যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২১ Jul, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 03:31am

|   লন্ডন - 10:31pm

|   নিউইয়র্ক - 05:31pm

  সর্বশেষ :

  ভালো ব্যবসার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা : নিউইয়র্কে বিজনেস ডেভোলেপমেন্ট ওয়ার্কশপে বক্তারা   ধর্ষণের ভয়ে ভারত যাচ্ছেন না সুইজারল্যান্ডের এক নম্বর তারকা   রাজধানীতে বাড়ির নিচে ‘গুপ্তধন’   ইরানে সন্ত্রাসী হামলায় ১০ সেনা নিহত   ‘আমার সংবর্ধনার প্রয়োজন নেই’ : অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা   বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের পদত্যাগ চান মওদুদ   ঠাকুরগাঁওয়ে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত   গাজায় ইসরায়েলের হামলা, ৪ ফিলিস্তিনি নিহত   বড়পুকুরিয়ার এক লাখ ৪২ হাজার টন কয়লা ‘গায়েব’, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎকেন্দ্র   বিশ্ব সিলেট সম্মেলন ২০১৮-এর পূর্ণাঙ্গ কার্যকরী পরিষদ ঘোষণা   মিতালী মুখার্জী গাইবেন সিডনীতে   বরিশাল বিভাগ সমিতির আয়োজনে বনভোজন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   বিশ্বের ৪ কোটি মানুষ ‘আধুনিক দাসত্বে’র কবলে, যুক্তরাষ্ট্রে ৪ লক্ষাধিক   গাড়িতে চড়েন গৃহকর্মী, পরেন ২৫ লাখের গয়না!   দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের সাজা বেড়ে ৩২ বছর

মূল পাতা   >>   লাইফ স্টাইল

বিয়েবাড়ির অতিথি

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৫-১১-৩০ ২৩:৪২:১৩

নিউজ ডেস্ক: জায়গা খোঁজা, জম্পেশ খাওয়া, আলোকসজ্জা,
মঞ্চ সাজানো, সানাইয়ের সুর। বিয়ের
মৌসুমের আয়োজন শুরু হয়ে গেছে।
নগরের অলিগলিতে আলোকসজ্জায় উৎসবের
আমেজ চলে এসেছে। বিয়ের
অনুষ্ঠানগুলোতে বর-কনের সাজপোশাক তো
গুরুত্বপূর্ণই। তবে এর পাশাপাশি কনে বা বরের মা,
বোন, ভাবি, খালা কীভাবে সেজেছেন
সেটাও কিন্তু খেয়াল করা হয়। এখন কনে বা
বরের পরিবারের মানুষগুলোর সাজেও বেশ
ভিন্নতা দেখা যায়। সাজ, পোশাক, গয়না দিয়ে
বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোতে ঐতিহ্যবাহী, আধুনিক
নানা ধরনের সাজেই নিজেদের তুলে ধরছেন।
কম বয়সীদের সাজ
বিয়ের কথা পাকা করার দিনটি থেকে বৌভাত। তিন
থেকে চারটি অনুষ্ঠানের আয়োজন সাধারণত
হয়ে থাকে। বর বা কনের বোন থাকলে তো
কথাই নেই। প্রতিটি অনুষ্ঠানে তাঁদের
সাজপোশাক কী হবে সেটা নিয়েও সবাইকে
অস্থির থাকতে হয়। বয়স একটু কম হলে
নিরীক্ষাধর্মী পোশাকেও উপস্থিত হতে
পারবে অনুষ্ঠানে। ড্রেসিডেলের ডিজাইনার মায়া
রহমান বলেন, আংটি পরানো বা ঘরোয়া
কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান থাকলে সেখানে
গাউন পরতে পারে। কিশোরী অথবা তরুণীরা
এখন লাল রঙের পোশাক খুব পরছে। এ ছাড়া গাঢ়
নীল, ম্যাজেন্টা, কমলা, কালো, সোনালি, সবুজ
রংটা পছন্দ করছে।
গাউনের ভেতরেও এখন বৈচিত্র্যময় কাট
চলছে। মাটি পর্যন্ত লম্বা চাপা কাটের কামিজও পরা
যেতে পারে। একটু ভিন্নতা আনতে দুপাশের
কাটাটা কোমর থেকে শুরু হতে পারে।
কিশোরীদের খুব বেশি ভারী কাজ করা
পোশাক না পরাই ভালো। পোশাকের দিকে
খেয়াল রাখতে গিয়ে অনুষ্ঠানের কোনো
মজাই হয়তো করতে পারবে না। বিয়ের
অনুষ্ঠানগুলোতে সাধারণ কাটের কামিজ না পরতে
চাইলে আনারকলি অথবা নিচের দিকে উঁচু-নিচু
কাটের কামিজ পরতে পারেন। সালোয়ারের
বদলে সারারা বেছে নিন চাপা কাটের কামিজের
সঙ্গে। সারারার সঙ্গে জমকালো নকশার ভিন্ন
কাটের টপ পরা যেতে পারে। লেহেঙ্গা তো আছেই।
কিশোরী হলে চড়া মেকআপ ব্যবহার না করার
পরামর্শ দিলেন রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা
পারভীন। বরং এই বয়সের সৌন্দর্যটা মেকআপ
ব্যবহারে ঢাকা পড়ে যায়। হালকা বা উজ্জ্বল রঙের
লিপস্টিক, একটু কাজলের ছোঁয়াই যথেষ্ট। গয়নার
মধ্য দিয়ে নিজের লুকে ভিন্নতা আনতে
পারেন। ডিজাইনার লায়লা খায়ের বলেন, ‘গাউনের
সঙ্গে লম্বা ঝোলানো দুল পরতে পারে।
গলায়, কানে, হাতে সব জায়গায় গয়না না পরে
যেকোনো দুই-তিনটি জায়গায় গয়না পরতে
পারে। মাথায় টিকলি বা ঝাপটা থাকলে গলায় কিছু না
পরলেই ভালো। বরং কানে মাঝারি বা বড় মাপের
দুল পরতে পারে।’ একইভাবে গলায় বড়
আকারের মালা বা লকেট পরলে কানের
দুলজোড়া না থাকলেও বেশ দেখাবে।


বড়দের সাজপোশাক মা, খালা, ভাবি, চাচি, মামি—
পরিবারের মানুষদের থাকতে হয়কাজের
মধ্যে। অনেক সময় সাজারসুযোগটাওপাওয়া যায় না। কিন্তু ছবি দেখে পরে
আফসোসের শেষ থাকে না। পারলারে
যেতে না পারলে বাসাতেই একটু সময় নিয়ে
পরিপাটিভাবে সেজে নেওয়া উচিত। ভিন্নতা
আছে এমন শাড়ি ও গয়না বাছাই করুন। সোনার গয়না
দিয়েই সাজতে হবে, এমন চিন্তা এখন
অনেকেই আর করেন না। ডিজাইনার লায়লা খায়ের
বলেন, ‘এখন কাটাই কাজের গয়নার কদর
বেড়েছে। এ ছাড়া বিডসের সঙ্গে বড়
আকারের লকেটও পছন্দ করছেন অনেকে।
আঙুলে বড় আংটি পরতে পারে। নিজের ফ্যাশন
হাউসের জন্য করা কাতান শাড়িগুলোর পাড় ও
আঁচলে কাজ রেখেছি। এতে করে গয়নার
নকশা ভালোভাবে ফুটে ওঠে। বড় ঝোলানো
গলার মালার সঙ্গে চোকারও পরতে পারে।’
এককটি অনুষ্ঠানের জন্য একক ধরনের শাড়ি
বেছে নিলেই ভালো হয়। যাঁদের বয়স
অপেক্ষাকৃত কম তাঁরা আধুনিক ধাঁচের শাড়িও
পরতে পারেন। শিফন বা জর্জেটের ওপর
জারদৌসির কাজ করা শাড়িগুলো আপনাকে বিয়েবাড়ির
কাজেও কিছুটা স্বস্তি দেবে। ডিজাইনার মায়া রহমান
বলেন, ‘বয়স্ক ব্যক্তিরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করলে
উজ্জ্বল রংগুলো বেছে নিতে পারেন। কনে
বা বরের মা, খালা হলেই হালকা রঙের শাড়ি পরতে
হবে এই ধারণা এখন আর নেই।’ সিল্ক বা কাতানের
পাশাপাশি জামদানি স্নিগ্ধ কিন্তু অভিজাত ভাব এনে
দেবে।
সৌজন্যেঃ প্রথম আলো

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৩০৫৯ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত