যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 12:38pm

|   লন্ডন - 06:38am

|   নিউইয়র্ক - 01:38am

  সর্বশেষ :

  গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় উত্তর আমেরিকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন   মিলানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত   ভারতীয় সেনাপ্রধানের মুসলিমবিরোধী বক্তব্যে তোলপাড়   পেরুতে দ্বিতল বাস খাদে পড়ে নিহত ৪৪   বিনোদনে ৬৪০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে সৌদি আরব   খালেদা জিয়ার অর্থদণ্ড স্থগিত, জামিন শুনানি রোববার   স্কুলে হামলা ঠেকাতে শিক্ষকদের অস্ত্র দেওয়ার প্রস্তাব ট্রাম্পের   বাংলাদেশে দুর্নীতির মাত্রা অধিক ও উদ্বেগজনক : টিআইবি   বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার দাবি   আজ বিশ্ব স্কাউট দিবস   নিউইয়র্কে কুষ্টিয়া জেলা সমিতির পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন   রোমে প্রথম প্রহরে একুশ উদযাপন   আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে সিডনীতে বইমেলা   বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র চলছে : নিউইয়র্কে প্রবাসী নাগরিক সমাজের মুক্ত আলোচনা   ফ্রান্স আওয়ামীযুবলীগের সভা অনুষ্ঠিত

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

খালেদা জিয়ার ৫ বছরের জেল

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০২-০৮ ০৩:৫৪:২৯

নিউজ ডেস্ক: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এ ছাড়া দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য পাঁচ আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান পুরান ঢাকার বকশীবাজারস্থ অস্থায়ী আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি ১৬ কার্যদিবসে আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ঠিক করেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়া উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া গ্রেপ্তার প্রাক্তন এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদকে আদালতে হাজির করা হয়।

মামলায় ১০ বছর করে যাদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান, প্রাক্তন এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রাক্তন সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন দুদক কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট ওই কর্মকর্তাই খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ওই বছরের ১২ আগস্ট মামলাটি বিচারিক আদালতে যায়।

চার্জশিট দাখিল হওয়ার পর ওই বছর ৭ সেপ্টেম্বর পুরান ঢাকার সদরঘাটস্থ মহানগর দায়রা জজ আদালতে প্রাক্তন এ প্রধানমন্ত্রী প্রথম মামলাটিতে হাজিরা দেন। ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে মামলাটি বিচার শুরুর জন্য পাঠানো হয়। এরপর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ সকল আসামির বিরুদ্ধে ওই আদালতের তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় চার্জ গঠন করেন। একইসঙ্গে খালেদা জিয়ার অব্যাহতির আবেদন নাকচ করেন।

ওই বছরের ৫ মে মামলাটি পুরান ঢাকার সদরঘাটের আদালত থেকে বকশীবাজারস্থ আলিয়া মাদ্রাসার মাঠের অস্থায়ী আদালতে স্থানান্তর করা হয়। ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়ে ২০১৭ সালের ১২ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়।

একই বছরের ১৯ অক্টোবর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সাতটি ধার্য তারিখে খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থনে প্রায় নয় ঘণ্টা বক্তব্য আদালতে উপস্থাপন করেন। সর্বশেষ ৫ ডিসেম্বর তিনি নিজেকে নির্দোষ ও খালাস পাওয়ার যোগ্য বলে দাবি করেন।

২০১৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর মামলাটিতে যুক্তিতর্ক শুরু হয়। ওই দিন দুদকের পক্ষে দুই ঘণ্টা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে তা শেষ করা হয়। এরপর খালেদা জিয়ার পক্ষে ওই বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ১০টি ধার্য তারিখে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। কারাগারে থাকা আসামি শরফুদ্দিন আহমেদ ও সলিমুল হক কামালের পক্ষে ১৭ জানুয়ারি থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত পাঁচটি ধার্য তারিখে যুক্তি উপস্থাপন শেষে ৮ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার দিন ঠিক করা হয়।

আদালতের নথির হিসেবে অনুযায়ী, মামলাটি বিচারিক আদালতে আট বছর পাঁচ মাস ২৬ দিনে মোট ২৩৬টি ধার্য তারিখ পর রায় হলো।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি 

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৬৫০ বার

আপনার মন্তব্য