যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 03:59pm

|   লন্ডন - 09:59am

|   নিউইয়র্ক - 04:59am

  সর্বশেষ :

  ড. কামালের গাড়িতে হামলার তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   সার্কের সভা থেকে ভারতীয় কূটনীতিকের ওয়াকআউট   হোয়াইট হাউজের ভারপ্রাপ্ত চিফ অব স্টাফ মুলভানে   ১৭ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে ঐক্যফ্রন্টের চিঠি   জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি অস্ট্রেলিয়ার   স্বপ্নের সিনেমায় বাংলাদেশকে দেখবে   রোমে সিলেটী নাগরী বর্ণমালার আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন   সুষ্ঠু ভোটের জন্য সরকারকে চাপ দেওয়া উচিত : এইচআরডাব্লিউ   বেআইনি আদেশ মানবেন না: পুলিশকে ড. কামাল   জীবননগরে বিএনপির থানা কার্যালয়সহ ২০টি নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ!   জয়ে রাঙাল টাইগারদের বছরের শেষ ওয়ানডে   বিজয় দিবস উপলক্ষে বাফলার আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শনিবার   বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে কামাল হোসেনের গাড়িবহরে যুবলীগের হামলা   লস এঞ্জেলেসে ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী বিজয় বহর   রাষ্ট্রদূত মার্শার উপর হামলার জের: নানকের ভিসা বাতিল, সেনাপ্রধানের স্ত্রীর আবেদন প্রত্যাখান!

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে জাতিসঙ্ঘের উদ্বেগ

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০৯ ১২:৩৩:৪০

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সদ্য পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে গুরুতরভাবে বাধাগ্রস্থ করবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসঙ্ঘ। বিশ্ব সংস্থাটির মতে, এ আইন ব্যক্তি স্বাধীনতা ও আইনের যথাযথ প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করবে। এটি সাংবাদিক, ব্লগার ও ইতিহাসবিদদের কাজের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এ ছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যক্তিগত মত প্রকাশের যৌক্তিক চর্চাকে শাস্তির আওতায় আনবে।

মঙ্গলবার জেনেভা থেকে মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসঙ্ঘ হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিনা শামদাাসানি এক বিবৃতিতে এ অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এমন বায়বীয় বিধান রয়েছে যার আওতায় অনলাইনে মত প্রকাশের কারণে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটলে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগলে বা সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ঠ হলে কোনো ব্যক্তির সাত বছর কারাদন্ড বা জরিমানা হতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতীয় সঙ্গিত বা জাতীয় পতাকার প্রতি অবমাননাকর কোনো প্রপাগান্ডা বা প্রচারনা চালালে ১০ বছরের কারাদন্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা হতে পারে। ঔপনিবেশিক আমলের অফিসিয়াল সিক্রেসি অ্যাক্টকে এই আইনে সন্নিবিশিত করা হয়েছে, যার আওতায় প্রথমবার অপরাধ করলে ১৪ বছরের কারাদন্ড ও পুনরাবৃত্তি ঘটলে যাবৎজীবন কারাদন্ডের বিধান রয়েছে।

মুখপাত্র বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুলিশকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি ও গ্রেফতারের ব্যাপকভিত্তিক ক্ষমতা দিয়েছে। এই আইনের অধীনে অনেক অপরাধই অজামিনযোগ্য। এটি আইনের যথাযথ প্রয়োগের ব্যাপারে বাংলাদেশে উৎকন্ঠার সৃষ্টি করেছে। এই আইন সরকারকে ডিজিটাল তথ্যের ওপর অবারিত ক্ষমতা দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সনদের আওতায় বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার পরিষদে ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউতে বাংলাদেশ মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত সুপারিশগুলোর সাথে একমত পোষণ করে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার সাথে জাতীয় আইনে সামঞ্জস্য রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সমস্যাযুক্ত বিধানগুলো পর্যালোচনার প্রতিশ্রুতি থেকে সরকার সরে এসেছে।

বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জরুরিভিত্তিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পর্যালোচনার জন্য বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। যথেচ্ছ গ্রেফতার, আটক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী বিধানগুলোতে ভারসাম্য আনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। এ জন্য মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসঙ্ঘ হাইকমিশনার কার্যালয় বাংলাদেশকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৫৪০ বার

আপনার মন্তব্য

সাম্প্রতিক খবর