যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 06:35am

|   লন্ডন - 12:35am

|   নিউইয়র্ক - 07:35pm

  সর্বশেষ :

  ভারত সীমান্তে ২৩ দিনে ১০ বাংলাদেশি নিহত   খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ‘বিশেষ আবেদন’   বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংঘাতে ছয় বছরে নিহত ৬৩৫   ‘আইসিজের রায়ে শুধু রোহিঙ্গা নয়, বাংলাদেশেরও বিজয় হয়েছে’   দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছি: প্রধানমন্ত্রী   করোনা নিয়ন্ত্রণে চীনের দশ শহরে গণপরিবহন ও মন্দির বন্ধ   আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ প্রত্যাখ্যান করলো মিয়ানমার   জার্মানিতে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৬   হারাম উপার্জন সন্তানের ওপর প্রভাব ফেলে   ইরানি ব্যবসায়ীদের ভিসা দেয়া বন্ধ করল আমেরিকা   ডাক্তারদের রোগী দেখার ফি নির্ধারণ করবে সরকার   রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যা করা হয়েছে তা গণহত্যার শামিল: আইসিজে   বাংলাদেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা উদ্বেগজনক : টিআইবি   ছড়াকার সুফিয়ান চৌধুরী স্বদেশ যাত্রা করবেন ৩০ জানুয়ারি   শাশুড়ির জ্বালায় পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা!

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

বক্তৃতার নামে টাকা লোপাট : সিইসিসহ কমিশনারদের পদত্যাগ দাবি টিআইবির

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৮-০৬ ১৪:৫১:৫৯

নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সংসদ ও উপজেলা নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণের নামে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ ও পদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সংবাদে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একইসাথে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ও মর্যাদা পুনরুদ্ধারের স্বার্থে অভিযুক্তদের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি করা হয়। পাশাপাশি উত্থাপিত অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিতের জোর দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ও অন্য পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ‘বিশেষ বক্তা’, ‘কোর্স উপদেষ্টা’ ও ‘কোর্স পরিচালক’ হিসেবে বিপুল অংকের অর্থ ‘সম্মানি’ ও ‘ভাতা’ হিসেবে গ্রহণ করেছেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত এরূপ সংবাদে হতাশা ও উদ্বেগ প্রকাশ করছি।

বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ কর্তৃক এ ধরনের কার্যক্রম সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অনভিপ্রেত। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে পুরো একটি কমিশনের পদস্থ প্রায় সকল কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ নজিরবিহীন। এছাড়া এ ধরনের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ না করেই সম্পৃক্ততার নামে জনগণের করের অর্থ আদায় একদিকে রীতিমতো আইনের গুরুতর লঙ্ঘণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও সুস্পষ্ট দুর্নীতি।

অপরদিকে যোগসাজসের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা অর্জনের বিস্ময়কর নজির। যা এ পর্যায়ের সাংবিধানিক পদাধিকারী ও অন্যান্য পদস্থ কর্মকর্তাদের নিকট কোনভাবেই কাম্য নয়। এ অনৈতিক ঘটনা রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুত প্রকল্পের ‘বালিশ দুর্নীতি’-কেও ম্লান করে দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের মত রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পুরো কমিশনকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে উল্লেখ করে ড. জামান বলেন, প্রতিষ্ঠানটির সাংবিধানিক মর্যাদা পুনরুদ্ধারের স্বার্থে গুরুতর অনিয়ম ও নৈতিক স্থলনের জন্য সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল হিসেবে দায় গ্রহণ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনারগণের অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত সকল অভিযোগের যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, সাম্প্রতিক বিভিন্ন নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন যেখানে জনপ্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এমন সময়ে কমিশনের কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নৈতিক স্থলনজনিত এহেন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পুরো কমিশনের জন্য আস্থার সংকট আরো ঘনীভূত করল। এ পর্যায়ে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই সিইসি এবং কমিশনারদের অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। তদন্তের মাধ্যমে জড়িত প্রত্যেককেই জবাবদিহিতার আওতায় এনে প্রতিষ্ঠানটির সাংবিধানিক মর্যাদা ও সুনাম পুনরুদ্ধারে সচেষ্ট হতে হবে।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ২৯৩ বার

আপনার মন্তব্য