যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ০৬ Jul, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 03:49pm

|   লন্ডন - 10:49am

|   নিউইয়র্ক - 05:49am

  সর্বশেষ :

  রয়া চৌধুরীর কবিতা   বিশ্বখ্যাতদের এক ডজন বিচিত্র ঘটনা   দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় জুন মাসে ৩৬১ জনের মৃত্যু   আগামী উপনির্বাচনে যাচ্ছে না বিএনপি   দেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ লাখ মানুষ   করোনার মধ্যেও শত শত মানুষের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন   রক্ত দান ও ফ্লাইওভারে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিক্সন লাইব্রেরি   সাউথ লস এঞ্জেলেসে এ্যাম্বুলেন্স চুরির ঘটনায় আটক ১   করোনায় মারা গেলেন লস এঞ্জেলেস পুলিশ কর্মকর্তা   ভিন্নরকম আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস   বর্ষসেরা চিকিৎসক হয়ে যুক্তরাজ্যের বিলবোর্ডে বাংলাদেশি ফারজানা   দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৯, শনাক্ত ৩২৮৮   অরেঞ্জ সিটির আন্তর্জাতিক স্ট্রিট ফেয়ার হচ্ছে না   ক্যালিফোর্নিয়া পালন করবে ব্যতিক্রমী স্বাধীনতা দিবস   ক্যালিফোর্নিয়ার নাগরিকদের করোনা ভীতি কমছে

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

সততার বিরল দৃষ্টান্ত: সেতুর কাজ শেষ করেও ৭০০ কোটি টাকা ফেরত দিলো কোম্পানি

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৫-২০ ১৬:৫২:২৮

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে তিনটি সেতু তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। সেতু তিনটি হল কাঁচপুর, গোমতী ও মেঘনা ২য় সেতু।

শুধু সেতু নয় তার সংগে আরো আনুষঙ্গিক কাজ। কাঁচপুর সেতু ৪০০ মিটার সংগে ৭০০ মিটার দীর্ঘ ৮ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক। মেঘনা সেতু ৯৩০ মিটার সংগে ৮৭০ মিটার দীর্ঘ ৬ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক। গোমতী সেতু ১৪১০ মিটার সংগে ১০১০ মিটার দীর্ঘ ৬ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক। সমস্ত কাজগুলির ব্যায় অনুমোদন হয় ৮৪৮৬ কোটি টাকা। এই বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে।
নির্মাণ কাজ পেয়েছিল জাপানের তিনটি প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে ওবায়শি করপোরেশন, সিমিজু করপোরেশন এবং জে এফ ই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন। বিশ্বাস করতেও অবাক লাগে কাঁচপুর সেতু নির্ধারিত সময়ের নয় মাস আগে আর মেঘনা ও গোমতী সেতু সহ আনুষঙ্গিক সব নির্মাণ কাজ সাত মাস আগে শেষ করেছে। সবচাইতে অবাক ঘটনা এই প্রথম বাংলাদেশ সরকার ফেরত পেল ৭০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ৮৪৮৬ কোটি টাকা লাগেনি। টাকা খরচ হয়েছে ৭৭৮৬ কোটি টাকা। জাপানি তিন কোম্পানি শুধু কাজই বুঝিয়ে দিল না সঙ্গে ৭০০ কোটি টাকা ফেরত দিয়ে দিল। এই হল ওদের সততা।

জাপানি তিন কোম্পানির সংগে চুক্তি হয় ২০১৫ সালের ২৫শে নভেম্বর। কাজ শেষ হবে ২০১৯ সালের ৩১শে ডিসেম্বর। ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে গাড়ি চলবে। কাঁচপুর চালু হয়েছে মার্চ মাস থেকে আর মেঘনা গোমতী চালু হবে ২৫শে মে থেকে।

নির্ধারিত সময়ের আগেই বাংলাদেশের তিন সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হতে যাচ্ছে। যেটা সর্বশেষ হয়েছিলো ১৯৯৫ সালে। এর পরে বাংলাদেশে আর কোনো নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে পারেনি কেউ। ২০১৯ সালে এসে নির্ধারিত সময়ের এক মাস আগেই শেষ হচ্ছে কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী দ্বিতীয় সেতুর নির্মাণ কাজ।

শুধু তাই নয়, এই তিনটি সেতু নির্মাণের জন্য যে টাকা বরাদ্দ ছিল, সেই অর্থের চেয়েও কম খরচে নির্মাণ কাজ শেষ করেছে নির্মাণকারী জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে প্রকল্পের পুরো কাজ এখনই শেষ হচ্ছে না।

শুধু সেতুই নয়, তার সঙ্গে নেয়া হয় আরো আনুষঙ্গিক প্রকল্প। কাঁচপুর সেতু ৪০০ মিটার, এর সঙ্গে ৭০০ মিটার দীর্ঘ ৮ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক। মেঘনা সেতু ৯৩০ মিটার, সঙ্গে ৮৭০ মিটার দীর্ঘ ৬ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক। গোমতী সেতু ১৪১০ মিটার, সঙ্গে ১০১০ মিটার দীর্ঘ ৬ লেন বিশিষ্ট এপ্রোচ সড়ক।

সমস্ত কাজগুলির ব্যয় অনুমোদন হয় ৮,৪৮৬ কোটি টাকা। এ বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার শর্তে নির্মাণ কাজ পেয়েছিল জাপানের তিনটি প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে ওবায়শি করপোরেশন, সিমিজু করপোরেশন এবং জে এফ ই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন।

বিশ্বাস করতেও অবাক লাগে, কাঁচপুর সেতু নির্ধারিত সময়ের নয় মাস আগে, আর মেঘনা ও গোমতী সেতুসহ আনুষঙ্গিক সব নির্মাণ কাজ সাত মাস আগে শেষ করেছে।

সবচাইতে অবাক ঘটনা এই প্রথম বাংলাদেশ সরকার ফেরত পেয়েছে ৭০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ৮৪৮৬ কোটি টাকা লাগেনি। টাকা খরচ হয়েছে ৭৭৮৬ কোটি টাকা।

জাপানি তিন কোম্পানি শুধু কাজই বুঝিয়ে দিল না সঙ্গে ৭০০ কোটি টাকা ফেরত দিয়ে দিল। এই হল ওদের সততা।

জাপানি তিন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয় ২০১৫ সালের ২৫ নভেম্বর। কাজ শেষ হবে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর।

২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে গাড়ি চলবে। কাঁচপুর চালু হয়েছে মার্চ মাস থেকে আর মেঘনা-গোমতী সেতু চালু হবে ২৫ মে থেকে।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৬৩৪ বার

আপনার মন্তব্য