যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 10:03pm

|   লন্ডন - 04:03pm

|   নিউইয়র্ক - 11:03am

  সর্বশেষ :

  আসছে ‘বেগম খালেদা জিয়া: হার লাইফ, হার স্টোরি’   ভারতের বিখ্যাত লাল কেল্লা দখলের হুমকি পাকিস্তানি মন্ত্রীর!   কানাডায় ‘দেবী’   আসছে নির্বাচন: ফের সিএমএইচে ভর্তি এরশাদ   রবিবার থেকে বাংলাদেশে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিলার   ‘১০ নম্বরি’ হলেও নির্বাচনের মাঠে থাকবো : ড. কামাল   সিডরে নিখোঁজ শহিদুল বাড়ি ফিরলেন ১১ বছর পর!   বিএনপির মনোনয়ন কিনলেন সাড়ে ৪ হাজার প্রার্থী   ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচনে আসছেন এএমএস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া   নতুন অস্ত্র উৎপাদন শুরু উত্তর কোরিয়ার   যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে উঠল সৌদি আরবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিল   কেন কর্মীদের আইফোন বর্জন করতে বললেন জাকারবার্গ?   সরকা‌রের ‘অ‌নিয়ম-দুর্নী‌তি’ প্রকা‌শে সম্পাদকদের সহ‌যো‌গিতা চায় ঐক্যফ্রন্ট   রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চিকে সমর্থন করল চীন   কোনো দেশেই শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না : ইসি কবিতা খানম

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

অবশেষে বিএনপিকে নিয়ে ‘জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট’র আত্মপ্রকাশ, বিকল্পধারা আউট

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-১৪ ০৩:০৪:০৯

নিউজ ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিসহ সাত দফা দাবি ও ১১টি লক্ষ্য তুলে ধরে ড. কামালের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট আত্মপ্রকাশ করেছে।

গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া প্লাটফর্মে বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও তার ছেলে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরীকে না রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জোটভুক্ত দলগুলো হলো বিএনপি, গণফোরাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), নাগরিক ঐক্য। এছাড়া এই ঐক্য ফ্রন্টে যুক্ত রয়েছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মঈনুল ইসলাম ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে শনিবার সন্ধ্যায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না নতুন জোটটির ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।

এর আগে শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির তৃতীয় তলায় ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে দফায় দফায় বৈঠক করেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

বিকেল ৫টায় রাজধানীর বেইলি রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসায় জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ায় যুক্ত নেতাদের ও বিএনপি নেতাদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কথা ছিলে বৈঠকের পরই ঘোষণা হবে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া।

কিন্তু এরই মধ্যে রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নেতারা বৈঠক করেন। সেখানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও ছিলেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি কামাল হোসেনের চেম্বার থেকে বের হয়ে যান।

এসময় গণমাধ্যমের সঙ্গে তিনি কোনো কথা বলেননি। ড. কামাল হোসেনের চেম্বার থেকে বেরিয়ে তিনি পাশেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের চেম্বারে যান। পরে আবার ৪টার দিকে ড. কামালের চেম্বারে প্রবেশ করেন তিনি।

দুপুরের ওই বৈঠকে ছিলেন না যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কি এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর মান্না।

এদিকে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে বদরুদ্দোজা চৌধুরী ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় গিয়ে কাউকে না পেয়ে ফিরে যান। বিকেল ৪টার দিকে মতিঝিলের ড. কামালের চেম্বারে যান মাহমুদুর রহমান মান্না।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফায় যা যা আছে :
*অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারের পদত্যাগ, জাতীয় সংসদ বাতিল, সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার নিশ্চিত করতে হবে। *গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে। *বাক, ব্যক্তি, সংবাদপত্র, টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা এবং নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।

*কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, সাংবাদিকদের আন্দোলন এবং সামাজিক গণমাধ্যমে স্বাধীন মত প্রকাশের অভিযোগে ছাত্রছাত্রী, সাংবাদিকসহ সবার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তির নিশ্চয়তা দিতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সব কালো আইন বাতিল করতে হবে। *নির্বাচনের ১০ দিন আগে থেকে নির্বাচনের পর সরকার গঠন পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত ও নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত করতে হবে।

*নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশি ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে ভোট কেন্দ্র, পোলিং বুথ, ভোট গণনাস্থল ও কন্ট্রোল রুমে তাদের প্রবেশে কোনো প্রকার বিধি-নিষেধ আরোপ না করা। নির্বাচনের সময়ে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর যেকোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করতে হবে। *নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচনের ফলাফল চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত চলমান সব রাজনৈতিক মামলা স্থগিত রাখা ও কোনো ধরনের নতুন মামলা না দেওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৮৪৯ বার

আপনার মন্তব্য