরাত, জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাত লাভের মাস। তাই এমন মাস পেয়েও যে ব্যক্তি স্বীয় গুনাহ মাফ করাতে পারল না তার জন্য  স্বয়ং জিবরাইল (আ.) বদদোয়া করেছেন এবং নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমীন বলে সমর্থন জানিয়েছেন।

হাদিস শরীফে এসেছে , নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে উঠে আমিন, আমিন, আমিন বললেন। সাহাবিরা বললেন হে আল্লাহর রাসুল, আপনি তো এরূপ কখনো করেননি। তখন নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ঐ ব্যক্তি ধ্বংস হোক যে পিতা-মাতা উভয়কে অথবা একজনকে পেয়েও (তাদের খেদমত করে) জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না। তখন আমি বললাম আমিন।

অতপর তিনি বললেন, ওই ব্যক্তি ধ্বংস হোক যে রমজান পেয়েও নিজের গুনাহ মাফ করাতে পারল না। আমি বললাম আমিন। হজরত জিবরাইল (আ.) আবারও বলেন, ওই ব্যক্তি ধ্বংস হোক যার নিকট আমার নাম আলোচিত হলো অথচ সে আমার উপর দরূদ পড়ল না। আমি বললাম আমিন। (সহী ইবনে হিব্বান,৯০৮; আল-আদাবুল মুফরাদ, হাদিস-৬৪৬)

জিবরাইল (আ.) এর আমিনের বদদোয়াই যথেষ্ট ছিল, তারপরও নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমিন বলে সত্যায়ন করেছেন। তাহলে বুঝা গেল অবশ্যই দোয়া কবুল হয়েছে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে পবিত্র রমজানের হক আদায় করার তাওফিক দান করুন।

এলএবাংলাটাইমস/আইএল/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১০৪৭ বার

আপনার মন্তব্য