যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ২২ মে, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 05:14am

|   লন্ডন - 12:14am

|   নিউইয়র্ক - 07:14pm

  সর্বশেষ :

  দ্বিতীয় বিয়ে বাধ্যতামূলক যেখানে   চীনে মসজিদে মসজিদে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর নির্দেশ   করাচিতে দাবদাহে হিট-স্ট্রোকে ৬৫ জনের মৃত্যু   যুদ্ধক্ষেত্রে সর্বাধুনিক এফ-৩৫ উড়িয়েছে ইসরায়েল   মিলানে ছাত্রলীগের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল   নিউজার্সিতে কুলাউড়া এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত   তথাকথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এবার ৯ জেলায় নিহত ১২   আর্জেন্টিনার চূড়ান্ত দল ঘোষণা   মাদকের আন্ডারওয়ার্ল্ডে ১৪১ গডফাদার   মদিনায় বিমান দুর্ঘটনা থেকে বাঁচলেন ১৫১ বাংলাদেশি   রাজীবের দুই ভাইকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ স্থগিত   বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৪ শ্রমিক নিহত   ইবাদতের মৌসুম মাহে রমজান   শান্তিনিকেতনে শুক্রবার হাসিনা-মোদি-মমতার সাক্ষাৎ   ইরানের ওপর ‘ইতিহাসের বড় নিষেধাজ্ঞা’ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মূল পাতা   >>   লাইফ স্টাইল

নতুন বছরের ৮ অঙ্গীকার

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০৯ ০১:১৫:৩৮

নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতে উৎসাহ-উদ্দীপনা-উদ্যম টগবগিয়ে ফুটতে থাকে। একটা সজীব সূচনার জন্য অনেকেই তাই বছরের প্রথম দিনটাকে বেছে নেন।

কিন্তু দেখা যায়, নতুন নতুন নানা প্রতিজ্ঞা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে। জীবনটাকে সুন্দরভাবে সাজাতে তাই সহজ কিছু অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা, যা সারাবছর মেনে চলা সহজ হবে।

টাকা সঞ্চয়
ওয়াশিংটন পোস্ট অনুসারে, শতকরা প্রায় ৪০ থেকে ৫০ ভাগ মানুষ বছরের শুরুতে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়। তাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই তিন মাসের বেশি তা টিকিয়ে রাখতে পারে না। শতকরা প্রায় ১৯ ভাগ মানুষ সারা বছর তাদের অঙ্গীকার রক্ষা করে থাকে। মানসিকতা ও ফিটনেস বিশেষজ্ঞ এবং ‘মোটিসিজ’ নামক ওয়েলনেস প্রোগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা সোনিয়া সাত্রা বলেন, ‘জমানোর জন্য একটি মাসিক নির্ধারিত টাকা আলাদা করে রাখা দরকার। যদি মনে হয় নিজের কাছে রাখা সম্ভব নয় তাহলে ডিপোজিট করতে পারেন।’

হাসিখুশি থাকা
পাওয়ার অব পজিটিভিটি অনুসারে, হাসিখুশি থাকার চ্যালেঞ্জের জন্য একটি খালি নিন। যখনই আপনার সঙ্গে ভালো কিছু ঘটবে, তা কাগজে লিখে জারে ভরে রাখুন। এরপর সপ্তাহ বা মাস শেষে জার খালি করে ঘটনাগুলো পড়ে দেখুন। এতে মন ভালো হয়ে যাবে।

ওজন কমানো
মাইন্ড এবং ফিটনেস বিশেষজ্ঞ সোনিয়া বিশ্বাস করেন, নতুন বছরে ওজন কমানোর চ্যালেঞ্জটি পূর্ণ করা সম্ভব। তিনি উপদেশ দেন, ঘরে দুইটি বোর্ড রাখার জন্য। একটিতে আপনি যেমন শারীরিক গঠন চান সেরকম ছবি বা আপনার পছন্দের পোশাক যেটি ওজন বৃদ্ধির কারণে পরতে পারছেন না এবং অপর বোর্ডে আপনার বর্তমান ছবি যাতে আপনি খুশি নন এবং আপনার সঙ্গে তুলনা করা যায় এমন ফ্যাটি মানুষের ছবি লাগান। বোর্ড দুইটি এমন জায়গায় রাখবেন যাতে আপনি সব সময়, প্রতিদিন দেখতে পান। এই বোর্ড দুইটি আপনাকে মনে করিয়ে দেবে, আপনাকে আসলে কি করতে হবে।

ব্যায়াম করা
নিউট্রিশন এবং শারীরিক শক্তি বিষয়ক কোচ অ্যাডাম বলেন, ‘প্রতিদিন ব্যায়াম করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। আপনি প্রথম দিন মাত্র ৫ মিনিট ব্যায়াম করতে পারেন। পরের দিন আরো পাঁচ মিনিট যোগ করুন অর্থাৎ ১০ মিনিট ব্যায়াম করুন। এভাবে ৫ মিনিট করে বাড়াতে থাকুন আপনার ব্যায়ামের সময়। মাস শেষে দেখবেন আপনি অনায়াসে ২০ মিনিট ব্যায়াম করতে পারছেন। নিজেকে এই নিয়মে অভ্যস্ত করে তুলুন।’

অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলা
ঘর থেকে অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলার ধারণাটি আসে রোনাল্ড এবং গ্যালিনার কাছ থেকে। যারা ‘ইট ওয়েল, মুভ ওয়েল, লিভ ওয়েল : ৫২ ওয়েস টু ফিল বেটার ইন অ্যা উইক’ এর সহ-লেখক। তাদের মতে, প্রতি মাসে ঘরের একটি অংশ বা রুমের দিকে মনোনিবেশ করা দরকার। মাসের প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিন ঠিক করে ঘর পরিষ্কার ও অপ্রয়োজনীয় জিনিস ফেলে দেওয়া উচিত। আসবাবপত্রগুলোর জায়গা পরিবর্তন করে দেওয়া উচিত। এটি অনেকাংশে আমাদের মেজাজের ওপর প্রভাব ফেলে। এই ধরনের কাজের মাধ্যমে সব কিছুতে নতুন উদ্যম তৈরি হয়।

স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ
নতুন বছর জুড়ে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করার চ্যালেঞ্জটি রক্ষা করা আবশ্যক। অ্যাডামের মতে, আপনি কি কি খাচ্ছেন তা লিখে রাখতে পারেন। তাহলে পরবর্তীতে বুঝতে পারবেন যে, কোন খাবারটি তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে এবং কোনটি খেতে হবে। অবশ্যই অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা
হোম ইকোনোমিস্ট ব্রেট গ্রাফ মনে করেন, কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা এমন একটি ব্যাপার যেটিকে এই নতুন বছরে আমাদের সবাইকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেওয়া উচিত। সব কিছুর জন্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা উচিত। যেমন প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা উচিত। সেই একই ভাবে যা কিছু ভালো ঘটে এবং যার মাধ্যমে ঘটে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা এবং তা প্রকাশ করা গুরুত্বপূর্ণ।

সদয় হওয়া
ব্রেট মনে করেন, নতুন বছরে নিজের এবং অন্যের প্রতি সদয় হওয়া উচিত। নিজের ভুলক্রটিতে গভীর শ্বাস নিয়ে নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করুন। এভাবে এক সপ্তাহ নিজেকে প্রস্তুত করে পরবর্তীতে অন্যের প্রতিও সদয় থাকার চেষ্টা করুন। আপনার ব্যস্ত প্রতিবেশীর সঙ্গে ডিনার করতে পারেন কিংবা ঘরে ফেরা ক্লান্ত সঙ্গীকে স্বেচ্ছায় কফি বানিয়ে দিতে পারেন। আপনি যদি কারো প্রতি সদয় ভাব পোষণ করেন তাহলে সেও আপনার প্রতি সদয় হবে। অর্থাৎ কারো জন্য স্বেচ্ছায় কিছু করা যাতে সে খুশি হয়। তবে মনে রাখবেন আপনি এমন কিছু করলেন যার বিনিময় আশা করেন, তাহলে সেটা সদয় হওয়ার লক্ষণ নয়।


এলএবাংলাটাইমস/এলআ/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৫০০ বার

আপনার মন্তব্য