যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ২২ মে, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 05:30am

|   লন্ডন - 12:30am

|   নিউইয়র্ক - 07:30pm

  সর্বশেষ :

  দ্বিতীয় বিয়ে বাধ্যতামূলক যেখানে   চীনে মসজিদে মসজিদে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর নির্দেশ   করাচিতে দাবদাহে হিট-স্ট্রোকে ৬৫ জনের মৃত্যু   যুদ্ধক্ষেত্রে সর্বাধুনিক এফ-৩৫ উড়িয়েছে ইসরায়েল   মিলানে ছাত্রলীগের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল   নিউজার্সিতে কুলাউড়া এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত   তথাকথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এবার ৯ জেলায় নিহত ১২   আর্জেন্টিনার চূড়ান্ত দল ঘোষণা   মাদকের আন্ডারওয়ার্ল্ডে ১৪১ গডফাদার   মদিনায় বিমান দুর্ঘটনা থেকে বাঁচলেন ১৫১ বাংলাদেশি   রাজীবের দুই ভাইকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ স্থগিত   বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৪ শ্রমিক নিহত   ইবাদতের মৌসুম মাহে রমজান   শান্তিনিকেতনে শুক্রবার হাসিনা-মোদি-মমতার সাক্ষাৎ   ইরানের ওপর ‘ইতিহাসের বড় নিষেধাজ্ঞা’ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মূল পাতা   >>   লন্ডন

আরব বসন্তের পর এবার ইংরেজী বসন্ত!

SM, নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৬-২৯ ২২:১৪:০৩

SM: ব্রেক্সিট বিরোধী মিছিলের সারি লম্বা হচ্ছে দিন দিন। তিন দিন আগে ছিল কয়েক হাজার। বৃহস্পতিবার লাখ ছাড়িয়েছে। বৃটিশ পার্লামেন্টের সামনে হাজার হাজার মানুষ স্লোগান দিচ্ছে, গান গাইছে। বলছে মানি না, মানি না এ রায়। প্রায় এক সপ্তাহ আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যারা ডিভোর্স চেয়েছিলেন, তারাও এ মিছিলে শামিল হয়েছেন। প্রথম দিকে দোদুল্যমানতা ছিল। ব্রেক্সিট পরবর্তী পরিস্থিতি জনগণকে রাস্তায় নামিয়েছে। জনরায়কে সরকারও মান্যতা দিয়েছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবারের জনস্রোতে যোগ দিয়েছিলেন বিজনেস মিনিস্টার আন্না সবরি। তিনি জনতার উদ্দেশ্যে আবেগঘন বক্তব্য রাখেন। বলেন, আমি ছিলাম লিভের পক্ষে। কিন্তু আমার ৮৪ বছর বয়সী মা এবং দুই সন্তান এই ফলাফলে ক্ষুব্ধ। তার এ বক্তব্যের পরে ব্রেক্সিট বিরোধী আওয়াজ আরও বেড়ে যায়। এই বিক্ষোভের আয়োজক স্যোসাল মিডিয়া, রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্রতো আছেই। বৃটিশ পার্লামেন্টের সামনে শুধু বিক্ষোভ হয়নি, বিক্ষোভ হয়েছে ইংল্যান্ডের আরো অনেক শহরেও। ব্রেক্সিট প্রধানমন্ত্রীকে গদি ছাড়তে বাধ্য করেছে, বিরোধী নেতার গদি টলটলায়মান। ট্রাফালগার স্কয়ারের সামনে বিক্ষোভকারীরা বলেছে, তিনশ ৫০ মিলিয়ন পাউন্ড কোথায়। লিভের প্রচারণাকারীরা বলেছিল, প্রতি সপ্তাহে লন্ডন থেকে তিনশ ৫০ মিলিয়ন পাউন্ড যায় ব্রাসেলসে। এখন তারা তা অস্বীকার করছে। বলছে, তারা এমন কথা বলেনি। বেশিরভাগ মানুষ তাদের কথায় সায় দিয়েছিল। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈঠকে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর নিষ্ফল উপস্থিতি জনগণকে আরও আবেগ আপ্লুত করেছে। কারণ ৪৩ বছরে কোন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর এমন নিষ্ফল উপস্থিতি ছিল না। গণভোট নিয়ে কী হবে, এ রায় কী পরিবর্তন হবে? বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী এ সম্ভাবনাও নাকচ করে দিয়েছেন। কিন্তু জনস্রোত যেদিকে যাচ্ছে তা কি আরব বসন্তের মতো ইংরেজ বসন্তে রূপ নেবে? কেউ কেউ অবশ্য এমনটাই হতাশ যে, তারা মনে করেন গুগলের সার্চ ইঞ্জিনও বৃটিশ রাজনীতির কোন চটজলদি সমাধান দিতে পারবে না।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৮৯৫ বার

আপনার মন্তব্য