যুক্তরাষ্ট্রে আজ রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 11:36pm

|   লন্ডন - 06:36pm

|   নিউইয়র্ক - 01:36pm

  সর্বশেষ :

  মঙ্গলবার চীনে উদ্বোধন হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু   ওয়াশিংটনে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত   ঢাকায় সরকারি চাকরিতে বয়স বৃদ্ধির দাবির সমাবেশে পুলিশের লাঠিচার্জ   এরদোগানকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে যাচ্ছেন সালমান?   মানুষ ভোট দিলে আবার আসবো না দিলে আফসোস নেই : প্রধানমন্ত্রী   কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ১৫   মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আইয়ুব বাচ্চু   বেলজিয়ামে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি শায়লা   দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু   প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক, অন্তর্দ্বন্দ্বে নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ আদালতের   তুরস্কে চলছে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কুরআন প্রদর্শনী   যেসব খাবারের সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক রয়েছে   মেসিকে ছাড়াই কোপার পরিকল্পনা আর্জেন্টিনার!   বিন সালমানের অপসারণ চাইলেন সৌদির ওলামা পরিষদ   ‘যত বার ওর অফিসে গিয়েছি, তত বারই চুমু খাওয়ার চেষ্টা করেছেন’

মূল পাতা   >>   ইসলামী জীবন

ইবাদতের মৌসুম মাহে রমজান

হাফেজ মাওলানা মো. নাসির উদ্দিন, নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-২১ ১২:৪০:৫৩

হাফেজ মাওলানা মো. নাসির উদ্দিন: পবিত্র রমজান মাস বছরের বাকি এগারো মাস অপেক্ষা অধিক মর্যাদাশীল ও বরকতময়। এ মাসের বিশেষত্ব অনেক।

নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রমজান মাসে যে ব্যক্তি একটি নফল আদায় করল সে যেন অন্য মাসে একটি ফরজ আদায় করল। আর যে এ মাসে একটি ফরজ আদায় করল সে যেন অন্য মাসে  সত্তরটি ফরজ আদায় করল। (শুআবুল ঈমান, ৩/৩০৫-৩০৬)

উল্লেখিত হাদিস দ্বারা এ কথাই বুঝা যায় যে, এ মাসে নফল আদায় করলে অন্য মাসের ফরজের ন্যায় ছওয়াব হয়। আর এ মাসের একটি ফরজ অন্য মাসের সত্তরটি ফরজের সওয়াব পাওয়া যায়। অন্য এক হাদিসে আছে, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রমজানের ওমরা হজ সমতুল্য। (তিরমিজি শরীফ, ৯৩৯ ও আবু-দাউদ শরীফ, ১৯৮৬)

রোজার ছওয়াব সর্ম্পকে আল্লাহ তাআলা নিজেই বলেন, নিশ্চয়ই রোজা আমার জন্য আর এর প্রতিদান স্বয়ং আমিই দেব। (মুসলিম শরীফ, ১১৫১/১৬৫)

এ সওয়াবের পরিমাণ যে কত তা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন। পবিত্র রমজান মাস হলো, রহমত, বরকত, মাগফিরাত, জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাত লাভের মাস। তাই এমন মাস পেয়েও যে ব্যক্তি স্বীয় গুনাহ মাফ করাতে পারল না তার জন্য  স্বয়ং জিবরাইল (আ.) বদদোয়া করেছেন এবং নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমীন বলে সমর্থন জানিয়েছেন।

হাদিস শরীফে এসেছে , নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে উঠে আমিন, আমিন, আমিন বললেন। সাহাবিরা বললেন হে আল্লাহর রাসুল, আপনি তো এরূপ কখনো করেননি। তখন নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ঐ ব্যক্তি ধ্বংস হোক যে পিতা-মাতা উভয়কে অথবা একজনকে পেয়েও (তাদের খেদমত করে) জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না। তখন আমি বললাম আমিন।

অতপর তিনি বললেন, ওই ব্যক্তি ধ্বংস হোক যে রমজান পেয়েও নিজের গুনাহ মাফ করাতে পারল না। আমি বললাম আমিন। হজরত জিবরাইল (আ.) আবারও বলেন, ওই ব্যক্তি ধ্বংস হোক যার নিকট আমার নাম আলোচিত হলো অথচ সে আমার উপর দরূদ পড়ল না। আমি বললাম আমিন। (সহী ইবনে হিব্বান,৯০৮; আল-আদাবুল মুফরাদ, হাদিস-৬৪৬)

জিবরাইল (আ.) এর আমিনের বদদোয়াই যথেষ্ট ছিল, তারপরও নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমিন বলে সত্যায়ন করেছেন। তাহলে বুঝা গেল অবশ্যই দোয়া কবুল হয়েছে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে পবিত্র রমজানের হক আদায় করার তাওফিক দান করুন।

এলএবাংলাটাইমস/আইএল/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৭৭৪ বার

আপনার মন্তব্য