যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 10:18am

|   লন্ডন - 05:18am

|   নিউইয়র্ক - 12:18am

  সর্বশেষ :

  গ্রিন কার্ডের জন্য সম্পত্তি তলব করতে পারবে ট্রাম্প প্রশাসন   ক্যালিফোর্নিয়ায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে উবার!   ক্যালিফোর্নিয়ার ১৪ বছরের কিশোরী নিখোঁজ   বাইডেন-হ্যারিসের একত্রে নির্বাচনী প্রচার অভিযান শুরু   ইসরাইল ও আরব আমিরাতের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি   যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে কিশোরদের সংঘর্ষ, নিহত ৩   যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে খুলে দেওয়া হচ্ছে 'এএমসি থিয়েটার'   বাড়ছে এঞ্জেলেস ন্যাশনাল ফরেস্টের দাবানল   যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ   নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত   মৃত্যুহার কম হওয়াতেই করোনা ব্রিফিং বন্ধ হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী   দেশে আজও করোনায় ৪৪ জনের মৃত্যু   ‘সরকারের পূর্ব প্রস্তুতি থাকায় দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে’   ভার্জিনিয়ায় সামরিক হেলিকপ্টারে গুলি, আহত ১   ভ্যাকসিন আবিষ্কারে অগ্রগতির কথা জানালেন ট্রাম্প

মূল পাতা   >>   লাইফ স্টাইল

২০২২ পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে: গবেষণা

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-১৫ ১১:৪৯:০৪

নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সাল পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে বিশ্বকে। না হলে বিপুলসংখ্যক মানুষ অতিমহামারীতে আক্রান্ত হবেন। হাসপাতালে তাদের জায়গা দেয়া যাবে না।

সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এ হুশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘আগামী দিনে নির্দিষ্ট ঋতুতে বারবার ফিরে আসতে পারে কোভিড ১৯। ওই রোগ সাধারণ সর্দিকাশির চেয়ে অনেক বেশি ছোঁয়াচে। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা এখনও নতুন রোগটির সম্পর্কে বেশিকিছু জানি না। একবার সংক্রমণ হলে শরীরে কী ধরনের প্রতিরোধক্ষমতা জন্মায়, সেই ক্ষমতা কতদিন বজায় থাকে, আমরা কিছুই জানি না।’

বিজ্ঞানীদের অন্যতম স্টিফেন কিসলার বলেন, ‘আমরা যতদূর জানতে পেরেছি, কিছুদিনের জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাই যথেষ্ট নয়। আমেরিকার চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে ভবিষ্যতে দফায় দফায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কোভিড ১৯ এর নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। রোগ ঠেকাতে বারে বারে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বজায় রাখাই হল পথ।’

বিজ্ঞানীদের মতে, ভবিষ্যতে যখনই রোগটি ফের ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে, তখনই ব্যাপক হারে টেস্ট করা প্রয়োজন। করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হলে লকডাউনের সময়সীমা কমানো যেতে পারে।

লকডাউনের সময় কিছু ছাড়ও দেয়া যেতে পারে। কিন্তু যতদিন ভ্যাকসিন না বেরোচ্ছে, ততদিন মাঝে মাঝেই লকডাউন চালিয়ে যেতে হবে। যখনই ছাড় দেয়া হবে, তখনই বাড়বে রোগীর সংখ্যা। কিন্তু মাঝে মধ্যে লকডাউন হলে হাসপাতালগুলো তাদের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের ক্ষমতা বাড়াতে পারবে।

একইসঙ্গে টানা দীর্ঘদিন লকডাউন বা সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের বিরোধিতা করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার সময় জনসাধারণের মধ্যে কোনো প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয় না। সেজন্য মাঝে মাঝে লকডাউনে ছাড় দেয়া দরকার।


এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এলএস

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১০৬৪ বার

আপনার মন্তব্য