যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 03:14pm

|   লন্ডন - 09:14am

|   নিউইয়র্ক - 04:14am

  সর্বশেষ :

  ৫৯ দেশে করোনাভাইরাস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’   র‌্যাবের গুলিতে পা হারানো সেই লিমন এখন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক   করোনাভাইরাস : ইরানে নিহত ২১০   নিউইয়র্ক পুলিশের লেফটেন্যান্ট হলেন বাংলাদেশি সুমন   ভারত ছাড়ার নোটিশ: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে আইনি সহায়তার ঘোষণা   থমথমে দিল্লী, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪২   ১০ হাজার বাংলাদেশির ওমরাহ অনিশ্চিত, ক্ষতি ৫০ কোটি টাকা   মোদিবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ঢাকা   বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার না করলে জনগণ রাজপথে নামবে: ফখরুল   যুদ্ধাপরাধী-সন্ত্রাসীদের সিটিজেনশিপ কেড়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রে নয়া অফিস   দক্ষিণ কোরিয়ায় একদিনে ৫৭১ জন করোনায় আক্রান্ত   পাপিয়ার সহযোগীদেরও ধরা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ, গ্রেপ্তারের মুখে ভারতীয় নায়িকা   চোখে অশ্রু নিয়ে দিল্লি ছাড়ছে আতঙ্কিত মুসলিমরা   দেশের বেকার সমস্যা সমাধানে বিদেশিকর্মী কমানোর দাবি ডাকসু ভিপির

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

রেলের একটি টয়লেট মেরামতে খরচ ৭৩ লাখ!

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০২০-০১-২১ ১১:২৭:৫৯

নিউজ ডেস্ক:
২০১৭ ও ২০১৮ সালের দুর্নীতির নথিপত্র ফাঁস হওয়ায় পশ্চিম রেলের বর্তমান কর্মকর্তাদের মাঝে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। দুর্নীতির এ সিরিজ প্যাকেজের মোটমূল্য ৭০০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।পশ্চিম রেলে দুই থেকে আড়াই শতাধিক গায়েবি খাতে ৭০০ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। বিভিন্ন স্টেশন পরিষ্কার করতেই ৯৫ লাখ টাকার ভিম পাউডার লেগেছে।এছাড়া ছোট্ট একটি টয়লেট মেরামতে খরচ হয়েছে ২৮ লাখ টাকা। আরেকটি টয়লেট সংস্কারসহ বারান্দার টিন বদলে খরচ হয়েছে ৭৩ লাখ টাকা।রেলের এমন শত শত কাজ টেন্ডার ছাড়াই ক্ষমতাসীন দলের তৃতীয় শ্রেণির ঠিকাদারদের দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো নিয়মই মানা হয়নি।পশ্চিম রেলের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. রমজান আলী ও তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তার সিন্ডিকেট দুর্নীতির এ মহাযজ্ঞের নেতৃত্বে ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবে একটা ছোট অফিসের কয়েকটা টয়লেট মেরামতে একজন ঠিকাদারকে পরিশোধ করা হয়েছে প্রায় ২৮ লাখ টাকা। বারান্দার টিন বদল আর অফিসের টয়লেট মেরামতে আরেকজন ঠিকাদারকে দেয়া হয়েছে ৭৩ লাখ টাকার বিল।নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পশ্চিম রেলের এমন দুই থেকে আড়াই শতাধিক গায়েবি খাতে ৭০০ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক মোর্শেদ আলম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, রেলে দুর্নীতির পরিসর বিস্তৃত ও মাত্রা ভয়াবহ। সীমিত জনবলে এসব অনুসন্ধানে অনেক সময়ের প্রয়োজন। অনুসন্ধান পুরোদমে চলছে। সময় হলে সব জানানো হবে।জানা গেছে, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. রমজান আলীর পুরো মেয়াদে এ ধরনের কাজের মাধ্যমে বিপুল অর্থ লোপাট হয়েছে। রমজান আলী বর্তমানে মোংলা রেল প্রকল্পের পরিচালক।
বিনা টেন্ডারে কাজ দেয়া ও বিপুল অর্থ লোপাটের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে একাধিকবার তাকে ফোন করা হয়। কিন্তু প্রতিবারই ব্যস্ততা দেখিয়ে নিজেই কথা বলবেন বলে জানান; কিন্তু তিনি পরে আর ফোন করেননি।অন্যদিকে টয়লেট মেরামত দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ বিল প্রদানকারী সাবেক সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী ও বর্তমানে সৈয়দপুর সহকারী প্রকৌশলী (সেতু) পদে কর্মরত মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।

পরে কথা বলবেন বলে জানালেও আর ফোন রিসিভ করেননি।এ বিষয়ে মতামত চাইলে রাজশাহীতে রেলভবনে কর্মরত সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী (এসএসইএ) বাবুল আকতার বলেন, বিষয়টি আগের কর্মকর্তার আমলের। তাই এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।সাবেক প্রধান সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন প্রকৌশলী অসীম কুমার তালুকদার বর্তমানে পাকশীর বিভাগীয় ম্যানেজার। তিনিও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।অন্যদিকে পশ্চিম রেলের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মিহির কান্তি গুহ বলেন, ‘মাত্র কিছুদিন আগে দায়িত্ব নিয়েছি। এরই মধ্যে দুদকের কর্মকর্তারা কয়েকবারই এসেছেন এবং তাদের চাহিদামতো নথিপত্র সরবরাহ করা হয়েছে। দুর্নীতি কতটুকু কী পরিমাণ হয়েছে, সেটা আমি এখন বলতে পারছি না।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১৮৫ বার

আপনার মন্তব্য