যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ২৩ মে, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 12:45am

|   লন্ডন - 07:45pm

|   নিউইয়র্ক - 02:45pm

  সর্বশেষ :

  ইতালিতে চার বাংলাদেশির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ   দূতাবাসের মাধ্যমে আগামী নির্বাচনে বিদেশ থেকে ভোট দিতে চান প্রবাসীরা   পুলিৎজারজয়ী ঔপন্যাসিক ফিলিপ রোথ আর নেই   যুক্তরাষ্ট্রের এক শীর্ষ কূটনীতিককে বহিষ্কার করল ভেনেজুয়েলা   মাদকবিরোধী অভিযানের নামে ক্রসফায়ার নিয়ে বিএনপির গভীর সংশয়   অস্ত্রসহ সুন্দরবনের ৫৭ বনদস্যুর আত্মসমর্পণ   মন্ত্রীদের বেতন কমাচ্ছে মালয়েশিয়া   তামিলনাড়ুতে দূষণ বিরুধী বিক্ষোভে গুলি, নিহত ৯   কথিত বন্দুকযুদ্ধ অব্যাহত, এবার নিহত ৭   চলে গেল মুক্তামনি   দ্বিতীয় বিয়ে বাধ্যতামূলক যেখানে   চীনে মসজিদে মসজিদে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর নির্দেশ   করাচিতে দাবদাহে হিট-স্ট্রোকে ৬৫ জনের মৃত্যু   যুদ্ধক্ষেত্রে সর্বাধুনিক এফ-৩৫ উড়িয়েছে ইসরায়েল   মিলানে ছাত্রলীগের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

৪৮ ঘণ্টায়ও সন্ধান মেলেনি নর্থ-সাউথের শিক্ষক মুবাশ্বারের

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৭-১১-০৯ ১১:৩১:৪৯

নিউজ ডেস্ক: নিখোঁজ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পরও সন্ধান মেলেনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ-সাউথের সহকারী অধ্যাপক মুবাশ্বার হাসান সিজারের। তার ফিরে আসার  অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও স্বজনেরা। তারা যে কোনও মূল্যে মুবাশ্বারকে ফেরত চান। এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, তারা মুবাশ্বারের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে অনুসন্ধান করছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সবকটি সংস্থা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) মুবাশ্বারের বাবা ও চাচার সঙ্গে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের কর্মকর্তারা কথা বলেছেন।

খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, ‘আমরা তার সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। কী কারণে বা কারা তাকে তুলে নিয়ে যেতে পারে, তা জানার চেষ্টা চলছে। তার ব্যক্তিগত বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

গত মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সকালে দক্ষিণ বনশ্রীর বাসা থেকে বের হয়ে তিনি নিজের কর্মস্থল নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটিতে যান। সেখান থেকে বিকালে আগারগাঁওয়ের আইডিবি ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্পের একটি মিটিংয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে বের হওয়ার পরপরই নিখোঁজ হন তিনি। ওই দিন সর্বশেষ ৬ টা ৪১ মিনিটেও আগারগাঁও এলাকাতেই ছিল তার অবস্থান।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, মুবাশ্বারকে উদ্ধারের বিষয়ে তারা জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস, ইউএনডিপিসহ আন্তর্জাতিক একাধিক সংস্থা থেকেও তার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাওয়া হয়েছে। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকেও বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে অনুসন্ধান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ কারণে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটগুলো আলাদা আলাদা করে মুবাশ্বারকে উদ্ধারের চেষ্টা করছে।

মুবাশ্বারকে দুর্বৃত্তরা অপহরণ করতে পারে বলে মনে করছেন না পরিবারের সদস্যরা। তারা জানান, অপহরণ করা হলে সাধারণত অপহরণকারীরা পরিবারের সদস্যদের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে থাকে। কিন্তু বৃহস্পতিবারও মুবাশ্বারের পরিবারের কাউকে ফোন করে কোনও মুক্তিপণ চাওয়া হয়নি। পরিবারের সদস্যরা ধারণা করছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনও ইউনিট হয়তো অজ্ঞাত কোনও কারণে তাকে আটক করে থাকতে পারে। তবে কী কারণে তাকে আটক করা হতে পারে, সে বিষয়ে কোনও ধারণা দিতে পারেননি কেউ।

পরিবারের সদস্যরা জানান, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড সোসিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা করার পাশাপাশি মুবাশ্বার ইউএনডিপিতেও কাজ করতেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একসেস টু ইনফরমেশন- এটুআই প্রকল্পের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। এছাড়া, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের বিস্তার এবং রাজনীতিতে ধর্মীয় সম্পৃক্ততার বিষয় নিয়ে গবেষণা করতেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করা মুবাশ্বার বছরতিনেক সাংবাদিকতাও করেছেন। পরে বৃটেন ও অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন।

মুবাশ্বারের এক স্বজন জানান, জঙ্গিবাদ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে কোনও পক্ষের সঙ্গে তার কোনও মতবিরোধ হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি। একারণে কোনও পক্ষ তাকে তুলে নিতে পারে। তবে ঢাকার কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, তিনি অ্যান্টি টেরোরিজম নিয়ে কাজ করেন। ফলে মতবিরোধ হওয়ার কোনও কারণ তারা খুঁজে পাচ্ছেন না।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, আমরা মুবাশ্বারকে উদ্ধারের আপ্রাণ চেষ্টা করছি। তাকে উদ্ধার করতে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকেও চাপ রয়েছে। তাকে উদ্ধারে একাধিক টিম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করছে।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১১৮ বার

আপনার মন্তব্য