যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ২২ মে, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 05:25am

|   লন্ডন - 12:25am

|   নিউইয়র্ক - 07:25pm

  সর্বশেষ :

  দ্বিতীয় বিয়ে বাধ্যতামূলক যেখানে   চীনে মসজিদে মসজিদে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর নির্দেশ   করাচিতে দাবদাহে হিট-স্ট্রোকে ৬৫ জনের মৃত্যু   যুদ্ধক্ষেত্রে সর্বাধুনিক এফ-৩৫ উড়িয়েছে ইসরায়েল   মিলানে ছাত্রলীগের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল   নিউজার্সিতে কুলাউড়া এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত   তথাকথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এবার ৯ জেলায় নিহত ১২   আর্জেন্টিনার চূড়ান্ত দল ঘোষণা   মাদকের আন্ডারওয়ার্ল্ডে ১৪১ গডফাদার   মদিনায় বিমান দুর্ঘটনা থেকে বাঁচলেন ১৫১ বাংলাদেশি   রাজীবের দুই ভাইকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ স্থগিত   বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৪ শ্রমিক নিহত   ইবাদতের মৌসুম মাহে রমজান   শান্তিনিকেতনে শুক্রবার হাসিনা-মোদি-মমতার সাক্ষাৎ   ইরানের ওপর ‘ইতিহাসের বড় নিষেধাজ্ঞা’ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মূল পাতা   >>   মধ্যপ্রাচ্য

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ইরাকের বিখ্যাত ‘আল-নুরি’ মসজিদ

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-২৬ ০৯:৪৩:২৭

ঐতিহাসিক ‘আল-নুরি’ মসজিদ। ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মসুলে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘আল-নুরি’ মসজিদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকারি বাহিনী। তবে এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে নিজস্ব সংবাদমাধ্যম ‘আমাক’-এ এক বিবৃতিতে আইএস বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় মসজিদটি ধ্বংস হয়েছে।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি এক বিবৃতিতে বলেছেন, পরাজয় নিশ্চিত দেখে সবকিছু ধ্বংস করছে আইএস। মসুলে নিকটবর্তী সেনাবাহিনী দেখে তারা আল-নুরি মসজিদ উড়িয়ে দিয়েছে। তিনি এই মসজিদ ধ্বংসকে এক অপূরণীয় ক্ষতি বলেও বর্ণনা করেন।
এদিকে, মসুল অভিযানে অংশ নেওয়া এক ইরাকি সেনা কর্মকর্তা দাবি করেন, মসুল শহরে সেনাবাহিনী ঢোকার পরপরই আইএস ওই মসজিদ ধ্বংস করে। ধ্বংসের পর মসজিদটির বর্তমান অবস্থা। ছবি: উপগ্রহ থেকে নেওয়া

আইএসের বার্তা সংস্থা ‘আমাক’ এক বিবৃতিতে জানায়, গতকাল ২১ জুন বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের বিমান থেকে ফেলা এক বোমার আঘাতে ওই মসজিদ উড়ে যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা আইএসের এই দাবিকে এক হাজার শতাংশ মিথ্যা বলে আখ্যা দিয়েছেন।
মসুল ও ইরাকের বিখ্যাত স্থাপনাটি আইএস গুঁড়িয়ে দিয়েছে দাবি করে ইরাকে অবস্থনরত জ্যেষ্ঠ মার্কিন কমান্ডর মেজর জেনারেল জোসেফ মার্টিন বলেছেন, বিষয়টি শুধু মসুলের জনগণই নয়, পুরো ইরাকবাসীর বিরুদ্ধে চালানো অপরাধ।
বিমান থেকে তোলা ছবিতে দেখা গেছে, লম্বা মিনারওয়ালা মসজিদটির একটি ছোট্ট ধ্বংসাবশেষ কেবল অবশিষ্ট রয়েছে। মসজিদটি প্রার্থনাকেন্দ্র ছাড়াও প্রাচীন গ্রন্থ সংগ্রহশালা ও গবেষণাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। মসজিদটি ঐতিহ্যবাহী মসুল শহরের একেবারে কেন্দ্রে অবস্থিত ছিল। ২০১৪ সালে এই মসজিদ থেকেই আইএসপ্রধান আবু বকর আল বাগদাদি ‘খিলাফত’ ঘোষণা করেছিলেন।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ২৮০ বার

আপনার মন্তব্য