যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ২১ অগাস্ট, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 01:13am

|   লন্ডন - 08:13pm

|   নিউইয়র্ক - 03:13pm

  সর্বশেষ :

  ‘মৃত’ চিতাবাঘের ছবি তুলতে গিয়ে!   সিটি করপোরেশনের ওষুধ মশা সন্তান উৎপাদন করছে: রিজভী   গ্রেনেড হামলার দায় খালেদা জিয়া এড়াতে পারেন না : তথ্যমন্ত্রী   ইহুদিরা অত্যন্ত আনুগত্যহীন: ট্রাম্প   কাশ্মীরে খুলে দেওয়া হয়েছে স্কুল, শিক্ষার্থী নেই   ঢাকায় ডেঙ্গু রোগী কমেছে ২ শতাংশ   মর্মে মর্ম ধ্বনি’-নিয়ে সুজিত মোস্তফা আসছেন সিডনীতে   মিয়ানমারে প্রচণ্ড সংঘর্ষ, নিহত ১৯ জন   বাংলাদেশ বুদ্ধিষ্ট সোসাইটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার নতুন কমিটি গঠিত   ওষুধে লাভ হয় না, আল্লাহ আমাদের বাঁচাচ্ছে: হাইকোর্ট   প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ মোদির   বুধবার ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ১৫তম বার্ষির্কী   হিন্দুদের নিয়ে মন্তব্য করে মালয়েশিয়ায় তোপের মুখে জাকির নায়েক   আমি একজন ভারতীয় হিসেবে গর্বিত নই, সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেন   ইটালির প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

সততার বিরল দৃষ্টান্ত: সেতুর কাজ শেষ করেও ৭০০ কোটি টাকা ফেরত দিলো কোম্পানি

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৫-২০ ১৬:৫২:২৮

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে তিনটি সেতু তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। সেতু তিনটি হল কাঁচপুর, গোমতী ও মেঘনা ২য় সেতু।

শুধু সেতু নয় তার সংগে আরো আনুষঙ্গিক কাজ। কাঁচপুর সেতু ৪০০ মিটার সংগে ৭০০ মিটার দীর্ঘ ৮ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক। মেঘনা সেতু ৯৩০ মিটার সংগে ৮৭০ মিটার দীর্ঘ ৬ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক। গোমতী সেতু ১৪১০ মিটার সংগে ১০১০ মিটার দীর্ঘ ৬ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক। সমস্ত কাজগুলির ব্যায় অনুমোদন হয় ৮৪৮৬ কোটি টাকা। এই বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে।
নির্মাণ কাজ পেয়েছিল জাপানের তিনটি প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে ওবায়শি করপোরেশন, সিমিজু করপোরেশন এবং জে এফ ই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন। বিশ্বাস করতেও অবাক লাগে কাঁচপুর সেতু নির্ধারিত সময়ের নয় মাস আগে আর মেঘনা ও গোমতী সেতু সহ আনুষঙ্গিক সব নির্মাণ কাজ সাত মাস আগে শেষ করেছে। সবচাইতে অবাক ঘটনা এই প্রথম বাংলাদেশ সরকার ফেরত পেল ৭০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ৮৪৮৬ কোটি টাকা লাগেনি। টাকা খরচ হয়েছে ৭৭৮৬ কোটি টাকা। জাপানি তিন কোম্পানি শুধু কাজই বুঝিয়ে দিল না সঙ্গে ৭০০ কোটি টাকা ফেরত দিয়ে দিল। এই হল ওদের সততা।

জাপানি তিন কোম্পানির সংগে চুক্তি হয় ২০১৫ সালের ২৫শে নভেম্বর। কাজ শেষ হবে ২০১৯ সালের ৩১শে ডিসেম্বর। ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে গাড়ি চলবে। কাঁচপুর চালু হয়েছে মার্চ মাস থেকে আর মেঘনা গোমতী চালু হবে ২৫শে মে থেকে।

নির্ধারিত সময়ের আগেই বাংলাদেশের তিন সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হতে যাচ্ছে। যেটা সর্বশেষ হয়েছিলো ১৯৯৫ সালে। এর পরে বাংলাদেশে আর কোনো নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে পারেনি কেউ। ২০১৯ সালে এসে নির্ধারিত সময়ের এক মাস আগেই শেষ হচ্ছে কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী দ্বিতীয় সেতুর নির্মাণ কাজ।

শুধু তাই নয়, এই তিনটি সেতু নির্মাণের জন্য যে টাকা বরাদ্দ ছিল, সেই অর্থের চেয়েও কম খরচে নির্মাণ কাজ শেষ করেছে নির্মাণকারী জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে প্রকল্পের পুরো কাজ এখনই শেষ হচ্ছে না।

শুধু সেতুই নয়, তার সঙ্গে নেয়া হয় আরো আনুষঙ্গিক প্রকল্প। কাঁচপুর সেতু ৪০০ মিটার, এর সঙ্গে ৭০০ মিটার দীর্ঘ ৮ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক। মেঘনা সেতু ৯৩০ মিটার, সঙ্গে ৮৭০ মিটার দীর্ঘ ৬ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক। গোমতী সেতু ১৪১০ মিটার, সঙ্গে ১০১০ মিটার দীর্ঘ ৬ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক।

সমস্ত কাজগুলির ব্যয় অনুমোদন হয় ৮,৪৮৬ কোটি টাকা। এ বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার শর্তে নির্মাণ কাজ পেয়েছিল জাপানের তিনটি প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে ওবায়শি করপোরেশন, সিমিজু করপোরেশন এবং জে এফ ই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন।

বিশ্বাস করতেও অবাক লাগে, কাঁচপুর সেতু নির্ধারিত সময়ের নয় মাস আগে, আর মেঘনা ও গোমতী সেতুসহ আনুষঙ্গিক সব নির্মাণ কাজ সাত মাস আগে শেষ করেছে।

সবচাইতে অবাক ঘটনা এই প্রথম বাংলাদেশ সরকার ফেরত পেয়েছে ৭০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ৮৪৮৬ কোটি টাকা লাগেনি। টাকা খরচ হয়েছে ৭৭৮৬ কোটি টাকা।

জাপানি তিন কোম্পানি শুধু কাজই বুঝিয়ে দিল না সঙ্গে ৭০০ কোটি টাকা ফেরত দিয়ে দিল। এই হল ওদের সততা।

জাপানি তিন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয় ২০১৫ সালের ২৫ নভেম্বর। কাজ শেষ হবে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর।

২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে গাড়ি চলবে। কাঁচপুর চালু হয়েছে মার্চ মাস থেকে আর মেঘনা-গোমতী সেতু চালু হবে ২৫ মে থেকে।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৪৭৮ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত