যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 02:31am

|   লন্ডন - 09:31pm

|   নিউইয়র্ক - 04:31pm

  সর্বশেষ :

  আলোচনায় চেয়ে মোদিকে ইমরানের চিঠি   অন্তর্জ্বালা থেকে মনগড়া ও ভুতুড়ে কথা বলেছেন সিনহা : কাদের   ফিলিপাইনে ভূমিধস, ১২ জনের মৃত্যু   বিশ্বে প্রতি ৫ সেকেন্ডে ১ শিশু মারা যায়   ঢাকায় পুলিশের লাঠিপেটায় বাম জোটের ঘেরাও কর্মসূচি পণ্ড   বাংলাদেশে বছরে একলাখ লোক ক্যান্সারে মারা যায়   রোহিঙ্গাদের জন্য বিশ্বব্যাংকের ৪১০ কোটি টাকা সহায়তা   অনুপস্থিতিতেই বিচার চলবে খালেদা জিয়ার   বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির সংবর্ধনায় সুন্দর সমাজ গঠনে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান   ১৭তম নজরুল সম্মেলনে আজীবন সম্মাননা পেলেন ইকবাল বাহার চৌধুরী   ভারতে এবার বিক্রি হবে গোবর, গো-মূত্রের সাবান   নাজিব রাজাক গ্রেপ্তার   মুক্তি পেলেন নওয়াজ শরিফ   দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে ইয়েমেনের ৫২ লাখ শিশু   কওমির দাওরায়ে হাদিস সনদকে মাস্টার্সের সমমান প্রদান

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

দেশের ১০০ শীর্ষ ঋণ খেলাপীর কাছে একলাখ ৩১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৯-১২ ১১:০৫:০৬

নিউজ ডেস্ক: বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে দেশের শীর্ষ ১০০ ঋণখেলাপির তালিকা তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী জুন পর্যন্ত দেশে ঋণখেলাপির সংখ্যা দুই লাখ ৩০ হাজার ৬৫৮ জন, যাদের কাছে অনাদায়ী অর্থের পরিমাণ একলাখ ৩১ হাজার ৬৬৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য পিনু খানের এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি ডাটাবেজের (জুন ২০১৮) ভিত্তিতে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী শীর্ষ ১০০ ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান হলো– ইলিয়াস ব্রাদার্স, কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেম, রেমিক্স ফুটওয়ার, ম্যাক্স স্পিনিং মিলস, রুবিয়া ভেজিটেবল ইন্ডাস্ট্রিজ, রাইজিং স্টিল, ঢাকা ট্রেডিং হাউস, বেনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, আনোয়ারা স্পিনিং, ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্ট, ইয়াসির এন্টারপ্রাইজ, চৌধুরী নিটওয়্যার, সিদ্দিক ট্রেডার্স, রূপালী কম্পোজিট লেদারওয়্যার, অললপা কম্পোজিট টাওয়েলস, হলমার্ক ফ্যাশন, মুন্নু ফেব্রিকস, ফেয়ার ইয়ার্ন প্রসেসিং, ফেয়ার ট্রেড ফেব্রিকস, সাহারিশ কম্পোজিট টাওয়েলস, মার্ক ইন্টারন্যাশনাল, সুরুজ মিয়া জুট স্পিনিং মিলস, প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম, সালেহ কার্পেট মিলস, পদ্মা পলি কটন নিট ফ্রব্রিকস, এস কে স্টিল, হেলপলাইন রিসোর্সেস, এইচ স্টিল রিরোলিং, অটবি, বিসমিল্লাহ টাওয়েলস, তাইপে বাংলা ফেব্রিকস, ঢাকা নর্থ পাওয়ার ইউটিলিটি, টি অ্যান্ড ব্রাদার্স নিট কম্পোজিট, তানিয়া এন্টারপ্রাইজ ইউনিট-২. সিক্স সিজন অ্যাপার্টমেন্ট, ইসলাম ট্রেডিং কনসোরটিয়াম, রহমান স্পিনিং মিলস, জাপান-বিডি সেক প্রিন্টিং অ্যান্ড পেপারস, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স কোম্পানি, সেমাটসিটি জেনারেল ট্রডিং, এম কে শিপ বিল্ডার্স, কটন করপোরেশন, ন্যাশনাল স্টিল, এম বি এম গার্মেন্ট অ্যান্ড টেক্সটাইল, সোনালী জুট মিলস, এক্সপার টেক লিমিটেড, ওয়ালমার্ট ফ্যাশন, সাদ মুসা ফেব্রিকস, চিটাগং ইস্পাত, অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, হিমালয়া পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস, আমাদের বাড়ি লি., ইমদাদুল হক ভুইয়া, চৌধুরী টাওয়েল, চৌধুরী লেদার, আর্থ অ্যাগ্রো ফার্ম, নদার্ন পাওয়ার সলুশন, ম্যাক শিপ বিল্ডার্স, দি আরব কনট্রাকটরস, ওয়ান ডেনিম মিলস, লিবার্টি ফ্যাশন ওয়্যার, বিশ্বাস গার্মেন্ট, মাস্টার্ড ট্রেডিং, হিনদুল ওয়ালী ট্রেডিং, সগির অ্যান্ড ব্রাদার্স, গ্লোব মেটাল কমপ্লেক্স, অরনেট সার্ভিসেস, জালাল অ্যান্ড সন্স, করোলা করপোরেশন, সাইদ ফুড, অ্যাপেক্স নিট কম্পোজিট, এস এ অয়েল রিফাইনারি, আলী পেপার মিলস, ড্রেজ বাংলা লিমিটেড, গ্যালাক্সি সোয়েটার অ্যান্ড ডাইয়িং, অর্জন কার্পেট অ্যান্ড জুট, ইন্ট্রাকো সিএনজি, ফুরচুন স্টিল, ফাইবার শাইন লি., দোয়েল অ্যাপারেলস, জাহিন এন্টারপ্রাইজ, মজিবর রহমান খান, কেয়ার স্পেশালাইজড হসপিটাল, জয়নাব ট্রেডিং, তাবাসসুম এন্টারপ্রাইজ, অ্যাপেক্স ওয়েভিং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলস, রিসোর্স ডেভেলপমেন্টে ফাউন্ডেশন, দি ওয়েল টেক্স, ডেলটা সিস্টেম, টেলিবার্তা, এম আর সোয়েটার কম্পোজিট, রেপকো ফার্মসিউটিক্যালস, মাবিয়া শিপ ব্রেকিং, ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, নদার্ন ডিস্টিলারিজ, নিউ রাখি টেক্সটাইলস, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, শফিস স্টিল, জারিস কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রিজ ও হিলফুল ফুজুল সমাজকল্যাণ সংস্থা।

অর্থমন্ত্রী জানান, খেলাপি ঋণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৮৮টি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– সোনালী ব্যাংক ১৮ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক ১৪ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা, অগ্রণী ব্যাংক ৯ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা, রূপালী ব্যাংক ৪ হাজার ৯০১ কোটি টাকা, বেসিক ব্যাংক ৮ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা, কৃষি ব্যাংক ২ হাজার ১৭৮ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ২ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা, পূবালী ব্যাংক ২ হাজার ১১৬ কোটি টাকা, ন্যাশনাল ব্যাংক ৫ হাজার ৭৬ কোটি টাকা, ইসলামী ব্যাংক ৩ হাজার ৫২০ কোটি টাকা, প্রাইম ব্যাংক ৩ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা।

নিজাম উদ্দিন হাজারীর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে বিভিন্ন প্রকল্পের অনুকূলে বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে ৩৬১ দশমিক ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক অনুদান পাওয়ার আশ্বাস পেয়েছিলাম। এর মধ্যে ঋণের পরিমাণ ৩৬০ মিলিয়ন এবং অনুদান ১ দশমিক ৩৫ মিলিয়ন ডলার। এসব সাহায্যের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৮৭ দশমিক ৮৮ মিলিয়ন ডলার পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ঋণের পরিমাণ ১৮৫ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলার এবং অনুদান ২ দশমিক ৪২ মিলিয়ন ডলার।’

নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জাব্বার বলেন, ‘২০১৭-১৮ সালে বৈদেশিক কল থেকে ৯০০ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে। তবে এই আয় গত ৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। বৈদেশিক কল থেকে সর্বাধিক একহাজার ৭৬২ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে ২০১৩-১৪ সালে। সব মিলিয়ে গত ৯ বছরে বৈদেশিক কল থেকে ১২ হাজার ৭৩৬ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে।’

প্রশ্নোত্তরের আগে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকাল ৫টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৮৮৩ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত