যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ১৫ Jul, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 03:01am

|   লন্ডন - 10:01pm

|   নিউইয়র্ক - 05:01pm

  সর্বশেষ :

  রক্তের বিনিময়ে হলেও এরশাদের লাশ পল্লী নিবাসেই দাফন করা হবে : রংপুর মেয়র   সব মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একই ডিজাইনের কবর হবে   কংগ্রেসের ভিন্ন বর্ণের নারীদের ‘দেশে ফিরতে’বললেন ট্রাম্প   নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত এরশাদ   ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আসামের মুসলমানরা   ঢাবি ক্যাম্পাসকে প্লাস্টিকমুক্ত ঘোষণা   মর্মান্তিক: মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় বর-কনেসহ নিহত ৯   কুমিল্লায় আদালতের ভেতর আসামির ছুরিকাঘাতে আসামির মৃত্যু   দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে বাংলাদেশের তিন চুক্তি স্বাক্ষর   সুইডেনে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯   ইংল্যান্ডের প্রথম বিশ্বকাপ জয়   এরশাদের মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া জানাতে সময় লাগবে বিএনপির   এরশাদের সন্তানরা কে কী করেন?   বৃহস্পতিবার সোহেল তাজের ‘আনুষ্ঠানিক ঘোষণা’   আফগানিস্তান সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে তোলপাড়

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

অধ্যক্ষ সিরাজকে দেখে আদালতে অজ্ঞান নুসরাতের মা

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৭-১০ ১৪:১১:৩৩

নিউজ ডেস্ক: ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য ও জেরা চলাকালে আসামি অধ্যক্ষ সিরাজউদদৌলাকে দেখে জ্ঞান হারিয়েছেন নুসরাতের মা শিরিন আক্তার।

বুধবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান ও আইনজীবী এম শাহজাহান সাজু ফেনী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি করান।

দুপুর ১২টা থেকে আদালতে শিরিন আক্তারের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছিল। এ সময় বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। আদালতের এজলাসে মাদ্রাসার বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ সিরাজসহ অপর আসামিদের দেখে চিৎকার করে কেঁদে ওঠে বেলা আড়াইটার দিকে জ্ঞান হারান তিনি।

এ দিকে বিকেলে ফেনী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের ডাক্তার শাহনেওয়াজ সিরাজ মামুন জানান, শিরিন আক্তার সুস্থ রয়েছেন।

মামলায় হাজিরার জন্য সকাল ১১টার দিকে ১৬ আসামিকে ফেনী কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। চাঞ্চল্যকর এ মামলার শুনানি উপলক্ষে  আদালত ঘিরে ছিল কঠোর নিরাপত্তা। আদালত ভবন এবং বিচারকক্ষে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।

গত ২৭ জুন থেকে মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরে নুসরাতের বান্ধবী নিশাত সুলতানা ও সহপাঠী নাসরিন সুলতানা, মাদ্রাসার পিয়ন নুরুল আমিন, নৈশপ্রহরী মো. মোস্তফা, কেরোসিন বিক্রেতা লোকমান হোসেন লিটন, বোরকা দোকানদার জসিম উদ্দিন ও দোকানের কর্মচারী হেলাল উদ্দিন ফরহাদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিনই এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম চলছে।

গত ৬ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষা কেন্দ্রে গেলে নুসরাতকে ছাদে ডেকে নিয়ে সিরাজউদদৌলার সহযোগীরা নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল মারা যায় নুসরাত।

পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ফেনীর পরিদর্শক মো. শাহ আলম আদালতে ১৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেন।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৭৯ বার

আপনার মন্তব্য