যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ০৬ Jun, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 09:19pm

|   লন্ডন - 04:19pm

|   নিউইয়র্ক - 11:19am

  সর্বশেষ :

  এবার বন্ধ হল পুলিশের হাঁটু দিয়ে গলা চেপে ধরা   ট্রাম্পের পেশীশক্তির জবাব দিলেন ওয়াশিংটন মেয়র   এলএপিডি প্রধান মিশেল মুরের পদত্যাগ দাবি   অনলাইন ক্লাশ করতে পারেন যেভাবে   যুক্তরাষ্ট্রে ১৫৪টিসহ মোট ২৬৯টি দোকান বন্ধ করবে ওয়ালমার্ট   করোনায় একদিনে গেল আরও ৩৬ প্রাণ, আক্রান্ত ৬১ হাজার ৪৫   ক্যালিফোর্নিয়ায় আগামী সপ্তাহে স্কুল, জিম ও বার চালু   বর্ণবাদের তীব্র নিন্দা জানালেন পোপ   বর্ণবাদ কি ট্রাম্পের নতুন রাজনৈতিক কৌশল   সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হতে চেয়েছিলেন জর্জ ফ্লয়েড   বিক্ষোভে বৃদ্ধকে পুলিশের ধাক্কা, উত্তপ্ত নিউ ইয়র্ক   দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩০, আক্রান্ত ২৮২৮   চার হাসপাতালে ঘুরে বিনা চিকিৎসায় সিলেটে বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর মৃত্যু   বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত ৬৭ লাখ, মৃত তিন লাখ ৯৩ হাজার   লস এঞ্জেলেসে বন্দুক হামলায় নিহত ১

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

জেলহত্যা দিবস আজ

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-১১-০৩ ১৪:৪৩:০৬

নিউজ ডেস্ক: আজ ৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিরাপদ প্রকোষ্ঠে ঢুকে একদল দুষ্কৃতকারী হত্যা করে জাতীয় চার নেতাকে। পচাঁত্তরের পনেরই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে নির্মম হত্যাকাণ্ডের ৮০ দিনের মাথায় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামরুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলীকে কারাগারের ভেতরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

এর আগে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ঘাতকদের ইচ্ছায় গঠিত মন্ত্রিসভায় যোগদানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এই চার নেতা। যার কারণে বিশ্বাসঘাতক খন্দকার মোশতাক আহমদের শাসনামলে তাদের গ্রেফতার করে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয় এবং এক পর্যায়ে তাদের হত্যার জন্য সেখানে ঘাতকদের পাঠানো হয়। তাদের হত্যা করার আগে সেখানে দায়িত্বরত কারারক্ষীরা বাধা দিলে মোশতাকের পক্ষ থেকে নির্দেশ আসে ঘাতকদের কাজে সহায়তা করার জন্য। ঘাতকরা ভেতরে গিয়ে চার নেতাকে একত্র করে গুলি চালিয়ে ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে।

১৫ আগস্টের খুনিচক্রই জেলহত্যাকাণ্ড ঘটায়। তারা খবর পেয়েছিল, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীরই একটি অংশ পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে। জেলহত্যার মতো ঘটনা ঘটিয়ে তারা বিদেশে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। জেলহত্যার ঘটনা তদন্তে একটি বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠিত হলেও সেটি স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারেনি। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলাও দায়ের হয়েছিল। এর সবকিছুই কার্যত বাতিল বা বন্ধ হয়ে যায় একই বছরের ৭ নভেম্বর আরেকটি সেনা অভ্যুত্থানের ওপর ভর করে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর।

তিনি বঙ্গবন্ধু ও চার নেতা হত্যার ঘটনার তদন্ত ও বিচারের কোনো উদ্যোগ নেননি। বরং এসময় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করা হয়। চার নেতা হত্যার বিচারে কোনও আইনগত বাধা না থাকলেও সে প্রক্রিয়াও বন্ধ ছিল দীর্ঘ ২১ বছর। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ইনডেমনিটি আদেশ বাতিল হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু ও চার নেতার হত্যার বিচারের পথ সুগম হয়।

২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর নিম্ন আদালত এই মামলার রায়ে তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। কিন্তু ২০০৮ সালের ২৮ আগস্ট হাইকোর্টের রায়ে মৃতু্যুদন্ডপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামিকে বেকসুর খালাস এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া চার জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আসামিদের খালাস করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় বাতিল এবং বিচারিক আদালতের দেওয়া সাজা বহাল রাখার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল দুই আসামির মৃত্যুদন্ড বহাল রেখে রায় দেন। এই দুই আসামি পলাতক থাকায় বিচারের রায় কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১২৫ বার

আপনার মন্তব্য