যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 01:05pm

|   লন্ডন - 07:05am

|   নিউইয়র্ক - 02:05am

  সর্বশেষ :

  ফ্রেন্ডস সোসাইটির অমর একুশে পালন, ক্যাপ্টেন টিলি পার্কে স্থায়ী শহীদ মিনারের দাবী   নিউইয়র্কে ব্যাপক আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন   বিশ্বের ৯৭তম ভাষা সিলেটি, কথা বলেন ১ কোটি ১৮ লাখ   ১ হাজার ৫৯৬ কোটি টাকা নিয়ে পিকে হালদার কানাডায়   বাংলাদেশের সংসদে ভাষণ দেবেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী   দিল্লিতে প্যান্ট খুলে সাংবাদিকের ধর্ম যাচাই   দিল্লিতে মসজিদে আগুন, মিনারে হনুমানের পতাকা   ইসলামিক সন্ত্রাস রুখতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কাজ করে যাব: ট্রাম্প   নয়াদিল্লি রণক্ষেত্র: সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২০   মিসরের সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মোবারকের মৃত্যু   জেল ভেঙ্গে পালালেন ১০০ কয়েদী   আদালতে ইব্রাহিম খালেদ : ১৫৯৬ কোটি টাকার হদিস মিলছে না   উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে ১৪৪ ধারা জারি   ঢাকায় দুই আ’লীগ নেতার বাড়িতে অভিযান, সিন্দুকভর্তি টাকা উদ্ধার   করোনাভাইরাসে মহামারীর শঙ্কা: বিশ্বের আরো প্রস্তুতি প্রয়োজন

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

গরিব বাবার পক্ষে চিকিৎসা করানো সম্ভব না, পচে যাচ্ছে কাবিলের শরীর

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-০৫ ০৩:১৯:১২

নিউজ ডেস্ক: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার ১২ বছর বয়সী কিশোর কাবিল হোসেন অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত। কাবিলের শরীরে পচন ধরেছে। আস্তে আস্তে তা বিস্তার লাভ করেছে সমস্ত শরীরে। বাবা গিয়াস উদ্দিন ব্যাপারী কিছুদিন চিকিৎসাও করিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। আর্থিক সমস্যার কারণে তিনি ছেলের চিকিৎসা করা ছেড়ে দিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোনাতলার পাকুল্লা ইউনিয়নের সরলিয়া গ্রামের বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন ব্যাপারী। যমুনা নদীর চরে বাড়ি ছিল তার। আবাদি জমিও ছিল। কিন্তু রাক্ষুসী যমুনা নদী ভেঙে নিয়ে গেছে। এরপর মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের উপর। তার দুই মেয়ে এক ছেলের মধ্যে ছোট একমাত্র ছেলে কাবিল।
 
কাবিল হোসেন জানায়, স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে কিছুদিন ক্লাস করেছে সে। ক্লাসে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তার সঙ্গে মিশতো না এবং আলাদা করে রাখতো। এ কারণে বিদ্যালয়ে যাওয়া ছেড়ে দিয়েছে কাবিল। এখন সেই যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাাঁধের উপর সবসময় বসে থাকে।

সে আরও জানায়, তার গরিব বাবার পক্ষে তাকে চিকিৎসা করানো সম্ভব নয়। তাই সুস্থ হওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছে সে। সরকারিভাবে যদি চিকিৎসা করানো হয় তাহলে সে স্বপ্ন দেখবে বাঁচার।

কাবিলের বাবা গিয়াস উদ্দিন ব্যাপারী বলেন, ছোট বেলায় কাবিলের পায়ে একটি দাগ হয়। কোনো পোকামাকড় কামড় দিয়েছে মনে করে গুরুত্ব দেইনি। কিন্তু আস্তে আস্তে শরীরে চাকার মতো পচন ধরে বাড়তে থাকে। নিজের সাধ্যের মধ্যে কিছু গ্রাম্য চিকিৎসককে দেখিয়ে চিকিৎসা করিয়েছি। ভালো হওয়ার কোনো লক্ষণ না থাকায় চিকিৎসা করা ছেড়ে দিয়েছি।

তিনি বলেন, তার একমাত্র ছেলেকে যদি সরকারিভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় তাহলে হয়তো সে বাঁচতে পারে। সোনাতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজার রহমান বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ রকম রোগী পাইনি। এখানে আসলে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৩৭৯ বার

আপনার মন্তব্য