যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 10:10am

|   লন্ডন - 05:10am

|   নিউইয়র্ক - 12:10am

  সর্বশেষ :

  জামাল খাশোগি হত্যায় জড়িত ট্রাম্পের জামাতাও!   রাশিয়ার সঙ্গে পরমাণু অস্ত্র চুক্তি ছিন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র   হাইকোর্টে রিট করার পর সিলেটে সমাবেশের অনুমতি পেল ঐক্যফ্রন্ট   একজন আইয়ুব বাচ্চু ও একটি অপ্রকাশিত ঘটনা!   কুরআন মুখস্থ করলে শাস্তি কমবে কারাবন্দীদের   ১২১ কোটি টাকা আয়কর অব্যাহতি চায় কৃষি ব্যাংক   তাইওয়ানে ট্রেন লাইনচ্যুত, নিহত ২২   দারুণ জয় দিয়ে সিরিজ শুরু টাইগারদের   গ্রেটার ওয়াশিংটনে শারদীয় দূর্গা উৎসব   আমি যেন এক ধূর্ত ভলপোনি   পনের আগস্ট অতপর   মঙ্গলবার চীনে উদ্বোধন হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু   ওয়াশিংটনে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত   ঢাকায় সরকারি চাকরিতে বয়স বৃদ্ধির দাবির সমাবেশে পুলিশের লাঠিচার্জ   এরদোগানকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে যাচ্ছেন সালমান?

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

রোহিঙ্গা সংকট দ্রুতগতিতে বাড়ছে, জরুরি সহায়তা প্রয়োজন : বিশ্বব্যাংক

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-২০ ১২:০৪:৪৯

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু সংকট দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বন্ধে এবং মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া এসব রোহিঙ্গার জন্য জরুরি সহায়তা প্রয়োজন। শনিবার ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট এ্যানেট ডিক্সন কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরগুলো পরির্দশন শেষে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং জনগণের প্রশংসা করেছেন।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক কক্সবাজারে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দাতা এবং রোহিঙ্গা উদ্বস্তুদের সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।

ডিক্সন বলেন, অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গার সংখ্যা অনেক। কক্সবাজারের পাবর্ত্য এলাকায় যতদুর চোখ যায়, ততোদুর পর্যন্ত লাইনের পর লাইন শুধু প্লাস্টিক শিট এবং বাশের তৈরি ছোট ছোট ঘর চোখে পড়ে। এতে অবকাঠামো এবং পানি সম্পদ ও পরিবেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে নানা ধরনের রোগ ব্যাধি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে বাংলাদেশকে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ডিক্সন রোহিঙ্গা শিবিরগুলো পরির্দশন করেন এবং এ সময় রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলেন। তিনি এলাকার রেজিস্ট্রেশন কেন্দ্র, স্বাস্থ্য ও খাদ্য বিতরণ কেন্দ্র, শিশু কেন্দ্র ও নারী বান্ধব স্থানগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন। এসব ব্যবস্থা রোহিঙ্গাদের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে, তবে স্বাভাবিক জীবন পুনরায় শুরু করতে আরো সহায়তার প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ এসব অসহায় রোহিঙ্গাদের জন্য বিশাল উদারতা দেখিয়েছে। সংকট দেখা দেয়ার সাথে সাথে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা ও উন্নয়ন অংশীদার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তাদের এই সহায়তায় হাজার হাজার রোহিঙ্গার জীবন বাঁচিয়েছে। তবে রোহিঙ্গাদের জন্য আরো সহায়তার প্রয়োজন। সরকার সাহায্যের আবেদন জানালে আমরা স্থানীয় জনগণ ও রোহিঙ্গাদের জন্য আরো সাহায্য সংগ্রহ করতে পারি। এতে স্থানীয় জনগণ ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সকলেই এর সুফল পাবে।

ডিক্সন কক্সবাজারে রোহিঙ্গা জনগণের সহায়তায় কাজ করছে, এমন স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন বাংলাদেশী ও আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১১৩৪ বার

আপনার মন্তব্য