যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ১৮ অগাস্ট, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 07:35am

|   লন্ডন - 02:35am

|   নিউইয়র্ক - 09:35pm

  সর্বশেষ :

  স্তন্যপান করিয়ে বিপন্ন শিশুকে বাঁচালেন আর্জেন্টিনার পুলিশ কর্মকর্তা   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু   সরকার কোনো আন্দোলনকে দানা বেঁধে উঠতে দেবে না : এরশাদ   বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন প্রিয়াঙ্কা-নিক   ফিলিস্তিনিদের ঘরে ফেরার আন্দোলনে নিহত ১৬৬   প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ইমরান খান   ফাইনালে পারল না বাংলাদেশি মেয়েরা   মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে : নাসিম   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান আর নেই   সবচেয়ে বেশি আয় স্কারলেট জোহানসনের   শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার দাবি ড. কামালের   ছাত্র আন্দোলনে ‘গুজব’ ছড়ানোর অভিযোগে কফিশপের মালিক ফারিয়া রিমান্ডে   এবার ট্রাম্পের পুত্রবধূর বিরুদ্ধে অভিযোগ   যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন!   হ্যান্ডশেক না করা সেই সুইডিশ তরুণী মামলায় জিতলেন

মূল পাতা   >>   লস এঞ্জেলেস

বাঙালি একটি বীরের জাতি : বাফলা'র প্যারেডে কংগ্রেসম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদন, নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-০৪ ১৬:০৪:৪৩

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে এই আমেরিকার মেগাসিটি লস এঞ্জেলেস গত দুইদিন হয়ে উঠেছিল যেন বাংলাদেশেরই প্রতিচ্ছবি। গত ৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল লস এঞ্জেলেসের প্রবাসীরা মেতেছিল উৎসবে; উৎসাহ আর উদ্দীপনা ছিলো সর্বত্র। বিপুল সংখ্যক প্রবাসীদের অংশগ্রহণে অত্যন্ত জমকালো, রঙিন, বর্ণাঢ্য ও বিশাল '১২তম বাংলাদেশ ডে প্যারেড ও ফেস্টিভ্যাল - ২০১৮' অনুষ্ঠিত হয়ে গেল।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে গত এক দশক যাবৎ প্রবাসীদের নিয়ে বর্ণাঢ্য প্যারেড ও ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করে আসছে বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অফ লস এঞ্জেলেস (বাফলা)। এবছরও দুই দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১২তম বাংলাদেশ ডে প্যারেড ও ফেস্টিভ্যাল - ২০১৮ সফলভাবে শেষ হলো। বর্ণালী ও বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে সমগ্র লস এঞ্জেলেসের বাংলাদেশী কমিউনিটি যেন রূপ নিয়েছিল প্রবাসীদের মিলনমেলায়।৩১ মার্চ শনিবার অনুষ্ঠিত হয় ১২তম বাংলাদেশ ডে প্যারেড। দুপুর ৩টায় নরম্যান্ডি এবং থার্ড স্ট্রীট থেকে প্যারেড শুরু হয়ে 'লিটিল বাংলাদেশ' ঘুরে ভার্জিল মিডিল স্কুলে গিয়ে শেষ হয়। প্যারেডে লস এঞ্জেলেসের রাজপথে নেমেছিল মানুষের ঢল। বাংলাদেশ ও আমেরিকার পতাকা, লাল-সবুজ পোষাক পরে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীর উপস্থিতিতে উক্ত প্যারেডে অনেক বিদেশী নাগরিকদেরও অংশ নিতে দেখা যায়। আমেরিকা ও বাংলাদেশের বিভিন্ন থিম নিয়ে চমৎকার করে সাজানো একাধিক ফ্লোটস, বর্ণিল পদযাত্রা,  ঢোল, ব্যান্ড দল ও ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে প্যারেডটি হয়ে উঠেছিল সত্যিই অত্যন্ত আকর্ষণীয়। বিশালাকৃতির স্ট্যাচু অফ লিবার্টি, শহীদ মিনার, স্মৃতি সৌধ, গ্রামীণ বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সমারোহ ইত্যাদি ছিল এবারের প্যারেডের বিশেষ আকর্ষণ।
 
১২তম বাংলাদেশ ডে প্যারেড মার্শাল ছিলেন ক্যালিফোর্নিয়ার ৩৪ কংগ্র্যাশনাল ডিস্ট্রিকের ইউএস কংগ্রেসম্যান জিমি গোমেজ। এছাড়াও ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর পদপ্রার্থী আন্তোনিও ভিয়াররাইগোসা, সানদিয়াগোর সাবেক কংগ্রেসম্যান জিম বেটস্, বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল  প্রিয়তোষ সাহা, কেপিসি গ্রুপের চেয়ারম্যান ডঃ কালী প্রদীপ চৌধুরী, ঢাকা হোমসের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন এবং অন্যান্য সরকারি ঊর্ধতন করমকর্তা, গণ্যমান্য ব্যক্তিরা, বাফলা'র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বাংলাদেশী কম্যুনিটির নেতাদের সাথে প্যারেডে উপস্হিত ছিলেন। আরও উপস্হিত ছিলেন বাফলা'র সাবেক প্রেসিডেন্ট ও ক্যাবিনেট সদস্যরা।
এসময় কংগ্রেসম্যান জিমি গোমেজ বলেন, বাঙালি একটি বীরের জাতি। ১৯৭১ সালে ৯ মাস যুদ্ধ করে নিজেদের মাতৃভূমিকে স্বাধীন করেছে। আজ ৪৭ বছর পর আমেরিকায়ও তারা নিজের দেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে এই বণ্যাঢ্য আয়োজনে। এটি তাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। আমিও একটি দেশেরে স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে এখানে আসতে পেরে গর্ববোধ করছি।

প্যারেডে সবার সামনে ছিল বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বড় সাইজের দুটি পতাকা।  ৩টি ঘোড়া বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র এবং বাফলা'র পতকা বহন করে, এছাড়াও প্যারেডে ছিল একটি সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়ি, বাংলাদেশ ও আমেরিকার পতাকা সম্বলিত ১২টি হার্লে ডেভিডসন মোটরবাইক, লস এঞ্জেলেসে পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ৩টি ও শেরিফ ডিপার্টেমেন্টের ১টি কনভার্টেবল কার। বাফলা'র সকল সদস্য সংগঠনের সবাই পায়ে হেঁটে প্যারেডে অংশ গ্রহণ করেন। বিনোদনের জন্য প্যারেডের সাথে ছিলেন ২জন ঢোলবাদক, ভার্জিল মিডিল স্কুলের ব্যন্ড দল ও একটি ইয়ুথ সাংস্কৃতিক দল, তারা বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে ও কসরত দেখিয়ে সবাইকে আনন্দ দেয়। প্যারেডে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশীরা সবাই জাতীয় পতাকা, বিভিন্ন ধরণের প্ল্যাকার্ড, লাল-সবুজের পোষাক পরে নারী-পুরুষ, যুবক-তরুণ-তরুণী, শিশু-কিশোরসহ সব সবয়সের প্রবাসী বাংলাদেশীরা অংশ নেন। এবারের প্যারেডে প্রচুর বিদেশী নাগরিককেও লাল-সবুজের পতাকা হাতে অংশ নিতে দেখা যায়। এসময় রাস্তার দু’পাশের বিদেশী নাগরিকরা জড়ো হয়ে হাত নেড়ে প্যারেডকে অভিনন্দন জানায়।

প্যারেড উপলক্ষে পুরো লস এঞ্জেলেসজুড়ে ছিল সাজ সাজ রব। প্যারেডের জন্য  পৃথিবীর অন্যতম বিনোদন নগরী ও ক্যালিফোর্নিয়ার গুরুত্বপূর্ণ এই শহরের মূল সড়কটি  ৪ ঘণ্টা বন্ধ করে রাখে সিটি কর্তৃপক্ষ। এবার প্রথমবারের মতো ‘বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা’ নামে বাংলাদেশী আমেরিকান নতুন প্রজন্মের একদল শিশু বঙ্গবন্ধুর বিশাল প্রতিকৃতি ও ব্যানার নিয়ে প্যারেডে অংশ নেয়।

প্যারেডের পর ফেস্টিভ্যালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত এবং বাফলা'র থিম সং দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। তিনটি সঙ্গীত বাজানোর সাথে সাথে যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বাফলার পতাকা উত্তোলন করা হয়। বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন কন্সাল জেনারেল প্রিয়তোষ সাহা। যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা উত্তোলন করেন কংগ্রেসম্যান জিমি গোমেজ  এবং বাফলার পতাকা উত্তোলন করেন প্রেসিডেন্ট নজরুল আলম। এসময় উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত ও পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। এরপর অতিথিরা সকলে মিলে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে ১২তম বাংলাদেশ ডে প্যারেড ও ফেস্টিভ্যাল ২০১৮-র উদ্বোধন ঘোষণা করা করেন। এসময় মুসলিম, হিন্দু ও খ্রিষ্ট ধর্মের তিনটি ধর্মগ্রসন্থ পবিত্র কোরআন, গিতা ও বাইবেল থেকে পাঠ করা হয়।
বাংলাদেশ ডে প্যারেড ও ফেস্টিভ্যালে দুইদিনব্যাপি বিভিন্ন ফরম্যাল ইভেন্ট ছাড়াও শিশু-কিশোরদের চিত্রাংকন ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্যারেডের পরে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ সেমিনার। এবারের সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল 'What Examples do We want to present now for our Younger Generation'; সেমিনারটি পরিচালনা করেন আনিসুর রহমান। ১ম দিনেই প্রবাসীদের ভীড় ছিল মেলার বিভিন্ন স্টলগুলোতে। জমে উঠেছিল আড্ডা ও গান-গল্প। বিভিন্ন দেশি মুখরোচক খাবার, গহনা, হস্তশিল্পসহ রকমারী পণ্যের স্টল ছিল মেলায়। এদিন অত্যন্ত চমৎকারভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রশনি আলম। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্পীরা নাচ-গান-কবিতায় মাতিয়ে তুলেছিলেন দর্শক ও অতিথিদের। সাংস্কৃতিক পর্বের মূল দায়িত্বে ছিলেন বাফলা'র কালচারাল সেক্রেটারী আঞ্জুমান আর শিউলি। ১ম দিনের বিশেষ অতিথি শিল্পী ছিলেন জনপ্রিয় মিউজিক স্টার শাহ মাহবুব। তার কণ্ঠে গানের যাদুতে দর্শক-শ্রোতারা যেন হারিয়ে গিয়েছিলেন সুরের জগতে।
বাফলা'র প্রেসিডেন্ট নজরুল আলম তাঁর বক্তব্যে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, যার নেতৃত্বে ৯ মাসের মুক্তিযোদ্ধের পর দেশ স্বাধীন হয়েছিল শেখ মুজিবুর রহমান, শহিদ প্রেসিডেন্ট মেজর (অব.) জিয়াউর রহমান, মুক্তিযোদ্ধের প্রধান সেনাপতি মেজর (অব.) এম এ জি ওসমানী, জাতীয় চার নেতাসহ  একাত্তরের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকল মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন। উপস্থিত সবাইকে প্যারেডে অংশ গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। বাফলা'র কেবিনেট সদস্য, সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দসহ যারা প্যারেড আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করে বাফলা'র সকল সদস্য, প্রবাসী কমিউনিটি, প্যারেডের অতিথি, সাংবাদিক, সংস্কৃতি কর্মীসহ উপস্থিত সবাইকে এই সুন্দর আয়োজনকে সফল করার জন্য বাফলা'র পক্ষ থেকে ধন্যবাদ এবং সকলকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান।

শেষদিন অনুষ্ঠান পরিচলনায় ছিলেন লস এঞ্জেলেসের জনপ্রিয় এমসি সাজিয়া হক মিমি। তার প্রাণবন্ত উপস্হাপনা দর্শক-শ্রোতা-অতিথিদের প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। তাকে সাথে ছিলেন আরেক জনপ্রিয় এমসি মিঠুন চৌধুরী। এদিন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। প্যারেডে অংশগ্রহণকারী সেরা তিনটি সংগঠনকে ট্রফি দেয়া হয়। এবার কম্যুনিটিতে ভাল কাজ ও সার্ভিসের স্বীকৃতিস্বরূপ 'বাফলা পদক' প্রদান করা হয় বাফলার সাবেক ২ বারের প্রেসিডেন্ট, প্রবীন কমিউনিটি একটিভিস্ট, ডেন্টিস্ট ডা. আবুল হাসেম। উল্লেখ্য, প্রথম বাফলা পদক প্রদান করা হয় চ্যানেল আইয়ের ব্যাস্থাপনা পরিচালক শায়েখ সিরাজকে।

সন্ধ্যায় অনুষ্ঠান স্থলে আসেন লস এঞ্জেলেসের দু'বার নির্বাচিত মেয়র এবং বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর পদপ্রার্থী আন্তোনিও ভিয়াররাইগোসা। সদর দরজায় গিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান বাফলার প্রেসিডেন্ট নজরুল আলম ও তাঁর পরিষদ এবং ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, কমিশনার মুজিব সিদ্দিকী। প্রধান অতিথিকে ফুলের মালা গলায় পরিয়ে বরণ করে নেন নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশী আমেরিকান শেখ জিব্রান| 

ভার্জিল মিডল স্কুল মাঠে বাফলার মেলার সাজগোজ দেখে মেয়র অভিভূত হন এবং উনি সম্বোদনকারীদের ও প্রাক্তন সভাপতি সামসুদ্দিন মানিককে সাথে নিয়ে প্রায় ৫০ টা বুথের প্রতিটা প্ৰদৰ্শন করেন এবং সবার সাথে মত বিনিময় করেন এবং শত শত দর্শক উনার সাথে ছবি উঠাতে গেলে মেয়র নিজে তাদের ক্যামেরা হাতে নিয়ে সেলফি ছবি উঠান| তারপর শিপার চৌধুরী ও অন্যান্ন প্রাক্তন সভাপতিদের সাথে মতবিনিময়ের পর মেয়রকে নিয়ে নেতৃবৃন্দ মঞ্চে উঠে যান |

সভাপতি আলম অপূর্বভাবে প্রধান অতিথিকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে কমিশনার মুজিব সিদ্দিকীকে বক্তব্য রাখতে বললে উনি মেয়র লিটল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ কমিউনিটিকে কিভাবে সহযোগিতা করেছিলেন তার সংক্ষিপ্ত তথ্য প্রকাশ করেন| তারপর প্রাক্তন সভাপতি ডা. হাশেম ও জনাব চৌধুরী অতিথির ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং প্রধান অতিথিকে গভর্নর নির্বাচনে কমিউনিটির পক্ষ থেকে  সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন |

প্রধান অতিথি "আসসালামু আলাইকুম" ও বাংলায় "শুভ সন্ধ্যা" বলে তার ভাষণ শুরু করলে শত শত উপস্থিতি আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে করতালি দিতে থাকে| তিনিদিনশেষে অনেক কাজের ফাঁকে এখানে আসতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন| "লিটল বাংলাদেশ" তৈরির ব্যাপারে উনি বাফলার প্যারেড ২০০৭ দেয়া প্রতিশ্রূতি রাখতে পেরে বেশ খুশি হয়েছিলেন বলে জানান| মেয়র হিসাবে তিনি যা উন্নয়ন করেছিলেন তার উল্লেখ করেন| তিনি বলেন, সব জাতির ও ধর্মের লোক এদেশে বসবাস করার অধিকার রয়েছে ও তাদের মেধা ও শ্রমের বিনিয়োগের  কারণেই ক্যালিফর্নিয়া বিশ্বের ৭ম ধনী দেশ। তিনি বলেন প্রত্যেক অভিভাসীদের এদেশে স্বাধীন ভাবে বসবাস করার অধিকার আছে| তিনি ক্যালিফর্নিয়ার নির্বাচনে গভর্নর হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা উল্লেখ করে উপস্থিত সবার সহযোগিতার আবেদন করলে দর্শশ্রোতাতারা উল্লাসপূর্ণ করতালি দিয়ে প্রধান অতিথিকে আশ্বস্ত করেন|
অনুষ্ঠানে বাফলার পক্ষ থেকে সম্মানসূচক ক্রেস্ট প্রদান করা হয় বাফলার সাবেক প্রেসিডেন্ট শিপার চৌধুরী, খন্দকার আলম ও ড. শাহ আলমকে। এছাড়াও সাংস্কৃতিক আয়োজনে পারফর্ম করতে বাংলাদেশ থেকে আসা কন্ঠশিল্পী শুভ্রদেব ও জিনাত আরা মুনা এবং নিউইয়র্ক আসা জনপ্রিয় শিল্পী শাহ মাহবুবকে বাফলার পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

প্যারেড ও ফ্যাস্টিভ্যাল উপলক্ষে প্রকাশিত হয় বাফলার বার্ষিক ম্যাগাজিন ‘অপরাজেয়’। অনুষ্ঠানের প্রাইম টাইমে উপস্থাপক মঞ্চে ডাকেন বাফলার পাবলিক রিলেশন অফিসার, এবারের ম্যাগাজিন কমিটির কোঅর্ডিনেটর ও এলএ বাংলা টাইমসের সিইও আব্দুস সামাদকে। তিনি মঞ্চে উঠে প্রেসিডেন্ট নজরুল আলম ও ম্যাগাজিন কমিটির সদস্যদের নিয়ে ফিতা কেটে ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন করেন। উল্লেখ্য, এবারের ম্যাগাজিনে বাণী দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুদজ্জামান নূর, ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ, লস এঞ্জেলেসে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল প্রিয়তোষ সাহা, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট এবং মার্কিন সিনেটর, কংগ্রেসম্যান, এলএ সিটি মেয়রসহ যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের বিভিন্ন কর্তা ব্যক্তিরা।